পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১৮৬ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৮৮
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৫০তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯১১ [ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট] [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮৮ প্রশ্ন

.
In literature, a Machiavellian character is someone who is-
  1. a wise person
  2. a cunning person
  3. a romantic person
  4. an ethical person
সঠিক উত্তর:
a cunning person
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a cunning person
ব্যাখ্যা

• In literature, a Machiavellian character is someone who is a cunning person.

- সাহিত্যে 'Machiavellian character' বলতে ছলেবলে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলকারী (selfish/cunning character) চরিত্রকে বুঝানো হয়।

• Machiavellian character (সুচতুর/ স্বার্থপর চরিত্র):
- Machiavellianism is a personality trait that denotes cunningness. A character uses clever lies and tricks in order to get or achieve something.
- For example: 'Iago’ is Shakespeare's best-known Machiavellian character in Othello. 
- Machiavellian শব্দটি এসেছে ইতালীয় চিন্তাবিদ নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি (Niccolo Machiavelli)–এর নাম থেকে। তিনি তাঁর গ্রন্থ 'The Prince' -এ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য বাস্তববাদী ও কৌশলী নীতির কথা বলেছেন।

• Machiavellian চরিত্রের বৈশিষ্ট্য:
- অত্যন্ত সুচতুর ও ধূর্ত;
- নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য অন্যকে ব্যবহার করে;
- নৈতিকতা বা ন্যায়-অন্যায়কে গুরুত্ব দেয় না;
- প্রয়োজনে মিথ্যা, ষড়যন্ত্র ও প্রতারণা করতে দ্বিধা করে না;
- লক্ষ্য অর্জনই মুখ্য—উপায় যাই হোক।

.
Who wrote 'Uncle Tom's Cabin'?
  1. Charles Dickens
  2. George Moore
  3. Harriet Beecher Stowe
  4. Nathaniel Hawthorne
সঠিক উত্তর:
Harriet Beecher Stowe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Harriet Beecher Stowe
ব্যাখ্যা

• 'Uncle Tom's Cabin' was written by Harriet Beecher Stowe.

• Uncle Tom's Cabin:
- Also known as: “Uncle Tom’s Cabin; or, Life Among the Lowly”.
-
Uncle Tom's Cabin হলো Harriet Beecher Stowe রচিত উপন্যাস, যা 1852 সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি দাসপ্রথার বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী নৈতিক ও সামাজিক উপন্যাস।
- An abolitionist novel, it achieved wide popularity, particularly among white readers in the North, by vividly dramatizing the experience of slavery.

• Summary:
- Uncle Tom's Cabin, মূলত Uncle Tom–এর গল্প। তিনি একজন দাস, যিনি নৈতিক, মর্যাদাপূর্ণ এবং দৃঢ় বিশ্বাসসম্পন্ন চরিত্র হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছেন। গল্পে দেখা যায়, টমকে New Orleans-এ নিলামে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। পথে সে Little Eva-কে উদ্ধার করে, যার কৃতজ্ঞ পিতা পরে টমকে কিনে নেন।

- Tom এবং Eva ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়ে যায়। Eva-র স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটলে, সে তার পিতাকে অনুরোধ করে সকল দাসদের মুক্ত করার জন্য। যদিও তার পিতা মুক্ত করার পরিকল্পনা করেন, কিন্তু পরে তিনি মারা যান। এরপর টমের নতুন নির্মম মালিক সাইমন লিগ্রি তাকে দৌড়ে পালানো দাসদের অবস্থান প্রকাশ না করার কারণে মারধর করে হত্যা করে।

• Harriet Beecher Stowe (1811-1896):
- Also known as: Harriet Elizabeth Beecher.
- Harriet Beecher Stowe was an American writer and philanthropist, the author of the novel Uncle Tom’s Cabin.
- তার লেখা সমাজে দাসপ্রথার ন্যায়বিচারের প্রতি সচেতনতা সৃষ্টি করেছিল এবং আমেরিকার দাসপ্রথা বিলুপ্তির আন্দোলনে প্রভাব ফেলেছিল।

• Notable Works:
- “Dred: A Tale of the Great Dismal Swamp”,
- “Uncle Tom’s Cabin”,
- “A Key to Uncle Tom’s Cabin”
- “The Minister’s Wooing”.

• উল্লেখ্য যে,
- বাংলা সাহিত্যে দীনবন্ধু মিত্র রচিত সামাজিক নাটক 'নীল-দর্পণ' এর বাস্তবতা এবং চরিত্র গুলোর স্বাভাবিকতার গুণের জন্য অনেকেই নীল দর্পণকে 'Uncle Tom's Cabin' -এর সঙ্গে তুলনা করেছেন।
- এই নাটকের পটভূমি নীল চাষের জন্য সাধারণ কৃষকদের উপর ইংরেজ শাসকদের অত্যাচার ও নিপীড়ন।

Source: Britannica.

.
"Clarissa" is the protagonist of Virginia Woolf's novel-
  1. The Voyage Out
  2. Orlando
  3. To the Lighthouse
  4. Mrs. Dalloway
সঠিক উত্তর:
Mrs. Dalloway
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mrs. Dalloway
ব্যাখ্যা

• "Clarissa" is the protagonist of Virginia Woolf's novel, Mrs. Dalloway.

• Mrs. Dalloway:
- Virginia Woolf রচিত এই উপন্যাসটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- It is one of Woolf's best-known novels.
- “Mrs. Dalloway” উপন্যাসটি একদিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত।
- Clarissa Dalloway একজন ধনী লন্ডনবাসী মহিলা, যিনি একটি সন্ধ্যার পার্টির আয়োজন করছেন।
- উপন্যাসে Clarissa নামের নারী চরিত্রের জীবন, তার স্মৃতি, মনস্তাত্ত্বিক চিত্র এবং সামাজিক জীবনকে দেখানো হয়েছে।
- এটি stream of consciousness শৈলীতে লেখা, যা চরিত্রের মন ও অনুভূতিকে সরাসরি পাঠকের সামনে তুলে ধরে।

• Main characters:
- Clarissa Dalloway,
- Peter,
- Sally,
- Richard Dalloway,
- Septimus Warren Smith,
- Elizabeth, etc.

• Virginia Woolf (1882-1941):
- Also Known As- Adeline Virginia Stephen.
- Virginia Woolf ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক এবং প্রখ্যাত সাহিত্যিক, যিনি আধুনিক সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ছিলেন একজন বিপ্লবী লেখক, যিনি নারীদের অধিকার, আধুনিক সমাজ এবং মানবীয় অনুভূতির জটিলতা নিয়ে গভীর চিন্তা করেছেন।
- She is best known for her novels, especially Mrs. Dalloway (1925) and To the Lighthouse (1927).
- তাকে one of the most important modernists from 20th-century authors হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

• Notable works:
- The Voyage Out (first novel),
- Mrs. Dalloway,
- To the Lighthouse,
- Mr. Bennett and Mrs. Brown,
- The Waves,
- Flush,
- Freshwater,
- The Common Reader,
- A Room of One’s Own (essay), etc.

Source: Britannica.

.
"Made weak by time and fate, but strong in will
To strive, to seek, to find, and not to yield."
-This is taken from the poem written by-
  1. Lord Byron
  2. Alfred Tennyson
  3. Alexander Pope
  4. Matthew Arnold
সঠিক উত্তর:
Alfred Tennyson
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alfred Tennyson
ব্যাখ্যা

• "Made weak by time and fate, but strong in will
To strive, to seek, to find, and not to yield."
-This is taken from the poem written by Alfred Tennyson.
- এই লাইনটি ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম প্রধান কবি Alfred Tennyson এর Ulysses কবিতা থেকে চয়নকৃত।

• Ulysses (poem):
- The poem is written in blank-verse.
- কবিতাটি ১৮৩৩ সালে লেখা এবং two-volume collection Poems (1842) -এ প্রকাশিত হয়।
- হোমারের মহাকাব্য Odyssey থেকে অনুপ্রাণিত।
- এটি মূলত: একটি Dramatic Monologue.

• এই কবিতার বিখ্যাত উক্তিগুলো হচ্ছে-
- "I am a part of all that I have met."
- "I will never rest from travels, I will drink life to the lees."
- "Made weak by time and fate, but strong in will
To strive, to seek, to find, and not to yield."

• Alfred Tennyson (1809-1892):
- Also known as: Alfred Tennyson, 1st Baron Tennyson of Aldworth and Freshwater.
- তিনি ১৮৫০ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate নিযুক্ত হোন।
- তাঁর melodious language এর জন্য তিনি অনেক প্রসিদ্ধ এবং তাঁকে Lyric Poet বলা হয়ে থাকে।
- Alfred, Lord Tennyson ছিলেন একজন ইংরেজ কবি, যিনি Victorian period এর অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত।
- তার কবিতায় প্রকৃতি, প্রেম, মৃত্যু, এবং মানব-মানবী সম্পর্ক বিশালভাবে ফুটে উঠেছে।
- English poet often regarded as the chief representative of the Victorian age in poetry.

• Famous Poems:
- The Charge of the Light Brigade,
- Morte D'Arthur,
- In Memoriam A.H.H.,
- The Lotos-Eaters,
- Oenone,
- Tithonus,
- Ulysses,
- The Princess,
- Mariana,
- Locksley Hall,
- Idylls of the King,
- The Two Voices,
- The Lady of Shalott,
- The Higher Pantheism,
- A Dream of Fair Women, etc.

• Famous Comedies:
- Queen Mary,
- The Falcon, etc.

• উল্লেখ্য যে,
- Ulyssess নামে ইংরেজি সাহিত্যে আরো একটি সাহিত্যকর্ম হচ্ছে James Joyce এর লেখা Novel.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

.
'The Hairy Ape' is a drama authored by-
  1. Samuel Beckett
  2. Henry Livings
  3. Irwin Shaw
  4. Eugene O’Neill
সঠিক উত্তর:
Eugene O’Neill
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Eugene O’Neill
ব্যাখ্যা

• 'The Hairy Ape' is a drama authored by Eugene O’Neill.

• The Hairy Ape:
- 'The Hairy Ape' একটি বিখ্যাত নাটক, যেটি আমেরিকান নাট্যকার Eugene O’Neill রচনা করেন।
- নাটকটি ১৯২২ সালে মঞ্চস্থ হয় এবং ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়।

• Summary:
- "The Hairy Ape" নাটকটি মূলত একজন শ্রমিক শ্রেণির মানুষের আত্মপরিচয় ও সমাজে তার স্থান খোঁজার সংগ্রাম নিয়ে রচিত।
- নাটকের প্রধান চরিত্র Yank একজন স্টোকার (জাহাজের ইঞ্জিন রুমে কাজ করা শ্রমিক), যে নিজের শক্তি ও শ্রমশক্তির ওপর গর্ব অনুভব করে।
- কিন্তু ধনী পরিবারের এক নারী Mildred যখন তাকে "অমানুষের মতো" বলে অপমান করে, তখন Yank ভেতরে ভেঙে পড়ে।
- সে সমাজে নিজের অবস্থান খুঁজে বের করতে গিয়ে বিভিন্ন স্তরে অপমান ও প্রত্যাখ্যানের শিকার হয়।
- শেষ পর্যন্ত সে নিজেকে এক চিড়িয়াখানায় একটি বিশাল বানরের খাঁচায় আবিষ্কার করে, যেখানে মৃত্যু ঘটে তার।

• Main characters:
- Yank,
- Mildred Douglas,
- Paddy,
- Long, etc.

• Eugene O’Neill (1888-1953):
- তার পুরো নাম: Eugene Gladstone O’Neill.
- Eugene O’Neill ছিলেন একজন বিখ্যাত আমেরিকান নাট্যকার, যিনি আধুনিক আমেরিকান নাটকের পথিকৃৎ হিসেবে বিবেচিত হন।
- তিনি নাটকে বাস্তবতা, মানবিকতা ও মানসিক টানাপোড়েনকে অত্যন্ত গভীরভাবে তুলে ধরেছেন।
- তিনি ১৯৩৬ সালে সাহত্যে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন; মার্কিন নাট্যকারদের মধ্যে তিনিই প্রথম যিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।

• Notable Works (plays):
- A Moon for the Misbegotten,
- The Hairy Ape,
- Ah, Wilderness!,
- Long Day’s Journey Into Night,
- Desire Under the Elms,
- Mourning Becomes Electra,
- The Iceman Cometh,
- Anna Christie,
- The Emperor Jones,
- Beyond the Horizon,
- The Great God Brown, etc.

Source: Britannica.

.
"....that best portion of a good man's life.
His little, nameless, unremembered acts
Of kindness and of love."
-This line was written by-
  1. Francis Bacon
  2. T. S. Eliot
  3. William Wordsworth
  4. John Keats
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
ব্যাখ্যা

• "....that best portion of a good man's life.
His little, nameless, unremembered acts
Of kindness and of love."
-This line was written by William Wordsworth.
- এটি তার Lyrical Ballads গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত কবিতা 'Tintern Abbey' থেকে উদ্ধৃত।

• Tintern Abbey:
- The full title of this poem is: “Lines Composed a Few Miles above Tintern Abbey”.
- এটি William Wordsworth রচিত একটি কবিতা।
- এই কবিতাটি Lyrical Ballads গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। 
- নদীর পাড়ে অবস্থিত একটা চার্চের ভগ্ন অবস্থার দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে কবিতায়। কবির শৈশবের স্মৃতি বিজড়িত স্থান এটি।
- এই কবিতাটি রোমান্টিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রকৃতি-কবিতা, যেখানে William Wordsworth তাঁর প্রকৃতি-প্রেম, আত্মজিজ্ঞাসা ও আধ্যাত্মিক উপলব্ধি প্রকাশ করেছেন।

• William Wordsworth (1770-1850):
- William Wordsworth একজন ইংরেজ কবি ছিলেন।
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যের Romantic Period এর একজন অন্যতম কবি।
- তিনি স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজের সঙ্গে মিলিত হয়ে Lyrical Ballads (১৭৯৮) রচনা করেন, যা ইংরেজি রোমান্টিক আন্দোলনের সূচনা করে।
- Lyrical Ballads এর দ্বিতীয় সংস্করণের (১৮০০) ভূমিকায় তিনি যে নীতিমালা ব্যাখ্যা করেন, তা ছিল বিপ্লবাত্মক।
- Wordsworth সাধারণ মানুষের জীবনের ঘটনা ও পরিস্থিতি নিয়ে কবিতা লিখতে চেয়েছিলেন এবং সেই কবিতাগুলোতে সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত ভাষা প্রয়োগের চেষ্টা করেছিলেন।
- এর মাধ্যমে তারা ইংরেজি ভাষার সাহিত্যকে আমূল পরিবর্তন করেন।

• His famous quotations:
- 'Ten thousand saw at a glance Tossing their heads in sprightly dance',
- 'I wandered lonely as a cloud',
- 'Child is the father of man',
- 'Our birth is but a sleep and a forgetting',
- 'Nature never did betray the heart that loved her',
- 'Come forth into the light of things, let nature be your teacher'.
- 'Poetry is the breath and the finer spirit of all knowledge',
- 'Poetry is the spontaneous overflow of powerful feelings: 
it takes its origin from emotion recollected in tranquillity.'

• Famous poems:
- Tintern Abbey,
- The Solitary Reaper,
- The Daffodils,
- Ode: Intimations of Immortality,
- The Excursion,
- Rainbow,
- Lucy Poems,
- The Prelude or Growth of a Poet’s Mind,
- Peter Bell,
- The Recluse,
- The Ruined Cottage,
- To The Cuckoo,
- Laodamia,
- Michael, 
- The World Is Too Much with Us (sonnet), etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

.
Who penned “To Kill a Mockingbird”?
  1. Ernest Hemingway
  2. Samuel Butler
  3. Harper Lee
  4. Edgar Allan Poe
সঠিক উত্তর:
Harper Lee
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Harper Lee
ব্যাখ্যা

• “To Kill a Mockingbird” was penned by Harper Lee.

• To Kill a Mockingbird:
- To Kill a Mockingbird হলো American author Harper Lee -এর লেখা একটি উপন্যাস।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৬০ সালে।
- It was enormously popular and translated into some 40 languages, sold more than 40 million copies worldwide, and is one of the most-assigned novels in American schools.
- উপন্যাসটি সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করেছে এবং ১৯৬১ সালে পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে।
- গল্পের কেন্দ্রবিন্দু: ন্যায়বিচার, বর্ণবাদ, শিশুদের চোখে সমাজ ও মানবতা।
- প্রধান চরিত্র: Jean Louise (“Scout”) Finch.

• Harper Lee (1926-2016):
- Also known as: Nelle Harper Lee.
- She was an American writer nationally acclaimed for her novel To Kill a Mockingbird (1960).
- তিনি একজন প্রখ্যাত আমেরিকান লেখিকা, বিশেষ করে দীর্ঘকালকার সাহিত্যকর্মে সংক্ষিপ্ত কিন্তু প্রভাবশালী।

• Notable Works:
- “Go Set a Watchman”,
- “The Land of Sweet Forever”,
- “To Kill a Mockingbird”.

Source: Britannica.

.
"Lady Chatterley's Lover" was written by the author of-
  1. Ulysses
  2. A Passage to England
  3. The Rainbow
  4. The Scarlet Letter
সঠিক উত্তর:
The Rainbow
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Rainbow
ব্যাখ্যা

• "Lady Chatterley's Lover" was written by the author of 'The Rainbow'.
- Lady Chatterley's Lover এবং The Rainbow এই দুটি উপন্যাসের লেখক হলেন D. H. Lawrence.

• Lady Chatterley's Lover:
- Modern Period এর স্বনামধন্য সাহিত্যিক D. H Lawrence রচিত ই উপন্যাসটি ১৯৩২ সালে প্রথম England এ প্রকাশিত হয়।
- কিন্তু ১৯৫৯ সালে নিউইয়র্কে এবং ১৯৬০ সালে লন্ডনে এর সম্পূর্ণ বই টি প্রকাশ পায়।
- এই উপন্যাসটি লেখকের বিশ্বাসকে প্রতিফলিত করে যে পুরুষ এবং মহিলাদের অবশ্যই শিল্পোন্নত সমাজের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করতে হবে এবং আবেগপ্রবণ প্রেমের জন্য তাদের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি অনুসরণ করতে হবে।

• Summary:
- Sir Clifford Chatterley একজন সম্পদশালী জমিদার; জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে যার কোমরের নিচের অংশ অবশ হয়ে গেছে।
- তিনি বিছানায় পড়ে থাকেন সারাদিন আর বইয়ের পাতায় ডুবিয়ে রাখেন নিজেকে।
- তার স্ত্রীর নাম Constanc (The Lady from the title) -যিনি স্বামীর অক্ষমতার কারণে শারীরিক এবং মানসিক অশান্তিতে ভুগে সারাদিন।
- একজন বই প্রকাশকের সাথে অসম্পুর্ণ এবং অবৈধ প্রণয়ের পর, তিনি একজন নিম্নবিত্ত এবং তার স্বামীর অধীনে চাকরি করা Oliver Mellors এর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন।।
- Oliver Mellors একজন নিম্নবিত্ত শ্রেণীর লোক, কিন্তু সুপুরুষ; Chatterley এর আহবান সে উপেক্ষা করতে পারে না - অবৈধ প্রণয়ে মত্ত হয় দুজন।

• Characters of the novel:
- Lady Chatterley,
- Oliver Mellors, (the lover of the lady)
- Sir Clifford Chatterley,
- Mrs. Bolton,
- Michaelis, etc.
---------------------------
• The Rainbow:
- D. H. Lawrence এর লেখা এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯১৫ সালে।
- প্রকাশিত হবার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই উপন্যাসে যৌন উপাদানের বিস্তৃতি থাকার কারণে উপন্যাসটিকে Obscene বা অশ্লীল এবং আপত্তিকর উপন্যাস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে এটি নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়।
- আধুনিক সভ্যতা এবং ঐতিহ্যের মধ্যকার পারস্পরিক দ্বন্দ্ব, মানব মননের উপর যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে তার উপর ভিত্তি করে উপন্যাসটি রচিত।
- এছাড়াও, বিবাহের মতো প্রথাকে লেখক তার লেখার মাধ্যমে, তিনি ব্যর্থ ও অপ্রয়োজনীয় প্রমাণ করার চেষ্টা চালিয়েছেন বলে মনে করা হয়। 
- Brangwen পরিবারের তিন প্রজন্মের কাহিনী এই উপন্যাসের কেন্দ্রবিন্দু। 

• Characters of the novel:
- Tom Brangwen,
- Lydia Lensky,
- Anna Lensky
- Tilly,
- William (Will) Brangwen,
- Ursula Brangwen, etc.

• D.H. Lawrence (1885-1930):
- D.H. Lawrence, in full David Herbert Lawrence, is an English author of novels, short stories, poems, plays, essays, travel books, and letters.
- তিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হন।
- তিনি প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক এবং আধ্যাত্মিক জাগরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
- তার উপন্যাস Sons and Lovers (1913), The Rainbow (1915), and Women in Love (1920) -এর জন্য তিনি বিশ শতকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লেখক হিসেবে পরিচিতি পান।
- তার লেখার বৈচিত্র্য এবং গভীরতা তাকে আধুনিক সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

• His other novels:
- Aaron’s Rod,
- Lady Chatterley's Lover,
- Sons and Lovers,
- The White Peacock,
- The Rainbow,
- Women in Love,
- A Modern Lover, etc.

• অন্যদিকে, 
ক) Ulysses → Written by James Joyce (Irish).

খ) A Passage to England → Written by Nirad C. Chaudhuri (Indian writer in English).

ঘ) The Scarlet Letter → Written by Nathaniel Hawthorne (American).

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

.
Who composed the poem "To His Coy Mistress"?
  1. John Donne
  2. George Herbert
  3. Andrew Marvell
  4. Sir Philip Sidney
সঠিক উত্তর:
Andrew Marvell
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Andrew Marvell
ব্যাখ্যা

• The poem "To His Coy Mistress" was composed by Andrew Marvell.

• To His Coy Mistress:
- এই কবিতাটি রচনা করেন Andrew Marvell.
- এটি একটি Metaphysical poem.
- এই কবিতাটি ছিল ৪৬ লাইনের।
- এই কবিতাটি ১৬৮১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- The poem treats the conventional theme of the conflict between love and time in a witty and ironic manner.

• Andrew Marvell (1621-1678):
- তিনি Jacobean period এর একজন বিখ্যাত কবি।
- বিংশ শতাব্দীর আগ পর্যন্ত তাঁর কবিতার চেয়ে রাজনৈতিক পরিচয়ই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। 
- তাঁকে মেটাফিজিক্যাল কবিদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তিনি গভীর চিন্তাশীলতা, বুদ্ধিদীপ্ত উপমা (conceit), এবং ধর্ম ও প্রেমের মিলন ঘটিয়ে অসাধারণ কবিতা রচনা করেছেন।

• Notable Works:
- The Rehearsal Transpros’d,
- To His Coy Mistress,
- The Definition of Love,
- The Garden, etc.

Source: Britannica.

১০.
“Time held me green and dying
Though I sang in my chains like the sea”.
-These lines have been quoted from the poem-
  1. Fern Hill
  2. The Flower
  3. After the Funeral
  4. The Waste Land
সঠিক উত্তর:
Fern Hill
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fern Hill
ব্যাখ্যা

• “Time held me green and dying
Though I sang in my chains like the sea”.
-These lines have been quoted from the poem 'Fern Hill'.

• ​Fern Hill:
- 'Fern Hill' হলো Dylan Thomas -এর লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা।
- কবিতাটি সর্বপ্রথম ১৯৪৬ সালে তাঁর কাব্য সংকলন Deaths and Entrances-এ প্রকাশিত হয়েছিল।
- This poem evokes the joy and the inevitable loss of the world of childhood.
- “Fern Hill” is narrated by the mature poet, who reflects systematically on the delights of childhood and its symbiotic relationship with the natural world, on the adolescent’s nascent sexuality, and, ultimately, on the loss of childhood innocence and the realization of mortality.

• এই কবিতার বিখ্যাত লাইন হলো- 
- “Time held me green and dying
Though I sang in my chains like the sea”.

• Dylan Thomas (1914-1953):
- তার পুরো নাম Dylan Marlais Thomas.
- He was a Welsh poet and prose writer whose work is known for its comic exuberance, rhapsodic lilt, and pathos. 
- ১৬ বছর বয়সে তিনি স্কুল ত্যাগ করে রিপোর্টার পেশায় যোগ দেন।
- তিনি বিখ্যাত তার রচিত কাব্যে comic exuberance এর জন্য।

• Notable Works (poems):
- A Child’s Christmas in Wales,
- Deaths and Entrances,
- Fern Hill,
- After the Funeral,
- Under Milk Wood,
- 18 Poems,
- 25 Poems,
- Do not go gentle into that good night, etc.

অন্যদিকে,
• The Flower কবিতাটি George Herbert–এর।
- 'The Flower' নামে Alfred Tennyson -এর ও একটি কবিতা রয়েছে।

• The Waste Land এটি T. S. Eliot–এর আধুনিকতাবাদী দীর্ঘ কবিতা।

Source: Britannica.

১১.
Who wrote the gothic horror novel "Frankenstein"?
  1. Claire Clairmont
  2. Mary Ann Lamb
  3. Mary Wollstonecraft Shelley
  4. Mary Wollstonecraft
সঠিক উত্তর:
Mary Wollstonecraft Shelley
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mary Wollstonecraft Shelley
ব্যাখ্যা

• The iconic gothic horror novel "Frankenstein" was written by Mary Wollstonecraft Shelley. 

• Frankenstein:
- In full: Frankenstein; or, The Modern Prometheus.
- প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮১৮ সালে। 
- একই সাথে Gothic novel এবং philosophical novel এর বৈশিষ্ট্য ধারণ করে এই উপন্যাসটি। 
- এই উপন্যাসকে Early example of Science Fiction হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

- The epistolary story follows a scientific genius who brings to life a terrifying monster that torments its creator.
- মেরি শেলির Frankenstein উপন্যাসে বিজ্ঞানী Victor Frankenstein–এর জীবনকে অনুসরণ করা হয়েছে, যিনি একটি রাক্ষস (monster) সৃষ্টি করেন, যা শেষ পর্যন্ত তার জীবনে দুর্ভাগ্য বয়ে আনে। সেই রাক্ষসটি ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের কাছে প্রতিশোধ নিতে চায়, কারণ সে তাকে ত্যাগ করেছে, এবং এর ফলে ঘটে এক ধরণের ভয়ঙ্কর ঘটনাবলী, যার মধ্যে রয়েছে ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের প্রিয়জনদের মৃত্যু।

• Important Characters: 
- Victor Frankenstein,
- Frankenstein Monster,
- Elizabeth Lavenza,
- Captain Robert Walton,
- Dr. Henry Clerval, etc.

• Mary Wollstonecraft Shelley/Mary Shelley (1797-1851):
- She was born in London in 1797.
- Mary Wollstonecraft এবং William Godwin -এর মেয়ে।
- বিয়ের আগে নাম: Mary Wollstonecraft Godwin (birth name).
- 1816 সালে Percy Bysshe Shelley কে বিয়ে করার পর Shelley নাম ধারণ করেন।
- She was an English Romantic novelist.
- One of the first science-fiction novels, "Frankenstein; or, The Modern Prometheus" (1818) এর লেখিকা।
- তিনি মূলত তার novel 'Frankenstein; or, The Modern Prometheus' -এর জন্যই সমাধিক পরিচিত।
- তার মা Mary Wollstonecraft Godwin ও একজন লেখিকা ছিলেন।

• Notable works (novel): 
- Falkner,
- Frankenstein; or, The Modern Prometheus, 
- History of a Six Weeks’ Tour,
- Lodore,
- The Fortunes of Perkin Warbeck,
- The Last Man,
- Valperga.

- Selected Letters of Mary Wollstonecraft Shelley,
- The Journals of Mary Shelley, 1814-1844.

Source: Britannica.

১২.
'Jane Eyre: An Autobiography' was published by the author under the pseudonym-
  1. Acton Bell
  2. Currer Bell
  3. Ellis Bell
  4. Arthur Bell
সঠিক উত্তর:
Currer Bell
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Currer Bell
ব্যাখ্যা

• 'Jane Eyre: An Autobiography' was published by the author under the pseudonym of Currer Bell.

• Jane Eyre: An Autobiography:
- উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Jane Eyre অর্থাৎ, তাঁর নামেই novel টি নামকরণ করা হয়েছে।
- Charlotte Bronte তাঁর এই Novel টি তাঁর ছদ্মনাম "Currer Bell" নামে ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত করেন।
- Jane Eyre কে তাঁর Autobiography ও বলা হয়ে থাকে।
- ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি classic হিসাবে বিবেচিত হয়।

• Summary:
- একজন নারীর সংগ্রামের গল্প। দশ বছরের একজন অনাথিনী বালিকা যে পিতা মাতার অনুপস্থিতিতে অন্য একটি পরিবারে লালিত পালিত এবং একই সাথে নিগৃহীত হয়।
- এরপর তার ঠিকানা হয় অনাথ আশ্রমে এবং তার শৈশব ছিল কষ্টদায়ক এবং অমানবিক।
- পরবর্তীতে Rochester নামক একজন বিত্তশালী পুরুষের প্রেমে পড়ে, কিন্তু তাদের মিলনে অনেক বাধা বিপত্তি দেখা দেয়। 
- নানা প্রতিকূলতা আর ঘাত প্রতিঘাত এড়িয়ে জীবন সংগ্রামে জয়ী হয় Jane Eyre। শেষে Rochester -এর সাথে তার মিলনের মাধ্যমে উপন্যাসের শুভ সমাপ্তি ঘটে।
- একটি শক্তিশালী এবং প্রগতিশীল নারীকেন্দ্রিক গল্প, যা প্রেম, আত্ম-সম্মান এবং সামাজিক ন্যায়ের মত বিষয়গুলো তুলে ধরে। এটি সাহিত্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ এবং নারীবাদী সাহিত্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

• Main Characters:
- Jane Eyre,
- Edward Rochester,
- St. John Rivers,
- Helen Burns,
- Mrs. Reed, etc.

• Charlotte Bronte (1816-1855):
- Charlotte Bronte একজন প্রখ্যাত ইংলিশ ঔপন্যাসিক এবং কবি, যিনি বিশেষত তার উপন্যাস "Jane Eyre" -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি Bronte পরিবারের একজন সদস্য।
- তার Pseudonym (ছদ্মনাম) হলো- Currer Bell.
- Mrs. Arthur Bell Nicholls নামেও পরিচিত।
- তিনি প্রথমে কাব্য লেখা শুরু করেন, কিন্তু পরে উপন্যাস লেখায় মনোনিবেশ করেন।
- তার লেখাগুলোতে নারীদের পরিস্থিতি এবং স্বাধীনতা নিয়ে গভীর আলোচনা রয়েছে।
- তার লেখাগুলি সমাজের নৈতিকতা ও শ্রেণী বিভেদকে সমালোচনা করে।

• Notable works:
- Jane Eyre,
- Poems by Currer, Ellis, and Acton Bell,
- Shirley: A Tale,
- The Professor,
- Villette, etc.

অন্যদিকে,
- Anne Bronte→ Pseudonym হলো- Acton Bell.
- Emily Bronte→ Pseudonym হলো- Ellis Bell.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.

১৩.
Of the following, who is not an Irish writer?
  1. James Joyce
  2. Oscar Wilde
  3. Thomas Hardy
  4. Jonathan Swift
সঠিক উত্তর:
Thomas Hardy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Thomas Hardy
ব্যাখ্যা

• Of the following, Thomas Hardy is not an Irish writer.
- Thomas Hardy was an English novelist and poet.

• Thomas Hardy (1840-1928):
- Thomas Hardy ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি, যিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম প্রধান লেখক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি মূলত বাস্তববাদ (Realism) এবং প্রকৃতিবাদ (Naturalism) সাহিত্যধারার অনুসারী ছিলেন।
- তার উপন্যাসগুলোতে ইংল্যান্ডের গ্রামীণ জীবন, সামাজিক কুসংস্কার, প্রেম, ট্র্যাজেডি এবং নিয়তির বিরুদ্ধে মানুষের সংগ্রামকে গভীরভাবে চিত্রিত করা হয়েছে।
- He was also a regional novelist and a poet কারণ একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়।
- তিনি Victorian peroid-এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাসিক বিবেচিত হয়।

• Famous Novels:
- Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- The Return of the Native,
- A Pair of Blue Eyes,
- The Poor Man and the Lady,
- The Woodlanders,
- The Mayor of Casterbridge,
- The Well-Beloved,
- Jude the Obscure, etc.
-----------

অন্যদিকে,
• James Joyce:
- বিংশ শতাব্দী অর্থাৎ Modern Period এর বিখ্যাত novelist দের মধ্যে James Joyce অন্যতম।
- He was an Irish novelist noted for his experimental use of language and exploration of new literary methods.
- James Joyce’s Ulysses (1922), a complex evocation of the inner states of the characters Leopold and Molly Bloom and Stephen Dedalus.
- Ulysses হলো James Joyce রচিত বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
- James Joyce তার `Stream of Consciousness’ (চেতনার অন্তঃশীল প্রবাহ) টেকনিকের জন্যে বিখ্যাত।

• Oscar Wilde:
- He was an Irish poet, novelist, and dramatist.
- This Irish-born poet became London’s most popular playwright in the early 1890s.
- His full name was Oscar Fingal O’Flahertie Wills Wilde.
- Ravenna হচ্ছে তাঁর বিখ্যাত poem এবং His only novel - The Picture of Dorian Gray (1891).

• Jonathan Swift:
- তিনি একজন Anglo-Irish author এবং clergyman ছিলেন।
- তিনি Neoclassical period এর একজন Author.
- Jonathon Swift, an Anglo-Irish author, was the foremost prose satirist in the English language.
- অর্থাৎ, ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত ব্যঙ্গরচয়িতা বা satirist হলেন Jonathan Swift.
- তার রচিত বিখ্যাত satire হলো ‘Gulliver’s Travels’.
- তাঁর ছদ্মনাম Isaac Bickerstaff.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১৪.
"Here's the smell of blood still. 
All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hand."
-This is a lamentation of-
  1. Macbeth
  2. Duncan
  3. Three Witches
  4. Lady Macbeth
সঠিক উত্তর:
Lady Macbeth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lady Macbeth
ব্যাখ্যা

• "Here's the smell of blood still. 
All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hand."
- This famous lamentation is spoken by Lady Macbeth in Shakespeare's Macbeth (Act V, Scene I).

• Macbeth:
- Macbeth, one of Shakespeare's greatest tragedies, tells the story of the fall of a Scottish nobleman.
- এই tragedy টি ১৬০৬-০৭ সালের দিকে রচিত এবং ১৬২৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- Shakespeare রচিত Tragedy গুলোর মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত tragedy হচ্ছে এটি।
- এই নাটকটি Shakespeare's Scottish Play নামেও পরিচিত।
- Macbeth ছিলেন স্কটল্যান্ডের রাজা Duncan -এর একজন বিশ্বস্ত General.
- These dramatic words are uttered by Lady Macbeth in Act V, Scene 1, during a time when she is overwhelmed by guilt.
- স্ত্রীর কুমন্ত্রনায় Macbeth রাজাকে হত্যা করেন।
- পরবর্তীতে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে Lady Macbeth অনুতপ্ত হয় এবং অনুশোচনায় দগ্ধ হয়ে পাগল হয়ে যায়।
- ধারণা করা হয় Macbeth নাটকটি The Gunpowder Plot of 1605 (King James-1 of England and VI of Scotland -কে হত্যার ব্যর্থ প্রচেষ্টা) উপর ভিত্তি করে লেখা।

• Main characters:
- Macbeth,
- Lady Macbeth,
- Duncan,
- Banquo,
- Three Witches, etc.

• Famous quotations of Macbeth:
- "Fair is foul, and foul is fair."
- "Here's the smell of blood still.
All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hand."
- "What's done cannot be undone."
- "Life is but a walking shadow, a poor player."
- "Is this a dagger which I see before me, the handle toward my hand?"
- "Look like an innocent flower
But be the serpent under it."

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১৫.
A famous short story, "The Necklace" was written by-
  1. Guy de Maupassant
  2. Somerset Maugham
  3. George Orwell
  4. Gustave Flaubert
সঠিক উত্তর:
Guy de Maupassant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Guy de Maupassant
ব্যাখ্যা

• A famous short story, "The Necklace" was written by Guy de Maupassant.

• The Necklace:
- ফরাসী লেখক Guy de Maupassant রচিত short story হলো- "The Necklace".
- ১৮৮৪ সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি 'La Parure' শিরোনামে ফ্রেঞ্চ পত্রিকা 'Le Gaulois' এটি প্রকাশিত হয়েছিল।
- Like most of Maupassant’s short fiction, it was an instant success, and it has become his most widely read and anthologized story.

• Summary:
- গল্পের প্রধান চরিত্র Mathilde Loisel, একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের স্ত্রী, সুলভ জীবনেই সুখী নয়। সে ধনী, আরামদায়ক জীবন কামনা করে। একদিন তার স্বামী তাকে একটি দাওয়াতের জন্য সুন্দর পোশাক ও গহনা দেওয়ার চেষ্টা করে। Mathilde একটি চমৎকার নেকলেস (মণির হার) ধারণ করে। দাওয়াতের পরে, সে নেকলেসটি হারিয়ে ফেলে।

- Mathilde এবং তার স্বামী নেকলেসটি প্রতিস্থাপনের জন্য অনেক বছর কঠোর পরিশ্রম করে এবং দারিদ্র্য ভোগ করে। গল্পের শেষ মুহূর্তে Mathilde জানতে পারে যে হারানো নেকলেসটি আসলে মোড়ক বা জাল সস্তা নকল নেকলেস ছিল, অর্থাৎ তাদের ভোগান্তি এবং কঠোর পরিশ্রম পুরোপুরি অনর্থক ছিল।

• Main characters:
- 'Mathilde Loisel' (The protagonist of the story),
- 'Monsieur Loisel' (Mathilde’s husband),
- 'Madame Forestier' (Mathilde’s wealthy friend).

• Guy de Maupassant (1850-1893):
- Guy de Maupassant ছিলেন একজন ফরাসি সাহিত্যিক, যিনি মূলত ছোটগল্প (short story) লেখক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।
- তাঁর গল্পগুলোতে মানুষের দৈনন্দিন জীবন, সামাজিক বাস্তবতা, অহংকার, লোভ, দারিদ্র্য, প্রতারণা ইত্যাদি বিষয় উঠে আসে।
- তিনি The Necklace (Le Collier), Boule de Suif, The Horla, ইত্যাদি কাজের জন্য পরিচিত।

• Notable Works:
- A Woman’s Life,
- Bel-Ami,
- The Necklace,
- Boule de Suif,
- The Horla,
- La Maison Tellier,
- Le Rosier de Madame Husson,
- Mont-Oriol,
- Notre coeur,
- Pierre et Jean,
- Toine, etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

১৬.
What is the collective noun for "wolf"?
  1. Pack
  2. Flight
  3. Bevy
  4. Flock
সঠিক উত্তর:
Pack
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pack
ব্যাখ্যা

• The collective noun for "wolf" is- Pack.

• Pack (Collective noun)
- English Meaning: a group of animals, such as dogs, that live and/or hunt together.
- Bangla Meaning: একত্রে রাখা শিকারি কুকুরের দল: একত্রে বিচরণ করা বন্য প্রাণীর দল: (সাধারণত অবজ্ঞার্থে) দল; গুচ্ছ: a pack of thieves, চোরের দল।

- যেমন: a pack of hounds/a wolf pack/a pack of wild dogs.
- আবার, a group of similar people or things, especially one that you do not like or approve of - (সাধারণত অবজ্ঞার্থে) দল; গুচ্ছ বুঝাতেও 'pack' ব্যবহৃত হয়।
-  A pack of journalists, a pack of thieves, a pack of lies, etc.

• অন্যদিকে,
খ) Flight
- English Meaning: a group of birds, aircraft, etc. flying together.
- Bangla Meaning: (পাখির) ঝাঁক; (উড্ডীয়মান) ঝাঁক।
- যেমন: a flight of geese/swans/wallows/locusts, a flight of arrows/swits, etc.

গ) Bevy
- English Meaning: Used for birds or, informally, for girls/women.
- Bangla Meaning: সম্মিলন; সমবেত সভা; (পাখির) ঝাঁক। 
- যেমন: a bevy of quails, a bevy of ladies, a bevy of lawyers, etc.

ঘ) Flock
- English meaning: a group of sheep, goats, or birds, or a group of people.
- Bangla meaning: (পাখির) ঝাঁক; (পশুর) পাল। (২) (মানুষের) দল; come in flocks.
- যেমন: a flock of ducks, a flock of sheep/goats/geese, etc.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

১৭.
What is the correct plural of 'mongoose'?
  1. mongeeses
  2. mongooses
  3. mongoose
  4. monsgoose
সঠিক উত্তর:
mongooses
উত্তর
সঠিক উত্তর:
mongooses
ব্যাখ্যা

• The correct plural of "mongoose" is- খ) mongooses.

• Mongoose [মঙগূস্] (noun)
- English Meaning: a small tropical animal with a long tail that eats snakes, rats, and birds' eggs.
- Bangla Meaning: (plural mongooses [মঙসিজ]) বেজি; নেউল।

- এর plural form হলো- mongooses. (one mongoose → two mongooses).
- তবে plural হিসেবে 'mongeese-অপ্রচলিত' ব্যবহৃত হতে পারে।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

১৮.
The government entered ______ an agreement with neighboring countries to protect the environment.
  1. to
  2. upon
  3. into
  4. no preposition
সঠিক উত্তর:
into
উত্তর
সঠিক উত্তর:
into
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: The government entered into an agreement with neighboring countries to protect the environment.
- Bangla Meaning: পরিবেশ রক্ষার জন্য সরকার প্রতিবেশী দেশগুলির সাথে একটি চুক্তি করেছে।

• Enter into something [phrasal verb]
- English Meaning: to start to become involved in something, especially a discussion or an agreement.
- Bangla Meaning: আলোচনা শুরু করা। কোনো কিছুর অংশভুক্ত হওয়া; চুক্তিতে প্রবেশ করা।

- যেমন: enter into a deal/a contract/an agreement.

- Enter, reach, lack, approach, discuss ইত্যাদি verb গুলোর পরে সাধারণত preposition বসে না।
- তবে, কোনো কিছু শুরু করা বা কোনো কিছুতে জড়িত হওয়া বুঝাতে enter এর পর into ব্যবহার করতে হয়।
- যেহেতু প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্য দ্বারা একটি agreement এ জড়িত হওয়া নির্দেশ করছে, তাই শূন্যস্থানে into বসবে।

• এছাড়াও, 
• Enter (verb transitive & intransitive) 
(১) আসা অথবা ভেতরে প্রবেশ করা।
(২) সদস্য হওয়া; যোগদান করা।
(৩) enter into something (with somebody) - শুরু করা।
(৪) enter on/upon something [phrasal verb] - কোনো কিছুতে অধিকার লাভ করা; উপভোগ করতে শুরু করা।
(৫) enter in/up - নথিভুক্ত করা।
(৬) enter for; enter somebody for - প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে কারো নাম দেওয়া: enter for the swimming.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

১৯.
I do not like children's playing here.
Here, 'playing' is a/an ______.
  1. Infinitive
  2. Gerund
  3. Participle
  4. Verbal noun
সঠিক উত্তর:
Gerund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gerund
ব্যাখ্যা

• In the sentence: "I do not like children's playing here."
- Here, 'playing' is a gerund.

- সাধারণত noun/pronoun এর possessive এর পরে gerund ব্যবহৃত হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে possessive form "children's" এর পরে playing (verb+ing) আসায় এটি হলো gerund.
- এখানে সম্পূর্ণ phrase টি "children's playing here" verb 'like' এর object হিসেবে বসে noun এর কাজ করছে।
- সুতরাং, প্রদত্ত বাক্যে 'playing' হলো gerund.
- এটি কোনো noun/pronoun কে modify করছে না, তাই এটি participle হবে না।

• Structure: (possessive + gerund) = "playing" acts as a noun (gerund).
-------------
• Gerund:

- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.

• Functions of the Gerund:
1. Subject of a verb: Rising early is a good habit.
2. Object of a verb: I like reading poetry.
3. Object of a preposition: I am tired of waiting.
4. Complement of a verb: Seeing is believing.
5. As absolutely (part of a compound noun): This is my writing-table.

অন্যদিকে,
• Present participle:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও adjective -এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
- সহজ ভাষায় → present participle হলো Verb + ing = adjective = Verb + adjective কাজ করে।
- যেমন: I do not like boys playing here.
- এখানে 'playing' noun 'boys' -কে modify করছে।

• Infinitive:
- Infinitive হচ্ছে verb এর base form অথবা to + base form.
- যেমন: To sing songs is joyful.

• Verbal Noun:
- কোন বাক্যের Verb + ing - এর পূর্বে the এবং পরে of থাকলে তাকে Verbal Noun বলে।
- The + verb+ing + of = verbal noun.
- যেমন: The writing of a good letter is difficult.

Source: 
1. High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
2. A Text Book of Higher English Grammar by P. K. De Sarkar.

২০.
Fill in the blank: She seemed none the _____ her night out in the cold.
  1. better of
  2. worst for
  3. worse for
  4. best to
সঠিক উত্তর:
worse for
উত্তর
সঠিক উত্তর:
worse for
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: She seemed none the worse for her night out in the cold.
- Bangla meaning: ঠান্ডার মধ্যে রাত কাটালেও তার কোনো ক্ষতি হয়েছে বলে মনে হলো না।

- প্রশ্নটি করা হয়েছে idiom এর উপর ভিত্তি করে, সঠিক idiom টি হলো 'none the worse for'.

• None the worse (for something) [idiom]

- English Meaning: not damaged or harmed despite something.
- Bangla Meaning: কোনো কিছুর পরেও একটুও আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত নয় এমন।

- অর্থাৎ, আগের চেয়ে কোনো কিছু worse, better, richer, ইত্যাদি বুঝাতে idiom হিসেবে "none the worse, better, richer, etc." ব্যবহৃত হয়।
→ used in phrases with adjectives such as worse, better, etc., to say that someone or something is not any worse, better, etc., than before —often + for.
- যেমন:
- We had to change our plans, but we were none the worse for it in the end.
- Luckily, the horse seemed none the worse for his fall.

- সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- worse for.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২১.
He is unable yet willing.
Here, the word ‘willing’ is a/an-
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Adverb
  4. Preposition
সঠিক উত্তর:
Adjective
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adjective
ব্যাখ্যা

• He is unable yet willing.
- Here, the word ‘willing’ is an Adjective.

- এখানে "willing" শব্দটি adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- Linking verb "Is" এর পরে বসে "Unable" এবং "willing" দুটিই subject "He"-এর অবস্থা বর্ণনা করছে, তাই এরা adjective.
- অর্থাৎ, এখানে "Willing" (ইচ্ছুক/রাজি) শব্দটি "He"-এর গুণ বা অবস্থা বুঝাতে "yet" conjunction দ্বারা "Unable" adjective এর সাথে যুক্ত হয়েছে।

• Willing (adjective)
- English Meaning: not opposed to doing something; ready or eager to do something.
- Bangla Meaning: স্বেচ্ছাপ্রণোদিত; ইচ্ছুক।

Other forms:
- Willingly (adverb),
- Willingness (noun) [uncountable noun].

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

২২.
Fill in the blank: A lot of students ______ taking this exam.
  1. is
  2. are
  3. was
  4. have
সঠিক উত্তর:
are
উত্তর
সঠিক উত্তর:
are
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: A lot of students are taking this exam.
- Bangla meaning: অনেক শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।

• Subject-Verb Agreement অনুযায়ী,
- A lot of/lots of এর পরে যদি Plural Noun থাকে, তাহলে verb টি Plural হবে।
- যেমন: A lot of students are attending in this exam.
- 'A lot of students' দ্বারা plurality বুঝায়, অর্থাৎ, students হলো Plural Noun.

- তাই, প্রদত্ত শূন্যস্থানে plural verb 'are' বসবে।
- "have" ভুল কারণ (taking = present continuous) বুঝাতে এখানে "to be" verb প্রয়োজন।

• আবার,
- A lot of/lots of + Singular Noun + Singular Verb.
- "A lot of" এর পরে যদি singular noun (uncountable noun) থাকে, তাহলে verb টি singular হয়।
- যেমন: A lot of news in those papers is unreliable.

Source: 
1. A Text Book of Higher English Grammar by P. K. De Sarkar.
2. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

২৩.
"A person who is unconcerned with whether something is right or wrong" is called-
  1. Amoral
  2. Immoral
  3. Unethical
  4. Naive
সঠিক উত্তর:
Amoral
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Amoral
ব্যাখ্যা

• "A person who is unconcerned with whether something is right or wrong" is called- Amoral.

• Amoral (adjective)
- English Meaning: having or showing no concern about whether behavior is morally right or wrong; being neither moral nor immoral.
- Bangla Meaning: আচরণ সঠিক না ভুল তা নিয়ে কোনও উদ্বেগ না থাকা; নৈতিকতার সঙ্গে সম্পর্কহীন।

অন্যদিকে,
খ) Immoral (adjective) 
- English Meaning: not moral : morally evil or wrong.
- Bangla Meaning: নীতিবিগর্হিত; অসাধু; পাপাত্মক; দুরাশয়; দুশ্চরিত্র; পাপপরায়ণ।
- Immoral → a person who knows right and wrong but chooses to do wrong.

গ) Unethical (adjective) 
- English Meaning: not conforming to a high moral standard: morally wrong: not ethical.
- Bangla Meaning: অনৈতিক; নীতিহীন।
- Unethical → against moral or professional rules.

ঘ) Naive (adjective)
- English Meaning: marked by innocence or simplicity: artless, ingenuous; credulous.
- Bangla Meaning: কথাবার্তা এবং আচরণে সাদাসিধা ও ছলাকলাহীন (যেমন অর্বাচীনতা ও অনভিজ্ঞতার দরুন) কৌতুকজনকভাবে সরল; কাঁচা।
- Naive → means innocent or lacking experience/worldliness.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৪.
Fill in the blank with the correct one:
It set me _____ thinking.
  1. at
  2. a
  3. of
  4. the
সঠিক উত্তর:
a
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: It set me a thinking.
- Bangla: এটা আমাকে চিন্তায় ফেলে দিল।

- বাক্যটিতে set me on thinking এর পরিবর্তে set me a thinking ব্যবহৃত হয়েছে।
- অর্থাৎ, বাক্যটির on অন্য রূপ a তে পরিবর্তিত হয়েছে।

- Traditional grammar অনুযায়ী,
- কখনো কখনো "on, in, to, of or for each or every; per" ইত্যাদি অর্থে preposition হিসেবে 'a' ব্যবহৃত হয়, তখন সেই 'a' কে Disguised preposition বলে।

• Disguised preposition:
- যে সব Preposition সংক্ষিপ্ত বা অপ্রকাশিতভাবে ব্যবহত হয় সেগুলোকে Disguised Preposition (ছদ্মবেশি) বলে।
- যখন on এর পরিবর্তে a এবং of এর পরিবর্তে ০ ব্যবহৃত হয় তাকে Disguised preposition বলে।
- সাধারণত on এর পরিবর্তে ‘a’ এবং of এর পরিবর্তে ‘o’ বসে।
- যেমন:
- "The king went a hunting" implies "The king went a hunting".
- "It is 10 'o' Clock" implies "It is 10 of the clock".

Source: 
1. A Text Book of Higher English Grammar by P. K. De Sarkar.
2. Cambridge Dictionary.

২৫.
“Three score” means-
  1. Thirty times
  2. One hundred
  3. Three times twenty
  4. Three hundred times
সঠিক উত্তর:
Three times twenty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Three times twenty
ব্যাখ্যা

• “Three score” means- Three times twenty.

• Three score (Adjective, noun):
- English Meaning: being three times twenty: sixty.
- Bangla Meaning: ষাট।

• Ex. Sentence: The old poet had reached three score before publishing his final work.
- Bangla Meaning: প্রবীণ কবি তাঁর শেষ রচনা প্রকাশ করার আগে ষাট বছর বয়সে পৌঁছেছিলেন।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৬.
My friend prefers to live in the country ________ in a city.
  1. rather than lived
  2. rather than living
  3. rather than to be lived
  4. rather than live
সঠিক উত্তর:
rather than live
উত্তর
সঠিক উত্তর:
rather than live
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: My friend prefers to live in the country rather than live in a city.

• Prefer to do and prefer doing
- সাধারণত অধিকতর পছন্দ করা/শ্রেয় মনে করা অর্থে prefer -এর পরে infinitive এবং gerund দুটোই ব্যবহৃত হয়।
- Prefer + gerund + to + gerund.
- Prefer +  infinitive (to+base form) + rather than + bare infinitive (without to).

• Correct pattern:

- prefer something to something else.
- prefer to do something rather than do something else.

- প্রদত্ত বাক্যে prefers এর infinitive (to live) থাকায় rather than এর পরে bare infinitive (live) বসবে।

More examples:
- I prefer driving to travelling by train.
- I prefer to drive rather than travel by train.

Source: Intermediate English Grammar by Raymond Murphy.

২৭.
Her dream that she will be a B.C.S cadre finally came true.
The underlined part is -
  1. a noun clause
  2. an adjective clause
  3. a co-ordinate clause
  4. an independent clause
সঠিক উত্তর:
a noun clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a noun clause
ব্যাখ্যা

→ (46th BCS Preli)
• Her dream that she will be a B.C.S cadre finally came true.

- The underlined part is a noun clause.

- Noun বা pronoun -এর apposition হিসেবে- News, Belief, Hope, Fact, Rumour ইত্যাদির পরে Noun Clause বসে।
- Noun in apposition হিসেবে Clause টি that দ্বারা শুরু হয় এবং একটি single noun এর মত কাজ করে।
- Here, it acts as the appositive to the noun "dream", explaining what the dream is.
- অর্থাৎ, "dream" এখানে জানা আছে, তাই 'that she will be a B.C.S cadre' clause টি হলো Noun clause.

• উল্লেখ্য যে,
- Apposition বলতে এমন কিছু বোঝায়, যা কোনো Noun বা pronoun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে।
- এই অতিরিক্ত তথ্য noun/pronoun কে modify করে না। তাই তা adjective clause হবে না।
- যখন noun কে modify করে (দোষ, গুণ, সংখ্যা, পরিমাণ, ইত্যাদি বুঝায়) তখন adjective clause হয়।
- আর যখন noun সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে সে ক্ষেত্রে apposition হিসেবে noun clause হবে।
- Noun clause এর ক্ষেত্রে অর্থের দিক থেকে লক্ষ্য করলে "এটাই সেটা" এরকম তথ্য পাওয়া যায়।
- অর্থাৎ, 'that she will be a B.C.S cadre' টাই এখানে dream (জানা আছে)।

• Noun clause:
- যে সব subordinate clause noun -এর কাজ করে থাকে অর্থাৎ, subject, object, compliment, বা case in apposition -এর কাজ করে থাকে তাদেরকে noun clause বলে।
- Noun clauses are used when a single word isn't enough.

• একটি বাক্যের বিভিন্ন স্থানে noun clause বসতে পারে। যেমন:
1. Verb -এর subject হিসেবে;
2. Transitive verb -এর object হিসেবে;
3. Verb -এর complement হিসেবে;
4. Preposition -এর object হিসেবে;
5. Noun/pronoun -এর apposition হিসেবে।

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

২৮.
The passive form of: You are to colour the picture.
  1. The picture is to be colour by you.
  2. The picture is to be coloured by you.
  3. The picture has to be coloured by you.
  4. The picture are being coloured by you.
সঠিক উত্তর:
The picture is to be coloured by you.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The picture is to be coloured by you.
ব্যাখ্যা

- Active: You are to colour the picture.
- Passive: The picture is to be coloured by you.

• Active voice -এ am to/is to/are to/has to/have to ইত্যাদি থাকলে সেটিকে Passive করতে হলে-
- প্রথমে Active voice -এর object টি passive voice -এর subject হিসেবে বসে।
- তারপর subject অনুযায়ী 'am to/is to/are to' ইত্যাদির পরে 'be' বসে।
- তারপর মূল verb -এর past participle form বসে।
- শেষে by + Active voice -এর subject টি passive voice -এর object হিসেবে বসে।

• Structure:
- Active: Subject + am to/is to/are to/has to/have to + present form of verb + object.
- Passive: Object + am to/is to/are to/has to/have to + be + past participle form of verb + by + subject.

- এসব verb দ্বারা (modal- must, should) সাধারণত কোনো কিছু করার নির্দেশনা/ বাধ্যবাধকতা ইত্যাদি বুঝানো হয়।

অন্যান্য অপশন:
ক) The picture is to be colour by you.
→ ভুল, কারণ, verb -এর present form না হয়ে past participle হবে ("colour" should be coloured).

গ) The picture has to be coloured by you.
→ "Are to" → "has to" (অর্থ একই রকম কিন্তু form ভিন্ন), Original structure maintain করতে হবে।

ঘ) The picture is being coloured by you.
→ Wrong tense: present continuous এর passive করা হয়েছে।

২৯.
Select the synonym for 'Infringe':
  1. Transgress
  2. Regret
  3. Intrude
  4. Strengthen
সঠিক উত্তর:
Transgress
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Transgress
ব্যাখ্যা

• The synonym for 'Infringe' is- ক) Transgress.

 • Infringe (verb)
- English Meaning: actively break the terms of (a law, agreement, etc.).
- Bangla Meaning: (বিধি ইত্যাদি) ভঙ্গ/লঙ্ঘন/খণ্ডন করা; অতিবর্তন/অতিক্রম করা।

• Given options:
ক) Transgress -
(সীমা) লঙ্ঘন করা। (আইন, চুক্তি) ভঙ্গ করা।

খ) Regret - অনুতপ্ত হওয়া; অনুতাপ/অনুশোচনা/আক্ষেপ/আফসোস করা।

গ) Intrude - জোর করে প্রবেশ করা বা করানো।

ঘ) Strengthen - শক্তিশালী হওয়া বা করে তোলা।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The synonym for 'Infringe' is- ক) Transgress.

 Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩০.
Which of the following is a correct sentence?
  1. No sooner he had opened the book than he fall asleep.
  2. No sooner had he opened the book than he fell asleep.
  3. No sooner had he opened the book than he fall asleep.
  4. No sooner had he opened the book than he fallen asleep.
সঠিক উত্তর:
No sooner had he opened the book than he fell asleep.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No sooner had he opened the book than he fell asleep.
ব্যাখ্যা

• Correct Sentence: No sooner had he opened the book than he fell asleep.
- Bangla Meaning: বইটা খুলতে না খুলতেই সে ঘুমিয়ে পড়ল।

• No sooner had যুক্ত বাক্য গঠনের নিয়ম:
- No sooner had + subject + 1st clause (verb এর past participle) + than (not then) + subject + 2nd clause (verb এর past form).

- নিয়মানুযায়ী, প্রদত্ত বাক্যের 1st clause এ 'No sooner had' এর পর verb এর past participle 'opened' বসেছে, তাই পরবর্তী অংশে than + subject + verb এর past form 'fell' বসেছে। 
- Fall -এর past form হলো 'fell' এবং past participle form হলো 'fallen'.

• উল্লেখ্য যে,
- No sooner had, Hardly had, Scarcely had এবং As soon as সবগুলোই ‘করতে না করতেই/ হতে না হতেই’ এ রকম অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর প্রথম অংশ Past Perfect এবং ২য় অংশে Past Indefinite হয়।
- সাধারণত No sooner had থাকলে পরের অংশে than (then নয়) ব্যবহৃত হয়।
- Hardly had থাকলে পরের অংশে when ব্যবহৃত হয়।
- Scarcely had থাকলে পরের অংশে when (than নয়) ব্যবহৃত হয়।
- As soon as থাকলে পরের অংশে শুধু কমা বসে, অন্য কোনো শব্দ ব্যবহৃত হয় না।

৩১.
'দারোয়ান' কোন ভাষার শব্দ?
  1. পর্তুগিজ 
  2. ফারসি 
  3. তুর্কি 
  4. হিন্দি 
সঠিক উত্তর:
ফারসি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারসি 
ব্যাখ্যা

• দারোয়ান (বিশেষ্য পদ),
- এটি একটি ফারসি শব্দ।
- শুদ্ধ উচ্চারণ- [দরোআন্‌],
অর্থ:
- দৌবারিক, প্রহরী।



উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

৩২.
খ্যাতি অর্থে 'প্র' উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে নিচের কোন শব্দে?
  1. প্রভাব
  2. প্রচার
  3. প্রসিদ্ধ
  4. প্রসার
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

• খ্যাতি অর্থে 'প্র' উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে- প্রসিদ্ধ, প্রভাব। 
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

'প্র' সংস্কৃত উপসর্গ যোগে বিভিন্ন অর্থে গঠিত শব্দ হলো-
• প্রকৃষ্ট/সম্যক অর্থে- প্রচলন, প্রস্ফুটিত।
খ্যাতি অর্থে- প্রসিদ্ধ, প্রতাপ, প্রভাব। 
• আধিক্য অর্থে- প্রগাঢ়, প্রচার, প্রবল, প্রসার। 
• গতি অর্থে- প্রবেশ, প্রস্থান। 

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা:
প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

৩৩.
নিচের কোনটি অব্যয়ীভাব সমাস?
  1. সহকর্মী
  2. রাজপথ
  3. ভ্রাতৃস্নেহ
  4. প্রতিবাদ
সঠিক উত্তর:
প্রতিবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিবাদ
ব্যাখ্যা

• অব্যয়ীভাব সমাস:
পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়।
যেমন: জানু পর্যন্ত লম্বিত (পর্যন্ত শব্দের অব্যয় ‘আ’) = আজানুলম্বিত (বাহু), মরণ পর্যন্ত = আমরণ।

সামীপ্য (নৈকট্য), বিপ্‌সা (পৌনঃপুনিকতা), পর্যন্ত, অভাব, অনতিক্রম্যতা, সাদৃশ্য, যোগ্যতা প্রভৃতি নানা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়। নিচের উদাহরণগুলোতে অব্যয়ীভাব সমাসের অব্যয় পদটি বন্ধনীর মধ্যে দেখানো হলো৷ 

১. সামীপ্য (উপ): কণ্ঠের সমীপে = উপকণ্ঠ, কূলের সমীপে = উপকূল
২. বিপ্‌সা (অনু, প্রতি): দিন দিন = প্রতি দিন, ক্ষণে ক্ষণে = প্রতিক্ষণে, ক্ষণ ক্ষণ = অনুক্ষণ।
৩. অভাব (নিঃ = নির): আমিষের অভাব = নিরামিষ, ভাবনার অভাব = নির্ভাবনা, জলের অভাব=নির্জল, উৎসাহের অভাব = নিরুৎসাহ।
৪. পর্যন্ত (আ): সমুদ্র থেকে হিমাচল পর্যন্ত = আসমুদ্রহিমাচল, পা থেকে মাথা পর্যন্ত আপাদমস্তক।
৫. সাদৃশ্য (উপ): শহরের সদৃশ = উপশহর, গ্রহের তুল্য = উপগ্রহ, বনের সদৃশ উপবন।
৬. অনতিক্রম্যতা (যথা): রীতিকে অতিক্রম না করে = যথারীতি, সাধ্যকে অতিক্রম না করে = যথাসাধ্য। এরূপ-যথাবিধি, যথাযোগ্য ইত্যাদি।
৭. অতিক্রান্ত (উৎ): বেলাকে অতিক্রান্ত = উদ্বেল, শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত = উচ্ছৃঙ্খল।
৮. বিরোধ (প্রতি): বিরুদ্ধ বাদ = প্রতিবাদ, বিরুদ্ধ কূল = প্রতিকূল। 
৯. পশ্চাৎ (অনু): পশ্চাৎ গমন = অনুগমন, পশ্চাৎ ধাবন = অনুধাবন৷

অন্যদিকে, 
• বহুব্রীহি সমাসে ‘সমান' শব্দের স্থানে ‘স’ এবং ‘সহ’ হয়। যেমন: সমান কর্মী যে = সহকর্মী, সমান বর্ণ = সমবর্ণ, সমান উদর যাদের = সহোদর।

• ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসে ‘রাজা' স্থলে ‘রাজ’, পিতা, মাতা, ভ্রাতা স্থলে যথাক্রমে ‘পিতৃ’, ‘মাতৃ’, ‘ভ্রাতৃ’ হয়। যেমন: পথের রাজা = রাজপথ, গজনীর রাজা = গজনীরাজ, রাজার পুত্র = রাজপুত্র, পিতার ধন = পিতৃধন, মাতার সেবা = মাতৃসেবা, ভ্রাতার স্নেহ = ভ্রাতৃস্নেহ, পুত্রের বধূ = পুত্রবধূ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

৩৪.
নিচের কোনটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তির উদাহরণ?
  1. হু হু
  2. গুটিশুটি
  3. জ্বর জ্বর
  4. কথায় কথায়
সঠিক উত্তর:
হু হু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হু হু
ব্যাখ্যা

• ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি:
কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক অনুকৃতিবিশিষ্ট শব্দের রূপকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। এ জাতীয় ধ্বন্যাত্মক শব্দের দুইবার প্রয়োগের নাম ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি। ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি দ্বারা বহুত্ব, আধিক্য ইত্যাদি বোঝায়। ধ্বন্যাত্মক দ্বিরক্ত শব্দ কয়েকটি উপায়ে গঠিত হয়।
যেমন-
১. মানুষের ধ্বনির অনুকার: ভেউ ভেউ (মানুষের উচ্চস্বরে কান্নার ধ্বনি)। এরূপ –ট্যা ট্যা, হি হি ইত্যাদি ৷
২. জীবজন্তুর ধ্বনির অনুকার: ঘেউ ঘেউ (কুকুরের ধ্বনি)। এরূপ- মিউ মিউ (বিড়ালের ডাক), কুহু কুহু (কোকিলের ডাক), কা কা (কাকের ডাক) ইত্যাদি।
৩. বস্তুর ধ্বনির অনুকার: ঘচাঘচ (ধান কাটার শব্দ)। এরূপ-মড়মড় (গাছ ভেঙে পড়ার শব্দ) ঝমঝম (বৃষ্টি পড়ার শব্দ), হু হু (বাতাস প্রবাহের শব্দ) ইত্যাদি ।
৪. অনুভূতিজাত কাল্পনিক ধ্বনির অনুকার: ঝিকিমিকি (ঔজ্জ্বল্য)। এরূপ- ঠা ঠা (রোদের তীব্রতা), কুট কুট (শরীরে কামড় লাগার মতো অনুভূতি)। অনুরূপভাবে- মিন মিন, পিট পিট, ঝি ঝি ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• অনুকার দ্বিত্ব:
পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়।
যেমন:
লুচিফুচি, আগড়ম-বাগড়ম, চাকর-বাকর, এলোমেলো, ঝিলমিল, শেষমেষ, অল্পসল্প, বুদ্ধিশুদ্ধি, গুটিশুটি, মোটাসোটা, নরম-সরম, ব্যাপার-স্যাপার, বুঝেসুঝে। 

• পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব:
পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে। যেমন: জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, কথায় কথায়

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১-সংস্করণ)।

৩৫.
'মায়াবী' শব্দের শুদ্ধ স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. মায়াবীনী 
  2. মায়াবিনা  
  3. মায়াবিনী
  4. মায়াবেনী
সঠিক উত্তর:
মায়াবিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মায়াবিনী
ব্যাখ্যা

ঈনী, নী প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ: 
- মায়াবী-মায়াবিনী,
- কুহক-কুহকিনী,
- যোগী-যোগিনী,
- মেধাবী-মেধাবিনী,
- দুঃখী-দুঃখিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৩৬.
নিচের কোনটি বিশেষ বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ?
  1. নমস্কার
  2. নিষ্কর
  3. অহর্নিশ
  4. দুষ্কর
সঠিক উত্তর:
অহর্নিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অহর্নিশ
ব্যাখ্যা

• কয়েকটি বিশেষ বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ:
বাচঃ + পতি = বাচস্পতি, ভাঃ + কর = ভাস্কর, অহঃ + নিশা= অহর্নিশ, অহঃ + অহ = অহরহ ইত্যাদি।

--------------------
বিসর্গ সন্ধির নিয়ম:

অঘোষ অল্পপ্রাণ ও অঘোষ মহাপ্রাণ কণ্ঠ্য কিংবা ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন (ক, খ, প, ফ) পরে থাকলে অ বা আ ধ্বনির পরস্থিত বিসর্গ স্থলে অঘোষ দন্ত্য শিশ ধ্বনি (স্) হয় এবং অ বা আ ব্যতীত অন্য স্বরধ্বনির পরস্থিত বিসর্গ স্থলে অঘোষ মূর্ধন্য শিশ্ ধ্বনি (ষ) হয়। 
যেমন:
অ এর পরে বিসর্গ ঃ + ক = স্ + ক; নমঃ + কার = নমস্কার।
অ এর পরে বিসর্গ ঃ + খ = স্ + খ; পদঃ + খলন = পদস্খলন 
ই এর পরে বিসর্গ ঃ + ক = ষ + ক; নিঃ + কর = নিষ্কর।
উ এর পরে বিসর্গ ঃ + ক = ষ + ক; দুঃ + কর = দুষ্কর।

এরূপ- পুরস্কার, মনস্কামনা, তিরস্কার, চতুষ্পদ, নিষ্ফল, নিষ্পাপ, দুষ্প্রাপ্য, বহিষ্কৃত, দুষ্কৃতি, আবিষ্কার, চতুষ্কোণ, বাচস্পতি, ভাস্কর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।  

৩৭.
স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে নিচের কোন শব্দে?
  1. ভবিষ্যৎ
  2. বিষম
  3. কৃষক
  4. ভাষণ
সঠিক উত্তর:
ভাষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষণ
ব্যাখ্যা

মূর্ধন্য-ষ ব্যবহারের নিয়ম:
• অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের স, ষ হয়। যেমন- ভবিষ্যৎ (ভ্‌ + অ + ব্ + ই + ) এখানে ব-এর পরে ই-এর ব্যবধান), মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি ।
• ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে ‘ষ’ হয়। যেমন- অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, প্রতিসেধক প্রতিষেধক, প্রতিস্থান > প্রতিষ্ঠান, অনুস্থান > অনুষ্ঠান, বিসম > বিষম, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।
• ‘ঋ’এবং ঋ কারের পর ‘ষ’ হয়। যেমন- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট, দৃষ্টি, সৃষ্টি ইত্যাদি।
• তৎসম শব্দে 'র'-এর পর ‘ষ’ হয়। যেমন- বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ
• র- ধ্বনির পরে যদি অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকে তবে তার পরে ‘ষ’ হয়। যথা: পরিষ্কার। কিন্তু অ, আ স্বরধ্বনি থাকলে স হয়। যথা- পুরস্কার
• ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে ‘ষ’ যুক্ত হয়। যথা: কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।
কতগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ষ’ হয়। যেমন- ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ভাষা, ঊষা, পৌষ, কলুষ, পাষাণ, মানুষ, ঔষধ, ষড়যন্ত্র, ভূষণ, দ্বেষ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)। 

৩৮.
'সাধু > সাহু > সাউ' কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. ব্যঞ্জন বিকৃতি
  2. হ-কার লোপ
  3. অভিশ্রুতি
  4. বিষমীভবন
সঠিক উত্তর:
হ-কার লোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ-কার লোপ
ব্যাখ্যা

• হ-কার লোপ:
আধুনিক চলিত ভাষায় অনেক সময় দুই স্বরের মাঝামাঝি হ-কারের লোপ হয়।
যেমন-
- পুরোহিত > পুরুত,
- গাহিল > গাইল,
- চাহে > চায়,
- সাধু > সাহু > সাউ,
- আরবি আল্লাহ্ > বাংলা আল্লা,
- ফারসি শাহ্ > বাংলা শা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
-----------------
• ব্যঞ্জন বিকৃতি:
শব্দের মধ্যে কোনো কোনো সময় কোনো ব্যঞ্জন পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি ব্যবহৃত হয়। একে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি।
যেমন- কবাট > কপাট, ধোবা > ধোপা, ধাইমা > দাইমা ইত্যাদি ৷

• অভিশ্রুতি:
বিপর্যস্ত স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং তদনুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে বলে অভিশ্রুতি। যেমন- করিয়া থেকে অপিনিহিতির ফলে ‘কইরিয়া’ কিংবা বিপর্যয়ের ফলে ‘কইরা’ থেকে অভিশ্রুতিজাত ‘করে’।
 এরূপ- শুনিয়া > শুনে, বলিয়া > বলে, হাটুয়া > হাউটা > হেটো, মাছুয়া > মেছো ইত্যাদি।

• বিষমীভবন:
দুটো সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে। যেমন- শরীর > শরীল, লাল > নাল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)। 

৩৯.
'Capitalised' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. পুঁজীভূত করা
  2. পুঁজীকরণ
  3. পুঁজীকৃত
  4. পুঁজি
সঠিক উত্তর:
পুঁজীকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুঁজীকৃত
ব্যাখ্যা

• 'Capitalised' বাংলা পারিভাষিক শব্দ- পুঁজীকৃত। 

অন্যদিকে, 
• 'Capitalise' বাংলা পারিভাষিক শব্দ- পুঁজীভূত করা। 
• 'Capitalisation' বাংলা পারিভাষিক শব্দ- পুঁজীকরণ।। 
• 'Capital' বাংলা পারিভাষিক শব্দ- মূলধন, রাজধানী, পুঁজি।  

উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি। 

৪০.
'স্বাতন্ত্র্য' শব্দের 'ন্ত্র্য' যুক্তবর্ণটি কোন কোন বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ন+ ত্‌ + ত + র-ফলা (,) + য-ফলা ( ্য )
  2. ন + ত্ত + র-ফলা (,) + য-ফলা ( ্য )
  3. ন + এ + র-ফলা (,) + য-ফলা ( ্য )
  4. ন + ত + র-ফলা (,) + য-ফলা ( ্য )
সঠিক উত্তর:
ন + ত + র-ফলা (,) + য-ফলা ( ্য )
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন + ত + র-ফলা (,) + য-ফলা ( ্য )
ব্যাখ্যা

• এছাড়া বাংলা ভাষায় দুইয়ের অধিক বর্ণ সংযোগেও কিছু সংযুক্ত বর্ণ গঠিত হয়।
যেমন:
- সূক্ষ্ম শব্দে 'ক্ষ্ম' বর্ণ= ক্ + ষ + ম- ফলা;
- স্বাতন্ত্র্য শব্দের 'ন্ত্র্য' = ন + ত + র-ফলা (,) + য-ফলা ( ্য ) ইত্যাদি।

এরূপ কিছু যুক্তবর্ণ হলো- 
জ্জ = জ্ + জ। যেমন- উজ্জীবন, উজ্জীবিত।
জ্ঝ = জ্ + ঝ। যেমন- কুঞ্ঝটিকা।
জ্ঞ = জ্ + ঞ। যেমন- উচ্চারণ ‘গ্য’— এর মতো) যেমন- জ্ঞান, সংজ্ঞা, বিজ্ঞান ।
ঞ্চ = ঞ্‌ + চ। যেমন- অঞ্চল, সঞ্চয়, পঞ্চম।
ঞ্ছ = ঞ্‌ + ছ। যেমন- বাঞ্ছিত, বাঞ্ছনীয়, বাঞ্ছা।
ঞ্জ = ঞ্ + জ। যেমন-গঞ্জ, রঞ্জন, কুঞ্জ।
ঞ্ঝ = ঞ্‌ + ঝ। যেমন- ঝঞ্ঝা, ঝঞ্ঝাট।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)। 

৪১.
'√চল্ + অন = চলন' এখানে 'অন' হচ্ছে- 
  1. ক্রিয়া প্রকৃতি
  2. কৃৎ-প্রত্যয়
  3. ধাতু 
  4. কৃদন্ত পদ
সঠিক উত্তর:
কৃৎ-প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃৎ-প্রত্যয়
ব্যাখ্যা

• ক্রিয়ামূলকে বলা হয় ধাতু, আর ধাতুর সঙ্গে পুরুষ ও কালবাচক বিভক্তি যোগ করে গঠন করা হয় ক্রিয়াপদ। ধাতুর সঙ্গে যখন কোনো ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরি হয়, তখন (১) ক্রিয়ামূল বা ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি বা প্রকৃতি; আর (২) ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ-প্রত্যয়।
যেমন-
- √চল্ (ক্রিয়া প্রকৃতি)+ অন (কৃৎ-প্রত্যয়)= চলন (বিশেষ্য পদ) । চল্ (ক্রিয়া প্রকৃতি) + অন্ত (কৃৎ-প্রত্যয়)= চলন্ত (বিশেষণ পদ)৷

‘প্রকৃতি’ কথাটি বোঝানোর জন্য প্রকৃতির আগে √ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এ প্রকৃতি চিহ্নটি ব্যবহার করলে ‘প্রকৃতি’ শব্দটি লেখার প্রয়োজন হয় না। যেমন –√পড়+ উয়া =পড়ুয়া। √নাচ্+উনে = নাচুনে।

- কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত পদটিকে বলা হয় কৃদন্ত পদ। যেমন– ওপরের উদাহরণে ‘পড়ুয়া’ ও ‘নাচুনে’ কৃদন্ত পদ
- তৎসম বা সংস্কৃত প্রকৃতির সঙ্গেও অনুরূপভাবে কৃৎ-প্রত্যয় যোগে কৃদন্ত পদ সাধিত হয়। যেমন √গম্+অন=গমন, √কৃ+তব্য=কর্তব্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)। 

৪২.
যৌগিক ক্রিয়া রয়েছে নিচের কোন বাক্যে?
  1. আমরা তাজমহল দর্শন করলাম।
  2. এখন গোল্লায় যাও৷
  3. শিক্ষায় মন সংস্কারমুক্ত হয়ে থাকে।
  4. মাথা ঝিম ঝিম্ করছে। 
সঠিক উত্তর:
শিক্ষায় মন সংস্কারমুক্ত হয়ে থাকে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষায় মন সংস্কারমুক্ত হয়ে থাকে।
ব্যাখ্যা

• যৌগিক ক্রিয়া:
একটি সমাপিকা ও একটি অসমাপিকা ক্রিয়া যদি একত্রে একটি বিশেষ বা সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে। যেমন-
ক. তাগিদ দেওয়া অর্থে- ছেলেমেয়েরা শুয়ে পড়ল।
খ. নিরন্তরতা অর্থে- ঘটনাটা শুনে রাখ৷
গ. কার্যসমাপ্তি অর্থে- তিনি বলতে লাগলেন।
ঘ. আকস্মিকতা অর্থে- সাইরেন বেজে উঠল।
ঙ. অভ্যস্ততা অর্থে- শিক্ষায় মন সংস্কারমুক্ত হয়ে থাকে।
চ. অনুমোদন অর্থে- এখন যেতে পার।

অন্যদিকে, 
----------------------
• মিশ্র ক্রিয়া: 
বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধ্বনাত্মক অব্যয়ের সঙ্গে কর্, হ্, দে, পা, যা, কাট্, গা, ছাড়, ধর্, মার্, প্রভৃতি ধাতুযোগে গঠিত ক্রিয়াপদ বিশেষ বিশেষ অর্থে মিশ্র ক্রিয়া গঠন করে।
যেমন-
ক. বিশেষ্যের উত্তর (পরে): আমরা তাজমহল দর্শন করলাম। এখন গোল্লায় যাও৷
খ. বিশেষণের উত্তর (পরে): তোমাকে দেখে বিশেষ প্রীত হলাম।
গ. ধ্বনাত্মক অব্যয়ের উত্তর (পরে): মাথা ঝিম ঝিম্ করছে। ঝম্ ঝম্ করে বৃষ্টি পড়ছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)। 

৪৩.
'ণ' কোন বর্গীয় ধ্বনি?
  1. চ-বর্গীয়
  2. ট-বর্গীয়
  3. ত-বর্গীয়
  4. প-বর্গীয়
সঠিক উত্তর:
ট-বর্গীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট-বর্গীয়
ব্যাখ্যা

• ক-বর্গীয় ধ্বনি: ক, খ, গ, ঘ, ঙ- এ পাঁচটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির উচ্চারণ জিহ্বার গোড়ার দিকে নরম তালুর পশ্চাৎ ভাগ স্পর্শ করে। এগুলো জিহ্বামূলীয় বা কণ্ঠ্য স্পর্শধ্বনি।

• চ-বর্গীয় ধ্বনি: চ, ছ, জ, ঝ, ঞ- এ পাঁচটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির উচ্চারণে জিহ্বার অগ্রভাগ চ্যাপটাভাবে তালুর সম্মুখ ভাগের সঙ্গে ঘর্ষণ করে। এদের বলা হয় তালব্য স্পর্শধ্বনি।

• ট-বর্গীয় ধ্বনি: ট, ঠ, ড, ঢ, ণ– এ পাঁচটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির উচ্চারণে জিহ্বার অগ্রভাগ কিঞ্চিৎ উল্টিয়ে ওপরের মাড়ির গোড়ার শক্ত অংশকে স্পর্শ করে। এগুলোর উচ্চারণে জিহ্বা উল্টা হয় বলে এদের নাম দন্তমূলীয় প্রতিবেষ্টিত ধ্বনি। আবার এগুলো ওপরের মাড়ির গোড়ার শক্ত অংশ অর্থাৎ মূর্ধায় স্পর্শ করে উচ্চারিত হয় বলে এদের বলা হয় মূর্ধন্য ধ্বনি।

• ত-বর্গীয় ধ্বনি: ত, থ, দ, ধ, ন- এ পাঁচটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির উচ্চারণে জিহ্বা সম্মুখে প্রসারিত হয় এবং অগ্রভাগ ওপরের দাঁতের পাটির গোড়ার দিকে স্পর্শ করে। এদের বলা হয় দন্ত্য ধ্বনি।

• প-বর্গীয় ধ্বনি: প, ফ, ব, ভ, ম- এ পাঁচটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির উচ্চারণে ওষ্ঠের সঙ্গে অধরের স্পর্শ ঘটে। এদের ওষ্ঠ্যধ্বনি বলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)। 

৪৪.
'ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রীরা এসেছিল।'- বাক্যে কোন ধরনের অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. বাচ্যজনিত ভুল
  2. বানানের অশুদ্ধি 
  3. পদক্রম জনিত অশুদ্ধি 
  4. বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি
সঠিক উত্তর:
বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি
ব্যাখ্যা

• বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি:
বহুত্ব বোঝাতে আমরা বহুবচন ব্যবহার করি। বিশেষ্য পদের সঙ্গে গুলি/গুলো/রা, এরা ইত্যাদি যুক্ত করে বহুবচন তৈরি করা হয়। স্মরণ রাখতে হবে যে বহুবচনের পরে দ্বিত্ব প্রয়োগ হয় না, অর্থাৎ কোনো শব্দকে এক বার বহুবচনে শেষরিত করলে পুনরায় তার বহুত্ব অপ্রয়োজনীয়। তাই অগণিত, অনেক, বহু, যাবতীয়, সব ইত্যাদি যত বহুত্ববাচক যদি আছে, তাদের পরে সংশ্লিষ্ট বিশেষ্য পদের সঙ্গে গুলি/গুলো ইত্যাদি যুক্ত হবে না।
যেমন:
অশুদ্ধ: ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রীরা এসেছিল।
শুদ্ধ: ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রী এসেছিল। 

অশুদ্ধ: সকল ছাত্রগণ পাঠে মনোযোগী নয়।
শুদ্ধ: সকল ছাত্র পাঠে মনোযোগী নয়।

অশুদ্ধ: অশুদ্ধ: আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যাগুলোর সমাধান সম্ভব।
শুদ্ধ: আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভবপর।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.  হায়াৎ মামুদ।

৪৫.
‘পৃথিবী’ এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. মেদিনী
  2. ভূধর
  3. অদ্রি
  4. মহীধ্র
সঠিক উত্তর:
মেদিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেদিনী
ব্যাখ্যা

• ‘পৃথিবী’ শব্দের সমার্থক শব্দ: 
ধরা, ধরণি, ধরিত্রী, বসুন্ধরা, বসুধা, ভূ, ভূমণ্ডল, অবনি, ক্ষিতি, মহি, বসুমতী, মেদিনী, জগৎ, মর্ত্যলোক, ব্রহ্মাণ্ড, বিশ্ব, অখিল, ভুবন, ভূমি, পৃথ্বী, দুনিয়া, ভুবন, ভূলোক, উর্বী। 

অন্যদিকে,
----------------
• 'পর্বত' শব্দের সমার্থক শব্দ:
মহীধর, পাহাড়, গিরি, অচল, শৈল, ভূধর, অদ্রি, শিখরী, শৃঙ্গী, শৃঙ্গধর, মহীধর, ভূভৃৎ, নগ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৪৬.
নাটকগুলোর মধ্যে কোনটি ভিন্ন?
  1. বর্ণচোরা
  2. কী চাহ শঙ্খচিল
  3. বকুলপুরের স্বাধীনতা
  4. ওরা কদম আলী
সঠিক উত্তর:
ওরা কদম আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরা কদম আলী
ব্যাখ্যা

• 'ওরা কদম আলী' নাটক:
- প্রখ্যাত নাট্যকার মামুনুর রশীদ রচিত প্রথম নাটক 'ওরা কদম আলী'। ১৯৭৮ সালে নাটকটি প্রকাশিত হয়।
- এখানে শোষিত-নিপীড়িত, বঞ্চিত মানুষের সংগ্রামের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। গরিব ও মেহনতি মানুষের ব্যাক্তিক প্রতিবাদ সামষ্টিক রূপ কিভাবে পরিগ্রহ করে কদম আলী নামের একটি বোবা চরিত্রের মধ্যে দিয়ে এ নাটকে তা দেখানো হয়েছে।
- "কদম আলী" এই নাটকের প্রধান চরিত্র।

 ------------------
মামুনুর রশীদ রচিত অন্যান্য নাটকগুলো হলো:
- ওরা কদম আলী,
- ওরা আছে বলেই,
- মে দিবস,
- ইবলিশ,
- এখানে নোঙর,
- গিনিপিগ,
- সমতট,
- পাথর,
- লেবেদেফ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
------------------
মমতাজউদ্দীন আহমেদ (১৯৩৫-২০১৯) রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কয়েকটি নাটক:
- বর্ণচোর,
- বকুলপুরের স্বাধীনতা,
- কী চাহ শঙ্খচিল,
- এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়।

৪৭.
কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ছোটোগল্প?
  1. শেষ লেখা
  2. শেষরক্ষা
  3. শেষ কথা
  4. শেষের কবিতা
সঠিক উত্তর:
শেষ কথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেষ কথা
ব্যাখ্যা

• 'শেষ কথা' ছোটোগল্প:
"শেষ কথা" হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত ছোটোগল্প, যা তাঁর 'তিনসঙ্গী' নামক গল্পসংকলনের অন্তর্ভুক্ত। যেখানে জীবন ও সম্পর্কের জটিলতাকে তুলে ধরা হয়েছে, বিশেষত সম্পর্কের গভীরে থাকা সত্যের অনুসন্ধান এবং একটি অসমাপ্ত প্রেমের আখ্যান নিয়ে এই গল্পটি রচিত।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কিছু গল্প হলো-
• অতিপ্রাকৃতিক গল্প:  ক্ষুধিত পাষাণ, নিশীতে, মণিহার, কঙ্কাল।
• আধুনিক মনস্তত্ত্ব নিয়ে ছোটগল্প: রবিবার, শেষকথা, ল্যাবরেটরি।
• সমাজসমস্যামূলক ছোটগল্প: দেনাপাওনা, রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা, যজ্ঞেশ্বরের যজ্ঞ, অনধিকার প্রবেশ।

অন্যদিকে, 
• 'শেষ লেখা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
• 'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি উপন্যাস।
• 'শেষরক্ষা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি প্রহসন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'শেষ কথা' ছোটগল্প।

৪৮.
'বিদীর্ণ দর্পণে মুখ' কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. নাটক 
  2. কাব্যগ্রন্থ 
  3. প্রবন্ধ 
  4. ছোটগল্প
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ 
ব্যাখ্যা

• 'বিদীর্ণ দর্পণে মুখ' আহসান হাবীব রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। 
- কাব্যগ্রন্থটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়।   

----------------------
• আহসান হাবীব:
- আহসান হাবীব ছিলেন কবি ও সাংবাদিক। ১৯১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি  পিরোজপুর জেলার শংকরপাশা গ্রামে তাঁর জন্ম।

- আহসান হাবীব আধুনিক কাব্যধারার কবি ছিলেন। তাঁর কাব্যচর্চার শুরু বাল্যকাল থেকেই। সপ্তম শ্রেণীতে অধ্যয়নকালে ১৯৩৩ সালে স্কুল ম্যাগাজিনে তাঁর প্রথম লেখা একটি প্রবন্ধ ‘ধর্ম’ প্রকাশিত হয়।

- ১৯৩৪ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ‘মায়ের কবর পাড়ে কিশোর’ ছাপা হয় পিরোজপুর গভর্নমেন্ট স্কুল ম্যাগাজিনে। তখন তিনি দশম শ্রেণীর ছাত্র। এভাবেই তাঁর সাহিত্যিক জীবনের শুরু।

- আহসান হাবীবের প্রথম কবিতার বই 'রাত্রিশেষ' প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে। 
- মধ্যবিত্তের সংকট ও জীবনযন্ত্রণা আহসান হাবীবের কবিতার মুখ্য বিষয়। সামাজিক বাস্তবতা, মধ্যবিত্ত শ্রেণীর সংগ্রামী চেতনা এবং সমকালীন যুগযন্ত্রণা তাঁর কবিতায় শিল্পসম্মতভাবে পরিস্ফুটিত হয়েছে। তাঁর ভাষা ও প্রকাশভঙ্গিতে নাগরিক মননের ছাপ আছে।

- সাহিত্যসাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ইউনেস্কো সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬১), বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬১), আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৪), নাসিরউদ্দীন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), একুশে পদক (১৯৭৮), আবুল মনসুর আহমদ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৮০) এবং আবুল কালাম স্মৃতি পুরস্কার (১৯৮৪) লাভ করেন।

• আহসান হাবীব রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- ছায়াহরিণ,
- সারা দুপুর,
- আশায় বসতি,
- মেঘ বলে চৈত্রে যাবো,
- দুহাতে দু আদিম পাথর,
- প্রেমের কবিতা,
- বিদীর্ণ দর্পণে মুখ ইতাদি।

• তাঁর দুটি বিশিষ্ট উপন্যাস হলো:
- অরণ্য নীলিমা ও
- রাণীখালের সাঁকো।

• তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শিশুতোষ গ্রন্থ: 
- জ্যোৎস্না রাতের গল্প,
- বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, 
- ছুটির দিন দুপুরে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৪৯.
ফারসি ভাষায় 'গুলে বকাওলী' গ্রন্থ রচনা করেছেন-
  1. মুহাম্মদ মুকীম 
  2. নওয়াজিস খান 
  3. শেখ ইজ্জতুল্লাহ্
  4. আবদুল হাকিম 
সঠিক উত্তর:
শেখ ইজ্জতুল্লাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ ইজ্জতুল্লাহ্
ব্যাখ্যা

• গুলে বকাওলী':
- শেখ ইজ্জতুল্লাহ্ নামে জনৈক বাঙালি লেখক ১৭২২ সালে ফারসি ভাষায় 'গুলে বকাওলী' গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। এ গ্রন্থটি হিন্দি থেকে ভাষান্তরিত।

- গদ্যে রচিত এ গ্রন্থের কাহিনি নওয়াজিস খান কাব্যে রূপ দিয়েছিলেন বলে ধারণা করা হয়। ঘটনা রূপায়ণের বৈশিষ্ট্য বিচার করলে নওয়াজিস খানকে মনে হয় ইজ্জতুল্লাহ্‌র অনুসারী। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র মতে কবি নওয়াজিস খান কাব্যটি ফারসি থেকে অনুবাদ করেছিলেন। কাব্যের কাহিনি প্রেমমূলক।

গ্রন্থের কাহিনি সংক্ষেপ-
শর্কিস্তানের রাজপুত্র তাজুলমুলুক পিতার অন্ধত্ব দূর করার জন্য পরীরাজকন্যা বকাওলীর উদ্যানের বকাওলী ফুলের সন্ধানে যায় । বহু দুঃখকষ্ট ও বাধাবিপত্তির শেষে ফুল সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। সেখানে রাজকন্যা বকাওলীর নিদ্রিতাবস্থায় তাজুলমুলুক অঙ্গুরীয় বিনিময় করে এবং প্রেমপত্র লিখে রেখে দেশে ফিরে আসে। বকাওলী তাজুলের প্রতি প্রেমাসক্ত হয়ে তার অনুসন্ধানে বহির্গত হয় এবং বহু দুঃখ অতিক্রমের পর তার সঙ্গে মিলনে সক্ষম হয়। এই মূলকাহিনির সঙ্গে আরও উপকাহিনির সংযোজন ঘটেছে। কাহিনিটি অলৌকিকতায় পরিপূর্ণ বলে তাতে রোমান্সের বৈশিষ্ট্য প্রকাশমান।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম। 

৫০.
কোনটি সেলিম আল দীন রচিত উপন্যাস?
  1. অমৃত উপাখ্যান
  2. জুলান
  3. যৈবতী কন্যার মন
  4. বাসন
সঠিক উত্তর:
অমৃত উপাখ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমৃত উপাখ্যান
ব্যাখ্যা

• ‘অমৃত উপাখ্যান’ উপন্যাস: 
- সেলিম আল দীন তাঁর ‘অমৃত উপাখ্যান’ উপন্যাসে ব্যক্তিগত জীবনের এক ঘটনাচিত্র উপস্থাপন করেছেন।

- তিনি বলেন, ‘কখনও আত্মজীবনীতে আমার ব্যক্তিগত প্রসঙ্গের লুপ্ত অংশগুলো যদি প্রকাশিত হয় তবে এ গল্পের উৎসাভাস পাঠকরা পাবেন নিশ্চয়ই’। আবার লেখক এই উপন্যাসকে ‘উপাখ্যানের লক্ষণযুক্ত’ বলে মনে করেছেন। এজন্যই তিনি তাঁর এই উপন্যাসের শুরুতেই বলেছেন, ‘উপাখ্যান হচ্ছে বিকেলের আলোয় মর্ত-পৃথিবীর উল্টা ছায়া। আঁধারের পাঁচ আঙ্গুল’। একই সঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, ‘উপাখ্যান হলো-বলতে বলতে মধ্যরাতে-কালীগঙ্গার ঢালুতীর-নেশাকর ধোঁয়া বাস্তবে মিশে গুপীযন্ত্রের সাথে হাত ধরাধরি করে নাচে’।

- মনজুরুল হাসান হাসু এবং এলিজার প্রেম কাহিনি ‘অমৃত উপাখ্যান’ উপন্যাসটির মূল উপজীব্য।

উপন্যাসের কাহিনি সংক্ষেপ-
এই উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র হাসান একজন টেলিভিশন প্রডিউসার বা প্রযোজক। নবীন প্রযোজক হিসেবে বিতর্ক অনুষ্ঠান, আলোচনা অনুষ্ঠান প্রযোজনা করাই তার কাজ। একদিন টেলিভিশন স্টুডিওতে এক বিতর্ক অনুষ্ঠান ক্যামেরায় ধারণ করার সময় এলিজা চুপচাপ বসেছিল দর্শকসারিতে। ক্যামেরাম্যান কৌতূহলবশত এলিজাকে একাধিকবার ক্লোজশটে ধারণ করে। প্যানেলে বসে এলিজার সেই দৃশ্য হাসান অবলোকন করে আনন্দ মনে। শুধু তাই নয়, ক্যামেরার ক্লোজশটে মেয়েটির ছবি দেখার পর হাসানের মনে ‘এক অনামা নীলবর্ণ নদী রেখা’ তৈরি হয়।

অতঃপর শহরের একটি গানের দোকানে ক্যাসেটে গান রেকর্ডিং করতে গিয়ে হাসান ও এলিজার মধ্যে পরিচয় হয়। এই পরিচয় থেকেই ক্রমে তাদের মধ্যে রোমান্টিক প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। শেষ পর্যন্ত এলিজার আত্মহত্যার মধ্যদিয়ে এর কাহিনি সমাপ্ত হয়।

প্রেমের এই দৃশ্যপটের সঙ্গে হাসানের কল্পনা ও জীবন বাস্তবতার বিচিত্র ঘটনা এবং নানা চরিত্রের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং সুখ ও দুঃখ চিত্রিত হয়েছে অমৃত উপাখ্যান উপন্যাসটিতে। 

------------------------
সেলিম আল দীন রচিত নাট্যগ্রন্থগুলো হলো:
- সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য,
- বাসন,
- কেরামতমঙ্গল,
- কীর্তন খোলা,
- হাতহদাই,
- জুলান,
- শকুন্তলা,
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসি,
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- চাকা,
- যৈবতী কন্যার মন,
- হরগজ,
- নিমজ্জন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; ‘অমৃত উপাখ্যান’ উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।

৫১.
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রচিত উপন্যাস ও প্রবন্ধগুলো কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হতো?
  1. ভারতী 
  2. বঙ্গদর্শন
  3. তত্ত্ববোধিনী 
  4. সংবাদ প্রভাকর 
সঠিক উত্তর:
বঙ্গদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গদর্শন
ব্যাখ্যা

• হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপন্যাস ও প্রবন্ধগুলো মূলত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় প্রকাশিত হতো, যেখানে তিনি 'মজলিস'-এর সদস্য হিসেবে এবং পরে একজন প্রধান লেখক হিসেবে প্রায় ৩০টি রচনা লেখেন। 

----------------------
• হরপ্রসাদ শাস্ত্রী:

- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন প্রাচ্যবিদ্যা বিশারদ, এবং সংস্কৃতের পন্ডিত। হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য (শাস্ত্রী)-র জন্ম ২২ অগ্রহায়ণ ১২৬০/ ৬ ডিসেম্বর ১৮৫৩। এ পরিবারের আদি নিবাস ছিল খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে। 

- ১৮৭১ সালে এন্ট্রান্স, ১৮৭৩ সালে ফার্স্ট আর্টস, ১৮৭৬ সালে বি.এ এবং ১৮৭৭ সালে সংস্কৃতে অনার্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। অতঃপর হরপ্রসাদ এম.এ ডিগ্রি ও ‘শাস্ত্রী’ উপাধি অর্জন করেন।

- তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কারক। তিনি 'হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে 'চর্যাপদ' সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন।

- হরপ্রসাদের সারাজীবনের গবেষণায় রাজকৃষ্ণের ইতিহাসতত্ত্ব সম্পর্কিত গূঢ় চিন্তাভাবনা প্রভাব বিস্তার করেছে। রাজকৃষ্ণই হরপ্রসাদকে বঙ্কিমচন্দ্রের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাঁর ছাত্র বয়সের গবেষণা নিবন্ধ ‘ভারত মহিলা’ ১২৮২ বঙ্গাব্দের বঙ্গদর্শন পত্রিকার মাঘ-ফাল্গুন-চৈত্র তিন সংখ্যায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। বঙ্গদর্শন-এর ‘মজলিস’-এর কনিষ্ঠ সদস্য হরপ্রসাদ এরপরে এই পত্রিকার অন্যতম প্রধান লেখক হয়ে ওঠেন। উপন্যাস ও বিচিত্র বিষয়ে প্রবন্ধ মিলিয়ে তাঁর প্রায় ৩০টি রচনা বঙ্গদর্শন-এ প্রকাশিত হয় এবং বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী প্রতিষ্ঠা পায়।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কাঞ্চনমালা ও
- বেণের মেয়ে।

তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থ-
- হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষার বৌদ্ধগান ও দোহা,
- প্রাচীন বাংলার গৌরব,
- মেঘদূত ব্যাখ্যা,
- ভারত মহিলা,
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৫২.
সুকুমার রায় রচিত ছড়ার সংকলন কোনটি?
  1. পাগলা দাশু
  2.  হ-য-ব-র-ল
  3. চলচ্চিত্তচঞ্চরী
  4. আবোল তাবোল
সঠিক উত্তর:
আবোল তাবোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবোল তাবোল
ব্যাখ্যা

• 'আবোল তাবোল' ছড়ার সংকলন:
- 'আবোল তাবোল' সুকুমার রায়ের বিখ্যাত ননসেন্স ছড়ার সংকলন।
- এটি ১৯২৩ সালে ইউ রায় এন্ড সন্স থেকে প্রকাশিত হয়। এই সংকলনে মোট ছড়ার সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে ৭টি বেনামে লেখা হয়েছে। এবং তিনি এটি বাবু সমাজ কে সমালোচনা করার জন্য লিখেছিলেন।
- এটির দ্বারা তিনি গান্ধীজির অহিংসা সত্যাগ্রহ নীতির বিরোধিতা করেন। ছোটদের উদ্দেশ্যে লেখা সুকুমার রায় কবিতাগুলির মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে তৎকালীন সমাজ, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক আবহের প্রচ্ছন্ন রূপ। 

'আবোল তাবোল' ছড়ার সংকলনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু ছড়া হলো-
- অবাক কাণ্ড
- আবোল তাবোল
- আহ্লাদী
- একুশে আইন
- কাঠবুড়ো
- কাতুকুতু বুড়ো
- কাঁদুনে
- কিম্ভূত
- কৈফিয়ত
- খিচুড়ি
- খুড়োর কল ইত্যাদি। 

----------------------
সুকুমার রায় রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো:
• কবিতার বই:
- আবোল তাবোল,
- খাই খাই।

• গল্প: হযবরল।
• গল্প সংকলন: পাগলা দাশু।
• নাটক: চলচ্চিত্তচঞ্চরী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'আবোল তাবোল' ছড়ার সংকলন।

৫৩.
রাজনৈতিক জীবনের অন্ধকার দিক উন্মোচিত হয়েছে নিচের কোন উপন্যাসে?
  1. জননী
  2. সমাগম
  3. ক্রীতদাসের হাসি
  4. ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী
সঠিক উত্তর:
ক্রীতদাসের হাসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রীতদাসের হাসি
ব্যাখ্যা

• 'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাস:
- শওকত ওসমানের কালোতীর্ণ উপন্যাস ক্রীতদাসের হাসি। এটি একটি প্রতিকাশ্রয়ী উপন্যাস।
- ক্রীতদাসের হাসিতে রাজনৈতিক জীবনের কিছু অন্ধকার দিক উন্মোচিত হয়েছে। প্রাচীন কাহিনী, ঘটনা ও চরিত্রের রূপকে লেখক সমকালীন রাজনীতিতে স্বৈরাচারী চরিত্র ও নিপীড়নের চিত্র তুলে ধরেছেন।
- উপন্যাসটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসে তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খানের সমালোচনা করা হয়েছিল রূপক-প্রতীকের আশ্রয়ে। 
- এখানে তাতারি বাঙালি জনতার এবং বাদশা হারুন আইয়ুব খানের প্রতীক তাতারির হাসি উপন্যাসে বাঙালির স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
- এটি শওকত ওসমানের সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস বলে স্বীকৃত । এই গ্রন্থ রচনার জন্য তাঁকে আদমজি পুরস্কার দেয়া হয় ১৯৬৬ সালে।

অন্যদিকে, 
---------------
• 'সমাগম' উপন্যাস:
 সমাগম' হলো বিখ্যাত বাংলাদেশী লেখক শওকত ওসমান রচিত একটি রূপকধর্মী ও ফ্যান্টাসি উপন্যাস, যা ১৯৬৭ সালে প্রকাশিত হয়। এবং এটি সাম্রাজ্যবাদ, যুদ্ধ ও সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়, যেখানে কালজয়ী মনীষীদের চিন্তাভাবনার মাধ্যমে এক কাল্পনিক জগতের সৃষ্টি করা হয়। 

• 'জননী' উপন্যাস: 
জননীতে সামাজিক জীবনচিত্র উন্মোচিত হয়েছে। জননীতে গ্রাম ও নগরজীবনের সংঘাতে একটি পরিবারের বিপর্যস্ত অবস্থার বিবরণ আছে

"ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী" বলতে সাধারণত বিখ্যাত সাহিত্যিক শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত ছোটগল্পের সংকলন।  

---------------------
শওকত ওসমানের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মগুলো হলো- 
• নাটক:
- তস্কর লস্কর,
- পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা,
- আমলার মামলা,
- কাঁকর মণি,
- বাগদাদের কবি।

• উপন্যাস:
- জননী (প্রথম প্রকাশিত)
- চৌরসন্ধি,
- সমাগম,
- রাজা উপাখ্যান,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- রাজসাক্ষী,
- পুরাতন খঞ্জর,
- বনি আদম ইত্যাদি।

• তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসসমূহ:
- দুই সৈনিক
- নেকড়ে অরণ্য
- জলাংগী
- জাহান্নম হইতে বিদায়।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দী (এর জন্য তিনি ১৯৯১ সালে ফিলিপস পুরস্কার পান)।
- পিঁজরাপোল,
- জন্ম যদি তব বঙ্গে (এটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৫৪.
গড়ন ভাঙিতে সই আছে কত খল।
ভাঙিয়া গড়িতে পারে সে বড় বিরল॥- পঙ্‌ক্তিদ্বয় কার রচনা?
  1. চণ্ডীদাস
  2. বিদ্যাপতি 
  3. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  4. জ্ঞানদাস 
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীদাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যা

• চণ্ডীদাস:
- বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলির আদি রচয়িতা কবি চণ্ডীদাস। তাঁর রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদাবলি যুগ যুগ ধরে বাঙালির হৃদয়কে সীমাহীন রসমাধুর্যে পরিপূর্ণ করে তুলেছে। 

- বাংলা সাহিত্যে একাধিক চণ্ডীদাস নিয়ে জটিল চণ্ডীদাস সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এর যথার্থ সমাধান নিয়ে পণ্ডিতদের মধ্যে যত মতানৈক্যই থাকুক না কেন চৈতন্য পূর্ববর্তী পদাবলির চণ্ডীদাসের বিস্ময়কর প্রতিভা সম্পর্কে কোনও মতবিরোধের অবকাশ নেই। চণ্ডীদাসের আবির্ভাবের স্থান ও কাল নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্তের এখনও অভাব রয়েছে। সম্ভবত তিনি চৌদ্দ শতকের শেষভাগে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

- চণ্ডীদাসের বিস্ময়কর প্রতিভার পরিচায়ক আশ্চর্য সুন্দর পদগুলোতে অপূর্ব ভাবতন্ময় কৃষ্ণপ্রেম- সাধিকা শ্রীরাধার যে মনোমুগ্ধকর চিত্র রূপায়িত হয়ে উঠেছে তা কয়েক শতাব্দী ধরে বাঙালির রসপিপাসু মনের পরিতৃপ্তি সাধন করে যাচ্ছে। তাঁর পদাবলির 'অনাবৃত প্রাণের নিরাভরণ আনন্দ-বেদনায় মেদুর মুহূর্তগুলো পাঠকের মনে যে প্রশান্তি, স্নিগ্ধতা ও প্রাপ্তির আনন্দঘন উপলব্ধি সৃষ্টি করে' তার মূল্য অপরিসীম।

- শিক্ষিত বাঙালি বৈষ্ণব সাহিত্যের রস ও আনন্দের সংবাদ পেয়েছে চণ্ডীদাসের পদাবলি থেকে। কবি রাধার মনের বিচিত্র অনুভূতিকে আশ্চর্য সুন্দর ভাষায় রূপদান করে বাঙালির চিরদিনের সমাদর লাভের উপযোগী করে গেছেন। তাঁর পদাবলিতে রাধাকৃষ্ণের প্রেমানুভূতির রূপকের মাধ্যমে সে ধর্মীয় চেতনা প্রকাশ পেয়েছে, তেমনি এর রূপকের বাইরে একটা সর্বজনীন ও সার্বভূমিক আবেদন বিদ্যমান।

- চন্ডীদাসের নামযুক্ত পদসমূহ দীর্ঘকাল বাংলার ঘরে ঘরে গীত হয়েছে। তিনিই বাংলা ভাষার প্রথম মানবতাবাদী কবি। তাঁর বিখ্যাত উক্তি ‘সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই’ বাঙালির দর্শনচিন্তা এবং মানবতাবোধের অপূর্ব নিদর্শন। চন্ডীদাসের নামাঙ্কিত পদের সংখ্যা ন্যূনাধিক এগারশ।

চণ্ডীদাসের কতগুলো পঙ্‌ক্তি প্রবাদের মতো-
১. কলঙ্কের ডালি মাথায় করিয়া আনল ভেজাই ঘরে। 
২. তোমার লাগিয়া কলঙ্কের হার গলায় পরিতে সুখ। 
৩. চোরের মা যেন পোয়ের লাগিয়া ফুকরি কাঁদিতে নারে।
৪. গড়ন ভাঙিতে সই আছে কত খল। ভাঙিয়া গড়িতে পারে সে বড় বিরল॥ 
৫. বিধিরে কি দিব দোষ করম আপনা। সুজনে করিনু প্রেম হইল কুজনা॥
৬. ঘর হইতে আঙিনা বিদেশ।
৭. পিরীতি আঠা ননদী কাঁটা পড়শী হৈল ফাঁসী।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম। 

৫৫.
'রাজলক্ষ্মী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. বৈকুণ্ঠের উইল
  2. চরিত্রহীন
  3. দেবদাস
  4. শ্রীকান্ত
সঠিক উত্তর:
শ্রীকান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীকান্ত
ব্যাখ্যা

• 'শ্রীকান্ত' উপন্যাস:
- 'শ্রীকান্ত' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস। তিনি এই উপন্যাসটি মোট চার খণ্ডে সমাপ্ত করেন। চারটি খণ্ড একসাথে লেখেন নি। যথাক্রমে ১৯১৭, ১৯১৮, ১৯২৭ এবং ১৯৩৩ সালে চারটি খণ্ড লেখা শেষ করেন।

- প্রথম খণ্ড মাসিক 'ভারতবর্ষে' (১৯১৬-১৭) 'শ্রীকান্তের ভ্রমণ কাহিনি নামে প্রকাশ পায়। লেখকের নাম মুদ্রিত হয় 'শ্রীশ্রীকান্ত শর্মা'। ২য় ও ৩য় খণ্ডও মাসিক 'ভারতবর্ষে' প্রকাশিত হয়। তবে ৪র্থ খণ্ড প্রকাশিত হয় 'বিচিত্র' পত্রিকায়।
- উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: শ্রীকান্ত, ইন্দ্রনাথ, রাজলক্ষ্মী।

অন্যদিকে, 
• বৈকুণ্ঠের উইল:
- 'বৈকুণ্ঠের উইল' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি লোকপ্রিয় উপন্যাস।
- ১৯১৬ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটি চলচ্চিত্রায়িত হয়, যাতে অভিনয় করেছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সন্ধ্যারাণী, সত্য ব্যানার্জি প্রমুখ।
- এ উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো- গোকুল ও বিনোদ।

• "চরিত্রহীন" উপন্যাস:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'চরিত্রহীন' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৭ সালে । প্রথা বহির্ভূত প্রেম ও নারীপুরুষের সম্পর্ক নিয়ে এটি রচিত। উপন্যাসের নামকরণ তাই চরিত্রহীন ৷ গল্পটিতে চারটি
নারী চরিত্র রয়েছে।

- প্রধান দুটি নারী চরিত্রের নাম সাবিত্রী ও কিরণময়ী ৷ ছোট দুটি নারী চরিত্রের নাম সুরবালা ও সরোজিনী ৷ সাবেক দুই চরিত্রহে (চরিত্রহীন) হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এটি সবচেয়ে আকর্ষণীয় যে
উপন্যাসের চারটি চরিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।

• 'দেবদাস' উপন্যাস:
'দেবদাস' (১৯১৭) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস।
“ভারতবর্ষ। পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয় । সামাজিক প্রতিবন্ধকতায় দেবদাস তার বাল্যপ্রণয়ী পার্বতীকে বিয়ে করতে ব্যর্থ হয়। সেই ব্যর্থতায় নিজেকে তিলে তিলে ক্ষয় করার বেদনাময় কাহিনি। এই
উপন্যাস সমস্ত ভারতবর্ষে জনপ্রিয় হয়। দেবদাস ও পার্বতী আধুনিক ভারতীয় জীবনে ব্যর্থ প্রেমিক-প্রেমিকার রূপকে পরিণত করেছে।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: দেবদাস, পার্বতী (পারু), চন্দ্রমুখী, চুনিলাল, ধর্মদাস। চলচ্চিত্রে পার্বতী

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

৫৬.
নিচের কোনটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস?
  1. পদ্মা নদীর মাঝি
  2. চাঁদের অমাবস্যা
  3. দিবারাত্রির কাব্য
  4. পথের পাঁচালী
সঠিক উত্তর:
চাঁদের অমাবস্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদের অমাবস্যা
ব্যাখ্যা

• 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত “চাঁদের অমাবস্যা” একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। 
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসে আরেফ আলী নামের একজন স্কুল মাস্টারকে অবলম্বন করে মানুষের অন্তর জীবনের জটিলতা উল্লেখ প্রসঙ্গে সামন্ত-সমাজ প্রভাবিত গ্রামীণ জীবনের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন।
- একটি অপরাধমূলক কাজের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আরেফের মনোগত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এই উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

-----------------------
• 'পদ্মা নদীর মাঝি' উপন্যাস:
- "পদ্মা নদীর মাঝি' হলো মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি সামাজিক উপন্যাস।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে । এবং বাংলা সাহিত্যের একটি ক্লাসিক হিসেবে পরিচিত।
- উপন্যাসটির প্রেক্ষাপট বাংলাদেশের পদ্মা নদীর তীরবর্তী গ্রামাঞ্চল।
- এতে দরিদ্র মানুষের জীবন সংগ্রাম, তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা, ভালোবাসা এবং বেঁচে থাকার লড়াইকে খুব গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কুবের নামে একজন মাঝি, কপিলা,মালা ও হোসেন মিয়া এবং তাদের জীবন সংগ্রাম
- ১৯৯৩ সালে এই উপন্যাস অবলম্বনে ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা গৌতম ঘোষ একটি চলচ্চিত্র তৈরি করেন।

• 'দিবারাত্রির কাব্য' উপন্যাস:
- 'দিবারাত্রির কাব্য' উপন্যাসটির লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। এটি তাঁর রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস। 
- উপন্যাসটি ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত।
- এর প্রধান চরিত্র- হেরম্ব ও আনন্দ প্রমুখ।

• 'পথের পাঁচালী' উপন্যাস:
- 'পথের পাঁচালী' বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস। 
- উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটি 'বিচিত্রা' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের পটভূমিতে আছে বাংলাদেশের গ্রাম ও তার পরিচিত মানুষের জীবন।
- এতে একটি শিশুর চৈতন্যের জাগরণ, মানুষ ও প্রকৃতির সঙ্গে তার পরিচয় বর্ণিত হয়েছে।
- উপন্যাসের তিনটি ভাগ। বল্লালী বালাই, আমআঁটির ভেঁপু, অক্রুর সংবাদ । 
- 'পথের পাঁচালী'র নায়ক বালক অপু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।

৫৭.
স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত কবিতা স্থান পেয়েছে নিচের কোন গ্রন্থে?
  1. একাত্তরের দশ মাস
  2. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
  3. মোর যাদুদের সমাধি পরে
  4. কালের ধুলোয় লেখা
সঠিক উত্তর:
মোর যাদুদের সমাধি পরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোর যাদুদের সমাধি পরে
ব্যাখ্যা

"মোর যাদুদের সমাধি পরে" কাব্যগ্রন্থ:
- "মোর যাদুদের সমাধি পরে" কবি সুফিয়া কামালের সপ্তম কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থটিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের রক্তঝরা দিনগুলোর প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং দেশপ্রেমের কবিতা স্থান পেয়েছে।

অন্যদিকে, 
'একাত্তরের দশ মাস':
- 'একাত্তরের দশ মাস' রবীন্দ্রনাথ ত্রিবেদী রচিত দিনলিপি। 
- লেখক রবীন্দ্রনাথ ত্রিবেদী তার নর্ব্যত্তিক দৃষ্টিভংগীতে নির্মোহ হয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের দিনলিপি নির্মাণ করেছেন। তার এ গ্রন্থে ১৯৭১'এর মার্চ থেকে ১৯৭২ এর ১০ই জানুয়ারী পর্যন্ত ঘটনা কালানুক্রমিক বর্ণিত ।

• 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' কাব্যনাটক:
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল রচিত মুক্তযুদ্ধের কাব্যনাটক। এটি রচিত হয়েছে ১৯৭৫ সালে।
- এটি বাঙালির মুক্তির চেতনায় উজ্জীবন মূলক নাটক।
- নাটকটিতে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ শত্রু মুক্ত হওয়ার সময়কালে একটি প্রত্যন্ত গ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় মূলত মুক্তিযোদ্ধাদের আগমনের পদধ্বনি।
- কাব্যনাট্যের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: মাতব্বর, পির সাহেব, মাতব্বরের মেয়ে, পাইক, গ্রামবাসী, তরুণদল ও মুক্তিযোদ্ধারা। 

• 'কালের ধুলোয় লেখা' আত্মস্মৃতি:
- 'কালের ধুলোয় লেখা' (২০০৪) শামসুর রাহমান রচিত একটি আত্মস্মৃতি।
- 'কালের ধুলোয় লেখা' তাঁর আত্মজীবনীতে রাজনীতি, অর্থনীতি, সাহিত্য-সংস্কৃতি শুধু নয়, বৈশ্বিক পটভূমিতে কাছ থেকে দেখা বাঙালির গণ-সংস্কৃতির ইতিহাস যেমন প্রকাশিত হয়েছে তেমনি প্রতিভাত হয়েছে তার কাব্যসত্তার ভেতর- বাহির।
- এই গ্রন্থে জীবনে ঘটেছে এমন কোনো ঘটনাকে লুকোতে চান নি তিনি। মুখোমুখি হয়েছেন বারবার।
- বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী শামসুর রাহমান অনেক অজানা ইতিহাসকে খোলসা করেছেন স্পষ্টভাবে যার মধ্য দিয়ে বিশুদ্ধ সত্যাশ্রয়ী আত্মজীবনী লেখার একটি সংস্কৃতি চালু করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; "মোর যাদুদের সমাধি পরে" কাব্যগ্রন্থ এবং 'একাত্তরের দশ মাস'। 

৫৮.
চর্যাগীতি-সংগ্রহের প্রথম কবি কে?
  1. সবরপা 
  2. লুইপা 
  3. কাহ্নপা 
  4. শবরপা 
সঠিক উত্তর:
লুইপা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুইপা 
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদের কবি:
- চর্যাগীতি-সংগ্রহের প্রথম কবি লুই। শুধু পদসংখ্যার ক্রমানুসারেই নয়, তিব্বতী ঐতিহ্যে যে ৮৪ জন সিদ্ধাচার্যের নাম পাওয়া যায় লুই তাঁদের মধ্যেও আদিতম।

- নাথ ধর্মের ঐতিহ্যেও এই সিদ্ধগণ স্বীকৃত। সেক্ষেত্রে অবশ্য আদিসিদ্ধ মীননাথ বা মৎস্যেন্দ্রনাথ। লুই শব্দটি সম্ভবত রোহিত শব্দ থেকে সৃষ্ট (রোহিত>রুইলুই), এই ব্যুৎপত্তি থেকে মীননাথের সঙ্গে লুইয়ের অর্থগত সঙ্গতি পাওয়া যায়। সুম্পা রচিত Pag samjon Zans (রচনাকাল ১৭৪৭ খ্রীঃ) -এ লুইকে শবরীপা-এর শিষ্য ও ধীবর সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মৎস্যের সঙ্গে নামের সংযোগের জন্যই বোধহয় এই সিদ্ধান্ত।

- তিব্বতী অনুবাদের মাধ্যমে লুইয়ের তিনখানা বইয়ের নাম পাওয়া যায় 'শ্রীভগবদভিসময়', 'অভিসময়বিভঙ্গ' ও 'তত্বঙ্গভাবদোহাকোষগীতিকাদৃষ্টি নাম'। প্রথম দুটি বই বিশুদ্ধ বৌদ্ধদর্শনের, তৃতীয়টি দোহা ও গানের কোষগ্রন্থ। অন্যান্য চর্যাকারদের মধ্যে কেউ কেউ গান ছাড়াও অন্য বই লিখেছেন, কিন্তু সেগুলি বৌদ্ধ তন্ত্রবিষয়ক, বিশুদ্ধ দর্শনের নয়। বাংলাদেশে যখন বৌদ্ধতন্ত্রধর্ম ব্যাপ্তি লাভ করেছিল তখন আচারের চেয়ে বিশুদ্ধ দর্শনচর্চা অনেকটা অপ্রচলিত হয়ে পড়েছিল। এদিক থেকেও বোঝা যায় যে লুই সহজিয়া বৌদ্ধধর্মের গোড়ার দিককার লোক।

উৎস: চর্যাগীতি পরিক্রমা, ড. নির্মল দাশ। 

৫৯.
সোনাবিবি ও মনিবিবি নামে দুই বিধবা মহিলা ও জমিদারের দ্বন্দ্ব কোন উপন্যাসের মূল ঘটনা?
  1. গাজী মিয়াঁর বস্তানী
  2. জমিদার দর্পণ 
  3. নীল দংশন 
  4. নীলদর্পণ 
সঠিক উত্তর:
গাজী মিয়াঁর বস্তানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজী মিয়াঁর বস্তানী
ব্যাখ্যা

'গাজী মিয়াঁর বস্তানী' আত্মজৈবনিক উপন্যাস:
• 'গাজী মিয়াঁর বস্তানী' মীর মশাররফ হোসেন রচিত আত্মজৈবনিক উপন্যাস। গাজী মিয়াঁর বস্তানীতে উদাসী বাউলের জীবনদর্শনের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।

• এটি উপন্যাস জাতীয় রস-রচনা। কর্মজীবননির্ভর আত্মজীবনীমূলক এই রচনায় ব্যঙ্গরসের উপস্থাপন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

• এর প্রথম অংশ ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়; দ্বিতীয় অংশ পুস্তকাকারে স্বতন্ত্রভাবে প্রকাশিত হয়নি, তবে মীর রচিত আত্মজীবনী আমার জীবনী-তে এর কিয়দংশ মুদ্রিত হয়। গ্রন্থের প্রচ্ছদপটে গ্রন্থকার হিসেবে মীর মশাররফ হোসেনের নাম মুদ্রিত হয়নি; স্বত্বাধিকারী হিসেবে তাঁর ছদ্মনাম ‘উদাসীন পথিক’ মুদ্রিত হয়েছে।

• এ গ্রন্থে অনেক চরিত্রের সমাবেশ-ঘটেছে, তবে কোনো একটি মূল ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাহিনি ও চরিত্র আবর্তিত বা বিবর্তিত হয়নি। মূলত লেখক ব্যাখ্যার মধ্য দিয়ে তৎকালীন সমাজের অন্যায়-অবিচার, অনাচার-দুর্নীতি, সমাজের মানুষের নৈতিক অবক্ষয় ও বর্বরোচিত আচরণ চিত্রিত করেছেন।

সোনাবিবি ও মনিবিবি নামে দুই বিধবা মহিলা ও জমিদারের দ্বন্দ্ব উপন্যাসের মূল ঘটনা। উপন্যাসের নায়ক-নায়িকা ও স্থানের নামকরণ অভিনব, যেমন- অরাজকপুর, যমদ্বার, নচ্ছারপুর, পয়জারন্নেসা, সবলোট চৌধুরী, ভেড়াকান্ত, জয়ঢাক ইত্যাদি। ভেড়াকান্ত চরিত্রে লেখকের নিজের ছায়াপাত আছে বলে গ্রন্থখানিকে আত্মজৈবনিক রচনা বলে অভিহিত করা হয়। 

• গাজী মিয়াঁর বস্তানীর বিষয় ও অঙ্গসজ্জা সম্বন্ধে মন্তব্য করতে গিয়ে অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় লিখেছেন- "গাজী মিয়ার বস্তানী একখানি বিচিত্র সমাজচিত্র, সুশোভিত, সুলিখিত উপন্যাস।"

---------------------
• 'জমিদার দর্পণ' নাটক:
- লেখক মীর মশাররফ হোসেন রচিত নাটক 'জমিদার দর্পণ'।
- নাটকটি ১৮৭২-৭৩ সালে সিরাজগঞ্জে সংঘটিত কৃষক-বিদ্রোহের পটভূমিকায় রচিত।
- অত্যাচারী ও চরিত্রহীন জমিদার হায়ওয়ান আলীর অত্যাচার এবং অধীনস্ত প্রজা আবু মোল্লার গর্ভবতী স্ত্রী নূরন্নেহারকে ধর্ষন ও হত্যার কাহিনি এর মূল ঘটনা।
- 'জমিদার দর্পণ' উনিশ শতকের কৃষক শ্রেণির জীবনধারার উপর ভিত্তি করে রচিত এঁ শতাব্দের একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম। 

“নীল দংশন' সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে ।

'নীলদর্পণ':
- দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক নীলদর্পণ। এটি বাংলা সাহিত্যে একটি বিখ্যাত নাটক।
- ১৮৬০ সালে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
- এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম এবং নাটকটি ঢাকায় প্রথম মঞ্চস্থ হয়। তাই এটিকে বাংলাদেশের নাটক বলা হয়।
- A Native ছদ্মনামে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর ইংরেজি অনুবাদ করেন।
- অনুবাদটি ১৮৬১ সালে Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror নামে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'গাজী মিয়ার বস্তানী' গ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া।

৬০.
গুণ্ডরীপা চর্যাগীতির কোন সংখ্যক গানের রচয়িতা?
  1. দুই 
  2. তিন 
  3. চার 
  4. পাঁচ 
সঠিক উত্তর:
চার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার 
ব্যাখ্যা

• 'গুণ্ডরীপা': 
- গুণ্ডরীপা চর্যাগীতির চার সংখ্যক গানের রচয়িতা। পুথিতে চর্যার শীর্ষে কবিনাম গুণ্ডরী। কিন্তু টীকায় গুড্ডরী আছে। রাজা দেবপালের রাজত্বকালে (৮০৯-৮৪১ খ্রিষ্টাব্দ) তিনি বর্তমান ছিলেন বলে জানা যায়।

- বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ মনে করেন, গুণ্ডরীপা কবির ব্যক্তিনাম নয়; বৃত্তিবাচক (মশলা গুঁড়ো করার বৃত্তি) অথবা জাতিবাচক নাম। কেউ কেউ মনে করেন, গুণ্ডরীপা বঙ্গের পশ্চিম অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন। হিন্দিভাষী পণ্ডিতদের মতে, গুণ্ডরীপ! বিহার অঞ্চলের লোক ও হিন্দি কবি।

চর্যা-৪ গুণ্ডরীপা
রাগ: অরু
১. তিয়ড়া' চাপী জোইনি দে অঙ্কবালী । কমলকুলিশ ঘাণ্টে' করহু বিআলী॥ 
২. জোইনি তঁই বিণু খনহি ন জীবমি। তো মুহ চুম্বী কমলরস পিবমিত॥
৩. খেপহুঁ জোইনি লেপন' জাই'। মণিমূলে বহিআ ওড়িআণে সমাই”॥
৪. সাসু ঘরে ঘালি কোঞ্চা তাল । চান্দসূজ” বেণি পাখা” ফাল॥
৫. ভণই গুণ্ডরী” আম্‌হে কুন্দুরে বীরা। নরঅ নারী মাঝে  উভিল" চীরা॥

উৎস: চর্যাগীতি পাঠ, ড. মাহবুবুল হক।

৬১.
ডুবোজাহাজ থেকে সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা দেখার জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
  1. দূরবীন
  2. টেলিস্কোপ 
  3. মাইক্রোস্কোপ
  4. পেরিস্কোপ
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ
ব্যাখ্যা

- ডুবোজাহাজ থেকে সমুদ্র পৃষ্ঠে দেখার জন্য পেরিস্কোপ নামক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়, যা আলো প্রতিফলিত করার জন্য আয়না বা প্রিজম ব্যবহার করে ডুবোজাহাজের নিচ থেকে জলের উপরের বস্তু দেখতে সাহায্য করে

পেরিস্কোপ: 
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি হয়। 
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুটি সমতল দর্পণ প্রয়োজন হয়। 
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখা যায় না তা আমরা দেখতে পাই। 
- পেরিস্কোপ তৈরি হয় একটি লম্বা সরু টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের (আয়না) দুটি ফালি বা স্ট্রিপ স্থাপন করে। দর্পণ দুটিকে টিউবের দেয়ালের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়। এরা পরস্পরের সাথে সমান্তরাল থাকে এবং ৯০° কোণে আলোর বিসরণ ঘটায় বা বাঁকিয়ে দেয়। 
- স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যে খেলা দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয়। 
- এছাড়াও বাঙ্কারে ওতপেতে থাকা সৈন্যরা ভূমিতে কী আছে তা দেখার এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবোজাহাজ থেকে দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৬২.
নিচের কোনটি চাষের ধরন ও বিদ্যার সঠিক জোড়া?
  1. পাখি — এপিকালচার
  2. মৎস্য — পিসিকালচার
  3. মৌমাছি — এভিকালচার
  4. রেশম — প্রণকালচার
সঠিক উত্তর:
মৎস্য — পিসিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৎস্য — পিসিকালচার
ব্যাখ্যা

- পিসিকালচার (Pisciculture) হলো বাণিজ্যিকভাবে ট্যাঙ্ক বা পুকুরে মাছ চাষ করার প্রক্রিয়া। এটি মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং খাদ্যের চাহিদা মেটাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি।

আধুনিক কৃষি ও চাষ সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি: 

• মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
• রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
• মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
• পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
• চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
• উদ্যান পালন (ফল, ফুল ও শাকসবজি চাষ) বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 
• সামুদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা

৬৩.
নিচের কোনটি পুনঃনবীকরণযোগ্য জ্বালানি উৎসের উদাহরণ?
  1. বায়োগ্যাস
  2. কয়লা 
  3. তরল পেট্রোলিয়াম
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস
ব্যাখ্যা

- বায়োগ্যাস একটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস কারণ এটি জৈব পদার্থ (যেমন- কৃষি বর্জ্য, পশুর মলমূত্র ইত্যাদি) থেকে অবায়বীয় পচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। এই জৈব পদার্থগুলো ক্রমাগত পুনরায় পূরণ করা যায়, তাই বায়োগ্যাসকে নবায়নযোগ্য শক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়।

জ্বালানি: 

- যে সব পদার্থ থেকে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর তাপশক্তি উৎপাদিত হয়, সেগুলোকে জ্বালানি বলা হয়। 
- জ্বালানিই তাপশক্তির প্রধান উৎস। 

জীবাশ্ম জ্বালানি: 
- কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ও তরল পেট্রোলিয়াম হলো জীবাশ্ম জ্বালানি। 
- এগুলো প্রায় ২০০ মিলিয়ন বছরেরও বেশি সময় ধরে মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর উচ্চ চাপ ও তাপে পরিবর্তিত হয়ে তৈরি হয়। 

বায়োমাস শক্তি: 
- সৌর শক্তি সবুজ গাছপালার সাহায্যে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বায়োমাসরূপে গাছপালার বিভিন্ন অংশে মজুদ থাকে, এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- মানুষসহ অনেক প্রাণী খাদ্য হিসেবে বায়োমাস গ্রহণ করে, এই বায়োমাস শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে জীবনের কর্মকান্ড সচল রাখে। 
- বায়োমাস হচ্ছে শক্তির একটি বহুমুখী উৎস।
- গাছ-গাছালী, জ্বালানি কাঠ, কাঠের বর্জ্য, শস্য ধানের তুষ ও কুড়া, লতা-পাতা, পশু পাখির মল, বর্জ্য ইত্যাদি জৈব পদার্থ হচ্ছে বায়োমাস শক্তির উৎস। 
- বায়োমাসের প্রধান উপাদান হচ্ছে কার্বন ও হাইড্রোজন। 
- বায়োমাস থেকে বায়োগ্যাস এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। 
- ২/৩ টি গরুর গোবর ব্যবহার করে ৪/৫ জনের একটি পরিবারের রান্না ও বাতি জ্বালানোর জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাসের উৎপাদন করা যায়। 
- বায়োগ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানি নয় কারণ এটি পুনঃনবীকরণযোগ্য জ্বালানি উৎস। 
- এটি সাম্প্রতিক জৈব পদার্থের পচন থেকে উৎপন্ন হয়, যা স্বল্প সময়ে পুনরায় উৎপাদনযোগ্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪.
এক বায়ুমণ্ডলীয় চাপের অধীনে পানির স্ফুটনাঙ্ক কত?
  1. 0° K
  2. 0° C
  3. 100° C
  4. 100° K
সঠিক উত্তর:
100° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
100° C
ব্যাখ্যা

- এক বায়ুমণ্ডলীয় চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক হলো 100° C। এই তাপমাত্রায় পানি তরল অবস্থা থেকে গ্যাসীয় বা বাষ্পীয় অবস্থায় রূপান্তরিত হতে শুরু করে। 

• গলন ও গলনাঙ্ক: 
- কোনো বস্তুর কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে গলন বলে। 
- নির্দিষ্ট চাপে যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কঠিন পদার্থ গলে তরলে রূপান্তরিত হয় তাকে ঐ পদার্থের গলনাঙ্ক বলে। 
- এক বায়ু মণ্ডলীয় চাপে বরফের গলনাংক 0°C, সমস্ত পদার্থ না গলা পর্যন্ত তাপমাত্র অপরিবর্তিত থাকে। 

বাস্পীভবন: 
- কোনো বস্তুর তরল অবস্থা থেকে গ্যাসীয় অবস্থায় রূপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে। 
- বাষ্পীভবন দু'ভাবে সংঘটিত হয়। 
(১) স্ফুটন এবং (২) স্বতঃবাষ্পীভবন বা বাষ্পায়ন। 

১। স্ফুটনাঙ্ক ও স্ফুটন: 
- তাপ প্রয়োগ করে নির্দিষ্ট চাপে যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থের দ্রুত বাষ্পীভবন ঘটানোর প্রক্রিয়াকে স্ফুটন বলে। 
- যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থের স্ফুটন সংঘটিত হয় তাকে ঐ পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক বলে। 
- এক বায়ু মণ্ডলীয় চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক 100°C । 

২। স্বতঃবাষ্পীভবন বা বাষ্পায়ন: 
- যখন তরল পরিবেশ থেকে প্রয়োজনীয় তাপ সংগ্রহ করে নিজের উপরের স্তর থেকে ধীরে ধীরে বাষ্পে পরিণত হয়, তখন এই প্রক্রিয়াকে স্বতঃবাষ্পীভবন বা বাষ্পায়ন বলা হয়। 
উদাহরণস্বরূপ- ভিজা কাপড় রোদে শুকিয়ে যাওয়া, পানি মেঝেতে শুকিয়ে বাষ্পে পরিণত হওয়া এবং কেরোসিনের বোতল খোলা রাখলে কেরোসিন বাষ্প হয়ে উড়ে যাওয়া এই প্রক্রিয়ার উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৫.
পেলভিস অঞ্চল, উরু ও পায়ে রক্ত সরবরাহ করে- 
  1. ফ্রেনিক ধমনি
  2. ইলিয়াক ধমনি
  3. সিলিয়াক ধমনি
  4. মেসেন্টেরিক ধমনি
সঠিক উত্তর:
ইলিয়াক ধমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলিয়াক ধমনি
ব্যাখ্যা

- ইলিয়াক ধমনি পেলভিস অঞ্চল, উরু এবং পা সহ নিম্নাঙ্গে রক্ত সরবরাহ করে। অন্যদিকে, ফ্রেনিক ধমনি মধ্যচ্ছদা (ডায়াফ্রাম), সিলিয়াক ধমনি পাকস্থলী ও যকৃত এবং মেসেন্টেরিক ধমনি অন্ত্রে রক্ত সরবরাহ করে। 

সাবক্লেভিয়াল ধমনি: 
- সাবক্লেভিয়াল ধমনি দেহের প্রতিপাশে ফুসফুসের উপর দিয়ে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ করে। 
- সাবক্লেভিয়াল ধমনির শাখাগুলোর কাজ হলো বিভিন্ন অঙ্গের রক্ত সরবরাহ করা। 

সাবক্লেভিয়াল ধমনি প্রধান শাখাগুলোর রক্ত সরবরাহের অঞ্চলসমূহ: 
- আন্তঃম্যামারি ধমনি: স্তনগ্রন্থি, বক্ষীয় প্রাচীর ও পেরিকার্ডিয়ামে রক্ত সরবরাহ করে। 
- থাইরোসার্ভিকাল ধমনি: থাইরয়েড গ্রন্থি, ল্যারিংক্স ও ঘাড়ের পেশিতে রক্ত সরবরাহ করে। 
- সার্ভিকাল ধমনি: অক্সিপুটের পেশিতে রক্ত সরবরাহ করে। 
- ভার্টিব্রাল ধমনি: মেরুদণ্ডের রক্ত সরবরাহ করে। 
- সিলিয়াক ধমনি: পাকস্থলী ও যকৃতে রক্ত সরবরাহ করে। 
- ফ্রেনিক ধমনি: ডায়াফ্রামে রক্ত সরবরাহ করে। 
- বৃক্কীয় ধমনি: বৃক্কে রক্ত সরবরাহ করে। 
- মেসেন্টেরিক ধমনি: অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে। 
- জনন ধমনি: গোনাডে রক্ত সরবরাহ করে। 
- ইলিয়াক ধমনি: পেলভিস অঞ্চল, উরু, পা ইত্যাদি অংশে রক্ত সরবরাহ করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬.
প্রত্যেক কম্পাঙ্কের জন্য সর্বনিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কী?
  1. ফোটন 
  2. মেসন 
  3. প্রোটন 
  4. পজিট্রন
সঠিক উত্তর:
ফোটন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফোটন 
ব্যাখ্যা

- ফোটন হলো আলো এবং অন্যান্য তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণের মৌলিক কণা বা শক্তির প্যাকেট। ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুসারে, বিকিরিত বা শোষিত শক্তির পরিমাণ বিচ্ছিন্ন এবং একটি নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের (f) জন্য শক্তির এই নির্দিষ্ট পরিমাণকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে। ফোটনের শক্তি (E) সরাসরি কম্পাঙ্কের (f) সমানুপাতিক, যা E = hf সূত্র দ্বারা প্রকাশ করা হয় (যেখানে h হলো প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক)। অর্থাৎ, একটি নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের জন্য, ফোটনই হচ্ছে সেই সর্বনিম্ন শক্তির বাহক কণিকা। 

প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব: 
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেড়িয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেজ আকারে বের হয়। 
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রং এর আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে। এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন। এই তত্ত্বের সাহায্যে কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ, ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করা যায়। 
- কিন্তু আলোর বিচ্ছুরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন, সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায় না। 

অন্যদিকে, 
- মেসন হলো এক ধরণের হ্যাড্রন কণা যা প্রধানত সবল নিউক্লীয় বলের মিথস্ক্রিয়ায় জড়িত এবং এদের শক্তি কম্পাঙ্কের উপর নির্ভরশীল নয়।
- প্রোটন একটি উপ-পারমাণবিক কণা যা পরমাণুর নিউক্লিয়াসে পাওয়া যায় এবং এর একটি নির্দিষ্ট ভর আছে। এটি শক্তির বাহক হিসেবে কাজ করে না।
- পজিট্রন হলো ইলেকট্রনের প্রতিকণা (antiparticle), এটির ইলেকট্রনের সমান ভর এবং ধনাত্মক চার্জ আছে। এটিও পদার্থের একটি গাঠনিক উপাদান (যদিও প্রতিকণা) এবং ফোটনের মতো শক্তি কোয়ান্টা (quanta) নয়। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৬৭.
পলিথিন ব্যাগ কোন মনোমার থেকে তৈরি?
  1. ফেনল
  2. মেলামাইন
  3. ভিনাইল ক্লোরাইড
  4. ইথিলিন
সঠিক উত্তর:
ইথিলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথিলিন
ব্যাখ্যা

- পলিথিন (polyethylene) হলো একটি পলিমার যা ইথিলিন (ethylene) নামক মনোমার অণুগুলোর পলিমারাইজেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। 

পলিমার (Polymer): 
- পলিমার হলো বহু ছোট মনোমার অণু একত্রে যুক্ত হয়ে গঠিত বৃহৎ অণু, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ, যেমন পলিথিন ব্যাগ, পিভিসি পাইপ, সুইচ বোর্ড, কাপড় ও রাবারে পাওয়া যায়। 
- পলিমার (Polymer) শব্দটি এসেছে দুটি গ্রিক শব্দ পলি (Poly) ও মেরোস (Meros) থেকে। পলি শব্দের অর্থ হলো অনেক (Many) এবং মেরোস শব্দের অর্থ অংশ (Part)। অর্থাৎ, অনেকগুলো ছোট অণু পরপর যুক্ত হয়ে বড় আকারের যে অণু তৈরি হয় তাকে পলিমার বলে। 
- যে ছোট অণু থেকে পলিমার তৈরি হয়, তাকে বলে মনোমার (Monomer)। 
- যে পলিথিনের ব্যাগ ব্যবহার করা হয় তা 'ইথিলিন' নামের মনোমার থেকে তৈরি এক ধরনের পলিমার। একইভাবে, পিভিসি পাইপ (PVC) হলো ভিনাইল ক্লোরাইড নামের মনোমার থেকে তৈরি পলিমার। তবে সব সময় একটি মনোমার থেকেই পলিমার তৈরি হবে এমন নয়, একের অধিক মনোমার থেকেও পলিমার তৈরি হতে পারে। 
যেমন- বৈদ্যুতিক সুইচ বোর্ড তৈরিতে ব্যবহৃত বস্তু। বৈদ্যুতিক সুইচে ব্যাকেলাইট নামের একটি পলিমার ব্যবহার করা হয়। ব্যাকেলাইট তৈরি হয় ফেনল ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থেকে। আবার, মেলামাইনের থালা-বাসন হলো মেলামাইন রেজিন নামের পলিমার, যা তৈরি হয় মেলামাইন ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থাকে। 

প্রাকৃতিক পলিমার: 
- পাট, সিল্ক, সুতি কাপড়, রাবার প্রভৃতি হচ্ছে প্রাকৃতিক পলিমার। 

কৃত্রিম পলিমার: 
- মেলামাইন, রেজিন, বাকেলাইট, পিভিসি, পলিথিন প্রভৃতি হলো কৃত্রিম পলিমার। এগুলো প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না, শিল্পকারখানায় কৃত্রিমভাবে তৈরি করতে হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৮.
শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার জনক হিসেবে কোন বিজ্ঞানীর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য?
  1. থিওফ্রাস্টাস 
  2. ক্যারোলাস লিনিয়াস
  3. অ্যারিস্টটল 
  4. গ্রেগর জোহান মেন্ডেল 
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা

- শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার জনক হিসেবে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞানী হলেন ক্যারোলাস লিনিয়াস, কারণ তিনি জীবের বৈজ্ঞানিক নামকরণের দ্বিপদ পদ্ধতি (Binomial Nomenclature) এবং একটি শ্রেণিবদ্ধ পদ্ধতি চালু করে আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তি স্থাপন করেন। 

দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি: 
- বিপুল সংখ্যক প্রাণীর গঠন ও প্রকৃতি সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জনের সঠিক উপায় হলো শ্রেণিবিন্যাস। 
- প্রাণীদেহে বিদ্যমান বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে মিল, অমিল ও পরস্পরের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। জীবজগতকে ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করার এই পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে। 
- বর্তমানে প্রয়োজনের তাগিতে জীববিজ্ঞানের একটী স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে যার নাম শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা।
- শ্রেণিবিন্যাসের ইতিহাসে অ্যাারিস্টটল, জন রে এবং ক্যারোলাস লিনিয়াসের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 
- প্রকৃতি বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াসকে শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয়। তিনিই সর্বপ্রথম প্রজাতির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেন এবং দ্বিপদ বা দুই অংশ বিশিষ্ট নামকরণ প্রথা প্রবর্তন করেন। 
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়, এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে। 
যেমন- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম- Homo Sapiens
- বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন বা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়। 

অন্যদিকে, 
- অ্যারিস্টটল প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক, যিনি জীবের শ্রেণিবিন্যাসের প্রাথমিক প্রচেষ্টা করেছিলেন এবং জীববিজ্ঞানের জনকও বলা হয়। 
- থিওফ্রাস্টাস উদ্ভিদবিজ্ঞানের জনক হিসেবে পরিচিত। 
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেল জিনতত্ত্ব বা বংশগতিবিদ্যার জনক হিসেবে পরিচিত। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৬৯.
শব্দের গতি কোন মাধ্যমে শূন্য?
  1. শূন্য 
  2. পানি 
  3. বায়ু 
  4. ইস্পাত 
সঠিক উত্তর:
শূন্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য 
ব্যাখ্যা

- শব্দ এক প্রকার তরঙ্গ যা চলার জন্য একটি মাধ্যম (কঠিন, তরল বা বায়বীয়) প্রয়োজন। শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা বা অণু থাকে না, যার ফলে শব্দ তরঙ্গ কম্পন প্রেরণের জন্য কোনো মাধ্যম পায় না। এই কারণে শূন্য মাধ্যমে শব্দের গতিবেগ শূন্য। 

শব্দ তরঙ্গ: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ, কারণ বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- শব্দ তরঙ্গ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং কম্পনের দিক এক। 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি। যেমন: ইস্পাত, লোহা ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম। যেমন: পানি। 
- বায়বীয় পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম। 
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- শব্দের তীব্রতা অন্যান্য তরঙ্গের মতো তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হবে এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭০.
বায়োইনফরমেটিক্সের প্রথম বড় সাফল্য কোনটি?
  1. ডিএনএ ক্লোনিং
  2. ক্যান্সার নিরাময়
  3. প্রোটিন সংশ্লেষণ 
  4. মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং
সঠিক উত্তর:
মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং
ব্যাখ্যা

- মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং বায়োইনফরমেটিক্সের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়। হিউম্যান জিনোম প্রজেক্ট (HGP) ছিল একটি বিশাল আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা, যা জীববিজ্ঞানের বিশাল পরিমাণ ডেটা তৈরি করেছিল, এবং এই ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ, এবং সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করার জন্যই বায়োইনফরমেটিক্স প্রযুক্তির প্রয়োজন বিশেষভাবে অনুভূত হয় এবং এর ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয় 

বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics): 

- বায়োইনফরমেটিক্স একটি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় শাখা, যা জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার সায়েন্স, ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত এবং পরিসংখ্যানের সমন্বয়ে গঠিত। এটির উদ্দেশ্য হলো বিশাল পরিমাণ জীববৈজ্ঞানিক ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করা।
- বায়োইনফরমেটিক্সের প্রথম বড় সাফল্য ছিলো মানব জিনোম সিকোয়েন্সিং, যা ১৩ বছর পর অনলাইনে প্রকাশিত হয় এবং বৈজ্ঞানিক সম্প্রদায়ের জন্য সহজলভ্য হয়। এই শাখাটি ক্যান্সার গবেষণা এবং প্রোটিন গঠন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ কাজেও অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে, বায়োইনফরমেটিক্স ব্যক্তিগত চিকিৎসা ও ওষুধের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
- সাধারণত নিচের চারটি ভিন্ন ভিন্ন শাখার উপাদান ও কৌশলের সমন্বয়ে বায়োইনফরমেটিক্স পদ্ধতি কাজ করে থাকে। 
যেমন- 
১. আণবিক জীববিদ্যা ও মেডিসিন: ডেটা উৎস বিশ্লেষণের কাজ করে। 
২. ডেটাবেজ: নিরাপদ ডেটা সংরক্ষণ ও ডেটা রিট্রিভ (Retrive) করা। 
৩. প্রোগ্রাম: উপাত্ত বিশ্লেষণ অ্যালগরিদম যার মাধ্যমে বায়োইনফরমেটিক্স কঠোরভাবে সুনির্দিষ্ট করা হয়। 
৪. গণিত ও পরিসংখ্যান: এর সাহায্যে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়। 

বায়োইনফরমেটিক্সের ব্যবহার: 
- মূলত জৈবিক পদ্ধতি বিশ্লেষণ সম্পর্কে সম্যক এবং সঠিক ধারণা অর্জন করার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হয়। আর এই জৈবিক তথ্য হিসাব-নিকাশ এবং এ সম্পর্কিত যাবতীয় সমস্যার সমাধানে কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহারও অপরিহার্য। 
- তবে জিনোম সিকোয়েন্স, প্রোটিন সিকোয়েন্স ইত্যাদি গঠন উপাদানের ইলেকট্রনিক ডেটাবেজ গঠনে কম্পিউটার প্রযুক্তি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।এছাড়াও মলিকুলার মেডিসিন, জিনথেরাপি, ওষুধ তৈরিতে, বর্জ্য পরিষ্কারকরণে, জলবায়ু পরিবর্তন গবেষণায়, বিকল্প শক্তির উৎস সন্ধানে, জীবাণু অস্ত্র তৈরিতে, ডিএনএ ম্যাপিং ও অ্যানালাইসিস, জিন ফাইন্ডিং, প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া পর্যবেক্ষণে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৭১.
নিয়ত বায়ু নিচের কোন শর্ত মেনে প্রবাহিত হয়?
  1. স্থলভাগ থেকে সমুদ্রের দিকে
  2. সমুদ্র থেকে স্থলভাগের দিকে
  3. উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে
  4. নিম্নচাপ থেকে উচ্চচাপ অঞ্চলের দিকে
সঠিক উত্তর:
উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে
ব্যাখ্যা

- বায়ুর ধর্মই হলো উচ্চচাপ এলাকা থেকে নিম্নচাপ এলাকার দিকে প্রবাহিত হওয়া। নিয়ত বায়ু পৃথিবীর স্থায়ী উচ্চচাপ বলয়গুলো থেকে স্থায়ী নিম্নচাপ বলয়গুলোর দিকে সারা বছর ধরে নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হয়। বায়ুচাপের এই পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের প্রধান কারণ। 

বায়ুপ্রবাহ: 

- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা- নিয়ত বায়ু, সাময়িক বায়ু, স্থানীয় বায়ু ও অনিয়মিত বায়ু। 

নিয়ত বায়ু: 
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে। 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণে কোন তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়?
  1. আয়োডিন-131
  2. ফসফরাস-32
  3. কার্বন-14 
  4. কোবাল্ট-60
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস-32
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস-32
ব্যাখ্যা

- তেজস্ক্রিয় ফসফরাস-32 (P-32) ব্যবহার করে উদ্ভিদের মূল থেকে বিভিন্ন অংশে খাদ্যবস্তু পৌঁছানোর কৌশল এবং উদ্ভিদের পুষ্টি গ্রহণ ও বৃদ্ধির প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা যায়। 

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: 

- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সব শাখায় তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
যেমন- 
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণে ফসফরাস-৩২ (32P) তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় ফসফরাস (P-32, C-14, DNA, RNA) এবং কার্বন ব্যবহার করে ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড এবং রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড এর গঠনের হার পর্যালোচনা করে মানুষের জীবন রহস্য সম্পর্কে অনেক তথ্য উদঘাটনে সক্ষম হয়েছে। 
- শিল্পক্ষেত্রে, পৃথিবীর বয়স নির্ধারণে C-14 আইসোটোপ, কীটপতঙ্গ দমনে, ধাতব পাতের পুরুত্ব নির্ধারণে, পাইপ লাইনের ছিদ্র অন্বেষণে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি প্রয়োগ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা হয়।

চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: 
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 (131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে। 
- শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leucaemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- প্লুটোনিয়াম-২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৩.
তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে কোন তড়িৎদ্বারের মাধ্যমে ইলেকট্রন দ্রবণ থেকে বের হয়?
  1. অ্যানোড
  2. ক্যাথোড
  3. অ্যানোড ও ক্যাথোড দুইটিতেই
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড
ব্যাখ্যা

- তড়িৎ বিশ্লেষণ (electrolysis) প্রক্রিয়ায় অ্যানোড একটি ধনাত্মক তড়িৎদ্বার (positive electrode), যেখানে ঋণাত্মক আয়ন বা অ্যানায়নগুলো এসে ইলেকট্রন ত্যাগ করে জারিত হয়। এই ত্যাগের মাধ্যমে ইলেকট্রনগুলো দ্রবণ থেকে বেরিয়ে বাহ্যিক সার্কিটে প্রবেশ করে।অন্যদিকে, ক্যাথোড একটি ঋণাত্মক তড়িৎদ্বার (negative electrode), যেখানে ধনাত্মক আয়ন বা ক্যাটায়নগুলো এসে ইলেকট্রন গ্রহণ করে বিজারিত হয়। বাহ্যিক সার্কিট থেকে ইলেকট্রন ক্যাথোডে প্রবেশ করে। 

তড়িৎদ্বার: 
- তড়িৎ বিশ্লেষণে দুটি ধাতব পরিবাহী বা গ্রাফাইট দন্ড ব্যবহৃত হয়, যা তড়িৎদ্বার হিসেবে কাজ করে। একটির মাধ্যমে ইলেকট্রন কোষে প্রবেশ করে, অন্যটির মাধ্যমে বের হয়ে যায়। 
- তড়িৎদ্বার ইলেকট্রনিক পরিবাহী ও ইলেকট্রোলাইট পরিবহীর মধ্যে তড়িৎ প্রবাহের যোগসূত্র স্থাপন করে এবং কোষের বর্তনী পূর্ণ করে। 
- একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষ গঠনের জন্য দুটি তড়িৎদ্বারের প্রয়োজন। 
যেমন-
১। অ্যানোড তড়িৎদ্বার: 
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন দ্রবণ ছেড়ে চলে যায়, তাকে অ্যানোড তড়িৎদ্বার বা ধনাত্মক তড়িৎদ্বার বলে। 
- অ্যানোড তড়িৎদ্বারে জারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। অর্থাৎ, অ্যানোডে অ্যানায়নগুলো ইলেকট্রন ত্যাগ করে আধান মুক্ত হয়। 

২। ক্যাথোড তড়িৎদ্বার: 
- যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন ব্যাটারি থেকে দ্রবণে প্রবেশ করে, তাকে ক্যাথোড তড়িৎদ্বার বা ঋণাত্মক তড়িৎদ্বার বলে। 
- ক্যাথোড তড়িৎদ্বারে বিজারণ ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। অর্থাৎ, ক্যাথোডে ক্যাটায়নগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করে আধান মুক্ত হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪.
সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে কোনটি AI প্লাটফর্মের উদাহরণ?
  1. ফটোশপ
  2. গিটহাব কোপাইলট
  3. এক্সেল সলভার
  4.  জুম
সঠিক উত্তর:
গিটহাব কোপাইলট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিটহাব কোপাইলট
ব্যাখ্যা

• সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে AI কোপাইলট হলো এমন একটি টুল যা প্রোগ্রামারদের কোড লিখতে, সম্পাদনা করতে এবং ডিবাগ করতে সহায়তা করে। এটি সাধারণত কোডের প্রস্তাবনা দেয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফাংশন তৈরি করে এবং কোডিং প্রক্রিয়াকে দ্রুত ও সঠিক করে তোলে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে গিটহাব কোপাইলট হলো AI কোপাইলটের প্রকৃত উদাহরণ। গিটহাব কোপাইলট মেশিন লার্নিং মডেল ব্যবহার করে প্রোগ্রামারের কোডের প্রেক্ষাপট বুঝে কোডের পরবর্তী লাইন বা ফাংশন সাজেস্ট করে। অন্যদিকে ফটোশপ মূলত গ্রাফিক্স এডিটিং সফটওয়্যার, এক্সেল সলভার সংখ্যা ও ফর্মুলা সমাধানে ব্যবহৃত হয় এবং জুম হলো ভিডিও কনফারেন্সিং টুল, তাই এরা AI কোপাইলটের উদাহরণ নয়। তাই সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে সহায়ক AI প্লাটফর্মের সঠিক উদাহরণ হলো গিটহাব কোপাইলট।
 
GitHub:
- GitHub হলো একটি ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবহারকারীদের তাদের প্রোগ্রামিং কোড অনলাইনে শেয়ার, এডিট এবং সংরক্ষণ করার সুযোগ দেয়।
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারীর জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য।
- GitHub-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ভার্সন কন্ট্রোল, সোর্স কোড ম্যানেজমেন্ট, এবং রিভিশন কন্ট্রোল।
- মাইক্রোসফট জুন ২০১৮-এ GitHub $7.5 বিলিয়ন স্টক অপশন দিয়ে কিনে। কোম্পানিটির  নতুন ফাংশন যোগ, নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং ডেভেলপারদের প্ল্যাটফর্মে যোগ দিতে উৎসাহিত করে GitHub-কে আরও জনপ্রিয় করেছে।
- GitHub সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের জন্য প্রধান ভার্সন কন্ট্রোল সিস্টেম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ব্যক্তিগত ও কোম্পানির উভয় ব্যবহারকারীর দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যেমন Microsoft, Netflix, এবং Google।
- Fortune 100 কোম্পানির প্রায় ৯০% এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৫.
ক্যাশ মেমরি সাধারণত কোন মেমরি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়?
  1. ফ্ল্যাশ মেমরি
  2. ডায়নামিক র‍্যাম (DRAM)
  3. ম্যাগনেটিক স্টোরেজ
  4. স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) 
সঠিক উত্তর:
স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) 
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমরি সাধারণত স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। SRAM দ্রুততর মেমরি, কারণ এটি ডায়নামিক র‍্যামের মতো নিয়মিত রিফ্রেশ করার প্রয়োজন পড়ে না। এটি ট্রানজিস্টরের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ করে, যা দ্রুত অ্যাক্সেসের সুবিধা দেয়। ক্যাশ মেমরি প্রসেসরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং প্রায়ই ব্যবহৃত ডেটা বা নির্দেশাবলী দ্রুত সরবরাহ করে, যার ফলে প্রসেসরের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ডায়নামিক র‍্যাম (DRAM) তুলনায় সস্তা না হলেও, SRAM এর উচ্চগতির কারণে এটি ক্যাশে ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। অন্য মেমরি যেমন ফ্ল্যাশ বা ম্যাগনেটিক স্টোরেজ এই ধরনের দ্রুত অ্যাক্সেস প্রদান করতে সক্ষম নয়।
 
 • ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়। 
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৭৬.
পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফির প্রাথমিক লক্ষ্য কী?
  1. ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রসেসের গতি বৃদ্ধি করা
  2. কোয়ান্টাম কম্পিউটারের আক্রমণ থেকে তথ্য সুরক্ষিত রাখা
  3. সকল প্রচলিত ক্রিপ্টোগ্রাফি অবিলম্বে প্রতিস্থাপন করা
  4. এনক্রিপশন অ্যালগরিদমগুলিকে সরলীকৃত করা
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম কম্পিউটারের আক্রমণ থেকে তথ্য সুরক্ষিত রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম কম্পিউটারের আক্রমণ থেকে তথ্য সুরক্ষিত রাখা
ব্যাখ্যা

• পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফির প্রাথমিক লক্ষ্য হলো কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ক্ষমতা থেকে তথ্যকে সুরক্ষিত রাখা। কোয়ান্টাম কম্পিউটার প্রচলিত ক্রিপ্টোগ্রাফি, যেমন RSA বা ECC, সহজেই ভেঙে দিতে পারে কারণ এগুলো বড় সংখ্যা গুণফল বা লগারিদমিক সমস্যা সমাধান করার উপর নির্ভর করে। পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি এমন অ্যালগরিদম তৈরি করে যা কোয়ান্টাম কম্পিউটারও ভাঙতে পারবে না। এটি ডেটা নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা রক্ষা করতে সাহায্য করে, বিশেষ করে ভবিষ্যতে যখন কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহারযোগ্য হবে। অন্য কোনো উদ্দেশ্য যেমন গতি বৃদ্ধি বা প্রচলিত অ্যালগরিদম সরলীকরণ এই প্রযুক্তির প্রধান লক্ষ্য নয়।

 • পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি (Post-Quantum Cryptography):
- পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফির মূল লক্ষ্য হলো এমন এনক্রিপশন অ্যালগরিদম তৈরি করা যা ভবিষ্যতের কোয়ান্টাম কম্পিউটার দ্বারা ভাঙা সম্ভব নয়।
- বর্তমান ক্রিপ্টোগ্রাফিক অ্যালগরিদম যেমন RSA, ECC ইত্যাদি কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে খুব দ্রুত ভাঙা যেতে পারে।
- পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি নিশ্চিত করে যে তথ্য এবং যোগাযোগ সুরক্ষিত থাকবে এমন ভবিষ্যতে, যেখানে কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হবে।
- এটি প্রচলিত অ্যালগরিদমগুলিকে অবিলম্বে প্রতিস্থাপন করার জন্য নয়, বরং ধাপে ধাপে নতুন নিরাপদ অ্যালগরিদমে রূপান্তর ঘটানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি মূলত তথ্য নিরাপত্তা বাড়াতে এবং এনক্রিপশন অ্যালগরিদম সরলীকরণের জন্য নয়।

সূত্র: cloudflare. [link]

৭৭.
কোন প্রোগ্রামিং ভাষা মূলত ক্লায়েন্ট-সাইড ওয়েব ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয়?
  1. Java
  2. JavaScript 
  3. C
  4. Python
সঠিক উত্তর:
JavaScript 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
JavaScript 
ব্যাখ্যা

• ওয়েব ডেভেলপমেন্টে মূলত ক্লায়েন্ট-সাইড প্রোগ্রামিংয়ের জন্য JavaScript ব্যবহার করা হয়। ক্লায়েন্ট-সাইড মানে হলো ব্রাউজারের মধ্যে সরাসরি কোড চালানো হয়, যা ওয়েবপেজের ইন্টারেকটিভ ফাংশনালিটি তৈরি করে। উদাহরণস্বরূপ, বোতামে ক্লিক করলে কিছু পরিবর্তন ঘটানো, ফর্ম ভ্যালিডেশন, এনিমেশন, বা ডায়নামিক কন্টেন্ট দেখানো- এসকল কাজ JavaScript দিয়ে করা হয়। অন্যদিকে Java, C, এবং Python সাধারণত সার্ভার-সাইড বা সাধারণ সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়। JavaScript-এর জনপ্রিয়তা তার সহজতা, ব্রাউজার কম্প্যাটিবিলিটি, এবং বিভিন্ন লাইব্রেরি ও ফ্রেমওয়ার্ক (যেমন React, Angular, Vue) সমর্থনের কারণে অনেক বেশি। তাই ক্লায়েন্ট-সাইড ওয়েব ডেভেলপমেন্টের জন্য সঠিক উত্তর হলো JavaScript.

- সঠিক উত্তর: খ) JavaScript.
 
• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।

• বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language

• ক্লায়েন্ট-সাইড ওয়েব ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা:
- ক্লায়েন্ট-সাইড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বলতে বোঝায় সেই প্রক্রিয়াকে যেখানে ব্যবহারকারীর ব্রাউজারে সরাসরি কোড চলে।  
- এটি সাধারণত ওয়েব পেজের ইন্টারঅ্যাকশন, ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট এবং ডাইনামিক কনটেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়।  
- ক্লায়েন্ট-সাইডে কোড রান করার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা ভাষা JavaScript।  
- Java, C বা Python সাধারণত সার্ভার-সাইড, অ্যাপ্লিকেশন বা ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।  
- ব্রাউজার সরাসরি Java বা C কোড রান করতে পারে না।  

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৭৮.
ক্রায়োসার্জারির ভিত্তিমূলক ধারণা কী?
  1. কোষ ধ্বংস করতে টিস্যু হিমায়িত করা 
  2. কোষ ধ্বংস করতে টিস্যু উত্তপ্ত করা
  3. কোষ নষ্টের জন্য রেডিয়েশন ব্যবহার করা
  4. টিস্যু দ্রবীভূত করতে রাসায়নিক ব্যবহার করা
সঠিক উত্তর:
কোষ ধ্বংস করতে টিস্যু হিমায়িত করা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোষ ধ্বংস করতে টিস্যু হিমায়িত করা 
ব্যাখ্যা

• ক্রায়োসার্জারির ভিত্তিমূলক ধারণা হলো টিস্যু বা অঙ্গের অনিয়ন্ত্রিত কোষ ধ্বংস করার জন্য অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রা ব্যবহার করা। এই প্রক্রিয়ায় লিকুইফায়েড নাইট্রোজেন বা অন্যান্য শীতল এজেন্ট দিয়ে লক্ষ্যস্থলকে দ্রুত হিমায়িত করা হয়, যার ফলে কোষের ভেতরের জল জমে ক্রিস্টাল আকারে রূপান্তরিত হয় এবং কোষের ঝিল্লি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে কোষ ধ্বংস হয়। এটি সাধারণত ত্বক, ক্যান্সারযুক্ত কোষ বা ছোট ক্ষত নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। ক্রায়োসার্জারি উচ্চ তাপ বা রাসায়নিক ব্যবহার না করে, শুধুমাত্র ঠান্ডা প্রয়োগের মাধ্যমে নির্দিষ্ট টিস্যুতে কার্যকর হয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ক) কোষ ধ্বংস করতে টিস্যু হিমায়িত করা।
 
• ক্রায়োসার্জারি:
- যে পদ্ধটিতে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয় তাকে ক্রায়োসার্জারি বলে।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- পাইলস, চর্মরোগ, লিভার ক্যান্সার ইত্যাদি চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭৯.
নিম্নলিখিতগুলির মধ্যে কোনটি CLI (কমান্ড-লাইন ইন্টারফেস)-এর তুলনায় GUI-এর প্রধান সুবিধা?
  1. কোনো হার্ডওয়্যার প্রয়োজন নেই
  2. বিশেষজ্ঞরা দ্রুত কমান্ড চালাতে পারে
  3. কম মেমোরি ব্যবহার করে
  4. নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ
সঠিক উত্তর:
নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ
ব্যাখ্যা

• GUI (Graphical User Interface) বা গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেসের প্রধান সুবিধা হলো এটি নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ এবং বোধগম্য। CLI (Command-Line Interface)–তে ব্যবহারকারীদের কমান্ড লিখতে হয়, যা অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীদের জন্য দ্রুত এবং কার্যকর হলেও নতুনদের জন্য জটিল ও বিভ্রান্তিকর হতে পারে। GUI-তে আইকন, বাটন, মেনু ও অন্যান্য ভিজ্যুয়াল উপাদান থাকে, যা ব্যবহারকারীদের সহজে অপারেশন করতে সাহায্য করে। ফলে, কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই ব্যবহারকারীরা প্রোগ্রাম চালানো, ফাইল ম্যানেজ করা বা সফটওয়্যার সেটিংস পরিবর্তন করা শিখতে পারে। তাই নতুনদের জন্য ব্যবহারবান্ধবতা GUI-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা।

- সঠিক উত্তর: ঘ) নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ।
 
• অপারেটিং সিস্টেম:
কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text Based Operating System),
২। চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Graphics Based Operating System).

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।

• GUI:
- GUI এর পূর্ণরূপ হলো Graphical User Interface.
- GUI হলো অপারেটিং সিস্টেমের কমান্ড প্রদানের একটি ধরন বা পদ্ধতি যেখানে কমান্ড প্রদানের জন্যে চিত্র ব্যবহার করা হয়।
- এটি একটি ব্যবহারকারীর চিত্রভিত্তিক ইন্টারফেস।
- GUI হল এমন এক ধরনের পদ্ধতি যা ব্যবহারকারীকে ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রের সাথে পারস্পরিক ক্রিয়া বা মিথস্ক্রিয়া করার সুযোগ দেয় চিত্রের মাধ্যমে।
- চিত্রগুলো আইকন এবং দৃশ্যমান নির্দেশক যেমন গৌণ সংকেত হতে পারে, যা লেখা ভিত্তিক পদ্ধতির ঠিক উলটো।
- এটির প্রচলন করা হয় কমান্ড লাইন পদ্ধতির বিপুল কমান্ড মুখস্থ রাখার কষ্টের কথা বিবেচনা করে, যেখানে কিবোর্ডের মাধ্যমে নির্দেশগুলো লিখে দিতে হত।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮০.
একটি সুপারকম্পিউটারের কর্মক্ষমতার জন্য কোন উপাদানটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
  1. অপারেটিং সিস্টেমের থিম
  2. কীবোর্ডের লেআউট
  3. প্রসেসরের গতি ও কোর সংখ্যা 
  4. মনিটরের আকার
সঠিক উত্তর:
প্রসেসরের গতি ও কোর সংখ্যা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসেসরের গতি ও কোর সংখ্যা 
ব্যাখ্যা

• সুপারকম্পিউটারের কর্মক্ষমতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো প্রসেসরের গতি ও কোর সংখ্যা। প্রসেসর বা সিপিইউ হল কম্পিউটারের মস্তিষ্ক, যা সকল গণনা ও নির্দেশাবলী সম্পাদন করে। যত বেশি কোর থাকবে এবং গতি দ্রুত হবে, সুপারকম্পিউটার তত দ্রুত এবং বড় পরিমাণের তথ্য প্রক্রিয়া করতে পারবে। অপারেটিং সিস্টেমের থিম, কীবোর্ডের লেআউট বা মনিটরের আকার কেবল ব্যবহারকারীর সুবিধা বা ইন্টারফেসকে প্রভাবিত করে, কিন্তু কর্মক্ষমতায় তাদের প্রভাব নেই। তাই গণনা ও তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রসেসরের শক্তি ও দক্ষতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সুপারকম্পিউটার যত শক্তিশালী হবে, জটিল বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত কাজ তত দ্রুত করা সম্ভব।

- সঠিক উত্তর: গ) প্রসেসরের গতি ও কোর সংখ্যা। 

• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- আবার এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY - XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ।
- যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত সামিট (Summit) অন্যতম একটি শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার। এই কম্পিউটারে ৯,২১৬টি ২২ কোরের IBM মাইক্রোপ্রসেসর আছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৮১.
(531.24)8 কে হেক্সে কনভার্ট করলে মান কত হয়?
  1. 159.50
  2. 169.50
  3. 180.30
  4. 120.70
সঠিক উত্তর:
159.50
উত্তর
সঠিক উত্তর:
159.50
ব্যাখ্যা

• (531.24)8 কে হেক্সাডেসিমেলে প্রকাশ করলে 159.50 হবে। 
- হেক্স বা হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) হলো একটি সংখ্যা পদ্ধতি যা ১৬ ভিত্তি (base-16) ব্যবহার করে। এটি দশমিক (decimal) বা বাইনারি (binary) এর মতোই সংখ্যা প্রকাশের একটি পদ্ধতি, তবে এখানে ১৬টি ভিন্ন সংখ্যা থাকে:

0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 → সাধারণ সংখ্যা
A, B, C, D, E, F → দশমিক ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত মানের জন্য

- বৈশিষ্ট্য:
- সংক্ষিপ্ত: বড় বাইনারি সংখ্যাকে সহজে ছোট হেক্স সংখ্যায় প্রকাশ করা যায়।
- কম্পিউটার ব্যবহার: কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রোগ্রামিংয়ে, যেমন রঙের কোড, মেমোরি এড্রেস ইত্যাদিতে হেক্স বহুল ব্যবহৃত।
- সহজ রূপান্তর: প্রতিটি হেক্স সংখ্যা ঠিক ৪ বিট বাইনারির সমান, তাই বাইনারি ↔ হেক্স রূপান্তর খুব সহজ।

- উদাহরণ:
বাইনারি: 1010 → হেক্স: A
বাইনারি: 1111 → হেক্স: F
- হেক্স ব্যবহার করে কম্পিউটার ডেটা আরও পড়তে সহজ ও সংক্ষিপ্ত হয়।

 • অক্ট্যাল থেকে হেক্সাডেসিমেল রূপান্তর:
- অক্ট্যাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে অক্ট্যাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে ৩ বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অত:পর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে ৪ বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান বসালে উক্ত অক্টাল সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল মান পাওয়া যাবে।


উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮২.
নিম্নলিখিত কোনটি IIoT-এর কার্যকর উদাহরণ?
  1. কারখানার সেন্সর যা যন্ত্রের ব্যর্থতা পূর্বাভাস দেয়
  2. বাড়ির স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট
  3. স্মার্টফোন যা আপনার পদক্ষেপ ট্র্যাক করে
  4. একটি ফিটনেস অ্যাপ যা ক্যালোরি বার্ন দেখায়
সঠিক উত্তর:
কারখানার সেন্সর যা যন্ত্রের ব্যর্থতা পূর্বাভাস দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারখানার সেন্সর যা যন্ত্রের ব্যর্থতা পূর্বাভাস দেয়
ব্যাখ্যা

• “কারখানার সেন্সর যা যন্ত্রের ব্যর্থতা পূর্বাভাস দেয়” (ক) হলো IIoT-এর কার্যকর উদাহরণ। IIoT বা Industrial Internet of Things মূলত শিল্প ও উৎপাদন ক্ষেত্রে সংযুক্ত সেন্সর, যন্ত্র ও ডিভাইসের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণকে বোঝায়। এই সেন্সরগুলি যন্ত্রপাতির অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে, সমস্যা বা ব্যর্থতার আগাম সতর্কবার্তা দেয় এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ার দক্ষতা বাড়ায়। অন্যদিকে, বাড়ির স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট, স্মার্টফোন বা ফিটনেস অ্যাপ ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য এবং শিল্প উৎপাদনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। সুতরাং, ক) অপশনটি IIoT-এর প্রকৃত উদাহরণ।

• ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।

• IoT এর উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট)।
- ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার)।
- শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।

• IIoT-এর কার্যকর উদাহরণ (Industrial Internet of Things):
- IIoT হলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিস্টেমে সংযুক্ত সেন্সর, যন্ত্রপাতি ও ডিভাইস ব্যবহার করে ডেটা সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণ করার প্রক্রিয়া।  
- এর মাধ্যমে উৎপাদন প্রক্রিয়া উন্নত করা, যন্ত্রের ব্যর্থতা পূর্বাভাস দেওয়া, এবং অপারেশনাল কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা যায়।  
- এটি মূলত শিল্প ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেমন- ফ্যাক্টরি, উৎপাদন ইউনিট, বা বড় যন্ত্রপাতি পরিচালনার জন্য।  
- উদাহরণস্বরূপ, একটি কারখানার সেন্সর যা যন্ত্রের ব্যর্থতা পূর্বাভাস দেয়, এটি IIoT-এর সঠিক উদাহরণ।  
- অন্যদিকে, বাড়ির স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট, স্মার্টফোনের স্টেপ কাউন্টার, বা ফিটনেস অ্যাপ সাধারণ IoT বা পার্সোনাল ডিভাইসের উদাহরণ, IIoT নয়।  

উৎস: ব্রিটানিকা

৮৩.
IEEE 802.16 সাধারণত কোন প্রযুক্তি হিসেবে পরিচিত?
  1. LTE
  2. Bluetooth
  3. Wi-Fi
  4. WiMAX
সঠিক উত্তর:
WiMAX
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WiMAX
ব্যাখ্যা

• IEEE 802.16 সাধারণত WiMAX প্রযুক্তি হিসেবে পরিচিত। এটি একটি ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস মানদণ্ড যা দূরত্বের মধ্যে উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে। WiMAX দীর্ঘ-দূরত্বের ওয়ারলেস নেটওয়ার্ককে সমর্থন করে, যা শহর বা গ্রামীণ এলাকাতেও দ্রুত ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে সক্ষম। এটি ওয়াই-ফাই-এর চেয়ে অনেক বেশি দূরত্বে কাজ করতে পারে এবং বিভিন্ন ধরণের ডিভাইস যেমন কম্পিউটার, মোবাইল ফোন বা রাউটারকে কানেক্ট করতে সাহায্য করে। WiMAX-এর লক্ষ্য ছিল উচ্চ ব্যান্ডউইথ এবং নির্ভরযোগ্য কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করা, বিশেষ করে যেখানে তারযুক্ত সংযোগ কঠিন বা ব্যয়বহুল। তাই IEEE 802.16 মানটি WiMAX-এর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

- সঠিক উত্তর: ঘ) WiMAX.

• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX):
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- এটি এমন এক যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগোলিক অঞ্চলে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে। 
- এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- স্পীড প্রায় 1000 Mbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর Frequency প্রায় 2-66 GHz পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE standard হচ্ছে IEEE 802.16

এছাড়াও,
- Wi-fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.15

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৮৪.
নেটওয়ার্কিং-এ একটি অ্যাকটিভ হাবের মূল কাজ কী?
  1. ক্লাউড অ্যাপ্লিকেশন পরিচালনা করা
  2. নেটওয়ার্ক সিগন্যাল বৃদ্ধি ও ফরওয়ার্ড করা
  3. নেটওয়ার্ককে এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত করা
  4. বড় পরিমাণে তথ্য সংরক্ষণ করা
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক সিগন্যাল বৃদ্ধি ও ফরওয়ার্ড করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক সিগন্যাল বৃদ্ধি ও ফরওয়ার্ড করা
ব্যাখ্যা

• নেটওয়ার্কিং-এ একটি অ্যাকটিভ হাবের মূল কাজ হলো নেটওয়ার্ক সিগন্যাল বৃদ্ধি ও ফরওয়ার্ড করা। এটি কেবল একটি প্যাসিভ ডিভাইস নয়, বরং পাওয়া সিগন্যালকে শক্তিশালী করে এবং সংশ্লিষ্ট পোর্টে পুনঃপ্রেরণ করে। অর্থাৎ, যখন কোনো ডিভাইস হাবে ডেটা পাঠায়, তখন অ্যাকটিভ হাব সেই সিগন্যাল গ্রহণ করে, প্রয়োজনমতো তার শক্তি বাড়ায় এবং নেটওয়ার্কের অন্য সমস্ত ডিভাইসে পাঠায়। এটি নেটওয়ার্কের কাজের দক্ষতা বাড়ায় এবং ডেটা দূরত্ব বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। সাধারণ হাবের তুলনায় অ্যাকটিভ হাব দীর্ঘ দূরত্বের জন্য আরও কার্যকর, কারণ এটি সিগন্যালকে দুর্বল হওয়া থেকে রক্ষা করে। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) নেটওয়ার্ক সিগন্যাল বৃদ্ধি ও ফরওয়ার্ড করা।

হাব: 
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। 
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা। 
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়। 
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে। 
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়। 
- কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার। 
যথা- 
১। সক্রিয় হাব (Active HUB): 
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে, আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে। 
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে। 

২। নিষ্ক্রিয় হাব (Passive HUB): 
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে। 
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র। এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫.
নিচের কোনটি P2P নেটওয়ার্কের সাধারণ ব্যবহার?
  1. গান বা ভিডিওর মতো ফাইল শেয়ার করা
  2. Gmail দিয়ে ই-মেইল পাঠানো
  3. ওয়েবসাইট হোস্ট করা
  4. Microsoft Word চালানো
সঠিক উত্তর:
গান বা ভিডিওর মতো ফাইল শেয়ার করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গান বা ভিডিওর মতো ফাইল শেয়ার করা
ব্যাখ্যা

• P2P (Peer-to-Peer) নেটওয়ার্ক এমন একটি সিস্টেম যেখানে ব্যবহারকারীরা সরাসরি একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে ফাইল বা তথ্য শেয়ার করতে পারে, কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভারের ওপর নির্ভর না করে। P2P নেটওয়ার্কের সাধারণ ব্যবহার হলো বড় ফাইল, যেমন গান, ভিডিও, সফটওয়্যার ইত্যাদি শেয়ার করা। এতে প্রতিটি ব্যবহারকারী একই সময়ে ফাইল আপলোড ও ডাউনলোড করতে পারে, যা দ্রুত এবং কার্যকর হয়। অন্যদিকে Gmail দিয়ে ইমেইল পাঠানো বা ওয়েবসাইট হোস্ট করা সাধারণত সার্ভার-ভিত্তিক ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে, এবং Microsoft Word চালানো সম্পূর্ণরূপে ব্যক্তিগত ডিভাইসে হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) গান বা ভিডিওর মতো ফাইল শেয়ার করা।
 
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network),
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)।

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
- ডেডিকেটেড সার্ভার না থাকায় কম্পিউটারগুলোর কোন শ্রেণীবিন্যাস নেই।

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে। তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৬.
কোন ধরনের ম্যালওয়্যার সবচেয়ে বেশি বটনেট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. Rootkits
  2. Adware
  3. Spyware
  4. Worms
সঠিক উত্তর:
Worms
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Worms
ব্যাখ্যা

• বটনেট তৈরি করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ম্যালওয়্যার হলো Worms. Worms নিজে-নিজেই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়াতে সক্ষম, তাই ব্যবহারকারীর মধ্যস্থতা ছাড়াই এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে দ্রুত প্রবেশ করতে পারে। একবার সিস্টেমে প্রবেশ করলে Worms নেটওয়ার্কের অন্যান্য দুর্বল কম্পিউটারগুলোকে সংক্রমিত করে এবং দূর থেকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য কম্পিউটারগুলোর একটি নেটওয়ার্ক বা “বটনেট” তৈরি করতে পারে। Rootkits, Adware, এবং Spyware সাধারণত নির্দিষ্ট তথ্য চুরির জন্য বা বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা বটনেট তৈরির জন্য Worms-এর তুলনায় কার্যকর নয়। তাই, দ্রুত ছড়ানোর ক্ষমতার কারণে Worms বটনেট আক্রমণে সবচেয়ে কার্যকর।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Worms.
 
• বটনেট তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত ম্যালওয়্যার (Botnet Malware):
- বটনেট হলো একটি নেটওয়ার্ক যা হ্যাকারের নিয়ন্ত্রণাধীন কম্পিউটার বা ডিভাইস নিয়ে তৈরি হয়।
- হ্যাকার এই কম্পিউটারগুলো ব্যবহার করে স্প্যাম ইমেইল, DDoS আক্রমণ বা অন্যান্য সাইবার অপরাধ করে।
- বটনেট তৈরি করতে যে ধরনের ম্যালওয়্যার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় তা হলো ওয়ার্ম (Worms)।

• Rootkits:
- রুটকিট হলো ম্যালওয়্যারের একটি ধরনের যা সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে নিজের অস্তিত্ব লুকায়।
- এটি মূলত সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সাধারণত বটনেট তৈরিতে প্রধানভাবে ব্যবহার করা হয় না।

• Adware:
- অ্যাডওয়্যার হলো সেই ধরনের সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই বিজ্ঞাপন দেখায়।
- এটি প্রাথমিকভাবে আয়ের জন্য তৈরি হয় এবং বটনেট তৈরিতে খুব কম ব্যবহৃত হয়।

• Spyware:
- স্পাইওয়্যার হলো ম্যালওয়্যার যা ব্যবহারকারীর তথ্য গোপনে সংগ্রহ করে।
- এটি ব্যক্তিগত তথ্য চুরির জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু বড় আকারের বটনেট তৈরি করার জন্য প্রায়ই ব্যবহৃত হয় না।

• Worms:
- ওয়ার্ম হলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ানো ম্যালওয়্যার যা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্যান্য কম্পিউটারে প্রবেশ করে।
- এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে পুনরায় প্রতিলিপি করে এবং দ্রুত বড় বটনেট তৈরি করতে পারে।
- বটনেট আক্রমণে ওয়ার্ম সবচেয়ে কার্যকর এবং সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ম্যালওয়্যার।

সূত্র: kaspersky. [link]

৮৭.
বুলিয়ান লজিকে যোগ অপারেশন করার জন্য কোন ধরনের লজিক গেট ব্যবহার করা হয়?
  1. NOR gate
  2. NOT gate
  3. OR gate 
  4. AND gate
সঠিক উত্তর:
OR gate 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OR gate 
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান লজিকে যোগ অপারেশন বোঝাতে সাধারণত OR অপারেশন ব্যবহৃত হয়। OR অপারেশন দুটি বা ততোধিক ইনপুটের মধ্যে অন্তত একটি ইনপুট ‘1’ হলে আউটপুট ‘1’ দেয়। এটি ডিজিটাল লজিকে যোগের মতো কাজ করে, কারণ যদি কোনো ইনপুট সক্রিয় থাকে, আউটপুট সক্রিয় হবে। তাই OR অপারেশনকে বাস্তবায়ন করতে OR গেট ব্যবহৃত হয়। অন্য গেট যেমন AND, NOT, বা NOR ভিন্ন ধরনের লজিক ফাংশন সম্পাদন করে। AND গেট তখনই আউটপুট ‘1’ দেয় যখন সব ইনপুট ‘1’ হয়, NOT গেট ইনপুটের বিপরীত আউটপুট দেয়, আর NOR গেট OR-এর বিপরীত আউটপুট প্রদান করে। সুতরাং, যোগের জন্য সঠিক গেট হলো OR গেট।

- সঠিক উত্তর: গ) OR gate.

• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

- OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮৮.
কোনটি ডিজিটাল টুইনের প্রধান সুবিধা?
  1. বাস্তব পরীক্ষার প্রয়োজন কমায়
  2. পণ্যের ১০০% সাফল্য নিশ্চিত করে
  3. বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রয়োজন শেষ করে
  4. অযাচিত আয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করে
সঠিক উত্তর:
বাস্তব পরীক্ষার প্রয়োজন কমায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তব পরীক্ষার প্রয়োজন কমায়
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল টুইন হল বাস্তব জগতের কোনো সিস্টেম, যন্ত্র বা প্রক্রিয়ার ভার্চুয়াল বা ডিজিটাল প্রতিরূপ, যা বাস্তব সময়ের ডেটা ব্যবহার করে সিমুলেশন ও বিশ্লেষণ করতে পারে। এর প্রধান সুবিধা হলো এটি বাস্তব পরীক্ষা বা প্রোটোটাইপ তৈরি করার প্রয়োজন কমায়, কারণ ডিজিটাল টুইনের মাধ্যমে বিভিন্ন পরিস্থিতি ও শর্ত পরীক্ষা করা যায় অনলাইনে বা কম্পিউটারে, যা সময়, অর্থ এবং সম্পদ বাঁচায়। এটি পণ্যের ১০০% সাফল্য নিশ্চিত করে না, বিদ্যুৎ ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে বাদ দেয় না, এবং অযাচিত আয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করে না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) বাস্তব পরীক্ষার প্রয়োজন কমায়।
 
• ডিজিটাল টুইন (Digital Twin):
- ডিজিটাল টুইন হলো একটি ভার্চুয়াল বা ডিজিটাল মডেল যা বাস্তব জগতের কোনো বস্তু, প্রক্রিয়া বা সিস্টেমের অনুরূপ।
- এটি মূলত বাস্তব বস্তু বা প্রক্রিয়ার পারফরম্যান্স, সমস্যা এবং সম্ভাব্য পরিবর্তন পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিটাল টুইন ব্যবহার করে প্রকৃত বস্তুতে সরাসরি পরীক্ষা না করেও বিভিন্ন পরিস্থিতি সিমুলেট করা যায়।
- এটি পণ্য বা প্রক্রিয়ার উন্নতি ও সমস্যা চিহ্নিত করতে সহায়ক হয়।
- বাস্তব পরীক্ষার প্রয়োজন কমানো ডিজিটাল টুইনের একটি প্রধান সুবিধা, তবে এটি পণ্যের ১০০% সাফল্য, বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রয়োজন শেষ বা অযাচিত আয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করে না।

সূত্র: IBM. [link]

৮৯.
3x2 - 5x - 4 = 0 এর মূলদ্বয়ের যোগফল কত? 
  1. 5/3
  2. - (5/3)
  3. 2/3
  4. - (4/3)
সঠিক উত্তর:
5/3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5/3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 3x2 - 5x - 4 = 0 এর মূলদ্বয়ের যোগফল কত? 

সমাধান:
এখানে,
3x2 - 5x - 4 = 0

a = 3
b = -5
c = -4

সুতরাং, 
ax2 + bx + c = 0, 

∴ মূলদ্বয়ের যোগফল = x1 + x2 = -b/a
⇒ x1 + x2 = -(-5)/3 = 5/3

৯০.
'MARKET' শব্দটির সবগুলি বর্ণ একত্রে নিয়ে কতভাবে সাজানো যায় তা নির্ণয় করুন। 
  1. 716
  2. 722
  3. 720
  4. 726
সঠিক উত্তর:
720
উত্তর
সঠিক উত্তর:
720
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'MARKET' শব্দটির সবগুলি বর্ণ একত্রে নিয়ে কতভাবে সাজানো যায় তা নির্ণয় করুন। 

সমাধান:

প্রদত্ত শব্দ: MARKET

এর বর্ণসমূহ: M, A, R, K, E, T

এখানে মোট ৬টি বর্ণ আছে এবং সবগুলোই ভিন্ন।
n টি ভিন্ন বর্ণের বিন্যাস = n! 

∴ 6! = 6 × 5 × 4 × 3 × 2 × 1 = 720 

 MARKET শব্দটির বর্ণগুলো ৭২০ ভাবে সাজানো যায়। 
৯১.
নিচের কোনটি মূলদ সংখ্যা?
  1. √7/√63
  2. √5/√2
  3. √89
  4. 1.234325......
সঠিক উত্তর:
√7/√63
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√7/√63
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোনটি মূলদ সংখ্যা?

সমাধান:
এখানে,
√7/√63
= √(7/63)
= √(1/9)
= 1/3

∴ 1/3 = √7/√63  মূলদ সংখ্যা। 

৯২.
0.9 + 0.81 + 0.729 + ............... অসীম ধারাটির সমষ্টি কত? 
  1. 9.900
  2. 8.990
  3. 8.999
  4. 9.000
সঠিক উত্তর:
9.000
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9.000
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 0.9 + 0.81 + 0.729 + ............... অসীম ধারাটির সমষ্টি কত? 

সমাধান:
এখানে,
ধারাটি = 0.9 + 0.81 + 0.729 + ...............

এখানে, a = 0.9
r = 0.81/0.9 = 0.729/0.81 = 0.9

∴ অসীম ধারাটির সমষ্টি = S = a/(1 - r)
= 0.9/(1 - 0.9)
= 9 = 9.000

৯৩.
(১/১০) টাকায় (১/১০০) টাকা লাভ হলে, শতকরা লাভের হার কত?  
  1. ১০% 
  2. ১৫% 
  3. ২০% 
  4. ২৫% 
সঠিক উত্তর:
১০% 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০% 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (১/১০) টাকায় (১/১০০) টাকা লাভ হলে, শতকরা লাভের হার কত?  

সমাধান: 
 ১/১০ টাকায় লাভ হয় = ১/১০০ টাকা 
∴ ১ টাকায় লাভ হয় = (১/১০০)/(১/১০) = ১/১০ টাকা 
∴ ১০০ টাকায় লাভ হয় = (১০০ × ১)/১০ = ১০ টাকা 

সুতরাং, শতকরা লাভের হার ১০% 

৯৪.
বার্ষিক ১০% মুনাফায় ৪০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত?
  1. ৯৬৮ টাকা 
  2. ৫৪৮ টাকা 
  3. ৪৮৪ টাকা 
  4. ৫৩২ টাকা 
সঠিক উত্তর:
৪৮৪ টাকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮৪ টাকা 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বার্ষিক ১০% মুনাফায় ৪০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত?

সমাধান: 
এখানে,
মূলধন, P = ৪০০ টাকা
মুনাফায় হার, r = ১০% = ১০/১০০
সময়, n = ২ বছর

∴ চক্রবৃদ্ধি মূলধন, c = P(১ + r)n
= ৪০০(১ + ১০/১০০)
= ৪০০ × (১১০/১০০)
= ৪০০ × (১১/১০)
= ৪০০ × (১২১/১০০)
= ৪০০ × ১.২১ 
= ৪৮৪

∴ চক্রবৃদ্ধি মূলধন = ৪৮৪

৯৫.
নিচের কোনটি [1/(x - 7)(x - 9)] < 0 অসমতাটির সমাধান?
  1. 12
  2. - 8
  3. 17 < x < 8
  4. 7 < x < 9
সঠিক উত্তর:
7 < x < 9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7 < x < 9
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোনটি [1/(x - 7)(x - 9)] < 0 অসমতাটির সমাধান?

সমাধান:
প্রদত্ত অসমতা:
1 / (x − 7)(x − 9) < 0

যেহেতু লব 1 ধনাত্মক, তাই ভগ্নাংশটি ঋণাত্মক হবে যখন হর ঋণাত্মক হবে।
(x − 7)(x − 9) < 0

সংকটপূর্ণ মান,
x − 7 = 0 ⇒ x = 7
x − 9 = 0 ⇒ x = 9

পরিসর অনুযায়ী চিহ্ন
x < 7 → গুণফল ধনাত্মক
7 < x < 9 → গুণফল ঋণাত্মক
x > 9 → গুণফল ধনাত্মক

[উল্লেখ্য, [1/(x - 7)(x - 9)] < 0 অসমতাটি সত্য হওয়ার জন্য, লব (1) ধনাত্মক হওয়ায়, হর (x - 7)(x - 9) অবশ্যই ঋণাত্মক (< ০) হতে হবে।
একটি গুণফল তখনই ঋণাত্মক হয় যখন একটি উৎপাদক ধনাত্মক এবং অন্যটি ঋণাত্মক হয়।

যদি (x - 7) > 0 এবং (x - 9) < 0 হয়, তবে x > 7 এবং x < 9 , অর্থাৎ, 7 < x < 9

যদি (x - 7) < 0 এবং (x – 9) > 0 হয়, তবে x < 7 এবং x > 9 , যা অসম্ভব (কারণ কোনো সংখ্যা একই সাথে 9-এর চেয়ে বড় এবং 7-এর চেয়ে ছোট হতে পারে না)।]

∴ অসমতার সমাধান হলো: 7 < x < 9 
৯৬.
একটি বাক্সে 10টি নীল এবং 15টি নীল মার্বেল আছে। একটি বালক যেমন খুশি তেমন করে একটি করে পরপর দুইটি মার্বেল উঠালে মার্বেল দুইটি একই রঙের মার্বেল হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. 1/4
  2. 10/99
  3. 1/11
  4. 1/2
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

প্রশ্নে অসঙ্গতি থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

প্রশ্ন: একটি বাক্সে 10টি নীল এবং 15টি লাল মার্বেল আছে। একটি বালক যেমন খুশি তেমন করে একটি করে পরপর দুইটি মার্বেল উঠালে মার্বেল দুইটি একই রঙের মার্বেল হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
প্রদত্ত তথ্য:
নীল মার্বেল = 10
লাল মার্বেল = 15
মোট মার্বেল = 25

25 মার্বেল থেকে 2টি মার্বেল নেওয়ার সংখ্যা: 25C2 = (25 × 24) / 2 = 300

একই রঙের জোড়া
- দুটি নীল: 10C2 = (10 × 9) / 2 = 45
- দুটি লাল: 15C2 = (15 × 14) / 2 = 105

মোট একই রঙের জোড়া = 45 + 105 = 150
 
∴ মার্বেল দুইটি একই রঙের মার্বেল হওয়ার সম্ভাবনা = 150 / 300 = 1/2
৯৭.
একটি ব্যাগে ৫০ পয়সা, ২৫ পয়সা এবং ১০ পয়সার মুদ্রা ২ : ৫ : ৩ অনুপাতে রয়েছে। সবগুলো মুদ্রা মিলে একসাথে যদি ৫১০ টাকা হয়, তবে ২৫ পয়সার মুদ্রা এবং ১০ পয়সার মুদ্রার সংখ্যার সমষ্টি কত?
  1. ১৬০০টি
  2. ১২০০টি
  3. ১৮০০টি
  4. ১৪৫০টি
সঠিক উত্তর:
১৬০০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০০টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ব্যাগে ৫০ পয়সা, ২৫ পয়সা এবং ১০ পয়সার মুদ্রা ২ : ৫ : ৩ অনুপাতে রয়েছে। সবগুলো মুদ্রা মিলে একসাথে যদি ৫১০ টাকা হয়, তবে ২৫ পয়সার মুদ্রা এবং ১০ পয়সার মুদ্রার সংখ্যার সমষ্টি কত?

সমাধান:
ধরি,
৫০ পয়সার মুদ্রা = ২ক টি
২৫ পয়সার মুদ্রা = ৫ক টি
১০ পয়সার মুদ্রা = ৩ক টি

প্রশ্নমতে,
(২ক × ০.৫) + (৫ক × ০.২৫) + (৩ক × ০.১০) = ৫১০
⇒ ক + ১.২৫ক + .৩ক = ৫১০
⇒ ২.৫৫ক = ৫১০
⇒ ক = ৫১০/২.৫৫
∴ ক = ২০০

∴ ২৫ পয়সার মুদ্রা = ৫ × ২০০ = ১০০০ টি
এবং ১০ পয়সার মুদ্রা = ৩ x ২০০ = ৬০০ টি

∴ ২৫ পয়সার মুদ্রা এবং ২৫ পয়সার মুদ্রার সংখ্যার সমষ্টি = (১০০০ + ৬০০) টি = ১৬০০ টি 

৯৮.
যদি 2401 × (7-2x) = 1 হয়, তবে x এর মান কত?
  1. 1
  2. 2
  3. 4
  4. 5
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 2401 × (7 - 2x) = 1 হয়, তবে x এর মান কত?

সমাধান:
এখানে, 
2401 (7-2x) = 1 
⇒ 7-2x = 1/2401
⇒ 7-2x = 1/74
⇒ 7-2x = 7-4
⇒ -2x = -4
∴ x = 2

৯৯.
3, 4 ও 5 এই তিনটি সংখ্যার গড় ব্যবধান কোনটি?
  1. 1
  2. 3/2
  3. 2/3
  4. 3/4
সঠিক উত্তর:
2/3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2/3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 3, 4 ও 5 এই তিনটি সংখ্যার গড় ব্যবধান কোনটি?

সমাধান:
এখানে, 
3, 4 ও 5 এই তিনটি সংখ্যার গড় হচ্ছে = (3 + 4 + 5)/3
= 4

∴ 3, 4 ও 5 এই তিনটি সংখ্যার গড় ব্যবধান = {|3 - 4| + |4 - 4| + |5 - 4|}/3
= {|- 1| + |0| + |1|}/3
= {1 + 0 + 1}/3
= 2/3

১০০.
1 + x2p2 = 0 হলে, p এর মান নির্ণয় করুন। 
  1. ix, i/x
  2. ± (i/x)
  3. ± (1/x)
  4. ± ix
সঠিক উত্তর:
± (i/x)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
± (i/x)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 1 + x2p2 = 0 হলে, p এর মান নির্ণয় করুন। 

সমাধান:
এখানে, 
1 + x2p2 = 0
⇒ x2p2 = -1
⇒ p2 = -1
⇒ p2 = -(1/x2)
⇒ p = ± √[-(1/x2)]
⇒ p = ± (1/x) . √(-1)
∴ p = ± (i/x)

১০১.
log10(1/100) = ?
  1. 4
  2. 2
  3. -4
  4. -2
সঠিক উত্তর:
-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
-2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: log10(1/100) = ?

সমাধান:
log10(1/100) 
= log10(1/102
= log10(10-2
= -2 x log1010
= (-2) x 1 [যেহেতু, log1010 = 1]
= -2

১০২.
(a + x)20 এর বিস্তৃতিতে কত তম পদ মধ্যপদ?
  1. 9
  2. 10
  3. 11
  4. 12
সঠিক উত্তর:
11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
11
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (a + x)20 এর বিস্তৃতিতে কত তম পদ মধ্যপদ?

সমাধান:
(a + x)20 এর বিস্তৃতিতে মধ্যপদ  নির্ণয় করতে হবে। 

(a + b)n হলে মোট পদের সংখ্যা = n + 1
মোট পদ = 20 + 1 = 21 টি

মধ্যপদ নির্ণয়:
যেহেতু মোট পদের সংখ্যা বিজোড়, তাই মধ্যপদ হবে:
মধ্যপদ = (n / 2) + 1 তম পদ

n এর মান বসিয়ে, 
(20 / 2) + 1 = 10 + 1 = 11 তম পদ

(a + x)20 এর বিস্তৃতিতে মধ্যপদ হলো ১১ তম পদ।
১০৩.
একটি ত্রিভুজাকৃতি মাঠের ক্ষেত্রফল ২৪০ বর্গমিটার এবং মাঠটির উচ্চতা ৩০ মিটার হলে, ভূমির দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩২ মিটার
  2. ৪৮ মিটার
  3. ১২ মিটার
  4. ১৬ মিটার
সঠিক উত্তর:
১৬ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজাকৃতি মাঠের ক্ষেত্রফল ২৪০ বর্গমিটার এবং মাঠটির উচ্চতা ৩০ মিটার হলে, ভূমির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
ত্রিভুজাকৃতি মাঠের ক্ষেত্রফল = ২৪০ বর্গমিটার
উচ্চতা = ৩০ মিটার

আমরা জানি,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা
⇒ ২৪০ = (১/২) × ভূমি × ৩০ 
⇒ ভূমি × ৩০ = ২৪০ × ২ 
⇒ ভূমি = (২৪০ × ২)/৩০ 
⇒ ভূমি =  ১৬ মিটার

∴ মাঠটির ভূমির দৈর্ঘ্য ১৬ মিটার।

১০৪.
চারটি ফুটবল খেলার ফলাফল কত উপায়ে হতে পারে?
  1. 81
  2. 4
  3. 8
  4. 96
সঠিক উত্তর:
81
উত্তর
সঠিক উত্তর:
81
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: চারটি ফুটবল খেলার ফলাফল কত উপায়ে হতে পারে?

সমাধান:
প্রদত্ত তথ্য:
প্রতিটি ফুটবল খেলার ফলাফল হতে পারে:
জয় (W),
হার (L),
ড্র (D)

প্রতিটি খেলার জন্য ৩টি ফলাফল হতে পারে 
∴ প্রতিটি খেলায় ৩টি ফলাফল হলে, চারটি খেলায়:
3 × 3 × 3 × 3 = 34 = 81

∴ চারটি ফুটবল খেলার ফলাফল 81 উপায়ে হতে পারে।

১০৫.
f(x) = |x - 3| 
এখানে, x = - 10 হলে, f(x) এর মান কত?  
  1. 13
  2. - 13
  3. - 7
  4. 7
সঠিক উত্তর:
13
উত্তর
সঠিক উত্তর:
13
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: f(x) = |x - 3| 
এখানে, x = - 10 হলে, f(x) এর মান কত?  

সমাধান:
প্রদও রাশি = f(x) = |x - 3| 

x = - 10 হলে, 
f(x) = |- 10 - 3| 
= |- 13|
= 13

১০৬.
Typist : Typewriter :: Writer : ?
  1. Book
  2. Paper
  3. Pen
  4. Script
সঠিক উত্তর:
Pen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pen
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Typist : Typewriter :: Writer : ?

সমাধান: 
এখানে প্রথম জোড়ার (Typist : Typewriter) মধ্যে সম্পর্কটি হলো ব্যক্তি এবং তার কাজ করার প্রধান যন্ত্র বা সরঞ্জাম।
একজন টাইপিস্ট তার কাজ সম্পাদন করার জন্য টাইপরাইটার ব্যবহার করেন।
 একইভাবে, একজন লেখকের (Writer) লেখার প্রধান উপকরণ বা সরঞ্জাম হলো কলম বা Pen।

১০৭.
একজন ব্যক্তির সততা, ধৈর্য, সৃজনশীলতা এবং বহির্মুখী স্বভাবকে (Extroversion) সমষ্টিগতভাবে কী বলা হয়?
  1. Cognitive abilities
  2. Personality traits
  3. Emotional intelligence
  4. Biological factors
সঠিক উত্তর:
Personality traits
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Personality traits
ব্যাখ্যা

• মনোবিজ্ঞানে Personality traits বা ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য বলতে মানুষের সেই সব স্থায়ী আচরণ ও চিন্তা করার ধরনকে বোঝায় যা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে। সততা, ধৈর্য বা সৃজনশীলতার মতো বৈশিষ্ট্যগুলো একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এগুলো ব্যক্তির জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে প্রায় অপরিবর্তিত থাকে।

- অন্যদিকে, Cognitive abilities বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা নির্দেশ করে এবং Emotional intelligence আবেগ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতাকে বোঝায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।[link]

১০৮.
নিচের প্রথম দুটি উক্তি সত্য হলে, তৃতীয় উক্তিটি কী হবে?
I. টানিয়া এরিকের চেয়ে বয়সে বড়।
II. ক্লিফ টানিয়ার চেয়ে বয়সে বড়।
III. এরিক ক্লিফের চেয়ে বয়সে বড়।
  1. সত্য
  2. মিথ্যা
  3. অনিশ্চিত
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের প্রথম দুটি উক্তি সত্য হলে, তৃতীয় উক্তিটি কী হবে?
I. তানিয়া হাসানের চেয়ে বয়সে বড়।
II. রাকিব তানিয়ার চেয়ে বয়সে বড়।
III. হাসান রাকিবের চেয়ে বয়সে বড়।

সমাধান:
১. প্রথম উক্তি অনুযায়ী: তানিয়া > হাসান 
২. দ্বিতীয় উক্তি অনুযায়ী: রাকিব > তানিয়া

- এই দুটি তথ্যকে একত্রে সাজালে আমরা পাই: রাকিব > তানিয়া > হাসান।
- এই যৌক্তিক ক্রম অনুসারে, রাকিব সবার চেয়ে বড় এবং হাসান সবার চেয়ে ছোট। সুতরাং, রাকিব অবশ্যই হাসানের চেয়ে বড় হবে। কিন্তু তৃতীয় উক্তিতে বলা হয়েছে, "হাসান রাকিবের চেয়ে বয়সে বড়", যা প্রাপ্ত তথ্যের সম্পূর্ণ বিপরীত।
- তাই তৃতীয় উক্তিটি নিশ্চিতভাবেই মিথ্যা।

১০৯.
যদি C = 6, H = 16, M = 26 এবং R = 36 হয়, তাহলে F + I + R + E =?
  1. 76
  2. 84
  3. 70
  4. 68
সঠিক উত্তর:
76
উত্তর
সঠিক উত্তর:
76
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি C = 6, H = 16, M = 26 এবং R = 36 হয়, তাহলে F + I + R + E =?

সমাধান:
ইংরেজী বর্ণমালা অনুসারে,
C এর অবস্থান 3
C = 3 × 2 = 6

H এর অবস্থান 8
H = 8 × 2 = 16

M এর অবস্থান 13
M = 13 × 2 = 26

R এর অবস্থান 18
R = 18 × 2 = 36

একইভাবে,
F = 6 × 2 = 12
I = 9 × 2 = 18
R = 18 × 2 = 36
E = 5 × 2 = 10

∴ F + I + R + E = 12 + 18 + 36 + 10 = 76

১১০.
নিচের চিত্র ম্যাট্রিক্সটি (Figure Matrix) সম্পূর্ণ করতে প্রশ্নবোধক স্থানে কোনটি বসবে?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্র ম্যাট্রিক্সটি (Figure Matrix) সম্পূর্ণ করতে প্রশ্নবোধক স্থানে কোনটি বসবে?


সমাধান:

প্রতিটি সারিতে (পাশাপাশি কলামেও) একটি বৃত্ত ও দুটি রেখাংশ বিশিষ্ট চিত্র, একটি বৃত্ত ও তিনটি রেখাংশ বিশিষ্ট চিত্র এবং একটি বৃত্ত ও চারটি রেখাংশ বিশিষ্ট চিত্র রয়েছে। ম্যাট্রিক্সের তৃতীয় সারিতে ইতিমধ্যে একটি বৃত্ত ও দুটি রেখাংশ বিশিষ্ট চিত্র এবং একটি বৃত্ত ও চারটি রেখাংশ বিশিষ্ট চিত্র বিদ্যমান। সুতরাং, প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে এমন একটি চিত্র বসবে যাতে একটি বৃত্ত এবং তিনটি রেখাংশ রয়েছে, যা বিকল্প (1) এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

১১১.
সাকিব তার বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে দক্ষিণ দিকে ১০ কিমি সাইকেল চালালো, তারপর ডানদিকে ঘুরে ৫ কিমি চালালো এবং তারপর আবার ডানদিকে ঘুরে ১০ কিমি সাইকেল চালালো। এরপর সে বামদিকে ঘুরে ১০ কিমি সাইকেল চালালো। সোজা পথে তার বাড়িতে পৌঁছাতে হলে তাকে কত কিলোমিটার সাইকেল চালাতে হবে?
  1. ১০ কিমি
  2. ১৩ কিমি
  3. ১৫ কিমি
  4. ২০ কিমি
সঠিক উত্তর:
১৫ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ কিমি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সাকিব তার বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে দক্ষিণ দিকে ১০ কিমি সাইকেল চালালো, তারপর ডানদিকে ঘুরে ৫ কিমি চালালো এবং তারপর আবার ডানদিকে ঘুরে ১০ কিমি সাইকেল চালালো। এরপর সে বামদিকে ঘুরে ১০ কিমি সাইকেল চালালো। সোজা পথে তার বাড়িতে পৌঁছাতে হলে তাকে কত কিলোমিটার সাইকেল চালাতে হবে?

সমাধান:

এখানে, AD = BC = ৫ কিমি।
এবং DE = ১০ কিমি।

বাড়ি (A) থেকে রবির বর্তমান অবস্থান (E) এর সোজা দূরত্ব:
AE = AD + DE

সুতরাং, মোট দূরত্ব = ৫ + ১০ = ১৫ কিমি।

১১২.
নিচের ধারার প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
3, 7, 23, 95, ?
  1. 299
  2. 381
  3. 479
  4. 540
সঠিক উত্তর:
479
উত্তর
সঠিক উত্তর:
479
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের ধারার প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
3, 7, 23, 95, ?

সমাধান:
প্রথম পদ = 3
দ্বিতীয় পদ = 3 × 2 +1 = 7
তৃতীয় পদ = 7 × 3 + 2 = 23
চতুর্থ পদ = 23 × 4 + 3 = 95
পঞ্চম পদ = 95 × 5 + 4 = 479

১১৩.
একটি ছেলের ছবি দেখিয়ে নাদিয়া বললো, "সে হয় আমার চাচার বাবার মেয়ের ছেলে।" ছেলেটি নাদিয়ার সম্পর্কে কী হয়?
  1. মামা
  2.  চাচা
  3. ভাতিজা
  4. ভাই
সঠিক উত্তর:
ভাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাই
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ছেলের ছবি দেখিয়ে নাদিয়া বললো, "সে হয় আমার চাচার বাবার মেয়ের ছেলে।" ছেলেটি নাদিয়ার সম্পর্কে কী হয়?

সমাধান:
নাদিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী সম্পর্কের ধাপগুলো লক্ষ্য করি:
১. নাদিয়ার চাচার বাবা = নাদিয়ার দাদা।
২. নাদিয়ার দাদার মেয়ে = নাদিয়ার ফুফু।
৩. নাদিয়ার ফুফুর ছেলে = নাদিয়ার ফুফাতো ভাই।

যেহেতু অপশনে 'ভাই' বিদ্যমান, তাই সঠিক উত্তর হবে ভাই।

১১৪.
একটি বাড়িতে 100 ওয়াটের 4টি বাল্ব এবং 80 ওয়াটের 5টি ফ্যান প্রতিদিন 6 ঘণ্টা করে চললে কত ইউনিট বিদ্যুৎ শক্তি খরচ হবে?
  1. 4.8 kWh
  2. 5.6 kWh
  3. 6.5 kWh
  4. 50 kWh
সঠিক উত্তর:
4.8 kWh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4.8 kWh
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বাড়িতে 100 ওয়াটের 4টি বাল্ব এবং 80 ওয়াটের 5টি ফ্যান প্রতিদিন 6 ঘণ্টা করে চললে কত ইউনিট বিদ্যুৎ শক্তি খরচ হবে?

সমাধান:
এখানে,
বাল্বের মোট ক্ষমতা = 100 × 4 = 400 W
ফ্যানের মোট ক্ষমতা = 80 × 5 = 400 W
মোট ক্ষমতা, P = 400 + 400 = 800 W

প্রতিদিনের সময়, t = 6 ঘণ্টা

আমরা জানি, ব্যয়িত শক্তি,
W = (P × t)/1000 kWh
= (800 × 6)/1000
= 4800/1000
= 4.8 kWh

১১৫.
'X' চিত্রের আয়নায় প্রতিবিম্ব কোনটি হবে?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'X' চিত্রের আয়নায় প্রতিবিম্ব কোনটি হবে?


সমাধান:
সঠিক উত্তর: ক) 1

১১৬.
একটি আয়তাকার পানির ট্যাংকের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ৬ : ৫ এবং গভীরতা ০.৮ মিটার। ট্যাংকে সর্বোচ্চ ৩৮৪০০০ লিটার পানি ধরে। ট্যাংকের দৈর্ঘ্য কত মিটার? 
  1. ১৮ মিটার
  2. ২০ মিটার
  3. ২৪ মিটার
  4. ৩০ মিটার
সঠিক উত্তর:
২৪ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি আয়তাকার পানির ট্যাংকের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ৬ : ৫ এবং গভীরতা ০.৮ মিটার। ট্যাংকে সর্বোচ্চ ৩৮৪০০০ লিটার পানি ধরে। ট্যাংকের দৈর্ঘ্য কত মিটার? 

সমাধান:
আমরা জানি,
১০০০ লিটার = ১ ঘনমিটার
∴ ৩৮৪০০০ লিটার = ৩৮৪ ঘনমিটার

ধরি,
দৈর্ঘ্য = ৬ক মিটার
প্রস্থ = ৫ক মিটার
এবং গভীরতা = ০.৮ মিটার (দেওয়া আছে)

আমরা জানি,
ট্যাংকের আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × গভীরতা

প্রশ্নমতে,
৬ক × ৫ক × ০.৮ = ৩৮৪
⇒ ৩০ক × ০.৮ = ৩৮৪
⇒ ২৪ক = ৩৮৪
⇒ ক = ৩৮৪/২৪ = ১৬
⇒ ক = √১৬
∴ ক = ৪

∴ দৈর্ঘ্য = ৬ক = ৬ × ৪ = ২৪ মিটার

অতএব, ট্যাংকের দৈর্ঘ্য ২৪ মিটার।

১১৭.
নিচের শব্দগুলোর সঠিক ক্রমবিন্যাস কোনটি হবে?
1. Punishment, 2. Arrest, 3. Investigation, 4. Trial, 5. Complaint
  1. 5, 1, 2, 4, 3
  2. 1, 2, 5, 4, 3
  3. 5, 3, 2, 4, 1
  4. 2, 1, 4, 5, 3
সঠিক উত্তর:
5, 3, 2, 4, 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5, 3, 2, 4, 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের শব্দগুলোর সঠিক ক্রমবিন্যাস কোনটি হবে?
1. Punishment, 2. Arrest, 3. Investigation, 4. Trial, 5. Complaint

সমাধান: 
Complaint = অভিযোগ
Investigation = তদন্ত
Arrest = গ্রেপ্তার
Trial = বিচার
Punishment = দণ্ড

সঠিক ক্রম: Complaint ⇒ Investigation ⇒ Arrest ⇒ Trial ⇒ Punishment
5 ⇒ 3 ⇒ 2 ⇒ 4 ⇒ 1

১১৮.
নিচের চিত্রে মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে?
  1. 10
  2. 13
  3. 15
  4. 17
সঠিক উত্তর:
15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রে মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে?


সমাধান:

একটি ফাঁকা ঘর নিয়ে গঠিত ত্রিভুজগুলো হলো: AFB, FEB, EBC, DEC, DFE এবং AFD — অর্থাৎ মোট 6টি।

দুটি ফাঁকা ঘর নিয়ে গঠিত ত্রিভুজগুলো হলো: AEB, FBC, DFC, ADE, DBE এবং ABD — অর্থাৎ মোট 6টি।

তিনটি ফাঁকা ঘর নিয়ে গঠিত ত্রিভুজগুলো হলো: ADC এবং ABC — অর্থাৎ মোট 2টি।

চারটি ফাঁকা ঘর নিয়ে গঠিত মাত্র একটি ত্রিভুজ রয়েছে, সেটি হলো DBC

অতএব, চিত্রটিতে মোট ত্রিভুজের সংখ্যা = 6 + 6 + 2 + 1 = 15টি।

১১৯.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. শ্রদ্ধাঞ্জলি
  2. পটিয়সী
  3. ইতঃপূর্বে
  4. প্রতিযোগিতা
সঠিক উত্তর:
পটিয়সী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটিয়সী
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?

সমাধান:
বাংলা একাডেমি অভিধান অনুসারে,
পটিয়সী বানানটি অশুদ্ধ।
শুদ্ধ বানান- পটীয়সী

অন্যদিকে,
প্রতিযোগিতা
শ্রদ্ধাঞ্জলি
ইতঃপূর্বে
বানান গুলো শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২০.
প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোনটি বসবে?
  1. M
  2. K
  3. Q
  4. O
সঠিক উত্তর:
K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
K
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোনটি বসবে?


সমাধান:
এখানে,
বাম পাশের সংখ্যা × ডান পাশের সংখ্যা = মাঝখানের তিনটি অক্ষরের অবস্থানগত মানের যোগফল।

১ম সারি: 13 × 2 = 26
এবং I(9) + N(14) + C(3) = 26

২য় সারি: 6 × 7 = 42
এবং O(15) + R(18) + I(9) = 42

৩য় সারি: 4 × 8 = 32
এবং D(4) + O(15) + M(13) = 32

৪র্থ সারি: 7 × 7 = 49
এবং S(19) + U(21) + I(9) = 49

৫ম সারি: 8 × 2 = 16
এখানে A(1) + D(4) + ? = 16
অর্থাৎ, 5 + ? = 16
∴ ? = 11

যেহেতু ইংরেজি বর্ণমালার 11তম অক্ষর হলো K, তাই প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে K বসবে।

১২১.
'পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, সরকার কতটি এলাকাকে 'পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' (ECA) হিসেবে ঘোষণা করেছে?
  1. ১৫টি
  2. ১৮টি
  3. ১৩টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা

- পরিবেশ সংরক্ষণ আইন (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুযায়ী এ পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন
এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

• বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:

- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক - বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। 
- এ পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।

• এলাকাগুলো:
- সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

১২২.
পৃথিবীর দক্ষিণতম শহর 'উশুইয়া' কোন দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ
  2. তাসমানিয়া দ্বীপ
  3. তিয়েরা দেল ফুয়েগো দ্বীপ
  4. সাউথ আইল্যান্ড 
সঠিক উত্তর:
তিয়েরা দেল ফুয়েগো দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিয়েরা দেল ফুয়েগো দ্বীপ
ব্যাখ্যা

-পৃথিবীর দক্ষিণতম শহর 'উশুয়ায়া' (Ushuaia), তিয়েরা দেল ফুয়েগো দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত।

দ্বীপপুঞ্জ:

- তিয়েরা দেল ফুয়েগো: পৃথিবীর শেষ প্রান্তের দ্বীপ।
- তিয়েরা দেল ফুয়েগো হলো দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণতম প্রান্তে অবস্থিত একটি বিশাল দ্বীপপুঞ্জ,
- যা ম্যাগেলান প্রণালী দ্বারা মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন।

• ভৌগোলিক অবস্থান ও রাজনৈতিক বিভাজন: 
- অবস্থান: এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের মিলনস্থলে অবস্থিত।
- এর দক্ষিণে বিখ্যাত 'কেপ হর্ন' (Cape Horn) অবস্থিত।
- বিভাজন: এই দ্বীপপুঞ্জটি দুটি দেশের মধ্যে বিভক্ত:

- চিলি: পশ্চিম অংশ এবং দক্ষিণ দিকের দ্বীপগুলো চিলির অন্তর্ভুক্ত।
- আর্জেন্টিনা: পূর্ব অংশটি আর্জেন্টিনার একটি প্রদেশ।
- প্রধান দ্বীপ: এর সবচেয়ে বড় দ্বীপটির নাম হলো 'ইসলা গ্রান্দে দে তিয়েরা দেল ফুয়েগো'।

গুরুত্বপূর্ণ শহর ও স্থান
- উশুয়াইয়া (Ushuaia): এটি আর্জেন্টিনার অন্তর্ভুক্ত একটি শহর, যাকে 'পৃথিবীর দক্ষিণতম শহর' বলা হয়।
- এখান থেকেই অ্যান্টার্কটিকা অভিযানের জাহাজগুলো রওনা দেয়।
- পুন্তা এরেনাস (Punta Arenas): এটি চিলির অংশে অবস্থিত এই অঞ্চলের অন্যতম বড় ও গুরুত্বপূর্ণ শহর।

উৎস: - Worldatlas.com

১২৩.
মেক্সিকো এবং কিউবাকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
  1. ডেবিস প্রণালী
  2. ফ্লোরিডা প্রণালী
  3. ইউকাটান প্রণালী
  4. হাডসন প্রণালী 
সঠিক উত্তর:
ইউকাটান প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউকাটান প্রণালী
ব্যাখ্যা

- মেক্সিকো এবং কিউবাকে পৃথক করেছে ইউক্যাটান প্রণালী (Yucatan Channel)।
- এটি মেক্সিকোর ইউক্যাটান উপদ্বীপ এবং কিউবা দ্বীপের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
- সংযুক্ত করেছে: মেক্সিকো উপসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে।
- বিশেষত্ব: এটি বিখ্যাত 'গাল্ফ স্ট্রিম' সমুদ্রস্রোতের প্রধান প্রবেশপথ।

এছাড়াও, 
- ডেভিস প্রণালী (Davis Strait)
- অবস্থান: গ্রিনল্যান্ড এবং কানাডার বাফিন দ্বীপের মাঝে অবস্থিত।
- পৃথক করেছে: গ্রিনল্যান্ড ও বাফিন দ্বীপকে।
- সংযুক্ত করেছে: উত্তরে বাফিন উপসাগর এবং দক্ষিণে ল্যাব্রাডর সাগরকে (আটলান্টিক মহাসাগরের অংশ)।

• ফ্লোরিডা প্রণালী (Straits of Florida)
- অবস্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্য এবং কিউবার মাঝে অবস্থিত।
- পৃথক করেছে: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা ও কিউবাকে।
- সংযুক্ত করেছে: মেক্সিকো উপসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে।

• হাডসন প্রণালী (Hudson Strait)
- অবস্থান: কানাডার কুইবেক প্রদেশ এবং বাফিন দ্বীপের মাঝে অবস্থিত।
- পৃথক করেছে: বাফিন দ্বীপ ও কানাডার মূল ভূখণ্ডকে (কুইবেক/ল্যাব্রাডর)।
- সংযুক্ত করেছে: পশ্চিমে হাডসন উপসাগর এবং পূর্বে ল্যাব্রাডর সাগরকে (আটলান্টিক মহাসাগর)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২৪.
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিতে 'সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি” কোথায় দেখা যায়?
  1. চলনবিল
  2. সিলেট অঞ্চলের হাওড়
  3. সুনামগঞ্জ নিচু প্লাবন ভূমি
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি।
- এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত।
- স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- হাওর এলাকা: উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জ জেলার নিচু প্লাবন ভূমি।
-  চলনবিল, মাদারিপুর বিল ও সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এসকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা- (ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও (খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভ, মি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভ, মি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি।
- এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত।
- স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- এদের মধ্যে চলনবিল, মাদারিপুর বিল ও সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১২৫.
নিচের কোনটি নদীবিহীন দেশ নয়?
  1. লিবিয়া
  2. বাহরাইন
  3. ইরাক 
  4. বাহামাস
সঠিক উত্তর:
ইরাক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক 
ব্যাখ্যা

- ইরাক নদীবিহীন দেশ নয়।

• নদী বিহীন দেশ:
- কিছু দেশ এত ছোট যে সেখানে নদী থাকার জায়গাই নেই।
- অনেক ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র, শহর-রাষ্ট্র, অথবা যে-সব দেশে শুধুমাত্র মৌসুমি পানি প্রবাহ ঘটে।
- যা প্রকৃতপক্ষে স্থায়ী নদী হিসেবে বিবেচিত হয় না।
- এই মানদণ্ড অনুযায়ী, বিশ্বে মোট ১৯টি দেশ রয়েছে যেগুলোর মধ্যে কোনো স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই।

• নদী বিহীন দেশগুলো হলো যথা:
- কোমোরোস, জিবুতি, লিবিয়া, বাহামাস, বাহরাইন, কুয়েত, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত,ইয়েমেন,মাল্টা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি,  কিরিবাটি, নাউরু,  টোঙ্গা, টুভ্যুলু।

উৎস: World Atlas. 

১২৬.
সেন্টমার্টিন দ্বীপটি বঙ্গোপসাগরের কোন মোহনার কাছাকাছি অবস্থিত?
  1. পদ্মা নদীর মোহনা
  2. নাফ নদীর মোহনা
  3. মেঘনা নদীর মোহনা
  4. কর্ণফুলী নদীর মোহনা
সঠিক উত্তর:
নাফ নদীর মোহনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাফ নদীর মোহনা
ব্যাখ্যা

- সেন্টমার্টিন দ্বীপটি বঙ্গোপসাগরের নাফ নদীর মোহনার কাছাকাছি অবস্থিত।

সেন্ট মার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপ স্থানীয়ভাবে নারিকেল জিঞ্জিরা বা দারুচিনি দ্বীপ নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের একটি অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতীক এবং দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।
- এটি পর্যটকদের জন্য একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। নিচে এর মূল তথ্যগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
- অবস্থান: বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত, কক্সবাজার-টেকনাফ উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে।
- এটি বাংলাদেশের দক্ষিণতম সীমান্তবর্তী দ্বীপ।
- আয়তন: মাত্র ৮ বর্গকিলোমিটার (কখনও কখনও ৮.৭ বর্গকিলোমিটার বলা হয়), যা জোয়ারের সময় আংশিকভাবে পানিতে ডুবে যায়।
- নামকরণের ইতিহাস: ১৮শ শতাব্দীতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক কর্মকর্তা আলেকজান্ডার মার্টিনের নামে নামকরণ করা হয়। স্থানীয়ভাবে 
- এর নাম নারিকেল জিঞ্জিরা (নারিকেলের দ্বীপ) কারণ এখানে প্রচুর নারিকেল গাছ রয়েছে।
- প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য: সাদা বালুকাময় সৈকত, নীল জল, প্রবাল প্রাচীর (কোরাল রিফ), নারিকেলের বন এবং বিভিন্ন সামুদ্রিক জীবন। এখানে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের দৃশ্য অত্যন্ত মনোরম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো পত্রিকা। 

১২৭.
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের প্রধান শক্তি যোগায় কোনটি?
  1. সমুদ্রের গভীরতা
  2. উচ্চ বায়ুচাপ
  3. উষ্ণ জলরাশি ও আর্দ্র বায়ু
  4. কোরিওলিস বল
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ জলরাশি ও আর্দ্র বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ জলরাশি ও আর্দ্র বায়ু
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের প্রধান শক্তি যোগায় বঙ্গোপসাগরের উষ্ণ জলরাশি ও আর্দ্র বায়ু, যা ঘূর্ণিঝড়কে শক্তি জোগায়।
- জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হওয়ার সময় যে সুপ্ত তাপ নির্গত হয়, তা ঘূর্ণিঝড়কে শক্তিশালী করে তোলে।
- এবং বঙ্গোপসাগরের গভীর শেলফ (wide shelf) এই প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করে তোলে, ফলে শক্তিশালী জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়।
- এই উষ্ণ জল এবং নিম্নচাপের প্রভাবে সৃষ্ট বায়ুপ্রবাহ ঘূর্ণিঝড়কে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে চালিত করে ও শক্তি বৃদ্ধি করে উপকূলের দিকে ধেয়ে আনে, যা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের কারণ হয়। 

ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস :
- বাংলাদেশে সংঘটিত প্রচন্ড শক্তিশালী এবং মারাত্মক ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় উল্লেযোগ্য।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে অর্থাৎ ঘূর্ণিঝড়ের 'চোখ'-এ নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে ।
- ফলে বাহিরের অংশ হতে উচ্চচাপ যুক্ত বায়ু প্রবল বেগে ঘড়ির কাঁটার দিকে আবর্তন করতে করতে ঝড়ের কেন্দ্রভাগে নিম্নচাপযুক্ত অঞ্চলের দিকে ধাবিত হয়।
- বাংলাদেশে আশ্বিন-কার্তিক এবং চৈত্র-বৈশাখ মাসে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপকূলভাগ ফানেল আকৃতির হওয়ার কারণে এ দেশে অধিক সংখ্যক ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। - গত তিন দশকে বাংলাদেশের উপকূলে, বিশেষত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, টেকনাফ, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, উরিরচর, চর জব্বার, চর আলেকজান্ডার প্রভৃতি স্থানে বেশ কয়েকটি বড় ধরনের ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১২৮.
বাংলাদেশের কোন জেলাটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যর সংলগ্ন নয়? 
  1. হবিগঞ্জ
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের বান্দরবান জেলাটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য সংলগ্ন অবস্থান নয়।

ভারতের রাজ্য: 

• বাংলাদেশের সংলগ্ন জেলা 
- আসাম ৪টি (কুড়িগ্রাম, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও মৌলভীবাজার)
- ত্রিপুরা ৭টি (ফেনী, কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি)
- মেঘালয়: ৪টি (নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ, শেরপুর ও জামালপুর)
- মিজোরাম: ১টি (রাঙ্গামাটি)
- অপরদিকে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের জেলা ৯টি। যথা: মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, উত্তর চব্বিশ পরগোনা, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, কুচবিহার ও দার্জিলিং।
- বাংলাদেশ সীমান্তের বিপরীতে মিয়ানমারের চিন প্রদেশের মংডু শহর অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২৯.
সাহারা মরুভূমির সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
  1. মাউন্ট এটনা
  2. মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো
  3. মাউন্ট কুসি
  4. অ্যাটলাস পর্বত
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট কুসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট কুসি
ব্যাখ্যা

- মাউন্ট কুসি (Mount Koussi) সাহারা মরুভূমির সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।
- এটি চাদে অবস্থিত একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি যা সাহারা মরুভূমির সর্বোচ্চ বিন্দু হিসেবে পরিচিত।

• সাহারা মরুভূমি:

- প্রায় ৯,২০০,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- সাহারা মরুভূমিকে বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ (গরম) মরুভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- আয়তনের দিক থেকে এটি তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি,
- শুধুমাত্র অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের মেরু মরুভূমির পরেই অবস্থান।
- এবং এটি আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩১% অংশ দখল করে রেখেছে।
- সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকার ১১টি দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত।
- এই দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, মিশর, লিবিয়া, সুদান, মরক্কো, তিউনিশিয়া, চাঁদ, মালি, নাইজার, মরিতানিয়া, পশ্চিম সাহারা।
 
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৩০.
নৈতিক অধিকার কোথায় থেকে জাগ্রত হয়?
  1. রাষ্ট্রের আইন থেকে  
  2. বিবেক এবং ন্যায়বোধ থেকে 
  3. ধর্ম থেকে
  4. সংস্কৃতি থেকে
সঠিক উত্তর:
বিবেক এবং ন্যায়বোধ থেকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবেক এবং ন্যায়বোধ থেকে 
ব্যাখ্যা

• নৈতিক অধিকার:
- নৈতিক অধিকার  জাগ্রত হয় বিবেক এবং ন্যায়বোধ থেকে।

- যেমন- দুর্বলের সাহায্য লাভের অধিকার নৈতিক অধিকার।
- এটি রাষ্ট্র কর্তৃক প্রণয়ন করা হয় না যার ফলে এর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। তাছাড়া এ অধিকার ভঙ্গকারীকে কোনো শাস্তি দেওয়া হয় না।
- নৈতিক অধিকার বিভিন্ন সমাজে বিভিন্ন রকম হতে পারে।

• অধিকারের শ্রেণিবিভাগ: 

- অধিকার প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
- নৈতিক অধিকার ও ২। আইনগত অধিকার।

• আইনগত অধিকার:
- যেসব অধিকার রাষ্ট্রের আইন কর্তৃক স্বীকৃত ও অনুমোদিত, সেগুলোকে আইনগত অধিকার বলে।
- আইনগত অধিকারকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়।
 যেমন- ক. সামাজিক খ. রাজনৈতিক ও গ. অর্থনৈতিক অধিকার।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩১.
কী অনুসরণ করলে উচ্চ মূল্যবোধের সৃষ্টি হয়?
  1. সহমর্মিতা
  2. শৃঙ্খলা
  3. সৌজন্যবোধ
  4. মানবিকতা
সঠিক উত্তর:
শৃঙ্খলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৃঙ্খলা
ব্যাখ্যা

- শৃঙ্খলা মূল্যবোধের অপরিহার্য উপাদান। শৃঙ্খলা অনুসরণ করলে উচ্চ মূল্যবোধের সৃষ্টি হয়।

• মূল্যবোধের উপাদান:

- মূল্যবোধ একটি অর্জিত বিষয়, যা কোন সমাজে দীর্ঘ সময় বসবাসের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির মাঝে গড়ে ওঠে।
- এক জন ব্যক্তির মূল্যবোধ কেমন হবে তা সমাজের পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা সমাজের বিভিন্ন উপাদানের উপর নির্ভর করে।
- এই অবস্থাগুলোই হল মূল্যবোধের ভিত্তি বা উপাদান। নিম্নে এরকম কয়েকটি উপাদান আলোচনা করা হল-

• ক. নীতিবোধ: নৈতিকতা মূল্যবোধের প্রধানতম বৈশিষ্ট্য যা নীতিবোধ থেকে সৃষ্টি হয়। কোন কাজ করতে গেলে নিজের বিবেক, নীতি ও যুক্তি প্রয়োগ করে তা করা উচিত। যৌক্তিকতা সাধারণত নীতিবোধের উপর নির্ভরশীল। কেননা নৈতিক কাজ যুক্তি বিরুদ্ধ হতে পারে না। তাই যে যত বেশি নীতিবান হবে তার মূল্যবোধ তত পরিশীলিত হবে।

• খ. শৃঙ্খলা: শৃঙ্খলা মূল্যবোধের অপরিহার্য উপাদান। শৃঙ্খলা অনুসরণ করলে উচ্চ মূল্যবোধের সৃষ্টি হয়।

• গ. সহমর্মিতা: মূল্যবোধ ও সহমর্মিতা নিবিড়ভাবে জড়িত। সহমর্মিতা না থাকলে কেউ সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন হতে পারে না।

• ঘ. সৌজন্যবোধ: ব্যক্তির আচার-আচরণের মধ্য দিয়েই তার মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। সৌজন্যবোধ তার একটি অংশ। আচার-ব্যবহার সৌজন্য, শালীনতা মূল্যবোধ থেকে সৃষ্টি হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩২.
ইমানুয়েল কান্টের নীতিবিদ্যার মূলকথা কোনটি?
  1. মুক্তির ইচ্ছা 
  2. শর্তহীন আদেশ
  3. কর্তব্যের জন্য কল্যাণ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
শর্তহীন আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শর্তহীন আদেশ
ব্যাখ্যা

- ইমানুয়েল কান্টের নীতিবিদ্যার মূলকথা সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।

নীতিবিদ্যা:-

- 'কর্তব্যের জন্য কর্তব্য' ধারণাটির প্রবর্তক ইমানুয়েল কান্ট।
- ইমানুয়েল কান্ট জার্মান নীতিবিজ্ঞানী।
- তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি যথা: সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।
- 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতা' বা 'কর্তব্যের নৈতিকতার' দর্শন যে কোনো কর্মের ফল বা পরিণতির বদলে কর্মের ধরনকে গুরুত্ব দেয়।
- ইমানুয়েল কান্টকে 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতার' প্রবর্তক বলা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৩৩.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'মৌলিক অধিকার' বলবৎকরণ সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-১০২
  2. অনুচ্ছেদ-৪৪
  3. অনুচ্ছেদ-৮৭
  4. অনুচ্ছেদ-১৪১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৪৪
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ৪৪ নং অনুচ্ছেদে 'মৌলিক অধিকার' বলবৎকরণ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ;

- ৪৪(১) এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল।
-  (২) এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারিবেন।

অপরদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৮৭ (১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হইবে।
- ১৪১ক। জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
- ১৪১খ। জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ
- ১৪১গ। জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ
- ১০২। কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৩৪.
আইডিএ সুশাসনের কতটি মূল উপাদানের কথা বলেছেন? 
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

 - আইডিএ (IDA) বা আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা সুশাসনের ৪টি মূল উপাদানের কথা উল্লেখ করেছে।
- এই উপাদানগুলো হলো: 
১. দায়বদ্ধতা বা জবাবদিহিতা (Accountability)
২. স্বচ্ছতা (Transparency)
৩. আইনি কাঠামো বা আইনের শাসন (Legal Framework/Rule of Law)
৪. অংশগ্রহণ (Participation)

সুশাসন:
- ইউএনডিপি সুশাসন নিশ্চিত করতে ৯টি উপাদান উল্লেখ করেছে।
- জাতিসংঘ সুশাসনের ৮টি উপাদানের উল্লেখ করেছে।
- বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের উপাদান ৬টি।
- জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন বা UNHCR সুশাসনের ৫টি উপাদান চিহ্নিত করেছে।
- আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংক বা AFDB সুশাসন এর ৫টি উপাদানের কথা উল্লেখ করেছেন।
- আইডিএ (International Development Agency) সুশাসনের চারটি মূল উপাদানের কথা উল্লেখ করেছে।
- প্রাচীন অর্থশাস্ত্রবিদ কৌটিল্য সুশাসনের ৪টি উপাদানের কথা বলেছেন।

উৎস:  পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।

১৩৫.
নিম্নের কোনটি অর্থনৈতিক অধিকার?
  1. জীবন রক্ষার অধিকার
  2. মত প্রকাশের অধিকার
  3. শ্রমিকসংঘ গঠনের অধিকার
  4.  পরিবার গঠনের অধিকার
সঠিক উত্তর:
শ্রমিকসংঘ গঠনের অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রমিকসংঘ গঠনের অধিকার
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক অধিকার: 
- জীবনধারণ করা এবং জীবনকে উন্নত ও এগিয়ে নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপ্রদত্ত অধিকারকে অর্থনৈতিক অধিকার বলে। 
- যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করার অধিকার,
- ন্যায্য মজুরি লাভের অধিকার,
- অবকাশ লাভের অধিকার,
- শ্রমিকসংঘ গঠনের অধিকার।

• সামাজিক অধিকার:
- সমাজে সুখ-শান্তিতে বসবাস করার জন্য আমরা সামাজিক অধিকার ভোগ করি।
- যেমন- জীবন রক্ষার, স্বাধীনভাবে চলাফেরার ও মত প্রকাশের, পরিবার গঠনের, শিক্ষার, আইনের দৃষ্টিতে সমান সুযোগ লাভের, সম্পত্তি লাভের ও ধর্মচর্চার অধিকার ইত্যাদি।

• রাজনৈতিক অধিকার:
- নির্বাচনে ভোটাধিকার, নির্বাচিত হওয়া এবং সকল প্রকার অভাব-অভিযোগ আবেদনের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়াকে রাজনৈতিক অধিকার বলে।
- এসব অধিকার ভোগের বিনিময়ে নাগরিকরা রাষ্ট্র পরিচালনায় পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩৬.
”মূল্যবোধ হলো আবেগিক ও আদর্শগত ঐক্যের বোধ”- উক্তিটি কে বলেছেন?
  1. জন লক
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. ফ্রাঙ্কেল
  4. উইলিয়াম জেমস
সঠিক উত্তর:
ফ্রাঙ্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রাঙ্কেল
ব্যাখ্যা

- ফ্রাঙ্কেল এর মতে,"মূল্যবোধ হল আবেগিক ও আদর্শগত ঐক্যের ধারণ"।

• ভিক্টর ফ্রাঙ্কেল (Viktor Frankl)
- অস্ট্রিয়ান স্নায়ুবিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানী এবং হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা মনীষী।
- "যার বেঁচে থাকার জন্য একটি 'কেন' (উদ্দেশ্য) আছে, সে প্রায় যেকোনো 'কিভাবে' (পরিস্থিতি) সহ্য করতে পারে।"

অন্যদিকে,
- জন লক (John Locke)
- ব্রিটিশ দার্শনিক এবং 'উদারনীতিবাদের জনক' হিসেবে পরিচিত।
- "শিক্ষা মনের বিকাশ ঘটায়, কিন্তু চিন্তা ও গবেষণা যা শেখা হয়েছে তাকে নিজের করে নেয়।"
- "আইন যেখানে শেষ হয়, স্বৈরাচার সেখান থেকে শুরু হয়।"

• আব্রাহাম লিংকন (Abraham Lincoln)
-যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট এবং গণতন্ত্রের অন্যতম প্রবক্তা।
- "জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা সরকার এবং জনগণের জন্য সরকার—পৃথিবী থেকে কখনো মুছে যাবে না।"
- "ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো তা নিজে তৈরি করা।"

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৩৭.
"আইন হল পরিবর্তনশীল, ক্রমাউন্নতিমূলক, ক্রমবর্ধমান ও দীর্ঘকালীন সামাজিক প্রথার গতির ফল”- উক্তিটি বলেছেন কে?
  1. অধ্যাপক হল্যান্ড
  2. স্যার হেনরি মেইন
  3. জন অস্টিন
  4. এ্যারিস্টটল
সঠিক উত্তর:
স্যার হেনরি মেইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার হেনরি মেইন
ব্যাখ্যা

- স্যার হেনরি মেইনের মতে, "আইন হল পরিবর্তনশীল, ক্রমাউন্নতিমূলক, ক্রমবর্ধমান ও দীর্ঘকালীন সামাজিক প্রথার গতির ফল।

আইনের প্রামাণ্য সংজ্ঞা:

১. গ্রিক দার্শনিক এ্যারিস্টটলের মতে, "আইন হল পক্ষপাতহীন যুক্তি।"
২. আইনবিদ জন অস্টিনের মতে, "সার্বভৌম শক্তির আদেশই আইন।"
৩. অধ্যাপক হল্যান্ড বলেন, "আইন হল মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণের এমন কতগুলো সাধারণ নিয়ম যা সার্বভৌম রাজনৈতিক কর্তৃত্ব দ্বারা প্রযুক্ত হয়।"
৪. স্যার হেনরি মেইনের মতে, "আইন হল পরিবর্তনশীল, ক্রমাউন্নতিমূলক, ক্রমবর্ধমান ও দীর্ঘকালীন সামাজিক প্রথার গতির ফল।"
৫. আইনের সার্বজনীন ও উৎকৃষ্ট সংজ্ঞা প্রদান করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন। তাঁর মতে, "আইন হল সমাজের সে সব সুপ্রতিষ্ঠিত প্রথা ও রীতিনীতি যেগুলো সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত ও রাষ্ট্র কর্তৃক গৃহীত বিধিতে পরিণত হয়েছে এবং যাদের পিছনে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের সুস্পষ্ট সমর্থন রয়েছে।"

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৮.
নিম্নের কোনটি বিশ্বব্যাংকের দেওয়া সুশাসনের চারটি স্তম্ভের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. দুর্নীতি
  2. অংশগ্রহণ
  3. আইনি কাঠামো
  4. দায়িত্বশীলতা
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
ব্যাখ্যা

- দুর্নীতি বিশ্বব্যাংকের দেওয়া সুশাসনের চারটি স্তম্ভের অন্তর্ভুক্ত নয়।

• বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন:

- 'সুশাসন' ধারণাটি বিশ্ব ব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
- ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে বিশ্ব ব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম 'সুশাসন' প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়াও একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৯৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, 'সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।'
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে যে, সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল।

• চারটি স্তম্ভ হলো:
১. দায়িত্বশীলতা,
২. স্বচ্ছতা,
৩. আইনি কাঠামো ও
৪. অংশগ্রহণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

১৩৯.
"নিকোমেকীয়ান এথিক্স" গ্রন্থটি লিখেছেন কে? 
  1. প্লেটো
  2. সক্রেটিস
  3. ইমানুয়েল কান্ট
  4. এরিস্টটল
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল
ব্যাখ্যা

- "নিকোম্যাকিয়ান এথিক্স" গ্রন্থটি এরিস্টটল এর লেখা একটি বিখ্যাত গ্রন্থ।
- এরিস্টটল আত্মহত্যাকে সমর্থন করেননি।
- তিনি এটিকে কাপুরুষোচিত কাজ, রাষ্ট্রীয় আইনের পরিপন্থী এবং অপরাধমূলক কাজ বলে অভিহিত করেছেন।
- তিনি নিকেমেকিয়ান এথিক্স গ্রন্থের নবম পুস্তকে আত্মহত্যার বিরোধিতা করেন।
- তিনি আত্মহত্যাকে অন্যায্য বলে উল্লেখ করেছেন, কারণ তাঁর মতে আত্মহত্যা নিজের দেহের ক্ষতিসাধন কল্পে করা হয়, কেবলমাত্র প্রায়শ্চিত্তের জন্য নয়।

• প্লেটো (Plato)
- বিখ্যাত বই: 'দ্য রিপাবলিক' (The Republic)
-  এটি প্লেটোর সবচেয়ে প্রভাবশালী কাজ। এতে তিনি একটি আদর্শ রাষ্ট্র বা 'ইউটোপিয়া'র কল্পনা করেছেন। ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং 'দার্শনিক রাজা'র ধারণা এই বইয়ের মূল উপজীব্য।

• সক্রেটিস (Socrates)
- বিখ্যাত বই: সক্রেটিস নিজে কোনো বই লিখে যাননি।
- সক্রেটিস মনে করতেন জ্ঞান লিখিত রূপের চেয়ে আলোচনার মাধ্যমে বেশি বিকশিত হয়।
- তবে তার দর্শন ও কথোপকথন আমরা জানতে পারি তার ছাত্র প্লেটোর লেখা 'অ্যাপোলজি' (Apology) এবং অন্যান্য সংলাপ (Dialogues) থেকে। তাই তাকে বুঝতে হলে প্লেটোর বইগুলোই প্রধান উৎস।


• ইমানুয়েল কান্ট (Immanuel Kant):
- বিখ্যাত বই: 'ক্রিটিক অব পিউর রিজন' (Critique of Pure Reason)
- আধুনিক দর্শনের অন্যতম কঠিন এবং গুরুত্বপূর্ণ এই বইটিতে কান্ট মানুষের জ্ঞানতত্ত্ব বা আমরা কীভাবে কোনো কিছু জানি, তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। এটি অধিবিদ্যা (Metaphysics) ও যুক্তিশাস্ত্রের ভিতে পরিবর্তন এনে দিয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং নীতিবিদ্যা এমএমএল।

১৪০.
”Critique of Judgement” বিখ্যাত গ্রন্থটি কার?
  1. বার্ট্রান্ড রাসেল
  2. এরিস্টটল
  3. ইমানুয়েল কান্ট
  4. রবার্ট ব্রাউন
সঠিক উত্তর:
ইমানুয়েল কান্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইমানুয়েল কান্ট
ব্যাখ্যা

ইমানুয়েল কান্ট:
- ইমানুয়েল কান্ট জার্মান নীতিবিজ্ঞানী।
-'কর্তব্যের জন্য কর্তব্য'-ধারণাটির প্রবর্তক ইমানুয়েল কান্ট।
- তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি যথা: সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।
- নীতিশাস্ত্রের উপর তাঁর রচিত বই:
- Groundwork for Metaphysics of Morals.
- Critique of Pure Reason.
- Critique of Practical Reason.
- Critique of Judgement.

অন্যদিকে, 
- বার্ট্রান্ড রাসেল (Bertrand Russell) বিখ্যাত বই: 'আ হিস্ট্রি অব ওয়েস্টার্ন ফিলোসফি' (A History of Western Philosophy).
- অ্যারিস্টটল (Aristotle) বিখ্যাত বই: 'পলিটিক্স' (Politics)
- রবার্ট ব্রাউনিং (Robert Browning) বিখ্যাত বই: 'দ্য রিং অ্যান্ড দ্য বুক' (The Ring and the Book).

উৎস:- পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

১৪১.
সুশাসন প্রক্রিয়া নির্ভর করে কোনটির উপর?
  1. মানবাধিকার
  2. সরকারের দক্ষতা
  3. প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সুশাসন:
- জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ প্রত্যয় হল সুশাসন।
- সুশাসন হলো যৌক্তিক এবং দক্ষভাবে শাসন পরিচালনা।
- সুশাসন অবশ্যই আইনের শাসনের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এটি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতার নিশ্চিত করে।
- জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন, মানবাধিকার, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ, সরকারের দক্ষতা ও সাড়া প্রদানের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে সুশাসন প্রক্রিয়া।

উৎস:  পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয়।

১৪২.
ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য স্বাধীনতা প্রয়োজন, কারন- 
  1. আইন অমান্য করার সুযোগ পাওয়া
  2. অন্যের ওপর আধিপত্য বিস্তার করা
  3. ব্যক্তির সুপ্ত প্রতিভা ও গুণের প্রকাশ ঘটানো
  4. কেবল অর্থনৈতিক সুবিধা লাভ করা
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির সুপ্ত প্রতিভা ও গুণের প্রকাশ ঘটানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির সুপ্ত প্রতিভা ও গুণের প্রকাশ ঘটানো
ব্যাখ্যা

- ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য স্বাধীনতা প্রয়োজন, কারন- ব্যক্তির সুপ্ত প্রতিভা ও গুণের প্রকাশ ঘটানো যায়।
- স্বাধীনতা ব্যক্তিকে তার নিজস্ব পছন্দ ও সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করার সুযোগ দেয়, যা ব্যক্তিত্ব গঠনে অপরিহার্য।

স্বাধীনতা: 
- সাধারণ অর্থে স্বাধীনতা বলতে নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী যেকোনো কাজ করাকে বোঝায়।
- কিন্তু প্রকৃত অর্থে স্বাধীনতা বলতে এ ধরনের অবাধ স্বাধীনতাকে বোঝায় না।
- কারণ, সীমাহীন স্বাধীনতা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
- উদাহরণস্বরূপ, কাউকে ইচ্ছামত সবকিছু করার স্বাধীনতা দিলে সমাজে অন্যদের ক্ষতি হতে পারে যা এক অশান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করবে।
- তাই পৌরনীতিতে স্বাধীনতা ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- অন্যের কাজে হস্তক্ষেপ বা বাধা সৃষ্টি না করে নিজের ইচ্ছানুযায়ী নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে কাজ করাই হলো স্বাধীনতা।
- অর্থাৎ স্বাধীনতা হলো এমন সুযোগ-সুবিধা ও পরিবেশ, যেখানে কেউ কারও ক্ষতি না করে সকলেই নিজের অধিকার ভোগ করে।
- স্বাধীনতা ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব বিকাশে সহায়তা করে এবং অধিকার ভোগের ক্ষেত্রে বাধা অপসারণ করে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪৩.
মেসোপটেমীয় সভ্যতার সবার শেষে গড়ে উঠেছিল -
  1. ক্যালেডীয়
  2. অ্যাসেরীয়
  3. ব্যাবিলনীয়
  4. সুমেরীয়
সঠিক উত্তর:
ক্যালেডীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালেডীয়
ব্যাখ্যা

♦ মেসোপটেমীয় সভ্যতা:
- এ সভ্যতাকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়-
• সুমেরীয়।
• ব্যাবিলনীয়।
• অ্যাসেরীয়।
• ক্যালেডীয়।
- Mesopotamia মানে হলো দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল।
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা 'মেসোপটেমীয় সভ্যতা'।
- ফোরাত ও দজলা নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতার নামকরণ হয়েছে গ্রিক শব্দে। 

♦ ক্যালডীয় সভ্যতা:
- ক্যালডীয় সভ্যতাটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার সবার শেষে গড়ে উঠেছিল।
- ৬১২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এ্যাসিরীয়দের পতন এবং ক্যালডীয়দের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মেসোপটেমীয় সভ্যতা চূড়ান্ত পর্বে উন্নীত হয়।
- মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় বসবাসকারী সেমিটিক জাতিভুক্ত ক্যালডীয়রা এ সভ্যতা গড়ে তোলে বলে ইতিহাসে এটি ক্যালডীয় সভ্যতা নামে পরিচিত।
- এ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা নেবোপালেসার এ্যাসিরীয়দের সমৃদ্ধ রাজধানী নিনেভা ধ্বংস করে পুনরায় ধ্বংসপ্রাপ্ত নগরী ব্যাবিলনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ও তাদের সভ্যতা গড়ে তোলে বলে এ সভ্যতা নতুন ব্যাবিলনীয় সভ্যতা নামেও পরিচিত।
- প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘণ্টায় ভাগ করার পদ্ধতি বের করে।
- বছরের দৈর্ঘ্যও তারা বের করে।
- এ যুগের জ্যোতির্বিজ্ঞানীগণ ১২টি নক্ষত্রপুঞ্জের সন্ধান পান। তা থেকে ১২টি রাশিচক্রের সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৪.
ফরাসি বিপ্লবের প্রধান স্লোগান কোনটি ছিল?
  1. সাম্য, ন্যায় ও স্বাধীনতা
  2. স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব
  3. ভ্রাতৃত্ব, স্বাধীনতা ও ধর্ম
  4. সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও রাজতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব
ব্যাখ্যা

⇒ ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।

ফরাসি বিপ্লব:
- এই বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই।
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় শিরশ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৪৫.
নিচের কোন চুক্তিতে বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. বাসেল কনভেনশন
  2. কিয়োটো প্রোটোকল
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. রটারডাম কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা

বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে, ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

১৪৬.
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে সর্বাধিক ভেটো প্রদানকারী দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা:
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি। এগুলো হলো:
• সাধারণ পরিষদ
• নিরাপত্তা পরিষদ
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
• অছি পরিষদ ও
• জাতিসংঘ সচিবালয়।

- এদের মধ্যে নিরাপত্তা পরিষদকে সবচেয়ে প্রভাবশালী অঙ্গসংস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার দায়িত্ব এই পরিষদের উপর ন্যস্ত।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি। এর মধ্যে পাঁচটি হলো স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য।
- পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। ভেটো অর্থ আমি ইহা মানি না।
- ভেটো ক্ষমতার জন্যে নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই পাঁচটি দেশের প্রত্যেকটির সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে সর্বাধিক ভেটো প্রদানকারী দেশ রাশিয়া।
- নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যগুলো দুই বছরের জন্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নির্বাচিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৪৭.
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচক- ২০২৫ এ শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. নরওয়ে
  3. সুইডেন
  4. ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
ব্যাখ্যা

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচক- ২০২৫:
- সূচকের শিরোনাম: RSF World Press Freedom Index 2025.
- সূচকটি প্রকাশিত হয় ২ মে, ২০২৫।
- ফ্রান্সভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা Reporters Without Borders (RSF) সূচকটি প্রকাশ করে।

⇒ শীর্ষ দেশ:
• নরওয়ে।
• এস্তোনিয়া।
• নেদারল্যান্ডস।
• সুইডেন।
• ফিনল্যান্ড।

⇒ এই তালিকায় সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে ইরিত্রিয়া।

⇒ বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯তম।

তথ্যসূত্র - Reporters Without Borders (RSF) ওয়েবসাইট।

১৪৮.
আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে বড় দেশ নিচের কোনটি?
  1. নাইজেরিয়া
  2. আলজেরিয়া
  3. সুদান
  4. কঙ্গো
সঠিক উত্তর:
আলজেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা

♦ আফ্রিকা মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে।
- এই মহাদেশে মোট ৫৪টি দেশ অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।

♦ আফ্রিকা মহাদেশের আয়তনে বৃহত্তম দেশ:
১) আলজেরিয়া - ৯১৯,৫৯০ মাইল (২,৩৮১,৭৪১ বর্গ কি.মি)।
২) কঙ্গো - ৯০৫,৪০৫ মাইল (২,৩৪৫,০০০ বর্গ কি.মি)।
৩) সুদান - ৭১০,৬৮৯ মাইল (১,৮৪০,৬৮৭ বর্গ কি.মি)।
৪) লিবিয়া - ৬৪৭,১৮০ মাইল (১,৬৭৬,১৯৮ বর্গ কি.মি)।
৫) চাদ - ৪৯৫,৭৫৩ মাইল (১,২৮৪,০০০ বর্গ কি.মি)।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৪৯.
আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থার বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি?
  1. ১৯৩টি
  2. ১৯৪টি
  3. ১৯৫টি
  4. ১৯৬টি
সঠিক উত্তর:
১৯৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬টি
ব্যাখ্যা

Interpol:
- Interpol হল আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা।
- Interpol এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯২৩ সাল।
- সদর দপ্তর: লিওঁ, ফ্রান্স।
- ১৯৪৬ সালে ফ্রান্সের প্যারিসে এবং ১৯৮৯ সালে ফ্রান্সের লিওঁ শহরে সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৬টি দেশ।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: পালাউ।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা।
- তিনি ব্রাজিলের নাগরিক।

⇒ উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬ সাল।

তথ্যসূত্র - ইন্টারপোল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৫০.
মন্ট্রিল প্রটোকলের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা
  2. সমুদ্রে প্লাস্টিক দূষণ কমানো
  3. ওজোনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করা
  4. বন উজাড় রোধ করা
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করা
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয়।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৫১.
বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে দক্ষিণ আফ্রিকা কত সালে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায়?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা

কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ এর সদর দপ্তর লন্ডনে।
- আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কমনওয়েলথে দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬টি দেশ।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয়।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
- বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে ১৯৬১ সালে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে সদস্যভুক্ত করায় পাকিস্তান ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ ত্যাগ করে।
- পরবর্তিতে পাকিস্তান ১৯৮৯ সালে ও দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৯৪ সালে কমনওয়েলথে যোগদান করে।

তথ্যসূত্র- কমনওয়েলথ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৫২.
ইউএস ওপেন ২০২৫ এ নারী এককে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন কে?
  1. আরিনা সাবালেঙ্কা
  2. কোকো গাউফ
  3. জেসিকা পেগুলা
  4. নাওমি ওসাকা
সঠিক উত্তর:
আরিনা সাবালেঙ্কা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরিনা সাবালেঙ্কা
ব্যাখ্যা

♦ ইউএস ওপেন ২০২৫:

⇒ নারী একক:
- চ্যাম্পিয়ন: আরিনা সাবালেঙ্কা।
- দেশ: বেলারুশ।
- রানার আপ: আমান্ডা আনিসিমোভা।

⇒ পুরুষ একক:
- চ্যাম্পিয়ন: কার্লোস আলকারাজ।
- রানার আপ: ইয়ানিক সিনার।

⇒ উল্লেখ্য গ্র্যান্ড স্ল্যামের মধ্যে রয়েছে:
• অস্ট্রেলিয়ান ওপেন (জানুয়ারির মাঝামাঝি),
• ফ্রেঞ্চ ওপেন (মে মাসের শেষ থেকে জুনের শুরুতে),
• উইম্বলডন (জুনের শেষ থেকে জুলাইয়ের শুরুতে),
• ইউএস ওপেন (আগস্ট-সেপ্টেম্বর)।

তথ্যসূত্র - International Tennis Federation ওয়েবসাইট।

১৫৩.
মায়া সভ্যতায় কত দিন বিশিষ্ট ধর্মীয় ক্যালেন্ডার তৈরী করা হয়েছিল?
  1. ১৮০ দিন
  2. ২১৩ দিন
  3. ২৬০ দিন
  4. ৩৬৫ দিনে
সঠিক উত্তর:
২৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬০ দিন
ব্যাখ্যা

মায়া সভ্যতা:
- তৎকালীন পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত সভ্যতা ছিল এ মায়া সভ্যতা।
- মায়া সভ্যতায় বসবাসকারীদের মায়ানও বলা হতো।
- মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার কয়েকটি দেশ যেমন গুয়েতমালা, বেলিজ, এল সালভাদের, হন্ডরাস প্রভৃতি দেশে মায়া সভ্যতা লোকজনের বসবাস ছিল।
- তারা আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দ থেকে এসকল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- মায়া সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল মেক্সিকোর অন্যতম প্রদেশ ইয়াকাতানে অবস্থিত চেচেন ইৎজা (Chichen Itza) শহর।
- মায়া সভ্যতাকে দুটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-
⇒ প্রাচীন মায়া সভ্যতা।
- সময়কাল: খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০-২৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।

⇒ ক্ল্যাসিক মায়া সভ্যতা।
- সময়কাল:(২৫০-৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।

♦ মায়া সভ্যতার ক্যালেন্ডার:
- মায়ারা ২টি ক্যালেন্ডার তৈরি করেছিল। যথা -
• হাব: ৩৬৫ দিনের সৌর ক্যালেন্ডার।
• টজলকিন: ২৬০ দিনের ধর্মীয় ক্যালেন্ডার।

তথ্যসূত্র - Britannica & history.com

১৫৪.
মোসাদ কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. রাশিয়া
  2. ইরান
  3. ইসরায়েল
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

মোসাদ
- মোসাদ ইসরায়েলের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
- মশাদের প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
- সদর দপ্তর: তেলআবিব, ইসরায়েল।
- মোসাদ কাজ:
• তথ্য সংগ্রহ, 
• গোপন অভিযান ও 
• সন্ত্রাসবাদ দমন।

- এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচর সংস্থাগুলোর একটি।
- মোসাদের কার্যক্রম এবং বাজেট কোনো আইন দ্বারা সংজ্ঞায়িত নয়।

⇒ উল্লেখ্য:
- ইসরায়েলের অন্য গোয়েন্দা সংস্থা সমূহ: Shin Bet (Shabak), Aman.

⇒ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা:
- বাংলাদেশ: National Security Intelligence (NSI), Criminal Investigation Department (CID), Detective Branch (DB).
- ভারত: Research and Analysis Wing (RAW), Central Bureau of Investigation (CBI).
- পাকিস্তান: Inter-Services Intelligence (ISI), Federal Investigation Agency (FIA).
- রাশিয়া: Federal Security Service (FSB).
- ব্রিটেন: SIS/MI6 - Secret Intelligence Service (SIS) and Military Intelligence, Section 6 (MI6).
- ইরান: SAVAK.

তথ্যসূত্র - Britannica.com and WorldAtlas.com

১৫৫.
জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী (UNEP) এর প্রধানের পদবী -
  1. মহাসচিব
  2. মহাপরিচালক
  3. পরিচালক
  4. নির্বাহী পরিচালক
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী পরিচালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী পরিচালক
ব্যাখ্যা

UNEP:
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী (UNEP).
- UNEP-এর পূর্ণরূপ- United Nations Environment Programme.
- UNEP - সদর দপ্তর- নাইরোবি, কেনিয়া।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ৫ জুন, ১৯৭২ সালে।
- সদস্য রাষ্ট্র- ১৯৩ টি।
- UNEP এর প্রধানের পদবী- নির্বাহী পরিচালক।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক- ইনগার অ্যান্ডারসেন।

উল্লেখ্য:
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়-৫ জুন।

তথ্যসূত্র - UNEP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৫৬.
আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নাইরোবি, কেনিয়া
  2. আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া
  3. কায়রো, মিশর
  4. আবুজা, নাইজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া
ব্যাখ্যা

আফ্রিকান ইউনিয়ন:
- AU এর পূর্ণরূপ African Union.
- আফ্রিকান ইউনিয়ন আফ্রিকা মহাদেশের দেশসমূহের একটি সংগঠন।
- পূর্বে এর নাম ছিল - Organization of African Unity.
- African Union নামকরণ করা হয়: জুলাই, ২০০২ সালে।
- সদর দপ্তর: আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া।
- বর্তমান সদস্য: ৫৫টি।
- সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- মরক্কো ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে পুনরায় আফ্রিকান ইউনিয়নে যোগদান করে।

তথ্যসূত্র - আফ্রিকান ইউনিয়নের ওয়েবসাইট।

১৫৭.
অ্যাডলফ হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনীর নাম কী?
  1. এসডি
  2. ক্রিপো
  3. গেস্টাপো
  4. আবভেয়ার
সঠিক উত্তর:
গেস্টাপো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেস্টাপো
ব্যাখ্যা

অ্যাডলফ হিটলার:
- অ্যাডলফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন: ১৮৮৯ সালে।
- জন্মস্থান: অস্ট্রিয়া।
- তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন: ১৯৩৩ সালে।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম: নাৎসী পার্টি।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনীর নাম: গেস্টাপো।
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার।
- হিটলার মৃত্যু বরণ করেন: ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৫৮.
পূর্ব ইউরোপের দেশ কোনটি?
  1. হাঙ্গেরি
  2. স্লোভাকিয়া
  3. ইউক্রেন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

♦ পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ:
• বেলারুশ
• বুলগেরিয়া
• চেক প্রজাতন্ত্র
• হাঙ্গেরি
• পোল্যান্ড
• মলদোভা
• রোমানিয়া
• রাশিয়া
• স্লোভাকিয়া
• ইউক্রেন

♦ উত্তর ইউরোপের দেশসমূহ:
• নরওয়ে
• সুইডেন
• ডেনমার্ক
• ফিনল্যান্ড
• আইসল্যান্ড
• যুক্তরাজ্য
• আয়ারল্যান্ড
• লিথুয়ানিয়া
• লাটভিয়া
• এস্তোনিয়া

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

১৫৯.
সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কবে?
  1. ১৯৬৬ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

সিমলা চুক্তি:
- ১৯৭১ সালে ভারত - পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে) পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ২ জুলাই, ১৯৭২ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ভারত ও পাকিস্তান।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী - ভারতের পক্ষে - প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী এবং পাকিস্তানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাস্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।

১৬০.
IUCN এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. International Union for Chemical Nomenclature
  2. International Union for Climate Negotiation
  3. International Union for Civil Navigation
  4. International Union for the Conservation of Nature
সঠিক উত্তর:
International Union for the Conservation of Nature
উত্তর
সঠিক উত্তর:
International Union for the Conservation of Nature
ব্যাখ্যা

IUCN:
- বিশ্ব জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণবাদী সংস্থা (IUCN)।
- IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে।
- সদর দপ্তর: গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।
- এটি নিয়ে বিশ্বের ১৭০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা।

তথ্যসূত্র - IUCN অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৬১.
অরবিস ইন্টারন্যাশনাল কী ধরনের সংস্থা?
  1. পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থা
  2. যুদ্ধাহত সাহায্য সংস্থা
  3. উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল
  4. শরণার্থী সাহায্য সংস্থা
সঠিক উত্তর:
উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল
ব্যাখ্যা

অরবিস ইন্টারন্যাশনাল:
- অরবিস ইন্টারন্যাশনাল হলো একটি বেসরকারি দাতব্য উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল।
- এটি ১৯৮২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮২ সালের মে মাসে তারবিসের প্লেন প্রথম পানামায় ল্যান্ড করে।
- ১৯৮৫ সালে অরবিস বাংলাদেশে আসে এবং ১৯৯৯ সালে ঢাকায় স্থায়ী শাখা চালু করে।
- বাংলাদেশে চক্ষু চিকিৎসকদের নিয়ে ৪,০০০ প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করার পাশাপাশি অরবিস প্রায় ২৪,০০০ বাংলাদেশির চোখের অপারেশন করে।
- বর্তমানে অরবিস বিশ্বের ৯০টি দেশে কাজ করছে।

তথ্যসূত্র - অরবিস ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইট।

১৬২.
অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ কাকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছিল?
  1. দিয়াজ-ক্যানেল
  2. নিকোলাস মাদুরো
  3. জুয়ান গুয়াইদো
  4. গুস্তাভো পেত্রো
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস মাদুরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস মাদুরো
ব্যাখ্যা

অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ:
- ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয় 'অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ'। 
- পরিচালনাকারী দল: মার্কিন ডেল্টা ফোর্স ও এলিট ইউনিট।
- সময়কাল: ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ সাল।
- এই বিশেষ অভিযানে মার্কিন ডেল্টা ফোর্স মাদুরোর বাসভবনে ঢুকে তাকে এবং তাঁর স্থ্রীকে আটক করে।
- অভিযান শুরু হতেই ২০টি ভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি থেকে ১৫০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার আকাশে ওড়ে। রাডার ফাঁকি দিতে হেলিকপ্টারগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০০ ফুট ওপর দিয়ে উড়ে কারাকাসে পৌঁছায়। মার্কিন সাইবার কমান্ডের মাধ্যমে কারাকাসের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও যোগাযোগ মাধ্যম সম্পূর্ণ বিকল করে দেয়া হয় ।
- বর্তমানে মাদুরো ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে ।
- অভিযান শেষে ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ভেনিজুয়েলা ‘পরিচালনা’ করবে এবং দেশটির তেল সম্পদের নিয়ন্ত্রণ
নেবে।

তথ্যসূত্র - The New York Times.

১৬৩.
মার্কিন 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে কত বছর হতে হবে?
  1. ২১ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা

♦ কংগ্রেস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- আইন প্রণয়ন করাই এর প্রধান কাজ।
- কংগ্রেস একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' (The House of Representative) এবং উচ্চকক্ষ 'সিনেট' (The Senate) নামে পরিচিত।

⇒ নিম্নকক্ষ:
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ৪৩৫টি।
• মেয়াদ - ২ বছর।
• 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

⇒ উচ্চকক্ষ:
- কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ 'সিনেট' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ১০০টি।
• মেয়াদ - ৬ বছর।
• 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ৩০ বছর হতে হবে।

♦ উল্লেখ্য:
- যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ঐতিহ্য অনুসারে 'নিম্নকক্ষ' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' হল মার্কিন জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ।
- উচ্চকক্ষ বা ‘সিনেট' হল অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ।
- মার্কিন কংগ্রেসের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ও সিনেটের সদস্যরা জনগণের দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত হন।
- বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্রেটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টি এ দু'টি দলের প্রাধান্য বিদ্যমান।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।

১৬৪.
প্রথম জেনেভা কনভেনশন কোন বিষয়ে সুরক্ষা প্রদান করে?
  1. বেসামরিক জনগণের
  2. স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের
  3. শিশু ও নারীদের
  4. যুদ্ধবন্দীদের
সঠিক উত্তর:
স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- যুদ্ধপরাধকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড হিসেবে জেনেভা কনভেনশনকে মান্য করা হয়।
- মূলত এটি যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

কনভেনশনসমূহ:
• ১ম জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।

• ২য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; সমুদ্রস্থ যুদ্ধক্ষেত্রে আহত, অসুস্থ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজের সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।

• ৩য় জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে; যুদ্ধবন্দিদের প্রতি আচরণ ও তাদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত।

• ৪র্থ জেনেভা কনভেনশন:
- ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধাবস্থায় বেসামরিক জনগণ রক্ষার্থে ও তাদের সুরক্ষা সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

১৬৫.
গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট:
- গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট কেনিয়ার নাইরোবি ভিত্তিক একটি পরিবেশ বিষয়ক আন্দোলন।
- এর মাধ্যমে গ্রাম্য অঞ্চলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
- শুরুর হয়: ১৯৭৭ সালে।
- শুরুর স্থান নাইরোবি, কেনিয়া।
- গ্রিন বেল্ট মুভমেন্টের উদ্যোক্তা ছিলেন প্রফেসর ওয়াঙ্গেরি মাথাই।
- প্রফেসর ওয়াঙ্গেরি মাথাই কেনিয়ার নাগরিক।
- তিনি ২০০৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার ও ২০০৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।

১৬৬.
IMF-এর বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে?
  1. ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
  2. ক্রিস্টিন লাগার্ড
  3. হোর্স্ট কোহলার
  4. জ্যাকুয়েস ডি লারোসিয়ের
সঠিক উত্তর:
ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা
ব্যাখ্যা

IMF:
- IMF এর পূর্ণরূপ The International Monetary Fund.
- এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৪ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৪৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সর্বশেষ সদস্য: লিচেনস্টাইন।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - IMF অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৬৭.
বিশ্ব এইডস দিবস পালিত হয় কবে?
  1. ৭ এপ্রিল
  2. ৮ জুন
  3. ৪ অক্টোবর
  4. ১ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

⇒ বিশ্ব এইডস দিবস:
- প্রতি বছর ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালিত হয়।
- এটি এইচআইভি আক্রান্তদের প্রতি সমর্থন প্রদর্শন এবং এইডস অসুস্থতায় মৃত্যুবরণকারীদের স্মরণে পালন করা হয়।
- এ দিবসটি বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এবং এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়৷
- প্রতিষ্ঠাকারী সংস্থা- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ।
- বিশ্ব এইডস দিবসের একটি প্রধান আন্তর্জাতিক প্রতীক হল- লাল ফিতা।

⇒ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস:
- ১১ জুলাই: বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস।
- ৫ জুন: বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
- ২১ মার্চ: বিশ্ব বন দিবস।
- ৮ জুন: বিশ্ব সমুদ্র দিবস।
- ৫ ডিসেম্বর: বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস।
- ৪ অক্টোবর: বিশ্ব প্রাণী দিবস।
- ৮ মার্চ: বিশ্ব নারী দিবস।
- ৭ এপ্রিল: বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৬৮.
কোন খাতে দেশের সবচেয়ে বেশি প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়?
  1. বিদ্যুৎ উৎপাদন
  2. গৃহস্থালি 
  3. শিল্প
  4. সার উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদন
ব্যাখ্যা

প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার:
-  বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে।

⇒ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার: ৩৭২.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (৪১.০০%),
- শিল্পখাতে ব্যবহার: ১৭০.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%),
- ক্যাপটিভ: ১৪৯.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৭%),
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার: ৯৭.৮ বিলিয়ন ঘনফুট। (১১.০০%)।

উল্লেখ্য,
- পেট্রোবাংলার তথ্যমতে দেশে গ্যাসক্ষেত্র ২৯টি।
- উত্তোলনরত ২০টি, উৎপাদনে যায়নি ৪টি, এবং উৎপাদন স্থগিত রয়েছে ৫টি।
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
ii) প্রথম আলো।

১৬৯.
বাংলাদেশে প্রাণিকল্যাণ আইন কত সালে প্রণয়ন করা হয়?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা

প্রাণিকল্যাণ আইন ২০১৯:
- বাংলাদেশে প্রাণিকল্যাণ আইন ২০১৯ সালে প্রণয়ন করা হয়।
- এটি ১৯২০ সালের 'দ্য ক্রুয়েলটি টু অ্যানিমেলস অ্যাক্ট' বাতিল করে প্রণীত হয়েছে।
- কার্যকর হয়: ১০ জুলাই, ২০১৯। 
- উদ্দেশ্য: প্রাণীদের সঠিক যত্ন ও দায়িত্বশীল পালন নিশ্চিত করা এবং তাদের প্রতি নিষ্ঠুরতা প্রতিরোধ করা।

⇒ এই আইনে প্রাণী বলতে মানুষ ছাড়া সব স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি, সরীসৃপজাতীয় প্রাণী, মাছ ছাড়া অন্যান্য জলজ প্রাণী এবং সরকারি গেজেট-প্রজ্ঞাপনে ঘোষিত অন্য প্রাণীকে বোঝাবে।
- আইনে ‘কর্তৃপক্ষ’ বলতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা তাঁর কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ওই অধিদপ্তরের কোনো ভেটেরিনারি সার্জনকে বোঝানো হয়েছে।
- আর ‘স্থানীয় কর্তৃপক্ষ’ বলতে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডকে বোঝানো হয়েছে।
- এ আইনে সাজা হিসেবে অনধিক ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার কথা বলা আছে। সর্বোচ্চ সাজা অনধিক দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান আছে। এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ অ-আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য। 

উৎস: প্রাণিকল্যাণ আইন ২০১৯।

১৭০.
বাংলাদেশ কোন দেশের সাথে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ‘ইউরোফাইটার টাইফুন’ ক্রয়ের  চুক্তি সাক্ষর করেছে?
  1. তুরস্ক
  2. চীন
  3. ফ্রান্স
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ইতালির সাথে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ‘ইউরোফাইটার টাইফুন’ ক্রয়ের  চুক্তি সাক্ষর করেছে।

ইউরোফাইটার টাইফুন:
- অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান 'ইউরোফাইটার টাইফুন' কেনার জন্য ইতালির লিওনার্দো এসপিএ কোম্পানির সঙ্গে একটি 'লেটার অফ ইনটেন্ট' বা প্রাথমিক সম্মতিপত্র সই করেছে বাংলাদেশ।
- বিমান বাহিনীকে আধুনিক ও শক্তিশালী করার পথে এটি একটি বড় পদক্ষেপ।

⇒ ইউরোফাইটার টাইফুন টুইন-ইঞ্জিন, ক্যানার্ড-ডেল্টা উইং, মাল্টিরোল ফাইটার।
- এটি পুরোপুরি সুইং-রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট।
- ইউরোফাইটার টাইফুন একইসঙ্গে এয়ার-টু-এয়ার এবং এয়ার-টু-সারফেস সক্ষমতা প্রদান করে এবং একযোগে ব্যবহারযোগ্য।
- এটি স্থলভাগে আঘাত হানতেও সমানভাবে সক্ষম। গাইডেড বোমা, প্রিসিশন স্ট্রাইক অস্ত্র এবং রিয়েল-টাইম ব্যাটেলফিল্ড ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, সব মিলিয়ে আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে এটি ভয়ংকর।
- বিশ্বের ৯টি দেশের বিমান বাহিনীর কাছে এই যুদ্ধবিমান আছে। দেশগুলো হলো যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি, স্পেন, অস্ট্রিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, ওমান ও কাতার।

⇒ ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে ঢাকার বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে এই চুক্তি সই হয়।
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান। বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য,
- 'ওয়ারপাওয়ারবাংলাদেশ ডট কম'-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর হাতে ২১২টি আকাশযান রয়েছে। এর মধ্যে ৪৪টি যুদ্ধবিমান।

উৎস: i) BBC.
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।

১৭১.
দেশের প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জিআই পণ্য কোনটি?
  1. ইলিশ
  2. জামদানি শাড়ি 
  3. ঢাকাই মসলিন
  4. খিরসাপাত আম
সঠিক উত্তর:
জামদানি শাড়ি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামদানি শাড়ি 
ব্যাখ্যা

জিআই পণ্য:
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।

উল্লেখ্য,
• বাংলাদেশের প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি।
- জামদানি শাড়ি জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) এর আবেদনের ভিত্তিতে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) কর্তৃক দেওয়া হয়। 

অন্যদিকে,
- ইলিশ মাছ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৭ সালে। 
- খিরসাপাত আম (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৮ সালে। 
- ঢাকাই মসলিন (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০২০ সালে। 

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১৭২.
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের ধ্বংসযজ্ঞকে গণহত্যা অভিহিত করে ‘ব্লাড টেলিগ্রাম’ নামে বার্তা পাঠান কে?
  1. হেনরি কিসিঞ্জার
  2. আর্চার কে. ব্লাড
  3. গ্যারি জে. ব্যাস
  4. সায়মন ড্রিং
সঠিক উত্তর:
আর্চার কে. ব্লাড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্চার কে. ব্লাড
ব্যাখ্যা

ব্লাড টেলিগ্রাম:
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের ধ্বংসযজ্ঞকে গণহত্যা অভিহিত করে ‘ব্লাড টেলিগ্রাম’ নামে বার্তাটি পাঠান তৎকালীন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন কনসাল জেনারেল আর্চার কে ব্লাড।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের সেই ভয়াল রাত- যখন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে ঢাকার বুকে এক নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়।
- আর্চার কে. ব্লাড ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের ধ্বংসযজ্ঞকে সরাসরি গণহত্যা বলে অভিহিত করে ৬ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে ওয়াশিংটনে যেই তারবার্তা পাঠান সেটি ‘ব্লাড টেলিগ্রাম’ নামে খ্যাত।
- আর্চার কেন্ট ব্লাডসহ ২০ জন কর্মকর্তার স্বাক্ষরকৃত এ টেলিগ্রামকে ঐতিহাসিকভাবে ‘দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম’ নামকরণ করা হয়। 

⇒ ১৯৭১ সালে আর্চার কে ব্লাড ছিলেন ঢাকায় মার্কিন কনসাল জেনারেল।
- বাংলাদেশ থেকে আর্চার ব্লাড যেসব তারবার্তা পাঠান তা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় অবস্থানের বিরোধী। 
- উল্লেখ্য বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন রিচার্ড নিক্সন ও হেনরি কিসিঞ্জার ছিলেন নিক্সন সরকারের নিরাপত্তা বিষয়ক উওদেশটা।
- নিক্সন-কিসিঞ্জার জুটি বাংলাদেশের যুদ্ধের বর্বর গণহত্যার বিষয়টিকে নীরবে সমর্থন দিয়ে এলেন।
- এমনকি আর্চার কে. ব্লাড যখন ওয়াশিংটনে তারবার্তা পাঠান তখন বাংলাদেশে গণহত্যার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ব্লাডকে তার ঢাকা অফিস থেকে অব্যাহতি দিয়ে ওয়াশিংটনে স্থানান্তর করা হয়।
- নিজেদের জাতীয় স্বার্থে মানবতাকে প্রকারান্তরে বুড়ো আঙুল দেখান কিসিঞ্জার-নিক্সন জুটি।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন সাংবাদিক ও ইতিহাসবিদ গ্যারি জে. ব্যাস (Gary J. Bass) আর্চার কে. ব্লাডের সেই বিখ্যাত 'ব্লাড টেলিগ্রাম' এবং ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বই লিখেছেন, যার নাম 'দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, কিসিঞ্জার অ্যান্ড আ ফরগোটেন জেনোসাইড'। 
- এই বইয়ে তিনি আর্চার ব্লাডের সাহসী পদক্ষেপ এবং Nixon-Kissinger প্রশাসনের ভূমিকার বিস্তারিত বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন।
- বইটি বেশ কয়েকটি আন্তরজারতিক পুরস্কার পেয়েছে। তার একটি পুলিতজার পুরস্কার।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সংগ্রামের নোটবুক।

১৭৩.
নোট অব ডিসেন্ট (Note of Dissent) বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. সিদ্ধান্ত বাতিলের প্রস্তাব
  2. সম্মিলিত সিদ্ধান্তের সমর্থন
  3. সভার কার্যবিবরণী
  4. আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত
সঠিক উত্তর:
আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত
ব্যাখ্যা

নোট অব ডিসেন্ট (Note of Dissent):
- নোট অব ডিসেন্ট (Note of Dissent) বলতে বোঝানো হয় আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত।

উল্লেখ্য,
- নোট অব ডিসেন্ট বলতে বোঝায় কোনো যৌথ সিদ্ধান্ত বা প্রস্তাবের সাথে কোনো ব্যক্তি বা সদস্যের আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত বা অসম্মতি প্রকাশ
- নোট অব ডিসেন্টের মূল উদ্দেশ্য হলো দলের সিদ্ধান্ত বা কার্যক্রমে বিরোধিতা প্রকাশ করা হলেও এটি দলীয় প্রতিষ্ঠান বা নীতির বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার দাবি নয়।
- এই নোট মূলত অভ্যন্তরীণ আলোচনার মাধ্যমে নেতা ও কর্মীদের মতামত তুলে ধরা এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে তাদের অসন্তোষ জানাতে ব্যবহৃত হয়।
- এগুলো আদালত, কমিটি, বোর্ড বা সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থার প্রসঙ্গে (বিশেষ করে বিচারিক/প্রশাসনিক/আন্তর্জাতিক কনটেক্সটে) ভিত্তি করে তৈরি।

উৎস: প্রথম আলো।

১৭৪.
কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে ‘শ্রাবণ বিদ্রোহ’ তথ্যচিত্রটি নির্মিত হয়েছে?
  1. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
  2. ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
  3. ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ
  4. ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন
ব্যাখ্যা

শ্রাবণ বিদ্রোহ:
- ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হয়েছে তথ্যচিত্র ‘শ্রাবণ বিদ্রোহ’।
- পরিচালনা করেছেন আরিফুর রহমান।

⇒ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রযোজনা এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর ও প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) সহযোগিতায় শ্রাবণ বিদ্রোহ তথ্যচিত্রটি নির্মিত হয়েছে।
- তথ্যচিত্রটিতে তুলে ধরা হয়েছে নিহতদের স্বজন, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ছাত্রনেতা, শিক্ষার্থী এবং বিশিষ্টদের আন্দোলনকালীন স্মৃতিকথা ও নির্যাতনের চিত্র।
- এতে দেখানো হয়েছে আন্দোলনের পটভূমি, ঘটনাপ্রবাহ এবং ছাত্র-জনতার প্রতিরোধ ও চেতনার গতিপথ।
- ৩০ মিনিটের এ তথ্যচিত্রে আন্দোলনকালীন দুর্লভ ভিডিওচিত্র, স্থিরচিত্র ও গ্রাফিতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: i) প্রথম আলো। 
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

১৭৫.
কার্যবিধিমালা, ১৯৯৬ অনুসারে, মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান কে?
  1. সচিব
  2. মন্ত্রী
  3. প্রতিমন্ত্রী
  4. অতিরিক্ত সচিব
সঠিক উত্তর:
সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিব
ব্যাখ্যা

সচিব:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান-এর ৫৫ (৬) নং অনুচ্ছেদের আলোকে প্রণীত Rules of Business 1996 বা কার্যবিধিমালা, ১৯৯৬।
- Rules of Business-1996 অনুযায়ী সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান।

⇒ Rules of Business-1996 অনুযায়ী, সচিব মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান হবেন।
- তিনি এটির প্রশাসন ও শৃঙ্খলা এবং এর উপর অর্পিত কার্যাবলী যথাযথভাবে পরিচালনার জন্য দায়ী থাকবেন।
- তিনি তাঁর মন্ত্রণালয়/বিভাগ, সংযুক্ত দপ্তর ও অধস্তন অফিসসমূহে কার্যবিধিমালা সর্তকতার সাথে পালনের জন্যও দায়ী থাকবেন।
- সচিব মন্ত্রণালয়/বিভাগের কার্যসম্পাদন সম্পর্কে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/উপদেষ্টাকে অবহিত রাখবেন।
- তিনি মন্ত্রণালয়/বিভাগ, সংযুক্ত দপ্তর ও অধস্তন অফিসসমূহের প্রধান হিসাবদানকারী অফিসার (Principal Accounting Officer) হবেন এবং মন্ত্রণালয়/বিভাগ, সংযুক্ত দপ্তর ও অধস্তন অফিসসমূহে বরাদ্দকৃত তহবিলসমূহ আপাতত বলবৎ বিধিমালা/আইনসমূহ অনুযায়ী যাতে ব্যয়িত হয় তা নিশ্চিত করবেন।
- কার্যসম্পাদনের ক্ষেত্রে তিনি Rules of Business, 1996-এর rule 4 (i) অনুসরণ করবেন।

উৎস: Rules of Business-1996।

১৭৬.
আমদানি-রপ্তানিকৃত পণ্যের উপর ধার্যকৃত করকে কী বলা হয়?
  1. ট্যারিফ
  2. ভ্যাট
  3. লেটার অব ক্রেডিট
  4. জিএসটি
সঠিক উত্তর:
ট্যারিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্যারিফ
ব্যাখ্যা

ট্যারিফ (Tariff):
- আমদানি-রপ্তানিকৃত পণ্যের উপর ধার্যকৃত করকে শুল্ক (Customs Duty বা Tariff) বলা হয়।
- এটি সরকার কর্তৃক আমদানি এবং রপ্তানি পণ্যের উপর আরোপিত কর।
- এটি সাধারণত আমদানি শুল্ক (Import Duty) হিসেবে বেশি পরিচিত।
- উল্লেখ্য, রপ্তানি শুল্ক (Export Duty) কম দেশেই থাকে।

অন্যদিকে, 
- প্রত্যয়পত্র (Letter of Credit / LC); ব্যাংক আমদানিকারকের পক্ষে এবং রপ্তানিকারকের অনুকূলে আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য পরিশোধের নিশ্চয়তা প্রদান করে যে পত্রের মাধ্যমে তাকে বলা হয়- প্রত্যয়পত্র।
- ভ্যাট হলো পণ্য বা সেবার মূল্যের উপর আরোপিত কর। 

উৎস: i) Investopedia.
ii) ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৭.
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের সাম্প্রতিক সম্মেলনে কয় দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন?
  1. ৪ দফা
  2. ৬ দফা
  3. ৭ দফা
  4. ৮ দফা
সঠিক উত্তর:
৭ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দফা
ব্যাখ্যা

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধান উপদেষ্টার সাত দফা প্রস্তাব:
- রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের সম্মেলনে ৭ দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন। এগুলো হলো:
১. নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ তৈরি ও রাখাইনে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
২. মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির ওপর চাপ প্রয়োগ করে সহিংসতা বন্ধ ও প্রত্যাবাসন শুরু করা।
৩. রাখাইনে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোগাড় এবং আন্তর্জাতিক বেসামরিক উপস্থিতির মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ।
৪. রোহিঙ্গাদের রাখাইন সমাজ ও শাসন ব্যবস্থায় টেকসই একীভূতকরণের জন্য আস্থা তৈরির পদক্ষেপ।
৫. যৌথ প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা (Joint Response Plan) পূর্ণ অর্থায়নে দাতাদের সমর্থন।
৬. জবাবদিহি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
৭. মাদক অর্থনীতি ভেঙে দেওয়া ও সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধ।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের অক্টোবরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও অন্য সংখ্যালঘুদের নিয়ে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে এ কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি জার্মান কূটনীতিক ও রাজনীতিবিদ আনালিনা বায়েরবক দিনব্যাপী সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন।
- সংকট সমাধানে অবিলম্বে তিনটি ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব।
- সেগুলো হলো প্রথমত, সব পক্ষকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা আইন ও মানবাধিকার আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা অগ্রাধিকারে রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত, মিয়ানমারের ভেতরে বাধাহীনভাবে মানবিক সহায়তা যাওয়ার সুযোগ দিতে হবে। কোনো সম্প্রদায়কে খাবার, ওষুধ ও জীবনরক্ষাকারী সহায়তা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। তৃতীয়ত, জোরালো মানবিক সহায়তা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য বিনিয়োগ দরকার। এটা প্রয়োজন মৌলিক চাহিদা পূরণ, শরণার্থীদের পরনির্ভরশীলতা থেকে আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে এবং আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর ওপর চাপ কমানোর জন্য।

উৎস: i) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো

১৭৮.
দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর কোনটি?
  1. হাতিয়া
  2. বাউফল
  3. আনোয়ারা
  4. সন্দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
সন্দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যা

দেশের উপকূলীয় নদীবন্দর:
- দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর হলো সন্দ্বীপ।
- নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্প্রতি সন্দ্বীপকে দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর হিসেবে ঘোষণা করেছে।
- বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) সন্দ্বীপ উপকূলীয় নদীবন্দরের সংরক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

উল্লেখ্য,
- দেশের দ্বিতীয় উপকূলীয় নদীবন্দর হলো হাতিয়া। নোয়াখালীর হাতিয়াকে দেশের ২য় উপকূলীয় নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।

উৎস: i) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ওয়েবসাইট।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

১৭৯.
নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সব নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হবে’- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১২০
  2. অনুচ্ছেদ ১২১
  3. অনুচ্ছেদ ১২৪
  4. অনুচ্ছেদ ১২৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২৬
ব্যাখ্যা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৬-এ বর্ণিত আছে যে, "নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সব নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হবে"। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনকে তার কাজ সম্পন্ন করতে নির্বাহী বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান করা রাষ্ট্রের সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক। 

অনুচ্ছেদ ১২৬: নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান:
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১২৪: নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা: এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা নির্বাচনী এলাকার সীমা নির্ধারণ, ভোটার-তালিকা প্রস্তুতকরণ, নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সংসদের যথাযথ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়সহ সংসদের নির্বাচন-সংক্রান্ত বা নির্বাচনের সহিত সম্পর্কিত সকল বিষয়ে বিধান প্রণয়ন করিতে পারিবেন।

- অনুচ্ছেদ ১২০: নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ: এই ভাগের অধীন নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যস্ত দায়িত্ব পালনের জন্য যেরূপ কর্মচারীর প্রয়োজন হইবে, নির্বাচন কমিশন অনুরোধ করিলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনকে সেইরূপ কর্মচারী প্রদানের ব্যবস্থা করিবেন।

- অনুচ্ছেদ ১২১: প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা: সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করিয়া ভোটার-তালিকা থাকিবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করিয়া কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাইবে না।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১৮০.
২০২৫ সালের 'গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট’ অনুযায়ী লিঙ্গসমতায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান  কততম?
  1. ১৮তম
  2. ২২তম
  3. ২৪তম
  4. ২৮তম
সঠিক উত্তর:
২৪তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪তম
ব্যাখ্যা

World Economic Forum প্রকাশিত ২০২৫ সালের 'গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট' অনুযায়ী, লিঙ্গ সমতায় বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ২৪তম এবং এটি দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষস্থানে রয়েছে।

Global Gender Gap Report-2025:
- প্রকাশক: World Economic Forum.
- প্রকাশের সময়কাল: জুন, ২০২৫।
- মূলত চারটি মাপকাঠির ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। এগুলো হলো: অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও সুযোগ, শিক্ষাগত অর্জন, স্বাস্থ্য ও আয়ু, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন।

⇒ Global Gender Gap Report-2025 অনুযায়ী শীর্ষ দেশ:
১. আইসল্যান্ড,
২. ফিনল্যান্ড,
৩. নরওয়ে,
৪. যুক্তরাজ্য,
৫. নিউজিল্যান্ড।

উল্লেখ্য,
- সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে পাকিস্তান (১৪৮তম)।

উৎস: World Economic Forum ওয়েবসাইট।

১৮১.
‘রূপকথা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ধান 
  2. গম 
  3. আলু 
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
ধান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান 
ব্যাখ্যা

‘রূপকথা’ ধানের একটি উন্নত জাত।

ধানের উন্নত জাত:
- রূপকথা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বরেন্দ্র এলাকার দেশীয়জাতের ধান।
- এছাড়াও, বরেন্দ্র এলাকার কিছু দেশীয়জাতের ধানের নাম: পঙ্খীরাজ, গোবিন্দভোগ, জামাইভোগ, মোগাইবালাম, রূপকথা, রাঁধুনীপাগল, পাঙ্গাস।
- এগুলা মঙ্গার ধান হিসেবেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- এ দেশের প্রধান খাদ্যশস্য চাল তথা ধান।
- বিভিন্ন প্রতিকূল জলবায়ুতে ধানের উৎপাদন বজায় রাখতে স্বল্প জীবৎকাল, লবণ-বন্যা-খরাসহিষ্ণু বিভিন্ন ধানের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) যৌথ প্রচেষ্টায় এসব ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে।
- উল্লেখযোগ্য জাতগুলোর মধ্যে কয়েকটি হলো ব্রি ধান ৬২, ৮৮; স্বল্প জীবৎকাল বিনা ধান ৭, বন্যাসহিষ্ণু বিনা ধান ১১, ১২, লবণাক্ততাসহিষ্ণু বিনা ধান ১০, খরাসহিষ্ণু বিনা ধান ১৪, ১৯, ২১ ইত্যাদি।

উৎস: i) বণিক বার্তা।
ii) BBC.

১৮২.
বরেন্দ্রভূমির অবস্থান কোন জনপদের মধ্যে ছিল?
  1. বঙ্গ
  2. পুণ্ড্র
  3. গৌড়
  4. রাঢ়
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

বরেন্দ্রভূমির অবস্থান পুণ্ড্র জনপদের মধ্যে ছিল।

বরেন্দ্র:
- বরেন্দ্র উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ।
- ঐতিহাসিকদের মতে বর্তমান রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং পশ্চিমবঙ্গের মালদহ ও মুর্শিদাবাদের কিছু অংশ এবং দার্জিলিং ও কোচবিহারসহ গঠিত সমগ্র অঞ্চল বরেন্দ্র এলাকা।
- সন্ধ্যাকর নন্দীর 'রামচরিত-কাব্য'-এ গঙ্গা ও করতোয়া নদীর মধ্যভাগকে বরেন্দ্রী নামে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ পুণ্ড্র ছিল পূর্বাঞ্চলের জনপদসমূহের মধ্যে খুব সম্ভবত প্রাচীনতম।
- মধ্যযুগের মুসলিম ঐতিহাসিকরা বরেন্দ্রিকে বলতেন বরীন্দ্র।
- পুন্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অবস্থানভূমিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে পুণ্ড্র জনপদ।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে। 
- প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর। এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।
 
উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম।

১৮৩.
'সাঁওতাল দম্পতি' চিত্রকর্মের শিল্পী কে?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কামরুল হাসান
  3. এস এম সুলতান
  4. মুর্তজা বশীর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা

'সাঁওতাল দম্পতি' চিত্রকর্ম:
- 'সাঁওতাল দম্পতি' চিত্রকর্মের শিল্পী জয়নুল আবেদিন।
- কাঠের প্যানেলে তৈল মাধ্যমে জয়নুল আবেদিন ‘সাঁওতাল দম্পতি’ প্রথম এঁকেছিলেন ১৯৫১ সালে।
- পরে ছবিটির একাধিক সংস্করণও করেছিলেন তিনি। 
- বিষয়বস্তু: মাথায় মাথাল অর্থাৎ বাঁশ বা বেতের তৈরি এক ধরণের গ্রামীণ টুপি পরে খালি পায়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক যুগল যা গ্রামীণ বাংলার জীবন ও সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি।
- ছবিটি জয়নুল আবেদিন এঁকেছিলেন ১৯৬৩ সালে। পেইন্টিং-এর ওপরে তার নাম স্বাক্ষর করা আছে।

⇒ জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- জয়নুল আবেদিনকে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের পুরোধা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- ১৯৪৮ সালে ঢাকায় তার প্রতিষ্ঠা করা ‘ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বর্তমানে যেটিকে আমরা ‘চারুকলা ইনস্টিটিউট’ হিসেবে জানি।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
iii) BBC.

১৮৪.
অবিভক্ত বাংলায় কার সময়ে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়?
  1. লর্ড রিপন
  2. লর্ড লিটন
  3. লর্ড মেয়ো
  4. লর্ড ক্যানিং
সঠিক উত্তর:
লর্ড মেয়ো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড মেয়ো
ব্যাখ্যা

অবিভক্ত বাংলায় প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৭২ সালে লর্ড মেয়ো-এর শাসনামলে।

লর্ড মেয়ো:
- লর্ড মেয়ো ১৮৬৯ - ৭২ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- তিনি মেয়ো-র পঞ্চম আর্ল-এর পুত্র।
- পিতার উত্তরাধিকারী ষষ্ঠ আর্ল ভারতে আসেন লর্ড মেয়ো হিসেবে এবং তাঁর অব্যবহিত পূর্বসূরিদের অনুসৃত অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি অব্যাহত রাখেন। 

⇒ সম্ভবত তাঁর সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার সংস্কার।
- তিনি লবণ কর ও আয়কর বৃদ্ধি করেছিলেন।
- তিনি প্রশাসনে ব্যয় সংকোচন ঘটান এবং প্রাদেশিক সরকারগুলিকে পাঁচ বছরের জন্য নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থবরাদ্দ করার ব্যবস্থা করে অর্থনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণের উদ্যোগ নেন। এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা যথেষ্ট উন্নত হয়।
- তাঁর শাসনামলেই ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি শুরু হয়।
- তিনি দেশে পরিসংখ্যান জরিপের ব্যবস্থা করেন এবং কৃষি ও বাণিজ্য বিভাগ সৃষ্টি করেন।
- দেশীয় রাজন্যবর্গ ও প্রধানদের সন্তান-সন্ততির লেখাপড়ার জন্য তিনি আজমীরে মেয়ো কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৭২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি আন্দামান সফরে গিয়ে তিনি জনৈক পাঠান কয়েদির ছুরিকাঘাতে নিহত হন।

উল্লেখ্য,
- লর্ড মেয়ো ভারতবর্ষে পরিসংখ্যান জরিপ চালু করেন এবং তার শাসনামলেই ১৮৭২ সালে উপমহাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৮৫.
ভ্রাম্যমান জনগোষ্ঠী 'বেদে' সম্প্রদায়ের আদি নাম কী?
  1. মনতং
  2. মুরং
  3. রাজবংশী
  4. নাগা
সঠিক উত্তর:
মনতং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনতং
ব্যাখ্যা

বেদে:
- বেদে সাধারণভাবে বাদিয়া বা বাইদ্যা নামে পরিচিত একটি ভ্রাম্যমাণ জনগোষ্ঠী।
- কথিত আছে যে, ১৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে শরণার্থী আরাকানরাজ বল্লাল রাজার সাথে এরা ঢাকায় আসে।
- পরবর্তীকালে তারা ইসলাম ধর্মে দীক্ষা নেয়।
- এরা প্রথমে বিক্রমপুরে বসবাস শুরু করে এবং পরে সেখান থেকে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে, এমনকি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামেও তারা ছড়িয়ে পড়ে।
- বেদের আদি নাম মনতং।
- অধিকাংশ বেদেই চিকিৎসার সাথে সম্পৃক্ত বলে মনতংরা কালক্রমে বেদে নামে অভিহিত হয়।
- বেদেরা আরাকান রাজ্যের মনতং আদিবাসী (Mon-tong) গোত্রের দেশত্যাগী অংশ। তাই এরা নিজেদের মনতং বলে পরিচয় দিতে বেশি আগ্রহী।
- যুদ্ধ ও শিকারে অতিশয় দক্ষ বেদেরা কষ্টসহিষ্ণু ও সাহসী।
- এদের গাত্রবর্ণ ও আকৃতি বাঙালিদের মতোই।
- বেদেদের নিজস্ব ভাষা আছে। ওই ভাষার নাম ঠেট বা ঠের। স্বগোত্রীয়দের সঙ্গে কথা বলার সময় তারা ওই ভাষা ব্যবহার করে থাকে। তবে বাংলা ভাষাভাষীদের সঙ্গে তারা বাংলা ভাষা ব্যবহার করে।
- বেদেদের সমাজ পিতৃপ্রধান হলেও মেয়েরা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- নৌকাই তাদের জীবন-জীবিকার সব। এক স্থান থেকে অন্য স্থানে, এক নগর থেকে আরেক নগরে ঘুরে বেড়ায় নৌকা দিয়ে।
- বেদেরা সাপ ধরে খেলা দেখায় এবং সাপের বিষ বিক্রি করে।
 - এ ছাড়া তারা তাবিজ-কবচও বিক্রি করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৮৬.
কত সালে প্রথম বারের মতো বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘না’ ভোট চালু করা হয়?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা

‘না’ ভোট:
- ২০০৮ সালে প্রথম বারের মতো বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘না’ ভোট চালু করা হয়।

⇒ ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে 'না' ভোট দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছিল।
- নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সেবার সারা দেশে না-ভোট পড়েছিল মোট ৩ লাখ ৮১ হাজার ৯২৪টি, যা মোট ভোটারের শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ।
- তবে সেবার কোনো আসনেই সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার 'না' ভোট দেয়নি।
- আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে ২০০৯ সালে 'না' ভোটের বিধান বাতিল করেছিল।

উৎস: i) The Daily Star Bangla.
ii) বাংলাদেশ নির্বান কমিশন ওয়েবসাইট।

১৮৭.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে কোনটি?
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. পাট ও পাটজাত পণ্য
  3. চামড়াবিহীন জুতা ও প্রকৌশল পণ্য
  4. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত:
- তৈরি পোশাকের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। 
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ২০,০২৮.৫৯ মিলিয়ন ডলার।
- নিটওয়্যার ও ওভেন পোশাকের পাশাপাশি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, ওষুধ, জাহাজ, চিংড়ি এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।

উৎস: i) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। 

১৮৮.
জুলাই শহীদ দিবস কবে পালিত হয়?
  1. ১৬ জুলাই
  2. ১৮ জুলাই
  3. ৩১ জুলাই
  4. ৫ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই
ব্যাখ্যা

জুলাই শহীদ দিবস:
- ১৬ জুলাই জুলাই শহীদ দিবস পালিত হয়।
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ৫ আগস্টকে 'জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস' ও ১৬ই জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

⇒ ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদের নিহত হওয়ার দিনটি স্মরণে এ দিবস ঘোষণা করা হয়। 
- এ ছাড়া গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ ঘোষণা করা হয়েছে।
- এই দিন দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকে। 

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।