পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৩৮
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩ টপিকসমূহ: ১. গণিত: সরলীকরণ, অনুপাত-সমানুপাত ও মিশ্রণ, সময়-দূরত্ব-গতিবেগ ২. সাধারণ জ্ঞান: ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ভাষা আন্দোলন, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ। ৩. বাংলা: সমাস, দ্বিরুক্ত শব্দ, যতিচিহ্ন, শব্দার্থ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৮ প্রশ্ন

.
৪০ কেজি মিশ্রণে বালি ও সিমেন্টের পরিমাণের অনুপাত ২ : ৩। মিশ্রণটির সিমেন্টের পরিমাণ কত?
  1. ক) ১৬ কেজি
  2. খ) ২০ কেজি
  3. গ) ২৪ কেজি
  4. ঘ) ২৬ কেজি
সঠিক উত্তর:
গ) ২৪ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৪ কেজি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৪০ কেজি মিশ্রণে বালি ও সিমেন্টের পরিমাণের অনুপাত ২ : ৩। মিশ্রণটির সিমেন্টের পরিমাণ কত?

সমাধান:
অনুপাতটির পূর্ব ও উত্তর রাশির যোগফল = ২ + ৩ = ৫
∴ বালির পরিমাণ = ৪০ কেজির (৩/৫) অংশ
= ২৪ কেজি
.
ক ও খ এর মধ্যে ৩২০ টাকা এমনভাবে ভাগ করে দেয়া হয় যেন খ, ক এর টাকার তিনগুণ পায়। খ কত টাকা পায়?
  1. ক) ৮০ টাকা
  2. খ) ১৪০ টাকা
  3. গ) ২২০ টাকা
  4. ঘ) ২৪০ টাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৪০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৪০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক ও খ এর মধ্যে ৩২০ টাকা এমনভাবে ভাগ করে দেয়া হয় যেন খ, ক এর টাকার তিনগুণ পায়। খ কত টাকা পায়?

সমাধান: 
ক পায় = x  টাকা 
খ পায় = ৩x  টাকা 

প্রশ্নমতে,
৩x  + x  = ৩২০
বা, ৪x = ৩২০
বা, x = ৩২০/৪
∴ x  = ৮০ 

খ পায় = (৩ × ৮০)  টাকা 
= ২৪০ টাকা
.
ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে চলা ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ট্রেন ৩০০ মিটার দীর্ঘ একটি প্লাটফর্ম অতিক্রম করতে কত সময় লাগবে?
  1. ক) ২৪ সেকেন্ড
  2. খ) ২২ সেকেন্ড
  3. গ) ২৭ সেকেন্ড
  4. ঘ) ২৮ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
গ) ২৭ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৭ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে চলা ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ট্রেন ৩০০ মিটার দীর্ঘ একটি প্লাটফর্ম অতিক্রম করতে কত সময় লাগবে?

সমাধান:
মোট দূরত্ব = (১৫০ + ৩০০) মিটার = ৪৫০ মিটার
৬০ কি.মি = (৬০ × ১০০০) মিটার = ৬০০০০ মিটার
১ ঘণ্টা = (৬০ × ৬০) সেকেন্ড = ৩৬০০ সেকেন্ড

৬০০০০ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে সময় লাগে = ৩৬০০ সেকেন্ড
∴ ১ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে সময় লাগে = ৩৬০০/৬০০০০ সেকেন্ড
∴ ৪৫০ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে সময় লাগে = (৩৬০০ × ৪৫০)/৬০০০০ সেকেন্ড
= ২৭ সেকেন্ড

∴ ট্রেনটি প্লাটফর্ম অতিক্রম করতে সময় লাগে ২৭ সেকেন্ড।
.
ক : খ = ৪ : ৫, খ : গ = ২ : ৩ এবং গ = ৪৫০ হলে, ক = কত?
  1. ক) ৬০০
  2. খ) ৩৪০
  3. গ) ২৪০
  4. ঘ) ২৮০
সঠিক উত্তর:
গ) ২৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৪০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক : খ = ৪ : ৫, খ : গ = ২ : ৩ এবং গ = ৪৫০ হলে, ক = কত?

সমাধান:
ক : খ = ৪ : ৫ = ৪ × ২ : ৫ × ২ = ৮ : ১০
খ : গ = ২ : ৩ = ২ × ৫ : ৩ × ৫ = ১০ : ১৫

এখানে, ক : খ : গ = ৮ : ১০ : ১৫

ক : গ = ৮ : ১৫
বা, ক/গ = ৮/১৫
বা, ক = ৮গ/১৫
বা, ক = (৮ × ৪৫০)/১৫
∴ ক = ২৪০
.
দুইটি রাশির অনুপাত ৭ : ৪। পূর্ব রাশি ৪২ হলে, উত্তর রাশি কত?
  1. ক) ১৬
  2. খ) ২০
  3. গ) ২৪
  4. ঘ) ২৮
সঠিক উত্তর:
গ) ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি রাশির অনুপাত ৭ : ৪। পূর্ব রাশি ৪২ হলে, উত্তর রাশি কত?

সমাধান:
ধরি,
উত্তর রাশি = ক

আমরা জানি,
দুইটি রাশির অনুপাত = পূর্ব রাশি : উত্তর রাশি
৭ : ৪ = ৪২ : ক
বা, (৭/৪) = (৪২/ক)
বা, ৭ক = ৪২ × ৪
বা, ক = ১৬৮/৭
∴ ক = ২৪

∴ উত্তর রাশি ২৪
.
৯০ মিটার পরিসীমা বিশিষ্ট ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত ৫ : ৬ : ৭ হলে বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম বাহুর দৈর্ঘ্যের পার্থক্য কত?
  1. ক) ৮ মিটার
  2. খ) ৫ মিটার
  3. গ) ১০ মিটার
  4. ঘ) ১২ মিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৯০ মিটার পরিসীমা বিশিষ্ট ত্রিভুজের বাহুগুলোর অনুপাত ৫ : ৬ : ৭ হলে বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম বাহুর দৈর্ঘ্যের পার্থক্য কত?

সমাধান:
মনে করি,
ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৫x, ৬x ও ৭x
∴ পরিসীমা = ৫x + ৬x + ৭x = ১৮x

প্রশ্নমতে,
১৮x = ৯০
বা, x = ৯০/১৮
∴ x = ৫
∴ ক্ষুদ্রতম বাহুর দৈর্ঘ্য = ৫ × ৫ = ২৫ মিটার
বৃহত্তম ক্ষুদ্রতম বাহুর দৈর্ঘ্য = ৭ × ৫ = ৩৫ মিটার

∴ বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম বাহুর দৈর্ঘ্যের পার্থক্য = (৩৫ - ২৫) = ১০ মিটার
.
দুটি সংখ্যা তৃতীয় সংখ্যার চেয়ে যথাক্রমে ২০% ও ৫০% বড় হলে ঐ সংখ্যা দুটির অনুপাত কত?
  1. ক) ২ : ৫
  2. খ) ৬ : ৭
  3. গ) ৩ : ৫
  4. ঘ) ৪ : ৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪ : ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪ : ৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি সংখ্যা তৃতীয় সংখ্যার চেয়ে যথাক্রমে ২০% ও ৫০% বড় হলে ঐ সংখ্যা দুটির অনুপাত কত?

সমাধান:
মনে করি,
তৃতীয় সংখ্যাটি = x
১ম সংখ্যাটি = x + ২০x/১০০ = ৬x/৫
২য় সংখ্যাটি = x + ৫০x/১০০ = ৩x/২

সংখ্যা দুটির অনুপাত = ৬x/৫ : ৩x/২
= ১২x : ১৫x
= ৪ : ৫
.
হলে ২ক এর মান কত?
  1. ক) ৯০
  2. খ) ৬০
  3. গ) ৩০
  4. ঘ) ১৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: হলে ২ক এর মান কত?

সমাধান:
৯/১০ = ২৭/ক
বা, ৯ক = ২৭০
বা, ক = ২৭০/৯
বা, ক = ৩০
∴ ২ক = ৬০
.
একটি জারে চিনি ও পানির অনুপাত ৭ : ৩। চিনির পরিমাণ যদি পানি অপেক্ষা ৮ লিটার বেশি হয়, তবে পানির পরিমাণ কত?
  1. ক) ১০ লিটার
  2. খ) ৬ লিটার
  3. গ) ৮ লিটার
  4. ঘ) ২ লিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ লিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি জারে চিনি ও পানির অনুপাত ৭ : ৩। চিনির পরিমাণ যদি পানি অপেক্ষা ৮ লিটার বেশি হয়, তবে পানির পরিমাণ কত?

সমাধান:
জারে চিনি ও পানির অনুপাত ৭ : ৩
জারে চিনির পরিমাণ = ৭ক লিটার 
জারে পানির পরিমাণ = ৩ক লিটার 

প্রশ্নমতে 
৭ক - ৩ক = ৮
বা, ৪ক = ৮
∴ ক = ২ 

∴ পানির পরিমাণ = ২ × ৩ = ৬ লিটার
১০.
একটি ‍মিশ্রণে দুধ এবং পানির অনুপাত ৫ : ১। ঐ মিশ্রণে ৫ লিটার পানি মেশানোর পরে অনুপাত হয় ৫ : ২। মিশ্রণে দুধের পরিমাণ কত?
  1. ক) ২০ লিটার
  2. খ) ২২ লিটার
  3. গ) ১৫ লিটার
  4. ঘ) ২৫ লিটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫ লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫ লিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ‍মিশ্রণে দুধ এবং পানির অনুপাত ৫ : ১। ঐ মিশ্রণে ৫ লিটার পানি মেশানোর পরে অনুপাত হয় ৫ : ২। মিশ্রণে দুধের পরিমাণ কত?

সমাধান
মনে করি,
দুধের পরিমাণ = ৫ক
পানির পরিমাণ = ক

প্রশ্নমতে,
৫ক : ক + ৫ = ৫ : ২
বা, ৫ক/(ক + ৫) = ৫/২
বা, ১০ক = ৫ক + ২৫
বা, ১০ক - ৫ক = ২৫
বা, ৫ক = ২৫
∴ ক = ৫

∴ দুধের পরিমাণ = ৫ক = ৫ × ৫ = ২৫ লিটার
১১.
একটি ক্রমিক সমানুপাতের ১ম রাশি ৮ ও মধ্য সমানুপাতী ১২ হলে, ৩য় সমানুপাতী কত?
  1. ক) ৯
  2. খ) ১৬
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ১৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ক্রমিক সমানুপাতের ১ম রাশি ৮ ও মধ্য সমানুপাতী ১২ হলে, ৩য় সমানুপাতী কত?

সমাধান:
১ম রাশি = ৮ 
মধ্য সমানুপাতী = ১২

আমরা জানি,
১ম রাশি × ৩য় রাশি = (মধ্য রাশি)
বা, ৮ × ৩য় রাশি = (১২)
বা, ৮ × ৩য় রাশি = ১৪৪
বা, ৩য় রাশি = ১৪৪/৮
∴ ৩য় রাশি = ১৮
১২.
হলে প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কত বসবে?
  1. ক) ০.১
  2. খ) ০.১১
  3. গ) ১.১০
  4. ঘ) ০.০১
সঠিক উত্তর:
খ) ০.১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ০.১১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: হলে প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কত বসবে?

সমাধান:
ধরি,
প্রশ্নবোধক স্থানে ক বসবে
১৩.
১৩০ টাকা ১/২ : ১/৩ : ১/৪ অনুপাতে ভাগ করে দিলে দ্বিতীয় জন কত টাকা পাবে?
  1. ক) ১২০ টাকা
  2. খ) ৫০ টাকা
  3. গ) ৪০ টাকা
  4. ঘ) ৩০ টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৩০ টাকা ১/২ : ১/৩ : ১/৪ অনুপাতে ভাগ করে দিলে দ্বিতীয় জন কত টাকা পাবে?

সমাধান:
এখানে, ভগ্নাংশের হরগুলোর ল.সা.গু = ১২
এখন,
(১/২) × ১২ : (১/৩) × ১২ : (১/৪) × ১২
বা, ৬ : ৪ : ৩

∴ ২য় জন পায় = ১৩০ × ৪/১৩ = ৪০ টাকা
১৪.
- 2 + ( - 2) - { - (2)} - 2 এর মান কত?
  1. ক) 4
  2. খ) 2
  3. গ) - 4
  4. ঘ) - 6
সঠিক উত্তর:
গ) - 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) - 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: - 2 + ( - 2) - { - (2)} - 2 এর মান কত?

সমাধান:
- 2 + ( - 2) - { - (2)} - 2
= - 2 - 2 + 2 - 2
= - 4
১৫.
একটি ট্রেন ২৫৪ মিটার দীর্ঘ একটি সেতুকে ২০ সেকেন্ডে এবং ১০০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতুকে ১৩ সেকেন্ডে অতিক্রম করল। ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ১৮৬ মিটার
  2. খ) ১৯৬ মিটার
  3. গ) ১৭৬ মিটার
  4. ঘ) ১৬৬ মিটার
সঠিক উত্তর:
ক) ১৮৬ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৮৬ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ট্রেন ২৫৪ মিটার দীর্ঘ একটি সেতুকে ২০ সেকেন্ডে এবং ১০০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতুকে ১৩ সেকেন্ডে অতিক্রম করল। ট্রেনটির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
ধরি,
ট্রেনটির দৈর্ঘ্য x মিটার
ট্রেনটি ২০ সেকেন্ডে যায় = (২৫৪ + x) মিটার
ট্রেনটি ১ সেকেন্ডে যায় = (২৫৪ + x)/২০ মিটার

ট্রেনটি ১৩ সেকেন্ডে যায় = (১০০ + x) মিটার
ট্রেনটি ১ সেকেন্ডে যায় = (১০০ + x)/১৩ 

প্রশ্নমতে,
(২৫৪ + x)/২০ = (১০০ + x)/১৩
বা, ২০০০ + ২০x = ৩৩০২ + ১৩x
বা, ২০x - ১৩x = ৩৩০২ - ২০০০
বা, ৭x = ১৩০২
বা, x = ১৩০২/৭
∴ x = ১৮৬

∴ ট্রেনটির দৈর্ঘ্য ১৮৬ মিটার
১৬.
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা -
  1. ক) হামিদুর রহমান
  2. খ) মোস্তফা কামাল
  3. গ) মতিউর রহমান
  4. ঘ) শহীদুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) শহীদুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শহীদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বভূষণ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে শহীদুল ইসলাম সর্বকনিষ্ঠ।
- ১৯৭১ সালে তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর। 
- শহিদুল ইসলাম লালু ৪২৬ জন গ্যাজেটভূক্ত বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ৪২৫ নং ব্যক্তি।
-মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তিবাহিনী ছাড়াও দেশের ভেতরে বিভিন্ন জায়গায় কয়েকটি সশস্ত্র আঞ্চলিক বাহিনী গড়ে ওঠে। এর মধ্যে কাদেরিয়া বাহিনী অন্যতম। এ বাহিনীর একটি দলের সঙ্গে ছিলেন শহীদুল ইসলাম।    - শহীদুল ইসলামের গ্রামের বাড়ী ছিলো সুখী পলাশপাড়া, গোপালপুর, টাঙ্গাইল।
- শুরুতে তিনি স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য-সহযোগিতা, অস্ত্র-গোলাবারুদ বহন ও সংবাদ সংগ্রহের কাজ করতেন।
-  পরে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরায় অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নেন। 

 সুত্র: প্রথম আলো।
১৭.
মুক্তিযুদ্ধের হেমায়েত বাহিনী কোন অঞ্চলে গঠিত হয়?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) টাংগাইল
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) বারিশাল
সঠিক উত্তর:
গ) ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যে সকল গেরিলা বাহিনী গঠিত হয় তা হলো: 
 - ফরিদপুরের হেমায়েত বাহিনী,
- টাঙ্গাইলের কাদের সিদ্দিকীর কাদেরিয়া বাহিনী, 
- সিরাজগঞ্জে রফিক মির্জা বাহিনী,
-  ঝিনাইদহের আকবর বাহিনী,
- বরিশালের কুদ্দুস বাহিনী, 
- ময়মনসিংহের আফসার বাহিনী প্রভৃতি।
এছাড়াও
- মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা অনিয়মিত ও নিয়মিত দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল।
- অনিয়মিতদের গণবাহিনী বলা হতো।
- নিয়মিত বাহিনীর অন্তর্গত ছিল সৈন্যরা যারা পাকিস্তান সেনাবাহিনী বা ইপি.আর -এর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।  

সূত্র:বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১৮.
কোন রাজবংশের শাসনামলে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত হয়?
  1. ক) সেনবংশের
  2. খ) গুপ্তবংশের
  3. গ) মৌর্যবংশের
  4. ঘ) পালবংশের
সঠিক উত্তর:
ঘ) পালবংশের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পালবংশের
ব্যাখ্যা
- গোপাল পাল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
-  পালযুগে বৌদ্ধ ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্ররূপে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
-প্রাচীন বাংলার প্রথম দেশজ রাজশক্তি এবং আধুনিক বাঙালি জাতি গঠনের প্রাচীনতম পাল বংশ মহীপালের সময় থেকে দুর্বল হতে থাকে।
 -রামপালকে পাল বংশের শেষ মুকুট বলা হয়।

সূত্র:বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১৯.
ভাষা শহিদদের স্মরনে প্রথম শহিদ মিনার কোথায় নির্মাণ করা হয়?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
ব্যাখ্যা

• ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ গভীর রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ব্যারাক হোস্টেলের ১২নং গেটের সামনে মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের সম্মিলিত শ্রমে নির্মিত হয়েছিল প্রথম শহীদ মিনার। এই শহীদ মিনারের নকশাকার ছিলেন ডা. বদরুল আলম।

সূত্র: সরকারী ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া এবং বোর্ড বই।

• তবে অনেক ভাষা সৈনিকদের মতে, প্রথম শহীদ মিনার হয়েছিল রাজশাহীতে। ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখ দিবাগত রাতে রাজশাহী কলেজ ছাত্রাবাস সংলগ্ন এলাকায় এটি তৈরি হয়। কিন্তু ভাষা আন্দোলনের ছয় দশক পরও প্রথম শহীদ মিনারের রাষ্ট্রীয় ভাবে স্বীকৃতি পায়নি রাজশাহীবাসী।

উৎস: মানবজমিন পত্রিকা।

[যেহেতু এই তথ্যের রাষ্ট্রীয় কোন স্বীকৃতি নাই, তাছাড়া প্রশ্নকর্তা বোর্ড বই অনুসারে প্রশ্নটি করেছেন তাই আমরা সঠিক উত্তর হিসেবে ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ কে ধরে নিচ্ছি। মূল পরীক্ষায় আপনারা আপনাদের বিবেচনা থেকে উত্তর করবেন।]

২০.
মুজিবনগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য সংখ্যা ছিলো কতজন?
  1. ক) ৪ জন
  2. খ) ৫ জন
  3. গ) ৬ জন
  4. ঘ) ৭ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ জন
ব্যাখ্যা
- মুজিবনগর সরকার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে।
- কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী।
অন্য  সদস্যরা হলেন -
(১) ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ
(২) ড. মোশাররফ হোসেন
(৩) ড. এস. আর. বোস এবং 
(৪) ড. আনিসুজ্জামান।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
কোলকাতার গোবরা ক্যাম্পে কতজন নারী সশস্ত্র ট্রেনিং গ্রহন করেন?
  1. ক) ২০০ জন
  2. খ) ৪০০ জন
  3. গ) ৬০০ জন
  4. ঘ) ৮০০ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০০ জন
ব্যাখ্যা
• কোলকাতার গোবরা ক্যাম্পে ৪০০ জন মহিলা মুক্তিযোদ্ধা সশস্ত্র যুদ্ধের ট্রেনিং গ্রহণ করেন।
•১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও নানাভাবে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখেন।
•কেউ সশস্ত্র যোদ্ধা হিসেবে, কেউবা মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সংরক্ষণ ও সরবরাহকারীরূপে, কেউবা মুক্তিযোদ্ধাদেরকে আশ্রয় দিয়ে, খাবার রান্না করে, অনুপ্রেরণা যুগিয়ে, তথ্য সরবরাহ করে, সেবাদান করে ইত্যাদি নানাভাবে ভূমিকা রেখেছেন ।
•মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান পুরুষের চেয়ে কোন অংশে কম নয়। যেমন: 
•আগরতলার লেম্বুচোরা ক্যাম্পে মহিলা গেরিলা স্কোয়াড-এর আধুনিক অস্ত্রের উচ্চতর ট্রেনিং হয়।
•রণাঙ্গনের যোদ্ধা তারামন বিবি বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত হন।
• চিকিৎসার কাজে মহিলা চিকিৎসকগণের গৌরবময় দৃষ্টান্ত ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম। তিনিও বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন।

সূত্র:বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
কোন পরিব্রাজক লালমাই অঞ্চলকে “সমতট” জনপদ বলে আখ্যায়িত করেছেন?
  1. ক) ইবনে বতুতা
  2. খ) ফার্দিনান্দ ম্যাগিলান
  3. গ) জেমস কুক
  4. ঘ) হিউয়েন সাঙ
সঠিক উত্তর:
ঘ) হিউয়েন সাঙ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হিউয়েন সাঙ
ব্যাখ্যা
•চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ-এর বৌদ্ধ সংস্কৃতির বর্ণনা থেকে বোঝা যায় যে, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই হলো সমতট।
•সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন হিউয়েন সাঙ।
•দক্ষিণ পূর্ব বাংলার জনপদ নিয়ে গড়ে উঠে সমতট অঞ্চল,যার অর্থ তটের সমান্তরাল ।
•চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ রয়েছে।
• একেবারে সঠিকভাবে সমতটের সীমা নির্ধারণ না করা গেলেও ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চলই ছিল সম্ভবত প্রাচীন সমতট।

সূত্র:বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
মাৎস্যন্যায় দেখা যায় কোন শতকে?
  1. ক) ৭ম-৮ম শতকে
  2. খ) ৬ষ্ঠ-৭ম শতকে
  3. গ) ৪র্থ- ৫ম শতকে
  4. ঘ) ৮ম-৯ম শতকে
সঠিক উত্তর:
ক) ৭ম-৮ম শতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭ম-৮ম শতকে
ব্যাখ্যা
•৭ম-৮ম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এই মাৎস্যন্যায় যুগ।

•এ যুগের পূর্বে শশাঙ্ক বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন।

•শশাঙ্ক একজন সুশাসক ছিলেন। 

•যিনি নিজ প্রতিভা বলে স্বাধীন গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।

•কিন্তু ৬৩৭ সালে তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য শাসকের অভাবে গৌড়ে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।গোটা বাংলায় নেমে আসে অন্ধকারের যুগ। প্রায় একশ বছর বাংলার ইতিহাসে যে অরাজকতা, নেতৃত্বের শূন্যতার সৃষ্টি হয় তাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলা হয়ে থাকে।

•শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলা যেন পরিণত হয়েছিল মাছের রাজ্যে।দুর্বল মাছ সবসময় বড় মাছগুলোর গ্রাসে পরিণত হয়।

 

সূত্র:বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় নিচের কোন দেশটি নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করেছিলো?
  1. ক) চীন
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) ভারত
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাজ্য সরকার নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করে।
• বাংলাদেশের ঘটনায় ব্রিটেন সরকারিভাবে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে এবং ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী শরণার্থীদের জন্য ব্রিটিশ সরকার আন্তর্জাতিক ত্রাণ তৎপরতায় অংশগ্রহণ করে।
•ব্রিটিশ সরকারের নিরপেক্ষ নীতির কারণে ব্রিটেনের পত্র-পত্রিকায় ও বেতার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে
প্রচারণা সহজ হয়েছিল এবং ব্রিটেনের মাটিকে প্রবাসী বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তোলার সক্ষম হয়েছিল। এসব অবস্থা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ সফল করে তুলতে সহায়ক হয়েছিল।
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সারা বিশ্ব ও পরাশক্তিসমূহ দুভাগে ভাগ হয়েছিল।
•ভারত ও সেভিয়েত ইউনিয়ন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন সরকার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
•পরাশক্তিসমূহের বিভাজনের কারণে জাতিসংঘ তেমন কোন ভালো ভূমিকা রাখতে পারেনি।

সূত্র:বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
‘বাংলাকে শিক্ষা ও আইন আদালতের বাহন' করার প্রস্তাব করে -
  1. ক) তমুদ্দুন মজলিস
  2. খ) রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
  3. গ) পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি
  4. ঘ) সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
সঠিক উত্তর:
ক) তমুদ্দুন মজলিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তমুদ্দুন মজলিস
ব্যাখ্যা
তমুদ্দুন মজলিস-
- ৬–৭ই সেপ্টেম্বর তমদ্দুন মজলিসের অনুষ্ঠিত যুবকর্মী সম্মেলনে ‘বাংলাকে শিক্ষা ও আইন আদালতের বাহন' করার প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।
 - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ২রা সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ তমদ্দুন মজলিস নামক একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।

সুত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম - দশম।
২৬.
“তোরা ঢাকা শহর রক্তে ভাসাইলি” সংগীতটির রচয়িতা কে?
  1. ক) আব্দুল গাফফার চৌধুরী
  2. খ) মোস্তফা জব্বার
  3. গ) আব্দুল লতিফ
  4. ঘ) মাহবুব উল আলম চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
গ) আব্দুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা
-২১শে ফেব্রুয়ারির হত্যাকান্ডের  পরিপ্রেক্ষিতে সঙ্গীত শিল্পী আব্দুল লতিফ  ‘ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়', এবং ‘তোরা ঢাকা শহর রক্তে ভাসাইলি'র মতো সঙ্গীত রচনা করেন।
-আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী রচনা করেন ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী'  আমি কি ভুলিতে পারি'।
-কবি মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' শীর্ষক প্রথম কবিতা রচনা করেন। 
-তরুণ কবি আলাউদ্দিন আল আজাদ ‘স্মৃতির মিনার' কবিতাটি রচনা করেন। 

সুত্র : বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম - দশম শ্রেণী।
২৭.
শান্তিতে অবদানের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন পদক পেয়েছিলেন?
  1. ক) ফ্রিডম পদক
  2. খ) ম্যাগসেসে পদক
  3. গ) জুলিও কুরী পদক
  4. ঘ) জওহরলাল নেহেরু পদক
সঠিক উত্তর:
গ) জুলিও কুরী পদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জুলিও কুরী পদক
ব্যাখ্যা
- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।

-১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে ১৯৫০ সালে প্রবর্তিত জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয় ।

- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।

 

সূত্রঃ কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।
২৮.
শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয় কবে?
  1. ক) ২৩ জানুয়ারি ১৯৬৮
  2. খ) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৮
  3. গ) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
  4. ঘ) ২৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
-আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় মুক্তি লাভের পরদিন ১৯৬৯ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে ছাত্রসমাজের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। 
-এ অনুষ্ঠানে তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ ডাকসু'র পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন।
-১৯৭১ সালের ৩ মার্চ বঙ্গবন্ধুকে জাতির জনক উপাধি দেওয়া হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
২৯.
‘নীলপদ্ম’ কোন সমাস?
  1. ক) দ্বন্দ্ব সমাস
  2. খ) অব্যয়ীভাব সমাস
  3. গ) তৎপুরুষ সমাস
  4. ঘ) কর্মধারয় সমাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) কর্মধারয় সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা
• সংযোজক অব্যয়ের লোপ পেয়ে এবং উভয় পদের (পুর্বপদ ও পরপদ) অর্থেরই প্রধান্য বজায় রেখে যে সমাস হয় তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন: মাতা ও পিতা = মাতাপিতা; ভালো ও মন্দ = ভালোমন্দ ইত্যাদি।

• যে সমাসের পরপদের অর্থ প্রধান বলে বিবেচিত হয় এবং পূর্বপদের দ্বিতীয়াদি বিভক্তি লোপ পায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমন: ধানের ক্ষেত = ধানখেত, ‍ভাতকে রাঁধা = ভাতরাঁধা ইত্যাদি।

• বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে বা বিশেষ্য ও বিশেষণ ভাবাপন্ন পদে যে সমাস হয় এবং যেখানে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন: নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম, যা কাঁচা তা-ই মিঠা = কাঁচামিঠা ইত্যাদি।   

• ‘অব্যয়ীভাব’ অর্থ অব্যয়ের ভাব বর্তমান। অব্যয় শব্দ পূর্বে বসে যে সমাস হয় এবং যেখানে পুর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। যেমন: কূলের সমীপে = উপকূল, দিন দিন = প্রতিদিন ইত্যাদি।   

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩০.
‘হাতে-কলমে’ কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. ক) সমার্থক দ্বন্দ সমাস
  2. খ) অলুক দ্বন্দ সমাস
  3. গ) মিলনার্থক দ্বন্দ সমাস
  4. ঘ) বিপরীতার্থক দ্বন্দ সমাস
সঠিক উত্তর:
খ) অলুক দ্বন্দ সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অলুক দ্বন্দ সমাস
ব্যাখ্যা
• ‘ হাতে -কলমে ‘ অলুক দ্বন্দ সমাস এর উদাহরণ ।

• যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যামান পদ্গুলোর বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে ।
যেমন - দুধেভাতে, হাতে -কলমে, আগে - পাছে, ঘরে - বাইরে, যাকে - তাকে ইত্যাদি ।

• যে দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ-পরপদ একই অর্থ বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে তাকে সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলে । যেমন - কাজ - কর্ম, রীতি -নীতি, ঘর - বাড়ি, নদ - নদী, হাট - বাজার ইত্যাদি।
 
• যে দ্বন্দ্ব সমাসে একত্র মিলন বা সম্পর্ক বোঝায় তাকে মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলে । যেমন - মা -বাবা, ভাই - বোন, কাগজ - কলম, নদী - নালা ইত্যাদি ।

• যে দ্বন্দ্ব সমাসের পরপদটি পুর্বপদের বৈরী অর্থ প্রদান করে , তাকে বিপরীতার্থক বা বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব বলে । যেমন - 
দা - কুমড়া, দেশ - বিদেশ, আকাশ - পাতাল, বাঁচা - মরা ইত্যাদি ।

উৎস : প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন ।
৩১.
নিচের কোনটি অনুকার শব্দদ্বিত্বের উদাহরণ?
  1. ক) দুম দুম
  2. খ) খক খক
  3. গ) ঠুক ঠুক
  4. ঘ) গুটি শুটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) গুটি শুটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গুটি শুটি
ব্যাখ্যা
• অভিন্ন বা সামান্য পরিবর্তিত চেহারার কোনো শব্দ পরপর দুইবার ব্যবহৃত হলে তাকে শব্দদ্বিত্ব বলে।
শব্দদ্বিত্ব তিন ধরণের:
১.অনুকার দ্বিত্ব
২.ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব
৩.পুনরাবৃত্তদ্বিত্ব

অনুকার দ্বিত্ব: পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরনে তৈরি হয়। এই অনুকরণ প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে ট, ফ, ব, ম, শ প্রভৃতি ধ্বনি যুক্ত থাকতে দেখা যায়। তাতে শব্দের খানিকটা অনির্দিষ্ট, সাধারণ বা গুরুত্বহীন করা হয়।

- যেমন: ঝাল-টাল, মোটাসোটা, নরম-সরম, ব্যাপার-স্রাপার, বুঝে-সুঝে, অল্পসল্প, বুদ্ধিশুদ্ধি, গুটিশুটি, অঙ্কটঙ্ক, আমটাম ।

ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব: কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয় , সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব বলে।
যেমন: টুং টুং, ঠুকঠুক, শোঁ শোঁ, খক খক, দুম দুম ।

পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব: পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে। যেমন: জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, কথায় কথায় ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
৩২.
যেসব শব্দের নিজস্ব কোন অর্থ নেই কিন্তু এগুলোর সাহায্যে বিশেষ বিশেষ ভাব প্রকাশ করা যায় -
  1. ক) ধবন্যাত্নক শব্দ
  2. খ) অর্থবহ শব্দ
  3. গ) ব্যঞ্জনবিকল্প শব্দ
  4. ঘ) অনুকার শব্দ
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুকার শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অনুকার শব্দ
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষায় যে সকল শব্দদ্বিত্ব বা অনুকার শব্দ ব্যবহৃত হয় সেগুলোর নিজস্ব কোনো অর্থ নেই  কিন্তু এর ব্যবহার বাক্যে এক ধরনের বিশেষ দ্যোতনা সৃষ্টি করে।
যদিও এসব শব্দের নিজস্ব অর্থ নেই কিন্তু এগুলোর সাহায্যে বিশেষ বিশেষ ভাব প্রকাশ করা যায়, যা অন্য কোনো শব্দের সাহায্যে সম্ভব নয়। শারীরিক অনুভূতি, হাসি ও কান্নার বর্ণনা, রং বৈচিত্র্য, নিঃশব্দতা, শূন্যতা প্রভৃতি বোঝাতে শব্দদ্বৈতের ব্যবহার হয়ে থাকে ।
 যেমন :
 ধবধবে সাদা, কনকনে ঠান্ডা, নিবুনিবু আলো ইত্যাদি । 

শব্দদ্বিত্ব বা অনুকার শব্দ বাংলা ভাষার এক অমূল্য সম্পদ। 
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ সম্পর্কে বলেছেন, “সৈন্য দলের পশ্চাতে যেমন একদল অভিযাত্রিক থাকে, তাহারা রীতিমত সৈন্য নহে, সৈন্যদের নানাবিধ প্রয়োজন সরবরাহ করে, ইহারাও বাংলা ভাষার পশ্চাতে সেইরূপ ঝাঁকে ঝাঁকে ফিরিয়া সহস্র কর্ম করিয়া থাকে, অথচ ঠিকমত সৈন্য শ্রেণীতে ভর্তি হইয়া অভিধানকারের নিকট সম্মানপ্রাপ্ত হয় নাই । ইহারা না থাকিলে বাংলা ভাষার বর্ণনার পাঠ একেবারে উঠাইয়া দিতে হয় ।”

উৎস : প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন ।
৩৩.
পুর্ববর্তী শব্দ থেকে উৎপন্ন বোঝাতে কোন চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ( √ )
  2. খ) ( < )
  3. গ) ( > )
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ( > )
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ( > )
ব্যাখ্যা
পুর্ববর্তী শব্দ থেকে উৎপন্ন বোঝাতে ( > ) চিহ্ন ব্যবহৃত হয় ।

বিশেষভাবে ব্যাকরণে নিম্ন লিখিত চিহ্নগুলো ব্যবহৃত হয়। 
•  ধাতু বা ক্রিয়ামূল বোঝাতে (√) চিহ্ন : √কৃ+অক = কারক 
• পরবর্তী শব্দ থেকে উৎপন্ন বোঝাতে (<) চিহ্ন হয়। যেমন : সাঁ < গ্রাম। 
• পূর্ববর্তী শব্দ থেকে উৎপন্ন বোঝাতে (>) চিহ্ন হয়। যেমন : স্বর্ণ > সোনা। 
• সম্মানবাচক বা সমস্তবাচক বোঝাতে (=) সমান চিহ্ন হয়। যেমন - পিতা ও মাতা = পিতামাতা

উৎস : মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
‘অবিনত’ - শব্দটির অর্থ কি?
  1. ক) বিনয়ী
  2. খ) ভদ্র
  3. গ) শান্ত
  4. ঘ) উদ্ধত
সঠিক উত্তর:
ঘ) উদ্ধত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উদ্ধত
ব্যাখ্যা
‘অবিনত’ শব্দটির অর্থ উদ্ধত ।
বিশেষণ অর্থে - অবিনয়ী ,উদ্ধত
বিশেষ্য অর্থে - বিনয়হীন ব্যক্তি 

উৎস: বাংলা একাডেমি,আধুনিক বাংলা অভিধান ।
৩৫.
‘কূজন‘ - শব্দটির অর্থ কোনটি ?
  1. ক) মন্দ লোক
  2. খ) পাখির ডাক
  3. গ) অব্যক্ত ধ্বনি
  4. ঘ) খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
কূজন/কুজন
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় = [ √ কূজ্‌ + অন ]
এর বিশেষ্য অর্থ  : পাখির ডাক , কাকলি , অব্যক্ত ধ্বনি ।
কুজন অর্থ - মন্দ লোক ।

উৎস: বাংলা একাডেমি,আধুনিক বাংলা অভিধান ।
৩৬.
‘ঊর্ধ্বগতি’ - শব্দটির অর্থ -
  1. ক) উচ্চগতি
  2. খ) ওপরের দিকে গমনশীল
  3. গ) সমৃদ্ধি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) সমৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সমৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
‘ঊর্ধ্বগতি’ - শব্দটির অর্থ - সমৃদ্ধি 
বিশেষ্য অর্থে - ‘ঊর্ধ্ব গমন,উন্নতি, সমৃদ্ধি,পারলৌকিক সদ্‌গতি । 
বিশেষণ - বর্ধণশীল ( ঊর্ধ্বগতি মূল্য ) 

উৎস:  বাংলা একাডেমি,আধুনিক বাংলা অভিধান ।
৩৭.
‘কঠিন’ শব্দের অর্থ -
  1. ক) শক্ত
  2. খ) নির্দয়
  3. গ) ভয়ানক
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিশেষণ অর্থ - শক্ত ,দৃঢ় , অনমনীয় , গাঢ় ,নির্দয় , ভয়ানক ।
বিশেষ্য অর্থ - কঠিনতা ।

উৎস: বাংলা একাডেমি,আধুনিক বাংলা অভিধান ।
৩৮.
কোনটি বিরোধার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ সমাস?
  1. ক) নাচ - গান
  2. খ) দেনা - পাওনা
  3. গ) হাতে - কলমে
  4. ঘ) জন -মানব
সঠিক উত্তর:
খ) দেনা - পাওনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দেনা - পাওনা
ব্যাখ্যা
যে দ্বন্দ্ব সমাসের পরপদটি পূর্বপদের বৈরী অর্থ প্রদান করে, তাকে বিপরীতার্থক বিরোধার্থক দ্বন্দ্ব বলে।
যেমন:
দেনা - পাওনা
আকাশ-পাতাল 
বাঁচা-মরা
জন্ম-মৃত্যু
আসা-যাওয়া
আজ-কাল
দিন-রাত
হাসি-কান্না
ধর্ম-অধর্ম,
সত্য - মিথ্যা ইত্যাদি।

 অন্যদিকে,
- ‘ হাতে - কলমে ‘ - অলুক দ্বন্দ্ব সমাস ।
- ‘নাচ - গান’ - মিলনার্থক দ্বন্দ্ব সমাস ।
- ‘জন - মানব’ - সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস 

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন ।