পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৪০
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 12” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- পরীক্ষা - ১০ পার্ট-১) বাংলা ব্যাকরণ: টপিকসমূহ ১. বাংলা ভাষা (ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়) ২. ধ্বনিতত্ত্ব (ধ্বনি ও বর্ণ-প্রকরণ; ধ্বনির উচ্চারণ বিধি; ধ্বনি পরিবর্তন, ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান; সন্ধি) পার্ট-২) জাতিসংঘ - History, মূল সংস্থা, জড়িত ব্যক্তি, জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ, জাতিসংঘ ও নোবেল, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম (গুরুত্বপূর্ণ), জাতিসংঘ মিশন সমূহ, World Bank, IMF, WTO, UNCTAD. ------------------ পার্ট–১ সোর্স: উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।) পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই। তবে, সংস্থাগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটগুলো সম্ভব হলে একটু দেখে নিবেন। গাইডে অনেক সময় ভুল থাকে ও আপডেটেড তথ্য দেওয়া থাকে না।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪০ প্রশ্ন

.
কোনটি সাধুরীতির অব্যয়পদ?
  1. প্রায়ই
  2. তবুও
  3. অদ্য
  4. নইলে
সঠিক উত্তর:
অদ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অদ্য
ব্যাখ্যা
অব্যয়পদের রূপের পার্থক্য:
সাধু - চলিত:
অদ্য - আজ,
→ অদ্যাপি - আজও,
→ কদাচ - কখনো,
→ তথাপি - তবুও,
→ নচেৎ - নইলে,
→ নতুবা - নইলে,
→ প্রায়শ - প্রায়ই,
→ যদ্যপি - যদিও।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
অর্থতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. বাগ্‌যন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া
  2. বাগ্‌ধারা
  3. সর্বনাম
  4. যতিচিহ্ন
সঠিক উত্তর:
বাগ্‌ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাগ্‌ধারা
ব্যাখ্যা
অর্থতত্ত্ব:
- মূল আলোচ্য - ব্যকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয় সে অংশের নাম অর্থতত্ত্ব।
- বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগ্‌ধারা প্রভৃতি এর আলোচ্য বিষয়।
- এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এ অংশে আলোচনা করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে,
ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য - বাগ্‌যন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া।
রূপতত্ত্বের আলোচ্য - সর্বনাম।
যতিচিহ্ন বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।

উৎস: বাংলা ভষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
কোনটি শুদ্ধ যুক্তবর্ণ?
  1. ক্ + শ = ক্ম
  2. ক্‌ + ক্ষ্‌ + ম = ক্ষ্ম
  3. ক্ + ম = ক্স
  4. ক্ + ষ = ক্ষ
সঠিক উত্তর:
ক্ + ষ = ক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ + ষ = ক্ষ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ যুক্তবর্ণ - ক্ + ষ = ক্ষ

অন্যদিকে,
অশুদ্ধ যুক্তবর্ণের শুদ্ধরূপ:
- ক্ + স = ক্স,
- ক্‌ + ষ্‌ + ম = ক্ষ্ম,
- ক্ + ম = ক্ম,

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২২)।
.
'ফিল্ম > ফিলিম' কোন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. স্বরভক্তি
  2. বিপ্রকর্ষ
  3. মধ্য স্বরাগম
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি:
- সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।

যেমন:
অ - রত্ন > রতন, ধর্ম > ধরম, স্বপ্ন স্বপন, হর্ষ > হরষ, ইত্যাদি।

ই - প্রীতি >পিরীতি, ক্লিপ> কিলিপ, ফিল্ম > ফিলিম ইত্যাদি।

উ - মুক্তা > মুকুতা, তুর্ক> তুরুক, ইত্যাদি।

এ - গ্রাম > গেরাম, প্রেক> পেরেক, স্রেফ >সেরেফ ইত্যাদি।

ও - শ্লোক > শোলোক, মুরগ> মুরোগ > মোরগ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
.
বাক্যতত্ত্বে নিচের কোন বিষয়টি বর্ণনা করা হয়?
  1. শব্দজোড়
  2. বর্গ ও বাক্যের অর্থ
  3. পদ ও বর্গের বিন্যাস
  4. বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা
সঠিক উত্তর:
পদ ও বর্গের বিন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ ও বর্গের বিন্যাস
ব্যাখ্যা
বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করে। বাক্যের নির্মাণ ও গঠন বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে,বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করে।
- তাছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতিও বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।

অন্যদিকে,
অর্থতত্ত্ব:
- মূল আলোচ্য - ব্যকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয় সে অংশের নাম অর্থতত্ত্ব।
- বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগধারা প্রভৃতি এর আলোচ্য বিষয়।
- এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এ অংশে আলোচনা করা হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলা ভষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
কোনটি প্রগত সমীভবন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. লগ্ন > লগ্গ
  2. কিছু > কিচ্ছু
  3. বড় > বড্ড
  4. পাকা > পাক্কা
সঠিক উত্তর:
লগ্ন > লগ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লগ্ন > লগ্গ
ব্যাখ্যা
প্রগত সমীভবন:
- পূর্ব ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনির পরিবর্তন ঘটে। অর্থাৎ পরবর্তী ধ্বনি পূর্ববর্তী ধ্বনির মতাে হয়, একে বলে প্রগত সমীভবন।

যেমন:
- চক্র > চক্ক,
- পক্ব > পক্ক,
- পদ্ম > পদ্দ,
- লগ্ন > লগ্গ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্ব:
- কখনো কখনো জোর দেয়ার জন্য শব্দের অন্তর্গত ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়, একে দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বলে।

যেমন:
- পাকা > পাক্কা,
- সকাল > সক্কাল,
তেমনিভাবে,
- বড় > বড্ড,
- কিছু > কিচ্ছু ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
"আন্না" শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. আ + ন্না
  2. আৎ + না
  3. আর + না
  4. আদ্‌ + না
সঠিক উত্তর:
আর + না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর + না
ব্যাখ্যা
ব্যঞ্জনসন্ধি:
- স্বরধ্বনির সঙ্গে ব্যঞ্জনধ্বনি কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে ব্যঞ্জনধ্বনি মিলিত হয়ে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে।

যেমন:
কাঁচা + কলা = কাঁচকলা, 
নাতি + বৌ = নাতবৌ, 
ছোট + দা = ছোড়দা, 
উৎ + চারণ = উচ্চারণ, 
আর + না = আন্না
চার + টি = চাট্টি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
ভাষার পার্থক্য ও পরিবর্তনের প্রধান কারণ কী?
  1. ধর্ম ও সংস্কৃতি
  2. দেশ, কাল ও পরিবেশ
  3. শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  4. লেখার রীতি
সঠিক উত্তর:
দেশ, কাল ও পরিবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশ, কাল ও পরিবেশ
ব্যাখ্যা
ভাষা:
- দেশ, কাল ও পরিবেশভেদে ভাষার পার্থক্য ও পরিবর্তন ঘটে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক পরিবেশে অবস্থান করে মানুষ আপন মনোভাব প্রকাশের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বস্তু ও ভাবের জন্য বিভিন্ন ধ্বনির সাহায্যে শব্দের সৃষ্টি করেছে।
- সেসব শব্দ মূলত নির্দিষ্ট পরিবেশে মানুষের বস্তু ও ভাবের প্রতীক (Symbol) মাত্র। এ জন্যই আমরা বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ভাষার ব্যবহার দেখতে পাই। সে ভাষাও আবার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে উচ্চারিত হয়ে এসেছে। ফলে, এ শতকে মানুষ তার দৈনন্দিন জীবনে যে ভাষা ব্যবহার করে, হাজার বছর আগেকার মানুষের ভাষা ঠিক এমনটি ছিল না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
"জানালা ˃ জান্‌লা " - এটি কোন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. অভিশ্রতি
  2. বিপ্রকর্ষ
  3. সম্প্রকর্ষ
  4. ব্যঞ্জন বিকৃতি
সঠিক উত্তর:
সম্প্রকর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্প্রকর্ষ
ব্যাখ্যা
সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ:
- দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে বলা হয় সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ।

যেমন:
- আটমেসে > আটাসে,
- কুটুম্ব > কুটুম,
- জানালা > জান্‌লা  ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
ধ্বনি উৎপাদনের ক্ষেত্রে মুখবিবরে মূল উচ্চারক উপকরণ কোনটি?
  1. ঠোঁট ও চিবুক
  2. দাঁত ও তালু
  3. গলা ও নাক
  4. জিহ্বা ও ওষ্ঠ্য
সঠিক উত্তর:
জিহ্বা ও ওষ্ঠ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিহ্বা ও ওষ্ঠ্য
ব্যাখ্যা
উচ্চারণের স্থানভেদে ব্যঞ্জনধ্বনির বিভাগ:
- ধ্বনি উৎপাদনের ক্ষেত্রে মুখবিবরে উচ্চারণের মূল উপকরণ বা উচ্চারক জিহ্বা ও ওষ্ঠ্য। আর উচ্চারণের স্থান হলাে কণ্ঠ বা জিহ্বামূল, অগ্রতাল, মূর্ধা বা পশ্চাৎ দন্তমূল, দন্ত বা অগ্র দন্তমূল, ওষ্ঠ্য ইত্যাদি।

• উচ্চারণের স্থানের নাম অনুসারে ব্যঞ্জনধ্বনিগুলােকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়:
যেমন:
১) কণ্ঠ্য বা জিহ্বামুলীয়,
২) তালব্য বা অগ্রতালুজাত,
৩) মূর্ধন্য বা পশ্চাৎ দন্তমূলীয়,
৪) দন্ত্য বা অগ্র দন্তমূলীয় এবং
৫) ওষ্ঠ্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১১.
কোনটি অশুদ্ধ যুক্তবর্ণ?
  1. হ্ + ম = হ্ম
  2. ঙ্‌ + ছ = ঞ্ছ
  3. ঞ্‌ + চ = ঞ্চ
  4. ঞ্ + জ = ঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ঙ্‌ + ছ = ঞ্ছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ্‌ + ছ = ঞ্ছ
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ যুক্তবর্ণ - ঙ্‌ + ছ = ঞ্ছ
এর শুদ্ধরূপ - ঞ্ + ছ = ঞ্ছ।

অন্যদিকে,
- ঞ্ + জ = ঞ্জ,
- ঞ্‌ + চ = ঞ্চ,
- হ্ + ম = হ্ম।
উপরিউক্ত যুক্তবর্ণগুলো শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২২)।
১২.
আঞ্চলিক কথ্য ভাষাকে আর কী বলা হয়?
  1. প্রমিত ভাষা
  2. সাধু ভাষা
  3. উপভাষা
  4. চলিত ভাষা
সঠিক উত্তর:
উপভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপভাষা
ব্যাখ্যা
উপভাষা:
- বিভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঞ্চলের জনগণ নিজ নিজ অঞ্চলের ভাষায় কথা বলে। এগুলো আঞ্চলিক কথ্য ভাষা বা উপভাষা। পৃথিবীর সব ভাষায়ই উপভাষা আছে। এক অঞ্চলের জনগণের মুখের ভাষার সঙ্গে অপর অঞ্চলের জনগণের মুখের ভাষার যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। ফলে এমন হয় যে, এক অঞ্চলের ভাষা অন্য অঞ্চলের লোকের কাছে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, চট্টগ্রাম অঞ্চলের সাধারণের কথ্য ভাষা দিনাজপুর বা রংপুরের লোকের পক্ষে খুব সহজবোধ্য নয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
কোন শব্দটি স্বরসন্ধিযোগে গঠিত নয়?
  1. মিথ্যুক
  2. সোনালি
  3. কুড়িক
  4. নাতবৌ
সঠিক উত্তর:
নাতবৌ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাতবৌ
ব্যাখ্যা
স্বরসন্ধি:
- স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনে যে সন্ধি হয়, তাকে স্বরসন্ধি বলে।

যেমন:
সোনা + আলি = সোনালি, 
রুপা + আলি = রুপালি
মিথ্যা + উক = মিথ্যুক
কুড়ি + এক = কুড়িক
নদী + এর = নদীর, 
মা + এর = মায়ের। ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
ব্যঞ্জনসন্ধি - নাতি + বৌ = নাতবৌ।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১৪.
কোনটি অভিশ্রুতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ নয়?
  1. শুনিয়া > শুনে
  2. মাছুুয়া > মেছো
  3. হাটুয়া > হাউটা
  4. বউদিদি > বউদি
সঠিক উত্তর:
বউদিদি > বউদি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বউদিদি > বউদি
ব্যাখ্যা
অভিশ্রুতি:
- বিপর্যস্ত স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং তদানুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে অভিশ্রুতি বলে।

যেমন
- শুনিয়া > শুনে,
- বলিয়া > বলে,
- হাটুয়া > হাউটা,
- মাছুুয়া > মেছো ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
ব্যঞ্জনচ্যুতি - বউদিদি> বউদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫.
নিচের কোন ধ্বনিটি ঘোষ ব্যঞ্জন নয়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• ঘোষ ব্যঞ্জন নয় - খ।

ঘোষ ব্যঞ্জন:

- যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় ঘোষ ব্যঞ্জন ধ্বনি।
যথা-
- ব, ভ, ম, দ, ধ, ন, র, ল, ড, ঢ, ড়, ঢ়, , ঝ, গ, ঘ, , হ।

অঘোষ ব্যঞ্জন:
- যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত কম, সেসব ধ্বনিকে অঘোষ ব্যঞ্জন বলা হয়।
যথা:
- প, ফ, ত, থ, স, ট, ঠ, চ, ছ, শ, ক, খ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৬.
কোনটি স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত শব্দ নয়?
  1. উৎকৃষ্ট
  2. ভাষণ
  3. রোষ
  4. ষড়ঋতু
সঠিক উত্তর:
উৎকৃষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎকৃষ্ট
ব্যাখ্যা
• ষ-ত্ব বিধানের নিয়ম:
১. 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়।
যেমন:
- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট ইত্যাদি।

২. ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়।
যেমন:
- কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।

কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়।
যেমন -
- ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ঊষা, পৌষ, পাষাণ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৭.
সাধু রীতি কোন নিয়ম অনুসরণ করে চলে?
  1. সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম
  2. প্রচলিত রীতি
  3. উপভাষার নিয়ম
  4. কথ্যরীতি
সঠিক উত্তর:
সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম
ব্যাখ্যা
সাধু রীতি:
(ক) বাংলা লেখ্য সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
(খ) এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
(গ) সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী।
(ঘ) এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৮.
নিচের কোন শব্দে তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনি রয়েছে?
  1. ফল
  2. নাটক
  3. চাচা
  4. ডাল
সঠিক উত্তর:
চাচা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাচা
ব্যাখ্যা
তালব্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে।

যেমন:
- চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রর্ভতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৯.
নিচের কোনটি অর্ধস্বরধ্বনির অন্তর্ভুক্ত?
  1. [ঋ]
  2. [ঈ]
  3. [ই্‌]
  4. [আ]
সঠিক উত্তর:
[ই্‌]
উত্তর
সঠিক উত্তর:
[ই্‌]
ব্যাখ্যা
অর্ধস্বরধ্বনি:
- যেসব স্বরধ্বনি পুরোপুরি উচ্চারিত হয় না, সেগুলোকে অর্ধস্বরধ্বনি বলে।

বাংলা ভাষায় অর্ধস্বরধ্বনি চারটি।
যথা- [ই্‌], [উ্‌], [এ্‌] এবং [ও্‌]।

• স্বরধ্বনি উচ্চারণ করার সময়ে টেনে দীর্ঘ করা যায়, কিন্তু অর্ধস্বরধ্বনিকে কোনোভাবেই দীর্ঘ করা যায় না।
যেমন-
‘চাই” শব্দে দুটি স্বরধ্বনি আছে: [আ] এবং [ই্‌]।
এখানে [আ] হলো পূর্ণ স্বরধ্বনি, [ই্‌] হলো অর্ধস্বরধ্বনি।
একইভাবে,
- ‘লাউ’ শব্দে দুটি স্বরধ্বনি আছে: [আ] এবং [উ্‌]।
এখানে [আ] হলো পূর্ণ স্বরধ্বনি, [উ্‌] হলো অর্ধস্বরধ্বনি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২০.
'যশোভিলাষ' - শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. যশ + অভিলাষ
  2. যশো + অভিলাষ
  3. যশঃ + অভিলাষ
  4. যশোঃ + অভিলাষ
সঠিক উত্তর:
যশঃ + অভিলাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যশঃ + অভিলাষ
ব্যাখ্যা
সন্ধির নিয়ম:
- অ-ধ্বনির সঙ্গে বিসর্গ এবং পরে অ-ধ্বনি থাকলে বিসর্গ ও অ-ধ্বনি স্থলে ও-কার হয়।

যেমন:
- ততঃ + অধিক = ততোধিক, 
- যশঃ + অভিলাষ = যশোভিলাষ
- বয়ঃ + অধিক = বয়োধিক ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২১.
কোনটি সাধুরীতির ক্রিয়াপদ?
  1. খাইতেছিল
  2. করে
  3. এসে
  4. গেছিল
সঠিক উত্তর:
খাইতেছিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাইতেছিল
ব্যাখ্যা
ক্রিয়াপদের রূপের পার্থক্য:
→ সাধু - চলিত,
→ আসিয়া - এসে,
→ করিয়া - করে,
→ করিয়াছে - করেছে,
খাইতেছিল - খাচ্ছিল,
→ গিয়াছিল - গেছিল,
→ ঘুমাইতেছে - ঘুমাচ্ছে,
→ চাহিয়া - চেয়ে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২২.
সম্মুখ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভের কী অবস্থান হয়?
  1. জিভ পুরোপুরি পিছনে যায়
  2. জিভ একদম স্থির থাকে
  3. জিভ সামনে উঁচু বা নিচু হয়
  4. জিভ নিচে নামে
সঠিক উত্তর:
জিভ সামনে উঁচু বা নিচু হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিভ সামনে উঁচু বা নিচু হয়
ব্যাখ্যা
সম্মুখ স্বরধ্বনি:
- সম্মুখ স্বর‌ধ্বনির উচ্চারণের সময় জিভ সামনের দিকে উঁচু বা নিচু হয়।
যেমন:
- [ই], [এ], [অ্যা] সম্মুখ স্বরধ্বনির উদাহরণ।

মধ্য স্বরধ্বনি:
- মধ্য স্বরধ্বনি হচ্ছে [আ]।

পশ্চাৎ স্বরধ্বনি:
- পশ্চাৎ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভ পিছনের দিকে উঁচু বা নিচু হয়।
- [অ], [ও], [উ] ইত্যাদি পশ্চাৎ স্বরধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২৩.
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদস্যপদ লাভ করে করে কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
IMF:
- IMF এর পূর্ণরূপ The International Monetary Fund.
- এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৪ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৪৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি। (মে, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য: লিচেনস্টাইন। (মে, ২০২৫)
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা। (মে, ২০২৫)
- বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - IMF অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৪.
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১০টি
  2. ১৫টি
  3. ২০টি
  4. ২৫টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সদস্য:
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। (মে, ২০২৫)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২৫.
World Trade Organization এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা
  2. রোম
  3. প্যারিস
  4. নিউ ইয়র্ক
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
ব্যাখ্যা
WTO:
- WTO এর পূর্ণরূপ World Trade Organization.
- WTO বিশ্বের একমাত্র আন্তর্জাতিক সংস্থা যা দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্যের নিয়মগুলি নিয়ে কাজ করে।
- যাত্রা শুরু করে: ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৬৬টি। (মে, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: আফগানিস্তান।
- দেশটি ২০১৬ সালের ২৯ জুলাই সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৯৫ সালে।

তথ্যসূত্র - WTO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৬.
বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জর্জিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  2. ওয়াশিংটন ডি.সি., যুক্তরাষ্ট্র
  3. ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  4. নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডি.সি., যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডি.সি., যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক:
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৪৪ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে জুন, ১৯৪৬ সালে।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন, ডি.সি., যুক্তরাষ্ট্র।
- এর উদ্দেশ্য মধ্য আয়ের দেশ গুলোকে ঋণ প্রদান ও উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে।
- বিশ্বব্যাংক World Development Report (বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন) প্রকাশ করে।
- বিশ্বব্যাংক প্রতি বছর মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে বিশ্বের প্রতিটি দেশের একটি তুলনামূলক প্রতিবেদনসহ বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- এটি ১৯৭৮ সাল থেকে বার্ষিক প্রকাশিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
২৭.
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ কোন মিশনে প্রথম অংশ নেয়?
  1. UNMOGIP
  2. UNIIMOG
  3. UNISFA
  4. MINURSO
সঠিক উত্তর:
UNIIMOG
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNIIMOG
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ও বাংলাদেশ:
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে প্রথম অংশ নেয়।
- প্রথম অংশগ্রহণ করা মিশনটির নাম ছিলো - UNIIMOG.
- ১৯৮৮ সালের ইউএন ইরান ও ইরাক মিলিটারি অবজারভেশন গ্রুপ (ইউনিমগ) মিশনে মাত্র ১৫ জন সেনা পর্যবেক্ষক প্রেরণের মাধ্যমে এ অগ্রযাত্রার সূচনা হয়।
- পরবর্তী বছর অর্থ্যাৎ ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশ শান্তি রক্ষা মিশনে অংশ নেয়। বাংলাদেশ বর্তমানে শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসাবে ৯টি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করছে।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ আর্মড ফোর্স ডিভিশন ওয়েবসাইট ও UN Peacekeeping এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৮.
জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয় কবে?
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৪৬
  2. ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬
  3. ২২ এপ্রিল, ১৯৪৬
  4. ২৭ এপ্রিল, ১৯৪৬
সঠিক উত্তর:
২০ এপ্রিল, ১৯৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ এপ্রিল, ১৯৪৬
ব্যাখ্যা
জাতিপুঞ্জ:
- জাতিপুঞ্জের আত্মপ্রকাশ-প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জাতিপুঞ্জের (League of Nations) আত্মপ্রকাশ।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির একটি অংশ হিসেবে স্বাক্ষরিত হয় জাতিপুঞ্জের চুক্তিপত্র।
- জাতিপুঞ্জ ১৯২০ সালে আত্মপ্রকাশ করে।
- জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক ছিলেন- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য- ৪১টি।
- সদর দপ্তর- জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয় ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬।

বি.দ্র:
⇒ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট অনুসারে, জাতিপুঞ্জ ১৯৪৬ সালের ২০ এপ্রিল বিলুপ্ত হয়।
⇒ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা অনুসারে, ১৯৪৬ সালের ১৯ এপ্রিল বিলুপ্ত হয়।
⇒ এক্ষেত্রেও আমরা জাতিসংঘের ওয়েবসাইটের তথ্য অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করে সঠিক উত্তর হিসেবে ১৯৪৬ সালের ২০ এপ্রিল গ্রহণ করতে পারি।

♦ এই বিষয়ে ৩০ নং তথ্যকল্পদ্রুমে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - United Nations ওয়েবসাইট।
২৯.
'অজয় বাঙ্গা' বিশ্বব্যাংকের কততম প্রেসিডেন্ট? (মে, ২০২৫)
  1. ১২ তম
  2. ১৩ তম
  3. ১৪ তম
  4. ১৫ তম
সঠিক উত্তর:
১৪ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ তম
ব্যাখ্যা
বিশ্ব ব্যাংক:
- ঐতিহ্যগতভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়।
- বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্টের মেয়াদ: ৫ বছর।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট: ইউজিন মেয়ার।
- বর্তমানে প্রেসিডেন্ট: অজয় বাঙ্গা। (মে, ২০২৫)
- তিনি বিশ্বব্যাংকের ১৪ তম প্রেসিডেন্ট।
- ২০২৩ সালের ২ জুন তিনি বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

তথ্যসূত্র - বিশ্ব ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৩০.
ব্রেটন উডস কনফারেন্সের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন -
  1. এডুয়ার্ডো সুয়ারেজ
  2. হেনরি মরগেনথাউ
  3. রজার ড্যানিলো
  4. হ্যারি ডেক্সটার হোয়াইট
সঠিক উত্তর:
হ্যারি ডেক্সটার হোয়াইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যারি ডেক্সটার হোয়াইট
ব্যাখ্যা
ব্রেটন উডস কনফারেন্স:
- এটি United Nations Monetary and Financial Conference নামে পরিচিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ১৯৪৪ সালে জার্মানি ও জাপানের প্রত্যাশিত পরাজয়ের পর যুদ্ধোত্তর সময়ে যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশ সমূহের পুনর্গঠন ও আর্থিক সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক বানিজ্যের রূপরেখা নির্ধারণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বের ৪৪টি দেশের নেতারা এক সম্মেলনে অংশ নেন।
- এই সম্মেলনকে ব্রেটন উডস কনফারেন্স (Bretton Woods Conference) বলা হয়।
- এই সম্মেলনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তা হ্যারি ডেক্সটার হোয়াইট (Harry Dexter White) এবং ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জন মেনার্ড কেইনস (John Maynard Keynes)।
- ব্রেটন উডস সম্মেলনেই বিশ্বব্যাংক (IBRD) ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) গঠিত হয়।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বাধা দূরীকরণ, নীতি নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি সংগঠন গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়।

তথ্যসূত্র - World Bank Group ও যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের ওয়েবসাইট।
৩১.
জাতিসংঘের পূর্ববর্তী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. কমিউনিটি অব নেশনস
  2. অ্যাসোসিয়েশন অব নেশনস
  3. লীগ অব নেশনস
  4. ইউনাইটেড নেশনস
সঠিক উত্তর:
লীগ অব নেশনস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লীগ অব নেশনস
ব্যাখ্যা
জাতিপুঞ্জ:
- জাতিসংঘের পূর্ববর্তী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান লীগ অব নেশনস।
- জাতিপুঞ্জের আত্নপ্রকাশ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জাতিপুঞ্জের (League of Nations) আত্মপ্রকাশ।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির একটি অংশ হিসেবে স্বাক্ষরিত হয় জাতিপুঞ্জের চুক্তিপত্র।
- জাতিপুঞ্জ গঠিত হয়েছিল ২৮ জুন, ১৯১৯ সালে (কার্যকর হয় ১০ জানুয়ারি, ১৯২০)।
- জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক ছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয় ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬ সালে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩২.
জাতিসংঘের পতাকার রং কোনটি?
  1. সাদা ও নীল
  2. কমলা ও সবুজ
  3. হলুদ ও সাদা
  4. কালো ও নীল
সঠিক উত্তর:
সাদা ও নীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাদা ও নীল
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের পতাকা:
- জাতিসংঘের প্রতীক এবং পতাকা বিশ্বজুড়ে মানুষের শান্তি ও ঐক্যের আশা ও স্বপ্নের কথা বলে।
- জাতিসংঘের পতাকায় দেখা যায় একজোড়া জলপাই গাছের ডাল এবং বিশ্বের একটি মানচিত্র।
- উক্ত পতাকার জলপাই গাছের পাতা আন্তর্জাতিক শান্তির আহবান জানায়।
- জাতিসংঘের পতাকায় দুইটি রং রয়েছে। এগুলো হলো:
• সাদা ও
• নীল।

তথ্যসূত্র - UN ওয়েবসাইট।
৩৩.
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর অধীনস্থ আঞ্চলিক কমিশন কোনটি?
  1. UNICEF
  2. WHO
  3. ILO
  4. ECA
সঠিক উত্তর:
ECA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ECA
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC) এর অধীন ৫টি আঞ্চলিক কমিশন রয়েছে।

⇒ এগুলো হলো:
- এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCAP),
- পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCWA),
- ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন (ECLAC),
- ইউরোপিয়ান অর্থনৈতিক কমিশন (ECE),
- আফ্রিকান অর্থনৈতিক কমিশন (ECA).

উল্লেখ্য:
- UNICEF বা জাতিসংঘ শিশু তহবিল বিশ্বব্যাপী শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করে।
- WHO বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
- ILO বা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা।

তথ্যসূত্র - UN ওয়েবসাইট।
৩৪.
পশ্চিম এশিয়ার জন্য জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCWA)-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. আম্মান, জর্ডান
  2. বৈরুত, লেবানন
  3. রিয়াদ, সৌদি আরব
  4. কায়রো, মিশর
সঠিক উত্তর:
বৈরুত, লেবানন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈরুত, লেবানন
ব্যাখ্যা
ESCWA:
- পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ESCWA.
- ECWA এর পূর্ণরূপ United Nations Economic and Social Commission for Western Asia.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৩ সালে।
- এর উদ্দেশ্য ছিল সদস্য দেশগুলিতে অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপকে উত্সাহিত করা, তাদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা। 
- সদর দপ্তর: বৈরুত, লেবানন।

তথ্যসূত্র - ESCWA ওয়েবসাইট।
৩৫.
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে সর্বাধিক ভেটো প্রদানকারী দেশ কোনটি?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্রান্স
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ:
- এদের মধ্যে নিরাপত্তা পরিষদকে সবচেয়ে প্রভাবশালী অঙ্গসংস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার দায়িত্ব এই পরিষদের উপর ন্যস্ত।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য ৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য ১০টি।
- ৫টি স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। ভেটো অর্থ আমি ইহা মানি না।
- ভেটো ক্ষমতার জন্যে নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই পাঁচটি দেশের প্রত্যেকটির সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে সর্বাধিক ভেটো প্রদানকারী দেশ রাশিয়া।
- নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যগুলো দুই বছরের জন্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নির্বাচিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩৬.
International Finance Corporation এর বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে? (মে, ২০২৫)
  1. হেলা চেইখরুহু
  2. এলেনা বুরগানস্কাইয়া
  3. মাখতার ডিওপ
  4. ফিলিপ লে হুয়েরু
সঠিক উত্তর:
মাখতার ডিওপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাখতার ডিওপ
ব্যাখ্যা
IFC:
- IFC বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- IFC এর পূর্ণরূপ International Finance Corporation.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৫৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৬টি। (মে, ২০২৫)
- প্রধান কার্যালয়: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাখতার ডিওপ। (মে, ২০২৫)
- এটি প্রধানত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেসরকারি বা ব্যক্তিমালিকানা খাতের উন্নয়নে কাজ করে।

তথ্যসূত্র - IFC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩৭.
জাতিসংঘের ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন কোনটি?
  1. ECA
  2. ESCAP
  3. ECLAC
  4. ESCWA
সঠিক উত্তর:
ECLAC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ECLAC
ব্যাখ্যা
ECLAC:
- ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন ECLAC.
- ল্যাটিন আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ানের জন্য অর্থনৈতিক কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সালে।
- সদর দপ্তর: সান্তিয়াগো, চিলি।
- নির্বাহী সচিব: হোসে ম্যানুয়েল সালাজার-সিরিনাচস।

উল্লেখ্য:
- এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCAP),
- পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCWA),
- ইউরোপিয়ান অর্থনৈতিক কমিশন (ECE),
- আফ্রিকান অর্থনৈতিক কমিশন (ECA).

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
৩৮.
জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল -
  1. ৪৮টি
  2. ৫১টি
  3. ৫৪টি
  4. ৫৭টি
সঠিক উত্তর:
৫১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১টি
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘ নামকরণ করেন রুজভেল্ট।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয় ২৬ জুন, ১৯৪৫ সালে (সানফ্রানসিস্কো শহরে)।
- জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয় ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৫১টি।
- জাতিসংঘ সনদে স্বাক্ষর না করেও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত হয় পোল্যান্ড (৫১ তম দেশ)।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। (মে, ২০২৫)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
৩৯.
'ICSID' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬৬ সালে
  2. ১৯৬৭ সালে
  3. ১৯৬৮ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
ICSID:
- এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- ICSID এর পূর্ণরূপ International Centre for Settlement of Investment Disputes.
- এটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পুঁজি বিনিয়োগ জনিত বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ অক্টোবর, ১৯৬৬ সালে।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান সদস্য: ১৫৮টি দেশ। (মে, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ICSID এর সদস্য পদ লাভ করে ১৯৮০ সালে।

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
৪০.
অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC) এর সদস্যরা কত বছরের জন্যে নির্বাচিত হয়?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC):
- এই সংস্থাটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাজকর্মের সমন্বয় করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৫ সালে।
- পরিষদের সদস্য সংখ্যা ৫৪টি।
- প্রথম দিকে এই সদস্য সংখ্যা ছিল ১৮টি।
- সদস্যরা ৩ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়ে থাকে।
- প্রতিবছর ১৮টি সদস্য রাষ্ট্র তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হয় এবং যে ১৮টি রাষ্ট্রের তিন বছরের মেয়াদ শেষ হয়, তাদের স্থান পুরণ করে নতুন ১৮টি রাষ্ট্র।
- সংখ্যাগরিষ্ট ভোটে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ECOSOC-এর বর্তমান (৮০ তম) প্রেসিডেন্ট বব রে।

তথ্যসূত্র - ECOSOC এর অফিশিয়াল সাইট।