পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৪৪
সিলেবাস
Exam - 9 The Code of Civil Procedure, 1908: Test-1 Topic ➝ • Preliminary Discussion of CPC • Definition (Section 2) • Civil Courts Act, 1887 (All Section) • Rule making power of Supreme Court (Sections 122-123) • Place of suing (Sections 15-20) • Res sub judice & Res Judicata (Sections 10-11) • Transfer of Civil Suit (Sections 22-24A)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৪ প্রশ্ন

.
দেওয়ানি কার্যবিধি কোন সালের, কত নম্বর আইন?
  1. ১৯০৯ সালের ৫নং আইন
  2. ১৮০৮ সালের ৬ নং আইন
  3. ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন
  4. ১৮০৯ সালের ৪ নং আইন
সঠিক উত্তর:
১৯০৮ সালের ৫ নং আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৮ সালের ৫ নং আইন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধি  ১৯০৮ সালের ৫ নং আইন।

• সর্ব প্রথম ১৮৫৯ সালে সিভিল কোড সংক্রান্ত পদ্ধতিগত আইন বিধিবদ্ধ [codified] করা হয়। বর্তমানের দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ সালে প্রণয়ন করা হয় এবং ১৯০৯ সালের ১লা জানুয়ারী থেকে কার্যকর হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law বা Adjective law]। দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি সংক্রান্ত আইন হলো দেওয়ানি কার্যবিধি। এই আইনে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে দেওয়ানি কোর্টসমূহ কোন পদ্ধতি অনুসরণ করবে, মোকদ্দমার পক্ষসমূহ কিভাবে মোকদ্দমা দায়ের করবে, মোকদ্দমার আরজি এবং লিখিত জবাব দাখিল করবে, সমন জারি,পক্ষসমূহের শুনানীর সময় উপস্থিতি, মোকদ্দমার শুনানী, রায় ঘোষণা, ডিক্রি জারি এবং বলবৎকরণ,আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ ইত্যাদি বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। 
.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় 'আইনানুগ প্রতিনিধি (Legal Representative)' এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২(৯)
  2. ধারা ২(১১)
  3. ধারা ২(৮)
  4. ধারা ২(১৩)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১১)
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১১) এ আইনানুগ প্রতিনিধি (Legal Representative) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

• ধারা ২(১১) অনুসারে আইনানুগ প্রতিনিধি হলো সেই ব্যক্তি-
⇒ যে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রতিনিধিত্ব করে;
⇒ যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পরিচালনা করে; এবং
⇒ যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির প্রতিনিধি হিসেবে মোকদ্দমা করতে পারে বা যার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করা যায়।

Section 2(11)-
"legal representative" means a person who in law represents the estate of a deceased person, and includes any person who intermeddles with the estate of the deceased and where a party sues or is sued in a representative character the person on whom the estate devolves on the death of the party so suing or sued.
.
The Civil Courts Act,1887 এর কত ধারায় দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া আছে?
  1. ধারা ৩
  2. ধারা ৫
  3. ধারা ৭
  4. ধারা ৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে The Civil Courts Act,1887 এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

• The Civil Courts Act,1887 এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ  দেয়া হয়েছে-

১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
.
প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে-
  1. এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বোচ্চ স্তরের আদালতে
  2. এখতিয়ারসম্পন্ন যেকোন আদালতে
  3. এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন স্তরের আদালতে
  4. উপরের যেকোনো আদালতে
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন স্তরের আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন স্তরের আদালতে
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, তা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়। ধারা-১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it"

অর্থাৎ প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী।
.
'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের দায়ে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করেছে। মোকদ্দমাটি আদালতে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একই চুক্তি ভঙ্গের দায়ে অন্য একটি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করে। আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার ক্ষেত্রে কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে?
  1. পূর্ববর্তী মোকদ্দমা খারিজ
  2. পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত
  3. পরবর্তী মোকদ্দমা খারিজ
  4. যেকোনো একটি
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত
ব্যাখ্যা
আদালত পরবর্তী মোকদ্দমা স্থগিত করার নির্দেশ দিতে পারে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারা অনুযায়ী বলা যায়, দেওয়ানি আদালত সকল প্রকার দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার করতে পারে। কিন্তু দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ এবং ১১ ধারায় দেওয়ানি আদালত নিম্নলিখিত দুইটি ক্ষেত্রে দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার করতে পারবে না-
ক. বিচারাধীন মোকদ্দমা/ মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (Res sub judice) (ধারা-১০)
খ. দোবারা দোষ বা বিচারিত বিষয় (Res Judicata) (ধারা-১১)

দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ১০ ধারার নীতি প্রয়োগ করতে শর্তসমূহ-

⇒ দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
⇒ উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হবে
⇒ উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে
⇒ পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে
⇒ পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে
⇒ উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা দায়ের করেছে।

১০ ধারার বিধান মান্য করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। অর্থাৎ উপরের শর্ত পূরণ হলে আদালত উল্লেখিত পরবর্তী মোকদ্দমাটির বিচার স্থগিত করার নির্দেশ দিবেন।

Section 10: Stay of suit-

No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in a previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court. 
Explanation.-The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.

.
যার বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করা হয়, তাকে বলা হয়-
  1. ডিক্রিপ্রত্যাশী
  2. ডিক্রিদার
  3. দায়িক
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
দায়িক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়িক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১০) তে “দায়িক” (Judgment-debtor) এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-
"দায়িক বলতে এমন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার বিপক্ষে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে বা জারিযোগ্য আদেশ প্রদান করা হয়েছে।"
"Judgment-debtor" means any person against whom a decree has been passed or an order capable of execution has been made"
 
• অপরদিকে, ধারা ২(৩) অনুসারে-
"ডিক্রিদার বলতে এমন একজন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার অনুকূলে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে অথবা জারিযোগ্য কোন আদেশ প্রদান করা হয়েছে।"
"Decree-holder means any person in whose favour decree has been passed or an order capable of execution has been made"

• ডিক্রিপ্রত্যাশী বলতে এমন ব্যক্তিকে বুঝায়, যার অনুকূল বা প্রতিকূলে ডিক্রি অথবা জারিযোগ্য কোন আদেশ প্রদান করা হতে পারে।
.
'ক' ২২,০০,০০০ টাকা মূল্যমানের জমির মালিকানার বিরোধজনিত মোকদ্দমা নিম্নলিখিত কোন আদালতে দায়ের করতে পারে?
  1. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
  2. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
  3. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
  4. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
ব্যাখ্যা
• কোন দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করবেন সেটা ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।

• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-

⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।

অর্থাৎ "ক" উক্ত মোকদ্দমা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দায়ের করবে।
.
মোকদ্দমা দায়েরকৃত আদালতে কখন আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে?
  1. বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে
  2. বাদী বা বিবাদী যখনই আবেদন করে
  3. বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পর যেকোন সময়
  4. বাদী যখনই আবেদন করে
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে
ব্যাখ্যা
• যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত  আপত্তি উত্থাপন করা যায়।

• ধারা ২১: এখতিয়ারে আপত্তি-
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে, আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপীল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না। কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপীল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।

Sec 21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.
.
কোন ক্ষেত্রে দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] প্রয়োগ করা যাবে?
  1. একটি পূর্বে চলমান মোকদ্দমা এবং অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
  2. একটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
  3. উভয়টি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমা
  4. একই সময়ে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
সঠিক উত্তর:
একটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

• শর্তসমূহ:
⇒ দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
⇒ উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় একই;
⇒ পরবর্তী মোকদ্দমাটি যারা দায়ের করেছে, পূর্ববর্তী চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমাটি সেই একই পক্ষগণের মধ্যে ছিল বা সেই পক্ষগণের মধ্যে ছিল যাদের মাধ্যমে তারা বা তাদের কোন একজন প্রতিকার দাবী করে;
⇒ উক্ত পক্ষগণ পূর্ববর্তী মোকদ্দমায় একই বিষয়বস্তু নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করেছে;
⇒ এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করেছে।

• ১১ ধারার নিয়ম অনুসরণ করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
১০.
বাদীর অনুপস্থিতির জন্য আদালত মোকদ্দমা খারিজের সিদ্ধান্ত দেয়া হলে, তা ______ বলে গণ্য হবে?
  1. ডিক্রি
  2. আদেশ
  3. আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হিসেবে ডিক্রি
  4. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ
ব্যাখ্যা
কোন ত্রুটির জন্য মোকদ্দমা খারিজের সিদ্ধান্ত দেয়া হলে, উক্ত সিদ্ধান্ত আদেশ বলে গণ্য হবে।

• ধারাঃ ২(২) এ ডিক্রির সংজ্ঞা হিসেবে দেয়া আছে:
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও এর অন্তর্ভুক্ত হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
খ) কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ

Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144, but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default. 
১১.
কোনটি মধ্যবর্তী মুনাফা (mesne profit) হিসাবে গণ্য হবে?
  1. X, L এর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
  2. X নিজের জমিতে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে
  3. X, L এর সম্পত্তি অবৈধ দখল করে সেখানে বাড়ি বানিয়ে ভাড়া দিলে
  4. L নিজের পুকুরে মাছ চাষ করে মুনাফা পেলে
সঠিক উত্তর:
X, L এর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X, L এর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে অপশন 'ক' সকল শর্ত পূরণ করে বিধায় তা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে। 

• ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

• ব্যতিক্রমঃ
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না ।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession:
১২.
'Bar to further suit'- দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারার শিরোনাম?
  1. ধারা ৯
  2. ধারা ১৩
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ১১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
ব্যাখ্যা
• ধারা ১২-পুনরায় মোকদ্দমা দায়েরে বাধা

কোন বিধি অনুসারে একজন বাদীকে যখন কোন বিশেষ কারণ সম্পর্কে অতিরিক্ত মোকদ্দমা দায়ের করা হতে নিবারণ করা হয়, তখন যে আদালতের প্রতি এই কার্যবিধি প্রযোজ্য হয় সেরূপ কোন আদালতে সে একই কারণ নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না।

Bar to further suit-
Where a plaintiff is precluded by rules from instituting a further suit in respect of any particular cause of action he shall not be entitled to institute a suit in respect of such cause of action in any Court to which this Code applies. 

অর্থাৎ যে সকল ক্ষেত্রে আইনগতভাবে মোকদ্দমা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে মোকদ্দম দায়ের  করা যায় না।
১৩.
স্থাবর সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারার মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, যে আদালতের এখতিয়ারধীন-
  1. বাদী বসবাস করে
  2. বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত
  3. বিবাদী বসবাস করে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে। ধারা ১৬ অনুযায়ী মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের আঞ্চলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত, সেই আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।

• সাধারণত স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মোকদ্দমা যেমন-
স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার,
স্থাবর সম্পত্তি ভাগ-বাটোয়ারা,
স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন ক্ষতিপুরণের মোকদ্দমা
আটক বা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা; সেই আদালতে দায়ের করতে হবে যেখানে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তি অবস্থিত।

• তবে স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকি সম্পত্তি খালাসের অধিকারহরণ (foreclosure) বা বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের (redemption) মামলা সেই আদালতে দায়ের করতে হবে, যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে।
১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না-
  1. ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে
  2. ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত কর্তৃক স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  3. ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত কর্তৃক অস্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে
  4. ক এবং খ ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা Small Cause Courts সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। যদি স্মল কজ কোর্ট বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতে দেওয়ানী কার্যবিধি প্রযোজ্য হয়, তাহলে দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ও বিধি ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতে প্রযোজ্য হবে না তা ৭ ধারায় বলা হয়েছে।

• ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না-
⇒ ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত মোকদ্দমা;
⇒ এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রি জারি; এবং
⇒ স্থাবর সম্পত্তির ডিক্রি জারি

তবে, ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা স্বল্প এখতিয়ার আদালতের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারা; ৯১ ও ৯২ ধারা; ২৪ ও ৯৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক, ইনজাংশন, রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান এবং ৯৬ থেকে ১১২ ও ১১৫ ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।
১৫.
আপিল গ্রহণের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতসমূহের আর্থিক এখতিয়ার সর্বশেষ কবে সংশোধন করা হয়েছে?
  1. ২০১২
  2. ২০১৬
  3. ২০২১
  4. ২০১৭
সঠিক উত্তর:
২০২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act, 1887 সর্বশেষ সংশোধন করা হয় ২০২১ সালের ১১ই জানুয়ারি এবং উক্ত দিন হতে সংশোধনী আইনটি কার্যকর হয়। উক্ত সংশোধনী দ্বারা ১৯ ও ২১ ধারা সংশোধন করা হয় এবং দেওয়ানী আদালতের আর্থিক এখতিয়ার বৃদ্ধি করা হয়।

• এই আইনের ২১ ধারায় আপিল গ্রহণের ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতের আর্থিক এখতিয়ারের সীমার বিধান রয়েছে। ২১ ধারামতে শুধুমাত্র ২টি আদালত আপিলের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) জেলা জজ আদালত এবং
ii) হাইকোর্ট বিভাগ।

২০২১ সালের দেওয়ানি আদালত সংশোধন আইন অনুযায়ী, জেলা জজ আদালত ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল শুনতে পারেন। অর্থাৎ জেলা জজ আদালতের আপিল এখতিয়ার ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকা পর্যন্ত। ৫,০০০,০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক মূল্যমানের ডিক্রির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
১৬.
'বিরোধীয় স্থাবর সম্পত্তির অবস্থান সম্পর্কিত অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, মোকদ্দমা যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা যাবে'- বলা আছে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ২৩
  3. দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৯
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ২১
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৮
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে।

দেওয়ানি কার্যবিধির  ১৮ ধারায় আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে, মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে
দেয়া আছে- যখন আদালতের আঞ্চলিক সীমানা অনিশ্চিত অর্থাৎ যখন দাবী করা হয় কোন আদালতের আঞ্চলিক সীমানায় বিরোধীয় স্থাবর সম্পত্তি অবস্থিত তা অনিশ্চিত, তখন যে কোন একটি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়।

উল্লেখ্য যে, দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭ এবং ১৮ ধারার মধ্যে মূল পার্থক্য হলো- বিরোধীয় সম্পত্তি ভিন্ন ভিন্ন আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত কিন্তু আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিশ্চিত হলে ১৭ ধারা প্রযোজ্য হবে। কিন্তু যদি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হয় তখন ১৮ ধারা প্রযোজ্য হবে।

Section 18: Place of institution of suit where local limits of jurisdiction of Courts are uncertain-
(1) Where it is alleged to be uncertain within the local limits of the jurisdiction of which of two or more Courts any immovable property is situate, any one of those Courts may, if satisfied that there is ground for the alleged uncertainly, record a statement to that effect and thereupon proceed to entertain and dispose of any suit relating to that property, and its decree in the suit shall have the same effect as if the property were situate within the local limits of its jurisdiction: 
Provided that the suit is one with respect to which the Court is competent as regards the nature and value of the suit to exercise jurisdiction. 
 
(2) Where a statement has not been recorded under sub-section (1), and an objection is taken before an appellate or revisional Court that a decree or order in a suit relating to such property was made by a Court not having jurisdiction where the property is situate, the appellate or revisional Court shall not allow the objection unless in its opinion there was, at the time of the institution of the suit, no reasonable ground for uncertainly as to the Court having jurisdiction with respect thereto and there has been a consequent failure of justice. 
১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন সিদ্ধান্ত মূলত-
  1. আদেশ
  2. রায়
  3. ডিক্রি
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন(আরজি প্রত্যাখান) এর সিদ্ধান্ত মূলত একটি ডিক্রি।
 
• ধারাঃ ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে।উল্লেখ্য যে-
আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখান এবং
১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
খ) কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144, but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default. 
১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৯ ধারায় কোন ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করা যায়?
  1. ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে
  2. স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে
  3. ব্যক্তি বা স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে
  4. স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৯ এ ব্যক্তি বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের ক্ষেত্রে  ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করতে হবে তা বলা হয়েছে। 

• ধারা ১৯-
কোন ব্যক্তি বা কোন অস্থাবর সম্পত্তির প্রতি এক আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে ক্ষতিসাধন করা হলে এবং বিবাদী অন্য আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে বসবাস করলে বা ব্যবসা করলে বা লাভজনক কাজ করলে, বাদী দুই আদালতের যে কোন একটিতে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

উদাহরণঃ
ক) 'এ'-চট্টগ্রামে বসবাস করে এবং সে 'বি'-কে ঢাকায় মারধর করে। 'বি' ঢাকায় বা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।
খ) চট্টগ্রামে বসবাসকারী 'এ' ঢাকায় 'বি' সম্পর্কে মানহানিকর বিবৃতি প্রকাশ করে। 'বি' ঢাকায় অথবা চট্টগ্রামে 'এ' এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা করতে পারে।

Section 19: Suits for compensation for wrongs to person or movables-
Where a suit is for compensation for wrong done to the person or to movable property, if the wrong was done within the local limits of the jurisdiction of one Court and the defendant resides, or carries on business, or personally works for gain, within the local limits of the jurisdiction of another Court, the suit may be instituted at the option of the plantiff in either of the said Courts. 
 
Illustrations-
(a) A, residing in Chittagong beats B in Dhaka. B may sue A either in Dhaka or in Chittagong. 
(b) A, residing in Chittagong publishes in Dhaka statements defamatory of B. B may sue A either in Dhaka, or in Chittagong.
১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির সংজ্ঞা অনুসারে- "Judge" means the_______ of a civil court.
  1. Chief Officer
  2. Officer
  3. Presiding Officer
  4. Executive Officer
সঠিক উত্তর:
Presiding Officer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Presiding Officer
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(৮) এ "বিচারক বা জজ" এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে-

"বিচারক বা জজ" বলতে দেওয়ানি আদালতের প্রিজাইডিং অফিসার বোঝায়।
"Judge" means the Presiding Officer of a Civil Court.

• সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা-৩ এ নিম্নলিখিত দেওয়ানি আদালতের প্রকারভেদ দেয়া হয়েছে-

১. জেলা জজ আদালত [Court of District Judge]
২. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত [Court of Additional District Judge]
৩. যুগ্ম জেলা জজ আদালত [Court of Joint District Judge]
৪. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত [Court of Senior Assistant Judge]
৫. সহকারী জজ আদালত [Court of Assistant Judge]
 
অর্থাৎ "বিচারক বা জজ" বলতে উল্লেখিত দেওয়ানি আদালতসমূহের প্রিজাইডিং অফিসারকে বুঝাবে।
২০.
'কোনো আদালত নিজস্ব আর্থিক এখতিয়ারের অতিরিক্ত মূল্যমানের মোকদ্দমা গ্রহণ করবে না'- কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ৩, সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭
  2. ধারা ১৫, দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮
  3. ধারা ৬, সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট ১৮৮৭
  4. ধারা ৬, দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬, দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬, দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৬ ধারায় (আর্থিক এখতিয়ার) সম্পর্কে বলা আছে-

অন্যত্র বর্ণিত সুস্পষ্ট বিধানসমূহ ছাড়া এই আইনের বিধান কোন আদালতকে তার সাধারণ এখতিয়ারের আর্থিক সীমারেখার (যদি থাকে) বেশি মূল্যসম্পন্ন বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার প্রদান করবে না।

• দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করার ক্ষেত্রে ২টি বিষয় বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়-
১) আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং
২) আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার। 

Section 6: Pecuniary Jurisdiction-

Save in so far as is otherwise expressly provided, nothing herein contained shall operate to give any Court jurisdiction over suits the amount or value of the subject-matter of which exceeds the pecuniary limits (if any) of its ordinary jurisdiction.
২১.
স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের (redemption) মোকদ্দমা কোন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. যেখানে বন্ধকগ্রহীতা বাস করে
  2. যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে
  3. যেখানে বন্ধকদাতা বাস করে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকের ক্ষেত্রে বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয় বা উদ্ধারের (redemption) মোকদ্দমা, যেখানে মোকদ্দমা দায়েরের আংশিক বা সম্পূর্ণ কারণ উৎপত্তি হয়েছে  সেই স্থানের আদালতে দায়ের করতে হবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে। ধারা ১৬ অনুযায়ী যেখানে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অবস্থিত, সেখানে মোকদ্দমা রুজু করতে হয়— যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক অথবা অন্যান্য সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে,

ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য মোকদ্দমা;
গ) স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা;
ঘ) স্থাবর সম্পত্তিতে অন্য কোন প্রকার স্বত্ব বা অধিকার নির্ণয়ের জন্য মোকদ্দমা;
ঙ) স্থাবর সম্পত্তি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা;
চ) আটক অথবা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা।

উপরোল্লিখিত বিষয়ে আনিত মোকদ্দমাসমূহ যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত বা, 'গ' দফায় বর্ণিত (স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে যে স্থানে মোকদ্দমার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়েছে সে সমস্ত আদালতেই দায়ের করতে হবে।
২২.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট কয়টি আদেশ(Order) আছে?
  1. ৫০টি
  2. ৪১ টি
  3. ৪৮টি
  4. ৫১ টি
সঠিক উত্তর:
৫১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১ টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে মোট ৫১ টি আদেশ(Order) আছে। আদেশসমূহ ১ম তফসিলে উল্লেখ আছে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ২টি অংশ-
প্রথম অংশ- ধারা [Sections]- মোট ১৫৮ টি ধারা
দ্বিতীয় অংশ-তফসিল [Schedules]- মোট ৩ টি তফসিল বর্তমানে বলবৎ আছে।

• তফসিলসমূহ (Schedules)-
প্রথম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ। মোট ৫১টি আদেশ আছে।
দ্বিতীয় তফসিল: বাতিল
তৃতীয় তফসিল: কালেক্টর কর্তৃক ডিক্রি জারি
চতুর্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ
পঞ্চম তফসিল: বাতিল
২৩.
'The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action'- কোন নীতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. Res judicata
  2. Res sub-judice
  3. Estoppel
  4. all of above
সঠিক উত্তর:
Res sub-judice
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Res sub-judice
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এই নীতি প্রয়োগ করতে শর্তসমূহ-

১. দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি হলো পূর্বে দায়েরকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি হলো পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা
২. উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই
৩. উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি অবশ্যই বিচারাধীন থাকতে হবে
৫. পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি যে আদালতে দায়ের করা হয়েছে সেই আদালতের দাবীকৃত প্রতিকার দেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে
৬. উভয় মোকদ্দমায় উভয় পক্ষগণ একই স্বত্ত্বের অধীন মোকদ্দমা [under same title) দায়ের করেছে।

Section 10: Stay of suit-
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh Established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court.

Explanation-The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.

অর্থাৎ পূর্ববর্তী মোকদ্দমা যদি কোন বৈদেশিক আদালতে দায়ের করা হয়ে থাকে, তাহলে মোকদ্দমার কারণ একই হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের কোন আদালতে পরবর্তী মোকদ্দমার বিচারে বাধা সৃষ্টি হবে না ।
২৪.
'ক'-ঢাকার একজন ব্যবসায়ী। 'খ'-খুলনায় ব্যবসা করে। 'খ' তার প্রতিনিধি মারফত কুমিল্লায় 'ক' এর মালামাল ক্রয় করে এবং কুরিয়ারে পাঠানোর জন্য 'ক'-কে অনুরোধ জানায়। 'ক' সেই অনুসারে মালগুলো পাঠায়। কিন্তু 'খ' মূল্য পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি জানায়। এক্ষেত্রে 'ক' মালগুলোর মূল্যের জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে কোথায় মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. ঢাকা বা কুমিল্লায়
  2. খুলনায়
  3. কুমিল্লা বা খুলনায়
  4. কুমিল্লায়
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা বা খুলনায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা বা খুলনায়
ব্যাখ্যা
'খ'-এর বিরুদ্ধে কুমিল্লা বা খুলনায় এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২০ এ বলা আছে- ধারা ১৬ থেকে ১৯ এ উল্লেখিত মোকদ্দমা ছাড়া অন্যান্য মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, যে আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে-

ক) বিবাদি বা একাধিক বিবাদি থাকলে, তাদের প্রত্যেকে মোকদ্দমাটি দায়ের করার সময় প্রকৃতপক্ষে এবং স্বেচ্ছায় বসবাস করে অথবা ব্যবসা করে বা লাভজনক কাজ করে; অথবা,

খ) একাধিক বিবাদি থাকলে তাদের কোন একজন মোকদ্দমা রুজু করার প্রাক্কালে প্রকৃতপক্ষে এবং স্ব-ইচ্ছায়, বসবাস করে বা ব্যবসা করে অথবা ব্যক্তিগতভাবে লাভজনক কাজ করেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, এক্ষেত্রে আদালতের সম্মতি গ্রহণ করতে হবে অথবা যে সমস্ত বিবাদি এলাকায় বসবাস করে না বা ব্যবসা করে না কিংবা ব্যক্তিগতভাবে লাভজনক কর্ম করে না তাদের এই মোকদ্দমা দায়েরের ব্যাপারে রাজী হতে হবে; অথবা

(গ) মোকদ্দমার কারণ সম্পূর্ণভাবে বা আংশিক উদ্ভব হয়েছে

উল্লেখিত ক্ষেত্রে বিবাদি 'খ' খুলনায় ব্যবসা কাজ পরিচালনা করেন এবং কুমিল্লায় মোকদ্দমার কারণ উদ্ভব হয়। তাই উক্ত মোকদ্দমা কুমিল্লা বা খুলনায় এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দায়ের করা যাবে।
২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধি মতে ডিক্রি (decree ) সম্পর্কে নিম্নের কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. ডিক্রি সর্বদা চূড়ান্ত হবে
  2. ডিক্রি প্রাথমিক হতে পারে না
  3. ডিক্রি চূড়ান্ত বা প্রাথমিক হতে পারে
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি চূড়ান্ত বা প্রাথমিক হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রি চূড়ান্ত বা প্রাথমিক হতে পারে
ব্যাখ্যা
• ধারাঃ ২(২) এ ডিক্রির সংজ্ঞা হিসেবে দেয়া আছে:

ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় → সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। আরজি প্রত্যাখ্যান এবং ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও এর অন্তর্ভুক্ত হবে।

তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
ক) যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
খ) কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

• ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞায় প্রাথমিক ডিক্রি ও চূড়ান্ত ডিক্রি উল্লেখ করা হয়েছে এবং ২(২) ধারার ব্যাখায় প্রাথমিক ডিক্রি এবং চূড়ান্ত ডিক্রির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এবং আংশিক প্রাথমিক এবং আংশিক চূড়ান্ত ডিক্রির উল্লেখ করা হয়েছে।

২(২) ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে-
ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের দরকার থাকে। যখন এমন বিচারিক সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করে, তখন এটা চূড়ান্ত ডিক্রি। এটা আংশিকভাবে প্রাথমিক এবং আংশিকভাবে চূড়ান্ত হতে পারে [A decree is preliminary when further proceedings have to be taken before the suit can be completely disposed of. It is final when such adjudication completely disposes of the suit. It may be partly preliminary and partly final]
২৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারার অধীন নিম্নলিখিত কোনটি স্থানান্তরের আবেদন করা যায়?
  1. মোকদ্দমা
  2. আপিল
  3. অন্যকোন কার্যক্রম
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ থেকে ২৪ পর্যন্ত মোকদ্দমা স্থানান্তরের বিধান রয়েছে। ধারা ২২ এ যে মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।এ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।

• যখন আবেদন করতে পারে:
যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।

• Section 22: Power to transfer suits which may be instituted in more than one Court-
Where a suit may be instituted in any one of two or more Courts and is instituted in one of such Courts, any defendant, after notice to the other parties, may, at the earliest possible opportunity and in all cases where issue are settled at or before such settlement, apply to have the suit transferred to another Court and the Court to which such application is made, after considering the objections the other parties (if any), shall determine which of the several 31 Courts having jurisdiction the suit shall proceed.
২৭.
মোকদ্দমা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজে উক্ত মোকদ্দমা বিচার করতে চাইলে, পক্ষদের কোথায় হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিবেন ?
  1. নিজ আদালতে
  2. যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে
  3. ক বা খ
  4. উভয় আদালতে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৪(ক)-

১) দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ২২ ধারার অধীনে কোন মোকদ্দমা স্থানান্তরিত হলে বা পক্ষদের আবেদনে ২৪(১) ধারার অধীনে মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর বা প্রত্যাহার আদেশদানকারী আদালত নিজেই বিচার করতে ইচ্ছা করলে পক্ষদের এর সম্মুখে হাজির হওয়ার জন্য দিন নির্ধারণ করবে বা যে আদালতে মোকদ্দমা স্থানান্তর হয়েছে সে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন।

২) আবেদন ব্যতীত মোকদ্দমা, আপিল ইত্যাদি স্থানান্তর হলে পূর্ব নির্ধারিত দিনে স্থানান্তর আদেশ প্রদানকারী আদালতে উপস্থিত হবে। উক্ত আদালত তখন পক্ষসমূহের স্থানান্তর বিষয়ে অবহিত করাবেন এবং পক্ষগণকে নির্ধারিত ধার্যকৃত তারিখে অথবা সুবিধা অনুসারে নিকটতম মোকদ্দমা স্থানান্তরিত আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিবেন।

Section 24A: Appearance of parties on transfer of suit, etc.-
(1) Where any suit is transferred under section 22, or any suit, appeal or other proceeding is transferred or withdrawn under sub-section (1) of section 24 on the application of a party, the Court ordering the transfer or withdrawal shall fix a date for the appearance of the parties before itself, if the suit, appeal or other proceeding is to be tried or disposed of by itself, or before the Court to which the case is so transferred. 
 
(2) Where any suit, appeal or other proceeding is transferred from one Court to another, otherwise than on the application of a party, the parties thereto shall appear before the Court from which the suit, appeal or other proceedings is to be transferred, on the day already fixed for their appearance before that Court, and such Court shall then communicate the order of transfer to such parties and direct them to appear before the Court to which the suit, appeal or other proceeding is to be transferred, either on the same day, or on such earliest day as may be reasonable having regard to the distance at which the other Court is located.
২৮.
The Civil Courts Act,1887 আইনের কত ধারায় আপিল এখতিয়ার সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ধারা ১৯,২০
  2. ধারা ২১,২২
  3. ধারা ২০,২১
  4. ধারা ১৯,২০,২১
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০,২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০,২১
ব্যাখ্যা
The Civil Courts Act,1887 আইনের ২০ এবং ২১ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আপিল এখতিয়ার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ২০ ধারা অনুযায়ী, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে। 

২১(১) ধারা- যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক না সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

২১(২) ধারা- সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল জেলা জজের নিকট করতে হবে।
২৯.
আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি সর্বপ্রথম কোথায় উত্থাপন করতে হবে ?
  1. যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়
  2. জেলা জজের নিকট
  3. আপিল আদালতে
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়
ব্যাখ্যা
• ধারা-২১ (এখতিয়ারে আপত্তি)-

যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি থাকলে তা উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপীল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না।
কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপীল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।

Sec.-21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.
৩০.
ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত (Court of Small Causes) নিম্নোক্ত কোন আদালতের অধীন?
  1. হাইকোর্ট ডিভিশন
  2. জেলা আদালত
  3. হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালত
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালত
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত (Court of Small Causes) ২টি আদালতের অধীনস্তঃ-হাইকোর্ট ডিভিশন এবং জেলা আদালত।

• ধারা-৩ঃ আদালতের অধস্তনতা-
এই আইনের উদ্দেশ্য জেলা আদালত হাইকোর্ট ডিভিশন এর অধীন এবং জেলা আদালতের নিম্ন পর্যায়ভুক্ত প্রত্যেক দেওয়ানি আদালত ও ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত হাইকোর্ট ডিভিশন ও জেলা আদালতের অধীন।

Sec-3: Subordination of Courts-
For the purposes of this Code, the District Court is subordinate to the High Court Division, and every Civil Court of a grade inferior to that of a District Court and every Court of Small Causes is subordinate to the High Court Division and District Court.
৩১.
বিদেশী আদালত বা Foreign Court বলতে এমন আদালতকে বোঝায়-
  1. যে আদালত বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত এবং বাংলাদেশে কোন কর্তৃত্ব নেই
  2. যে আদালত বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত এবং বাংলাদেশে কর্তৃত্ব আছে
  3. যে আদালত বাংলাদেশের ভেতরে অবস্থিত এবং বাংলাদেশে কোন কর্তৃত্ব নেই
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
যে আদালত বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত এবং বাংলাদেশে কোন কর্তৃত্ব নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত এবং বাংলাদেশে কোন কর্তৃত্ব নেই
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২(৫) ধারায় বিদেশী আদালতের সংজ্ঞা রয়েছে। এই ধারার বিধান অনুযায়ী বিদেশী আদালত বা Foreign Court বলতে এমন আদালতকে বোঝায়-

i) যে আদালত বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত (A Court situate beyond the limits of Bangladesh ); 
ii) বাংলাদেশে যে আদালতের কোন কর্তৃত্ব নেই (which has no authority in Bangladesh) এবং
iii) যে আদালত বাংলাদেশ সরকার স্থাপন করেনি বা বহাল রাখে নি (is not established or continued by the Government)।

Section 2(5)-
"foreign Court" means a Court situate beyond the limits of Bangladesh which has no authority in Bangladesh and is not established or continued by the Government.
৩২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান অনুযায়ী ________ আদালতের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
  1. গ্রাম আদালত
  2. রাজস্ব আদালত
  3. ক্ষুদ্র বিচার বিষয়ক আদালত
  4. উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব আদালত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারায় রাজস্ব আদালতের (Revenue Court) ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির প্রয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।

উক্ত ধারার বিধান অনুযায়ী রাজস্ব আদালতের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, রাজস্ব আদালতের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির বিধানসমূহ সাধারণভাবে প্রযোজ্য হবে না, কেবল যে যে বিষয়ে যে যে শর্তে নির্দেশিত হয় সেই সেই বিষয়ে সেভাবে প্রযোজ্য হবে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ৫(২) ধারায় রাজস্ব আদালতের (Revenue Court) বলতে- কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা, রাজস্ব বা মুনাফা সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝানো হয়েছে।

Section 5: Application of the Code to Revenue Courts-
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe. 
 
(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.

• উল্লেখ্য যে, দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ ধারায় ক্ষুদ্র বিষয়ক বিচার আদালত বা Small Cause Courts  ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির প্রয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
৩৩.
'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে দলিল বাতিলের মামলা করে। আদালত উক্ত মোকদ্দমায় 'ক' এর পক্ষে রায় দেন। ঐ একই বিষয়ে দলিল বাতিল নিয়ে 'খ' যদি পুনরায় 'ক' এর  বিরূদ্ধে মামলা দায়ের করে, তাহলে আদালত পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা-
  1. স্থগিত করবে
  2. খারিজ করবে
  3. ক বা খ
  4. চালিয়ে যাবে
সঠিক উত্তর:
খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
• পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলা খারিজ করে দিবে। 

• রেস জুডিকাটা (Res Judicata)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দেওয়ানী মামলায় রেস জুডিকাটার রয়েছে। ১১ ধারা মতে, এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিম্পন্ন কোন মোকদ্দমা পরবর্তীতে যদি পুনরায় দায়ের করা তাহলে আদালত মোকদ্দমাটির বিচার করবে না যদি নিষ্পন্নকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় ও পক্ষসমূহ এবং পরবর্তীতে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় ও পক্ষসমূহ একই হয়।

• রেস জুডিকাটা নীতির শর্ত সমূহ: 
i) ২টি মামলা অর্থাৎ পূর্বে নিষ্পত্তিকৃত একটি মামলা ও পরবর্তীতে দায়েরকৃত আরেকটি মামলা থাকতে হবে।
ii) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার পক্ষসমূহ এবং বিচার্য বিষয় একই হবে এবং একই স্বত্বের অধীন (Under same title) হবে।
iii) পূর্বে দায়েরকৃত মামলাটি যথাযথ এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত হবে।
iv) পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মামলার বিচার্য বিষয় সমূহ প্রত্যক্ষভাবে না হয় মূলত (directly or substantially) একই হয়ে যায়। অর্থাৎ উভয় মামলার বিষয়বস্তু অভিন্ন হতে হবে।

যেমন- উল্লেখিত মোকদ্দমায়  'খ' ঐ একই বিষয়ে দলিল বাতিল নিয়ে পুনরায় 'ক' এর  বিরূদ্ধে মামলা দায়ের করে। তাই আদালত পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলা খারিজ করে দিবে। কেননা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মোকদ্দমা একই বিচার্য বিষয় নিয়ে ও একই পক্ষদ্বয়ের মাঝে দায়ের করা হয়েছে।
৩৪.
বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ বা স্বার্থ সংশ্লিষতা থাকে তাহলে নিম্নোক্ত কোন ধারা অনুযায়ী উক্ত বিচারকের এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও, তিনি ঐ মোকদ্দমা বা আপিলের শুনানী করতে পারবেন না?
  1. Civil Courts Act,1887 এর ৩৬ ধারা
  2. Code of Civil Procedure ৩৮ ধারা
  3. Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা
  4. Civil Courts Act,1887 এর ৩৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা
ব্যাখ্যা
• Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

• Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-

(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try Judges not to any suit or other proceeding to which he is a party or in which which they are he is personally interested. 
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.
৩৫.
নিম্নোক্ত কোন আদালতের আদি এখতিয়ার নেই?
  1. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  2. সহকারী জজ আদালত
  3. অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
  4. সকল আদালতের আছে
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতের আদি এখতিয়ার নেই।

• মূল বা আদি এখতিয়ার (Original Jurisdiction)-
আদি এখতিয়ার বলতে প্রাথমিকভাবে মোকদ্দমা আমলে নেয়া বিচার করাকে বোঝায়; অর্থাৎ যেখানে সরাসরি মূল মোকদ্দমা দায়ের করা যায়। অন্যভাবে বলা যায়, যে সকল আদালত প্রাথমিকভাবে কোন দেওয়ানী মোকদ্দমা আমলে নিয়ে বিচার করতে এবং রায় প্রদান করতে পারেন, সেই সকল আদালতের মূল (আদি) এখতিয়ার আছে। তবে সকল অধঃস্তন দেওয়ানী আদালতের আদি এখতিয়ার নেই।

• দেওয়ানি কার্যবিধি এবং Civil Courts Act অনুযায়ী প্রকার দেওয়ানি আদালতের মধ্যে ৩ প্রকার আদালতের আদি এখতিয়ার রয়েছে এবং বাকী ২ প্রকার আদালতের আদি এখতিয়ার নেই ।

নিম্নোক্ত আদালতসমূহের আদি এখতিয়ার রয়েছে-
⇒ সহকারী জজ আদালত,
⇒ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত এবং
⇒ যুগ্ম জেলা জজ আদালত

২ প্রকার আদালতের আদি এখতিয়ার নেই-
⇒ জেলা জজ আদালত এবং
⇒ অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত

তবে কিছু ক্ষেত্রে জেলা জজের আদি এখতিয়ার রয়েছে। যেমন- বিশেষ আইন অনুযায়ী দেউলিয়া আদালত, অভিভাবক, প্রবেট এবং এডমিনিষ্ট্রেশন, ট্রেডমার্ক সংক্রান্ত মামলায় জেলা জজের আদি এখতিয়ার রয়েছে। কিন্তু অতিরিক্ত জেলা জজের কোনো আইনেই আদি এখতিয়ার নেই।
৩৬.
নিম্নের কোনটি সঠিক-
  1. দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় res sub judice শব্দটি ব্যবহৃত হয় নাই
  2. দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় res judicata শব্দটি ব্যবহৃত হয় নাই
  3. ক এবং খ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় res sub judice শব্দটি ব্যবহৃত হয় নাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় res sub judice শব্দটি ব্যবহৃত হয় নাই
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ এবং ১১ ধারায় দেওয়ানী আদালত নিম্নলিখিত দুইটি নীতি ব্যাখা করা হয়েছে-

ক. বিচারাধীন মোকদ্দমা/ মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (Res sub judice) (ধারা- ১০)
খ. দোবারা দোষ বা বিচারিত বিষয় (Res Judicata) (ধারা-১১)

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় [Res sub judice] আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারায় Res sub judice এর পরিবর্তে  (stay of suit) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।

• ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারার শিরোনামেই Res Judicata শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা।
৩৭.
কোন ক্ষেত্রে আপিল বা রিভিশন আদালতে বিচারিক আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পর্কে আপত্তি গ্রাহ্য হবে?
  1. অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল
  2. ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে
  3. ক এবং খ
  4. কোনো ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে।

•  আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার অনিশ্চিত হলে, মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে দেওয়ানী কার্যবিধির  ১৮ ধারাতে- 

১) কোন স্থাবর সম্পত্তি যখন দুই বা ততোধিক আদালতের কোনটির স্থানীয় সীমানার এখতিয়ারে অবস্থিত, সে সম্পর্কে অনিশ্চয়তার অভিযোগ থাকলে এরূপ আদালতের মধ্যে যে কোন একটি আদালত যদি সন্তুষ্ট হয়ে মনে করে যে, এরূপ অনিশ্চয়তার ন্যায়সঙ্গত কারণ রয়েছে তাহলে তদমর্মে একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করে ঐ সম্পত্তির ব্যাপারে যে কোন মোকদ্দমা গ্রহণ ও বিচার করতে পারবে এবং এরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির ঐরূপ কার্যকারিতা থাকবে, যেরূপ এই আদালতের নিজস্ব এখতিয়ারে স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সম্পত্তি অবস্থিত হলে কার্যকারিতা থাকতঃ
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমাটির প্রকৃতি ও দাবির মূল্য এরূপ হতে হবে যার সম্পর্কে আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়।

২) যেখানে (১) উপ-ধারা অনুযায়ী বিবৃতি রেকর্ডকৃত করা হয়নি এবং আপিল অথবা রিভিশন আদালতে এ মর্মে আপত্তি উত্থাপন করা হয় যে, যে স্থানে সম্পত্তিটি অবস্থিত, সে স্থানে কোন প্রকার ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করার এখতিয়ার আদালতের নেই, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, মোকদ্দমা দায়ের করার সময় আদালতের এখতিয়ারের ব্যাপারে অনিশ্চয়তা সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল এবং এর কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়েছে; তাহলে আপত্তিটি গ্রাহ্য হবে।
৩৮.
নিম্নের কোন মোকদ্দমাটি দেওয়ানি প্রকৃতির?
  1. ঋণ উদ্ধারের অধিকার
  2. স্বত্ব ঘোষণার
  3. সরকারী কর্মকর্তার বকেয়া বেতন উদ্ধারের অধিকার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-৯ অনুযায়ী নিষেধ না থাকলে আদালত সকল প্রকার দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার করবেন।
এই আইনে বর্ণিত বিধান সাপেক্ষে এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিষিদ্ধ না থাকলে সকল প্রকার দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আদালতের থাকবে।
একই ধারার ব্যাখায় বলা হয়েছে- যে মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, সেই মোকদ্দমা দেওয়ানি প্রকৃতির।

• সুতরাং ৯ ধারায় নিম্নলিখিত ২ ধরনের অধিকার বিষয়ক মোকদ্দমাকে দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে-

১. সম্পত্তির অধিকার (right to property)- এই সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সম্পত্তি উদ্ধারের অধিকার বা ঋণ উদ্ধারের অধিকার বা সরকারী কর্মকর্তার বকেয়া বেতন উদ্ধারের অধিকার ইত্যাদি দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা বা হয় এমন মোকদ্দমা। 

২.
পদের অধিকার (right to office)- এই সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় এমন মোকদ্দমা ।
৩৯.
“Court in which suits to be instituted” বিধানটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৫
  4. ধারা ২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫
ব্যাখ্যা
“Court in which suits to be instituted” বিধানটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১৫ ধারায় উল্লেখ আছে।

• অর্থাৎ ধারা- ১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it"

অর্থাৎ প্রত্যেকটি দেওয়ানী মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে। এখানে, এখতিয়ার বলতে আর্থিক এখতিয়ার বুঝানো হয়েছে। সুতরাং কোনটি সর্বনিম্ন আদালত সেটা নির্ধারিত হবে আদালতের আর্থিক এখতিয়ার এবং মোকদ্দমার মূল্যমান অনুযায়ী ।
৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধির কয়টি তফসিল বর্তমানে বলবৎ আছে?
  1. ৫ টি
  2. ৪ টি
  3. ২ টি
  4. ৩ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২টি অংশ-

প্রথম অংশ- ধারা [Sections] 
দ্বিতীয় অংশ- তফসিল [Schedules]। মোট ৩ টি তফসিল বর্তমানে বলবৎ আছে

• তফসিলসমূহ (Schedules]-

১ম তফসিল: আদেশ ও বিধিসমূহ
২য় তফসিল: বাতিল
৩য় তফসিল: কালেক্টর কর্তৃক ডিক্রি জারি
৪র্থ তফসিল: সংশোধিত আইনসমূহ
৫ম তফসিল: বাতিল
৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধি প্রণয়ন কমিটিতে কতজন সুপ্রীম কোর্টের বিচারক থাকবে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৬ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-১২৩ অনুযায়ী, সর্বমোট ৬ জন সদস্য নিয়ে বিধি প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়। সদস্যগণ হলো-

ক. সুপ্রীম কোর্টের তিন (৩) জন বিচারক নিয়ে যাদের মধ্যে একজন সর্বনিম্ন (৩ বছর জেলা জজ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছে);
খ. উক্ত আদালতে অ্যাডভোকেট হিসাবে চর্চা করছে এমন ২ জন অ্যাডভোকেট;
গ. হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ দেওয়ানি আদালতের একজন বিচারক।

• সদস্যগণের নিয়োগ:
এই কমিটির সদস্যরা প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হবে এবং তিনি উক্ত কমিটির সভাপতি মনোনীত করবে এবং সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ দিবে।এই কমিটির প্রত্যেক সদস্য প্রধান বিচারপতি কর্তৃক উল্লেখিত মেয়াদ পর্যন্ত পদে বহাল থাকবে।
৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন কোন ধারা মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করে?
  1. ১১ ধারা
  2. ১০ ধারা
  3. ১২ ধারা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১০,১১ এবং ১২ ধারা মোকদ্দমার বহুত্ব রোধ করে

• ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত এবং পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ এবং মৌলিকভাবে একই হলে, আদালত পরবর্তী মোকদ্দমার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।

• ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা।এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়।

• ধারা ১২-পুনরায় মোকদ্দমা করার বাধা (Bar to further suit) সম্পর্কে বিধান আছে। 
কোন বিধি অনুসারে একজন বাদীকে যখন কোন বিশেষ কারণ সম্পর্কে অতিরিক্ত মোকদ্দমা দায়ের করা হতে নিবারণ করা হয়, তখন যে আদালতের প্রতি এই কার্যবিধি প্রযোজ্য হয় সেরূপ কোন আদালতে সে একই কারণ নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না।
অর্থাৎ যে সকল ক্ষেত্রে আইনগতভাবে মোকদ্দমা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে মোকদ্দম দায়ের  করা যায় না।
৪৩.
“বিশেষ আইনগুলির কোনো ক্ষমতাকে The Code of Civil Procedure,1908 সীমাবদ্ধ করবে না” বিধানটি বর্ণিত হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির-
  1. ৩ ধারায়
  2. ৬ ধারায়
  3. ৫ ধারায়
  4. ৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৪ ধারা অনুযায়ী, দেওয়ানি কার্যবিধি বিশেষ আইনগুলির কোনো ক্ষমতাকে  সীমাবদ্ধ করবে না।

• ধারা ৪ঃ সংরক্ষণ

১) বিপরীত কোন সুস্পষ্ট বিধান না থাকলে, বর্তমানে চলমান কোন বিশেষ আইন বা ন্যস্তকৃত কোন বিশেষ এখতিয়ার ক্ষমতা, অথবা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে নির্ধারিত কোন বিশেষ ফরম বা পদ্ধতিকে এই আইনের কোন বিধান দ্বারা সীমাবদ্ধ বা অন্য কোনভাবে প্রভাবিত করবে না।

২) বিশেষত, এবং (১) উপধারায় বর্ণিত সাধারণ নীতিকে ক্ষুণ্ণ না করে সমকালীন চলমান কোন আইনের অধীন চাষের জমির জন্য উক্ত জমির ফসল হতে খাজনা আদায়ের ব্যাপারে কোন জমিদারের কোন প্রতিকার থাকলে এই আইনের কোন বিধান তা সীমাবদ্ধ বা প্রভাবিত করবে না।

Sec 4: Savings-
1) In the absence of any specific provision to the contrary, nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any special law now in force or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by or under any other law for the time being in force.

2) In particular and without prejudice to the generality of the proposition contained in sub-section (1), nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any remedy which a land-holder or landlord may have under any law for the time being in force for the recovery of rent of agricultural land from the produce of such land.
৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ ধারায় আদালতের কোন ধরনের এখতিয়ার (jurisdiction) সমন্ধে আপত্তি তোলার বিধান রয়েছে?
  1. territorial jurisdiction
  2. pecuniary jurisdiction
  3. ক এবং খ
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ ধারায় আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার বিধান রয়েছে। নিম্নে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলার সাধারণ নিয়মগুলো দেয়া হলো-

২১ ধারায় আদালতের আর্থিক (pecuniary) এবং আঞ্চলিক (territorial) উভয় এখতিয়ার (jurisdiction) সমন্ধে আপত্তি তোলা যায়।
⇒ আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে পক্ষদের কোন আপত্তি থাকলে, উক্ত আপত্তি প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।
⇒ যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতেই এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি উত্থাপন করতে হয়।
⇒ সাধারণত আপিল বা রিভিশনে আদালতের এখতিয়ার সমন্ধে আপত্তি তোলা যায় না, তবে শুধুমাত্র ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্যে আপিল বা রিভিশনের সময়ও এই দাবি উত্থাপন করা যায়। এছাড়া যদি আরজি উপস্থাপনের সময় আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা থাকে, তবে সেই অনিশ্চয়তা আপিল বা রিভিশন আদালতের নিকট যৌক্তিক মনে হলে এরকম প্রশ্ন আপিল বা রিভিশন আদালত গ্রহণ করতে পারে।

Sec 21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.