পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
পরীক্ষা – ২২ সাধারণ বিজ্ঞান টপিক: বিজ্ঞানের শাখা-প্রশাখা (যেমন, মাইক্রোবায়োলজি, সেরিকালচার ইত্যাদি) ও বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র, মানবদেহ, রোগের কারণ ও ভ্যাক্সিন, উদ্ভিদ ও প্রাণীর পুষ্টি, পরাগায়ন, তেজস্ক্রিয়তা, X-Ray, MRI, CT Scan ইত্যাদি। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম]। [নম্বর কাভার - ৪]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
নিচের কোন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়?
  1. লিউকেমিয়া
  2. লিউকোসাইটোসিস
  3. থ্যালাসেমিয়া
  4. পারপুরা
সঠিক উত্তর:
থ্যালাসেমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থ্যালাসেমিয়া
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- রক্ত হচ্ছে প্রাণিদেহের এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। যেমন- 

(i) পলিসাইথিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়। 

(ii) অ্যানিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া। 

(iii) লিউকেমিয়া: 
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। 
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 

(iv)লিউকোসাইটোসিস: 
- শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০-৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। 
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়। 

(v) থ্রম্বোসাইটোসিস: 
- থ্রম্বোসাইটোসিস রোগে অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। 
- রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে। 
- হৃৎপিণ্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 

(vi) পারপুরা: 
- ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে। 
- পারপুরা অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়। 

(vii) থ্যালাসেমিয়া: 
- থ্যালাসেমিয়া একধরনের বংশগত রক্তের রোগ। 
- থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। 
- হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙ্গে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। 
- সাধারণত শিশু অবস্থায় এ থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়। 
- এ রোগের জন্য রোগিকে প্রতি ৩ মাস অন্তর রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। 
- তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে রক্তশূন্যতার হার কমে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোন অঙ্গানু থেকে ইনসুলিন নামক হরমোন নির্গত হয়?
  1. কিডনি
  2. হৃৎপিণ্ড
  3. লিভার
  4. প্যানক্রিয়াস
সঠিক উত্তর:
প্যানক্রিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যানক্রিয়াস
ব্যাখ্যা
ডায়াবেটিস: 
- ডায়বেটিসের কারণে রক্তে গ্লুকোজ বা শর্করার পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। 
- সাধারণত ডায়বেটিসের লক্ষণগুলোর মধ্যে অত্যধিক পিপাসা, ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া, ক্লান্তি, ক্ষত না শোঁকানো ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। 
- এর সঠিক চিকিৎসা না হলে পরবর্তী সময়ে হৃদরোগ, কিডনি রোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। 
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমায়। 
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়। 
- ইনসুলিনের অভাবেই ডায়বেটিস রোগ হয়। 
- কারো ডায়বেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না, যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
‘অণুজীব বিষয়ক বিদ্যা’- কে কী বলা হয়?
  1. Evolution
  2. Embryology
  3. Microbiology
  4. Mycology
সঠিক উত্তর:
Microbiology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microbiology
ব্যাখ্যা
Microbiology - অণুজীব বিষয়ক বিদ্যা।

অন্যদিকে,
Embryology - ভ্রণ সম্পর্কিত বিদ্যা।
Evolution - বিবর্তন সম্পর্কিত বিদ্যা।
Mycology - ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যা।

উৎস: জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
.
‘ইলিয়াম’ নিচের কোনটির অংশ?
  1. ব্রংকাস
  2. শ্বসনতন্ত্র
  3. ক্ষুদ্রান্ত
  4. বৃহদন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্রান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্রান্ত
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্রান্ত্র:
- পাকস্থলির পাইলোরাস অংশের পর থেকে ইলিওকোলি পর্যন্ত প্রায় ৬-৭ মিটার লম্বা বিস্তৃত অংশই হচ্ছে ক্ষুদ্রান্ত্র। 
- এটি আবার ৩ অংশে বিভক্ত। যথা:
(i) ডিওডেনাম,
(ii) জেজুনাম ও 
(iii) ইলিয়াম
- ডিওডেনামে মূলত অগ্ন্যাশয়িক রসের এনজাইমের ক্রিয়া ঘটে।
- জেজুনাম ও ইলিয়ামে আন্ত্রিক রসের এনজাইমের ক্রিয়ার পরিপাক ঘটে।
- ডিওডেনামে মূলত কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিডের পরিপাক ঘটে।

বৃহদন্ত্র:
- পৌষ্টিকনালির শেষোক্ত বৃহৎ নলাকার অংশ যা ক্ষুদ্রান্ত্রের পর থেকে প্রায় ২ মিটার লম্বা মলাশয় পর্যন্ত বিস্তৃত। - বৃহদন্ত্র তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা:
(i) সিকাম,
(ii) কোলন ও 
(iii) মলাশয়।

শ্বসনতন্ত্র:
- ফুসফুস হচ্ছে শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ ৷
- যে সকল অঙ্গ শ্বসনকার্য চালানোর কাজে অংশ নেয় তাদের একসাথে শ্বসনতন্ত্র বলে।
- নাসিকা, গলবিল, স্বরযন্ত্র, শ্বাসনালি, ব্রংকাস, ফুসফুস ও মধ্যচ্ছদা এগুলো নিয়ে শ্বসনতন্ত্র গঠিত।
- এটি দুই খণ্ডে বিভক্ত এবং প্লুরা নাম পর্দা দ্বারা আবৃত। বাতাসের সঙ্গে অক্সিজেন ফুসফুসে প্রবেশ করে। পরে তা রক্তের মাধ্যমে পরিবহন হয়ে দেহের সব অঙ্গে পৌঁছায়।
- ব্রংকাস শ্বসনতন্ত্রের একটি অংশ।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. T1/2 = 0.693/λ
  2. T1/2 = 0.694/λ
  3. T1/2 = 0.695/λ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
T1/2 = 0.693/λ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
T1/2 = 0.693/λ
ব্যাখ্যা
অর্ধায়ু:
- যে সময়ে কোন তেজস্ক্রিয় পদার্থের মোট পরমাণুর ঠিক অর্ধেক পরিমাণ ভেঙ্গে যায় তাকে ঐ পদার্থের অর্ধায়ু বলে। 
- যে সময় কোন তেজস্ক্রিয় পদার্থের 'N' সংখ্যক অণু ভেঙ্গে N/2 সংখ্যক হয়, সেই সময় হলো অর্ধায়ু।
- তেজস্ক্রিয়তা হচ্ছে তেজস্ক্রিয় মৌল থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গমনের ঘটনা।
- অর্ধায়ু কে T1/2 বা T দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

 T1/2 = 0.693/λ
- এখানে, T1/2 = অর্ধায়ু বা Half life.
- এবং λ = ক্ষয়‌ ‌ধ্রুবক‌ ‌বা‌ ‌অবক্ষয়‌ ‌ধ্রুবক‌ ‌বা‌ ‌ভাঙন‌ ‌ধ্রুবক‌ ‌বা Decay‌ ‌constant.
- সমীকরণটি দ্বারা বুঝায়, তেজস্ক্রিয় পদার্থের অর্ধায়ু এর ক্ষয় ধ্রুবকের ব্যস্তানুপাতিক। 
………………
- একটি নির্দিষ্ট তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস ঠিক কোন মুহূর্তে বিকিরণ করবে তা বলা সম্ভব নয়, পদার্থবিজ্ঞান শুধু তার বিকিরণ করার সম্ভাবনাটি বলতে পারে। 
- তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ বের করার জন্য “অর্ধায়ু” এর ধারণাটি ব্যবহার করা হয়। 
- যে পরিমাণ সময়ের ভেতর অর্ধেক সংখ্যক নিউক্লিয়াসের বিকিরণ ঘটে সেটি হচ্ছে ঐ নিউক্লিয়াসের অর্ধায়ু। 
- যে নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিয়তা যত বেশি, সেই নিউক্লিয়াসের অর্ধায়ু তত কম। 
- স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস যার কোনো তেজস্ক্রিয়তা নেই তার অর্ধায়ু অসীম বলে বিবেচনা করা হয়। 

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান বই।
.
‘রক্তের’ ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. রক্ত দেহের তাপের সমতা রক্ষা করে।
  2. রক্তের লোহিত কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে।
  3. রক্তের অণুচক্রিকা রক্তপাত বন্ধ করে।
  4. রক্ত অক্সিজেনকে ফুসফুস হতে দেহের বিভিন্ন কোষে পৌঁছায়।
সঠিক উত্তর:
রক্তের লোহিত কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তের লোহিত কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে।
ব্যাখ্যা
রক্ত:
- রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা ।
- রক্তরস এবং কয়েক ধরনের রক্ত কণিকার সমন্বয়ে রক্ত গঠিত হয় ।
- মানুষ ও অন্যান্য মেরুদণ্ডি প্রাণিদেহের রক্ত লাল রঙের হয়।
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক লৌহঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকে যার ফলে রক্তের রং লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহণ করে।

রক্তের কাজ:
রক্ত দেহের বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে। যথা:
(i) খাদ্য পরিপাকের পর তার সারাংশ রক্তের সাথে মিশ্রিত হয়। রক্ত সেই খাদ্যসারকে দেহের সকল অংশে নিয়ে যায় ৷ এভাবে জীবকোষগুলো পুষ্টি সাধন করে।
(ii) রক্তের লোহিত কণিকাস্থ হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনকে ফুসফুস হতে দেহের বিভিন্ন কোষে পৌঁছায় এবং কোষগুলো হতে কার্বন-ডাই অক্সাইড বহন করে এনে ফুসফুসের মাধ্যমে বাইরে বের করে দেয়।
(iii) দেহের মধ্যে সর্বদাই দহন ক্রিয়া সম্পাদিত হচ্ছে। তাতে বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে যে বিভিন্ন তাপমাত্রার সৃষ্টি হয়, তা রক্তের মাধ্যমে দেহের সর্বত্র পরিব্যাপ্ত হয় এবং এভাবে দেহে তাপের সমতা রক্ষা পায় ।
(iv) নালীবিহীন গ্রন্থিগুলোতে অন্তঃনিসৃত রস সরাসরি রক্তে মিশে। এ রসকে হরমোন বলে। সঞ্চালিত রক্তের দ্বারা হরমোন প্রয়োজন অনুযায়ী দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ হয় ।
(v)  রক্তের শ্বেত কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় প্রবেশকৃত অবৈধ ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করে দেহকে রোগমুক্ত রাখে
(vi) দেহের কোনো স্থান কেটে গেলে অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হয়৷
(vii) রক্ত দেহের বিভিন্ন প্রকার দূষিত পদার্থ ও বর্জ্য উপাদান ফুসফুস, মূত্রাশয় ও ত্বকে নিয়ে আসে ও সেখান হতে তাদের নিষ্কাশন করতে সহায়তা করে।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
.
নিচের কোনটি তেজস্ক্রিয় মৌল নয়?
  1. ক্যালিফোর্নিয়াম
  2. কুরিয়াম
  3. ফ্র্যান্সিয়াম
  4. জিরকোনিয়াম
সঠিক উত্তর:
জিরকোনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিরকোনিয়াম
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় পদার্থ:
- ভারি মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- সাধারণত যে সকল মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ এর বেশি সেই সকল পরমাণু তেজস্ক্রিয়তা প্রদর্শন করে।
- তবে ৮২ থেকে কম পারমাণবিক সংখ্যা বিশিষ্ট কিছু মৌলের আইসোটোপের ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয়তা পরিলক্ষিত হয়।
……………….
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকেরেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- তেজস্ক্রিয়তার এসআই লব্ধ একক হলো বেকেরেল (Bq), যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়।

কয়েকটি তেজস্ক্রিয় পদার্থ হল:
- রেডন (Rn) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৮৬),
- ফ্র্যান্সিয়াম (Fr) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৮৭),
- রেডিয়াম (Ra) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৮৮),
- থোরিয়াম (Th) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৯০),
- ইউরেনিয়াম (U) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৯২),
- কুরিয়াম (Cm) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৯৬) - মেরি কুরি ও পিয়েরে কুরির নাম অনুযায়ী নামকরণ
- ক্যালিফোর্নিয়াম (Cf) - (পারমাণবিক সংখ্যা ৯৮) ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- জিরকোনিয়াম (Zr) এর পারমাণবিক সংখ্যা ৪০ যা ৮২ থেকে কম তাই এটি তেজস্ক্রিয় মৌল নয়

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য:
বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায় -
(১) তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও অবিরাম ঘটনা । তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
(২) তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
(৩) তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
(৪) উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণিদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে।

উৎস:
১) বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোন শাখায় সবচেয়ে বেশী CT scan ব্যবহার করা হয়ে থাকে?
  1. ডার্মাটোলজি
  2. নিউরোলজি
  3. কার্ডিওলজি
  4. ক্রনোলজি
সঠিক উত্তর:
নিউরোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউরোলজি
ব্যাখ্যা
সিটি স্ক্যান (CT scan):
- সিটিস্ক্যান এর সম্প্রসারিত অর্থ হচ্ছে কম্পিউটেড টমোগ্রাফি স্ক্যান (Computed Tomography Scan).
 - যে প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রিমাত্রিক বস্তুর কোনো ফালি বা অংশের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় সে প্রক্রিয়াকে টমোগ্রাফি বলে ৷
- সিটিস্ক্যান যন্ত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। এক্সরে যেখানে শরীরের অভ্যন্তরের কোনো ত্রিমাত্রিক অঙ্গের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব গঠন করে, সেখানে সিটি স্ক্যান যন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব ত্রিমাত্রিক ।
- সিটিস্ক্যানের সাহায্যে শরীরের নরম টিস্যু, রক্তবাহী শিরা বা ধমনি, ফুসফুস, ব্রেন ইত্যাদির ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়া যায়।
- চিকিৎসা বিজ্ঞানের নিউরোলজি বা স্নায়ুবিজ্ঞান শাখায় সবচেয়ে বেশী CT scan ব্যবহার করা হয়ে থাকে যায়
- যকৃৎ, ফুসফুস এবং অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার সনাক্ত করার কাজে সিটিস্ক্যান ব্যবহৃত হয়।
- সিটিস্ক্যানের প্রতিবিম্ব চিকিৎসককে টিউমার সনাক্তকরণ, টিউমারের আকার, অবস্থান এবং টিউমারটি পার্শ্ববর্তী অন্য টিস্যুকে কী পরিমাণ আক্রান্ত করেছে তা নির্ধারণেও সাহায্য করে।
- মাথার সিটিস্ক্যানের সাহায্যে মস্তিষ্কের ভেতরে কোনো ধরনের রক্তপাত, ধমনীর ফুলা এবং টিউমারের উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যায়।
- সিটিস্ক্যানের দ্বারা রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা আছে কিনা তাও জানা যায়৷
- সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের সিটি স্ক্যান পরীক্ষা করা হয় না৷

অন্যদিকে,
- ডার্মাটোলজি (Dermatology) - ত্বক; ত্বকের রোগ ইত্যাদি বিষয়ক চিকিৎসাশাস্ত্রীয় গবেষণা ও আলোচনা; ত্বকবিজ্ঞান।
- কার্ডিওলজি (Cardiology) - হৃদ্‌বিজ্ঞান।
- ক্রনোলজি (Chronology) -  কালনিরূপণ বিজ্ঞান।

উৎস:
১) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) accessibledictionary.gov.bd
.
কোন কারণে শরীরের কিছু টিস্যু এক্স-রে ইমেজিং-এ অন্ধকার দেখায়?
  1. এক্স-রের বেশিরভাগ অংশ শোষণের জন্য।
  2. এক্স-রে প্রতিফলনের জন্য।
  3. এক্স-রে সহজে অতিক্রমণ করতে দেয়ার জন্য।
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
এক্স-রে সহজে অতিক্রমণ করতে দেয়ার জন্য।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্স-রে সহজে অতিক্রমণ করতে দেয়ার জন্য।
ব্যাখ্যা
• এক্স-রের তীব্রতা হ্রাসের বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে টিস্যুর উজ্জ্বলতা ও অন্ধকার অবস্থা নির্ধারিত হয়।
- X-ray attenuation হচ্ছে এক্স-রের তীব্রতা হ্রাস। 
- X-ray attenuation হচ্ছে কোন বস্তুর মধ্য দিয়ে এক্স-রে নির্গত হওয়ার সময় এক্স-রের তীব্রতা হ্রাস হওয়াকে বুঝায়।
- শরীরের নরম টিস্যু (যেমন রক্ত, ত্বক, চর্বি এবং পেশী) বেশিরভাগ এক্স-রেকে অতিক্রম করতে দেয় এবং ফিল্ম বা ডিজিটাল মিডিয়াতে গাঢ় ধূসর দেখায়।
- একটি হাড় বা একটি টিউমার, যা নরম টিস্যুর চেয়ে বেশি ঘন, কিছু এক্স-রে হাড় বা টিউমারের মধ্য দিয়ে যেতে দেয় এবং এক্স-রেতে সাদা দেখায়।

এক্স-রে:
- জার্মান বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এক্স-রে তথা রঞ্জন রশ্মি আবিস্কার করেন।
- এক্স-রে এক ধরনের তড়িতচৌম্বক তরঙ্গ (যে তরঙ্গ তার চলার পথে তড়িৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত বা বিচ্যুত হয় না)।
- এক্স-রে তৈরীর প্রক্রিয়া হলো কুলীজ নল পদ্ধতি।

এক্স-রের ব্যবহার :
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায় ৷
- পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়।
- এক্স-রে করে পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায় ।
- রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয় ৷
- দাঁতের ক্যাভিটি ও অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়।

এক্স-রে সাধারণত ২ ধরনের হয়।
১) কোমল এক্স-রে,
২) কঠিন এক্স-রে।

উৎস:
১) Title: "Bushberg's Physics of Medical Imaging"
Authors: Stewart C. Bushberg, John M. Boone, Edwin M. Leidholdt Jr., and J. Anthony Seibert
Publisher: Wolters Kluwer
Edition: 4th Edition (2018)
২) একাদশ শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই, শাহজাহান তপন স্যার।
১০.
নিচের কোন বস্তুটি এক্স-রে এর বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে?
  1. লেড
  2. অ্যালুমিনিয়াম
  3. কাঠ
  4. প্লাস্টিক
সঠিক উত্তর:
লেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেড
ব্যাখ্যা
লেড বা সীসার উচ্চ পারমাণবিক সংখ্যা (৮২) এবং সীসার ঘনত্ব এটিকে এক্স-রের তীব্রতা হ্রাস বা ব্লক করার জন্য একটি কার্যকর উপাদান করে তোলে।
সীসা বা লেড এক্স-রেকে বাধা দেয় যে প্রক্রিয়াগুলির সমন্বয়ের মাধ্যমে, সেগুলো হল:
(i) ফটোইলেকট্রিক শোষণ এবং 
(ii) কম্পটন বিচ্ছুরণ। 

এক্স-রে:
- ১৮৯৫ সালে উইলহেম রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন।
- এক্স-রে এর একক হলো রন্টজেন যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়। 
- এক্স-রে -এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-8m থেকে 10-13m এর কাছাকাছি।
- এক্স-রে গ্যাসীয় মাধ্যমকে আয়নিত করে।

এক্স-রের ব্যবহার:
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায়।
- পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়।
- এক্স-রে করে পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায়। 
- রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- দাঁতের ক্যাভিটি ও অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১) Title: "Bushberg's Physics of Medical Imaging"
Authors: Stewart C. Bushberg, John M. Boone, Edwin M. Leidholdt Jr., and J. Anthony Seibert
Publisher: Wolters Kluwer
Edition: 4th Edition (2018)
২) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
MRI স্ক্যানারে চৌম্বক ক্ষেত্রের তীব্রতা পরিমাপে নিচের কোন এককটি প্রধানত ব্যবহার করা হয়?
  1. টেসলা (T)
  2. জুল (J)
  3. নিউটন (N)
  4. ওয়াট (W)
সঠিক উত্তর:
টেসলা (T)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেসলা (T)
ব্যাখ্যা
MRI:
- MRI এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)।
- MRI যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয় ।
- নিউক্লীয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিক নীতির উপর ভিত্তি করে এমআরআই যন্ত্র কাজ করে। এই নীতি ব্যবহার করে কোনো অণুর প্রকৃতি সম্পর্কে তথ্য জানা যায় ৷
- MRI একটি নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি।
- এই যন্ত্রে এক্সরে বা অন্য কোনো ধরনের বিকিরণ ব্যবহার করা হয় না।
- শরীরের যে অংশের MRI স্ক্যান করা হয় সেখান থেকে প্রাপ্ত সংকেতকে একটি কম্পিউটারের সাহায্যে পরিবর্তিত করে সেই অংশের অত্যন্ত স্পষ্ট প্রতিবিম্ব গঠন করা হয় ।
- প্রত্যেকটি প্রতিবিম্ব শরীরের কোনো স্থানের এক একটি ফালির মতো কাজ করে।
- এভাবে অনেকগুলো প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, যেগুলো শরীরের ঐ অংশের সকল বৈশিষ্ট্যকে ফুটিয়ে তুলে।
- পায়ের গোড়ালির মচকানো এবং পিঠের ব্যাথায় এমআরআই ব্যবহার করে জখমের বা আঘাতের তীব্রতা নিরূপণ করা হয়।
- ব্রেন এবং মেরুরজ্জুর বিস্তৃত প্রতিবিম্ব তৈরির জন্য এমআরআই হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
- MRI স্ক্যানারে চৌম্বক ক্ষেত্রের তীব্রতা পরিমাপে টেসলা এককটি প্রধানত ব্যবহার করা হয়।

অন্যদিকে, 
- কাজ ও শক্তির একক জুল (J).
- বলের একক নিউটন (N).
- ক্ষমতার একক ওয়াট (W).

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
১২.
‘Hounsfield unit’ নিচের কোনটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. ECG
  2. ETT
  3. CT scan
  4. MRI
সঠিক উত্তর:
CT scan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CT scan
ব্যাখ্যা
Hounsfield unit:
- ‘Hounsfield unit’ বা ‘হাউনস ফিল্ড ইউনিট’ CT scan-এ Radiodensity বা তেজস্ক্রিয় ঘনত্বের একটি পরিমাপ যা বিভিন্ন টিস্যুতে তাদের এক্স-রে তীব্রতা হ্রাসের বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সংখ্যায় মান প্রকাশ করা যায়।
- Hounsfield unit বিভিন্ন টিস্যুর তেজস্ক্রিয় ঘনত্বের পরিমাপ এবং পার্থক্য করতে CT scan এ ব্যবহৃত হয়।
- Hounsfield unit কোন টিস্যুর বিস্তারিত Cross-sectional চিত্র তৈরিতে কাজ করে।
- CT scan এর আবিষ্কারক Sir Godfrey Hounsfield এর নামানুসারেই ‘Hounsfield unit’ রাখা হয়েছে।

সিটি স্ক্যান (CT scan):
- সিটিস্ক্যান এর সম্প্রসারিত অর্থ হচ্ছে কম্পিউটেড টমোগ্রাফি স্ক্যান (Computed Tomography Scan).
 - যে প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রিমাত্রিক বস্তুর কোনো ফালি বা অংশের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় সে প্রক্রিয়াকে টমোগ্রাফি বলে ৷
- সিটিস্ক্যান যন্ত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। এক্সরে যেখানে শরীরের অভ্যন্তরের কোনো ত্রিমাত্রিক অঙ্গের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব গঠন করে, সেখানে সিটি স্ক্যান যন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব ত্রিমাত্রিক ।
- সিটিস্ক্যানের সাহায্যে শরীরের নরম টিস্যু, রক্তবাহী শিরা বা ধমনি, ফুসফুস, ব্রেন ইত্যাদির ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়া যায়।
- চিকিৎসা বিজ্ঞানের নিউরোলজি বা স্নায়ুবিজ্ঞান শাখায় সবচেয়ে বেশী CT scan ব্যবহার করা হয়ে থাকে যায়।
- যকৃৎ, ফুসফুস এবং অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার সনাক্ত করার কাজে সিটিস্ক্যান ব্যবহৃত হয়।
- সিটিস্ক্যানের প্রতিবিম্ব চিকিৎসককে টিউমার সনাক্তকরণ, টিউমারের আকার, অবস্থান এবং টিউমারটি পার্শ্ববর্তী অন্য টিস্যুকে কী পরিমাণ আক্রান্ত করেছে তা নির্ধারণেও সাহায্য করে।
- মাথার সিটিস্ক্যানের সাহায্যে মস্তিষ্কের ভেতরে কোনো ধরনের রক্তপাত, ধমনীর ফুলা এবং টিউমারের উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যায়।
- সিটিস্ক্যানের দ্বারা রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা আছে কিনা তাও জানা যায়৷
- সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের সিটি স্ক্যান পরীক্ষা করা হয় না৷

উৎস: 
১) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) Title: "Bushberg's Physics of Medical Imaging"
Authors: Stewart C. Bushberg, John M. Boone, Edwin M. Leidholdt Jr., and J. Anthony Seibert
Publisher: Wolters Kluwer
Edition: 4th Edition (2018)
১৩.
নিচের কোনটি তেজস্ক্রিয়তার একক নয়?
  1. কুরী
  2. বেকেরেল
  3. টেসলা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
টেসলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেসলা
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় পদার্থ:
- ভারি মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- সাধারণত যে সকল মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ এর বেশি সেই সকল পরমাণু তেজস্ক্রিয়তা প্রদর্শন করে।
- তবে ৮২ থেকে কম পারমাণবিক সংখ্যা বিশিষ্ট কিছু মৌলের আইসোটোপের ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয়তা পরিলক্ষিত হয়।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকেরেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- তেজস্ক্রিয়তার এসআই লব্ধ একক হলো বেকেরেল (Bq), যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়।
- তেজস্ক্রিয়তার আরো একটি একক রয়েছে কুরী

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য:
বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায় -
(১) তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও অবিরাম ঘটনা । তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
(২) তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
(৩) তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
(৪) উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণিদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে।

উৎস:
১) বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
নিচের কোনটি মাইক্রো উপাদান নয়?
  1. Zn
  2. Mn
  3. Mo
  4. Mg
সঠিক উত্তর:
Mg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mg
ব্যাখ্যা
অত্যাবশ্যকীয় উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়।
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন ।
- অত্যাবশ্যকীয় ১৬টি উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ কোনো কোনো উপাদান বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে,আবার কোনো কোনো উপাদান সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করে।
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে । যেমন: 
(i) ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান এবং 
(ii) মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান ৷

ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান :
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয় ।
- ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। যথা: 
- নাইট্রোজেন (N),
- পটাশিয়াম (K),
- ফসফরাস (P),
- ক্যালসিয়াম (Ca),
- ম্যাগনেসিয়াম (Mg),
- কার্বন (C),
- হাইড্রোজেন (H),
- অক্সিজেন (O),
- সালফার (S) এবং 
- লৌহ (Fe).

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে ।
- মাইক্রো উপাদান ৬টি। যথা: 
- দস্তা বা জিংক (Zn),
- ম্যাংঙ্গানিজ (Mn),
- মোলিবডেনাম (Mo),
- বোরন (B),
- তামা বা কপার (Cu) এবং 
- ক্লোরিন (Cl).

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫.
‘শরীরের পানির অণুর ভেতরকার হাইড্রোজেনের প্রোটন থেকে ফিরে আসা সংকেতকে কম্পিউটার দিয়ে বিশ্লেষণ করে শরীরের ভেতরকার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়’ - কথাটি নিচের কোন যন্ত্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. CT scan
  2. MRI
  3. X-ray
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
MRI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MRI
ব্যাখ্যা
MRI:
- MRI এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)।
- MRI যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয় ।

MRI এর ব্যবহার:
- পায়ের গোড়ালির মচকানো এবং পিঠের ব্যাথায় এমআরআই ব্যবহার করে জখমের বা আঘাতের তীব্রতা নিরূপণ করা হয়।
- ব্রেন এবং মেরুরজ্জুর বিস্তৃত প্রতিবিম্ব তৈরির জন্য এমআরআই হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা ।

MRI ও CT scan এর পার্থক্য:
- CT scan যন্ত্রে এক্স-রে পাঠিয়ে প্রতিচ্ছবি নেওয়া হয়, আর MRI যন্ত্রে একজন রোগীকে অনেক শক্তিশালী চৌম্বকক্ষত্রে রেখে তার শরীরে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ দেওয়া হয়।
-  MRI যন্ত্র দিয়ে শরীরের পানির অনুর ভেতরকার হাইড্রোজেনের প্রোটন থেকে ফিরে আসা সংকেতকে কম্পিউটার দিয়ে বিশ্লেষণ করে শরীরের ভেতরকার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়।
- CT scan দিয়ে যা কিছু করা সম্ভব, MRI দিয়েও সেগুলো করা সম্ভব। তবে MRI দিয়ে শরীরের ভেতরকার কোমল টিস্যুর ভেতরকার পার্থক্যগুলো ভালো করে বুঝা সম্ভব। CT scan করতে যে সময়ের দরকার হয় তার তুলনায় একটু বেশি সময় লাগে MRI করতে।
- CT scan-এ এক্স-রে ব্যবহার করা হয় বলে যত কমই হোক তেজস্ক্রিয়তার একটু ঝুঁকি থাকে, যা MRI-এ নেই।
- শরীরের ভেতর কোনো ধাতব কিছু থাকলে (যেমন: পেস মেকার) MRI করা যায় না, কারণ আরএফ (RF) মানে Radio Frequency ধাতুকে উত্তপ্ত করে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১৬.
এক্স-রে কী?
  1. দৃশ্যমান আলো
  2. বেতার তরঙ্গ
  3. তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ
  4. ইনফ্রারেড বিকিরণ
সঠিক উত্তর:
তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
এক্স-রে:
- জার্মান বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এক্স-রে তথা রঞ্জন রশ্মি আবিস্কার করেন।
- এক্স-রে এক ধরনের তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ (যে তরঙ্গ তার চলার পথে তড়িৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত বা বিচ্যুত হয় না)।
- এক্স-রে তৈরীর প্রক্রিয়া হলো কুলীজ নল পদ্ধতি।

এক্স-রের ব্যবহার :
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায় ৷
- পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়।
- এক্স-রে করে পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায়।
- রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয় ৷
- দাঁতের ক্যাভিটি ও অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়।

এক্স-রে সাধারনত ২ ধরনের হয়:
১) কোমল এক্স-রে,
২) কঠিন এক্স-রে।

উৎস: একাদশ শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই, শাহজাহান তপন স্যার।
১৭.
কোন যন্ত্রের সাহায্যে ক্ষুদ্র মাপের বিদ্যুৎ প্রবাহের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায়?
  1. ওহমমিটার
  2. গ্যালভানোমিটার
  3. ভোল্টমিটার
  4. অডিওমিটার
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালভানোমিটার
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র মাপের বিদ্যুৎ প্রবাহের অস্তিত্ব নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম - গ্যালভানোমিটার।

অন্যদিকে,
- রোধ পরিমাপ করার যন্ত্র - ওহমমিটার।
- কোন তড়িৎ বর্তনীর দুটি বিন্দুর বিভব পার্থক্য বা ভোল্টেজের পরিমাণ মাপক যন্ত্র - ভোল্টমিটার।
- শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র - অডিওমিটার।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১৮.
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান কয়টি?
  1. ৬টি
  2. ১০টি
  3. ১৬টি
  4. ২০টি
সঠিক উত্তর:
১৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬টি
ব্যাখ্যা
অত্যাবশ্যকীয় উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন।
- অত্যাবশ্যকীয় ১৬টি উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ কোনো কোনো উপাদান বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে,আবার কোনো কোনো উপাদান সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করে।
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে । যেমন: 
(i) ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান এবং 
(ii) মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান ৷

ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
- ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। যথা: 
- নাইট্রোজেন (N),
- পটাশিয়াম (K),
- ফসফরাস (P),
- ক্যালসিয়াম (Ca),
- ম্যাগনেসিয়াম (Mg),
- কার্বন (C),
- হাইড্রোজেন (H),
- অক্সিজেন (O),
- সালফার (S) এবং 
- লৌহ (Fe)।

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে ।
- মাইক্রো উপাদান ৬টি। যথা: 
- দস্তা বা জিংক (Zn),
- ম্যাংঙ্গানিজ (Mn),
- মোলিবডেনাম (Mo),
- বোরন (B),
- তামা বা কপার (Cu) এবং 
- ক্লোরিন (Cl)।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।