পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়27 minutes
মোট প্রশ্ন৩৫
সিলেবাস
৪১তম বিসিএস ২৫ দিনে ফাইনাল রিভিশন - ভূগোল ও নৈতিকতা সম্পূর্ণ [৮০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৫ প্রশ্ন

.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ করে কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা?
  1. ক) UNFCCC
  2. খ) IPCC
  3. গ) UNESCO
  4. ঘ) WMO
ব্যাখ্যা

IPCC
IPCC - এর পূর্ণরূপ Intergovernmental Panel on Climate Change। এটি জাতিসংঘ এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় অঙ্গ যার প্রধান উদ্দেশ্য জলবায়ু পরিবর্তন, এর প্রভাব ও এর ভবিষ্যৎ ঝুঁকি এবং এই ঝুঁকি মোকাবেলায় করণীয় সম্পর্কে কর্মপন্থা - ইত্যাদি বিষয় নিয়ে কাজ করে। বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাস নিয়ে কাজ করা এই সংস্থাটি গ্রীণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস এবং এর ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রতি বছর বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তথ্য-উপাত্ত নিয়ে নিবন্ধ (Scientific Article) প্রকাশ করে থাকে।
⤇ বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (World Meteorological Organization - WMO), জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা (United Nations Environment Programme - UNEP) এবং বিজ্ঞান বিষয়ক আন্তর্জাতিক কাউন্সিল (International Council of Scientific Unions) ১৯৮৫ সালে গ্রীণহাউস গ্যাস নিঃসরণ ও বৈশ্বিক উষ্ণতা বিষয়ক চলমান বৈজ্ঞানিক গবেষণা পর্যবেক্ষণ ও এ সম্পর্কে মতামত (Recommendations) প্রদানের জন্য “Advisory Group on Greenhouse Gases” নামে একটি প্যানেল গঠন করে।
১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অনুমোদনের মাধ্যমে IPCC - একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক সংস্থা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
উৎসঃ Live MCQ content (Upcoming) ও IPCC website.

.
‘সাভানা তৃণভূমি’ নিচের কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. খ) দক্ষিণ সুদান
  3. গ) ইথিওপিয়া
  4. ঘ) ক + খ
ব্যাখ্যা

সাভানা হলো আফ্রিকার সাহারা মরুভূমির দক্ষিণে অবস্থিত একটি বিস্তৃত তৃণভূমি। এটির আয়তন প্রায় ৫০ লক্ষ বর্গমাইল।
এটি সাহারা মরুভূমি ও কালাহারি মরুভূমির মধ্যবর্তী স্থানে সুদান, দক্ষিণ সুদান, কেনিয়া, তাঞ্জানিয়া, বতসোয়ানা, জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা প্রভৃতি দেশজুড়ে বিস্তৃত।
সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফি ওয়েবসাইট।

.
কোন সময়ে সংঘটিত বন্যায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৭০
  2. খ) ১৯৮৮
  3. গ) ১৯৯২
  4. ঘ) ১৯৯৮
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বন্যার ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক। বন্যা এলাকা প্লাবিত হয় বিপুল পরিমাণ ফসলের ক্ষতি করে।
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ব-দ্বীপ বাংলাদেশ তথা এ ঢালু সমভূমির দেশে বিভিন্ন শতাব্দীতে বন্যা হয়েছে।
১৯৫৪ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে ১৯৭৪, ১৯৭৮, ১৯৮৪, ১৯৮৮, ১৯৯৮, ২০০৪ সালের বন্যা ছিল ভয়াবহ।
এগুলোর মধ্যে ১৯৯৮ সালে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী বন্যাটি সংঘটিত হয় এবং এতে সবচেয়ে বেশি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
মংলা সমুদ্র বন্দরটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) শ্যালা নদী
  2. খ) পশুর নদী
  3. গ) মাথাভাঙ্গা নদী
  4. ঘ) হাড়িয়াভাঙ্গা নদী
ব্যাখ্যা

মংলা বন্দর বাংলাদেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাাতিক সমুদ্র বন্দর।
১৯৫০ সালে ১১ ডিসেম্বর বৃটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ ''The City of Lyons'' সুন্দরবনের মধ্যে পশুর নদীর জয়মনিগোল নামক স্থানে নোঙ্গর করে ।
এটাই ছিল মংলা বন্দর প্রতিষ্ঠার শুভ সুচনা।

উৎসঃ মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।

.
আঁড়িয়াল বিল কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) যশোর
  2. খ) মানিকগঞ্জ
  3. গ) মুন্সীগঞ্জ
  4. ঘ) পাবনা
ব্যাখ্যা

আড়িয়াল বিল পদ্মা ও ধলেশ্বরী নদীর মাঝখানে অবস্থিত ও মুন্সিগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি অবভূমি। এটি দেশের মধ্যাঞ্চলের সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন বিল। এর আয়তন ১৩৬ বর্গ কিলোমিটার।
আড়িয়াল বিলের বেশিরভাগ এলাকাই শুষ্ক ঋতুতে আর্দ্র থাকে এবং বিলে যথেষ্ট পরিমাণ পানি সঞ্চিত থাকে। বর্ষায় পানিতে টইটুম্বুর থাকলেও শীতকালে এটি বিস্তীর্ণ শস্য ক্ষেতে পরিণত হয়।
এছাড়া যশোর জেলায় ভবদহ বিল অবস্থিত।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

.
‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা’ কোন ধরনের ভূগোল?
  1. ক) প্রাকৃতিক ভূগোল
  2. খ) মানব ভূগোল
  3. গ) ক + খ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ভূগোল প্রধান শাখা ২টি।
যথা -
ক) প্রাকৃতিক ভূগোল (Physical geography)
খ) মানব ভূগোল (Human geography)

প্রাকৃতিক ভূগোলের (Physical geography) ৫টি অংশ।
যথা -
১. ভূমিরূপবিদ্যা (Geomorphology)
২. জলবায়ুবিদ্যা (Climatology)
৩. জীবভূগোল (Biogeography)
৪. মৃত্তিকা ভূগোল (Soil geography)
৫. সমুদ্রবিদ্যা (Oceanography)

আবার, মানব ভূগোলের ৮টি অংশ।
যথা -
১. অর্থনৈতিক ভূগোল
২. জনসংখ্যা ভূগোল
৩. আঞ্চলিক ভূগোল
৪. রাজনৈতিক ভূগোল
৫. সংখ্যাতাত্ত্বিক ভূগোল
৬. পরিবহন ভূগোল
৭. নগর ভূগোল
৮. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Disaster Management)

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বই।

.
‘সেক্সট্যান্ট’ যন্ত্রের সাহায্যে নিচের কোনটি পরিমাপ করা হয়?
  1. ক) দ্রাঘ্রিমাংশ
  2. খ) গ্রহ থেকে গ্রহের দূরত্ব
  3. গ) সূর্যের উন্নতি কোণ
  4. ঘ) সমুদ্রের গভীরতা
ব্যাখ্যা

সেক্সট্যান্টঃ
যে যন্ত্রের সাহায্য সূর্যের উন্নতি পরিমাপ করা যায় তাকে সেক্সট্যান্ট যন্ত্র বলে।
সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বই।

.
বাংলাদেশের প্লাবন সমভূমিগুলো কোন যুগের?
  1. ক) টারশিয়ারি
  2. খ) প্রাগৈতিহাসিক
  3. গ) সাম্প্রতিক
  4. ঘ) প্লাইস্টোসিন
ব্যাখ্যা

ভূপ্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশ ৩ ভাগে বিভক্ত।
এগুলো হলোঃ
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
২. প্লাইস্টোসিনকালের চত্বর সমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি।
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবস্থিত।
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়, বরেন্দ্রভূমি এবং লালমাই পাহাড় হলো প্লাইস্টোসিনকালের চত্বর ভূমি।
এ ব্যতীত দেশের বাদবাকি অঞ্চল সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বই।

.
পৃথিবীর মোট আয়তনের শতকরা কতভাগ বনাঞ্চল?
  1. ক) ৩৭.৮০ শতাংশ
  2. খ) ৩০.৬০ শতাংশ
  3. গ) ২৫.৫০ শতাংশ
  4. ঘ) ১৯.৫০ শতাংশ
ব্যাখ্যা

বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী বিশ্বে বনভূমির পরিমাণ ৩০.৬ শতাংশ।
১৯৯০ সালে এর পরিমাণ ছিলো ৩১.৬ শতাংশ যা ২০১০ সালে ৩০.৮ শতাংশে হ্রাস পায়।
এককভাবে সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে রাশিয়ায় (প্রায় ৮১.৫ লক্ষ বর্গ কিমি)।
সূত্রঃ FAO ওয়েবসাইট।

১০.
মহাসাগরীয় ভূ-ত্বকের কি বলা হয়?
  1. ক) সিয়াল
  2. খ) সিমা
  3. গ) নিফে
  4. ঘ) সিলিকা
ব্যাখ্যা

মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের প্রধান গাঠনিক উপাদান সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al) হওয়ায় এই স্তরকে সিয়াল স্তর (Sial) বলা হয়।
অপরদিকে,
মহাসাগরীয় ভূ-ত্বকের প্রধান গাঠনিক উপাদান সিলিকন (Si) ও ম্যাগনেসিয়াম (Mg) হওয়ায় এই স্তরকে সিমা স্তর (Sima) নামে অভিহিত করা হয়।

ভূ-কম্পন তরঙ্গ থেকে বুঝা যায় যে, কেন্দ্রমন্ডলের বাইরের অংশ অপেক্ষাকৃত তরলাকারে রয়েছে (২,২৭০ কি.মি. পুরু)।
লোহা ও নিকেল সমৃদ্ধ এই মন্ডলের গাঠনিক উপাদানের মধ্যে পারদ ও সিসা উল্লেখযোগ্য। নিকেল (Ni) ও লোহার(Fe) প্রাধান্য থাকায় এই স্তরটির নিফে (Nife) স্তর নামে অভিহিত করা হয়।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বই।

১১.
বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার জলবায়ু -
  1. মৃদুভাবাপন্ন
  2. মহাদেশীয়
  3. সমভাবাপন্ন
  4. চরমভাবাপন্ন
ব্যাখ্যা

• মৃদুভাবাপন্ন:
- কক্সবাজারের জলবায়ুকে বলা হয় মৃদুভাবাপন্ন।
- জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে। যেমন- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এসব স্থানের জলবায়ু মৃদুভাবাপন্ন।
-  সমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম তেমন পার্থক্য না হলেও সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় শীত ও গ্রীষ্ম উভয়ই বেশি হয়। এ কারণে সমুদ্র নিকটবর্তী জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন ও দূরবর্তী জলবায়ুকে মহাদেশীয় চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বলা হয়।
- স্থলভাগের চেয়ে জলভাগ অনেক ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়। কারণ পানির আপেক্ষিক তাপ ধারণ ক্ষমতা বেশি। অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সমুদ্রের পানি উত্তপ্ত হতে যে পরিমাণ তাপের দরকার হয় তার সমপরিমাণ মাটি উত্তপ্ত হতে তার থেকে কম তাপ দরকার হয়।
- তবে সৌরতাপ ভূমি অপেক্ষা সমুদ্রের অনেক গভীরে প্রবেশ করে তাপ বিস্তার করে। এ কারণেই অনেক দীর্ঘ সময়ে সমুদ্র উত্তপ্ত হয়।
- আবার তাপ বিকিরণের ক্ষেত্রে সমুদ্র পুনরায় ধীরে ধীরে তাপ হারায় যা ভূমির ক্ষেত্রে আরও দ্রুত হয়। ফলে সমুদ্র ঠান্ডা হতেও দীর্ঘ সময় লাগে। মূলত এ কারণেই গ্রীষ্মকালে উপকূলীয় এলাকা ভূ-ভাগের অভ্যন্তরের তুলনায় শীতল হয় এবং শীতকালে তুলনামূলকভাবে উষ্ণ থাকে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
নিচের কোনটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি?
  1. ক) মাওনাকেয়া
  2. খ) ফুজিয়ামা
  3. গ) কোহিসুলতান
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

অগ্ন্যুৎপাতের ভিত্তিতে আগ্নেয়গিরিকে প্রধানত তিনভাগে ভাগ করা যায়।
যথা -
১. সক্রিয় আগ্ন্যেয়গিরি - হাওয়াই দ্বীপের মাওনালেয়া, মাওনাকেয়া।
২. সুপ্ত আগ্নেয়গিরি - জাপানের ফুজিয়ামা
৩. মৃত আগ্নেয়গিরি - ইরানের কোহিসুলতান

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বই।

১৩.
আফ্রিকার সাব-সাহারা অঞ্চলকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. ক) ল্যানোস
  2. খ) প্রেইরি
  3. গ) তৈগা
  4. ঘ) সাহিল
ব্যাখ্যা

সাহেল বা সাহিল (Sahel) অঞ্চল বলে অভিহিত পশ্চিম আফ্রিকার সাব সাহারা অঞ্চল।
এই অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য দেশগুলো হচ্ছে - মৌরিতানিয়া, মালি ও নাইজার প্রভৃতি।

- প্রেইরি (Prairie) - উত্তর আমেরিকার উর্বর তৃণভূমি।
- তৈগা (Taiga) - পূর্ব সাইবেরিয়া অঞ্চলের বনাঞ্চল। আবার উত্তর আমেরিকাতেও তৈগা ধরনের বনাঞ্চল রয়েছে।
- ল্যানোস (Llanos) দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত তৃণভূমি।

১৪.
বায়ুমন্ডলে নিচের কোন উপাদানটি সবচেয়ে বেশি থাকে?
  1. ক) জলীয়বাষ্প
  2. খ) ধূলিকণা ও কণিকা
  3. গ) আর্গন
  4. ঘ) কার্বন-ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা

বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি ৭৮.০১%।
এছাড়া,
- অক্সিজেন ২০.৭১%,
- আর্গন ০.৮০%,
- জলীয়বাষ্প ০.৪১%
- কার্বন-ডাই-অক্সাইড ০.০৩%।
- অন্যান্য গ্যাস ০.০২% ও
- ধূলিকণা ও কণিকা ০.০১% থাকে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বই।

অপশনগুলোর মধ্যে বায়মন্ডলে আর্গন সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে।

১৫.
বাংলাদেশের কোন নদীর নদী-বিধৌত অঞ্চলের আয়তন সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) ব্রহ্মপুত্র
  2. খ) পদ্মা
  3. গ) যমুনা
  4. ঘ) সুরমা
ব্যাখ্যা

ব্রহ্মপুত্র নদী তিব্বতের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন। তিব্বতে এর নাম সংপো এবং ডিহং নামে এটা আসামের উত্তর-পূর্ব কোণ দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে।
অতঃপর ব্রহ্মপুত্র নামে পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের মাজহিয়ালীতে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
পরবর্তীতে ব্রহ্মপুত্র দক্ষিণ-পূর্বে বেঁকে ভৈরব বাজারের কাছে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে। এ স্থানের নাম পুরাতন ব্রহ্মপুত্র।

- ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশের ৫০,৫০৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা বিধৌত করেছে।
১৭৮৭ সালে তিস্তায় প্রবল বন্যার ফলে গতিপথ পরিবর্তন করে ময়মনসিংহ জেলার মধ্যে দিয়ে জোই নামে একটি ক্ষুদ্র শাখা নদীর উপর গিয়ে পড়ে।
অন্যদিকে,
- পদ্মা-বিধৌত অঞ্চল - ৩৪,১৮৮ বর্গকিঃমিঃ ও
- মেঘনা বিধৌত অঞ্চলের পরিমাণ - ২৯,৭৮৫ বর্গকিঃমিঃ।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল (অর্থনৈতিক ভূগোল) দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।

১৬.
বাংলাদেশের কোন জেলায় কর্কটক্রান্তি রেখা এবং ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা মিলিত হয়েছে?
  1. ক) পিরোজপুর
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) মাদারীপুর
  4. ঘ) টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা এবং ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
এই রেখা দুটি ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের ভাঙ্গারদিয়া গ্রামের ধোপাডাঙ্গা মৌজার একটি ফসলি ক্ষেতের উপর মিলিত হয়েছে।
এই স্থানকে কেন্দ্র করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানমন্দির' নির্মাণ করতে যাচ্ছে।
সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক, ৩ জুলাই ২০১৯।

১৭.
সমুদ্র থেকে দূরবর্তী অঞ্চলের জলবায়ু কোন ধরনের জলবায়ু বলে?
  1. ক) সমভাবাপন্ন জলবায়ু
  2. খ) মৌসুমি জলবায়ু
  3. গ) শীতপ্রধান জলবায়ু
  4. ঘ) মহাদেশীয় জলবায়ু
ব্যাখ্যা

সমুদ্র থেকে দূরত্ব - জলবায়ুর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক।
সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় শীত ও গ্রীষ্ম উভয়ই বেশি হয়। এসব এলাকায় শীতকালে তীব্র শীত এবং গ্রীষ্মকালে তীব্র গরম অনুভূত হওয়ায় সমুদ্র থেকে দূরবর্তী জলবায়ুকে মহাদেশীয় বা চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বলা হয়।
আবার,
জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে। যেমন- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এসব স্থানের জলবায়ু রাজশাহীর তুলনায় মৃদুভাবাপন্ন।
সমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম তেমন পার্থক্য হয় না বলে এ ধরনের জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন জলবায়ু বলে।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বই।

১৮.
নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে কোন ধরনের বৃষ্টিপাত দেখা যায়?
  1. ক) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
  2. খ) বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি
  3. গ) ঘূর্ণি বৃষ্টি
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টিঃ
শীতল ও উষ্ণ বায়ু মুখোমুখি হলে উষ্ণ বায়ু এবং শীতল বায়ু একে অপরের সঙ্গে মিশে না গিয়ে তাদের মধ্যবর্তী এলাকায় অদৃশ্য বায়ুপ্রাচীরের সৃষ্টি করে।
বায়ুপ্রাচীর সংলগ্ন এলাকায় শীতল বায়ুর সংস্পর্শে উষ্ণ বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায়; ফলে শিশিরাঙ্কের সৃষ্টি হয়। ফলে উভয় বায়ুর সংযোগস্থলে যে ধরনের বৃষ্টিপাত ঘটে তাকে বায়ুপ্রাচীর জনিত বৃষ্টি বলে।
সাধারণত নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে এ ধরনের বৃষ্টিপাত ঘটে। গ্রীষ্মকালে নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে পরিচলন বৃষ্টিও হয়।

আবার, নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর পরিচলন বৃষ্টি হয়ে থাকে।
মধ্য ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শীতকালে ঘূর্ণি বৃষ্টিপাত হতে দেখা যায়।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি

১৯.
‘সাইমুম’ কোন অঞ্চলের স্থানীয় বায়ু?
  1. ক) উত্তর আফ্রিকা
  2. খ) মিশর
  3. গ) আরব মালভূমি
  4. ঘ) ভারতীয় উপমহাদেশ
ব্যাখ্যা

কয়েকটি স্থানীয় বায়ুঃ

চিনুক - রকি পর্বতের পাদদেশ
মিস্ট্রাল - ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি
পম্পেরু - আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে
বোরা - আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূল
সিরক্কো - উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালি
সাইমুম - আরব মালভূমি
খামসিন - মিশর
লু - ভারতীয় উপমহাদেশ

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২০.
বারিমন্ডলে সমুদ্রের পানির পরিমাণ কত?
  1. ক) ৭১.৩৭%
  2. খ) ৮৬.৯৭%
  3. গ) ৯৫.৯৬%
  4. ঘ) ৯৭.২৫%
ব্যাখ্যা

বারিমন্ডলের পানির প্রধান উৎসসমূহঃ
সমুদ্র - ৯৭.২৫%
হিমবাহ - ২.০৫
ভূগর্ভস্থ পানি - ০.৬৮%
হ্রদ - ০.০১%
নদী - ০.০০০১%

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২১.
নিচের কোনটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূখ্য উপাদান নয়?
  1. ক) দুর্যোগ প্রতিরোধ
  2. খ) পুনরুদ্ধার
  3. গ) পূর্বপ্রস্তুতি
  4. ঘ) দুর্যোগ প্রশমন
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।
সুতরাং দুর্যোগকে কার্যত মোকাবেলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই এর ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।

দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।
অতীতে দুর্যোগে সাড়াদানকেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২২.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে ব্যয়বহুল পর্যায় কোনটি?
  1. ক) সাড়াদান
  2. খ) পুনরুদ্ধার
  3. গ) প্রশমন
  4. ঘ) প্রস্তুতি
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রঃ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কয়েকটি পর্যায় হচ্ছে -
- পূর্ব প্রস্তুতি
- সাড়াদান
- পুনরুদ্ধার
- উন্নয়ন
- প্রতিরোধ
- প্রশমন

দুর্যোগ প্রশমনঃ
দুর্যোগের স্থায়িত্ব হ্রাসকরণ ও দুর্যোগ পূর্ব প্রস্তুতিকে দুর্যোগ প্রশমন বলে।
এই পর্যায়ের কাজগুলো হচ্ছে -
মজবুত পাকা ভবন নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল নির্ধারণ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শক্ত অবকাঠামো নির্মাণ, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নির্মাণ ইত্যাদি।
এই কার্যক্রমগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন ব্যয়বহুল হলেও বাংলাদেশ সরকার সীমিত সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী খনন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বনায়ন ইত্যাদি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৩.
মূল্যবোধ শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ কোনটি?
  1. ক) Price
  2. খ) Values
  3. গ) Value
  4. ঘ) Norms
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ বা Values শব্দটি ল্যাটিন শব্দ 'Valere' থেকে আগত। Valere means - to be worth
২৪.
মূল্যবোধ সম্পর্কে কোনটি সত্যি নয়?
  1. ক) মূল্যবোধ হচ্ছে মানুষের বিশ্বাস ও আদর্শের সমষ্টি;
  2. খ) মূল্যবোধ মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে;
  3. গ) মূল্যবোধ মানুষের আচরণের ভাল-মন্দ বিচার করে;
  4. ঘ) মূল্যবোধ একটি বিমূর্ত এবং সর্বজনীন প্রত্যয়
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ সমাজস্থ প্রত্যেক মানুষের জীবন ধারণের নির্দেশনা দিয়ে থাকে। মূল্যবোধ এক ধরনের বিশ্বাস, যা ব্যক্তি তথা মানুষের সার্বিক বিশ্বাস ব্যবস্থার (total belief system) কেন্দ্রে অবস্থান করে ব্যক্তির করণীয় অথবা মর্যাদা অর্জন সম্পর্কে বিশ্বাসবোধের জন্ম দেয়। বিভিন্ন সংজ্ঞা হতে মূল্যবোধের যে বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করা যায় তা হলোঃ
১. মূল্যবোধ হচ্ছে মানুষের বিশ্বাস ও আদর্শের সমষ্টি;
২. মূল্যবোধ মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে;
৩. মূল্যবোধ একটি অলিখিত সামাজিক বিধান;
৪. মূল্যবোধ মানুষের আচরণের ভাল-মন্দ বিচার করে;
৫. মূল্যবোধ একটি বিমূর্ত, অলিখিত ও আপেক্ষিক প্রত্যয়;
৬. মূল্যবোধের কোনো সর্বজনীন রূপ নেই সমাজ ও সময়ভেদে পরিবর্তনশীল।

সুত্রঃ সমাজকর্ম ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে আধুনিক, যুক্তিযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য মতবাদ কোনটি?
  1. ক) ঐশ্বরিক মতবাদ
  2. খ) বিবর্তনমূলক মতবাদ
  3. গ) সামাজিক চুক্তি মতবাদ
  4. ঘ) বল প্রয়োগ মতবাদ
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত কয়েকটি মতবাদঃ
১. ঐশ্বরিক মতবাদ (সবচেয়ে পুরোনো) -- প্রবক্তা -- সেন্ট অগাস্টিন
২. বল প্রয়োগ মতবাদ -- তাত্ত্বিক -- ডেভিড হিউম, জেংকস, জেলীনক
৩. সামাজিক চুক্তি মতবাদ -- তাত্ত্বিক -- থমাস হবস, জন লক, জ্যাঁ জ্যাক রুশো
৪. ঐতিহাসিক বা বিবর্তনমূলক মতবাদ -- (আধুনিক, যুক্তিযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য)

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পৌরনীতি বই (উন্মুক্ত)

২৬.
নিচের কোনটি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বর্ণিত সুশাসনের উপাদান নয়?
  1. ক) জবাবদিহিতা
  2. খ) উন্নয়নের বৈধ কাঠামো
  3. গ) স্বচ্ছতা
  4. ঘ) ভবিষ্যৎবাচ্যতা
ব্যাখ্যা
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের মতে গভর্ন্যান্স হলো উন্নয়নের জন্যে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ক্ষমতা চর্চার প্রক্রিয়া বা ধরন। ব্যাংকটির মতে সুশাসনের মূল উপাদান চারটি।
এগুলো হলো: জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণ এবং ভবিষ্যৎবাচ্যতা (Predictability)। অন্যদিকে উন্নয়নের বৈধ বা আইনি কাঠামো হলো বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসন মূল্যায়নের অন্যতম উপাদান।
সূত্র: এডিবি ওয়েবসাইট
২৭.
জোনাথন হাইট এর মতে নিচের কোনটি থেকে নৈতিকতার উদ্ভব ঘটেনি?
  1. ক) সংস্কৃতি
  2. খ) ধর্ম
  3. গ) ঐতিহ্য
  4. ঘ) মানব আচরণ
ব্যাখ্যা
‘ধর্ম, ঐতিহ্য এবং মানব আচরণ - তিনটি থেকেই নৈতিকতার উদ্ভব হয়েছে।’ - জোনাথন হাইট
২৮.
নৈতিকতা সম্পর্কিত কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) নৈতিকতা সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট
  2. খ) নৈতিকতা সামাজিক বিবেক দ্বারা পরিচালিত
  3. গ) নৈতিকতা অঞ্চলভেদে এবং ব্যক্তি বিশেষে ভিন্ন হতে পারে
  4. ঘ) নৈতিকতার সাথে মানুষের বুদ্ধি, বিবেক ও ন্যায়পরায়ণতা যুক্ত
ব্যাখ্যা
নৈতিক আইন মানুষের অন্তর্জীবনের সাথে সম্পর্কিত। নৈতিকতার সাথে মানুষের বুদ্ধি, বিবেক ও ন্যায়পরায়ণতা যুক্ত থাকে। আইন সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট, কিন্তু নৈতিকতা অনির্দিষ্ট ও অস্পষ্ট। আইন সর্বক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য কিন্তু নৈতিকতা অঞ্চলভেদে এবং ব্যক্তি বিশেষে আলাদা হতে পারে। নৈতিকতা সামাজিক বিবেক দ্বারা পরিচালিত হয়।
সূত্র- এসএসসি পৌরনীতি (উন্মুক্ত)।
২৯.
সুনীতি গ্রহণে সরকারকে বাধ্য করার দায়িত্ব কার?
  1. ক) বিদেশীদের
  2. খ) নাগরিকের
  3. গ) আমলাদের
  4. ঘ) সামরিকবাহিনীর
ব্যাখ্যা
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নাগরিকের প্রধান করণীয় হচ্ছে ব্যক্তিগত অথবা সংগঠিতভাবে সরকারকে জনকল্যাণে সুনীতি গ্রহণে বাধ্য করা। এক্ষেত্রে তারা আলোকিত মতামত দিয়ে সরকারকে সাহায্য করতে পারে বা সরকারের অন্যায় বা ভুল নীতির সমালোচনা বা প্রতিবাদের মাধ্যমে সরকারকে জবাবদিহি করতে বাধ্য করতে পারে।
সূত্র- এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন (উন্মুক্ত)।
৩০.
নাগরিকের অধিকার সম্পর্কে কোন উক্তিটি সত্য নয়?
  1. ক) অধিকার সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত
  2. খ) অধিকার রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত
  3. গ) অধিকার ব্যক্তির সর্বাঙ্গীন উন্নয়নের সহায়ক
  4. ঘ) অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আইনের আশ্রয় নেয়া যায় না
ব্যাখ্যা
অধিকার হল এমন কতগুলো সুযোগ সুবিধা, যা সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত ও অনুমোদিত এবং যা ব্যক্তির সর্বাঙ্গীন উন্নয়নের সহায়ক। অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আইনের আশ্রয় নেয়া যায়।
সূত্র- এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন (উন্মুক্ত)।
৩১.
নিচের কোনটি সামাজিক নৈতিকতা?
  1. ক) স্বাধীনতা
  2. খ) সুশাসন
  3. গ) গণতন্ত্র
  4. ঘ) মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ আইন নয়, এর বিরোধিতা বেআইনি নয়। এটা মূলত একপ্রকার সামাজিক নৈতিকতা। মূল্যবোধের প্রতি সমাজে বসবাসকারী মানুষের শ্রদ্ধবোধ আছে বলে মানুষ এটা মেনে চলে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম পত্র) বই।
৩২.
লর্ড ব্রাইস এর মতে আইন মান্য করার কারণ হল -
  1. ক) দায়বদ্ধতা
  2. খ) অপরের প্রতি শ্রদ্ধা
  3. গ) শাস্তির ভয়
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
লর্ড ব্রাইস আইন মান্য করার কারণগুলোকে পাঁচ ভাগে ভাগ করেনঃ
(ক) যৌক্তিকতার উপলব্ধি
(খ) অপরের প্রতি শ্রদ্ধা
(গ) নির্লিপ্ততা
(ঘ) সহানুভূতি
(ঙ) শাস্তির ভয়
৩৩.
পৌরনীতি ও সুশাসন নিচের কোন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে?
  1. ক) অর্থব্যবস্থা
  2. খ) ব্যাংকিং ব্যবস্থা
  3. গ) ইলেকট্রনিক গভর্নেন্স
  4. ঘ) ধর্মীয় অনুশাসন
ব্যাখ্যা

সুশাসন ও ই-গভর্নেন্সঃ
পৌরনীতি ও সুশাসন বর্তমান সময়ে সুশাসন ও ই-গভর্নেন্স নিয়ে আলোচনা করে। সরকার কিভাবে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, নিরপেক্ষ নির্বাচন, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তুলতে পারে সে বিষয়ে পৌরনীতি ও সুশাসন আলোচনা করে।

সূত্র- এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন (উন্মুক্ত)।
৩৪.
শাসন ব্যবস্থায় ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগকে কি বলা হয়?
  1. ক) ই-সার্ভিস
  2. খ) ই-লার্নিং
  3. গ) ই-কমার্স
  4. ঘ) ই-গভর্নেন্স
ব্যাখ্যা
ই-গভর্নেন্স (E-governance) এর পূর্ণরূপ হলো- ইলেকট্রনিক গভর্নেন্স (Electronic Governance)। এটা এমন একটি পদ্ধতি বা ব্যবস্থা যা সরকারের কর্মকান্ড ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাইজড আকারে রূপান্তরিত করে এবং জনগণের সাথে সরকারের সরাসরি যোগসূত্র স্থাপন করে। ডিজিটাইজড ইনফরমেশন তথ্য প্রযুক্তির বিভিন্ন মাধ্যমের সাহায্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান শেয়ার করতে পারে।
সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর কম্পিউটার শিক্ষা বই (উন্মুক্ত)।
৩৫.
বাংলাদেশে ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠার একটি অন্যতম প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে-
  1. ক) জনসচেতনতার অভাব
  2. খ) অর্থনৈতিক বৈষম্য
  3. গ) উপরের কোনটিই না
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
ই-গর্ভনেন্স যথাযথভাবে প্রচলনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও নীতি-নির্ধারণ এবং অবকাঠামোর উন্নয়ন জরুরি। বাংলাদেশের মতো দেশে দক্ষ জনবলের অভাব, সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা না থাকা, সর্বোপরি ডিজিটাল উপকরণের সহজলভ্যতা না থাকা এবং বিনিয়োগের অভাব ই-গর্ভনেন্স প্রতিষ্ঠায় বিঘ্ন ঘটায়।
সূত্র- এইচএসসি পৌরনীতি ও সুশাসন (উন্মুক্ত)।