পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬ সাধারণ বিজ্ঞান টপিকসমূহ: ভৌত বিজ্ঞান - রসায়ন বিষয়ক: ১. পদার্থের অবস্থা ও ধর্ম, পারমাণবিক গঠন, মৌলিক কণা, মৌলের ধর্ম, পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তন, সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়া, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়। ২. মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, পদার্থের দ্রবণ ধর্ম ও দ্রাব্যতা, সাবানের কাজ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, ব্যাপন, অভিস্রবণ, প্রস্বেদন, তড়িৎ কোষ, অজৈব ও জৈব যৌগ, পলিমার। ভৌত বিজ্ঞান - পদার্থ বিষয়ক: ১. ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, পদার্থের চৌম্বকত্ব, তড়িৎ চৌম্বক ও তাড়িত চৌম্বকীয় আবেশ, তরঙ্গ এবং শব্দ, শক্তি। ২. কাজ, শক্তি ও ক্ষমতা; তাপ ও তাপগতি বিদ্যা, পদার্থের গ্যাসীয় ধর্ম, আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, আলোক বিজ্ঞান ও আলোক যন্ত্রপাতি, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা। আধুনিক বিজ্ঞান: ১. পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, মহাকর্ষ-অভিকর্ষ, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা, বিভিন্ন রশ্মি ও তার ব্যবহার, ইলেক্ট্রনিক্স, মহাকাশ ও জ্যাতির্বিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থ বিজ্ঞান ইত্যাদি। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
কুমিল্লা থেকে ঢাকায় বিদ্যুৎ পরিবহণ করতে কোন ধরনের ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হবে?
  1. স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার
  2. আধুনিক ট্রান্সফরমার
  3. স্টেপ-ডাউন ট্রানফরমার
  4. তাড়িত চৌম্বক ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা
• কুমিল্লা থেকে ঢাকায় বিদ্যুৎ পরিবহণের ক্ষেত্রে স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়। কারণ বিদ্যুৎ দীর্ঘ দূরত্বে পরিবহন করার সময় ভোল্টেজ বৃদ্ধি করা হয় যাতে বিদ্যুৎ লাইনগুলোতে শক্তি ক্ষয় কম হয় এবং পরিবহণ দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার ভোল্টেজকে বাড়িয়ে দেয়, ফলে বিদ্যুৎ লাইনগুলোতে কারেন্ট কমে এবং তাপীয় ক্ষয় কমে। তাই, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও নিরাপদভাবে দূরত্ব পারাপারের জন্য স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমারই উপযুক্ত। ঢাকায় পৌঁছে বিদ্যুৎকে ব্যবহারযোগ্য মাত্রায় নামানোর জন্য স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমার ব্যবহৃত হয়। অতএব, বিদ্যুৎ পরিবহণের শুরুতে স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার প্রয়োজন।

ট্রান্সফর্মার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে পরিবর্তী উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রুপান্তর করা হয়, তাকে ট্রান্সফর্মার বলে।
- তড়িৎ চৌম্বক আবেশ এর উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্র তৈরি করা হয়।

ট্রান্সফর্মার দুই প্রকার:
১. স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার এবং
২. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার।

• যে ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারনে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায় তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে।
- বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য এই ধরনের ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়।

• যে ট্রান্সফর্মার অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহকে অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার বলে।
অর্থাৎ, স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে বিদ্যুতের উচ্চতর ভোল্ট থেকে নিম্নতর ভোল্ট পাওয়া যায়।
- বাসা বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি পদার্থ বিজ্ঞান বই।
.
প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে কোনটি ব্যাখ্যা করা যায়?
  1. ফটোতড়িৎ ক্রিয়া
  2. সমবর্তন
  3. ব্যতিচার
  4. অপবর্তন
ব্যাখ্যা
• প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটোতড়িৎ ক্রিয়া (photoelectric effect) ব্যাখ্যা করা যায়। ফটোতড়িৎ ক্রিয়ায় যখন আলো কোনও ধাতুর উপর পড়ে, তখন ধাতুর পৃষ্ঠ থেকে ইলেকট্রন নির্গত হয়। প্লাঙ্ক বলেছিলেন, আলো শক্তি কণার আকারে প্রকাশ পায়, যাকে ফোটন বলা হয় এবং প্রতিটি ফোটনের নির্দিষ্ট একটি শক্তি থাকে যা তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে। যদি ফোটনের শক্তি ধাতুর ইলেকট্রনকে মুক্ত করার জন্য পর্যাপ্ত হয়, তখন ইলেকট্রন নির্গত হয়। এই তত্ত্ব আলোকে তরঙ্গ নয়, কণার মতো আচরণ করার ব্যাখ্যা দেয় এবং ফটোতড়িৎ ক্রিয়ার অবস্থা বোঝাতে সাহায্য করে। তাই, প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব ফটোতড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যার জন্য ব্যবহৃত হয়।

প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব:

- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন।
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেড়িয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেজ আকারে বের হয়।
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রং এর আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে।
- এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন।
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন।
- এই তত্ত্বের সাহায্যে কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ, ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করা যায়।
- কিন্তু আলোর বিচ্ছুরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন, সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায় না।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট তৈরি করতে কোনটি ব্যবহৃত হয় না?
  1. ট্রানজিস্টর
  2. ট্রান্সফরমার
  3. রেজিস্টর
  4. ক্যাপাসিটর
ব্যাখ্যা
• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) তৈরি করতে সাধারণত ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়, কারণ এগুলো ইলেকট্রনিক সংকেত নিয়ন্ত্রণ এবং প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান। তবে, ট্রান্সফরমার সাধারণত IC তে ব্যবহার করা হয় না কারণ এটি একটি বড় এবং যান্ত্রিক উপাদান যা ভোল্টেজ পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়। ট্রান্সফরমার মূলত পাওয়ার ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত হয়, যেখানে ভোল্টেজ বাড়ানো বা কমানোর প্রয়োজন হয়। IC তে ছোট, দ্রুত এবং ক্ষুদ্র উপাদান প্রয়োজন, যা সহজেই সিলিকন চিপের ভিতরে তৈরি করা যায়, কিন্তু ট্রান্সফরমার এমন ধরনের নয়। তাই, ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট তৈরিতে ট্রান্সফরমার ব্যবহৃত হয় না।

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট:

- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। যার ফলে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।
- ১৯৬৮ সালে বারোস কোম্পানি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার বি-২৫০০ ও বি-৩৫০০ এর উপস্থাপন করে।
- আইসি চিপ দিয়ে তৈরি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার আইবিএম সিস্টেম ৩৬০।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
.
কোন তাপমাত্রাকে পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. 212 K
  2. 373.15 K
  3. 0 K
  4. 273.16 K
ব্যাখ্যা
• পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা হলো ২৭৩.১৬ K। ত্রৈধ বিন্দু বলতে বুঝায় সেই নির্দিষ্ট তাপমাত্রা যেখানে পানি ত্রৈধ অবস্থায় থাকে, অর্থাৎ বরফ, তরল পানি এবং বাষ্প একসঙ্গে সমতা অবস্থায় থাকে। এটি এক ধরনের স্থির বিন্দু, যেখানে তিনটি অবস্থা একই সাথে বিদ্যমান থাকে এবং চাপ ১ বাতাস। এই তাপমাত্রাটি ০.০১°C বা ২৭৩.১৬ K হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে গ্রহণ করা হয়েছে। অন্য  অপশনগুলো যেমন ২১২ K বা ৩৭৩.১৫ K পানির অন্য কোন ফেজ বা অবস্থার তাপমাত্রা নির্দেশ করে না, তাই সঠিক উত্তর হলো ২৭৩.১৬ K।

পানির ত্রৈধ বিন্দু:

- 4.5 mm পারদস্তম্ভ চাপে যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ, পানি ও জলীয় বাষ্প তাপীয় সমতায় থাকে, তাকে পানির ত্রৈধ বিন্দু বলে।
- পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা 273.16 K নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এই তাপমাত্রার উপর ভিত্তি করে পরম শূন্য তাপমাত্রা 0 K, বরফ বিন্দু 273.15 K এবং স্টিম বিন্দু 373.15 K ধরা হয়।
- তাপমাত্রা পরিমাপের কেলভিন স্কেলে বরফ বিন্দুকে 273.15 K এবং স্টিম বিন্দুকে 373.15 K ধরে মৌলিক ব্যবধানকে 100 ভাগে ভাগ করা হয়।
- এক একটি ভাগকে এক কেলভিন (1 K) বলা হয়।
- সেলসিয়াস এবং কেলভিন স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক হচ্ছে-
K = C + 273.15

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি একটি মিশ্র পদার্থ?
  1. বায়ু
  2. তাপ
  3. বিদ্যুৎ
  4. আলো
ব্যাখ্যা
• বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ, কারণ এটি বিভিন্ন গ্যাস যেমন নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড, এবং অন্যান্য গ্যাসের সমন্বয়ে গঠিত। এই গ্যাসগুলো একসঙ্গে মিশে একটি একক পদার্থ তৈরি করে, যা সহজেই আলাদা করা যায় না, কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন উপাদান সমন্বিত। অন্যদিকে, তাপ, বিদ্যুৎ এবং আলো পদার্থ নয়; এগুলো শক্তির রূপ। তাই বায়ু মিশ্র পদার্থ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ, কারণ এটি বিভিন্ন উপাদানের মিশ্রণ যা একত্রে থাকলেও প্রত্যেকটি উপাদানের বৈশিষ্ট্য বজায় রাখে। বায়ু ছাড়া অন্য কোনো অপশন মিশ্র পদার্থ নয়।

• বায়ুকে মিশ্র পদার্থ বলার কারণ:
- এ মহাবিশ্বে যা কিছু আছে তাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
- একটি ভাগে আছে পদার্থ যাদের ওজন বা ভর আছে, জায়গা দখল করে এবং বল প্রয়োগে বাধা দেয়।
- দুই বা ততোধিক পদার্থকে যে কোনো অনুপাতে একত্রে মিশ্রিত করলে যদি তারা নিজ নিজ ধর্ম বজায় রেখে পাশাপাশি অবস্থান করে, তবে উক্ত সমাবেশকে মিশ্রণ বলা হয়।
- বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ, কারণ বায়ুতে এর উপাদানসমূহ যেমন- নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি নিজ নিজ ধর্ম বজায় রেখে পাশাপাশি অবস্থান করে।

অন্যদিকে,
- তাপ, বিদ্যুৎ এবং আলো হলো শক্তির উদাহরণ।

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।