পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - তথ্য-প্রযুক্তি ১. আধুনিক প্রযুক্তির ডিভাইসসমূহ - স্মার্ট ফোন, স্মার্ট ওয়াচ, ট্যাব ইত্যাদি। ২. মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ; মোবাইল নেটওয়ার্ক ও এর বৈশিষ্ট্য; সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি, ফোরজি, ওয়াইম্যাক্স ইত্যাদি। ৩. তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান ও তাদের সেবা/তথ্যসমূহ: গুগল, মাইক্রোসফট, আইবিএম ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
IEEE 802.11 এর কোন সংস্করণে প্রথম MIMO প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. 802.11a
  2. 802.11g
  3. 802.11n
  4. 802.11b
সঠিক উত্তর:
802.11n
উত্তর
সঠিক উত্তর:
802.11n
ব্যাখ্যা
• IEEE 802.11 এর মধ্যে প্রথমবার MIMO (Multiple Input Multiple Output) প্রযুক্তি 802.11n সংস্করণে ব্যবহৃত হয়। MIMO প্রযুক্তি ওয়াইফাই সিগন্যালের গুণগত মান এবং ডাটা ট্রান্সমিশনের গতি বাড়াতে সাহায্য করে। এটি একাধিক অ্যান্টেনা ব্যবহার করে একই সময়ে বিভিন্ন ডাটা স্ট্রিম পাঠাতে পারে, যা ইন্টারফিয়ারেন্স কমিয়ে এবং সিগন্যালের দক্ষতা বৃদ্ধি করে। 802.11a, 802.11b, এবং 802.11g সংস্করণগুলোতে MIMO প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়নি; তারা মূলত একক অ্যান্টেনা ব্যবহার করত। 802.11n প্রযুক্তির মাধ্যমে ওয়াইফাইয়ের গতিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি আসে এবং এটি উচ্চতর ব্যান্ডউইথ ও দূরত্বে কার্যকর যোগাযোগ নিশ্চিত করে। তাই, MIMO প্রথম 802.11n-এ ব্যবহৃত হয়েছে।

• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।

• এছাড়াও,
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16.
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. Intel [লিংক]
.
GSM নেটওয়ার্কে IMEI নম্বর ব্যবহার করে কী করা যায়?
  1. সিম পরিষেবা সক্রিয় করা
  2. মোবাইল ব্যালেন্স রিচার্জ করা
  3. চুরি হওয়া ফোনকে নেটওয়ার্কে অ্যাক্সেস করতে বাধা দেওয়া
  4. একসাথে অনেক বার্তা পাঠানো
সঠিক উত্তর:
চুরি হওয়া ফোনকে নেটওয়ার্কে অ্যাক্সেস করতে বাধা দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি হওয়া ফোনকে নেটওয়ার্কে অ্যাক্সেস করতে বাধা দেওয়া
ব্যাখ্যা
• GSM নেটওয়ার্কে IMEI নম্বর ব্যবহার করে চুরি হওয়া ফোনকে নেটওয়ার্কে অ্যাক্সেস করতে বাধা দেওয়া যায়। IMEI (International Mobile Equipment Identity) হল প্রতিটি মোবাইল ফোনের একটি অনন্য শনাক্তকারী নম্বর, যা ফোনের হার্ডওয়্যারের সাথে যুক্ত। যখন কোনও ফোন চুরি হয় বা হারিয়ে যায়, তখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা নেটওয়ার্ক অপারেটর এই IMEI নম্বর ব্ল্যাকলিস্ট করে দেয়। এর ফলে, ওই ফোনটি কোন নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে না এবং কল, এসএমএস বা ডেটা সেবা ব্যবহার করতে পারে না। তাই, IMEI নম্বর মোবাইল ফোনের সুরক্ষা বাড়াতে এবং চুরি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- অন্যান্য অপশন যেমন সিম পরিষেবা সক্রিয়করণ, ব্যালেন্স রিচার্জ বা একসাথে বার্তা পাঠানো IMEI নম্বরের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।


• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলোকে স্বয়ংক্রিয় করতে কোন প্ল্যাটফর্মটি বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. iMovie
  2. Excel
  3. Adobe Photoshop
  4. Arduino
সঠিক উত্তর:
Arduino
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Arduino
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট হোম ডিভাইস অটোমেশন বলতে বোঝায় ঘরের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস যেমন লাইট, ফ্যান, এসি, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার প্রক্রিয়া। এই কাজের জন্য সাধারণত যে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহৃত হয়, তা হলো Arduino. এটি একটি ওপেন-সোর্স ইলেকট্রনিক্স প্ল্যাটফর্ম, যা সেন্সর, রিলে, এবং অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত হয়ে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করে। Arduino ব্যবহার করে প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন স্মার্ট ফাংশন তৈরি করা যায়, যেমন সময় অনুযায়ী লাইট অন/অফ করা, তাপমাত্রা অনুযায়ী ফ্যান চালু করা ইত্যাদি।
- অপরদিকে, Adobe Photoshop, Excel, ও iMovie মূলত ছবি সম্পাদনা, ডেটা বিশ্লেষণ ও ভিডিও এডিটিংয়ের কাজে ব্যবহৃত হয়, যা স্মার্ট হোম অটোমেশনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

- সুতরাং সঠিক উত্তর - Arduino.

• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
.
GSM কোন ধরনের মাল্টিপল অ্যাক্সেস প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. OFDMA
  2. BDMA
  3. CDMA
  4. TDMA 
সঠিক উত্তর:
TDMA 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TDMA 
ব্যাখ্যা
• GSM (Global System for Mobile Communications) মূলত TDMA (Time Division Multiple Access) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। TDMA হল এমন একটি মাল্টিপল অ্যাক্সেস পদ্ধতি যেখানে একটির বেশি ব্যবহারকারী একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ভাগাভাগি করে, কিন্তু সময়ের নির্দিষ্ট স্লট অনুযায়ী আলাদা আলাদা কথা বলার সুযোগ পায়। অর্থাৎ, একটি ফ্রিকোয়েন্সি চ্যানেলকে ছোট ছোট সময় স্লটে ভাগ করা হয় এবং প্রতিটি ব্যবহারকারীকে নির্দিষ্ট সময় স্লট বরাদ্দ করা হয়। এর ফলে একই ফ্রিকোয়েন্সিতে একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে ডেটা বা ভয়েস ট্রান্সমিশন করতে পারে, যার মাধ্যমে স্পেকট্রাম দক্ষতার সাথে ব্যবহার হয়। তাই GSM সিস্টেমে OFDMA বা CDMA এর পরিবর্তে TDMA প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। আর BDMA হচ্ছে - Big Data Management and Analytics.

• জিএসএম:
- জিএসএম বা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (Global System for Mobile Communication-GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
- জিএসএম প্রথম চালু হয় ফিনল্যান্ডে।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে।
- GSM, TDMA ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হলো- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
- অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
- হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা ২ বা ১ ওয়াট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ইন্টেলের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিল?
  1. রবার্ট নয়েস এবং গর্ডন মুর
  2. বিল গেটস এবং পল অ্যালেন
  3. স্টিভ জবস এবং স্টিভ ওজনিয়াক
  4. ল্যারি পেজ এবং সার্গেই ব্রিন
সঠিক উত্তর:
রবার্ট নয়েস এবং গর্ডন মুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট নয়েস এবং গর্ডন মুর
ব্যাখ্যা
• ইন্টেলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন রবার্ট নয়েস এবং গর্ডন মুর। তারা ১৯৬৮ সালে ইন্টেল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন, যা বিশ্বজুড়ে মাইক্রোপ্রসেসর এবং অন্যান্য সেমিকন্ডাক্টর চিপ তৈরিতে নেতৃত্ব দেয়। রবার্ট নয়েস ও গর্ডন মুর আধুনিক কম্পিউটিং প্রযুক্তির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাদের উদ্ভাবনী চিন্তাধারা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার কারণে ইন্টেল দ্রুত একটি সফল কোম্পানিতে পরিণত হয়। ইন্টেল বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি কোম্পানি হিসেবে পরিচিত। সুতরাং, ইন্টেলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন রবার্ট নয়েস এবং গর্ডন মুর।
- সঠিক উত্তর: ক) রবার্ট নয়েস এবং গর্ডন মুর।

• ইন্টেল কর্পোরেশন:
- ইনটেল কর্পোরেশন একটি মার্কিন বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান।
- Intel - 4004 হলো ইনটেল তৈরিকৃত এবং বানিজ্যিকভাবে প্রাপ্ত প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।
- এটি মাইক্রোপ্রসেসর এক্স ৮৬ সিরিজের প্রস্তুতকারক।
- যা বেশিরভাগ ব্যক্তিগত কম্পিউটারে (PC) ব্যবহৃত হয়।
- ১৮ জুলাই, ১৯৬৮ খ্রি. ইন্টেল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই কোম্পানি শুরু করেন সেমিকন্ডাক্টরের অগ্রগামী রবার্ট নয়েস, গর্ডন মুর এবং এন্ড্রু গুভ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টা ক্লারা তে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

উৎস: Intel এর ওয়েবসাইট।
.
মোবাইল ফোন সেল নেটওয়ার্ক কভারেজ এলাকার সাধারণ আকৃতি কী?
  1. চতুর্ভুজাকৃতি
  2. ত্রিভুজাকৃতি
  3. ষড়ভুজাকৃতির
  4. গোলাকৃতি
সঠিক উত্তর:
ষড়ভুজাকৃতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষড়ভুজাকৃতির
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোন সেল নেটওয়ার্ক কভারেজ এলাকার সাধারণ আকৃতি ষড়ভুজাকৃতির (Hexagonal) হয়। এটি কারণ, ষড়ভুজাকৃতির সেল ডিজাইন করলে কোন স্থানে ফাঁক বা ওভারল্যাপ ছাড়াই পুরো এলাকা কার্যকরভাবে কভার করা যায়। ষড়ভুজাকৃতি সেলগুলো পারস্পরিক মিলিত হয়ে একটি বড় এলাকাকে সমান ও দক্ষভাবে ভাগ করে দেয়, যা নেটওয়ার্কের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং সংকেত বিভ্রাট কমায়। গোলাকৃতি বা চতুর্ভুজাকৃতি সেল ব্যবহার করলে কভারেজে ফাঁক পড়তে পারে বা অপ্রয়োজনীয় ওভারল্যাপ হতে পারে। তাই, মোবাইল ফোন সেল নেটওয়ার্কে ষড়ভুজাকৃতির সেল সবচেয়ে উপযোগী ও কার্যকর।

• মোবাইল কমিউনিকেশন:
- একাধিক চলনশীল ডিভাইস অথবা একটি চলনশীল ও অন্যটি স্থির ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত কমিউনিকেশন সিস্টেমকে মোবাইল কমিউনিকেশন বলা হয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ক্যাবল ছাড়া যোগাযোগের প্রযুক্তি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেমের উৎকর্ষতার ফসল হলো মোবাইল কমিউনিকেশন।
- এটি একটি ডুপ্লেক্স বা দ্বিমুখী কমিউনিকেশন সিস্টেম।
- বর্তমানে সারা পৃথিবীতে মোবাইল কমিউনিকেশন একটি অতি প্রয়োজনীয় এবং জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- মোবাইল কমিউনিকেশনে স্থাপিত এক একটি ফিক্সড ল্যান্ড বা বেজ স্টেশন হলো সেল, যা মোবাইল ফোনের জন্য প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক কাভারেজ প্রদান করে। 
- মোবাইল ব্যবহারকারী চলমান অবস্থায় এক সেল এরিয়া থেকে অন্য সেল এরিয়ায় প্রবেশ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার মোবাইল ইউনিটটি পূর্বের সেল এরিয়ার সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বর্তমান সেল এরিয়ার সাথে সংযুক্ত হয়ে যায়। 
- একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মোবাইল ইউনিটটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক সেল নেটওয়ার্কের সংযুক্তি ত্যাগ করে অন্য সেল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হয়ে যায়, একে Handoff বলা হয়।
- স্বয়ংক্রিয় এই ব্যবস্থা মোবাইল ইউনিটে বজায় থাকার কারণে মোবাইল ইউনিটের শক্তি ব্যয় গড় সর্বদা সমান থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
.
স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলি মেশ নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য সাধারণত কোন ওয়্যারলেস প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. USB
  2. Ethernet
  3. Zigbee
  4. LTE
সঠিক উত্তর:
Zigbee
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Zigbee
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলি মেশ নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য সাধারণত Zigbee ওয়্যারলেস প্রযুক্তি ব্যবহার করে। Zigbee একটি কম পাওয়ার, স্বল্প-দূরত্বের রেডিও যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা অনেকগুলো ডিভাইস একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে একটি মেশ নেটওয়ার্ক গঠন করতে সক্ষম করে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিটি ডিভাইস নিজে একটি রাউটার বা রিপিটার হিসেবে কাজ করতে পারে, ফলে সিগন্যাল দুর্বল হলেও অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে তথ্য গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে। Zigbee-র এই বৈশিষ্ট্য স্মার্ট লাইট, থার্মোস্ট্যাট, সেন্সর ইত্যাদি ডিভাইসের মধ্যে নিরবিচারে যোগাযোগ নিশ্চিত করে।
- অন্যদিকে, USB ও Ethernet তারযুক্ত প্রযুক্তি এবং LTE মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়, মেশ নেটওয়ার্কের জন্য নয়।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) Zigbee.


• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।
- রিমোট কন্ট্রোল বা ভয়েস কমান্ডের সাহায্যে গাড়ির গ্যারেজ, ঘরের দরজা-জানালা খোলা বা বন্ধ করা, লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার ও টেলিফোন চালু কিংবা বন্ধ করা যায়।
- বাইরে থাকাকালে কোনো মেহমান বাসায় আসলে সিকিউরিটি এলার্মের সাহায্যে মোবাইল ফোনে তা জানা যায় ।
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত রোবোটের সাহায্যে চা বানানো, কাপড় ধোয়া, ঘরবাড়ি পরিষ্কার ও ময়লা নিষ্কাশন করা সম্ভব হয়।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২) Zigbee [লিংক]
.
ISDN একসাথে কোন কোন তথ্য প্রেরণ করতে পারে?
  1. ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
  2. শুধুমাত্র ভয়েস
  3. শুধুমাত্র ডেটা
  4. শুধুমাত্র ভিডিও
সঠিক উত্তর:
ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
ব্যাখ্যা
• ISDN (Integrated Services Digital Network) একটি ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা যা ভয়েস ও ডেটা একসাথে প্রেরণ করতে সক্ষম। এটি ঐতিহ্যবাহী অ্যানালগ ফোন লাইনের পরিবর্তে ডিজিটাল সংকেত ব্যবহার করে, ফলে দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য সংযোগ প্রদান করে। ISDN-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটি একই সাথে ভয়েস কল, ডেটা ট্রান্সমিশন, ভিডিও কনফারেন্স এবং ফ্যাক্স সেবা দিতে পারে। এর মাধ্যমে একই লাইনে একাধিক ধরনের তথ্য প্রেরণ করা যায়, যেমন একটি চ্যানেলে ভয়েস এবং অন্য চ্যানেলে ই-মেইল বা ইন্টারনেট ব্রাউজিং। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) ভয়েস এবং ডেটা একসাথে।

• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
"X" এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. এটি এক প্রকার কম্পিউটার ভাইরাস
  2. এটি এক প্রকার সামাজিক নেটওয়ার্কিং
  3. এটি এক প্রকার সফটওয়‍্যার
  4. এটি এক প্রকার কম্পিউটার প্রোগ্রাম
সঠিক উত্তর:
এটি এক প্রকার সামাজিক নেটওয়ার্কিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি এক প্রকার সামাজিক নেটওয়ার্কিং
ব্যাখ্যা
• "X" একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবহারকারীদের সংক্ষিপ্ত বার্তা আকারে মতামত প্রকাশ, তথ্য শেয়ার এবং যোগাযোগ স্থাপনের সুযোগ করে দেয়। এটি মূলত মাইক্রোব্লগিং সাইট হিসেবে পরিচিত। ব্যক্তি, সংস্থা ও গণমাধ্যম সবাই এটি ব্যবহার করে তাৎক্ষণিক খবর, মতামত বা প্রচারমূলক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য। ব্যবহারকারীরা অন্যদের "ফলো" করতে পারেন এবং তাঁদের পোস্ট দেখতে ও প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেন। ফলে, এটি একটি ইন্টার‌্যাকটিভ ও গতিশীল মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হচ্ছে: (খ) এটি এক প্রকার সামাজিক নেটওয়ার্কিং।

• X (Twitter):
- এটি একটি অনলাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এবং মাইক্রোব্লগিং সেবা।
- এটি ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২১শ শতকের শুরুর দিকে রাজনীতি ও সংস্কৃতি গঠনে Twitter/X-এর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ছিল।
- Twitter-এর উত্তরসূরি X Corp.
- X Corp. এর মালিকানা রয়েছে X Holdings Corp.-এর কাছে।
- X Holdings Corp.-এর মালিক হলেন দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণকারী আমেরিকান উদ্যোক্তা Elon Musk.
- এটি ব্যবহারকারীদের মধ্যে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদানে সহায়ক একটি মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০.
স্মার্ট ফোনে ফুল-ডুপ্লেক্স কমিউনিকেশন বলতে কী বুঝায়?
  1. এক সময়ে শুধুমাত্র একজনই কথা বলতে পারে
  2. এক সময়ে শুধুমাত্র একজনই শুনতে পারে
  3. উভয় পক্ষ একসাথে কথা বলতে এবং শুনতে পারে
  4. যোগাযোগ শুধুমাত্র একদিক থেকে হয়
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষ একসাথে কথা বলতে এবং শুনতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষ একসাথে কথা বলতে এবং শুনতে পারে
ব্যাখ্যা
• স্মার্টফোনে ফুল-ডুপ্লেক্স কমিউনিকেশন বলতে বোঝায় এমন এক ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা, যেখানে উভয় পক্ষ একসাথে কথা বলতে এবং শুনতে পারে। এটি আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। উদাহরণস্বরূপ, একজন কথা বলার সময় অন্যজন থেমে না থেকে সাথে সাথে উত্তর দিতে পারে, যেমনটি ফোনে আলাপ করার সময় দেখা যায়। এর মাধ্যমে যোগাযোগ আরো দ্রুত, কার্যকর ও স্বাভাবিক হয়। ফুল-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে ডেটা বা শব্দ উভয় দিকেই একসাথে প্রবাহিত হয়, যা হাফ-ডুপ্লেক্স বা একমুখী যোগাযোগের তুলনায় অনেক উন্নত।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) উভয় পক্ষ একসাথে কথা বলতে এবং শুনতে পারে।


• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।

- সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

- হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না।
- যেমন- ওয়াকি টকি।

- ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- যেমন: টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
১১.
দুটি ব্লুটুথ ডিভাইস যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে, তার নাম কী?
  1. প্যায়ারিং
  2. বন্ডিং
  3. লিঙ্কিং
  4. ডিবাগিং
সঠিক উত্তর:
প্যায়ারিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যায়ারিং
ব্যাখ্যা
• দুটি ব্লুটুথ ডিভাইস যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে, তাকে প্যায়ারিং (Pairing) বলা হয়। পেয়ারিং একটি নিরাপদ যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক ধাপ, যেখানে দুই ডিভাইস একে অপরকে শনাক্ত করে এবং একটি নিরাপদ চ্যানেল তৈরি করে ডেটা আদান-প্রদান করার জন্য। এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত একটি অথেন্টিকেশন বা পিন কোড প্রবেশ করাতে হয়, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে সংযোগটি অনুমোদিত। একবার পেয়ারিং সম্পন্ন হলে, ভবিষ্যতে ওই দুই ডিভাইস আবার সংযোগ স্থাপন করতে চাইলে আর পিন কোড প্রয়োজন হয় না, কারণ তখন তারা একে অপরের সাথে বন্ড হয়ে যায়। তবে প্রাথমিক প্রক্রিয়াটির নামই পেয়ারিং। সুতরাং সঠিক উত্তর: ক) প্যায়ারিং।

• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
WiMAX-এর প্রধান ব্যবহার কী?
  1. সেলুলার টেলিফোনি
  2. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
  3. ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস 
  4. স্বল্প-দূরত্বের ব্লুটুথ সংযোগ
সঠিক উত্তর:
ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস 
ব্যাখ্যা
• WiMAX-এর প্রধান ব্যবহার হলো ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস (গ) প্রদান করা। WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) একটি ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহ করে, বিশেষ করে যেখানে তারযুক্ত সংযোগ সহজলভ্য নয়। এটি শহরাঞ্চল থেকে শুরু করে দূরবর্তী গ্রামীণ এলাকাতেও কার্যকরভাবে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে পারে। WiMAX প্রযুক্তি ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত কভারেজ প্রদান করতে সক্ষম এবং একাধিক ব্যবহারকারীকে একযোগে সংযোগের সুবিধা দেয়। তাই, এটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয় হাই-স্পিড ইন্টারনেট ও ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য, যা ব্রডব্যান্ড সেবার একটি বিকল্প হিসেবে কাজ করে।

• ওয়াইম্যাক্স এবং ওয়াইম্যাক্সের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- কভারেজ এরিয়া সাধারণত 10 থেকে 60 কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- সাধারণত নেটওয়ার্কের জন্য কোনো প্রকার ক্যাবল বা তারের প্রয়োজন হয় না।
- নেটওয়ার্কে সহজে নতুন ব্যবহারকারী যুক্ত করে নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়ানো যায়।
- ডেটা ট্রান্সফারের রেট সাধারণত 80 Mbps থেকে 1 Gbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ফুল ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত 2 GHz-66 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে। তবে Non Line of Sight-এর জন্য ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 2 GHz থেকে 11 GHz এবং Line of Sight-এর জন্য ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 2 GHz থেকে 66 GHz।
- সিগন্যাল নয়েজ (SNR-signal to noise ratio) সর্বোচ্চ 7 dB (decibel)।
- বাধামুক্ত সিগন্যাল ট্রান্সফারের জন্য বিভিন্ন ধরনের এনক্রিপশন সুবিধা আছে।
- ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড লাইসেন্স বা লাইসেন্সবিহীন হতে পারে।
- ওয়াইম্যাক্স কানেকশন ওরিয়েন্টেড MAC প্রোটোকল ব্যবহার করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
EDGE কোন মোবাইল প্রযুক্তির উন্নত সংস্করণ?
  1. Wi-Fi
  2. CDMA
  3. LTE
  4. GSM
সঠিক উত্তর:
GSM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GSM
ব্যাখ্যা
• EDGE (Enhanced Data Rates for GSM Evolution) হলো GSM (Global System for Mobile Communications) প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। এটি মূলত 2.5G বা 2G-এর পরবর্তী ধাপে উন্নয়নের প্রতিনিধিত্ব করে। GSM প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে EDGE দ্রুতগতির ডেটা সেবা প্রদান করে, যা ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইমেইল এবং মাল্টিমিডিয়া পরিষেবার জন্য সহায়ক। এটি GPRS-এর (General Packet Radio Service) চেয়ে প্রায় তিনগুণ বেশি ডেটা গতি প্রদান করতে সক্ষম। EDGE-এর মাধ্যমে মোবাইল ব্যবহারকারীরা সীমিত ব্যান্ডউইডথেও আরও উন্নত অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে। সুতরাং, EDGE মূলত GSM প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। সঠিক উত্তর: ঘ) GSM.

• EDGE:
- জিপিআরএস এর চাইতে উন্নত মোবাইল ফোন প্রযুক্তি হলো ইডিজিই।
- EDGE এর পুরো অর্থ হলো Enhanced Data rates for GSM Evolution।

• ইডিজিই এর বৈশিষ্ট্য (Features of EDGE):
১. এটি স্ট্যান্ডার্ড GPRS এর চাইতে চারগুণ বেশি ট্রাফিক বহন করতে পারে।
২. থ্রিডি নেটওয়ার্কের জন্য ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স ইউনিয়ন এর চাহিদাগুলো EDGE পূরণ করেছে।
৩. ৯টি মডুলেশন ও কোডিং স্কিম ব্যবহার করে।
৪. বড় আকারের চিপ ভেন্ডরদের দ্বারা GSM এবং WCDMA/HSPA উভয়টির জন্যই বর্তমানে EDGE সমর্থন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং চাকরি খোঁজার জন্য মূলত কোন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হয়?
  1. LinkedIn
  2. TikTok
  3. YouTube
  4. Twitter
সঠিক উত্তর:
LinkedIn
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LinkedIn
ব্যাখ্যা
• ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং চাকরি খোঁজার জন্য মূলত LinkedIn প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করা হয়। LinkedIn একটি পেশাদার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, যেখানে ব্যবহারকারীরা তাদের পেশাগত প্রোফাইল তৈরি করে, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং শিক্ষা যোগ করতে পারে। এটি নিয়োগদাতা এবং চাকরিপ্রার্থীদের সংযুক্ত করে, যার মাধ্যমে চাকরি খোঁজার সুযোগ সহজ হয়। চাকরির বিজ্ঞপ্তি, পেশাগত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং ক্যারিয়ার-সম্পর্কিত কনটেন্ট শেয়ার করাও এখানে সম্ভব। এছাড়াও, বিভিন্ন কোম্পানির রিক্রুটাররাও LinkedIn ব্যবহার করে উপযুক্ত প্রার্থী খোঁজেন। তাই ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং চাকরির জন্য LinkedIn-ই সবচেয়ে কার্যকর প্ল্যাটফর্ম।

• LinkedIn: 
- LinkedIn একটি বিজনেস ওরিয়েন্টেড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ৷
- ২০০২ সালে রিড হফম্যান LinkedIn উদ্ভাবন করেন।
- ২০০৩ সালে LinkedIn অফিশিয়ালি চালু হয়।

• LinkedIn এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা, 
- প্রফেশনাল প্রোফাইল তৈরি করতে পারে; 
- চাকরির সন্ধান করতে পারে এবং চাকরিদাতা পেতে পারে; 
- বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রির এক্সপার্টদের সাথে যোগাযোগ করতে পারে; 
- প্রফেশনাল স্কিল শেখার জন্য কোর্স করতে পারে (LinkedIn Learning); 
- বিজনেস নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে পারে। 

উৎস: LinkedIn Official Website.
১৫.
কোন বৈশিষ্ট্য স্মার্টওয়াচকে নেভিগেশনে কার্যকর করে তোলে?
  1. দিনে একবার অবস্থান দেখায়
  2. শুধুমাত্র কাগজের মানচিত্র সমর্থন করে
  3. কম্পাস সূচক
  4. বিল্ট-ইন ম্যাপ এবং জিপিএস ট্র্যাকিং
সঠিক উত্তর:
বিল্ট-ইন ম্যাপ এবং জিপিএস ট্র্যাকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিল্ট-ইন ম্যাপ এবং জিপিএস ট্র্যাকিং
ব্যাখ্যা
• স্মার্টওয়াচকে নেভিগেশনে কার্যকর করে তোলে ঘ) বিল্ট-ইন ম্যাপ এবং জিপিএস ট্র্যাকিং বৈশিষ্ট্যটি। এই ফিচারটি স্মার্টওয়াচকে বাস্তব সময়ে ব্যবহারকারীর অবস্থান নির্ধারণ ও গন্তব্য নির্দিষ্ট করতে সাহায্য করে। বিল্ট-ইন ম্যাপের মাধ্যমে ঘুরে বেড়ানোর সময় রাস্তাঘাট, ট্রেইল বা শহরের মানচিত্র সরাসরি ঘড়ির স্ক্রিনে দেখা যায়। জিপিএস ট্র্যাকিং ব্যবহারকারীর গতিবিধি অনুসরণ করে এবং দিকনির্দেশনা দেয়, যা হাঁটা, দৌড়ানো বা বাইক চালানোর সময় অত্যন্ত সহায়ক। অন্যান্য অপশন যেমন দিনে একবার অবস্থান দেখানো বা শুধুমাত্র কাগজের মানচিত্র সমর্থন, আধুনিক নেভিগেশনের জন্য অপ্রতুল। তাই কার্যকর নেভিগেশনের জন্য ঘ অপশনটি সর্বাধিক উপযোগী।

• স্মার্ট ওয়াচ:
- স্মার্ট ওয়াচ হলো সাধারণ হাত ঘড়ির মত হাতে পরিধান করার উপযোগী এক ধরণের কম্পিউটিং ডিভাইস।
- সময় বলার পাশাপাশি স্মার্ট ওয়াচগুলো ব্লুটুথ ক্ষমতা সম্পন্ন। প্রতিটি স্মার্ট ওয়াচ ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার হিসেবে কাজ করে এবং যা পরিধানকারীর স্মার্টফোনের ক্ষমতা তাঁর ঘড়িতে প্রসারিত করতে সক্ষম।
- ব্যবহারকারী স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহার করে ফোনের কল রিসিভ করতে পারে এবং কল দিতেও পারে। তাছাড়াও, ইমেইল পড়তে, আবহাওয়ার প্রতিবেদন পেতে, সঙ্গীত শুনতে, ডিজিটাল এসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে ঘড়ির ইন্টারফেস ব্যবহার করতে পারেন।
- স্মার্ট ওয়াচগুলি ১৯৭০ এর দশকের গোড়ার দিকে আবিষ্কৃত হতে থাকে।
- 'হ্যামিল্টন পালসার' ছিল প্রথম ডিজিটাল ঘড়িগুলির মধ্যে একটি, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

• স্মার্ট ওয়াচের ব্যবহার:
- বিভিন্ন স্বাস্থ্য তথ্য যেমন হৃদস্পন্দন, রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা, রক্তচাপ এবং তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করতে পারে।
- ডিজিটাল ওয়ালেট অ্যাপ্লিকেশন সুবিধা প্রদান করেন।
- স্মার্টফোনের মতোই মেসেজিং এবং কলিং ফিচার।
- ব্যবহারকারী কোন বিপদে পড়লে জরুরি বার্তা প্রদান করতে পারে।
- মানচিত্র, কম্পাস, altimeter এবং জিপিএস ট্র্যাকিং এর সুবিধা প্রদান করার মাধ্যমে অবস্থান শনাক্তকরনে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: Britannica [লিংক]
১৬.
কোন ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে প্রেরক থেকে গ্রাহকের কাছে একবারে একটি ক্যারেক্টার পাঠানো হয়?
  1. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
ব্যাখ্যা
• প্রেরক থেকে গ্রাহকের কাছে একবারে একটি ক্যারেক্টার পাঠানোর পদ্ধতিকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলা হয়। এই পদ্ধতিতে ডাটা ছোট ছোট ইউনিটে বা ক্যারেক্টার ভিত্তিতে পাঠানো হয়, যেখানে প্রতিটি ক্যারেক্টারের আগে ও পরে স্টার্ট এবং স্টপ বিট যুক্ত থাকে। এর মাধ্যমে গ্রাহক সহজেই প্রতিটি ক্যারেক্টার আলাদা করে শনাক্ত করতে পারে। অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সাধারণত কম গতির যোগাযোগে ব্যবহৃত হয় এবং সময়ের ক্ষেত্রে স্বাধীন, অর্থাৎ প্রেরক ও গ্রাহকের ক্লক সিঙ্ক্রোনাইজড থাকে না। অন্যদিকে, সিনক্রোনাস ও আইসোক্রোনাস পদ্ধতিতে ডাটা ব্লক বা ধারাবাহিক তথ্য পাঠানো হয়, যেখানে একাধিক ক্যারেক্টার একসঙ্গে ট্রান্সমিট হয়। সুতরাং, একবারে একটি ক্যারেক্টার পাঠানোর জন্য সঠিক উত্তর হলো অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন।

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন: 
- এ পদ্ধতিতে প্রেরক হতে গ্রাহকে একটি একটি করে ক্যারেক্টার পাঠানো হয়।
- এ ধরনের ট্রান্সমিশনে যে কোন সময় ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ সম্ভব।
- এক্ষেত্রে প্রতিটি ক্যারেক্টারের সাথে একটি স্টার্ট বিট ও একটি স্টপ বিট পাঠানো হয়।
- প্রতিটি ক্যারেক্টার পাঠানোর মাঝখানে সময়ের ব্যবধান সমান হয় না।

উল্লেখ্য,
- সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন: যে ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে ক্যারেক্টারগুলো সংরক্ষণ করে কমপক্ষে ৮০ থেকে ১৩২ টি ক্যারেক্টারের ব্লক/ প্যাকেট করে এবং প্রতিটি ব্লক/প্যাকেট সমান বিরতিতে স্থানান্তর করে তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
- আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন: এটিও সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের মতো অনেকগুলো ক্যারেক্টার একত্রিত করে একটি ব্লক/প্যাকেট তৈরি করে ট্রান্সমিশন করে কিন্তু প্রতিটি ব্লক/প্যাকেট বিরতিহীনভাবে স্থানান্তরিত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।
১৭.
স্কাইপের সার্ভিস কোন সালে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে?
  1. ২০১৭
  2. ২০২০
  3. ২০২৫
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৫
ব্যাখ্যা
• স্কাইপের সার্ভিস বন্ধ করার সঠিক বছর হলো ২০২৫। যদিও স্কাইপ দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয় একটি ভিডিও কলিং এবং মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ছিল, প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন যোগাযোগের মাধ্যম আবির্ভূত হওয়ায় স্কাইপের ব্যবহার কমতে শুরু করে। মাইক্রোসফট ২০২৫ সালে এই সার্ভিস বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। 

২০১১ সালে Microsoft কোম্পানি Skype কে কিনে নেয়। Skype হলো একটি জনপ্রিয় ভিডিও কল ও মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম, যা বিশ্বজুড়ে মানুষদের যোগাযোগকে সহজ করে তোলে। Microsoft এর এই অধিগ্রহণের মাধ্যমে তারা তাদের যোগাযোগ এবং ক্লাউড সার্ভিস আরও উন্নত করতে চেয়েছিল। Skype ব্যবহার করে Microsoft ইউজারদের মধ্যে কল, ভিডিও কনফারেন্স এবং চ্যাটের সুবিধা বাড়িয়েছিল। Google, Apple বা Facebook এর পরিবর্তে Microsoft এই বড় বিনিয়োগ করায় তাদের ব্যবসায়িক ও প্রযুক্তিগত ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে ২০১১ সালে Skype Microsoft-এর মালিকানায় আসে। ৫মে, ২০২৫ থেকে Skype-এর কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।
 
• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়‍্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (তথ্য: ২৪ জুন, ২০২৫ পর্যন্ত)।
- ২০০৫ সালে ইবে (eBay) স্কাইপ অধিগ্রহণ করে। এরপর ২০১১ সালে মাইক্রোসফট ৮.৫ বিলিয়ন ডলারে স্কাইপ কিনে নেয়, যা তাদের জন্য একটি বড় ধরনের বিনিয়োগ ছিল। সেই সময় স্কাইপকে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে একীভূত করা হয়।
- বর্তমানে (জুন, ২০২৫) Skype এর কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

উৎস: 
১) Microsoft এর ওয়েবসাইট।
২) prothomalo [লিংক]
১৮.
DSL এর পূর্ণরূপ কি?
  1. Data Subscriber Line
  2. Digital Service Link
  3. Digital Signal Line
  4. Digital Subscriber Line
সঠিক উত্তর:
Digital Subscriber Line
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Digital Subscriber Line
ব্যাখ্যা
• DSL এর পূর্ণরূপ হলো Digital Subscriber Line. এটি একটি প্রযুক্তি যা ফোন লাইনের মাধ্যমে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে। সাধারণ ফোন লাইনের মাধ্যমে ডিজিটাল ডেটা ট্রান্সমিশন সম্ভব করে তোলে, ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। DSL এর মাধ্যমে ফোন লাইন ব্যাবহার করে ভয়েস এবং ডেটা একসাথে ট্রান্সফার করা যায়, ফলে ফোন কল এবং ইন্টারনেট একসাথে ব্যবহার করা সম্ভব হয়। এটি অনেক ক্ষেত্রে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি তুলনামূলকভাবে সহজ ও সস্তা হওয়ার কারণে বাড়ি ও অফিসে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাই DSL হলো Digital Subscriber Line.

• ওয়াইম্যাক্স (WIMAX) এবং DSL:
- ওয়াইম্যাক্স (WiMAX) প্রযুক্তি হলো বর্তমান সময়ের সর্বাধুনিক উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রটোকল সার্ভিস, যা তারবিহীন ব্যবস্থায় ১০ থেকে ৫০ কি.মি. পর্যন্ত ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করে।
- ওয়াইম্যাক্স এর পূর্ণ অর্থ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- এটি প্রচলিত DSL (Digital Subscriber Line) প্রযুক্তি এবং তারযুক্ত ইন্টারনেটের পরিবর্তে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করে।
- উঁচু-নিচু-পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropoliton Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৯.
কোনটি মেটা কোম্পানির আওতাধীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়?
  1. Messenger
  2. Facebook
  3. Snapchat
  4. Instagram
সঠিক উত্তর:
Snapchat
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Snapchat
ব্যাখ্যা
• মেটা কোম্পানির আওতাধীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর মধ্যে Messenger, Facebook, এবং Instagram অন্তর্ভুক্ত। এই সব প্ল্যাটফর্ম মেটার মালিকানাধীন এবং তারা ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগ, ছবি শেয়ার, ভিডিও কল, এবং বিভিন্ন সামাজিক কার্যকলাপে সহায়তা করে। অন্যদিকে, Snapchat একটি স্বতন্ত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যা মেটার আওতাধীন নয়। Snapchat তার নিজস্ব কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত হয় এবং এটি মূলত অস্থায়ী ছবি ও ভিডিও শেয়ার করার জন্য পরিচিত।
- তাই, মেটা কোম্পানির আওতাধীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয় Snapchat. এটি মেটার প্ল্যাটফর্মগুলোর বাইরে অবস্থান করে এবং আলাদা প্রতিষ্ঠানের অধীনে পরিচালিত হয়।


• মেটা প্ল্যাটফর্মস, ইনকর্পোরেটেড:
- মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকর্পোরেটেড, এর পূর্বনাম ফেসবুক, ইনকর্পোরেটেড।
- অক্টোবর ২০২১ সালে ফেসবুক তার নাম পরিবর্তন করে।
- এটি একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি সংগঠন।
- মেটার অধীনস্ত কোম্পানিগুলো হলো - ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্ অ্যাপ, ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, থ্রেডস ইত্যাদি।
- CEO: মার্ক জাকারবার্গ;
- প্রতিষ্ঠাকাল: ফেব্রুয়ারি, ২০০৪;
- বাণিজ্যিক নাম: মেটা;
- সদরদপ্তর: মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
২০.
প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি কী ছিল?
  1. FDMA
  2. CDMA
  3. EDGE
  4. TDMA
সঠিক উত্তর:
FDMA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FDMA
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্মের (1G) মোবাইল ফোন সিস্টেমে চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি হিসেবে FDMA (Frequency Division Multiple Access) ব্যবহার করা হতো। FDMA পদ্ধতিতে, প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্য নির্দিষ্ট একটি ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড আলাদা করে রাখা হয়, যার মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে আলাদা আলাদা ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে যোগাযোগ করতে পারে। এর ফলে সিগন্যালের মধ্যে পারস্পরিক হস্তক্ষেপ কমে যায় এবং স্পষ্ট কণ্ঠস্বর সরবরাহ সম্ভব হয়। প্রথম প্রজন্মের সিস্টেমগুলো শুধুমাত্র ভয়েস কলের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল এবং ডাটা ট্রান্সমিশনের ক্ষমতা ছিল সীমিত। অন্য পদ্ধতিগুলো যেমন CDMA, EDGE, বা TDMA মূলত পরবর্তী প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়। তাই, 1G মোবাইলে চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি ছিল FDMA.

• প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
- এই প্রজন্মে এনালগ পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়।
- সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো এফডিএমএ(Frequency Division Multiple Acces - FDMA)।
- সমসাময়িক কালের সাধারণ টেলিফোনের তুলনায় মোবাইল ফোনসমূহ আকারে ছোট এবং ওজনে হালকা।
- সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সি তুলনামূলকভাবে কম।
- কথোপকথন চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীর অবস্থানের পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- এতে মাইক্রোপ্রসেসর এবং সেমি কন্ডাক্টর প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- একই এলাকায় অন্য মোবাইল ট্রান্সমিটারের দ্বারা সৃষ্ট রেডিও ইন্টারফারেন্স নেই।
- উদাহরণ: এডভান্সড মোবাইল ফোন সিস্টেম (Advanced Mobile Phone System-AMPS), নর্ডিক মোবাইল টেলিফোন (Nordic Mobile Telephone), টোটাল একসেস কমিউনিকেশন সিস্টেম (Total Access Communication System-TACS) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।