পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৬ টপিক: বাংলাদেশের ভৌগলিক গঠন ও সীমানা এবং ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব এবং ভৌগলিক পরিচিতি, ভূপ্রকৃতি ও প্রধান নদ-নদী [Live Class – 10 & 11]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
ভারতীয় উপমহাদেশের কোন দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
  2. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
  3. দক্ষিণ-পূর্বাংশে
  4. উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অবস্থান:
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাংশে (মাধ্যমিক ভূগোল)/ উত্তর পূর্বাংশে (জাতীয় তথ্য বাতায়ন)। 
- এবং ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত।
- এদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষরেখা
- এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২০৪১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা পর্যন্ত্র বিস্তৃত।
- ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্থান দেশ ভাগের সময় সীমানা নির্ধারণ করেন ব্রিটিশ আইনজীবী সিরিল র‍্যাডক্লিফ।
- তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্থান তথা বর্তমান বাংলাদেশের মানচিত্র ১৯৪৭ সালেরই তৈরি।
- ব্রিটিশ বাংলার ৬৪ শতাংশ এলাকা নিয়ে গঠিত হয় বাংলাদেশ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। 

.
সুরমা, কুশিয়ারা ও কালনী নদীর মিলিত স্রোতধারার নাম কী?
  1. মেঘনা
  2.  পদ্মা
  3. ব্রহ্মপুত্র
  4. ধলেশ্বরী
সঠিক উত্তর:
মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘনা
ব্যাখ্যা

মেঘনা নদী:
- ভারতের আসামের বরাক নদী নাগা-মনিপুর পাহাড়ের দক্ষিণ থেকে উৎপত্তি লাভ করে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে।
- শাখা দুইটি সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়েছে।
- সুরমা, কুশিয়ারা ও কালনী নদীর মিলিত স্রোতধারাই মেঘনা নদী।
- সুরমা নামক শাখাটি প্রথমে খাসিয়া ও জয়ন্মিয়া পাহাড়ের নিকট দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ছাতক, সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিকট দিয়ে অগ্রসর হয়েছে।
- এরপর আজমিরিগঞ্জের কাছে উত্তর সিলেটের সুরমা, দড়িগণ সিলেটের কুশিয়ারা এবং হবিগঞ্জের কালনী নদী একসঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- পরে সুরমা, কুশিয়ারা ও কালনী নদীর মিলিত প্রবাহ কালনী নামে কিছুদূর অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- মেঘনা নদী কিশোরগঞ্জের ভৈরববাজারের নিকট পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে দড়িাণ-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়েছে এবং চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে আরও দড়িাণে অগ্রসর হয়ে ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে মেঘনা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন প্রায় ২৯,৭৮৫ বর্গকিলোমিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। 

.
ভূ-প্রকৃতির ভিত্তিতে প্রধানত বাংলাদেশকে কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে? 
  1. ৪টি 
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

ভূ-প্রকৃতি:
- ভূ-প্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত ৩টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ,
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি,

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এসকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা- (ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও (খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভ, মি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভ, মি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি।
- এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত।
- স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- এদের মধ্যে চলনবিল, মাদারিপুর বিল ও সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্য কতটি?
  1. ৪টি 
  2. ৫টি 
  3. ৬টি 
  4. ৭টি 
সঠিক উত্তর:
৪টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন সেভেন সিস্টার্সের রাজ্য ৪টি।

সেভেন সিস্টার্স:

- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলো হচ্ছে -আসাম, অরুণাচল, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মণিপুর, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড।
- ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন ৪টি রাজ্য - আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

.
বাংলাদেশের স্থলসীমা মিয়ানমারের কতটি রাজ্যের সঙ্গে সংযুক্ত?
  1. ৪টি 
  2. ৩টি 
  3. ২টি 
  4. ১টি 
সঠিক উত্তর:
২টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী স্থান :
- বাংলাদেশের তিনদিকের স্থলসীমা ভারতের ৫টি রাজ্য-পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম।
- এবং মিয়ানমারের ২টি রাজ্য-রাখাইন (পূর্বনাম আরাকান) ও চিন প্রদেশ দ্বারা বেষ্টিত।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা-৩২টি।
- এর মধ্যে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি।
- এবং মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩টি (রাঙামাটি, বান্দরবন ও কক্সবাজার)।
- বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশেরই যৌথ সীমান্ত রয়েছে।
- চট্টগ্রাম বিভাগের বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার সাথে এবং ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে ভারতের কোনো স্থলসীমান্ত সংযোগ নেই।

উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। 

.
ভৌগলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কোন রেখাটি বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে?
  1. আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা
  2.  মূল মধ্যরেখা
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. মকরক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা

- ভৌগলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে গেছে।

• ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি:
- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত।
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- এছাড়া বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।

.
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে পৃথক করেছে কোন নদী? 
  1. কর্ণফুলী নদী
  2. নাফ নদী
  3. শিবসা নদী
  4. হালদা নদী
সঠিক উত্তর:
নাফ নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাফ নদী
ব্যাখ্যা

নাফ নদী:
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে পৃথক করেছে নাফ নদী।
- নাফ নদী কক্সবাজার জেলার সর্ব দক্ষিণ-পূর্ব কোণ দিয়ে প্রবাহিত প্রলম্বিত খাঁড়ি সদৃশ নাফ নদী মায়ানমারের আরাকান থেকে কক্সবাজার জেলাকে বিভক্ত করেছে।।
- কক্সবাজার জেলার দক্ষিণে এটি একটি বড় নদী।
- আরাকান ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমা ন্তের অন্যান্য পাহাড় থেকে উৎসারিত নাফ নদী বঙ্গোপসাগরে এসে পড়েছে।
- ১.৬১ কিমি থেকে ৩.২২ কিমি প্রস্থবিশিষ্ট এই নদী জোয়ারভাটা প্রবণ।
- বাংলাদেশের দক্ষিণতম উপজেলা টেকনাফ নাফ নদীর ডান তীরে অবস্থিত।
- মায়ানমারের আকিয়াব বন্দর নাফ নদীর বাম তীরে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
নিচের কোনটি প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের অন্তর্গত? 
  1. খাগড়াছড়ি পাহাড় 
  2. লালমাই পাহাড়
  3. কেওক্রাডং পর্বত
  4. তাজিনডং পর্বত
সঠিক উত্তর:
লালমাই পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমাই পাহাড়
ব্যাখ্যা

•প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

•টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এসকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা-
(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও
(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

উল্লেখ্য
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহের অন্তর্ভুক্ত।
- খাগড়াছড়ি পাহাড়, কেওক্রাডং পর্বত ও তাজিনডং পর্বত টারশিয়ারি যুগের পাহাড়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
আয়তনের ভিত্তিতে বাংলাদেশের বিশ্বের অবস্থান কত?
  1. ৯০তম
  2. ৯৪তম
  3. ৯৮তম
  4. ১০৫তম
সঠিক উত্তর:
৯৪তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪তম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের আয়তন:
- আয়তনের ভিত্তিতে পৃথিবীতে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৪তম।
- স্বাধীন ও সার্বভৌম এদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার বা ৫৬,৯৭৭বর্গমাইল।
- ভূমি পুনরম্নদ্ধার ও সমুদ্রসীমার সম্প্রসারণের ফলে বর্তমানে আয়তন দাড়িয়েছে ১,৪৮,৪৬০ বর্গকিলোমিটার (৮৯০ বর্গকিলোমিটার ভূমি নতুনভাবে যুক্ত হয়েছে)।
- এদেশে একদিকে যেমন প্রতিনিয়ত কিছু ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি একইসাথে জেগে উঠছে নতুন নতুন চর।
- এই ভাঙাগড়ার ফলস্বরূপ প্রতিবছর গড়ে প্রায় ২০ বর্গকিলোমিটার নতুন ভূমি বাংলাদেশের মানচিত্রে যুক্ত হচ্ছে।
- ধারণা করা হচ্ছে, নতুন চর জাগার এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ প্রায় ১০০০-১৫০০ বর্গকিলোমিটার ভূমি মূল ভূখন সাথে যুক্ত হবে। 
- যা আয়তনের দিক থেকে প্রায় ঢাকা জেলার সমান।
- এর ফলে বাংলাদেশের মোট আয়তন ১,৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা। 

১০.
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান- 
  1. মনাকষা
  2. আখাইনঠং
  3. ছেঁড়া দ্বীপ
  4. বাংলাবান্ধা
সঠিক উত্তর:
ছেঁড়া দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছেঁড়া দ্বীপ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান - বাংলাবান্ধা।
- উপজেলা: তেঁতুলিয়া
-জেলা: পঞ্চগড়।
- সর্ব দক্ষিণের স্থান: ছেঁড়া দ্বীপ/সেন্টমার্টিন।
- উপজেলা: টেকনাফ
-জেলা: কক্সবাজার
- সর্বপশ্চিমের:- স্থান: মনাকষা।
- উপজেলা: শিবগঞ্জ।
- জেলা: চাপাইনবাবগঞ্জ।
- সর্বপূর্বের স্থান : আখাইনঠং।
- উপজেলা: থানচি।
- জেলা: বান্দরবান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১.
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা কত নটিক্যাল মাইল?
  1. ১০ নটিক্যাল মাইল
  2. ১৬ নটিক্যাল মাইল
  3. ২০ নটিক্যাল মাইল 
  4. ১২ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
১২ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার এবং
- ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপান এলাকা বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার অন্তর্ভুক্ত।
- [নোট: ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।]

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।।

১২.
পাদদেশীয় পলল সমভূমি দেখা যায় বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে?
  1. রংপুর-দিনাজপুর
  2. কুমিল্লা-নোয়াখালী 
  3. চট্টগ্রাম-কক্সবাজার
  4. খুলনা-বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
রংপুর-দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর-দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

পাদদেশীয় পলল সমভূমি:
- পাহাড়ের পাদদেশে নদীবাহিত পানি সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমি গড়ে ওঠে তাকে পাদদেশীয় পলল সমভূমি বলে।
- বাংলাদেশের রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ স্থানই পাদদেশীয় পলল সমভূমি নামে পরিচিত।
- তিস্তা, আত্রাই, যমুনেশ্বরী প্রভৃতি নদী দ্বারা এ অঞ্চল বিধৌত।
- এসব নদী হিমালায় পর্বত হতে উৎপন্ন হয়েছে। ফলে নদীগুলো সহজেই পাহাড় হতে পলল বহন করে এ অঞ্চলে সঞ্চয় করে পাদদেশীয় পললভূমি গঠন করেছে।
- পাহাড়ের পাদদেশে দুই বা ততোধিক পলল পাখা বা কোণ মিলিত হয়েও পাদদেশীয় পলল সমভূমি গঠন করতে পারে।

উল্লেখ্য,
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
(ক) রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।
(খ) ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও সিলেটের অন্তর্গত বন্যা প্লাবন সমভূমি।
(গ) ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা ও ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।
(ঘ) নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি।
(ঙ) খুলনা ও পটুয়াখালী অঞ্চল এবং বরগুনা জেলার কিয়দংশ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
ভারতীয় কোন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোনো সীমান্ত নেই?
  1. ত্রিপুরা
  2. মিজোরাম
  3. আসাম
  4. মণিপুর 
সঠিক উত্তর:
মণিপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুর 
ব্যাখ্যা

- ভারতের মণিপুর রাজ্যের সাথে বাংলাদেশ কোনো সীমান্ত সংযোগ নেই।

• বাংলাদেশের সাথে ভারতের সেভেন সিস্টার্সভুক্ত চারটি রাজ্যসহ মোট ৫টি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে। এগুলো হলো:
- পশ্চিমবঙ্গ,
- আসাম,
- মেঘালয়,
- ত্রিপুরা এবং
- মিজোরাম৷

- উল্লেখ্য,
- সেভেন সিস্টার্সভুক্ত মণিপুর, অরুণাচল ও নাগাল্যান্ড রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

১৪.
বাংলাদেশের ও মায়ানমারের সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত অভিন্ন নদী কতটি?
  1. ৬টি 
  2. ৩টি
  3. ৪টি 
  4. ৫টি 
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

আন্তঃসীমান্ত নদী:
- বাংলাদেশ হিমালয় থেকে উৎসরিত ৩টি বৃহৎ নদী:
- গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার পলল দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। এটি পৃথিবীর একটি অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ।
- বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রায় ৪০৫টি নদী প্রবাহিত হচ্ছে।
- এ নদীগুলোর মধ্যে ৫৭টি হচ্ছে আন্তঃসীমান্ত নদী যার মধ্যে ৫৪টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন। 
- এবং ৩টি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে অভিন্ন।
- আবহমানকাল ধরে নদীমাতৃক বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা আবর্তিত হচ্ছে এসকল নদীর পানিকে ঘিরে।
- এ তিনটি নদীর অববাহিকার মোট আয়তন প্রায় ১.৭২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার, যার মাত্র ৭ শতাংশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত।
- এসকল নদীর অন্যান্য অববাহিকাভূক্ত দেশ হচ্ছে ভারত, নেপাল, ভূটান ও চীন।

উৎস: যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট।

১৫.
আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম জেলা- 
  1. নাটোর 
  2. টাঙ্গাইল
  3. মাদারীপুর
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম জেলাঃ 
- ঢাকা বিভাগ বাংলাদেশের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এবং এটি দেশের রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র।
- এখানে সবচেয়ে বেশি ১৩টি জেলা রয়েছে।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম জেলা নারায়ণগঞ্জ এ বিভাগে অবস্থিত।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম বিভাগ এবং জেলা হলো ঢাকা।
- এ বিভাগে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।
- আয়তনে সবচেয়ে বড় বিভাগ চট্টগ্রাম।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এ বিভাগে ১১টি জেলা রয়েছে।
- আয়তন অনুযায়ী বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা রাঙ্গামাটি এবং জনসংখ্যায় বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা বান্দরবন এ বিভাগে অবস্থিত।
- তাছাড়াও দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর এখানে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী নদীর ওপর কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। 

১৬.
যমুনা নদী কোথা থেকে উৎপন্ন হয়েছে?
  1. হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের হিমবাহ
  2. মনালী হিমবাহ
  3. গঙ্গোত্রী হিমবাহ
  4. কাঞ্চনজঙ্ঘা হিমবাহ
সঠিক উত্তর:
হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের হিমবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের হিমবাহ
ব্যাখ্যা

যমুনা (ব্রহ্মপুত্র):
- হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের একটি হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- তারপর তিব্বত ও আসামের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ রংপুর অঞ্চলের কুড়িগ্রামের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ময়মনসিংহের দেওয়ানগঞ্জের কাছে এটি দুটি শাখায় বিভক্ত হয়।
- একটি যমুনা নামে প্রবাহিত হয়ে গোয়ালন্দের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- অপর শাখা পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে ময়মনসিংহের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরবের নিকট মেঘনায় পতিত হয়েছে। জানা যায়, দুইশত বৎসর আগে এটিই ব্রহ্মপুত্রের মূল গতিধারা ছিল।

• উপনদী: তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, কালজানি, তোরসা, জলঢাকা, নাগর, দুপচাপিয়া, যমুনেশ্বরী, রায়ঢাক, ধবলা, ঘাঘট, বাঙালি, বড়াল, গঙ্গা, নারদ নদ, ধবল বা দুধকুমার, তুলসী গঙ্গা, শিব বরনাই।

• শাখা নদী: ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা।

উৎস: অর্থনৈতিক ভূগোল, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
নিচের কোন জেলাটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যর সংলগ্ন নয়? 
  1. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের বান্দরবান জেলাটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য সংলগ্ন অবস্থান নয়।

ভারতের রাজ্য: 
• বাংলাদেশের সংলগ্ন জেলা 
- আসাম ৪টি (কুড়িগ্রাম, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও মৌলভীবাজার)
- ত্রিপুরা ৭টি (ফেনী, কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি)
- মেঘালয়: ৪টি (নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ, শেরপুর ও জামালপুর)
- মিজোরাম: ১টি (রাঙ্গামাটি)
- অপরদিকে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের জেলা ৯টি। যথা: মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, উত্তর চব্বিশ পরগোনা, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, কুচবিহার ও দার্জিলিং।
- বাংলাদেশ সীমান্তের বিপরীতে মিয়ানমারের চিন প্রদেশের মংডু শহর অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৮.
দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল কোথায় অবস্থিত? 
  1. আদিতমারী, লালমনিরহাট
  2. পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
  3. কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট
  4. হাতীবান্ধা, লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল:
- লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল ছিল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল,
- যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- পাকিস্তান আমল পেরিয়ে বাংলাদেশ আমল পর্যন্ত তিন বিঘা হস্তান্তর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের অনেক বৈঠক এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয় এবং ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ আগস্ট এখানে ইউনিয়ন পরিষদের শুভ উদ্বোধন ঘটে।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৯.
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিতে সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি কোথায় দেখা যায়?
  1. সিলেট অঞ্চলের হাওড়
  2. চলনবিল
  3. মাদারিপুর বিল
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি।
- এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত।
- স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- হাওর এলাকা: উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জ জেলার নিচু প্লাবন ভূমি।
-  চলনবিল, মাদারিপুর বিল ও সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২০.
পদ্মা ও মেঘনা নদী কোথায় মিলিত হয়েছে?
  1. কিশোরগঞ্জ
  2. রাজশাহী
  3. ঢাকা
  4. চাঁদপুর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুর
ব্যাখ্যা

পদ্মা নদী:
- গঙ্গা বিশ্বের ৩০তম দীর্ঘতম নদী (২৬০০ কি.মি.)।
- হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভ করে ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার ধুলিয়ান নামক স্থানে ভাগিরথী (বা হুগলি নদী) নামে এর একটি শাখা বের হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- মূল গঙ্গা নদীটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী জেলার দড়িাণ-পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার (৯০ মাইল) (সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ) /১৪৪ কি.মি. (সূত্র: উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল) পর্যনত্ম পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম দিক দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- বাংলাদেশে প্রবেশ করার পর এর নাম হয়েছে পদ্মা।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম ও গভীরতম নদী।
- তারপর এটি দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলায় আরিচার নিকট গোয়ালন্দের কাছে যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- এ মিলিত স্রোত পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরের নিকট মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বরিশাল ও নোয়াখালী জেলা হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- পদ্মার অপর নাম কীর্তিনাশা। বাংলাদেশে গঙ্গা-পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের পরিমাণ প্রায় ৩৪,১৮৮ বর্গকিলোমিটার (সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ) যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ২৩.১৭%।
- উপনদী: মহানন্দা (প্রধান উপনদী), ট্যাঙ্গন, পুনর্ভবা, নগর, কুলিক।
- শাখানদী: মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি, নবগঙ্গা, কালীগঙ্গা চিত্রা তেঁতুলিয়া বিষখালী কীর্তনখোলা ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।