পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়55 minutes
মোট প্রশ্ন৭৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩৯: Full Model Test - 3
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৭৩ প্রশ্ন

.
"কাঁঠাল" শব্দটি কোন ভাষা হতে আগত?
  1. সংস্কৃত
  2. ওলন্দাজ
  3. পর্তুগিজ
  4. ইতালিয়ান
ব্যাখ্যা
• "কাঁঠাল" শব্দটি 'সংস্কৃত' ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দের প্রকৃতি-প্রত্যয় - কণ্টকফল>কাঁঠাল
শব্দের অর্থ - 
- ক্রান্তীয় অঞ্চলের উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুতে জাত সর্বাঙ্গে কাঁটাযুক্ত মিষ্টস্বাদ গ্রীষ্মকালীন বড়ো ফল বা তার চিরহরিৎ গাছ, পনস।।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
'জাগ্রত বাংলাদেশ' প্রবন্ধের রচয়িতা কে?
  1. আহমদ ছফা
  2. হুমায়ুন আজাদ
  3. হুমায়ুন কবির
  4. হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা
• 'জাগ্রত বাংলাদেশ' প্রবন্ধের রচয়িতা - আহমদ ছফা
 
আহমদ ছফা:
- আহমদ ছফা ছিলেন একজন প্রতিবাদী লেখক, প্রগতিপন্থি সাহিত্যকর্মী ও সংগঠক।
- আহমদ ছফা ৩০শে জুন, ১৯৪৩ সালে গাছবাড়িয়া, চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি স্বদেশ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ১৯৭০ সালের গোড়ার দিকে আহমদ ছফার সম্পাদনায় সাহিত্য পত্রিকা ‘স্বদেশ’ প্রকাশিত হয়েছিল।
 
তাঁর রচিত অন্যান্য প্রবন্ধ:
- বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস,
- বাঙালি মুসলমানের মন,
- সাম্প্রতিক বিবেচনা,
- সিপাহী যুদ্ধের ইতিহাস।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোন শব্দের 'অ' এর উচ্চারণ সংবৃত?
  1. মৌন
  2. অকাল
  3. গয়না
  4. ক্ষণ
ব্যাখ্যা
অ-এর উচ্চারণ দু রকম:

স্বাভাবিক (অ-এর মতো):
- অজ (অজো), অকাল (অকাল্), কথা (কথা), শপথ (শপথ্) ক্ষণ (খন্‌), জঞ্জাল (জাল্), গয়না (গা), ঘর (ঘর্)।

সংবৃত বা পরিবর্তিত (ও-এর মতো):
- অতি (ওতি), নদী (নোদি), অভিধান (ওভিধান), অতনু (অতোনু), সুমতি (সুমোতি), মৌন (মৌনো), মৃগ (মৃগো)।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
'হাতি' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. বাজী
  2. কুঞ্জর
  3. ঘোটক
  4. তুরঙ্গ
ব্যাখ্যা
'হাতি' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গজ, হস্তী, করী, দ্বিপ, বারণ, মাতঙ্গ, কুঞ্জর, দন্তী, দ্বিরদ, পিল।

অন্যদিকে,
‘ঘোড়া’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- অশ্ব, ঘোটক, হয়, বাজী, তুরঙ্গ

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'মুখটা মুছে ফ্যাল বাঁদর, নুন লেগে রয়েছে যে' - উক্তিটি কোন উপন্যাসের?
  1. অপরাজিত
  2. ইছামতী
  3. আদর্শ হিন্দু হোটেল
  4. পথের পাঁচালী
ব্যাখ্যা
• 'মুখটা মুছে ফ্যাল বাঁদর, নুন লেগে রয়েছে যে' - উক্তিটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসের।

লুকিয়ে আম খাওয়ার সময় অপুর মুখে নুন লেগে থাকায় মা দেখে ফেলবে বলে দুর্গা একথা বলে। দুর্গা অপুকে নিয়ে আমের কুচি তেল ও নুন দিয়ে মিশিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে খাচ্ছিল। হঠাৎ ওদের মা বাড়িতে আসায় তাড়াতাড়ি আম খেতে শুরু করে। মা ডাকলে গুড়ির আড়ালে দাঁড়িয়ে আমগুলো গোগ্রাসে গিলতে শুরু করে। কারণ চিবানোর সময় নেই। আম খাওয়ার সময় অপুর মুখে লবণ লেগে থাকতে দেখে দুর্গা আলোচ্য উক্তিটি করে।

'পথের পাঁচালী' উপন্যাস:
- 'পথের পাঁচালী' বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি জনপ্রিয় বাংলা উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯২৯ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটি 'বিচিত্রা' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের পটভূমিতে আছে বাংলাদেশের গ্রাম ও তার পরিচিত মানুষের জীবন।
- এতে একটি শিশুর চৈতন্যের জাগরণ, মানুষ ও প্রকৃতির সঙ্গে তার পরিচয় বর্ণিত হয়েছে।
- উপন্যাসের তিনটি ভাগ। বল্লালী বালাই, আমআঁটির ভেঁপু, অক্রূর সংবাদ। 'পথের পাঁচালী'র নায়ক বালক অপু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, 'পথের পাঁচালী' উপন্যাস।
.
"আড়ালে আবডালে কারো সমালোচনা করতে নেই।" - বাক্যে 'আবডালে' শব্দটি কোন উপসর্গযোগে গঠিত?
  1. বাংলা
  2. সংস্কৃত
  3. ফারসি
  4. আরবি
ব্যাখ্যা
• "আড়ালে আবডালে কারো সমালোচনা করতে নেই।" বাক্যে 'আবডালে' শব্দটি বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত।
 
বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজেস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১ টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি(২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
  1. পরীক্ষা চলাকালে হর্ন বাজানো নিষেধ।
  2. পাহাড়ের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য আমাদের মুগ্ধ করে।
  3. এ বিষয়ে অজ্ঞানতাই তার পতনের কারণ।
  4. উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন।
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ: এ বিষয়ে অজ্ঞানতাই তার পতনের কারণ।
শুদ্ধ: এ বিষয়ে অজ্ঞতাই তার পতনের কারণ।

অন্যদিকে,
- উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন।
- পাহাড়ের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য আমাদের মুগ্ধ করে।
- পরীক্ষা চলাকালে হর্ন বাজানো নিষেধ।
উপরিউক্ত বাক্যগুলোর প্রয়োগ শুদ্ধ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
Choose the appropriate preposition to complete the sentence:
The meeting will coincide _____ the launch of the new product.
  1. to
  2. for
  3. by
  4. with
ব্যাখ্যা
• Coincide with: 
English Meaning - To happen at or near the same time. 
Bangla Meaning - অধিকৃত স্থান বা রূপরেখার দিক থেকে মিলে যাওয়া।

Example Sentences: 
- I timed my holiday to coincide with the children's.
- If the heavy rain had coincided with an extremely high tide, serious flooding would have resulted.

Complete Sentence - The meeting will coincide with the launch of the new product.

Source: Cambridge Dictionary. 
.
The synonym of ‘Unwitting’ is -
  1. Intentional
  2. Deliberate
  3. Inadvertent
  4. Premeditated
ব্যাখ্যা
Unwitting (adjective): 
English Meaning - Without knowing or planning. 
Bangla Meaning - অনবহিত; অবিদিত; বেখবর; অজ্ঞ; অনভিপ্রায়িক; অনিচ্ছাকৃত।

Synonyms - 
Accidental (আকস্মিক), 
Inadvertent (অসাবধান), 
Unintentional (অনিচ্ছাকৃত)। 

Antonyms -
Deliberate (ইচ্ছাকৃত),
Intended (অভিপ্রেত), 
Intentional (ইচ্ছাকৃত), 
Premeditated (পূর্বপরিকল্পিত)
। 

Source: 
1. Merriam-Webster Dictionary. 
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১০.
Which one is a verb?
  1. Advise
  2. Dream
  3. Beautify
  4. All of above
ব্যাখ্যা
• Advise (verb)
English Meaning: to give (someone) a recommendation about what should be done.
Bangla Meaning: পরামর্শ/উপদেশ দেওয়া; সুপারিশ করা।

Example: I advise you to reconsider your decision.

→ অন্যদিকে, 'advice' হচ্ছে Noun.

• Dream (noun) (verb)
English Meaning:  to have a series of thoughts, images, or emotions while sleeping: to have a dream.
Bangla Meaning: স্বপ্ন দেখা; কল্পনা করা।

Example: Stop dreaming and get to work!

→ অন্যদিকে, 'dream' Noun হিসেবেও ব্যবহার হয়।

• Beautify (verb)
English Meaning: to make beautiful or add beauty to.
Bangla Meaning: সুন্দর করা।

Example: Planting flowers along the boulevards will help to beautify the town.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১১.
What is the correct English translation of the sentence- 'ভুল করা মানুষের স্বভাব'?
  1. To err is a human.
  2. To err is human.
  3. To err is humans.
  4. To err are human.
ব্যাখ্যা
• 'ভুল করা মানুষের স্বভাব'
বাক্যটির সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হবে- To err is human.

→ to err is human (idiom):
→ Meaning: it is normal for people to make mistakes.

Example Sentence: 
1. To err is human, and we all make mistakes from time to time.
2. It's important to remember that to err is human, and forgiveness is divine.

Source: merriam-webster.
১২.
"It is a far, far better thing that I do, than I have ever done; it is a far, far better rest I go to than I have ever known."
This is the last line of -
  1. Paradise lost
  2. A Tale of Two Cities
  3. The Return of the Native
  4. Pride and Prejudice
ব্যাখ্যা
• “It is a far, far better thing that I do, than I have ever done; it is a far, far better rest I go to than I have ever known.”
- The last line in 'A Tale of Two Cities' is Carton's final line before being led to his execution.
- উক্তিটি Charles Dickens এর বিখ্যাত উপন্যাস 'A Tale of Two Cities' এর অন্যতম প্রধান চরিত্র Sydney Carton এর করা।
- উপন্যাসটির পর্দা নামে যখন সিডনী কার্টন কে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে গ্যালোটিনের দিকে আর তিনি মনে মনে বলছেন এই উপন্যাসের শেষ উক্তিটি” - যার মাধ্যমে লুসির প্রতি তার ভালোবাসার চূড়ান্ত এবং শেষ নিদর্শন দেখতে পায় দর্শকরা।

• A Tale of Two Cities:
- এটি Charles Dickens লিখিত একটি novel.
- এই Novel টিতে দুইটি city কে ঘিরে কাহিনী গড়ে উঠেছে। এগুলো হচ্ছ London and Paris.
- এটি একটি Historical Novel.
- The story is set in the late 18th century against the background of the French Revolution.
- The French Revolution, for his sprawling tale of London and revolutionary Paris, the novel offers more drama than accuracy.

• এই novel এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ -
- Sydne Carton,
- Lucie Manette,
- Chrales Darnay,
- Dr. Alexandre Manette,
- Madame Defarge.

• Charles Dickens:
- তিনি একজন British novelist
- He is generally considered the greatest of the Victorian era.

• Notable works:
- A Christmas Carol,
- A Tale of Two Cities,
- All the Year Round,
- American Notes,
- Barnaby Rudge,
- Bleak House,
- David Copperfield,
- Dombey and Son,
- Great Expectations,
- Hard Times,
- Little Dorrit.

Source: Britannica.
১৩.
Which one is the correct sentence?
  1. You should avail yourself on the resources provided.
  2. You should avail yourself of the resources provided.
  3. You should avail yourself with the resources provided.
  4. You should avail yourself to the resources provided.
ব্যাখ্যা
Correct Sentence: You should avail yourself of the resources provided.
অর্থ: প্রদত্ত সম্পদগুলো আপনার ব্যবহার করা উচিত।

• Avail yourself of something (phrasal verb)
English Meaning: to make use of something.
Bangla Meaning: কাজে লাগানো বা (সুযোগের) সদ্ব্যবহার করা।

→ Enjoy, avail, absent ইত্যাদি verb গুলোর পর subject অনুযায়ী reflexive pronoun বসাতে হয়।
১৪.
৩ থেকে ১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলোর গুণফল হবে - 
  1. ৩৫
  2. ৯৮
  3. ১০০
  4. ১০৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩ থেকে ১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলোর গুণফল হবে - 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
৩ থেকে ১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা = ৩ টি 
যথা- ৩, ৫, এবং ৭ 
∴ ৩ থেকে ১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলোর গুণফল = (৩ × ৫ × ৭) 
= ১০৫ ।
১৫.
সিস্টোলিক চাপ বলতে কী বুঝায়? 
  1. হৃৎপিণ্ডের সংকোচন চাপ
  2. হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ চাপ
  3. হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণ চাপ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ড(Heart): 
- মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্র হৃৎপিণ্ড, ধমনি, শিরা এবং কৈশিক জালিকা নিয়ে গঠিত। 
- মানুষের হৃৎপিণ্ড অবিরাম সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে ধমনি ও শিরার মাধ্যমে রক্ত সংবহন করে। 
- হৃৎপিণ্ড পাম্পের মতো নির্দিষ্ট তালে ও ছন্দে সংকুচিত এবং প্রসারিত হয়ে সারা দেহে রক্ত সঞ্চালন ঘটায়। 
- হৃৎপিণ্ডের স্বতঃস্ফূর্ত সংকোচনকে সিস্টোল (systole) এবং স্বতঃস্ফূর্ত প্রসারণকে ডায়াস্টোল (diastole) বলে। 
- অলিন্দে যখন সিস্টোল হয়, নিলয় তখন ডায়াস্টোল অবস্থায় থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬.
25√5 এর 5 ভিত্তিক লগ কত?
  1. 1/2
  2. 3/2
  3. 5/2
  4. 4/2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 25√5 এর 5 ভিত্তিক লগ কত? 

সমাধান:
ধরি, 
25√5 এর 5 ভিত্তিক লগ = x
∴ log525√5 = x 
বা, 5x = 25√5
বা, 5x = 52.(5)1/2
বা, 5x = 5{2 + (1/2)}
বা, 5x = 5{4 + 1)/2}
বা, 5x = 55/2
∴ x = 5/2
১৭.
একটি ত্রিভুজের একটি কোণ যদি ২য় কোণের তিনগুন এবং ৩য় কোণ যদি ২য় কোণের চেয়ে ৩০ ডিগ্রি বড় হয় তবে ২য় কোণটি কত ডিগ্রি? 
  1. ২৮°
  2. ২৯°
  3. ৩০°
  4. ৩২°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের একটি কোণ যদি ২য় কোণের তিনগুন এবং ৩য় কোণ যদি ২য় কোণের চেয়ে ৩০ ডিগ্রি বড় হয় তবে ২য় কোণটি কত ডিগ্রি? 

সমাধান: 
ধরি,
২য় কোণ = ক
একটি কোণ = ৩ক
৩য় কোণ = ক + ৩০°

শর্তমতে,
ক + ৩ক + ক + ৩০° = ১৮০°
⇒ ৫ক = ১৮০° - ৩০°
⇒ ক = ১৫০°/৫
∴ ক = ৩০°

∴ ২য় কোণ = ৩০° ।
১৮.
{(2x + 3)/5} + 2 = (x - 1)/2 হলে x এর মান কত? 
  1. 21
  2. 31
  3. 41
  4. 48
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: {(2x + 3)/5} + 2 = (x - 1)/2 হলে x এর মান কত? 

সমাধান: 
{(2x + 3)/5} + 2 = (x - 1)/2
বা, {(2x + 3)/5} - (x - 1)/2 = - 2
বা, (4x + 6 - 5x + 5)/10 = - 2
বা, - x + 11 = - 20 
বা, - x = - 20 - 11
বা, - x = - 31 
∴ x = 31
১৯.
পারমাণবিক অস্ত্র সংক্রান্ত চুক্তি (NPT) এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Nuclear Proliferation Treaty
  2. Treaty on Nuclear Weapons
  3. Treaty on the Proliferation of Nuclear Weapons
  4. Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- এর পূর্ণরূপ '
Treaty on the Non-Proliferation of Nuclear Weapons'.
- এই চুক্তি ১ জুলাই, ১৯৬৮ সালে স্বাক্ষরিত হয় এবং ৫ মার্চ, ১৯৭০ সালে কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (জানুয়ারি, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৯ সালে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

লক্ষ্য:
-পারমাণবিক অস্ত্র এবং অস্ত্র প্রযুক্তির বিস্তার রোধ করা,
- পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এবং
- পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ও সাধারণ এবং পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্য অর্জন করা।

তথ্যসূত্র: UNODA ওয়েবসাইট।
২০.
Under what circumstances may the Magistrate restrict public access to the Court?
  1. Only during a final judgment
  2. Only if the accused requests privacy
  3. Only during a jury trial
  4. At any stage of the inquiry or trial, if deemed fit
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫২ ধারার বিধান- আদালত উন্মুক্ত থাকবে:
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারী আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
২১.
ফৌজদারি সমন জারি করতে পারে-
  1. পুলিশ অফিসার
  2. সরকারী কর্মচারী
  3. আদালতের অফিসার
  4. উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারা- সমনের ফরম: 
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।
 
(২) সমন জারিকারক: এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।

The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 68- Form of summons:
(1) Every summons issued by a Court under this Code shall be in writing in duplicate, signed and sealed by the presiding officer of such Court, or by such other officer as the Supreme Court may, from time to time, by rule, direct.

Summons by whom served:
(2) Such summons shall be served by a police-officer, or subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, by an officer of the Court issuing it or other public servant.
২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৩ ধারায় কী বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. অপরাধ তদন্তের পদ্ধতি
  2. সাক্ষ্যগ্রহণের নিয়ম
  3. ফৌজদারি আপীল আদালতের প্রকারভেদ
  4. ফৌজদারি আপীল আদালতের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৩ ধারায় ফৌজদারী আপীল নিষ্পত্তিতে আপীল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে। আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপীল আদালত নিম্নলিখিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-

১. আপীল খারিজ করতে পারে যদি আপীলের কোন কারণ না থাকে বা

২. খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে-
⇒ খালাস আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে,
⇒ অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারে,
⇒ অভিযুক্তকে পুনরায় বিচারের জন্য নির্দেশ দিতে পারে বা অভিযুক্তকে দোষী পেলে আইন অনুযায়ী শান্তি দিতে পারে।

৩. দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি বাতিল করতে পারে, আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা পুনরায় আসামীকে বিচার করার আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তি কমাতে পারে ইত্যাদি

৪. দণ্ডবৃদ্ধির আপীলের ক্ষেত্রে শাস্তি পরিবর্তন করতে পারে বা আসামীকে খালাস বা অব্যাহতি দিতে পারে বা তাকে পুনরায় বিচারের আদেশ দিতে পারে বা শাস্তি বহাল রাখতে পারে বা শাস্তির পরিমান বাড়াতে বা কমাতে পারে। 

৫. অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের ক্ষেত্রে আদেশ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে তবে অভিযুক্ত যে অপরাধ করেছে সেই অপরাধের জন্য যে শাস্তি দেয়া যেতো,তার অধিক দণ্ড দিবে না।
২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার আদেশে ম্যাজিস্ট্রেট কোন বিষয়টি বিবেচনা করেন না?
  1. শান্তি রক্ষা
  2. প্রকৃত দখলকারী
  3. মালিকানা নির্ধারণ
  4. দখলের বৈধতা
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
⇒ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
⇒ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

• ধারা ১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা-
(১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।

Section 145: Procedure where dispute concerning land, etc., is likely to cause breach of peace-
(1) Whenever a District Magistrate, or an Executive Magistrate specially empowered by the Government in this behalf] is satisfied from a police-report or other information that a dispute likely to cause a breach of the peace exists concerning any land or water of the boundaries thereof, within the local limits of his jurisdiction, he shall make an order in writing, stating the grounds of his being so satisfied, and requiring the parties concerned in such dispute to attend his Court in person or by pleader, within a time to be fixed by such Magistrate, and to put in written statements of their respective claims as respects the fact of actual possession of the subject of dispute. 
২৪.
Test Identification Parade conducted during investigation is relevant under Section _______ of Evidence Act, 1872.
  1. 6
  2. 8
  3. 9
  4. Both (a) and (b)
ব্যাখ্যা
⇒ T.I.P অর্থ Test Identification Parade. সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায় শনাক্তকরণ প্যারেড বা Test Identification Parade-কে সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারায়, Test Identification Parade (শনাক্তকরণ প্যারেড) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে করে এই পদ্ধতির মাধ্যমে সাক্ষী অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত -
১. কোন সম্পত্তি সনাক্ত করতে সক্ষম হয় বা,
২. কোন ব্যক্তি যেমন আসামীকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারার বিধান: প্রাসঙ্গিক ঘটনার ব্যাখ্যা বা উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ঘটনা (Facts necessary to explain or introduce relevant facts):
যে সমস্ত বিষয় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ইঙ্গিতবহ অনুমানকে সমর্থন বা অপ্রমাণ করে, অথবা বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়কে ব্যাখ্যা করে বা পরিচয় করায়, অথবা কোন ব্যক্তি বা বস্তুর প্রাসঙ্গিক পরিচয় প্রতিষ্ঠা করে, অথবা বিচার্য প্রাসঙ্গিক বিষয়টি ঘটার সময় ও স্থান নির্দেশ করে, অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় ঘটনাকারী ব্যক্তির সম্পর্কে আলোকপাত করে, সেই সময় বিষয়ের যতখানি সংশ্লিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজন ততখানি প্রাসঙ্গিক।

⇒ প্রাসঙ্গিক ঘটনা ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করার জন্য যে সকল ঘটনা আবশ্যক সেগুলো প্রাসঙ্গিক। এ মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বা ঐ ঘটনা, তার স্থান, কাল ব্যাখ্যা করতে পারে এমন ঘটনাকে ৯ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।
২৫.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক-এর অধীনে বিশেষজ্ঞ সাক্ষীর প্রধান কর্তব্য কী?
  1. সংশ্লিষ্ট পক্ষকে সাহায্য করা
  2. আদালতকে সাহায্য করা
  3. নিজস্ব মতামত গোপন রাখা
  4. অপরাধের প্রতিবেদন সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

অর্থাৎ, শারীর সম্বন্ধীয় বা ফরেনসিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কোন সাক্ষী দিতে-
১. আদালতের অনুমতি গ্রহণ করবে;
২. তার বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন বা মতামতের কপি সকল পক্ষকে সরবরাহ করবে।
৩. আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
( 1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.
২৬.
Under Section 391 of The Penal Code,1860, "Dacoity" is committed when five or more persons do which of the following?
  1. Plan to commit robbery
  2. Steal property from a public place
  3. Perform any act of theft individually
  4. Commit or attempt to commit a robbery conjointly
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান- ডাকাতি:
যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।

Section 391- Dacoity:
When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
২৭.
X, Y কে হত্যার উদ্দেশ্যে, তার ছয় বছরের শিশুকে 'A'-কে একটি এমন কাজ করতে প্ররোচিত করে, যা Y-এর মৃত্যু ঘটাবে। 'A' সেই কাজটি করে, কিন্তু X-এর অনুপস্থিতিতে। A-এর কাজের ফলে Y-এর মৃত্যু হয়। এক্ষেত্রে-
  1. শুধু A দায়ী হবে এবং তাকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি দেওয়া হবে
  2. শুধু X দায়ী হবে এবং তাকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি দেওয়া হবে
  3. A এবং X উভয়ে মৃত্যুদণ্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধে দায়ী হবে
  4. A বা X কেউ দায়ী হবে হবে না
ব্যাখ্যা
• যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে, আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে।

দণ্ডবিধির  ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে-
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation);
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement);
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)।

দণ্ডবিধির ১০৮ ধারা অনুযায়ী,
কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধ করতে সহায়তা করে, অথবা এমন একটি কাজে সহায়তা করে যে কাজটি সহায়তাকারীর মতো একই উদ্দেশ্য নিয়ে বা একই জ্ঞানের ভিত্তিতে যে ব্যক্তি আইনানুসারে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে তা করতে সক্ষম সেই ব্যক্তি করলে অপরাধ হত, তাহলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অপরাধ করতে সহায়তা ও প্ররোচনা দান করেছে বলে গণ্য হবে।

X, Y কে হত্যার উদ্দেশ্যে, A যে ছয় বছরের শিশু তাকে প্ররোচিত করে, এমন একটি কাজ করতে যা Y এর মৃত্যু ঘটায়। A, প্ররোচনার ফলে, X এর অনুপস্থিতিতে কাজটি করে এবং তাতে Y এর মৃত্যু ঘটে। এখানে, যদিও A আইনত অপরাধ করার সক্ষম ছিল না, X আইন অনুযায়ী একইভাবে শাস্তির যোগ্য, যেন A আইনত অপরাধ করার সক্ষম ছিল এবং হত্যা করেছে। তাই, X মৃত্যুদণ্ডের যোগ্য শাস্তির আওতাধীন।
২৮.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী বাংলাদেশে সমকামিতার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. অনধিক ১৪ বৎসর কারাদণ্ড
  4. অনধিক ১০ বৎসর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা অনুযায়ী সমকামিতাকে প্রকৃতিবিরুদ্ধ অপরাধ হিসেবে বলা হয়েছে।

দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারার বিধান অস্বাভাবিক অপরাধসমূহ:
কোন ব্যক্তি যদি প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধে কোন পুরুষ, স্ত্রীলোক বা পশুর সাথে যৌন সঙ্গম করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দেশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এই ধারায় বর্ণিত অপরাধের জন্য আবশ্যকীয় যৌন সঙ্গমের জন্য যৌনাঙ্গ প্রবিষ্ট করাই যথেষ্ট হবে।

Section 377⇒ Unnatural offences:

Whoever voluntarily has carnal intercourse against the order of nature with any man, woman or animal, shall be punished with imprisonment for life, or with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

Explanation- Penetration is sufficient to constitute the carnal intercourse necessary to the offence described in this section.
২৯.
'Judgment on admission' can be given under:
  1. Order XII Rule 8 of CPC
  2. Order XII Rule 4 of CPC
  3. Order XII Rule 6 of CPC
  4. Order XII Rule 2 of CPC
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ এ 'Judgment on admissions' এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১২ বিধি ৬ (স্বীকারোক্তির উপর রায়)-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

CPC Order-12 Rule-6 :Judgment on admissions:
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
৩০.
দেওয়ানি মোকদ্দমার শুনানির সময় বাদী অনুপস্থিত এবং বিবাদী উপস্থিত থাকলে, মোকদ্দমার ফলাফল কী হবে?
  1. মোকদ্দমা স্থগিত
  2. মোকদ্দমা খারিজ
  3. একতরফা ডিক্রি
  4. নতুন মোকদ্দমা দায়ের
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ৮: শুধু বিবাদি হাজির হয়ে থাকলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদী যদি বাদীর দাবী কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবী সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।

Order 9 Rule 8: Procedure where defendant only appears:
Where thedefendant appears and the plaintiff does not appear when the suit is called on for hearing, the Court shall make an order that the suit be dismissed, unless the defendant admits the claim, or part thereof, in which case the Court shall pass a decree against the defendant upon such admission, and, where part only of the claim has been admitted, shall dismiss the suit so far as it relates to the remainder.

• ৮ বিধির অধীন খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদীর প্রতিকার:
বাদী হাজির না হওয়ার কারণে ৮ বিধির অধীন আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিলে, উক্ত খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে বাদী নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নিতে পারে-
১. মোকদমা খারিজ আদেশ বাতিলের [For setting aside the order of dismissal] জন্য ৯ বিধির অধীন আবেদন করতে পারে;
২. খারিজ আদেশ সরাসরি বাতিলের [Directly Setting aside dismissal] জন্য ৯ক বিধির অধীন আবেদন করতে পারে।

⇒ ৮ বিধির অধীন মোকদ্দমা খারিজ হলে, বাদী উক্ত একই কারণে নতুন করে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে না।
৩১.
নিম্নের কোন আদেশটি আপিলযোগ্য?
  1. ২১ নং আদেশের ৬০ নং বিধি অনুসারে প্রদত্ত আদেশ
  2. ৮ নং আদেশের ১০ নং বিধি অনুসারে প্রদত্ত আদেশ
  3. ১০ নং আদেশের ৭ নং বিধি অনুসারে প্রদত্ত আদেশ
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
⇒ আপিলযোগ্য আদেশ:
সাধারণত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

উক্ত আপিলযোগ্য আদেশের তালিকায় আদেশ-৮ বিধি-১০, আদেশ-২১ বিধি-৬০ অনুসারে প্রদত্ত আদেশ আছে। কিন্তু আদেশ ১০ বিধি-৭ অনুসারে প্রদত্ত আদেশ তালিকায় নেই।

- এই ২৫ প্রকারের আদেশ ব্যতীত দেওয়ানী আদালতের অপরাপর আদেশ-এর বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ নেই, সেখানে রিভিশন করার বিধান আছে।
৩২.
ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. এটি নতুন অধিকার সৃষ্টি করে
  2. এটি ক্ষতিপূরণ প্রদান করে
  3. এটি শুধুমাত্র বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে
  4. এটি কোনো পক্ষকে বাধ্যতামূলক আদেশ প্রদান করে
ব্যাখ্যা
ঘোষণামূলক মামলা ও ডিক্রির সংজ্ঞা:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। আদালত ঘোষণামূলক মামলায় যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে "ঘোষণামূলক ডিক্রি" (Declaratory Decree) বলে। এই ডিক্রির মাধ্যমে বাদীর আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার ঘোষণা করা হয়।

ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:
i) নতুন অধিকার সৃষ্টি হয় না:
- কেবল বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করা হয়।
- মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে।

ii) কোন আদেশ দেওয়া হয় না:
- বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করা হয়।
- কোনো পক্ষকে কিছু করতে বা না করতে আদেশ দেয়া হয় না।

iii) আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা:
- ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের উপর নির্ভরশীল।

ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি:
i) বাদীকে আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হতে হবে।
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে- চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট পরিচয় এখানে প্রযোজ্য নয়।
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হতে হবে বা অস্বীকারের উদ্যোগ নিতে হবে।

মোকদ্দমা দায়েরের যোগ্যতা:
১. যিনি আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. যিনি সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী, কিন্তু তার অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে।
৩. যাঁর পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৩৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩ অনুসারে কোনটি সঠিক?
  1. স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না
  2. স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
  3. স্মল কজ আদালত অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
Order-38 Rule-13: Small Cause Court not to attach immovable property.
Nothing in this Order shall be deemed to empower any Court of Small Causes to make an order for the attachment of immovable property.

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৮ বিধি-১৩: স্মল কজ আদালত স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে না:
এই আদেশের কোন বিধানই স্মল কজ আদালতকে স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের জন্য আদেশ প্রদানের কোন ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।
৩৪.
Which of the followings is not a 'Decree'?
  1. Rejection of a plaint
  2. Dismissal for default
  3. Determination of any question within section 144
  4. Both 'B' & 'C'
ব্যাখ্যা
• Section 2(2)-
"decree" means the formal expression of an adjudication which, so far as regards the Court expressing it, conclusively determines the rights of the parties with regard to all or any of the matters in controversy in the suit and may be either preliminary or final. It shall be deemed to include the rejection of a plaint and the determination of any question within section 144,
but shall not include- 
(a) any adjudication from which an appeal lies as an appeal from an order, or 
(b) any order of dismissal for default.

 দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
⇒ আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
⇒ ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
⇒ যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
⇒ কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।
৩৫.
লিখিত জবাব দাখিলের কতদিনের মধ্যে বিচার্য বিষয় গঠন করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১৪ বিধি ১ (বিচার্য বিষয় প্রণয়ন)-
১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা(যদি কোন) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত বর্ণনা দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।
৩৬.
In legal terms, a perpetual injunction implies:
  1. A judicial process
  2. Preventive in nature
  3. Thing prevented is a wrongful act
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
Perpetual injunction হল একটি স্থায়ী আদেশ, যা আদালত থেকে একটি নির্দেশনা যা একজন ব্যক্তি বা পক্ষকে একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে বা না করতে বাধ্য করে। এটি মূলত একটি প্রতিরোধমূলক (preventive) ব্যবস্থা যা কোনো অপরাধমূলক কাজ বা অনুপযুক্ত কর্মকাণ্ড (wrongful act) বন্ধ করতে নেয়া হয়। এটি আদালতের একটি বিচারিক প্রক্রিয়ার (judicial process) অন্তর্ভুক্ত।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

Section 53- Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
৩৭.
The Code of Civil Procedure, 1908 এ কোন ধরনের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আছে?
  1. Mediation and Compromise
  2. Mediation and Arbitration
  3. Mediation and Reconciliation
  4. Arbitration and Reconciliation
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে
১- মধ্যস্থতা (Mediation);
২- সালিশী (Arbitration).

• দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে। এর সাধারন নিয়মসমূহ হল-

⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯খ ধারায় সালিশ বা Arbitration এর বিধান রয়েছে। ৮৯খ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত কোন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য বিরোধীয় বিষয়টি সালিশের নিকট পাঠাতে পারেন এবং এই জন্য মোকদ্দমার পক্ষগণ মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে তা তুলে নেওয়ার জন্য আদালতের নিকট আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করবেন এবং মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিবেন। তারপর সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী বিরোধটি নিষ্পত্তি করতে হবে অর্থাৎ কোন বিরোধ সালিশে (Arbitration) পাঠানো হলে তা সালিশ আইন, ২০০১ অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে এই ক্ষেত্রে কোন কারণে সালিশ অনুষ্ঠিত না হলে বা সালিশের রোয়েদাদ প্রদত্ত না হলে উক্ত মোকদ্দমাটি পক্ষগণ পুনঃ দাখিল করতে পারবেন।
৩৮.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় 'Rule against perpetuity' এর বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ১২
  2. ১৩
  3. ১৪
  4. ১৫
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪: চিরন্তন হস্তান্তর বিরোধী নিয়ম-
কোন সম্পত্তি এরূপ ভাবে হস্তান্তর করা যাবে না, যা হস্তান্তরের তারিখে জীবিত এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল এবং এরূপ জীবন কালের অব্যবহিত পর হতে অপর কোন ব্যক্তির নাবালক কাল অতিবাহিত হওয়ার পরে কার্যকর হবে। জীবিত ব্যাক্তির বা ব্যক্তিগণের জীবনকাল সমাপ্ত হওয়ার সময় ঐ নাবালকের অস্তিত্ব থাকতে হবে এবং নাবালক সাবালক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সৃষ্ট স্বার্থ তার উপর বর্তাবে।

Section 14: Rule against perpetuity-
No transfer of property can operate to create an interest which is to take effect after the life-time of one or more persons living at the date of such transfer, and the minority of some person who shall be in existence at the expiration of that period, and to whom, if he attains full age, the interest created is to belong.
৩৯.
'Right to Redemption' কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. বন্ধকগ্রহীতা সম্পত্তি বিক্রি করতে পারেন
  2. বন্ধকগ্রহীতা সম্পত্তির দখল নিতে পারে
  3. বন্ধকদাতা সম্পত্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধক রাখতে পারেন
  4. বন্ধকদাতা বকেয়া অর্থ পরিশোধ করে সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• বন্ধকদাতার একটি অধিকার হলো বন্ধক উদ্ধারের অধিকার (Right to Redemption)। যখন বন্ধকী অর্থ বকেয়া হয়ে যায়, তখন বন্ধকদাতার অধিকার আছে বকেয়া বন্ধকী-অর্থ পরিশোধ করার এবং বন্ধকগ্রহীতার নিকট হতে ভূমির দখল ও সংশ্লিষ্ট দলিল পাওয়ার। বন্ধকদাতার এই অধিকার রেহেন বা বন্ধক উদ্ধারের অধিকার [Right to Redemption] বলা হয় এবং এই সংক্রান্ত মোকদ্দমা রেহেন উদ্ধারের মোকদ্দমা [Suit for redemption] নামে পরিচিত।

Right to Redemption এর মধ্যে রেহেন সম্পত্তি সম্পর্কিত রেহেনের দলিল এবং স্বত্ত্ব সম্পর্কিত কাগজপত্র হস্তান্তরের, রেহেন সম্পত্তির দখল ফেরত পাওয়ার ইত্যাদি অধিকার রয়েছে। সম্পত্তি হন্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ৬০ ধারায় বন্ধকদাতার রেহেন উদ্ধারের অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
 
Section 60: Right of mortgagor to redeem.
At any time after the principal money has become due, the mortgagor has a right, on payment or tender, at a proper time and place, or the mortgage-money, to require the mortgagee (a) to deliver to the mortgagor the mortgage-deed and all documents relating to the mortgaged property which are in the possession or power of the mortgagee, (b) where the mortgagee is in possession of the mortgaged property, to deliver possession thereof to the mortgagor, and (c) at the cost of the mortgagor either to re-transfer the mortgaged property to him or to such third person as he may direct, or to execute and (where the mortgage has been effected by a registered instrument) to have registered an acknowledgement in writing that any right in derogation of his interest transferred to the mortgagee has been extinguished: 
 
Provided that the right conferred by this section has not been extinguished by the act of the parties or by decree of a Court. 
 
The right conferred by this section is called a right to redeem and a suit to enforce it is called a suit for redemption. 
Nothing in this section shall be deemed to render invalid any provision to the effect that, if the time fixed for payment of the principal money has been allowed to pass or no such time has been fixed, the mortgagee shall be entitled to reasonable notice before payment or tender of such money.
৪০.
What is an agreement called when it is not supported by 'consideration'?
  1. Nudum Pactum
  2. Quid Pro Quo
  3. Noscitur A Sociis
  4. Consensus Ad Idem
ব্যাখ্যা
• 'Nudum Pactum' হলো সেই চুক্তি, যা কোনো consideration (বিবেচ্য বা বিনিময়) ছাড়া করা হয়। এজন্য এটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়। 

আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো:
"No consideration, no contract" – কোনো চুক্তি বৈধ হতে হলে উভয় পক্ষের মধ্যে কিছু মূল্য বা বিনিময় থাকা আবশ্যক। চুক্তি আইনের ২৫ ধারা অনুসারে, প্রতিদান ব্যতীত সম্মতি বাতিল।

অন্যান্য বিকল্পগুলোর সংক্ষেপ ব্যাখ্যা:
Quid Pro Quo: এর অর্থ "একটির বিনিময়ে অন্যটি"। এটি বিনিময় বা পারস্পরিক সুবিধার নীতি নির্দেশ করে।
Noscitur A Sociis: এর অর্থ "শব্দের অর্থ তার আশেপাশের শব্দ থেকে বোঝা যায়"। এটি একটি ব্যাখ্যামূলক নিয়ম।
Consensus Ad Idem : এর অর্থ "মনের মিল"। এটি বোঝায় যে চুক্তির দুই পক্ষ একটি বিষয় নিয়ে একমত এবং একই অর্থে তা বুঝেছে।
৪১.
রেজিস্ট্রার কোনো দলিল নিবন্ধন করতে অস্বীকৃতি জানালে, এর প্রতিকার কী?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের
  2. দেওয়ানি আদালতে মোকদ্দমা দায়ের
  3. হাইকোর্ট বিভাগে পিটিশন দায়ের
  4. কোনো প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা
• The Registration Act, 1908 এর ৭৭ ধারা: রেজিস্ট্রার কর্তৃক অগ্রাহ্যের আদেশের ক্ষেত্রে মামলা:
(১) যেক্ষেত্রে রেজিস্ট্রার ধারা ৭২ বা ধারা ৭৬ এর অধীন দলিল নিবন্ধনের জন্য আদেশ প্রদানে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন, সেইক্ষেত্রে উক্ত দলিলের কোন গ্রহীতা, তাহার প্রতিনিধি, মনোনীত ব্যক্তি বা এজেন্ট উক্ত অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদানের পর ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে যে দেওয়ানি আদালতের আদি এখতিয়ারের স্থানীয় সীমানার মধ্যে অবস্থিত কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছিল, সেই কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধিত হওয়ার নির্দেশ-সংবলিত ডিক্রি লাভের উদ্দেশ্যে উক্ত আদালতে মামলা দায়ের করিতে পারিবেন, যদি এইরূপ ডিক্রি প্রদানের পর ত্রিশ দিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দলিলটি যথাযথরূপে দাখিল করা হয়।

তবে শর্ত থাকে যে, মামলা দায়ের করিতে ব্যর্থতা বা এই ধারার অধীন দায়েরকৃত মামলার খারিজ হইয়া যাওয়া, পক্ষকে অন্য কোন প্রতিকার পাওয়ার অধিকার হইতে বঞ্চিত করিবে না, যাহা তিনি অনিবন্ধিত দলিলের ভিত্তিতে পাইতে পারিতেন।

(২) প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ ধারা ৭৫ এর উপ-ধারা (২) ও (৩) এ বর্ণিত বিধানাবলি এইরূপ কোন ডিক্রি অনুসারে নিবন্ধনের জন্য দাখিলকৃত সকল দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে, এবং, এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, দলিলটি উক্তরূপ মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে।

Section 77- Suit in case of order of refusal by Registrar: 
(1) Where the Registrar refuses to order the document to be registered, under section 72 or section 76, any person claiming under such document, or his representative, assign or agent, may, within thirty days after the making of the order of refusal, institute in the Civil Court, within the local limits of whose original jurisdiction is situate the office in which the document is sought to be registered, a suit far a decree directing the document to be registered in such office if it be duly presented for registration within thirty days after the passing of such decree: 
Provided that failure to file a suit or the dismissal of a suit filed under this section shall not disentitle a party to any other remedy to which he may be entitled, on the basis of the unregistered document. 
 
(2) The provisions contained in sub-sections (2) and (3) of section 75 shall, mutatis mutandis, apply to all documents presented for registration in accordance with any such decree, and, notwithstanding anything contained in this Act, the document shall be receivable in evidence in such suit.
৪২.
কোনটি নির্ধারণের জন্য চুক্তিনামার পক্ষদের 'পারস্পরিক সম্পর্ক' বিবেচনা করতে হয়?
  1. Fraud
  2. Mistake
  3. Coercion
  4. Undue Influence
ব্যাখ্যা
• চুক্তিনামার পক্ষদের 'পারস্পরিক সম্পর্ক' বিবেচনা করতে হয় Undue Influence (অযৌক্তিক প্রভাব) নির্ধারণের জন্য। Undue Influence তখন ঘটে, যখন চুক্তির এক পক্ষ অন্য পক্ষের উপর তার প্রভাব খাটিয়ে চুক্তি করতে বাধ্য করে। আদালত এই সম্পর্কের ভিত্তিতে বিচার করে যে চুক্তিটি অযৌক্তিক প্রভাব দ্বারা হয়েছে কিনা।

• চুক্তি আইনের ১৬ ধারায় অনুচিত প্রভাব-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ১৬ ধারায় বলা হয়েছে-
 যখন চুক্তির পক্ষবৃন্দের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কে এ রকম হয় যে, এক পক্ষ অপর পক্ষের ইচ্ছার ওপর কর্তৃত্ব বা অমন চুক্তি করতে সক্ষম থাকে এবং অপর পক্ষের বিরুদ্ধে অন্যায় সুযোগ গ্রহণ করতে সে উক্ত কর্তৃত্বময় অবস্থা ব্যবহার করে, তখন এমন চুক্তি "অসঙ্গত প্রভাব' দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে বলে গণ্য হবে।
 
শুধুমাত্র কর্তৃত্বময় অবস্থান থাকলেই হবে না বরং এটাও প্রমাণ করতে হবে যে, অন্যায্য সুবিধা আদায় করার জন্য এমন কর্তৃত্বময় অবস্থান ব্যবহার করা হয়েছে।
৪৩.
A contracts to pay B tk.10,000/-, if B’s house is burnt. This is-
  1. Voidable Contract
  2. Void contract
  3. Contingent contract
  4. None of the Above
ব্যাখ্যা
• Section 31 of The Contract Act, 1872: Contingent Contact-
A "contingent contract" is a contract to do or not to do something, if some event, collateral to such contract, does or does not happen. 

Illustration: 
A contracts to pay B Taka 10,000 if B's house is burnt. This is a contingent contract.

ধারা ৩১- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি:

কোনো চুক্তির আনুষঙ্গিক [Collateral] কোনো ঘটনা সংঘটিত হলে বা না হলে, কোনো কিছু করা বা বিরত থাকার চুক্তিই হচ্ছে:- ঘটনা-নির্ভর চুক্তি। অর্থাৎ, ভবিষ্যতে কোনো কিছু ঘটা বা না ঘটার উপরে চুক্তি নির্ভর করলে তাকেই Contingent Contract বলে।

উদাহরণ: ক-এর বাড়ি পুড়ে গেলে খ, ক-কে ১০,০০০ টাকা দিবে। এটি ঘটনা-নির্ভর চুক্তি।
৪৪.
Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারা অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন-
  1. পাশ্ববর্তী ভূমির মালিক
  2. উত্তরাধিকারসূত্রে সহ-শরীক
  3. যেকোনো ধরনের সহ-শরিক
  4. উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারা- সহ-শরীকের ক্রয় করার ক্ষমতা:
(১) আদালতে আবেদন দাখিল: অকৃষি প্রজার দখলে থাকা অকৃষি জমির কোন অংশ বা শেয়ার যদি হস্তান্তর করা হয় সেক্ষেত্রে ঐ জমির এক বা একাধিক সহ-অংশীদার ঐ জমির অংশ বা শেয়ার তাদের নিকট হস্তান্তর করার জন্য আদালতে আবেদন দায়ের করতে পারে- ২৩ ধারার অধীনে নোটিশ জারি করার ৪ মাসের মধ্যে বা নোটিশ জারি না হলে হস্তান্তর সম্পর্কে অবগত হওয়ার তারিখ থেকে ৪ মাসের মধ্যে।
----------
Section 24- Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:
(1) If a portion or share of the non-agricultural land held by a non-agricultural tenant is transferred, one or more co-sharer tenants of such land may, within four months of the service of notice issued under section 23 and, in case no notice had been issued or served, then within four months from the date of knowledge of such transfer, apply to the court for such portion or share to be transferred to himself or to themselves, as the case may be. 
 
(2) The application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant at the time of making it deposits in Court the amount of the consideration money or the value of the portion or share of the property transferred as stated in the notice served on the applicant under section 23 together with compensation at the rate of five per centum of such amount.
৪৫.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর বিধান অনুযায়ী একই গ্রামে এক প্রজার মালিকানাধীন পৃথক ভূখণ্ড সংযুক্ত করার উদ্দেশ্যে আদেশ প্রদান করেন:
  1. আদালত
  2. রাজস্ব কর্মকর্তা
  3. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
  4. স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারা- একই গ্রামে প্রজার জোতের সংযুক্তকরণ:
একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার যদি পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকে, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি কিংবা উহার কতিপয় যদি পৃথক প্রজাস্বত্বের অধীন হয়, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশক্রমে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করা যাইবে।

Section 116- Amalgamation of holdings of a tenant in the same village:
Where various parcels of land are held by one tenant within one village, and such parcels of land or some of them are the subject of separate tenancies, such parcels of land shall, under the orders of the Revenue-officer, be amalgamated into one tenancy.
৪৬.
আইনগত দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ছাড়া উচ্ছেদ করা হলে, উচ্ছেদকারী ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর অধীনে সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩- ধারা ৭: অবৈধ দখল প্রতিরোধ ও দণ্ড:
(১) State Acquisition and Tenancy Act, 1950 (Act No. XXVIII of 1951) এর section 143 বা 144 এর অধীন প্রণীত হালনাগাদকৃত বলবৎ সর্বশেষ খতিয়ান মালিক অথবা তাহার নিকট হইতে উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তর বা দখলের উদ্দেশ্যে আইনানুগভাবে সম্পাদিত দলিল বা আদালতের আদেশের মাধ্যমে মালিকানা বা দখলের অধিকার প্রাপ্ত না হইলে, কোনো ব্যক্তি উক্ত ভূমি স্বীয় দখলে রাখিতে পারিবেন না।

(২) আইনানুগভাবে দখলের অধিকারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তিকে উপযুক্ত আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ব্যতীত তাহার দখলীয় ভূমি হইতে উচ্ছেদ বা দখলচ্যুত করা যাইবে না এবং তাহাকে উক্ত ভূমির দখল বা উহাতে প্রবেশে বাধা প্রদান করা যাইবে না।
 
(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) বা (২) এর বিধান লংঘন করেন, তাহা হইলে তাহার অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ, এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উত্তরাধিকারসূত্রে বা হস্তান্তরের মাধ্যমে মালিকানাপ্রাপ্ত ভূমির দখলদার ব্যক্তি রেকর্ড সংশোধন বা স্বীয় স্বত্ব ঘোষণার দাবিতে মামলা বা অন্য কোনো কার্যধারা দায়ের করিয়া থাকিলে তাহার উক্ত কার্য এই ধারার অধীন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে না।
৪৭.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কত ধারা অনুযায়ী পারিবারিক আদালত অন্তর্বতীকালীন আদেশ দিতে পারে?
  1. ১৬ ধারা
  2. ১৮ ধারা
  3. ২০ ধারা
  4. ২১ ধারা
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩: ধারা ২১- পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান:
যদি মোকদ্দমা বা আপিলের যেকোনো পর্যায়ে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত হলফনামা বা অন্য কিছু দ্বারা এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, মোকদ্দমা বা আপিলের উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করা হইতে কোনো পক্ষকে বিরত রাখিবার জন্য তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি, সেইক্ষেত্রে আদালত উহার নিকট যেরূপ উপযুক্ত প্রতীয়মান হইবে সেইরূপ অন্তর্বর্তী আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

প্রতিকার: এই ধারার অধীন অন্তর্বর্তী আদেশ এর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।
৪৮.
কোন মুসলিম পুরুষ যদি খ্রিস্টান নারীকে বিয়ে করেন, তবে উক্ত বিবাহের আইনগত অবস্থান এবং বিবাহজাত সন্তানটির বৈধতা সম্পর্কে নিম্নের কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. বিবাহ এবং সন্তান উভয় বৈধ
  2. বিবাহ অবৈধ কিন্তু সন্তান বৈধ
  3. বিবাহ বৈধ কিন্তু সন্তান অবৈধ
  4. বিবাহ অনিয়মিত কিন্তু সন্তান বৈধ
ব্যাখ্যা
ইসলামী শরিয়া অনুযায়ী,
মুসলিম পুরুষ খ্রিস্টান বা ইহুদি নারীর সাথে বিয়ে করতে পারেন এবং এটি বৈধ বিবাহ বলে গণ্য হয়, কারণ ইসলামে "আহলে কিতাব" (খ্রিস্টান এবং ইহুদি) নারীদের সাথে বিয়ে করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো মুসলিম পুরুষ খ্রিস্টান বা ইহুদি নারীকে বিয়ে করেন এবং তাদের মধ্যে কোনো সন্তান জন্ম নেন, তাহলে সেই সন্তান বৈধ হবে। কারণ, ইসলামে বৈধ বিয়ের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া সন্তান স্বীকৃত, এবং এর বৈধতা কোনোভাবেই ক্ষুণ্ন হয় না, যতটুকু না সে সন্তান কোনো অন্যায় বা অবৈধ উপায়ে জন্মেছে।

সুতরাং, মুসলিম পুরুষ এবং খ্রিস্টান বা ইহুদি নারীর মধ্যে বিয়ে বৈধ এবং সেই বিবাহ থেকে জন্ম নেওয়া সন্তানও বৈধ হবে।
৪৯.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ- ১৯৬১ এর কোন ধারা অনুসারে ভরণপোষণের সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়?
  1. ৬ ধারা
  2. ৮ ধারা
  3. ৯ ধারা
  4. ১০ ধারা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯- ভরণপোষণ:
১) যেক্ষেত্রে কোন স্বামী তাহার স্ত্রীকে পর্যাপ্তভাবে ভরণপোষণ দিতে অসমর্থ হয় অথবা একাধিক স্ত্রী থাকিলে  তাহাদিগকে সমভাবে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সকলে অথবা স্ত্রীগণের যে কোন জন অপর কোন আইনসঙ্গত প্রতিকার প্রার্থনা ব্যতীতও চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করিতে পারে। চেয়ারম্যান একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করিবেন ও উক্ত কাউন্সিল স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ভরণপোষণ বাবদ প্রদানের নিমিত্ত টাকার অংক নির্দিষ্ট করিয়া সার্টিফিকেট ইস্যু করিতে পারিবেন।

২) একজন স্বামী অথবা স্ত্রী নির্ধারিত পন্থায় নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে নির্ধারিত ফিস প্রদানপূর্বক উক্ত সার্টিফিকেট পুর্নবিবেচনার নিমিত্ত সহকারী জজের নিকট আবেদন পেশ করিতে পারেন। তাঁহার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে এবং কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যাইবে না।

৩) ১নং অথবা ২নং উপধারা অনুযায়ী দেয় কোন টাকা যথাসময়ে পরিশোধ না করিলে বকেয়া ভূমিরাজস্বরুপ আদায়যোগ্য হইবে।

Section 9- Maintenance:
(1) If any husband fails to maintain his wife adequately, or where there are more wives than one, fails to maintain them equitably, the wife, or all or any of the wives, may in addition to seeking, any other legal remedy available apply to the Chairman who shall constitute an Arbitration Council to determine the matter, and the Arbitration Council may issue a certificate specifying the amount which shall be paid as maintenance by the husband. 
 
(2) A husband or wife may, in the prescribed manner, within the prescribed period, and on payment of the prescribed fee, prefer an application for revision of the certificate to the Assistant Judge concerned and his decision shall be final and shall not be called in question in any Court. 
 
(3) Any amount payable under sub-section (1) or (2), if not paid in due time, shall be recoverable as arrears of land revenue.
৫০.
পারিবারিক আদালতে মোকদ্দমা চলাকালীন কখন আরজি সংশোধন করা যায়?
  1. লিখিত জবাব দাখিলের আগে
  2. আরজি দাখিলের ৭ দিনের মধ্যে
  3. মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
  4. আরজি সংশোধন করার বিধান নেই
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩: ধারা ৯- আরজি ও লিখিত জবাব সংশোধন:
এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত, কোনো পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, করণিক ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে অথবা অন্য কোনো কারণে পক্ষগণের মধ্যে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করিবার জন্য আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের আদেশ দিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে,
যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয়, এইরূপ সংশোধনের আবেদন মোকদ্দমার বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করিবার উদ্দেশ্যে আনয়ন করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে আদালত উক্তরূপ সংশোধনীর আদেশ প্রদান করিবে না।
৫১.
একজন হানাফি মুসলিম নারী তার স্বামী, দুই কন্যা, পিতা এবং মাতাকে রেখে মারা গেল। পিতার অংশ কত হবে?
  1. ১/৬ অংশ
  2. ১/৪ + অবশিষ্টাংশ
  3. ২/৩ + অবশিষ্টাংশ
  4. ১/৬ + অবশিষ্টাংশ
ব্যাখ্যা
এখানে একজন হানাফি মুসলিম নারী মারা গেছেন এবং তার জীবিত উত্তরাধিকারী হলেন: স্বামী, দুই কন্যা, পিতা এবং মা।

শরিয়ার নিয়ম অনুযায়ী:

১. স্বামী:
হানাফি আইন অনুযায়ী, স্ত্রী মারা গেলে সন্তান থাকলে স্বামী ১/৪ ভাগ পাবেন।

২. কন্যারা:
দুটি কন্যা থাকলে তারা মিলিয়ে ২/৩ ভাগ পাবে।

৩. মা:
মায়ের অংশ ১/৬ ভাগ।

৪. পিতা:
শরিয়ার নিয়ম অনুযায়ী, পিতা জীবিত থাকলে তার অংশ নির্ধারণের জন্য অনেক বিষয় থাকতে পারে, তবে সাধারণভাবে, দুটি কন্যা এবং স্বামী থাকলে পিতা ১/৬ অংশ পাবে এবং আসাবা হিসেবে অবশিষ্টাংশও পাবেন।

সুতরাং, পিতা পাবে ১/৬ + অবশিষ্টাংশ।
৫২.
কাদের জন্য 'হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২' প্রযোজ্য?
  1. বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য
  2. বাংলাদেশের সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বী নাগরিকের জন্য
  3. বাংলাদেশের বাইরে অবস্থানকারী সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বী বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ১ এ দেয়া আছে-
(১) এই আইন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে। 
(২) ইহা নাগরিকত্ব নির্বিশেষে বাংলাদেশে বসবাসরত সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বীর জন্য প্রযোজ্য হইবে। 
(৩) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে ইহা কার্যকর হইবে।
৫৩.
Under Muslim law, what is the status of a gift made to an unborn person?
  1. Valid
  2. Void
  3. Voidable
  4. None of these
ব্যাখ্যা
• দান হলো এমন একটি চুক্তি যার মাধ্যমে এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তিকে কোনো প্রকার মূল্য বা প্রতিদান ছাড়া সম্পত্তির তাৎক্ষণিক হস্তান্তর করা হয় যা অপর ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেউ গ্রহণ। করে। দান আরবি ভাষায় 'হেবা' নামে পরিচিত। প্রত্যেক সুস্থ সাবালক মুসলিম দান করতে পারে।

একটি দানের আবশ্যিক উপাদানগুলো হলো-
ক. Offer (প্রস্তাব);
খ. Acceptance (গ্রহণ);
গ. Delivery of possession (সম্পত্তির দখল অর্পণ)।

দান বৈধ হওয়ার শর্তাবলি:
- দাতাকে সম্পূর্ণ অধিকার ও সক্ষমতার মালিক হতে হবে।
- গ্রহীতাকে অবশ্যই তখন জীবিত এবং বিদ্যমান (in existence) হতে হবে।
- সম্পত্তি অবশ্যই বিদ্যমান, চিহ্নিত এবং হস্তান্তরযোগ্য হতে হবে।
- দাতা থেকে গ্রহীতার কাছে একটি স্পষ্ট প্রস্তাব দিতে হবে এবং গ্রহীতা তা গ্রহণ করতে হবে।
- সম্পত্তির দখল প্রকৃতভাবে গ্রহীতার কাছে স্থানান্তর করতে হবে।

ইসলামী আইনের শর্ত অনুযায়ী,
গ্রহীতাকে অবশ্যই তখন জীবিত থাকতে হবে। অনাগত ব্যক্তি এখনও অস্তিত্ব লাভ করেনি, তাই তাকে কিছু প্রদান করা সম্ভব নয়। যেহেতু অনাগত ব্যক্তি এখনও অস্তিত্ব লাভ করেনি, তাই তার পক্ষে দখল গ্রহণ বা তা ব্যবহার করা সম্ভব নয়। অনাগত ব্যক্তিকে আইনগতভাবে কোনো অধিকার দেওয়া সম্ভব নয়। একারণে ইসলামী আইনে অনাগত ব্যক্তিকে দেওয়া উপহার বাতিল (void) হিসেবে গণ্য হয়। এটি সম্পূর্ণ অকার্যকর এবং এর কোনো আইনি বৈধতা নেই।
৫৪.
বিলম্বিত দেনমোহর প্রদানের প্রশ্ন কখন আসে?
  1. স্ত্রী যখন দাবী করে
  2. স্বামীর মৃত্যুর পর
  3. বিবাহ বিচ্ছেদের পর
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দেনমোহর [Dower]-
বিবাহ বন্ধনের বিনিময়ে স্ত্রী স্বামীর নিকট শরিয়ত সম্মতভাবে যে অর্থ-সম্পদ লাভের অধিকারী হয় সে অর্থ সম্পদকে দেনমোহর বলে। দেনমোহরের পরিমাণ বিবাহের পূর্বে বা বিবাহের সময় কিংবা বিবাহের পর নির্দিষ্ট করা যায়। বিবাহের পর দেনমোহরের পরিমাণ বৃদ্ধি করা যায়। পরিশোধের সময়ের উপর ভিত্তি করে Fixed dower বা নির্ধারিত দেনমোহরকে আবার দুভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

ক. তাৎক্ষণিক দেনমোহর (Prompt dower):
যে দেনমোহর স্ত্রী কর্তৃক দাবি করা মাত্রই স্বামী তা দিতে বাধ্য থাকে তা Prompt dower বা তাৎক্ষণিক দেনমোহর বলে। তাৎক্ষণিক দেনমোহরের ক্ষেত্রে স্ত্রী যেকোনো সময় দেনমোহর দাবি করতে পারে, সেক্ষেত্রে স্ত্রীর দাবি অনুসারে স্বামী দেনমোহর পরিশোধ করতে বাধ্য।

খ. বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred dower):
যে দেনমোহর বিবাহবিচ্ছেদের সময় বা কোনো নির্দিষ্ট তারিখে বা ঘটনা সাপেক্ষে পরিশোযোগ্য তাকে বিলম্বিত দেনমোহর বা Deferred dower বলে। যেমন- যদি স্বামী মারা যান বা বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে, তখন স্ত্রী বিলম্বিত মোহর দাবি করতে পারেন।
৫৫.
হিন্দু আইনের উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে দায়ভাগ মতবাদ নিম্নোক্ত কোন নীতিকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ইস্টোপেল নীতি
  2. প্রতিনিধিত্ব নীতি
  3. উভয়
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দায়ভাগ মতবাদ নিম্নোক্ত নীতিগুলিকে স্বীকৃতি দেয়-

(ক) প্রতিনিধিত্ব মতবাদ (Doctrine of representation):
প্রতিনিধিত্ব মতবাদ অনুসারে পুত্র, পৌত্র যার পিতা মারা গিয়েছে, তারা সকলেই পিতৃপক্ষীয় সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারীত্ব লাভ করে, কারণ পৌত্র তার পিতার এবং প্রপৌত্র তার পিতা ও পিতামহ উভয়েরই প্রতিনিধিত্ব করে।

(খ) অংশপিছু উত্তরাধিকার (Succssession per stripes):
যেখানে প্রতিনিধিত্ব মতবাদ প্রয়োগ করা হয় এবং উত্তরাধিকারীগণ মৃত ব্যক্তির স্থলবর্তীরুপে অংশ প্রাপ্ত হন সেখানে এরুপে স্থলবর্তীরুপে অংশ পাওয়াকে অংশপিছু উত্তরাধিকার বলে।

(গ) মাথাপিছু উত্তরাধিকার (Succession per capita):
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারগণের সমান অংশ সম্পত্তি প্রাপ্ত হওয়াকে মাথাপিছু উত্তরাধিকার বলে।
৫৬.
হিন্দু আইন অনুযায়ী, কোন ধরনের বিবাহে বর কন্যার পিতাকে স্বেচ্ছায় উপঢৌকন প্রদান করে?
  1. ব্রাহ্ম বিবাহ
  2. দৈব বিবাহ
  3. আর্য বিবাহ
  4. প্রজাপত্য বিবাহ
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত। আট প্রকার বিবাহ হলো:

অনুমোদিত ৪ প্রকার:
ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
 
অননুমোদিত ৪ প্রকার:
অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।
৫৭.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী, সরকার কত দিনের মধ্যে আটক আদেশের তারিখ হতে আটকের কারণ উপদেষ্টা বোর্ডের নিকট পেশ করবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৯ ধারায় সরকার উপদেষ্টা বোর্ড গঠন করতে পারে। উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য সংখ্যা হবে ৩ জন। ২ জন এমন ব্যক্তি হবে যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিল বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এবং অপর ব্যক্তি হবে বাংলাদেশ সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা। যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এমন ব্যক্তিকে সরকার উক্ত বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করবেন।

ধারা ১০ অনুযায়ী,
আটকের তারিখ হতে ১২০ দিনের মধ্যে সরকার আটকের কারণ উপদেষ্টা বোর্ডের নিকট পেশ করবে। ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখতে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন সরকার কোন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১২০ দিন আটক রাখতে পারে। ১২০ দিনের অতিরিক্ত আটক রাখতে হলে উপদেষ্টা বোর্ডের মতামত অনুযায়ী রাখতে হবে। আটকের তারিখ হতে ১৭০ দিনের মধ্যে উপদেষ্টা বোর্ড ইহার রিপোর্ট সরকারের নিকট দাখিল করবে।

Section 10: Reference to Advisory Board-
In every case where a detention order has been made under this Act, the Government shall, within one hundred and twenty days from the date of detention under the order, place before the Advisory Board constituted under section 9 the grounds on which the order has been made and the representation, if any, made by the person affected by the order.
৫৮.
শিশু আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে কোন আদালতে আপিল করতে হবে?
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. আপিল বিভাগে
  4. কোনো আপিল চলবে না
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪১ ধারার বিধান- আপিল ও পুনর্বিবেচনা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 

(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
৫৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী, দলবদ্ধভাবে নারী বা শিশু ধর্ষণের ফলে যদি মৃত্যু ঘটে, তবে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তির কী শাস্তি হতে পারে?
  1. শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ড
  2. শুধুমাত্র যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৯- ধর্ষণ, ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু, ইত্যাদির শাস্তি:

(১) যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
ব্যাখ্যা৷- যদি কোন পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারীকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

(২) যদি কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণ বা উক্ত ধর্ষণ পরবর্তী তাহার অন্যবিধ কার্যকলাপের ফলে ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৩) যদি একাধিক ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ফলে উক্ত নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে বা তিনি আহত হন, তাহা হইলে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
 
(৪) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-
(ক) ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৫) যদি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে কোন নারী ধর্ষণের শিকার] হন, তাহা হইলে যাহাদের হেফাজতে থাকাকালীন উক্তরূপ ধর্ষণ সংঘটিত হইয়াছে, সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ ধর্ষণের শিকার নারীর হেফাজতের জন্য সরাসরিভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন, তিনি বা তাহারা প্রত্যেকে, ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হইলে, হেফাজতের ব্যর্থতার জন্য, অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৬০.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর অধীনে অপরাধসমূহের আমলযোগ্যতা এবং জামিনযোগ্যতার ক্ষেত্রে কোন আইন প্রযোজ্য হবে?
  1. Penal Code, 1860
  2. Bangladesh Constitution
  3. Code of Criminal Procedure, 1898
  4. Code of Civil Procedure, 1908
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮ক- অপরাধের আমলযোগ্যতা ও জামিন অযোগ্যতা:
এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের আমলযোগ্যতা (cognizable) ও জামিনযোগ্যতার (whether bailable or not) ক্ষেত্রে Code of Criminal Procedure, 1898 (Act No. V of 1898) এর Schedule II এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
৬১.
সুপ্রিম কোর্ট লিগাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান কে হবেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি
  3. আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি
  4. বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০- ধারা  ৮ক- সুপ্রীম কোর্ট কমিটি:

(১) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে সুপ্রীম কোর্ট কমিটি নামে একটি কমিটি থাকিবে এবং উহা নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হইবে, যথা: — 
 
(ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি, যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন; 
(খ) সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক এবং উক্ত সমিতি কর্তৃক মনোনীত সমিতির অন্য একজন সদস্য; 
(গ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত মানবাধিকার ও সমাজকল্যাণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী দুইজন আইনজীবী, যাহাদের মধ্যে একজন মহিলা থাকিবেন; 
(ঘ) বোর্ড কর্তৃক মনোনীত জাতীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত আইন ও মানবাধিকার ইস্যুতে কার্যক্রম পরিচালনাকারী বেসরকারি সংস্থার দুইজন প্রতিনিধি; 
(ঙ) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল কর্তৃক মনোনীত একজন অন্যূন ডেপুটি অ্যাটর্নি-জেনারেল; 
(চ) বোর্ডের চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত সংস্থার অন্যূন উপ-পরিচালক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা;
(ছ) অ্যাটর্নি-জেনারেল এর সহিত পরামর্শক্রমে কমিটির চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত একজন সহকারী অ্যাটর্নি-জেনারেল, যিনি ইহার সাচিবিক দায়িত্বও পালন করবেন। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) এবং (ঘ) এর অধীন মনোনীত সদস্যগণ তাহাদের মনোনয়নের তারিখ হইতে দুই বৎসর মেয়াদে স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
৬২.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫খ(২) ধারায় বর্ণিত অপরাধের সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ১ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৫খ (২): চোরাচালানের শাস্তি:
যে কেউ এমন কোনো পণ্য বিক্রয় করে, বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করে, প্রদর্শন করে বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজের অধিকারভুক্ত বা নিয়ন্ত্রণে রাখে, যা বাংলাদেশে আনা কোনো বিদ্যমান আইনের অধীনে নিষিদ্ধ, সেই ব্যক্তি ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১ বৎসরের নিচে নয় এমন দণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
 
Section 25B(2)- Penalty for smuggling:
Whoever sells, or offers or displays for sale, or keeps in his possession or under his control for the purpose of sale, any goods the bringing of which into Bangladesh is prohibited by or under any law for the time being in force shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to seven years and shall not be less than one year, and shall also be liable to fine.
৬৩.
দ্রুত বিচার আইনে আদালত অভিযোগপত্র প্রাপ্তির কত কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করবেন?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২

ধারা ১০- বিচার পদ্ধতি:

(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে।
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে।
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে।
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
৬৪.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনার দণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ২৮ ধারায়
  2. ৩০ ধারায়
  3. ৩৭ ধারায়
  4. ৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১- মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ইত্যাদির দণ্ড:
কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে কাহাকেও প্ররোচিত করিলে অথবা সাহায্য করিলে অথবা কাহারও সহিত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হইলে অথবা এতদুদ্দেশ্যে কোনো উদ্যোগ অথবা প্রচেষ্টা গ্রহণ করিলে, মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটিত হউক অথবা না হউক, তিনি সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের অনুরূপ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

Section 41: Punishment for instigation, assistance, or conspiracy to commit narcotics-related offenses:
If any person instigates, assists, conspires with anyone to commit a narcotics-related offense, or undertakes or attempts to undertake any initiative or effort for this purpose, whether or not the narcotics-related offense is ultimately committed, the person shall be punished with the penalty provided for the related offense.
৬৫.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকগন 'বাংলাদেশি' হিসেবে পরিচিত হবেন?
  1. অনুচ্ছেদ ৬(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৬(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৭(১)
  4. অনুচ্ছেদ ৭(২)
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- 'বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশি বলে পরিচিত হবেন।'

অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব-
(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে। 
(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশি বলিয়া পরিচিত হইবেন।

Article 6: Citizenship-
(1) The citizenship of Bangladesh shall be determined and regulated by law. 
(2) The people of Bangladesh shall be known as Bangalees as a nation and the citizens of Bangladesh shall be known as Bangladeshies.
৬৬.
"Constitution is the way of life the state has chosen for itself." উক্তিটি কার?
  1. Plato
  2. Aristotle
  3. S.E. Finer
  4. Rousseau
ব্যাখ্যা
"The Constitution is defined as 'the way of life the State has chosen for itself'" - Aristotle (384–322 BC).

অ্যারিস্টটল (Aristotle, ৩৮৪–৩২২ খ্রিস্টপূর্ব) সংবিধানকে "রাষ্ট্র যেভাবে তার নিজের জন্য জীবনযাপনের ধরণ নির্ধারণ করে" হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, সংবিধান হলো একটি রাষ্ট্রের মূল কাঠামো এবং এটি রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক নিয়ম-কানুন ও নীতিমালা নির্ধারণ করে। এই সংজ্ঞার পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা রয়েছে, যা বিশ্লেষণ করা যায়:

- সংবিধান শুধু আইনের সংকলন নয়; এটি একটি রাষ্ট্রের আদর্শ, মূল্যবোধ এবং লক্ষ্য প্রতিফলিত করে। এটি বলে দেয় যে, একটি রাষ্ট্র কীভাবে তার জনগণ, শাসক এবং আইন পরিচালিত করবে।

- অ্যারিস্টটলের মতে, সংবিধান হলো এমন একটি পদ্ধতি, যা রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কীভাবে কাজ করবে তা নির্ধারণ করে। উদাহরণস্বরূপ, গণতান্ত্রিক, একনায়কতান্ত্রিক বা রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শাসনব্যবস্থা সংবিধানের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে।

- সংবিধান রাষ্ট্রের নাগরিকদের মধ্যে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং নৈতিকতার চর্চা নিশ্চিত করার একটি মাধ্যম। এটি রাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য অধিকার ও কর্তব্য নির্ধারণ করে।

- অ্যারিস্টটল সংবিধানকে স্থিতিশীল কিন্তু পরিবর্তনযোগ্য হিসেবে দেখেছেন। একটি রাষ্ট্র যখন তার লক্ষ্য বা চাহিদার পরিবর্তন করে, তখন সংবিধানের সংশোধনের প্রয়োজন হয়। তবে সংবিধান যেন রাষ্ট্রের মৌলিক লক্ষ্য অক্ষুণ্ণ রাখে, সেদিকে নজর রাখা উচিত।
৬৭.
'অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার' সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে দেয়া হয়েছে?
  1. ১৪ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৫ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৬ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৭- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা:
রাষ্ট্র,
ক) একই পদ্ধতির প্রণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
খ) সমাজের প্রয়োজনের সাথে শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করার জন্য; ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Article 17: Free and compulsory education-
The State shall adopt effective measures for the purpose of –
(a) establishing a uniform, mass oriented and universal system of education and extending free and compulsory education to all children to such stage as may be determined by law;
(b) relating education to the needs of society and producing properly trained and motivated citizens to serve those needs; 
(c) removing illiteracy within such time as may be determined by law.
৬৮.
মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কারণে সংসদ ভেঙ্গে গেলে, পরবর্তী কত দিনের মধ্যে বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান সংবিধানে উল্লেখ আছে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১৮০ দিন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১২৩ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময় -
(১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হয়েছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

(২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার পর নব্বই দিনের মধ্যে তা পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

(৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে-
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভেঙে যাবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পূর্ববর্তী নব্বই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাবার ক্ষেত্রে ভেঙে যাবার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে।
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করবে না।

(৪) সংসদ ভেঙে যাওয়া ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সংসদের কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে পদটি শূন্য হবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোনো দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তা হলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
৬৯.
Who determines the number of Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers?
  1. The President
  2. The Prime Minister
  3. The Constitution
  4. The Speaker of Parliament
ব্যাখ্যা
Article 56: Ministers-
(1) There shall be a Prime Minister, and such other Ministers, Ministers of State and Deputy Ministers as may be determined by the Prime Minister. 

(2) The appointments of the Prime Minister and other Ministers and of the Ministers of State and Deputy Ministers, shall be made by the President: 
Provided that not less than nine-tenths of their number shall be appointed from among members of Parliament and not more than one tenth of their number may be chosen from among persons qualified for election as members of Parliament. 
 
(3) The President shall appoint as Prime Minister the member of Parliament who appears to him to command the support of the majority of the members of Parliament. 
 
(4) If occasion arises for making any appointment under clause (2) or clause (3) between a dissolution of Parliament and the next following general election of members of Parliament, the persons who were such members immediately before the dissolution shall be regarded for the purpose of this clause as continuing to be such members.

অনুচ্ছেদ ৫৬: মন্ত্রিগণ-
(১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন।

(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।

(৩) যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।

(৪) সংসদ ভাংগিয়া যাওয়া এবং সংসদ-সদস্যদের অব্যবহিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যবর্তীকালে এই অনুচ্ছেদের (২) বা (৩) দফার অধীন নিয়োগ দানের প্রয়োজন দেখা দিলে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার অব্যবহিত পূর্বে যাঁহারা সংসদ-সদস্য ছিলেন, এই দফার উদ্দেশ্যসাধনকল্পে তাঁহারা সদস্যরূপে বহাল রহিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
৭০.
সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ কত বছরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন?
  1. ৫ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৬৭ বছর বয়সকাল পর্যন্ত
  4. ৬৫ বছর বয়সকাল পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৮- সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ:
সংবিধানের ৯৪ অনুচ্ছেদের বিধানাবলী সত্ত্বেও রাষ্ট্রপতির নিকট সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগের বিচারক-সংখ্যা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি করা উচিত বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি যথাযথ যোগ্যতাসম্পন্ন এক বা একাধিক ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসরের জন্য অতিরিক্ত বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবেন, কিংবা তিনি উপযুক্ত বিবেচনা করিলে হাইকোর্ট বিভাগের কোন বিচারককে যে কোন অস্থায়ী মেয়াদের জন্য আপীল বিভাগের আসন গ্রহণের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত বিচারকরূপে নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের অধীন বিচারকরূপে নিযুক্ত হইতে কিংবা বর্তমান অনুচ্ছেদের অধীন আরও এক মেয়াদের জন্য অতিরিক্ত বিচারকরূপে নিযুক্ত হইতে বর্তমান অনুচ্ছেদের কোন কিছুই নিবৃত্ত করিবে না।
৭১.
মাসদার হোসেন মামলার Author Judge কে ছিলেন?
  1. Mustafa Kamal J
  2. Latifur Rahman J
  3. Mahmudul Amin Choudhury J
  4. Bimalendu Bikash Roy Choudhury J
ব্যাখ্যা
• বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা:
সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত 'নির্বাহী বিভাগ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ' সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতিটি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশনা দিয়েছে Secretary, Ministry of Finance vs Md Masdar Hossain and others মামলায় যা বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ মামলা বা মাসদার হোসেন মামলা নামে পরিচিত। এই রিট দায়ের করে ২২৩ জন যারা ছিল জেলা জজ, অতিরিক্ত জেলা জজ বা অধস্তন বিচারক বা নিম্ন আদালতের অন্যান্য বিচারক। ১৯৯৫ সালে হাইকোর্টে রীটটি দায়ের করা হয় এবং ১৯৯৭ সালের ৭ মে হাইকোর্ট বিভাগ বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা করে। সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করলে, আপীল বিভাগ ১৯৯৯ সালের ২রা ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করে।

এই রায়ের প্রধান অংশ তৎকালীন প্রধান বিচারপতি মোস্তফা কামাল/ কর্তৃক লিখিত এবং পঠিত হয়েছিল। এবং এই কারণে তাকে এই মামলার Author Judge বলা হয়। ২০০৭ সালের ১লা নভেম্বর ফৌজদারী কার্যবিধি সংশোধন করে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পদ সৃষ্টি করে এবং এর মাধ্যমে অধস্তন বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ হতে পৃথক হয়।
৭২.
The maxim 'res ipsa loquitur' is related to-
  1. Rule of law
  2. Rule of evidence
  3. Rule of innocence
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
• Res ipsa loquitur:
- এর অর্থ হলো স্বব্যক্ত ঘটনা,- The thing speaks for itself.
- এটি আইনের একটি ধারণা, যা সাধারণত "Rule of evidence" বা প্রমাণের নিয়ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

Res Ipsa Loquitur একটি পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়, যেখানে ঘটনার প্রকৃতি নিজেই বলে দেয় যে কোন অবহেলা (negligence) হয়েছে। এখানে সরাসরি প্রমাণের প্রয়োজন হয় না, কারণ ঘটনা বা দুর্ঘটনার অবস্থা এমন হয় যে এটি বিবেচনা করা হয় "এই ধরণের ঘটনা স্বাভাবিকভাবে কারো অবহেলা ছাড়া ঘটে না।"

উদাহরণ:
ধরা যাক, একজন রোগীর পেটে অপারেশনের পর ডাক্তার একটি অস্ত্রোপচারের যন্ত্র রেখে দিয়েছেন। এমন ঘটনা কখনোই চিকিৎসকের অবহেলা ছাড়া ঘটতে পারে না। সুতরাং Res Ipsa Loquitur এখানে প্রযোজ্য হবে।
৭৩.
'Rule of Harmonious Construction' এর উদ্দেশ্য কী?
  1. পরস্পর বিরোধী বিধান বাতিল করা
  2. বিরোধী বিধানগুলো উপেক্ষা করা
  3. একটিকে বাতিল করা এবং অন্যটিকে কার্যকর করা
  4. পরস্পর বিরোধী বিধানগুলোকে একসাথে কার্যকর করা
ব্যাখ্যা
Rule of Harmonious Construction:
- একই আইনের মধ্যে পরস্পর অসংগতিপূর্ণ বা সাংঘর্ষিক বিধান বিদ্যমান থাকলে তাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ঐ আইনের সবগুলো বিধানকে একই সাথে কার্যকর করা যায়

- আইন ব্যাখ্যার এই নীতিই 'Rule of Harmonious Construction' (আইন ব্যাখ্যার বৈরিতামুক্ত নীতি/সামঞ্জস্যমূলক নীতি) নামে পরিচিত।
- যখন দুটি বা ততোধিক বিধান একে অপরের সাথে বিরোধপূর্ণ মনে হয়, তখন এই নিয়ম অনুসরণ করা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইনগুলো একে অপরের পরিপূরক হয়ে কাজ করুক, এবং কোনো বিধান অপরটির বিরুদ্ধে না গিয়ে একত্রে কার্যকর থাকুক।

ভারতীয় সুপ্রীমকোর্ট 'Rule of Harmonious Construction' নীতির নিম্নরূপ ব্যাখ্যা দিয়েছেন:
(১) কোনো আইনে দুটি ধারার প্রয়োগে যদি দেখা যায়, ধারা দু'টি একে অন্যের সাথে বিরোধপূর্ণ; তাহলে ধারা দু'টি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ধারা দুটিকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যায়। অর্থাৎ, এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়।

(২) একটি ধারার বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না, যাতে অন্য কোনো ধারার বিধান অকার্যকর বা সাংঘর্ষিক হয়।