পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি [বাংলাদেশের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত - ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত] i) ভাষা আন্দোলন, ii) যুক্তফ্রন্ট গঠন ও নির্বাচন, iii) ৫৬ - এর শাসনতন্ত্র আন্দোলন উৎস: ইতিহাস সংক্রান্ত বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
একুশের কবিতা, 'আমি কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' এর রচয়িতা -
  1. ক) আবদুল গাফফার চৌধুরী
  2. খ) জহির রায়হান
  3. গ) মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
  4. ঘ) শামসুর রাহমান
সঠিক উত্তর:
গ) মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী গুলি চালিয়ে হত্যা করে মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে মিছিলরত তরুণদের।
- মাহবুব উল আলম চৌধুরী তখন অসুস্থ; তাঁর শরীরে জলবসন্তের চিহ্ন।
- রাত জেগে তিনি লিখলেন আগুনঝরা কবিতা: ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’
- ২৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে প্রতিবাদ সভায় সে কবিতা পড়লেন তাঁরই সতীর্থ চৌধুরী হারুণ-উর-রশীদ।
- পাকিস্তান সরকার সে কবিতা বাজেয়াপ্ত করে।
- হুলিয়া জারি করে মাহবুব উল আলম চৌধুরীর ওপর।
- তিনি এবং তাঁর কবিতা হয়ে গেল ইতিহাসের অংশ।

উল্লেখ্য,
- ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ একুশের প্রথম কবিতা।

অন্যদিকে -
- আবদুল গাফফার চৌধুরী একুশের গানটি রচনা করেন।

উৎস: প্রথম আলো, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯।
.
কত সালে ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত হয়?
  1. ক) ১৯৪৭ সালে
  2. খ) ১৯৪৮ সালে
  3. গ) ১৯৪৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিস ১৯৪৭ সালে আবুল কাসেম কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের, (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) একটি ইসলামি সাংস্কৃতিক সংগঠন। 
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে দাবি তুলে তমদ্দুন মজলিস বাংলা ভাষা আন্দোলন শুরু করে। যদিও এই সংগঠনের প্রতিবাদ লেখালেখির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলো।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

ভারত এবং পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভের মাত্র ৭ মাস পরে, ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের গভর্নর মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ ২১ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এবং ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল্যের বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা।
- এই ঘোষণা করলে সদ্য জাত রাষ্ট্রে ভাষা আন্দোলন প্রকাশ্যরূপ ধারণ করে।

[শুধুমাত্র ইতিহাস,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বইতে ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত  ১৯৪৮ দেওয়া হয়েছে। অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে ১৯৪৭ সালকে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।]

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেনি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেনি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদে কতটি আসন ছিল?
  1. ক) ১৭১টি
  2. খ) ৩০৯টি
  3. গ) ২৯৮টি
  4. ঘ) ৩১০টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩০৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩০৯টি
ব্যাখ্যা
প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
- ১৯৫৪ সালের মার্চের ৮ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান পরিষদের নির্বাচন।
- পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদে আসন ছিল ৩০৯টি।
- প্রাদেশিক পরিষদে মোট ৩০৯টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসনে জয়লাভ করে।
- ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ ৯টি আসন লাভ করে।
- মুসলিম লীগ মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নূরুল আমীনসহ প্রভাবশালী ৫ সদস্যের সকলেই নির্বাচনে পরাজিত হন।

উল্লেখ্য,
- মুসলিম নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৯টি আসনে ৩৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
- এই ৯টি আসনের সবগুলোতে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থীরা বিজয়ী হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
যুক্তফ্রন্ট কত তারিখে গঠিত হয়?
  1. ক) ৪ ডিসেম্বর, ১৯৫১
  2. খ) ৪ ডিসেম্বর, ১৯৫২
  3. গ) ৪ ডিসেম্বর, ১৯৫৩
  4. ঘ) ৪ ডিসেম্বর, ১৯৫৪
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ ডিসেম্বর, ১৯৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ ডিসেম্বর, ১৯৫৩
ব্যাখ্যা
 যুক্তফ্রন্ট গঠন
- যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।
- যুক্তফ্রন্ট চারটি দল নিয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর গঠিত হয়।
- দলগুলো হচ্ছে:
• আওয়ামী মুসলিম লীগ (১৯৪৯ সালে সোহরাওয়ার্দী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত)।
• নেজাম-ই-ইসলামী (মাওলানা আতহার আলীর নেতৃত্বাধীন)।
• কৃষক-শ্রমিক পার্টি (১৯৫৩ সালে শেরে বাংলা কর্তৃক প্রতিষ্ঠি...
• গণতন্ত্রী দল (হাজী দানেশের নেতৃত্বাধীন)।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ২১ দফা।
- নির্বাচন ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়।
- এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে।

উৎস: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা -
  1. ক) আবদুল মতিন
  2. খ) অধ্যাপক আবুল কাসেম
  3. গ) আবদুস সালাম
  4. ঘ) কামরুদ্দিন মতিন
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক আবুল কাসেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক আবুল কাসেম
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ
- পশ্চিম পাকিস্তানে শতকরা ৯৭ ভাগ এবং পূর্ব বাংলায় শতকরা ৮০ ভাগ অধিবাসী ছিল মুসলমান।
- অধিকাংশ অধিবাসীর ধর্ম এক হলেও ভাষা ছিল ভিন্ন।
- তাই পাকিস্তান সৃষ্টির সময় রাষ্ট্রভাষা কী হওয়া উচিত এ বিষয়ে বিতর্ক শুরু হয়। 
- একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন ভাষার প্রশ্নে সোচ্চার হয়।
- সংগঠনটির নাম ছিল ‘তমদ্দুন মজলিশ'।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ তারিখে উক্ত সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- পুস্তিকাটির নাম ছিল: ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা - বাংলা না উর্দু'।
- তমাদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কীসের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?
  1. ক) বাঙালী জাতীয়তাবাদ
  2. খ) দ্বি-জাতি তত্ত্ব
  3. গ) অসাম্প্রদায়িকতা
  4. ঘ) স্বাধীনতা সংগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) বাঙালী জাতীয়তাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাঙালী জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
- বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিকাশে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- সমস্ত পাকিস্তানের জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠের (শতকরা ৫৬ ভাগ) ভাষা ছিলো বাংলা।
- কিন্তু তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার নীল নকশার ষড়যন্ত্র শুরু করে।
- এদেশের সমগ্র জনগোষ্ঠী তাদের এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখান করে এবং প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠে।
- অবশেষে ১৯৫২ সালের এদেশের ছাত্র- শিক্ষক এবং জনতার সাথে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর পাকিস্তান সরকার বাঙালিদের দাবী মানতে বাধ্য হয়।
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্রে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ভাষা আন্দোলনের এ ঘটনার মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাঙালিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পাকিস্তানি ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. ক) আইয়ুব খান
  2. খ) টিক্কা খান
  3. গ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. ঘ) ইস্কান্দার মির্জা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইস্কান্দার মির্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইস্কান্দার মির্জা
ব্যাখ্যা
 ইস্কান্দার মির্জা 
- ১৯৪৬ সালে ভারত সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে তিনি যুগ্মসচিব নিযুক্ত হন।
- তিনি দেশবিভাগের পর পাকিস্তান সরকারের প্রতিরক্ষা সচিব নিযুক্ত হন।
- পূর্ববাংলা প্রদেশে যুক্তফ্রন্ট সরকার বাতিল ও গভর্নর জেনারেলের শাসন জারীর পর তিনি ১৯৫৪ সালের ৩০ মে প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত হন।
- ১৯৫৫ সালের ৫ আগস্ট অসুস্থতার জন্য গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ ছুটিতে গেলে তিনি প্রথমে পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত গভর্নর জেনারেল এবং পরে গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন।

- তিনি ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর সামরিক আইন জারি করেন।
- তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আইয়ুব খানকে সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত করেন। 
- ১৯৬৯ সালের ১২ নভেম্বর মির্যা লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: i) ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
.
ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় -
  1. ক) ১৬ নভেম্বর, ১৯৯৯
  2. খ) ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯
  3. গ) ১৮ নভেম্বর, ১৯৯৯
  4. ঘ) ১৯ নভেম্বর, ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রথম আন্দোলন।
- মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রাখতে শহীদ হন রফিক, জব্বার, সালাম, বরকত ও সফিউররা। 
- ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' বিশ্বজুড়ে বিশাল জাতীয় গৌরব ও সম্মানের।
-  ২০০০ সাল থেকে UNESCO এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো এ দিবসটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করে।
- ২০১০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের ৬৫তম সাধারণ অধিবেশনে ৪র্থ কমিটিতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের প্রস্তাবটি উত্থাপন করে এবং প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। 
- আর এভাবেই বাংলা ভাষার বিশ্বায়ন প্রক্রিয়া চলমান।

উৎস: i) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, portal.gov.bd.
          ii) যুগান্তর, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮।
.
'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয় -
  1. ক) ২৮ জানুয়ারি, ১৯৫২
  2. খ) ২৯ জানুয়ারি, ১৯৫২
  3. গ) ৩০ জানুয়ারি, ১৯৫২
  4. ঘ) ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ‘তমদ্দুন মজলিস' নামে একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে।
- ১৯৪৭ সালের ৫ ডিসেম্বর করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়।
- পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে 'বাংলাকে' স্বীকৃতি দেয়ার দাবি জানায়।
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে নূরুল হক ভূঁইয়াকে আহ্বায়ক করে তমদ্দুন মজলিস ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
- কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দীন ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি পল্টন ময়দানের জনসভায় ঘোষণা করেন, ‘উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।'
- এর প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ৩০ জানুয়ারি সভা ও ছাত্র ধর্মঘট আহ্বান করে।
- ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২ তারিখে আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এই সভায় ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ববাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের বাজেট অধিবেশনের দিন দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।