পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 4” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ - বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। উৎস: বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, দৈনিক পত্রিকা এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
নিচের কোন জনগোষ্ঠী 'মগ' নামে পরিচিত ছিল?
  1. রাখাইন
  2. চাকমা
  3. খাসিয়া
  4. ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা

রাখাইন জনগোষ্ঠীরাখাইন জনগোষ্ঠী:

- রাখাইন জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদিনিবাস মায়ানমারের আরাকান রাজ্য।
- এরা নিজেদের 'রাক্ষাইন' নামে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- রাখাইনরা এক সময় 'মগ' নামে পরিচিত ছিল।
- অনেক গবেষকের মতে রাখাইন এবং মারমারা একই সম্প্রদায়ভুক্ত।
- রাখাইনরা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারি।

উল্লেখ্য, মারমারাও মগ নামে পরিচিত। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

.
নিচের কোন জেলায় রাজবংশি জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. পটুয়াখালী
  2. কক্সবাজার
  3. রংপুর
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
রাজবংশি:

- রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- হিমালয় অঞ্চল বা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা থেকে আগত রাজবংশীরা খর্বকায়, চ্যাপ্টা নাক, উঁচু চোয়ালবিশিষ্ট এক মিশ্র জনগোষ্ঠীর মানুষ।
- এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা। মেয়েরা কুটির শিল্পের কাজে দক্ষ।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই।
- এদের ভাষা স্থানিক তথা আঞ্চলিক ভাষার এক মিশ্ররূপ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
ম্রো জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে কোন জেলায়?
  1. বান্দরবান
  2. পটুয়াখালী
  3. সিলেট
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
মুরং/ম্রো:

- ম্রো একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় এদের অধিক সংখ্যক বসতি রয়েছে।
- জেলার তোইন, মঙ্গু, তৈনফা, লুলোইং, উত্তরহানগড়, দক্ষিণ হানগড়, তঙ্কাবতী, হরিণঝুড়ি, টেকের পানছড়ি, রেনিখ্যং, পানতলা, থানখ্যং, সোয়ালক, তিনডো, সিংপা, আলীখং এবং ভারিয়াতালি মৌজায় এদের বসবাস।
- ম্রোরা, ম্রু ও মুরং নামেও পরিচিত।
- ম্রোদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও পূর্বে বর্ণমালা ছিল না। ইদানীং ম্রোদের নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে।
- ম্রোরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন।
- ম্রো সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। পিতা পরিবারের প্রধান।
- ম্রোরা ধর্মপ্রাণবাদী এবং তাদের তিনজন দেবতা আছে- তুরাই যিনি বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা, সাংতুং অর্থাৎ পাহাড়ের দেবতা এবং ওরেং যিনি নদীর দেবী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোন জেলায় খাসিয়াদের বসবাস রয়েছে?
  1. বান্দরবান
  2. কক্সবাজার
  3. পটুয়াখালী
  4. সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:

- বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোন জেলায় গারোদের বসবাস আছে?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. গাজীপুর
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
গারো:

- গারো  বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
-  বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিববতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ, যেখান থেকে তারা দেশত্যাগ করে পরবর্তীকালে তিববতে দীর্ঘদিন বসবাস করে।
- এরপর ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় এবং বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় এরা বসবাস শুরু করে।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- মা-ই পরিবারের কর্তা ও সম্পত্তির অধিকারী এবং এক্ষেত্রে পিতা পরিবারের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করে।
- পরিবারের সন্তানসন্ততিরা মায়ের পদবি ধারণ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম কী?
  1. গণশুমারি
  2. গৃহগণনা ও জনসংখ্যা
  3. জনশুমারি ও গৃহগণনা
  4. আদমশুমারি ও গৃহগণনা
ব্যাখ্যা
আদমশুমারি:

- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।