পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
ধ্বনি, বর্ণ। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
'ঔ' যৌগিক স্বরধ্বনিটিকে বিশ্লেষণ করলে নিচের কোনটি পাওয়া যায়?
  1. ক) অ + ই
  2. খ) ও + উ্‌
  3. গ) অ + উ
  4. ঘ) উ + ই
সঠিক উত্তর:
খ) ও + উ্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ও + উ্‌
ব্যাখ্যা
বাংলা বর্ণমালায় দুটি দ্বিস্বরধ্বনির জন্য আলাদা বর্ণ নির্ধারিত আছে, যথা - ঐ এবং  ঔ
- - এর মধ্যে দুটি ধ্বনি আছে, একটি পূর্ণ স্বরধ্বনি এবং একটি অর্ধ স্বরধ্বনি ই্
অর্থ্যাৎ, ঐ = ও + ই্‌
একই ভাবে
- - এর মধ্যে রয়েছে একটি পূর্ণ স্বরধ্বনি এবং একটি অর্ধ স্বরধ্বনি উ্
অর্থ্যাৎ, ঔ = ও + উ্‌

[উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  ২০২১ সংস্করণ]


উল্লেখ্য :
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণে দেয়া আছে ঔ = অ + উ ।

.
উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী 'ওষ্ঠ' ব্যঞ্জনধ্বনি কোন গুলো?
  1. ক) ত থ দ ধ    
  2. খ) প ফ ব ভ ম
  3. গ) ট ঠ ড ঢ
  4. ঘ) ক খ গ ঘ  
সঠিক উত্তর:
খ) প ফ ব ভ ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প ফ ব ভ ম
ব্যাখ্যা
নিম্নে উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী বাংলা ব্যঞ্জনধ্বনির বিভাজন দেখানো হলোঃ

উচ্চারণ স্থান           ব্যঞ্জনধ্বনি সমূহ
জিহ্বামূল                 ক খ গ ঘ ঙ
অগ্রতালু                  ট ঠ ড ঢ ণ ষ র ড় ঢ়
অগ্র দন্তমূল             ত থ দ ধ ন ল স
ওষ্ঠ                          প ফ ব ভ ম
 
 [উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০১৯ ]
.
পার্শ্বিক ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ আছে কোন শব্দে?
  1. ক) রাত
  2. খ) বাড়ি
  3. গ) লাল
  4. ঘ) মূঢ়
সঠিক উত্তর:
গ) লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লাল
ব্যাখ্যা
পার্শ্বিক ব্যঞ্জন:
যে ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা দন্তমূল স্পর্শ করে এবং ফুসফুস থেকে আসা বাতাস জিভের দুই পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়, তাকে পার্শ্বিক ব্যঞ্জন বলে।
যেমন: 'লাল' শব্দের 'ল' পার্শ্বিক ব্যঞ্জনধ্বনি 

তাড়িত ব্যঞ্জন:
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের সামনের অংশ দন্তমূলের একটু উপরে অর্থাৎ মূ্র্ধায় টোকা দেওয়ার মতো করে একবার ছুঁয়ে যায়, তাকে তাড়িত ব্যঞ্জন বলে।
যেমন: 'বাড়ি, মূঢ়' প্রভৃতি শব্দের 'ড়, ঢ়' তাড়িত ব্যঞ্জনধ্বনি

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ২০২১ সংস্করণ]
.
নিচের কোনগুলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি?
  1. ক) প, ব,
  2. খ) ফ, ভ
  3. গ) খ, ঘ
  4. ঘ) ছ, ঝ
সঠিক উত্তর:
ক) প, ব,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প, ব,
ব্যাখ্যা
অল্পপ্রাণ ব্যঞ্জন:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহের মাত্রা অপেক্ষাকৃত কম, সেগুলোকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন - প, ব, ত, দ, স ,ট, ড, ড়, চ, জ, শ, ক, গ ইত্যাদি।  

মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণে সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহ অপেক্ষাকৃত বেশি সেগুলোকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন- ফ, ভ , থ, ধ, ঠ, ঢ, ঢ়, ছ, ঝ, খ, ঘ ইত্যাদি

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ২০২১ সংস্করণ]
 
.
এ, ও কোন ধরণের স্বরধ্বনি?
  1. ক) নিম্ন মধ্য স্বরধ্বনি
  2. খ) উচ্চ স্বরধ্বনি
  3. গ) উচ্চ মধ্য স্বরধ্বনি
  4. ঘ) নিম্ন স্বরধ্বনি
সঠিক উত্তর:
গ) উচ্চ মধ্য স্বরধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উচ্চ মধ্য স্বরধ্বনি
ব্যাখ্যা
উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত :
- উচ্চ স্বরধ্বনি:- ই, উ
- উচ্চ মধ্য স্বরধ্বনি:-এ ,ও
- নিম্ন মধ্য স্বরধ্বনি:- অ্যা, অ
- নিম্ন স্বরধ্বনি:- আ

- উচ্চ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভ উপরে ওঠে
- নিম্ন স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ নিচে নামে।


[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ২০২১ সংস্করণ]
 
.
বাংলায় অর্ধস্বরধ্বনি কতটি?
  1. ক) ১১টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ১০ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
ব্যাখ্যা
যে সব স্বর ধ্বনি পুরোপুরি উচ্চারিত হয় না সেগুলোকে অর্ধস্বরধ্বনি বলে।
বাংলায় অর্ধস্বরধ্বনি চারটি:
- ই্
- এ্
- উ্ এবং
- ও্ 

স্বরধ্বনি উচ্চারণ করার সময়ে টেনে দীর্ঘ করা যায়, কিন্তু অর্ধস্বরধ্বনিকে কোনোভাবেই দীর্ঘ করা যায় না।
যেমন- 'চাই' শব্দে দুটি স্বরধ্বনি আছে 'আ' এবং 'ই্' এখানে 'আ' হলো পূর্ণ স্বরধ্বনি 'ই্' হলো অর্ধ স্বরধ্বনি।  

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ২০২১ সংস্করণ]
.
'ব্রাহ্মণ' শব্দের যুক্ত বর্ণের সঠিক রূপ কোনটি?
  1. ক) ম্ + হ
  2. খ) ক্ + ষ
  3. গ) হ্ + ম
  4. ঘ) ষ্ + ক
সঠিক উত্তর:
গ) হ্ + ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হ্ + ম
ব্যাখ্যা
- একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়।
' হ্ম' যুক্তবর্ণটির এর সঠিক রূপ হলো: হ্ + ম = হ্ম

গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণঃ
- হ্ + ম = হ্ম
- হ্ + উ = হু
- হ্ + ঋ = হৃ
- হ্ + ন = হ্ন

[উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ-২০২১]
.
কোন চারটি বর্ণকে উষ্মবর্ণ বলা হয়?
  1. ক) ক চ ট ত
  2. খ) খ ছ ঠ থ
  3. গ) শ ষ স হ
  4. ঘ) গ ঘ ঙ চ
সঠিক উত্তর:
গ) শ ষ স হ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শ ষ স হ
ব্যাখ্যা
শ, ষ, স হ - এ চারটি বর্ণের দ্যোতিত ধ্বনি উচ্চারণের সময় আমরা শ্বাস যতক্ষণ খুশি রাখতে পারি।
এগুলোকে বলা হয় উষ্মবর্ণ বা শিশবর্ণ।
এ বর্ণগুলোকে বলা হয় উষ্মবর্ণ।

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০১৯]
 
.
'দ্ধ' যুক্তবর্ণটি কিভাবে গঠিত হয়েছে?
  1. ক) ধ্ + দ
  2. খ) দ্ + ব
  3. গ) দ্ + ধ
  4. ঘ) দ্ + দ
সঠিক উত্তর:
গ) দ্ + ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্ + ধ
ব্যাখ্যা
- একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়।

 গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ হলোঃ
- হ্ + উ = হু
- ত্ + র = ত্র
- র্ + উ = রু
- র্ + ঊ = রূ
- ভ্ + র = ভ্র
- শ্ + উ = শু
- ণ্ + ড = ণ্ড
- দ্ + ধ = দ্ধ
- ন্ + ধ = ন্ধ

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০২১]
১০.
নিচের কোন যুক্তবর্ণটি সঠিক ?
  1. ক) ঞ্জ = জ্ + ঞ
  2. খ) ঞ্জ = ঞ্ + চ
  3. গ) ঞ্জ = ঞ্ + ঝ
  4. ঘ) ঞ্জ = ঞ্ + জ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঞ্জ = ঞ্ + জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঞ্জ = ঞ্ + জ
ব্যাখ্যা
- একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়।
- ঞ্জ = ঞ্ + জ
- গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ হলোঃ
- ঞ্ + চ = ঞ্চ
- ষ্ + ণ = ষ্ণ
- হ্ + ম = হ্ম
- ঞ্ + ছ = ঞ্ছ
- ক্ + ষ্ + ম = ক্ষ্ম

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০২১]
১১.
নিচের কোন গুলো দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন ধ্বনির উদাহরণ?
  1. ক) ক ,খ, গ, ঘ
  2. খ) ত ,থ, দ, ধ
  3. গ) প, ফ, ব, ভ
  4. ঘ) ন, র, ল, স
সঠিক উত্তর:
ঘ) ন, র, ল, স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ন, র, ল, স
ব্যাখ্যা
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে।
যেমন:- নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনি। 


[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ২০২১ সংস্করণ]
১২.
ম, ন, ঙ কোন ধরণের বর্ণ?
  1. ক) কম্পিত ব্যঞ্জন
  2. খ) নাসিক্য ব্যঞ্জন
  3. গ) তাড়িত ব্যঞ্জন
  4. ঘ) তালব্য ব্যঞ্জন
সঠিক উত্তর:
খ) নাসিক্য ব্যঞ্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাসিক্য ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা
কম্পিত ব্যঞ্জন:
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ একাধিক বার অতি দ্রুত দন্তমূলকে আঘাত করে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, তাকে কম্পিত ব্যঞ্জন বলে।
যেমন: কর,ভার, হার প্রভৃতি শব্দের  কম্পিত ব্যঞ্জনধ্বনি

নাসিক্য ব্যঞ্জন:
যে সব ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে আসা বাতাস মুখের মধ্যে প্রথমে বাধাপায় এবং নাক ও মুখ দিয়ে বেরিয়ে যায়, সেসব ধ্বনিকে ব্যঞ্জন বলে।
যেমন:মা, নতুন, হাঙর প্রভৃতি শব্দের ম, ন, ঙ নাসিক্য ব্যঞ্জন

তাড়িত ব্যঞ্জন:
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের সামনের অংশ দন্তমূলের একটু উপরে অর্থাৎ মূ্র্ধায় টোকা দেওয়ার মতো করে একবার ছুঁয়ে যায়, তাকে তাড়িত ব্যঞ্জন বলে।
যেমন: 'বাড়ি, মূঢ়' প্রভৃতি শব্দের 'ড়, ঢ়' তাড়িত ব্যঞ্জনধ্বনি

তালব্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে।
যেমন :চাচা, ছাগল, জাল,ঝড়, শসা, প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনি 

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; ২০২১ সংস্করণ]