পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২৩ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: বাংলার সংস্কৃতি, বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলী (প্রতীক, পতাকা, সংগীত ইত্যাদি), সম্পদ (বন, কৃষি, শিল্প, পানি), বাংলাদেশের সমাজ জীবন, সমস্যা, জনমিতিক পরিচয়।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের চূড়ায় কী আছে?
  1. নারিকেল পাতা
  2. বটগাছের পাতা
  3. শাপলা পাতা
  4. পাটগাছের পাতা
সঠিক উত্তর:
পাটগাছের পাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটগাছের পাতা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক গ্রহণ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে রয়েছে পানিতে ভাসমান একটি শাপলা ফুল যা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল।
- শাপলা ফুলটিকে বেষ্টন করে আছে ধানের দুটি শীষ।
- প্রতীকের চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয়পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতিকে নির্দেশ করা হয়েছে।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি।

- জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসান।
- সংবিধানের প্রথম ভাগ (প্রজাতন্ত্র) অনুচ্ছেদে : ৪ (৩)-এ জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বর্ণনা করা আছে।

⇒ ভাসমান শাপলাটি এঁকেছেন মোহাম্মদ ইদ্রিস ও এর দুই পাশে ধানের শীষবেষ্টিত পাটপাতা ও চারটি তারকা যুক্ত করেছেন শামসুল আলম।
- কামরুল হাসান ও তাঁর দলের করা এই প্রতীকটি জাতীয় প্রতীক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয় ১৯৭২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি।
- জাতীয় প্রতীকের চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে এই চারটি মূলনীতিকেই বোঝানো হয়েছে।

⇒ এই জাতীয় প্রতীক কিন্তু সবাই ব্যবহার করতে পারেন না।
- শুধু রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার ব্যবহারের ক্ষমতা রাখেন।



উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে 'আমার সোনার বাংলা' গানের কতটি চরণ নির্ধারিত?
  1. ১০টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা

জাতীয় সঙ্গীত

- বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হলো ‘আমার সোনার বাংলা’।
- এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯০৬ সালে রচনা করেন।
- গানটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
- বিশ শতকের প্রথম দুই দশকে স্বদেশী আন্দোলনের সময় গানটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।
- বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫) বিরোধী আন্দোলনে গানটি দেশপ্রেম জাগানোর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে নিয়মিত প্রচার হতো।
- স্বাধীনতার পর সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪.১ অনুযায়ী গানটি জাতীয় সঙ্গীত ঘোষিত হয়।
-  ১৯৭২ সালের ১৩ই জানুয়ারি বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে নির্বাচিত হয়।
- গানের প্রথম ১০ ছত্র কণ্ঠসঙ্গীত হিসেবে নির্ধারিত।
- গানের প্রথম ৪ ছত্র যন্ত্রসঙ্গীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রয়েছে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
iii) বিবিসি।

.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪' অনুযায়ী, বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি বনাঞ্চল রয়েছে?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খুলনা
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪' অনুযায়ী, 
মোট বনাঞ্চল পরিমাণ - ৬৩,৬৮,৮৫৯.১৭ একর বা ৯,৯৫১.৩৪ বর্গমাইল

• সর্বাধিক বনাঞ্চল সম্পন্ন জেলা (৫টি)
- রাঙ্গামাটি = ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
- বান্দরবান= ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
- বাগেরহাট = ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
- খুলনা = ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।
- খাগড়াছড়ি = ৫৫৪,১১৬.২১ একর।

উৎস: বিবিএস।

.
বাংলাদেশের কোথায় সর্বপ্রথম সামাজিক বনায়ন শুরু হয়?
  1. লাউয়াছড়া 
  2. ভাওয়াল 
  3. চন্দ্রঘোনা
  4. বেতাগী ও পোমরা
সঠিক উত্তর:
বেতাগী ও পোমরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেতাগী ও পোমরা
ব্যাখ্যা

বন ব্যবস্থাপনার ক্রমবিকাশ :
 - বন বিভাগ প্রতিষ্ঠা ও বন ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম শুরু হয় ১৮৬২ সালে। স্যার ডায়েট্রিচ ব্রান্ডিস নামক একজন জার্মান ফরেস্টারকে ১৮৬২ সালে প্রথম ইন্সপেক্টর জেনারেল অব ফরেস্টস নিয়োগ করা হয়।
- ১৮৬৫ সালে বন আইন প্রণীত হয়।
- মাইনি হেড ওয়াটার সংরক্ষিত বন গঠিত হয় ১৮৭৫ সালে।
- প্রথম ১৮৭১ সালে বনায়ন কার্যক্রম শুরু হয়।
- বৈজ্ঞানিকভাবে বন ব্যবস্থাপনার জন্য সর্বপ্রথম সুন্দরবনের ওয়ার্কিং প্লান তৈরি হয় ১৮৯২ সালে।
- বন নীতি প্রণীত হয় ১৮৯৪ সালে।
- জুমিয়াদের অংশগ্রহণে টংগিয়া পদ্ধতিতে বনায়ন শুরু হয় ১৯১২ সালে। যা বাংলাদেশে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সম্পৃক্তকরণে বন ব্যবস্থাপনার প্রথম কার্যকরী  উদ্যোগ।
- সর্বপ্রথম ফরেস্ট ইনভেন্টরি করা হয় পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৯৬১ সালে। 
- ১৯৬৩ সালে সর্বপ্রথম বন সম্প্রসারণ শুরু হয়।
- ১৯৬৬ সালে উপকূলীয় বনায়ন শুরু হয়।
- চট্টগ্রামের বেতাগী ও পোমরাতে ১৯৭৯ সালে সর্বপ্রথম সামাজিক বনায়ন শুরু হয়।
 -বন্যপ্রাণি অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬০ সালে সুন্দরবনে।
- ১৯৯৪ সালে বৃক্ষমেলা শুরু হয়।
- সহ-ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে ২০০৪ সালে বন ব্যবস্থাপনা শুরু হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া।

.
বাংলাদেশে মোট নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. ১৬৯টি
  2. ১৭১টি
  3. ১৭৩টি
  4. ১৭০টি
সঠিক উত্তর:
১৭১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭১টি
ব্যাখ্যা

চা শিল্প:
- চা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল।
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, আমদানি বিকল্প পণ্য উ‌‌ৎপাদন এবং গ্রামীণ দারিদ্র্য হ্রাসকরণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে চা খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।
- মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।

অন্যদিকে,
- হবিগঞ্জ জেলায় ২৫ টি চা বাগান রয়েছে।
- সিলেট জেলায় ১৯ টি চা বাগান রয়েছে।
- পঞ্চগড় জেলায় ১০ টি চা বাগান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

.
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কোন প্রকার বনাঞ্চল?
  1. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনাঞ্চল
  2. শ্বাসমূলীয় বনাঞ্চল
  3. মিঠাপানির জলাভূমির বনাঞ্চল
  4. চিরহরিৎ বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
চিরহরিৎ বনাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরহরিৎ বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা

• লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। 
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে অবশিষ্ট চিরহরিৎ বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের ২৫টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১৯টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
কোনটি  বাংলাদেশের জন্য “ব্লু-গোল্ড” হিসেবে পরিচিত?
  1. পাট
  2. চিংড়ি
  3. মিঠাপানি
  4. লোনা পানি
সঠিক উত্তর:
মিঠাপানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিঠাপানি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিশাল মিঠাপানির ভাণ্ডারকে ২১শ’ শতকের “ব্লু-গোল্ড” বা ‘নীল-সোনা’ হিসেবে খ্যাত।

- বছরে গড়ে ২ হাজার ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত, ৭০০ শতাধিক নদীনালা, অসংখ্য খাল-বিল, হাওর-বাঁওড় ও জলাভূমি—এসব মিলিয়ে বাংলাদেশ একটি অনাবিষ্কৃত সম্ভাবনার জলভান্ডার।
- বাংলাদেশের পানি বিশুদ্ধতার দিক থেকে পৃথিবীর যেকোনো দেশের পানির চেয়ে এগিয়ে। 
- টাঙ্গুয়ার হাওর ও সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকার পানি ইতিমধ্যে উচ্চ বিশুদ্ধতার জন্য চিহ্নিত।
- এই অঞ্চলের পানির পিএইচ লেভেল ৬.৫, ৮.০ ডব্লিউএইচও সুপারিশকৃত: ৬.৫, ৮.৫।
- যা রীতিমতো অবাক হওয়ার মতো। এটাকে বাংলাদেশের জন্য একটা সোনার খনি বলা চলে।
- এ জন্যই বাংলাদেশের পানিকে ব্লু গোল্ড বলা হয়।

অন্যদিকে,
- সোনালী আঁশ হিসেবে খ্যাত- পাট।
- হোয়াইট গোল্ড হিসেবে খ্যাত- চিংড়ি।

উৎস: প্রথম আলো।

.
চিনামাটি কোন শিল্পের মূল কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. কাগজ শিল্প
  2. সিরামিক শিল্প
  3. ইস্পাত শিল্প
  4. সিমেন্ট শিল্প
সঠিক উত্তর:
সিরামিক শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরামিক শিল্প
ব্যাখ্যা

• নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর ও এর আশপাশের এলাকায় রয়েছে চিনামাটির খনি।
- চিনামাটি মূলতঃ সিরামিক শিল্পের কাঁচামাল।
- খনিজ সম্পদ ব্যুরোর ১৯৫৭ সালের তথ্যানুযায়ী, এ এলাকায় চিনামাটির মজুদ প্রায় ২৪ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন। 
- এটি দিয়ে বাংলাদেশের তিনশ বছরের চাহিদা পূরণ সম্ভব বলে তখন বলা হয়েছিল।
- খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো থেকে অনুমতি নিয়ে কয়েকটি বেসরকারি কোম্পানী এখানকার চিনামাটি আহরণ করছে।
- প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমিক মাটি খননের কাজ করছে খনিজ প্রকল্পগুলোতে।
- এরপর তা পরিবহন করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সিরামিক শিল্পের কারখানাগুলোতে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অন্যতম উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. নদী শাসন ও খনন
  2. ফসল সংরক্ষণ 
  3. সেচ কার্যের উদ্দেশ্যে নিশ্চিতকরণ
  4. কীটনাশক ও সার নিশ্চিতকরণ
সঠিক উত্তর:
সেচ কার্যের উদ্দেশ্যে নিশ্চিতকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেচ কার্যের উদ্দেশ্যে নিশ্চিতকরণ
ব্যাখ্যা

 বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) 

→ বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার অধিকাংশ এলাকা এবং নাটোরসহ বৃহত্তর রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া ও পাবনা জেলার কিয়দংশ এলাকা এবং ভারতের উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদা জেলার অধিকাংশ এলাকা নিয়ে বরেন্দ্র অঞ্চল গঠিত। 

→ পরিবেশের স্বাভাবিক নিয়মে এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যায়। দেশের বাৎসরিক গড় বৃষ্টিপাত যেখানে ২৫০০ মি.মি. সেখানে এ অঞ্চলে তা ১৪০০ মি.মি. এর বেশী নয়। ভাটির দেশ হওয়ায় উজানের দেশ থেকে নেমে আসা প্রায় সকল নদীতে বাঁধ নির্মাণ করায় অধিকাংশ নদীই (মহানন্দা, আত্রাই, পূর্ণভবা, শিব, পাগলা, করোতোয়া, তিস্তা) শুকনো মৌসুমে প্রায়ই শুকিয়ে যায়। 

→  ফলে এ অঞ্চলে ভূ-পরিস্থ পানির উৎসও খুবই অপ্রতুল হয়ে পড়ে। এ অঞ্চলের জমিগুলো ছিল তাই বৃষ্টি নির্ভর একফসলী। যথা সময়ে বৃষ্টিপাত না হলে একটি ফসল উৎপাদনও ব্যহত হতো। বৃষ্টি নির্ভর বোনা আমন ফসলের পর বছরের বাকী সময় জমিগুলো গোচারণভূমি হিসাবে ব্যবহৃত হতো। 

→ মাটির গঠন এবং ভূ-গর্ভস্থ পানি স্তরের স্বল্পতার কারণে এ অঞ্চলে প্রচলিত নলকূপ দ্বারা সেচ কাজ সম্ভব ছিল না। সে প্রেক্ষিতে ১৯৮৫ সালে এ অঞ্চলের তৎকালীন বিএডিসি’র প্রকৌশলীগণ জনাব ড. আসাদুজ্জামান এর নেতৃত্বে এক বিশেষ ধরণের নলকূপ উদ্ভাবন করে ভূ-গর্ভস্থ পানি দ্বারা সেচের সুযোগ সৃষ্টি করেন।

→ বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) এর আওতায় বরেন্দ্র সমন্বিত এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প (BIADP) এর মাধ্যমে এ অঞ্চলে উন্নয়নের যাত্রা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে এ প্রকল্পের মাধ্যমে রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ১৫ টি উপজেলায় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। নলকূপ স্থাপন ও পুকুর-খাল খননের মাধ্যমে সেচ সুবিধা সৃষ্টি করা, বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে মরু প্রক্রিয়া রোধ করা এবং উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করা ও যাতায়াতের জন্য ফিডার রোড নির্মাণ করা ছিল এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

→বরেন্দ্র এলাকার উন্নয়নের জন্য ১৯৯২ সালের ১৫ জানুয়ারী রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সকল (২৫টি) উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) নামে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আলাদা একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করা হয়।

কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্য ও কার্যাবলীঃ

১) সেচ কার্যের উদ্দেশ্যে ভূ-পরিস্থ ও ভূ-গর্ভস্থ পানি সম্পদের উন্নয়ন এবং যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ;
২) কৃষি যান্ত্রিকিকরণ, বীজ উৎপাদন ও সরবরাহ এবং শস্যের বহুমুখীকরণ;
৩) পরিবেশের ভাসাম্য রক্ষার্থে বৃক্ষ রোপণ ও সংরক্ষণ;
৪) কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে সীমিত আকারে সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও রক্ষাবেক্ষণ;
৫) সেচযন্ত্র স্থাপন এবং লোকালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহকরণ;
৬) সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে চুক্তি সম্পাদন;
৭) গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০.
বাংলাদেশে কিশোর অপরাধের প্রধান কারণ কী?
  1. আদর-যত্নের অভাব
  2. দারিদ্র্য
  3. মাতাপিতার বিবাহবিচ্ছেদ
  4. চিত্তবিনোদনের অভাব
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য
ব্যাখ্যা

• কিশোর অপরাধের ধারণা:
- সাধারণভাবে রাষ্ট্র বা সমাজ স্বীকৃত নয় এমন কাজকে অপরাধ বলে। অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেমেয়ে বা কিশোরদের দ্বারা সংগঠিত বিভিন্ন ধরনের অপরাধকেই বলা হয় কিশোর অপরাধ।

- বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় ৭ থেকে ১৬ বছর বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কাজকে কিশোর অপরাধ বলা হয়।
- পাকিস্তান ও থাইল্যান্ডে কিশোর অপরাধীর বয়স ৭ থেকে ১৮ বছর।
- আর জাপানে এ বয়সসীমা ১৪ থেকে ২০ বছর। কিশোর বয়সে এরা রাষ্ট্র ও সামজের আইন ও নিয়ম ভাঙে বলেই তারা কিশোর অপরাধী।

• কিশোর অপরাধের কারণ:
- বাংলাদেশে কিশোর অপরাধের অন্যতম প্রধান কারণ দারিদ্র্য।
- বাড়ির বাইরে বা কর্মস্থলে অতি ব্যস্ততার কারণে মাতাপিতার পক্ষে তাঁদের সন্তানদের যথেষ্ট সময় বা মনোযোগ দিতে না পারা, 
- আদর-যত্নের অভাব, 
- মাতাপিতার অকালমৃত্যু বা বিবাহবিচ্ছেদ, 
- অভিভাবকদের অতিরিক্ত শাসনের কারণেও অনেক কিশোর ধীরে ধীরে অপরাধী হয়ে ওঠে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

১১.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত সর্বমোট ধানের জাত কতটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. ১০৯টি
  2. ১২৭টি
  3. ১২০টি
  4. ১২৩টি
সঠিক উত্তর:
১২৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৭টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ব্রি উদ্ভাবিত ধানের জাতসমূহ (সর্বমোট ১২৭)। (মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত)

এর মধ্যে রয়েছে: 
• জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত
ব্রি ধান৬২;
ব্রি ধান৬৪;
ব্রি ধান৭২;
ব্রি ধান৭৪;
ব্রি ধান৮৪;
ব্রি ধান১০০;
ব্রি ধান ১০২;

• খরা সহিষ্ঞু ধানের জাত-
ব্রি ধান ৪৩;
ব্রি ধান ৫৫;
ব্রি ধান ৫৬;
ব্রি ধান ৫৭;
ব্রি ধান ৬৬;
ব্রি ধান ৭১;
ব্রি ধান ৮৩;

• জলমগ্নতা সহিষ্ঞু ধানের জাত:
ব্রি ধান৫১
ব্রি ধান৫২
ব্রি ধান৭৯
ব্রি ধান১০৯
ব্রি ধান১১০

• এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত- ব্রি ধান-৮৪,  বিআর-৫।
• উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ ধানের জাত- ব্রি ধান-১০৭।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২.
বাংলাদেশে কোন বনাঞ্চলকে চিরহরিৎ বনাঞ্চল বলা হয়?
  1. মধুপুর বনাঞ্চল
  2. পার্বত্য বনাঞ্চল
  3. গাজীপুর বনাঞ্চল
  4. বরেন্দ্র বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য বনাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল তথা খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি বিস্তৃত।
- বাংলাদেশে পার্বত্য বনাঞ্চলকে চিরহরিৎ বনাঞ্চল বলা হয়।

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে। 
• এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
(ক)ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
(খ)দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।

- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত। পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৩.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অনুপাত কত?
  1. ১০:৬
  2. ৬:৪
  3. ৫:৬
  4. ১২:৬
সঠিক উত্তর:
১০:৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০:৬
ব্যাখ্যা

জাতীয় পতাকা:
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- আয়তাকার এই পতাকার অনুপাত হচ্ছে অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

⇒ ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পতাকা উত্তোলন করেন সে পতাকার আদলে মুজিবনগর সরকার জাতীয় পতাকার নমুনা নির্ধারণ করেন।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।
- তিনি একজন ছাত্রনেতা ও স্বভাব আঁকিয়ে ছিলেন।
- ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলের (বর্তমান শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ১১৬ নং কক্ষে রাত এগারটার পর পুরো পতাকার নকশা সম্পন্ন করেন।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪.
মারমা জনগোষ্ঠীর প্রধান বর্ষবরণ উৎসবের নাম কী?
  1. বিজু
  2. বৈসুখ
  3. সাংগ্রাই 
  4. রাস
সঠিক উত্তর:
সাংগ্রাই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংগ্রাই 
ব্যাখ্যা

মারমা ও সাংগ্রাই উৎসব:
- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী। 
- এই জনগোষ্ঠীর জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- তারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত। তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। এই ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- মারমা সম্প্রদায়ের মধ্যে তিন স্তরবিশিষ্ট প্রথাগত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধানের পদবী- কারবারি; মৌজা পর্যায়ের প্রধান ⎯ হেডম্যান; সার্কেল প্রধান হলেন ⎯ রাজা।
- মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম ‘সাংগ্রাই’।
- সাংগ্রাই শব্দটি এসেছে ‘সাক্রাই’ থেকে; এর মানে ‘সংক্রান্তি’।
- সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন এই উৎসব পালিত হয়।
- এ উৎসবের মূল আয়োজন - ‘পানিখেলা’ বা ‘জলোৎসব’। নৌকা বা বড় পাত্রে পানি রেখে একপক্ষ আরেক পক্ষকে পানি ছিটিয়ে দেয়।

এছাড়াও, 
বৈসাবি:
পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর কাছে বর্ষবরণ উৎসবই সবচেয়ে বড় এবং ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। বাংলাদেশের ৩ বড় নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবকে একত্রে বৈসাবি বলা - ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম - বৈসুখ/বৈসু/বাইশু,
- মারমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম - সাংগ্রাই,
- চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম - বিজু।
- এই ৩ বড় উৎসবকে একত্রে বৈসাবি বলা হয়। সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়।

উল্লেখ্য: 
- রাস হলো মণিপুরিদের প্রধান উৎসব। শরতের পূর্ণিমায় এই রাস হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বোর্ড বই।

১৫.
‘হীরা, শুভ্রা’ কোন দুইটি ফসলের উন্নত জাত হিসেবে বাংলাদেশে ব্যবহৃত হয়?
  1. আম ও মরিচ
  2. টমেটো ও আলু
  3. আলু ও ভুট্টা
  4. গম ও তুলা
সঠিক উত্তর:
আলু ও ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু ও ভুট্টা
ব্যাখ্যা

‘হীরা, শুভ্রা’ বাংলাদেশে আলু ও ভুট্টার উন্নত জাত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

- বাংলাদেশের কৃষিতে কয়েকটি ফসলের উন্নত জাত, যথা:-

• উচ্চ ফলনশীল আলু: হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরি।
• আমের উন্নত জাত: মহানন্দা, মোহনভোগ, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা,, ক্ষীরসাপাতি।
• মরিচের জাত: যমুনা।
• টমেটোর উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, ও শ্রাবণী।
• ভুট্টার কয়েকটি উন্নত জাতের : বর্ণালি, শুভ্রা, উত্তরণ।
• গমের কয়েকটি উন্নত জাতের বীজ : বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, কাঞ্চন, অগ্রণী, আনন্দ।
• তুলার দুটো উন্নত জাত হলো: রূপালী ও ডেলফোজ

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সহায়তা কেন্দ্র।

১৬.
’পেঁয়াজ’ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. পাবনা 
  2. সিরাজগঞ্জ
  3. নাটোর
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
পাবনা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা 
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

’পেঁয়াজ’ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- পাবনা।

’পেঁয়াজ’ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ- রাজশাহী।

উল্লেখ্য,
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১৭.
বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. গোয়াইনঘাট 
  2. আশুগঞ্জ
  3. পলাশ 
  4. ফেঞ্চুগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ফেঞ্চুগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেঞ্চুগঞ্জ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা কোথা স্থাপিত হয়- সিলেট জেলার ফঞ্চুগঞ্জে।
- এটি ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা নামে পরিচিত।

ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা:

- ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ (ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা)।
- এটি এশিয়ার প্রথম সার কারখানা।
- দেশের প্রথম সার কারখানা হচ্ছে ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা।
- এই কারখানাটি ১৯৬১ সালে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নের অবস্থিত।
- বিলুপ্ত হয় ৩০ জুন ২০১২ সালে।
- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা হতে প্রায় ৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সিলেট-মৌলভীবাজার হাইওয়ে রোডের পূর্ব দিকে হাইওয়ে রোড হতে ১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। 

অন্যদিকে -
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি যমুনা নদী হতে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরত্বে ১৯৯২ সালে তারাকান্দি, জামালপুর জেলায় স্থাপিত হয়। 
- আশুগঞ্জ ফার্টিরাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ ঢাকা শহর হতে ১১০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে এবং আশুগঞ্জ রেলষ্টেশন থেকে ৪ কিলোমিটার দক্ষিণে,  আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ১৯৮১ সালে কারখানাটি স্থাপিত হয়।
- চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ কারখানাটি চিটাগাং শহর থেকে ২৪ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং কর্ণফূলী নদীর দক্ষিণ তীরে ১৯৮৭ সালে রাঙ্গাদিয়া, থানা- আনোয়ারা, চট্টগ্রাম  জেলায় স্থাপিত হয়। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৮.
বাংলাদেশের বড় প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন কেন্দ্র কোনটি?
  1. মেঘনা নদী
  2. কর্ণফুলী নদী
  3. পদ্মা নদী
  4. হালদা নদী
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বড় প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন কেন্দ্র - হালদা নদী।

হালদা নদী:
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বাটনাতলী পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে এটি ফটিকছড়ির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
- এটি কালুরঘাটের নিকটে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- এর মোট দৈর্ঘ্য ৮১ কিলোমিটার।
- এটি দেশের বড় প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- হালদা বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখান থেকে রুইজাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।
- হালদা নদীর প্রজনন সময় হচ্ছে এপ্রিল, মে, জুন এই তিন মাস।
- অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে এখানে রুইজাতীয় মাছ নিষিক্ত ডিম ছাড়ে।
- হালদা হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক।

উৎস:জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৯.
বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইন কবে প্রণয়ন করা হয়?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৮০ সালে 
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে যৌতুক প্রথা বন্ধ করার উদ্দেশ্যে ১৯৮০ সালে যৌতুক নিরোধ আইন প্রণয়ন করা হয়।
- এই আইন অনুযায়ী যৌতুক প্রদান বা গ্রহণ করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- এ অপরাধে সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা ৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড একসঙ্গে দেওয়া যেতে পারে।
- যদি কোনো ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কনে বা বরের পিতামাতা কিংবা অভিভাবকের নিকট যৌতুক দাবি করে, তাহলেও একই শাস্তির বিধান প্রযোজ্য হয়। যৌতুক আদান-প্রদানে সহায়তাকারী ব্যক্তিও একই শাস্তি ভোগ করবে।

- পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে এই আইন সংশোধন করা হয়। সংশোধিত আইনে যৌতুক প্রদান বা গ্রহণের শাস্তি আরও কঠোর করা হয়। এ অনুযায়ী অপরাধী সর্বনিম্ন ১ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

- এছাড়া ১৯৮৩ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের বিধান অনুযায়ী, যৌতুকের কারণে কোনো নারীর মৃত্যু ঘটালে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করলে অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ড দেওয়া যাবে। নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়া এবং যৌতুক গ্রহণের ক্ষেত্রেও কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

- যৌতুক প্রথা বাংলাদেশের পরিবার ও সমাজ জীবনে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি করেছে।
- এ কুপ্রথা থেকে মুক্তি পেতে হলে সর্বপ্রথম পরিবারকে সচেতন করতে হবে এবং যৌতুক দেওয়া ও নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
- কন্যাসন্তানসহ সবাইকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। নারীরা আত্মনির্ভরশীল হলে যৌতুকের অভিশাপ তাদের স্পর্শ করতে পারবে না।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়-৭ম শ্রেণি।

২০.
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)-এর মৌলিক কাজ কী?
  1. জাত উদ্ভব
  2. বীজ, সার সরবরাহ
  3. কৃষি ঋণ বিতরণ
  4. সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা
সঠিক উত্তর:
বীজ, সার সরবরাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীজ, সার সরবরাহ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি):

- বিএডিসি ১৯৬১ সালে “পূর্বপাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন” নামে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (ই.পি. অধ্যাদেশ XXXVII, ১৯৬১) এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারের অন্যান্য কৃষি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের তুলনায় কার্যক্রমে ভিন্নতার কারণে ১৯৭৫ সালে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ কৃষি উপকরণ সরবরাহ ও সেবা কর্পোরেশন (বিএআইএসএসসি) রাখা হয়।
- ১৯৭৬ সালে বিএআইএসএসসি-এর নাম পুনঃ পরিবর্তন করে আবার বিএডিসি রাখা হয়।
- বিএডিসি কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, যার কেন্দ্র ঢাকা শহর, তবে সেবা সমগ্র বাংলাদেশে বিস্তৃত।
- মাঠ পর্যায়ের অফিসসমূহ উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত, এবং কিছু ক্ষেত্রে আরো প্রত্যন্ত এলাকায় অফিসের নেটওয়ার্ক রয়েছে।

বিএডিসি’র উপর অর্পিত মৌলিক কাজগুলো হচ্ছে:
- সারা বাংলাদেশে কৃষি উপকরণ উৎপাদন, সংগ্রহ (ক্রয়), পরিবহন, সংরক্ষণএবং বিতরণ ব্যবস্থাপনা টেকসই করা
- অত্যাবশ্যকীয়কৃষি উপকরণ যেমন: বীজ, সার সরবরাহ।
- ভূপরিস্থ ও ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকের জন্য সেচের সুযোগ সৃষ্টি করা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২১.
জনশুমারি ২০২২-এর সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) কত শতাংশ?
  1. ৭০.৫৬%
  2. ৭৪.৬৬%
  3. ৭৬.৫৬%
  4. ৭২.৮২%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৬৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৬৬%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- গণনা পদ্ধতি: Modified Defacto।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ : ১০০।

- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৬৬%।
- পুরুষ: ৭৬.৫৬%।
- নারী: ৭২.৮২%।

উৎস: বিবিএস।

২২.
সুন্দরবন-এর কত শতাংশ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমার মধ্যে পড়েছে?
  1. ৬০%
  2. ৬১%
  3. ৬৪%
  4. ৬২%
সঠিক উত্তর:
৬২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২%
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন  বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম জোয়ারধৌত গরান বনভূমি (mangrove forest)।
- কর্কটক্রান্তির সামান্য দক্ষিণে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূল ধরে বিস্তৃত ২১°৩০´-২২°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০০´-৮৯°৫৫´ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী স্থানে এ বনের অবস্থান।
- এই বনের ৬২ শতাংশ বাংলাদেশে অবস্থিত।
- সুন্দরবন বাংলাদেশের একক বৃহত্তম বনভূমি।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার।

- সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে সুন্দরবন অবস্থিত।
- এই বন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
- এখানকার প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- এই বনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে,
• গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বনবিভাগ।

২৩.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উদ্ভিদের নাম কী?
  1. বৈলাম
  2. ইউক্লিপটাস
  3. শাল
  4. কেওড়া
সঠিক উত্তর:
বৈলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈলাম
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু বৃক্ষ বৈলাম স্থানীয় পর্যায়ে বইলাম নামেও পরিচিত।
- ভৌগোলিকভাবে এটি বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ায় পাওয়া যায়।
- আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) লাল তালিকায় বৈলাম বিশ্বব্যাপী একটি মহাবিপদাপন্ন প্রজাতির গাছ।
- বন উজাড়, মাতৃবৃক্ষের অপ্রতুলতা ও অতিরিক্ত কাঠ আহরণের ফলে বর্তমানে বাংলাদেশে বৈলাম গাছ দুষ্প্রাপ্য ও বিপন্ন হয়ে পড়েছে। - সাধারণত পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জেলার, কাপ্তাই, বিলাইছড়ির সংরক্ষিত বন ছাড়াও দেশের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও নার্সারি এটি সংরক্ষণ করছে।

উৎস: i) পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বণিক বার্তা।

২৪.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি কত তারিখে সরকারিভাবে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
  2. ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি
  3. ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  4. ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

জাতীয় পতাকা:
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- আয়তাকার এই পতাকার অনুপাত হচ্ছে অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

⇒ ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পতাকা উত্তোলন করেন সে পতাকার আদলে মুজিবনগর সরকার জাতীয় পতাকার নমুনা নির্ধারণ করেন।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।
- তিনি একজন ছাত্রনেতা ও স্বভাব আঁকিয়ে ছিলেন।
- ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলের (বর্তমান শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ১১৬ নং কক্ষে রাত এগারটার পর পুরো পতাকার নকশা সম্পন্ন করেন।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৫.
রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের বৃত্তের নিচে কী লেখা থাকে? 
  1. বাংলাদেশ
  2. প্রজাতন্ত্র
  3. সরকার
  4. সংবিধান
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার - নিত্যানন্দ সাহা (এনএন সাহা)।
- এই মনোগ্রামে রয়েছে লাল বৃত্তের মাঝখানে হলুদ রংঙের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপরে লেখা ’গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’, নিচে লেখা ’সরকার’ এবং বৃত্তের দুপাশে রয়েছে ২ টি করে মোট ৪ টি তারকা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।