পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
Exam - 12 Bangla: Topic: শব্দ ও পদের গঠন, বানান, শব্দের উৎস, শব্দের শ্রেণি বিভাগ, প্রকৃতি-প্রত্যয়।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে কি বলে?
  1. উপসর্গ
  2. প্রত্যয়
  3. অনুসর্গ
  4. বিভক্তি
সঠিক উত্তর:
উপসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপসর্গ
ব্যাখ্যা
• উপসর্গ:
- যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে।
যেমন:
'পরিচালক' শব্দের 'পরি' হলো একটি উপসর্গ।

অন্যদিকে,
প্রত্যয়: 
- যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে।
যেমন:
'সাংবাদিক(সংবাদ + ইক)  শব্দের 'ইক' অংশ একটি প্রত্যয়।

• অনুসর্গ:
- 'অনু’ কথাটির অর্থ পরে , আর ‘সর্গ’ মানে সৃষ্টি বা ব্যবহার। সুতরাং সাধারণভাবে অনুসর্গ বলতে বোঝায় যা পরে ব্যবহৃত হয়। উপসর্গ যেমন ধাতুর আগে বসে, অনুসর্গ তেমন পদের পরে বসে। যেসব অব্যয় বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে পৃথকভাবে বসে শব্দ বিভক্তির মতো তাদের কারক-সম্বন্ধ নির্ধারণ করে, তাদের অনুসর্গ বলা হয়।
যেমন:
তোমাকে দিয়ে আমার চলবে না। 'দিয়ে' এখানে অনুসর্গ।

• বিভক্তি:
- ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বোঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে, সেগুলোকে বিভক্তি বলে।
- বিভক্তি দুই প্রকার: ক্রিয়া-বিভক্তি ও কারক-বিভক্তি।
যেমন:
'করলাম' ক্রিয়াপদের 'লাম' শব্দাংশ হলো ক্রিয়া-বিভক্তি এবং 'কৃষকের' পদের 'এর' শব্দাংশ কারক-বিভক্তির উদাহরণ।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২সংস্করণ)।
.
কোনটি লগ্নক নয়?
  1. বিভক্তি
  2. নির্দেশক
  3. উপসর্গ
  4. বলক
সঠিক উত্তর:
উপসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপসর্গ
ব্যাখ্যা
• লগ্নক:
শব্দ যখন বাক্যের মধ্যে থাকে, তখন তার নাম হয় পদ। পদে পরিণত হওয়ার সময়ে শব্দের সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়, এগুলোর নাম লগ্নক।

লগ্নক চার ধরনের:

বিভক্তি:
ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বোঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে, সেগুলোকে বিভক্তি বলে। বিভক্তি দুই প্রকার: ক্রিয়া-বিভক্তি ও কারক-বিভক্তি। 'করলাম' ক্রিয়াপদের 'লাম' শব্দাংশ হলো ক্রিয়া-বিভক্তি এবং 'কৃষকের' পদের 'এর' শব্দাংশ কারক-বিভক্তির উদাহরণ।

নির্দেশক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদকে নির্দিষ্ট করে, সেগুলোকে নির্দেশক বলে। 'লোকটি' বা 'ভালোটুকু' পদের 'টি' বা 'টুকু' হলো নির্দেশকের উদাহরণ।

• বচন:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদের সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে বচন বলে। 'ছেলেরা' বা 'বইগুলো' পদের 'রা' বা 'গুলো' হলো বচনের উদাহরণ।

বলক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালো হয়, সেগুলোকে বলক বলে। 'তখনই' বা 'এখনও' পদের 'ই' বা 'ও' হলো বলকের উদাহরণ।
---------------------- 
অন্যদিকে,
উপসর্গ:
যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২সংস্করণ)।
.
'সাম্পান' কোন ভাষার শব্দ?
  1. তুর্কি শব্দ
  2. চীনা শব্দ
  3. ফরাসি শব্দ
  4. খাঁটি বাংলা
সঠিক উত্তর:
চীনা শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীনা শব্দ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 'সাম্পান' কোন চীনা ভাষার শব্দ।

• কিছু চীনা শব্দ:
 - চা, চিনি, লিচু, ইত্যাদি।

অন্যদিকে,

কিছু তুর্কি শব্দ:
চাকু, চাকর, দারোগা, কুলি, বাবুর্চি, কোর্মা, খাতুন, বেগম, লাশ, উজবুক, বিবি, কাঁচি ইত্যাদি।

• কিছু ফরাসি শব্দ:
ওলান্দাজ, ডিপো, কার্তুজ ,রেনেসাঁ, ক্যাফে,রেস্তোরাঁয়,দিনেমার।

• কিছু খাটি বাংলা শব্দ:
ঢেঁকি, ঢোল, কাঁটা, খোঁপা, ডিঙি, কুলা, টোপর, খোকা, খুকি, বাখারি, কড়ি, ঝিঙা, কয়লা, কামড়, চাউল, ছাই,  ঝোল, , ডাহা, ঢিল, পয়লা, চুলা,  ঝানু, ডাঁসা, ডাব, ডাঙর, খোঁড়া, চোঙা, ছাল, ঢিল, মাঠ, মুড়ি, চাটাই, খোঁজ, , ঝিনুক, নেড়া, কুলা, শিকড়, ঝাপসা, কচি, গোড়া,  খড়, পেট, কুড়ি, দোয়েল,গোড়া, গঞ্জ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. কর্নেল
  2. স্টেশন
  3. লক্ষ্মীবান
  4. আদ্যক্ষর
সঠিক উত্তর:
আদ্যক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদ্যক্ষর
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 'আদ্যক্ষর' বানানটি অশুদ্ধ ।
- শুদ্ধ বানান: আদ্যাক্ষর

• 'আদ্যাক্ষর' শব্দের অর্থ:
- প্রথম অক্ষর।

অন্যদিকে,
- কর্নেল ,স্টেশন ইংরেজি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
- 'লক্ষ্মীবান' সংস্কৃত শব্দ। যার অর্থ সৌভাগ্যবান।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান ।
.
নিচের কোন বানানটি ভুল?
  1. আবিষ্কার
  2. পরিষ্কার
  3. দুস্কর
  4. তিরস্কার
সঠিক উত্তর:
দুস্কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুস্কর
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 'দুস্কর' বানানটি অশুদ্ধ ।
- শুদ্ধ বানান: দুষ্কর

অন্যদিকে,

আবিষ্কার, পরিষ্কার, তিরস্কার এর বানান শুদ্ধ ।

নিয়ম:
- বিসর্গযুক্ত ই/উ ধ্বনি এর পর 'ষ' হবে। যেমন: আবিষ্কার (আবিঃ + কার)।
- অ-যুক্ত বা মুক্ত বর্ণের পর 'স' হবে ।যেমন: তিরস্কার।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
তৎসম শব্দের বানানে কখনো কী বসবে না?
  1. 'স'
  2. 'ণ'
  3. 'খ'
  4. 'য'
সঠিক উত্তর:
'স'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'স'
ব্যাখ্যা
তৎসম শব্দের বানানে কখনো 'স' বসবে না।

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা ব্যাকরণের নিয়মানুসারে,

- তৎসম শব্দের বানানে সবসময় 'ষ' ব্যবহৃত হবে।

এছাড়াও,
- তৎসম শব্দের বানানে সবসময় 'ণ' ব্যবহৃত হবে।
- তৎসম স্ত্রী বাচক শব্দের বানানে সর্বদা 'ই'- কার না হয়ে ঈ - কার বসবে।

 উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ।
.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. বাল্মীকী
  2. বাল্মিকী
  3. বাল্মীকি
  4. বাল্মিকি
সঠিক উত্তর:
বাল্মীকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাল্মীকি
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- 'বাল্মীকি' বানানটি শুদ্ধ।
- 'বাল্মীকি' একটি সংস্কৃত শব্দ।
- বাল্মীকি = বল্মীক + ই।

অর্থ: রামায়ণের প্রণেতা কবি, আদিকবি।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নিচের কোন বানানগুচ্ছ সঠিক?
  1. শীতাতপ, দ্বন্দ্ব
  2. শীতাতাপ, দ্বন্দ
  3. শীততাপ ,স্বরসতি
  4. সরস্বতি, গোধূলী
সঠিক উত্তর:
শীতাতপ, দ্বন্দ্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শীতাতপ, দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- শীতাতপ, দ্বন্দ্ব বানানদ্বয় শুদ্ধ।
- শীত + আতপ = শীতাতপ; দ্বি + দ্বি = দ্বন্দ্ব।
- উভয়ই সংস্কৃত ভাষার শব্দ।

অন্যদিকে,
- 'স্বরসতী' এর সঠিক বানান 'সরস্বতি' ।
- এবং 'গোধূলী' এর সঠিক বানান  'গোধূলি'।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
অর্থমূলকভাবে শব্দ কত প্রকার?
  1. ৫ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ২ প্রকার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
অর্থমূলকভাবে শব্দ ৩ প্রকার ।

অর্থমূলক শ্রেণিবিভাগ:
অর্থগতভাবে শব্দসমূহ তিন ভাগে বিভক্ত।
যথা-
ক. যৌগিক শব্দ:
যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে। যেমন- গায়ক (গৈ + ণক (অক) অর্থ গান করে যে। কর্তব্য = কৃ + তব্য অর্থ: যা করা উচিত। 

খ. রূঢ়ি শব্দ:
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন,
-হস্তী=হস্ত + ইন, অর্থ-হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়। গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ গরু খোঁজা।

গ. যোগরূঢ় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে, তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন- পঙ্কজ পঙ্কে জন্মে যা (উপপদ তৎপুরুষ সমাস)। শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি নানাবিধ উদ্ভিদ পঙ্কে জন্মে থাকে। কিন্তু 'পঙ্কজ' শব্দটি একমাত্র 'পদ্মফুল' অর্থেই ব্যবহৃত হয়। তাই পঙ্কজ একটি যোগরূঢ় শব্দ।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১০.
যেসব শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে গঠিত হয়ে মূল অর্থ প্রকাশ না করে অন্য বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে তাকে কি বলে?
  1. যৌগিক শব্দ
  2. যোগরূঢ় শব্দ
  3. রূঢ়ি শব্দ
  4. মৌলিক শব্দ
সঠিক উত্তর:
রূঢ়ি শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূঢ়ি শব্দ
ব্যাখ্যা
• রূঢ়ি শব্দ:
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন-
- হস্তী=হস্ত + ইন; অর্থ-হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ গরু খোঁজা।অথচ, বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।

অন্যদিকে,

যৌগিক শব্দ:
যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন- গায়ক (গৈ + ণক (অক) অর্থ গান করে যে। কর্তব্য = কৃ + তব্য অর্থ: যা করা উচিত।

যোগরূঢ় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে, তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন- পঙ্কজ = পঙ্কে জন্মে যা (উপপদ তৎপুরুষ সমাস)। শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি নানাবিধ উদ্ভিদ পঙ্কে জন্মে থাকে। কিন্তু 'পঙ্কজ' শব্দটি একমাত্র 'পদ্মফুল' অর্থেই ব্যবহৃত হয়। তাই পঙ্কজ একটি যোগরূঢ় শব্দ।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১১.
'ডিঙি' কোন ভাষার শব্দ?
  1. সংস্কৃত
  2. দেশি
  3. হিন্দি
  4. আরবি
সঠিক উত্তর:
দেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশি
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- 'ডিঙি' দেশি  শব্দ ।

• কিছু দেশি শব্দ:
ঢেঁকি, ঢোল, কাঁটা, খোঁপা, ডিঙি, কুলা, টোপর, খোকা, খুকি, বাখারি, কড়ি, ঝিঙা, কয়লা, কামড়, চাউল, ছাই, ঝোল, , ডাহা, ঢিল, পয়লা, চুলা, ঝানু, ডাঁসা, ডাব, ডাঙর, খোঁড়া, চোঙা, ছাল, ঢিল, মাঠ, মুড়ি, চাটাই, খোঁজ, , ঝিনুক, নেড়া, কুলা, শিকড়, ঝাপসা, কচি, গোড়া, খড়, পেট, কুড়ি, দোয়েল,গোড়া, গঞ্জ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১২.
নিচের কোনটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. শরবত
  2. হরতাল
  3. চাহিদা
  4. ফিতা
সঠিক উত্তর:
ফিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিতা
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'ফিতা' পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ।

কিছু পর্তুগিজ শব্দ:
ইংরেজ, পাউরুটি, আনারস , আচার, সাবান, আলকাতরা, আলপিন, চাবি, আলমারি, বেহালা ,কেরানি, বর্গা, বালতি, পেয়ারা , ইস্পাত, নিলাম, গরাদ, গামলা, পেরেক, মিস্ত্রি, যিশু, কেদারা, কামরা।

অন্যদিকে, 
- 'শরবত' আরবি ভাষা হতে আগত শব্দ।
- 'চাহিদা' দেশি শব্দ।
- 'হরতাল' গুজরাটি ভাষা হতে আগত শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৩.
যেকোনো শব্দ বা ধাতুর শেষ বর্ণের পূর্ববর্তী বর্ণকে কি বলে?
  1. উপধা
  2. প্রাতিপদিক
  3. গুণ
  4. আদি বর্ণ
সঠিক উত্তর:
উপধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপধা
ব্যাখ্যা
যে কোনো শব্দ বা ধাতুর শেষ বর্ণের পূর্ববর্তী বর্ণকে উপধা বলে।

উদাহরণ: রাজ্‌ + আ = রাজা; এখানে, 'জ' উপধা।

অন্যদিকে,
প্রাতিপদিক: বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে।

গুণ: প্রকৃতির শেষে প্রত্যয় যোগ হলে উক্ত প্রকৃতির আদিস্বরের যে পরিবর্তন ঘটে তাকে গুণ বলে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর।
১৪.
'বক্তব্য'- এর সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. √বক্‌ + অব্য
  2. √বক্‌ +তব্য
  3. √বচ্‌ + তব্য
  4. √বচ্‌ +অব্য
সঠিক উত্তর:
√বচ্‌ + তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√বচ্‌ + তব্য
ব্যাখ্যা
'বক্তব্য'- এর সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় - √ বচ্‌ + তব্য।
এখানে,
- '√ বচ' সংস্কৃত ক্রিয়াপ্রকৃতি এবং 'তব্য' সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।

- ধাতুর সঙ্গে যখন কোনো ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরি হয়, তখন ক্রিয়ামূল বা ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি বা প্রকৃতি।

- ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ-প্রত্যয়।
- যেমন- চল্ (ক্রিয়া প্রকৃতি)+ অন (কৃৎ-প্রত্যয়)= চলন (বিশেষ্য পদ)।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১৫.
নিচের কোনটি বাংলা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ?
  1. মাতা
  2. নয়ন
  3. চলন
  4. দাতব্য
সঠিক উত্তর:
চলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চলন
ব্যাখ্যা
চলন = √চল্‌ + অন ; বাংলা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ।
- 'চলন' শব্দে  √চল্‌  ধাতুর সাথে 'অন' বাংলা কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- মাতা = √মা + তৃচ; শব্দে 'তৃচ' সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।
- নয়ন = √নী + অন; শব্দে 'অন' সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।
- দাতব্য = √দা +তব্য; শব্দে 'তব্য' সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১৬.
'সামুদ্রিক'- এর সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
  1. সামুদ্র +ষ্ণিক
  2. সমুদ্র+ ণিক
  3. সমুদ্র +ষ্ণিক
  4. সামুদ্রি + ইক
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র +ষ্ণিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র +ষ্ণিক
ব্যাখ্যা
'সামুদ্রিক'- এর সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় সমুদ্র +ষ্ণিক।
সামুদ্রিক = সমুদ্র +ষ্ণিক এখানে 'ষ্ণিক' সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়।

• ষ্ণিক (ইক)-প্রত্যয়:
- দক্ষ বা বেত্তা অর্থে: সাহিত্য + ষ্ণিক = সাহিত্যিক, বেদ + ষ্ণিক = বৈদিক, বিজ্ঞান + ষ্ণিক = বৈজ্ঞানিক।
- বিষয়ক অর্থে : সমুদ্র +ষ্ণিক=সামুদ্রিক।
- বিশেষণ গঠনে : হেমন্ত + ষ্ণিক = হৈমন্তিক, অকস্মাৎ + ষ্ণিক = আকস্মিক।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১৭.
নিচের কোন বানানটি সঠিক নয়?
  1. স্বয়ংবর
  2. যদ্যাপি
  3. আত্মসাৎ
  4. গার্হস্থ্য
সঠিক উত্তর:
যদ্যাপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদ্যাপি
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,

'যদ্যাপি' বানানটি সঠিক নয়।
- সঠিক বানান: যদ্যপি। 
- অর্থ: যদিও।
- উৎস: সংস্কৃত।

অন্যদিকে,
- স্বয়ংবর, আত্মসাৎ,গার্হস্থ্য - শব্দের বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।