পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
Exam - 26 The Code of Criminal Procedure-1898: Test-6 Topic: Section 401-487 • Suspensions, Remissions and Commutations of sentences • Previous acquittals or convictions • Appeal, Reference and Revision • Time for disposal of appeal and revision • Lunatics • Proceedings in case of certain offences affecting the administration of justice
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
নিম্নের কোনটি ৪০৩ ধারার উদ্দেশ্যে খালাস হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. নালিশ খারিজ
  2. আসামীকে অব্যাহতি দেওয়া
  3. ২৪৯ ধারার অধীনে প্রক্রিয়া বন্ধ করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারার ব্যাখ্যায় (Explanation to Section 403) স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
- “নালিশ খারিজ, ২৪৯ ধারায় অধীন প্রক্রিয়া বন্ধকরণ অথবা আসামীকে অব্যাহতি দেয়াকে এই ধারার উদ্দেশ্যে খালাস বলে গণ্য করা যাবে না।”
- অর্থাৎ, এগুলোর কোনটিই ৪০৩ ধারার পরিপ্রেক্ষিতে "খালাস" (Acquittal) হিসেবে বিবেচিত হয় না।

→ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারা যেটা বলে, সেটা হলো — একবার উপযুক্ত আদালতে বিচার হয়ে খালাস বা দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পরে সেই অপরাধের জন্য কাউকে পুনরায় বিচার করা যাবে না। কিন্তু নালিশ খারিজ, অব্যাহতি, বা ২৪৯ ধারায় প্রক্রিয়া বন্ধ হওয়া — এগুলো সেই "বিচার শেষে খালাস" হিসেবে ধরা হয় না।
- ফলে, এগুলোর পরে আবার মামলা চলতে পারে বা নতুনভাবে দায়ের হতে পারে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে।

অতএব, উল্লিখিত তিনটি , নালিশ খারিজ, অব্যাহতি, ২৪৯ ধারায় প্রক্রিয়া বন্ধ — এগুলো ৪০৩ ধারার "খালাস" হিসেবে গণ্য হয় না।
- তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো।
.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৬ ধারা অনুসারে, শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য জামানত দেওয়ার আদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যায়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৬ ধারা (Section 406 of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী: “কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে ১১৮ ধারা অনুসারে শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দিবার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল দায়ের করতে পারবে।”
এখানে মূল কথা হলো, ১১৮ ধারা অনুযায়ী আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে আপীল করার নির্ধারিত ফোরাম হচ্ছে দায়রা আদালত। এটি একটি আপীলযোগ্য আদেশ।

⇒  ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬: শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য জামানত প্রদানের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল:
যে কোনো ব্যক্তি, যাকে ১১৮ ধারার অধীনে শান্তি রক্ষা বা সদাচরণ বজায় রাখার জন্য জামানত দিতে ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ প্রদান করেছেন, তিনি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করতে পারবেন।
তবে, এই ধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না সেই সকল ব্যক্তির ক্ষেত্রে, যাদের বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম ধারা ১২৩ এর উপধারা (২) বা উপধারা (৩ক) অনুযায়ী দায়রা জজের নিকট রুজু হয়েছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 406. Appeal from order requiring security for keeping the peace or for good behaviour:
 Any person who has been ordered by a Magistrate under section 118 to give security for keeping the peace or for good behaviour may appeal against such order- to the Court of Session: 
Provided, that nothing in this section shall apply to persons the proceedings against whom are laid before a Sessions Judge in accordance with the provisions of sub-section (2) or sub-section (3A) of section 123.

.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় দণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করার ক্ষমতা সরকারের রয়েছে?
  1. ধারা ৪০১
  2. ধারা ৪০২
  3. ধারা ৪০৩
  4. ধারা ৪০২ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০১
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০১-এ বলা হয়েছে:
“When any person has been sentenced to punishment for an offence, the Government may at any time… suspend the execution of his sentence or remit the whole or any part of the punishment…”
 অর্থাৎ, সরকারের অধিকার রয়েছে,  একজন ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত হন, তাহলে সরকার: তার দণ্ড স্থগিত (suspend) করতে পারে, অথবা সম্পূর্ণ বা আংশিক দণ্ড মওকুফ (remit) করতে পারে, শর্তযুক্ত বা শর্তবিহীনভাবে। এ ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি প্রাসঙ্গিক হতে পারে, বিশেষ করে যদি শর্ত আরোপ করা হয়।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারা দণ্ড স্থগিত, মওকুফ ও রদবদল প্রসঙ্গে:
(১) কোন ব্যক্তি কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে সরকার যে কোন সময় বিনা শর্তে বা দণ্ডিত ব্যক্তি যা মেনে নেয় সেই শর্তে তার দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখতে বা সম্পূর্ণ দণ্ড বা দণ্ডের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে পারবেন।
(২) যখন কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করার জন্য সরকারের নিকট আবেদন করা হয় তখন যে আদালত উক্ত দণ্ড দিয়াছিলেন বা অনুমোদন করেছিলেন সেই আদালতের প্রিজাইডিং জজকে সরকার উক্ত আবেদন মঞ্জুর করা উচিত কিংবা মঞ্জুর করতে অস্বীকার করা উচিত, সে সম্পর্কে তার মতামত ও মতামতের কারণ বিবৃত করতে এবং এই বিবৃতির সাথে বিচারের নথির নকল অথবা যে নথি বর্তমানে আছে সেই নথির নকল প্রেরণ করার নির্দেশ দিবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 401. Power to suspend or remit sentences:
(1) When any person has been sentenced to punishment for an offence, the Government may at any time without conditions or upon any conditions which the person sentenced accepts, suspend the execution of his sentence or remit the whole or any part of the punishment to which he has been sentenced.
(2) Whenever an application is made to the Government for the suspension or remission of a sentence, the Government, may require the presiding Judge of the Court before or by which the conviction was had or confirmed to state his opinion as to whether the application should be granted or refused, together with his reasons for such opinion and also to forward with the statement of such opinion a certified copy of the record of the trial or of such record thereof as exists.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারা অনুসারে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের আদেশ দেওয়ার আগে আপিল আদালত কী করতে হবে?
  1. সাক্ষীর সম্মতি নিতে হবে
  2. বিচারকার্য স্থগিত করতে হবে
  3. অভিযোগকারীকে অবহিত করতে হবে
  4. সাক্ষ্যগ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্যগ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্যগ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৮(১) অনুসারে, যদি আপিল আদালত মনে করে যে, মামলাটির সুষ্ঠু নিষ্পত্তির জন্য অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহলে সে নিজেই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে অথবা উপযুক্ত বিচারিক কর্তৃপক্ষকে (যেমন: দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট) সেই সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে।
→ তবে এই ক্ষমতা প্রয়োগের আগে আদালতের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো— “তাদের এই সিদ্ধান্তের যৌক্তিক কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে।”
- এই ধারা অনুযায়ী, অতিরিক্ত সাক্ষ্য নেওয়া একটি ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা, এবং যাতে এই ক্ষমতা অপব্যবহার না হয়, সে জন্য আদালতকে অবশ্যই তা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে কারণ স্পষ্টভাবে রেকর্ড করতে হবে।
- অর্থাৎ বিচারিক স্বচ্ছতা ও যুক্তিপূর্ণতা নিশ্চিত করা, যাতে আপিল আদালতের সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লে তার ভিত্তি সুস্পষ্ট থাকে।
তাই, সাক্ষীর সম্মতি নেওয়া বা অভিযোগকারীকে অবহিত করা বাধ্যতামূলক নয়— মূল বিষয় হলো আদালতের নিজের কারণে লিপিবদ্ধ করা।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।
(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।
(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামি বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।
(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:
(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate.
(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal.
(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken.
(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারার অধীনে অভিযুক্ত ব্যক্তির মানসিক অবস্থার তদন্তের দায়িত্ব কার উপর বর্তায়?
  1. পুলিশ কর্মকর্তা
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. জেলা সিভিল সার্জন
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অস্বাভাবিক (উন্মাদ/unsound mind) এবং সে কারণে আত্মপক্ষ সমর্থনে অক্ষম, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই তদন্ত শুরু করবেন অভিযুক্তের মানসিক অবস্থার বিষয়ে।
- তিনি অভিযুক্তকে জেলা সিভিল সার্জন বা সরকার নির্ধারিত অন্য কোনো মেডিকেল অফিসারের মাধ্যমে পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিবেন।
- সেই মেডিকেল অফিসারকে সাক্ষ্য হিসেবে হাজির করে জবানবন্দি গ্রহণ করবেন, এবং সেটি লিপিবদ্ধ করবেন।
- এরপর ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনে অক্ষম, তাহলে তিনি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করবেন।
→ অর্থাৎ, তদন্ত শুরু ও পরিচালনার দায়িত্ব সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের উপর বর্তায় — তিনি সিদ্ধান্ত নেন এবং প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করেন।

⇒ কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ হলে অর্থাৎ উক্ত ব্যক্তির বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ থেকে ৪৭৫ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারামতে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামী মানসিকভাবে অসুস্থ বা উন্মাদ(পাগল) হলে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে অপরাগ হলে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করবেন। যথা-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আসামীর মানসিক অসুস্থতার বিষয়টি অনুসন্ধান করবেন এবং মানসিকভাবে অসুস্থ আসামীকে জেলার সিভিল সার্জন বা সরকার নির্দেশিত মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা করবেন।
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষী হিসেবে উক্ত সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসারের জবানবন্দী গ্রহণ করবেন এবং
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 464- Procedure in case of accused being lunatic:
(1) When a Magistrate holding an inquiry or a trial has reason to believe that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defense, the Magistrate shall inquire into the fact of such unsoundness, and shall cause such person to be examined by the Civil Surgeon of the district or such other medical officer as the Government directs, and thereupon shall examine such Surgeon or other officer as a witness, and shall reduce the examination to writing.
(1A) Pending such examination and inquiry the Magistrate may deal with the accused in accordance with the provisions of section 466.
(2) If such Magistrate is of opinion that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defence, he shall record a finding to that effect and shall postpone further proceedings in the case.

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার অধীনে নথি পর্যালোচনার সময় হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নের কোনটি করতে পারে?
  1. দণ্ড কার্যকর স্থগিত করা
  2. আটককৃত আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া
  3. আটককৃত আসামিকে তার নিজস্ব মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৫ অনুসারে, নথি তলব ও পর্যালোচনার সময় হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ চাইলে দণ্ড কার্যকরের ওপর স্থগিতাদেশ দিতে পারে এবং যদি আসামি আটক থাকে, তবে তাকে জামিনে অথবা নিজ দায়িত্বে (মুচলেকায়) মুক্তির নির্দেশ দিতে পারে।
→ সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলোই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার বিধান নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা:-
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারি আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 435: Power to call for records of inferior Courts:-
-(1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record.
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial, shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ কর্তৃক আরও অনুসন্ধানের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে, যদি কোন অভিযোগ ধারা ২০৩ বা ধারা ২০৪(৩) অনুসারে খারিজ বা অব্যাহতি দেওয়া হয়ে থাকে?
  1. ধারা ৪০৪
  2. ধারা ৪৩৫
  3. ধারা ৪৩৬
  4. ধারা ৪৯৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৬ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ কর্তৃক ধারা ২০৩ বা ধারা ২০৪(৩) অনুসারে খারিজকৃত কোন অভিযোগ বা অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তির সম্পর্কে আরও তদন্ত বা অনুসন্ধানের আদেশ প্রদান করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তবে, এই অনুসন্ধানের আদেশ দেওয়ার পূর্বে অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে।
- এটি ধারা ৪৩৫ অনুযায়ী যে কোন নথিপত্র পরীক্ষা বা অন্যভাবে পর্যালোচনা করার পরও দেওয়া যেতে পারে।
→ অতএব, ধারা ৪৩৬ অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তদন্তের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারার বিধান অনুসন্ধানের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা:
৪৩৫ ধারা অনুসারে অথবা অন্যভাবে পরীক্ষা করে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ নির্দেশ দিতে পারবেন যে, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অথবা তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের দ্বারা ২০৩ ধারা বা ২০৪ ধারার (৩) উপধারা অনুসারে খারিজক্ত যেকোনো নালিশ বা কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আরও তদন্ত করবেন, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ তদন্ত করতে পারবেন বা তার অধস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে এরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবেন।
তবে শর্ত এই যে, কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কোন উক্তরূপ আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শানোর সুযোগ দেয়া হয়।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 436- Power to order inquiry:
On examining any record under section 435 or otherwise, the High Court Division or the Sessions Judge may direct the Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate by himself or by any of the Magistrates subordinate to him to make, and the 3 Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate may himself make, or direct any Sub-ordinate Magistrate to make, further inquiry into any complaint which has been dismissed under section 203 or sub-section (3) of section 204, or into the case of any person accused of an offence who has been discharged:
Provided that no Court shall make any direction under this section for inquiry into the case of any person who has been discharged unless such person has had an opportunity of showing cause why such direction should not be made.
.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'একই অপরাধে দু'বার বিচার না হওয়ার' নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৫(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৫(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৫(৩)
  4. অনুচ্ছেদ ৩৫(৪)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫(২)
ব্যাখ্যা
⇒ একই অপরাধে দ্বিতীয়বার বিচার নিষিদ্ধ (Double Jeopardy)
সংবিধান: অনুচ্ছেদ ৩৫(২) “কোন ব্যক্তি কোনো অপরাধে একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত হলে, তাকে সেই একই অপরাধে পুনরায় বিচার করা যাবে না।”
-এটি একটি মৌলিক অধিকার। যা ব্যক্তিকে একই অপরাধে পুনরায় বিচার ও শাস্তির হাত থেকে রক্ষা করা।

-ফৌজদারী কার্যবিধি: ধারা ৪০৩: একবার দণ্ড বা খালাসপ্রাপ্ত হলে, সেই একই অপরাধ বা একই ঘটনায় পুনরায় বিচার করা যাবে না।
এটি সংবিধানের অধিকারের বিচারিক প্রয়োগ নিশ্চিত করে।

- ব্যতিক্রম (Exception):
১. নালিশ খারিজ (Dismissal of complaint)
২. অব্যাহতি (Discharge)
৩. ধারা ২৪৯ অনুযায়ী মামলা প্রত্যাহার
- “খালাস” নয়, তাই এগুলোর পর পুনরায় বিচার সম্ভব।
.
খালাস বা অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে করা আপিলে যদি আপিলকারী মারা যায়, তবে সেই আপিলের কী হবে?
  1. বাতিল হয়ে যাবে
  2. আপিল চলতে থাকবে
  3. হাইকোর্ট সিদ্ধান্ত নেবে
  4. আপিল নতুন করে দাখিল করতে হবে
সঠিক উত্তর:
আপিল চলতে থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল চলতে থাকবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৩১ অনুযায়ী, আপিল বাতিল হবে কিনা তা নির্ভর করে কে আপিলকারী এবং কোন ধারা অনুযায়ী আপিলটি করা হয়েছে তার ওপর।
- ধারা ৪১৭: খালাসের বিরুদ্ধে সরকার বা অভিযোগকারী পক্ষ (Complainant) আপিল করতে পারে।
- ধারা ৪১৭A (৪১৭ক): অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়।
→ এই দুটি ধারা অনুযায়ী যেসব আপিল হয়, সেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি নয়, বরং রাষ্ট্র বা অভিযোগকারী আপিলকারী হন।
→ তাই যদি এই ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা যান, তাহলে অভিযোগ বা অপরাধ টিকে থাকে, এবং আপিল বাতিল হয় না।
→ আদালত সেই আপিল চালিয়ে যেতে পারে, এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিচার অব্যাহত থাকে।

অন্যদিকে,
- যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে (যেমন ধারা ৪০৭, ৪১০), তবে সে মারা গেলে আপিল বাতিল হয়ে যায়।

→অর্থাৎ খালাস বা অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিলে আপিলকারী মারা গেলেও আপিল চলতে থাকে, কারণ অভিযুক্ত ব্যক্তি তখনও জীবিত থাকে, এবং অপরাধের বিচারপ্রক্রিয়া চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।
→ এ কারণেই সঠিক উত্তর হচ্ছে — খ) আপিল চলতে থাকবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.
(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.
(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৪২ক(২) অনুযায়ী রিভিশন আদালতকে কোন সময়সীমার মধ্যে রিভিশন কার্যক্রম নিষ্পত্তি করতে হবে?
  1. ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে
  2. ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে
  3. ১২০ কার্যদিবসের মধ্যে
  4. ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৪২ক(২) অনুসারে, রিভিশন আদালতকে পক্ষগণের নোটিশ জারির তারিখ থেকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে রিভিশন কার্যক্রম নিষ্পত্তি করতে হবে। এই সময়সীমা গণনায় শুধুমাত্র কার্যদিবস (কাজের দিন) গণনা করা হয়, অর্থাৎ সরকারি ছুটি বা সাপ্তাহিক বন্ধ বাদ দেওয়া হয়।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision:
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
১১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০১ অনুযায়ী সরকার কখন সাজা স্থগিত বা মওকুফ করতে পারে?
  1. রায় ঘোষনার দিন
  2. যে কোনো সময়
  3. রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে
  4. বিচারকের সুপারিশে
সঠিক উত্তর:
যে কোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোনো সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০১(১) অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তিকে অপরাধের জন্য শাস্তি প্রদান করা হয়, সরকার যে কোনো সময় (at any time) শর্তসাপেক্ষে বা নিঃশর্তে সেই শাস্তির কার্যকারিতা স্থগিত (suspend) বা সম্পূর্ণ/আংশিক মওকুফ (remit) করতে পারে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারা দণ্ড স্থগিত, মওকুফ ও রদবদল প্রসঙ্গে:
(১) কোন ব্যক্তি কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে সরকার যে কোন সময় বিনা শর্তে বা দণ্ডিত ব্যক্তি যা মেনে নেয় সেই শর্তে তার দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখতে বা সম্পূর্ণ দণ্ড বা দণ্ডের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে পারবেন।
(২) যখন কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করার জন্য সরকারের নিকট আবেদন করা হয় তখন যে আদালত উক্ত দণ্ড দিয়াছিলেন বা অনুমোদন করেছিলেন সেই আদালতের প্রিজাইডিং জজকে সরকার উক্ত আবেদন মঞ্জুর করা উচিত কিংবা মঞ্জুর করতে অস্বীকার করা উচিত, সে সম্পর্কে তার মতামত ও মতামতের কারণ বিবৃত করতে এবং এই বিবৃতির সাথে বিচারের নথির নকল অথবা যে নথি বর্তমানে আছে সেই নথির নকল প্রেরণ করার নির্দেশ দিবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 401. Power to suspend or remit sentences:
(1) When any person has been sentenced to punishment for an offence, the Government may at any time without conditions or upon any conditions which the person sentenced accepts, suspend the execution of his sentence or remit the whole or any part of the punishment to which he has been sentenced.
(2) Whenever an application is made to the Government for the suspension or remission of a sentence, the Government, may require the presiding Judge of the Court before or by which the conviction was had or confirmed to state his opinion as to whether the application should be granted or refused, together with his reasons for such opinion and also to forward with the statement of such opinion a certified copy of the record of the trial or of such record thereof as exists.
১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩ অনুযায়ী, কত টাকা পর্যন্ত জরিমানা হলে আপীল করা যায় না?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪১৩ অনুযায়ী—
“... there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only.”
অর্থাৎ, যদি কোনও দায়রা আদালত বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (যেমন চীফ জুডিশিয়াল বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট) ৫০ টাকা বা তার কম জরিমানা করে, তবে সেই দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আপীল করতে পারবেন না।
- এটি মামলার পরিমাণ ও গুরুত্ব অনুসারে আপীলযোগ্যতার সীমা নির্ধারণ করে দেয়, যাতে ছোটখাটো মামলায় বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ না হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 413. No appeal in petty cases:
- Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only.

Explanation- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.
১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারা অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের রায়ে দণ্ডিত হলে সাধারণত আপিল করতে পারবে-
  1. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  2. দায়রা জজের নিকট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৮ অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা দণ্ডিত হন, তখন তিনি সাধারণত দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারেন। তবে, কিছু বিশেষ শর্তের অধীনে, যেমন যদি যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেন, বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় দণ্ডিত করেন, তখন আপিল হাইকোর্ট ডিভিশনে দায়ের করতে হবে।
- এই বিধান অনুসারে, সাধারণত দায়রা জজ আদালতে আপিল করা হয়, যদি না অন্য কোনো বিশেষ শর্ত থাকে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 -Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division;
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.

১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দণ্ড স্থগিত বা পরিবর্তনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. ধারা ৪০১
  2. ধারা ৪০২
  3. ধারা ৪০২ক
  4. ধারা ৪০৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২ক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ধারা ৪০২ক।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০২ক-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে ধারা ৪০১ (দণ্ড স্থগিত/মওকুফ) ও ৪০২ (দণ্ড রূপান্তর)-এর অধীনে সরকারের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতিও প্রয়োগ করতে পারেন।


⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০২ক: মৃত্যুদণ্ড: সরকারকে ৪০১ ও ৪০২ ধারায় যে ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে তা মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টও প্রয়োগ করতে পারবেন।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 402A. Sentences of death:
- The powers conferred by sections 401 and 402 upon the Government may, in the case of sentences of death, also be exercised by the President.

১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৫ অনুসারে, কোন ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত আবেদন নাকচ হলে আপীল করা যায়?
  1. ধারা ৮১
  2. ধারা ৮৯
  3. ধারা ১২০
  4. ধারা ১৭৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৫ অনুযায়ী বলা হয়েছে—
- যদি কোন ব্যক্তি ধারা ৮৯ অনুযায়ী জব্দকৃত সম্পত্তি বা উহার বিক্রয়লব্ধ অর্থ ফেরতের জন্য আদালতে আবেদন করেন এবং তা নাকচ হয়ে যায়, তাহলে তিনি সেই আদালতে আপীল করতে পারেন, যেখানে সংশ্লিষ্ট নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সাধারণত আপীল হয়।

→ অর্থাৎ, ধারা ৮৯-এর অধীনে সম্পত্তি ফেরতের আবেদন নাকচ হলে ধারা ৪০৫ অনুযায়ী উচ্চতর আদালতে আপীল করা যায়।

→ ধারা ৮৯ সম্পর্কিত:
- এই ধারায় বলা হয়েছে, অপরাধমূলক মামলায় কোনো ব্যক্তির জব্দকৃত সম্পত্তি বা তার বিক্রয়লব্ধ অর্থ ফেরতের জন্য আবেদন করার বিধান।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 405. Appeal from order rejecting application for restoration of attached property:
-Any person whose application under section 89 for the delivery of property or the proceeds of the sale thereof has been rejected by any Court may appeal to the Court to which appeals ordinarily lie from the sentences of the former Court.
১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮০ অনুযায়ী, আদালতের সামনে অবমাননাকর আচরণের জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৮০ (Section 480 of the CrPC) অনুযায়ী, আদালতের সম্মুখে বা উপস্থিতিতে যদি কেউ দণ্ডবিধির ধারা ১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ অথবা ২২৮ অনুযায়ী আদালত অবমাননাকর অপরাধ করেন, তাহলে: আদালত তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধীকে আটক করতে পারে।
- এবং আদালত উঠার পূর্বে (same day) অপরাধটি আমলে নিয়ে সাজা দিতে পারে।
- এই সাজার মধ্যে সর্বোচ্চ: ২০০ (দুইশত) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, এবং জরিমানা অনাদায়ে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে।

→ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারা অনুযায়ী, আদালতের সামনে অবমাননাকর আচরণের জন্য সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান:- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লিখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোনো সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 480: Procedure in certain cases of contempt:
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.

১৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০১(২) অনুযায়ী দণ্ড স্থগিত বা মওকুফের আবেদন করলে সরকার কাকে মতামত দেওয়ার জন্য বলতে পারে?
  1. জেলা প্রশাসক
  2. দায়রা আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. বিচারক যিনি রায় দিয়েছেন
সঠিক উত্তর:
বিচারক যিনি রায় দিয়েছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক যিনি রায় দিয়েছেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০১(২)-এ বলা হয়েছে: "Whenever an application is made to the Government for the suspension or remission of a sentence, the Government may require the presiding Judge of the Court before or by which the conviction was had or confirmed to state his opinion..."
অর্থাৎ, যখন কোনো দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি সরকারের কাছে দণ্ড স্থগিত (suspension) বা মওকুফ (remission) চেয়ে আবেদন করে, তখন সরকার চাইলে, সেই বিচারকের মতামত চাইতে পারে, যিনি: মামলায় রায় দিয়েছেন, অথবা উক্ত দণ্ড বহাল রেখেছেন (যদি আপিলে দণ্ড নিশ্চিত হয়)। বিচারকের কাছে সরকারের চাওয়া হয়: আবেদন গ্রহণযোগ্য কি না, এবং তাঁর মন্তব্য ও কারণসহ একটি মতামত।

→ সুতরাং, সরকার ধারা ৪০১(২) অনুযায়ী রায়দানকারী বিচারকের মতামত চাইতে পারে।
 সঠিক উত্তর: ঘ) বিচারক যিনি রায় দিয়েছেন।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারা দণ্ড স্থগিত, মওকুফ ও রদবদল প্রসঙ্গে:
(১) কোন ব্যক্তি কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে সরকার যে কোন সময় বিনা শর্তে বা দণ্ডিত ব্যক্তি যা মেনে নেয় সেই শর্তে তার দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখতে বা সম্পূর্ণ দণ্ড বা দণ্ডের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে পারবেন।
(২) যখন কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করার জন্য সরকারের নিকট আবেদন করা হয় তখন যে আদালত উক্ত দণ্ড দিয়াছিলেন বা অনুমোদন করেছিলেন সেই আদালতের প্রিজাইডিং জজকে সরকার উক্ত আবেদন মঞ্জুর করা উচিত কিংবা মঞ্জুর করতে অস্বীকার করা উচিত, সে সম্পর্কে তার মতামত ও মতামতের কারণ বিবৃত করতে এবং এই বিবৃতির সাথে বিচারের নথির নকল অথবা যে নথি বর্তমানে আছে সেই নথির নকল প্রেরণ করার নির্দেশ দিবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 401. Power to suspend or remit sentences:
(1) When any person has been sentenced to punishment for an offence, the Government may at any time without conditions or upon any conditions which the person sentenced accepts, suspend the execution of his sentence or remit the whole or any part of the punishment to which he has been sentenced.
(2) Whenever an application is made to the Government for the suspension or remission of a sentence, the Government, may require the presiding Judge of the Court before or by which the conviction was had or confirmed to state his opinion as to whether the application should be granted or refused, together with his reasons for such opinion and also to forward with the statement of such opinion a certified copy of the record of the trial or of such record thereof as exists.
১৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪১৫ক অনুযায়ী, একাধিক আসামির মধ্যে একজনের আপীলযোগ্য রায় হয়, এই ক্ষেত্রে কী হবে?
  1. সবাই আপীল করতে পারবে
  2. কেউ আপীল করতে পারবে না
  3. একজনই আপীল করবে
  4. আদালতের অনুমতিতে শুধু নির্দিষ্ট ব্যক্তিরা আপীল করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
সবাই আপীল করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবাই আপীল করতে পারবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪১৫ক (Section 415A of the Code of Criminal Procedure, 1898) বলছে:
“যদি একাধিক ব্যক্তি একসাথে এক বিচার প্রক্রিয়ায় দোষী সাব্যস্ত হয় এবং তাদের মধ্যে কোনও একজনের বিরুদ্ধে দেওয়া রায় আপীলযোগ্য হয়, তাহলে সেই একই বিচার প্রক্রিয়ায় দোষী সাব্যস্ত সকল ব্যক্তি আপীলের অধিকারী হবে।”

অর্থাৎ ধারা ৪১৫ক একটি বিশেষ অধিকার দেয় — একাধিক আসামি একই বিচার প্রক্রিয়ায় দোষী হলে, একজনের রায় আপীলযোগ্য হলে সবাই আপীল করতে পারবেন, যদিও সাধারণত তাদের রায় আপীলযোগ্য না হয়।
১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৫(১) অনুযায়ী নিম্ন আদালতের নথি তলব করার ক্ষমতা কার আছে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. 'ক' ও 'খ' উভয়ই
সঠিক উত্তর:
'ক' ও 'খ' উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' ও 'খ' উভয়ই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৫(১) অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ উভয়েই তাদের বিচারিক এখতিয়ারাধীন অধীনস্থ কোনো ফৌজদারি আদালতের কার্যক্রম বা রায়, দণ্ড, আদেশের বৈধতা ও সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য নথি তলব করতে পারেন। তবে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষমতা রাখেন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার বিধান নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা:-
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারি আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 435: Power to call for records of inferior Courts:-
-(1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record.
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial, shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section.
২০.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৬ক ধারা অনুসারে, জামানত গ্রহণ করতে অস্বীকার বা নাকচের আদেশ যদি চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট প্রদান করেন, তবে কোথায় আপীল করা যাবে?
  1. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  3. দায়রা আদালতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৬ক ধারা (Section 406A of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী:
"যদি চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ধারা ১২২ অনুযায়ী জামানত গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন বা নাকচ করে দেন, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সেই আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করতে পারবেন।"

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক: জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি বা নাকচ করার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল:
- ধারা ১২২ এর অধীনে জামানত গ্রহণ করতে অস্বীকার বা জামানত নাকচ করার যে কোনো আদেশে যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারবেন—
(ক) যদি আদেশটি প্রদান করে থাকেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করা যাবে;
(খ) যদি আদেশটি প্রদান করেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে;
(গ) যদি আদেশটি যেকোনো অন্য নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট প্রদান করেন, তাহলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে।




২১.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৮ ধারার অধীনে সাক্ষ্য গ্রহণ কোন অধ্যায়ের বিধান অনুসারে পরিচালিত হবে?
  1. অধ্যায়-১৮
  2. অধ্যায়-২০
  3. অধ্যায়-১৫
  4. অধ্যায়-২৫
সঠিক উত্তর:
অধ্যায়-২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যায়-২৫
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪২৮(৪)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: “এই ধারার অধীনে যেভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, তা হবে যেন এটি একটি অনুসন্ধান (inquiry), এবং তা হবে অধ্যায় ২৫-এর বিধান অনুযায়ী।”
→ অর্থাৎ: ধারা ৪২৮ মূলত আপিল আদালতকে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা দেয়; কিন্তু সেই সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি যেন স্বেচ্ছাচারিতা না হয়, তাই এটিকে একটি নিয়মতান্ত্রিক অনুসন্ধানের মতোভাবে অধ্যায় ২৫-এর বিধান মেনে সম্পন্ন করতে হবে।
অধ্যায় ২৫:
অধ্যায় ২৫ (Chapter XXV) হলো: "OF THE MODE OF TAKING AND RECORDING EVIDENCE IN INQUIRIES AND TRIALS" অর্থাৎ "অনুসন্ধান ও বিচারে সাক্ষ্য গ্রহণ ও তা লিপিবদ্ধ করার পদ্ধতি"
- এখানে সাক্ষ্যগ্রহণ, আসামির উপস্থিতি, জেরা, প্রামাণ্যতা ইত্যাদি বিষয়গুলোর বিধান রয়েছে— যেগুলো অনুসরণ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে হবে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।
(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।
(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামি বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।
(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।
-------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:
(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate.
(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal.
(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken.
(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.

২২.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারা "Double Jeopardy" নীতি প্রতিষ্ঠা করে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ১৬১
  3. ধারা ৩০২
  4. ধারা ৪০৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৩
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০৩ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি কোনো অপরাধে একবার উপযুক্ত আদালতে বিচারিত হয়ে দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত হন, তাহলে তাকে আবার একই অপরাধে বা সেই অপরাধসংক্রান্ত ঘটনায় বিচার করা যাবে না। এটিই "Double Jeopardy" নীতির বিচারিক প্রয়োগ।
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০৩ (Person once convicted or acquitted not to be tried for same offence) একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা Double Jeopardy নীতি অনুসরণ করে। এর মানে হল যে, একবার একটি অপরাধের জন্য একজন ব্যক্তি দণ্ডিত বা খালাস হলে, তাকে আবার সেই একই অপরাধের জন্য বিচার করা যাবে না। 


- Nemo debet bis vexari নীতি: ধারা ৪০৩ "Nemo debet bis vexari" (একই ব্যক্তি দ্বিতীয়বার বিচারাধীন হতে পারে না) নীতির উপর ভিত্তি করে প্রণীত। এর মাধ্যমে একজন ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করার চেষ্টা করা থেকে রক্ষা করা হয়, যেটি তার জন্য অন্যায় হতে পারে। এর উদ্দেশ্য হলো বিচার ব্যবস্থায় অতিরিক্ত নির্যাতন থেকে ব্যক্তির রক্ষা।

- ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৩ প্রযোজ্য হওয়ার জন্য তিনটি শর্ত পূর্ণ হতে হবে:
অপরাধ: অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের জন্য অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটি সেই অপরাধ হতে হবে, যার জন্য তাকে প্রথমে বিচার করা হয়েছিল।
এখতিয়ার: বিচারের জন্য অবশ্যই এখতিয়ারপ্রাপ্ত আদালত হতে হবে। অন্যথায় ধারা ৪০৩ প্রযোজ্য হবে না।
খালাস বা দণ্ড: বিচারের ফলস্বরূপ, খালাস (Acquittal) বা দণ্ড (Conviction) প্রদান করা থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না।

- ধারা ৪০৩ এর অধীনে Double Jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে না যদি:
অভিযোগ খারিজ: যদি আদালত কোন অভিযোগ খারিজ করে এবং এতে কোনো খালাস আদেশ না থাকে, তাহলে অভিযুক্তকে দ্বিতীয়বার বিচার করার সুযোগ থাকবে।
২৪৯ ধারায় প্রক্রিয়া বন্ধ: ২৪৯ ধারার অধীনে যদি মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ হয় এবং অভিযুক্ত মুক্তি পায়, তাহলে তাকে দ্বিতীয়বার বিচারের সম্মুখীন করা যেতে পারে।
অব্যাহতি: যদি আদালত অভিযোগ বা মামলার বিরুদ্ধে অব্যাহতি দেয়, তাহলে এটি খালাসের মতো গণ্য হবে না এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দ্বিতীয়বার বিচারের সম্মুখীন করা যাবে।

- ধারা ৪০৩ এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে যে অভিযোগ খারিজ, ২৪৯ ধারায় প্রক্রিয়া বন্ধ বা অব্যাহতি একটি খালাস হিসেবে গণ্য হবে না। এর মানে হল যে, এই ধরনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে Double Jeopardy প্রযোজ্য হবে না এবং অভিযুক্তকে দ্বিতীয়বার বিচারের সম্মুখীন করা সম্ভব হবে।
২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩ অনুযায়ী, কোন আদালত ১ মাসের কম কারাদণ্ড দিলে আপীল করা যাবে না?
  1. দায়রা আদালত
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৩ (Section 413) অনুসারে বলা হয়েছে:
"যেসব মামলায় দায়রা আদালত (Court of Session) অনধিক ১ (এক) মাস কারাদণ্ড প্রদান করে, সেইসব ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তি আপীল করতে পারবে না।"
এছাড়াও যদি প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকা জরিমানা করে, তাহলেও আপীল করা যাবে না।

- এই বিধান শুধুমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- অর্থদণ্ড সংক্রান্ত সীমা আলাদা (৫০ টাকা) এবং অন্যান্য ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্য প্রযোজ্য।
- এই ধারা অভিযুক্তের আপীলের অধিকার সীমিত করে, যাতে তুচ্ছ মামলায় আদালতের উপর অযথা চাপ না পড়ে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 413. No appeal in petty cases:
- Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate] or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only.
- Explanation:- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.
২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১২ অনুযায়ী, যদি আসামি দোষ স্বীকার করে এবং দায়রা আদালত বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা দণ্ডিত হয়, তাহলে আপীল করা যাবে-
  1. মামলার সব বিষয়ে
  2. শুধুমাত্র জামিনের জন্য
  3. দোষের প্রমাণ না থাকলে
  4. শুধুমাত্র দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতা সম্পর্কে
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতা সম্পর্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতা সম্পর্কে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১২ (Section 412 of the CrPC, 1898) অনুযায়ী বলা হয়েছে—
"যেখানে একজন আসামি আদালতে দোষ স্বীকার করে এবং দায়রা আদালত বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট) তাকে দণ্ডিত করে, সেখানে সেই আসামি শুধুমাত্র আপীল করতে পারবেন দণ্ডের 'পরিমাণ বা বৈধতা' (extent or legality of the sentence) বিষয়ে।"
অর্থাৎ: যদি আসামি স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করেন, তাহলে তিনি আর মামলা বা দোষের বিষয়ে আপীল করতে পারবেন না,
- তবে তিনি দণ্ডটা বেশি হয়েছে বা আইনসঙ্গত হয়নি – এই মর্মে আপীল করতে পারবেন।

-সঠিক উত্তর: ঘ) শুধুমাত্র দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতা সম্পর্কে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-412. No appeal in certain cases when accused pleads guilty
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.
২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারা অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রশ্নের জবাব দিতে বা দলিল হাজির করতে অস্বীকার করলে আদালত তাকে কত দিনের জন্য কোর্ট অফিসারের হেফাজতে রাখতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ৫ দিন
  2. সর্বোচ্চ ৭ দিন
  3. সর্বোচ্চ ১০ দিন
  4. সর্বোচ্চ ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ আদালতের প্রশ্নের জবাব দিতে বা দলিল হাজির করতে অস্বীকার করে এবং যৌক্তিক কারণ না দেখায়, তাহলে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে সর্বোচ্চ ৭ দিনের জন্য কোর্ট অফিসারের হেফাজতে তাকে পাঠাতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ ধারার বিধান- কোনো ব্যক্তি জবাব দিতে বা দলিল করতে অস্বীকার করলে কারাদণ্ড বা সোপর্দকরণ:
- কোন ফৌজদারি আদালত কোন সাক্ষী বা ব্যক্তিকে তার দখলের বা ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বললে সে যদি তা হাজির করতে অস্বীকার করে বা তার নিকট জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করে, এবং এই অস্বীকৃতির জন্য কোন যৌক্তিক কৈফিয়ত না দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন অথবা প্রিজাইডিং ম্যাজিস্ট্রেট বা জজের নিজ হাতে স্বাক্ষরিত পরোয়ানা দ্বারা তাকে ৭ (সাত) দিনের অনধিক যেকোনো সময়ের জন্য কোর্টের কোন অফিসারের হেফাজতে আটক রাখতে পারবেন,
- যদি না উক্ত ব্যক্তি ইতোমধ্যে জবানবন্দি দিতে বা দলিল বা বস্তু হাজির করতে রাজী হয়। উক্ত ব্যক্তি তার অস্বীকৃতিতে অবিচল থাকলে ধারা-৪৮০ বা ৪৮২ অনুসারে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশনের ক্ষেত্রে তাকে অবমাননার জন্য দোষী মর্মে গণ্য করতে হবে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-485: Imprisonment or committal of person refusing to answer or produce document:
- If any witness or person called to produce a document or thing before a Criminal Court refuses to answer such questions as are put to him or to produce any document or thing in his possession or power which the Court requires him to produce, and does not offer any reasonable excuse for such refusal, such Court may, for reasons to be recorded in writing, sentence him to simple imprisonment, or by warrant under the hand of the presiding Magistrate or Judge commit him to the custody of an officer of the Court for any term not exceeding seven days, unless in the meantime such person consents to be examined and to answer, or to produce the document or thing. In the event of his persisting in his refusal, he may be dealt with according to the provisions of section 480 or section 482, and in the case of High Court Division shall be deemed guilty of a contempt.

২৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৬ক ধারা অনুসারে, যদি একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জামানত নাকচের আদেশ দেন, তবে কোথায় আপীল করা যাবে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দায়রা আদালতে
  4. 'ক' বা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক (Section 406A) অনুযায়ী, ধারা ১২২ এর অধীনে জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি বা জামানত নাকচ করার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে নিম্নরূপ:
(c) যদি আদেশটি অন্য কোনো নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (i.e. neither Chief Metropolitan Magistrate nor Chief Judicial Magistrate nor District Magistrate) দেন,
তাহলে আপীল করা যাবে— জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট।
এখানে প্রশ্নে বলা হয়েছে আদেশটি দিয়েছেন একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, কাজেই তিনি "any other Magistrate" হিসেবে গণ্য হবেন।
- অতএব, তিনি যদি জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান বা নাকচ করেন, তবে আপীল করা যাবে: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (Option ক) অথবা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Option খ)
- এজন্য সঠিক উত্তর: ঘ) 'ক' বা 'খ'।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক: জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি বা নাকচ করার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল:
- ধারা ১২২ এর অধীনে জামানত গ্রহণ করতে অস্বীকার বা জামানত নাকচ করার যে কোনো আদেশে যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারবেন—
(ক) যদি আদেশটি প্রদান করে থাকেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করা যাবে;
(খ) যদি আদেশটি প্রদান করেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে;
(গ) যদি আদেশটি যেকোনো অন্য নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট প্রদান করেন, তাহলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে।
২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারাগুলোতে আপিলের বিধান বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৩১৭-৩৫০
  2. ধারা ৩৫১-৪০২
  3. ধারা ৪০৪-৪৩১
  4. ধারা ৪৫৩-৫০৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৪-৪৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৪-৪৩১
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর Part VII-এর অধীনে Appeal, Reference and Revision বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে।
- এর মধ্যে Chapter XXXI – OF APPEALS এ ফৌজদারি মামলায় আপিল সম্পর্কিত বিধানসমূহ বর্ণিত হয়েছে, যা ধারা ৪০৪ থেকে ৪৩১ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এই ধারাগুলোর মাধ্যমে আপিল সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় যেমন:
- কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে বা যাবে না (ধারা ৪১২-৪১৪),
- আপিল আদালতের ক্ষমতা (ধারা ৪২৩-৪২৯),
- আপিল করার সময়সীমা,
- আপিলের কার্যপ্রণালী,
- দ্বিতীয় আপিল বা সরকারের আপিলের বিধান (ধারা ৪১৭),
- মৃত্যুজনিত কারণে আপিল পণ্ড হওয়া (ধারা ৪৩১),
ইত্যাদি স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। 

→ তাই, প্রশ্নে উল্লিখিত চারটি অপশনের মধ্যে গ) ধারা ৪০৪-৪৩১ হচ্ছে একমাত্র সঠিক উত্তর।
২৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় সরকারের দণ্ড পরিবর্তনের (commute) ক্ষমতা বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৪০২
  2. ধারা ৪০২ক
  3. ধারা ৪০১
  4. ধারা ৪০৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ ধারায় সরকার দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন (Commutation) করে অন্য কোনো দণ্ড দিতে পারে। ৪০২ ধারায় সরকার মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাবাস ও সশ্রম কারাবাসকে বিনাশ্রম কারাবাসে হ্রাস করতে পারে।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০২-এ সরকারের দণ্ড পরিবর্তনের ক্ষমতা (power to commute punishment) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ধারা ৪০২(১) অনুসারে:"The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it..."
- উদাহরণস্বরূপ: সরকার মৃত্যুদণ্ডকে → আজীবন কারাদণ্ড (transportation) অথবা → সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারে।
এখানে “commute” বলতে বোঝায় – একটি দণ্ডকে অপেক্ষাকৃত কম কঠোর দণ্ডে রূপান্তর করা, যা করা যায় দণ্ডিত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০২: সাজা রদ বদলের ক্ষমতা-
(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লিখিত যেকোনো দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামি যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানবলীকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 402: Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.
(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের প্রকৃতি কী?
  1. সশ্রম কারাদণ্ড
  2. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়ই
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮০ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি আদালতের সম্মুখে বা আদালতের উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা ১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ অনুযায়ী আদালত অবমাননার (Contempt of Court) মতো অপরাধ করেন, তাহলে—
- আদালত ঐ ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক রাখতে পারে এবং
- সেই দিনের আদালত অধিবেশন শেষ হওয়ার পূর্বে (before the rising of the court) অপরাধটি আমলে নিয়ে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দিতে পারে এবং
- জরিমানা প্রদান না করলে, তাকে সর্বোচ্চ এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম (Simple) কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারে।
→  “Simple imprisonment” মানেই হলো বিনাশ্রম কারাদণ্ড — যেখানে আসামিকে কোনো ধরনের শ্রম বা কাজ করতে হয় না, এটি একটি কম কঠিন ধরনের শাস্তি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান:- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লিখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোনো সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 480: Procedure in certain cases of contempt:
-When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.

৩০.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০২ক অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে কে অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০২ক (Section 402A)-এ বলা হয়েছে: “The powers conferred by sections 401 and 402 upon the Government may, in the case of sentences of death, also be exercised by the President.”
- অর্থাৎ, যেসব ক্ষমতা ধারা ৪০১ ও ৪০২-এর মাধ্যমে সরকারকে দেওয়া হয়েছে, যেমন: দণ্ড স্থগিত করা (suspend), দণ্ড মওকুফ করা (remit), অথবা দণ্ড পরিবর্তন করা (commute) এই ক্ষমতাগুলো মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিও প্রয়োগ করতে পারেন।
- এই ধারা মূলত রাষ্ট্রপতির দয়ার ক্ষমতা (clemency power) নিশ্চিত করে, যাতে একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন।

→ সুতরাং, ধারা ৪০২ক অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত দণ্ড স্থগিত, মওকুফ বা পরিবর্তনের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতিও প্রয়োগ করতে পারেন।
- সঠিক উত্তর: খ) রাষ্ট্রপতি।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪০২ক: মৃত্যুদণ্ড: সরকারকে ৪০১ ও ৪০২ ধারায় যে ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে তা মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টও প্রয়োগ করতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 402A. Sentences of death:
- The powers conferred by sections 401 and 402 upon the Government may, in the case of sentences of death, also be exercised by the President.