পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩সময়55 minutes
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৩ (যমুনা) (গ্রেড-১৩) পরীক্ষার তারিখ: ১৪.০৪.২০১৩
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ · ৮০ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর কোন সেক্টরের অধীন ছিল?
  1. চার নম্বর সেক্টর
  2. তিন নম্বর সেক্টর
  3. দুই নম্বর সেক্টর
  4. এক নম্বর সেক্টর
সঠিক উত্তর:
দুই নম্বর সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই নম্বর সেক্টর
ব্যাখ্যা
২ নং সেক্টর:
- ২ নং সেক্টর  ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। 
- এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। 
- আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। 
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ টি এম হায়দার। 
- এই সেক্টরের অধীনে প্রায় ৩৫ হাজারের মতো গেরিলা যুদ্ধ করেছে।
- নিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ হাজার।
এছাড়া,
- ১ নং সেক্টর  চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং তৎকালীন নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত।
- ৩ নং সেক্টর  উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
- ৪নং সেক্টর  উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত।
  
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
নেপালের পার্লামেন্টের নাম কী?
  1. সিনেট
  2. পঞ্চায়েত
  3. কংগ্রেস
  4. ফেডারেল পার্লামেন্ট
সঠিক উত্তর:
ফেডারেল পার্লামেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেডারেল পার্লামেন্ট
ব্যাখ্যা
- দুই কক্ষবিশিষ্ট নেপালের পার্লামেন্টের বর্তমান নাম ‘ফেডারেল পার্লামেন্ট’।
- নিম্নকক্ষ ‘হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভ’ এবং উচ্চকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি’।
- নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন রাজা জ্ঞানেন্দ্র। তিনি সর্বশেষ হিন্দু রাজাও ছিলেন।
- ২০০৮ সালের ২৮ মে নেপালে সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এ অধিবেশনে নেপালকে একটি ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক হিসেবে ঘোষণা করে এবং রাজতন্ত্রের বিলুপ্তি ঘোষণা করে।
- এর মাধ্যমে নেপালে ১৭৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ২৩৯ বছরের রাজতন্ত্রের পতন ঘটে।

 সূত্র: নেপাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট,  ব্রিটানিকা, parliament.gov.np
.
‘যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সার্বজনীন’ -এটি কার উক্তি?
  1. মুসোলিনী
  2. হিটলার
  3. সালজার
  4. ফ্রাষ্কো
সঠিক উত্তর:
হিটলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিটলার
ব্যাখ্যা
⇒ War is eternal, war is universal. There is no beginning and there is no peace. War is life. Any struggle is war.  War is the origin of all things.
___________Adolf Hitler, 1932

সূত্র: Hitler: The Pathology of Evil, (Chapter 6), George Victor. [Link]

===============
অ্যাডলফ হিটলার:
- অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম নাৎসী (Nazi) পার্টি।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- হিটলারের আত্মজীবনীর নাম Mein Kamph.
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার।
- হিটলার আত্মহত্যা করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।

সূত্র: হিস্টোরি ডটকম।
.
জাতিসংঘ কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৪৯
  2. ১৯৪৮
  3. ১৯৪২
  4. ১৯৪৫
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৫
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা:
- ১৯৪৪ সালে ওয়াশিংটন ডিসির ডাম্বারটন ওকস এ অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে একটি আন্তর্জাতিক সংগঠনের জন্য প্রথম সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়।
- যুদ্ধ পরবর্তী ইউরোপের পুনর্গঠনের জন্য রুজভেল্ট, চার্চিল এবং স্ট্যালিন ১৯৪৫ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনের ইয়াল্টায় এক সম্মেলনে মিলিত হয়।
- এই সম্মেলন 'ক্রিমিয়া সম্মেলন' নামেও পরিচিত।
- এই সম্মেলনের ভিত্তিতে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন বিশ্বের ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে ১১১ ধারা সম্বলিত জাতিসংঘের মূলসনদে স্বাক্ষর করেন।
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর ৫১টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয়।
- এ জন্য প্রতি বছর ২৪ অক্টোবর ‘জাতিসংঘ দিবস' হিসেবে পালিত হয়। জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩।
- এ সংস্থার সদর দপ্তর নিউইয়র্ক। ইউরোপীয় দপ্তর জেনেভা।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি। এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ ও আরবি।
- জাতিসংঘের পতাকায় আছে হালকা নীলের উপর সাদা রঙের জাতিসংঘের প্রতীক।
- জাতিসংঘের প্রতীকের মাঝখানে পৃথিবীর মানচিত্র। দুই পাশে দুইটি জলপাই গাছের শাখা। জলপাই গাছ শান্তির প্রতীক।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
‘সার্ক’ কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৫
  2. ১৯৮৫
  3. ১৯৮৭
  4. ১৯৯০
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫
ব্যাখ্যা
সার্ক:
- 'সার্ক' একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
- SAARC এর পূর্ণরূপ হল South Asian Association for Regional Co-operation (দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা)।
- কোনো রাষ্ট্রের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়াদিতে হস্তক্ষেপ না করে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সব বিরোধের নিষ্পত্তি করা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রেখে সার্বিক উন্নতি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে সার্ক গঠিত হয়।
- সার্কের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৮৫।
- সার্কের প্রাথমিক সদস্য সংখ্যা ৭টি হলেও বর্তমান সদস্য ৮।
- বর্তমানে সার্কভূক্ত দেশগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, ভূটান, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান। ৩ এপ্রিল, ২০০৭ সালে আফগানিস্তান সার্কের সদস্য হয়।
- সার্কের পর্যবেক্ষক দেশ ও সংস্থা হল চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, মরিশাস, মিয়ানমার, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন।
- সার্ক সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
- সার্কের প্রধানকে বলা হয় সেক্রেটারি জেনারেল।
- সার্কের বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম সরোয়ার। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?
  1. ১৯০৫
  2. ১৯১১
  3. ১৯২১
  4. ১৯৩৫
সঠিক উত্তর:
১৯২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২১
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ বাংলা বিভক্তি বাতিলের সিদ্ধান্তে মুসলিম সম্প্রদায়ের অসন্তোষের বিষয় উপলব্ধি করে তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নেন।
- তখন মুসলিম সম্প্রদায়ের কয়েকজন বিশিষ্ট নেতা ১৯১২ সালের ৩১ জানুয়ারি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এঁদের মধ্যে ছিলেন নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ, নওয়াব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী এবং এ.কে ফজলুল হক।
- সাক্ষাৎকালে তাঁরা বঙ্গভঙ্গ রহিত করায় শিক্ষাক্ষেত্রে তাদের অগ্রযাত্রা ব্যাহত হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। বঙ্গবিভক্তি বিলোপের ক্ষতিপূরণ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরোধিতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে তারা ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জোর দাবি জানান।
- লন্ডনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাভের পর ভারত সরকার ১৯১২ সালের ৪ এপ্রিল এক পত্রের মাধ্যমে বাংলা সরকারকে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত বিশদ পরিকল্পনা এবং এর আর্থিক সংশ্লেষ সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপনের নির্দেশ দেন।
- এতদুদ্দেশ্যে ২৭ মে লন্ডনের ব্যারিস্টার রবার্ট নাথানকে প্রধান করে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি নিয়োগ করা হয়।
- নাথান কমিটি নামে পরিচিত এ কমিটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি প্রকল্প প্রণয়ন করেন।
- ১৯২০ সালে ভারতীয় বিধানসভায় গৃহীত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইনবলে ১৯২১ সালের ১ জুলাই আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকার রমনা এলাকার প্রায় ৬০০ একর জমি নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. এগার
  2. দশ
  3. আট
  4. পনের
সঠিক উত্তর:
এগার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগার
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গন (সেক্টর):
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়।
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার (অধিনায়ক) নিয়োগ করা হয়।
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।
১নং সেক্টর - চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত।
২ নং সেক্টর - ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। 
৩ নং সেক্টর - উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
৪ নং সেক্টর - উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত।
৫ নং সেক্টর - সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।
৬ নং সেক্টর - সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত।
৭ নং সেক্টর - রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
৮ নং সেক্টর - এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা।
৯ নং সেক্টর - বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
১০ নং সেক্টর - সমগ্র দেশের নৌ-অঞ্চল নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
১১ নং সেক্টর - টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
পানামা খাল কোন কোন মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. আটলান্টিক ও ভূমধ্যসাগর
  2. প্রশান্ত ও উত্তর মহাসাগর
  3. ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
পানামা খাল:
- বিশ্ব বাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ রুট।
- পানামা প্রজাতন্ত্রের বুক চিরে বয়ে চলা কৃত্রিম খালটি জাহাজ চলাচলের জন্য ১৯০৪ সালে খনন করা হয় যেটি বিশ্ববাসীর কাছে পানামা খাল হিসেবে সমাধিক পরিচিত।
- ১৯০৪ সালে এর খনন কাজ শুরু হয় এবং ১৯১৪ সালে সমাপ্ত হয়।
- পানামা খালের দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৩০ থেকে ৯০ মিটার পর্যন্ত।
- তবে গভীর জলভাগ থেকে এর দৈর্ঘ্য হিসেব করলে এর দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় ৮২ কিলোমিটার।
- গভীরতা স্থানভেদে ৪৬ থেকে ৮৫ ফুট।
- এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ কে পৃথক করেছে।
- এই খাল নির্মাণের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পুর্ব থেকে পশ্চিম উপকূলে চলাচলকারী জাহাজ গুলোর পথ প্রায় ১৫ হাজার কিলোমিটার হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
.
কোন মুঘল সুবেদার চট্টগ্রাম দখল করে এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ?
  1. ইসলাম খান
  2. রাজা মানসিংহ
  3. শায়েস্তা খান
  4. মীর জুমলা
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা

শায়েস্তা খান (১৬৬৪-১৬৮৮):
 - বাংলার মুগল সুবাহদার।
- ১৬৭৮-৭৯ খ্রিস্টাব্দে এক বছরের সামান্য বেশি সময়ের বিরতিসহ দীর্ঘ ২৪ বছর তিনি এ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- বাংলায় সুবাহদার হিসেবে তাঁর কার্যকালের মেয়াদই দীর্ঘতম।
- ইরানি বংশোদ্ভূত  শায়েস্তাখানের আসল নাম ছিল মির্জা আবু তালিব।
- জাহাঙ্গীর তাঁর রাজত্বের একুশতম বছরে তাঁকে ‘শায়েস্তা খান’ উপাধিতে ভূষিত করেন। 
- ১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে মীরজুমলার মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান বাংলার সুবাহদার নিযুক্ত হন।
- প্রধানত চট্টগ্রাম জয়ের জন্যই বাংলায় শায়েস্তা খানের বিশাল খ্যাতি।
- বিখ্যাত সামুদ্রিক বন্দর চট্টগ্রাম চৌদ্দ শতকের মধ্যভাগে সুলতান ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ দখল করেছিলেন। মাঝে মাঝে আরাকান বা ত্রিপুরা এটি দখল করে নিত।
- সেই বিরতিটুকু ছাড়া তখন থেকেই চট্টগ্রাম মুসলমানদের শাসনাধীন ছিল।
- কিন্তু মুগলদের বাংলা বিজয়ের আগে চট্টগ্রাম আরাকানিদের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছিল।
- ১৬৬৬ সালে বাংলার মোঘল শাসক শায়েস্তা খান তাঁর পুত্র বুজুর্গ — ওমেদখানের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিজয় সম্পন্ন করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম অঞ্চলের নাম রাখেন — ইসলামাবাদ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১০.
‘পাহাড়পুর’ বৌদ্ধ বিহারের নির্মাতা কে?
  1. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. ধর্মপাল
  3. রামপাল
  4. আদিশূর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
ধর্মপাল (আনুমানিক ৭৮১-৮২১ খ্রিষ্টাব্দ):
 - বাংলার পাল বংশের দ্বিতীয় এবং সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা।
- পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপালের পুত্র ও উত্তরাধিকারী ধর্মপাল পালদের উদীয়মান প্রতিপত্তির যুগের সূচনা করেন।
- ধর্মপাল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ছিলেন। বিক্রমশীল বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের কৃতিত্ব তাঁর।
- নয় শতক থেকে বারো শতক পর্যন্ত সমগ্র ভারতে এটি ছিল বৌদ্ধদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাকেন্দ্র।
- পাহাড়পুরের সোমপুর বিহারও ধর্মপালের আরেক কীর্তি।
- ধর্মপাল সমান উৎসাহে ব্রাহ্মণ্য ধর্ম ও মন্দিরেরও পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন।
- বলা হয় যে, তিনি শাস্ত্রানুশাসন সম্বন্ধে অবহিত ছিলেন এবং প্রতি বর্ণের লোক যাতে স্ব স্ব নীতি মেনে চলতে পারে সেজন্য তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন।
- বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের ধর্মীয় সহিষ্ণুতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতির প্রবর্তক হিসেবে তাঁকে গণ্য করা যেতে পারে।
- ধর্মীয় সহিষ্ণুতা বাংলায় পাল শাসনের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১.
সূর্যে শক্তি উৎপন্ন হয়-
  1. তেজস্ক্রিয়তার ফলে
  2. পরমাণুর ফিশন পদ্ধতিতে
  3. তাপ উৎপাদনকারী রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে
  4. পরমাণুর ফিউশন পদ্ধতিতে
সঠিক উত্তর:
পরমাণুর ফিউশন পদ্ধতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরমাণুর ফিউশন পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
সূর্যে শক্তি উৎপন্ন হয় পরমাণুর ফিউশন পদ্ধতিতে।
- সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়ার যায় তাকে বলা হয় সৌরশক্তি।
- সূর্য সকল শক্তির উৎস।
- পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্যের কিরণ থেকে তৈরি হয়েছে।
- প্রকৃতপক্ষে সূর্যের শক্তির উৎস পারমাণবিক শক্তি, কারণ সূর্যে ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয়।
- এ শক্তি পৃথিবীতে বিকিরিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২.
প্লবতা বেশি-
  1. পুকুরের পানির
  2. নদীর পানির
  3. সমুদ্রের পানির
  4. সুইমিং পুলের পানির
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের পানির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের পানির
ব্যাখ্যা
- নদীর পানি অপেক্ষা সমুদ্রের পানিতে প্লবতা বেশি হওয়ায় সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ।
- প্লবতা প্রবাহীর ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে (সমানুপাতিক)। 
- নদীর পানির তুলনায় সমুদ্রের পানির ঘনত্ব কিছু বেশি। 
- তাই সাঁতার কাটার সময় নদীর পানির তুলনায় সমুদ্রের পানিতে বেশি উর্ধ্বমুখী বল পাওয়া যায়। 
- এ কারণে নদীর পানি অপেক্ষা সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ।
 
উৎস : বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও কালের কণ্ঠ।  
১৩.
রেডিওঅ্যাকটিভ মৌল অনুসন্ধান করার যন্ত্র-
  1. গাইগার মুলার কাউন্টার
  2. ম্যানোমিটার
  3. ক্রনোমিটার
  4. ওডোমিটার
সঠিক উত্তর:
গাইগার মুলার কাউন্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাইগার মুলার কাউন্টার
ব্যাখ্যা
- Geiger কাউন্টার, যা  Geiger-Muller কাউন্টার নামেও পরিচিত, একটি  বহনযোগ্য ডিভাইস যা আয়নাইজিং বিকিরণ সনাক্ত এবং পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি বিশ শতকের গোড়ার দিকে হ্যান্স গেইগার এবং ওয়ালথার মুলার দ্বারা উদ্ভাবিত হয়েছিল।
- গিগার কাউন্টারগুলি পারমাণবিক পদার্থবিদ্যা, ওষুধ, রেডিওলজি, পরিবেশ পর্যবেক্ষণ এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

Geiger কাউন্টারগুলি বিকিরণ সনাক্তকরণে কার্যকর হলেও, তারা বিকিরণের ধরণ বা এর শক্তি স্তর সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে না। আরো বিস্তারিত বিশ্লেষণের জন্য, অন্যান্য যন্ত্র যেমন সিন্টিলেশন ডিটেক্টর বা স্পেকট্রোমিটার ব্যবহার করা যেতে পারে গিগার কাউন্টারের সাথে।

অন্যদিকে, 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার।
- মোটর গাড়ির গতি নির্নায়ক যন্ত্র - ওডোমিটার।
- ম্যানোমিটার হল গ্যাস বা তরল পদার্থের চাপ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত একটি যন্ত্র।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৪.
বিদ্যুৎ পরিবাহকের রোধের একক-
  1. ওয়াট
  2. কুলম্ব
  3. অ্যাম্পিয়ার
  4. ওহম
সঠিক উত্তর:
ওহম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওহম
ব্যাখ্যা
রোধ: 
- রোধ হচ্ছে বিদ্যুৎ পরিবাহীর ধর্ম।
- পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় তাই হলো রোধ।
- রোধের এসআই (SI) একক ও’ম (Ω)।

অন্যদিকে, 
ক্ষমতার একক ওয়াট। 
চার্জের একক কুলম্ব। 
বিদ্যুৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার। 

সূত্র: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 
১৫.
দৃশ্যমান বর্ণালির বৃহত্তম দৈর্ঘ্যের তরঙ্গ-
  1. নীল
  2. সবুজ
  3. লাল
  4. বেগুনী
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা
দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ: 
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয়, একে বলা হয় দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসীমা হচ্ছে 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র।
- এই পরিসীমার বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন রঙ দেখা যায়। 
- এদের আসমানি, সবুজ, নীল, হলুদ, বেগুনি, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
কোনো মাধ্যমের তাপমাত্রা বাড়ালে ঐ মাধ্যমে শব্দের গতি-
  1. কমে
  2. বাড়ে
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. অনিয়মিত হয়
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
ব্যাখ্যা
- শব্দের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের বেগও বাড়ে।
যেমন, পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস (0°) তাপমাত্রায় বাতাসে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩১ মিটার।
- কিন্তু প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে এর বেগ ০.৬ মিটার/সেকেন্ড বৃদ্ধি পাবে।
- শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের উপরও নির্ভর করে। যে মাধ্যমের ঘনত্ব বেশি সে মাধ্যমে শব্দের বেগও বেশি। ফলে পানিতে শব্দের বেগ ১৪৪০ মিটার/সেকেন্ড। কঠিন পদার্থ যেমন কাঠের মধ্যে শব্দের বেগ বায়ু অপেক্ষা ১২ গুণ বেশি। ইস্পাতে শব্দের বেগ বায়ুর চেয়ে ১৫ গুণ বেশি। 
অর্থাৎ, যে পদার্থের ঘনত্ব বেশি সে পদার্থে শব্দের বেগও বেশি। 

উৎস: বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
কাজের একক-
  1. ওয়াট
  2. নিউটন
  3. জুল/সেকেন্ড
  4. জুল
সঠিক উত্তর:
জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুল
ব্যাখ্যা
- বলের একককে সরণের একক দিয়ে গুণ করলে কাজের একক পাওয়া যায়।
- বলের একক হচ্ছে নিউটন (N) এবং সরণর একক হচ্ছে (m)।
- অতএব, কাজের একক হবে নিউটন - মিটার (Nm)। নিউটন -মিটারকে জুল (J)বলা হয়।
- এটি কাজের আন্তর্জাতিক একক।

অন্যদিকে, ক্ষমতার একক হচ্ছে ওয়াট।  

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
১৮.
আলোর বর্ণ নির্ধারণ করে তার-
  1. গতিবেগ
  2. বিস্তার
  3. তরঙ্গদৈর্ঘ্য
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গদৈর্ঘ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গদৈর্ঘ্য
ব্যাখ্যা
দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ:
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ। এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র। 
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
একটি বালিকা দোলনায় বসে দোল খাচ্ছে, সে দোলনায় উঠে দাঁড়ালে দোলনকালের কী পরিবর্তন ঘটবে?
  1. কমবে
  2. বাড়বে
  3. শূন্য হবে
  4. পরিবর্তন হবে না
সঠিক উত্তর:
কমবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমবে
ব্যাখ্যা
দোলনকাল (Time Period) :
একটি পূর্ণদোলনের জন্য কোনো কণা যে সময় নেয় তাকে পর্যায়কাল বা দোলনকাল (T) বলা হয় । এর মাত্রা হলো সময়ের মাত্রা T এবং একক হলো সেকেন্ড (s)।
 
আমরা জানি, সরল দোলকের ক্ষেত্রে, T ∝ √L, যেখানে L = কার্যকরী দৈর্ঘ্য। 

বালিকা দোলনায় উঠে দাঁড়ালে কার্যকরী দৈর্ঘ্য কমে যাবে, ফলে দোলনকাল কমে যাবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
২০.
মেঘাচ্ছন্ন আকাশে রাত অপেক্ষাকৃত গরম হয়, কারণ-
  1. বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কম থাকায়
  2. বায়ুমণ্ডলীয় ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায়
  3. বায়ুমণ্ডলে বেশি পরিমাণ ধূলিকণা থাকায়
  4. মেঘ মাটি থেকে বায়ুতে তাপ বিকিরণে বাধা দেয়
সঠিক উত্তর:
মেঘ মাটি থেকে বায়ুতে তাপ বিকিরণে বাধা দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘ মাটি থেকে বায়ুতে তাপ বিকিরণে বাধা দেয়
ব্যাখ্যা
- আকাশ মেঘলা থাকলে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে যায়।
- এই মেঘলা থাকার কারণে দিনের যে তাপ থাকে তা উপরে যেতে মেঘ বাধা দেয়।
- তাই এ তাপ ভূ - পৃষ্ঠে ফিরে আসে।
- এ তাপের জন্য মেঘলা রাতে শিশির জমে না এবং ভ্যাপসা গরম অনুভূত হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২১.
সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ-
  1. বৃহস্পতি
  2. পৃথিবী
  3. শনি
  4. বুধ
সঠিক উত্তর:
শনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শনি
ব্যাখ্যা
সৌরজগতের গ্রহসমূহ:
বুধ
- সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ। এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার। 
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে বুধের সময় লাগে প্রায় ৮৮ দিন। 
- বুধের কোনো উপগ্রহ নেই।
শুক্র
- ব্যস ১২,১০৪ কিলোমিটার।
- সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন। 
- ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় শুকতারা। সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় সন্ধ্যাতারা।
- শুক্র গ্রহেরও কোনো উপগ্রহ নেই।
পৃথিবী
- পৃথিবীকে বলা হয় আদর্শ গ্রহ। 
- ব্যস ১২,৬৬৭ কিলোমিটার।
- পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড। পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ ।
মঙ্গল
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭ কিলোমিটার।
- সূর্যের চতুর্দিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে মঙ্গলের সময় লাগে প্রায় ৬৮৭ দিন।
- ডিমোস এবং ফোবোস নামক মঙ্গলের দুটি উপগ্রহ রয়েছে। 
বৃহস্পতি
- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বলে একে গ্রহরাজ বলা হয়।
- ব্যস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার।
- বৃহস্পতির সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে সময় লাগে প্রায় ১২ বছর।
শনি
সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে শনির সময় লাগে ২৯ বছর।
- এর ব্যাস প্রায় ১,২০,০০০ কিলোমিটার।
- এটি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
ইউরেনাস
- দূরত্বের দিক থেকে সৌরজগতের সপ্তম গ্রহ ও তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- এটি সৌরজগতের একমাত্র গ্রহ যার নাম গ্রীক পুরান থেকে নেয়া হয়েছে।
- ব্যস ৪৯,০০০ কিলোমিটার।
- ৮৪ বছরে এটি সূর্যের চতুর্দিকে নিজ কক্ষপথে ঘুরে। এ গ্রহেরও শনির মত বলয় রয়েছে। তবে বলয়গুলো উজ্জ্বল নয়।
নেপচুন
- দূরত্বের দিক থেকে নেপচুন সৌরজগতের অষ্টম গ্রহ। 
- এর ব্যাস প্রায় ৪৮,৪০০ কিলোমিটার।
- এটি ১৬৫ বছরে একবার সূর্যের চারদিকে নিজ কক্ষপথে ঘুরে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
২২.
ধ্রুবতারা ঠিক মাথার উপর অবস্থান করে-
  1. কুমেরু বিন্দুতে
  2. সুমেরু বিন্দুতে
  3. অক্ষরেখায়
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সুমেরু বিন্দুতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুমেরু বিন্দুতে
ব্যাখ্যা
ধ্রুবতারার সাহায্যে অক্ষাংশ নির্ণয়:
- ধ্রুবতারার উন্নতি জেনে কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
- তবে এটি শুধুমাত্র উত্তর গোলার্ধে সম্ভব।
- নিরক্ষরেখায় ধ্রুবতারার উন্নতি শুন্য ডিগ্রি এবং উত্তর মেরুতে ঠিক মাথার উপর ধ্রুবতারার উন্নতি ৯০ ডিগ্রি।
- উত্তর মেরুকে সুমেরু ও বলা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেনী, NCTB।
২৩.
বৃহদাকার ত্রিভুজের মতো আকৃতি-
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
প্রশান্তমহাসাগর:
পৃথিবীর মহাসাগরগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ প্রশান্ত মহাসাগর। এটি পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশের অধিক স্থান জুড়ে বিস্তৃত।
- এ মহাসাগরের আয়তন ১৬ কোটি ৬০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার। গড় গভীরতা ৪,২৭০ মিটার এবং সর্বাধিক গভীরতা ১০,৭৯০ মিটার।
- বিখ্যাত নাবিক ম্যাগেলান এ মহাসাগরের নাম রাখেন প্রশান্তমহাসাগর। 
- প্রশান্তমহাসাগর দেখতে অনেকটা অসম ত্রিভুজের মতো। 
- প্রশান্তমহাসাগরকে উত্তর মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে বেরিং প্রণালি।
আটলান্টিক মহাসাগর
এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর। এ মহাসাগর আয়তনে প্রশান্তমহাসাগরের প্রায় অর্ধেক হলেও গুরুত্ব সর্বাধিক।
- কারণ পৃথিবীর আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান অংশ এ মহাসাগর দিয়ে সম্পন্ন করা হয়।
- এ মহাসাগরের আয়তন ৮ কোটি ২৪ লক্ষ বর্গকিলোমিটার। গড় গভীরতা ৩,৯৩২ মিটার এবং সর্বাধিক গভীরতা ৯,১৮৮ মিটার।
- আটলান্টিক মহাসাগর তুলনামূলকভাবে প্রশান্তমহাসাগরের চেয়ে কম প্রশস্ত এবং উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে ইংরেজি S অক্ষরের মতো বিস্তৃত। পৃথিবীর সর্ববৃহৎ দ্বীপ গ্রীনল্যান্ড এই মহাসাগরে অবস্থিত। 
ভারত মহাসাগর
আয়তনের দিক থেকে ভারত মহাসাগরের অবস্থান তৃতীয়। এ মহাসাগরের আয়তন ৭ কোটি ৩৬ লক্ষ বর্গকিলোমিটার। গড় গভীরতা ৩,৯৬২ মিটার এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ৬,৯৯৮ মিটার। 
দক্ষিণ মহাসাগর
দক্ষিণ মহাসাগর আয়তনে সবচেয়ে ছোট। এর আয়তন ১ কোটি ৪৭ লক্ষ বর্গকিলোমিটার। গড় গভীরতা ১৪৯ মিটার এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ৫,৭৪০ মিটার। এ মহাসাগর এন্টার্কটিকা মহাদেশের চতুর্দিকে অবস্থিত।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
বাঙ্গালি ও যমুনা নদীর সংযোগ কোথায়?
  1. রাজশাহী
  2. বগুড়া
  3. পাবনা
  4. সিরাজগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
বাঙ্গালী নদী: 
- রংপুর জেলায় ঘাঘট নদীর অব্যাহত প্রবাহ।
- নদীটি পূর্ব প্রান্তে যমুনা নদীর সঙ্গে এবং পশ্চিমে রামনগরে কাটাখালির মাধ্যমে করতোয়া নদীর সঙ্গে সংযুক্ত।
- বাঙ্গালী নদী দক্ষিণে প্রবাহিত হওয়ার সময় যমুনা নদী থেকে বেরিয়ে আসা বাউলাই নদীকে উপনদী হিসেবে গ্রহণ করেছে।
- আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হওয়ার পর নদীটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পশ্চিম শাখা হলহলিয়া এবং পূর্ব শাখা বাঙ্গালী নামেই প্রবাহিত হয়। বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার উত্তরে যমুনার উপনদী মানস-মধুখালী বাঙ্গালী নদীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- এই প্রবাহ কয়েক কিলোমিটার প্রবাহিত হওয়ার পর পুনরায় বিভক্ত হয়ে একটি শাখা ইছামতি নাম ধারণ করে সিরাজগঞ্জে দক্ষিণমুখী হয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- অপর শাখাটি দক্ষিণ-পশ্চিম অভিমুখে প্রবাহিত হয়ে ধুনটের পশ্চিমে হলহলিয়া নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে এবং আরও দক্ষিণে খানপুরের কাছে করতোয়া নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- মিলিত প্রবাহ ফুলঝর নামে প্রবাহিত হয়ে হুরাসাগর থেকে আগত আত্রাই-বড়াল নদীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- অপরদিকে ইছামতি কাজীপুর উপজেলায় যমুনার কাজীপুর উপনদীর সঙ্গে মিলিত হয়ে মিলিত প্রবাহটি নলকা নামক স্থানে ফুলঝর নদীতে পতিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৫.
ধলেশ্বরী নদীর শাখা নদী কোনটি?
  1. শীতলক্ষ্যা
  2. ধরলা
  3. বংশী
  4. বুড়িগঙ্গা
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যা
যমুনা নদী:
- ১৭৮৯ সালের ভূমিকম্পে ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের যে শাখাটি বের হয় সেটিই যমুনা নামে পরিচিত।
- এটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়।
- এরপর এই মিলিত স্রোত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে।
- যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা।
- যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই অন্যতম ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
সূর্যের নিকটতম গ্রহ-
  1. পৃথিবী
  2. শনি
  3. বুধ
  4. বৃহস্পতি
সঠিক উত্তর:
বুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুধ
ব্যাখ্যা
বুধ:
- সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম ও সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ।
- সূর্য থেকে গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার। 
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসতে বুধের সময় লাগে প্রায় ৮৮ দিন। 
- বুধের কোনো উপগ্রহ নেই।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
২৭.
পরিচলন বৃষ্টি বেশি হয় কোন অঞ্চলে?
  1. নিরক্ষীয় অঞ্চলে
  2. শীতপ্রধান অঞ্চলে
  3. নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে
  4. মেরু অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা

পরিচলন বৃষ্টি:
- দিনের বেলায় সূর্যের কিরণে জল বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শ এ এসে ওই জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে।
- এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে স্থলভাগের চেয়ে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে সূর্যকিরণ সারাবছর লম্বভাবে পড়ে।
- এ দুটি কারণে এখানকার বায়ুমণ্ডলে সারাবছর জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে।
-জলীয়বাষ্প হাল্কা বলেই সহজেই তা উপরে উঠে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে পরিচলন বৃষ্টিরুপে ঝরে পড়ে।
- তাই নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর প্রতিদিনই বিকেল অথবা সন্ধ্যার সময় এরূপ বৃষ্টিপাত হয়।
- নাতিশীতোষ্ণমন্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টি হয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।

২৮.
সূর্য অপেক্ষা পৃথিবীর উপর চন্দ্রের আকর্ষণ শক্তি প্রায়-
  1. তিনগুণ
  2. দ্বিগুণ
  3. চারগুণ
  4. দশগুণ
সঠিক উত্তর:
দ্বিগুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিগুণ
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ ও মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাব:
- এ মহাবিশ্বের যে কোনো পদার্থের আকর্ষণ শক্তি আছে।
- একটি বস্তু অন্য বস্তুকে আকর্ষণ করে।
- মহাবিশ্বের দুইটি বস্তুর মধ্যে পরস্পর আকর্ষণ শক্তিকে মহাকর্ষ শক্তি বা মহাকর্ষণ বলে।
- এই মহাকর্ষ শক্তির ফলে পৃথিবি সূর্যের চারদিকে এবং চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে।
- যে বস্তু যত বড় তার আকর্ষণ তত বেশি।
- কিন্তু দূরত্ব বৃদ্ধি পেলে আকর্ষণ শক্তি কমে যায়।
- পৃথিবী এবং এর নিকটতম যে কোনো বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণকে মাধ্যাকর্ষণ বলে।
- একে অভিকর্ষণ ও বলা হয়।
- সূর্য চন্দ্র অপেক্ষা ২.৬০ কোটি গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব চন্দ্রের দূরত্ব থেকে অনেক বেশি।
- তাই পৃথিবীর উপর চন্দ্রের আকর্ষণ শক্তি সূর্য অপেক্ষা প্রায় দ্বিগুণ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
২৯.
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে কি বায়ু বলা হয়?
  1. মৌসুমী বায়ু
  2. অয়ন বায়ু
  3. নিয়ত বায়ু
  4. প্রত্যায়ন বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা
নিয়ত বায়ু:
ভূপৃষ্ঠের উচ্চ চাপ বলয় থেকে নিম্ন চাপ বলয়ে যে বায়ু সারা বছর নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
- নিয়ত বায়ুকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যেমন - অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরুদেশীয় বায়ু।
অয়ন বায়ু : বিষুবীয় অঞ্চলে সূর্যকিরণ লম্বভাবে পতিত হয় বলে বায়ুর চাপ কম থাকে তাতে বায়ু উপরে উঠে ছড়িয়ে যায়। এই বায়ু ক্রমাগত শীতল হয়ে নিচে নামতে না পেরে উত্তর ও দক্ষিণে ছড়িয়ে যায়। প্রায় ৩০ অক্ষাংশ বরাবর এই বায়ু নিচে নেমে তা আবার বিষুবীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। ফেরেলের সূত্রানুযায়ী উত্তর গোলার্ধে উত্তর পূর্ব দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের দক্ষিণ পূর্ব দিক থেকে এই বায়ু প্রবাহিত হয়। এই বায়ুকেই বলা হয় অয়ন বায়ু।
পশ্চিমা বায়ু : উত্তর গোলার্ধের দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে পশ্চিম বায়ু প্রবাহিত হয়। ৩০ ডিগ্রি অক্ষাংশে কিছু বায়ু পৃথিবীর গা-ঘেষে মেরুর দিকে ৬০ ডিগ্রি অক্ষাংশ পর্যন্ত পৌছালে মেরু এলাকা থেকে আগত শীতল ও ভারী বায়ু মুখোমুখি হয়। এসময় অপেক্ষাকৃত উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরের দিকে উঠে গেলেও এর এক অংশ মেরুবৃত্তের নিম্নচাপে প্রবাহিত হয় বলেই একে পশ্চিমা বায়ু বলা হয়। উত্তর গোলার্ধের বিশাল স্থলভাগের জন্য স্থানীয়ভাবে পশ্চিমা বায়ু পরিবর্তনশীল। আবার দক্ষিণ গোলার্ধে জলাবিস্তৃতি ভূমিরূপের কারণেই পশ্চিমা বায়ু প্রবলভাবে প্রবাহিত হয়।
মেরু বায়ু : মেরু অঞ্চলের উচ্চচাপ বলয় থেকে অতিশীতল ও ভারী বায়ু উত্তর গোলার্ধে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। এদের উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত বায়ুকে সুমেরু বায়ু বা উত্তর-পূর্ব মেরু বায়ু বলা হয়। আবার দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্বদিক থেকে প্রবাহিত হয় যে বায়ু তাকে বলা হয় কুমেরু বায়ু বা দক্ষিণ-পূর্ব মেরু বায়ু। মূলত এভাবেই নিয়তবায়ু প্রবাহ সমূহ বিষুবরেখা ও মেরুর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং পৃথিবীর উষ্ণ ও শীতল এলাকার মধ্যে তাপের ভারসাম্য রক্ষা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
সুপ্ত আগ্নেয়গিরির উদাহরণ-
  1. মিয়ানমারের পোপা
  2. লিপারী দ্বীপের স্ট্রম্বলি
  3. ইতালির ভিসুভিয়াস
  4. জাপানের ফুজিয়ামা
সঠিক উত্তর:
জাপানের ফুজিয়ামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপানের ফুজিয়ামা
ব্যাখ্যা
আগ্নেয়গিরির শ্রেণিবিভাগ:
পৃথিবীর আগ্নেয়গিরিসমূহকে প্রধানত তিনটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যেমন:
ক. সক্রিয় আগ্নেয়গিরি,
খ. সুপ্ত আগ্নেয়গিরি এবং
গ. মৃত আগ্নেয়গিরি।
ক. সক্রিয় আগ্নেয়গিরি হলো সেই সব আগ্নেয়গিরি যেখান থেকে এখনও অগ্ন্যুৎপাত হয়।
- সক্রিয় আগ্নেয়গিরি দুই ধরনের। যেমন:
- যে সকল আগ্নেয়গিরি থেকে অবিরত লাভা নির্গত হয় সেগুলো অবিরাম আগ্নেয়গিরি। যেমন: ভূমধ্যসাগরের লিপারী দ্বীপের ট্রম্বলী আগ্নেয়গিরি। 
- অন্যদিকে যে সকল আগ্নেয়গিরি থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার পর মাঝে মাঝে অগ্ন্যুৎপাত হয়, তাকে সবিরাম আগ্নেয়গিরি বলে। যেমন: ইতালির ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরি।
খ. সুপ্ত আগ্নেয়গিরি সমূহ থেকে বহু বছর অগ্ন্যুৎপাত না হলেও যে কোনো সময়ে অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা থাকে। যেমন : জাপানের ফুজিয়ামা।
গ. মৃত আগ্নেয়গিরিসমূহ থেকে পুনরায় অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা থাকে না। যেমন: পোপো আগ্নেয়গিরি। মৃত আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে বৃষ্টির পানি জমে হ্রদ সৃষ্টি হলে, তাকে আগ্নেয় হ্রদ বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
কাচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল-
  1. সাজি মাটি
  2. চুনাপাথর
  3. বালি
  4. জিপসাম
সঠিক উত্তর:
বালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বালি
ব্যাখ্যা
• কাঁচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো বালি বা সিলিকা।
• কাঁচ তৈরির মূল উপকরন কোয়ার্টজ (সিলিকা), সোডা ও চুন।
• যখন এগুলির মিশ্রণকে ১২০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে উত্তপ্ত করা হয়, তখন এগুলি গলতে শুরু করে এবং তৎক্ষণাৎ যদি ঠাণ্ডা করা যায় তাহলে কাঁচের জন্ম হয়।

অন্যদিকে, জিপসাম সিমেন্ট ও প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণী, বিজ্ঞান বোর্ড বই।
৩২.
সংকর ধাতু পিতলের উপাদান হল-
  1. তামা ও দস্তা
  2. তামা ও সীসা
  3. তামা ও টিন
  4. তামা ও নিকেল
সঠিক উত্তর:
তামা ও দস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামা ও দস্তা
ব্যাখ্যা
সংকর ধাতু: 
- দুই বা ততোধিক ধাতু পরস্পরের সাথে মিশে যে সমসত্ব বা অসমসত্ব মিশ্রণ উৎপন্ন করে সেই কঠিন ধাতব পদার্থকে সংকর ধাতু বলে।
যেমন- 
- কাঁসা বা ব্রোঞ্জ হলো কপার ও টিনের সংকর ধাতু।
- পিতল হলো তামা ও দস্তার (জিঙ্ক) সংকর ধাতু।
- সংকর ধাতু পিতলে ৬৫% তামা এবং ৩৫% দস্তা মিশ্রিত থাকে।
- সংকর ধাতু পিতলের প্রধান উপাদান হলো- তামা যা শতকরা ৬৫% থাকে।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩৩.
ভূ - পৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ-
  1. ৭.৬ সে.মি.
  2. ৭৬ সে.মি.
  3. ৭২ সে.মি
  4. ৭৬০ সে.মি
সঠিক উত্তর:
৭৬ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬ সে.মি.
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠের প্রতি একক জায়গায় বায়ুর গ্যাসের অনুগুলোর সংঘর্ষের ফলে প্রদত্ত বলই হলো বায়ুর চাপ।
- সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ ৭৬ সেন্টিমিটার বা ৭৬০ মিলিমিটার বা ২৯.৯২ ইঞ্চি পারদ স্তম্ভের সমান।

সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। 
৩৪.
কোন উদ্ভিদের কাণ্ড রূপান্তরিত হয়ে পাতার কাজ করে?
  1. ফার্ন
  2. ফণিমনসা
  3. পাথরকুচি
  4. আদা
সঠিক উত্তর:
ফণিমনসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফণিমনসা
ব্যাখ্যা
ফণিমনসা:
- ফাইলোক্ল্যাড কাণ্ডের উদ্ভিদ হলো ফণিমনসা।
- এ ধরণের কান্ড পাতার মত চ্যাপ্টা ও সবুজ, যার ফলে এরা খাদ্য তৈরি করতে পারে।
- পাতাগুলো কাঁটায় পরিণত হয়ে উদ্ভিদের আত্মরক্ষার কাজ করে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি।
৩৫.
ধানের বাদামী রোগ হয়-
  1. ভাইরাস দ্বারা
  2. ব্যাক্টেরিয়া দ্বারা
  3. ব্যাক্টেরিওফাজ দ্বারা
  4. ছত্রাক দ্বারা
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক দ্বারা
ব্যাখ্যা
ধানের রোগ:
১. বাদামি দাগ রোগ
কারণ - বাইপোলারিস ওরাইজি (Bipolaris oryzae) নামক ছত্রাক।
২. ব্লাস্ট রোগ (Blast)
কারণ - পাইরিকুলারিয়াগ্রিসিয়া (Pyricularia grisea) নামক ছত্রাক।
৩. খোল পচা রোগ (Sheath rot)
কারণ - স্যারোক্লেডিয়াম ওরাইজি (Sarocladium oryzae) নামক ছত্রাক ।
৪. ব্যাকটেরিয়াজনিত পোড়া রোগ (Bacterial Blight)
জ্যানথোমোনাস অরাইজি পিভি অরাইজি (Xanthomonas oryzae pv.oryzae) এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া।
৫. টুংরো (Tungro)
কারণ - রাইস টুংরো ভাইরাস (Rice Tungro Virus) নামক এক ধরনের অতি সূক্ষ্ম জীবাণু বা ভাইরাস । 
৬. উফরা রোগ (ডাক পোড়া) (Ufra)
কারণ - ডাইটিলেংকাস এ্যাংগাসটাস (Ditylenchus angustus) নামক এক ধরনের কৃমি। 

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট। 
৩৬.
দুধ দাঁতের সংখ্যা-
  1. ২০টি
  2. ২৪টি
  3. ২৮টি
  4. ১৬টি
সঠিক উত্তর:
২০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০টি
ব্যাখ্যা
- মানুষের চোয়ালে চার ধরনের দাঁত উপস্থিত থাকে।
- পরিণত মানুষের চোয়ালে মোট দাঁতের সংখ্যা ৩২টি।
- মানুষের দুধ দাঁতের সংখ্যা ২০টি। 

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৩৭.
মানুষের রক্তে কত ধরনের রক্ত কণিকা আছে?
  1. ৪ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
মানুষের রক্তে ৩ ধরনের রক্তকণিকা রয়েছে৷
যথা-
১. লোহিত রক্তকণিকা,
২. শ্বেত রক্তকণিকা ও
৩. অনুচক্রিকা।

- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে যার জন্য রক্ত লাল হয়।
- শ্বেত রক্তকণিকা হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ৷
- অণুচক্রিকা হলো গোলাকার, ডিম্বাকার বা রড আকারের। এতে নিউক্লিয়াস থাকে না।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৮.
০.০১ × .০২  = কত?
  1. ০.০০২
  2. ০.০০০২
  3. ০.০০০০২
  4. ০.০২
সঠিক উত্তর:
০.০০০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০০০২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ০.০১ × .০২ = কত?

সমাধান:
০.০১ × .০২ = ০.০০০২
৩৯.
৮টি দ্রব্য ৫ টাকায় ক্রয় করে ১৬টি দ্রব্য কত টাকায় বিক্রয় করলে ১০% লাভ হবে?
  1. ১২ টাকা
  2. ৯ টাকা
  3. ১০ টকা
  4. ১১ টাকা
সঠিক উত্তর:
১১ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৮টি দ্রব্য ৫ টাকায় ক্রয় করে ১৬টি দ্রব্য কত টাকায় বিক্রয় করলে ১০% লাভ হবে?

সমাধান:
৮ টি দ্রব্যের ক্রয়মূল্য = ৫ টাকা
∴ ১ টি দ্রব্যের ক্রয়মূল্য = ৫/৮ টাকা 
∴ ১৬ টি দ্রব্যের ক্রয়মূল্য = (৫ × ১৬)/৮ টাকা
= ১০ টাকা 

১০% লাভে বিক্রয়মূল্য = (১০০ + ১০) টাকা
= ১১০ টাকা

এখন, 
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য হবে = ১১০ টাকা 
∴ ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য হবে = ১১০/১০০ টাকা 
∴ ক্রয়মূল্য ১০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য হবে = (১১০ × ১০)/১০০ টাকা 
= ১১ টাকা 

∴ ১১ টাকায় বিক্রয় করলে ১০% লাভ হবে।
৪০.
৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩,.................ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?
  1. ১০১
  2. ১০৫
  3. ১৫০
  4. ৭৫
সঠিক উত্তর:
১০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩,.................ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?

সমাধান:
১ম পদ = ৮
২য় পদ = ৮ + ৩ = ১১
৩য় পদ = ১১ + ৬ = ১৭
৪র্থ পদ = ১৭ + ১২ = ২৯
৫ম পদ = ২৯ + ২৪ = ৫৩
৬ষ্ঠ পদ = ৫৩ + ৪৮ = ১০১
৪১.
রেল লাইনের পাশে একটি তাল গাছ আছে। ঘণ্টায় ৪৫ কি.মি বেগে ধাবমান ১৫০ মিটার লম্বা ট্রেন কত সময়ে ঐ তাল গাছটি অতিক্রম করবে?
  1. ১৪ সেকেন্ডে
  2. ১৩ সেকেন্ডে
  3. ১২ সেকেন্ডে
  4. ১১ সেকেন্ডে
সঠিক উত্তর:
১২ সেকেন্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ সেকেন্ডে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: রেল লাইনের পাশে একটি তাল গাছ আছে। ঘণ্টায় ৪৫ কি.মি. বেগে ধাবমান ১৫০ মিটার লম্বা ট্রেন কত সময়ে ঐ তাল গাছটি অতিক্রম করবে?

সমাধান:
৪৫ কি.মি. = (৪৫ × ১০০০) = ৪৫০০০ মিটার 
১ ঘণ্টা = ৬০ মিনিট 
= (৬০ × ৬০) সেকেন্ড 
= ৩৬০০ সেকেন্ড 

ট্রেনটি ৪৫০০০ মিটার অতিক্রম করে ৩৬০০ সেকেন্ডে 
ট্রেনটি ১ মিটার অতিক্রম করে ৩৬০০/৪৫০০০ সেকেন্ডে
ট্রেনটি ১৫০ মিটার অতিক্রম করে (৩৬০০ × ১৫০)/৪৫০০০ সেকেন্ডে  
= ১২ সেকেন্ডে 
৪২.
লুপ্ত পদ নির্ণয় করুন: ১২ : ১৬ :: ? : ২০
  1. ১৮
  2. ১৫
  3. ১০
  4. ২২
সঠিক উত্তর:
১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: লুপ্ত পদ নির্ণয় করুন: ১২ : ১৬ :: ? : ২০ 

সমাধান:
মনেকরি 
সংখ্যাটি = ক 

প্রশ্নমতে
১২ : ১৬ = ক : ২০ 
১২/১৬ = ক/২০
বা ১৬ক = ২০ × ১২
বা ক = (২০ × ১২)/১৬
ক = ১৫
৪৩.
চালের দাম শতকরা ২৫ টাকা বৃদ্ধি পেলে চালের ব্যবহার শতকরা কত কমালে চাল বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পাবে না?
  1. ২০%
  2. ২১%
  3. ৩০%
  4. ৩১%
সঠিক উত্তর:
২০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চালের দাম শতকরা ২৫ টাকা বৃদ্ধি পেলে চালের ব্যবহার শতকরা কত কমালে চাল বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পাবে না?

সমাধান: 
২৫% বৃদ্ধিতে বর্তমান মূল্য = ১২৫ টাকা

১২৫ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫ টাকা
১ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে = ২৫/১২৫ টাকা
∴ ১০০ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে = (২৫ × ১০০)/১২৫ টাকা
= ২০ টাকা

∴ চাউলের ব্যবহার ২০% কমালে চাল বাবদ খরচ বৃদ্ধি পাবে না। 
৪৪.
এক ব্যক্তি ঘণ্টায় ৫ কিমি বেগে চলে কোনো স্থানে গেল এবং ঘন্টায় ৩ কিমি বেগে চলে ফিরে আসল। যাতায়াতে তার গতির গড় কত?
  1. ৪/১৫ কি.মি.
  2. ২ কি.মি.
  3. (১৫/৪) কি.মি.
  4. ৪ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
(১৫/৪) কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(১৫/৪) কি.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক ব্যক্তি ঘণ্টায় ৫ কি.মি. বেগে চলে কোনো স্থানে গেল এবং ঘন্টায় ৩ কি.মি. বেগে চলে ফিরে আসল। যাতায়াতে তার গতির গড় কত?

সমাধান:
ধরি,
স্থানটির দূরত্ব = ক
মোট দূরত্ব = ২্ক
মোট সময় = (ক/৫) + (ক/৩)
= (৩ক + ৫ক)/১৫
= ৮ক/১৫

∴ গড় গতি = ২ক/(৮ক/১৫)
= ৩০ক/৮ক
=  ১৫/৪ কি.মি./ঘণ্টা
৪৫.
কোনো শ্রেণিতে ২০ জন ছাত্রীর বয়সের গড় ১২ বছর। ৪ জন নতুন ছাত্রী ভর্তি হওয়াতে বয়সের গড় ৪ মাস কমে গেল। নতুন ৪ জন ছাত্রীর বয়সের গড় কত?
  1. ১১ বছর
  2. ৯ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ৮ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো শ্রেণিতে ২০ জন ছাত্রীর বয়সের গড় ১২ বছর। ৪ জন নতুন ছাত্রী ভর্তি হওয়াতে বয়সের গড় ৪ মাস কমে গেল। নতুন ৪ জন ছাত্রীর বয়সের গড় কত?

সমাধান: 
২০ জন ছাত্রীর মোট বয়স = (২০ × ১২) বছর।
= ২৪০ বছর।

২৪ জন ছাত্রীর বয়সের গড় = ১২ - (৪/১২) বছর।
= ৩৫/৩ বছর।

২৪ জন ছাত্রীর মোট বয়স = (৩৫/৩) × ২৪) বছর।
= ২৮০ বছর।

৪ জন ছাত্রীর মোট বয়স = (২৮০ - ২৪০) বছর।
= ৪০ বছর।

৪ জন ছাত্রীর গড় বয়স = ৪০/৪ বছর।
= ১০ বছর।
৪৬.
দুটি নল দ্বারা একটি চৌবাচ্চা যথাক্রমে ১০ ও ১৫ ঘণ্টায় পূর্ণ হয়। নল দুটি একত্রে খোলা রাখলে চৌবাচ্চাটি কতক্ষণে পানি দ্বারা পূর্ণ হবে?
  1. ২ ঘণ্টায়
  2. ৪ ঘণ্টায়
  3. ৫ ঘণ্টায়
  4. ৬ ঘণ্টায়
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টায়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি নল দ্বারা একটি চৌবাচ্চা যথাক্রমে ১০ ও ১৫ ঘণ্টায় পূর্ণ হয়। নল দুটি একত্রে খোলা রাখলে চৌবাচ্চাটি কতক্ষণে পানি দ্বারা পূর্ণ হবে?

সমাধান: 
১০ ঘণ্টায় পূর্ণ হয় চৌবাচ্চাটির ১ অংশ 
১ ঘণ্টায় পূর্ণ হয় চৌবাচ্চার ১/১০ অংশ 

১৫ ঘণ্টায় পূর্ণ হয় চৌবাচ্চাটির ১ অংশ 
১ ঘণ্টায় পূর্ণ হয় চৌবাচ্চার ১/১৫ অংশ

দুইটি নল দ্বারা একত্রে ১ ঘণ্টায় পূর্ণ হয় (১/১০) + (১/১৫) অংশ
=(৩ + ২)/৩০ অংশ
= ৫/৩০ অংশ
= ১/৬ অংশ

দুইটি নল দ্বারা
১/৬ অংশ পূর্ণ হয় ১ ঘণ্টায় 
১ অংশ বা সম্পূর্ণ  পূর্ণ হয় (১ × ৬)/১ = ৬ ঘণ্টায়
৪৭.
বর্তমানে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৫ গুণ। তিন বছর বাদে, পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৪ গুণ হয়। পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়স কত হবে?
  1. ৪৫ বছর, ৯ বছর
  2. ২৫ বছর, ৫ বছর
  3. ৩৫ বছর, ৭ বছর
  4. ৫০ বছর, ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৪৫ বছর, ৯ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ বছর, ৯ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বর্তমানে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৫ গুণ। তিন বছর বাদে, পিতার বয়স পুত্রের বয়সের ৪ গুণ হয়। পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়স কত হবে?

সমাধান: 
পুত্রের বর্তমান বয়স x বছর
পিতার বর্তমান বয়স ৫xবছর

তিন বছর পরে পিতার বয়স = (৫x + ৩) বছর
তিন বছর পরে পুত্রের বয়স = (x + ৩) বছর

প্রশ্নমতে,
৫x + ৩ = (x + ৩) × ৪
বা, ৫x + ৩ = ৪x + ১২
বা, ৫x - ৪x = ১২ - ৩
 x = ৯ বছর

অতএব,
পুত্রের বর্তমান বয়স = ৯ বছর 
পিতার বর্তমান বয়স = (৫ × ৯) = ৪৫ বছর
৪৮.
কোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে একইভাবে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি-
  1. ১৮০
  2. ২৭০
  3. ৩৬০
  4. ৫৪০
সঠিক উত্তর:
৩৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে একইভাবে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি-

সমাধান:

আমরা জানি,
যে কোন ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = 180°
চিত্র হতে, x + y + z = 180° = এক সরলকোণ

প্রাপ্ত বহি:স্থ কোণগুলো যথাক্রমে (180° - x), (180° - y), (180° - z)
∴ বহি:স্থ কোণ তিনটির যোগফল = (180° - x) + (180° - y) + (180° - z)
= 540° - (x + y +z)
= 540° - 180°
= 360°
৪৯.
দুটি পরস্পর ছেদী বৃত্তে কয়টি সাধারণ স্পর্শক র্আঁকা যেতে পারে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি পরস্পর ছেদী বৃত্তে কয়টি সাধারণ স্পর্শক আঁকা যেতে পারে?

সমাধান:

P ও Q দুইটি পরস্পর ছেদী ‍বৃত্তে AB ও CD দুইটি সাধারণ স্পর্শক আঁকা যায়।
এছাড়া আর কোনো সাধারণ স্পর্শক আঁকা সম্ভব নয়।
৫০.
(x + y)2 - (x - y)2 = কত?
  1. xy
  2. 2xy
  3. 3xy
  4. 4xy
সঠিক উত্তর:
4xy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4xy
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (x + y)2 - (x - y)2 = কত?

সমাধান:
(x + y)2 - (x - y)2 = x2 + 2xy + y2 - (x2 - 2xy + y2)
= x2 + 2xy + y2 - x2 + 2xy - y2
= 4xy
৫১.
a + b = c হলে a3 + b3 + 3abc = কত?
  1. a3
  2. b3
  3. c3
  4. 0
সঠিক উত্তর:
c3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
c3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b = c হলে a3 + b3 + 3abc = কত?

সমাধান: 
a + b =  c

a3 + b3 + 3abc  = (a + b)3 - 3ab(a + b) + 3abc 
                      = (c)3 - 3ab(c) + 3abc 
                       = c3 - 3abc + 3abc 
                       = c3
৫২.
The teacher said, 'I shall not teach him English.' বাক্যের indirect speech হচ্ছে -
  1. The teacher said he would not teach him English.
  2. The teacher said that he would not teach him English.
  3. The teacher said that he will not teach him English.
  4. The teacher said that he would not taught him English.
সঠিক উত্তর:
The teacher said that he would not teach him English.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The teacher said that he would not teach him English.
ব্যাখ্যা
- Indirect Speech এ রূপান্তর করার ক্ষেত্রে tense অনুযায়ী পরিবর্তন করা হয়।
- আলোচ্য বাক্যে Direct Speech টি Past tense এ থাকায় Indirect করার সময়ও Past tense এই হবে।
- Will এর পরিবর্তে Would হবে।
- Said এর পর Indirect Speech এর নিয়ম অনুযায়ী that বসবে।

• সুতরাং সঠিক উত্তরটি হবে, The teacher said that he would not teach him English.

Source: Advanced Learner's Grammar And Composition by Chowdhury & Hossain
৫৩.
'Refuse' শব্দটির Noun হচ্ছে -
  1. Refusal
  2. Refusement
  3. Refuse
  4. Refusing
সঠিক উত্তর:
Refusal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Refusal
ব্যাখ্যা
Refuse (verb)
English meaning: To say that you will not do or accept something, unwilling to accept.
বাংলা অর্থ: প্রত্যাখ্যান/অগ্রাহ্য/অস্বীকার করা; অসম্মত হওয়া।

• Refuse এর Noun হচ্ছে Refusal.

Synonyms: Decline (প্রত্যাখ্যান), Deny (অসত্য বলে ঘোষণা করা), Disallow (অনুমতি না- দেওয়া), Disapprove (অনুমোদন না-করা)।

Antonyms: Let (অনুমতি দেওয়া), Permit (অনুমতি দান করা), Allow (অনুমতি দেওয়া), Grant (স্বীকার করা বা মেনে নেওয়া)।

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary.
৫৪.
'Passion' শব্দটির Adjective হচ্ছে -
  1. Passionful
  2. Pastoral
  3. Emotion
  4. Passionate
সঠিক উত্তর:
Passionate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Passionate
ব্যাখ্যা
Passion (Uncountable noun, countable noun)
English meaning: A very powerful feeling, for example of sexual attraction, love, hate, anger, or other emotion.
বাংলা অর্থ: বিশেষত প্রেম, ঘৃণা বা ক্রোধের তীব্র অনুভূতি, প্রবল অনুরাগ, উৎসাহ, ঘৃণা, ক্রোধ।

• 'Passion' শব্দটির Adjective হচ্ছে - Passionate.
Passionate অর্থ: আবেগপ্রবণ, প্রবল আবেগপূর্ণ।

Other option: 
→ Pastoral (Adjective)
বাংলা অর্থ: মেষপালক ও পল্লিজীবনবিষয়ক।

→ Emotion (Uncountable noun)
বাংলা অর্থ: আবেগ, অনুভূতি।

Source: Accessible Dictionary.
৫৫.
Slow and steady ___ the race বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে -
  1. has won
  2. won
  3. wins
  4. win
সঠিক উত্তর:
wins
উত্তর
সঠিক উত্তর:
wins
ব্যাখ্যা
দুইটি Noun যদি and দ্বারা যুক্ত হয়ে একই অর্থ প্রকাশ করে তাহলে এর পরের Verbটি ‍Singular হবে। 
অর্থাৎ, Slow and steady এর পরের Verbটি হবে wins.
’Slow and steady wins the race.' একটি প্রবাদ বাক্য।

• Complete sentence: Slow and steady wins the race.
৫৬.
You are not amenable ___ reason বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে -
  1. into
  2. to
  3. from
  4. of
সঠিক উত্তর:
to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to
ব্যাখ্যা
Amenable to
(১) (ব্যক্তি) সংবেদনশীল, চালিত বা নিয়ন্ত্রিত হতে আগ্রহী এমন, বাধ্য, অনুগত।
(২) (আইন সম্বন্ধীয়) (ব্যক্তি) দায়ী, কতিপয় অবশ্যকরণীয় কাজ সম্পাদনে ব্যর্থ হলে শাস্তি পেতে হবে এমন অবস্থানগত।
We are all amenable to the law.
(৩) (মামলা, পরিস্থিতি) পরীক্ষাযোগ্য বা নিষ্পত্তিযোগ্য।
The case is not amenable to ordinary rules.

• এখানে সঠিক উত্তর হবে to
Complete sentence: You are not amenable to reason.

Source: Accessible Dictionary.
৫৭.
'Tenable' শব্দটির অর্থ হচ্ছে -
  1. Defensible
  2. Durable
  3. Real
  4. Worthwhile
সঠিক উত্তর:
Defensible
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Defensible
ব্যাখ্যা
Tenable (Adjective) 
English meaning: Able to be defended successfully or held for a particular period of time.
বাংলা অর্থ: সমর্থনযোগ্য বা রক্ষাযোগ্য।

Defensible অর্থ: রক্ষণীয়, সমর্থনযোগ্য।

•সুতরাং সঠিক উত্তর হবে Defensible.

Other Options:
Durable অর্থ: টেকসই, মজবুত।
Real অর্থ: বাস্তব, প্রকৃত।
Worthwhile অর্থ: যথার্থ সময়ে, প্রয়োজনের সময়ে।

Source: Accessible Dictionary ‍and Accessible Dictionary.
৫৮.
'To Apprise' এর অর্থ হচ্ছে __
  1. Review
  2. Remind
  3. Dissemble
  4. Inform
সঠিক উত্তর:
Inform
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inform
ব্যাখ্যা
Apprise (verb transitive)
English Meaning: To tell or inform someone about something.
Bangla Meaning: Apprise to (আনুষ্ঠানিক) অবহিত করা; জানানো: I was apprised of his plans.

তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে Inform.

Synonyms: Advise (অবহিত করা; জানানো), Inform (জানানো; জ্ঞাপন করা), Notify (জ্ঞাপন করা), Instruct (নির্দেশনা দেয়া), Brief (উপদেশ দেওয়া বা সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে বুঝিয়ে দেওয়া। 

Antonyms: Misinform (ভুল তথ্য দেওয়া; বিভ্রান্ত করা), Mislead (ভুলপথে/বিপথে চালানো; ভুল ধারণা দেওয়া), Misdirect (ভুল নির্দেশনা দেওয়া), Conceal (গোপন করা), Hide (লুকানো)। 

Other Options: 
Review - To think or talk about something again, in order to make changes to it or to make a decision about it.
Remind - To make someone think of something they have forgotten or might have forgotten.
Dissemble - To hide your real intentions and feelings or the facts.

Source: Live MCQ Lecture and Cambridge Dictionary.
৫৯.
'Similar' শব্দটির Antonym হচ্ছে -
  1. Like
  2. Uniform
  3. Akin
  4. Different
সঠিক উত্তর:
Different
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Different
ব্যাখ্যা
Similar (Adjective)
English meaning: Looking or being almost, but not exactly, the same.
বাংলা অর্থ: মতো, সদৃশ, অনুরূপ, একই ধরনের, সমধর্মী; সমতুল্য।

Synonyms: Comparable, Analogous, Like, Parallel, Identical.
Antonyms: Different, Dissimilar, Unlike, Diverse, Various.

অন্যদিকে,
Like অর্থ: সদৃশ, অনুরূপ।
Uniform অর্থ: একই;,সমান, একরূপ, সমরূপ।
Akin অর্থ:  সগোত্র, একজাতীয়, স্বজাতীয়, সদৃশ।
Different অর্থ: ভিন্ন, অন্য রকম।

• সুতরাং Similar  শব্দটির Antonym হচ্ছে - Different.

Source: Accessible Dictionary and  Merriam-Webster Dictionary 
৬০.
'Mystery' শব্দটির synonym হচ্ছে __
  1. Clue
  2. Answer
  3. Enigma
  4. Solution
সঠিক উত্তর:
Enigma
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Enigma
ব্যাখ্যা
Mystery (noun) 
English meaning: Something strange or not known that has not yet been explained or understood.
বাংলা অর্থ: রহস্য, রহস্যময় ব্যাপার

Synonyms: Problem (সমস্যা; জটিলপ্রশ্ন), Quandary (দ্বিধা; কিংকর্তব্যবিমূঢ়তা), Trouble (ঝামেলাপূর্ণ), Enigma (ধাঁধা/প্রহেলিকা)। 

Antonyms: Obviousness (সুস্পষ্টতা), Sure thing (সঠিক, নিশ্চিত বিষয়), Certainty (নিশ্চিন্ততা), Solution (সমাধান), Simplicity (সরলতা)। 

• তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে Enigma.

Source: Live MCQ Lecture and Cambridge Dictionary.
৬১.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. Acquisence
  2. Acquissence
  3. Acquiescence
  4. Aquicence
সঠিক উত্তর:
Acquiescence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Acquiescence
ব্যাখ্যা
• এখানে সঠিক উত্তর হবে Acquiescence.

Acquiescence (noun)
English meaning: The act of accepting or agreeing to something.
বাংলা অর্থ: মৌনসম্মতি।
 ‍
Source: Cambridge Dictionary.
৬২.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. Greivance
  2. Grievance
  3. Grieveance
  4. Griveance
সঠিক উত্তর:
Grievance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Grievance
ব্যাখ্যা
Grievance (countable noun) 
English meaning: Something that you think is unfair and that you complain or protest about, a feeling that you have been badly treated.
বাংলা অর্থ: দুঃখদুর্দশার কারণ, দুঃখদুর্দশা।

Example Sentence:
These interviews aim to deal with individual grievances.
Parents were invited to air their grievances at the meeting.

• সুতরাং এখানে সঠিক উত্তর হবে Grievance.

Source: Oxford learners dictionaries.
৬৩.
'Let the book be read by you' বাক্যের ‍active form হচ্ছে -
  1. Read the book.
  2. You are to read the book.
  3. Let read the book by you.
  4. Let the book be reading by you.
সঠিক উত্তর:
Read the book.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Read the book.
ব্যাখ্যা
Let যুক্ত Imperative বাক্যকে (Let + Object + be + Verb এর Past Participle + by + You)
Active form এ পরিবর্তন করার নিয়ম হলো -
Verb + Object (এক্ষেত্রে by you উহ্য থাকবে)
অর্থাৎ,
→ Let the sum be done by you.
- Do the sum.

• সুতরাং এখানে সঠিক উত্তর হবে Read the book.

Source: Advanced Learner's Grammar And Composition by Chowdhury & Hossain
৬৪.
'She fans herself' বাক্যেটি Passive form হচ্ছে __
  1. She was fanned by herself
  2. She is fanned herself
  3. She is fanned by herself
  4. She was fanned herself
সঠিক উত্তর:
She is fanned by herself
উত্তর
সঠিক উত্তর:
She is fanned by herself
ব্যাখ্যা
Myself, yourself, herself, himself etc হলো Reflexive object. 
Reflexive object যুক্ত Active Voice কে Passive Voice এ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে -
Subject এর পরিবর্তন হবে না + tense/ person অনুযায়ী Auxilary verb বসবে + মূল Verb এর Past participle হবে + by + Reflexive object. 

• সুতরাং এখানে সঠিক উত্তর হবে She is fanned by herself.

Source: Advanced Learner's Grammar And Composition by Chowdhury & Hossain
৬৫.
নিচের কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
  1. They are digging the canal for a week
  2. They had dug the canal for a week
  3. They dig the canal for week
  4. They have been digging the canal for a week
সঠিক উত্তর:
They have been digging the canal for a week
উত্তর
সঠিক উত্তর:
They have been digging the canal for a week
ব্যাখ্যা
Present Perfect Continuous Tense এর নিয়ম অনুযায়ী 
Subject + has been/have been + main verb + ing + since/for + object হয়। 

• সুতরাং এখানে সঠিক উত্তর হবে They have been digging the canal for a week.

Present Perfect Continuous Tense এ ব্যাপক সময় এর আগে For হয় এবং নিদির্ষ্ট সময়ের আগে ‍Since হয়। যেমন: 
I have been reading since morning.

Source: Advanced Learner's Grammar And Composition by Chowdhury & Hossain.
৬৬.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. I have finished read the book.
  2. I have finished reading the book.
  3. I finished reading the book.
  4. I have been finished reading the book.
সঠিক উত্তর:
I have finished reading the book.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
I have finished reading the book.
ব্যাখ্যা
Verb এর সাথে ing যোগ করে যদি তা Noun এর মত কাজ করে অর্থাৎ verb ও noun এর মত কাজ করে তাহলে তাকে Gerund বলে। 
এখানে read এর সাথে ing যুক্ত হয়ে এটি Noun এর মত কাজ করেছে।

তাছাড়া Finish এর পর Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
এবং বাক্যটি Present Perfect Tense এ রয়েছে। 

• সুতরাং এখানে সঠিক উত্তর হবে I have finished reading the book.

৬৭.
‘কৌশলে কার্যোদ্ধার’ - কোনটির অর্থ?
  1. গাছে তুলে মই কাড়া
  2. এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো
  3. ধরি মাছ না ছুঁই পানি
  4. আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া
সঠিক উত্তর:
ধরি মাছ না ছুঁই পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধরি মাছ না ছুঁই পানি
ব্যাখ্যা
নিম্নরূপ বাগধারার অর্থ-

- ধরি মাছ না ছুঁই পানি = কৌশলে কার্যোদ্ধার
- গাছে তুলে মই কাড়া = 'সাহায্যের আশা দিয়ে সাহায্য না করা।
- এক ক্ষুরে মাথা মোড়ানো = একই স্বভাবের/একই দলভুক্ত।
- আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া = দুর্লভ বস্তু প্রাপ্তি।

উৎস: 
১) ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২) বাংলা দ্বিতীয় পত্র, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৬৮.
‘একাদশে বৃহস্পতি ‘ এর অর্থ কি?
  1. সৌভাগ্যের বিষয়
  2. আশার কথা
  3. মজা পাওয়া
  4. আনন্দের বিষয়
সঠিক উত্তর:
সৌভাগ্যের বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌভাগ্যের বিষয়
ব্যাখ্যা
নিম্নে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা দেওয়া হলো:
- একাদশে বৃহস্পতি = সৌভাগ্যের বিষয়।
- অদৃষ্টের পরিহাস = ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা।
- শাখের করাত = উভয় সংকট।
- আটকপালে = হতভাগ্য।
- কাঁচা টাকা = নগদ উপার্জন।
- কেতাদুরস্ত = পরিপাটি।
- কৈ মাছের প্রাণ = যা সহজে মরে না।
- গোবর গণেশ = মূর্খ।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৬৯.
কোনটি স্বরসন্ধির উদাহরণ?
  1. ণিজন্ত
  2. অহরহ
  3. বিদ্যালয়
  4. দুঃশ্চিন্তা
সঠিক উত্তর:
বিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
স্বরসন্ধি:
- স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনের নাম স্বরসন্ধি।
- অ-কার কিংবা আ-কারের পর অ-কার কিংবা আ-কার থাকলে উভয় মিলে আ-কার হয়, আ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন:
- নর + অধম = নরাধম,
- হিম + আলয় = হিমালয়,
- যথা + অর্থ = যথার্থ,
- বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয় ইত্যাদি।

• ণিজন্ত ব্যঞ্জন সন্ধি।
• অহরহ বিসর্গ সন্ধি।
• দুঃশ্চিন্তা বিসর্গ সন্ধি।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৭০.
তৎপুরুষ সমাসে কোন পদ প্রধান?
  1. পূর্ব পদ
  2. পরপদ
  3. অন্য পদ
  4. উভয় পদ
সঠিক উত্তর:
পরপদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরপদ
ব্যাখ্যা
তৎপুরুষ সমাস:
- সমস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তার নাম তৎপুরুষ সমাস।
- এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।

যেমন:
- মামার বাড়ি = মামাবাড়ি,
- ধানের খেত = ধানখেত,
- পথের রাজা = রাজপথ,
- মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা,
- তেলে ভাজা = তেলেভাজা (অলুক তৎপুরুষ সমাস) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৭১.
সমাসবদ্ধ পদের পরবর্তী অংশকে কি বলা হয়?
  1. পূর্ব পদ
  2. দক্ষিণ পদ
  3. কোনটি নয়
  4. উত্তর পদ
সঠিক উত্তর:
উত্তর পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর পদ
ব্যাখ্যা
সমাস: 
অর্থসম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের এক সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি নতুন শব্দ গঠন প্রক্রিয়াকে সমাস বলে।

যেমন:
- দেশের সেবা = দেশসেবা,
- বই ও পুস্তক = বইপুস্তক,
- নেই পরোয়া যার = বেপরোয়া ইত্যাদি।

♦ সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ বলে।
♦ সমস্ত পদ বা সমাসবদ্ধ পদটির অন্তর্গত পদগুলোকে সমস্যমান পদ বলে।
♦ সমাসযুক্ত পদের প্রথম অংশ (শব্দ)- কে বলা হয় পূর্বপদ এবং পরবর্তী অংশ (শব্দ)- কে বলা হয় উত্তরপদ বা পরপদ

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৭২.
‘কিরণ’ এর সমার্থক শব্দ নয় -
  1. রবি
  2. রশ্মি
  3. প্রভা
  4. কর
সঠিক উত্তর:
রবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবি
ব্যাখ্যা
'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ গুলো:
- রবি,
- তপন,
- ভানু,
- ভাস্কর,
- আদিত্য,
- সবিতা,
- প্রভাকর,
- দিবাকর,
- বিভাবসু,
- মার্তণ্ড ইত্যাদি।

কিরণ’ এর সমার্থক শব্দ:
- রশ্মি,
- শিখা,
- আলোকচ্ছটা,
- কর,
- প্রভা,
- দীপ্তি,
- জ্যোতি,
- অংশু ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৭৩.
‘অনুগ্রহ’ -এর বিপরীতার্থক শব্দ -
  1. প্রতিগ্রহ
  2. বিগ্রহ
  3. নিগ্রহ
  4. দয়া
সঠিক উত্তর:
নিগ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিগ্রহ
ব্যাখ্যা
- ‘অনুগ্রহ’ এর বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে 'নিগ্রহ'।
- 'প্রতিগ্রহ' এর বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে 'অপ্রতিগ্রহ'। 
- 'বিগ্রহ' এর বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে 'সন্ধি'।
- 'দয়া' এর বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে 'নির্দয়তা/নিষ্ঠুরতা।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৭৪.
‘রেখো মা দাসেরে  মনে।’ বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. করণে ২য়া
  2. কর্মে ২য়া
  3. অপাদানে তয়া
  4. অধিকরণে ২য়া
সঠিক উত্তর:
কর্মে ২য়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মে ২য়া
ব্যাখ্যা
কর্ম কারক:
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে।
- বাক্যে মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম - উভয় ধরনের কর্মই কর্ম কারক হিসেবে গণ্য।
- সাধারণত মুখ্য কর্ম কারকে বিভক্তি হয় না, তবে গৌণ কর্ম কারকে- 'কে' বিভক্তি হয়।যেমন:
- সে রোজ সকালে এক প্লেট ভাত খায়,
- শিক্ষককে জানাও,
- অসহায়কে সাহায্য করো, ইত্যাদি। 

কাব্যভাষায় কর্মকারকে 'রে' বিভক্তি হয়। যেমন:
- আমারে তুমি করিবে ত্রাণ এ নহে মোর প্রার্থনা।
- রেখো মা দাসেরে  মনে

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৭৫.
আজকে  নগদ কালকে ধার’ বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্মে ৭মী
  2. সম্প্রদানে ২য়া
  3. অপাদানে তয়া
  4. অধিকরণে ২য়া
সঠিক উত্তর:
অধিকরণে ২য়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকরণে ২য়া
ব্যাখ্যা
অধিকরণ কারক:
- যে কারকে স্থান, কাল, বিষয় ও ভাব নির্দেশিত হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে।
- এই কারকে সাধারণত '-এ', '-য়', 'তে' ইত্যাদি বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন:
- বাবা বাড়িতে আছেন,
- বিকাল পাঁচটায় অফিস ছুটি হবে,
- আজকে  নগদ কালকে ধার, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
৭৬.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. পঙ্কিল
  2. পঙ্কীল
  3. পংকিল
  4. পংকীল
সঠিক উত্তর:
পঙ্কিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঙ্কিল
ব্যাখ্যা
পঙ্কিল: 
- উচ্চারণ হচ্ছে [পোঙ্‌কিল্‌]।
- এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ।
- বিশেষণ হচ্ছে পঙ্কময়।
- সমার্থক শব্দ হচ্ছে: কর্মাক্ত, কাদাপূর্ণ।
- এর প্রকৃতি প্রত্যয় হচ্ছে পঙ্ক + ইল = ইলচ্‌।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৭৭.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. সদ্যজাত
  2. সদ্দোজাত
  3. সদ্যোজাত
  4. সদ্ব্যজাত
সঠিক উত্তর:
সদ্যোজাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সদ্যোজাত
ব্যাখ্যা
সদ্যোজাত:
-  এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- এর সমার্থক শব্দ 'নবজাতক'।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
৭৮.
‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ উপন্যাসটি কে রচনা করেছেন?
  1. সত্যেন সেন
  2. আলাউদ্দীন আল আজাদ
  3. আবুল ফজল
  4. অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দীন আল আজাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দীন আল আজাদ
ব্যাখ্যা
 আলাউদ্দিন আল আজাদ:
-
তিনি একাধারে শিক্ষাবিদ, কবি, কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, গবেষক, সাহিত্য-সমালোচক ছিলেন।
- জন্ম ৬ মে ১৯৩২ সালে, নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার রামনগর গ্রামে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সসহ স্নাতক (১৯৫৩) ও স্নাতকোত্তর (১৯৫৪)।
-তেইশ নম্বর তৈলচিত্র উপন্যাসটির বিষয়বস্ত্ত অবলম্বনে বসুন্ধরা নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক সুভাষ দত্ত।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগন্থ: 
- জেগে আছি,
- ধানকন্যা,
- জীবন জমিন প্রভৃতি।

তাঁর উপন্যাস:
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র,
- কর্ণফুলী,
- শেষরাত বসন্তের প্রথমদিন,
- ক্ষুধা ও আশা,
- শ্যামল ছায়ার সংবাদ।

নাটক:
- ধন্যবাদ,
- নিঃশব্দ যাত্রা,
- নরকে লাল গোলাপ।

কাব্যগ্রন্থগুলো মধ্যে:
- মানচিত্র,
- ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ,
- লেলিহান পান্ডুলিপি,
- নিখোঁজ সনেটগুচ্ছ, 
- সাজঘর,
- শ্রেষ্ঠ কবিতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭৯.
‘ছোটদের অভিনয়’ নাটকটি কার রচনা?
  1. সেলিম আল দীন
  2. আলাউদ্দীন আল আজাদ
  3. জিয়া হায়দার
  4. আল কামাল আবদুল ওহাব
সঠিক উত্তর:
আল কামাল আবদুল ওহাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল কামাল আবদুল ওহাব
ব্যাখ্যা
আল কামাল আবদুল ওহাব
- আল কামাল আবদুল ওহাব বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা শিশুসাহিত্যিক, ছড়াকার, নাট্যকার, গীতিকার ও সাহিত্য অনুবাদক।
- তিনি ৩১ ডিসেম্বর ১৯৩৮ সালে সাতক্ষীরা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- শিশুসাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ১৯৮০ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।
-  তিনি ২০০৮ সালের ২৯ মে মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: 
- মহেশখালীর পথে
- বাস্কারভিলের বিভীষিকা
- ছোটদের অভিনয়
- ছোটদের শ্রেষ্ঠ গল্প
- নিরুদ্দেশের পথে

সূত্র: যশোর সরকারি সিটি কলেজের ওয়েবসাইট [লিংক]
৮০.
‘জুলেখার মন’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ
  2. সমর সেন
  3. রজনীকান্ত সেন
  4. জাহানারা আরজু
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ
ব্যাখ্যা
মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ:
-
তিনি ১৯৩৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কাব্যরচনায় বিশিষ্ঠতা দেখিয়েছেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যের নাম:
জুলেখার মন,
- রক্তিম হৃদয়,
- আপন ভুবনে,
- বৈরিতার হাতে বন্দি,
- মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহর কাব্যসম্ভার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।