পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ২৩ নভেম্বর, ২০২৩সময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৩৫
সিলেবাস
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৫ (বরিশাল বিভাগ) (গ্রেড-১৩) পরীক্ষার তারিখ: ২৬.০৮.২০০৫
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ২৩ নভেম্বর, ২০২৩ · ৩৫ প্রশ্ন

.
ইন্টারপোল বলতে কি বোঝায়?
  1. টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা
  2. আন্তর্জাতিক পুলিশ সংগঠন
  3. পুলের সমস্ত অংশ
  4. ইন্টারনেটের যোগাযোগ মাধ্যম
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল (Interpol):
- Interpol এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization বা আন্তর্জাতিক পুলিশ সংগঠন। 
- অপরাধীদের সনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তার করতে বিশ্বের দেশগুলো পরস্পরকে সহযোগিতা লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)। 
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোল পরিচালিত হয় ‘জেনারেল অ্যাসেম্বলি' নামক কমিটির মাধ্যমে ।
- ইন্টারপোলের অফিসিয়াল ভাষা চারটি: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৫টি।
- ইন্টারপোলের বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (সংযুক্ত আরব আমিরাত)।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে: ১৪ অক্টোবর, ১৯৭৬।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
.
সর্বপ্রথম সৌরজগৎ কে আবিষ্কার করেন?
  1. মাইকেল কলিন্স
  2. জন ক্যাবট
  3. নীল আর্মস্ট্রং
  4. অ্যারিস্টটল
ব্যাখ্যা
- অ্যারিস্টটল দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে বড় বিজ্ঞানী ও দার্শনিক ছিলেন। 
- তিনি মনে করতেন পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘোরে। 
- এখন থেকে প্রায় দুই হাজার বছর পূর্বে বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোর্তিবিজ্ঞানী টলেমী জোরালোভাবে বলেন যে, পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই সবকিছু ঘুরছে। 

- নিকোলাস কোপার্নিকাস (১৪৭৩-১৫৪৩) নামে একজন জ্যোর্তিবিদ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন মতবাদ নিয়ে আসেন। 
- তিনি পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলের বদলে সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন। 
- তার মডেলের মূল কথা হলো পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে। 
- তিনি আরও একটি নতুন তত্ত্ব দেন 'পৃথিবী তার নিজের অক্ষের উপর আবর্তন করছে'। 
- পরবর্তীতে বিজ্ঞানী গ্যালিলিও ও কেপলার, কোপারনিকাসের এই মতবাদের পক্ষে প্রমান হাজির করেন। 
- বর্তমানে সূর্যকেন্দ্রিক এই মডেল প্রমাণিত এবং বিজ্ঞানী ও সাধারণ মানুষ তা গ্রহণ করেছে। 

উল্লেখ্য যে,
মূলত জ্যোর্তিবিজ্ঞানী নিকোলাস কোপার্নিকাস প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। কিন্তু অপশন অনুযায়ী বেস্ট উত্তর হচ্ছে অ্যারিস্টটল।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
.
সর্বশেষ সাহাবি কত হিজরি পর্যন্ত জীবিত ছিলেন?
  1. ১০৮ হিজরী
  2. ১১০ হিজরী
  3. ১১২ হিজরী
  4. ১১৫ হিজরী
ব্যাখ্যা
নবীজির সর্বশেষ সাহাবি:
- ‘সাহাবি’ সেই মহামানবদের বলা হয়, মুমিন অবস্থায় যাঁরা মহানবী (সা.)-এর সাক্ষাৎ পেয়েছেন।
- সম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে সাহাবায়ে কিরাম মুসলমানদের সর্বশ্রেষ্ঠ দল।
- আল্লাহর রাসুলের সর্বশেষ সাহাবি ছিলেন আবুত তুফাইল আমের বিন ওয়াসিলাহ রাদিআল্লাহু তায়ালা আনহু।
- তিনি ১১০ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।
- তাঁর পরে কোনো সাহাবি ইন্তেকাল করেছেন-ইতিহাসে এমনটি পাওয়া যায় না।
- আবুত তুফাইল আমের বিন ওয়াসিলাহ (রা.) উহুদ যুদ্ধের বছর জন্মগ্রহণ করেন।
- মহানবী (সা.)-এর ইন্তেকালের সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র আট বছর।
- ঐতিহাসিকরা এ ব্যাপারে একমত যে তাঁর মৃত্যুর পর পৃথিবীতে আর কোনো সাহাবির বেঁচে থাকার প্রমাণ পাওয়া যায় না।

উৎস: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, কালের কন্ঠ।
.
'ক্রজিরো' কোন দেশের মুদ্রার নাম?
  1. জাপান
  2. ইতালি
  3. ব্রাজিল
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
মুদ্রা:
- ব্রাজিলের সাবেক মুদ্রা ক্রজিরো, তবে বর্তমান মুদ্রা রিয়াল।

অন্যদিকে -
- মিয়ানমারের মুদ্রা কিয়াট,
- ইতালির মুদ্রা ইউরো,
- জাপানের মুদ্রা ইয়েন।

উৎস: Britannica.
.
বঙ্গবন্ধু সেতু কোন সালে কত তারিখে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ২০ জুন, ১৯৯৮
  2. ২১ জুন, ১৯৯৮
  3. ২২ জুন, ১৯৯৮
  4. ২৩ জুন, ১৯৯৮
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু বহুমূখী সেতু:
- বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম এবং বিশ্বের ১১তম দীর্ঘ সেতু এটি।
- ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন তারিখে এটি উদ্বোধন করা হয়।
- বাংলাদেশের ৩টি বড় নদীর মধ্যে সবচেয়ে বৃহত্তম এবং পানি নির্গমনের দিক থেকে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম নদী যমুনার উপর এটি নির্মিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর নামানুসারে সেতুটির নামকরণ করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু সেতু বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে দুই অংশকে একত্রিত করেছে।
- টাঙ্গাইল থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত এই সেতু এশীয় মহাসড়ক ও আন্তঃএশীয় রেলপথের উপর অবস্থিত।
- সেতুটি নির্মাণে মোট খরচ হয় ৯৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- আইডিএ, জাপানের ওইসিএফ প্রত্যেকে ২২ শতাংশ পরিমাণ তহবিল সরবরাহ করে এবং বাকি ৩৪ শতাংশ ব্যয় বহন করে বাংলাদেশ।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪.৮ কি. মি. এবং প্রস্থ ১৮.৫ মি.।
- সেতুটিকে ৮০-৮৫ মিটার লম্বা এবং ২.৫ ও ৩.১৫ মিটার ব্যাসের ১২১টি ইস্পাতের খুঁটির উপর বসানো হয়েছে।
- সেতুটিতে স্প্যানের সংখ্যা ৪৯।
- সেতুটির উপর দিয়ে ৪ লেনের সড়ক এবং ২টি রেলট্র্যাক নেওয়া হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২০ ডিসেম্বর ২০১৭, প্রথম আলো।
.
নিচের কোন বিজ্ঞানী পদার্থ ও রসায়ন শাস্ত্রে মোট দুবার নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. জন বার্ডেন
  2. নিলাম পাউলিং
  3. ফ্রেডারিক সেঙ্গার
  4. মাদাম কুরি
ব্যাখ্যা
- দুবার নোবেল পুরষ্কার অর্জনকারী বিজ্ঞানী হলেন মাদাম কুরি
- তিনি পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার অর্জন করেন।
- হেনরি বেকরেল ১৮৯৬ সালে ইউরেনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তা আবিস্কার করেন।
- তিনি দেখেন যে, ইউরেনিয়ামের সকল যৌগ নিজের থেকেই অস্বচ্ছ কালো কাগজে মোড়া ফটোগ্রাফিক প্লেটকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, এর জন্য বাহ্যিক কোনো শক্তির সাহায্যে উদ্দীপ্ত করতে হয় না।
- পরবর্তিতে বিজ্ঞানী (মাদাম) মেরি কুরি থোরিয়াম মৌলেও ইউরেনিয়ামের মত ধর্ম দেখতে পান।
- পরবর্তিতে মেরি কুরি এবং পিয়েরে কুরি ইউরেনিয়াম আকরিক থেকে পোলোনিয়াম ও রেডিয়াম নিস্কাশন করেন। এদের তেজস্ক্রিয়তা কয়েক হাজার গুণ বেশী। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট। 
.
বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় কবে?
  1. ২ মার্চ, ১৯৭১
  2. ৭ মার্চ, ১৯৭১
  3. ২৫ মার্চ, ১৯৭১
  4. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
প্রথম পতাকা উত্তোলন:
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- গৃহীত হয় ৬ মার্চ, ১৯৭১।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন: কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)।
- জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।

উৎস: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
.
বর্তমানে পৃথিবীতে কোন ধর্মাবলম্বী লোকের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. মুসলমান
  2. খ্রিস্টান
  3. বৌদ্ধ
  4. হিন্দু
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে ধর্মীয় জনসংখ্যা:
- বিশ্বের প্রাথমিক ধর্ম দুটি ভাগে বিভক্ত। 
- যথা: আব্রাহামিক ধর্ম যেমন: খ্রিস্টান, ইহুদি ধর্ম এবং ইসলাম;
- এবং ভারতীয় ধর্ম যেমন: হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, শিখ ধর্ম এবং অন্যান্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- বিশ্বের প্রধান ধর্মগুলির মধ্যে, খ্রিস্টান ধর্ম সবচেয়ে বড়, যার অনুসারী দুই বিলিয়নেরও বেশি।
- খ্রিস্টধর্ম যীশু খ্রিস্টের জীবন এবং শিক্ষার উপর ভিত্তি করে এবং প্রায় ২০০০ বছরের পুরানো। 

অন্যদিকে -
- বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ১.৮ বিলিয়ন অনুসারীসহ দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রচলিত ধর্ম হল ইসলাম।
- আনুমানিক ১.১ বিলিয়ন অনুসারীসহ হিন্দুধর্ম হল বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ধর্ম এবং সেইসঙ্গে প্রাচীনতম ধর্মগুলির মধ্যে একটি। 
- বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫০০ মিলিয়ন অনুসারীসহ চতুর্থ বহুল প্রচলিত ধর্ম হল বৌদ্ধধর্ম।

উৎস: Britannica.
.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাজী নজরুল ইসলামকে কোন গ্রন্থটি উৎসর্গ করেন?
  1. বলাকা
  2. গীতাঞ্জলি
  3. শেষের কবিতা
  4. বসন্ত
ব্যাখ্যা
বসন্ত:
- 'বসন্ত' (১৯২৩) গীতিনাট্য।
- এই নাটকের বিষয় যৌবনের প্রতীক ঋতুরাজ বসন্তের জয়গান।
- রবীন্দ্রনাথ এই গ্রন্থ কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেন। কারণ নজরুল ইসলামও বাংলার জীবনে বসন্ত তথা যৌবন এনেছিলেন।
- বসন্ত ঋতুনাট্যে গানের প্রাধান্য, গল্প বলতে আছে অতি সামান্য কিছু।
- সমৃদ্ধির সার্থকতা শুধু প্রাচুর্যে নয়, সেই সঙ্গে চাই ত্যাগের নিরাসক্তি - বসন্তের মর্মকথা এটাই।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে। 
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর ‘বনফুল’ কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলো: 
- চোখের বালি,
- গোরা,
- যোগাযোগ,
- শেষের কবিতা,
- চতুরঙ্গ,
- চার-অধ্যায়,
- ঘরে-বাইরে।

তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলো:
- মানসী, 
- সোনার তরী, 
- চিত্রা,
- চৈতালী, 
- কল্পনা, 
- ক্ষণিকা, 
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা
- পূরবী, 
- পুনশ্চ, 
- পত্রপুট, 
- সেঁজুতি, 
- শেষলেখা।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক:
- বিসর্জন,
- রাজা,
- ডাকঘর,
- বসন্ত,
- অচলায়তন,
- চিরকুমার সভা,
- রক্তকরবী,
- তাসের দেশ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১০.
‘কারসাজি’ শব্দে কোন ভাষার উপসর্গ আছে?
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. সংস্কৃত
  4. ইংরেজি
ব্যাখ্যা
• ‘কারসাজি’ শব্দে ফারসি ভাষার উপসর্গ আছে।

ফারসি উপসর্গ:
- ফারসি ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে।
- এর কতগুলো খাঁটি উচ্চারণে আবার কতগুলো বিকৃত উচ্চারণে বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
- ফারসি উপসর্গ ১০টি। যথা:
১. কার্ - কারখানা, কারসাজি
২. দর্ - দরপত্তনী, দরপাট্টা।
৩. না - নারাজ, নালায়েক।
8. নিম্ - নিমরাজি, নিমখুন।
৫. ফি - ফি-রোজ, ফি-হপ্তা।
৬. বদ্ - বদমেজাজ, বদনাম।
৭. বে - বেকসুর, বেতার।
৮. বর্ - বরখাস্ত, বরবাদ।
৯. ব্‌ - বনাম, বকলম।
১০. কম্ - কমজোর, কমবখ্‌ত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১১.
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ -
  1. কম হয়
  2. খুব কম হয়
  3. বেশি হয়
  4. একই হয়
ব্যাখ্যা
- বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ একই হয়। 
- ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফুল স্পিডে বা আস্তে যেভাবেই ঘুরান পাওয়ার একই খরচ হয়। কারন ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ইন্ডাকটর দ্বারা তৈরি। 
- ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের গতি কমে কিন্তু ইন্ডাক্টর উত্তপ্ত হয়। এই উত্তাপের কারনে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়। 
- আবার ইলেকট্রনিক রেগুলেটরের বেলায় ভিন্ন। এটি একটি ভেরিয়েবল রেজিস্টর। এটি তৈরি হয় থাইরিস্টর ইলেকট্রনিক ডিভাইস দিয়ে। 
- এতে উত্তাপের পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকার কারনে রেগুলেটর লসও খুবি নগন্য হয়। ফলে ফ্যানের গতি কমালে পাওয়ার কম খরচ হবে এবং ফ্যানের গতি বাড়ালে পাওয়ার খরচ বাড়বে। 
- তাই ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম হলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। 

উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
‘গায়ে-হলুদ’ কোন সমাস?
  1. অলুক দ্বন্দ
  2. অলুক তৎপুরুষ
  3. অলুক বহুব্রীহি
  4. ব্যতিহার বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) বইয়ের পৃষ্ঠা: ৬৬ ও ৬৮ অনুসারে, 'গায়ে-হলুদ' অলুক বহুব্রীহি ও মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি উভয় সমাস হিসেবে উল্লেখ আছে।

মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি:
- বহুব্রীহি সমাসের ব্যাখ্যার জন্য ব্যবহৃত বাক্যাংশের কোনো অংশ যদি সমস্তপদে লোপ পায়, তবে তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি বলে। যেমন -
- বিড়ালের চোখের ন্যায় চোখ যে নারীর = বিড়ালচোখী,
- হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = হাতেখড়ি।
এমনি ভাবে - গায়ে হলুদ, মেনিমুখো ইত্যদি।

অলুক বহুব্রীহি:
- যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্ব বা পরপদের কোনো পরিবর্তন হয় না, তাকে অলুক বহুব্রীহি বলে।
- অলুক বহুব্রীহি সমাসে সমস্ত পদটি বিশেষণ হয়।
যথা:
- মাথায় পাগড়ি যার = মাথায়পাগড়ি,
- গলায় গামছা যার= গলায় গামছা (লোকটি)।
এরূপ - গায়ে-হলুদ, হাতেখড়ি, হাতে-ছড়ি, কানে-কলম, গায়ে-পড়া, হাতে-বেড়ি, মাথায়-ছাতা, মুখে-ভাত, কানে-খাটো ইত্যাদি।

• বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) বই অনুসারে,
পদলোপী বহুব্রীহি:
- যে বহুব্রীহি সমাসের ব্যাসবাক্য থেকে এক বা একাধিক পদ লোপ পায়, তাকে পদলোপী বহুব্রীহি বলে।
যেমন -
- চিরুনির মতো দাঁত যার = চিরুনদাঁতি,
- হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = হাতেখড়ি।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: ব্যাকরণ বইয়ের নতুন সংস্করণের পদলোপী বহুব্রীহির সংজ্ঞা অনুযায়ী, 'গায়ে-হলুদ' পদলোপী বহুব্রীহি সমাস এবং পরীক্ষায় অপশনে পদলোপী বহুব্রীহি থাকলে এটাই অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর।

উল্লেখ্য, প্রদত্ত প্রশ্নের অপশনে পদলোপী বহুব্রীহি না থাকায় অলুক বহুব্রীহি উত্তর গ্রহণ করা হলো

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।
১৩.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. সান্তনা
  2. শান্তনা
  3. সান্ত্বনা
  4. শান্ত্বনা
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর - সান্ত্বনা
- ‘সান্ত্বনা’ শব্দটি বিশেষ্য।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
- ‘সান্ত্বনা’ অর্থ: আশ্বাস বা আশা দিয়ে শান্তকরণ, প্রবোধদান।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৪.
২০৭৪০ সংখ্যক সৈন্যকে বর্গাকারে সাজাতে গিয়ে ৪ জন অতিরিক্ত হয়। প্রতি সারিতে সৈন্য সংখ্যা কত ছিল?
  1. ১৪২ জন
  2. ১৪৪ জন
  3. ১২৬ জন
  4. ১৪০ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২০৭৪০ সংখ্যক সৈন্যকে বর্গাকারে সাজাতে গিয়ে ৪ জন অতিরিক্ত হয়। প্রতি সারিতে সৈন্য সংখ্যা কত ছিল?

সমাধান:
মোট সৈন্য সংখ্যা = ২০৭৪০ জব=ন
২০৭৪০ সংখ্যক সৈন্যকে বর্গাকারে সাজাতে গিয়ে অতিরিক্ত হয় ৪ জন 

সৈন্য বর্গাকারে সাজানো হয় = (২০৭৪০ - ৪) জন = ২০৭৩৬ জন

 ২০৭৩৬ এর বর্গমূল = ১৪৪
 প্রতি সারিতে সৈন্য সংখ্যা = ১৪৪ জন
১৫.
‘মুস্তফা চরিত’ গ্রন্থের রচয়িতা কে ছিলেন?
  1. গোলাম মোস্তফা
  2. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  3. মুহাম্মদ বরকত ‍উল্লাহ
  4. মাওলানা আকরম খাঁ
ব্যাখ্যা
মাওলানা আকরম খাঁ:
- তিনি ৭ই জুন, ১৮৬৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার হাকিমপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি মূলত সাংবাদিক, রাজনীতিক, ইসলামিশাস্ত্রজ্ঞ ছিলেন।
-  তিনি বাংলাসহ আরবি, উর্দু, পারসি ও সংস্কৃত ভাষায় ব্যুৎপন্ন ছিলেন।
- তাঁর সম্পাদনায়  ১৯০৩ সালে 'মাসিক মোহাম্মদী' পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- তাঁর সম্পাদিত দুটি স্বল্পস্থায়ী দৈনিক পত্রিকার নাম: উর্দু দৈনিক 'জামানা' (১৯২০) ও বাংলা দৈনিক 'সেবক' (১৯২১)। 
-  তাঁর সাংবাদিক জীবনের কীর্তি 'আজাদ' পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা (১৯৩৬ সালের ৩১শে অক্টোবর থেকে)।
- তিনি ১৮ই অগস্ট, ১৯৬৮ মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত গদ্যগ্রন্থগুলো:
-  হজরত মোহাম্মদ-এর (স.) জীবনী 'মোস্তফা চরিত' (১৯২৩),
- মোসলেম বাংলার সামাজিক ইতিহাস (১৯৬৫) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬.
‘জ্ঞ’ যুক্তবর্ণ কিভাবে গঠিত?
  1. ঙ + গ
  2. গ + ঙ
  3. জ + ঞ
  4. ঞ + জ
ব্যাখ্যা
• 'জ্ঞ' যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়েছে (জ্‌ + ঞ) বর্ণ যোগে। 
উল্লেখ্য, মূল প্রশ্নে হসন্ত ছিল না, তাই কাছাকাছি উত্তর হিসেবে (জ + ঞ) নেওয়া হয়েছে।

জ্ঞ - সহযোগে গঠিত কয়েকটি শব্দ:
- জ্ঞান, প্রজ্ঞা, জ্ঞাত, বিজ্ঞান ইত্যাদি।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু  যুক্তবর্ণ:
- ত্ + ত = ত্ত,
- ভ্‌ + র = ভ্র,
- হ্‌ + ণ = হ্ণ,
- ষ্‌ + ণ = ষ্ণ,
- ত্‌ + থ = ত্থ,
- ঙ্‌ + গ = ঙ্গ,
- ঙ্‌ + ক = ঙ্ক,
- ক্‌ + ষ = ক্ষ,
- হ্‌ + ম = হ্ম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ), বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৭.
‘মঙ্গলকাব্য’ সমূহের বিষয়বস্তু মূলত -
  1. মধ্যযুগের সমাজ ব্যবস্থার বর্ণনা
  2. লোকসঙ্গীত
  3. ধর্মবিষয়ক আখ্যান
  4. পীর পাঁচালী
ব্যাখ্যা
মঙ্গলকাব্য:
- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিশেষ এক শ্রেণির ধর্মবিষয়ক আখ্যান কাব্য 'মঙ্গলকাব্য' নামে পরিচিত।
- এগুলো খ্রিষ্টীয় পনের শতকের শেষ ভাগ থেকে আঠার শতকের শেষার্ধ পর্যন্ত পৌরাণিক, লৌকিক ও পৌরাণিক-লৌকিক সংমিশ্রিত দেবদেবীর লীলামাহাত্ম্য, পূজাপ্রচার ও ভক্তকাহিনি অবলম্বনে রচিত সম্প্রদায়গত প্রচারধর্মী ও আখ্যানমূলক কাব্য।
- বলা হয়ে থাকে, যে কাব্যে দেবতার আরাধনা, মাহাত্ম্য-কীর্তন করা হয়, যে কাব্য শ্রবণেও মঙ্গল হয় এবং বিপরীতটিতে হয় অমঙ্গল; যে কাব্য মঙ্গলাধার, এমন কি, যে কাব্য যার ঘরে রাখলেও মঙ্গল হয় তাকেই বলা হয় মঙ্গলকাব্য।
- 'মঙ্গল' শব্দটির আভিধানিক অর্থ 'কল্যাণ'। যে কাব্যের কাহিনি শ্রবণ করলে সর্ববিধ অকল্যাণ নাশ হয় এবং পূর্ণাঙ্গ মঙ্গল লাভ ঘটে, তাকেই মঙ্গলকাব্য বলা যায়।
- মঙ্গলকাব্যের 'মঙ্গল' শব্দটির সঙ্গে শুভ ও কল্যাণের অর্থসাদৃশ্য থাকা ছাড়াও এসব কাব্যের অনেকগুলো এক মঙ্গলবারে পাঠ আরম্ভ হয়ে পরের মঙ্গলবারে সমাপ্ত হত। বলে এ নামে অভিহিত হয়েছে।
- মঙ্গলকাব্য প্রধানত কাহিনিকেন্দ্রিক। মূল কাহিনির সঙ্গে দেবলীলা, ধর্মতত্ত্ব ও নানা ধরনের বর্ণনায় এসব কাব্য বিপুলায়তন লাভ করেছে। 
- বিভিন্ন দেবদেবীর গুণগান মঙ্গলকাব্যগুলোর উপজীব্য। তন্মধ্যে স্ত্রীদেবতাদের প্রাধান্যই বেশি এবং মনসা ও চণ্ডীই এদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।
- লৌকিক দেবদেবীর কাহিনি অবলম্বনে রচিত মঙ্গলকাব্যগুলোতে
ক. বন্দনা,
খ. গ্রন্থ রচনার কারণবর্ণনা,
গ. দেবখণ্ড ও
ঘ. নরখণ্ড বা মূলকাহিনি বর্ণনা।
মোটামুটি এই চারটি অংশ থাকত।
- 'বারমাসী' ও 'চৌতিশা' জাতীয় কাব্যাংশ মঙ্গলকাব্যে স্থান লাভ করত। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১৮.
‘রাইফেল রোটি আওরাত’ গ্রন্থটি কে রচনা করেন?
  1. শওকত ওসমান
  2. আবুল ফজল
  3. সানাউল হক
  4. আনোয়ারা পাশা
ব্যাখ্যা
আনোয়ারা পাশা:
- তিনি ১৯২৮ সালের ১৫ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক।
- ১৯৬৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন এবং আমৃত্যু এখানেই কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (মরণোত্তর) লাভ করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ার্টারস থেকে পাক হানাদার বাহিনীর অনুগত আলবদর সদস্যরা তাঁকে ঢাকার মিরপুরের বধ্যভূমিতে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- নীড় সন্ধানী (১৯৬৮),
- নিষুতি রাতের গাথা (১৯৬৮)।

তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস: 
- রাইফেল রোটি আওরাত (১৯৭৩)।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নিরুপায় হরিণী (১৯৭০)।

তাঁর রচিত কাব্য:
- নদী নিঃশেষিত হলে,
- সমুদ্র শৃঙ্খলতা উজ্জয়িনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৯.
Fill up the blank in the sentence. 'Siners will suffer _____'.
  1. in a hurry
  2. in fine
  3. in no time
  4. in the long run
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক বাক্য হবে - in the long run.
- Complete Sentence: Sinners will suffer in the long run.
- বাক্যটির বাংলা অর্থ করলে পাওয়া যায় - পাপীরা পরিণামে দুঃখ ভোগ করে
- in the long run - over or after a long period of time; eventually.
২০.
What is the correct form of verb of words indicated in the bracket? I (to live) here since 1990.
  1. live
  2. have live
  3. had lived
  4. have been living
ব্যাখ্যা
• পূর্বে শুরু হয়ে এখনো পর্যন্ত চলছে এরকম বোঝাতে present perfect continuous tense হয়। 
-  Point of time বোঝাতে since ব্যবহৃত হয় এবং verb টি  present perfect continuous tense হয় অর্থাৎ have/ has been + ing হয়।
সুতরাং সঠিক উত্তর হবে - has been living.
২১.
নিচের কোনটি সঠিক বাংলা অনুবাদ? 'I am out of pocket by the transaction.'
  1. ট্রেন থেকে নেমে দেখলাম আমরা জামার পকেট নেই
  2. এ বাবদ যে খরচ হয়েছে, তা আমরা পকেট থেকে হয়েছে
  3. এই লেনদেনে আমি টাকাকড়ি বিহীন হয়ে পড়েছি
  4. এ দেনাপাওনার ফলে আমার লোকসান হয়েছে
ব্যাখ্যা
• বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ: এই লেনদেনে আমি টাকাকড়ি বিহীন হয়ে পড়েছি।
২২.
What is the meaning of 'White Elephant'?
  1. An elephant of white colour
  2. A very costly and troublesome possession
  3. A black marketer
  4. A hoarder
ব্যাখ্যা
• White elephant
English Meaning: Something that has cost a lot of money but has no useful purpose.
Bangla Meaning: দামী কিন্তু তেমন কাজের নয় এমন
২৩.
What is the meaning of the word 'Kick'?
  1. পা দিয়ে আঘাত করা
  2. ধাক্কা দেয়া
  3. হাত দিয়ে আঘাত করা
  4. পা তোলা
ব্যাখ্যা
♦ Kick
English meaning: to hit someone or something with the foot, or to move the feet and legs suddenly and violently.
Bangla meaning: লাথি; পদাঘাত। 

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
২৪.
একটি বড় বাক্সের মধ্যে ৪টি বাক্স আছে ও তার প্রত্যেকটির ভেতর ৪টি করে ছোট বাক্স আছে। মোট বাক্সের সংখ্যা কত?
  1. ৩১টি
  2. ২৩টি
  3. ২১টি
  4. ১৮টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বড় বাক্সের মধ্যে ৪টি বাক্স আছে ও তার প্রত্যেকটির ভেতর ৪টি করে ছোট বাক্স আছে। মোট বাক্সের সংখ্যা কত?

সমাধান:
বড় বাক্স = ১টি
মাঝারি বাক্স = ৪টি
ছোট বাক্স =৪ × ৪ = ১৬টি

সুতরাং মোট বাক্স আছে = ১ + ৪ + ১৬
= ২১টি
২৫.
কোনো সম্পত্তির ৭/৮ অংশের মূল্য ৯,২১২ টাকা । ঐ সম্পত্তির ৩/৪ অংশের মূল্য কত?
  1. ৭,৭৫০ টাকা
  2. ৭,৮৯৬ টাকা
  3. ৮,৭৫৬ টাকা
  4. ৮,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো সম্পত্তির ৭/৮ অংশের মূল্য ৯২১২ টাকা। ঐ সম্পত্তির ৩/৪ অংশের মূল্য কত টাকা?

সমাধান:
সম্পত্তিটির ৭/৮ অংশের মূল্য ৯২১২ টাকা
∴ সম্পত্তিটির ১ অংশের মূল্য = (৯২১২ × ৮)/৭ টাকা
∴ সম্পত্তিটির ৩/৪ অংশের মূল্য = (৯২১২ × ৮ × ৩)/(৭ × ৪) টাকা
= ৭৮৯৬ টাকা।
২৬.
বিশেষ ক্রমানুযায়ী সাজানো ১৩, ১৭, ২৫, ৪১,.......... সংখ্যাসমূহের পরবর্তী সংখ্যা কত হবে?
  1. ৪৫
  2. ৭৩
  3. ৫২
  4. ৬২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বিশেষ ক্রমানুযায়ী সাজানো ১৩, ১৭, ২৫, ৪১,.......... সংখ্যাসমূহের পরবর্তী সংখ্যা কত হবে?

সমাধান: 
১ম পদ = ১৩
২য়পদ = ১৩ + ৪ = ১৭
৩য় পদ =১৭ + ৮ = ২৫
৪র্থ পদ = ২৫ + ১৬ = ৪১
৫ম পদ = ৪১ + ৩২ = ৭৩
২৭.
অতিভুজের বিপরীতে থাকে-
  1. সমকোণ
  2. সরলকোণ
  3. স্থুলকোণ
  4. সূক্ষ্মকোণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: অতিভুজের বিপরীতে থাকে-

সমাধান:
- সমকোণী ত্রিভূজের সমকোণের বিপরীত বাহুকে অতিভূজ বলে
- অতিভূজের বিপরীত কোণ সমকোণ।
- সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ বৃহত্তম বাহুই ।
২৮.
x + 1/x = 2 হলে x/(x2 + x - 1) এর মান কত?
  1. 2
  2. 8
  3. 4
  4. 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x + 1/x = 2 হলে x/(x2 + x - 1) এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
x + 1/x = 2
(x2 + 1)/x = 2
x2 + 1 = 2x
x2 - 2x + 1 = 0
(x - 1)2 = 0
x - 1 = 0
x = 1

প্রদত্ত রাশি
x/(x2 + x - 1)
= 1(12 + 1 - 1)
= 1/(1 + 1 - 1)
= 1/1
= 1
২৯.
পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৬৩ বছর এবং তাদের বয়সের অনুপাত ৭ : ২। ৯ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত কত ছিল?
  1. ৯ : ১
  2. ৭ : ১
  3. ৬ : ১
  4. ৮ : ১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৬৩ বছর এবং তাদের বয়সের অনুপাত ৭ : ২। ৯ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত কত ছিল?

সমাধান: 
পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৬৩ বছর
তাদের বয়সের অনুপাত = ৭ : ২
 
∴ পিতার বর্তমান বয়স =৬৩ × (৭/৯ বছর  
= ৪৯ বছর 

আবার, 
পুত্রের বর্তমান বয়স = (৬৩ - ৪৯) বছর 
= ১৪ বছর 

 ৯ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল = (৪৯ - ৯) বছর = ৪০ বছর 
৯ বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল = (১৪ - ৯) বছর = ৫ বছর 

∴ ৯ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ছিল= ৪০ : ৫
= ৮ :  ১
৩০.
একবিংশ শতাব্দীর প্রথম ‍ধূমকেতুর নাম কি?
  1. হ্যালি
  2. লারা
  3. উল্কা
  4. লাইনিয়ার
ব্যাখ্যা
- একুশ শতকের প্রথম ধূমকেতুটির নাম ছিল C/1999 S4 (LINEAR)। 
- এটি 27 সেপ্টেম্বর, 1999 -এ লিঙ্কন নিয়ার-আর্থ অ্যাস্টেরয়েড রিসার্চ (LINEAR) প্রকল্প দ্বারা আবিষ্কৃত হয়েছিল, যা নিউ মেক্সিকোতে স্বয়ংক্রিয় টেলিস্কোপের একটি সিস্টেম ছিল যার লক্ষ্য ছিল ধূমকেতু এবং গ্রহাণু সহ পৃথিবীর কাছাকাছি বস্তুগুলি সনাক্ত করা। 
- এই ধূমকেতুটি সবার মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল কারণ এটি সূর্যের কাছে আসার সাথে সাথে দিনের বেলাও খালি চোখে দৃশ্যমান হয়েছিল। 
- এটি 2000 সালের জুলাই মাসে সূর্যের নিকটবর্তী হওয়ার কারণে এটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। 

উৎস: [লিঙ্ক]।
৩১.
সবুজ আলোতে একটি হলুদ রঙের বস্তুকে কি রঙের দেখাবে?
  1. লাল
  2. কমলা
  3. কালো
  4. নীল
ব্যাখ্যা
- একটা বস্তু সব রং শোষন করে যেটা প্রতিফলিত করে, সেটাকেই তার রং বলে মনে হয়। 
- একটি হলুদ রংয়ের বস্তুর উপর সবুজ আলো ফেললে, হলুদ রংয়ের বস্তুটি সবুজ আলো শোষন করে ফেলবে এবং কোন রং প্রতিফলিত করবে না। 
- এই কারনে সবুজ আলোতে একটি হলুদ রঙের বস্তুকে কালো রঙের দেখায়। 

উৎস: [লিঙ্ক]
৩২.
শিশুদের পাঠদানের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় শিক্ষাপোকরণ কোনটি?
  1. পাঠ্যপুস্তক
  2. ব্ল্যাকবোর্ড
  3. চার্ট ও মডেল
  4. আধুনিক লিখন সামগ্রী
ব্যাখ্যা
শিক্ষা উপকরণ:
- যেসব বস্তু বা দ্রব্য-সামগ্রী উত্তমরূপে ব্যবহার করে বিষয়বস্তুকে সহজ, আকর্ষণীয় ও প্রাঞ্জলভাবে উপস্থাপন করা যায়, পাঠের প্রতি শিক্ষার্থীদের মনোযোগ আকর্ষণ করা যায় এবং শিক্ষাদান কার্যকর ও স্থায়ী করা সম্ভব হয় তাদেরকে শিক্ষা উপকরণ বলা হয়।
- শিক্ষা উপকরণের সবচেয়ে পরিচিত ও উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হচ্ছে পাঠ্যপুস্তক, সহায়ক পুস্তক ইত্যাদি।
- এছাড়াও শিক্ষা উপকরণের মধ্যে রয়েছে শ্রেণীকক্ষে সাধারণভাবে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি যেমন- ব্লাকবোর্ড, চক, মার্কার কলম, ফ্লানেল বোর্ড ইত্যাদি।
- প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিশুদের শিক্ষা উপকরণ দিয়ে পাঠদান করলে শিশুরা সহজেই আকৃষ্ট হয়। 
- শিক্ষার্থীদের সামনে কঠিন বিষয়গুলো উপকরণের সহায়তায় উপস্থাপন করতে পারলে তারা অতি সহজেই অনুধাবন করতে পারে এবং দীর্ঘকাল তা শিক্ষার্থীর মনে টিকে থাকে।
- যে কোনো বিষয়ের জন্য একবার উপকরণ সংগ্রহ, তৈরি ও সংরক্ষণ করতে পারলে তা বহুদিন বিভিন্ন পাঠে ব্যবহার করা সম্ভব।
- এজন্য পরিবেশ থেকে পাঠ সহায়ক শিক্ষোপকরণের প্রয়োজনে কিছু বাস্তব জিনিসপত্র সংগ্রহ করা যেতে পারে।
- যেমন উল্লিখিত মডেল বা চার্ট তৈরি।
- শিক্ষা উপকরণগুলো তৈরি বা সংগ্রহ করে যদি একটি কক্ষে বিষয়ভিত্তিক সাজিয়ে সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা করা যায়, তাহলে তা শিক্ষকের জন্য যথেষ্ট সহায়ক হবে।

উৎস: i) শিক্ষক বাতায়ন।
         ii) ২২ ডিসেম্বর ২০১৮, দৈনিক ইত্তেফাক। 
৩৩.
গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় কত ঘণ্টা আগে?
  1. ৩ ঘণ্টা
  2. ৪ ঘণ্টা
  3. ৫ ঘণ্টা
  4. ৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
গ্রিনিচ মান সময়: 
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। 
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। 
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৪.
‘গৃহিণী’ কি জাতীয় শব্দ?
  1. বিদেশী
  2. আধা-সংস্কৃত
  3. সংস্কৃত
  4. দেশী
ব্যাখ্যা
উৎস বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ:
উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভাণ্ডারকে পাঁচ শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:
১. তৎসম শব্দ,
২. তদ্ভব শব্দ,
৩. অর্ধ-তৎসম শব্দ,
৪. দেশি শব্দ ও
৫. বিদেশি শব্দ।

তৎসম শব্দ:
- যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ।
- তৎসম একটি পারিভাষিক শব্দ। এর অর্থ [তৎ (তার) + সম (সমান)] = তার সমান অর্থাৎ সংস্কৃত।
উদাহরণ:
- চন্দ্র,
- সূর্য,
- নক্ষত্র,
- জ্যোৎস্না,
- শ্রাদ্ধ,
- গৃহিণী,
- বৈষ্ণব,
- কুৎসিত,
- ভবন,
- ধর্ম,
- পাত্র,
- মনুষ্য ইত্যাদি।

উল্লেখ্য, ব্যাকরণ বইয়ের নতুন সংস্করণ অনুযায়ী, উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভাণ্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা:
১. তৎসম শব্দ,
২. তদ্ভব শব্দ, 
৩. দেশি শব্দ ও 
৪. বিদেশি শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৩৫.
১৫টি গরুর মূল্য ৫টি ঘোড়ার মূল্যের সমান। ২টি ঘোড়া ৩,০০০ টাকা হলে ৩টি গরুর মূল্য কত?
  1. ১,০০০ টাকা
  2. ১,৮০০ টাকা
  3. ১,৫০০ টাকা
  4. ২,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৫টি গরুর মূল্য ৫টি ঘোড়ার মূল্যের সমান। ২টি ঘোড়া ৩,০০০ টাকা হলে ৩টি গরুর মূল্য কত?

সমাধান:
২টি ঘোড়ার মূল্য ৩,০০০ টাকা 
১টি ঘোড়ার মূল্য ৩,০০০/২ টাকা 
৫টি ঘোড়ার মূল্য (৩,০০০ × ৫)/২ টাকা 
= ৭৫০০ টাকা

১৫টি গরুর মূল্য = ৭৫০০ টাকা
১টি গরুর মূল্য = ৭৫০০/১৫ টাকা
৩টি গরুর মূল্য = (৭৫০০ × ৩)/১৫ টাকা
= ১৫০০ টাকা