পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৬: বিগত ৫টি পরীক্ষার উপর রিভিশন পরীক্ষা [পরীক্ষা – ৩, ৬, ৯, ১২, ১৫]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগ করতে হলে কোন যতিচিহ্ন একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়?
  1. সেমিকোলন এবং ড্যাস
  2. কমা এবং কোলন
  3. কোলন এবং ড্যাস
  4. কোলন এবং হাইফেন
সঠিক উত্তর:
কোলন এবং ড্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোলন এবং ড্যাস
ব্যাখ্যা
• কোলন ড্যাস (:-):
- উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগ করতে হলে কোলন এবং ড্যাস চিহ্ন একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়।
- কোলন ড্যাস চিহ্নের বিরতিকাল - ১ (এক) সেকেন্ড কাল পরিমাণ।
যেমন:
- পদ পাঁচ প্রকার:-
- বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি এবং বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
'পাখি' শব্দের বহুবচন শব্দ কোনটি?
  1. পাখিমালা
  2. পাখিসব
  3. পাখিদাম
  4. পাখিবৃন্দ
সঠিক উত্তর:
পাখিসব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাখিসব
ব্যাখ্যা
প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক শব্দের বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ:
• কুল- কবিকুল, পক্ষিকুল, মাতৃকুল, বৃক্ষকুল ইত্যাদি।
• সকল- পর্বতসকল, মনুষ্যসকল ইত্যাদি।
• সব- ভাইসব, পাখিসব ইত্যাদি।
• সমূহ- বৃক্ষসমূহ, মনুষ্যসমূহ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
দাম- অপ্রাণিবাচক শব্দে ব্যবহৃত হয়। 
বৃন্দ-  মানী পক্ষের বহুবচন করার সময়ে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।
.
'বাঙালি' কোন লিঙ্গ?
  1. ক্লীবলিঙ্গ
  2. পুংলিঙ্গ
  3. উভয়লিঙ্গ
  4. স্ত্রীলিঙ্গ
সঠিক উত্তর:
উভয়লিঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয়লিঙ্গ
ব্যাখ্যা
•  লিঙ্গ:
লিঙ্গ শব্দের অর্থ চিহ্ন বা লক্ষণ। তাই যেসব চিহ্ন বা লক্ষণ দ্বারা শব্দকে পুরুষ, স্ত্রী বা অন্য জাতীয় হিসেবে আলাদা করা যায়, তাকে লিঙ্গ বলে।
লিঙ্গ চার প্রকার।
যথা:
১. পুংলিঙ্গ বা পুরুষবাচক শব্দ। যেমন: বাবা, ছেলে, বিদ্বান, সুন্দর।
২. স্ত্রীলিঙ্গ বা স্ত্রীবাচক শব্দ। যেমন: মা, মেয়ে, বিদুষী, সুন্দরী।
৩. উভয়লিঙ্গ বাচক শব্দ। যেমন: মানুষ, গরু, শিশু, সন্তান, বাঙালি।
৪. ক্লীবলিঙ্গ বা অলিঙ্গবাচক শব্দ। যেমন: বই, খাতা, চেয়ার, টেবিল।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, বাংলা এসেছে-
  1. মাগধী অপভ্রংশ থেকে
  2. মাগধী আর্য থেকে
  3. গৌড়ি প্রাকৃত থেকে
  4. বঙ্গ-কামরুপি থেকে
সঠিক উত্তর:
মাগধী অপভ্রংশ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাগধী অপভ্রংশ থেকে
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ:
- বাংলা ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-গোষ্ঠীর অন্তর্গত ইন্দো-ইরানীয় শাখাভুক্ত নব্য-ভারতীয় আদি আর্য ভাষা।
- মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে গৌড়ি প্রাকৃত থেকে গৌড়ি অপভ্রংশ হয়ে বঙ্গ-কামরুপির মধ্য দিয়ে বাংলা এসেছে।
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, বাংলা এসেছে মাগধী প্রাকৃত থেকে মাগধী অপভ্রংশ হয়ে।
- ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে ভাষা গবেষকদের মধ্যে ড. শহীদুল্লাহর মতামতটি অধিক গ্রহণযোগ্য। অন্যান্য পণ্ডিতগণও এই মতামতকে প্রাধান্য দিয়েছেন।

উৎস:- ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলাপিডিয়া।
.
জিভের অবস্থান অনুযায়ী 'উ' কোন ধরনের ধ্বনি?
  1. বিবৃত স্বরধ্বনি
  2. মধ্য স্বরধ্বনি
  3. অর্ধ-সংবৃত স্বরধ্বনি
  4. পশ্চাৎ স্বরধ্বনি
সঠিক উত্তর:
পশ্চাৎ স্বরধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চাৎ স্বরধ্বনি
ব্যাখ্যা
জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনি তিন প্রকার।
যথা:
১. সম্মুখ স্বরধ্বনি,
২. মধ্য স্বরধ্বনি ও
৩. পশ্চাৎ স্বরধ্বনি।

• সম্মুখ স্বরধ্বনি: সম্মুখ স্বরধ্বনির উচ্চারণের সময় জিভ সামনের দিকে উঁচু বা নিচু হয়।
যেমন: [ই], [এ], [অ্যা] ইত্যাদি সম্মুখ স্বরধ্বনির উদাহরণ।

• মধ্য স্বরধ্বনি: মধ্য স্বরধ্বনি হচ্ছে [আ]।

• পশ্চাৎ স্বরধ্বনি: পশ্চাৎ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভ পিছনের দিকে উঁচু বা নিচু হয়। [অ], [ও], [উ] ইত্যাদি পশ্চাৎ স্বরধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে, 
-----------------
স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কতটুকু খোলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত:
১. সংবৃত - [ই], [উ]।
২. অর্ধ-সংবৃত - [এ], [ও]।
৩. অর্ধ-বিবৃত - [অ্যা], [অ]।
৪. বিবৃত - [আ]।

সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কম খোলে; বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট বেশি খোলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
সাধুভাষার বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. সাধুভাষা সর্বজনীন লেখ্য ভাষা।
  2. সাধুভাষায় ধ্বন্যাত্মক শব্দের প্রাধান্য অধিক।
  3. সাধুভাষায় তৎসম শব্দের সমধিক প্রয়োগ রয়েছে।
  4. নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী।
সঠিক উত্তর:
সাধুভাষায় ধ্বন্যাত্মক শব্দের প্রাধান্য অধিক।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধুভাষায় ধ্বন্যাত্মক শব্দের প্রাধান্য অধিক।
ব্যাখ্যা
• সাধু ভাষা:
উনিশ শতকের শুরুতে সংস্কৃতানুসারী পণ্ডিতদের উদ্যোগ-আয়োজনে যে সাহিত্যিক গদ্য ভাষার উন্মেষ হয়, তাই সাধুভাষা।

সাধুভাষার বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
- সাধু ভাষায় সর্বনাম পদের পূর্ণরূপ গৃহীত হয়। যেমন: তাহার, ইহার, কাহাকে, ইহাকে ইত্যাদি।
- সাধুভাষায় ক্রিয়াপদগুলো পূর্ণরূপে ব্যবহৃত হয়। যেমন: খাইতেছিলাম, করিতেছিল ইত্যাদি।

- সাধুভাষায় তৎসম শব্দের সমধিক প্রয়োগ (যদিও তদ্ভব ও দেশি-বিদেশি শব্দের ব্যবহার নিষিদ্ধ নয়)। যেমন: চন্দ্র, অভ্যন্তর, অঙ্গ, সৌষ্ঠব, বৃন্ত, চর্ম, কাষ্ঠ, দর্পণ ইত্যাদি।
- সাধুভাষায় সন্ধি-সমাসের আধিক্য লক্ষ করা যায়। যেমন: কাষ্ঠাহরণে, রাজাজ্ঞা, রাজপুত্রহস্তে ইত্যাদি।

- সাধুভাষায় বাক্যে পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট, অর্থাৎ বাক্যে প্রথমে উদ্দেশ্য ও পরে বিধেয় থাকে এবং ক্রিয়াপদ সাধারণত বাক্যের শেষে থাকে। যেমন: সম্মুখে এক ক্ষুদ্র প্রান্তর দেখিতে পাইলাম। সর্বশেষে আসিল রাত্রির কৃষ্ণকায় পক্ষী তাহার পক্ষ মেলিয়া।

- সাধুভাষায় দুরূহ তৎসম শব্দের ব্যবহার চলে। তবে সাধুভাষায় একসময় ব্যবহৃত অনেক শব্দই বর্তমানে অপ্রচলিত। যেমন: অত্রত্য, অপার্যমানে, নিষণ্ণ।
- সাধুভাষায় অনুসর্গের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়। যেমন: জন্য, হইতে, দ্বারা, দিয়া, অপেক্ষা।
- সাধুভাষায় ধ্বন্যাত্মক শব্দের প্রাধান্য নেই।

- সাধুভাষা কথোপকথনে, নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী।
- সাধুভাষা গুরুগম্ভীর ও আভিজাত্যের অধিকারী।
- সাধুভাষা সর্বজনীন লেখ্য ভাষা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা ড. হায়াৎ মামুদ।
.
Find the common noun:
  1. Herd
  2. Children
  3. Integrity
  4. Mutton
সঠিক উত্তর:
Children
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Children
ব্যাখ্যা
• The common noun is: Children (ছেলেমেয়ে ;শিশুরা)

• Common noun:
- A common noun refers to every person, place, or thing of the same class or kind.
- It does not refer to anything in particular.
- যে সব noun দ্বারা নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম না বুঝিয়ে একজাতীয় সবাইকেই বোঝায় তাদেরকে Common noun বলে।
- অর্থাৎ, Common noun হলো একটি সাধারণ শ্রেণি বা জাতের নাম, যা সাধারণভাবে কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা ধারণাকে নির্দেশ করে।
- 'Children' দ্বারা নির্দিষ্ট করে কোনো ছেলেমেয়েকে না বুঝিয়ে সাধারণভাবে যেকোনো ছেলেমেয়েকে বোঝানো হয়।

- কিছু common noun হলো:
- Village, City, Sheep, Children, Infant, River, Book, Boy, Girl, etc.

• অন্যদিকে,
ক) Herd (পশুর পাল): A collective noun (refers to a group of animals).
গ) Integrity (সততা): An abstract noun (refers to a quality, not tangible).
ঘ) Mutton (খাসীর মাংস) → Material noun (a substance, type of meat).

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
.
Choose the correct spelling:
  1. Competetion
  2. Competition
  3. Compatition
  4. Compitition
সঠিক উত্তর:
Competition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Competition
ব্যাখ্যা
• The correct spelling is: খ) Competition

• Competition (Noun)
- English Meaning: A contest between rivals; the activity or condition of striving to gain or win something by defeating or establishing superiority over others.
- Bangla Meaning: প্রতিযোগিতা।

• Ex. Sentence:
There is fierce competition between banks.
- Bangla Meaning: ব্যাংকগুলির মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে।

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
.
Identify the adverb form of "Hearty"
  1. Heartily
  2. Heart
  3. Hearten
  4. Heartening
সঠিক উত্তর:
Heartily
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Heartily
ব্যাখ্যা
• The adverb form of "Heart' is - ক) Heartily

• Hearty (Noun, adjective)
- English Meaning: loudly vigorous and cheerful; enthusiastically or exuberantly cordial.
- Bangla Meaning:  আন্তরিক; গভীরভাবে অনুভূত; হাসিখুশি।

- এর adverb form হচ্ছে heartily.

• Heartily (Adverb) [in a hearty manner]
(১) সানন্দে; পূর্ণোদ্যমে; হৃষ্টচিত্তে;
(২) অত্যন্ত।

• Other options:
- Heart (noun) - হৃৎপিন্ড; হৃদয়; কেন্দ্রস্থল।
- Heartened (adjective) - দিলখুশ, দিলখোশ
- Hearten (verb transitive) - উৎসাহ দেওয়া; উল্লসিত করা।
- Heartening (adjective) - হৃদয়গ্রাহী।
- Heartening (present participle) - উত্সাহ দেত্তয়া।

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
১০.
She laughed a joyful laugh.
Here, the word "laughed" is a-
  1. Factitive verb
  2. Cognate verb
  3. Phrasal verb
  4. Causative verb
সঠিক উত্তর:
Cognate verb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cognate verb
ব্যাখ্যা
• She laughed a joyful laugh.
- Here, the word "laughed" is a খ) Cognate verb

• Cognate Verb:
- কোনো Intransitive verb যখন বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদ বা verb এর মূলশব্দ (root word) থেকে উৎপন্ন নতুন কোন word বা শব্দকে object হিসেবে গ্রহণ করে তখন সেই verb কে Cognate verb বলা হয়।
- Verb এবং Object একই জাতের অর্থ প্রকাশ করে।
- আর object টিকে বলা হয় cognate object.
- যেমন: She laughed a joyful laugh.
- এখনে 'laughed' হলো cognate verb এবং 'laugh' হলো cognate object.

• অন্যদিকে,
• Factitive verb:
- Transitive verb এর object থাকা সত্ত্বেও যদি object পরবর্তী noun অথবা adjective (complement) এর সাহায্য ছাড়া বাক্য পূর্ণ না হয়, তখন ঐ বাক্যে ব্যবহৃত verb কে factitive verb বলে।
- কিছু factitive verbs হলো: Elect, Select, Make, Appoint, Call, Name, etc.
- Example: They elected him chairman.

• Group/phrasal verb:
- যেসব verb এর পরে preposition বসে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে তাদেরকে Group verb বা phrasal verb বা prepositional verb বলে।
- Example: look after, get up, run into, etc. 

• Causative Verb:
- যে Verb গুলো দিয়ে নিজের জন্য কাজ না করে বরং অন্যের জন্য কাজ করানো বুঝায় বা অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয়া বুঝায় সেগুলোই হলো Causative Verb.
- Example: Make, let, help, get, have, etc.

Source: A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain.
১১.
৫ টি পর্যায়ক্রমিক সংখ্যার গড় ১৯ হলে ৫ টি সংখ্যার মধ্যে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন সংখ্যার সমষ্টি কত?
  1. ৩৪
  2. ৩৮
  3. ৪২
  4. ৪৫
সঠিক উত্তর:
৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫ টি পর্যায়ক্রমিক সংখ্যার গড় ১৯ হলে ৫ টি সংখ্যার মধ্যে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন সংখ্যার সমষ্টি কত?

সমাধান:
ধরি,
৫ টি ক্রমিক সংখ্যা যথাক্রমে ক, ক + ১, ক + ২, ক+ ৩, ক + ৪

প্রশ্নমতে,
ক + ক + ১ + ক + ২ + ক + ৩ + ক + ৪ = ১৯ × ৫
⇒ ৫ক + ১০ = ৯৫
⇒ ৫ক = ৮৫
∴ ক = ১৭

∴ ১ম সংখ্যাটি = ১৭
∴ ৫ম সংখ্যাটি = (১৭ + ৪) = ২১

∴ সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন সংখ্যার সমষ্টি = (১৭ + ২১) = ৩৮
১২.
একজন শিক্ষকের কাছে ১১০০ টাকা আছে। এতে কমপক্ষে আরো কত টাকা যোগ করা হলে তা ৩, ৪ অথবা ৬ জন ছাত্রের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দেয়া যাবে?
  1. ৪ টাকা
  2. ৬ টাকা
  3. ৮ টাকা
  4. ১১ টাকা
সঠিক উত্তর:
৪ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন শিক্ষকের কাছে ১১০০ টাকা আছে। এতে কমপক্ষে আরো কত টাকা যোগ করা হলে তা ৩, ৪ অথবা ৬ জন ছাত্রের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দেয়া যাবে?

সমাধান:
৩, ৪ এবং ৬ এর ল.সা.গু. = ১২
১০০০ ÷ ১২ = ভাগফল ৯১, ভাগশেষ ৮

অর্থাৎ, আরো ১২ - ৮ = ৪ টাকা যোগ করলে ৩, ৪, অথবা ৬ জন বালকের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে
দেয়া যাবে।
১৩.
১ থেকে ২৫ পর্যন্ত জোড় সংখ্যাগুলোর গড় কত?
  1. ১৯
  2. ১৩
  3. ১৬
  4. ১২
সঠিক উত্তর:
১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ থেকে ২৫ পর্যন্ত জোড় সংখ্যাগুলোর গড় কত?

সমাধান:
১ থেকে ২৫ পর্যন্ত জোড় সংখ্যা বা (পদ সংখ্যা) = ১২ টি
১ম পদ = ২
শেষ পদ = ২৪

আমরা জানি,
সমষ্টি = {(১ম পদ + শেষ পদ) × পদ সংখ্যা}/২
= {(২ + ২৪) × ১২}/২
= ২৬ × ৬
= ১৫৬

∴ ১ থেকে ২৫ পর্যন্ত জোড় সংখ্যাগুলোর গড় = (১৫৬ ÷ ১২) = ১৩
১৪.
দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৯ এবং তাদের ল.সা.গু ৩১৫ হলে সংখ্যা দুটির গ.সা.গু কত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৯ এবং তাদের ল.সা.গু ৩১৫ হলে সংখ্যা দুটির গ.সা.গু কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
দুইটি সংখ্যার অনুপাত = ৫ : ৯

ধরি,
সংখ্যা দুটি যথাক্রমে ৫ক ও ৯ক
∴ ল.সা.গু = ৪৫ক এবং গ.সা.গু = ক

প্রশ্নমতে,
৪৫ক = ৩১৫
⇒ ক = ৩১৫/৩৫
∴ ক = ৭

∴ গ.সা.গু = ৭
১৫.
কীসের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?
  1. সামাজিক চেতনা
  2. দ্বি-জাতি তত্ত্ব
  3. মমত্ববোধ
  4. বাঙ্গালি জাতিয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
বাঙ্গালি জাতিয়তাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙ্গালি জাতিয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
→ বাঙ্গালি জাতিয়তাবাদ পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল।
 
• ভাষা আন্দোলন:

- ভাষা আন্দোলন জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটায়।
- পাকিস্তানের ৫৬ ভাগ মানুষের ভাষাছিল বাংলা।
- পশ্চিম পাকিস্তানের জনগণের সাথে ধর্ম  ছাড়া বাঙালীদের  কোন বন্ধন নেই।
- ১৯৫২ সালে আত্মাহুতির মাধ্যমে যে জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ হয়েছিল।
- সেই চেতনা ১৯৫৪ এর নির্বাচনে ২১ দফার জয় হয়অ
- বাংলা রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পায়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের গভর্ণর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ;
- ঢাকার পল্টন ময়দানে ঘোষণা করেন "উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা"।
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ অধিবেশনে;
- বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করার প্রস্তাব উত্থাপন করেন পূর্ব বাংলার সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।
- ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে খাজা নাজিমউদ্দিন জিন্নাহর কথার পুনরাবৃত্তি করেন। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য়পত্র এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববদ্যালয়।
১৬.
মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. কর্নেল এম এ জি ওসমানী
  2. তাজউদ্দীন আহমদ
  3. এ কে খন্দকার
  4. কর্নেল এম এ রব
সঠিক উত্তর:
কর্নেল এম এ জি ওসমানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্নেল এম এ জি ওসমানী
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ সংগঠন ও পরিচালনা: 
- মুজিবনগর সরকার আতাউল গণি ওসমানীকে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করে।
- তিনি মুক্তিবাহিনীকে সংগঠিত করেন।
- তৎকালীন ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস এর বাঙালি সদস্য সমন্বয়ে গঠিত;
- সৈন্য, ব্যাটেলিয়ান ই পি আর, পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে মুক্তি বাহিনীর নিয়মিত বাহিনী গঠন করা হয়।
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের নিয়ে মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়।
- উদ্দেশ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করা।
- প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করার  মোট ১২টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ছিল।
-  মুজিবনগর সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে বাংলাদেশ সরকারের মিশন স্থাপন করে।
- ১০ এপ্রিল, ৪টি এবং পরবর্তীকালে ১১ এপ্রিল ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- প্রতিটি সেক্টরেই নিয়মিত সেনা, গেরিলা ও সাধারণ যোদ্ধা ছিল যারা মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিফৌজ নামে পরিচিত ছিল।
- এসব বাহিনীতে দেশের ছাত্র, যুবক, কৃষক, নারী, রাজনৈতিক দলের কর্মী, শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিলেন।


 উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
তমুদ্দিন মজিলিস কোন সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৫২ সালে
  3. ১৯৪৭ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
• তমদ্দুন মজলিসের ভূমিকা:
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে 'তমদ্দুন মজলিস' নামে একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।​
- কর্মসূচি: সভা-সমিতি ও লেখনীর মাধ্যমে বাংলা ভাষার পক্ষে জনমত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।​
- পুস্তিকা প্রকাশ: ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' নামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- যেখানে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানানো হয়।

→ রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের গঠন: 
- তারিখ: ডিসেম্বর ১৯৪৭​;
- আহ্বায়ক: নূরুল হক ভূঁইয়া​।

এছাড়াও,
- ১৯৪৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সংগ্রাম পরিষদের সাথে আলোচনার পর শিক্ষামন্ত্রীফজলুর রহমান আশ্বাস দেন;
- মানি অর্ডার, ফরম, ডাকটিকিট ও মুদ্রায় ইংরেজি-উর্দুর পাশাপাশি বাংলায় লেখা হবে।
- কিন্তু পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান ১৮ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেয়া বক্তৃতায় সুকৌশলে;
- উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিলে ছাত্রদের মধ্যে হতে 'না' 'না' ধ্বনি সম্বলিত প্রতিবাদ ওঠে।

উৎস:  পৌরনীতি ও সুশাসন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৮.
মুজিব নগর সরকারের কয়টি মন্ত্রণালয় ছিল?
  1. ১০ টি
  2. ১১ টি
  3. ৮ টি
  4. ১২ টি
সঠিক উত্তর:
১২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ টি
ব্যাখ্যা
•মুজিবনগর সরকার:
-  ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের একটি অস্থায়ী সরকার গঠন করেন।
- ১৩ এপ্রিল আগরতলায় অনুষ্ঠিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের এক সভায় সরকার গঠন অনুমোদন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ মেহেরপুর বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেন।
- সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথ তলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর।
- এবং দেশে-বিদেশে সরকার পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।
- বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ছিল।
- এসব বিভাগের মাধ্যমে যুদ্ধকালে সামরিক ও বেসামরিক যাবতীয় প্রশাসন পরিচালিত হয়।
- এবং ৯ সদস্যের একটি উপদেষ্টা কাউন্সিল গঠন করা হয়।
- মাওলানা ভাসানী ছিলেন কাউন্সিলের অন্যতম সদস্য। 


উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ মিনারের নকশাকার কে?
  1. হামিদুর রহমান
  2. মাইনুল হোসেন
  3. ডা. সাঈদ হায়দার
  4. নিতুন কুন্ড
সঠিক উত্তর:
ডা. সাঈদ হায়দার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডা. সাঈদ হায়দার
ব্যাখ্যা
• শহীদ মিনার:
- ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতা শহীদদের জন্য শোক মিছিল হয়।
- মিছিলের ওপর পুলিশ ও মিলিটারি লাঠি, গুলি ও বেয়োনেট ব্যবহার করে।
- এতে শফিউর রহমানসহ আরও কয়েকজন শহীদ হন।
- সেই স্থানে ছাত্ররা সারারাত জেগে ২৩ ফেব্রুয়ারিতে একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করে।
- পুলিশ শহীদ মিনারটি ভেঙ্গে দেয়।
- ২১ ফেব্রুয়ারির হত্যাকাণ্ড ও নিপীড়নের প্রতিবাদে ঢাকা শহরে ২৩ ফেব্রুয়ারি হরতাল পালিত হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ফুলার রোডে একজন কিশোর নিহত হয়।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় হরতাল পালিত হয়।
- ডা. সাঈদ হায়দারের নকশা অনুসারে রাতে মেডিকেল কলেজের গেইটের সামনে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়
- এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি তা উদ্বোধন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালে অস্থায়ী শহীদ মিনারের স্থলে শিল্পী হামিদুর রহমানের নকশা ও পরিকল্পনায় শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী শহীদ মিনারটি ভেঙ্গে দেয়।
- ১৯৭২ সালে পূর্বের নকশা অনুযায়ী বর্তমান শহীদ মিনারটি পুনরায় নির্মাণ করা হয়।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
পৃথিবী পৃষ্ঠের শতকরা কতভাগ জলরাশি দখল করে আছে?
  1. ৭১ ভাগ
  2. ৭২ ভাগ
  3. ২৯ ভাগ
  4. ৬০ ভাগ
সঠিক উত্তর:
৭১ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭১ ভাগ
ব্যাখ্যা
•পানির উৎস ও বন্টন:
- পৃথিবী পৃষ্ঠের মোট আয়তন প্রায় ৫১০ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার বা ১৯৭ মিলিয়ন বর্গমাইল।
- এর মধ্যে  ৭১% জলভাগ।
- এবং ২৯% স্থলভাগ।
- আবার পৃথিবীর মোট জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগই মহাসাগর, সাগর এবং উপসাগর ধারণ করছে।
- অবশিষ্ট ৩ ভাগ অন্যান্য জলাধার ধারণ করছে ।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে পানি একই অবস্থায় না থেকে তিনটি বিশেষ অবস্থায় রয়েছে।
- পানির তিনটি অবস্থা হলো-কঠিন (বরফ), গ্যাসীয় (জলীয়বাষ্প) এবং তরল।
- পানি বায়ুমন্ডলে রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসেবে এবং ভূ-পৃষ্ঠে রয়েছে কঠিন ও তরল অবস্থায়।

• পৃথিবীতে ৫টি মহাসাগর রয়েছে-
১. প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean);
২. আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean);
৩. ভারত মহাসাগর (Indian Ocean);
৪. দক্ষিণ মহাসাগর (Southern Ocean);
৫. উত্তর মহাসাগর (Arctic Ocean)।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
নীল নদ কয়টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে?
  1. ১০ টি
  2. ১১ টি
  3. ৯ টি
  4. ৮ টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা
• নীল নদ:
- নীল নদীকে আফ্রিকার "পিতামহ" হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- এবং এটি আফ্রিকা ও বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘতম নদী হিসেবে পরিচিত।
- তবে, কিছু গবেষক দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন নদীকে বিশ্বের দীর্ঘতম নদী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
- আফ্রিকার মোট ভূমির প্রায় ১০%।
- এই নদী ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- কেনিয়া, উগান্ডা, তানজানিয়া, মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইথিওপিয়া, রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো এবং ইরিত্রিয়া

→ উৎস ও প্রধান শাখা:
- নীল নদ দুটি প্রধান শাখা নিয়ে গঠিত:​
• হোয়াইট নাইল (White Nile):
- এটি রুয়ান্ডা ও বুরুন্ডির উচ্চভূমি থেকে উৎপন্ন হয়।​
• ব্লু নাইল (Blue Nile):
- এটি ইথিওপিয়ার লেক তানা থেকে উৎপন্ন হয়।​
- এই দুটি শাখা খার্তুমে মিলিত হয়ে নীল নদ গঠন করে।
- যা মিশরের নীল ডেল্টার মাধ্যমে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়।

উৎস: World Atlas.
২২.
লাক্ষা দ্বীপের অবস্থান কোথায়?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. লোহিত সাগর
  3. আরব সাগর
  4. বঙ্গোপসাগর
সঠিক উত্তর:
আরব সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরব সাগর
ব্যাখ্যা
• লাক্ষাদ্বীপ (Lakshadweep):
- লাক্ষাদ্বীপ ভারতের একমাত্র প্রবাল দ্বীপপুঞ্জ।
- ভারতের  ক্ষুদ্রতম কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।
- এটি আরব সাগরে ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত।
- লাক্ষাদ্বীপের নামটি মালয়ালম ও সংস্কৃত ভাষায় "শত হাজার দ্বীপ" অর্থে ব্যবহৃত হয়। ​

→ দ্বীপের সংখ্যা:
- ৩৬টি দ্বীপ, যার মধ্যে ১২টি প্রবাল দ্বীপপুঞ্জ (atoll)।
- ৩টি প্রবালপ্রাচীর (reef), এবং ৫টি নিমজ্জিত তীর রয়েছে।

→আবাসযোগ্য দ্বীপ:
- ১০টি দ্বীপে মানুষ বসবাস করে।
- রাজধানী: কবরাতি।

উল্লেখ্য,
 আরব সাগরে অবস্থিত দ্বীপ সমূহ:
- সেন্ট মেরির দ্বীপপুঞ্জ, নেত্রাণী দ্বীপ, সোত্রা দ্বীপ, লাক্ষাদ্বীপ, মাসিরাহ দ্বীপ, খুরিয়া মুরিয়া দ্বীপপুঞ্জ ।

উৎস: World Atlas & Britannica.
২৩.
সমুদ্রস্রোত প্রধানত কত প্রকার?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৫ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ২ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
• সমুদ্রস্রোত:
- একস্থান থেকে অন্যস্থানে মহাসাগর ও সাগরের পানির নির্দিষ্ট ও নিয়মিত প্রবাহকে মহাসাগরীয় স্রোত বা সমুদ্রস্রোত (Ocean Current) বলে।
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রের উপরিভাগের পানির সঙ্গে ঘর্ষণ তৈরি করে।
-  ঘর্ষণের জন্য পানিতে ঘূর্ণন তৈরি করে এবং সমুদ্র স্রোতের সৃষ্টি হয়।
- উষ্ণতার তারতম্য অনুযায়ী সমুদ্রস্রোতকে প্রধান দুইভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা: উষ্ণ স্রোত ও শীতল স্রোত।

→ সমুদ্র স্রোতের কারণ:
- নিম্নলিখিত কারণে সমুদ্রস্রোতের উৎপত্তি হয়। যথা:
১. বায়ুপ্রবাহ (Wind Movement);
২. পৃথিবীর আবর্তন (Rotation of Earth);
৩. তাপমাত্রার তারতম্য (Variation in Temparature);
৪. লবণাক্ততার তারতম্য (Variation in Salinity);
৫. স্থলভাগের অবস্থান (Presence of Landmasses);
৬. অসম বাষ্পীভবন (Unequal Evaporation);
৭. সমুদ্রের গভীরতা (Depth of the Ocean);

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ প্রশিক্ষণ, বি এড, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
চীনের দু:খ নামে পরিচিত কোন নদী?
  1. ইয়াংসিকিয়াং নদী
  2. মেকং নদী
  3. হোয়াংহো নদী
  4. পার্ল নদী
সঠিক উত্তর:
হোয়াংহো নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোয়াংহো নদী
ব্যাখ্যা
→ চীনে দু:খ বলা হুয়াংহো নদী।

• হুয়াংহো নদী:

- হুয়াংহো বা ইয়েলো রিভার (Yellow River) চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এটি বিশ্বের ষষ্ঠ দীর্ঘতম নদী।
- যা চীনের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশগুলো দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- এই নদীটি চীনের সভ্যতার জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত
- এর বুকে জমে থাকা বালির কারণে পানির হলুদ রঙের জন্য বিখ্যাত।
- হুয়াংহে নদীটি চীনের ইতিহাসে সবচেয়ে বিধ্বংসী বন্যার জন্য পরিচিত।
- ১,৫৯৩ বার বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে।
- তাই এ নদী কে চীনে দু:খ বলা হয়।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৩১ সালের বন্যায়  এই বন্যায় প্রায় ৮০ মিলিয়ন মানুষ গৃহহীন হয়েছিল।
- এবং ৩৪,০০০ বর্গমাইল এলাকা প্লাবিত হয়েছিল।
-  প্রবাহিত প্রদেশসমূহ:
- চীনের কুইংহাই, সিচুয়ান, গানসু, নিংশিয়া, অভ্যন্তরীণ মঙ্গোলিয়া, শানসি, , হেনান ও শানডং প্রদেশ।