পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বাক্য, বাগধারা, বাক্য সংকোচন। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
বাক্যের মধ্যে একাধিক শব্দের গুচ্ছকে কী বলে?
  1. ক) বর্ণ
  2. খ) বর্গ
  3. গ) পদ
  4. ঘ) শব্দ
ব্যাখ্যা

বাক্যের বর্গ: বাক্যের মধ্যে একাধিক শব্দ দিয়ে গঠিত বাক্যাংশকে বর্গ বলে। বর্গ হলো ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত শব্দের গুচ্ছ। বর্গকে বলা যায় বাক্যের একক, কেননা মানুষ কথা বলতে গিয়ে শব্দের পরে শব্দ না বসিয়ে প্রায়ই পরে বর্গ বসায়।
যেমন,
মালা ও মায়া খুব সকালে বাড়ির সামনে থাকা স্কুল-বাসে উঠে পড়ল।

- এই বাক্যে 'মালা ও মায়া', 'খুব সকালে', 'বাড়ির সামনে থাকা', 'স্কুল-বাসে', 'উঠে পড়ল' প্রভৃতি শব্দগুচ্ছ এক একটি বর্গ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

.
'বালির বাঁধ' -এর সমার্থক বাগ্‌ধারা কোনটি?
  1. ক) ননীর পুতুল
  2. খ) অন্ধের নড়ি
  3. গ) তাসের ঘর
  4. ঘ) ভূতের বেগার
ব্যাখ্যা
বালির বাঁধ, তাসের ঘর 'ক্ষণস্থায়ী বস্তু' অর্থে ব্যবহৃত বাগ্‌ধারা।

অন্যদিকে,
ননীর পুতুল -শ্রমবিমুখ।
অন্ধের নড়ি - একমাত্র অবলম্বন।
ভূতের বেগার - অযথা শ্রম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'অহঙ্কার' অর্থে কোন বাগ্‌ধারাটি সঠিক?
  1. ক) বকধার্মিক
  2. খ) ডাকাবুকো
  3. গ) কূপমন্ডূক
  4. ঘ) পায়া ভারি
ব্যাখ্যা
পায়া ভারি বাগধারার অর্থ অহঙ্কার।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা:
কূপমন্ডূক = সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
ডাকাবুকো = নির্ভীক।
কাকভূষণ্ডী - দীর্ঘজীবী।
পায়া ভারি - অহঙ্কার।
কানকাটা - বেহায়া।
বকধার্মিক - ভণ্ড।

উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
.
'যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না বা দেখে না।' - বাক্যটির সংকুচিত রূপ কোনটি?
  1. ক) অপরিণামদর্শী
  2. খ) কুম্ভলীক
  3. গ) অবিমৃষ্যকারী
  4. ঘ) অকৃতদার
ব্যাখ্যা
বাক্য সংকোচন:
- যে অপরের লেখা চুরি করে নিজ নামে চালায় - কুম্ভীলক।
- যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে - অবিমৃষ্যকারী।
- যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না - অপরিণামদর্শী।
- যে পুরুষ বিয়ে করে নি - অকৃতদার।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
একটি মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ থাকলে তাকে কোন বাক্য বলে?
  1. ক) সরল বাক্য
  2. খ) যৌগিক বাক্য
  3. গ) জটিল বাক্য
  4. ঘ) সক্রিয় বাক্য
ব্যাখ্যা
গঠনগত দিক বাক্যকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন,
- সরল বাক্য,
- জটিল বাক্য,
- যৌগিক বাক্য।

সরল বাক্যঃ একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন,
জেসমিন সবার জন্য চা বানিয়েছে।

জটিল বাক্যঃ একটি মূল বাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য বা বাক্যাংশ থাকলে জটিল বাক্য তৈরি হয়।
যেমন-
যদি তোমার কিছু বলার থাকে, তবে এখনই বলে ফেলো।

যৌগিক বাক্যঃ এক বা একাধিক বাক্য বা বাক্যাংশ যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করে।
যেমন-
রহমত রাতে রুটি খায় আর রহিমা খায় ভাত।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'সে এখানে এসেই বসে পড়ল' -এ বাক্যটির যৌগিক রূপ কি হবে?
  1. ক) সে এখানে এসে বসলো।
  2. খ) সে এখানে এসে বসে পড়ল।
  3. গ) সে এখানে এসে বসেছে।
  4. ঘ) সে এখানে এল, তারপরে বসে পড়ল।
ব্যাখ্যা
যৌগিক বাক্য: দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
এবং,  ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু,অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
কমা(, ), সেমিকোলন(ঃ), কোলন( ; ), ড্যাশ( -) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।

যৌগিক বাক্যে একাধিক সমাপিকা ক্রিয়ার প্রয়োজন হয়। এজন্য সরলবাক্যকে যৌগিক বাক্য করতে হলে সরল বাক্যের মাঝখানের অসমাপিকা ক্রিয়াকে সমাপিকা ক্রিয়া রূপান্তর করতে হয়। সরল বাক্যে একটি মাত্র ক্রিয়া থাকলে যৌগিক বাক্য গঠনের সময়ে আরেকটি ক্রিয়া তৈরি করে নিতে হয়।
যেমনঃ
সরল বাক্যঃ তুমি চেষ্টা না করায় ব্যর্থ হয়েছ।
যৌগিকবাক্যঃ তুমি চেষ্টা করোনি, তাই ব্যর্থ হয়েছ।

'সে এখানে এসেই বসে পড়ল' -এ বাক্যটির যৌগিক রুপ  'সে এখানে এল, তারপরে বসে পড়ল'।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।