১.
সার্কিট সুইচিং এবং প্যাকেট সুইচিং এর পরিবর্তে কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) নেটওয়ার্ক ব্যবহার হয়?
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন (4th Generation-4G: 2009-2020):
- ভালো মানের থ্রিজি কভারেজের অভাব থেকেই শুরু হয় চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা।
- ইন্টারনেট নির্ভর মোবাইল ফোন সিস্টেমে আল্ট্রা-ব্রডব্যান্ড গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাচ্ছে।
- দ্রুত চলনশীল ডিভাইসে ডেটা স্থানান্তর গতি 100 Mbps, ত্রিমাত্রিক এবং স্থির ডিভাইসের ক্ষেত্রে 1 Gibps পর্যন্ত হতে পারে।
- 4G এর প্রযুক্তি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে।
- 4G প্রযুক্তির গতি 3G এর চেয়ে 50 গুণ বেশি।
- মোবাইল ওয়েব অ্যাকসেস, ভিডিও কনফারেন্সিং, আই.পি টেলিফোন, থ্রিডি টিভি, হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, গেমিং সার্ভিসেস ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়। উদাহরণ: WiMAX2.
• চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
১. এ প্রজন্মে সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং-এর পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) নির্ভর নেটওয়ার্ক ব্যবহার।
২. ডেটা ট্রান্সফার রেট বেশি।
৩. 4G এর গতি 3G এর চেয়ে প্রায় ৫০ গুণ বেশি।
৪. উচ্চগতির ফ্রিকোয়েন্সি এবং ত্রি-মাত্রিক ছবি প্রদর্শনের ব্যবস্থা।
৫. বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে পরিবর্তনের সময় নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ।
৬. উন্নতমানের মোবাইল টেলিভিশন দেখার উপযোগী।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
- ভালো মানের থ্রিজি কভারেজের অভাব থেকেই শুরু হয় চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা।
- ইন্টারনেট নির্ভর মোবাইল ফোন সিস্টেমে আল্ট্রা-ব্রডব্যান্ড গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাচ্ছে।
- দ্রুত চলনশীল ডিভাইসে ডেটা স্থানান্তর গতি 100 Mbps, ত্রিমাত্রিক এবং স্থির ডিভাইসের ক্ষেত্রে 1 Gibps পর্যন্ত হতে পারে।
- 4G এর প্রযুক্তি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে।
- 4G প্রযুক্তির গতি 3G এর চেয়ে 50 গুণ বেশি।
- মোবাইল ওয়েব অ্যাকসেস, ভিডিও কনফারেন্সিং, আই.পি টেলিফোন, থ্রিডি টিভি, হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, গেমিং সার্ভিসেস ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়। উদাহরণ: WiMAX2.
• চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
১. এ প্রজন্মে সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং-এর পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) নির্ভর নেটওয়ার্ক ব্যবহার।
২. ডেটা ট্রান্সফার রেট বেশি।
৩. 4G এর গতি 3G এর চেয়ে প্রায় ৫০ গুণ বেশি।
৪. উচ্চগতির ফ্রিকোয়েন্সি এবং ত্রি-মাত্রিক ছবি প্রদর্শনের ব্যবস্থা।
৫. বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে পরিবর্তনের সময় নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ।
৬. উন্নতমানের মোবাইল টেলিভিশন দেখার উপযোগী।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।