পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৪১
সিলেবাস
Exam - 7 The Code of Criminal Procedure,1898 topic: Section 1 - 265L
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪১ প্রশ্ন

.
বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি অব্যাহতি [Discharge] পেতে পারেন ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী?
  1. ১৬৭ ধারা
  2. ৬২ ধারা
  3. ৬৩ ধারা
  4. ১৬১ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৩ ধারা অনুযায়ী বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি অব্যাহতি [Discharge] পেতে পারেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪-৬৭ তে বিনা পরোয়ানা গ্রেফতার (Arrest Without warrent) সংক্রান্ত বিধি-বিধান আছে।
ধারা ৬২ অনুযায়ী, পুলিশ গ্রেফতার সম্পর্কে অর্থাৎ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে জামিন দেওয়া হয়েছে কিনা অথবা অন্য কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিপোর্ট দিবেন এবং মহানগর এলাকায় হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে, অন্যান্য এলাকায় হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে খবর দিবেন।

ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।

Section 63: Discharge of person apprehended
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.
.
দায়রা আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে-
  1. যখন অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে
  2. যখন অভিযুক্ত বিচার প্রার্থনা করে
  3. অভিযুক্ত কর্তৃক দোষ স্বীকারের পর
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
দায়রা আদালতে বিচার চলাকালীন যখন অভিযুক্ত অপরাধ অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে, তখন আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে।

• ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
> ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং
> দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে,দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে, যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা। যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত করতে পারেন। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা। 

• ফৌজদারি কার্যবিধি ২৬৫চ ধারা-
যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত হয় না তাহলে আদালত চার্জ গঠন করে,সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু(সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারে।

Section 265F: Date for prosecution evidence
If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.
.
Without any qualifying word, a Magistrate shall be construed as a reference to a __________under Code of Criminal Procedure,1898.
  1. Executive Magistrate
  2. Judicial Magistrate
  3. Special Magistrate
  4. Specially empowered Magistrate
ব্যাখ্যা
• Code of Criminal Procedure,1898-এ কোথাও শুধু 'Magistrate' শব্দ থাকলে তা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Judicial Magistrate) নির্দেশ করবে।

• ৪ক ধারায় বলা আছে যে-

Without any qualifying word, a Magistrate shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.
অর্থাৎ কোন ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ করবে এবং সহকারী দায়রা জজ বলতে যুগ্ম দায়রা জজকে নির্দেশ করবে।
.
চুরির অপরাধের বিচার চলাকালে 'ক' ৮ মাস জেল হাজতে থাকে। বিচারের পর 'ক' এর ৪ মাসের কারাদণ্ড এবং ২০০০ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়। এক্ষেত্রে 'ক' কত দিন সাজা ভোগ করবে?
  1. ৪ মাস ভোগ করতে হবে
  2. কোনো সাজা ভোগ করবে না
  3. অর্থদণ্ড মওকুফ হবে
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দন্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:

• ধারা-৩৫ক
(১) ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদেণ্ডর  মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদণ্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

(২) যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদেণ্ডর মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।

Section 35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody-
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য কে আবেদন করতে পারে?
  1. যার আবেদনের ভিত্তিতে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছে সেই ব্যক্তি
  2. উক্ত সম্পত্তিতে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি
  3. যার সম্পত্তি ক্রোক হয়েছে সেই ব্যক্তি
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারামতে-
যার সম্পত্তি ক্রোক হয়েছে সেই ব্যক্তি ক্রোকের তারিখ থেকে ২ বৎসরের মধ্যে অথবা উক্ত ব্যক্তি ব্যতীত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কোন ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন করতে পারে।

পলাতক ব্যক্তি হুলিয়ায় বর্ণিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে ক্রোককৃত সম্পত্তি সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে এবং আদালত উপযুক্ত মনে করলে, যে কোন সময় ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ প্রদান করতে পারে। তবে হুলিয়া জারির ৬ মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত এবং কোন আপত্তি থাকলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দেয়া হয় না। কিন্তু ক্রোকের সম্পত্তি প্রাণী সম্পদ অথবা পচনশীল দ্রব্য হলে আদালত তা অবিলম্বে বিক্রির আদেশ দিবেন।

পলাতক ব্যক্তি হুলিয়াতে নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির হলে অথবা সম্পত্তি ক্রোকের দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে হাজির হয়ে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে,
ⅰ) পলাতক ব্যক্তি হুলিয়া বিষয়ে অবগত ছিল না অথবা
ii) সে হুলিয়া এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে বা পলাতক ছিল না,
তাহলে আদালত ক্রোককৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে ক্রোক ব্যয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিককে প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।

Section 89: Restoration of attached property-
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant, and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the nett proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the nett proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying thereout all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারেন?
  1. ধারা ২০৩
  2. ধারা ২০৫
  3. ধারা ২০০
  4. ধারা ২০৪
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে-

(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।
(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।

Section 205: Magistrate may dispense with personal attendance of accused
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 
(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.
.
আটককৃত ব্যক্তির হাজিরার ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধানটি সঠিক নয়?
  1. বিনা গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে
  2. গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে
  3. গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে
  4. সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারায় বিনা গ্রেফতারী পরোয়ানায় আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং ৮১ ধারায় গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে।

ধারা ৬১-
কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়া ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।

Section 61: Person arrested not to be detained more than twenty-four hours-
No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.

ধারা ৮১-
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব আদালতে উপস্থিত করতে হবেঃ গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনতঃ বাধ্য।

Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
.
In view of Section 164 of the Code of Criminal Procedure,1898, which is the correct statement?
  1. Any Metropolitan or Judicial Magistrate may, whether jurisdiction has or not in the case, can record confession or statement made in the course of an investigation
  2. Confession can also be recorded by a Police Officer on whom any power of a Magistrate has been conferred
  3. The recording of statement can only be done by the Magistrate who has the jurisdiction
  4. None of above
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচার করার এখতিয়ার থাকুক বা না থাকুক, যেকোনো বিবৃতি (Statement) বা দোষ স্বীকারোক্তি (Confession) লিপিবদ্ধ করতে পারেন।

Section 164: Power to record statements and confessions-

(1) Any Metropolitan Magistrate, any Magistrate of the first class and any Magistrate of the second class specially empowered in this behalf by the Government may, if he is not a police-officer record any statement or confession made to him in the course of an investigation under this Chapter or at any time afterwards before the commencement of the inquiry or trial. 
 
(2) Such statements shall be recorded in such of the manners hereinafter prescribed for recording evidence as is, in his opinion best fitted for the circumstances of the case. Such confessions shall be recorded and signed in the manner provided in section 364, and such statements or confessions shall then be forwarded to the Magistrate by whom the case is to be inquired into or tried. 
 
(3) A Magistrate shall, before recording any such confession, explain to the person making it that he is not bound to make a confession and that if he does so it may be used as evidence against him and no Magistrate shall record any such confession unless, upon questioning the person making it, he has reason to believe that it was made voluntarily; and, when he records any confession, he shall make a memorandum at the foot of such record to the effect.

Explanation- It is not necessary that the Magistrate receiving and recording a confession or statement should be a Magistrate having jurisdiction in the case.
.
একটি খুনের মামলায় 'ক' অভিযুক্ত। উক্ত অপরাধের চার্জ গঠনের শুনানীর দিন তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে সুরতহাল রিপোর্ট দাখিল করে এবং অভিযুক্ত 'ক' অব্যাহতির আবেদন করে। এক্ষেত্রে আদালত অভিযুক্তের আবেদন সাপেক্ষে কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. প্রদত্ত সুরতহাল রিপোর্ট অগ্রহণযোগ্য
  2. প্রদত্ত সুরতহাল রিপোর্ট বিবেচনা করে 'ক' কে দণ্ড দিবে
  3. প্রদত্ত সুরতহাল রিপোর্ট বিবেচনা করে 'ক' কে অব্যাহতি দিতে পারে
  4. প্রদত্ত সুরতহাল রিপোর্ট বিবেচনা করে 'ক' কে খালাস দিবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। ২৪১ক ধারায় ও ২৬৫গ ধারায় চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে। চার্জ শুনানী শেষে যদি আদালত মনে করে যে অভিযোগ ভিত্তিহীন,তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

• অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-
⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে;
⇒ প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং প্রসিকিউশন,অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে।

• মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ:
মামলার রেকর্ড অর্থ ব্যক্তির হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা ইত্যাদি।
১০.
ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ কোন আইন অনুসারে ব্যাখা করা হবে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে
  2. দণ্ডবিধি অনুসারে
  3. জেনারেল ক্লজেস এক্ট অনুসারে
  4. যে আইনের অধীনে অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইন অনুসারে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনের অধীনে অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইন অনুসারে অনুসারে ব্যাখা করা হবে।
 
• চার্জ বা অভিযোগ (Charge) ফৌজদারি বিচার কার্যক্রমে একটি  গুরুত্বপূর্ণ স্তর।চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে ফৌজদারি মামলার বিচার শুরু হয়। ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।

সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২২৪ অনুসারে,
কোন অপরাধের বিবরণ দেওয়ার জন্য অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনে উক্ত অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনে শব্দগুলো যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেই একই অর্থেই তা অভিযোগে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

Section 224: Words in charge taken in sense of law under which offence is punishable-
In every charge words used in describing an offence shall be deemed to have been used in the sense attached to them respectively by the law under which such offence is punishable.
১১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি কে করতে পারে?
  1. উক্ত স্ত্রীলোকের পরিবারের যেকোন সদস্য
  2. শালীনতা বজায় রেখে নারী পুলিশ
  3. শালীনতা বজায় রেখে যেকোন স্ত্রীলোক
  4. শালীনতা বজায় রেখে নারী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারা মতে গ্রেফতারকারী অফিসার অথবা কোন বেসরকারি লোক গ্রেফতার করলে তিনি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যার নিকট অর্পণ করেন সেই পুলিশ অফিসার গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশী করতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পরিধেয় বস্ত্র ব্যতীত তার নিকট যা পাওয়া যাবে, তা নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

অর্থাৎ শালীনতা বজায় রেখে যেকোন মহিলা স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশি করতে পারে। 

Section 52: Mode of searching women-
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
১২.
'ক' ব্যক্তির বিরুদ্ধে চুরি, চোরাইমাল গ্রহন, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ সহ একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয়। বিচার শেষে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং অবশিষ্ট অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করা হয়। তাহলে 'ক' উক্ত অভিযোগসমূহ থেকে-
  1. অব্যাহতি পাবে
  2. খালাস পাবে
  3. মুক্তি পাবে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
যখন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং কোনো এক অপরাধে দণ্ড দেয়া হয়, তখন অবশিষ্ট অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করা হলে অভিযুক্ত উক্ত অভিযোগসমূহ থেকে খালাস বলে গণ্য হবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪০ অনুযায়ী-

যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং এক বা একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেয়া হয়, তখন ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন অথবা আদালত নিজ উদ্দেগ্যে এরূপ অভিযোগ বা অভিযোগসমূহের অনুসন্ধান বা বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
এরূপ প্রত্যাহার করা হলে উক্ত অভিযোগে বা অভিযোগসমূহ হতে খালাস দেয়া হলো বলে পরিগণিত হবে; যদি না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত দণ্ডাদেশ রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে প্রত্যাহৃত অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ সম্পর্কে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারবেন।

Section 240: Withdrawal of remaining charges on conviction on one of several charges-
When a charge containing more heads than one is framed against the same person, and when a conviction has been had on one or more of them, the complainant, or the officer conducting the prosecution, may, with the consent of the Court, withdraw the remaining charge or charges, or the Court of its own accord may stay the inquiry into, or trial of, such charge or charges. Such withdrawal shall have the effect of an acquittal on such charge or charges, unless the conviction be set aside, in which case the said Court (subject to the order of the Court setting aside the conviction) may proceed with the inquiry into or trial of the charge or charges so withdrawn.
১৩.
According to The Code of Criminal Procedure,1898; "Complaint" means-
  1. allegation made orally to a Police officer
  2. allegation made in writing to a Executive Magistrate
  3. allegation made orally or in writing to a Judicial Magistrate
  4. all of above
ব্যাখ্যা
নালিশ (Complaint) হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য মৌখিক বা লিখিত আকারে দায়েরকৃত অভিযোগ।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১) (জ) ধারায় নালিশ [Complaint] -কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪(১) (জ) ধারায় বলা হয়েছে,

“ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ এই মর্মে দায়ের করা যে, জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত হবে না।”

"Complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:

• উপাদান:
- অভিযোগটি [Allegation] অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে;
- জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেছে অভিযোগটি সেই সম্পর্কিত হতে হবে;
- অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে।

• নালিশটি অবশ্যই জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা হয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ বলে ধরতে হবে। সুতরাং নালিশ (Complaint) হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য মৌখিক বা লিখিত আকারে দায়েরকৃত অভিযোগ।

• নালিশ (Complaint) বলতে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে না।
১৪.
আদালত দণ্ড প্রদানের সময় দণ্ডিত ব্যক্তিকে কত সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. অনধিক ৬ মাস
  2. অনধিক ১ বছর
  3. অনধিক ২ বছর
  4. অনধিক ৩ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৬ ধারামতে দণ্ড প্রদানকারী আদালত অর্থাৎ হাইকোর্ট, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ড প্রদানের সময় দণ্ডিত ব্যক্তিকে অনধিক ৩ বছর সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ প্রদান করতে পারে। তবে হাইকোর্ট বিভাগ সাধারন রিভিশন ক্ষমতাবলেও এই ধারামতে দণ্ডিত ব্যক্তিকে মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।

যে দন্ডের জন্য ১০৬ ধারামতে মুচলেকার আদেশ দেয়া হয় আপিল বা অন্য কোন উপায়ে যদি উক্ত দণ্ড বাতিল হয়ে যায় তাহলে উক্তরূপে সম্পাদিত মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে। আদালত যে কোন পরিমাণ অর্থের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে। মুচলেকার পরিমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্ধারন করতে হবে তবে কোন ভাবেই অত্যধিক হবে না।

Section 106: Security for keeping the peach on conviction-
(1) Whenever any person accused of any offence punishable under Chapter VIII of the Penal Code, other than an offence punishable under section 143, section 149, section 153A or section 154 thereof, or of assault or other offence involving a breach of the peace, or of abetting the same, or any person accused of committing criminal intimidation, is convicted of such offence before High Court Division, a Court of Session, or the Court of 130[a Metropolitan Magistrate, or a Magistrate of the first class, and such Court is of opinion that it is necessary to require such person to execute a bond for keeping the peace, such Court may, at the time of passing sentence on such person, order him to execute a bond for a sum proportionate to his means, with or `without sureties, for keeping the peace during such period, not exceeding three years, as it thinks fit to fix. 
 
(2) If the conviction is set aside on appeal or otherwise, the bond so executed shall become void. 
 
(3) An order under this section may also be made by an Appellate Court or by the High Court Division when exercising its powers of revision.
১৫.
অভিযােগকারী মিথ্যা অভিযােগ করলে এবং আদালত কর্তৃক ক্ষতিপূরণের আদেশ প্রাপ্ত হলে, উক্ত ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে-
  1. আদালতকে
  2. অভিযুক্তকে
  3. ক বা খ
  4. ক এবং খ উভয়কে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,

⇒ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে,কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে,ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবে। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারা অনুসারে, কোনো ২য় বা ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে মামলা আমলে নেবার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারে-
  1. দায়রা জজ
  2. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।কোন কোন ম্যাজিস্ট্রেট,কোন কোন ক্ষেত্রে অপরাধ আমলে নিতে পারে সেই সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• এই ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারে-

মহানগর এলাকায়-
১. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট

মহানগর এলাকার বাইরে-
১. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
২. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট

• ধারা ১৯০(২) অনুসারে-
সরকার এবং এই আদেশ হাইকোর্ট ডিভিশন কর্তৃক প্রদেয় কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশের প্রেক্ষিতে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেসব অপরাধ বিচার করতে বা বিচারার্থে পাঠাতে পারেন, সেসব অপরাধ যেকোন দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে বিচারার্থ গ্রহণ করতে ক্ষমতায়ন করতে পারেন।
[the Government may, and subject to any general or special order issued in this behalf by the High Court Division, the Chief Judicial Magistrate may empower any Magistrate of the second or third class to take cognizance under sub-section (1) clause (a) or clause (b) of offences which he may try or send for trial]
১৭.
Under the provision of Code of Criminal Procedure, the Court of a Magistrate of the first class may pass a sentence of imprisonment for a term not exceeding five years, or of fine not exceeding _________ tk or both.
  1. Five thousand
  2. Ten thousand
  3. Seven thousand
  4. Fifteen thousand
ব্যাখ্যা
• Under the section 32 of Code of Criminal Procedure,1898 the Court of a Magistrate of the first class may pass a sentence of imprisonment for a term not exceeding five years, or of fine not exceeding ten thousand tk or both.

Section 32: Sentences which Magistrates may pass- (1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 

(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class:
Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law;
Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping.

(b) Courts of Magistrates of the second class:
Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law;
Fine not exceeding five thousand taka.

 (c) Courts of Magistrates of the third class:
Imprisonment for a term not exceeding two year; 
Fine not exceeding two thousand taka.

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.


ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধানঃ (১) ম্যাজিষ্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ

ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
১৮.
পুলিশ ডায়েরী কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে?
  1. মামলায় সাক্ষ্য হিসেবে
  2. পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে
  3. অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি কর্তৃক আত্মপক্ষ সমর্থন করতে
  4. ক এবং খ
ব্যাখ্যা
• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে-
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরীতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবেন। কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন, কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।

পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার [ধারা ১৭২(২)]-
যে কোন ফৌজদারী আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশী ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে। পুলিশ ডায়েরী পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরী ব্যবহার করতে পারে।

• তবে অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।

Section 172: Diary of proceedings in investigation-
(1) Every police-officers making an investigation under this Chapter shall day by day enter his proceedings in the investigation in a diary setting forth the time at which the information reached him, the time at which he began and closed his investigation, the place or places visited by him, and a statement of the circumstances ascertained through his investigation. 
 
(2) Any Criminal Court may send for the police-diaries of a case under inquiry or trial in such Court and may use such diaries, not as evidence in the case, but to aid it in such inquiry or trial. Neither the accused nor his agents shall be entitled to call for such diaries, not shall he or they be entitled to see them merely because they are referred to by the Court; but, if they are used by the police-officer who made them, to refresh his memory or if the Court uses them for the purpose of contradicting such police-officer, the provisions of the Evidence Act, 1872, section 161 or section 145, as the case may be, shall apply.
১৯.
আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ পাওয়ার ভিত্তিতে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার-
  1. তা FIR হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করবে
  2. তা GD হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করবে
  3. সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় আমলযোগ্য অপরাধের (Cognizable offence) ক্ষেত্রে FIR করা হয়,অন্যদিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারায় আমলঅযোগ্য (Non-Cognizable) অপরাধের ক্ষেত্রে GD হিসেবে এন্ট্রি করা হয়। 

ধারা ১৫৫: আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ (Information in non-cognizable cases)-
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারামতে থানায় আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করলে,থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বিষয়টিকে থানায় রক্ষিত ফরম নং ৬৫-তে জি.ডি হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করে সংবাদদাতাকে বা অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবে।অর্থাৎ আমলঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার অপরাধের সংবাদটি জিডি এন্ট্রি বা সাধারন ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করে সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

Section 155: Information in non-cognizable cases-
(1) When information is given to an officer in charge of a police-station of the commission within the limits of such station of a non-cognizable offence, he shall enter in a book to be kept as aforesaid the substance of such information and refer the informant to the Magistrate.
Investigation into non-cognizable cases
(2) No police-officer shall investigate a non-cognizable case without the order of a Magistrate of the first or second class having power to try such case or send the same for trial. 
 
(3) Any police-officer receiving such order may exercise the same powers in respect of the investigation (except the power to arrest without warrant) as an officer in charge of a police-station may exercise in a cognizable case.
২০.
'গ' এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১২৪(ক) ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়। আদালত উক্ত মামলা-
  1. হাইকোর্ট বিভাগের অভিযোগে আমলে নিতে পারবে
  2. সরকারের অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে
  3. হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৫ থেকে ১৯৯ ধারায় অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম আলোচনা করা হয়েছে।

• ১৯৬ ধারা অনুযায়ী- রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধসমূহ যেমন রাষ্ট্রদ্রোহিতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, বা দণ্ডবিধির ১০৮ক, ১৫৩ক, ২৯৪ক, ২৯৫ক বা ৫০৫ ধারার অপরাধসমূহ বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তৈরীকৃত অভিযোগ অনুযায়ী আমলে নিতে পারে

• ১৯৭ ধারা অনুযায়ী- বিচারক এবং সরকারী কর্মকর্তার বিচার সরকারের অনুমতি ছাড়া অভিযোগ আমলে নেয়া যাবেনা।

• ১৯৮ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৩ থেকে ৪৯৬ পর্যন্ত বিবাহ সম্পর্কিত অপরাধ, যেমন মুসলিম নারী কর্তৃক বিবাহ বলবৎ থাকাবস্থায় পুনরায় বিবাহ করা বা দ্বিগামিতা [bigamy] শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নেয়া যাবে।

• ১৯৯ ধারা অনুযায়ী- দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারার অধীন ব্যভিচার [Adultery] বা ৪৯৮ ধারায় অপরাধজনক উদ্দেশ্যে বিবাহিত নারীকে প্ররোচিত করে নিয়ে যাওয়া অপরাধের ক্ষেত্রে বিবাহিত নারীর স্বামী কর্তৃক বা স্বামীর অনুপস্থিতিতে উক্ত অপরাধ সংঘটনের সময় যে সকল লোকজন উক্ত মহিলাকে দেখাশোনা করতো, তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমলে নেয়া যাবে।

Section 196: Prosecution for offences against the State-
No Court shall take cognizance of any offence punishable under Chapter VI or IXA of the Penal Code (except section 127), or punishable under section 108A, or section 153A, or section 294A, or section 295A or section 505 of the same Code, unless upon complaint made by order of, or under authority from, the Government, or some officer empowered in this behalf by the Government.
২১.
'Power to issue order absolute at once in urgent cases o nuisance or apprehended danger'-সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বিধান বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ১৩৩
  2. ধারা ১৪৫
  3. ধারা ১৪৪
  4. ধারা ১২৫
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ১১ এর শিরোনাম- "TEMPORARY ORDERS IN URGENT CASES OF NUISANCE OR APPREHENDED DANGER." উক্ত অধ্যায়ে ধারা ১৪৪ আছে।

• আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-

i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা,
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংকা;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা ;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা ; এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে 

• স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে। ১৪৪ ধারা জারির ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত সাধারণ নিয়মাবলী অনুসরণ করা হয় । যথা-

i) সাধারণত নোটিশ জারি করার পর ১৪৪ ধারা জারি করা হয় কিন্তু জরুরী পরিস্থিতিতে নোটিশ ব্যতীত একতরফাভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায়। এই আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশ হতে পারে।
(ii) ১৪৪ ধারার আদেশে কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখতে অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি ম্যাজিস্ট্রেটের দখলে বা ব্যবস্থাধীনে নেয়ার নির্দেশ থাকতে পারে।
iii) ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে ।

• ১৪৪(৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন। ১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
২২.
১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক একই বিচারে 'ক' চারটি অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়েছে এবং উক্ত আদালত আদেশ দিয়েছে- প্রদত্ত কারাদণ্ড একটির পর অপরটি চলবে। এক্ষেত্রে আদালত 'ক' কে সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ড দিতে পারে?
  1. ১৪ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ১০ বছর
  4. চারটি অপরাধের মোট শাস্তি যত বছর হয় ততো
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা (একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ)-

(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শাস্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।

(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দন্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এ রকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।

(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।

ধারা ৩২ অনুসারে, ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড দিতে পারে। উক্ত ক্ষেত্রে বিচারক ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট হওয়ায় আদালত উক্ত শাস্তির দ্বিগুণ অর্থাৎ ১০ বছরের বেশি দিতে পারবেন না।
২৩.
গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না, যদি না উক্ত ব্যক্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়
  3. আমলযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারায় গ্রেফতারের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ধারা অনুযায়ী সাধারনত কোন ব্যক্তির দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করে গ্রেফতার করা যায়।
গ্রেফতারে বাধা প্রদান করলে গ্রেফতারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা যে কোন ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে পারবে। তবে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত না হলে, গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।

Section 46: Arrest how made-
(1) In making an arrest the police-officer or other person making the same shall actually touch or confine the body of the person to be arrested, unless there be a submission to the custody by word or action.
(2) If such person forcibly resists the endeavor to arrest him, or attempts to evade the arrest, such police-officer or other person may use all means necessary to effect the arrest. 
(3) Nothing in this section gives a right to cause the death of a person who is not accused of an offence punishable with death or with transportation for life.
২৪.
'A' is charged with theft. It appears that he committed the offence of criminal breach of trust, or that of receiving stolen goods. He may be convicted of-
  1. Only theft
  2. receiving stolen goods
  3. criminal breach of trust
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারায় কোন ব্যক্তিকে এক অপরাধে চার্জ করে, অন্য অপরাধে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

ধারা ২৩৭ এ বলা আছে-
২৩৬ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে যে অপরাধের জন্য চার্জ করা হয়,সাক্ষ্য- প্রমাণে যদি দেখা যায় সে ভিন্ন অপরাধ করেছে এবং এই ভিন্ন অপরাধের জন্য তাহাকে উক্ত ধারা অনুসারে চার্জ করা যেতো,তা হলে যে অপরাধ সে করেছে বলে প্রমাণিত হয় তার জন্য চার্জ গঠন করা না হলেও দণ্ডিত করা যাবে।

উদহারণ- 'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা হল। কিন্তু দেখা গেল যে, সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বা চোরাইমাল গ্রহণ করেছে। উক্ত অপরাধে চার্জ গঠন করা না হলেও, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা চোরাইমাল গ্রহণের দায়ে তাকে দণ্ডিত করা যাবে।

Section 237: When a person is charged with one offence, he can be convicted of another-
If, in the case mentioned in section 236, the accused is charged with one offence, and it appears in evidence that he committed a different offence for which he might have been charged under the provisions of that section, he may be convicted of the offence which he is shown to have committed, although he was not charged with it.

Illustration-
A is charged with theft. It appears that he committed the offence of criminal breach of trust, or that of receiving stolen goods. He may be convicted of criminal breach of trust or of receiving stolen goods (as the case may be) though he was not charged with such offence.
২৫.
কোন ধারা অনুযায়ী অধিকতর তদন্ত (Further Investigation) করা হয়?
  1. ১৭২(২খ)
  2. ১৭৩(৩ক)
  3. ১৭২(৩ক)
  4. ১৭৩(৩খ)
ব্যাখ্যা
• অধিকতর তদন্ত [Further Investigation] এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।

• অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

• তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

• ১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সরকার কর্তৃক কোনো সংবাদপত্র বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য, কত দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে?
  1. ২ মাসের
  2. ১ মাসের
  3. ৬ মাসের
  4. ৩ মাসের
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য ২ মাসের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারা:
৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।

Section 99B: Application to High Court Division to set aside order of forfeiture-
Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain any such matter, word or visible representation, as is referred to in sub-section (1) of section 99A.
২৭.
'ক' একজন মুদি দোকানদার। তার দোকানের পাশেই 'খ' এর গুদামঘর আছে। উক্ত গুদামে 'খ' নিয়মিত চোরাইমালের ব্যবসা করে বলে 'ক' জানতে পারে। সে 'খ' কে আটক করে এবং পরবর্তীতে পুলিশে সোপর্দ করে। ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা 'ক' এর এই কাজকে সমর্থন করে?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৫৬
  3. ধারা ৫৯
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৯ অনুযায়ী-
যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

উল্লেখিত ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিল অনুযায়ী
'খ' জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত, যার দরুণ 'ক' ৫৯ ধারা অনুযায়ী 'খ' কে আটক করতে পারে।

• ধারা ৫৯ -

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
২৮.
দায়রা আদালতের প্রত্যেকটি বিচারে পাবলিক প্রসিকিউটর কার পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন?
  1. অভিযােগকারীর
  2. অভিযুক্তের
  3. যার পক্ষে প্রসিকিউটর মামলা পরিচালনা করতে ইচ্ছুক
  4. আদালত যার পক্ষে পরিচালনার আদেশ দেন
ব্যাখ্যা
• দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• কে মামলা পরিচালনা করবে-
ধারা ২৬৫ক অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

Who Conduct the Trial-
In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.
২৯.
Who are 'Justices of the Peace' within their respective jurisdictions?
  1. Sessions Judges
  2. Metropolitan Magistrates
  3. Both of them
  4. None of them
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ থেকে ২৫ ধারায় জাস্টিসেস অব দি পিসের বিধান রয়েছে।

• ধারা-২৫: পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস (Ex-officio Justices of the Peace)-
২৫ ধারার বিধান অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিসেস অব দি পিস বলে গণ্য হবেন এবং দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকার বলে নিজ নিজ এলাকার জন্য জাস্টিসেস অব দি পিস হবেন। 

Section 25: Ex-officio Justices of the Peace-
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.
৩০.
গণ উৎপাত সংক্রান্ত বিধান কোথায় প্রযোজ্য হয় না?
  1. বিভাগীয় এলাকায়
  2. জেলা এলাকায়
  3. মেট্রোপলিটন এলাকায়
  4. পার্বত্য চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধিতে গণ উৎপাত সংক্রান্ত যে বিধানসমূহ দেয়া হয়েছে, তা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় না।

• 
ফৌজদারি কার্যবিধির দশম অধ্যায়ে ধারা ১৩৩-১৪৩ পর্যন্ত গণ উৎপাত সংক্রান্ত বিধানসমূহ রয়েছে। উক্ত অধ্যায়ের ধারা ১৩২ক তে দেয়া আছে-

''এই অধ্যায়ের বিধানসমূহ মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।''

Section 132A: Application-
The provisions of this Chapter shall not apply to a Metropolitan Area.
 
৩১.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতার কথা উল্লেখ আছে?
  1. ২য় তফসিলে
  2. ৪র্থ তফসিলে
  3. ৩য় তফসিলে
  4. ৫ম তফসিলে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে। ফৌজদারী কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।

১ম তফসিল- বাতিল।
২য় তফসিল- পেনাল কোডের অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য, আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য অপরাধ ইত্যাদি।
৩য় তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা।
৪র্থ তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা।
৫ম তফসিল- ফরমসমূহ।
৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে অনধিক কত বছরের ব্যক্তিদের কিশোর ধরা হয়?
  1. অনধিক ১৮ বছরের
  2. অনধিক ১৬ বছরের
  3. অনধিক ১৫ বছরের
  4. অনধিক ২১ বছরের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ২৯খ ধারা-
কোন ব্যক্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন।

Section 29B: Jurisdiction in the case of juveniles-
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
৩৩.
Which of the following provision is not correct?
  1. Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced. 
  2. such alteration or addition shall be read and explained to the accused & complainant
  3. such alteration or addition shall be read and explained to the accused
  4. none of them
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে। ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ২২৭-
অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।

Section 227: Court may alter charge-
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced. 
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় অপরাধজনক অস্ত্র আটক করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩ ধারায় আটককারী অফিসারকে অপরাধজনক অস্ত্র আটক করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
 
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৩ ধারা: আপত্তিকর অস্ত্রশস্ত্র আটক করার ক্ষমতা-
এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে আটককারী অফিসার বা অপর কোন ব্যক্তি আটককৃত ব্যক্তির নিকট কোন আক্রমণাত্মক অস্ত্র থাকলে তা তার কাছ থেকে নিতে পারবেন এবং এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে যে আদালত বা অফিসার বরাবর তাকে ঐ আটকরকৃত ব্যক্তিকে উপস্থিত করতে হবে সেই আদালত বা অফিসার বরাবর তিনি উক্তরূপে গৃহীত সমস্ত অস্ত্র প্রত্যর্পণ করবেন।

Section 53: Power to seize offensive weapons-
The officer or other person making any arrest under this Code may take from the person arrested any offensive weapons which he has about his person, and shall deliver all weapons so taken to the Court or officer before which or whom the officer or person making the arrest is required by this Code to produce the person arrested.
৩৫.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী, তিনি 'খ'-এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখে 'খ' হাজির থাকলেও, 'ক' হাজির হন নি। উক্ত মামলার ফলাফল হতে পারে-
  1. 'খ' খালাস বা অব্যাহতি পাবে
  2. ম্যাজিস্ট্রেট 'ক' কে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ে,নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে(শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন; তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।

তবে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও
⇒ মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।

Section 247: Non-appearance of complainant-
If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 

Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.
৩৬.
যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে পারে-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেনঃ
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

Section 31: Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass-
(1) The High Court Division may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ক্ষেত্রে রিসিভার নিয়োগ করতে পারে?
  1. বিরোধীয় সম্পত্তি কারো দখলে না থাকলে
  2. বিরোধীয় সম্পত্তির প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হলে
  3. বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা না থাকলে
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন। অর্থাৎ কারো দখলে না থাকলে আদালত সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা:

(১) ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিল না, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।

Section 146: Power to attach subject of dispute-
(1) If the Magistrate decides that none of the parties was then in such possession, or is unable to satisfy himself as to which of them was then in such possession of the subject of dispute, he may attach it until a competent Court has determined the rights of the parties thereto, or the person entitled to possession thereof: 
Provided that such Magistrate may withdraw the attachment at any time if he is satisfied that there is no longer any likelihood of a breach of the peace in regard to the subject of dispute. 
 
(2) When the Magistrate attaches the subject of dispute, he may, if he thinks fit and if no receiver of the property, the subject of dispute, has been appointed by any Civil Court appoint a receiver thereof, who, subject to the control of the Magistrate, shall have all the powers of a receiver appointed under the Code of Civil Procedure, 1908: 
Provided that, in the event of a receiver of the property, the subject of dispute, being subsequently appointed by any Civil Court, possession shall be made over to him by the receiver appointed by the Magistrate, who shall thereupon be discharged.
৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. সরকার
  3. আপিল বিভাগ
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, সরকার ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে।

ধারা ৪১: ক্ষমতাদি প্রত্যাহরকরণ-
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।

Section 41: Withdrawal of powers-
(1) The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.

(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় নিজের কর্তৃত্ববলে সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ করতে কে হস্তক্ষেপ করতে পারে?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. যেকোন ব্যক্তি
  3. ক এবং খ
  4. কেউ নয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ

কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।

Section 152: Prevention of injury to public property
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.
৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯গ ধারায় বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাজা দিতে পারে অনধিক -
  1. ১০ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১৪ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাধারণ ক্ষমতাবলে সর্বোচ্চ ৫ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে। তবে ২৯গ  ধারায় বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ৩৩ক ধারা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বৎসরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

• ৩৩ক ধারা-
২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 33A: Higher powers of certain Magistrates
The Court of a Magistrate, specially empowered under section 29C, may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation or imprisonment for a term exceeding seven years.
৪১.
গ্রেফতার করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত _________ কে জনসাধারণ যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য করতে বাধ্য।
  1. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ অফিসার
  4. উল্লেখিত সকলকে
ব্যাখ্যা
• ধারাঃ ৪২- জনসাধারণ যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশকে সাহায্য করবেন (Public when to assist):

কোন ম্যাজিস্ট্রেট (জুডিসিয়াল বা নির্বাহী) অথবা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য চাইলে প্রত্যেকটি লোক তাকে সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।
ক. উক্ত জুডিসিয়াল বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যে লোককে গ্রেফতার করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়েছেন, সে লোককে গ্রেফতার করতে অথবা তার পলায়ন প্রতিরোধ করতে;
খ. শান্তিভঙ্গের আশংকা প্রতিরোধ অথবা শান্তিভঙ্গ দমন করতে অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ অথবা সম্পত্তির প্রতি ক্ষতির প্রচেষ্টা প্রতিরোধের ব্যাপারে সাহায্য করতে বাধ্য।

Section 42: Public when to assist
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.