পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়15 minutes
মোট প্রশ্ন৩১
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৫: বিষয়: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি সিলেবাস: কম্পিউটার অংশ: ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস (Computer Peripherals): কি-বোর্ড (Keyboard), মাউস (Mouse), ওসিআর (OCR) ইত্যাদি; ২. কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন (Computer Architecture): সিপিইউ (CPU), হার্ড ডিস্ক (Hard Disk, এএলইউ (ALU) ইত্যাদি; ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা (Computer Performance); ৪. দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার (Computer in Practical Fields): কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি; ৫. কম্পিউটারের নম্বর ব্যবস্থা (Number Systems of Computer); তথ্যপ্রযুক্তি অংশ: ১. ই-কমার্স (E-Commerce); ২. সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক: টুজি (2G), থ্রিজি (3G), ফোরজি (4G), ওয়াইম্যাক্স (Wimax) ইত্যাদি; ৩. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক: ল্যান (LAN), ম্যান (MAN), ওয়াই-ফাই (WiFi), ওয়াইম্যাক্স (Wimax) ইত্যাদি; ৪. দৈনন্দিন জীবনে তথ্যপ্রযুক্তি: ৫. স্মার্টফোন (SmartPhone); ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web - WWW); ইন্টারনেট (Internet);
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩১ প্রশ্ন

.
বর্তমান সময়ের পিসিগুলোতে প্রচলিত BIOS-এর বদলে সাধারণত কী ব্যবহৃত হয়?
  1. CMOS
  2. DOS
  3. UEFI
  4. GPT
ব্যাখ্যা

• বর্তমান সময়ের পিসিগুলোতে প্রচলিত BIOS-এর বদলে সাধারণত UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহৃত হয়। BIOS ছিল পুরনো প্রযুক্তি, যার সীমাবদ্ধতা ছিল ধীরগতির বুটিং, সীমিত স্টোরেজ সাপোর্ট এবং আধুনিক হার্ডওয়্যারের সাথে কম সামঞ্জস্য। UEFI এই সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করেছে। এটি দ্রুত বুটিং সুবিধা দেয়, বড় আকারের হার্ডডিস্ক (২ টেরাবাইটের বেশি) সাপোর্ট করে এবং উন্নত গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস প্রদান করে। এছাড়া UEFI-তে Secure Boot-এর মতো নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা অননুমোদিত সফটওয়্যার চালু হওয়া প্রতিরোধ করে। তাই আধুনিক কম্পিউটারগুলোতে BIOS-এর পরিবর্তে UEFI ব্যবহৃত হয়।
 
BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা সাধারণত EPROM (Erasable Programmable Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- এই চিপ টির নাম BIOS, এটি মাদারবোর্ড এ থাকে।
- হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।
- BIOS-এর কারণে অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে ডিভাইসগুলোর হার্ডওয়্যার ডিটেইল জানার প্রয়োজন হয় না (যেমন হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস)।
- ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর জায়গায় আধুনিক ও দ্রুতগতির UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহার শুরু হয়, যা বড় সাইজের ড্রাইভ সাপোর্ট করে এবং বুটিং দ্রুত করে।

BIOS-এর দুটি প্রধান কাজ:
- কোন কোন পারিফেরাল ডিভাইস (যেমন: কীবোর্ড, মাউস, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রিন্টার, ভিডিও কার্ড ইত্যাদি) সংযুক্ত আছে তা নির্ধারণ করা।
- অপারেটিং সিস্টেম (OS) কে মেইন মেমোরি (RAM)-তে লোড করা।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

.
কোনটি মুদ্রিত টেক্সট অথবা সংখ্যাগত ডেটা সনাক্ত করতে পারে?
  1. OCR
  2. QR Code
  3. OMR
  4. Barcode
ব্যাখ্যা

• মুদ্রিত টেক্সট অথবা সংখ্যাগত ডেটা সনাক্ত করতে সক্ষম প্রযুক্তি হলো OCR (Optical Character Recognition)। OCR মূলত কাগজে মুদ্রিত লেখা, সংখ্যা বা টাইপ করা তথ্য স্ক্যান করে তা ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করতে পারে। এর মাধ্যমে বই, প্রশ্নপত্র, ফর্ম বা ডকুমেন্টের লেখা কম্পিউটারে সম্পাদনযোগ্য করা যায়। অন্যদিকে QR Code ও Barcode মূলত নির্দিষ্ট কোডের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও শনাক্ত করে, কিন্তু সরাসরি মুদ্রিত লেখা পড়তে পারে না। আবার OMR কেবল নির্দিষ্ট চিহ্ন বা বুদবুদ পূরণ শনাক্ত করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) OCR.

OCR (Optical Character Recognition):
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং এবং তুলনা প্রযুক্তি, যা মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করে।
- এর ফলে মুদ্রিত তথ্য পুনরায় টাইপ করার প্রয়োজন হয় না।

কাজের পদ্ধতি:
- OCR সফটওয়্যার অক্ষরগুলোকে লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আকারের সাথে তুলনা করে চিনে নেয়।
- অক্ষরের নিকটতার (proximity) মাধ্যমে শব্দ শনাক্ত করা হয়।
- মূল পৃষ্ঠার বিন্যাস পুনর্গঠন করার চেষ্টা করা হয়।

নির্ভুলতা:
- উচ্চমানের এবং পরিষ্কার স্ক্যান থেকে সঠিকতা বেশি হয়।
- মূল পত্রের বা স্ক্যানের মান কমলে সঠিকতা হ্রাস পায়।

ব্যবহার:
- একটি অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিডার (OCR) সরাসরি মেইল শ্রেণিবিন্যাস করতে পারে বা মেশিন-রিডেবল কোড দিয়ে চিহ্নিত করে দ্রুত স্বয়ংক্রিয় শ্রেণিবিন্যাসে সাহায্য করে।
- 1965 সালে, ইউ.এস. পোস্টাল সার্ভিস অক্ষর ও সংখ্যা শনাক্তকরণের OCR পরীক্ষামূলকভাবে চালু করে।
- 1980-এর দশকের শুরুর দিকে, তারা এমন একটি যন্ত্র তৈরি করে যা তিনটি ঠিকানার লাইন স্ক্যান, পোস্টাল কোড যাচাই, এবং রাউটিং কোড প্রিন্ট করতে পারে।

OCR প্রক্রিয়ার মূল ধাপগুলো:
-  মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা স্ক্যান করা।
-  অক্ষরের আকারের সঙ্গে লাইব্রেরির অক্ষরের তুলনা করে সনাক্তকরণ।
-  অক্ষরের নিকটতার মাধ্যমে শব্দ শনাক্ত করা।
- মূল পৃষ্ঠার বিন্যাস পুনর্গঠন।

অন্যদিকে,
- Barcode: বারকোড হলো রেখা বা প্যাটার্নের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও শনাক্ত করার প্রযুক্তি।
- OMR: OMR হলো একটি প্রযুক্তি যা চিহ্নিত মার্ক বা বুলেট/ডট শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- QR Code: এটি লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করার জন্য নয়, বরং সংরক্ষিত তথ্য স্ক্যান করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

.
সাধারণত সিপিইউ-এর পারফরম্যান্স নির্ধারণে কোন একক ব্যবহৃত হয়?
  1. Gigahertz
  2. Gigabytes
  3. Megapixels
  4. Kilograms
ব্যাখ্যা

• সাধারণত সিপিইউ-এর পারফরম্যান্স নির্ধারণে যে এককটি ব্যবহৃত হয় তা হলো Gigahertz (GHz)। গিগাহার্টজ মূলত সিপিইউ-এর ক্লক স্পিড নির্দেশ করে, অর্থাৎ প্রসেসর এক সেকেন্ডে কত বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে। ক্লক স্পিড যত বেশি হয়, সাধারণভাবে সিপিইউ তত দ্রুত নির্দেশনা প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম হয়। অন্যদিকে, Gigabytes মেমোরি বা স্টোরেজের পরিমাপ বোঝায়, Megapixels ক্যামেরার রেজোলিউশন নির্দেশ করে এবং Kilograms ওজন পরিমাপের একক। তাই সিপিইউ-এর পারফরম্যান্স বোঝাতে সঠিক উত্তর হলো গিগাহার্টজ।

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
100111 সংখ্যাটি যদি বাইনারি হয়, তবে ডেসিমেলে তার মান কত?
  1. 45
  2. 37
  3. 39
  4. 21
ব্যাখ্যা

• 100111 বাইনারি সংখ্যা ডেসিমেলে রূপান্তর করলে 39 হবে।

• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

এখানে,
100111
= 1 × 25 + 0 × 24 + 0 × 23 + 1 × 22 + 1 × 21 + 1 × 20
= 32 + 0 + 0 + 4 + 2 + 1
= 39

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
কোন ই-কমার্স সাইটটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক?
  1. Flipkart
  2. Rokomari
  3. Amazon
  4. Alibaba
ব্যাখ্যা

• প্রশ্নে দেওয়া ই-কমার্স সাইটগুলোর মধ্যে Amazon হলো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান। শুরুতে এটি অনলাইন বই বিক্রির মাধ্যমে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ই-কমার্স ও প্রযুক্তি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে Flipkart ভারতের, Rokomari বাংলাদেশের এবং Alibaba চীনের ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Amazon.

• ই-কমার্স:
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নিজেদের সাথে বা একে অপরের সাথে বাণিজ্যিক লেনদেনই হলো ই-কমার্স।
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- Amazon যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স সাইট।

• সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত নিমোক্ত ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:
১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business: B2B),
২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer: B2C),
৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business: C2B),
৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer: C2C) ও
৫. এম-কমার্স (M-commerce).

• ই-কমার্স এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ফলাফল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই ভোগ করতে পারে।
- ই-কমার্স পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্র সর্বজনীন।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করার জন্য কোনো আইনগত জটিলতা নেই।
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, সঠিক মূল্য এবং সময়ের সাথে মানানসই।
- মূলত ই কমার্স ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- ই-কমার্স বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনাতেও জটিলতা অনেকাংশে কমায়। যেমন দ্রব্য ও সেবা বিজ্ঞ ভাড়া ও সরবরাহসংক্রান্ত ব্যবসায় ই-কমার্স বিশেষ সুবিধা ও সুযোগ সৃষ্টি করছে।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ব্যবসায় পরিচালনা করা সম্ভব।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Flipkart - ভারতের ই-কমার্স সাইট।
- Rokomari - বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইট।
- Alibaba চীনভিত্তিক ই-কমার্স সাইট।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

.
WiMAX নেটওয়ার্কের ফ্রিকুয়েন্সি কত MHz/GHz?
  1. 2.0 - 66 GHz
  2. 2.4 - 5 MHz
  3. 1.0 - 50 GHz
  4. 1.0 - 100 MHz
ব্যাখ্যা

• WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) একটি ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি, যা উচ্চগতির ইন্টারনেট কানেকশন সরবরাহ করে। WiMAX প্রধানত ২ থেকে ৬৬ গিগাহার্জ (GHz) ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে। এটি সাধারণত ২.৩, ২.৫, এবং ৩.৫ GHz ব্যান্ডে ব্যবহৃত হয়। এই ফ্রিকোয়েন্সি উচ্চ গতির ডেটা ট্রান্সমিশন এবং বড় পরিসরে কভারেজ নিশ্চিত করতে সক্ষম। WiMAX এর মাধ্যমে প্রায় ৫০ কিমি পর্যন্ত দূরত্বে ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক সংযোগ স্থাপন করা যায়। তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হবে ক) 2.0 - 66 GHz, যা GHz পরিসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। WiMAX এর উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহারের ফলে ডেটা স্পিড এবং নেটওয়ার্ক স্থায়িত্ব উন্নত হয়।

• WiMAX:
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩. IEEE.

.
সুপারকম্পিউটারের গতি পরিমাপে FLOPS ব্যবহার করা হয়। এর সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Floating Line Operations Per Second
  2. Fast Logical Operations Per Second
  3. Floating Point Operations Per Second
  4. Fixed Point Operations Per Second
ব্যাখ্যা

• সুপারকম্পিউটারের গতি বা কর্মক্ষমতা পরিমাপের জন্য সাধারণত FLOPS এককটি ব্যবহার করা হয়। FLOPS দ্বারা বোঝায় একটি কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো গাণিতিক হিসাব করতে পারে, বিশেষ করে দশমিক বা ভগ্নাংশযুক্ত সংখ্যার ক্ষেত্রে। কারণ বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়া পূর্বাভাস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদি জটিল কাজে floating point গণনার প্রয়োজন হয়। তাই সুপারকম্পিউটারের প্রকৃত ক্ষমতা বোঝাতে এই পরিমাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। FLOPS-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Floating Point Operations Per Second.

• FLOPS:
- FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

.
LAN-এর জন্য নির্ধারিত IEEE স্পেসিফিকেশন কোনটি?
  1. IEEE 802
  2. IEEE 802.12
  3. IEEE 802.14
  4. IEEE 802.16
ব্যাখ্যা

• LAN (Local Area Network)-এর জন্য নির্ধারিত IEEE স্পেসিফিকেশন হলো IEEE 802। IEEE 802 মানদণ্ডটি মূলত লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক এবং মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কের জন্য তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ডাটা লিংক লেয়ার ও ফিজিক্যাল লেয়ারের বিভিন্ন প্রোটোকল নির্ধারণ করা আছে। এর অন্তর্ভুক্ত জনপ্রিয় প্রযুক্তির মধ্যে রয়েছে Ethernet (IEEE 802.3) এবং Wireless LAN বা Wi-Fi (IEEE 802.11), যা LAN ব্যবস্থায় বহুল ব্যবহৃত। অন্যদিকে IEEE 802.12, 802.14 ও 802.16 নির্দিষ্ট বা ভিন্ন উদ্দেশ্যে প্রস্তাবিত/ব্যবহৃত হয়েছে এবং সাধারণ LAN-এর মূল মান হিসেবে স্বীকৃত নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) IEEE 802.
 
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN-Local Area Network):
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network
- সাধারণত ১ কি.মি. বা তার কম পরিসরের জায়গার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার বা অন্য কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস (যেমন- প্রিন্টার) সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তাকে LAN বলা হয়। 
-LAN এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ 1 কিলোমিটার করার জন্য রিপিটার ব্যবহার করতে হয়।
- LAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো একক ব্যাক্তি বা কিছুসংখ্যক লোকের একটি গ্রুপের হতে পারে।
- ল্যানের IEEE স্ট্যন্ডার্ড: IEEE 802

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. IEEE.

.
যেসব দেশের ভাষা ৮-বিটের বেশি কোডিং চায়, তাদের ক্ষেত্রে কোন কোড ব্যবহৃত হয়?
  1. ইউনিকোড
  2. অ্যাসকি কোড
  3. ইবিসিডিক কোড
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• যেসব দেশের ভাষায় ইংরেজির মতো সীমিত অক্ষরের বাইরে অতিরিক্ত অক্ষর, চিহ্ন ও লিপি ব্যবহৃত হয়, সেসব ভাষা প্রকাশের জন্য ৮-বিটের বেশি কোডিং প্রয়োজন হয়। ASCII কোড মূলত ৭-বিট এবং সীমিত ইংরেজি অক্ষরের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই এটি যথেষ্ট নয়। EBCDIC-ও সীমিত পরিসরের এবং প্রধানত কিছু নির্দিষ্ট কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু ইউনিকোড এমন একটি মান যা ৮-বিটের সীমা অতিক্রম করে বিশ্বের প্রায় সব ভাষার অক্ষর, সংখ্যা ও প্রতীক সমর্থন করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ইউনিকোড।

• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড ১৬ বিট বিশিষ্ট কোড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়।
- ইউনিকোডের সাহায্যে 216 = 65,536 কোড গ্রুপ তৈরি করা সম্ভব।
- ফলে যে সমস্ত দেশের ভাষাকে প্রকাশ করতে 8 বিটের বেশি কোড ব্যবহৃত হয়, সে সব ক্ষেত্রে ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সিমুলেশন ডিজাইন এবং ম্যানেজ করার জন্য কোন সফটওয়্যার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. Blender
  2. Audacity
  3. VLC Media Player
  4. MATLAB
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) সিমুলেশন ডিজাইন এবং ম্যানেজ করার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সফটওয়্যার হলো Blender। Blender মূলত একটি ওপেন-সোর্স ৩ডি গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, যা মডেলিং, অ্যানিমেশন, রেন্ডারিং এবং ইন্টারেক্টিভ সিমুলেশন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। VR সিমুলেশন তৈরিতে ৩ডি অবজেক্ট তৈরি, পরিবেশ ডিজাইন এবং অ্যানিমেশন সংযুক্ত করার কাজগুলো Blender দিয়ে করা যায়। অন্যদিকে, Audacity হলো অডিও এডিটিং সফটওয়্যার, VLC Media Player হলো ভিডিও প্লেয়ার, এবং MATLAB মূলত গণিত ও ইঞ্জিনিয়ারিং কম্পিউটেশন-এর জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই VR সিমুলেশন ডিজাইন এবং ম্যানেজমেন্টে Blender সবচেয়ে উপযুক্ত।

- সঠিক উত্তর: ক) Blender.

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality-VR) হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সফটওয়্যারগুলো হলো:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

১১.
নিচের কোনটি MAN-এর উদাহরণ হিসাবে বিবেচিত?
  1. স্যাটেলাইট
  2. মাইক্রোওয়েভ
  3. প্রিন্টার
  4. ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

• অপশন গুলির মধ্যে ঘ) ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক MAN-এর উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত। MAN বা Metropolitan Area Network হলো একটি নেটওয়ার্ক যা একটি শহর বা বড় শহরের এলাকায় কম্পিউটার এবং অন্যান্য ডিভাইসকে সংযুক্ত করে। এটি সাধারণত LAN (Local Area Network) এবং WAN (Wide Area Network)-এর মধ্যে অবস্থান করে। স্যাটেলাইট এবং মাইক্রোওয়েভ সাধারণত ডেটা ট্রান্সমিশনের মাধ্যম, যা নেটওয়ার্কের ধরন নির্দেশ করে না। প্রিন্টার হলো একটি আউটপুট ডিভাইস, যা নেটওয়ার্কের ধরন হিসেবে বিবেচিত নয়। কিন্তু একটি ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক শহরের বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রচার এবং তথ্য প্রেরণের জন্য MAN-এর মতো কাজ করে, তাই এটি MAN-এর বাস্তব উদাহরণ।

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN):
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network।
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে যখন তারবিহীন সংযোগ দেয়া হয়, তখন তাকে WMAN (Wireless Metropoliton Area Network) বলা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- MAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো অর্গানাইজেশনের হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১২.
কোনটি ১ বাইটের সমতুল্য বিট নির্দেশ করে?
  1. ৮ বিট
  2. ১২ বিট
  3. ১৬ বিট
  4. ৩২ বিট
ব্যাখ্যা

• ১ বাইটের সমতুল্য বিট হলো ৮ বিট। কম্পিউটার বিজ্ঞানে, বাইট হল তথ্যের মাপের একটি মৌলিক একক, যা সাধারণত একটি অক্ষর বা সংখ্যা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। একটি বাইটে ৮টি বিট থাকে, যেখানে প্রতিটি বিটের মান ০ বা ১ হতে পারে। তাই, ১ বাইট = ৮ বিট। অন্য অপশন গুলো যেমন ১২ বিট, ১৬ বিট, বা ৩২ বিট এক বা একাধিক বাইটের সমান হতে পারে, তবে সরাসরি ১ বাইটের সমতুল্য নয়। উদাহরণস্বরূপ, ১৬ বিট = ২ বাইট এবং ৩২ বিট = ৪ বাইট। সুতরাং, প্রশ্নে ১ বাইটের সমতুল্য বিট হলো ৮ বিট, অর্থাৎ সঠিক উত্তর হলো ক) ৮ বিট।
 
• বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৩.
WiFi এর সম্পূর্ণ রূপ হচ্ছে -
  1. Wireless Fiber
  2. Wireless Fidelity
  3. Wireless Field
  4. Wireless Internet
ব্যাখ্যা

• WiFi-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Wireless Fidelity। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা বেতার সিগন্যালের মাধ্যমে ইন্টারনেট এবং নেটওয়ার্কের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে। WiFi ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা তারযুক্ত কেবল ছাড়াই ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা অন্যান্য ডিভাইস থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে। এটি প্রধানত ২.৪GHz ও ৫GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে এবং স্থানীয় এলাকা নেটওয়ার্কে (LAN) ডেটা স্থানান্তর সহজ করে। WiFi-এর মাধ্যমে দ্রুত ও সহজ ইন্টারনেট অ্যাক্সেস সম্ভব, যা আমাদের দৈনন্দিন কাজ, অনলাইন শিক্ষা, ব্যবসা ও বিনোদনকে অনেক সুবিধাজনক করে তোলে। এটি আধুনিক ডিজিটাল জীবনযাত্রার একটি অপরিহার্য অংশ।

- সঠিক উত্তর: খ) Wireless Fidelity.

• Wi-fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
মাদারবোর্ডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার কোনটি?
  1. BIOS
  2. GPU
  3. SSD
  4. HDD
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার হলো BIOS। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে একটি মধ্যবর্তী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে। BIOS (Basic Input/Output System) মাদারবোর্ডে সংরক্ষিত থাকে এবং কম্পিউটার চালু হলে প্রথমে হার্ডওয়্যার ডিভাইস যেমন প্রসেসর, র‍্যাম, হার্ডড্রাইভ, কীবোর্ড ইত্যাদিকে পরীক্ষা ও সঠিকভাবে শনাক্ত করে। এছাড়া এটি অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক নির্দেশনা প্রদান করে। অন্যদিকে GPU, SSD বা HDD হার্ডওয়্যার ডিভাইস হলেও এগুলো ফার্মওয়্যার নয়। তাই মাদারবোর্ডের জন্য ফার্মওয়্যারের মূল অংশ হিসেবে BIOS সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

- উত্তর: ক) BIOS.

• BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS হল কম্পিউটারের ফার্মওয়্যার, বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার।
- BIOS সাধারণত মাদারবোর্ড এ থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং মাউস, কীবোর্ডের মতো বাহ্যিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য পরিচালনাও করে। 
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। ব্রিটানিকা

১৫.
IoT ডিভাইসের তথ্য বিনিময়ের জন্য কোন প্রটোকল সবচেয়ে জনপ্রিয়?
  1.  MQTT 
  2. HTTP
  3. FTP
  4. POP3
ব্যাখ্যা

• IoT ডিভাইসের তথ্য বিনিময়ের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রটোকল হলো MQTT. MQTT হলো একটি হালকা ওজনের, পাবলিশ-সাবস্ক্রাইব ভিত্তিক প্রটোকল যা বিশেষভাবে কম ব্যান্ডউইথ ও শক্তি খরচে কাজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি সেন্সর, স্মার্ট হোম ডিভাইস, এবং বিভিন্ন রিমোট IoT অ্যাপ্লিকেশনের জন্য উপযুক্ত, কারণ এটি দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে ছোট ডেটা পাঠাতে পারে। অন্যদিকে HTTP মূলত ওয়েব সার্ভিসের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং IoT-তে কম কার্যকর। FTP ও POP3 যথাক্রমে ফাইল ট্রান্সফার ও ইমেল গ্রহণের জন্য, তাই IoT ডিভাইসের রিয়েল-টাইম ডেটা শেয়ারিংয়ে MQTT এর মতো সুবিধা দেয় না। সুতরাং, IoT-এর জন্য MQTT সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর প্রটোকল।

- সঠিক উত্তর: ক) MQTT.

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

১৬.
কোন কোম্পানি প্রথম স্মার্টফোন উদ্ভাবন করেছে?
  1. অ্যাপল
  2. ব্ল্যাকবেরি
  3. আইবিএম
  4. মাইক্রোসফট
ব্যাখ্যা

• স্মার্টফোনের ইতিহাসে প্রথম উদ্ভাবক হিসেবে IBM-কে মানা হয়। IBM তাদের Simon Personal Communicator (SPC) তৈরি করে। এটি কেবল ফোন নয়, বরং ইমেইল পাঠানো, ক্যালেন্ডার ব্যবস্থাপনা, নোট লেখা এবং সহজ কিছু অ্যাপ চালানোর ক্ষমতা রাখত। তাই এটি আধুনিক স্মার্টফোনের প্রাথমিক রূপ হিসেবে বিবেচিত হয়। যদিও পরে ব্ল্যাকবেরি এবং অ্যাপল iPhone-এর মাধ্যমে স্মার্টফোনের জনপ্রিয়তা ও প্রযুক্তি উন্নয়ন ঘটায়, IBM-এর Simon প্রথমে “স্মার্টফোন” ধারণা বাস্তবায়ন করেছিল। সুতরাং, প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর: গ) আইবিএম।
 
স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৭.
বিটকয়েন কী ধরনের আর্থিক মাধ্যম?
  1. কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা
  2. ফিয়াট মানি
  3. পণ্যভিত্তিক টাকা
  4. ক্রিপ্টোকারেন্সি
ব্যাখ্যা

• বিটকয়েন একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ডিজিটাল মুদ্রা, যা কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়। এটি ইলেকট্রনিকভাবে তৈরি ও লেনদেন করা হয় এবং ব্লকচেইন প্রযুক্তির মাধ্যমে নিরাপদভাবে রেকর্ড রাখা হয়। ফিয়াট মানি বা পণ্যভিত্তিক টাকার মতো কোনো শারীরিক অস্তিত্ব নেই, বরং এটি সম্পূর্ণভাবে ডিজিটাল। ব্যবহারকারীরা সরাসরি একে অন্যের সাথে লেনদেন করতে পারে, ব্যাংকের মাধ্যমে মধ্যস্থতা ছাড়াই। বিটকয়েনের মূল্য বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের উপর নির্ভর করে ওঠানামা করে। তাই এটি একটি স্বাধীন আর্থিক মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, যেখানে ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণই প্রধান এবং কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ নেই।

- সঠিক উত্তর: ঘ) ক্রিপ্টোকারেন্সি।

• ক্রিপ্টোকারেন্সি :
- ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের (যেমন সরকার বা ব্যাংক) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় না।
- প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি ছিল বিটকয়েন, যেটি ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো (Satoshi Nakamoto) নামে পরিচিত একজন বা একদল অজ্ঞাতনামা কম্পিউটার প্রোগ্রামার তৈরি করেন।

• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৮.
বাইনারি থেকে অক্টালে কনভার্ট করার সময় প্রতিটি অক্টাল ডিজিটে কয়টি বিট ব্যবহৃত হয়?
  1. ১৬
ব্যাখ্যা

• বাইনারি থেকে অক্টালে কনভার্ট করার সময় প্রতিটি অক্টাল (octal) সংখ্যা ৮-এর ঘাত অনুযায়ী তৈরি হয়। কারণ অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে মাত্র ৮টি ডিজিট (0 থেকে 7) ব্যবহার করা হয়। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে প্রতিটি সংখ্যা ২-এর ঘাত অনুযায়ী তৈরি হয় এবং প্রতিটি ডিজিটকে ০ বা ১ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। অক্টাল সংখ্যা পেতে, বাইনারি সংখ্যাকে তিনটি করে বিটে ভাগ করা হয়, কারণ ২ = ৮। অর্থাৎ, তিনটি বাইনারি বিট একেকটি অক্টাল সংখ্যা প্রকাশ করতে যথেষ্ট। উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি 101 কে তিনটি বিট হিসেবে নেওয়া হলে এটি অক্টাল 5 হিসাবে প্রকাশ করা যায়। সুতরাং, প্রতিটি অক্টাল ডিজিটের জন্য ৩টি বিট ব্যবহার করা হয়। উত্তর: গ) ৩।

• বাইনারি থেকে অক্ট্যাল রূপান্তর: 
- একটি অক্ট্যাল সংখ্যা তিন বিট বাইনারি দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- আমরা জানি, বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২ এবং অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি ৮।
- বাইনারি সংখ্যাকে অক্টালে রূপান্তর করতে সংখ্যাটির অংকগুলোকে তিন বিট বিশিষ্ট ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা হয়।
- এরপর প্রতিটি গ্রুপের সমতুল্য অক্ট্যাল মান বসালে তা বাইনারি থেকে অক্টালে রূপান্তরিত হয়।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের (WWW) উদ্ভাবক কে?
  1. টিম বার্নাস লি
  2. মার্টিন কুপার
  3. চার্লস ব্যাবেজ
  4. ভিন্টন কার্প
ব্যাখ্যা

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) বা ওয়েবের উদ্ভাবক হলেন টিম বার্নার্স-লি। তিনি ১৯৮৯ সালে সার্বিক তথ্য ভাগাভাগি সহজ করার উদ্দেশ্যে এটি উদ্ভাবন করেন। টিম বার্নার্স-লি হাইপারটেক্সট ধারণা ব্যবহার করে ওয়েব পেজ তৈরি, সংযুক্তি এবং ব্রাউজ করার ব্যবস্থা তৈরি করেন। এর ফলে ইন্টারনেটে তথ্য একাধিক কম্পিউটার ও সার্ভারে সহজে অ্যাক্সেসযোগ্য হয়ে ওঠে। ওয়েবের জন্মের সাথে ওয়েব ব্রাউজার, সার্ভার এবং URL-এর মতো ধারণাগুলোও সম্পর্কিত। তাঁর এই উদ্ভাবনের কারণে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ, শিক্ষা, ব্যবসা এবং বিজ্ঞানচর্চা অনেক সহজ এবং দ্রুত হয়েছে। WWW মানবজীবনে তথ্যের প্রবাহের ধারা সম্পূর্ণ পরিবর্তন করেছে।

- সঠিক উত্তর: ক) টিম বার্নার্স-লি। 

• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.

২০.
মাদারবোর্ড কোন কাজটি সম্পাদন করে?
  1. কেবল ডিসপ্লেতে আউটপুট প্রদান করা
  2. মেমোরি সংরক্ষণ করা
  3. কম্পিউটারের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা
  4. কম্পিউটারের সকল অংশকে সংযুক্ত করা
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের মূল সার্কিট বোর্ড যা কম্পিউটারের সকল অংশকে সংযুক্ত করার কাজ করে। এটি প্রসেসর, র‍্যাম, গ্রাফিক্স কার্ড, স্টোরেজ ডিভাইস এবং অন্যান্য পরিপূরক যন্ত্রাংশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের মধ্যমস্থলে থাকে। মাদারবোর্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন কম্পোনেন্ট একসাথে সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে। এটি কেবল ডিসপ্লে আউটপুট দেয় বা মেমোরি সংরক্ষণ করে না, বরং কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার অংশগুলোকে ঠিকভাবে সংযুক্ত রাখে এবং তাদের মধ্যে যোগাযোগ নিশ্চিত করে। সুতরাং, মাদারবোর্ডের মূল কাজ হলো কম্পিউটারের সকল অংশকে সংযুক্ত করা এবং সঠিকভাবে সমন্বয় করা।

- সঠিক উত্তর: ঘ) কম্পিউটারের সকল অংশকে সংযুক্ত করা।
 
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হলো একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১.
নিচের কোনটি দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. প্রিপেইড সিস্টেম
  2. মোবাইল ব্যাংকিং
  3. এসএমএস ও এমএমএস
  4. ডিজিটাল ট্রান্সমিশন
ব্যাখ্যা

• মোবাইল ব্যাংকিং দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) বৈশিষ্ট্য নয়। 
- এটি তৃতীয় প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য।
• দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল নেটওয়ার্ক 1990-এর দশকে চালু হয়েছিল এবং এর প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল ডিজিটাল ট্রান্সমিশন ব্যবহার করে ভয়েস কল এবং টেক্সট বার্তা (এসএমএস) প্রেরণ করা। 2G নেটওয়ার্কে প্রিপেইড সিম ব্যবস্থাও চালু হয়েছিল, যা ব্যবহারকারীদের খরচ নিয়ন্ত্রণের সুবিধা দেয়। এছাড়া এসএমএস এবং এমএমএস পরিষেবাও 2G-এর মাধ্যমে সম্ভব হয়েছিল। তবে মোবাইল ব্যাংকিং বা মোবাইল মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করার সুবিধা মূলত 3G বা এর পরবর্তী প্রযুক্তি চালু হওয়ার পরই জনপ্রিয়তা পায়। সুতরাং, মোবাইল ব্যাংকিং 2G নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য নয়।

- উত্তর: খ) মোবাইল ব্যাংকিং। 

• দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চাল হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC ( NIPPON Telegraph and Telephone Corporation) প্রথমে বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
১. প্রথম প্রজন্ম (1979 -1990),
২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (1991- 2000)
৩. তৃতীয় প্রজন্ম (2001- 2008),
৪. চতুর্থ প্রজন্ম (2009 - 2020),
৫. পঞ্চম প্রজন্ম (2020 - বর্তমান)।

• তৃতীয় প্রজন্ম (২০০১-২০০৮):
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি (আন্তর্জাতিক টেলিফোন সংস্থা: ITU এর মতে) যাতে GSM EDGE UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- GPRS (General Packet Radio System) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) সিস্টেম চালু হয়।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম চালু হয়।
- ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা এবং মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে ডেটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

২২.
ক্যাশ মেমরিকে কোন ধরণের কম্পিউটার মেমরি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়?
  1. Dynamic Memory
  2. Magnetic Memory
  3. Optical Memory
  4. Static Memory
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমরি একটি দ্রুতগতির, ছোট আকারের মেমরি যা প্রসেসরের সঙ্গে সরাসরি কাজ করে এবং প্রধান মেমরি থেকে তথ্য দ্রুত আনা ও পাঠাতে সাহায্য করে। এটি Static Memory (ঘ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, কারণ এটি তথ্য সংরক্ষণ করতে নিয়মিত রিফ্রেশের প্রয়োজন হয় না, যা Dynamic Memory-র ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়। ক্যাশ মেমরি সাধারণত RAM-এর তুলনায় দ্রুত এবং ছোট, এবং CPU-কে বারবার ধীর প্রধান মেমরি (যেমন DRAM) থেকে তথ্য আনার ঝামেলা থেকে মুক্ত রাখে। এই মেমরির সাহায্যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম দ্রুত কার্যকর হয়, কারণ প্রায়শই ব্যবহৃত তথ্যকে ক্যাশে সংরক্ষণ করে প্রসেসর তা দ্রুত অ্যাক্সেস করতে পারে। তাই এটি দ্রুত এবং স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণের জন্য Static Memory-এর উদাহরণ।
 
• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

২৩.
একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কোন ডিভাইস কাজ করে?
  1. হাব
  2. রাউটার
  3. ব্রিজ
  4. সুইচ
ব্যাখ্যা

• একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে রাউটার কাজ করে। রাউটার হলো একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে ডেটা প্যাকেটকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য নির্দেশনা দেয়। এটি মূলত আইপি ঠিকানার ভিত্তিতে ডেটা ট্রাফিককে নিয়ন্ত্রণ করে এবং যে কোন নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে তথ্য প্রেরণ করতে সক্ষম। অন্য ডিভাইস যেমন হাব বা সুইচ সাধারণত একই নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্রেরণ করে এবং ব্রিজ ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে, কিন্তু বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে কার্যকরভাবে যোগাযোগ নিশ্চিত করতে রাউটার অপরিহার্য। তাই একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে তথ্য বিনিময়ের মূল মাধ্যম হলো রাউটার।

- উত্তর: খ) রাউটার। 
 
• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• হাব:
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা।
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে।
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌঁছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়।

• কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার। যথা-
১. সক্রিয় হাব (Active HUB ):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে।
- আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে।
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে
প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে ।

২. নিষ্ক্রিয় হাব (Passive HUB):
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে ।
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র।
- এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়।

• ব্রিজ (Bridge):
- এক ধরনের নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে থাকে।
- এর সাহায্যে ভিন্ন মাধ্যম অথবা ভিন্ন কাঠামো বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায়।
- তবে এর সাহায্যে ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায় না।

- ব্রিজকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. লোকাল ব্রিজ (Local Bridge):
- এটি সরাসরি LAN এর সাথে যুক্ত থাকে।

২. রিমোট ব্রিজ (Remote Bridge):
- ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন দু'টি অবস্থানের দু'টি ল্যান সেগমেন্টকে সংযুক্ত করে।

৩. ওয়‍্যারলেস ব্রিজ (Wireless Bridge):
- একাধিক LAN যুক্ত করা অথবা LAN এর দূরবর্তী স্টেশনকে সংযুক্ত করার জন্য ওয়ারলেস ব্রিজ ব্যবহৃত হতে পারে।

এছাড়াও, 
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪.
ROM কী ধরনের মেমোরি হিসেবে পরিচিত?
  1. কন্ট্রোল মেমোরি
  2. প্রসেসিং মেমোরি
  3. ভোলাটাইল মেমোরি
  4. নন-ভোলাটাইল মেমোরি
ব্যাখ্যা

• ROM (Read-Only Memory) হলো একটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি। এটি এমন ধরনের মেমোরি যেখানে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং কম্পিউটার বন্ধ করলেও তথ্য হারায় না। ROM মূলত সিস্টেমের বেসিক নির্দেশাবলী, যেমন বুটিং প্রোগ্রাম বা ফার্মওয়্যার সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়। ব্যবহারকারী সাধারণত এটি পরিবর্তন করতে পারে না বা খুব সীমিতভাবে পরিবর্তন করতে পারে। অন্যদিকে, র‌্যাম বা ভোলাটাইল মেমোরি শক্তি চলে গেলে তথ্য হারায়, কিন্তু ROM-এ এমন কিছু ঘটে না। তাই, ROM কম্পিউটার ও ডিভাইসের গুরুত্বপূর্ণ সফ্টওয়্যার স্থায়ীভাবে রাখার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

- সঠিক উত্তর: ঘ) নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 
 
ROM (Read-Only Memory):
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read-Only Memory।
- এটি সাধারণত একটি ছোট কম্পিউটার মেমোরি, যা বিশেষ উদ্দেশ্যের তথ্য সংরক্ষণ করে, যেমন কোনো প্রোগ্রাম, যা পরিবর্তন করা যায় না।
- ROM হলো নন-ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও এর তথ্য হারায় না।
- ROM প্রোগ্রামগুলো কম্পিউটারের জন্য অত্যাবশ্যকীয়, যেমন বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার চালু করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করে, অথবা BIOS (Basic Input/Output System) যা ব্যক্তিগত কম্পিউটারের বাহ্যিক ডিভাইসগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- PROM, EPROM, এবং EEPROM হলো ROM-এর (Read-Only Memory) বিভিন্ন ধরন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৫.
কোন লজিক গেটকে ইউনিভার্সাল গেট বলা হয়?
  1. AND
  2. NAND
  3. XOR
  4. OR
ব্যাখ্যা

• ইলেকট্রনিক্সে ইউনিভার্সাল গেট হলো এমন একটি লজিক গেট যা ব্যবহার করে অন্য সব ধরনের লজিক গেট (যেমন AND, OR, NOT, XOR) তৈরি করা যায়। এর অর্থ, একটি ইউনিভার্সাল গেটের সাহায্যে সম্পূর্ণ ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইন সম্ভব। এর মধ্যে NAND এবং NOR গেটই ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে, NAND গেট সবচেয়ে সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয় কারণ এটি দিয়ে AND, OR এবং NOT গেটসহ সমস্ত লজিক ফাংশন তৈরি করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, একটি NAND গেটকে দুটি একসাথে ব্যবহার করে NOT গেট তৈরি করা যায়, এবং আরও জটিল কম্বিনেশন ব্যবহার করে AND ও OR গেট পাওয়া যায়। সুতরাং, প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো খ) NAND.

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

অন্যদিকে,
• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৬.
ডিজিটাল সার্কিটে রেজিস্টার গঠনের জন্য কোন কম্পোনেন্ট প্রয়োজন?
  1. লজিক গেট
  2. রেজিস্টর
  3. ক্যাপাসিটার
  4. ফ্লিপ-ফ্লপ
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল সার্কিটে রেজিস্টার গঠনের জন্য ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়। রেজিস্টার হলো একটি স্টোরেজ ইউনিট যা ডেটা সাময়িকভাবে ধারণ করতে সক্ষম। এটি সাধারণত একাধিক ফ্লিপ-ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত, যেখানে প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি বিট ডেটা ধারণ করে। লজিক গেট শুধু লজিক্যাল অপারেশন সম্পাদন করে, ক্যাপাসিটার অস্থায়ীভাবে চার্জ ধরে রাখে কিন্তু ডিজিটাল ডেটা স্টোরেজের জন্য স্থায়ী নয়, আর রেজিস্টর শুধুমাত্র কারেন্ট সীমিত করতে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, রেজিস্টার তৈরির মূল উপাদান হলো ফ্লিপ-ফ্লপ। এটি ক্লক সংকেতের সাহায্যে ডেটা সংরক্ষণ ও প্রেরণ করতে পারে।

• রেজিস্টার (Register): 
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে তৈরি হয়।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭.
কম্পিউটারে ভার্চুয়াল মেমরি কেন ব্যবহার করা হয়?
  1. সিস্টেমের মেমরি সম্প্রসারণ করা
  2. গ্রাফিক্সের কর্মক্ষমতা উন্নত করা
  3. হার্ড ডিস্কের চাপ কমানো
  4. CPU-র গতি কমানো
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহার করা হয় মূলত সিস্টেমের মেমরি সম্প্রসারণের জন্য। যখন কোনো প্রোগ্রাম চলাকালীন র‍্যাম (RAM) পূর্ণ হয়ে যায়, তখন ভার্চুয়াল মেমরি হার্ড ডিস্কের একটি অংশকে অতিরিক্ত মেমরির মতো ব্যবহার করে। এতে একসাথে অনেক প্রোগ্রাম চালানো সম্ভব হয়, যদিও হার্ড ডিস্ক RAM-এর চেয়ে ধীরে কাজ করে। ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহার করার ফলে ব্যবহারকারী বড় প্রোগ্রাম বা একাধিক প্রোগ্রাম একসাথে চালাতে পারে, সিস্টেম ক্র্যাশ হওয়ার ঝুঁকি কমে। এটি CPU বা গ্রাফিক্সের গতি বাড়ায় না, বরং মেমরির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে দেয় এবং প্রোগ্রামগুলোকে কার্যকরভাবে চালাতে সাহায্য করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ক) সিস্টেমের মেমরি সম্প্রসারণ করা।
 
• ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে।  
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে।  
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে।  
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।  
- মূল উদ্দেশ্য: সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো।  

সূত্র: 
- geeksforgeeks.

২৮.
এনএফসি সক্রিয় করতে কোন প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়?
  1. Bluetooth
  2. Wi-Fi
  3. GPS
  4. RFID
ব্যাখ্যা

• এনএফসি (Near Field Communication) একটি সংক্ষিপ্ত দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যা সাধারণত ৪–১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদানপ্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তির উন্নত রূপ। এনএফসি ডিভাইসগুলো রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে যোগাযোগ করে এবং সাধারণত “ট্যাপ” বা “ক্লিক” করে সংযোগ স্থাপন করা যায়। এটি Bluetooth বা Wi-Fi-এর মতো দীর্ঘ দূরত্বের সংযোগ নয়, এবং GPS-এর মতো অবস্থান নির্ধারণে ব্যবহার হয় না। তাই NFC সক্রিয় করার জন্য মূল প্রযুক্তি হিসেবে প্রয়োগ করা হয় RFID, যা নিরাপদ, দ্রুত এবং কম শক্তি খরচে ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব করে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) RFID.

• NFC:
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communications
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- এটি আরএফআইডি (RFID - Radio Frequency Dentification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্জ ব্যান্ডে ডেটা যোগাযোগ করে।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC।

• এনএফসি প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডে
- টোল প্লাজায় টোল পরিশোধের কার্ডে
- স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করতে হেলথ কার্ডে
- বাস/ট্রেনের ভাড়া পরিশোধের কার্ডে ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৯.
ই-কমার্স পরিচালনায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কোনটি?
  1. সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি 
  2. অগণিত গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো
  3. ২৪/৭ উপলব্ধতা
  4. ডিজিটাল মার্কেটিং বিকল্প
ব্যাখ্যা

• ই-কমার্স পরিচালনায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি। অনলাইন ব্যবসায় গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংকিং ডেটা এবং লেনদেন সংরক্ষিত থাকে, যা হ্যাকারদের জন্য প্রলোভন সৃষ্টি করে। যদি সাইবার আক্রমণ ঘটে, তা কেবল আর্থিক ক্ষতি নয়, বরং ব্যবসার বিশ্বাসযোগ্যতা এবং ব্র্যান্ড ইমেজকে গুরুতরভাবে প্রভাবিত করে। এছাড়া, ফিশিং, মালওয়্যার, ডাটা লিকের মতো বিভিন্ন নিরাপত্তা সমস্যা ই-কমার্সের জন্য জটিলতা বাড়ায়। তাই নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম তৈরি, এনক্রিপশন প্রযুক্তি ব্যবহার এবং নিয়মিত সিকিউরিটি আপডেট ই-কমার্স পরিচালনার জন্য অপরিহার্য, যা অন্যান্য চ্যালেঞ্জের তুলনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

 - উত্তর: সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি।

• ই-কমার্স (E-Commerce): 
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়। 
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে। 
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে। 

• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো- 
- www.alibaba.com, 
- www.amazon.com, 
- www.daraz.com, 
- www.bikroy.com, 
- www.ebay.com. 

• ই-কমার্স এর ধরণঃ পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্র ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। 
১। Business to Consumer (B2C), 
২। Business to Business (B2B), 
৩। Consumer to Business (C2B), 
 8। Consumer to Consumer (C2C). 

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩০.
কোন স্টোরেজ ডিভাইসটি ফিজিক্যালি কোনো চলমান অংশ ছাড়া কাজ করে?
  1. Floppy Disk
  2. HDD
  3. CD-ROM
  4. SSD
ব্যাখ্যা

• ফিজিক্যালি কোনো চলমান অংশ ছাড়া কাজ করে এমন স্টোরেজ ডিভাইস হলো SSD (Solid State Drive)। SSD তে তথ্য সংরক্ষণ করা হয় মেমোরি চিপে, যা ইলেকট্রনিক্যালি তথ্য পড়া এবং লেখা সম্ভব করে। এতে কোনো ঘূর্ণমান ডিস্ক বা মেকানিক্যাল আর্ম নেই, যা HDD বা Floppy Disk-এ থাকে। HDD তে তথ্য হার্ড ডিস্কে ঘূর্ণনশীল প্ল্যাটারের উপর সংরক্ষিত হয় এবং ডেটা পড়ার জন্য অ্যাকচুয়েটর আর্ম ব্যবহার করা হয়। CD-ROM ও DVD-ও ঘূর্ণনশীল ডিস্কের মাধ্যমে কাজ করে। SSD-এর ফলে দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস, কম শক্তি ব্যবহার এবং দীর্ঘস্থায়ী স্থায়ীত্ব পাওয়া যায়, কারণ কোনো মেকানিক্যাল অংশ থাকায় এটি নড়াচড়া বা ধ্বংসের জন্য কম সংবেদনশীল।

- সঠিক উত্তর: ঘ) SSD.

• SSD:
- SSD (Solid State Drive) হলো একটি স্টোরেজ ডিভাইস যা কোনো যান্ত্রিক বা চলমান অংশ ছাড়াই তথ্য সংরক্ষণ করে।
এটি সম্পূর্ণভাবে ইলেকট্রনিক চিপ (Flash Memory) দ্বারা তৈরি, যার কারণে এতে ডিস্ক ঘোরা বা হেড মুভ করার প্রয়োজন নেই, যেমনটা দেখা যায় HDD বা CD-ROM-এ।

•  SSD এর বৈশিষ্ট্য-
-  দ্রুত ডেটা প্রসেস করে,
-  বিদ্যুৎ খরচ কম করে,
-  নীরবভাবে কাজ করে, এবং
-  ধাক্কা বা কম্পনের প্রতি অনেক বেশি সহনশীল। 

অন্যদিকে, 
CD-ROM, HDD, Floppy Disk এগুলোতে ডিস্ক থাকে যা ঘুরে এবং ডাটা প্রসেস করে। 

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT), একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী। 
- Intel – Solid State Drive Basics.
- Samsung – SSD vs HDD.

৩১.
দুটি সিপিইউ-এর আর্কিটেকচার একই, কিন্তু CPU A এর গতি ৩.০ GHz এবং CPU B এর গতি ২.৫ GHz. সাধারণ পরিস্থিতিতে কোনটি দ্রুত?
  1. CPU A
  2. CPU B
  3. উভয়ই সমানভাবে দ্রুত
  4. RAM এর ওপর নির্ভর করে
ব্যাখ্যা

• CPU-এর গতি বা ক্লক স্পিড (GHz-এ মাপা হয়) নির্দেশ করে CPU কত দ্রুত নির্দেশনা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। প্রশ্নে বলা হয়েছে দুটি CPU-এর আর্কিটেকচার একই, তাই নির্দেশনা প্রতি চক্রের সংখ্যা (Instructions Per Cycle, IPC) সমান। CPU A-এর গতি ৩.০ GHz এবং CPU B-এর গতি ২.৫ GHz। যেহেতু CPU A প্রতি সেকেন্ডে বেশি চক্র সম্পন্ন করতে পারে, তাই একই আর্কিটেকচারের ভিত্তিতে CPU A সাধারণ পরিস্থিতিতে দ্রুত কাজ করবে। যদিও RAM-এর গতি কিছু ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে, সাধারণ প্রসেসিং পারফরম্যান্স নির্ভর মূলত CPU-এর ক্লক স্পিডের উপর। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) CPU A.

• ক্লক স্পিড:
- প্রসেসরের প্রতি সেকেন্ডে সম্পন্ন সাইকেলের সংখ্যা হলো ক্লক স্পিড। প্রতিটি সাইকেলে একটি বা একাধিক অপারেশন সম্পন্ন হতে পারে।
- ক্লক স্পিডকে প্রসেসরের "সাইকেল প্রতি সেকেন্ড" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- একটি সাইকেল হলো প্রসেসরের একটি মৌলিক অপারেশন। ক্লক স্পিড যত বেশি, প্রসেসর তত দ্রুত কাজ করতে পারে।
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- উদাহরণস্বরূপ, 3 GHz CPU প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করে, যা 2 GHz CPU-এর তুলনায় দ্রুত।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন, কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Intel Website.