পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়35 minutes৬৫ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৬৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৭: বাংলাদেশ বিষয়াবলী - [১০০ নাম্বার] পরীক্ষার টপিক: (টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন।) i) বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯৪৭ - মুক্তিযুদ্ধ + সমসাময়িক) ii) বাংলাদেশের সংবিধান iii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও সরকার ব্যবস্থা iv) বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। v) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। উৎস: উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পৌরনীতি ও সুশাসন বোর্ড বই, বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৬৬ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে ঢাকা শহরে গেরিলা আক্রমণ পরিচালনাকারী দল কোনটি?
  1. ক) মুজিব বাহিনী
  2. খ) মুজিব ব্যাটারি
  3. গ) ক্র‍্যাক প্লাটুন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ক্র‍্যাক প্লাটুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্র‍্যাক প্লাটুন
ব্যাখ্যা
ক্র্যাক প্লাটুন

ক্র্যাক প্লাটুন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে ঢাকা শহরে গেরিলা আক্রমণ পরিচালনাকারী দল। 

এই দলটি গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন খালেদ মোশাররফ, বীর উত্তম এবং এটিএম হায়দার, বীর উত্তম। এটি ২ নং সেক্টরের অধীন একটি স্বতন্ত্র গেরিলা দল যারা মূলত গণবাহিনীর অংশ বলে পরিচিত। 

সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফের নির্দেশনা ছিলো হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে বিদেশী সাংবাদিক ও অতিথিরা থাকাকালীন ঢাকা শহরের পরিস্থিতি যে শান্ত নয় এবং এখানে যুদ্ধ চলছে তা বোঝানোর জন্য শহরের আশে-পাশে কিছু গ্রেনেড ও গুলি ছুড়তে হবে; কিন্তু দু:সাহসী এই তরুণেরা ঢাকায় এসে ৯ জুন তারিখে সরাসরি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে গ্রেনেড হামলা করে এবং বেশ কয়েকজনকে হত্যা করে যা ছিলো অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ ও অচিন্তনীয় কাজ। 

সন্ধ্যায় বিবিসির খবর থেকে খালেদ মোশাররফ এই অপারেশনের কথা জানতে পেরে বলেন, 

'দিজ অল আর ক্র্যাক পিপল! বললাম, ঢাকার বাইরে বিস্ফোরণ ঘটাতে আর ওরা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালেই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এসেছে।' 

তিনিই প্রথম এই দলটিকে "ক্র্যাক" আখ্যা দেন; যা থেকে পরবর্তীতে এই প্লাটুনটি "ক্র্যাক প্লাটুন" নামে পরিচিত হয়।


তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও দৈনিক প্রথম আলো।
.
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ও পাকিস্তানকে সহায়তাকারী দল নয় কোনটি?
  1. ক) খেলাফতে রব্বানী পার্টি
  2. খ) কৃষক শ্রমিক পার্টি
  3. গ) নেজামে ইসলাম
  4. ঘ) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (NAP)
সঠিক উত্তর:
ঘ) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (NAP)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (NAP)
ব্যাখ্যা

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
“দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকবে এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা রাজ্যের হাতে থাকবে।” - ছয় দফার কত নং দফায় এই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
⇨ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৬ ফেবু্রয়ারি ঐতিহাসিক মুক্তির বাণী তথা ‘ছয় দফা’ কর্মসূচি পেশ করেন।
আওয়ামী লীগের ছয় দফা ছিল ঐতিহাসিক দাবি।
⇨ এ ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালিদের অধিকারের সনদ যার মধ্যে বাঙালিদের জীবনের দাবি নিহিত ছিল।

নিম্নে ছয় দফা কর্মসূচি উল্লেখ করা হল:-
১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা হবে। সরকার হবে সংসদীয় পদ্ধতির, সর্বদলীয় ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিকদের ভোটে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইনসভা গঠিত হবে।

২। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত: বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশির সম্পর্ক প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

৩। অর্থ ও মুদ্রা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে। এ রকম
ব্যবস্থা চালু সম্ভব না হলে দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে, তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে এক অঞ্চলের মুদ্রা অন্য অঞ্চলে পাচার না হতে পারে।

৪। শুল্ক সম্বন্ধীয়: সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নিবার্হের জন্য আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে।

৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা:
বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। বৈদেশিক বাণিজ্য ও সাহায্য সম্পর্কে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর সরকার আলাদা আলোচনা বা সম্পর্ক করতে পারবে।

৬। আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলো আধা-সামরিক বাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করতে পারবে।


তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় আবুল মনসুর আহমদ কোন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন?
  1. ক) জনস্বাস্থ্য মন্ত্ৰী
  2. খ) বিচার ও আইন মন্ত্রী
  3. গ) শিক্ষা ও রেজিস্ট্রেশন মন্ত্ৰী
  4. ঘ) কোন পদবি ছিল না
সঠিক উত্তর:
ক) জনস্বাস্থ্য মন্ত্ৰী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জনস্বাস্থ্য মন্ত্ৰী
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা, ১৯৫৪

১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর 'যুক্তফ্রন্ট' শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হককে সর্বসম্মতিক্রমে 'সংসদীয় নেতা' নির্বাচন করে। তদানীন্তন পূর্ব বাংলার গভর্নর চৌধুরী খালিকুজ্জামান ২৫ মার্চ শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হককে মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান জানান। তিনি ৩ এপ্রিল চার সদস্যবিশিষ্ট এবং পরে ১৫ মে আওয়ামী লীগের ৭ জন এবং কৃষক শ্রমিক পার্টির ৩ জনসহ মোট ১৪ জন নিয়ে বর্ধিত মন্ত্রিসভা গঠন করেন।

এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য -

১. শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক - মুখ্যমন্ত্রী (স্বরাষ্ট্র, সংস্থাপন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন, স্বায়ত্তশাসন, নির্বাচন ও পার্লামেন্টারি বিষয়সহ।)
২. আবু হোসেন সরকার - অর্থমন্ত্রী
৩. আতাউর রহমান খান - খাদ্য ও বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রী
8. আবুল মনসুর আহমদ - জনস্বাস্থ্য মন্ত্ৰী
৫. শেখ মুজিবুর রহমান - কৃষিঋণ, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্ৰী

উল্লেখ্য, 
- 'যুক্তফ্রন্ট' নেতাগণ ২১ ফেব্রুয়ারির স্মৃতি অম্লান করে রাখার জন্য ১৯৫৪ সালে যুক্তফন্টের নির্বাচনি ইশতেহারকে ২১ দফা কর্মসূচিতে লিপিবদ্ধ করেন।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিলো 'নৌকা'।
- মুসলিম লীগের প্রতীক ছিলো 'হারিকেন'।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
৬ দফা কর্মসূচি কবে ঘোষিত হয়?
  1. ক) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  2. খ) ২৬ এপ্রিল, ১৯৬৬
  3. গ) ১৮ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ঘ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
ছয়-দফা আন্দোলন, ১৯৬৬

ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' (Charter of Freedom) বা 'ম্যাগনা কার্টা' (Magna Carta) হিসাবে পরিচিত। ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ লাহোরে বিরোধী দলগুলোর কনভেনশনে বঙ্গবন্ধু ‘ছয় দফা দাবি' উত্থাপন করেন।

ছয় দফায় বিধৃত দাবিসমূহ নিম্নরূপ –

নিম্নে ছয় দফা কর্মসূচি উল্লেখ করা হল:-
১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা হবে। সরকার হবে সংসদীয় পদ্ধতির, সর্বদলীয় ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিকদের ভোটে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইনসভা গঠিত হবে।

২। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত: বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশির সম্পর্ক প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

৩। অর্থ ও মুদ্রা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে। এ রকম
ব্যবস্থা চালু সম্ভব না হলে দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে, তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে এক অঞ্চলের মুদ্রা অন্য অঞ্চলে পাচার না হতে পারে।

৪। শুল্ক সম্বন্ধীয়: সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নিবার্হের জন্য আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে।

৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। বৈদেশিক বাণিজ্য ও সাহায্য সম্পর্কে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর সরকার আলাদা আলোচনা বা সম্পর্ক করতে পারবে।

৬। আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলো আধা-সামরিক বাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করতে পারবে।

পরবর্তীতে –
- ১৮ মার্চ, ১৯৬৬ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ছয় দফা গৃহীত হয়।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬, লাহোরে বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়-দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
“সাঁকো দিলাম, স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতায় উন্নীত হওয়ার জন্য।” - উক্তিটি কার?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) এ.কে. ফজলুল হক
  3. গ) মাওলানা ভাসানী
  4. ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
ক) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
ছয় দফা কর্মসূচি প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই কথা বলেন। তিনি প্রায় বলতেন, ‘ছয় দফার সাঁকো দিলাম স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতায় উন্নীত হওয়ার জন্য।’

ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' (Charter of Freedom) বা 'ম্যাগনা কার্টা' (Magna Carta) হিসাবে পরিচিত। 

প্রকৃত অর্থে শেখ মুজিবের নেতৃত্বেই পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শোষণ-বিরোধী আন্দোলন গড়ে ওঠে। এরই এক পর্যায়ে ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ লাহোরে বিরোধী দলগুলোর কনভেনশনে বঙ্গবন্ধু ‘ছয় দফা দাবি' উত্থাপন করেন।

ছয় দফা কর্মসূচি সমগ্র বাঙালির চেতনার মূলে অগ্নস্ফুিলিঙ্গ ঘটায়। এই দাবির পক্ষে বাঙালি জাতির সর্বাত্মক রায় ঘোষিত হয় ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে। ১৯৭১ সালে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে পৃথিবীর মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং দৈনিক যুগান্তর।
.
১৯৫৪ সালে পূর্ববঙ্গ আইনসভার নির্বাচনের পর কে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন?
  1. ক) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  2. খ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. গ) খাজা নাজিমুদ্দীন
  4. ঘ) নূরুল আমিন
সঠিক উত্তর:
ক) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন, ১৯৫৪

১৯৫৪ সালের ১০ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পূর্ব বাংলা আইন পরিষদের মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩০৯টি। এতে যুক্তফ্রন্ট পায় মোট ২৩৬টি আসন।

নির্বাচনের পর শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হককে মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান জানানো হয়। তিনি ৩ এপ্রিল চার সদস্যবিশিষ্ট এবং পরে ১৫ মে আওয়ামী লীগের ৭ জন এবং কৃষক শ্রমিক পার্টির ৩ জনসহ মোট ১৪ জন নিয়ে বর্ধিত মন্ত্রিসভা গঠন করেন।

শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কৃষিঋণ, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
২৫ মার্চ, ১৯৭১ আসন্ন জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগদান করার জন্য বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণে যে পূর্বশর্ত আরোপ করেন, তার অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. ক) রাষ্ট্রভাষা বাংলা করতে হবে
  2. খ) ভাষা শহিদদের স্মরণে শহিদ মিনার নির্মাণ করতে হবে
  3. গ) নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে
ব্যাখ্যা
৭ মার্চের ভাষণ

১৯৭১ সালের ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর কাব্যিক ভাষণ ছিল জাতির মুক্তির দিশারি। 

১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভ করলেও নেতার হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়নি। যদিও ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান আগামী ৩ মার্চ, ১৯৭১ ঢাকায় জাতীয় পরিষদের অধিবেশন ডাকেন। কিন্তু ১ মার্চ, ১৯৭১ অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়।

অধিবেশন স্থগিত করায় বাঙালি জাতির আন্দোলনে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামীলীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধু ২ তারিখে ঢাকায় এবং ৩ তারিখে সারাদেশে হরতাল আহ্বান করলেন। আগামী ৭ মার্চ, ১৯৭১ রেসকোর্সের জনসভায় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়।

বিজ্ঞ ও দূরদর্শী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জানতেন যে, সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান করলে পাকিস্তান সরকার তাঁকে দেশদ্রোহী, বিচ্ছিন্নতাবাদী, বিশ্বাসঘাতক বলবে। এছাড়াও পাকিস্তানের সামরিক শাসকরা তাৎক্ষণিকভাবে বাঙালিদের ওপর নৃশংস গণহত্যা চালাবে। এজন্য তিনি ২৫ মার্চ আসন্ন জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগদান করার জন্য ৪টি পূর্বশর্ত আরোপ করে বলেন যে,

১. সামরিক শাসন প্রত্যাহার করতে হবে
২. সামরিক বাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে
৩. সেনাবাহিনী যেসব বাঙালিকে হত্যা করেছে তার তদন্ত করতে হবে
৪. নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের হয়-
  1. ক) আগরতলা
  2. খ) লাহোর
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) করাচি
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা

আওয়ামী লীগ এবং সামরিক বাহিনীর প্রায় ২৫০ জন সদস্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে বাংলাকে স্বাধীন করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য। সেই যুদ্ধে ভারতের সামরিক সহায়তা প্রয়োজন। 

এ কারণে ১২-১৫ জুলাই, ১৯৬৭ আগরতলায় আওয়ামী লীগ নেতা আলী রেজা এবং মুজিবুর রহমান বৈঠক করেন ভারতের ব্রিগেডিয়ার মেনন এবং মেজর মিশ্রের সাথে। ভারতের সবুজ সংকেত পাওয়ার পূর্বেই অক্টোবর, ১৯৬৭ পরিকল্পনাকারীদের একজন আমির হোসেন ৬৮ পৃষ্ঠায় গোপন তথ্য-উপাত্ত উল্লেখ করে গোয়েন্দা বিভাগে ফাঁস করে দেয়। শুরু হয় গ্রেফতার।

৩ জানুয়ারি, ১৯৬৮ - আইয়ুব খান সরকার ঢাকায় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।

- শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে একটি রাষ্ট্রদ্রোহিতা মামলা দায়ের করা হয়।
- এ মামলার মোট আসামি ছিলেন ৩৫ জন।
- মামলাটির আনুষ্ঠানিক নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য' যা ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ নামে বেশি পরিচিত।
- ১নং আসামি ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৭নং আসামি ছিলেন সার্জেন্ট জহুরুল হক (বিমানবাহিনী)।

১৯ জুন, ১৯৬৮ - ঢাকা সেনানিবাসে এ-মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনের জন্য 'ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট' (NDF) গঠন করেন কে?
  1. ক) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  2. খ) নুরুল আমীন
  3. গ) মাওলানা ভাসানী
  4. ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
NDF গঠন

১৯৬২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে আইয়ুব বিরোধী ও গণতন্ত্রের সপক্ষ শক্তিসমূহের একটি রাজনৈতিক ফ্রন্ট গঠিত হয়। এ ফ্রন্টের নামকরণ করা হয় National Democratic Front, যা সংক্ষেপে NDF নামেই সমধিক পরিচিতি অর্জন করে।

NDF-এর সরকার বিরোধী তথা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত কর্মকাণ্ড রাজনীতি সচেতন মানুষকে আগ্রহী ও আশাবাদী করে তোলে। NDF-এর স্বপ্নদ্রষ্টা ও মূল নেতা ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

NDF গঠিত হলে প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খান ভীত ও বিচলিত হয়ে পড়েন এজন্যই NDF গঠনের মাত্র এক সপ্তাহ পর করাচিতে সোহরাওয়ার্দীকে 'জননিরাপত্তা আইনে' গ্রেপ্তার করা হয়।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১১.
অপারেশন জ্যাকপট সম্পর্কে কোন উক্তিটি সত্য নয়?
  1. ক) এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল নৌ-বন্দরগুলোকে অকেজো করে দেওয়া।
  2. খ) বাঙালি নৌ-কমান্ডোরা ১৫ আগস্ট মধ্যরাতে একযোগে মোংলা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ বন্দর আক্রমণ করে।
  3. গ) নৌ-কমান্ডোদের নির্দেশ দেওয়া হতো স্বাধীন বাংলা বেতারের গানের মাধ্যমে।
  4. ঘ) প্রথম সংকেত ছিল সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় এর গান: "আমার পুতুল আজকে প্রথম যাবে শ্বশুরবাড়ি।"
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রথম সংকেত ছিল সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় এর গান: "আমার পুতুল আজকে প্রথম যাবে শ্বশুরবাড়ি।"
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রথম সংকেত ছিল সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় এর গান: "আমার পুতুল আজকে প্রথম যাবে শ্বশুরবাড়ি।"
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট (Operation Jackpot)

১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে মুক্তিযুদ্ধের ১০ নং সেক্টরের নৌবাহিনীর মুক্তিসেনারা যে অভিযান পরিচালনা করেন তার সাংকেতিক নাম দেওয়া হয় 'অপারেশন জ্যাকপট (Operation Jackpot)'। Jackpot শব্দের অর্থ হলো ‘যতক্ষণ না পর্যন্ত'। যতক্ষণ জীবন থাকে ততক্ষণ অভিযান চালাতে হবে বলা হয়েছে, তাই এর নাম দেয়া হয়েছে  Operation Jackpot।

এটি ছিল একটি আত্মঘাতী অপারেশন। তাতে করে বাংলাদেশে পণ্য কিংবা সামরিক সরঞ্জামবাহী জাহাজ প্রেরণ অনিরাপদ হয়ে উঠবে। 

এই অপারেশন ১৯৭১-এর ১৫ আগস্ট রাত ১২টার পর অর্থাৎ ১৬ আগস্ট প্রথম প্রহরে চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্র বন্দর এবং দেশের অভ্যন্তরে চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরে একই সময়ে পরিচালিত হয়। এই গেরিলা অপারেশনে পাকিস্তানি বাহিনীর অনেকগুলো অস্ত্র ও রসদবাহী জাহাজ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। এর মধ্যে পাকিস্তানি বাহিনীকে সাহায্যকারী অনেকগুলো বিদেশি জাহাজও থাকায় এই অপারেশন বাংলাদেশের যুদ্ধ এবং যোদ্ধাদেরকে সারা বিশ্বে পরিচিতি পাইয়ে দেয়। সারা বিশ্ব বুঝতে পারে বাংলাদেশ পাকিস্তানের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই লড়ছে। 

টিম লিডারদের অপারেশন পরিচালনার জন্য শিখিয়ে দেওয়া হয়েছিল বিশেষ গোপনীয় পদ্ধতি। টিম কমান্ডারদের বলা হয়েছিল যে, 

- দুটি বাংলা গানকে সতর্ক সঙ্কেত হিসেবে ব্যবহার করা হবে। 
- গান দুটি প্রচার করা হবে কলকাতা আকাশবাণীর পক্ষ থেকে পূর্বাঞ্চলীয় শ্রোতাদের জন্য বিশেষ অনুষ্ঠানে। 
- সকাল ৬-৬:৩০ মিনিট অথবা রাত ১০:৩০-১১টা। গান দুটি ও তাদের সঙ্কেত হলো:

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১২.
বঙ্গোপসাগরে ৮ম নৌবহর প্রেরণ করে কোন দেশ?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ভারত
  3. গ) চীন
  4. ঘ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
বঙ্গোপসাগরে ৮ম নৌ-বহর প্রেরণ

১০ ডিসেম্বর ১৯৭১ ভারত আমেরিকার একটি বার্তায় জানতে পারে যে আরব সাগর হয়ে বঙ্গোপসাগরের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ৭ম নৌ-বহর আসছে। মৈত্রী চুক্তির আলোকে ভারত সোভিয়েতের নিকট সহায়তা চায়। এসময় সোভিয়েত ইউনিয়ন তার ৮ম নৌবহর প্রেরণ করে। এই নৌ-বহরের অগ্রভাগে ছিল পারমাণবিক অস্ত্র সম্বলিত দুটি সাবমেরিন। যুদ্ধ জাহাজের আগমন জানতে পেরে ৭ম নৌ-বহর পিছিয়ে যায়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩.
মুক্তিযুদ্ধকালে তাজউদ্দিন-ইন্দিরা গান্ধী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় –
  1. ক) ১৮-১৯ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. খ) ২৩-২৫ মে, ১৯৭১
  3. গ) ৪-৫ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ঘ) ১-৩ মে, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ৪-৫ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪-৫ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
তাজউদ্দিন-ইন্দিরা গান্ধী বৈঠক

৪ ও ৫ এপ্রিল, ১৯৭১ দিল্লিতে তাজউদ্দিন-ইন্দিরা গান্ধী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সাত দফা প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। প্রস্তাবগুলো হচ্ছে-

১. স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারকে ভারতে অবস্থানের অনুমতি দেওয়া।
২. বাংলাদেশ সরকার পরিচালনায় সহায়তা করা।
৩. মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও অস্ত্রের ব্যবস্থা করা।
৪. আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায় করা।
৫. শরণার্থীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা।
৬. বাংলাদেশ সরকারকে একটি বিমান দেওয়া।
৭. বেতারকেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করা।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
মুজিবনগর সরকারের বাণিজ্য, শিল্প ও পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমদ
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) এম. মনসুর আলী
  4. ঘ) এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
গ) এম. মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার

১০ এপ্রিল, ১৯৭১ ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় বাংলাদেশের সরকার গঠন করা হয়। এই সরকার ছিল ৬ সদস্যবিশিষ্ট রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির। সরকার গঠনের পর শিলিগুড়ির একটি জঙ্গল থেকে তাজউদ্দিন আহমেদ একটি বেতারের মাধ্যমে সরকার গঠনের ঘোষণা দেন।



তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৫.
“ওদের ৩০ লাখ মেরে ফেলো। বাদ বাকিরা আমাদের হাত থেকেই খেয়ে বেঁচে থাকবে।” - কার উক্তি?
  1. ক) টিক্কা খান
  2. খ) ইয়াহিয়া খান
  3. গ) আইয়ুব খান
  4. ঘ) উপরের কেউ নন
সঠিক উত্তর:
খ) ইয়াহিয়া খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট (Operation Searchlight)

২৫ মার্চ ১৯৭১ দিবাগত রাতে পুরো প্রজন্ম নিশ্চিহ্নের চক্রান্ত হিসেবে Operation Searchlight এর মাধ্যমে শুরু হয় পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে নিষ্ঠুরতম গণহত্যা। ২৫ মার্চের কালরাতের নিষ্ঠুরতার প্রস্তাব করা হয়েছিল ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি। ১৮ মার্চ সকালে ঢাকা সেনানিবাসে GOC কার্যালয়ে বসে জেনারেল রাজা ও কুখ্যাত মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী অপারেশনের যৌথ পরিকল্পনা তৈরি করেন। ঐ পরিকল্পনার ৬টি লক্ষ্য ছিল –

১. সারা পূর্ব পাকিস্তানে একযোগে অপারেশন সার্চলাইট শুরু করতে হবে।
২. সর্বোচ্চ সংখ্যক রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনের নেতা। সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গ ও শিক্ষকদের হত্যা করতে হবে।
৩. ঢাকায় অপারেশন ১০০ ভাগ সফল হতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দখল এবং তল্লাশী করতে হবে।
৪. সেনা বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখার প্রয়োজনে যুদ্ধ অস্ত্র প্রয়োজন ব্যবহার করা হবে।
৫. টেলিফোন, টেলিভিশন, রেডিও ও টেলিগ্রাফসহ সকল অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে দিতে হবে।
৬. অস্ত্র ও গোলাবারুদ কেড়ে নিয়ে সবল পূর্ব পাকিস্তানি বাঙালি সৈন্য ধ্বংস করতে হবে।

"Operation Searchlight" ছিল সামরিক অভিযানের সাংকেতিক নাম। এর লক্ষ্য ছিল একযোগে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রধারী বাঙালি সমাজকে ধ্বংস করাসহ ব্যাপক নরহত্যা চালানো। এটি সম্ভব হলে বাঙালি জাতি অভিযান প্রতিহত করার জন্য প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে না। তাহলে শেখ মুজিবকে মাথা নত করিয়ে স্বাধীনতার পরিবর্তে রাজনৈতিক সমাধান করা সম্ভব হবে। 

১৯৭২ সালে প্রকাশিত সাংবাদিক রবার্ট পেইনের ম্যাসাকার বইতে দেখা যায়, ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ যেদিন Operation Searchlight প্রস্তাব করা হয় সেদিন ইয়াহিয়া খান বলেছিলেন –

“ওদের ৩০ লাখ মেরে ফেলো। বাদ বাকিরা আমাদের হাত থেকেই খেয়ে বেঁচে থাকবে।”

অপারেশন সার্চ লাইট শুরু হলে ২৬ মার্চ ১ম প্রহরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক প্রথম আলো।
১৬.
বাংলাদেশের প্রথম আর্টিলারি ইউনিট বা ভারী অস্ত্র-সংবলিত ইউনিট হলো -
  1. ক) মায়া ক্র‍্যাক প্লাটুন
  2. খ) মুজিব বাহিনী
  3. গ) মুজিব ব্যাটারি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিব ব্যাটারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিব ব্যাটারি
ব্যাখ্যা
মুজিব ব্যাটারি

মুজিব ব্যাটারি হলো বাংলাদেশের প্রথম আর্টিলারি ইউনিট বা ভারী অস্ত্র-সংবলিত ইউনিট, যাকে ফার্স্ট ফিল্ড রেজিমেন্ট বলা হয়। 

১৯৭১ সালের ২২ জুলাই ৬টি কামান নিয়ে ভারতের কোনাবান অঞ্চলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কে ফোর্সের অধীনে ইউনিট প্রথম প্রতিষ্ঠা লাভ করে, যাকে মেজর খালেদ মোশাররফ মুজিব ব্যাটারি নামে নামকরণ করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন আগস্টের প্রথম সপ্তাহে পাকিস্তান থেকে পালিয়ে আসা গোলন্দাজ বাহিনীর ৮০ জন বাঙালি সদস্যকে নিয়ে ত্রিপুরায় এই বাহিনী গঠিত হয়। 

মুক্তিযুদ্ধকালে এই ইউনিটটি কাইয়ুমপুর, কসবা, সালদা নদী, আখাউড়া, নাজিরহাট ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে লক্ষ্যভেদী ফায়ারের মাধ্যমে মুক্তিবাহিনীর বিজয়কে ত্বরান্বিত করে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সারাদেশে মানুষের কাছে যে অবৈধ অস্ত্র ছিল তা জমা নেওয়ার জন্য পরিচালিত অভিযান কী নামে পরিচিত?
  1. ক) অপারেশন কিলোফ্লাইট
  2. খ) অপারেশন চেঙ্গিস খান
  3. গ) অপারেশন ক্যাক্টাস লিলি
  4. ঘ) অপারেশন ক্লোজডোর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অপারেশন ক্লোজডোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অপারেশন ক্লোজডোর
ব্যাখ্যা


তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৮.
মায়া ক্র‍্যাক প্লাটুন-এ ছিলেন না –
  1. ক) আজম খান
  2. খ) চাষী নজরুল ইসলাম
  3. গ) নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু
  4. ঘ) শফি ইমাম রুমী
সঠিক উত্তর:
খ) চাষী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চাষী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
ক্র্যাক প্লাটুন/মায়া ক্র‍্যাক প্লাটুন

ক্র্যাক প্লাটুন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে ঢাকা শহরে গেরিলা আক্রমণ পরিচালনাকারী দল। 

এই দলটি গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন খালেদ মোশাররফ, বীর উত্তম এবং এটিএম হায়দার, বীর উত্তম। এটি ২ নং সেক্টরের অধীন একটি স্বতন্ত্র গেরিলা দল যারা মূলত গণবাহিনীর অংশ বলে পরিচিত। 

এই গেরিলা দলটিতে যারা ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম কয়েকজন হলেন –

- মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, বীর বিক্রম
- আবুল মাসুদ সাদিক চুন্নু
- আজম খান (বাংলাদেশের পপ ও ব্যান্ড সংগীতের একজন অগ্রপথিক।)
- রাইসুল ইসলাম আসাদ (বাংলাদেশী অভিনেতা।)
- নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু (বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক।)
- শফি ইমাম রুমী (শহীদ জননী খ্যাত জাহানারা ইমামের জ্যেষ্ঠ পুত্র।)

পাঁচ হতে ছয় জনের এক একটি গ্রুপ তৈরী করে হিট এন্ড রান পদ্ধতিতে ঝটিকা আক্রমণ করে এই গেরিলা দলটি অপারেশনে অংশ নিতো। ঢাকা শহরে তারা মোট ৮২টি অপারেশন পরিচালনা করে। 


তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও দৈনিক প্রথম আলো।
১৯.
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. ক) তানভীর কবির
  2. খ) সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  3. গ) হুমায়ুন কবির
  4. ঘ) হামিদুজ্জামান খান
সঠিক উত্তর:
ক) তানভীর কবির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তানভীর কবির
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ

১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে শপথ গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর। মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের স্থানকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য পরবর্তী সময়ে সেখানে নির্মিত হয় মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ। এর স্থপতি তানভীর কবির। 

- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭৪ মুজিবনগর দিবসে সৈয়দ নজরুল ইসলাম এই স্মৃতিসৌধ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- ২৩টি কংক্রিটের ত্রিকোণাকার স্তম্ভ সমন্বয়ে এই স্মৃতিসৌধ নির্মিত। ২৩টি স্তম্ভ পাকিস্তানের ২৩ বছর শাসনের প্রতীক।
- গোলাকার বেদী ভূতল থেকে ভিন্ন ভিন্ন উচ্চতায় তিনটি ভাগে বিভক্ত। 
- বেদীর একটি অংশ অসংখ্য গোলাকার বৃত্ত দ্বারা স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহিদকে বোঝানো হয়েছে।
- বেদীর অপরাংশ অসংখ্য নুড়ি পাথরে আবৃত। এটি মুক্তিযোদ্ধা সাত কোটি বাঙালির ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের প্রতীক।
- মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণের স্থানটি লাল সিরামিকের ইট দ্বারা আয়তক্ষেত্রে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- বেদীতে আরোহণের সোপান নয়টি ধাপে বিভক্ত। সোপানের এই নয়টি ধাপ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতির প্রতীক।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
অপারেশন জ্যাকপটে কতটি বাংলা গানকে সতর্ক সংকেত হিসেবে ব্যবহার করা হতো?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৭
সঠিক উত্তর:
খ) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট (Operation Jackpot)

১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে মুক্তিযুদ্ধের ১০ নং সেক্টরের নৌবাহিনীর মুক্তিসেনারা যে অভিযান পরিচালনা করেন তার সাংকেতিক নাম দেওয়া হয় 'অপারেশন জ্যাকপট (Operation Jackpot)'। Jackpot শব্দের অর্থ হলো ‘যতক্ষণ না পর্যন্ত'। যতক্ষণ জীবন থাকে ততক্ষণ অভিযান চালাতে হবে বলা হয়েছে, তাই এর নাম দেয়া হয়েছে  Operation Jackpot।

টিম লিডারদের অপারেশন পরিচালনার জন্য শিখিয়ে দেওয়া হয়েছিল বিশেষ গোপনীয় পদ্ধতি। টিম কমান্ডারদের বলা হয়েছিল যে, 

- দুটি বাংলা গানকে সতর্ক সঙ্কেত হিসেবে ব্যবহার করা হবে। 
- গান দুটি প্রচার করা হবে কলকাতা আকাশবাণীর পক্ষ থেকে পূর্বাঞ্চলীয় শ্রোতাদের জন্য বিশেষ অনুষ্ঠানে। 
- সকাল ৬-৬:৩০ মিনিট অথবা রাত ১০:৩০-১১টা। গান দুটি ও তাদের সঙ্কেত হলো:

 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২১.
"অবিভক্ত স্বাধীন বঙ্গই আমাদের দাবি করা উচিত।" - উক্তিটি কার?
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. গ) এ. কে. ফজলুল হক
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
অবিভক্ত বাংলা

১৯৪৭ সালের ৩ জুন পরিকল্পনায় ব্রিটিশ-ভারতের সর্বশেষ ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারতের স্বাধীনতা এবং 'পাকিস্তান' দাবি মেনে নেওয়ার পাশাপাশি 'বাংলা' এবং 'পাঞ্জাব প্রদেশকে বিভক্ত করার প্রস্তাব করেন। মুসলিম লীগ এবং কংগ্রেসের অনেক নেতা এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। হিন্দু মহাসভার নেতাগণ হর্ষোৎফুল হয়ে বঙ্গ বিভাগকে স্বাগত জানান। দূরদৃষ্টিসম্পন্ন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী বঙ্গ বিভাগের পরিণামের কথা চিন্তা করে শঙ্কিত হয়ে পড়েন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, 'বঙ্গ বিভাগ করা হলে ভারত এবং পাকিস্তান উভয় দেশেই বাঙালিরা দুর্বল হয়ে পড়বে। যুক্ত বাংলার অবিভাজ্য সত্তাকে দুভাগে ভাগ করার অর্থ উভয় বাংলার শক্তিকে পঙ্গু করার ব্যবস্থা।

দিল্লিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি ঘোষণা করেন যে, “বৃহত্তর বাংলাদেশে হিন্দু-মুসলমানদের এক স্বাধীন সম্মিলিত রাষ্ট্র গঠন করে আমরা বাংলাকে সর্বতোভাবে উন্নত করে তুলতে চাই। বঙ্গভঙ্গের পরিবর্তে হিন্দু-মুসলমানদের 'অবিভক্ত স্বাধীন বঙ্গই' আমাদের দাবি করা উচিত।"

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর 'অবিভক্ত বাংলা রাষ্ট্র' দাবির সমর্থনে বঙ্গীয় মুসলিম লীগ সম্পাদক জনাব আবুল হাশিম, বাংলা কংগ্রেস দলের নেতা শরৎ বসু, কিরণ শংকর রায় প্রমুখ আন্দোলন শুরু করেন।

- শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এবং মহাত্মা গান্ধীও 'অবিভক্ত বাংলার' জন্য সোহরাওয়ার্দীর প্রচেষ্টাকে সমর্থন প্রদান করেন।
- কিন্তু মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ ও খাজা নাজিমুদ্দিনের সমর্থক মুসলিম লীগ নেতা এবং পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু ও সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের সমর্থক কংগ্রেস নেতাদের অদূরদর্শিতা এবং উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দু মহাসভা নেতাদের একগুঁয়েমির জন্য ‘অবিভক্ত বাংলা' গঠনের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব -
  1. ক) ১১৫৯/বর্গ কি.মি.
  2. খ) ১১৪০/বর্গ কি.মি.
  3. গ) ১১৬২/বর্গ কি.মি.
  4. ঘ) ১১৩৮/বর্গ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
খ) ১১৪০/বর্গ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১৪০/বর্গ কি.মি.
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে, ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য সাময়িক হিসাবের ভিত্তিতে বাংলাদেশের -

- মোট জনসংখ্যা: ১৭ কোটি ৮ লাখ
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৭%
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১৪০/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৮ বছর

তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
২৩.
গারোদের বসবাস নেই কোন অঞ্চলে?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) জামালপুর
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
ক) রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রংপুর
ব্যাখ্যা
গারোদের বসবাস

- বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে গারোরা হলো সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- গারোরা ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলের মধুপুর, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর ও গাজীপুরের শ্রীপুরে বাস করে। 
- বৃহত্তর সিলেট জেলায়ও কিছু সংখ্যক গারো রয়েছে। বাংলাদেশের গারোরা সাধারণত সমতলের বাসিন্দা৷
- বাংলাদেশের বাইরে ভারতের মেঘালয় ও অন্যান্য রাজ্যেও গারোরা বাস করে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
২৪.
চাকমাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব কোনটি?
  1. ক) ওয়ানগালা
  2. খ) বৈশাখী পূর্ণিমা
  3. গ) মাঘী পূর্ণিমা
  4. ঘ) বিজু
সঠিক উত্তর:
খ) বৈশাখী পূর্ণিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বৈশাখী পূর্ণিমা
ব্যাখ্যা
চাকমা

- চাকমারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তাদের অধিকাংশ গ্রামে ‘কিয়াং’ বা বৌদ্ধ মন্দির রয়েছে। 
- চাকমাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বৈশাখী পূর্ণিমা। গৌতম বুদ্ধের জন্ম, মৃত্যু ও বুদ্ধত্ব প্রাপ্তির দিন এটি।
- তাছাড়া ‘মাঘী পূর্ণিমার' রাতে কিয়াং বা প্যাগোডার প্রাঙ্গণে গৌতম বুদ্ধের সম্মানে ফানুস উড়ায়। 

তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি।
২৫.
নিচের কোন উক্তিটি সত্য নয়?
  1. ক) গারোরা সাধারণত ‘মান্দি' নামে নিজেদের পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
  2. খ) গারোদের ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
  3. গ) বর্তমানে গারোদের অধিকাংশ লোক বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।
  4. ঘ) গারোদের আদি ধর্মের নাম ছিল ‘সাংসারেক’।
সঠিক উত্তর:
গ) বর্তমানে গারোদের অধিকাংশ লোক বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বর্তমানে গারোদের অধিকাংশ লোক বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।
ব্যাখ্যা
গারো

বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে গারোরা হলো সংখ্যাগরিষ্ঠ। গারোরা ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলের মধুপুর, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর ও গাজীপুরের শ্রীপুরে বাস করে। 

- গারোরা সাধারণত ‘মান্দি' নামে নিজেদের পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- গারোদের ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। 
- বর্তমানে গারোদের অধিকাংশ লোক খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বী। তারা এখন বড়দিনসহ খ্রিষ্ট ধর্মীয় উৎসব পালন করে।
- গারোদের আদি ধর্মের নাম ছিল ‘সাংসারেক’।

তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি।
২৬.
পুরাতন বর্ষকে বিদায় ও নববর্ষকে বরণ উপলক্ষে মারমারা কোন উৎসব উদযাপন করে?
  1. ক) কঠিন চীবর দান
  2. খ) ওয়াগ্যই
  3. গ) সাংগ্রাই
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) সাংগ্রাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাংগ্রাই
ব্যাখ্যা
মারমাদের উৎসব

মারমারা পুরাতন বর্ষকে বিদায় ও নববর্ষকে বরণ উপলক্ষে সাংগ্রাই উৎসব উদযাপন করে।
- এ সময় তারা 'পানিখেলা' বা 'জলোৎসব'-এ মেতে উঠে। 
- এই উৎসবে পানিখেলার নির্দিষ্ট স্থানে নৌকা বা বড় পাত্রে পানি রাখা হয়।
- এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে এই উৎসব বেশ আনন্দ-উদ্দীপনার সাথে উদযাপিত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
২৭.
বর্তমানে বাংলাদেশের জনসংখ্যার গড় আয়ুষ্কাল -
  1. ক) ৭২.৩ বছর
  2. খ) ৭২.৮ বছর
  3. গ) ৭৩.২ বছর
  4. ঘ) ৭৩.৮ বছর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭২.৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭২.৮ বছর
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে, ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য সাময়িক হিসাবের ভিত্তিতে বাংলাদেশের -

- মোট জনসংখ্যা: ১৭ কোটি ৮ লাখ
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৭%
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১৪০/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৮ বছর

তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
২৮.
'আচিক' কোন নৃ-গোষ্ঠীর ভাষার নাম?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) মারমা
  3. গ) ওঁরাও
  4. ঘ) গারো
সঠিক উত্তর:
ঘ) গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গারো
ব্যাখ্যা
গারোরা ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলের মধুপুর, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর ও গাজীপুরের শ্রীপুরে বাস করে।  বৃহত্তর সিলেট জেলায়ও কিছু সংখ্যক গারো রয়েছে। বাংলাদেশের গারোরা সাধারণত সমতলের বাসিন্দা৷

- গারোদের ভাষা 'আচিক'।
- এই ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
- গারো ভাষা তিব্বতীয়-বর্মি ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।


তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি।
২৯.
প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত হয় -
  1. ক) ৪ নভেম্বর, ২০২১
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২
  3. গ) ১২ অক্টোবর, ২০২২
  4. ঘ) ৪ নভেম্বর, ২০২২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪ নভেম্বর, ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪ নভেম্বর, ২০২২
ব্যাখ্যা
৪ নভেম্বর, ২০২২ প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত হয়। এর আগে স্বাধীনতার ৫০ বছর পর গত ৩১ অক্টোবর, ২০২২ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায় সংবিধান দিবস। এ বছর থেকে ৪ নভেম্বর ‘জাতীয় সংবিধান দিবস' হিসেবে পালিত হবে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২।
৩০.
সংবিধানের কোন সংশোধনী দ্বারা রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ পুনঃপ্রবর্তন করা হয়?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) দ্বাদশ
  3. গ) চতুৰ্দশ
  4. ঘ) পঞ্চদশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
১৫তম সংশােধনী

বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাসে এক স্মরণীয় পদক্ষেপ পঞ্চদশ সংশােধনী। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে সাংবিধানিকভাবে তার পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। 

সংসদে পাশ হয়: ৩০ জুন, ২০১১
উত্থাপক: ব্যারিস্টার শফিক আহমদ
মূল বিষয়বস্তু –
      -প্রস্তাবনায় পরিবর্তন
     -৭২ এর চার মূলনীতি পুনঃস্থাপন (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)
     -তিনটি নতুন তফসিল সংযােজন (৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম)
     -সংসদে নারী আসন বৃদ্ধি
     -তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা রদ

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৩১.
সংবিধানের গাইডিং স্টার বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) তফসিল
  2. খ) প্রস্তাবনা
  3. গ) বিভাগ
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
খ) প্রস্তাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রস্তাবনা
ব্যাখ্যা
প্রস্তাবনা: সংবিধানের গাইডিং স্টার

প্রস্তাবনা সমগ্র জাতির জন্য একটি দিক নির্দেশনা হিসাবে কাজ করে কারণ প্রস্তাবনাকে সামনে রেখেই দেশের সরকার ও সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংবিধানের কোনো কার্যকরী অংশের বা বাক্যের অস্পষ্টতা দূরীকরণে ব্যাখ্যা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সংবিধানের প্রস্তাবনা। তাই, প্রস্তাবনাকে সংবিধানের গাইডিং স্টার বলা হয়।

প্রস্তাবনা হচ্ছে সংবিধানের দর্পন। এটি সংবিধানের মূল বিষয় সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা প্রদান করে।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৩২.
‘সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ ইত্যাদি অপরাধ’ সম্পর্কে বলা হয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ক) ৭ (ক)
  2. খ) ৭ (খ)
  3. গ) ১৪২ (ক)
  4. ঘ) ১৫২
সঠিক উত্তর:
ক) ৭ (ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭ (ক)
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ৭ (ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় এই সংবিধান বা এটির কোন অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করলে বা করার ষড়যন্ত্র করলে তার এই কাজ রাষ্ট্রদ্রোহিতা হবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হবে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান।
৩৩.
বাংলাদেশে সার্বভৌম আইন প্রণয়নকারী সংস্থা হিসেবে কোনটি বিবেচিত?
  1. ক) রাষ্ট্রপতির দপ্তর
  2. খ) প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর
  3. গ) সুপ্রিম কোর্ট
  4. ঘ) জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ

বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। বাংলাদেশ সংবিধানে এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভার প্রবর্তন করা হয়। সংবিধানের ৬৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে,


“ 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এ সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন-প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদের ওপর ন্যস্ত হবে।”


জাতীয় সংসদই সার্বভৌম আইন প্রণয়নকারী সংস্থা। জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করে থাকে। জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের আলোকেই একটি দেশের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালিত হয়। কিন্তু ইহার ক্ষমতা শুধু আইন প্রণয়নের মাঝে সীমাবদ্ধ নয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান।
৩৪.
১০ এপ্রিল জারিকৃত মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের পূর্ণ বিবরণ সংবিধানের কততম তফসিলে সংযোজন করা হয়?
  1. ক) ৪র্থ তফসিল
  2. খ) ৫ম তফসিল
  3. গ) ৬ষ্ঠ তফসিল
  4. ঘ) ৭ম তফসিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ম তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ম তফসিল
ব্যাখ্যা
১০ এপ্রিল জারিকৃত মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের পূর্ণ বিবরণ সংবিধানের ৭ম তফসিলে সংযোজন করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
৩৫.
জাতীয় সংসদ চাইলে কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে যেকোনো বিষয়ে আইন (Act বাদে), আদেশ, বিধি, প্রবিধান বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন। একে বলা হয় -
  1. ক) Acquired Legislation
  2. খ) Delegated Legislation
  3. গ) Assigned Legislation
  4. ঘ) Entrusted Legislation
সঠিক উত্তর:
খ) Delegated Legislation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Delegated Legislation
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ

জাতীয় সংসদ যেকোনো নতুন আইন তৈরি, প্রচলিত আইন সংশোধন এবং অপ্রয়োজনীয় আইন বাতিল করতে পারে। 

অনুচ্ছেদ ৬৫ (১) অনুসারে, জাতীয় সংসদ কর্তৃক রাষ্ট্রের সকল বিষয়ে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা থাকবে। তবে জাতীয় সংসদ চাইলে কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে যেকোনো বিষয়ে আইন (Act বাদে), আদেশ, বিধি, প্রবিধান বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন। একে Delegated Legislation বলে। যেমন: 'পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল, ১৯৪৩' প্রণয়নের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে পুলিশকে।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাদেশ সংবিধান।
৩৬.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতি সম্পর্কে কোন অনুচ্ছেদে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ক) ১৪১ (ক)
  2. খ) ২৯
  3. গ) ২৫
  4. ঘ) ৮
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন (অনুচ্ছেদ-২৫) 

জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র

(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন;

(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং

(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান।
৩৭.
মন্ত্রিসভা গঠিত হয় সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে?
  1. ক) ৫৫ (১)
  2. খ) ৫৬ (১)
  3. গ) ৫৭
  4. ঘ) ৫৯
সঠিক উত্তর:
ক) ৫৫ (১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫৫ (১)
ব্যাখ্যা
মন্ত্রিসভা

৫৫। (১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে।

(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে।

(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন।

(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে।

(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। 

(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান।
৩৮.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) অষ্টম
  2. খ) দ্বাদশ
  3. গ) চতুর্দশ
  4. ঘ) পঞ্চদশ
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বাদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বাদশ
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ সংশোধনী (১৯৯১)

- উত্থাপনকারী: তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
- সংসদে পাশের তারিখ: ৬ আগস্ট, ১৯৯১।

বিষয়বস্তু:
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন
- উপ-রাষ্ট্রপতি ও উপ-প্রধানমন্ত্রী পদগুলো বাতিল ঘোষণা।

বাংলাদেশের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। এই পদ্ধতিতে সকল Executive Power প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর কর্তৃত্বে পরিচালিত মন্ত্রী পরিষদ হলেন বাংলাদেশের Real Administrator। অর্থাৎ, সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারপ্রধান। তিনি হলেন সমগ্র শাসন-ব্যবস্থার মধ্যমণি।

উল্লেখ্য,  দ্বাদশ সংশোধনীকে চতুর্থ সংশোধনীর বিপরীত সংশোধনী বলা হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩৯.
জাতীয় সংসদে আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ সৃষ্টি করা হলে তার দায়িত্ব হবে -
  1. ক) সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কার্য তদন্ত করা
  2. খ) নিজ দায়িত্ব পালন সংক্রান্ত রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপন করা
  3. গ) সংসদের বিল রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপন করা
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
ন্যায়পাল
'ন্যায়পাল' শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো 'Ombudsman'। এর অর্থ হলো প্রতিনিধি বা মুখপাত্র। অর্থাৎ, ন্যায়পাল অন্যের জন্য কথা বলবেন। ন্যায়পাল বা Ombudsman-এর পদ সর্বপ্রথম সৃষ্টি হয় ১৮০৯ সালে, সুইডেনে। ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল পদ প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়পালের দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে বলা হয়েছে। 

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী ন্যায়পাল হলো সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত কমিশনার বা কর্মকর্তা যিনি সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্ত করেন। বছর শেষে ন্যায়পাল তার দায়িত্ব পালন সম্পর্কিত একটি বার্ষিক রিপোর্ট প্রদান করবেন এবং তা সংসদে উপস্থাপন করা হবে। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪০.
Chief Executive বলা হয় কাকে?
  1. ক) প্রধান বিচারপতি
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) আইনমন্ত্রী
  4. ঘ) স্পিকার
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
Chief Executive

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান ও নির্বাহী বিভাগের প্রধান। কারণ, বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ (২) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,

“রাষ্ট্রপ্রধান (As Head of State) রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির উর্ধ্বে স্থান লাভ করবেন।"

এছাড়া সংবিধানের ৫৫(৪) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,

"সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হবে।"

আবার Warrant of Precedence অনুযায়ী ২৫টি স্তরের মধ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি হলেন বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি। এ থেকে বোঝা যায় রাষ্ট্রপতি হলেন সরকার প্রধান অর্থাৎ Chief Executive।


তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪১.
কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দেশের প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করবেন?
  1. ক) ৪৮ (৩)
  2. খ) ৫৫ (৩)
  3. গ) ৫৬ (২)
  4. ঘ) ৫৬ (৩)
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫৬ (৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫৬ (৩)
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির নির্বাহী ক্ষমতা ও কার্যাবলি 

- বাংলাদেশ সরকারের সকল নির্বাহী কার্যক্রম রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হবে। [অনুচ্ছেদ: ৫৫(৪)]
- তিনি সরকারি কার্যাদি বণ্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ বা নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৫(৬)]
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদেরকে নিয়োগ করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৬ (২)]
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৬(৩)]
- রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কের্টের প্রধান বিচারপতি, কর্ম-কমিশনের সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনার, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল, - - মহা-হিসাবরক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং বিদেশে রাষ্ট্রদূতদেরকে নিয়োগ করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৯৫]
- সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে তিনি সামরিক কর্মকর্তাদেরকে নিয়োগ করবেন এবং প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহ পরিচালনা করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৬১]

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান।
৪২.
সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রিসভা গঠনে কার ভূমিকা মুখ্য?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) সংসদ সদস্য
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
মন্ত্রিসভা গঠনে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা: প্রধানমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের তালিকা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করবেন, আর রাষ্ট্রপতি তাদের নিয়োগ দিবেন।

প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকেই মন্ত্রী নিযুক্ত করবেন। প্রয়োজনবোধে সংসদ সদস্য নন এমন নির্দিষ্ট সংখ্যক ব্যক্তিকেও মন্ত্রিসভায় তিনি অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। তবে এভাবে নিযুক্ত মন্ত্রীদের সংখ্যা এক-দশমাংশের বেশি হবে না।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান।
৪৩.
স্থানীয় সরকারের প্রাথমিক স্তর -
  1. ক) সিটি কর্পোরেশন
  2. খ) জেলা প্রশাসন
  3. গ) বিভাগীয় প্রশাসন
  4. ঘ) ইউনিয়ন পরিষদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউনিয়ন পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা

বাংলাদেশে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। এ স্তরগুলো হলো - 

শহরভিত্তিক স্থানীয় সরকার
পৌরসভা এবং
সিটি কর্পোরেশন।

গ্রামভিত্তিক স্থানীয় সরকার
ইউনিয়ন পরিষদ,
উপজেলা পরিষদ এবং
জেলা পরিষদ।

(বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রাথমিক বা সর্বনিম্ন স্তর বা তৃণমূল পর্যায়ে স্ব-শাসন প্রতিষ্ঠা করে ইউনিয়ন পরিষদ। ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।)

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ
বান্দরবন পাহাড়ী জেলা পরিষদ
রাঙামাটি পাহাড়ী জেলা পরিষদ
খাগড়াছড়ি পাহাড়ী জেলা পরিষদ


তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৪.
সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. ক) আইনমন্ত্রী
  2. খ) প্রধান বিচারপতি
  3. গ) আইন প্রতিমন্ত্রী
  4. ঘ) অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল

- সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
- অ্যাটর্নি জেনারেল প্রজাতন্ত্রের পক্ষে বাংলাদশের রাষ্ট্রপতিকে আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতামত প্রদান করেন।
- তিনি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা।
- অ্যাটর্নি জেনারেলের কাজ হলো প্রজাতন্ত্রের পক্ষে আইনি ব্যাখ্যা প্রদান।
- অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ করা হয় আদালতে সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য।
- অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির নিকট লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্র দিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৪৫.
সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় কে আলংকারিক বা আনুষ্ঠানিক প্রধান?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
ক) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি একজন নিয়মতান্ত্রিক প্রধান (Constitutional Head)। সংবিধান অনুযায়ী দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রচলিত থাকায় রাষ্ট্রপতি নাম-সর্বস্ব রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি মূলত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তবে সংবিধান অনুযায়ী তিনি দেশের সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকারী। এর ফলে তিনি দেশের সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করেন।

অর্থাৎ, সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি -
- আলংকারিক বা আনুষ্ঠানিক প্রধান
- নামসর্বস্ব রাষ্ট্রপ্রধান
- সাংবিধানিক প্রধান
- নিয়মতান্ত্রিক প্রধান

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৬.
যে দলিল অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মধ্যে বিভিন্ন কার্যাবলি বণ্টন করা হয় তাই হলো -
  1. ক) Rules of Procedure
  2. খ) Rules of Business
  3. গ) Ordinance
  4. ঘ) Order
সঠিক উত্তর:
খ) Rules of Business
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Rules of Business
ব্যাখ্যা
Rules of Business 

যে দলিল অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা ডিভিশনের মধ্যে বিভিন্ন কার্যাবলি বণ্টন করা হয় এবং কে, কোন দায়িত্ব পালন করবে, কীভাবে পালন করবে, কোন বিভাগ/ মন্ত্রণালয়ের কার্যাবলী কী হবে তা নির্ধারণ করা হয় তাই হলো Rules of Business। 

সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৫ (৬) অনুসারে 'Rules of Business, ১৯৯৬' প্রণয়ন করা হয়। 'Rules of Business, ১৯৯৬' অনুসারে, এর ভাগ দুটি। যথা –

Rules for the Allocation of Business (কার্যবণ্টন বিধি): কোন মন্ত্রণালয় বা দপ্তর-অধিদপ্তর কী কাজ করবে তা উল্লেখ থাকে কার্যবণ্টন বিধিতে।
Rules for the Transaction of Business (কার্যপ্রণালি বিধি): কে কীভাবে কাজ করবেন, কে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন বা সমস্যা সমাধানের জন্য কোন মন্ত্রণালয়ের সাথে পরামর্শ করবেন সেগুলোর নির্দেশনা থাকে কার্যপ্রণালী বিধিতে।

Rules of Procedure (কার্যপ্রণালি বিধি): জাতীয় সংসদের কার্যাবলি সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য Rules of Procedure প্রণয়ন করা হয়। ১ এপ্রিল ১৯৭৩ তারিখে মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের (১) দফার (ক) উপ-দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কার্যপ্রণালি বিধি প্রণয়ন করেন।

Ordinance (অধ্যাদেশ): যখন জাতীয় সংসদে অধিবেশন থাকে না অথবা সংসদ ভেঙে যায় তখন মহামান্য রাষ্ট্রপতি নির্বাহী আদেশে যে আইন প্রণয়ন করেন তা Ordinance নামে পরিচিত। যেমন- ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশ-১৯৮৪।

Order (আদেশ): সংবিধানের অবর্তমানে রাষ্ট্রপতি যে আইনবলে দেশ পরিচালনা করেন তা অর্ডার নামে পরিচিত। উদাহরণ: গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৭.
রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করা যায় -
  1. ক) সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে
  2. খ) গুরুতর অসদাচরণজনিত কারণে
  3. গ) শারীরিক অক্ষমতায়
  4. ঘ) সবগুলো কারণে
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো কারণে
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির অপসারণ

- সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিসংশিত করা যাবে। 
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৫৩ তে বলা হয়েছে যে, শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতিকে তাঁর পদ হতে অপসারিত করা যেতে পারে। 
- সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান।
৪৮.
ন্যায়পাল কীরূপ ক্ষমতার অধিকারী?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রীর ন্যায়
  2. খ) আইনমন্ত্রীর ন্যায়
  3. গ) সংসদ সদস্যের ন্যায়
  4. ঘ) সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের ন্যায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের ন্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের ন্যায়
ব্যাখ্যা
ন্যায়পাল

'ন্যায়পাল' শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো 'Ombudsman'। এর অর্থ হলো প্রতিনিধি বা মুখপাত্র। অর্থাৎ, ন্যায়পাল অন্যের জন্য কথা বলবেন। ন্যায়পাল বা Ombudsman-এর পদ সর্বপ্রথম সৃষ্টি হয় ১৮০৯ সালে, সুইডেনে। ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল পদ প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়পালের দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে বলা হয়েছে। 

সুইডিশ ভাষায় Ombudsman বা ন্যায়পাল বলতে এমন একজন সরকারি মুখপাত্র বা প্রতিনিধি বা সরকারি কর্মকর্তাকে বোঝায় যিনি সরকারি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্ত করেন। 

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী ন্যায়পাল হলো সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত কমিশনার বা কর্মকর্তা যিনি সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্ত করেন। বছর শেষে ন্যায়পাল তার দায়িত্ব পালন সম্পর্কিত একটি বার্ষিক রিপোর্ট প্রদান করবেন এবং তা সংসদে উপস্থাপন করা হবে। ন্যায়পাল সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের ন্যায় ক্ষমতার অধিকারী।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৯.
আইন সম্পর্কে কোন উক্তিটি সত্য নয়?
  1. ক) যখন সংসদে কোনো বিল প্রস্তাব আকারে পাশ হয় তখন তাকে আইন বলে।
  2. খ) সংসদের বাহিরেও আইন প্রণীত হতে পারে, যেমন- প্রথা, রীতিনীতি, আদেশ, বিধি ইত্যাদি।
  3. গ) আইন কার্যকর করতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাগে না।
  4. ঘ) সংসদ আইন পাশ করার পর রাষ্ট্রপতি তা বাতিল করতে পারেন না।
সঠিক উত্তর:
গ) আইন কার্যকর করতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাগে না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আইন কার্যকর করতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাগে না।
ব্যাখ্যা
আইন

১. যখন সংসদে কোনো বিল প্রস্তাব আকারে পাশ হয় তখন তাকে আইন বলে।
২. সংসদের বাহিরেও আইন প্রণীত হতে পারে। যেমন- প্রথা, রীতিনীতি, আদেশ, বিধি ইত্যাদি।
৩. আইন কার্যকর করতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাগে।
৪. সংসদ আইন পাশ করার পর রাষ্ট্রপতি তা বাতিল করতে পারেন না।

উল্লেখ্য,
- যখন জাতীয় সংসদে অধিবেশন থাকে না অথবা সংসদ ভেঙে যায় তখন মহামান্য রাষ্ট্রপতি নির্বাহী আদেশে যে আইন প্রণয়ন করেন তা অধ্যাদেশ বা Ordinance নামে পরিচিত।
- অধ্যাদেশ একমাত্র রাষ্ট্রপতি প্রণয়ন করে।
- অধ্যাদেশ রাষ্ট্রপতি নিজেই প্রণয়ন করে বলে অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাদেশ সংবিধান।
৫০.
প্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ রপ্তানি শুরু করেছে -
  1. ক) স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
  2. খ) এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
  3. গ) ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
  4. ঘ) বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
খ) এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
ব্যাখ্যা
গত ২১ নভেম্বর, ২০২২ প্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ রপ্তানি শুরু করেছে এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (এসকেএফ)।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ উৎপাদনের জন্য এসকেএফের কারখানা যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) অনুমোদন পায়। বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ এ অনুমোদন পেয়েছে এসকেএফ।

করোনা মহামারির সময় এসকেএফ জীবনরক্ষাকারী ওষুধ রপ্তানিতে সাফল্য অর্জন করে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটি ৩টি অ্যান্টি-কোভিড জেনেরিক ওষুধ -
- রেমডেসিভির (রেমিভির),
- মলনুপিরাভির (মনুভির) এবং
- নির্মাট্রেলভির ও রিটোনাভির সংমিশ্রণ (প্যাক্সোভির) উৎপাদন ও বাজারজাত করে।

এসকেএফ এসব জীবনরক্ষাকারী ওষুধ বিশ্বের ৪৮টি দেশে রপ্তানি করেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা এবং উত্তর আমেরিকার ৬৮টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২ ও দ্য ডেইলি স্টার।
৫১.
‘হাওয়া' সিনেমাটির পরিচালক কে?
  1. ক) রায়হান রাফি
  2. খ) দীপংকর দীপন
  3. গ) নাসির উদ্দীন ইউসুফ
  4. ঘ) মেজবাউর রহমান সুমন
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেজবাউর রহমান সুমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেজবাউর রহমান সুমন
ব্যাখ্যা
‘হাওয়া'

৯৫তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের 'বিদেশি ভাষার ছবি' বিভাগের জন্য বাংলাদেশ থেকে মনোনয়ন প্রাপ্ত ‘হাওয়া' সিনেমাটির পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন।

সমুদ্রে মাছ ধরার একটি ট্রলারকে কেন্দ্র করে সিনেমাটির গল্প এগিয়েছে। সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন - চঞ্চল চৌধুরী, নাজিফা তুষি, শরিফুল রাজ, সোহেল মন্ডল, নাসির উদ্দিন খান, সুমন আনোয়ার প্রমুখ। 

অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেসের আয়োজনে ২০২৩ সালের ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে এই অস্কার অনুষ্ঠান। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্যালিফোর্নিয়ার ডলবি থিয়েটারে ২৪টি শাখায় দেওয়া হবে এই পুরস্কার।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২ ও দৈনিক ইনকিলাব।
৫২.
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একযোগে ১০০টি সড়ক সেতুর উদ্বোধন করেন -
  1. ক) ১ জানুয়ারি, ২০২৩
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২
  3. গ) ৭ নভেম্বর, ২০২২
  4. ঘ) ১ নভেম্বর, ২০২২
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ নভেম্বর, ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ নভেম্বর, ২০২২
ব্যাখ্যা
৭ নভেম্বর, ২০২২ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যান চলাচলের জন্য ২৫ জেলায় ১০০টি সড়ক সেতুর উদ্বোধন করেছেন।

দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সারা দেশে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই সেতুগুলো একযোগে উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চ্যুয়ালি এসব সেতুর উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, “এটি হচ্ছে একযোগে একশ' সেতু উদ্বোধনের একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এটি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবে।”

৮৭৯ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নবনির্মিত সেতুগুলো রাজধানীর সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করেছে। এগুলো ৩৩টি রুটে ফেরি পরিষেবা মুক্ত করেছে, যা সড়ক যোগাযোগকে মসৃণ, দ্রুত, সহজতর ও নিরাপদ করবে।

সেতুগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে রয়েছে ৪৬টি, সিলেটে ১৭টি, বরিশালে ১৪টি, ঢাকা ও রাজশাহীতে ৭টি, ময়মনসিংহে ৬টি ও রংপুর বিভাগে ৩টি। 

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২ ও দৈনিক প্রথম আলো।
৫৩.
'বাংলাদেশে বাজেট; অর্থনীতি ও রাজনীতি' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) আ হ ম মোস্তফা কামাল
  2. খ) আকবর আলি খান
  3. গ) রেহমান সোবহান
  4. ঘ) আবুল মাল আবদুল মুহিত
সঠিক উত্তর:
খ) আকবর আলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আকবর আলি খান
ব্যাখ্যা
আকবর আলি খান

আকবর আলি খান ছিলেন একজন বাংলাদেশি সরকারি আমলা, অর্থনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশাসক বা এসডিও ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সাথে কাজ করেন। ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। পরবর্তীতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশঙ্কায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সাথে একযোগে পদত্যাগ করেন। গত ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ আকবর আলি খান মৃত্যুবরণ করেন।


আকবর আলি খানের লেখা কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ -

- পরার্থপরতার অর্থনীতি, আজব ও জবর আজব অর্থনীতি,
- দারিদ্র্যের অর্থনীতি; অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ,
- বাংলাদেশে বাজেট; অর্থনীতি ও রাজনীতি,
- অবাক বাংলাদেশ;
- বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি,
- পুরানো সেই দিনের কথা (আত্নজীবনী)।  

তথ্যসূত্র:- দৈনিক প্রথম আলো।
৫৪.
মুক্তিযুদ্ধ বিভাগে ‘একুশে পদক - ২০২২’ প্রদান করা হয় কাকে?
  1. ক) মাসুম আজিজ
  2. খ) তোফাজ্জল হোসেন
  3. গ) মোস্তফা এম.এ.মতিন
  4. ঘ) অধ্যাপক গৌতম বুদ্ধ দাশ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় বাতিল করা হয়েছে।

একুশে পদক - ২০২২


‘একুশে পদক’ বাংলাদেশের দ্বিতীয় সম্মানজনক বেসামরিক পুরস্কার। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়। বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ এই পুরস্কার ঘোষণা করে। ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় ‘একুশে পদক - ২০২২’ এর জন্য ২৪ জন বিশিষ্ট নাগরিকের নাম ঘোষণা করে।

পদকপ্রাপ্তরা হলেন:

ভাষা আন্দোলন
মোস্তফা এম.এ.মতিন (মরণোত্তর)
মির্জা তোফাজ্জল হোসেন (মুকুল) (মরণোত্তর)

মুক্তিযুদ্ধ
বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মো: মতিউর রহমান
সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী (মরণোত্তর)
আমজাদ আলী খন্দকার
কিউ.এ.বি.এম. রহমান

সমাজসেবা
এস.এম. আব্রাহাম লিংকন
সংঘরাজ জ্ঞানশ্রী মহাথের

গবেষণা
ড. মো: আবদুস সাত্তার মন্ডল
ড. মো:এনামুল হক (দলগত),(দলনেতা)

শিক্ষা
অধ্যাপক গৌতম বুদ্ধ দাশ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মো: আনোয়ার হোসেন

সাংবাদিকতা
এম. এ. মালেক

শিল্পকলা
জিনাত বরকতউল্লাহ (নৃত্য)
নজরুল ইসলাম বাবু (মরণোত্তর) (সঙ্গীত)
ইকবাল আহমেদ (সঙ্গীত)
মাহ্‌মুদুর রহমান বেনু (সঙ্গীত)
খালেদ মাহমুদ খান (মরণোত্তর) (অভিনয়)
আফজাল হোসেন (অভিনয়)
মাসুম আজিজ (অভিনয়)

তথ্যসূত্র:- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৫৫.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশ পাওয়া ‘শেখ হাসিনা: অ্যা ট্রু লিজেন্ড' প্রামাণ্যচিত্রটি পরিচালনা করেছেন -
  1. ক) নাসির উদ্দীন ইউসুফ
  2. খ) রায়হান রাফি
  3. গ) দীপংকর দীপন
  4. ঘ) আয়শা এরিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়শা এরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়শা এরিন
ব্যাখ্যা
‘শেখ হাসিনা: অ্যা ট্রু লিজেন্ড' 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশ পাওয়া ‘শেখ হাসিনা: অ্যা ট্রু লিজেন্ড' প্রামাণ্যচিত্রটি পরিচালনা করেছেন আয়শা এরিন।

প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটিতে বিদেশি গণমাধ্যম যেভাবে শেখ হাসিনার জীবন পরিক্রমাকে দেখে, তা স্থান পেয়েছে। একজন শেখ হাসিনার নেতৃত্ব নিয়ে গবেষণা করে তাঁর রাজনীতিক হতে পারা এবং শাসক হতে পারার কী কী গুণাবলি-চরিত্র নিয়ে অদম্য সত্তা হতে পেরেছেন, তা জায়গা করে নিয়েছে। মূলত মাননীয় প্রধান্মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রজন্মের কাছে কিংবা অনাগত প্রজন্মের জন্য তুলে ধরার জন্যই এই প্রয়াস।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২ ও দৈনিক ইত্তেফাক।
৫৬.
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নারী পুলিশ পাঠানোয় বাংলাদেশ -
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৫ম
সঠিক উত্তর:
ক) ১ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নারী পুলিশ পাঠানোয় বাংলাদেশ শীর্ষে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২।
৫৭.
দেশের প্রথম বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) নির্মাণের জন্য কোন দেশের প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি হয়েছে?
  1. ক) জাপান
  2. খ) চীন
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) নির্মাণের চুক্তি সই করেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ও চীনা গেজৌবা গ্রুপ (China gezhouba group)।

- গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত বিআরটিএর মূল করিডরের দৈর্ঘ্য হবে সাড়ে ২০ কিলোমিটার।
- যার মধ্যে ১৬ কিলোমিটার হবে সমতলে এবং সাড়ে চার কিলোমিটার হবে উড়ালসড়ক।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২।
৫৮.
বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের অভ্যুদয় নিয়ে প্রথম এনসাইক্লোপিডিয়া হলো -
  1. ক) বঙ্গবন্ধুপিডিয়া
  2. খ) মুক্তিপিডিয়া
  3. গ) মুজিবপিডিয়া
  4. ঘ) স্বাধীনপিডিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিবপিডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিবপিডিয়া
ব্যাখ্যা
মুজিবপিডিয়া

বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের অভ্যুদয় নিয়ে প্রথম এনসাইক্লোপিডিয়া হলো ‘মুজিবপিডিয়া’।

- এটি উপমহাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ এনসাইক্লোপিডিয়া বা জ্ঞানকোষ, যাতে অনুসরণ করা হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাপদ্ধতি।
- ১/৮ ডিমাই সাইজের দুই খণ্ডের এ বইটিতে রয়েছে ৫৯১টি ভুক্তি ও ৭৫০টি ঐতিহাসিক আলোকচিত্র।
- এর প্রধান সম্পাদক কবি ও গবেষক কামাল চৌধুরী এবং সম্পাদক ফরিদ কবির।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২।
৫৯.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আত্মজৈবনিক গ্রন্থ A Story of My Time এর লেখক –
  1. ক) কাজী ইমদাদুল হক
  2. খ) মুহম্মদ জাফর ইকবাল
  3. গ) মনজুরুল হক
  4. ঘ) সেলিনা হোসেন
সঠিক উত্তর:
গ) মনজুরুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মনজুরুল হক
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আত্মজৈবনিক গ্রন্থ 'A Story of My Time'-এর লেখক মনজুরুল হক।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২৩।
৬০.
প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল বা পাতাল রেল নির্মাণ কাজের তদারকির দায়িত্ব পেয়েছে -
  1. ক) চীনা গেজৌবা গ্রুপ
  2. খ) চায়না মেজর ব্রিজ কোম্পানি
  3. গ) জাপানের নিপ্পন কোই কোম্পানি লিমিটেড
  4. ঘ) চীন কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
গ) জাপানের নিপ্পন কোই কোম্পানি লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাপানের নিপ্পন কোই কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা
পাতাল রেলের যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ

দেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর ও নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল লাইনের নির্মাণ কাজের তদারকির দায়িত্ব পেয়েছে জাপানের নিপ্পন কোয়ি কোম্পানি লিমিটেড। এর সঙ্গে থাকবে দেশি-বিদেশি আরও সাতটি কোম্পানি।

৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে “বাঁচবে সময়, বাঁচবে পরিবেশ, যানজট কমাবে মেট্রোরেল” এই স্লোগান নিয়ে দেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ হাতে নেয়া হয়েছে।

এক নজরে পাতাল ট্রেন

→ প্রকল্পের নাম: ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট লাইন-১ (এমআরটি-১)।
→ প্রকল্পের মোট ব্যয়: ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।
→ রক্ষণাবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান: ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।
→ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান: জাপানের নিপ্পন কোই কোম্পানি লিমিটেড (জেভি)।

→ রুট: ২টি।
    - হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর (বিমানবন্দর রুট) পর্যন্ত ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার অংশ ভূগর্ভস্থ হবে ও
    - নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল (পূর্বাচল রুট) পর্যন্ত ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার হবে উড়াল।

→ স্টেশন সংখ্যা: বিমানবন্দর রুটে ১২টি ও পূর্বাচল রুটে ৯টি স্টেশন থাকবে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২।
৬১.
১৬ ডিসেম্বর ২০২২ মুক্তি পাওয়া মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) একাত্তরের জয়গান
  2. খ) স্বাধীনতার ৫০ বছর
  3. গ) অপরাজেয় বাংলা
  4. ঘ) জয় বাংলা
সঠিক উত্তর:
ঘ) জয় বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জয় বাংলা
ব্যাখ্যা
১৬ ডিসেম্বর ২০২২ মুক্তি পায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘জয় বাংলা'।
চলচ্চিত্রটির পরিচালক কাজী হায়াৎ।

ততথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২৩।
৬২.
বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন -
  1. ক) ভিরাট কোহলি
  2. খ) রোহিত শর্মা
  3. গ) ঈশান কিষান
  4. ঘ) হার্দিক পান্ডিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) ঈশান কিষান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঈশান কিষান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন ঈশান কিষান (ভারত)।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২৩।
৬৩.
অভিষেক টেস্টে কতজন বাংলাদেশি ক্রিকেটার সেঞ্চুরি করেন?
  1. ক) ২ জন
  2. খ) ৩ জন
  3. গ) ৪ জন
  4. ঘ) ৭ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ জন
ব্যাখ্যা
অভিষেক টেস্টে ৪ জন বাংলাদেশি ক্রিকেটার সেঞ্চুরি করেন। তারা হলেন - 

- জাকির হাসান, 
- আমিনুল ইসলাম বুলবুল,
- মোহাম্মদ আশরাফুল ও 
- আবুল হাসান রাজু।


তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২৩।
৬৪.
বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠিত বহুপক্ষীয় ট্রাস্ট ফান্ড ‘গ্লোবাল নলেজ পার্টনারশিপ অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট' (KNOMAD) প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রবাসী আয়ে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) ৬ষ্ঠ
  2. খ) ৭ম
  3. গ) ৮ম
  4. ঘ) ৯ম
সঠিক উত্তর:
খ) ৭ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭ম
ব্যাখ্যা
প্রবাসী আয়

২০২২ সালের নভেম্বর মাসে বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠিত বহুপক্ষীয় ট্রাস্ট ফান্ড ‘গ্লোবাল নলেজ পার্টনারশিপ অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট' (KNOMAD) প্রকাশ করে Remittances Brave Global Headwinds শীর্ষক প্রতিবেদন।

প্রতিবেদন অনুসারে প্রবাসী আয়ে শীর্ষ ৮ দেশ (বিলিয়ন মার্কিন ডলার) -

১. ভারত (১০০)
২. মেক্সিকো (৬০)
৩. চীন (৫১)
৪. ফিলিপাইন (৩৮)
৫. মিসর (৩২)
৬. পাকিস্থান (২৯)
৭. বাংলাদেশ (২১)
৮. নাইজেরিয়া (২১)

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২৩।
৬৫.
জাপান সরকারের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাবে ভূষিত হয়েছেন -
  1. ক) ড. আবুল বারকাত
  2. খ) ড. ইসরাইল খান
  3. গ) ড. রাজিয়া সুলতানা
  4. ঘ) সিরাজুল ফরিদ
সঠিক উত্তর:
ক) ড. আবুল বারকাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ড. আবুল বারকাত
ব্যাখ্যা
জাপান সরকারের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব

জাপান সরকারের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব 'অর্ডার অব দ্য রাইজিং সান, গোল্ড রে উইথ নেক রিবন ২০২২'-এ ভূষিত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারকাত। 

- বাংলাদেশের শিক্ষাজগতে জাপান-বিষয়ক বহুমুখী অধ্যয়নের ভিত্তি স্থাপনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অধ্যাপক বারকাতকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়
- ১৮৭৫ সালে জাপানের সম্রাট মেইজি দ্য গ্রেট-এর রাজকীয় এক ফরমানবলে দ্য অর্ডার অব দ্য রাইজিং সান খেতাব প্রবর্তন করা হয়, যা দেশটির ইতিহাসে প্রবর্তিত প্রথম কোনও খেতাব।


তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২।
৬৬.
সম্প্রতি ইন্টারঅপারেবল ডিজিটাল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম (আইডিটিপি) হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে -
  1. ক) হ্যালো এসবি
  2. খ) আপন
  3. গ) আইডিয়া
  4. ঘ) বিনিময়
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিনিময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিনিময়
ব্যাখ্যা
বিনিময়

১৩ নভেম্বর, ২০২২ ইন্টারঅপারেবল ডিজিটাল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম (আইডিটিপি) হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে ‘বিনিময়’। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এটি উদ্বোধন করেন।

- ‘বিনিময়’ হচ্ছে ওয়েবভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যা একটি সেবা হিসেবে ব্যাংক, এমএফএস ও পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরের নিজস্ব অ্যাপে যুক্ত হচ্ছে।
- প্ল্যাটফর্মটি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি (আইডিয়া) প্রকল্প এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে
- এটি তৈরিতে সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে ভেলওয়্যার লিমিটেড, মাইক্রোসফট বাংলাদেশ ও ওরিয়ন ইনফরমেটিকস লিমিটেড।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২ ও দৈনিক ইত্তেফাক।