পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি [বাংলাদেশের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত] উপমহাদেশ ইউরোপীয়দের আগমন, ইংরেজ শাসন ও ইংরেজ শাসনামলে আন্দোলন সংগ্রাম ও উপমহাদেশের ইতিহাস।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কারা গঠন করে?
  1. দিনেমার
  2. ওলন্দাজ
  3. পর্তুগিজ
  4. ব্রিটিশ
সঠিক উত্তর:
ওলন্দাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওলন্দাজ
ব্যাখ্যা
ওলন্দাজ:

- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা জলপথে উপমহাদেশে আসে।
- বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে হল্যান্ডের একদল বণিক 'ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে।
- কালিকট, নাগাপট্রম, বাংলার চুঁচুড়া ও বাঁকুড়ায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
১৯২০ সালে কে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন?
  1. মাওলানা শওকত আলী
  2. জহরলাল নেহেরু
  3. বিপিনচন্দ্র পাল
  4. মহাত্মা গান্ধী
সঠিক উত্তর:
মহাত্মা গান্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাত্মা গান্ধী
ব্যাখ্যা
অসহযোগ আন্দোলন:

- ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে খিলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচির মাধ্যমে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলে।
- মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলন সংঘঠিত হয় ১৯২০ সালে।
- ১৯২১-২২ খ্রিস্টাব্দে এই আন্দোলন সর্বভারতীয় গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়।
- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে উত্তর প্রদেশের চৌরিচোরা নামক স্থানে অহিংস অসহযোগ আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিলে হঠাৎ করে এই আন্দোলন বন্ধের ডাক দেন।
- ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি গ্রেফতার হলে আন্দোলন স্থিমিত হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বিধবা বিবাহ আইন পাস করেন কে?
  1. লর্ড বেন্টিংক
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. লর্ড ডালহৌসি
  4. রাজা রামমোহন রায়
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা
সামাজিক সংস্কার:

- সংস্কারপন্থী বাঙালি নেতা ও শিক্ষিত শ্রেণির উদারবাদীদের সহযোগিতায় ইংরেজ শাসকরা সামাজিক ধর্মীয় অনেক অমানবিক প্রথা কুসংস্কার দূর করতে সক্ষম হন।
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক, রাজা রামমোহন রায়, প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের মতো উদারপন্থী হিন্দু নেতৃবর্গ এবং সদর নিজামত আদালতের জজদের অকুণ্ঠ সমর্থনে ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ডিসেম্বরে সতীদাহ প্রথা রহিত করতে সক্ষম হন।
- স্বামীর মৃত্যুর পর কোনো বিধবাকে স্বামীর সঙ্গে মরতে বাধ্য করলে তা আইনত দণ্ডনীয় বলে আইন জারি করা হয়।
- লর্ড এলেনবরা-এর সময়ে ১৮৪৩ খ্রিস্টাব্দে দাস প্রথা উচ্ছেদ করা হয়।
- লর্ড ডালহৌসি পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহায়তায় হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন পাস করে বিধবা বিবাহের প্রচলন করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলায় সর্বপ্রথম জুড়ি ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. লর্ড বেটিঙ্ক
  3. রবার্ট ক্লাইভ
  4. লর্ড ডালহৌসি
সঠিক উত্তর:
লর্ড বেটিঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড বেটিঙ্ক
ব্যাখ্যা
বিচার ব্যবস্থা:

- কর্নওয়ালিসের সময় বিচার ব্যবস্থার সংস্কার করা হয়, একে ফৌজদারি ও দেওয়ানি এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
- ১৭৯০ খ্রিস্টাব্দে বিচার ব্যবস্থার সংস্কারের ফলে সদর নিজামত আদালত মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। বাংলা বিহার এ উড়িষ্যাকে মোট ১২টি বিভাগে বিভক্ত করে প্রতিটি বিভাগে একটি ভ্রাম্যমান কোর্ট স্থাপন করা হয়।
- এই আদালতের প্রত্যেকটিতে দুজন ইংরেজ বিচারক এবং আইন ব্যাখ্যার জন্য কাযি ও মুফতি নিযুক্ত করা হয়।
- লর্ড বেটিঙ্ক সর্ব প্রথম বিচার কার্য ও রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব দেশীয়দের ওপর ন্যস্ত করেন।
- লর্ড বেটিঙ্ক ১৮৩২ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সর্বপ্রথম জুড়ি ব্যবস্থার প্রবর্তণ করেন এবং ভারতীয়দের জুরির সদস্য নিযুক্ত করা হয়।
- একই সঙ্গে আঞ্চলিক ভাষায় বিচারকার্য সমাধার নির্দেশ দেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নীল চাষকে কৃষকদের ইচ্ছাধীন করার ক্ষেত্রে কোন কমিশনটি সমর্থনযোগ্য?
  1. সায়মন কমিশন
  2. সাদা কমিশন
  3. ইন্ডিগো কমিশন
  4. চেমসফোর্ড কমিশন
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিগো কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিগো কমিশন
ব্যাখ্যা
নীল চাষ:

- ১৭৭০ থেকে ১৭৮০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে বাংলায় ইংরেজ আমলে নীল চাষ শুরু হয়।
- ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সরকার ইন্ডিগো কমিশন বা নীল কমিশন গঠন করে।
- বাংলাদেশে নীলের ব্যবসা ছিল একচেটিয়া ইংরেজ বণিকদের।
- ফরিদপুর, ঢাকা, পাবনা, যশোর, রাজশাহী, নদিয়া, মুর্শিদাবাদে ব্যাপক নীল চাষ হতো।
- নীল চাষিরা ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে প্রচণ্ড বিদ্রোহে ফেটে পড়ে। গ্রামে গ্রামে কৃষকরা সংগঠিত এবং ঐক্যবদ্ধ হতে থাকে।
- যশোরের নীল বিদ্রোহের নেতা ছিলেন নবীন মাধব ও বেনী মাধব নামে দুই ভাই। হুগলীতে নেতৃত্ব দেন বৈদ্যনাথ ও বিশ্বনাথ সর্দার।
- নদীয়ায় ছিলেন মেঘনা সর্দার এবং নদীয়ার চৌগাছায় বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাস নামে দুই ভাই।
- নীল চাষ নিয়ে দীনবন্ধু মিত্রের লেখা বিখ্যাত নাটক ‘নীলদর্পণ'।
- ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সরকার ইন্ডিগো কমিশন বা নীল কমিশন গঠন করে। এই কমিশনের সুপারিশের উপর ভিত্তি করে নীল চাষকে কৃষকদের ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়।
- ১৮৯২ খ্রিস্টাব্দে এদেশে নীলচাষ চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সর্বপ্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে কোথায়?
  1. সুরাটে
  2. শ্রীরামপুর
  3. বাকুড়া
  4. কালিকট
সঠিক উত্তর:
সুরাটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরাটে
ব্যাখ্যা
ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:

- ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি উপমহাদেশে আগত সর্বশেষ ইউরোপীয় বণিক কোম্পানি।
- ১৬৬৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত বাণিজ্যিক কোম্পানিটি সর্বপ্রথম সুরাটে ১৬৬৮ খ্রিস্টাব্দে এবং পরের বছর মুসলিপট্টমে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- এছাড়া ১৬৭৩ খ্রিস্টাব্দে পন্ডিচেরীতে গড়ে তোলে ফরাসি উপনিবেশ।
- ১৬৭৪ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে ফরাসিরা তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাংলায় সম্প্রসারিত করে।
- কয়েক বছরের মধ্যে চন্দননগর একটি শক্তিশালী সুরক্ষিত ফরাসি বাণিজ্য কুঠিতে পরিণত হয়।
- ১৬৯৬ খ্রিস্টাব্দে এই অঞ্চলে একটি শক্তিশালী দুর্গ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- পরবর্তিকালে তারা কাশিমবাজার ও বালাসোরে কুঠি স্থাপন করতে সক্ষম হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সর্বপ্রথম ভারতীয়দের জন্য প্রশাসনিক কার্যে নিয়োগের উদ্দেশ্যে সিভিল সার্ভিস নামক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা চালু করেন কে?
  1. লর্ড ডালহৌসি
  2. লর্ড কার্জন
  3. লর্ড রিপন
  4. লর্ড ক্যানিং
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা
প্রশাসনিক সংস্কার:
- লর্ড বেন্টিঙ্ক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের সঙ্গে সঙ্গে বেসরকারি প্রশাসন ও বিচার বিভাগের আমূল পরিবর্তন আনেন।
- তিনি বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ১০টি বিভাগে বিভক্ত করে প্রতিটি বিভাগে একজন কমিশনার নিযুক্ত করেন।
- পরবর্তিকালে লর্ড ডালহৌসি ব্রিটিশ শাসনকে সুদৃঢ় করার জন্য বাংলায় একজন ছোট লাট নিয়োগের ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- কেন্দ্রীয় শাসন পরিষদ স্থাপন, শাসন ব্যবস্থার সুবিন্যাসের জন্য জেলার সৃষ্টি এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা বৃদ্ধি করেন।
- তাছাড়া সে সময়ে বেসরকারি কর্মচারীদের জন্য বিভাগীয় পরীক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- লর্ড ডালহৌসি সময়ই সর্বপ্রথম ভারতীয়দের জন্য প্রশাসনিক কার্যে নিয়োগের উদ্দেশ্যে সিভিল সার্ভিস নামক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা চালু করা হয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।