পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়15 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১১ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিকসমূহ: ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি। ৫. ডাটাবেজ সিস্টেম ও এর উপাদান, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ৬. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার অপরাধ ও এর প্রতিকার ইত্যাদি। ৭. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক [ল্যান, ম্যান, ওয়াই-ফাই, ওয়াইম্যাক্স] ও ইন্টারনেটের ধারণা ও বিবর্তন। ৮. ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW), নিত্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তি: ই-মেইল, ফ্যাক্স ইত্যাদি ও দৈনন্দিন জীবনে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
কোনটি Hardware এর উদাহরণ নয়?
  1. মাউস
  2. কীবোর্ড
  3. উইন্ডোজ
  4. মনিটর
ব্যাখ্যা

‘উইন্ডোজ’ Hardware এর উদাহরণ নয়, এটি software এর একটি উদাহরণ।

উইন্ডোজ 
-এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার (Operating System Software), যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।

হার্ডওয়্যার (Hardware)- যে সকল যন্ত্রাংশ দিয়ে কম্পিউটার তৈরি করা হয় এদেরকে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার বলে।
যেমন: কীবোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, মনিটর, মডেম ইত্যাদি।

সফটওয়্যার (software)- কম্পিউটারের প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টিকে সফটওয়্যার বলে।
যেমন: উইন্ডোজ, এম এস ওয়ার্ড, এক্সেল ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল)

.
ARPANET কী?
  1. একটি ওয়েবসাইট
  2. একটি সার্চ ইঞ্জিন
  3. একটি কম্পিউটার
  4. একটি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট:
- ARPANET হল - একটি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক।
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো 'Advanced Research Projects Agency Network'
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
হেক্সাডেসিমেলে ‘E’ এর সমুতল্য বাইনারি মান কত?
  1. ১০১০
  2. ১১০১
  3. ১১০০
  4. ১১১০
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেলে ‘E’ এর সমুতল্য বাইনারি মান ১১১০

শূন্য সহ ১ থেকে F পর্যন্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে ৪ (চার) বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যায়। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অংককে ৪ (চার) বিতের বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলেই বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।

- হেক্সাডেসিমেলে A এর সমুতল্য বাইনারি মান ১০১০
- হেক্সাডেসিমেলে C এর সমুতল্য বাইনারি মান ১১০০
- হেক্সাডেসিমেলে D এর সমুতল্য বাইনারি মান ১১০১

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে কোনটি?
  1. Hard disk
  2. CPU
  3. Monitor
  4. Pen Drive
ব্যাখ্যা
CPU ( Central Processing Unit) ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে থাকে।

CPU ( Central Processing Unit):
CPU হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা “ব্রেইন”। এটি ইনপুট ডিভাইস থেকে আসা তথ্য নিয়ে গণনা, বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ফলাফল প্রদান করে।

CPU-এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে:
১। CU (Control Unit)- পুরো কম্পিউটারের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। নির্দেশ দেয় কে কখন কী করবে।
২। ALU (Arithmetic Logic Unit)- গাণিতিক ও যুক্তিগত কাজ করে। যেমন: যোগ, বিয়োগ, তুলনা ইত্যাদি।
৩️। Memory unit - সাময়িকভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে প্রসেসিংয়ের সময়।

Hard disk, Monitor এসব আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ।
Pen Drive  ইনপুট- আউটপুট ডিভাইস

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
.
ASCII কোডের বিটের সংখ্যা?
  1. ১৬
  2. ১০
ব্যাখ্যা
ASCII কোড ৭ বিটের হয়ে থাকে।

আলফানিউমেরিক কোড: বর্ণমালা (A–Z, a–z), সংখ্যা (0–9) এবং বিশেষ চিহ্ন (+, -, *, /, &, @, %, ইত্যাদি) জন্য ব্যবহৃত কোডকে আলফানিউমেরিক কোড বলে
সাধারণত নিচের কোডিং পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করা হয়
- ASCII (American Standard Code for Information Interchange)
- EBCDIC (Extended Binary Coded Decimal Interchange Code)
- Unicode

• ASCII (American Standard Code for Information Interchange) কোড ৭ বিট নিয়ে গঠিত।
• EBCDIC কোড ৮ বিট নিয়ে গঠিত।
• Unicode কোড  ২ বাইট বা ১৬ বিটের  নিয়ে গঠিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
WWW বলতে বোঝায়-
  1. একটি ওয়েব ভিত্তিক সেবা
  2. একটি অপারেটিং সিস্টেম
  3. একটি সার্চ ইঞ্জিন
  4. একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল
ব্যাখ্যা
WWW একটি ওয়েব ভিত্তিক সেবা

WWW :
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web এটিকে সাধারণত ওয়েব বলে
- WWW এর উদ্ভাবক টিম বার্নারস-লি ১৯৯১ সালে সবার জন্য WWW ওয়েব সেবা চালু করেন।
- এই ওয়েব সার্ভারগুলোতে সারাবিশ্বের ওয়েব পেইজগুলো সংরক্ষিত থাকে।
- ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে প্রবেশ ও তথ্য পাওয়া যায়।
- তথ্যগুলো পেতে ব্যবহারকারিদের বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয়,যাকে বলা হয় ওয়েব ব্রাউজার।

• বর্তমানে ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার হলো: 
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, 
- মজিলা ফায়ারফক্স, 
- নেটস্কেপ নেভিগেটর। 

অন্যদিকে, 
Google, Bing, Yahoo হলো সার্চ ইঞ্জিন।
অপারেটিং সিস্টেম হলো Windows, Linux, macOS ইত্যাদি।
প্রোটোকল বলতে বোঝায় TCP/IP, HTTP, FTP ইত্যাদি।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ই-মেইল এড্রেসের ডোমেন অংশ কী নির্দেশ করে?
  1. ব্যবহারকারীর লোকেশন
  2. ব্যবহারকারীর নাম
  3. ই-মেইল পরিষেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান
  4. মেসেজের বিষয়বস্তু
ব্যাখ্যা
ই-মেইলে ডোমেন অংশটি ব্যবহারকারীর মেইল সার্ভার বা পরিষেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের নাম নির্দেশ করে।

• E-mail
- E-mail এর পূর্ণরূপ Electronic Mail.
- E-mail হল  ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি সংবাদ আদান-প্রদান ব্যবস্থা।
- এ ব্যবস্থায় একজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর চিঠি (মেইল), ডকুমেন্ট বা অন্য যে কোন প্রকার তথ্য পৃথিবীর যে কোন স্থানে অবস্থিত অপর এক বা একাধিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে তড়িৎ গতিতে পাঠানো যায়।

• ই-মেইল এ্যাড্রেস-
- মেইল পাঠানোর জন্য প্রাপকের নাম বা পরিচিতিমূলক অন্য কোন শব্দ সম্বলিত ঠিকানাকে ই-মেইল এ্যাড্রেস বলা হয়।
- এরূপ কতগুলো ই-মেইল এ্যাড্রেস হলোঃ
xyz@yahoo.com,
abc@gmail.com ইত্যাদি।
-ই-মেইল এ্যাড্রেসের প্রত্যেকটি অক্ষর ইংরেজি ছোট হাতের হয়।

ই-মেইল এ্যাড্রেস তিনটি অংশে বিভক্ত:
প্রথম অংশ প্রাপকের নিজ নাম বা প্রতিষ্ঠান বা তার সংক্ষিপ্ত রূপ,
দ্বিতীয় অংশ ডোমেইন বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী সার্ভার কম্পিউটারের নাম নির্দেশ করে।
প্রথম অংশ এবং দ্বিতীয় অংশের মধ্যে @ (এ্যটদিরেট) এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় অংশের মধ্যে ডট (.) চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। 
উদাহরণ: rahim123@gmail.com
rahim123 → এটি ব্যবহারকারীর নাম (Username)
gmail.com → এটি ডোমেন অংশ (Domain part)

উৎস:  মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
BIOS-এর প্রধান কাজ কোনটি?
  1. ফাইল প্রিন্ট করা
  2. কম্পিউটার চালুর সময় হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করা
  3. সফটওয়্যার ইনস্টল করা
  4. ইন্টারনেট সংযোগ করা
ব্যাখ্যা
BIOS-এর প্রধান কাজ হচ্ছে কম্পিউটার চালুর সময় হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করা।

BIOS:

- BIOS এর পূর্ণ রূপ Basic Input Output System।
- কম্পিউটারের একটি মৌলিক সফটওয়্যার যা কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় প্রথমে কার্যকর হয়। 
- এটি একধরনের চিপ, যেখানে কিছু বিশেষ নির্দেশ বা প্রোগ্রাম সংরক্ষিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার উপাদানগুলো পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রস্তুত করে।
-কম্পিউটার চালুর সময় RAM, কীবোর্ড, ডিস্ক ড্রাইভ, ডিসপ্লে ইত্যাদি হার্ডওয়্যারগুলো ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করা একে POST (Power On Self Test) বলে। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
.
কি-বোর্ডে কয়টি ফাংশন কী রয়েছে?
  1. ১০৫
  2. ১০৬
  3. ১২
  4. ১১
ব্যাখ্যা
কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।

-কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।
ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

F1 – F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:

- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে  দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইঙ্গরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
১০.
ট্রোজান এ্যাটাক কী কাজ করে?
  1. সিস্টেমের তথ্য চুরি করে
  2. সিস্টেমের কন্ট্রোল পরোক্ষভাবে গ্রহণ করে
  3. সিস্টেমের নিরাপত্তা বাড়ে
  4. ডেটা মুছে ফেলে
ব্যাখ্যা
ট্রোজান এ্যাটাকের যে কেউ কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করতে পারে।

সাইবার অপরাধ:

কোন অপরাধমূলক কাজ যেখানে কম্পিউটারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয় কিংবা অপরাধের জন্য কম্পিউটারকে টার্গেট করা হয় অথবা কম্পিউটারের দ্বারা অপরাধ করার পরবর্তীতে তার সাপেক্ষে অন্য কোনো অপরাধ করা হয়, এ সকল অপরাধই সাইবার ক্রাইমের অন্তর্ভুক্ত।

সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
১. কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
২. ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
৩. ই-মেইল বম্বিং।
৪. বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।
৫. Data didling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
৬. Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
৭. Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
৮. ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
৯. লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
১০. ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা)।
১১. ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
১২. ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল)
১১.
স্মার্ট হোমে কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিভাইসগুলি একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে?
  1. অপটিকাল কেবল
  2. আইওটি
  3. সিঙ্গল-মোড ফাইবার
  4. মাল্টি-মোড ফাইবার
ব্যাখ্যা
স্মার্ট হোমে আইওটি (IOT) মাধ্যমে ডিভাইসগুলি একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে।

স্মার্ট হোম:
-স্মার্ট হোম হলো একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বিভিন্ন গ্যাজেট বা ডিভাইস নিয়ন্ত্রিত হয়।
-এতে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যেমন লাইট, এসি, ফ্যান, হোম সিকিউরিটি সিস্টেম, ইত্যাদি ইন্টারনেট বা অন্যান্য স্মার্ট প্রযুক্তি দ্বারা পরিচালিত হয়।

IOT (Internet of Things)
- IOT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে। 
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
১২.
ডেটাবেজের উপাদান নয় কোনটি?
  1. ফিল্ড
  2. টেবিল
  3. চার্ট
  4. রেকর্ড
ব্যাখ্যা
চার্ট ডাটা বেজের উপাদান নয়।

ডেটাবেজ
ডেটাবেজ হচ্ছে ডেটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি, যা সহজে ব্যবহার, ব্যবস্থাপনা ও আধুনিকীকরণ করা যায়।

ডেটাবেজের উপাদানসমূহ:
- ডেটা (Data):
ডেটা হলো তথ্যের একক। এটি টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডে সংরক্ষিত থাকে। 
- ফিল্ড (Field):
ফিল্ড হলো ডেটাবেজ টেবিলের কলাম বা গুণের নাম।
- রেকর্ড (Record):
একটি রেকর্ড হলো একটি সারি বা রো, যা একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত।
- ডেটা টেবিল (Data Table):
সমজাতীয় রেকর্ডের সমষ্টিকে বলা হয় ডেটা টেবিল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
১৩.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) এর উদাহরণ-
  1. MS Word
  2. Oracle
  3. SQLite
  4. খ+গ
ব্যাখ্যা
Oracle ও SQLite এই দুইটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) এর উদাহরণ।

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite)ইত্যাদি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
১৪.
Secondary Memory- এর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. সিপিইউ এর সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে না
  2. তথ্য স্থায়ী ভাবে সংরক্ষণ করা যায় না
  3. ধারণক্ষমতা অত্যাধিক
  4. সহজে পরিবহন করা যায়
ব্যাখ্যা
• গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- প্রধান মেমরি ব্যতিত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে। যেমন: Hard Disk, Pen Drive ইত্যাদি।

• Secondary Memory বা সহায়ক মেমরি- এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১) কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না।
২) যেকোনো তথ্য বা প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
৩) ধারণক্ষমতা অত্যধিক।

৪) সহজে পরিবহন করা যায়।
৫) পুরাতন তথ্য মুছা যায় এবং নতুন তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
৬) কম্পিউটার বন্ধ করলে বা বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে সংরক্ষিত তথ্যসমূহ সাধারণত মুছে যায় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৫.
কোনটি ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ নয়?
  1. ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন
  2. ডেটাবেজ রেকর্ড
  3. ডেটাবেজ তৈরি
  4. ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ রেকর্ড ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ নয়

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite)ইত্যাদি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
১৬.
WiMAX প্রযুক্তি সর্বোচ্চ কত কিলোমিটার পর্যন্ত কভারেজ দিতে পারে?
  1. ২০ কি.মি.
  2. ২০০ কি.মি.
  3. ৫০ কি.মি.
  4. ৫০০ মিটার
ব্যাখ্যা
WiMAX প্রযুক্তি সর্বোচ্চ  ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত কভারেজ দিতে পারে।

WiMAX
- WiMAX এর পূর্ণরূপ - Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- WiMAX হলো একটি তারবিহীন বিস্তৃত এলাকার নেটওয়ার্ক (Wireless Broadband Network) প্রযুক্তি, যা দীর্ঘ দূরত্বে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে।
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে।
- এটি তে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।
- এর গতি অনেক বেশি। দুরত্বের উপর ভিত্তি করে ১০-১০০ মেগাবিট/সেকেন্ড হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান
১৭.
LAN কোন ধরণের নেটওয়ার্ক?
  1. জাতীয়
  2. স্থানীয় এলাকার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. বিস্তৃত এলাকার
ব্যাখ্যা
LAN (Local Area Network) হলো এমন একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা সীমিত বা স্থানীয় কোনো এলাকা — যেমন একটি ঘর, অফিস, স্কুল, কলেজ, বা বিল্ডিং-এর মধ্যে ব্যবহৃত হয়। এটি তুলনামূলকভাবে ছোট পরিসরে কাজ করে এবং কম খরচে দ্রুতগতির সংযোগ প্রদান করে।

Local Area Network:
- LAN এর অপর নাম নেটওয়ার্ক ইন্তারফেস কার্ড
-১ কিমি বা তার কম দূরত্ব পর্যন্ত কার্যকর।
- Wi-Fi router এর মাধ্যমে অফিসে কম্পিউটার সংযোগ।
-তারবিহীন প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যান তৈরি করা গেলে তাকে WLAN বলে।
-এটি IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে।
- LAN এর টপোলজি সাধারণত স্টার, রিং কিংবা ব্রডকাস্ট চ্যানেল মেথোডে হয়ে থাকে।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
১৮.
ভাইরাস ছড়ানোর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ পদ্ধতি কোনটি?
  1. ক্লাউড
  2. ফায়ারওয়াল
  3. ওয়ার্ম
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ম হচ্ছে ভাইরাস ছড়ানোর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ পদ্ধতি।

সাইবার অপরাধ (Different cyber crimes):
কোন অপরাধমূলক কাজ যেখানে কম্পিউটারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয় কিংবা অপরাধের জন্য কম্পিউটারকে টার্গেট করা হয় অথবা কম্পিউটারের দ্বারা অপরাধ করার পরবর্তীতে তার সাপেক্ষে অন্য কোনো অপরাধ করা হয়, এ সকল অপরাধই সাইবার ক্রাইমের অন্তর্ভুক্ত।

নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা
- বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা
- ই-মেইল বম্বিং
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা
- Data didling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা)
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২ এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল)
১৯.
কোন সফটওয়্যারের সাহায্যে ডেটা সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা যায়?
  1. উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. ডেটাবেজ সফটওয়্যার
  4. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ সফটওয়্যারের সাহায্যে ডেটা সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা যায়।

ডেটাবেজ সফটওয়্যার:
যে সফটওয়‍্যারের সাহায্যে কোনো ডেটা সংরক্ষণ করে প্রয়োজন অনুসারে ঐগুলো সাজানো বা অন্য কাজে লাগানো যায়, তাকে ডেটাবেজ সফটওয়‍্যার বলা হয়।

- স্প্রেডশিট সফটওয়্যার ব্যবহার হয় সংখ্যা বিশ্লেষণ, হিসাব-নিকাশ, চার্ট তৈরি, ও ফর্মুলা ব্যবহারে।
- অপারেটিং সিস্টেম (OS) হলো কম্পিউটারের সমস্ত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় করা।
- উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার হলো মাল্টিমিডিয়া প্লেয়ার সফটওয়্যার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২০.
কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধিতে RAM বাড়ানো হয় কী কারণে?
  1. কারণ এতে ডেটা লোড ধীরে হয়
  2. কারণ এতে ভাইরাস কমে
  3. কারণ এতে ডেটা লোড দ্রুত হয়
  4. কারণ এতে হার্ডড্রাইভ কাজ করে
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর অন্যতম সহজ উপায় হলো RAM বাড়ানো। এতে ডেটা প্রসেসিং দ্রুত হয় এবং কম্পিউটার দ্রুত সাড়া দেয়।

কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ:
-উপযুক্ত স্থান নির্বাচন: ধুলাবালি ও স্যাঁতসেঁতে মুক্ত, আলো-বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে কম্পিউটার রাখতে হবে।
- অপ্রয়োজনীয় ফাইল ও সফটওয়্যার অপসারণ: Cleaner সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফাইল ও অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার মুছে ফেলতে হবে।
- আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার: সর্বশেষ ভার্সনের অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল ও নিয়মিত স্ক্যান চালাতে হবে।
- বাড়তি RAM সংযোজন: কম্পিউটারের গতি বাড়াতে অতিরিক্ত RAM লাগানো উচিত।
- সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার: SSD ব্যবহারে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত কাজ করে।
- স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমানো: msconfig দিয়ে স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমিয়ে গতি বাড়ানো যায়।
- তথ্য ব্যাকআপ রাখা: প্রয়োজনীয় ফাইল সিডি/ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখতে হবে।
- ডায়াগনস্টিক সফটওয়্যার ব্যবহার: Norton Disk, MakeApp, PC Tools দিয়ে ডিস্ক ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধান করতে হবে।
- ক্লিন উইন্ডোজ ইনস্টল: ভাইরাস ও সফটওয়্যার বেশি থাকলে নতুনভাবে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে।
- ব্রাউজারের ক্যাশ পরিষ্কার: Regular ক্লিয়ার হিস্টরি অপশনে গিয়ে ক্যাশ মুছে ফেলতে হবে।
- সার্চ ইনডেক্স রিফ্রেশ: দ্রুত ফাইল খুঁজতে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার চালু রাখতে হবে (সপ্তাহে ১ বার)।
- রিস্টার্ট করা: দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পর রিস্টার্ট করলে গতি ঠিক থাকে।
- রাউটারের যত্ন: নিয়মিত পরিচর্যা ও সংযোগ সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনায় রাখতে হবে।

সোর্স: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
DBMS এর পূর্ণরূপ-
  1. Database Management Software
  2. Database Management System
  3. Data Management System
  4. Data Management Software
ব্যাখ্যা
DBMS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Database Management System.

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite), ইত্যাদি।

DBMS (Database Management System) এর প্রধান কাজসমূহ:
১. ডেটাবেজ তৈরি, ডেটা এন্ট্রি ও সংরক্ষণ করা।
২. ভুল ডেটা খুঁজে সংশোধন করা।
৩. অপ্রয়োজনীয় রেকর্ড/ডেটা মুছে ফেলা।
৪. নির্দিষ্ট ডেটা অনুসন্ধান ও কুয়েরি চালানো।
৫. রিপোর্ট তৈরি ও প্রিন্ট করা।
৬. ডেটা Ascending/Descending (উর্ধ্বক্রম/নিম্নক্রম) অনুযায়ী সাজানো।
৭. একই ডেটা বারবার না আসে, সেটা নিশ্চিত করা (Duplication কমানো)।
৮. প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটাবেজ বা এর অংশবিশেষ প্রিন্ট করা।
৯. ডেটাবেজ আপডেট রাখা।
১০. ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও কে ব্যবহার করবে তা নিয়ন্ত্রণ করা।
১১. ডেটার ব্যাকআপ রাখা ও প্রয়োজনে রিকভারি করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২২.
(১২৭) কে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করলে সংখ্যাটি হবে-
  1. ৫৫
  2. ৫৭
  3. ২৭
  4. ১২
ব্যাখ্যা

অক্টাল (৮-ভিত্তিক) সংখ্যা (127)8 কে হেক্সাডেসিমাল (১৬-ভিত্তিক) সংখ্যায় রূপান্তর করতে নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করা হলো:

ধাপ ১: অক্টাল থেকে বাইনারি (Binary) রূপান্তর
প্রতিটি অক্টাল ডিজিটকে ৩-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করুন।

1 → 001
2 → 010
7 → 111

সুতরাং, (127)8 = 001 010 1112
(অপ্রয়োজনীয় শূন্য বাদ দিলে: 1010111₂)

ধাপ ২: বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেল রূপান্তর
বাইনারি সংখ্যাটিকে ডান থেকে বামে ৪-বিটের গ্রুপে ভাগ করুন (প্রয়োজনে বাম দিকে শূন্য যোগ করুন)।

প্রদত্ত বাইনারি: 1010111
গ্রুপিং করার জন্য বামে একটি শূন্য যোগ করি: 01010111

0101 → 5
0111 → 7

সুতরাং, (127)8 = 5716

২৩.
নিম্নের কোনটি Secondary Memory এর উদাহরণ?
  1. RAM
  2. Cache Memory
  3. Hard Disk
  4. Register
ব্যাখ্যা
Hard Disk হলো Secondary Memory এর উদাহরণ।

কম্পিউটার মেমরি:
কম্পিউটারের মেমোরি হলো এমন একটি অংশ যেখানে ডেটা, প্রোগ্রাম ও নির্দেশনা সাময়িক বা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। মেমোরির মাধ্যমে কম্পিউটার কাজ করার সময় প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে।

কম্পিউটার মেমরির প্রকারভেদ:
 ১. প্রাথমিক মেমরি (Primary Memory)
এটি কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি, যা সরাসরি CPU-এর সঙ্গে যুক্ত থাকে। এটি দ্রুত কাজ করে এবং ডেটা সাময়িকভাবে ধরে রাখে।

প্রাথমিক মেমোরির উদাহরণ:
- RAM (Random Access Memory),
- ROM (Read Only Memory),
- Cache Memory,
- Register.

২. গৌণ মেমরি মেমোরি (Secondary Memory)
- এতে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।
-কম্পিউটার বন্ধ করলেও এই মেমোরির তথ্য মুছে যায় না।

গৌণ মেমোরির উদাহরণ:
- Hard Disk (HDD/SSD),
- CD/DVD,
- Memory Card.
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪.
ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন দূরত্বে অবস্থানরত রোগীকে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াকে কী বলা হয়?
  1. টেলিমেডিসিন
  2. ইলেকট্রোমেডিসিন
  3. টেলিপ্রেজেন্স
  4. ইলেকট্রিক মেডিকেল
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন দূরত্বে অবস্থানরত রোগীকে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলে।

টেলিমেডিসিন: 
-ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন দূরত্বে অবস্থানরত রোগীকে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলে। 
-এই সেবার মাধ্যমে রোগী এবং চিকিৎসক সরাসরি সাক্ষাৎ না করে, মোবাইল ফোন, ভিডিও কল, ইমেইল বা অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করে রোগ নির্ণয়, পরামর্শ ও চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন।
-ইলেকট্রোমেডিসিন: ইলেকট্রোমেডিসিন হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের এমন একটি শাখা, যেখানে বিদ্যুৎ বা বৈদ্যুতিক তরঙ্গ ব্যবহার করে রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও ব্যথা উপশম করা হয়। এটি আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং অনেক ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার ছাড়াই চিকিৎসার সুযোগ করে দেয়।

টেলিপ্রেজেন্স:
-টেলিপ্রেজেন্স বলতে একগুচ্ছ প্রযুক্তিকে বুঝায় যার ব্যবহারের ফলে একজন মানুষকে টেলিরোবটিক্স এর মাধ্যমে তার বাস্তব অবস্থানের বদলে অন্য কোনো জায়গায় উপস্থিত থাকার বাস্তব অনুভূতি জাগায়। 

ইলেকট্রিক মেডিকেল বলতে কিছু নেই।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।