পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
সাধারণ বিজ্ঞান: টপিকসমূহ: ভৌত বিজ্ঞান: (রসায়ন বিজ্ঞান বিষয়ক) মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, পদার্থের দ্রবণ ধর্ম ও দ্রাব্যতা, সাবানের কাজ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, ব্যাপন, অভিস্রবণ, প্রস্বেদন, তড়িৎ কোষ, অজৈব ও জৈব যৌগ, পলিমার। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির রসায়ন বিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
নিম্নের কোনটি পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থান করে?
  1. ক) ইলেকট্রন
  2. খ) নিউক্লিয়াস
  3. গ) আংশিক ভর
  4. ঘ) ফাঁকা স্থান
ব্যাখ্যা
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়।
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। যেমন: ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন।
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। আর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 

ইলেকট্রন: পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন। সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান হলো ইলেকট্রন। এর ভর অতি সামান্য। একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় 1840 গুণ হালকা। ইলেকট্রন একক ঋনাত্মক তড়িৎধর্মী কণা। ইলেকট্রনের সংকেত e¯। ইলেকট্রনের আসল ভর ও প্রকৃত আধান যথাক্রমে 9.11×10-28 g ও -1.60×10-19 C। আপেক্ষিক আধান -1।

প্রোটন
: ইলেকট্রনের মত প্রোটনও সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা। এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে। হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়। ইহার সংকেত H+। প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান। প্রোটনের আসল ভর ও আধান যথাক্রমে 1.67×10-24 g ও 1.60×10-19 C। প্রোটনের আপেক্ষিক ভর 1 একক। প্রোটনের আরেকটি সংকেত P। আপেক্ষিক আধান +1।

নিউট্রন: নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা। ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন। ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n। নিউট্রনের আসল ভর 1.675×10-24 g। আপেক্ষিক আধান শূন্য।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জৈব যৌগের নামকরণের ক্ষেত্রে সর্ব প্রথম সম্মেলন হয়েছিল কোন শহরে?
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) জেনেভা
  3. গ) হেগ
  4. ঘ) লন্ডন
ব্যাখ্যা
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ। যেমন: মিথেন (CH4), মিথানল (CH3OH), অ্যানিলিন (C6H5NH2) ইত্যাদি।
- সাধারণ বা উদ্ভূত পদ্ধতিতে জৈব যৌগের নামকরণে যথেষ্ট সীমাবদ্ধতা থাকায় এবং দিন দিন জৈব যৌগের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় এদের নামকরণের সার্বজনীন পদ্ধতি প্রবর্তনের প্রয়োজন দেখা দেয়।
- ১৮৯২ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন রসায়নবিদদের এক সম্মেলনে সর্ব প্রথম জৈব যৌগের নামকরণের একটি সহজ ও কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। 
-  জৈব যৌগের নামকরণের এই নীতিমালা আন্তর্জাতিক পদ্ধতি বা জেনেভা পদ্ধতি বা IUPAC (International Union of Pure and Applied Chemistry) পদ্ধতি নামে পরিচিত। এ পদ্ধতিটি আধুনিক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও শ্রেষ্ঠ।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সমগোত্রীয় শ্রেণির যৌগগুলোর মধ্যে যে বৈশিষ্ট্য দেখা যায় তা হলো-
  1. ক) একই কার্যকরী মূলক
  2. খ) একই আণবিক ওজন
  3. গ) ক্যাটিনেশন
  4. ঘ) সমাবয়বতা
ব্যাখ্যা
সমগোত্রীয় শ্রেণি:
- কার্বনের ক্যাটেনেশন ধর্মের কারণে কার্বন যৌগ তথা জৈব যৌগের সংখ্যা আট মিলিয়নের অধিক। জৈব যৌগসমূহকে গঠন ও ধর্মের সাদৃশ্যের ভিত্তিতে কথিপয় সমধর্মী যৌগ শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। এ সব সমধর্মী যৌগ শ্রেণির নাম সমগোত্রীয় শ্রেণি। যেমন: অ্যালকেন (CnH2n+2) একটি সমগোত্রীয় শ্রেণি। 
- সমগোত্রীয় শ্রেণির মৌলসমূহ অভিন্ন মৌল দ্বারা গঠিত।
- একটি সাধারণ সংকেত দ্বারা সমগোত্রীয় শ্রেণির মৌলসমূহকে প্রকাশ করা যায়।
- আণবিক ভরের ভিত্তিতে পাশাপাশি দুটি সমগোত্রকের মধ্যে -CH2- মূলকের পার্থক্য বিদ্যমান।
- প্রত্যেক সমগোত্রীয় শ্রেণির একটি নির্দিষ্ট কার্যকরীমূলক থাকে
- সমগোত্রীয় শ্রেণির মৌলসমূহের রাসায়নিক ধর্মে সাদৃশ্য বিদ্যমান।
- একই সাধারণ নিয়মে সমগোত্রীয় শ্রেণির মৌলসমূহ তৈরি করা যায়।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সেলুলোজ থেকে কোনটি প্রস্তুত করা হয়?
  1. ক) তুলা
  2. খ) রেশম
  3. গ) রেয়ন
  4. ঘ) পশম
ব্যাখ্যা
রেয়ন
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাকৃতিক উদ্ভিজ সেলুলোজ থেকে রেয়ন প্রস্তুত করা হয়। 
- কৃত্রিম তন্তুর মধ্যে রেয়ন হলো প্রথম ও প্রধান তন্তু। 
- রেয়ন বস্ত্র মোটামুটি টেকসই হলেও বেশ সুন্দর, উজ্জ্বল, অভিজাত ও মনোরম।
- অধিক তাপে রেয়ন গলে যায়। তাই রেয়ন বস্ত্র কম তাপে সতর্কতার সাথে ইস্ত্রি করা উচিত। 
- রেয়ন তৈরির উপজাত পরিবেশের জন্য হুমকি। রেয়ন শিল্পে পরিবেশ বান্ধব প্রস্তুতি নিতে হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বায়ুমণ্ডলীয় চাপে পলিথিন তৈরি করা হয় নিচের কোন প্রভাবক ব্যবহার করে?
  1. ক) NO
  2. খ) N2
  3. গ) O2
  4. ঘ) V2O5
ব্যাখ্যা
পলিমারকরণ:
- কৃত্রিম পলিমারগুলো  পরীক্ষাগারে বা শিল্প-কারখানায় কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত করা হয়।
- যে প্রক্রিয়ায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মনোমার যুক্ত হয়ে উচ্চ আণবিক ভরবিশিষ্ট বৃহদাকার অণু তৈরি হয় তাকে পলিমারকরণ (Polymerisation) বলে। সাধারণত পলিমারকরণে উচ্চচাপ ও তাপের প্রয়োজন হয়।
- দুটি মনোমার একসাথে যুক্ত হয়ে ডাইমার তৈরি হয়, অনুরূপভাবে তিনটি মনোমার একসাথে যুক্ত হয়ে ট্রাইমার এবং অসংখ্য বা n সংখ্যক মনোমার একসাথে যুক্ত হয়ে পলিমার তৈরি হয়।
       ১টি মনোমার + ১টি মনোমার → মনোমার-মনোমার বা (মনোমার)
       ১টি মনোমার + ১টি মনোমার + ১টি মনোমার → মনোমার-মনোমার-মনোমার বা (মনোমার)
       n মনোমার → (মনোমার)n
- ইথিলিন গ্যাসকে ১০০০-১২০০ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ২০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে পলিথিন উৎপন্ন হয়। তবে বিক্রিয়াটি দ্রুত করার জন্য অক্সিজেন গ্যাসকে প্রভাবক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। উচ্চ চাপ পদ্ধতিটি জটিল হওয়ায় বর্তমানে পদ্ধতিটি ব্যবহার করা হয় না।
- এখন বায়ুমণ্ডলীয় চাপে টাইটেনিয়াম ট্রাইক্লোরাইড (TiCl3) প্রভাবক ব্যবহার করে পলিথিন তৈরি করা হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
তড়িৎ প্রলেপনে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে কী হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) দ্রব
  2. খ) ক্যাথোড
  3. গ) অ্যানোড
  4. ঘ) তড়িৎ বিশ্লেষ্য
ব্যাখ্যা
তড়িৎ প্রলেপন
- তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সুবিধামতো কোনো ধাতুর উপর অন্য কোনো ধাতুর প্রলেপ দেয়াকে তড়িৎ প্রলেপন বলে।
- সাধারণত কোনো ধাতু যেমন: তামা, লোহা, ব্রোঞ্জ ইত্যাদি দিয়ে তৈরি জিনিসকে মরিচা থেকে রক্ষা করার এবং সুন্দর দেখানোর জন্য এদের উপর কখনো সোনা, রূপা, নিকেল ইত্যাদি মূল্যবান ধাতুর প্রলেপ দেয়া হয়।
- যে বস্তুটির ওপর প্রলেপ দিতে হবে সে বস্তুটিকে খুব ভালোভাবে ধুঁয়ে একটি ভোল্টমিটারের ক্যাথোড এবং যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে অ্যানোড করা হয়। 
- প্রলেপ দিতে হবে এমন ধাতুর কোনো লবণের দ্রবণ তড়িৎ দ্রব হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এখন ভোল্টমিটারের মধ্যে তড়িৎ প্রবাহ চালনা করলে ধাতুর তড়িৎ বিশ্লেষণের ফলে ক্যাথোড রাখা বস্তুটির ওপর ধাতুর প্রলেপ পড়ে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
উদ্ভিদের প্রস্বেদন প্রধানত কোনটির মাধ্যমে ঘটে?
  1. ক) কাণ্ড
  2. খ) মূল
  3. গ) পত্ররন্ধ্র
  4. ঘ) পাপড়ি
ব্যাখ্যা
প্রস্বেদন
- প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন উদ্ভিদের একটি বিশেষ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। উদ্ভিদের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য পানি অপরিহার্য। তাই উদ্ভিদ মূলরোমের সাহায্যে মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণ পানি শোষণ করে।
- শোষিত পানির কিছু অংশ উদ্ভিদ তার বিভিন্ন বিপাকীয় কাজে ব্যবহার করে এবং বাকি অংশ বাষ্পাকারে বায়ুমণ্ডলে পরিত্যাগ করে।
- উদ্ভিদের দেহাভ্যন্তর থেকে পাতার মাধ্যমে বাষ্পাকারে পানির এই নির্গমনের প্রক্রিয়াকে প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন বলে।
- উদ্ভিদের প্রস্বেদন প্রধানত পত্ররন্ধের মাধ্যমে ঘটে। এছাড়া কাণ্ড ও পাতার কিউটিকল এবং কাণ্ডের ত্বকে অবস্থিত লেন্টিসেল নামন এক বিশেষ ধরনের অঙ্গের মাধ্যমেও অল্প পরিমাণ প্রস্বেদন হয়।
- প্রস্বেদন কোথায় সংঘটিত হচ্ছে তার ভিত্তিতে প্রস্বেদন তিন প্রকার। যথা:
১। পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন
২। ত্বকীয় বা কিউটিকুলার প্রস্বেদন এবং
৩। লেন্টিকুলার প্রস্বেদন।
- সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে পত্ররন্ধ্র এবং খালি চোখে কাণ্ডের লেন্টিসেল সহজে দেখা যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
.
দ্রবণে সাধারণত কতটি অংশ থাকে?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
ব্যাখ্যা
দ্রবণ
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় দুই বা ততোধিক কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের সমসত্ত্ব মিশ্রণ, যার প্রতিটি উপাদানের আপেক্ষিক পরিমাণ একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত পরিবর্তিত করা যায়, তাকে দ্রবণ বলা হয়। 
- দ্রবণের সাধারণত দুইটি অংশ থাকে। একটি হলো দ্রাবক আর অপরটি হলো দ্রব।
         দ্রবণ= দ্রাবক + দ্রব।
- দ্রবণের প্রতিটি অংশের গঠন, ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম অভিন্ন হয়।
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদান কম পরিমাণে থাকে অর্থাৎ যা দ্রবীভূত হয়, তাকে দ্রব বলা হয়। 
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদানের পরিমাণ বেশি এবং যার মধ্যে দ্রব যোগ করা হয়, তাকে দ্রাবক বলা হয়।
- দ্রব ও দ্রাবকের ভৌত অবস্থার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন প্রকারের দ্রবণ হয়। যথা: 
দ্রাবক        দ্রব          উদাহরণ
গ্যাস           গ্যাস        বায়ু: সাধারণভাবে 78% N2 ও 21% O2। অধিক পরিমাণে N2 এর মধ্যে কম পরিমাণে O2                                        এর মিশ্রণ।
তরল           গ্যাস        সোডা ওয়াটার: পানিতে উচ্চ চাপে CO2 কেন্দ্রীভূত করা হয়।
তরল           তরল        পানি-অ্যালকোহলের দ্রবণ: পানিতে কিছু পরিমাণ অ্যালকোহল দ্রবীভূত করা হয়।
কঠিন          কঠিন       ধাতু সংকর: কপার ও জিংকের সমসত্ত্ব মিশ্রণ।
কঠিন          তরল        পারদ সংকর বা জিংক অ্যামালগাম
কঠিন          গ্যাস        কঠিন প্যালাডিয়াম ধাতু দ্বারা H2 গ্যাস শোষিত হয়।
গ্যাস            তরল        মেঘ: বায়ুতে জলীয় বাষ্প।

উৎস
: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।