পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
পার্ট-১) পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, বারিমণ্ডল, টাইড, বায়ুমণ্ডল, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, মানবদেহ, রোগের কারণ ও প্রতিকার, সংক্রামক রোগ, রোগ জীবাণুর জীবনধারণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, ইম্যুনাইজেশন এবং ভ্যাকসিনেশন, এইচআইভি, এইডস, টিবি, পোলিও, জোয়ার-ভাটা, এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হর্টিকালচার, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা ইত্যাদি। পার্ট-২) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য : শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, পরিসংখ্যান গ্রন্থ পড়তে হবে)। পার্ট–১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই। পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, বোর্ড বই, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, পরিসংখ্যান গ্রন্থ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চশক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদের সমষ্টিকে বলে -
  1. ক) গামা রশ্মি
  2. খ) অবলোহিত রশ্মি
  3. গ) মহাজাগতিক রশ্মি
  4. ঘ) অতি বেগুনী রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গ) মহাজাগতিক রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহাজাগতিক রশ্মি
ব্যাখ্যা
মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চশক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদের সমষ্টিকে মহাজগতিক রশ্মি বলে। বিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির কারণ?
  1. ক) পৃথিবীর কেন্দ্রমুখী বল।
  2. খ) বৃষ্টিপাত
  3. গ) পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বল
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ বল
ব্যাখ্যা

টাইড (জোয়ার-ভাটা) এর কারণ প্রধানত ২টি।
১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব, এবং
২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

.
পাহাড়ের উপরে কোন গ্যাসের আধিক্য বেশি?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) কার্বনডাই অক্সাইড
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) আর্গন
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুইটি।
যথা- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।
বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি ৭৮.০১% ও অক্সিজেনের পরিমাণ ২০.৭১%।
পাহাড়ের উপরে গ্যাসের অনুপাতের পরিমানে সামান্য তারতম্য হলেও নাইট্রোজেনের পরিমাণই সবচেয়ে বেশি। 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি

.
ভূত্বক প্রধানত কয়টি বড় টেকটোনিক্স প্লেট দ্বারা গঠিত?
  1. ক) ৩ টি
  2. খ) ৫ টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৮ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ টি
ব্যাখ্যা

প্লেট টেকটোনিক্স (Plate Tectonics): ভূতাত্ত্বিক মতবাদ অনুসারে ভূত্বক প্রধানত আটটি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত, যেগুলি নিম্নস্থ ভ্রাম্যমান উষ্ণ গুরুমন্ডলীয় পদার্থের ওপর ভাসছে। প্লেটের বিচলন (movement) ও পারস্পরিক ক্রিয়া ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, পর্বত সৃষ্টি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য ভূতাত্ত্বিক ঘটনাবলীর নিয়ন্ত্রক বলে ধারণা করা হয়।

তিন ধরনের পারস্পরিক প্লেট সীমানার কথা জানা যায়। যথা: সমকেন্দ্রাভিমুখী সীমা, অপসারী সীমা ও পরিবর্তক চ্যুতি সীমা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়,নবম দশম শ্রেনি।

.
রোগ সৃষ্টির জন্য যে সকল অণুজীব দায়ী তাদেরকে বলা হয়-
  1. ক) ইনফেকশন
  2. খ) প্যাথজেনিক
  3. গ) জীবাণু
  4. ঘ) টক্সিন
সঠিক উত্তর:
খ) প্যাথজেনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্যাথজেনিক
ব্যাখ্যা

জীববিজ্ঞানে ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে আদি এবং ব্যাপকতর অর্থে রােগ সংক্রামক জীবাণু হচ্ছে এমন যেকোন কিছু যা রােগ উৎপন্ন করতে পারে। এর পশ্চিমা পরিভাষা প্যাথােজেন।
Oxford Dictionary অনুসারে,
Pathogenic = (of a bacterium, virus, or other microorganism) causing disease.
১৮৮০ সালে সাধারণত রােগ সংক্রমণ সংঘটক (এজেন্ট) যেমন : ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, প্রিয়ন, এমনকি অন্য কিছু অণুজীবকে বােঝাতেও এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
এক কথায়,
- যেসব অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদের বলা হয় প্যাথজেনিক।

- ইনফেকশন হলো সংক্রমণ।
- টক্সিন হলো বিষাক্ত পদার্থ।
- জীবাণু হলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনুজীব যারা রোগ সৃষ্টি করতেও পারে, নাও পারে।

.
যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয় -
  1. ক) ফুসসুস
  2. খ) অন্ত্র
  3. গ) হাড়
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

যক্ষ্মা সাধারণত Mycobacterium Tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয় যক্ষ্মা একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ।
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করলে অতি সহজে দেহে রোগ জীবাণুর বিস্তার ঘটে।
যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসের রোগ এই ধারণাটা সঠিক নয়। যক্ষ্মা অন্ত্র, হাড়, ফুসফুস এরকম দেহের প্রায় যেকোনো জায়গায় হতে পারে।
সংক্রমিত গরুর দুধ খেয়েও যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই

.
নবজাতকের ওজন কত কেজির কম হলে সেটাকে কম ওজন বিশিষ্ট শিশু হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ক) ২ কেজি
  2. খ) ২.৫ কেজি
  3. গ) ৩ কেজি
  4. ঘ) ৩.৫ কেজি
সঠিক উত্তর:
খ) ২.৫ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২.৫ কেজি
ব্যাখ্যা
সদ্যভূমিষ্ঠ শিশুর ওজন ২.৫ কেজির কম হলে তাকে কম ওজন বিশিষ্ট শিশু বলা হয়।
মায়ের অপুষ্টি, মা ও গর্ভস্থ শিশুর বিভিন্ন রোগের কারণে শিশু কম ওজন নিয়ে ভূমিষ্ঠ হতে পারে।
উৎসঃ প্রথম আলো স্বাস্থ্য প্রতিবেদন আর্কাইভ।
.
হুপিং কাশি রোগের টীকা কোনটি?
  1. ক) ওপিভি
  2. খ) বিসিজি
  3. গ) ডিপিটি
  4. ঘ) এমএমআর
সঠিক উত্তর:
গ) ডিপিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডিপিটি
ব্যাখ্যা
পোলিও রোগের টিকা - ওপিভি (Oral Polio Vaccine) ;
যক্ষার টিকা - বিসিজি ;
ডিফথেরিয়া, হুপিং কাশি ও ধনুষ্টঙ্কারের টিকা - ডিপিটি;
হাম রোগের টিকা - এমএমআর ভ্যাকসিন।
[তথ্য ব্রিটানিকা থেকে যাচাইকৃত]
.
এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তির শরীরে -
  1. ক) শ্বেতরক্তকণিকা ধ্বংস হয়ে যায়।
  2. খ) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
  3. গ) কোন নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- মানবদেহে এইচআইভি এর আক্রমণে এইডস রোগ হয়।
- এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকনিকা ধ্বংস হয়।
- ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লোপ পায়।
- এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায়ে হলো এইডস।
- মানব দেহে এইচআইভি ভাইরাস প্রবেশ করার ৬ মাস থেকে ১০ বছরের মধ্যে শরীরে এইডসের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- এইডস রোগের কোন নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই।
১০.
মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) জ্যাকব হেইনার
  2. খ) কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
  3. গ) জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক‌
  4. ঘ) আলবার্ট সাবিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলবার্ট সাবিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলবার্ট সাবিন
ব্যাখ্যা
- ‘পোলিওমাইটিলিজ’ এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ যা ‘পোলিও’ নামে অধিক পরিচিত।
- ১৮৪০ সালে জ্যাকব হেইনার প্রথম এই রোগ শনাক্ত করেন।
- ১৯০৯ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন।
- ১৯৫২ সালে জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক‌ পোলিওর টিকা উদ্ভাবন করেন।
- ১৯৫৭ সালে আলবার্ট সাবিন মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা আবিষ্কার করেন।
- বাংলাদেশে ১৯৫৫ সালে পোলিও টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় এবং ২০১৪ সালের ২৭ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশকে পোলিও ‍মুক্ত ঘোষণা করে।
১১.
ডায়োড সম্পর্কে নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. ক) ব্যাটারির যে কোন ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।
  2. খ) AC কারেন্ট কে DC কারেন্টে রূপান্তর করা যায়।
  3. গ) জাংশন ডায়োড তৈরি করা যায়।
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাটারির যে কোন ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাটারির যে কোন ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।
ব্যাখ্যা
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযােগে হয় না।
- ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই। সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছােট ছােট আলো হল Light Emitting Diode.
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- এটি মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে নিচের কোনটি অপরিবর্তনীয় ?
  1. ক) বস্তুর ভর
  2. খ) যে কোন স্থান
  3. গ) সময়
  4. ঘ) শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ
সঠিক উত্তর:
ঘ) শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ
ব্যাখ্যা

আপেক্ষিক তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানে এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী তত্ত্ব। এই তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞান জগতে এক নতুন যুগের সূচনা করে । এই তত্ত্বের প্রবর্তক আলবার্ট আইনস্টাইন ।আপেক্ষিক তত্ত্বের মতে স্থান, কাল ও জড় বা ভর পরম কিছু নয় ,আপেক্ষিক ।
বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এই তত্ত্বের সূচনা করেন ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব (special theory of relativity) প্রবর্তনের মাধ্যমে ।
ভরের আপেক্ষিকতা ও ভরকে শক্তিতে রূপান্তর,এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের উপর ভিত্তি করে পারমাণবিক যুগের সূচনা হয় ।

আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্যঃ
আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই দুটি স্বীকার্য প্রদান করেন।
প্রথম স্বীকার্যঃ- স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে।
দ্বিতীয় স্বীকার্যঃ- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।

১৩.
আলোর ক্ষুদ্রতম একক -
  1. ক) গ্রাভিটন
  2. খ) ফোটন
  3. গ) ইলেক্ট্রন
  4. ঘ) চির
সঠিক উত্তর:
খ) ফোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফোটন
ব্যাখ্যা
ফোটন হচ্ছে আলোর কণা বা ক্ষুদ্রতম একক।
প্লাঙ্কের তত্ত্ব অনুসারে - আলোকরশ্মি কোন শক্তি হতে অনবরত বের না হয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন প্যাকেট বা শক্তি বের হয়। প্রত্যেক বর্ণের আলোর জন্য এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটের শক্তির নির্দিষ্ট মান রয়েছে। এই এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।
ফোটনের কিছু ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য দেয়া হলো-
১. পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি আলোর ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে।
২. ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
৩. ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
৪. প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে।
৫. ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।
৬. ফোটন এর কণা-তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১৪.
শূন্যস্থানে আলোর বেগ কত?
  1. ক) 3×108ms-2
  2. খ) 3×106ms-1
  3. গ) 3×109ms-2
  4. ঘ) 3×108ms-1
সঠিক উত্তর:
ঘ) 3×108ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 3×108ms-1
ব্যাখ্যা
শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ ৩০০০০০ কিলোমিটার/সেকেন্ড অর্থাৎ ৩০০০০০০০০ মিটার/সেকেন্ড বা 3×108 ms-1.
ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি- ড. আমির হোসেন
১৫.
আয়োডিনের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) লবণ
  2. খ) সামুদ্রিক শৈবাল
  3. গ) এগারিকাস
  4. ঘ) লাইকেন
সঠিক উত্তর:
খ) সামুদ্রিক শৈবাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সামুদ্রিক শৈবাল
ব্যাখ্যা
সামুদ্রিক শৈবালে আয়োডিন পাওয়া যায়।
হ্যালোজেন হলো সামুদ্রিক লবণ উৎপাদক।
হ্যালোজেন বলতে ফ্লোরিন, ক্লোরিন, ব্রোমিন ও আয়োডিন এই ৪ টি মৌলকেই বুঝায়।
তাই আয়োডিনের প্রধান উৎস সামুদ্রিক শৈবাল।
১৬.
মানুষের হৃদপিণ্ডের স্পন্দনের স্বভাবিক হার কত?
  1. ক) ৫৫-৬৫
  2. খ) ৬০-৭০
  3. গ) ৭৫-৮৫
  4. ঘ) ৭০-৮০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭০-৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭০-৮০
ব্যাখ্যা

হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে রক্ত দেহের অভ্যন্তরে গতিশীল থাকে। এমনকি বিশ্রামরত অবস্থায়ও এর সংকোচন ও প্রসারণ চক্রাকারে চলতে থাকে। হৃদপিন্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর সংকোচনকে সিস্টোল এবং সম্প্রসারণকে ডায়াস্টোল বলে। এক বারের সিস্টোল ও ডায়াস্টোলকে একত্রে হৃদস্পন্দন বা হার্টবিট (Heart Beat) বলে।
একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের হৃদপিন্ডের স্বাভাবিক স্পন্দনের হার প্রতি মিনিটে ৭০-৮০ বার, গড়ে ৭৫ বার। হৃদপিন্ডের প্রতি স্পন্দনে হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের যে চক্রাকার প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি ঘটে তাকে হৃদচক্র বা কার্ডিয়াক চক্র বলে।

১৭.
নিউটনীয় বলবিদ্যায় দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় -
  1. ক) ধ্রুবক
  2. খ) পরিবর্তনীয়
  3. গ) আপেক্ষিক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ধ্রুবক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধ্রুবক
ব্যাখ্যা
নিউটনীয় বলবিদ্যায় দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় ধ্রুব - গতি নির্ভর নয়।
কিন্তু আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে
দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় আপেক্ষিক, যা বস্তু বা প্রসঙ্গ কাঠামোর উপর নির্ভরশীল।
একে আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা বলে।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৮.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে স্ট্রাটোমণ্ডলের অবস্থান?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্রাটোমণ্ডল।
এই স্তরে ওজোন গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।
এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি শুষে নেয়।
এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনো রকম জলীয়বাষ্প থাকে না।
ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুষ্ক।
ঝড়-বৃষ্টি থাকেনা বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
১৯.
দেশে সবচেয়ে বেশি রাসায়নিক সার উৎপাদিত কোনটি?
  1. ক) টিএসপি
  2. খ) ইউরিয়া
  3. গ) ডিএপি
  4. ঘ) এমওপি
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে উৎপাদিত রাসায়নিক সারের মধ্যে ইউরিয়া সার প্রধান।
- এছাড়া অন্যান্য সারের মধ্যে টিএসপি ও ডিএপি উল্লেখযোগ্য।
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত পণ্যের ৮০ শতাংশই বিভিন্ন রাসায়নিক সার, যার মধ্যে ৭০ শতাংশ ইউরিয়া সার এবং ১০ শতাংশ 
- কৃষি জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ইউরিয়া সার; পরিমাণ - ২,৪৫০ হাজার/২৪.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ডিএপি (DAP); পরিমাণ – ১,৩০০.০০ হাজার/১৩.০০ লক্ষ মেট্রিক টন।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১)
২০.
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে কয়টি অধিদপ্তর রয়েছে?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬টি
ব্যাখ্যা
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বর্তমানে ৪টি সংস্থা, ৬টি অধিদপ্তর, ১টি বোর্ড এবং ২টি ফাউন্ডেশন কাজ করে। 

৬টি অধিদপ্তর গুলো হলো: 
১.বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন-বিএসটিআই 
২.বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট-বিআইএম 
৩.বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র-বিটাক 
৪.ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন-এনপিও 
৫.পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর-ডিপিডিটি 
৬.প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়

[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১]
২১.
বর্তমানে বিটিএমসি’র নিয়ন্ত্রণাধীন টেক্সটাইল মিলের সংখ্যা হলো-
  1. ক) ৩০টি
  2. খ) ২৫টি
  3. গ) ৩৫ টি
  4. ঘ) ২৯টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৫টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশন (বিটিএমসি) এর নিয়ন্ত্রণাধীন টেক্সটাইল মিলের সংখ্যা ২৫টি।
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে ৭৪টি মিল নিয়ে বিটিএমসি যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে এতে আরো ১২টি মিল যুক্ত হয়।
মোট ৮৬টি মিলের মধ্যে বর্তমানে বিটিএমসির নিয়ন্ত্রণাধীন মিলের সংখ্যা ২৫টি।

(সূত্র: বিটিএমসি ওয়েবসাইট)
২২.
চা বোর্ডের অধীনে দেশে মোট কতটি চা বাগান রয়েছে?
  1. ক) ১৬৪টি
  2. খ) ১৬৫টি
  3. গ) ১৬৭টি
  4. ঘ) ১৭০টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৭টি
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলাদেশে চা অধ্যাদেশ-১৯৭৭ এর মাধ্যমে ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ চা বোর্ড চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- চা বোর্ডের অধীনে দেশে বর্তমানে মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।

উৎসঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

২৩.
বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন কর্পোরেশন কোনটি?
  1. ক) বিসিআইসি
  2. খ) বিএসটিআই
  3. গ) এনপিও
  4. ঘ) বিটাক
সঠিক উত্তর:
ক) বিসিআইসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিসিআইসি
ব্যাখ্যা
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বর্তমানে ৪টি সংস্থা, ৬টি অধিদপ্তর, ১টি বোর্ড এবং ২টি ফাউন্ডেশন কাজ করে।

বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/কর্পোরেশনঃ ৪টি
১. বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)
২. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
৩. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
৪. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তরঃ ৬টি
১. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
২. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)
৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
৫. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
৬. প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বোর্ডঃ ১টি
- বাংলাদেশ এ্যাক্রিডিটেশন বোর্ড

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ফাউন্ডেশন: ২টি 
- ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন-এসএমই ফাউন্ডেশন (Small and Medium Enterprise Foundation-SME Foundation)
- ক্ষুদ্র, মাইক্রো ও কুটির শিল্প ফাউন্ডেশন-এসএমসিআইএফ (Small, Micro and Cottage Industries Foundation-SMCIF)


উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১।
২৪.
শিল্প কারখানাকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান করার কাজে নিয়োজিত কোন অধিদপ্তর?
  1. ক) BIM
  2. খ) BITAC
  3. গ) NPO
  4. ঘ) DPDT
সঠিক উত্তর:
গ) NPO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) NPO
ব্যাখ্যা
ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন-এনপিও (National Productivity Organization-NPO): এনপিও জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সরকারি কৃষি খাতসহ জাতীয় অর্থনীতির সকল কর্মকান্ডে অব্যাহতভাবে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিল্প কারখানা ও প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রুপান্তর এবং বেসরকারি উদ্যোগে শিল্পায়নকে উৎসাহিত করার মানসে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গত ০২ অক্টোবর, ২০২০ তারিখে দেশব্যাপী ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস’ পালন করা হয়। উক্ত দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনিমার্ণে উৎপাদনশীলতা’। জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে ২০২০-২১ অর্থবছরে (ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত) এনপিও বিভিন্ন কারখানা ও এনপিও’র সেমিনার কক্ষে মোট ৩৬টি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও), শিল্প মন্ত্রণালয় এবং এশিয়ান প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এপিও), জাপান -এর যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরের উৎপাদনশীলতা, গুণগতমান, প্রতিযোগিতা এবং উদ্ভাবনী দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘Bangladesh National Productivity Master Plan 2021-2030’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
২৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুযায়ী জিডিপিতে শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী হলো -
  1. ক) ৩৯.০ শতাংশ
  2. খ) ৩৪.৯৯ শতাংশ
  3. গ) ২০.৪ শতাংশ
  4. ঘ) ৪০.৬ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ২০.৪ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০.৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৪৭ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৪.৯৯ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৫৩ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।
২৬.
বাংলাদেশে তাঁত গবেষণা বোর্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রামে
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) নরসিংদী
সঠিক উত্তর:
ঘ) নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নরসিংদী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে তাঁত গবেষণা বোর্ড অবস্থিত নরসিংদী।
• রেশম গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত রাজশাহী।
• চা বোর্ড অবস্থিত চট্টগ্রামে।
• বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী অবস্থিত কুমিল্লা।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
২৭.
সবচেয়ে বেশি উৎপাদণরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে -
  1. ক) ঢাকা ইপিজেডে
  2. খ) কুমিল্লা ইপিজেডে
  3. গ) চট্টগ্রাম ইপিজেডে
  4. ঘ) ঈশ্বরদী ইপিজেডে
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম ইপিজেডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম ইপিজেডে
ব্যাখ্যা
-  ইপিজেডসমূহে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ৪৬৩টি এবং বাস্তবায়নাধীন রয়েছে - ৬৮টি। উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি - ১৩৯টি।
-  সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে - চট্টগ্রাম ইপিজেডে;
- উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ১৫৩টি।
- দ্বিতীয় - ঢাকা ইপিজেড; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ৯৪টি।
- সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে - ঈশ্বরদী ইপিজেডের;
- উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ১৯টি।

উৎস : অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
২৮.
বিএসটিআই কত সালে যাত্রা শুরু করে?
  1. ক) ১৯৮৪ সালে
  2. খ) ১৯৮৫ সালে
  3. গ) ১৯৮৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
বিএসটিআই (BSTI - Bangladesh Standards and Testing Institution) শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
১৯৮৫ সালে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিএসটিআই যাত্রা শুরু করে।
এটি বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।
বিএসটিআই বিভিন্ন পণ্যের অনুমোদন, মান ও পরিমাণ পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

(সূত্রঃ বিএসটিআই ওয়েবসাইট)