পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 7” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের অর্থনীতি [উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদে বাংলাদেশের গড় প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৮.৪১%
  2. ৮.৫১%
  3. ৭.৫১%
  4. ৭.৪১%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:

- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৭টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে।
- ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান রয়েছে।
- ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০২১ - ২০২৫ মেয়াদে " চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।
- বাংলাদেশ ২০২৬ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
- যেখানে অর্থবছর ২০৩১ এর মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে (UMIC) উন্নীত হওয়া এবং চরম দারিদ্র্য দূর করা হবে।
- অর্থবছর ২০৪১ এর মধ্যে উচ্চ আয়ের দেশের (HIC) মর্যাদা লাভ করার রোডম্যাপ নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
.
রূপকল্প ২০৪১-এর বাস্তবায়নের সময়কাল কত?
  1. ২০২০-২০৪১
  2. ২০২১-২০৪১
  3. ২০২৫-২০৪১
  4. ২০২৬-২০৪১
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রূপকল্প ২০৪১
:
- এটি একটি পরিকল্পনা।
- বাস্তবায়নের সময়কাল: ২০২১-২০৪১।
- রূপকল্প ২০২১ এর ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তৈরি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে রূপকল্প ২০৪১ ঘোষণা করেন।
- ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের পর্যায় পেরিয়ে এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদ।
- রূপকল্প ২০৪১ এ ২৬টি লক্ষ্যের কথা বলা আছে।
- রূপকল্প-২০৪১ চারটি প্রাতিষ্ঠানিক স্তম্ভ যথা: সুশাসন, গণতন্ত্র, বিকেন্দ্রীকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এই পরিকল্পনার সুফলভোগী হবে জনগণ এবং তারাই হবে প্রবৃদ্ধি ও রূপান্তর প্রক্রিয়ার প্রধান চালিকাশক্তি।

⇒ উদ্দেশ্য:
- সম্ভাব্য জনসংখ্যা: ২১ কোটি ৩ লাখ।
- মাথাপিছু আয়: ১২,৫০০ ডলার (২০৪১ সালের মূল্যমানে ১৬,০০০ ডলারের বেশি)।
- দারিদ্র্য নিরসনের অভীষ্ট হল: ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য নির্মূল করা এবং ২০৪১ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ৩% বা এর নিচে নিয়ে আসা।
- ২০৪১ সালে বাংলাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা হবে ৫১ হাজার মেগাওয়াট।
- ২০৪১ অবধি ৯% জিডিপি প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা।
- বিনিয়োগ / জিডিপি অনুপাত ৪৬.৮৮ শতাংশে বৃদ্ধি করা।
- রাজস্ব কর জিডিপির ২০% পর্যন্ত বাড়ানো।
- রপ্তানি আয় ৩০০ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি করা।
- গড় আয়ু বাড়িয়ে ৮০ বছর করা।
- মোট জনসংখ্যার ৭৫% কে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা।
- ২০৪১ সালের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার ১০০% এ বৃদ্ধি করা।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ১% এরও নিচে নামিয়ে আনা।
- কার্যকর কর এবং ব্যয়ের নীতিমালা কার্যকর করা।
- অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক শক্তির বিকেন্দ্রীকরণ।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
.
আর্থিক নীতির মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. উচ্চ কর্মসংস্থান
  2. টেকসই বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন
  3. সম্পদের অর্থনৈতিক এবং দক্ষ ব্যবহার
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
আর্থিক নীতি (Monetary policy):
- যে নীতির মাধ্যমে দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ করে তাকে আর্থিক নীতি বা মুদ্রানীতি বলে।
- দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।
- আর্থিক নীতির উল্লিখিত দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির মূল উদ্দেশ্য হলো:
1. অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উভয় মূল্যের স্থায়িত্ব,
2. টেকসই বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন,
3. উচ্চ কর্মসংস্থান,
4. সম্পদের অর্থনৈতিক এবং দক্ষ ব্যবহার,
5. আর্থিক ও পেমেন্ট সিস্টেমের স্থিতিশীলতা।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক এক বছরে দুইবার (জানুয়ারি ও জুলাই) মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- বাংলাদেশে মুদ্রানীতি বাস্তবায়নের সরঞ্জাম ও উপকরণ হল ব্যাংক রেট, ওপেন মার্কেট অপারেশনস (ওএমও), পুনঃক্রয় চুক্তি (রেপো) এবং রিভার্স রেপো, সংবিধিবদ্ধ রিজার্ভ রিকোয়ারমেন্ট (এসএলআর এবং সিআরআর)।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রদান করে Monetary policy বা আর্থিক নীতি।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
.
Budget শব্দের মূল অর্থ কী?
  1. আয়-ব্যয়ের হিসাব
  2. মূলধন
  3. মুনাফা
  4. থলে
ব্যাখ্যা
বাজেট:
- বাজেট হচ্ছে একটি দেশের সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের হিসাব।
- সরকারকে দেশ চালাতে হয়, সরকারের হয়ে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের বেতন দিতে হয়, আবার নাগরিকদের উন্নয়নের জন্য রাস্তাঘাট বানানোসহ নানা ধরনের উদ্যোগ নিতে হয়।

⇒ মধ্যযুগের ইংরেজি বুজেট (Bougette) থেকে এর উৎপত্তি।
- Budget অর্থ মানিব্যাগ বা টাকার থলি।
- বাংলা একাডেমির বিবর্তনমূলক বাংলা অভিধানে বলা হয়েছে, ১৯০২ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলায় বাজেট শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন।

উৎস: ১৫ মে ২০২১, প্রথম আলো।
.
কোনটি পরোক্ষ কর নয়?
  1. ভূমি উন্নয়ন কর
  2. আবগারি শুল্ক
  3. আমদানি শুল্ক
  4. মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
পরোক্ষ কর:
- যেসব করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় না তাদের পরোক্ষ কর বলা হয়।

⇒ পরোক্ষ করের মধ্যে রয়েছে:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক),
- আমদানি শুল্ক,
- সম্পূরক শুল্ক,
- আবগারি শুল্ক প্রভৃতি।

প্রত্যক্ষ কর:
- প্রত্যক্ষ কর হলো এরূপ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়।

⇒ প্রত্যক্ষ করসমূহ হলো:
- আয়কর,
- দানকর,
- ভূমি উন্নয়ন কর,
- ভ্রমণ কর ইত্যাদি।

উৎস: কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি অনুৎপাদনশীল ব্যয়?
  1. শরণার্থীর জন্য ব্যয়
  2. শিক্ষার জন্য ব্যয়
  3. স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়
  4. শিল্প খাতে ব্যয়
ব্যাখ্যা
সরকারি ব্যয়:
- সরকারি ব্যয় বলতে সরকারি ক্রয় ও বিনিয়োগকে বুঝায়।
- যেমন: সরকার জনগনের স্বার্থে দ্রব্য সামগ্রী ক্রয় করে, বিনিয়োগ করে, হস্তান্তর করে, জনগনের সামাজিক সুবিধার জন্য পেনশন ভাতা ইত্যাদি প্রদান করে।
- সরকার জনগণের নিরাপত্তা, অবকাঠামো, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ খাতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে।
- অর্থাৎ একটি দেশের জনগনের আর্থ-সামাজিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য ঐ দেশের সরকার যে ব্যয় করে তাকে সরকারি ব্যয় বলে। 

⇒ উৎপাদনশীলতার ভিত্তিতে সরকারি ব্যয় দুই প্রকার:
• উৎপাদনশীল ব্যয়:
- বিভিন্ন সামাজিক অবকাঠামো যেমন: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প ইত্যাদি খাতে ব্যয় করে ভবিষ্যতে আয় বৃদ্ধি সম্ভব।
- তাই এগুলো উৎপাদনশীল খাত।

• অনুৎপাদনশীল ব্যয়:
- যেসকল খাতে সরকারি ব্যয় করলে ভবিষ্যাতে আয় বৃদ্ধির কোন সম্ভাবনা থাকে না সেগুলো অনুৎপাদনশীল খাত।
- যেমন- যুদ্ধের ব্যয়, শরনার্থীর জন্য ব্যয় ইত্যাদি। 

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা কোনটি?
  1. আশা
  2. প্রশিকা
  3. কারিতাস
  4. ব্র্যাক
ব্যাখ্যা
ব্র্যাক:
- ব্র্যাক বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা।
- ক্ষুদ্রঋণ প্রদান কর্মসূচি ছাড়াও এই সংস্থাটি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন, সুরক্ষা, পানি- পয়:নিষ্কাশন সেবা, স্বাস্থ্য নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ, অতিদারিদ্র্য দূরীকরণ, শিক্ষা, আইনি সহায়তা, আর্থিক সেবা, প্রাক-অভিবাসন সেবা, অভিবাসন চলাকালীন সেবা, বিদেশ ফেরত শ্রমিকদের পুনর্বাসন সেবা এবং সর্বোপরি সামাজিক ক্ষমতায়ন ও সামাজিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

⇒ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত সংস্থাটির ক্রমপুঞ্জিভূত ঋণ বিতরণ ও আদায়ের পরিমাণ যথাক্রমে ৪,৫৬,১৯০.৮৫ কোটি ও ৪,১৬,০৪২.৫৯ কোটি টাকা।
- প্রদানকৃত উক্ত ক্ষুদ্রঋণ সুবিধার আওতায় মোট সুবিধাভোগীর সংখ্যা ছিল ৮,৮০৮,৩৩৯ জন যার মধ্যে ৮৯ শতাংশই মহিলা।

অন্যদিকে,
⇒ আশা:
- ১৯৯১ সালে বিশেষায়িত ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে আশা কার্যক্রম শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠানটির স্বল্প ব্যয় ও টেকসই ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ মডেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

⇒ কারিতাস:
- কারিতাস দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
- ঋণ সহায়তাসহ আত্ম-কর্মসংস্থানের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকার উন্নয়নের লক্ষ্যে বর্তমানে দেশের ৩০টি জেলার ৮৭টি উপজেলার ৭৭৭টি ইউনিয়নের ৫,৮৯৪টি গ্রামে কারিতাসের ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। 

⇒ প্রশিকা:
- দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ে ১৯৭৬ সালে মানিকগঞ্জ থেকে প্রশিকার যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে দেশের ৪৩টি জেলায় এর কার্যক্রম বিস্তৃত।
- ডিসেম্বর, ২০২৩ পর্যন্ত সংস্থাটি মোট ১২,২৭৮.৪০ কোটি টাকা ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ করেছে।
- একই সময় পর্যন্ত প্রশিকা থেকে ঋণ নিয়ে উপকৃত হয়েছেন ৫,৭৭,৪০৭ জন দরিদ্র মানুষ।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
বাংলাদেশ সরকার কয়টি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করেছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
PRSP:
- PRSP-এর পূর্ণরূপ হলো: Poverty Reduction Strategy Papers.
- PRSP হলো IMF-এর নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫-২০০৮ এবং ২০০৯-২০১১ সময়ে মোট দুটি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন PRSP প্রণয়ন করে।

উল্লেখ্য,
- ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
BSEC:
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নাম বিএসইসি।
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি।
- যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

উল্লেখ্য,
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট।
১০.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের প্রধান খাত কোনটি?
  1. আয়কর
  2. সুদ
  3. ভূমি রাজস্ব
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় সরকার:
- কেন্দ্রীয় সরকারকে দেশের অভ্যন্তরে প্রশাসন পরিচালনা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার কার্য প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক কাজ করতে হয়।
- এই কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।
- কেন্দ্রীয় সরকার তার এই প্রয়োজনীয় অর্থ মূলতঃ কর এবং কর বহির্ভূত খাত থেকে আদায় করে থাকে।

⇒ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের প্রধান খাতসমূহ -
১. আয়কর:
- আয়কর সরকারী আয়ের একটি বর্ধমান উৎস। জনগণের ব্যক্তিগত আয়ের উপর এ কার্য করা হয়।
২. ভূমি রাজস্ব:
- কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের অন্যতম উৎস হল ভূমি রাজস্ব। স্বাধীনতার পর ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করায় এ খাতে আয় কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।
৩. মূল্য সংযোজন কর:
- দেশের পণ্য সামগ্রীর উৎপাদন থেকে ভোগ পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে সংযোজিত মূল্যের ভিত্তিতে এ কর ধার্য করা হয়। এটি একটি পরোক্ষ কর। এটি সংক্ষেপে ভ্যাট নামে পরিচিত।
8. বাণিজ্য শুল্ক:
- বাণিজ্য শুল্ক কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের অন্যতম উৎস। সাধারণতঃ আমদানি-রপ্তানির উপর এই শুল্ক ধার্য করা হয়।
৫. আবগারী শুল্ক:
- চা, চিনি, তামাক, সিগারেট, দিয়াশলাই, কেরোসিন, ঔষধ, প্রসাধনী প্রভৃতির উপর কেন্দ্রীয় সরকার আবগারী শুল্ক ধার্য করে।
৬. স্ট্যাম্প:
- বিভিন্ন দলিল, মামলা-মোকদ্দমার আবেদনপত্র, পাসপোর্ট ইত্যাদির উপর স্ট্যাম্প বসাতে হয়। স্ট্যাম্প বিক্রয়ের মাধ্যমে সরকার রাজস্ব আয় করে থাকে।
৭. রেজিস্ট্রেশন:
- বিভিন্ন দলিলপত্র রেজিস্ট্রি করতে হলে সম্পত্তির মূল্যের উপর সরকারকে রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হয়।
৮. রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান:
- এসব প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ কেন্দ্রীয় সরকারের আয় হিসেবে গণ্য।
৯. রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প:
- স্বাধীনতার পরে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানাগুলোর মধ্যে যেগুলো এখনও সরকারী মালিকানায় রয়েছে সেগুলো থেকে সরকারের আয় হয়।
১০. সুদ:
- কেন্দ্রীয় সরকার দেশের বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও সরকারী কর্মচারীদের সুদে ঋণ মঞ্জুর করে থাকে।
১১. ডাক, তার ও দুরালাপনী:
- ফোন, ফ্যাক্স ও ডাক বিভাগের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার রাজস্ব আয় করে থাকে।
১২. যাতায়াত:
- যাতায়াত খাতে রেলওয়ে ও বিআরটিসি দীর্ঘদিন লোকসানী খাত ছিল। গত বছর রেলওয়ে খাতে আয় হয়েছে ১৩৪ কোটি টাকা। আর বিআরটিসি ব্যক্তি মালিকানায় ছেড়ে দেওয়াতে এটা বর্তমানে সরকারের লাভজনক খাতে পরিণত হয়েছে।
১৩. বন:
- বন যে কোন দেশের জাতীয় সম্পদ। বনাঞ্চল থেকে বাঁশ, কাঠ, মধু ও অন্যান্য বনজ সম্পদ বিক্রয় করে প্রতিবছর কেন্দ্রীয় সরকার কিছু না কিছু আয় করে।
১৪. যানবাহন:
- কেন্দ্রীয় সরকার যানবাহন থেকে কর আদায় করে।

উল্লেখ্য,
- আয়কর, মূল্য সংযোজন কর ও আবগারি শুল্ক ধার্যের ভিত্তি হলো অর্জিত মুনাফা।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।