পরীক্ষা আর্কাইভ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

পরীক্ষাভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১১ টপিক: রিভিশন [ভূগোল, পরিবেশ ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ সিলেবাস]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত?
  1. ১২ নটিক্যাল মাইল
  2. ১৫০ নটিক্যাল মাইল
  3. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৭০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমানা:
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকের দক্ষিণ অংশে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- ২০°৩৪' উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষরেখা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- আর ৮৮°০১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা পর্যন্ত বিস্তৃত আমাদের এই দেশ।
- বাংলাদেশের প্রায় মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩°৫) অতিক্রম করেছে।
- বাংলাদেশের তিনদিকের স্থলভাগ ভারত এবং মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত।
- দক্ষিণে অবস্থিত বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর।
- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ,
- উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং আসাম ও মেঘালয় রাজ্য,
- পূর্বে আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমার অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার। 
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিচের কোন উপাদানটি বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে কম?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. ধূলিকণা ও কনিকা
  3. জলীয়বাষ্প
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
ধূলিকণা ও কনিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধূলিকণা ও কনিকা
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল:
- সবচেয়ে বেশী রয়েছে নাইট্রোজেন। যার পরিমাণ ৭৮.০২%।
- সবচেয়ে কম ধূলিকণা ও কনিকা। যার পরিমাণ ০.০১%।
- যে গ্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে, সেই আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলা হয়। 
- ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত।
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয়বাষ্পের সংমিশ্রনে গঠিত।
- বায়ুমণ্ডল এর প্রধান উপাদান দুটি-
- নাইট্রোজেন ও
- অক্সিজেন।

• উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন: ৭৮.০২ শতাংশ।
- অক্সিজেন: ২০.৭১ শতাংশ।
- আর্গন: ০.৮০ শতাংশ।
- জলীয়বাষ্প: ০.৪১ শতাংশ।
- কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.০৩ শতাংশ।
- অন্যান্য গ্যাস: ০.০২ শতাংশ।
- ধূলিকণা ও কণিকা: ০.০১ শতাংশ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।

.
বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের সীমান্তবর্তী রাজ্যে কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা

মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা:
- মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩টি। যথা-
- কক্সবাজার,
- রাঙ্গামাটি ও
- বান্দরবান।
- বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের ২টি রাজ্যের সীমান্ত আছে। সেগুলি হল- 
- রাখাইন প্রদেশ (Rakhaing) ও
- চিন (chin) প্রদেশ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমার দুটি দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোট জেলা- ৩২টি।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে কুয়াশা, তুষারপাত, শিশির ইত্যাদি সৃষ্টি হয়?
  1. স্ট্রাটোমন্ডল
  2. এক্সোমন্ডল
  3. ট্রপোমন্ডল
  4. মেসোমন্ডল
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমন্ডল
ব্যাখ্যা

ট্রপোমণ্ডল (Troposphere): 
- এই স্তরটি বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর, ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে আছে।
- মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির ও কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়।
- ট্রপোমণ্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি (Tropopause)।
- এই স্তর ভূপৃষ্ঠ থেকে নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় ১৬-১৯ কিলোমিটার।
- মেরু অঞ্চলে প্রায় ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

উল্লেখ্য,
- বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়।
- যথা- ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল, মেসোমণ্ডল, তাপমণ্ডল ও এক্সোমন্ডল।
- স্তরগুলোর প্রথম তিনটি সমমণ্ডল (Homosphere) এবং পরবর্তী দুটি বিষমমণ্ডল (Hetrosphere)-এর অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মার দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩৩৪ কিলোমিটার
  2. ২৯৪ কিলোমিটার
  3. ৩৪১ কিলোমিটার
  4. ৩৪৫ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৩৪১ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪১ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

দীর্ঘতম নদী:
- দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা।
- নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৪১ কিলোমিটার।
- নদীটি তিন বিভাগের ১২টি জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- প্রবেশ পথ - শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- নদীটির পতনমুখ - মেঘনা (ভেদরগঞ্জ, শরীয়তপুর)।

অন্যদিকে, 
- দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী ইছামতি। এর দৈর্ঘ্য ৩৩৪ কিলোমিটার। এই নদীটি খুলনা বিভাগের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- তৃতীয় দীর্ঘতম নদী সাঙ্গু। এর দৈর্ঘ্য ২৯৪ কিলোমিটার। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট।

.
কোন বায়ু বানিজ্য বায়ু নামে পরিচিত?
  1. পশ্চিমা বায়ু
  2. মেরু বায়ু
  3. অয়ন বায়ু
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অয়ন বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অয়ন বায়ু
ব্যাখ্যা

অয়ন বায়ু: 
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় থেকে উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরে উঠে গেলে কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।
- ফেরেলের সূত্র অনুসারে এ বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে থাকে।
- প্রাচীনকালে পরিচালিত বাণিজ্য জাহাজগুলো এ বায়ুপ্রবাহের দিক অনুসরণে যাতায়াত করত বলে এগুলোকে অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু বলে।
- উত্তর গোলার্ধে এটি উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- নিয়ত বায়ু পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে বছরের সকল সময় একই দিকে প্রবাহিত হয়।
• এই বায়ু তিন প্রকারের। যথা-
- অয়ন বায়ু,
- পশ্চিমা বায়ু ও
- মেরু বায়ু।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
প্লাইস্টোসিন যুগের বৃহত্তম উঁচুভূমি কোনটি?
  1. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  2. বরেন্দ্রভূমি
  3. লালমাই পাহাড়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
ব্যাখ্যা

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

ক) বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
- বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ অঞ্চলটিকে কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে।

খ) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার এবং আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এখানকার মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য তেমন উপযোগী নয়। এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসাব পরিচিত।

গ) লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।
- এ পাহাড়ের মাটি লাল এবং নুড়ি, বালি ইত্যাদি দ্বারা গঠিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
গ্রিনিচ মান মন্দির কোথায় অবস্থিত?
  1. প্যারিস, ফ্রান্স
  2. রোম, ইতালি
  3. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  4. বার্লিন, জার্মানি
সঠিক উত্তর:
লন্ডন, যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লন্ডন, যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

গ্রিনিচ মান:
- GMT-এর পূর্ণরূপ: Greenwich Mean Time.
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে ।
- বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। অর্থাৎ, ৬ ঘন্টা আগে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
বাংলাদেশের সাথে ভারতের কোন রাজ্যের স্থলসীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ?
  1. আসাম
  2. মেঘালয়
  3. মিজোরাম
  4. পশ্চিমবঙ্গ
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
ব্যাখ্যা

পশ্চিমবঙ্গ: 
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের স্থলসীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ, যা প্রায় ২,২৬২ কিলোমিটার।
- এই সীমান্ত বাংলাদেশের পশ্চিম, উত্তর-পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বেশিরভাগ জেলার সাথে সংযুক্ত, যেমন রাজশাহী, কুষ্টিয়া, যশোর, সাতক্ষীরা, এবং দিনাজপুরের  এলাকা। 
- পশ্চিমবঙ্গের সাথে বাংলাদেশের এই দীর্ঘ সীমান্তের কারণে এটি দীর্ঘতম হিসেবে বিবেচিত।


• বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত: 
- বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত ভারতের পাঁচটি রাজ্যের সাথে সংযুক্ত। যথা: 
- পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম। 
- বাংলাদেশের সাথে মেঘালয়ের স্থলসীমান্ত রয়েছে, যা প্রায় ৪৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ। 
- আসামের সাথে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত প্রায় ২৬৪ কিলোমিটার। 
- ত্রিপুরার সাথে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত প্রায় ৮৭৪ কিলোমিটার। 
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের স্থলসীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ, যা প্রায় ২,২৬২ কিলোমিটার।
- সর্বমোট স্থল সীমানা ৪১৫৬ কিলোমিটার।

উৎস: বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড।

১০.
কোন প্রণালি প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. পক প্রণালি
  2. জিব্রাল্টার প্রণালি
  3. সুন্দা প্রণালি
  4. ফরমোজা প্রণালি
সঠিক উত্তর:
সুন্দা প্রণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দা প্রণালি
ব্যাখ্যা

সুন্দা প্রণালী:
- জাভা (পূর্ব) এবং সুমাত্রা দ্বীপপুঞ্জের মধ্যে ১৬-৭০ মাইল প্রশস্ত।
- এটি জাভা সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর) এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ) কে সংযুক্ত করে। 
- এই প্রণালীর মধ্যে বেশ কয়েকটি আগ্নেয়গিরির দ্বীপ রয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হল ক্রাকাটোয়া।
- এই প্রণালী ১৯৪২ সালের মার্চ মাসে মিত্রশক্তি এবং জাপানি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের স্থান ছিল।
- সুন্দা প্রণালী হল ভারত মহাসাগরকে পূর্ব এশিয়ার সাথে সংযুক্তকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ।

অন্যদিকে, 
- মালাক্কা প্রণালী ভারত মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করে।
- বঙ্গোপসাগর ও মান্নার উপসাগরকে একসঙ্গে যুক্ত করেছে পক প্রণালী।
-  জিব্রাল্টার প্রণালী ভূমধ্যসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১১.
কোন আইন পাসের মাধ্যমে ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. জরুরি অবস্থা আইন, ২০০৭
  2. জাতীয় দুর্যোগ নীতিমালা, ২০১০
  3. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২
  4. প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধ আইন, ২০০৯
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর (ডিডিএম) ২০১২ সালে গঠন করা হয়।
- ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন-২০১২’ অনুমোদনের পর এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৭৩ সালে গঠিত ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তর এবং ১৯৯২ সালে সৃষ্ট দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরো (ডিএমবি) একীভূত হয়ে ডিডিএম গঠিত হয়।
- এই অধিদপ্তর দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, জরুরি সহায়তা প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের দায়িত্ব পালন করে।

উল্লেখ্য, 
- এটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও নীতিমালা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও কাজ করে।
- ডিডিএম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। 

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

১২.
বাংলাদেশের বড়পুকুরিয়া কয়লা ক্ষেত্রটি কোন বছরে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৯৬৫ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা

বড়পুকুরিয়া কয়লা ক্ষেত্র: 
- বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) কর্তৃক ১৯৮৫ সালে বড়পুকুরিয়া কয়লা ক্ষেত্র আবিষ্কার করা হয়।
- এটি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত।
- এর আয়তন ৬.৬৮ বর্গ কিলোমিটার।
- এই বেসিনে কয়লার মোট মজুদ ৩৯০ মিলিয়ন মেট্রিক টন।
- এখানে বিটুমিনাস কয়লা পাওয়া যায়। 

• বিটুমিনাস কয়লার মূল উপাদান হচ্ছে-
- ফিক্সড কার্বন-৪৮.৪০%,
- এ্যাশ- ১২.৪০%, 
- ভোলাটাইল মেটার-২৯.২০%, 
- মোট ময়েশ্চার-১০%, 
- ক্ষতিকারক উপাদান সালফারের পরিমাণ-০.৫৩% এবং 
- তাপ দহন ক্ষমতা-১১,০৪০ বিটিউ পার পাউন্ড। 

উৎস: বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেড (বিসিএমসিএল) ওয়েবসাইট।

১৩.
শিলিগুড়ি করিডোরের উভয় পাশে কোন দেশগুলো অবস্থান করছে?
  1. নেপাল ও ভুটান
  2. বাংলাদেশ ও নেপাল
  3. বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান
  4. পাকিস্তান ও ভুটান
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান
ব্যাখ্যা

শিলিগুড়ি করিডোর:
- অবস্থান: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে।
- উদ্দেশ্য: ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা।
- বিশেষত্ব: চেহারায় বাঁকানো মুরগির ঘাড়ের মতো হওয়ায় এটি ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত।
- প্রস্থ: প্রায় ২১–৪০ কিমি।
- ভৌগোলিক সংযোগ: ভারতের একমাত্র অংশ যা চারটি ভিন্ন দেশের সঙ্গে সংযুক্ত।
- সীমান্ত দেশসমূহ: নেপাল, বাংলাদেশ, ভুটান (উত্তরে)।
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় বৃহত্তর বাংলা প্রদেশ বিভক্ত হওয়ার ফলে করিডোরটি সৃষ্টি।
- কৌশলগত গুরুত্ব: সংকীর্ণ করিডোরটির মাধ্যমে নয়াদিল্লি উত্তর–পূর্ব ভারতের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সক্ষম।

উৎস: বিবিসি রিপোর্ট, ব্রিটানিকা।

১৪.
পানামা খাল কোন দুটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগর
  2. উত্তর ও প্রশান্ত মহাসাগর 
  3. আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক ও উত্তর মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

পানামা খাল:
- বিশ্ব বাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ রুট।
- পানামা প্রজাতন্ত্রের বুক চিরে বয়ে চলা কৃত্রিম খালটি জাহাজ চলাচলের জন্য ১৯০৪ সালে খনন করা হয় যেটি বিশ্ববাসীর কাছে পানামা খাল হিসেবে সমাধিক পরিচিত।
- ১৯০৪ সালে এর খনন কাজ শুরু হয় এবং ১৯১৪ সালে সমাপ্ত হয়।
- পানামা খালের দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৩০ থেকে ৯০ মিটার পর্যন্ত।
- তবে গভীর জলভাগ থেকে এর দৈর্ঘ্য হিসেব করলে এর দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় ৮২ কিলোমিটার।
- গভীরতা স্থানভেদে ৪৬ থেকে ৮৫ ফুট।
- এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে
- আর উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।
- এই খাল নির্মাণের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পুর্ব থেকে পশ্চিম উপকূলে চলাচলকারী জাহাজ গুলোর পথ প্রায় ১৫ হাজার কিলোমিটার হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১৫.
হালদা নদীর উৎপত্তি কোন জেলায়?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

হালদা নদী:
- খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলার বদনাতলী পর্বতশ্রেণী থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে হালদা নদী।
- এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উৎপত্তি লাভ করে বাংলাদেশের জলসীমায় সমাপ্তি ঘটেছে।
- হালদা নদী উৎপত্তি লাভ করার পর দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে কালুঘাটের নিকট কর্ণফুলী নদীতে মিলিত হয়েছে।
- কালুরঘাটের কাছে এটি কর্ণফুলী নদীতে এসে মিশেছে।
- এর মোট দৈর্ঘ্য ৮০.৪৫ কিমি। 
- হালদার প্রধান উপনদী ধুরুং খুবই খরস্রোতা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
ভূমিকম্প সংঘটন বিন্দুর সরাসরি উপরে ভূপৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে কী বলা হয়?
  1. Focus (ফোকাস)
  2. Fault (ফল্ট)
  3. Epicenter (উৎসকেন্দ্র)
  4. Seismic Zone (ভূকম্পীয় অঞ্চল)
সঠিক উত্তর:
Epicenter (উৎসকেন্দ্র)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Epicenter (উৎসকেন্দ্র)
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্প:
- ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিকম্প বলে। 
- ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র (Centre বা Focus) বলে।
- কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলে।
- ভূমিকম্পের উৎপত্তির কেন্দ্র হতে দূরত্ব বৃদ্ধির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়।
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হয়ে থাকে।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
কোন ধরনের শিলায় জীবাশ্ম থাকার সম্ভাবনা বেশি?
  1. রূপান্তরিত শিলা
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. পাললিক শিলা
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা
ব্যাখ্যা

শিলা:
- ভূত্বক গঠিনকারী উপাদানসমূহ শিলা নামে পরিচিত।
- গঠন অনুসারে শিলা তিন প্রকার। যথাঃ
১.  আগ্নেয় শিলা
২. পাললিক শিলা
৩.  রূপান্তরিত শিলা।

• পাললিক শিলা
- এদের মধ্যে পাললিক শিলা গঠিত হয় পলি সঞ্চিত হয়ে। 
- পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য সমূহ হলো:
- জীবাশ্ম দেখা যায়।
- স্তর লক্ষ্য করা যায়।
- পাললিক শিলা নরম, ভঙ্গুর।
- সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- বেলেপাথর, চুনা  পাথর, কাঁদাপাথর, কয়লা, কেওলিন, শেল প্রভৃতি পাললিক শিলার উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।

১৮.
বাংলাদেশের প্রথম সেচ প্রকল্প কোনটি?
  1. তিস্তা সেচ প্রকল্প
  2. গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প
  3. কাপ্তাই সেচ প্রকল্প
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প
ব্যাখ্যা

গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি-কে প্রজেক্ট):
- কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলায় অবস্থিত গঙ্গা কপতাক্ষ সেচ প্রকল্প।
- এটি বাংলাদেশে প্রথম সেচ প্রকল্প।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে (বাংলাদেশের ভূখন্ডে) সেচের জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক গৃহীত একটি প্রকল্প।
- কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এবং মাগুরা জেলার ১,৯৭,৫০০ হেক্টর জমি এ সেচ কার্যক্রমের আওতাভুক্ত।
- ১৯৬৯ সালে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৯.
নিচের কোন জেলায় প্লাইস্টোসিন যুগের সোপান ভূমি পাওয়া যায়?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বরিশাল
  3. খাগড়াছড়ি
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

ক) বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
- বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ অঞ্চলটিকে কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে।

খ) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার এবং আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এখানকার মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য তেমন উপযোগী নয়। এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসাব পরিচিত।

গ) লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।
- এ পাহাড়ের মাটি লাল এবং নুড়ি, বালি ইত্যাদি দ্বারা গঠিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান নয় কোনটি?
  1. পূর্বপ্রস্তুতি
  2. সাড়াদান
  3. প্রতিরোধ
  4. প্রশমন
সঠিক উত্তর:
সাড়াদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাড়াদান
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান ৩টি। যথা-
১। দুর্যোগ প্রতিরোধ
২। দুর্যোগ প্রশমন
৩। দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:  
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র বলতে দুর্যোগ মোকাবেলার সাথে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত পর্যায়গুলোকে বুঝানো হয়ে থাকে।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রকে দুইটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-

ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়:
- দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়।
- এগুলো হলো: পূর্ব প্রস্তুতি, প্রতিরোধ এবং প্রশমন।
- এই ৩টি কার্যক্রম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।

খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়:-
- দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়।
- এগুলো হলো- সাড়া প্রদান, পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন।

- সুতরাং দুর্যোগকে কার্যত মুকাবেলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই এর ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
- দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।
- অতীতে দুর্যোগে সাড়াদানকেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি

২১.
গ্রানাইট শিলাকে ‘সিয়াল (Sial)’ স্তর বলা হয় কেন?
  1. এতে লৌহ ও ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ বেশি
  2. এতে সিলিকা ও অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ বেশি
  3. এতে ক্যালসিয়াম ও সোডিয়াম বেশি
  4.  এতে কার্বন ও অক্সিজেন বেশি
সঠিক উত্তর:
এতে সিলিকা ও অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এতে সিলিকা ও অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ বেশি
ব্যাখ্যা

সিয়াল (Sial) স্তর:
- সিয়াল হলো ভূ-ত্বকের উপরের লঘুশিলা (Light crust) স্তর।
- এই স্তরের উপরেই গাছপালা ও তৃণাদি জন্মাতে দেখা যায়।
- সিয়াল স্তরে গ্রানাইট শিলার পরিমাণ বেশি, তাই একে গ্রানাইট শিলা স্তরও বলা হয়।
- গ্রানাইট শিলায় সিলিকা (Silica) ও অ্যালুমিনিয়াম (Aluminium) এর পরিমাণ বেশি থাকায় এ স্তরের নাম সিয়াল।
- মহাদেশগুলো প্রধানত সিয়াল জাতীয় শিলা দ্বারা গঠিত।
 
ভূ-ত্বকের গঠন:
১. সিয়াল (Granite স্তর): এটি ভূ-ত্বকের সর্বোচ্চ স্তর। এর নিচে অবস্থিত কনরাড বিযুক্তি (Conrad Discontinuity)।
২. সিমা (Basalt স্তর): এটি ভূ-ত্বকের মধ্যবর্তী স্তর যা ব্যাসল্ট শিলা দ্বারা গঠিত।
৩. অলিভিন স্তর: ভূ-ত্বকের নিম্নাংশ ভারী শিলা দ্বারা গঠিত এই স্তর।

উৎস: ভূমিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
'মাধবকুন্ড' জলপ্রপাত কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. রাঙামাটি
  3. মৌলভীবাজার
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

মাধবকুন্ড জলপ্রপাত:
- মৌলভীবাজার জেলার বড়লখো উপজলোয় মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত।
- প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টিলা হতে পাহাড়ি ঝর্নার পতিত জলরাশি পর্যটকের জন্য নয়নাভিরাম।
- জলাধারের উৎস উঁচু পাহাড়ের ঝর্ণাধারা  আর রাশি রাশি জল। সে এক অপূর্ব দৃশ্য।
- জলপ্রপাত ও আশেপাশের সৌন্দর্য উপভোগ করতে রয়েছে ওয়াচ টাওয়ার।
- জলপ্রপাতের নিকটেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস।
- জলপ্রপাতের চতুর্দিকে বিশাল বনভূমি অবস্থিত।
- মাধবকুন্ড ইকোপার্কে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ পর্যটকের সমাগম ঘটে।
- তাছাড়া এ মাধবকুন্ড জলপ্রপাত সংলগ্ন কুন্ডে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চৈত্রমাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে বারুনী স্নান হয় এবং মেলা বসে।
- হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এটি একটি তীর্থ স্থান।

উৎস: মৌলভীবাজার জেলা, ওয়েবসাইট।

২৩.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কত সালে 'বজ্রপাতকে' দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেছে?
  1. ২০১৫
  2. ২০১৬
  3. ২০১৭
  4. ২০১৮
সঠিক উত্তর:
২০১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬
ব্যাখ্যা

বজ্রপাত:
- ১৭ মে, ২০১৬ সালে বজ্রপাতকে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
- বজ্রপাত থেকে নিরাপদে থাকতে কতগুলো সতর্কতামূলক বার্তা প্রচার করবে মন্ত্রণালয়।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত জাতীয় পরিকল্পনায় এর আগে ১২টি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা উল্লেখ ছিল।
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ ধরনের বজ্রপাত হচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

২৪.
জাপানের ফুজিয়ামা কোন ধরনের পর্বত?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. চ্যুতি-স্থপ পর্বত
  3. আগ্নেয় পর্বত
  4. ল্যাকোলিথ
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় পর্বত
ব্যাখ্যা

• আগ্নেয় পর্বত:
- আগ্নেয়গিরি থেকে উদগিরিত পদার্থ সঞ্চিত ও জমাট বেঁধে আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি হয়। 
- একে আপ্লেয়জাত সমভূমি সঞ্চয়জাত পর্বতও বলে।
- এই পর্বত সাধারণত মোচাকৃতির (Conical) হয়ে থাকে।

• আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ হলো-
- ইতালির ভিসুভিয়াস,
- কেনিয়ার কিলিমানজারো,
- জাপানের ফুজিয়ামা এবং
- ফিলিপাইনের পিনাটুবো পর্বত।

অন্যদিকে,
• ভঙ্গিল পর্বত:
- ভঙ্গ বা ভাঁজ থেকে ভঙ্গিল শব্দটির উৎপত্তি।
- কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- এশিয়ার হিমালয়,
- ইউরোপের আল্পস,
- উত্তর আমেরিকার রকি এবং
- দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ। 

• চ্যুতি-স্থপ পর্বত:
- ভূআলোড়নের সময় ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরে প্রসারণ এবং সংকোচনের সৃষ্টি হয়।
- এই প্রসারণ এবং সংকোচনের জন্য ভুত্বকে ফাটলের সৃষ্টি হয়।
- কালক্রমে এ ফাটল বরাবর ভুত্বক ক্রমে স্থানচ্যুত হয়।
- ভূগোলের ভাষায় একে চ্যুতি বলে। ভুত্বকের এ স্থানচ্যুতি কোথাও উপরের দিকে হয়, আবার কোথাও নিচের দিকে হয়।
- ভারতের বিন্ধ্যা ও সাতপুরা পর্বত, জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট, পাকিস্তানের লবণ পর্বত চ্যুতি-স্তূপ পর্বতের উদাহরণ।

উল্লেখ্য,
- সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১,০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

২৫.
গ্রেট বেরিয়ার রীফ কোথায় অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. পারস্য মহাসাগরে
  4. ভারত মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
ব্যাখ্যা

গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ:
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ হল বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর সিস্টেম।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের তীরে প্রবাল সাগরে অবস্থিত।
- এর আনুমানিক ৩৪৪,৪০০০ কি.মি. বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এটি ২,৯০০টিরও বেশি পৃথক রিফ সিস্টেম, ৭৬০টি ফ্রেঞ্জ রিফ, ৩০০টি প্রবাল রশ্মি এবং ৯০০টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এটি অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসী এবং টরেস স্ট্রেইট দ্বীপবাসীরা ব্যবহার করত।

উৎস: Worldatlas.com।

২৬.
কোন নদী সর্বাধিক জেলা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে?
  1. ইছামতি
  2. মেঘনা
  3. যমুনা
  4. পদ্মা
সঠিক উত্তর:
পদ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্মা
ব্যাখ্যা

সবচেয়ে বেশি জেলা দিয়ে প্রবাহিত নদীর নাম - পদ্মা।
- জেলার সংখ্যা - ১২টি।

সবচেয়ে বেশি উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত নদীর নাম - মেঘনা।
- উপজেলার সংখ্যা - ৩৬টি।

সবচেয়ে বেশি নদী প্রবাহিত বিভাগের নাম - ঢাকা।
- নদীর সংখ্যা - ২২২টি।

সবচেয়ে বেশি নদী প্রবাহিত জেলার নাম - সুনামগঞ্জ।
- নদীর সংখ্যা - ৯৭টি।

উৎস: বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট।

২৭.
কোনটি নবায়নযােগ্য সম্পদ?
  1. প্রাকৃতিক কয়লা
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. ইউরেনিয়াম
  4. সূর্যের আলাে
সঠিক উত্তর:
সূর্যের আলাে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্যের আলাে
ব্যাখ্যা

নবায়নযােগ্য শক্তি (Renewable Energy):
- যে জ্বালানি পুন: পুন ব্যবহার করলে সাধারণত ফুরােয় না এমনকি অদূর ভবিষ্যতেও ঘাটতির সম্ভাবনা থাকে না, তাকে নবায়নযােগ্য জ্বালানি বলা হয়।
যেমন: সূর্যের আলাে, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা, সমুদ্রের ঢেউ, বায়ু, নদীর বহমান পানি, পৃথিবীর গভীরের উত্তপ্ত ম্যাগমা।

অনবায়নযােগ্য শক্তি (Non-Renewable Energy):
অনবায়নযােগ্য মানে হলাে, যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তা থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না। এটি হলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ, যা পুনরায় উৎপন্ন করা যায় না।
যেমন: তেল, গ্যাস, কয়লা, ইউরেনিয়াম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।