পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
"পরীক্ষা – ৩৮ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: বাংলার সংস্কৃতি, বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলী, বাংলাদেশের সমাজ জীবন, সমস্যা, জনমিতিক পরিচয়। উৎস: ইতিহাস সংক্রান্ত বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলাপিডিয়া, জনশুমারির রিপোর্ট ও মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির পৌরনীতি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
কোন মৌর্য সম্রাটের সময়ে উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. সম্রাট বিন্দুসার
  3. সম্রাট অশোক
  4. সম্রাট দশরথ
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোক
ব্যাখ্যা
মৌর্য সাম্রাজ্য:
- আলেকজান্ডারের ভারত ত্যাগের মাত্র দুই বছর পর ৩২১ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ভারতের এক বিশাল অঞ্চলের ওপর মৌর্য বংশের প্রভুত্ব স্থাপন করেন।
- উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (২৬৯-২৩২ খ্রিষ্টপূর্ব)।
- অঞ্চলটি মৌর্যদের একটি প্রদেশে পরিণত হয়েছিল।
- প্রাচীন পুণ্ড্রনগর ছিল এ প্রদেশের রাজধানী।
- উত্তর বঙ্গ ছাড়াও মৌর্য শাসন কর্ণসুবর্ণ (মুর্শিদাবাদ), তাম্রলিপ্ত, (হুগলী) ও সমতট (দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা) অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
কোন জনপদ থেকে 'বাঙালি' জাতির উৎপত্তি ঘটেছিল?
  1. বরেন্দ্র
  2. রাঢ়
  3. বঙ্গ
  4. গৌড়
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ
ব্যাখ্যা
বঙ্গ:
- 'বঙ্গ' একটি অতি প্রাচীন জনপদ।
- বর্তমান বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বঙ্গ জনপদ নামে একটি অঞ্চল গড়ে উঠেছিল।
- অনুমান করা হয়, এখানে 'বঙ্গ' বলে একটি জাতি বাস করতো।
- তাই জনপদটি পরিচিত হয় 'বঙ্গ' নামে।
- প্রাচীন শিলালিসিতে বঙ্গের দুইটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়-একটি 'বিক্রমপুর', আর অন্যটি 'নাব্য'। 
- বর্তমানে নাব্য বলে কোনো জায়গার অস্তিত্ব নেই।
- ধারণা করা হয়, ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি এ নাব্য অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- প্রাচীন বঙ্গ জনপদ ছিল খুব শক্তিশালী অঞ্চল।
- 'বঙ্গ' থেকে 'বাঙালি' জাতির উৎপত্তি ঘটেছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
.
অষ্টসাহস্রিকা প্রজ্ঞাপারমিতা কোন যুগের চিত্রশিল্পের নিদর্শন?
  1. মাৎসন্যায়
  2. পাল যুগ
  3. সেন যুগ
  4. সুলতানি যুগ
সঠিক উত্তর:
পাল যুগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল যুগ
ব্যাখ্যা
চিত্রশিল্প:
- পাল যুগের পূর্বেকার কোনো চিত্র আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
- কিন্তু প্রাচীনকালেই যে বাংলায় চিত্র অঙ্কনের চর্চা ছিল তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
- সাধারণত বৌদ্ধ বিহার ও মন্দিরের দেয়াল সৌন্দর্যময় করার জন্য চিত্রাঙ্কন করার রীতি প্রচলিত ছিল।
- তখনকার দিনে বৌদ্ধ লেখকরা তালপাতা অথবা কাগজে তাদের পুস্তকের পাণ্ডুলিপি তৈরি করতেন।
- এ সকল পুঁথি চিত্রায়িত করার জন্য লেখক ও শিল্পীরা ছোট ছোট ছবি আঁকতেন।
- রেখার সাহায্যে চিত্রাঙ্কনেও প্রাচীন বাংলার শিল্পীরা যথেষ্ট দক্ষতা দেখিয়েছেন।
- রাজা রামপালের রাজত্বকালে রচিত 'অষ্টসাহস্রিকা প্রজ্ঞাপারমিতা' পুঁথি বাংলার চিত্রশিল্পের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
- রেখার সাহায্যে চিত্রাঙ্কনের আর একটি দৃষ্টান্ত হলো সুন্দরবনে প্রাপ্ত ডোম্মনপালের তাম্রশাসনের অপর পিঠে উৎকীর্ণ বিষ্ণুর রেখাচিত্র।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
.
প্রাচীনকাল থেকে বিশ্বখ্যাত কোন কাপড় বাংলায় তৈরি হতো?
  1. রেয়ন
  2. রেশমি
  3. মসলিন
  4. পশমি
সঠিক উত্তর:
মসলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মসলিন
ব্যাখ্যা
প্রাচীনকালে বাংলার শিল্প:
- বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান হলেও অতি প্রাচীনকাল থেকে এখানে নানা প্রকার শিল্পজাত দ্রব্য তৈরি হতো।
- বস্ত্র শিল্পের জন্য বাংলা প্রাচীনকালেই বিখ্যাত হয়ে উঠেছিল।
- বিশ্বখ্যাত মসলিন কাপড় প্রাচীনকাল থেকেই বাংলায় তৈরি হতো।
- এ বস্ত্র এত সূক্ষ্ম ছিল যে, ২০ গজ মসলিন একটি নস্যির কৌটায় ভরা যেত।
- কার্পাস তুলা ও রেশমের তৈরি উন্নতমানের সূক্ষ্ম বস্ত্রের জন্যও বঙ্গ প্রসিদ্ধ ছিল।
- শণের তৈরি মোটা কাপড়ও তখন প্রস্তুত হতো।
- জানা যায় যে, বঙ্গদেশে সে সময় টিন পাওয়া যেত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
.
গৌড়ের নাম 'জান্নাতাবাদ' কে রাখেন?
  1. শেরশাহ
  2. জাহাঙ্গীর
  3. আকবর
  4. হুমায়ুন
সঠিক উত্তর:
হুমায়ুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ুন
ব্যাখ্যা
- মুঘল সম্রাট বাবর ও তাঁর পুত্র হুমায়ুন হুসেন শাহি যুগের শেষ দিক থেকেই চেষ্টা করেছিলেন বাংলাকে মুঘল অধিকারে নিয়ে আসতে।
- কিন্তু আফগানদের কারণে মুঘলদের এ উদ্দেশ্য প্রথম দিকে সফল হয়নি।
- আফগান নেতা শের খান শূরের সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন সম্রাট হুমায়ুন।
- সমগ্র ভারতের অধিপতি হওয়ার স্বপ্ন ছিল শের খানের তাই গোপনে তিনি নিজের শক্তি বৃদ্ধি করতে থাকেন।
- এ লক্ষ্যে অল্প সময়ের মধ্যে শের খান শক্তিশালী চুনার দুর্গ ও বিহার অধিকার করেন।
- তিনি ১৫৩৭ খ্রিষ্টাব্দে দুইবার বাংলার রাজধানী গৌড় আক্রমণ করেন।
- এর পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লির মুঘল সম্রাট হুমায়ুন শের খানের পিছু ধাওয়া করে বাংলার রাজধানী গৌড় অধিকার করে নেন।
- গৌড়ের চমৎকার প্রাসাদ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে হুমায়ুন এর নামকরণ করেন 'জান্নাতবাদ'।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
.
কেন মধ্য যুগে হিন্দু সম্প্রদায় ফার্সি ভাষায় শিক্ষা গ্রহণ করতো?
  1. সাহিত্য রচনা করতে
  2. চাকরি পেতে
  3. প্রশাসনিক কাজ করতে
  4. রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে
সঠিক উত্তর:
চাকরি পেতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকরি পেতে
ব্যাখ্যা
মধ্য যুগে শাসকবর্গের ভাষা ছিল ফার্সি।
তাই এ ভাষা প্রায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদা লাভ করেছিল।
সরকারি চাকরি লাভের আশায় অনেক হিন্দু ফার্সি ভাষায় শিক্ষা গ্রহণ করতেন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
কোন কাব্য ফার্সি রচনার অনুবাদ?
  1. রসুল বিজয়
  2. রাগমালা
  3. ইউসুফ-জুলেখা
  4. সাতনামা
সঠিক উত্তর:
ইউসুফ-জুলেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউসুফ-জুলেখা
ব্যাখ্যা
- ইউসুফ-জুলেখা কাব্য ফার্সি রচনার অনুবাদ। 

ভাষা ও সাহিত্য:

- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশ ও উন্নতির জন্য সুলতানি ও মুঘল শাসনকালের অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- ইলিয়াস শাহি বংশের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ (১৩৯৩-১৪১১ খ্রিষ্টাব্দ) এর শাসনকালেই প্রথম বাঙালি মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর তাঁর প্রণয়মূলক কাব্য 'ইউসুফ-জুলেখা' রচনা করেন।
- এটি ফার্সি রচনার অনুবাদ।
- সুলতানি যুগে আরও কয়েকজন কবি ফার্সি কাব্যের অনুবাদ করেছেন।
- তাঁদের মধ্যে দৌলত উজির বাহরাম খান ও দোনা গাজীর নাম উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
.
প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' কবে গঠিত হয়?
  1. ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে
  2. ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে
  3. ১৯৪৮ সালের জানুয়ারী মাসে
  4. ১৯৪৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- এ সংগঠনের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশিত হয়।
- পুস্তিকাটিতে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়। 
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ'।
- এর আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঞা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
.
'মৌলিক গণতন্ত্র' এর মাধ্যমে কে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন?
  1. জিন্নাহ
  2. ইস্কান্দার মির্জা
  3. আইয়ুব খান
  4. ইয়াহিয়া খান
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
- 'মৌলিক গণতন্ত্র' এর মাধ্যমে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন।

আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্র:

- জেনারেল আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার পর পাকিস্তানের শাসন ও রাজনৈতিক কাঠামোর আমূল পরিবর্তন করার উদ্যোগ নেন।
- তিনি প্রচলিত গণতান্ত্রিক পদ্ধতি পরিত্যাগ করে এক অদ্ভুত ও নতুন নির্বাচন কাঠামো প্রবর্তন করেন।
- তার এই নির্বাচনের মূলভিত্তি ছিল 'মৌলিক গণতন্ত্র'।
- মৌলিক গণতন্ত্র হচ্ছে একধরনের সীমিত গণতন্ত্র, যাতে কেবল নির্দিষ্টসংখ্যক লোকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অধিকার ছিল।
- ১৯৫৯ সালে মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তনের আদেশ জারি করা হয়।
- প্রাথমিক অবস্থায় মৌলিক গণতন্ত্র ছিল একটি চার স্তরবিশিষ্ট ব্যবস্থা।
- মৌলিক গণতন্ত্রের আওতায় পাকিস্তানের উভয় অংশে ৪০,০০০ করে মোট ৮০,০০০ মৌলিক গণতন্ত্রী নিয়ে দেশের নির্বাচকমণ্ডলী গঠিত হয়।
- নির্বাচকমণ্ডলীর সদস্যরা মৌলিক গণতন্ত্রী বা বিডি মেম্বার ছিল।
- জনগণের মৌলিক গণতন্ত্রী নির্বাচন করা ছাড়া কোনো দায়িত্ব ছিল না।
- বিডি মেম্বার ছিল প্রকৃত নির্বাচক।
- তারাই প্রেসিডেন্ট, জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচন করতেন।
- এই মৌলিক গণতন্ত্রীদের আস্থা ভোটে আইয়ুব খান ১৯৬০ সালে পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- এছাড়া তিনি সংবিধান প্রণয়নের ক্ষমতাও লাভ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০.
আসাদুজ্জামান আসাদ কবে পুলিশের গুলিতে নিহত হন?
  1. ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি
  2. ১৯৬৯ সালের ১৮ জানুয়ারি
  3. ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি
  4. ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ:
- ১৯৬৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া ও মেনন গ্রুপ), পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ও ডাকসুর নেতৃবৃন্দ মিলে 'সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করেন।
- উনসত্তরের উত্তাল সময়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা দাবি ছিল খুবই সময়োপযোগী।
- ৮ই জানুয়ারি পাকিস্তানের ৮টি রাজনৈতিক দল মিলে 'গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিষদ' (ডাক) নামক মোর্চা গঠন করে এবং ৮ দফা দাবি পেশ করে।
- এরপর থেকে 'ডাকসু' ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের যৌথ উদ্যোগে পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক গণআন্দোলন গড়ে ওঠে।
- ডাকসুর আহ্বানে ১৪ই জানুয়ারি সমগ্র পাকিস্তানে হরতাল পালিত হয়।
- ১৮ই জানুয়ারি পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ধর্মঘট পালন করে।
- ধর্মঘট চলাকালীন পুলিশের সাথে ছাত্রদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।
- ২০শে জানুয়ারি নির্যাতনের প্রতিবাদে ছাত্ররা পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল পালন করেন।
- হরতাল পালনকালে (১৯৬৯ সালের ২০শে জানুয়ারি) ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১১.
মাতৃত্বকালীন কয় মাসের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ৩ মাস
  2. ৪ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ৮ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
মাতৃত্বকালীন ছুটি:
- বাংলাদেশ সরকার ১১ জানুয়ারি ২০১১ গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত নারী কর্মীদের জন্য ৬ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি ঘোষণা করে।
- এটি ৯ জানুয়ারি ২০১১ সাল থেকে কার্যকর হয়।
- মাতৃত্বজনিত ছুটি বৃদ্ধির ফলে মায়েরা তাদের সন্তানদের বুকের দুধ পান করাতে সমর্থ হবেন এবং এর ফলে নবজাতক শিশুদের অপুষ্টিজনিত সমস্যা দূর হবে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২.
২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা তে বাংলাদেশে মোট কয়টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে?
  1. ৪৮টি
  2. ৪৯টি
  3. ৫০টি
  4. ৫১টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২:
- সময়কাল: ১৫-২১ জুন, ২০২২ সাল।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ তে বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি অনুসারে পরিচালনা করা হয়েছে।
- শুমারিতে জিআইএস (Geographic Information System) বেইজড ডিজিটাল ম্যাপ ব্যবহার করে CAPI (Computer Assisted Personal Interviewing) পদ্ধতিতে ট্যাবলেট এর মাধ্যমে তথ্যসংগ্রহ করা হয়।
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮।
- পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন।
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে মারমা ও ত্রিপুরা।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর।এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে।
- এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০০ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে।
- হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৩ জন।
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ২য় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।


উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৩.
কোথায় গারোদের আবাস নেই?
  1. ময়মনসিংহ
  2. নেত্রকোনা
  3. জামালপুর
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
- বান্দরবানে গারোদের আবাস নেই।

গারো:
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- তবে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিব্বতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।


উৎস: বাংলাপিডিয়া।