পরীক্ষা আর্কাইভ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

পরীক্ষাUnlistedতারিখ২৪ মার্চ, ২০২৪সময়45 minutes৫৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৬০
সিলেবাস
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর পদের নাম: জুনিয়র শিক্ষক (গ্রেড-১১) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ: ১৬.০৩.২০২৪
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

Unlisted · ২৪ মার্চ, ২০২৪ · ৬০ প্রশ্ন

.
'আমি আছি, ভয় কেন মা করো? কোন ধরণের উক্তি?
  1. প্রশ্নবোধক
  2. প্রত্যক্ষ
  3. পরোক্ষ
  4. পুনরুক্ত
ব্যাখ্যা
• উক্তি: বক্তার কথা উপস্থাপনের ধরনকে উক্তি বলে। উক্তি দুই প্রকার: প্রত্যক্ষ উক্তি ও পরােক্ষ উক্তি।
যেমন:
• প্রত্যক্ষ উক্তি: যে উক্তিতে বক্তার কথা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়, তাকে বলে প্রত্যক্ষ উক্তি।
- যেমন: ছেলেটি বলেছিল, “আজ আমি অনেক পড়েছি।”- এটি প্রত্যক্ষ উক্তি। 

• পরােক্ষ উক্তি: যে উক্তিতে বক্তার কথা অন্যের দ্বারা বর্ণিত হয়, তাকে বলে পরােক্ষ উক্তি।
- যেমন: ছেলেটি বলেছিল যে, সেদিন সে অনেক পড়েছে।- এটি পরােক্ষ উক্তি।

প্রদত্ত 'আমি আছি, ভয় কেন মা করো? উক্তিতে বক্তার কথা সরাসরি উদ্ধৃত হয়েছে। সুতরাং এটি প্রত্যক্ষ উক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।
.
বাঁশি বাজে ঐ 'মধুর লগণে'- এটা কোন বাচ্যের উদাহরণ?
  1. কর্তৃবাচ্য
  2. কর্মবাচ্য
  3. ভাববাচ্য
  4. কর্ম-কর্তৃবাচ্য
ব্যাখ্যা
• কর্মকর্তৃবাচ্য:
এছাড়াও বাংলায় আরো এক ধরনের প্রকাশভঙ্গির বাক্য দেখা যায়। এ ধরনের বাক্যের বাচ্যকে বলা হয় কর্মকর্তৃবাচ্য।
- এ ধরনের বাক্যে কর্তাপদ উহ্য থাকে, তবে কর্মপদ থাকে। আর ওই কর্মপদই কর্তার কাজ করে।
- অর্থাৎ, যে বাক্যে কর্তা থাকে না, কর্মই কর্তার কাজ করে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলে।
যেমন:
- কাজটা ভাল দেখায় না।
- বাঁশি বাজে এ মধুর লগনে।

[এখানে কর্তা নেই। বাঁশি নিজেই কর্তার মতো বাক্যকে নেতৃত্ব দিচ্ছে বা বাজার কাজ সম্পন্ন করছে।]

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'বিশ্বজনের হিতকর'- এক কথায় কী বলে?
  1. বিশ্ব হিতকর
  2. সার্বজনীন
  3. বিশ্বজনীন
  4. সর্ব হিতকর
ব্যাখ্যা
• 'বিশ্বজনের হিতকর' এর এককথায় প্রকাশ - বিশ্বজনীন।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ হলো:
- 'সংসদের সদস্য' এর এক কথায় প্রকাশ - সাংসদ ।
- 'সমতার ভাব' এর এক কথায় প্রকাশ - সাম্য।
- 'স্ত্রীর সঙ্গে বর্তমান' এর  এক কথায় প্রকাশ - সস্ত্রীক।
- 'সর্বজনের হিতকর' এর কথায় প্রকাশ - সর্বজনীন।
- ‘সকলের মধ্যে প্রবীণ বা জ্যেষ্ঠ’ এর কথায় প্রকাশ - সার্বজনীন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'মাথা দেওয়া'- বলতে কি বুঝায়?
  1. আগ্রহ দেখানো
  2. শপথ করা
  3. দায়িত্ব গ্রহণ
  4. ভাবনা করা
ব্যাখ্যা
• 'মাথা দেওয়া' শব্দটি দ্বারা ‘দায়িত্ব গ্রহণ’ অর্থ বুঝায়।

• ‘মাথা’ শব্দের রীতিসিদ্ধ প্রয়োগ:
- ‘মাথা ধরা’ অর্থ - রোগ বিশেষ।
- ‘মাথা ব্যথা’ অর্থ - আগ্রহ।
- ‘মাথা দেওয়া’ অর্থ - দায়িত্ব গ্রহণ।
- ‘মাথাপিছু’ অর্থ - জনপ্রতি।
- ‘গাঁয়ের মাথা’ অর্থ - মোড়ল।
- ‘মাথা খাওয়া’ অর্থ - শপথ করা।
- ‘মাথা ঘামানো’ অর্থ - ভাবনা করা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
আটকপালে' বাগধারাটির অর্থ কী?
  1. হতাশাগ্রস্থ
  2. অলক্ষীর দশা
  3. লক্ষীর দশা
  4. হতভাগ্য
ব্যাখ্যা
• 'আটকপালে' বাগধারাটির অর্থ হচ্ছে হতভাগ্য।
- বাক্য গঠন: আমার মতো আটকপালের ভাগ্যে কি ওই চাকরি জুটবে?

অন্যদিকে,
- ‘উড়নচণ্ডী’ বাগধারাটির অর্থ - অমিতব্যয়ী।
- 'ছা-পোষা' বাগধারাটির অর্থ - অত্যন্ত গরীব।
- ‘ভূষণ্ডির কাক’ বাগধারাটির অর্থ - বিচক্ষণ ব্যক্তি।
- ‘কাক ভূষণ্ডি’ বাগধারাটির অর্থ - দীর্ঘায়ু ব্যক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
তার বয়স হলেও বুদ্ধি হয়নি- কোন বাক্য?
  1. সরল বাক্য
  2. জটিল বাক্য
  3. মিশ্র বাক্য
  4. যৌগিক বাক্য
ব্যাখ্যা
• গঠন অনুযায়ী বাক্য তিন প্রকার৷ যথা-
- সরল বাক্য,
- মিশ্র/জটিল বাক্য,
- এবং যৌগিক বাক্য৷

• সরল বাক্য:
বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন:
- পুকুরে পদ্মফুল জন্মে।
- তোমরা বাড়ি যাও।

যে বাক্যে একটি কর্তা এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তাকে সরল বাক্য বলে।
আলোচ্য বাক্য 'তার বয়স হলেও বুদ্ধি হয়নি' একটি কর্তা এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া আছে তাই এটি একটি সরল বাক্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।
.
অনুসর্গ কী?
  1. অব্যয়
  2. শব্দ বিভক্তি
  3. নাম বিভক্তি
  4. ক্রিয়া বিভক্তি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[অপশনে অব্যয় ও শব্দ বিভক্তি দুটি সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]

• অনুসর্গ:

বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদ রূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশ করতে সাহায্য করে, তাকে অনুসর্গ বলে।

- অনুসর্গগুলো কখনো প্রাতিপদিকের পরে ব্যবহৃত হয়, আবার কখনো বা 'কে' এবং 'র' বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে বসে।
যেমন:
- বিনা: দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? (প্রাতিপদিকের পরে)
- সনে: ময়ূরীর সনে নাচিছে ময়ূর। (ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে)
- দিয়ে: তোমাকে দিয়ে আমার চলবে না। (দ্বিতীয়ার 'কে' বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে)

বাংলা ভাষায় বহু অনুসর্গ আছে। যেমন:
প্রতি, বিনা, বিহনে, সহ, ওপর, অবধি, হেতু, মধ্যে, মাঝে, পরে, ভিন্ন, বই, ব্যতীত, জন্যে, জন্য, পর্যন্ত অপেক্ষা, সহকারে, তরে, পানে, নামে, মতো, নিকট, অধিক, পক্ষে, দ্বারা, দিয়া, দিয়ে, কর্তৃক, সঙ্গে, হইতে, হতে, থেকে, চেয়ে, পাছে, ভিতর, ভেতর ইত্যাদি।

- এদের মধ্যে দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক, হইতে (হতে), চেয়ে, অপেক্ষা, মধ্যে প্রভৃতি কয়েকটি অনুসর্গ বিভক্তিরূপে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
প্রশ্ন জিজ্ঞাসায় কোন ভাব হয়?
  1. অনুজ্ঞা ভাব
  2. সাপেক্ষ ভাব
  3. আকাঙ্খা ভাব
  4. নির্দেশক ভাব
ব্যাখ্যা
• ক্রিয়ার যে অবস্থার দ্বারা তা ঘটার ধরন বা রীতি প্রকাশ পায়, তাকে ক্রিয়ার ভাব বা প্রকার বলে।

- ক্রিয়ার ভাব বা ধরন চার প্রকার।
১. নির্দেশক ভাব,
২. অনুজ্ঞা ভাব,
৩. সাপেক্ষ ভাব,
৪. আকাঙক্ষা প্রকাশক ভাব।

• নির্দেশক ভাব: সাধারণ ঘটনা নির্দেশ করলে বা কিছু জিজ্ঞাসা করলে ক্রিয়াপদের নির্দেশক ভাব হয়।
ক. সাধারণ নির্দেশক: আমরা বই পড়ি। তারা বাড়ি যাবে।
খ. প্রশ্ন জিজ্ঞাসায়: আপনি কি আসবেন? সে কি গিয়েছিল?

• অনুজ্ঞা ভাব: আদেশ, নিষেধ, উপদেশ, অনুরোধ, আশীর্বাদ ইত্যাদি সূচিত হলে ক্রিয়াপদের অনুজ্ঞা ভাব
হয়।
যেমন-
ক. আদেশাত্মক-
• বর্তমান কালে: চুপ কর।
• ভবিষ্যৎ কালে: তুমি কাল যেও।

খ. নিষেধাত্মক-
• বর্তমান কালে: অন্যায় কাজ করো না।
• ভবিষ্যৎ কালে: মিথ্যা বলবে না।

গ. অনুরোধসূচক-
• বর্তমান কালে: ছাতাটা দিন তো ভাই।
• ভবিষ্যৎ কালে: আপনারা আসবেন।

ঘ. উপদেশাত্মক-
• বর্তমানে কালে: মন দিয়ে পড় ।
• ভবিষ্যৎ কালে: স্বাস্থ্যের প্রতি দৃষ্টি রেখো।

• সাপেক্ষ ভাব: একটি ক্রিয়ার সংঘটন অন্য একটি ক্রিয়ার ওপর নির্ভর করলে, নির্ভরশীল ক্রিয়াকে সাপেক্ষ ভাবের ক্রিয়া বলা হয়। যেমন-
ক. সম্ভাবনায়: তিনি ফিরে এলে সবকিছুর মীমাংসা হবে। যদি সে পড়ত তবে পাশ করত।
খ. উদ্দেশ্য বোঝাতে: ভালো করে পড়লে সফল হবে।
গ. ইচ্ছা বা কামনায়: আজ বাবা বেঁচে থাকলে আমার এত কষ্ট হতো না।
তার মঙ্গল হোক।

• আকাঙক্ষা প্রকাশক ভাব: আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাব যে ক্রিয়াপদে বক্তা সোজাসুজি কোনো ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে, তাকে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাবের ক্রিয়া বলা হয়।
যেমন:
- সে যাক।
- যা হয় হোক।
- সে একটু হাসুক।
- বৃষ্টি আসে আসুক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
যে ধাতু বা শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হয় তার নাম কি?
  1. কারক
  2. প্রকৃতি
  3. বিভক্তি
  4. যতি
ব্যাখ্যা
• প্রকৃতি:
কোনো মৌলিক শব্দের যে অংশকে আর কোনোভাবেই বিভক্ত বা বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে প্রকৃতি বলে।
কোনো পদ বা শব্দ থেকে যদি প্রত্যয় ও বিভক্তি সরিয়ে নেয়া যায়, তাহলে যে অংশ পাওয়া যায়, তাকেও প্রকৃতি বলে।
প্রকৃতি দুধরনের। যথা:
১. সংজ্ঞার্থ প্রকৃতি বা নামপ্রকৃতি বা প্রাতিপদিক। উদাহরণ: জল, মুখ, পা ইত্যাদি।
২. ধাতু বা ধাতুপ্রকৃতি। উদাহরণ: ✓ কর্, ধর্, খা ইত্যাদি।

অন্যভাবে,
• ধাতু সঙ্গে যখন কোনো ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরি হয়, তখন ক্রিয়ামূল বা ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি বা প্রকৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯সংস্করণ)।
১০.
‘ট্রেন ঢাকা ছাড়ল' এখানে 'ঢাকা' কোন কারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ?
  1. কর্মে
  2. করণে
  3. অপাদানে
  4. অধিকরণে
ব্যাখ্যা
• অপাদান কারক:
যা থেকে কোনাে কিছু উৎপত্তি, বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয়, তাকে বলা হয় অপাদান কারক।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথা হতে, কি থেকে, কিসের থেকে ইত্যাদি প্রশ্ন করলে উত্তরে যে কারক পাওয়া যায়, তা-ই হলাে অপাদান কারক।
যেমন:
- ট্রেন ঢাকা ছাড়ল। 

এই বাক্যে 'ঢাকা স্টেশন' থেকে ট্রেনটি বিচ্যুত হয়েছে বোঝাচ্ছে। এবং এতে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয়নি। 
- তাই 'ঢাকা' শব্দটি অপাদান কারকে শূন্য বিভক্তি। 

অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়ােগ:
- এ বনে বাঘের ভয় = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি।
- মেঘ থেকে বৃষ্টি হয় = অপাদান কারকে ৫মী বিভক্তি।
- তিলে তৈল হয় = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি।
- তিথির চেয়ে বিথী বড় = অপাদান কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি।
- পরাজয়ে ডরে না বীর = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি। 
- বিপদে মাের রক্ষা কর = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি।
- লােভে পাপ পাপে মৃত্যু = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি। 
- ছাদ থেকে পানি পড়ে = অপাদান কারকে৫মী বিভক্তি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
প্রথম ১০টি মৌলিক সংখ্যার যোগফল কত?
  1. ১০৯
  2. ১২৯
  3. ১৩৯
  4. ১১৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রথম ১০টি মৌলিক সংখ্যার যোগফল কত?

সমাধান:
বাস্তব সংখ্যায় একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা হচ্ছে = ২ 
১ এর চেয়ে বড় যে সকল সংখ্যাকে শুধু ১ এবং ঐ সংখ্যা ছাড়া আর কোনো সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না, তাদেরকে মৌলিক সংখ্যা বলে। 
অর্থাৎ মৌলিক সংখ্যার উৎপাদক হবে দুইটি ১ এবং শুধুমাত্র সেই সংখ্যাটি।

প্রথম ১০টি মৌলিক সংখ্যা = ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯
প্রথম ১০টি মৌলিক সংখ্যার যোগফল = ২ + ৩ + ৫ + ৭ + ১১ + ১৩ + ১৭ + ১৯ + ২৩ + ২৯
= ১২৯
১২.
পাঁচটি ধারাবাহিক বিজোড় সংখ্যার সমষ্টি সংখ্যাগুলোর গড় অপেক্ষা ২৬০ বেশি। সংখ্যাগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি কত?
  1. ৫১
  2. ৭১
  3. ৬১
  4. ৮১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পাঁচটি ধারাবাহিক বিজোড় সংখ্যার সমষ্টি সংখ্যাগুলোর গড় অপেক্ষা ২৬০ বেশি। সংখ্যাগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি কত?

সমাধান :
ধরি,
সংখ্যা গুলো যথাক্রমে x, x + 2, x + 4, x + 6, x + 8
সংখ্যা গুলোর গড় = (x + x + 2 + x + 4 + x + 6 + x + 8)/5
= (5x + 20)/5

প্রশ্নমতে,
5x +20 = (5x +20)/5 + 260
বা, 5x + 20 - (5x +20)/5 = 260
বা, 25x + 100 - 5x - 20 = 260 × 5
বা, 20x + 80 = 1300
বা, 20x = 1300 - 80
বা, 20x = 1220
∴ x = 61
সুতরাং সংখ্যাগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি = 61
১৩.
যদি y এর x% z এর সমান হয়, x এর মান z এর শতকরা কত অংশ?
  1. y2/100
  2. y/100
  3. 100/y
  4. 1002/y
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি y এর x% z এর সমান হয়, x এর মান z এর শতকরা কত অংশ?

সমাধান:
y এর x% z এর সমান।

∴ z = y এর x%
= y × x/100
= xy/100

ধরি,
শতকরা হারটি m

∴ z এর m% = x
⇒ (xy/100) × (m/100) = x
⇒ mxy = x × 100 × 100
⇒ m = (x × 100 × 100)/xy
⇒ m = 10000/y
m = 1002/y
১৪.
একটি গাছের উচ্চতা প্রতিবছর ২০% বৃদ্ধি পায়। যদি বর্তমানে গাছটির উচ্চতা ১০৮০ সে.মি. হয়, তাহলে দুই বছর আগে গাছটির উচ্চতা কত ছিল?
  1. ৭৫০ সে.মি.
  2. ৬৭৫ সে.মি.
  3. ৭৭৫ সে.মি.
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি গাছের উচ্চতা প্রতিবছর ২০% বৃদ্ধি পায়। যদি বর্তমানে গাছটির উচ্চতা ১০৮০ সে.মি. হয়, তাহলে দুই বছর আগে গাছটির উচ্চতা কত ছিল?

সমাধান:
দুই বছর আগে গাছটির উচ্চতা ছিল = ক সে.মি. 

১ বছর পর গাছটির উচ্চতা = ক + ক এর ২০%
= ক + ক এর ২০/১০০
= ক + ক/৫
= ৬ক/৫

২বছর পর গাছটির উচ্চতা = ৬ক/৫ + ৬ক/৫ এর ২০%
= ৬ক/৫ + ৬ক/৫ এর ২০/১০০
= ৬ক/৫ + ৬ক/২৫
= (৩০ক + ৬ক)/২৫
= ৩৬ক/২৫

প্রশ্নমতে
৩৬ক/২৫ = ১০৮০
বা, ৩৬ক = ১০৮০ × ২৫
বা, ক = (১০৮০ × ২৫)৩৬
∴ ক = ৭৫০ 
১৫.
বিক্রয় মূল্যের উপর ১০% ক্ষতি ক্রয়মূল্যের শতকরা কত ক্ষতির সমতুল্য?
  1. (100/11)%
  2. (101)/11%
  3. (122/11)%
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বিক্রয় মূল্যের উপর ১০% ক্ষতি ক্রয়মূল্যের শতকরা কত ক্ষতির সমতুল্য?

সমাধান:
বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
ক্ষতি = ১০০ এর ১০%
= ১০ টাকা

ক্রয়মূল্য = ১০০ + ১০ = ১১০ টাকা

১১০ টাকায় ক্ষতি ১০ টাকা
১ টাকায় ক্ষতি ১০/১১০ টাকা
১০০ টাকায় ক্ষতি (১০ × ১০০)/১১০ টাকা
= ১০০/১১ টাকা
১৬.
P একটি কাজ 25 দিনে করে। Q, P এর চাইতে 25% বেশী কর্মক্ষম। তাহলে Q কাজটি কতদিনে করতে পারবে?
  1. 22 দিনে
  2. 18 দিনে
  3. 20 দিনে
  4. 24 দিনে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: P একটি কাজ 25 দিনে করে। Q, P এর চাইতে 25% বেশী কর্মক্ষম। তাহলে Q কাজটি কতদিনে করতে পারবে?

সমাধান:
P, 25 দিনে করে 1 অংশ কাজ
Q, P-এর চাইতে 25% বেশি কর্মক্ষম।
Q, 25 দিনে করে = 1 + 1 এর 25%
= 1 + (25/100)
= 1 + (1/4)
= 5/4 অংশ কাজ

খ, 5/4 অংশ কাজ করে 25 দিনে
1 অংশ কাজ করে (25 × 4)/5 দিনে
= 20 দিনে
১৭.
একটি ব্যাগে 4টি সাদা ও 5টি কালো বল আছে। একজন লোক নিরপেক্ষভাবে তিনাট বল উঠালো তিনটি বলই কালো হওয়ার সম্ভাব্যতা নির্ণয় করুন।
  1. 3/42
  2. 4/42
  3. 9/42
  4. 5/42
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ব্যাগে 4টি সাদা ও 5টি কালো বল আছে। একজন লোক নিরপেক্ষভাবে তিনটি বল উত্তোলন করলেন। 3টি বলই কালো হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
সাদা বল আছে = 4টি 
কালো বল আছে = 5টি

মোট বল = 4 + 5 = 9টি

9টি বলের মধ্যে তিনটি কালো হওয়ার উপায় = 9C3
5টি বলের মধ্যে তিনটি কালো হওয়ার উপায় = 5C3

3টি বলই কালো হওয়ার সম্ভাবনা = 10/84
=5/42
১৮.
x ইউনিট খরচ Y = 5x + 10. 10 ইউনিটে গড়ে খরচ কত?
  1. 5 টাকা
  2. 60 টাকা
  3. 8 টাকা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x ইউনিট খরচ Y = 5x + 10. 10 ইউনিটে গড়ে খরচ কত?

সমাধান: 
x ইউনিট খরচ Y = 5x + 10
10 ইউনিট খরচ Y = 5 × 10 + 10
= 60 টাকা
১৯.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের পরিসীমা 9 সে.মি. হলে, এর উচ্চতা কত সে.মি.?
  1. 2√3
  2. 4√3
  3. 3√3/2
  4. 3√3/4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের পরিসীমা 9 সে.মি. হলে এর উচ্চতা কত সে.মি.?

সমাধান: 
সমবাহু ত্রিভুজের পরিসীমা = 9 সে.মি. 
ত্রিভুজটির এক বাহুর দৈর্ঘ্য = 9/3 সে.মি.
= 3 সে.মি. 

ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল
= (√3/4) × (3)2 বর্গ সেমি
=(√3/4) × 9 বর্গ সে.মি. 
= 9√3/4 বর্গ সে.মি.

আবার
9√3/4 = (1/2) × 3 × উচ্চতা
(3/2) × উচ্চতা =9√3/4
উচ্চতা = (9√3)/4  × (2/3)
= 3√3/2 সেমি
২০.
কোন বৃত্তের অধিচাপে অর্ন্তলিখিত কোণ-
  1. সূক্ষ্মকোণ
  2. স্থূলকোণ
  3. সমকোণ
  4. পূরককোণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বৃত্তের অধিচাপে অর্ন্তলিখিত কোণ-

সমাধান:
সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজকে ব্যাস ধরে বৃত্ত অঙ্কন করলে তা সমকৌণিক শীর্ষবিন্দুদিয়ে যাবে।
কোনো বৃত্তের অধিচাপে অন্তর্লিখিত কোণ সূক্ষ্মকোণ।
কোনো বৃত্তের উপচাপে অন্তর্লিখিত কোণ স্থূলকোণ।
২১.
Tick the Correct one:
  1. The Jury were Unanimous in its Opinion.
  2. The Jury was Unanimous in its Opinion.
  3. The Jury was together in its Opinion.
  4. The Jury were Unanimous in their Opinion.
ব্যাখ্যা
•  The Jury (বিচারকমণ্ডলী) (collective noun)
- Unanimous (adjective) একমত; সর্বসম্মত।
- Collective noun হচ্ছে অবিভক্ত সমষ্টি এবং এর verb এবং pronoun দুটোই singular হয়ে থাকে।
- তাই এর Possessive adjective হচ্ছে its.

• তবে collective noun টি যদি বিভাজিত হয়ে যায় অর্থাৎ Noun of maltitude হয় তাহলে এদের pronoun হবে They/their.
- Noun of multitude এর verb এবং pronoun দুটোই Plural হয়ে থাকে।
- যেমন - The jury were divided in their opinions.

• সুতরাং, সবদিক বিবেচনায়, The Jury was Unanimous in its Opinion সঠিক বাক্য।
- এখানে Unanimous থাকায় বোঝা যাচ্ছে collective noun টি যদি বিভাজিত হয়ে যায়  নি।
- তাই এরপরের verb and pronoun দুটোই singular হবে।
২২.
Find the compound sentence
  1. Read more and you can succeed
  2. Read more so that you can succeed
  3. Read more and you succeed
  4. If you read, you can succeed
ব্যাখ্যা
• Compound sentence:
- A compound sentence is a sentence that connects two independent clauses, typically with a coordinating conjunction like and or but.
- They're best for combining two or more self-sufficient and related sentences into a single, unified one.
- Compound sentence এ একের অধিক principal clause থাকে যাদেরকে co-ordinate clause বলা হয়।

• অর্থাৎ Compound sentence এ দুই বা ততোধিক principal clause বা co-ordinate clause থাকে।
- এছাড়া Compound sentence এ সাধারণত and, or, but, yet, so, therefore, otherwise, else, both and, either --- or, neither  nor, not only --- but also ইত্যাদি co-ordinating conjunction দ্বারা দুইটি principal clause যুক্ত থাকে।

• সুতরাং, অপশনে উল্লিখিত বাক্যগুলোর মধ্যে - Read more and you can succeed হচ্ছে compound sentence.
- অপশন ক) এবং ঘ) হচ্ছে Complex sentence.
- গ) নাম্বার অপশনটি গঠনগত ভাবে ভুল, তাই compound sentence সত্ত্বেও সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হবে না।
২৩.
what is the verb form of ability?
  1. Capable
  2. Enable
  3. Unable
  4. Inability
ব্যাখ্যা
• Ability (noun):
- ability (সামর্থ্য) এর verb form হচ্ছে enable (সমর্থ করা)।

• Enable (verb):
Meaning - 
1. Give (someone) the authority or means to do something; make it possible for.
2. Make (a device or system) operational; activate.

• অন্যদিকে,
- Capable (Adjective) = সমর্থ, 
- Inability (Noun) = অক্ষমতা,  
- Unable (Adjective) = অক্ষম।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৪.
What kind of noun is 'River'?
  1. Material
  2. Collective
  3. Proper
  4. Common
ব্যাখ্যা
•  'River' is a common noun.
- কারণ এর দ্বারা একটি শ্রেণির অর্থাৎ নদীর সাধারণ নির্দেশ করছে।

• Common Noun:
- A common noun is one which is common to each member of class of persons or things/A noun that names a general class of persons, place or things.
- যে noun কোন এক শ্রেণির ব্যাক্তি বা বস্তুর প্রত্যেকের সাধারণ নাম বুঝায় তাকে common noun বলে।
- যেমন: The words "teacher," "river," and "table" are common nouns.
......................................................

• অন্যদিকে, 
• Proper Noun
 - Proper Noun দ্বারা কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু, স্থান প্রভৃতির নাম বুঝায়।
- যেমন: Titanic, Dhaka, Moon ইত্যাদি।

• Collective Noun:
- A Collective Noun is the name of a number (or collection) of persons or things taken together and spoken of as one whole.
- যে সকল Noun দ্বারা সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি, বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায় তাদেরকে Collective Noun বলে।
- অর্থাৎ কিছু Common Noun এর সমষ্টিকেই collective noun বলে।
- কিছু collective noun হচ্ছে - cattle, herd, army, public, library, jury, committee, crew, majority, minority, etc.

• Materiel noun 
- যে Noun দ্বারা কোন বস্তু বা পদার্থকে নির্দেশ করে তাকে Material noun বলে।
- Material noun সাধারণত uncountable noun হয়। একে গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ বা ওজন করা যায়।
- Sugar (চিনি) হলো Material noun, কারণ এটি পদার্থ বা বস্তু বাচক এবং একে গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ বা ওজন করা যায়।
- আরো উদাহরণ: Silver, Iron, Cotton, Diamond, Milk, Paint, Rubber, Paper, Steel, Sand, Wood, Mutton, Oil etc.

• Abstract Noun: 
- যে noun কোনো অবস্তুগত ধারণা বা গুণকে নির্দেশ করে এবং যার কোনো বাহ্যিক অস্তিত্ব নেই, তাকে Absract noun বলে। 
যেমন: Honesty, boyhood, justice, heroism ইত্যাদি। 
২৫.
Identify the right tense: My father________ before I came?
  1. Would be leaving
  2. had been leaving
  3. had left
  4. will leave
ব্যাখ্যা
• অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটে সেটি Past perfect tense হয় এবং পরেরটি past indefinite tense হয়।
- Before এর আগের বাক্য এবং after এর পরের বাক্য past perfect হয়।
- Before এর আগের বাক্যে past perfect tense হলে, পরের বাক্যে past  indefinite হবে।
- যেমন - The actor had left the auditorium before the audience stood up.

• তাই নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - had left.
• সম্পূর্ণ বাক্যটি হবে - My father had left before I came.

• আবার, Future perfect + before + present indefinite হয়।
- অথবা - Present indefinite + before + present indefinite হয়।
- যেমন
1. He will have completed the task before you come.
2. He completes the task before you come.
২৬.
The synonym for 'Panoramic' is_______
  1. scenic
  2. Narrow
  3. Limited
  4. Restricted
ব্যাখ্যা
• Panoramic
English Meaning: a view of a wide area:
Bangla Meaning: বিস্তৃত অবাধ দৃশ্যপট; ক্রমাগত চলমান দৃশ্য। 

SYNONYMS:
- Wide-ranging, extensive, scenic, broad, far-reaching, overall, comprehensive, sweeping, all-encompassing, all-embracing, inclusive, general
ANTONYMS:
- Restricted, narrow, limited

• অপশনে উল্লেখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) Scenic- মনোরম নৈসর্গিক দৃশ্যসংবলিত।
খ) Narrow -  সংকীর্ণ; অপ্রশস্ত; সরু; চাপা; অনায়ত।
গ) Limited - নিয়ন্ত্রিত; বাধাপ্রাপ্ত; সংকীর্ণ; সীমিত; সীমাবদ্ধ।
ঘ) Restricted -  সীমিত করা; সীমাবদ্ধ রাখা।

• সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে যে, উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - Scenic শব্দটি Panoramic এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy and Cambridge Dictionary.
২৭.
__________people can travel abroad.
  1. Few
  2. Very less
  3. Little
  4. Least
ব্যাখ্যা
• little, least, the little, a few, few এগুলো হচ্ছে quantifier determiners.
- এগুলো দ্বারা কোনো কিছুর পরিমান, সংখ্যা এগুলোকে নির্দেশ করা হয়।

• Little, a little বসে uncountable noun এর ক্ষেত্রে এবং a few, few বসে countable noun এর ক্ষেত্রে।
• Little এবং few, negative অর্থে ব্যবহৃত quantifier determiners, যাদের অর্থ অল্প সংখ্যক বা নেই বলেই চলে।
• A little, a few, affirmative অর্থে ব্যবহৃত quantifier determiners, যাদের অর্থ কিছু সংখ্যক বা অল্প পরিমান।
• the little - অল্প পরিমাণ তবে সবটাই।
- Little শব্দের superlative form: Least.

• যেহেতু People countable noun, তাই শূন্যস্থানে Few বসবে।
- সঠিক বাক্য - Few people can travel abroad.
২৮.
He did not give me _________
  1. More advice
  2. Much advice
  3. Many advice
  4. Many advices
ব্যাখ্যা
• advice শব্দটি uncountable noun.
- Uncountable noun এর সাথে determiner হিসেবে সাধারণত Little, a little , some, much, a lot of ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
- আর uncountable noun এর সাথে কখনোই s/es যুক্ত হয় না।

• তাই নিয়মানুযায়ী শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - Much advice.
- Complete sentence: He did not give me much advice.
২৯.
The definite article is-
  1. A
  2. The
  3. An
  4. Comma
ব্যাখ্যা
• Article: 
- Articles মুলত Noun, Pronoun এর আগে বসে তাদের সংখ্যা এবং নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে।

• Articles কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করে যায়।
Indefinite Articles: A, An-এরা  Indefinite Article. (এরা নির্দিষ্টভাবে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা কোনো বিষয়কে নির্দেশ করে না)।
Definite Articles: The হল Definite Article (এটি কোনো বিশেষ ব্যক্তি, বস্তু বা বিষয়কে নির্দিষ্টভাবে বোঝাতে বা চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে)।

• Comma কোনো article নয়, এটি হচ্ছে Punctuation mark বা যতিচিহ্ন।
৩০.
Spouse is a _____ gender
  1. Neuter
  2. Masculine
  3. Common
  4. Feminine
ব্যাখ্যা
• Spouse:
English meaning: a person's husband or wife।
Bangla meaning: স্বামী বা স্ত্রী।

• কিছু শব্দ আছে যেগুলো স্ত্রী-পুরুষ উভয় ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায় বলে এদের common gender বলে।
- যেহেতু এই শব্দটি দ্বারা স্বামী ও স্ত্রী উভয়কেই বুঝায় তাই এটি একটি common gender.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩১.
বাংলাদেশে কবে প্রথম অফলাইন ই-মেইল চালু হয়?
  1. ১৯৯৩
  2. ১৯৯৫
  3. ১৯৯৯
  4. ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট: 
- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়। 
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইল (offline e-mail)-এর মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়। 
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে। 
অর্থাৎ, ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয় ১৯৯৫ সালেত, তবে সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয় ১৯৯৬ সালে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩২.
রাজশাহী শহরে সর্বপ্রাচীন ইমারত কোনটি এবং এটি প্রথমে কাদের ব্যবসা কেন্দ্র ছিল?
  1. বড় কাটরা ও ওলন্দাজদের
  2. বড়কুটি ও ফরাসীদের
  3. বড়কুঠি ও ডাচদের
  4. বড়কুঠি ও ইংরেজদের
ব্যাখ্যা
বড়কুঠি:
- রাজশাহী শহরের এক বিশাল ভবনের নাম বড়কুঠি। 
- রাজশাহী অঞ্চলের সর্বপ্রাচীন ইমারত বড়কুঠি।
- এটি ডাচদের নির্মিত।
- এটি রাজশাহী মহানগরীর পদ্মপাড়ে অবস্থিত’।
- ইট নির্মিত ও সমতল ছাদবিশিষ্ট এ ইমারতটি আঠারো শতকের প্রথমার্ধে (১৭২৫ সালের আগে) ওলন্দাজ রেশম ব্যবসায়ীদের নির্মিত এক উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
- পরবর্তীতে ১৯৫৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর বড়কুঠি ভবনে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- এরপর থেকে এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানাধীন ছিল। 

উল্লেখ্য,
- এটি প্রথমে ওলন্দাজ বা ডাচদের বাবসা কেন্দ্র ছিল।
- ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ডাচরা ভারতে তাদের কর্মকাণ্ড গুটিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৮১৪ সালে ইংরেজদের সাথে একটি চুক্তি করে বড়কুঠিসহ ভারতের সব ব্যবসা কেন্দ্র ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে হস্তান্তর করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন
         ii)  ১৪ মার্চ ২০১৯, নয়াদিগন্ত।
৩৩.
'আমার দেখা নয়া চীন' বঙ্গবন্ধুর লেখা তৃতীয় প্রকাশিত গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ করেন?
  1. ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
  2. ড. ফখরুল আলম
  3. ড. সৈয়দ মঞ্জুরল ইসলাম
  4. কাশীনাথ রায়
ব্যাখ্যা
আমার দেখা নয়াচীন:
- বঙ্গবন্ধুর লেখা তৃতীয় বই আমার দেখা নয়াচীন।
- প্রকাশিত হয় ২০২০ সালে।
- এই বইটিও কারাগারে রাজবন্দী থাকার সময়ে রচিত।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৫২ সালের অক্টোবর মাসে চীনের পিকিংয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক শান্তি সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন।
- সে সময় নয়াচীন দেখার অভিজ্ঞতার আলোকে বইটি রচিত।

উল্লেখ্য,
- বইটির ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ফকরুল আলম।
- তিনি বঙ্গবন্ধুর লেখা দ্বিতীয় গ্রন্থ এবং বাংলা একাডেমি প্রকাশিত ‘কারাগারের রোজনামচা’ বইটিও ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করেছেন। 
- বইটির গ্রন্থস্বত্ব ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরোরিয়াল ট্রাস্ট’।
- ভূমিকা লিখছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- বইটির প্রকাশনায় কাজ করছে বাংলা একাডেমির গবেষণা, সংকলন ও অভিধান বিভাগ।

অন্যদিকে
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম বই ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ প্রকাশ করেছিল ইউপিএল।
- তার দ্বিতীয় গ্রন্থ ‘কারাগারের রোজনামচা’ প্রকাশ করে বাংলা একাডেমি।

উৎস: i) ১৪ আগস্ট ২০২০,  প্রথম আলো। 
          ii) ৬ জুলাই ২০১৯, যুগান্তর।
৩৪.
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কোন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর:
- জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন।
- এটি পণ্য ও পরিষেবার উপর ভোক্তাদের অভিযোগ গ্রহণ ও তা নিষ্পত্তি এবং ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণ করার অভিলক্ষ্যে কাজ করে থাকে।
- ইহার প্রধান সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত।

কার্যাবলি:
১. বাজার তদারকির মাধ্যমে ভোক্তা-স্বার্থ সংরক্ষণ;
২. ভোক্তাদের অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং
৩. জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে সচেতনতামূলক সভা, সেমিনার ও ওয়ার্কসপ আয়োজনসহ অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ।

উল্লেখ্য,
- 'ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯', ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ, ভোক্তা-অধিকার বিরোধী কার্য প্রতিরোধ ও তৎসংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে বিধান করিবার লক্ষ্যে প্রণীত আইন।
-  ন্যায্য মূল্যে ন্যায্য সেবা ও পণ্য পাওয়া ভোক্তাদের একটি অধিকার।
- এ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে প্রতিদিনই বাজার তদারকি করে অপরাধ দমনের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে এবং ভোক্তাগণ তাদের অধিকার লঙ্ঘিত হলে এই আইন অনুযায়ী অভিযোগ দায়েরের সুযোগ পাচ্ছেন।
- এই আইন বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় ভোক্তা ও ব্যবসায়ীগণ সচেতন হতে শুরু করেছেন।

উৎস: জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
৩৫.
ঈদগাঁও উপজেলা কোথায় অবস্থিত ও এর আয়তন কত?
  1. কক্সবাজার ও ১১৯.৬৬ (ব.কি.মি)
  2. চট্টগ্রাম ও ১০৯.৬৬ (ব.কি.মি)
  3. কুমিল্লা ও ১১৯.৬৬ (ব.কি.মি)
  4. মাদারিপুর ও ১০৯.৬৬ (ব.কি.মি)
ব্যাখ্যা
ঈদগাঁও উপজেলা:
- ঈদগাঁও উপজেলা কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত।
- এটির আয়তন ১১৯.৬৬ বর্গকিলোমিটার।
- এ উপজেলার উত্তরে চকরিয়া উপজেলা, দক্ষিণে কক্সবাজার সদর উপজেলা, পূর্বে রামু উপজেলা, পশ্চিমে মহেশখালী উপজেলা।
- এটি কক্সবাজারের নবম উপজেলা।
- ঈদগাঁও দেশের ৪৯৫তম উপজেলা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৬.
আগামী ২০২৬ বিশ্বকাপ সূচীতে ১০৪টি ম্যাচ হবে তিন দেশের -
  1. ১৫টি ভেন্যুতে
  2. ১৭টি ভেন্যুতে
  3. ১৪টি ভেন্যুতে
  4. ১৬টি ভেন্যুতে
ব্যাখ্যা
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- আয়োজক দেশ: ৩টি (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো)।
- এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর।
- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ - ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।
৩৭.
হুতি মুভমেন্ট কখন শুরু হয়?
  1. ১৯৯০ সালে উত্তর ইয়েমেন থেকে
  2. ১৯৯৯ সালে দক্ষিণ ইয়ামেন থেকে
  3. ১৯৯০ সালে ইরাক থেকে
  4. ১৯৮৮ সালে উত্তর ইয়েমেন থেকে
ব্যাখ্যা
হুতি আন্দোলন:
- হুতি আন্দোলন, উত্তর ইয়েমেনের ইসলামী মৌলবাদী আন্দোলন এবং ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রধান অভিনেতা।
- হুতি যার আনুষ্ঠানিক নাম আনসারুল্লাহ একটি শিয়া ইসলামপন্থী রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠন।
- এটি ১৯৯০-এর দশকে ইয়েমেনে উদ্ভূত হয়েছিল।
- এটি প্রধানত যায়দি শিয়াদের নিয়ে গঠিত।
- হুতি আন্দোলনের জন্ম উত্তর ইয়েমেনের সাদা শহরে।
- ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে তাদের নেতা হুসেইন আল-হুতি শিয়া ইসলামের জাইদি ধারার অনুসরণে ধর্মীয় পুনর্জাগরণমূলক আন্দোলন শুরু করেন।

উল্লেখ্য,
- জাইদিরা কয়েক শতাব্দী ধরে ইয়েমেন শাসন করলেও ১৯৬২ সালে গৃহযুদ্ধের পর সুন্নিরা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়।
- এরপর তারা ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে।
- সুন্নি মৌলবাদ মোকাবিলা বিশেষ করে সৌদি আরবের পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া ওয়াহাবি মতবাদ মোকাবিলায় আল-হুতি আন্দোলন গড়ে তোলেন।
- সেই আন্দোলনই ক্রমে সশস্ত্র রূপ নেয়। 

উৎস: Britannica.
৩৮.
চাঁদের বুকে অবতরণকারী পঞ্চম দেশ কোনটি এবং এটি চাঁদের কোথায় অবতরণ করে?
  1. ভারত, শিওলি
  2. জাপান, শিওলি
  3. চীন, চন্দ্র
  4. জাপান, সুওমো
ব্যাখ্যা
জাপানের নভোযান ‘মুন স্নাইপার’:
- জাপানের মহাকাশ সংস্থা এ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি (জাক্সা)।
- জাপানি চন্দ্রযান ‘দ্য স্মার্ট ল্যান্ডার ফর ইনভেস্টিগেশন মুন’ (স্লিম)।
- ১৯ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে চাঁদের বুকে পতাকা স্থাপনকারী পঞ্চম দেশ হিসেবে নাম লিখিয়েছে জাপান।
- দেশটির ‘মুন স্নাইপার’ নামের অনুসন্ধানকারী নভোযান সফলভাবে অবতরণ করেছে চাঁদে। 
- এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও ভারতের পরে পঞ্চম দেশ হিসেবে চাঁদের বুকে সফলভাবে সফট ল্যান্ডিং করে জাপান। 

উল্লেখ্য,
- জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির তথ্যমতে, চাঁদের বুকে ‘শিওলি ক্রেটার’ নামের খাদের পাশে অবতরণ করেছে যানটি।
- জাপানি ভাষায় শিওলি ক্রেটার নামের অর্থ বুকমার্ক।
- খাদের ১০০ মিটারের মধ্যে অবতরণ করা যানটির ওজন জ্বালানি ছাড়া ২০০ কেজি।
- যানটিতে দুটি ছোট রোভার বাহনও রয়েছে।
- যানটির মাধ্যমে মেয়ার নেক্টারিসের নামের একটি জায়গার তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
- এই এলাকা অমৃত সাগর নামে আলোচিত।
- চাঁদের বিষুবরেখার প্রায় ১৫ ডিগ্রি দক্ষিণে অবস্থিত এই এলাকা।

উৎস: ২০ জানুয়ারী ২০২৪, প্রথম আলো।
৩৯.
শিক্ষা হলো ব্যক্তির দেহ মন আত্মার সুষম বিকাশের প্রয়াস। উক্তিটি করেন?
  1. সক্রেটিস
  2. প্লেটো
  3. রুশো
  4. গান্ধিজী
ব্যাখ্যা
শিক্ষা সম্পর্কে বিভিন্ন শিক্ষাবিদের মতামত:
- শিক্ষা শব্দটি অত্যন্ত ব্যাপক ও জটিল।
- বিভিন্ন যুগে, বিভিন্ন দেশে শিক্ষাবিদ ও দার্শনিকরা আপন আপন দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী শিক্ষার ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। 

সক্রেটিসের মতে,
- "শিক্ষা হলো মিথ্যার অপনোদন ও সত্যের আবিষ্কার।"

দার্শনিক প্লেটোর (Plato) মতে,
- শিক্ষা হচ্ছে সেই শক্তি, যার দ্বারা সঠিক সময়ে আনন্দ ও বেদনা অনুভূতিবোধ জন্মায়।
- এটি শিক্ষার্থীর দেহে-মনে সকল সুন্দর ও অন্তর্নিহিত শক্তিকে বিকশিত করে তোলে।

দার্শনিক এরিস্টটলের (Aristotle) মতে,
- সুস্থ দেহে সুস্থ মন তৈরি করাই হচ্ছে শিক্ষা।
- শিক্ষা দেহ-মনের সুষম এবং পরিপূর্ণ বিকাশের মাধ্যমে ব্যক্তির জীবনের প্রকৃত মাধুর্য ও পরম সত্য উপলব্ধিতে সহায়তা করে।

হেনরিক পেস্টালৎসীর মতে,
- "শিক্ষা হচ্ছে মানুষের শক্তি ও সামর্থ্যের স্বাভাবিক, প্রগতিশীল ও নিয়মানুগ বর্ধন ও সামঞ্জস্যপূর্ণ বিকাশ।

মহাত্মা গান্ধী বলেন,
- "শিক্ষা হলো শিশু ও মানুষের দেহ, মন ও আত্মার সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ গুণগুলোর সুসামঞ্জস্যপূর্ণ বিকাশ।

রুশো মন্তব্য করেন,
- "আমরা অভাবের মধ্যে অসহায় অবস্থায় জন্মগ্রহণ করি।
- শিক্ষা দ্বারা আমাদের অভাব পূরণ হয়।
- প্রকৃতি, বস্তু ও মানুষের নিকট হতে আমরা শিক্ষা লাভ করি।"

উৎস: মাধ্যমিক শিক্ষা, ব্যাচেলর অব এডুকেশন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
‘মারিও জাগালো’ কে ছিলেন?
  1. কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার
  2. কিংবদন্তি আফ্রিকান ফুটবলার
  3. কিংবদন্তি অস্ট্রেলিয়ান ফুটবলার
  4. কিংবদন্তি জার্মান ফুটবলার
ব্যাখ্যা
মারিও জাগালো:
- মারিও জাগালো একজন প্রখ্যাত ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ও কোচ।
- তিনি ব্রাজিলের ৫টি বিশ্বকাপ জয়ের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন।
- ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালে ব্রাজিল টানা দুটি বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করে।
- ওই দুটি আসরেই ব্রাজিল দলের অপরিহার্য সদস্য ছিলেন জাগালো, ফাইনালেও খেলেছেন মূল একাদশে।
- ২০০২ বিশ্বকাপ জয়ী ব্রাজিল দলের কেয়ারটেকার কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- কোচিং ক্যারিয়ারে ট্যাকটিক্যালি মেধাবী হওয়ায় তিনি ‘প্রফেসর’ ও ‘ওল্ড উলফ’ উপাধি পান।

উৎস: ৬ জানুয়ারি, ২০২৪, বিবিসি। 
৪১.
একটি তেজস্ক্রিয় মৌলের অর্ধায়ু ২০০ বছর হলে মৌলটির ৭৫% ক্ষয় হতে কত বছর লাগবে?
  1. ৪০০
  2. ৩৫০
  3. ৪৫০
  4. ৩০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি তেজস্ক্রিয় মৌলের অর্ধায়ু ২০০ বছর হলে মৌলটির ৭৫% ক্ষয় হতে কত বছর লাগবে? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
অর্ধায়ু, T = 0.693/λ   [λ = ক্ষয়ধ্রুবক] 
বা, 200 = 0.693/λ
বা, λ = 0.693/200 
∴ λ = 0.003465

আবার, 
মৌলটির ৭৫% ক্ষয় হলে, অবশিষ্ট আছে (100 - 75)% 
= 25% 

∴ তেজস্ক্রিয় ভাঙ্গনের বা ক্ষয়ের সূচকীয় সূত্র: 
N = N0e- tλ
বা, N/N0 = e- tλ
বা, e- tλ = 25% = 1/4
বা, ln(e- tλ) = ln(1/4)
বা, - tλ = -1.39 
বা, t = 1.39 /0.003465
∴ t = 401.15 বছর 

এই মান অপশন ক) ৪০০ বছর এর কাছাকাছি হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে এটি গ্রহণ করা হলো।
৪২.
বিলিরুবিন তৈরী হয় কোনটি থেকে?
  1. লোহিত রক্তকণিকা
  2. শ্বেত রক্তকণিকা
  3. অনুচক্রিকা
  4. এনজাইম
ব্যাখ্যা
জন্ডিস: 
- জন্ডিস হলো ভাইরাস জনিত রোগ। 
- জন্ডিস হলে রক্তে বিলরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায় ফলে ত্বক, চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যায়। 
- লোহিত রক্ত কণিকার অধিক ভাঙন কিংবা যকৃত বা পিত্তনালীর কোনো সমস্যার কারণে রক্তে বিলিরুবিনের পরিমাণ মাত্রাতিরিক্ত হয়ে যেতে পারে। 
- এই বিলিরুবিন তখন শরীরের বিভিন্ন অংশে জমা হতে থাকে। এ অবস্থাকে বলা হয় জন্ডিস। 
- বিলিরুবিন তৈরি হয় যকৃতে এবং অস্থিমজ্জায়। জমা হয় প্লীহাতে। 
- যকৃতের মধ্যে অবস্থিত প্লীহা বিলিরুবিন উৎপন্ন হওয়ার প্রধান স্থান হিসেবে স্বীকৃত। 
- যা কনজুগেশনের মাধ্যমে যকৃতে পৌঁছায়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৩.
কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীতে ১২০ কেজি হলে চাঁদে ঐ বস্তুর ওজন কত হবে?
  1. ১০০ কেজি
  2. ২৪০ কেজি
  3. ৪০ কেজি
  4. ২০ কেজি
ব্যাখ্যা
[লাইভ পরীক্ষার প্রশ্নে টাইপিং এর ভুল ছিল। ২০ এর পরিবর্তে ১২০ দেয়া ছিল। যেহেতু জব সল্যুশনের প্রশ্ন, তাই প্রশ্ন সংশোধন করে দেয়া হয়েছে।]

- স্থানভেদে কোনো বস্তুর ভরের কোনো পরিবর্তন হয় না। 
অর্থাৎ, পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ভর ১২০ কেজি হলে চাঁদে ঐ বস্তুর ভর হবে ১২০ কেজি। 
- কিন্তু স্থানভেদে কোনো বস্তুর ওজনের তারতম্য হতে পারে। 
আমরা জানি, 
ওজন= ভর x অভিকর্ষজ ত্বরণ 
পৃথিবীতে গড় অভিকর্ষজ ত্বরণ ধরা হয় ৯.৮ মি/সেকেন্ড। 
তাহলে পৃথিবীতে কোনো বস্তুর ওজন ৯.৮ নিউটন হলে তার ভর হবে ১ কেজি। 
সুতরাং চাঁদেও সেই বস্তুর ভর হবে ১ কেজি। 

কিন্তু চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৬ ভাগের ১ ভাগ। 
অর্থাৎ, পৃথিবী পৃষ্ঠে কোন বস্তুর ওজন ১২০ কেজি হলে চাঁদে ঐ বস্তুর ওজন হবে ২০ কেজি।

উৎস: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৯ সংস্করণ]।
৪৪.
বিজ্ঞানীরা Black Hole এর ছবি প্রথম কত সালে তুলতে সক্ষম হয়?
  1. ২০২০
  2. ২০১৯
  3. ২০১৫
  4. ১৯১৫
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণগহব্বর (Black Hole): 
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল। 
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম। ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম। 
- একটি মিল্কীওয়েতে ১০০ মিলিয়নের বেশি ব্ল্যাকহোল থাকতে পারে। 
- মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন - আলবার্ট আইনস্টাইন। 
- ১৯১৬ সালে তিনি তাঁর general theory of relativity তে এই ধারণা তুলে ধরেন। 
- আমেরিকান মহাকাশ বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে "black hole" শব্দটি ব্যবহার করেন, তিনিই মূলত কৃষ্ণগহবরের আবিষ্কারক। 
- ২০১৯ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয়  Event Horizon Telescope (EHT).

উৎস: নাসা ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৪৫.
উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের সীমা কত?
  1. ১০০ নটিক্যাল মাইল
  2. ৩৭০.০ কি.মি.
  3. ৩০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ১৫০ মাইল
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
UNCLOS:
- UNCLOS-এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention on the Law of the Sea.
- UNCLOS জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সমুদ্র বিষয়ক আইন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- মৎস্য শিকার, নৌচলাচল, মহীসােপান, গভীর সমুদ্রতল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমুদ্র দূষণের মত বিষয়গুলাে এ চুক্তির মূল বিষয়।
- ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।

[অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় উত্তরটি বাতিল করা হলো] 


উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৪৬.
কোন খাদ্য উপাদান থেকে শরীরে বেশি শক্তি উৎপন্ন হয়?
  1. শর্করা
  2. আমিষ
  3. ভিটামিন
  4. চর্বি
ব্যাখ্যা
• চর্বি - থেকে শরীরে বেশি শক্তি উৎপন্ন হয়।

- চর্বি হল এমন একটি খাদ্য উপাদান যা শরীরে সবচেয়ে বেশি শক্তি (ক্যালরি) উৎপন্ন করে। এর কারণ হল:

- প্রতি গ্রাম চর্বিতে থাকে 9 ক্যালোরি, যা অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের তুলনায় অনেক বেশি। যেমন:

- প্রোটিন: প্রতি গ্রামে 4 ক্যালোরি
- কার্বোহাইড্রেট: প্রতি গ্রামে 4 ক্যালোরি
- চর্বি: প্রতি গ্রামে 9 ক্যালোরি

শরীর চর্বিকে এমনভাবে সংরক্ষণ করে যা দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি সরবরাহ করতে পারে।
সাধারণভাবে বলতে গেলে, যে খাদ্য পদার্থে বেশি চর্বি থাকবে, তার শক্তি উৎপাদনের ক্ষমতাও তত বেশি হবে।

খাদ্য উপাদান: 

- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে। 
- এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে, তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়। 
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা: 
১। আমিষ: আমিষ দেহের বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়পূরণ করে। 
২। শর্করা: শর্করা দেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। 
৩। স্নেহ: স্নেহ বা চর্বিজাতীয় খাদ্য দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে। 

- এছাড়া আরও তিন ধরনের উপাদানও দেহের জন্য প্রয়োজন। 
যেমন: 
৪। ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ: ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উদ্দীপনা যোগায়। 
৫। খনিজ লবণ: খনিজ লবণ দেহের বিভিন্ন জৈবিক কাজে অংশ নেয়। 
৬। পানি: দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে, এছাড়া কোষের কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ ও তার অঙ্গাণুগুলোকে ধারণ করে। 

- খাদ্য উপাদানের বাইরে আরও একটি উপাদান রয়েছে, যেটি কোনো পুষ্টি না জোগালেও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। 
৭। রাফেজ: রাফেজ বা খাদ্য আঁশ (Fibre) পানি শোষণ করে এবং মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৯ সংস্করণ]।
৪৭.
ইঞ্জিনের কোন অংশ জালানীকে বাষ্পে পরিণত করে?
  1. কার্বুরেটর
  2. প্রেশার পাম্প
  3. স্পার্ক প্লাগ
  4. ইনজেক্টর
ব্যাখ্যা
- মোটর গাড়ির যে প্রকোষ্ঠে বায়ু ও পেট্রোল মিশ্রিত করা হয় তাই হলো কার্বুরেটর। 
- বায়ু ও পেট্রোলের মিশ্রণ তৈরি হওয়ার পরে এটিকে দহন প্রকোষ্ঠে পাঠিয়ে দেয়া হয়। 
- সব ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে না, শুধু পেট্রোল ইঞ্জিনে ৩টি কার্বুরেটর থাকে। 

- Carburetor prepares a mixture of air and fuel (which is suitable for combustion) for a spark ignition engine.
- Carburetor is also used to control the speed of the vehicle.
- It converts petrol into fine droplets and mixes it in air in such a way that it burns smoothly in engine, without any problem.

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিক।
৪৮.
কপিরাইট আইন কত সালে প্রণয়ন করা হয়?
  1. ১৯৬০
  2. ১৮২৬
  3. ১৭৬০
  4. ১৬৬২
ব্যাখ্যা
কপিরাইট (Copyright): 
- একজন লেখকের রচিত পুস্তক বা গ্রন্থের বা বইয়ের উপর তার মুদ্রণ, পুন:মুদ্রণ ও প্রকাশের অধিকারকে কপিরাইট বলে। 
- লেখকদের অধিকার সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম যুক্তরাজ্যে ১৬৬২ সালে কপিরাইট আইন (Licensing of the Press Act 1662) পার্লামেন্টে পাস করে। 
- বাংলাদেশে কপিরাইট আইন প্রথম তৈরি হয় ১৯৭৪ সালে।
- পরবর্তীতে ২০০০ সালে নতুন একটি কপিরাইট আইন করা হয়, যা পরে ২০০৫ সালে সংশোধন হয়।
- কপিরাইট আইন দ্বারা সৃজনশীল কাজের মেধাস্বত্ব সংরক্ষিত হয়। 
- কপিরাইট শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ গ্রন্থস্বত্ব। 
- কপিরাইটের মাধ্যমে সাহিত্য, শিল্পকর্ম ও অন্যান্য শিল্পকলা সৃষ্টিকারীর সৃষ্ট মেধাসম্পদ ব্যবহারের একচ্ছত্র অধিকার প্রদান করা হয়। 
- কপিরাইট আইন দ্বারা একজনের বুদ্ধিবৃত্তিক বা মস্তিস্কজাত সৃষ্টিকে নকল বা পাইরেসি বা অন্যায় অনুসরণ হতে অন্য কাউকে বিরত রাখে। 
- গল্প, নাটক, প্রবন্ধ, কবিতা, জাতীয় সাহিত্যকর্ম, চিত্রকর্ম, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত, ভাস্কর্য, স্থাপত্যকলা, কপিরাইট দ্বারা সংরক্ষিত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি।
৪৯.
বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে সহজে তথ্য খুঁজে বের করার জন্য কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়?
  1. ডেটাবেজ
  2. স্প্রেডশিট
  3. ওয়ার্ড প্রসেসিং
  4. প্রেজেন্টেশন
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। 
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়। 
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। 
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। 
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফটওয়্যার রয়েছে। 
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়। 
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০.
ইনসমনিয়া কোন ধরণের অসুখ?
  1. নিদ্রহীনতা
  2. স্নায়ুরোগ
  3. সেরিব্রাল পলসি
  4. চোখের রোগ
ব্যাখ্যা
- রাতে ঘুম না আসা বা আসলেও বারবার ভেঙ্গে যাওয়াকে বলা হয় ইনসমনিয়া বা অনিদ্রা রোগ। 
- ইনসোমোনিয়া হচ্ছে একটি নিদ্রাহীনজনিত সমস্যা। 
- ইনসোমনিয়া রোগের উপসর্গ সমূহ হচ্ছে- 
১. ঘুম না আসা, 
২. মাথা ব্যথা করা, 
৩. কাজে মনোনিবেশ করতে না পারা, 
৪. সারাদিন ক্লান্তিতে কাঁটানো, 
৫. মুড সুয়িং ইত্যাদি। 

উৎস: NHS Website [লিঙ্ক]।
৫১.
১৯৭১ : গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাঁও, ঢাকা
  2. সাউথ সেন্ট্রাল রোড, খুলনা
  3. সোহরাওয়ার্দি উদ্যান, ঢাকা
  4. কাজলা, রাজশাহী
ব্যাখ্যা
‘১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর:
- ১৯৭১: গণহত্যা নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর খুলনায় অবস্থিত।
- এখানে আছে বাঙালির মুক্তি, স্বাধীনতার স্পৃহা আর মুক্তিযুদ্ধকালের সবচেয়ে মর্মন্তুদ পর্বের অসংখ্য নিদর্শন।
- সেগুলোর সামনে দাঁড়ালে দর্শনার্থীর চোখে ভেসে ওঠে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মমুহূর্তের যন্ত্রণার দিনগুলো।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের উৎসাহে ২০১৪ সালের ১৭ মে খুলনায় এই জাদুঘর যাত্রা শুরু করে।
- ২০১৫ সালের আগস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নগরের ২৬ সাউথ সেন্ট্রাল রোডের দ্বিতল একটি বাড়ি উপহার দেন।
- সংস্কারের পর ২০১৬ সালের ২৬ মার্চ সেই বাড়িতে স্থানান্তর হয় জাদুঘরটি।
- ১৯৭১ সালের গণহত্যা-নির্যাতনের নিদর্শন সংরক্ষণ, বধ্যভূমি ও গণকবর-সংক্রান্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা, গণকবর ও বধ্যভূমি চিহ্নিত করা এবং গবেষণা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে তারা।

উৎস: ২৭ মার্চ ২০১৯, প্রথম আলো।
৫২.
মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ- ‘বিজয় চেতন’ কোন সেনানিবাসে অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. কুমিল্লা
  3. বগুড়া
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বিজয় চেতন:
- মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ 'বিজয় চেতন' ঢাকার সাভার সেনানিবাসের কোর অব মিলিটারি পুলিশ সেন্টার অ্যান্ড স্কুল (সিএমপিসিঅ্যান্ডএস) চত্বরে -এ অবস্থিত।
- সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ স্মৃতিস্তম্ভটির উদ্বোধন করেন।
- কোর অব মিলিটারি পুলিশের (সিএমপি) ১৭ শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতির স্মরণে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। 

উৎস: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, প্রথম আলো।
৫৩.
স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বশেষ শত্রুমুক্ত জেলা কোনটি?
  1. সিলেট
  2. খুলনা
  3. কুমিল্লা
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বশেষ শত্রুমুক্ত জেলা:
- স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বশেষ শত্রুমুক্ত জেলা ঢাকা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে মিত্রবাহিনীর কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত পরাজয় হয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর।
- কিন্তু আত্মসমর্পণের পরও পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসররা দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে যুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছিল।
- ঢাকায় আত্মসমর্পণের ১ সপ্তাহ পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর ২৩ ডিসেম্বর হানাদারমুক্ত হয় কুমিল্লার হোমনা।
- কিন্তু ঢাকার মিরপুর তখনো পাকিস্তানি বাহিনী ও বিহারিদের হাতে পুরোপুরি অবরুদ্ধ।
- ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি এক বিশেষ সামরিক অভিযানের পর ৩১ জানুয়ারি ১২ নম্বর সেকশনের ডি ব্লক ঈদগাহ মাঠে আত্মগোপনকারী পাকিস্তানি সেনা, বিহারি, রাজাকার, আলবদরদের অস্ত্রসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্ত হয় মিরপুর।

অন্যদিকে -
- খুলনা জেলা শত্রুমুক্ত হয় ১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১।
- সিলেট জেলা শত্রুমুক্ত হয় ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১।
- কুমিল্লা জেলা শত্রুমুক্ত হয় ৮ ডিসেম্বর ১৯৭১।

উৎস: জানুয়ারি ৩০, ২০২৩, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা। 
৫৪.
বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ২নং
  2. ৪নং
  3. ৬নং
  4. ৮নং
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ:
- বীর শ্রেষ্ঠ বীরত্বের জন্য প্রদত্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার। 
- যুদ্ধক্ষেত্রে অতুলনীয় সাহস ও আত্মত্যাগের নিদর্শন স্থাপনকারী যোদ্ধার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক দেয়া হয়। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে এই পদক দেয়া হয়েছে।

১। ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর,
- সেক্টর: ৭ নং,
- মৃত্যু: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ (বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে শেষ শহীদ)।
- সমাধিস্থল: চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণ।

২। সিপাহী হামিদুর রহমান,
- সেক্টর: ৪ নং,
- মৃত্যু: ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১।
- সমাধিস্থল: মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।

৩। সিপাহী মোস্তফা কামাল,
- সেক্টর: ২ নং,
- মৃত্যু: ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১।
- সমাধি স্থল: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে।

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সালে ব্রাক্ষ্মণবাড়ীয়া জেলা ২ নং সেক্টরের অধীন ছিল।
- এ সেক্টরের গুরুত্বপূর্ণ রণক্ষেত্রগুলো হল আকছিনা, আখাউড়া, আসাদনগর, আড়াইবাড়ী, ইব্রাহীমপুর, কালীকচ্ছা, কুল্লাপাথর, চন্দ্রপুর, চারগাছ, চেকপোস্ট সড়ক, ঝগড়ার চর, তারাগণ, তুল্লাপাড়া, দেবগ্রাম, দরুইন, দুর্গারামপুর, দশদোনা, নবীনগর সদর, ফুলবাড়ীয়া, বায়েক, মীরপুর, লতোয়ামুড়া, শাহবাজপুর, হরিয়াবহ এবং ক্ষীরণাল। 
- ১৮ এপ্রিল আখাউড়া উপজেলার দরুইনে পাকবাহিনী ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে মুখোমুখি লড়াইয়ে বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল শহীদ হন। 

৪। মোহাম্মদ রুহুল আমিন,
- সেক্টর: ১০ নং,
- মৃত্যু: ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১।
- সমাধিস্থল: রূপসা ফেরিঘাটের লুকপুরে।

৫। ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান,
- বাংলাদেশ বিমান বাহিনী,
- মৃত্যু: ২০ আগস্ট, ১৯৭১।
- সমাধিস্থল: মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।

৬। ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ,
- সেক্টর: ১ নং,
- মৃত্যু: ৮ এপ্রিল, ১৯৭১ (বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে ১ম শহীদ)।
- সমাধিস্থল: রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজারে কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারের পাশে। 

৭। নূর মোহাম্মদ শেখ,
- সেক্টর: ৮ নং,
- মৃত্যু: ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১।
- সমাধিস্থল: যশোরের কাশিপুর নামক স্থানে।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
৫৫.
মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সর্বোচ্চ খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ আনুষ্ঠানিকভাবে কবে ঘোষিত হয়?
  1. ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭২
  2. ১৫ই ডিসেম্বর, ১৯৭৩
  3. ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭৩
  4. ২৬শে মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বীরত্বসূচক খেতাব:
- বীরত্বসূচক খেতাব বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদত্ত খেতাব।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সভায় বীরত্বসূচক খেতাবের নতুন নামকরণ হয়.
- সেগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ পদমর্যাদার খেতাব: বীরশ্রেষ্ঠ,
- উচ্চ পদমর্যাদার খেতাব: বীর উত্তম,
- প্রশংসনীয় পদমর্যাদার খেতাব: বীর বিক্রম,
- বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্রের খেতাব: বীর প্রতীক।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ৪৩ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বীরত্বসূচক খেতাবের জন্য নির্বাচন করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৬ মার্চ পূর্বের ৪৩ জনসহ মোট ৫৪৬ জন মুক্তিযোদ্ধা খেতাবের জন্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৭৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খেতাব তালিকায় স্বাক্ষর করেন।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়।
- ১৯৯২ সালের ১৫ ডিসেম্বর জাতীয়ভাবে বীরত্বসূচক খেতাব প্রাপ্তদের পদক ও রিবন প্রদান করা হয়।
- ২০০১ সালের ৭ মার্চ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক পুরস্কার এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৬.
কোন শহরের একটি সড়কের নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে রাখা হয়েছে?
  1. কলকাতা
  2. দিল্লী
  3. লণ্ডন
  4. বেইজিং
ব্যাখ্যা
বিদেশে বঙ্গবন্ধুর নামানুসারে সড়ক:
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বঙ্গবন্ধু স্কয়ার, বঙ্গবন্ধু স্মৃতিকক্ষ, বঙ্গবন্ধু মঞ্চ, বঙ্গবন্ধু ভবন, বঙ্গবন্ধু স্কুল, বঙ্গবন্ধু স্মারক জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু চেয়ার, বঙ্গবন্ধু বৃত্তি, বঙ্গবন্ধু কর্নার ছাড়াও রয়েছে একাধিক সড়ক, সরণি, ওয়ে, লেন ও স্ট্রিট।
- ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব লেন, কলকাতায় শেখ বঙ্গবন্ধু সরণি, কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে শেখ মুজিবুর রহমান রোড, মিশরের আংকারায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বুলবার্ড, ফিলিস্তিনে মুজিব স্ট্রিট, মরিশাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্ট্রিট, আমেরিকার শিকাগোতে শেখ মুজিব ওয়ে এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে ‘In Memory of Sheikh Mujibur Rahman’ ইত্যাদি, সব মিলিয়ে সাত-আটটি স্মৃতি সড়ক রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধুর নামে দেশের বাইরে প্রথম সড়ক নামকরণ করা হয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতায়।
- ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৯৭ সালে পার্ক সার্কাস রাস্তাটিকে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সরণি’তে নামান্তর করেন।
- কলকাতাসহ বাংলাদেশ উপদূতাবাসের সামনে শহরের অন্যতম প্রাণকেন্দ্রে অবস্হিত এই সড়কটি।
- যার দূরত্ব-দৈর্ঘ্য এক কিলোমিটার।

অন্যদিকে -
- দিল্লি শহরের পৌর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে নয়া দিল্লিতে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়ে শঙ্কর রোড-মন্দির মর্গ ট্রাফিক চত্বর থেকে রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালের পার্শ্ববর্তী মাদার তেরেসা ক্রিসেন্ট পর্যন্ত পার্ক স্ট্রিটের একাংশের নাম বদলে রাখা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সড়ক।
- যেটি আওরঙ্গজেব রোড নামেই সর্বাধিক পরিচিত ছিল।
- ২০১৭ সালে ৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় তা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: ১৩ আগস্ট ২০২২, দৈনিক ইত্তেফাক। [link]
৫৭.
কোন বইটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক?
  1. সূচনা
  2. Millions of babies in pain
  3. নাইন মান্থস টু ফ্রিডম
  4. আমার কিছু কথা
ব্যাখ্যা
আমার কিছু কথা:
- 'আমার কিছু কথা' বইটির লেখক শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রকাশনী: শিখা প্রকাশনী।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আরো তিনটি গ্রন্থ হলো: ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী', 'কারাগারের রোজনামচা’, ‘আমার দেখা নয়াচীন'।

অন্যদিকে -
- মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র  'নাইন মান্থস টু ফ্রিডম'। 
- বিখ্যাত মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক কবিতার একটি লাইন Millions of babies in pain।

উৎস: আমার কিছু কথা -শেখ মুজিবুর রহমান।
৫৮.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘রাজনীতির কবি’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন কে?
  1. মাওলানা আকরাম খান
  2. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
  3. নির্মলেন্দু গুণ
  4. লোবেন জেঙ্কিন্স
ব্যাখ্যা
Poet of Politics:
- রাজনীতির কবি ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব’।
- তিনি শুধু বাঙালির বঙ্গবন্ধু নয়, বিশ্ববরেণ্য রাজনীতিক 'বিশ্ববন্ধু' উপাধিতেও বিশ্বনন্দিত।
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের একজন স্বপ্নদ্রষ্টা। 
- ৫ এপ্রিল, ১৯৭১ সাংবাদিক লোবেন জেঙ্কিন্স সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন Newsweek পত্রিকায় তার প্রতিবেদনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'রাজনীতির কবি' বা Poet of Politics বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
-  সকল শ্রেণী ও আদর্শের অনুসারীদের একতাবদ্ধ করার জন্য সম্ভবত তাঁর 'স্টাইল' সবচেয়ে বেশি উপযোগী ছিল।
- এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ৭ মার্চের ভাষণকে এক অনবদ্য কবিতা এবং বঙ্গবন্ধুকে মহাকবি হিসেবে ভূষিত করার অবারিত যুক্তি রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- নিউজউইক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন।
- ১৯৩৩ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়।
          ii) ১৫ আগস্ট ২০১৮, দৈনিক জনকণ্ঠ।
৫৯.
আমরা অনশন ভাঙব না’ কোন রচনা থেকে উদ্ধৃত হয়েছে?
  1. বায়ান্নর দিনগুলো
  2. চাষার ‍দুক্ষু
  3. একুশে ফেব্রুয়ারী
  4. আমার পথ
ব্যাখ্যা
বায়ান্নর দিনগুলো:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ‘বায়ান্নার দিনগুলো’ তাঁর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
- 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাটি শেখ মুজিবুর রহমানের কারাগারে অতিবাহিত দিনগুলোর স্মৃতিবিজড়িত সংকলন। 
- ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে রাজবন্দি থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু এই আত্মজীবনী লেখা শুরু করেন এবং ১৯৬৮ সালের ১৭ জানুয়ারি ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় ঢাকা সেনানিবাসে আটক থাকার সময় তা লেখা বন্ধ হয়ে যায়।
- বায়ান্ন সালের ভাষা আন্দোলনের নানা বিষয় এবং বঙ্গবন্ধুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এ রচনায় ফুটে উঠেছে।

উল্লেখ্য,
- বায়ান্নর দিনগুলোতে বঙ্গবন্ধু ১৯৫২-এর একুশে ফেব্রুয়ারিতে জেলে থাকা অবস্থায় তাঁর উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা এবং ঢাকার রাজপথে জনতার মিছিলে পুলিশের গুলিতে মৃত্যুর কথা বর্ণনা করেছেন।
- এই স্মৃতিচারণে ব্যক্ত হয়েছে তাঁর অনশনকালে জেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা ও আচরণ, নেতাকর্মীদের সাথে সাক্ষাৎ ও তাদের কাছে বার্তা পৌঁছানোর নানা কৌশল ইত্যাদি।
- এতে বিশেষভাবে বর্ণিত হয়েছে ঢাকায় একুশে ফেব্রুয়ারি তারিখে ছাত্রজনতার মিছিলে পুলিশের গুলিচালনার খবর।
- 'আমরা অনশন ভাঙব না’-এটি বায়ান্নর দিনগুলো থেকে উদ্ধৃত।
- এ সময় কারাগারে অনশনরত বঙ্গবন্ধুর সঙ্গী ছিলেন মহিউদ্দিন আহমদ।

উৎস: অসমাপ্ত আত্মজীবনী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
৬০.
জাতিসংঘের কোন সংস্থার সদর দফতরে ‘বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষ’ উদ্ধোধন করা হয়েছে?
  1. IFAD
  2. FAO
  3. ESCAP
  4. UNICEF
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষ:
- খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) সদর দপ্তরে বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষের উদ্বোধন করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কক্ষের উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ এবং এফএওর মধ্যে পঞ্চাশ বছরের চমৎকার সম্পর্কের প্রতীক এই কক্ষ।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে এফএওর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশের জনগণকে নিপীড়ন, দারিদ্র্য ও ক্ষুধা থেকে মুক্ত করাই বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের লক্ষ্য ছিল।
- মুজিব বর্ষ' ২০২০-২১ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের সময় এ শৈল্পিক কাজটি করা হয়েছিল।
- এটি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান পেয়েছে।
- এটি আমাদের সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুর স্থানের সাক্ষ্য বহন করে ৷

উৎস: ২৫ জুলাই, ২০২৩, যুগান্তর।