পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৭১
সিলেবাস
Exam - 30 Final Model Test-4 topic: Full syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৭১ প্রশ্ন

.
কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে, সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে?
  1. ২ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ আইনের ৫ ধারায় উল্লেখ আছে, কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে ৪ ধারায় উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হবে। অর্থাৎ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের জন্য প্রদত্ত শাস্তিই পাবে।

ধারা ৪ অনুযায়ী, আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের শাস্তি হিসেবে দেয়া আছে-
 
(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷ 

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে৷

ধারা ৫- অপরাধ সংঘটনের সহায়তার শাস্তি
 কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করিলে তিনি ধারা ৪-এ উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

অর্থাৎ কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করলে, উক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর এবং সর্বনিম্ন ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।
.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন প্রতারণা বলতে অন্তর্ভুক্ত হবে-
  1. দণ্ডবিধিতে উল্লিখিত প্রতারণা
  2. চুক্তি আইনের ১৭ ধারায় বর্ণিত প্রতারণা
  3. তামাদি আইনের ১৮ ধারায় উল্লিখিত প্রতারণা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইনের ১৭ ধারায় বর্ণিত প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইনের ১৭ ধারায় বর্ণিত প্রতারণা
ব্যাখ্যা
• মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২(১১) অনুসারে,

‘‘প্রতারণা’’ (fraud) অর্থ ঘটনা বা আইন লইয়া ইচ্ছাকৃত বা দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে কথা বা আচরণ বা লিখিত কোন চুক্তি বা দলিল দ্বারা-
⇒  অন্যকে প্রতারিত (to defraud) করা, বা
⇒ প্রলুদ্ধ (to induce) বা
⇒ ভুল পথে পরিচালিত করা এবং প্রতারণাকারী ব্যক্তি বা
⇒ অন্য কোন ব্যক্তির অভিপ্রায়কে কেন্দ্র করিয়া সংঘটিত প্রবঞ্চনা (deception) এবং
চুক্তি আইন, ১৮৭২ (১৮৭২ সনের ৯নং আইন) এর ধারা ১৭ এ যেই অর্থে ”Fraud” অভিধাটি ব্যবহৃত হইয়াছে তাহাও ইহার অন্তর্ভুক্ত হইবে।
.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৪(১) ধারায় প্রদত্ত সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. অনধিক চৌদ্দ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. অনধিক দশ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০ এর ৪(১) ধারায় 'দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার' শাস্তির বিধান রয়েছে। উক্ত ধারানুসারে,

⇒ সর্বোচ্চ শাস্তি- মৃত্যুদণ্ড;
⇒ সর্বনিম্ন শাস্তি- যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড;
⇒ অর্থদণ্ড- অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা।

ধারা ৪- দহনকারী, ইত্যাদি পদার্থ দ্বারা সংঘটিত অপরাধের শাস্তি:

(১) যদি কোন ব্যক্তি দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী বা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীকে এমনভাবে আহত করেন যাহার ফলে উক্ত শিশু বা নারীর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয় বা শরীরের কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হয় বা তাহার শরীরের অন্য কোন স্থান আহত হয়, তাহা হইলে উক্ত শিশুর বা নারীর-

(ক) দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট বা মুখমণ্ডল, স্তন বা যৌনাংগ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) শরীরের অন্য কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার বা শরীরের কোন স্থানে আঘাত পাওয়ার ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যক্তি অনধিক চৌদ্দ বৎসর কিন্তু অন্যূন সাত বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ হাজার টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৩) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ কোন শিশু বা নারীর উপর নিক্ষেপ করেন বা করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি, তাহার উক্তরূপ কার্যের দরুণ সংশ্লিষ্ট শিশু বা নারীর শারীরিক, মানসিক বা অন্য কোনভাবে কোন ক্ষতি না হইলেও, অনধিক সাত বৎসর কিন্তু অন্যূন তিন বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ হাজার টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৪) এই ধারার অধীন অর্থদণ্ডের অর্থ প্রচলিত আইনের বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত ব্যক্তির নিকট হইতে বা তাহার বিদ্যমান সম্পদ, বা তাহার মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সময় রাখিয়া যাওয়া সম্পদ হইতে আদায় করিয়া অপরাধের দরুণ যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটিয়াছে তাহার উত্তরাধিকারীকে বা, ক্ষেত্রমত, যেই ব্যক্তি শারীরিক বা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হইয়াছেন, সেই ব্যক্তিকে বা সেই ব্যক্তির মৃত্যুর ক্ষেত্রে, তাহার উত্তরাধিকারীকে প্রদান করা হইবে।
.
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার নিয়োগের সুপারিশের জন্য বাছাই কমিটির সদস্য নয় কে?
  1. সরকারী কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান
  2. বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  3. পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান
  4. অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের মধ্যে সর্বশেষে অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ব্যক্তিদের মধ্যে 'পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান',  দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার নিয়োগের সুপারিশের জন্য বাছাই কমিটির সদস্য নয়।

• দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ : ধারা ৭- বাছাই কমিটি:

(১) কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে নিম্নবর্ণিত পাঁচ জন সদস্য সমন্বয়ে একটি বাছাই কমিটি গঠিত হইবে, যথা:- 
(ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের একজন বিচারক; 
(খ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক; 
(গ) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক; 
(ঘ) সরকারী কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান; এবং 
(ঙ) অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের মধ্যে সর্বশেষে অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অব্যবহিত পূর্বের অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
 
আরও শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ কোন অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে বর্তমানে কর্মরত মন্ত্রিপরিষদ সচিব৷ 
 
(২) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারক বাছাই কমিটির সভাপতি হইবেন।
 
(৩) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাছাই কমিটির কার্য-সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবে৷ 
 
(৪) বাছাই কমিটি, কমিশনার নিয়োগে সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে, উপস্থিত সদস্যদের অন্যুন ৩ (তিন) জনের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে দুই জন ব্যক্তির নামের তালিকা প্রণয়ন করিয়া ধারা ৬ এর অধীন নিয়োগ প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করিবে৷ 

(৫) অন্যুন ৪ (চার) জন সদস্যের উপস্থিতিতে বাছাই কমিটির কোরাম গঠিত হইবে৷
.
নিজ অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত কোনো তথ্য সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করলে, জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালক তা ব্লক করার জন্য কাকে অনুরোধ করতে পারেন?
  1. জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সিকে
  2. কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমকে
  3. বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে
  4. জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা কাউন্সিলকে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩

ধারা ৮- কতিপয় তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার ক্ষমতা:

(১) জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির মহাপরিচালকের নিজ অধিক্ষেত্রভুক্ত কোনো বিষয়ে ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য- উপাত্ত সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকি সৃষ্টি করিলে তিনি উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত, ব্লক করিবার জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে, অতঃপর বিটিআরসি বলিয়া উল্লিখিত, অনুরোধ করিতে পারিবেন।

(২) যদি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিকট তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ সাপেক্ষে, বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য-উপাত্ত দেশের বা উহার কোনো অংশের সংহতি, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ বা জনশৃঙ্খলা ক্ষুণ্ণ করে, বা জাতিগত বিদ্বেষ ও ঘৃণার সঞ্চার করে, তাহা হইলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করিবার জন্য, মহাপরিচালকের মাধ্যমে, বিটিআরসিকে অনুরোধ করিতে পারিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এর অধীন কোনো অনুরোধ প্রাপ্ত হইলে বিটিআরসি, উক্ত বিষয়াদি সরকারকে অবহিতক্রমে, তাৎক্ষণিকভাবে উক্ত তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা, ক্ষেত্রমত, ব্লক করিবে।

(৪) এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়াদি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন আটককৃতদের গ্রেফতারের কারণ পর্যালোচনার জন্য সরকার ৯ ধারার অধীন কয় সদস্যবিশিষ্ট উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন করবেন?
  1. ৫ সদস্যবিশিষ্ট
  2. ৩ সদস্যবিশিষ্ট
  3. ৭ সদস্যবিশিষ্ট
  4. ৬ সদস্যবিশিষ্ট
সঠিক উত্তর:
৩ সদস্যবিশিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ সদস্যবিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
উপদেষ্টা পর্ষদঃ

বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন আটককৃতদের গ্রেফতারের কারণ পর্যালোচনার জন্য সরকার ৯ ধারার অধীন তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন করবেন।

সদস্যগণ:
⇒ ২জন সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন/আছেন/হওয়ার যোগ্য এমন হতে হবে, এবং এই দুজনের মধ্যে একজন চেয়ারম্যান হবেন।
⇒ বাকী ১জন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত সিনিয়র কর্মকর্তা থেকে হবে।
 
১০ ধারার অধীন সরকার কাউকে আটকের ১২০দিনের মধ্যে গ্রেফতারের কারণ সম্বলিত একটি রিপোর্ট উপদেষ্টা পর্ষদের নিকট প্রেরণ করবে এবং ১১ ধারার অধীন উপদেষ্টা পর্ষদ আটকের সর্বোচ্চ ১৭০ দিনের মধ্যে সরকারকে প্রতিবেদন পাঠাবে।
 
⇒ আটকটি বাতিল না হলে, প্রতি ৬ মাসে তা একবার করে পর্ষদ কর্তৃক রিভিউ করতে হবে (ধারা ১২)।

⇒ তবে, সরকার চাইলে যেকোন সময় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারবে (ধারা ১৩)।
.
শিশু-আদালত বিচার প্রক্রিয়া সমাপ্ত হওয়ার কত কর্মদিবসের মধ্যে বিচারের ফলাফল সম্পর্কে প্রবেশন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অবহিত করবে?
  1. ৫ কর্মদিবসের মধ্যে
  2. ৭ কর্মদিবসের মধ্যে
  3. ১৪ কর্মদিবসের মধ্যে
  4. ১০ কর্মদিবসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৭ কর্মদিবসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ কর্মদিবসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন,২০১৩ এর ধারা ৪০ এর বিধান অনুসারে, শিশু-আদালত বিচার প্রক্রিয়া সমাপ্ত হওয়ার ৭ কর্মদিবসের মধ্যে বিচারের ফলাফল সম্পর্কে শিশুর অভিভবক, আইনজীবী এবং প্রবেশন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অবহিত করবে

ধারা ৪০- বিচারের ফলাফল ও মুক্তি সম্পর্কে তথ্য:

(১) বিচার প্রক্রিয়া সমাপ্ত হইবার ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে শিশু-আদালত বিচারের ফলাফল সম্পর্কে শিশু, শিশুর মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য, শিশুর আইনজীবী ও প্রবেশন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে। 
 
(২) কোন শিশু মুক্তিপ্রাপ্ত হইলে শিশু-আদালত তাহার মুক্তি প্রদানের তথ্য, তদ্‌কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অধিদপ্তর, প্রবেশন কর্মকর্তা বা আইনজীবীর মাধ্যমে অথবা সরাসরি উক্ত শিশু ও তাহার মাতা-পিতাকে এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্যকে অবহিত করিবে। 
 
(৩) কোন মামলায়, উপ-ধারা (২) এর অধীন, কোন শিশু মুক্তিপ্রাপ্ত হইলে এবং উক্ত মামলায় আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশু জড়িত থাকিলে, শিশু-আদালত সংশ্লিষ্ট মুক্তি প্রদানের তথ্যটি, তদ্‌কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অধিদপ্তর, প্রবেশন কর্মকর্তা বা আইনজীবীর মাধ্যমে অথবা সরাসরি আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু ও তাহার মাতা-পিতাকে এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্যকে অবহিত করিবে।
.
The Constitution Drafting Committee of Bangladesh formed in 1972 had -
  1. 35 members
  2. 33 members
  3. 34 members
  4. 38 members
সঠিক উত্তর:
34 members
উত্তর
সঠিক উত্তর:
34 members
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:

- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল পাতা ছিল ৯৩ পৃষ্ঠার।
- স্বাক্ষরসহ সংবিধান ছিল ১০৯ পাতার।
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন। 
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা ছিল 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।
- গণপরিষদের সদস্যরা হস্তলিখিত মূল সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজী লিপিতে স্বাক্ষর করে ১৪-১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
- হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হবে?
  1. ৪র্থ ভাগে
  2. ২য় ভাগে
  3. ৩য় ভাগে
  4. ৫ম ভাগে
সঠিক উত্তর:
২য় ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় ভাগে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতি হলো-
১. জাতীয়তাবাদ [Nationalism];
২. সমাজতন্ত্র [Socialism];
৩. গণতন্ত্র [Democracy];
৪. ধর্মনিরপেক্ষতা [Secularism]।

সেই সাথে উল্লেখ আছে, ২য় ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ-
⇒ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হবে;
⇒ আইনের ব্যাখ্যাদানের নির্দেশক হবে;
⇒ রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হবে।

অনুচ্ছেদ ৮: মূলনীতিসমূহ

(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷

(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না৷
 
Article 8: Fundamental principles-
(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.

(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.
১০.
জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট কোন চুক্তি-
  1. রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হবে না
  2. সংসদের নিকট পেশ করা হবে না
  3. সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হবে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হবে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি-

বিদেশের সহিত সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে, এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সহিত সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হইবে।

Article 145A: International treaties-
All treaties with foreign countries shall be submitted to the President, who shall cause them to be laid before Parliament:

Provided that any such treaty connected with national security shall be laid in a secret session of Parliament
১১.
বিচার বিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্ম সংক্রান্ত বিধি-বিধান-
  1. সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
  2. সংসদের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
  3. রাষ্ট্রপতির পরামর্শক্রমে সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
  4. সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে প্রধান বিচারপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রযুক্ত হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৬: অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা-

বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।
১২.
রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের প্রস্তাবের নোটিশ সংসদ অধিবেশনে কখন আলোচিত হবে?
  1. নোটিশ প্রদানের দিন হতে ৭ দিনের মধ্যে
  2. নোটিশ প্রদানের দিন হতে ৭-১০ দিনের মধ্যে
  3. নোটিশ প্রদানের দিন হতে ১৪-৩০ দিনের মধ্যে
  4. নোটিশ প্রদানের দিন হতে ১৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
নোটিশ প্রদানের দিন হতে ১৪-৩০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোটিশ প্রদানের দিন হতে ১৪-৩০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যেতে পারে ২টি কারণে-
ক) সংবিধান লংঘনের জন্য [For Violating Constitution]
খ) গুরুতর অসদারচরণের জন্য [Of grave misconduct] 

অভিশংসনের পদ্ধতি:

রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুক্ষণ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করে একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করতে হবে। স্পীকারের নিকট অনুরুপ নোটিশ প্রদানের দিন হতে চৌদ্দ (১৪) দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হতে পারবে না এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহ্বান করবে। অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকার এবং প্রতিনিধি প্রেরণের অধিকার থাকবে। অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলে ঘোষণা করে সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করলে, প্রস্তাব গ্রহণ হওয়ার তারিখ হতে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হবে।

অনুচ্ছেদ ৫২: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন-

(১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন।

(২) এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন অভিযোগ তদন্তের জন্য সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত বা আখ্যায়িত কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট সংসদ রাষ্ট্রপতির আচরণ গোচর করিতে পারিবেন।

(৩) অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকিবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকিবে।

(৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করিয়া সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করিলে প্রস্তাব গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবে।

(৫) এই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ-অনুযায়ী স্পীকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব-পালনকালে এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী এই পরিবর্তন-সাপেক্ষে প্রযোজ্য হইবে যে, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পীকারের উল্লেখ ডেপুটি স্পীকারের উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে এবং (৪) দফায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবার উল্লেখ স্পীকারের পদ শূন্য হইবার উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে; এবং (৪) দফায় বর্ণিত কোন প্রস্তাব গৃহীত হইলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে বিরত হইবেন।

Article 52: Impeachment of the President-
(1) The President may be impeached on a charge of violating this Constitution or of grave misconduct, preferred by a notice of motion signed by a majority of the total number of members of Parliament and delivered to the Speaker, setting out the particulars of the charge, and the motion shall not be debated earlier than fourteen nor later than thirty days after the notice is so delivered; and the Speaker shall forthwith summon Parliament if it is not in session. 

(2) The conduct of the President may be referred by Parliament to any court, tribunal or body appointed or designated by Parliament for the investigation of charge under this article. 
 
(3) The President shall have the right to appear and to be represented during the consideration of the charge. 
 
(4) If after the consideration of the charge a resolution is passed by Parliament by the votes of not less than two thirds of the total number of members declaring that the charge has been substantiated, the President shall vacate his office on the date on which the resolution is passed. 
 
(5) Where the Speaker is exercising the functions of the President under article 54 the provisions of this article shall apply subject to the modifications that the reference to the Speaker in clause (1) shall be construed as a reference to the Deputy Speaker, and that the reference in clause (4) to the vacation by the President of his office shall be construed as a reference to the vacation by the Speaker of his office as Speaker; and on the passing of a resolution such as is referred to in clause (4) the Speaker shall cease to exercise the functions of President.
১৩.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৮(২) এর বিষয়বস্তু কি?
  1. সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত
  2. সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
  3. সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার
  4. নাগরিকদের অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন
সঠিক উত্তর:
সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য-

(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না। 

(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।

(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না। 

(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

Article 28: Discrimination on grounds of religion, etc.

(1) The State shall not discriminate against any citizen on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth. 
(2) Women shall have equal rights with men in all spheres of the State and of public life. 
(3) No citizen shall, on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth be subjected to any disability, liability, restriction or condition with regard to access to any place of public entertainment or resort, or admission to any educational institution. 
(4) Nothing in this article shall prevent the State from making special provision in favour of women or children or for the advancement of any backward section of citizens.
১৪.
"Doctrine of Locus poenitentiae” এর সাথে জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর কোন ধারা সম্পর্কিত?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ২১
  3. ধারা ২২
  4. ধারা ২৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
ব্যাখ্যা
জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ২১ ধারায় 'Doctrine of Locus poenitentiae' আলোচনা করা হয়েছে। এর অর্থ- কোন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা।

ধারা-২১: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।

Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.
১৫.
The Maxim 'Ignorantia facti excusat' means-
  1. Ignorance of fact is an excuse
  2. Ignorance of law is an excuse
  3. Ignorance of fact is no excuse
  4. Ignorance of law is no excuse
সঠিক উত্তর:
Ignorance of fact is an excuse
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ignorance of fact is an excuse
ব্যাখ্যা
• Ignorantia facti excusat : Ignorance of fact is an excuse.

Definition: This means that if someone does something wrong because they didn't know all the facts, they might not be punished for it.

ঘটনাগত ভুল (Mistake of Fact)

ঘটনাগত ভুল বা Mistake of Fact হলো অঘটনজনিত কোন ভুল এটা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী কোন ভুল না। দণ্ডবিধির ৭৬ ধারায় বলা হয়েছে-
'কোন কিছু অপরাধ না যা সম্পাদিত হয় এমন ব্যক্তি দ্বারা যে আইনগত ভুলের কারণে নয় বরং ঘটনাগত ভুলের কারণে সরল বিশ্বাসে নিজেকে কাজটি করতে আইনবলে বাধ্যবলে বিশ্বাস করে।'

যেমন- পুলিশ 'A'- কে 'B' মনে করে সরল বিশ্বাসে 'B' কে গ্রেফতার করে। এটা Mistake of Fact বা ঘটনাগত ভুল এবং এটা কোন অপরাধ বলে গণ্য হবে না। ঘটনার অজ্ঞতা বা ঘটনা জানি না ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতির অজুহাত হতে পারে (ignorance of fact is excusable)।

উল্লেখ্য,
আইনগত ভুল বা Mistake of Law অর্থ হলো কোন প্রাসঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে বিদ্যমান আইন বা অন্যভাবে কোন আইন সম্পর্কে ভুল ধারণা এবং একই সাথে আইন কি সেই সম্পর্কে ভুল ধারণা। আইন জানিনা এই কারণে কোন ব্যক্তি ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতি পেতে পারে না কারণ আইন জানিনা এটা ফৌজদারী দায় হতে অব্যাহতি পাওয়ার কোন অজুহাত হতে পারে না (Ignorance of law is no excuse)।
১৬.
'The Prime Minister shall keep the President informed on matters of domestic and foreign policy.' - বিধানটি বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে দেয়া আছে?
  1. ৫৬ অনুচ্ছেদে
  2. ৫৫ অনুচ্ছেদে
  3. ৪৮ অনুচ্ছেদে
  4. ৫৮ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৪৮ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
Article 48: The President-

(1) There shall be a President of Bangladesh who shall be elected by members of Parliament in accordance with law. 

(2) The President shall, as Head of State, take precedence over all other persons in the State, and shall exercise the powers and perform the duties conferred and imposed on him by this Constitution and by any other law. 

(3) In the exercise of all his functions, save only that of appointing the Prime Minister pursuant to clause (3) of article 56 and the Chief Justice pursuant to clause (1) of article 95, the President shall act in accordance with the advice of the Prime Minister: 
Provided that the question whether any, and if so what, advice has been tendered by the Prime Minister to the President shall not be enquired into in any court. 
 
(4) A person shall not be qualified for election as President if he – 
(a) is less than thirty five years of age; or  
(b) is not qualified for election as a member of Parliament; or 
(c) has been removed from the office of President by impeachment under this Constitution. 

(5) The Prime Minister shall keep the President informed on matters of domestic and foreign policy, and submit for the consideration of the Cabinet any matter which the President may request him to refer to it.

অনুচ্ছেদ ৪৮: রাষ্ট্রপতি-

(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না। 
 
(৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা 
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা 
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন। 
 
(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যে−কোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।
১৭.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় বন্ধকী-অর্থের জন্য বন্ধগ্রহীতার মামলা করার অধিকার দেওয়া হয়েছে?
  1. ৬৭ক ধারায়
  2. ৬৫ক ধারায়
  3. ৬৮ ধারায়
  4. ৬৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৬৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৮- বন্ধকী-অর্থের জন্য মামলা করার অধিকার:

এই ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্রে বন্ধকী-অর্থের জন্য বন্ধগ্রহীতার মামলা করার অধিকার দেওয়া হয়েছে। ৬৭ ধারায় প্রদত্ত Foreclosure বা বিক্রয়ের প্রতিকার ছাড়াও ৬৮ ধারায় বন্ধকগ্রহীতাকে বন্ধকী-অর্থ আদায়ের জন্য ম্যানি স্যুট করার অধিকার দেওয়া হয়েছে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বন্ধকী অর্থ আদায়ের জন্য অর্থ-মামলা দায়ের করতে পারবে-

ক) যেক্ষেত্রে বন্ধকদাতা বন্ধকী-অর্থ পরিশোধে ব্যক্তিভাবে নিজেকে বাধিত করেছে। যেমন সাধারণ বন্ধক বা ইংলিশ বন্ধকের ক্ষেত্রে;
খ) যেক্ষেত্রে বন্ধকদাতা বা বন্ধকগ্রহীতার কোন পক্ষের ব্যর্থতা ছাড়াই, বন্ধকী সম্পত্তি সম্পূর্ণ বা আংশিক ধ্বংস হয়ে গেছে বা জামানত হ্রাস করেছে;
গ) যেক্ষেত্রে বন্ধকদাতার ব্যর্থতার কারণে বন্ধকগ্রহীতা তার সম্পূর্ণ বা আংশিক বন্ধকী জামানত হতে বঞ্চিত হয়েছে;
ঘ) যেক্ষেত্রে বৃদ্ধবন্দ্রহীতা বন্ধকী সম্পত্তির দখল গ্রহণের অধিকারী কিন্তু বন্ধকদাতা দখল অর্পণে বর্ষ হয়েছে ৬৮(ঘ) ধারা খাইখালাসী বন্ধকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
১৮.
কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদন ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে _______ পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০৬ ধারা- লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ:

কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।

অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।

এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।

Section 106- Duration of certain leases in absence of written contract or local usage:

In the absence of a contract or local law or usage to the contrary, a lease of immoveable property for agricultural or manufacturing purposes shall be deemed to be a lease from year to year, terminable, on the part of either lessor or lessee, by six months' notice expiring with the end of a year of the tenancy; and a lease of immoveable property for any other purpose shall be deemed to be a lease from month to month, terminable, on the part of either lessor or lessee, by fifteen days' notice expiring with the end of a month of the tenancy. 
 
Every notice under this section must be in writing signed by or on behalf of the person giving it, and either be sent by post to the party who is intended to be bound by it or be tendered or delivered personally to such party, or to one of his family or servants at his residence, or (if such tender or delivery is not practicable) affixed to a conspicuous part of the property.
১৯.
প্রত্যেক অঙ্গীকার এবং প্রত্যেক অঙ্গীকারগুচ্ছ, যা একটি অপরটির প্রতিদান, তাকে কী বলা হয়?
  1. প্রস্তাব
  2. চুক্তি
  3. সম্মতি
  4. প্রতিশ্রুতি
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মতি
ব্যাখ্যা
সম্মতি (agreement):

চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২(ঙ) ধারায় সম্মতির [agreement] সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ২(ঙ) ধারা অনুসারে,

প্রত্যেক অঙ্গীকার এবং প্রত্যেক অঙ্গীকারগুচ্ছ, যা একটি অপরটির প্রতিদান, তাকে সম্মতি বলে।

Section 2(e)- every promise and every set of promises, forming the consideration for each other, is an agreement.
২০.
চুক্তি আইনের কত ধারায় ক্ষতিপূরণের চুক্তি কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ১২৪ ধারায়
  2. ১২১ ধারায়
  3. ১২৬ ধারায়
  4. ১২৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১২৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
চুক্তি আইনের ১২৪ ধারায় ক্ষতিপূরণের চুক্তি (Contract of Indemnity) কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ১২৪ ধারায় বলা হয়েছে,

যে চুক্তি দ্বারা স্বয়ং অঙ্গীকারকারীর কার্য দ্বারা বা অন্য ব্যক্তির কার্য দ্বারা সাধিত কোন ক্ষতি থেকে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে রক্ষা করার অঙ্গীকার বা প্রতিশ্রুতি করে, সেই চুক্তি হলো ক্ষতিপূরণের চুক্তি। ক্ষতিপূরণের চুক্তি 'খেসারতের চুক্তি' নামেও পরিচিত।

ক্ষতিপূরণের চুক্তির পক্ষগণ-

যে ব্যক্তি ক্ষতিপূরণের প্রতিশ্রুতি দেয়, তাকে ক্ষতিপূরণের প্রতিশ্রুতিদাতা বা অঙ্গীকারকারী [Indemnifier) বলা হয়। যাকে এরুপ প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়, তাকে ক্ষতিপূরণের প্রতিশ্রুতিগ্রহীতা বা অঙ্গীকারগ্রহীতা (Indemnity holder) বলা হয়।
২১.
'A' agrees to sell to 'B' his white horse for Taka five hundred or Taka one thousand. The agreement is-
  1. valid
  2. void
  3. voidable at option of 'A'
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
void
উত্তর
সঠিক উত্তর:
void
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৯- অনিশ্চয়তার জন্য সম্মতি বাতিল:

যে সম্মতির অর্থ অনিশ্চিত বা সুনিশ্চিত করা সম্ভব নয় এমন সম্মতি বাতিল। ২৯ ধারার অধীন কেন সম্মতি বাতিল শুধুমাত্র যেক্ষেত্রে উক্ত সম্মতির অর্থ বা ভাষা অস্পষ্ট বা অনিশ্চিত এবং যেগুলো সুনির্দিষ্ট করা যায় না।

উল্লিখিত ক্ষেত্রে, 'ক' তার সাদা ঘোড়া ৫০০ টাকায় বা ১০০০ টাকায় বিক্রয় করার জন্য 'খ' এর সাথে সম্মত হয়। কিন্তু দুইটি মূল্যের মধ্যে কোন মূল্য পরিশোধ করতে হবে সেটার কোন উল্লেখ না থাকায় অনিশ্চয়তার কারণে চুক্তিটি বাতিল।

Section 29: Agreements void for uncertainty
Agreements, the meaning of which is not certain, or capable of being made certain, are void.
২২.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারার অধীন সংযুক্তীকরনের শর্ত কী?
  1. একাধিক ভূখণ্ড একই গ্রামের মধ্যে অবস্থিত হতে হবে
  2. দুই বা ততোধিক গ্রামের মধ্যে অবস্থিত একই রায়তের জমি হতে হবে
  3. একাধিক ভূখণ্ড একাধিক গ্রামের মধ্যে অবস্থিত হতে হবে
  4. পার্শ্ববর্তী সংলগ্ন গ্রামে জমি ভোগকারী দুই বা ততোধিক রায়তের জোত-জমা হতে হবে
সঠিক উত্তর:
একাধিক ভূখণ্ড একই গ্রামের মধ্যে অবস্থিত হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক ভূখণ্ড একই গ্রামের মধ্যে অবস্থিত হতে হবে
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারা- একই গ্রামে প্রজার জোতের সংযুক্তকরণ:

একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার যদি পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকে, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি কিংবা উহার কতিপয় যদি পৃথক প্রজাস্বত্বের অধীন হয়, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশক্রমে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করা যাইবে।

Section 116- Amalgamation of holdings of a tenant in the same village:
Where various parcels of land are held by one tenant within one village, and such parcels of land or some of them are the subject of separate tenancies, such parcels of land shall, under the orders of the Revenue-officer, be amalgamated into one tenancy.
২৩.
বায়নাপত্র বা বিক্রয়চুক্তি'র নিবন্ধন করার বিধান-
  1. অনাবশ্যক
  2. বাধ্যতামূলক
  3. নির্দেশনামূলক
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক
ব্যাখ্যা

• ২০০৪ সালে The Registration (Amendment) Act, 2004 সংশোধন করা হয় এবং ১ জুলাই, ২০০৫ থেকে কার্যকর হয়।

Registration (Amendment) Act, 2004- এর মাধ্যমে 17A ধারা নতুনভাবে সংযোজিত হয়েছে। এই 17A ধারার মাধ্যমে স্থাবর সম্পত্তির বায়নাপত্র বা বিক্রয়চুক্তি'র নিবন্ধন [Registration] বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ধারা ১৭এ অনুসারে, বিক্রয়চুক্তি (বায়নাপত্র) অবশ্যই
⇒ লিখিত,
⇒ পক্ষগণের দ্বারা সম্পাদিত ও
⇒ রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে।

উল্লেখ্য, বিক্রয়চুক্তি সম্পাদনের ৬০ দিনের মধ্যে তা রেজিস্ট্রেশনের জন্য উপস্থাপন করতে হবে।

২৪.
অকৃষি ভূমির উন্নয়ন সম্পর্কিত ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক আদেশের বিরুদ্ধে কার নিকট আপিল করা যাবে?
  1. কমিশনার
  2. জেলা জজ
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. কালেক্টর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ
ব্যাখ্যা
• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান- উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:

১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।

Section 66- Collector to decide question as to right to make improvement, etc.

(1) If a question arises between the non-agricultural tenant and his landlord- 
(a) as to the right to make an improvement, or 
(b) as to whether a particular work is an improvement, 
the Deputy Commissioner may, on the application of either party, decide the question. 

(2) An appeal, if presented within thirty days from the date of the order appealed against, shall lie to the District Judge from every order passed by the Deputy Commissioner under sub-section (1) and the order passed by the District Judge on such appeal shall be final.
২৫.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে কয় শ্রেণির উত্তরাধিকারীরা কখনো বঞ্চিত হয় না?
  1. ৪ শ্রেণির
  2. ৩ শ্রেণির
  3. ৫ শ্রেণির
  4. ৬ শ্রেণির
সঠিক উত্তর:
৬ শ্রেণির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ শ্রেণির
ব্যাখ্যা
উত্তরাধিকার [Inheritance]:

মুসলিম আইনে সম্পদ বণ্টন একমাত্র মৃত্যুর পরেই কোন ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারীগণের অধিকার সৃষ্টি হয়, মৃত্যুর পূর্বে নয়। একজন সুন্নি মুসলমানের বৈধ ওয়ারিশগন মূলতঃ দুই প্রকার। যথা:

১) প্রধান শ্রেণি (Principal Hairs);
২) অপ্রধান শ্রেণি (Secondary Hairs)।

⇒ প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে নিম্নে বর্ণিত ব্যক্তিরা কখনো উত্তরাধিকার বঞ্চিত হয় না:

১/ স্বামী
২/ স্ত্রী
৩/ পিতা
৪/ মাতা
৫/ পুত্র ও
৬/ কন্যা- এই ৬ শ্রেনীর উত্তরাধিকারী কখনো বঞ্চিত হয় না।
২৬.
The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 অনুযায়ী বিবাহ নিবন্ধন না করার শাস্তি কী?
  1. অনধিক ৩ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. অনধিক ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. অনধিক ৫ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• যে আইনি বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্বামী ও স্ত্রীর আইনগত মর্যাদা সৃষ্টি এবং সে মর্যাদা হতে উদ্ভুত আইনগত বাধ্যবাধকতাসমূহ সৃষ্টি করে তাকে বিবাহ বলে।

মুসলিম আইনে বিবাহ হলো Civil Contract বা দেওয়ানি চুক্তি। Abdul Kadir Vs. Salima মামলায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিবাহকে দেওয়ানি চুক্তি বলে আখ্যায়িত করেছে। অপর পক্ষে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট Khurshid Bibi মামলায় বলেন- বিবাহ যদিও দেওয়ানি চুক্তির ন্যায় একটি চুক্তি, এটি পুরোপুরি দেওয়নি চুক্তি নয়। কিন্তু Anwar Hossain vs Momtaz Begum 18, CLC, HCD, 51 মামলায় বাংলাদেশর সুপ্রিম কোর্ট ঘোষণা করেন যে, বিবাহ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয় বরং এটি একটি দেওয়ানি চুক্তি।

বিবাহ নিবন্ধন [Registration of Marriage]:

⇒ মুসলিম বিবাহ নিবন্ধনের ব্যাপারে ধর্মীয় কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, আইন অনুসারে বিবাহ নিবন্ধন বা ৮ এখন বাধ্যতামূলক।
⇒ The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুসারে প্রত্যেক মুসলিম বিবাহ নিবন্ধিত হওয়া বাধ্যতামূলক।
বিবাহ নিবন্ধন না করার শাস্তি হলো- অনধিক ২ বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড বা অনধিক ৩ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দণ্ড। (ধারা-৫)
⇒ এ আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আমলযোগ্য। (ধারা-৫ক)
২৭.
'Factum valet' নীতি কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. নির্দেশাত্মক বিধানের ক্ষেত্রে
  2. সুপারিশমূলক বিধানের ক্ষেত্রে
  3. অবশ্য পালনীয় বিধানের ক্ষেত্রে
  4. ক ও খ ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
অবশ্য পালনীয় বিধানের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবশ্য পালনীয় বিধানের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• Quod fieri non debet factum valet (বিধিমত যা অকর্তব্য, তা করা হলে বিধিসম্মত বলে ধরা হয়) এই প্রবচনের উপর ভিত্তি করে factum valet মতবাদের উৎপত্তি হয়েছে। ফ্যাকটাম ভ্যালেট হিন্দু দায়ভাগা আইনের একটি নীতি। হিন্দু আইনে এই মতবাদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ হিসেবে পরিচিত। যে কাজ করা উচিৎ নয় বা করা হয়েছে, তাকে বৈধ হিসেবে গণ্য করার নীতি ‘factum valet’ নামে পরিচিত।

আইনের বিধানগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়-
- নির্দেশাত্মক বিধান (Directory provision of law), 
- অবশ্য পালনীয় বিধান (mandatory provision of law) বলা হয়।

অবশ্য পালনীয় বিধান অমান্য করলে সেই কাজটি বেআইনী বলে গণ্য হবে এবং অন্য কোন সূত্র প্রয়োগ করে তা বৈধ করা যায় না। তবে আইনের সুপারিশমূলক/নির্দেশাত্মক বিধান উপেক্ষা করেও কোন একটি কাজ করা হলে, এরূপ কৃত কার্যকে আইনতঃ সিদ্ধ বলে গ্রহণ করাকে ফ্যাকটাম ভ্যালেট নীতি বলা হয়। অর্থাৎ ‘directory’ নির্দেশের পরিপন্থী কাজ অনুচিত হলেও উক্ত কাজকে সরাসরি বেআইনী বলা যায় না। হিন্দু আইনে অনুরূপ কাজ factum valet নীতি অনুযায়ী বৈধ করা যায়।

যেমন- হিন্দু ধর্ম মতে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া কোন বিয়ে হতে পারে না। কিন্তু অনুরূপ বিধান লংঘন করে কোন বিয়ে হয়ে গেলে তা ফ্যাকটাম ভ্যালেট নীতি অনুযায়ী বৈধ গণ্য হয়ে থাকে। একইভাবে শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে কোন ব্যক্তি তার একমাত্র সন্তানকে দত্তক দিতে পারেন না। কিন্তু ঐ বিধি উপক্ষো করে যদি কেউ তার একমাত্র পুত্রকে দত্তক দিয়েই ফেলেন তাহলে তা অসিদ্ধ বলে বিবেচিত হয় না। তবে উভয়ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুষ্ঠানাদি পালন করতে হয়। এছাড়াও ফ্যাক্টাম ভ্যালেট নীতির কারণে এক বা একাধিক স্ত্রী থাকা সত্তে¡ও একজন হিন্দু পুনরায় বিবাহ করতে পারে।
২৮.
কোন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক তার দায়িত্ব পালনে কোন অসদাচরণের জন্য দায়ী হলে, সরকার তার নিয়োগ অনধিক কত বছরের জন্য স্থগিত করতে পারে?
  1. ৫ বছরের জন্য
  2. ৩ বছরের জন্য
  3. ১ বছরের জন্য
  4. ২ বছরের জন্য
সঠিক উত্তর:
২ বছরের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের জন্য
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২: ধারা ১৪- বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা:

সরকারের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে এই মর্মে প্রতীয়মান হয় যে, কোন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক তাহার দায়িত্ব পালনে কোন অসদাচরণের জন্য দায়ী অথবা তাহার কর্তব্য পালনে অসমর্থ বা শারীরিকভাবে অক্ষম, তাহা হইলে, সরকার লিখিত আদেশ দ্বারা, তাহার নিয়োগ অনধিক দুই বৎসরের জন্য স্থগিত বা বাতিল করিতে পারিবে: 
 
তবে শর্ত থাকে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধককে যথাযথ কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান না করিয়া অনুরুপ কোন আদেশ প্রদান করা যাইবে না। 
২৯.
The Hindu Marriage Disabilities Removal Act,1946 দ্বারা কোন ধরনের বাধা দূর করা হয়?
  1. বয়সজনিত বাধা
  2. গোত্রজনিত বাধা
  3. পুনর্বিবাহজনিত বাধা
  4. উল্লিখিত কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গোত্রজনিত বাধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোত্রজনিত বাধা
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৬ সালের হিন্দু বিয়ে (অসমর্থতা দূরীকরণ) আইন (The Hindu Marriage Disabilities Removal Act, 1946) অনুযায়ী,

হিন্দুদের মধ্যে কোন বিবাহ যেটা অন্যান্যভাবে বৈধ, সেই বিবাহ গোত্র বা প্রবরের কারণে অবৈধ হবে না। এই আইন পাশ হওয়ার পর বিভিন্ন উপ- বর্ণের পাত্র-পাত্রীর মধ্যে বিয়ের ক্ষেত্রে সব বাধা দূর করা হয়।

যেমন- ভিন্ন বর্ণের কোন ছেলে এবং মেয়ে বিয়ে করলে সনাতন আইনে বিবাহ অবৈধ হলেও, ১৯৪৬ সালের আইনের কারণে বিবাহটি বৈধ হবে।
৩০.
দেনমোহর প্রদান বা পরিশোধের পদ্ধতি সম্পর্কে কাবিননামাতে উল্লেখ না থাকলে-
  1. স্বামীর মৃত্যুর পর পরিশোধ করতে হবে
  2. স্ত্রী চাহিবামাত্র তা পরিশোধ করতে হবে
  3. বিচ্ছেদের সময় তা পরিশোধ করতে হবে
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী চাহিবামাত্র তা পরিশোধ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ত্রী চাহিবামাত্র তা পরিশোধ করতে হবে
ব্যাখ্যা
• দেনমোহর [Dower]

বিবাহ বন্ধনের বিনিময়ে স্ত্রী স্বামীর নিকট শরিয়ত সম্মতভাবে যে অর্থ-সম্পদ লাভের অধিকারী হয় সে অর্থ সম্পদকে দেনমোহর বলে। দেনমোহরের পরিমাণ বিবাহের পূর্বে বা বিবাহের সময় কিংবা বিবাহের পর নির্দিষ্ট করা যায়। বিবাহের পর দেনমোহরের পরিমাণ বৃদ্ধি করা যায়।

দেনমোহর প্রথমত দুই প্রকার, যথা-

নির্ধারিত দেনমোহর (fixed/specified dower):

বিবাহের সময় বা বিবাহের পর স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের মধ্যে অথবা তাদের পক্ষে যে দেনমোহর হণ করা হয় তাকে মোহরে মুসাম্মা বা fixed/specified dower বলে।

যথার্থ দেনমোহর (Proper dower):
বিবাহের চুক্তিতে দেনমোহরের পরিমাণ উল্লেখ করা না হলে শরিয়ত অনুযায়ী তা নিরূপিত বলে। গণ্য হবে এবং স্বামীর উপর মোহরে মিসল বা Proper dower বা উপযুক্ত মোহর ওয়াজিব হবে।

পরিশোধের সময়ের উপর ভিত্তি করে Fixed dower বা নির্ধারিত দেনমোহরকে আবার দুভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

ক. তাৎক্ষণিক দেনমোহর (Prompt dower):
যে দেনমোহর স্ত্রী কর্তৃক দাবি করা মাত্রই স্বামী তা দিতে বাধ্য থাকে তা Prompt dower বা তাৎক্ষণিক দেনমোহর বলে। তাৎক্ষণিক দেনমোহরের ক্ষেত্রে স্ত্রী যেকোনো সময় দেনমোহর দাবি করতে পারে, সেক্ষেত্রে স্ত্রীর দাবি অনুসারে স্বামী দেনমোহর পরিশোধ করতে বাধ্য।

খ. বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred dower):
যে দেনমোহর বিবাহবিচ্ছেদের সময় বা কোনো নির্দিষ্ট তারিখে বা ঘটনা সাপেক্ষে পরিশোযোগ্য তাকে বিলম্বিত দেনমোহর বা Deferred dower বলে।

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর ১০ ধারাতে বলা হয়েছে, “where no details the mode of payment of dower are specified in the nikahnama, or the marriage contract, the entire amount of the dower shall be prescribed to be payable on demand”

অর্থ্যাৎ দেনমোহর প্রদান বা পরিশোধের পদ্ধতি সম্পর্কে কাবিননামা বা বৈবাহিক চুক্তিতে উল্লেখ না থাকলেও, স্ত্রী চাহিবামাত্র তা পরিশোধ করতে হবে। এমনকি দেনমোহর ধার্য করা না থাকলেও।
৩১.
আকরাম ৪০ বছর বয়সে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেল। রেখে গেল বাবা, স্ত্রী রেহানা, দুই ভাই ও এক মেয়ে মিতা। এক্ষেত্রে তার সম্পত্তিতে বাবা কত অংশ পাবে?
  1. ১২/২৪ অংশ
  2. ৪/২৪ অংশ
  3. ৯/২৪ অংশ
  4. ৩/২৪ অংশ
সঠিক উত্তর:
৯/২৪ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯/২৪ অংশ
ব্যাখ্যা
• মুসলিম আইনে উত্তরাধিকার:

স্ত্রী: বিবাহিত পুরুষ তার স্ত্রী রেখে মারা গেলে তার স্ত্রী নির্ধারিত হারে সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন। যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে তবে স্ত্রী পাবেন (১/৮) এক অষ্টমাংশ। আর সন্তান না থাকলে স্ত্রী পাবেন (১/৪) এক চতুর্থাংশ। একাধিক স্ত্রী থাকলেও এ অংশ বাড়বে না বরং স্ত্রীরা সবাই মিলে তাদের অংশ সমভাবে ভাগ করে নেবেন।

কন্যা: যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে তিনি মোট সম্পত্তির (১/২) অর্ধেক পাবে। আর যদি একাধিক কন্যা থাকে তবে সবাই মিলে (২/৩) দুই তৃতীয়াংশ পাবে।

বাবার অংশ: বাবা তাঁর মৃত সন্তানের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী ৩ ভাবে হয়ে থাকে। যদি মৃত সন্তানের পুত্র, পুত্রের পুত্র বা পুত্রের পুত্রের পুত্র এভাবে যতই নিচের হোক না কেন যদি থাকে, তবে মৃত সন্তানের পিতা পাবেন সন্তানের সম্পত্তির ১/৬ অংশ।

যদি মৃত সন্তানের শুধু মাত্র কন্যা সন্তান বা তাঁর পুত্রের কন্যা সন্তান থাকলে তবে পিতা সন্তানের সম্পত্তির ১/৬ অংশ পাবেন। এই ক্ষেত্রে কন্যাদের ও অন্যান্যদের দেয়ার পর অবশিষ্ট যে সম্পত্তি থাকবে তাও পিতা পাবেন। আর যদি মৃত সন্তানের কোন পুত্র-কন্যা বা পুত্রের সন্তান কিছুই না থাকে তাবে বাকী অংশীদারদের তাঁদের অংশ অনুযায়ী দেয়ার পর অবশিষ্ট যা থাকবে তার সবটুকুই বাবা পাবেন।

• উল্লিখিত প্রশ্নে,

⇒ স্ত্রী রেহেনা পাবে সম্পত্তির ১/৮ বা ৩/২৪ অংশ [যেহেতু সন্তান আছে];
⇒ মিতা পাবে সম্পত্তির ১/২ বা ১২/২৪ অংশ [যেহেতু একমাত্র কন্যা] এবং
⇒ বাবা অংশীদার হিসেবে ১/৬ বা ৪/২৪ অংশ [ যেহেতু মৃত সন্তানের শুধু মাত্র কন্যা সন্তান আছে];

মোট= ১/৮ + ১/২ + ১/৬ অংশ
= ১৯/২৪ অংশ।

অবশিষ্ট= ১ - ১৯/২৪ অংশ
= ৫/২৪ অংশ।

অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে বাবা বাকি ৫/২৪ অংশ পাবে।
অর্থাৎ বাবা মোট পায়= ৯/২৪ অংশ।

উল্লেখ্য, বাবা জীবিত থাকায় এক্ষেত্রে ভাইয়েরা কোন সম্পত্তি পাবে না।
৩২.
নিম্নের কোনটি হেবার শর্ত নয়?
  1. দাতা কর্তৃক দানের প্রস্তাব দিতে হবে
  2. হেবা গ্রহীতা মুসলিম হতে হবে
  3. মরজ-উল-মউত এর ক্ষেত্রে এক-তৃতীয়াংশের বেশি দান অকার্যকর
  4. দানের বিষয়বস্তুর দখল প্রদান করতে হবে
সঠিক উত্তর:
হেবা গ্রহীতা মুসলিম হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেবা গ্রহীতা মুসলিম হতে হবে
ব্যাখ্যা
দান বা হেবা:
আইনের সরল ভাষায়, এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তির কাছে স্বেচ্ছায় এবং বিনা প্রতিদানে কতিপয় বিদ্যমান স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হস্তান্তরকে দান বলে। মুসলিম আইনে একে 'হেবা' বলা হয়।

কোনো হেবা আইনানুগ হতে হলে অবশ্যই সেখানে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে। সেগুলো হলো-
(১) দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা বা প্রস্তাব (Offer);
(২) দানগ্রহীতা কর্তৃক উহা গ্রহণ (Acceptance);
(৩) দাতা কর্তৃক দানগ্রহীতাকে দানের বিষয়বস্তুর দখল প্রদান করতে হবে। এই শর্তগুলো যদি পালন করা হয়, তাহলে হেবাটি আইনানুগভাবে সিদ্ধ হবে ।

হেবা করার যোগ্যতা-
নাবালক নয় এমন সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলমান হেবা বা দানের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন।
 
কে হেবা গ্রহণ করতে পারে-
একজন মুসলিম তার সমগ্র ভূ-সম্পত্তি যেকোনো ব্যক্তি, হোক সে অমুসলিম বরাবর দান করতে পারেন। অর্থাৎ গ্রহীতার ক্ষেত্রে সাবালক, নাবালক, পুত্র, অপুত্র, স্বামী কিংবা স্ত্রী, ধনী-নির্ধন বালাই নেই, যে কাউকে দান করা যায় এবং তিনি বা তারা নির্বিবাদে দান গ্রহণ করতে পারেন।
 
সীমারেখা-
মুসলিম আইন মোতাবেক একজন মুসলমান জীবদ্দশায় তার সমগ্র সম্পত্তি দান করে দিতে পারে। এমনকি তার উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করলেও এই দান অবৈধ হবে না। তবে শুধু মরজ-উল-মউতের ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা সীমিত করা হয়েছে। মরজ-উল-মউত হলো মরণ অসুখ যাতে মৃত্যুর খুবই সম্ভাবনা থাকে এবং যার ফলে শেষ পর্যন্ত ওই ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে। মুসলিম আইন অনুযায়ী হেবা বা দানের বৈধতার জন্য দখল দানসহ যেসব শর্ত আছে, মরজ-উল-মউতের জন্যও একই শর্তাবলি প্রযোজ্য।
 
মরজ-উল-মউত বা মরণ অসুখের সময় একজন মুসলমানের প্রদত্ত দানটি দাতার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকারীরা সম্মতি প্রদান না করলে দাফন-কাফন ও অন্যান্য দেনা পরিশোধের পর মোট সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের অধিক কার্যকর হবে না। প্রাসঙ্গিক বিধায় উল্লেখ্য যে দাতার ক্ষমতার এই সীমারেখাটি উইল বা ওসিয়তের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের সীমারেখার অনুরূপ।
৩৩.
মুসলিম আইন অনুযায়ী বিবাহিত কোন মহিলা বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি পেতে পারে, যদি তাকে তার অভিভাবক _______ বয়সের আগে বিয়ে দিয়ে থাকে এবং সে ______ বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে বিবাহটি বাতিল করে।
  1. ১৬ বৎসর, ১৮ বৎসর
  2. ১৮ বৎসর, ২০ বৎসর
  3. ১৮ বৎসর, ১৯ বৎসর
  4. ১৮ বৎসর, ২১ বৎসর
সঠিক উত্তর:
১৮ বৎসর, ১৯ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বৎসর, ১৯ বৎসর
ব্যাখ্যা
• ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-

⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে, তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-

(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।
৩৪.
সুন্নি মতবাদ অনুসারে কোনটি তালাকের সর্বোত্তম পন্থা?
  1. তালাক-ই- হাসান
  2. তালাক-ই- আহসান
  3. তালাক-ই- হিসন
  4. তালাক-ই- সুন্নাহ
সঠিক উত্তর:
তালাক-ই- আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তালাক-ই- আহসান
ব্যাখ্যা
• তালাক আরবি শব্দ। এর অর্থ হলো- প্রত্যাখ্যান করা, ত্যাগ করা, মুক্তি দেয়া। বিবাহের বন্ধন থেকে মুক্তি দেয়ার নাম হলে তালাক।

সুন্নি মতবাদ অনুসারে তালাক দুই প্রকার। যথা-
ক. তালাকে সুন্নাহ;
খ. তালাকে বিদাত।

তালাক-ই- আহসান (Talaq-e-Ahsan):
'আহসান' শব্দের অর্থ সর্বোত্তম। তালাকে আহসান হলো এমন তালাক যেটি স্ত্রীর তুরহকালে স্বামী একবাক্যে উচ্চারণ করে এবং ইদ্দতের মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্বামী যৌনসঙ্গম থেকে বিরত থাকে। সুন্নি মতবাদ অনুসারে তালাক-ই- আহসান সর্বোত্তম পন্থা।
ইদ্দত শেষ হওয়ার পূর্বে স্বামী যদি তালাক প্রত্যাহার করে না দেয় তাহলে সেটি ইদ্দত শেষ হবার সাথে সাথে কার্যকর হবে। ইদ্দতকালীন সময়ে স্বামী যদি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে (যেমন। ইচ্ছাকৃত যৌনসঙ্গম দ্বারা) তালাক প্রত্যাহার করে নেয় তাহলে তালাক কার্যকর হবে না।

তালাক-ই- হাসান (Talaq-e-Hasan):
'হাসান' শব্দের অর্থ উত্তম। স্বামী যদি তার স্ত্রীকে পরপর তিনটি তুহরকালে ৩ বার তালাক ঘোষণা করে এবং যৌনমিলন থেকে বিরত থাকে সেক্ষেত্রে ৩য় তালাক ঘোষণার সাথে সাথে তালাক কর্যকর হয়ে যাবে। এরূপ তালাক তৃতীয়বার উচ্চারণ করার পূর্ব পর্যন্ত বাতিল করা যায়, কিন্তু তৃতীয়বার তালাক উচ্চারণ করার পর আর প্রত্যাহার করা যায় না।
৩৫.
'ক' একজন ফরাসি নাগরিক। সে আমেরিকার জলসীমানায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি নিবন্ধিত জাহাজে একজন আমেরিকানকে হত্যা করে। কোন শর্ত সাপেক্ষে বাংলাদেশের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন আদালত 'ক' এর বিচার করতে পারে?
  1. যদি জাহাজ বাংলাদেশে ফিরে আসে
  2. যদি 'ক' কে বাংলাদেশে পাওয়া যায়
  3. 'ক' এর দেশের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. আমেরিকার অনুমতি সাপেক্ষে
সঠিক উত্তর:
যদি 'ক' কে বাংলাদেশে পাওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি 'ক' কে বাংলাদেশে পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা
ধারা-৪: রাষ্ট্রীয় সীমানার বাইরের অপরাধের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ব্যাপ্তি (Extension of Code to extraterritorial offences):

দণ্ডবিধির ৪ ধারা ২টি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়-
১. বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে বাংলাদেশী নাগরিক কর্তৃক সংঘটিত কোন অপরাধের বিচার;
২. বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে যেকোন ব্যক্তি সে বাংলাদেশী হোক বা বিদেশী হোক কর্তৃক সংঘটিত কোন অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার বাংলাদেশের ফৌজদারী আদালতের থাকবে, যখন উক্ত অপরাধীকে বাংলাদেশে পাওয়া যাবে।

উদাহরণ:
'ক' একজন ফরাসি নাগরিক। সে বাংলাদেশের একটি নিবন্ধিত জাহাজ যেটা আমেরিকার জলসীমানায় অবস্থিত, সেটাতে একজন আমেরিকানকে হত্যা করে। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর বিচার বাংলাদেশে করা যাবে, যদি 'ক' অপরাধীকে বাংলাদেশে পাওয়া যায়। ৪ (১) ধারা শুধুমাত্র বাংলাদেশী নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য, যেখানে ৪(২) ধারা বাংলাদেশী এবং বিদেশী উভয়ের জন্য প্রযোজ্য।
৩৬.
অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রদত্ত দণ্ডাদেশ শুধুমাত্র বিনাশ্রম হতে পারে, যেক্ষেত্রে অপরাধটি-
  1. শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
  2. অনধিক ১০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
  3. অনধিক ৫০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
  4. অর্থদণ্ড এবং কারাদণ্ড উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৬৭ ধারায় বলা হয়েছে,

যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুমাত্র অর্থদণ্ড এবং উক্ত অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে আসামীকে যে কারাদণ্ড প্রদান করা হয় বিনাশ্রম হবে এবং নিম্নলিখিত হারে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে:

এক্ষেত্রে,
⇒ অর্থদণ্ড ৫০ টাকার অধিক না হলে, ২ মাসের কারাদণ্ড;
⇒ অর্থদণ্ড ১০০ টাকার অধিক না হলে, ৪ মাসের কারাদণ্ড;
⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে বা অর্থদণ্ডের পরিমাণ ১০০ টাকার বেশি হলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

সুতরাং যেক্ষেত্রে অপরাধের শাস্তি শুধুমাত্র অর্থদণ্ড এবং উক্ত অর্থদণ্ড পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে, আদালত সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে।
৩৭.
'শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়'- এই বিধান নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটানোর যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি করে
  2. ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ
  3. অপ্রকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০০: দণ্ডবিধির ধারা ১০০ অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬ (ছয়টি) ক্ষেত্রে শরীরের ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটানোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়। যথা;

১. এমন আক্রমণ যা মৃত্যু ঘটানোর যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি করে;

২. এমন আক্রমণ যা গুরুতর জখমের যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা সৃষ্টি করে;

৩. ধর্ষণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;

৪. অপ্রকৃত কাম লালসার অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;

৫. মনুষ্যহরণ বা অপহরণের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ;

৬. অবৈধভাবে আটকের অভিপ্রায় নিয়ে আক্রমণ, যেক্ষেত্রে তিনি মনে করে সরকারী কর্তৃপক্ষের সহায়তা পাবে না।
৩৮.
'ক' একটি সম্পত্তি 'ঘ' কে দান করে। 'ক' পরে 'ঘ'- কে তার সম্পত্তি হতে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে, সে একই সম্পত্তি 'খ' এর কাছে হস্তান্তর করে একটি দলিল প্রণয়ণ করে। তার উদ্দেশ্য- 'ঘ' কে প্রদানের ছয় মাস অগেই সম্পত্তিটি 'খ' কে প্রদান করা হয়েছে এরকম বিশ্বাস সৃষ্টি করা। এক্ষেত্রে 'ক' কী অপরাধ করেছে?
  1. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  2. জালিয়াতি
  3. বলপূর্বক গ্রহণ
  4. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি
ব্যাখ্যা
এক্ষেত্রে 'ক' জালিয়াতির অপরাধ করেছে বলে গণ্য হবে।

দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারায় জালিয়াতি কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে গণ্য হবে যদি সে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে কোন দলিল বা দলিলের অংশ প্রস্তুত করে;

১. কোন ব্যক্তি বা জনসাধারণের ক্ষতি সাধন করতে [with intent to cause damage or injury]; বা
২. কোন দাবি বা অধিকার সমর্থন করতে [to support any claim or title]; বা
৩. কোন ব্যক্তিকে কোন সম্পত্তি পরিত্যাগ করতে [to cause any person to part with property]; বা
৪. কোন লোককে প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করতে [to enter into any express or implied contract]; বা
৫. প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে বা প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে [with intend to commit fraud or fraud may be committed]।

উল্লিখিত ক্ষেত্রেও 'ক', 'ঘ' কে প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে নতুন দলিল প্রস্তুত করে, তাই উক্ত অপরাধ 'জালিয়াতি' হিসেবে গণ্য হবে।
৩৯.
সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারায় স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যকার নিম্নলিখিত কোন ধরণের যোগাযোগ প্রকাশ করতে স্বামী বা স্ত্রীকে বাধ্য করা যাবে না?
  1. বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন কোন যোগাযোগ
  2. স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যকার কোন মামলায়
  3. বিবাহ পূর্বকালীন বা পরবর্তী কালীন যে কোন যোগাযোগ
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন কোন যোগাযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাহ বলবৎ থাকাকালীন কোন যোগাযোগ
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী মোকদ্দমায় স্বামী এবং স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী এবং ফৌজদারী মামলায় স্বামী এবং স্ত্রী অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যোগ্য সাক্ষী।  তবে ১২২ ধারায় স্বামী এবং স্ত্রীর সাক্ষী হওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়নি বরং স্বামী এবং স্ত্রী কোন ধরণের যোগাযোগ প্রকাশ করতে বাধ্য না, তা ১২২ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে।

উক্ত ধারানুযায়ী, বিবাহ বলবৎ থাকাকালে স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে পত্র আলাপ (যোগাযোগ) প্রকাশ করতে তারা বাধ্য না।

কিন্তু নিম্নলিখিত স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে পত্র আলাপ বা যোগাযোগ প্রকাশে কোন পক্ষকে বাধ্য করা যাবে-

১. যখন যে ব্যক্তি এমন যোগাযোগ করেছিল সে বা তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি সম্মতি প্রদান করে এবং

২. বিবাহিত ব্যক্তিদের মধ্যে কোন মামলায় তা ফৌজদারী হোক বা দেওয়ানী হোক যেক্ষেত্রে একজনকে অন্যজনের প্রতি সংঘটিত কোনো অপরাধের জন্য বিচার করা হচ্ছে। যেমন- তালাক মামলায় স্বামী বা স্ত্রী তাদের মধ্যেকার যোগাযোগ প্রকাশ করতে পারে বা তাদের বাধ্য করা যাবে।
৪০.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় সহ-অভিযুক্তদের সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা দেয়া হয়েছে?
  1. ২৭ ধারায়
  2. ৩৩ ধারায়
  3. ৩০ ধারায়
  4. ৩১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩০- যখন দোষ স্বীকারোক্তি সহ-অভিযুক্তদের [co-accused) বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে ব্যবহার করা যায়:

সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম হলো যে ব্যক্তি দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করে উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হবে অন্যকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারা এই নিয়মের ব্যতিক্রম।

সাক্ষ্য আইনের ৩০ ধারায় বলা হয়েছে- যেখানে একের অধিক ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য যৌথ বিচার করা হচ্ছে, সেখানে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকে সহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করলে, উক্ত স্বীকারোক্তি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য হলে তা স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

শর্তসমূহ:
১. একই অপরাধের জন্য একাধিক ব্যক্তি অভিযুক্ত হতে হবে:
২. উক্ত একই অপরাধের জন্য তাদের যৌথ বিচার (Tried jointly) করা হবে:
৩. উক্ত অভিযুক্তদের মধ্যে কোন একজন অভিযুক্ত নিজেকেসহ অন্যান্য অভিযুক্তকে জড়িয়ে কোন দোষ স্বীকারোক্তি প্রদান করবে;
৪. এমন দোষ স্বীকারোক্তি প্রমাণিত হলে আদালত উক্ত দোষ স্বীকারোক্তি প্রদানকারীসহ অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসাবে আমলে নিতে পারে।
৪১.
সাক্ষ্য গ্রহণের সঠিক ক্রম কোনটি?
  1. জবানবন্দি, পুন:জবানবন্দি এবং জেরা
  2. জেরা, জবানবন্দি এবং পুন:জবানবন্দি
  3. জবানবন্দি, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবানবন্দি, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৩৭ ধারায় জবানবন্দি (Examination in Chief), জেরা (Cross Examination), এবং পুনঃজবানবন্দি (Re-examination) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief]
যে পক্ষ সাক্ষীকে হাজির করে সেই পক্ষ যখন সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তখন তাকে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ [Examination in Chief] বলে।

জেরা [Cross Examination]
বিরুদ্ধ পক্ষ যখন সেই সাক্ষীকে প্রশ্ন করে, তখন তাকে জেরা বলে [Cross Examination] বলে।

পুন: জবানবন্দি [Re-examination]
জেরার পর সাক্ষী উপস্থিতকারী পক্ষ যদি আবার সাক্ষীকে প্রশ্ন করে তবে তাকে পুন: জবানবন্দি (Re- examination) বলে।

ধারা ১৩৮: সাক্ষ্য গ্রহণের ক্রম [Order of Examination]:
সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, জেরা এবং পুন:জবানবন্দি গ্রহণ করা যায়। ১৩৮ ধারায় সাক্ষ্য গ্রহণের ৩টি ক্রম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথম ক্রম হলো সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ, দ্বিতীয় ক্রম হলো সাক্ষীর আহ্বানকারী পক্ষের বিরোধী পক্ষ কর্তৃক সাক্ষীকে জেরা (ইচ্ছা করলে করতে পারে) এবং তারপর সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ কর্তৃক পুন: জবানবন্দি (যদি পক্ষদ্বয় ইচ্ছা করে) করা হয়।
৪২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে-
  1. অভিযুক্তকে মুক্তি দিতে পারেন
  2. অভিযুক্তকে খালাস দিতে পারেন
  3. অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন
  4. অভিযুক্তকে জামিন দিতে পারেন
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০,২২ এবং ২৩ এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
> ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০),
> দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।

আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

If after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.
৪৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি কয় ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন?
  1. ৯ ধরনের
  2. ৫ ধরনের
  3. ২ ধরনের
  4. ৩ ধরনের
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ধরনের
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী যেকোনো বেসরকারি ব্যক্তি ২ ধরনের ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে-
ক. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ [Non bailable & Cognizable Offence] সংঘটনকারী ব্যক্তিকে,
খ. অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে [Proclaimed Offender]।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
৪৪.
Which of the following court has inherent power under The Code of Criminal Procedure,1898?
  1. All Criminal Courts
  2. Court of Sessions
  3. High Court Division
  4. Both High Court Division & Court of Sessions
সঠিক উত্তর:
High Court Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division
ব্যাখ্যা
• একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সে বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে। 

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-

i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।

Section 561A: Saving of inherent power of High Court Division
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
৪৫.
তামাদি আইনে কোনটির সুনির্দিষ্টভাবে তামাদির মেয়াদ সংক্রান্ত বিধান নেই?
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
রিভিশনের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের কোথাও উল্লেখ নেই। 

• তফসিলে মোকদ্দমা, আপীল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরণের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

সাধারণত আদালতে, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়।
৪৬.
স্থাবর সম্পত্তি সংশ্লিষ্ট কোনো স্বার্থ যার সম্পর্কে এই আইনে কোন বিশেষ বিধান নেই, সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কত হবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৪৪

স্থাবর সম্পত্তির দখলের জন্য বা তৎসংশ্লিষ্ট কোনো স্বার্থ যার সম্পর্কে এই আইনে কোন বিশেষ বিধান না থাকলে,
তামাদি - ১২ বছর;
সময় গণনা শুরু - বিবাদীর দখল যখন বাদীর জন্য প্রতিকূল হয়।
৪৭.
নিম্নের কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিপালনের জন্য বাধ্য করা যাবে?
  1. যে চুক্তি বাতিলযোগ্য প্রকৃতির
  2. যখন কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করা হয়
  3. যখন ট্রাস্টি কোন সংশ্লিষ্ট ট্রাস্টের পরিপন্থি চুক্তি করে
  4. যে চুক্তি পালন না হলে সাধিত ক্ষতি অর্থ দ্বারা পূরণযোগ্য
সঠিক উত্তর:
যখন কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করা হয়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। যথা-

ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে;
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে;
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে;
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।

 খ.গ, এবং ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা যায়, আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হলে বা নির্ণয় করা গেলে বা পাওয়া গেলে, আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকার দিবেনা বরং ক্ষতিপূরণ প্রতিকার দিবে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ১২ ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না ভিন্ন কিছু প্রমাণিত হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না, এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার এভাবে করা যায়।

যদি চুক্তির বিষয়বস্তু স্থাবর সম্পত্তি যেমন জমি বিক্রয়ের চুক্তি বা জমি লিজের বা বন্ধকের চুক্তি হয়, তাহলে আদালত ধরে নিবে চুক্তি ভঙ্গের প্রতিকার পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না এবং এই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে পারে।
৪৮.
'ক' একটি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করে। এক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের বিকল্প হিসেবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারায় কী প্রতিকার চাইতে পারে?
  1. চুক্তি পরিবর্তন
  2. চুক্তি সংশোধন
  3. চুক্তি রদ বা বাতিল
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ বা বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদ বা বাতিল
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারায় সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলায় বিকল্প হিসেবে বাতিলের প্রার্থনা চাইতে পারে।

এই ধারায় বলা হয়েছে, একটি লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য মামলা দায়েরকারী বাদী বিকল্প প্রার্থনা জানাতে পারে যে, চুক্তিটি যদি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা না যায়, তাহলে তা বাতিল করা হোক। আদালত যদি চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে অস্বীকার করেন, তাহলে তা রদ করার এবং সেই অনুসারে ত্যাগ করার নির্দেশ দিতে পারেন।

ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.
৪৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের-
  1. এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  2. স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  3. অস্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  4. ক এবং খ ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা Small Cause Courts সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। যদি স্মল কজ কোর্ট বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতে দেওয়ানী কার্যবিধি প্রযোজ্য হয়, তাহলে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ও বিধি ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতে প্রযোজ্য হবে না তা ৭ ধারায় বলা হয়েছে।

• ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না-
⇒ ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমা;
⇒ এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রি জারি; এবং
⇒ স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারি।

তবে, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারা; ৯১ ও ৯২ ধারা; ২৪ ও ৯৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক, ইনজাংশন, রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান এবং ৯৬ থেকে ১১২ ও ১১৫ ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
৫০.
মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে _______বলা হয়।
  1. Wrong- Joinder of Parties
  2. Mis- Joinder of Parties
  3. Non- Joinder of Parties
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
Non- Joinder of Parties
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Non- Joinder of Parties
ব্যাখ্যা
• পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ (Non-Joinder and Mis-Joinder of Parties)- 

মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে। অন্যদিকে কোন ভুল ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে। পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি প্রাপ্ত সম্ভাব্য সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে। দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

• ১ নং আদেশের ১০(১) নং বিধিমতে, বাদীর নাম ভুল হলে আদালত অন্য কোন ব্যক্তিকে বাদী হিসেবে স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে।
১ নং আদেশের ১০(২) নং বিধিমতে, ভুল ব্যক্তির(বাদী বা বিবাদী) নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ দিতে পারে।

অপসংযোগ বা অসংযুক্তের কারণে কোন মোকদ্দমা অচল হবে না অর্থাৎ মামলাটি ব্যর্থ হবে না। তবে কোন মোকদ্দমায় ভ্রান্তভাবে পক্ষভুক্ত করার বিষয়ে কোন আপত্তি উঠানোর পরও,বাদী প্রয়োজনীয় পক্ষভুক্ত না করলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।
৫১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় 'Judgment on admissions' এর বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ১২ বিধি ৪
  2. আদেশ ১২ বিধি ৮
  3. আদেশ ১২ বিধি ৬
  4. আদেশ ১২ বিধি ৯
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২ বিধি ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১২ বিধি ৬
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ এ 'Judgment on admissions' এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১২ বিধি ৬ (স্বীকারোক্তির উপর রায়)-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

CPC Order-12 Rule-6 :Judgment on admissions:
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
৫২.
প্লিডিংস-এ চুক্তির প্রতি অস্বীকার জ্ঞাপন করলে, তা দ্বারা কি অস্বীকার করা বুঝাবে না?
  1. প্রকাশ্য চুক্তিটির ঘটনা
  2. যে সকল ঘটনা হতে চুক্তিটি অনুমিত হতে পারে, সেসব ঘটনা
  3. আইনের বৈধতা বা পর্যাপ্ততা
  4. ক,খ,গ সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আইনের বৈধতা বা পর্যাপ্ততা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের বৈধতা বা পর্যাপ্ততা
ব্যাখ্যা
• বাদীর প্লিডিংস হলো আরজি এবং বিবাদীর প্লিডিংস হলো লিখিত জবাব। বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব একত্রে প্লিডিংস নামে পরিচিত। আরজি হলো যে লিখিত দলিল দাখিলের মাধ্যমে বাদী প্রতিকার চেয়ে দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করে।গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাদি (Material Facts) যার উপর ভিত্তি করে আবেদনকারী বা দরখাস্তকারী তার দাবী উত্থাপন করে বা আত্মপক্ষ সমর্থন করে, সে সব তথ্য প্লিডিংসে (আরজি বা লিখিত জবাবে) উল্লেখ করতে হবে। এখানে বাদী তার দাবী এবং দাবীর সমর্থনে ঘটনা উল্লেখ করে। লিখিত জবাব হলো বিবাদী সাধারণত বাদীর দাবী অস্বীকার করে লিখিত যে দলিল পেশ করে।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৬নং আদেশে প্লিডিংসের যাবতীয় বিধান আলোচনা করা হয়েছে। আদেশ ৬ বিধি ৮ তে প্লিডিংসে চুক্তি অস্বীকৃতি নিয়ে বলা আছে-

যেক্ষেত্রে দরখাস্তে কোন চুক্তির বিষয় বর্ণিত থাকে, সেক্ষেত্রে বিপরীত পক্ষ শুধুমাত্র চুক্তিটির প্রতি অস্বীকার জ্ঞাপন করলে তদ্বারা শুধুমাত্র প্রকাশ্য চুক্তিটির ঘটনা অথবা যে সকল ঘটনা হতে চুক্তিটি অনুমিত হতে পারে, তা অস্বীকার করা বুঝাবে; অনুরূপ চুক্তির আইনের বৈধতা বা পর্যাপ্ততাকে অস্বীকার করা বুঝাবে না।

Order 6 Rule 8: Denial of contract-
Where a contract is alleged in any pleading. a bare denial of the same by the opposite party shall be construed only as a denial in fact of the express contract or of the matters of fact from which the same may be implied, and not as a denial of the legality or sufficiency in law of such contract.
৫৩.
Literary terms 'Alliteration' refers to
  1. The use of synonyms in a sentence
  2. The Repetition of a vowel at the beginning
  3. The use of negative words in a sentence
  4. The Repetition of a consonant at the beginning
সঠিক উত্তর:
The Repetition of a consonant at the beginning
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Repetition of a consonant at the beginning
ব্যাখ্যা
⇒  Alliteration: (অনুপ্রাস) 
- The Repetition of a consonant at the beginning of two or more words or stressed syllables is called Alliteration.
- যখন পরস্পর সম্পর্কযুক্ত বা পাশাপাশি স্থাপিত শব্দের শুরুতে একই বর্ণ বা একই ধরনের উচ্চারণ থাকে তাকে অনুপ্রাস (Alliteration) বলে।

⇒ Examples of Alliteration - 
1.
'The fair breeze blew, the white foam flew,
The furrow followed free.'
- এখানে 'f' এবং 'b' দ্বারা শুরু হওয়া শব্দ পাশাপাশি বসেছে অর্থাৎ consonant sound এর repetition ঘটেছে।
2.
'Puffs, powders, patches, Bibles, billet-doux' is an example of Alleteration.
Here 'p' has been repeated thrice and 'b' twice.

Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman & Live MCQ literature.
৫৪.
"War is peace, freedom is slavery, and ignorance is strength." 
- These are the lines taken from
  1. War and Peace
  2. Arms and the Man
  3. A Tale of Two Cities
  4. Nineteen Eighty-Four
সঠিক উত্তর:
Nineteen Eighty-Four
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nineteen Eighty-Four
ব্যাখ্যা
⇒ "War is peace, freedom is slavery, and ignorance is strength." 
- These are the lines taken from - George Orwell's famous novel Nineteen Eighty-Four.

⇒ Nineteen Eighty-Four:
- এটি ১৯৮৪ সালে প্রথম novel আকারে প্রকাশ পায় 
- The book is set in 1984 in Oceania, one of three perpetually warring totalitarian states.
- এটি একটি কতৃত্ববাদী রাষ্ট্র, যেখানে সরকার বিভিন্ন ছলে কৌশলে জনগণকে সবসময় প্রভাবিত করে রাখতে চায় এবং তারা যেনো সরকারের কোনোরূপ সমালোচনা করতে না পারে সে চেষ্টা করতে থগাকে।
- বাক স্বাধীনতা এবং মুক্ত চিন্তার কোনো অস্তিত্ব সেখানে ছিল না।
- এই সরকার দলের স্লোগান ছিল - "War is peace" : "Freedom in slavery" : and "Ignorane is strangth".
- উপন্যাসটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী অস্থির সমাজের চিত্র ফুটিয়ে তোলে।

⇒ এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Winston Smith যে সরকারের আদেশে তাদের পক্ষ হয়ে বিকৃত ও মিথ্যা ইতিহাস লেখার জন্য নির্বাচিত হয়।
- কিন্তু পরবর্তীতে সে সরকারের সকল কূটচাল ধরে ফেলে এবং সত্য উদ্ঘাটনের জন্য তৎপর হয়ে উঠে।
- ফলাফল হিসেবে সে সরকার বিরোধী এবং বিদ্রোহী হয়ে থাকে।
- Winston Smith এবং Julia নামক একটি মেয়ে পরস্পরের সাথে ভালোবাসার সম্পর্কে আবদ্ধ ছিল।
- তারা দুজনেই সরকার বিরোধী বিভিন্ন গোপন সংগঠনের সাথে যোগাযোগ রাখতে শুরু করে এবং এরফলে তাদের দুজনের অজান্তেই তারা সরকারের নিজরদারীতে চলে আসে।
- অবশেষে সরকার দল তাদেরকে মুক্ত ভাবে চিন্তা করা এবং বিদ্রোহের অপরাধে  'Thought Criminal' আখ্যায়িত করে এই দুজন কে গ্রেফতার করে সংশোধনাগারে প্রেরণ করে।
- কারাগারে Winston এর উপরে অকথ্য নির্যাতন চলাকালীন সে সরকার দলের কাছে নতি স্বীকার করে এবং তার পরিবর্তে Julia কে শাস্তি প্রদানের জন্য আকুতি করে, যার ফল স্বরূপ তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হওয়া।
- পরবর্তী সময়ে আবার যখন দুজনের দেখা হয়, তখন দেখা যায় এরা কেউ আর একে অন্যের প্রতি আগ্রহী নয়।
- Winston Smith চরিত্রটি দ্বারা লেখক সভ্য সমাজের সাধারণ মানুষের ভাবঅনা এবং সামাজিক মূল্যবোধকে তুলে ধরেছেন আর তার পরাজয়ের দ্বারা শক্তিশালো দুর্নীতিগ্রস্থ শক্তিশালী সরকার, রাষ্ট্র বা ব্যাক্তির দ্বারা প্রতিনিয়ত কিভাবে সমাজের সাধারণ মানুষের মূলুবোধ ক্ষুণ্ন হচ্ছে আর কিভাবে তার নীপিড়িত হচ্ছে তা উঠে এসেছে।

⇒ Important terms: Big Brother, Thought Criminal, O’Brien, Nwespeak.

⇒ George Orwell, Post Modern Period এর একজন সুপরিচিত লেখক।
- তিনি একাধারে English novelist, essayist, and critic.
- 'Eric Arthur Blair' was the real name of George Orwell.
- তিনি তাঁর 'Animal Farm' এবং Nineteen Eighty-four নামক novel এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

⇒ George Orwell's Notable Works - 
- A Clergyman’s Daughter,
- A Hanging,
- Animal Farm,
- Burmese Days,
- Coming Up for Air,
- Down and Out in Paris and London,
- Homage to Catalonia,
- Keep the Aspidistra Flying,
- Nineteen Eighty-four,
- Shooting an Elephant,
- Such, Such Were the Joys,
- The Lion and the Unicorn,
- The Road to Wigan Pier, etc.

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৫৫.
Literary creation 'Beowulf' is a/an -
  1. Heroic play
  2. Heroic poem
  3. Heroic novel
  4. Heroic elegy
সঠিক উত্তর:
Heroic poem
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Heroic poem
ব্যাখ্যা
⇒ Beowulf:
- এটি মূলত একটি Heroic poem.
- এটি Old English Literature এর সর্বোচ্চ অর্জন হিসেবে বিবেচিত।
- এটি  Earliest European vernacular epic হিসেবেও পরিচিত।

- যেহেতু এই epic টি খুবই পুরোনো তাই এর লেখক সম্পর্কে কোন ধারণা করা যায়নি।
- এটি মোট দুই ভাগে বিভক্ত।
- এই epic এর hero হলো Beowulf.
- নায়ক Beowulf এর তিনটি দুঃসাহসিক অভিযানকে কেন্দ্র করে এর কাহিনীটি এগিয়ে চলে।

- ইংরেজী সাহিত্যের প্রথম দীর্ঘ কবিতা এটি।
- এর মোট পংক্তি সংখ্যা ৩০০০।

- ডেনমার্ক ও দক্ষিণ সুইডেন হচ্ছে এই ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু।
- এই কবিতার Scandinavian hero, Beowulf এর নাম অনুসারে এই কবিতার নামকরণ করা হয়।

Source: Live MCQ Lecture & Britannica.
৫৬.
The word 'Grouse' is not a/an -
  1. Noun
  2. Verb
  3. Adverb
  4. Adjective
সঠিক উত্তর:
Adverb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb
ব্যাখ্যা
⇒ The word 'Grouse' is not an - Adverb.
• Grouse (noun) (Adjective) (verb)

English Meaning:  
1. A complaint.  2. A bird with a fat body and feathers on its legs, which people shoot for sport and food; the meat of this bird
Bangla Meaning: ১. অভিযোগ করা, অসন্তোষ প্রকাশ করা। ২. মেঠো মোরগ বিশেষ, পাখি।

Synonyms: Grumble (নালিশ), Grievance (অভিযোগ করা), Grudge (অভিমান), Gripe (ক্ষোভ), Croak (অসন্তোষ)। 
Antonyms: Compliment (প্রশংসা), Flattery (তোষামোদ), Praise (প্রশংসা করা), Congrats(অভিনন্দন) Extolment (কীর্তন)। 

Other Forms: 
- Grouse (Adjective)= Very good.
- Grouse (verb)= Complain.

Example Sentence: 
1. The common grouse voiced by regulars is that the number of breeze and shade-giving trees has dwindled over the years’ swings.’
2. It is the home of the lapwing, curlew, golden plover, dunlin and red grouse.

Source: Live MCQ Lcture.
৫৭.
Fill in the blanks with appropriate prepositions:
He pleaded ____ the judge ____ a more lenient sentence.
  1. with, for
  2. to, for
  3. to, with
  4. for, with
সঠিক উত্তর:
with, for
উত্তর
সঠিক উত্তর:
with, for
ব্যাখ্যা
⇒ Complete Sentence: He pleaded with the judge for a more lenient sentence.

- Plead (with somebody) (for something/to do something)

Bangla Meaning - অনুনয়-বিনয়/কাকুতি-মিনতি করা। 

Rule: যার কাছে মিনতি করা হয় তার পূর্বে 'with' এবং যার জন্য মিনতি করা হয় তার পূর্বে 'for' ব্যবহৃত হয়। 
Ex: Masum pleaded for money with his father. 

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৫৮.
Unless you respect him, he will not respect you. The underlined part is-
  1. A noun clause
  2. An adjective clause
  3. An adverbial clause
  4. A prepositional clause
সঠিক উত্তর:
An adverbial clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
An adverbial clause
ব্যাখ্যা
- The underlined part "Unless you respect him" is an adverbial clause.
⇒ If, unless, incase, whether, on condition that, provided that, supposing that- ইত্যাদি দ্বারা কোন clause আরম্ভ হলে তা কোন শর্ত প্রকাশ করে।

এই জাতীয় clause-কে বলে adverb clause of condition. 

- Unless you respect him, he will not respect you.
বাক্যের অর্থ: তুমি যদি তাকে শ্রদ্ধা না কর তাহলে সে তোমাকে শ্রদ্ধা করবে না।

- An adverbial clause is a dependent clause that modifies the verb in the main clause by expressing a condition, cause, contrast, or other circumstance related to the action in the main clause. In this case, the adverbial clause "Unless you respect him" expresses a condition for the action expressed in the main clause "he will not respect you."

Therefore, the correct answer is গ) An adverbial clause.

Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain.
৫৯.
Which word is an antonym for 'Maladroit'?
  1. Awkward
  2. Clumsy
  3. Dexterous
  4. Graceless
সঠিক উত্তর:
Dexterous
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dexterous
ব্যাখ্যা
⇒ The antonym of 'Maladroit' is - Dexterous.

- Maladroit (adjective)

English Meaning: showing or marked by a lack of skill and tact.
Bangla Meaning: অনিপুণ; কৌশলী নয় এমন।।

অন্যদিকে,
- Dexterous - দক্ষ; হাতের কাজে পারদর্শী; কুশলী।
- Clumsy - কদাকার; জবড়জং; অমার্জিত।
- Awkward - অপটু; আনাড়ি; অদক্ষ।
- Graceless - অশোভন; যথার্থবোধশূন্য।

Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৬০.
Synonym of 'Ameliorate' -
  1. Weaken
  2. Amend
  3. Decline
  4. Worsen
সঠিক উত্তর:
Amend
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Amend
ব্যাখ্যা
⇒ Ameliorate (verb-transitive & intransitive)
English Meaning: To make a bad or unpleasant situation better.
Bangla Meaning: (আনুষ্ঠানিক) অপেক্ষাকৃত উন্নত বা ভালো হওয়া; অপেক্ষাকৃত উন্নত বা ভালো করা।

Synonyms: Improve (উন্নতিসাধন করা), Make better (আরও ভাল করা), Refine (শোধন/বিশুদ্ধ করা), Amend (সংশোধিত করা), Upgrade (মানোন্নয়ন করা)।
Antonyms: Worsen (অধিকতর মন্দ হওয়া বা করা), Leave alone (কিছু পরিবর্তন না করা), Deteriorate (অবনতি হওয়া), Decline (পতন হওয়া), Weaken (দূর্বল হওয়া)।

Other Forms: Amelioration [আমীলিআরেইশ্‌ন] (noun).

Example Sentence:
1. The humor ameliorates the violence in the statement.
2. This medicine should help ameliorate the pain.

Source: Live MCQ Lecture.
৬১.
ঐতিহাসিক ছয় দফায় কোন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিলো না?
  1. স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
  2. বিচার ব্যবস্থা
  3. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  4. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
⇒ ঐতিহাসিক ছয় দফায় বিচার ব্যবস্থা উল্লেখ ছিল না।

 ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে ছয় দফা দাবী পেশ করেন।
- আর এটি ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়।
- ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা - রুহুল কুদ্দুস। 

দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১।
৬২.
যুক্তরাজ্যের এপসম কেন বিখ্যাত?
  1. পোলো
  2. শ্যুটিং
  3. ঘৌড় দৌড়
  4. লন টেনিস
সঠিক উত্তর:
ঘৌড় দৌড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘৌড় দৌড়
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্য:
- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সংবিধান: অলিখিত।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: ঋষি সুনাক (কনজারভেটিভ পার্টি)।
- প্রথম প্রধানমন্ত্রী: রবার্ট ওয়ালপল।
- প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী: মার্গারেট থ্যাচার।
- যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী উইনস্টোন চার্চিল রাজনীতিবিদ হয়েও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন: ১০ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- রাষ্ট্র প্রধান: রানি বা রাজা।
- বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।

উল্লেখ্য,
- ব্রিটিশ রাজপরিবারের বাসভবন: বাকিংহাম প্যালেস (লন্ডন)।
- বৃটেনের অর্থমন্ত্রীর বাসভবন: ১১ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব: ভিক্টোরিয়া ক্রস।
- যুক্তরাজ্যের পতাকে বলা হয়: ইউনিয়ন জ্যাক।

এছাড়াও,
- যুক্তরাজ্যের এপসম প্রাচীন ঘৌড় দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য বিখ্যাত।
- 'Fleet Street' সংবাদপত্র প্রকাশনার জন্য বিখ্যাত একটি সড়ক।
- 'Whitehall' লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি রাস্তা।
- এখানে ব্রিটিশ সরকারের অধিকাংশ প্রশাসনিক ভবন অবস্থিত।
- 'Trafalgar Square' এর অবস্থান: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৩.
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. বালি, ইন্দোনেশিয়া
  2. লিসবন, পর্তুগাল
  3. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  4. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
⇒ বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO): 
- (WMO) এর পূর্ণরূপ The World Meteorological Organization (WMO)।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) জাতিসংঘের বিশেষায়িত একটি সংস্থা। 
- (WMO) প্রতিষ্ঠা লাভ করে ২৩মার্চ, ১৯৫০ সালে।
- এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের  জেনেভায় অবস্থিত।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার বর্তমান সদস্য সংখ্যা মোট  ১৯৩টি। 
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার বর্তমান সদস্য -১৮৭টি  দেশ এবং ৬টি টেরিটরি নিয়ে গঠিত। 

উৎস : (WMO) ওয়েবসাইট।
৬৪.
ট্রোজান হর্স কী? 
  1. হ্যাকার গ্রুপ
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. কম্পিউটার ভাইরাস
  4. কম্পিউটার এন্টিভাইরাস
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার ভাইরাস
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম। 
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়। 
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন। 
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)। 
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়। 
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়। 
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। 
- কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম নিম্নে দেওয়া হলো - 
• ভিবিএস/হেল্পার, 
• ওয়ার্ম, 
• ভিবিএস/আকুই, 
ট্রোজান হর্স
• এক্স ৯৭এম/হপার.আর, 
• মাইক্রো ভাইরাস, 
• বুট সেক্টর ভাইরাস, 
• জেরুজালেম, 
• স্টোন, 
• ঢাকা ভাইরাস, 
• ভিয়েনা, 
• সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫.
রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠিত হয় - 
  1. লৌহ ও প্রোটিনের সমন্বয়ে
  2. কপার এবং লিপিডের সমন্বয়ে
  3. জিংক এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে
  4. ম্যাঙ্গানিজ এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে
সঠিক উত্তর:
লৌহ ও প্রোটিনের সমন্বয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লৌহ ও প্রোটিনের সমন্বয়ে
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা। 
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা। 
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ - ৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। 
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়। 
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে। 
- তবে কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৬.
আয়তাকার একটি ক্ষেত্রের প্রস্থ অপেক্ষা দৈর্ঘ্য ১২ মিটার বড় এবং ক্ষেত্রটির পরিসীমা ১৩৬ মিটার হলে ক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কত? 
  1. ৪২ ও ৩০
  2. ৩৮ ও ২৬
  3. ৪০ ও ২৮
  4. ৪০ ও ৫২
সঠিক উত্তর:
৪০ ও ২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ও ২৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আয়তাকার একটি ক্ষেত্রের প্রস্থ অপেক্ষা দৈর্ঘ্য ১২ মিটার বড় এবং ক্ষেত্রটির পরিসীমা ১৩৬ মিটার হলে ক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কত? 

সমাধান: 
ধরি, 
প্রস্থ = x মিটার এবং 
দৈর্ঘ্য = (x + ১২) মিটার 

শর্তমতে, 
২(x + ১২ + x) = ১৩৬ 
বা, ২x + ১২ = ৬৮ 
বা, ২x = ৬৮ - ১২ 
বা, ২x = ৫৬ 
বা, x = ৫৬/২ 
∴ x = ২৮ 
অর্থাৎ প্রস্থ = ২৮ মিটার 
এবং দৈর্ঘ্য = (২৮ + ১২) মিটার = ৪০ মিটার।
৬৭.
একটি দ্রব্য ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য ৮০ টাকা বেশি হলে ১০% লাভ হতো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত? 
  1. ৪০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৪০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি দ্রব্য ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য ৮০ টাকা বেশি হলে ১০% লাভ হতো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত? 

সমাধান: 
দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে, 
১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = (১০০ - ১০) টাকা = ৯০ টাকা 
১০% লাভে বিক্রয়মূল্য = (১০০ + ১০) টাকা = ১১০ টাকা 
∴ বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = (১১০ - ৯০) টাকা 
= ২০ টাকা 

এখন, 
বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য ২০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা 
∴ বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০/২০ টাকা 
∴ বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য ৮০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৮০)/২০ টাকা 
= ৪০০ টাকা 

∴  দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ৪০০ টাকা।
৬৮.
9, 36, 81, 144,..............ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত? 
  1. 196
  2. 225
  3. 169
  4. 256
সঠিক উত্তর:
225
উত্তর
সঠিক উত্তর:
225
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 9, 36, 81, 144,..............ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত? 

সমাধান: 
9, 36, 81, 144,.............. 
3 × 3 = 9 
6 × 6 = 36 
9 × 9 = 81 
12 × 12 = 144 
15 × 15 = 225 

∴ ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি = 225 ।
৬৯.
'জয়ধ্বনি' শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. জয়দ্‌ধ্বোনি
  2. জয়োদ্‌ধোনি
  3. যয়োদ্‌ধোনি
  4. যয়োদ্‌ধ্বনি
সঠিক উত্তর:
জয়োদ্‌ধোনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়োদ্‌ধোনি
ব্যাখ্যা
• 'জয়ধ্বনি'
- সংস্কৃত শব্দ।
- বিশেষ্য পদ।
- উচ্চারণ: জয়োদ্‌ধোনি
- প্রকৃতি প্রত্যয়: জয় + √ধ্বন্‌ + ই। 
 অর্থ:
- জয়োল্লাসের ধ্বনি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৭০.
'বিরানব্বই' কোন সমাস?
  1. নিত্য সমাস
  2. কর্মধারয় সমাস
  3. বহুব্রীহি সমাস
  4. দ্বন্দ্ব সমাস
সঠিক উত্তর:
নিত্য সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিত্য সমাস
ব্যাখ্যা
নিত্য সমাস:
- যে সমাসে সমস্যমান পদগুলাে নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না, তাকে নিত্যসমাস বলে।
- তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যােগে এগুলাের অর্থ বিশদ করতে হয়।
যেমন:
- অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর,
- কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র,
- অন্য গৃহ = গৃহান্তর,
- তুমি আমি ও সে = আমরা,
- দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই,
- (বিষাক্ত) কাল (যম) তুল্য সাপ = কালসাপ। 

অন্যদিকে:
দ্বন্দ্ব সমাস:
- যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে।
যেমন:
- ক্ষুধা ও পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা।

বহুব্রীহি সমাস:
- যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনােটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বােঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- বউ ভাত পরিবেশন করে যে অনুষ্ঠানে = বউভাত,
- লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি ইত্যাদি।

কর্মধারয় সমাস:
- যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম,
- শান্ত অথচ শিষ্ট = শান্তশিষ্ট,
- কাঁচা অথচ মিঠা = কাঁচামিঠা।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭১.
'উত্তরের খেপ' উপন্যাসটি কার লেখা?
  1. মাহমুদুল হক
  2. শওকত ওসমান
  3. হাসান আজিজুল হক
  4. শওকত আলী
সঠিক উত্তর:
শওকত আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শওকত আলী
ব্যাখ্যা
শওকত আলী রচিত উপন্যাস - উত্তরের খেপ। 

শওকত আলী:
- শওকত আলীর (জন্ম: ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬ - ২৫ জানুয়ারি)। জন্মস্থান দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ। 
- একটি ছোট উপন্যাস ‘পিঙ্গল আকাশ” (১৯৬৪) তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই।
- শিশুকিশোরদের জন্যেও তিনি লিখে থাকেন।
- বাংলা ছোটগল্পে বিশেষ অবদান রাখার জন্য শওকত আলী বাঙলা একাডেমি পুরস্কার পান ১৯৬৮ সালে।
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ লেখক শিবির তাঁকে হুমায়ুন কবির স্মৃতি পুরস্কার প্রদান করে।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পিঙ্গল আকাশ, 
- যাত্রা, 
- প্রদোষে প্রাকৃতজন, 
- দক্ষিণায়নের দিন, 
- কুলায় কালস্রোত, 
- পূর্বরাত্রি পূর্বদিন, 
- যেতে চাই, 
- ওয়ারিশ, 
- বাসর মধুচন্দ্রিমা, 
- উত্তরের খেপ, 
- হিসাবনিকাশ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।