পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০ সাম্প্রতিক বিষয়াবলি (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৩ প্রশ্ন

.
স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের জন্য সম্প্রতি কোন স্কিমটি চালু করা হয়েছে?
  1. প্রগতি
  2. প্রবাস
  3. প্রত্যয়
  4. সমতা
ব্যাখ্যা
প্রত্যয় স্কিম:
- চারটি আলাদা কর্মসূচি (স্কিম) নিয়ে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয় ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে।
- এগুলো হচ্ছে প্রগতি, সুরক্ষা, প্রবাস ও সমতা।
- প্রগতি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মচারীদের জন্য।
- সমতা দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী (যাঁদের আয়সীমা বার্ষিক অনূর্ধ্ব ৬০ হাজার টাকা) স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য।  
- প্রবাস শুধু প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য।
- আর সুরক্ষা রিকশাচালক, কৃষক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেলে, তাঁতি ইত্যাদি স্বকর্মে নিয়োজিত নাগরিকদের জন্য।
- সর্বজনীন পেনশনে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী একজন সুবিধাভোগী ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত এবং ৫০ বছরের বেশি বয়সের সুবিধাভোগী ন্যূনতম ১০ বছর চাঁদা দেওয়া সাপেক্ষে আজীবন পেনশন সুবিধা ভোগ করবেন। 

উল্লেখ্য,
- দেশের সব স্বশাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর চাকরিতে যেসব কর্মকর্তা বা কর্মচারী ২০২৪ সালের ১ জুলাইয়ের পর যোগ দেবেন, তাঁরা প্রত্যয় সর্বজনীন পেনশনের আওতাভুক্ত করা হবে। 
- ১ জুলাই, ২০২৪-এর পর যাঁরা নতুন চাকরিতে যোগ দেবেন, তাঁরা ‘প্রত্যয়’ স্কিমের আওতার অধীনস্ত হবেন।

উৎস: ১৫ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
.
১৯তম ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. বাকু, আজারবাইজান
  2. গ্লাসগো, যুক্তরাজ্য
  3. মিউনিখ, জার্মানি
  4. কামপালা, উগান্ডা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

NAM:

- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়। 
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি। 
- সর্বশেষ দক্ষিণ সুদান।
- চেয়ারম্যান: ইলহাম ইলিয়েভ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ন্যাম-এর সদস্য পদ লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যাম-এর ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
- NAM-এর ১৯তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে উগান্ডার কামপালায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
.
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' লাভ করেছে -
  1. ফিরোজা খাতুন
  2. কাজী আব্দুস সাত্তার
  3. ডাঃ হরিশংকর দাশ
  4. মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

স্বাধীনতা পদক:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪:

- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়েছে।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা হচ্ছেন:
১. কাজী আব্দুস সাত্তার: স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
২. বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মোঃ ফজলুল হক (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
৩. বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মোঃ নজিব উদ্দীন খাঁন (খুররম) (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
৪. ড. মোবারক আহমদ খান: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,
৫. ডাঃ হরিশংকর দাশ: চিকিৎসাবিদ্যা,
৬. মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান: সংস্কৃতি,
৭. ফিরোজা খাতুন: ক্রীড়া,
৮. অরন্য চিরান: সমাজসেবা/জনসেবা,
৯. বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী: সমাজসেবা/জনসেবা,
১০. এস.এম. আব্রাহাম লিংকন: সমাজসেবা/জনসেবা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
চাঁদে সফলভাবে নভোযান পাঠানোয় পঞ্চম দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
জাপানের নভোযান ‘মুন স্নাইপার’:
- জাপানের মহাকাশ সংস্থা এ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি (জাক্সা)।
- জাপানি চন্দ্রযান ‘দ্য স্মার্ট ল্যান্ডার ফর ইনভেস্টিগেশন মুন’ (স্লিম)।
- ১৯ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে চাঁদের বুকে পতাকা স্থাপনকারী পঞ্চম দেশ হিসেবে নাম লিখিয়েছে জাপান।
- দেশটির ‘মুন স্নাইপার’ নামের অনুসন্ধানকারী নভোযান সফলভাবে অবতরণ করেছে চাঁদে। 
- এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও ভারতের পরে পঞ্চম দেশ হিসেবে চাঁদের বুকে সফলভাবে সফট ল্যান্ডিং করে জাপান। 

উল্লেখ্য,
- জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির তথ্যমতে, চাঁদের বুকে ‘শিওলি ক্রেটার’ নামের খাদের পাশে অবতরণ করেছে যানটি।
- জাপানি ভাষায় শিওলি ক্রেটার নামের অর্থ বুকমার্ক।
- খাদের ১০০ মিটারের মধ্যে অবতরণ করা যানটির ওজন জ্বালানি ছাড়া ২০০ কেজি।
- যানটিতে দুটি ছোট রোভার বাহনও রয়েছে।
- চাঁদের বিষুবরেখার প্রায় ১৫ ডিগ্রি দক্ষিণে অবস্থিত এই এলাকা।

উৎস: ২০ জানুয়ারী ২০২৪, প্রথম আলো।
.
'ব্যাংক কোম্পানি (সংশোধন) বিল ২০২৩ অনুসারে, ব্যাংকের পরিচালকের মেয়াদ কত বছর?
  1. ৫ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ৯ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
ব্যাংকের পরিচালকের মেয়াদ:
- ব্যাংকের পরিচালকের মেয়াদ ১২ বছর।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় সংসদে ২১ জুন, ২০২৩ তারিখে 'ব্যাংক কোম্পানি (সংশোধন) বিল ২০২৩' পাস হয়েছে। 
- এই বিলে ব্যাংক পরিচালকদের মেয়াদ ১২ বছর করার বিধান হয়েছে।
- ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনে বলা হয়েছিল, একজন পরিচালক টানা ৬ বছর পরিচালক পদে থাকতে পারবেন। 
- ২০১৮ সালে মেয়াদ বাড়িয়ে ৯ বছর করা হয়।

উৎস: ২৩ জুন, ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
.
মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ কোনটি?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. কুয়েত
  3. সৌদি আরব
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ
:
- মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ।
- অন্যদিকে বিশ্বে তেল উৎপাদনে সৌদি আরব দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদনে শীর্ষ দেশ-
১। সৌদি আরব।
২। ইরাক।
৩। সংযুক্ত আরব আমিরাত।
৪। ইরান।
৫। কুয়েত।

উৎস: Energy Information Administration (.gov).
.
AFC এশিয়ান কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৩ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. কাতার
  2. জাপান
  3. সৌদি আরব
  4. চীন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

AFC এশিয়ান কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৩:
- ২০২৩ এএফসি এশিয়ান কাপ হলো এএফসি এশিয়ান কাপের ১৮তম আসর।
- এটি ২০২৪ সালের ১২ জানুয়ারি - ১০ ফেব্রুয়ারি তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি কাতারে অনুষ্ঠিত হয়।
- ২৪ দলের এই টুর্নামেন্ট শেষ ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪।

উল্লেখ্য,
- এশিয়ান কাপ ফুটবলের সবচেয়ে সফল দল জাপান।
- সর্বোচ্চ চারবার এই শিরোপা জিতেছে জাপান।
- এ ছাড়াও সৌদি আরব এই শিরোপা জিতেছে তিনবার।

উৎস: AFC Asian Cup ওয়েবসাইট।
.
ঢাকার ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
  1. ২০২০ সালে
  2. ২০২১ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়। 
- বর্তমানে দেশে ৫টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)। 

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আন্তসরকার কমিটির ১৮তম অধিবেশনে বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পর পঞ্চম বিমূর্ত ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেসকোর ‘ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ তালিকায় স্থান পেল রিকশা ও রিকশাচিত্র।

উৎস: i) বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
         ii) ৬ ডিসেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
.
পদ্মা সেতুতে কোন ধরনের রেল লাইনের সংস্থান আছে?
  1. ডুয়েল গেজ
  2. মিটার গেজ ডাবল
  3. মিটার গেজ সিঙ্গেল
  4. ব্রডগেজ সিঙ্গেল
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু রেল যোগাযোগ প্রকল্প:
- ২০১৮ সালের জুলাইতে নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- প্রকল্পের মেয়াদ: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ -৩০ জুন, ২০২৪।
- পদ্মা সেতু রেল যোগাযোগ প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে চীন।
- ঢাকা-যশোর রেলপথের দৈর্ঘ্য: ১৭০ কি.মি।
- সেতু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান: চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন।
- নদী শাসন: সিনো হাইড্রো করপোরেশন লিমিটেড।
- ১০ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে  ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ৮২ কিলোমিটার পথে রেল চলাচল উদ্বোধন করা হয়েছে।
- পুরো পথে মোট স্টেশন ২০টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের রেলপথ দুই ধরনের: মিটারগেজ ও ব্রডগেজ।
- মিটারগেজ এক মিটার তথা ৩৯.৩৭ ইঞ্চি প্রশস্ত।
- ব্রডগেজ ৬৫.৯৮ ইঞ্চি প্রশস্ত।
- ডুয়েলগেজে তিনটি রেল (রেলের পাত বা ট্র্যাক) থাকে, যাতে মিটারগেজ ও ব্রডগেজ– উভয় ট্রেন চলতে পারে।
- রেলের পূর্বাঞ্চলে তথা ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ এলাকায় মিটারগেজ ট্রেন চলে।
- পশ্চিমাঞ্চল তথা রংপুর, রাজশাহী, খুলনায় চলে ব্রডগেজ।
- পদ্মা সেতুতে ব্রডগেজ সিঙ্গেল রেললাইন স্থাপনের সংস্থান রয়েছে।

উৎস: i) Railway Technology ওয়েবসাইট।
         ii) ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, বিবিসি বাংলা।
১০.
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নকশাকার কে?
  1. এহসান খান
  2. ফয়েজ উল্লাহ
  3. সব্যসাচী হাজরা
  4. রোহানি বাহারিন
ব্যাখ্যা
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
- ২০১৭ সালে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়।
- এরপর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা।
- জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে।
- এর নির্মাণকাজ করেছে জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং।
- এ ভবনটির নকশা করেছেন রোহানি বাহারিন।
- তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সিঙ্গাপুরের সিপিজি করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের স্থপতি।
- ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন করেন।

অন্যদিকে -
- কক্সবাজার স্টেশনটির নকশা করেছেন ফয়েজ উল্লাহ।
- মুজিববর্ষের লোগোর নকশাকার সব্যসাচী হাজরা।
- হাতিরঝিল-এর নকশাকার এহসান খান।

উৎস: ৭ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
১১.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের মোট দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.৩২ কিলোমিটার
  2. ৩.৩৯ কিলোমিটার
  3. ৫.৩৫ কিলোমিটার
  4. ৯.৩৯ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- এই টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে।
- টানেলের প্রকল্প পরিচালক মোঃ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।
- মোট দৈর্ঘ্য ৯.৩৯ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য ৫.৩৫ কিমি।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টানেল টিউব নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।
- বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।
- নদীর নিচ দিয়ে টানেল দক্ষিণ এশিয়ায় এটাই প্রথম।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
         ii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
        iii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
১২.
ব্রিকস-এর বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি?
  1. ৫টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১২টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

BRICS:

- ব্রিকস একটি অর্থনৈতিক জোট।
- ২০০৮ সালের ১৬ মে ব্রিকস (BRICS) গঠিত হয়।
- ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার এই ৫টি উদীয়মান অর্থনীতির দেশ নিয়ে গঠিত হয় ব্রিকস।
- এর কোনো সদরদপ্তর নেই।
- এর বর্তমান সদস্য: ১০টি।
- সদস্যগুলো হলো: ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, সৌদি আরব, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, ও ইথিওপিয়া।

উল্লেখ্য,
- ১৫তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০২৩ সালে দক্ষিন আফ্রিকার জোহানেসবার্গে।
- উক্ত সম্মেলনে তিন মহাদেশের ছয়টি দেশকে এই জোটে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
- তন্মধ্যে BRICS-এর যোগদানের আমন্ত্রন প্রত্যাখান করেছে আর্জেন্টিনা।
- বাকি পাঁচটি সদস্যদেশ ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকসে যোগ দেয়। 

উৎস: i) ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
         ii) Investopedia.
১৩.
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানায় কোন সার উৎপন্ন হয়?
  1. পটাশ
  2. টিএসপি
  3. ইউরিয়া
  4. জিপসাম
ব্যাখ্যা
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।

 উল্লেখ্য,
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- বিসিক জানায়, কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে।
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

উৎস: i) ১২ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
         ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৪.
কালাজ্বর নির্মূলে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
  1. ভারত
  2. ভুটান
  3. নেপাল
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
কালাজ্বর নির্মূলে বাংলাদেশ:
- বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে কালাজ্বর নির্মূলে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। 
- ভারতের দিল্লিতে ডব্লিউএইচওর চার দিনব্যাপী চলা ৭৬তম দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- এর আগে বাংলাদেশ ফাইলেরিয়া ও পোলিও নির্মূল করে সনদ পেয়েছিল।

কালাজ্বর:
- কালাজ্বর সাধারণত স্ত্রী বেলে মাছির কামড়ে ছড়ায়।
- বেলে মাছি ঘর এবং ঘরের আশপাশের ফাটলে বিশেষ করে স্যাঁতসেঁতে জায়গায় থাকে।  
- সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত সময়ে এ মাছি বেশি কামড়ায়।
- এর জীবাণু শরীরে প্রবেশের পর তা রক্তের লোহিত কণিকাকে আক্রান্ত করে এবং সেখানে বংশবৃদ্ধি শুরু করে।
- ফলে লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যায় এবং রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।

উৎস: i) WHO ওয়েবসাইট।
         ii) ১ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
১৫.
২০২৩ সালের বুকার পুরস্কার বিজয়ী পল লিঞ্চ কোন দেশের লেখক?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. আয়ারল্যান্ড
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা
২০২৩ বুকার পুরস্কার বিজয়ী:
- ১৯৬৯ সাল থেকে প্রতিবছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়। 
- বুকারজয়ের শর্ত হলো, উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা হতে হবে এবং যুক্তরাজ্যে বা আয়ারল্যান্ডে প্রকাশিত হতে হবে।
- উপন্যাস ‘প্রফেট সং’ এর জন্য ২০২৩ সালের আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার জিতেছেন আয়ারল্যান্ডের লেখক পল লিঞ্চ।
- তিনি ‘প্রফেট সং’ লিখে প্রথমবারের মতো এ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার পেলেন।
- ‘প্রফেট সং’ পল লিঞ্চের পঞ্চম বই এবং চার বছর ধরে লিখেছেন এটি।

অন্যদিকে -
- ২০২২ সালে ‘দ্য সেভেন মুনস অব মালি আলমেইদা’ উপন্যাসের জন্য পুরস্কারটি পান শ্রীলঙ্কার সাহিত্যিক শেহান করুণাতিলকা।
- Time Shelter উপন্যাসের জন্য ২০২৩ সালের আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার লাভ করেন লেখক জর্জি গোসপোদিনভ ও অনুবাদক অ্যাঞ্জেলা রোডেল।

উৎস: The Booker Prizes ওয়েবসাইট। 
১৬.
পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে কত লেন বিশিষ্ট?
  1. ৬ লেন
  2. ৮ লেন
  3. ১২ লেন
  4. ১৪ লেন
ব্যাখ্যা
শেখ হাসিনা সরণি:
- ১৪ নভেম্বর ২০২৩ দেশের প্রথম ১৪ লেনের সড়ক 'শেখ হাসিনা সরণি' এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।

উল্লেখ্য:
- পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়েতে দেশের প্রথম ১৪ লেনের মহাসড়ক, যার ৮টি এক্সপ্রেসওয়ে রয়েছে।
- রাজউক এই সড়কের নাম দিয়েছে 'শেখ হাসিনা সরণি'।
- ১৪ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন।
- এর মাধ্যমে ঢাকার পূর্ব থেকে পশ্চিমে তৈরি হচ্ছে নতুন সংযোগ।
- মহাসড়কের দুপাশে রয়েছে ১০০ ফুট খাল।
- কুড়িল থেকে কাঞ্চন পর্যন্ত ১২.৩০ কিলোমিটার দেশের প্রথম ১৪ লেনের সড়ক।
- রাজউকের তত্ত্বাবধানে এই পথের কাজ করেছে সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড।

উৎস: রাজউক ওয়েবসাইট। 
১৭.
বিশ্বের পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের স্থান -
  1. ৪৭তম
  2. ৩৩তম
  3. ৫৭তম
  4. ৬৩তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বিশ্বের পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী ৩৩তম দেশ:
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের কাছে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি ‘ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল’ বা ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করেছে রাশিয়া।
- ৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান হস্তান্তর করা হয়।
- এর মধ্য দিয়ে পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারকারী দেশের তালিকায় ৩৩তম দেশ হিসেবে বিশ্ব অঙ্গনে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য,
- ওয়ার্ল্ড নিউক্লিয়ার অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশের মধ্যে রয়েছে: যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, কানাডা, ইউক্রেন, জার্মানি, জাপান, স্পেন, সুইডেন, বেলজিয়াম, যুক্তরাজ্য, ভারত, চেক প্রজাতন্ত্র, ফিনল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, বুলগেরিয়া, পাকিস্তান, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, মেক্সিকো, রোমানিয়া, আর্জেন্টিনা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বেলারুশ, স্লোভেনিয়া, নেদারল্যান্ডস, ইরান ও আর্মেনিয়া। 

উৎস: i) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
         ii) ৫ অক্টোবর, ২০২৩, প্রথম আলো।
১৮.
মালয়েশিয়ার বর্তমান রাজা কে?
  1. সুলতান ইব্রাহিম
  2. সুলতান আব্দুল্লাহ
  3. সুলতান ইসহাক
  4. সুলতান মিরাজ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মালয়েশিয়ার বর্তমান রাজা:

- মালয়েশিয়ার বর্তমান রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইস্কান্দার।
- জাতীয় প্রাসাদে অনুষ্ঠিত রয়্যাল কাউন্সিলের ২৬৩ তম বিশেষ সভায় জোহর দারুল তাজিমের সুলতান ইব্রাহিম স্কান্দারকে মালয়েশিয়ার পরবর্তী সুলতান হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- মালয়েশিয়ায় মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত।
- দেশটিতে রাষ্ট্রপ্রধানের পদটি নির্ধারিত থাকে রাজার জন্য।
- সরকার পরিচালনায় রাজার ভূমিকা অনেকটাই আনুষ্ঠানিক পর্যায়েই থাকে।
- তবে গত কয়েক বছরের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
- রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা চলমান থাকায় দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে দিন দিন রাজার প্রভাব বাড়ছে।
- ১৩টি রাজ্য ও ৩টি ঐক্যবদ্ধ প্রদেশ নিয়ে গঠিত মালয়েশিয়ায় বর্তমানে রাজ পরিবার রয়েছে ৯টি।
- চক্রাকারে প্রতি ৫ বছর পর পর প্রত্যেক রাজ পরিবারের প্রধান ব্যক্তিকে রাজা হিসেবে মনোনীত করা হয়।
- এই কাজটি মূলত পরিচালনা করে দেশটির রয়্যাল কাউন্সিল।

উৎস: ২৬ অক্টোবর ২০২৩, The Economic Times।
১৯.
বিশ্বব্যাংক-এর তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালে রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. মেক্সিকো
  3. ভারত
  4. মিসর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

প্রবাসী আয়ে বিশ্ব:

- বিশ্বব্যাংক-এর তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালে রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে -
- প্রথম স্থানে আছে ভারত,
- দ্বিতীয় স্থানে মেক্সিকো,
- তৃতীয় স্থানে চীন,
- চতুর্থ স্থানে ফিলিপাইন,
- পঞ্চম স্থানে মিসর,
- ষষ্ঠ স্থানে পাকিস্তান,
- ৭ম স্থানে বাংলাদেশ,
- অষ্টম স্থানে নাইজেরিয়া,
- নবম স্থানে গুয়েতেমালা,
- দশম স্থানে উজবেকিস্তান।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
২০.
আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১৩তম আসরের চ্যাম্পিয়ন -
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩:

- আয়োজক দেশ: ভারত।
- এটি ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১৩তম আসর।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ১০টি।
- মোট ম্যাচ: ৪৮টি।
- বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়: ৫ অক্টোবর-১৯ নভেম্বর।
- চ্যাম্পিয়ন: অস্ট্রেলিয়া (৬ষ্ঠ বার)।
- রানার্স আপ: ভারত।
- ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট: ভিরাট কোহলি (ভারত)।
- ম্যান অব দ্যা ফাইনাল: ট্রাভিস হেড (অস্ট্রেলিয়া)।
- সর্বাধিক রান: ভিরাট কোহলি (ভারত)।
- সর্বাধিক উইকেট: মোহাম্মদ শামি (ভারত)।
- সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস: গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। 
- সর্বাধিক সেঞ্চুরি: কুইন্টন ডি' কক।

উল্লেখ্য,
- ১৩তম আসর ভারতের মোট ১০টি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। 

উৎস: ICC Cricket ওয়েবসাইট।
২১.
২০২৩ সালের ডিজিটাল জীবনমান সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ৬৩তম
  2. ৬৮তম
  3. ৭৭তম
  4. ৮২তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ডিজিটাল জীবনমান সূচক ২০২৩:

- 'ডিজিটাল কোয়ালিটি অভ লাইফ ইনডেক্স ২০২৩', অর্থাৎ ডিজিটাল জীবনমান (ডিকিউএল) সূচক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সার্ফশার্ক।
- সার্ফশার্ক-এর ৫ম বার্ষিক ডিকিউএল সূচকে ১২১টি দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে।
- ইন্টারনেট সামর্থ্য, ইন্টারনেটের মান, ই-অবকাঠামো, ই-নিরাপত্তা, ই-গভর্নমেন্ট-এই পাঁচটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে সার্ফশার্কের ডিজিটাল জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করা হয়।
- জাতিসংঘের ওপেন সোর্স তথ্য, বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য উৎসের উপর ভিত্তি করে সমীক্ষাটি করা হয়েছে।
- ডিজিটাল জীবনমান সূচক ২০২৩-এ শীর্ষ দেশ:
1. ফ্রান্স,
2. ফিনল্যান্ড,
3. ডেনমার্ক,
4. জার্মানি,
5. লুক্সেমবার্গ,
6. স্পেন,
7. এস্টোনিয়া,
8. অস্ট্রিয়া, 
9. সুইজারল্যান্ড, 
10. সিঙ্গাপুর।

উল্লেখ্য,
- সূচকে ১২১টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৮২তম।
- এশিয়ার ৩২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২৫তম।

উৎস: Surfshark ওয়েবসাইট।
২২.
২০২৪ সালের বর্ষপণ্য কোনটি?
  1. তৈরি পোশাক
  2. পাটজাত পণ্য
  3. হস্তশিল্পজাত পণ্য
  4. আইসিটি পণ্য
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২৪ সালের বর্ষপণ্য:

- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখায় হস্তশিল্পকে ২০২৪ সালের ‘বর্ষপণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

উল্লেখ্য,
- ২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) ২০২৪-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ঘোষণা দেন।
- প্রধানমন্ত্রী বলেন এটি নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে।
- মহিলাদের অর্থনৈতিকভাবে আত্মনির্ভরশীল করে তুলছে এবং তাদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে।
- হস্তশিল্প দারিদ্র্য বিমোচনেও অবদান রাখছে।
- তাই হস্তশিল্পজাত পণ্যকে ২০২৪ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।
২৩.
২০২৪ সালে কত জন একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন?
  1. ১৭ জন
  2. ১৯ জন
  3. ২১ জন
  4. ২৩ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

একুশে পদক-২০২৪:

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার এই ‘একুশে পদক’।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিতে ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবার একুশে পদক পেয়েছেন।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মনোনীত ও তাদের প্রতিনিধিদের হাতে পদক তুলে দেন।
- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে।
- তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেলেন।

উল্লেখ্য,
- ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে দু’জন: মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়ার (মরণোত্তর)। 
- শিল্পকলায় ১২ জন: জালাল উদ্দীন খা(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যানী ঘোষ (মরণোত্তর), বিদিত লাল দাস(মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর), শুভ্রদেব, শিবলী মোহাম্মদ, ডলি জহুর, এম এ আলমগীর, খান মো.মুস্তাফা ওয়ালিদ(শিমুল মুস্তাফা), রূপা চক্রবর্তী, শাহজাহান আহমেদ বিকাশ, কাওসার চৌধুরী।
- সমাজসেবায় দু’জন: মো. জিয়াউল হক, রফিক আহামদ।
- ভাষা ও সাহিত্যে চার জন: মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর , রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ(মরণোত্তর)।
- শিক্ষায় একজন: প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।