ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ঘনকের কর্ণের দৈর্ঘ্য ১৮√৩ মিটার হলে ঘনকটির ধার কত?
সমাধান:
ধরি,
ঘনকটির ধার = ক মিটার
∴ ঘনকের কর্ণ = √৩ ক
বা, ১৮√৩ = √৩ ক
বা, ক = ১৮
∴ ক = ১৮
∴ ঘনকটির ধার = ১৮ মিটার।
প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন
প্রশ্ন: একটি ঘনকের কর্ণের দৈর্ঘ্য ১৮√৩ মিটার হলে ঘনকটির ধার কত?
সমাধান:
ধরি,
ঘনকটির ধার = ক মিটার
∴ ঘনকের কর্ণ = √৩ ক
বা, ১৮√৩ = √৩ ক
বা, ক = ১৮
∴ ক = ১৮
∴ ঘনকটির ধার = ১৮ মিটার।
প্রশ্ন: sin(Q + 18°) = 1/√2 হলে, Q এর মান কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
sin (Q + 18°) = 1/√2
বা, sin (Q + 18°) = sin 45°
বা, Q + 18° = 45°
বা, Q = 45° - 18°
∴ Q = 27°
প্রশ্ন: একটি আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ২.৫ গুণ। বাগানের প্রস্থ ৩৬ মিটার হলে, বাগানের পরিসীমা কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
বাগানের প্রস্থ = ৩৬ মিটার
∴ বাগানের দৈর্ঘ্য = (৩৬ × ২.৫) মিটার
= ৯০ মিটার
∴ বাগানের পরিসীমা = ২(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
= ২ × (৯০ + ৩৬) মিটার
= (২ × ১২৬) মিটার
= ২৫২ মিটার
∴ বাগানের পরিসীমা = ২৫২ মিটার ।
প্রশ্ন: একটি খাড়া খুঁটি মাটি থেকে 5 মিটার উপরে ভেঙ্গে বিচ্ছিন্ন না হয়ে অন্যপ্রান্ত খুঁটিটির গোড়া থেকে 12 মিটার দূরে ভূমি স্পর্শ করলো, খুঁটিটির উচ্চতা কত?
সমাধান:
ধরি,
খুঁটির উচ্চতা = h
পীথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে, ,
(h - 5)2 = 52 + 122
বা, (h - 5)2 = 25 + 144
বা, (h - 5)2 = 169
বা, (h - 5)2 = 132
বা, h - 5 = 13
∴ h = 18
∴ খুঁটির উচ্চতা = 18 মিটার ।
প্রশ্ন: 4 মিটার ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট একটি কাঁচের গোলককে গলিয়ে 1 মিটার ব্যাসার্ধের কতগুলো গোলক বানানো যাবে?
সমাধান:
মনে করি,
বড় গোলকের ব্যাসার্ধ, R = 4 m
ছোট গোলকের ব্যাসার্ধ, r = 1 m
∴ গোলক বানানো যাবে = বড় গোলকের আয়তন/ছোট গোলকের আয়তন
= (4/3)πR3/(4/3)πr3
= R3/r3
= 43/13
= 64/1
= 64
∴ গোলক বানানো যাবে = 64 টি।
প্রশ্ন: 2 + tan2θ = 5 হলে θ এর মান কত?
সমাধান:
2 + tan2θ = 5
বা, tan2θ = 5 - 2
বা, tan2θ = 3
বা, tanθ = √3
বা, tan θ = tan 60°
∴ θ = 60°
প্রশ্ন: একটি ঘরের দৈর্ঘ্য ৮ মিটার, প্রস্থ ৬ মিটার এবং উচ্চতা ৩ মিটার হলে ঘরের চার দেয়ালের ক্ষেত্রফল কত হবে?
সমাধান:
ঘরের চার দেয়ালের ক্ষেত্রফল = ২ (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) × উচ্চতা
= ২ (৮ + ৬) × ৩ বর্গ মিটার
= ২ × ১৪ × ৩ বর্গ মিটার
= ৮৪ বর্গ মিটার
∴ ঘরের চার দেয়ালের ক্ষেত্রফল = ৮৪ বর্গ মিটার।
• ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- ডেটন চুক্তি হলো বসনীয় যুদ্ধের অবসান ঘটানো একটি গুরুত্বপূর্ণ শান্তিচুক্তি।
- ১৯৯৫ সালের ২১ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের রাইট–প্যাটারসন এয়ার ফোর্স বেসে চুক্তিটি চূড়ান্ত হয়।
- এবং ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে প্যারিসে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মাধ্যমে ১৯৯২–১৯৯৫ সাল পর্যন্ত চলা রক্তক্ষয়ী বসনীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- এই চুক্তির পূর্ণ নাম— The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে একটি অখণ্ড ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে টিকিয়ে রাখা।
- চুক্তি অনুযায়ী দেশটি দুটি সত্তায় বিভক্ত হয়—বসনিয়াক–ক্রোয়াট ফেডারেশন এবং সার্ব প্রজাতন্ত্র (Republika Srpska), তবে রাজধানী সারায়েভো অবিভক্ত থাকে।
- চুক্তিতে শান্তি আলোচনার নেতৃত্ব দেন মার্কিন কূটনীতিক রিচার্ড হলব্রুক।
- এছাড়া চুক্তির মধ্যস্থতায় ছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন-
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট আলিয়া ইজেতবেগোভিচ,
- ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান,
- এবং সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ।
উৎস: Britannica.
• বুকার পুরস্কার ২০২৫:
- বুকার পুরস্কার ইংরেজি ভাষায় রচিত এবং যুক্তরাজ্য বা আয়ারল্যান্ডে প্রকাশিত সেরা উপন্যাসের জন্য প্রদত্ত অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক সাহিত্য পুরস্কার।
- ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই পুরস্কারটি প্রতি বছর প্রদান করা হয়।
- বিজয়ী লেখককে ৫০,০০০ ব্রিটিশ পাউন্ড (£50,000) অর্থমূল্য দেওয়া হয়।
- ২০২৫ সালের বুকার পুরস্কার জিতেছেন হাঙ্গেরীয়-ব্রিটিশ লেখক ডেভিড সা-লাই।
- তিনি এই সম্মাননা লাভ করেন তাঁর উপন্যাস Flesh–এর জন্য।
- পুরস্কারটি লন্ডন–এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।
-----------------------------
অন্যদিকে,
- ২০২৪ সালের বুকার বিজয়ী সামান্থা হার্ভে তার বিজ্ঞান-কল্পকাহিনী উপন্যাস অরবিটালের জন্য।
- ২০২৩ সালের মর্যাদাপূর্ণ বুকার পুরস্কার জিতেছেন আইরিশ লেখক পল লিঞ্চ।
- তিনি তাঁর উপন্যাস 'প্রফেট সং' (Prophet Song)-এর জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন।
- ২০২২ সালের বুকার পুরস্কার বিজয়ী হলেন শ্রীলঙ্কান লেখক শেহান করুণাতিলকা।
- তিনি তার ‘দ্য সেভেন মুনস অফ মালি আলমেদা’ (The Seven Moons of Maali Almeida) উপন্যাসের জন্য এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করেন।
উৎস: বুকার প্রাইজ ওয়েবসাইট।
• অ্যাবেল পুরস্কার:
- আবেল পুরস্কার গণিতশাস্ত্রে অসামান্য অবদানের জন্য নরওয়েজিয়ান সরকার কর্তৃক প্রতিবছর প্রদান করা একটি মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক পুরস্কার।
- এটি ১৯ শতকের বিখ্যাত নরওয়েজিয়ান গণিতবিদ নিলস হেনরিক আবেল-এর নামে ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি "গণিতের নোবেল" হিসেবে পরিচিত।
- আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পাঁচজন গণিতবিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি বিজয়ী নির্বাচন করে থাকে।
- ২০০৩ সাল থেকে নিয়মিতভাবে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
• অ্যাবেল পুরস্কার ২০২৫:
- ২০২৫ সালে মর্যাদাপূর্ণ অ্যাবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন জাপানি গণিতবিদ মাসাকি কাশিওয়ারা।
- তিনি বর্তমানে কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর ম্যাথমেটিকাল সায়েন্সেস’ (RIMS)-এ কর্মরত একজন বিশ্বখ্যাত গণিতবিদ।
- তিনি এই পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন বীজগাণিতিক বিশ্লেষণ (Algebraic Analysis) এবং রিপ্রেজেন্টেশন থিওরি (Representation Theory)-তে তার মৌলিক অবদানের জন্য।
- কাশিওয়ারা বিশেষভাবে পরিচিত ডি-মডিউল (D-modules) তত্ত্বের বিকাশ এবং ক্রিস্টাল বেস (Crystal bases) আবিষ্কারের জন্য।
----------------------
অন্যদিকে,
- ২০২৩ সালে অ্যাবেল পুরস্কার পেয়েছেন বিশিষ্ট আর্জেন্টাইন-আমেরিকান গণিতবিদ লুইস ক্যাফারেলি।
- ২০২৪ সালে অ্যাবেল পুরস্কার লাভ করেন গণিতবিদ মাইকেল তালাগ্র্যান্ড।
উৎস: The Abel Prize ওয়েবসাইট।
• নেলসন ম্যান্ডেলা:
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে পরিচিত।
- নেলসন ম্যান্ডেলা ১৮ জুলাই ১৯১৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর জন্মদিনটি বিশ্বজুড়ে ম্যান্ডেলা দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা মানবতা, শান্তি ও ন্যায়বিচারের প্রতীক।
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুনু গ্রামে, এবং পরবর্তীতে তাঁর সমাধিও সেখানে অবস্থিত।
- রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হিসেবে তিনি ১৯৪৩ সালে African National Congress (ANC)-এ যোগ দেন।
- এই সংগঠনের মাধ্যমে তিনি বর্ণবাদ বা আপার্টহাইট নীতির বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে আন্দোলনে অংশ নেন।
- শ্বেতাঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে তাঁর সংগ্রামের কারণে ১৯৬২ সালে নাশকতার অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
- ১৯৬৪ সালে তাঁকে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড দিয়ে রোবেন দ্বীপে নির্বাসনে পাঠানো হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে তাঁকে পোলসমুল কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
- এভাবে তিনি ১৯৬৪ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রায় ২৭ বছর কারাবন্দি অবস্থায় কাটান।
- তাঁর কয়েদি নম্বর ছিল ৪৬৬৬৪, যা পরে এইডস বিরোধী আন্তর্জাতিক প্রচারণার প্রতীকী নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- দীর্ঘ সংগ্রামের পর ১৯৯০ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা মুক্তি লাভ করেন।
- বর্ণবাদ অবসানে তাঁর অবদান ও শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য তিনি ১৯৯৩ সালে এফ. ডব্লিউ. ডি. ক্লার্কের সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- এরপর ১৯৯৪ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- একই বছরে রাজনীতি থেকে তিনি অবসর গ্রহণ করেন।
- নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ Long Walk to Freedom.
- এখানে তাঁর দীর্ঘ সংগ্রাম, কারাজীবন ও আদর্শের প্রতিফলন ঘটেছে।
- তাঁর বিখ্যাত উক্তি—
“Education is the most powerful weapon which you can use to change the world”—এর মাধ্যমে তিনি শিক্ষা ও মানবমুক্তির গুরুত্ব গভীরভাবে তুলে ধরেছেন।
উৎস: Britannica ও Global Governance Forum.
• ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬:
- ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর অনুষ্ঠিত হবে।
- এই আসরের আয়োজন তিনটি দেশে করা হবে—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো।
- টুর্নামেন্টের সময়কাল হবে ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- এতে মোট ৪৮টি দেশ অংশগ্রহণ করবে এবং ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
- ম্যাচগুলো ১৬টি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে, যা তিনটি দেশের বিভিন্ন শহরে অবস্থিত।
- ২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বলের নাম রাখা হয়েছে ‘ট্রাইওন্ডা’।
- এই বিশ্বকাপের জন্য তিনটি মাসকট উন্মোচিত হয়েছে, যা আয়োজক তিন দেশের প্রতীকী জীবজন্তু হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।
- এই তিনটি মাসকট একসাথে আনন্দ, উদ্যম এবং একতার প্রতীক, যা ফুটবল এবং বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির সঙ্গে মানুষের আবেগ ছড়িয়ে দেয়।
- এগুলো হলো:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ক্লাচ’ নামের টাক ঈগল,
- কানাডার ‘মেপল’ নামের মুজ,
- এবং মেক্সিকোর জঙ্গল থেকে আসা ‘জায়ু’ নামের জাগুয়ার।
উৎস: ফিফা ওয়েবসাইট।
• যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্পর্ক:
- ১৯৮০ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লব এবং মার্কিন কূটনীতিক জিম্মি সংকটের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিন উত্তেজনাপূর্ণভাবে তৈরি হয়েছে। মূলত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তার এবং আঞ্চলিক মিত্রদের নিরাপত্তা ইস্যু এই সম্পর্ক খারাপের কারণ। ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত JCPOA বা ইরান পারমাণবিক চুক্তি অনুযায়ী ইরান পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত করবে এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে, কিন্তু ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে বের হয়ে যায়। ২০২৫-২০২৬ সালে সম্পর্ক আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে; মার্কিন বাহিনী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় আক্রমণ পরিচালনা করে এবং ইরান রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ মহড়া চালায়। বর্তমানে তুরস্ক ও কাতারের মধ্যস্থতায় জেনেভায় আলোচনার মাধ্যমে সীমিত সমঝোতার চেষ্টা চলছে, যেখানে ইরান শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তির অধিকার চাইছে, এবং যুক্তরাষ্ট্র কিছুটা সীমিত নমনীয়তা দেখাচ্ছে। তবে এখনও চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি এবং উভয় পক্ষের মধ্যে অবিশ্বাস ও উত্তেজনা বজায় আছে।
------------------------------
উল্লেখ্য,
- বর্তমানে ২০২৬ এর ফেব্রুয়ারির তথ্য অনুযায়ী:
যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও সামরিক ক্ষমতা সীমিত করতে পরিকল্পনা করছে। ট্রাম্প প্রশাসন সমরাস্ত্র মোতায়েন এবং দুটি বিমানবাহী রণতরির মাধ্যমে ইরানকে শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ না করতে দেওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের জন্য ঝুঁকি কমানো। ইসরায়েলও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও পারমাণবিক স্থাপনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাচ্ছে।
ইরান আলোচনায় কিছু নমনীয়তা দেখালেও পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে নিচ্ছে না। এর পাশাপাশি, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ইরানকে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত শক্তি হিসেবে রাখছে। সরকারবিরোধী আন্দোলন থাকলেও জনগণের মধ্যে কোনো বিকল্প নেতৃত্ব স্পষ্ট নয়, এবং রেজা পাহলভি শাহ শাসনের প্রত্যাবর্তনের আহ্বান সত্ত্বেও বাস্তবায়ন কঠিন।
২০২৫ সালে ইসরায়েলের হামলায় ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনায় উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছিল, তবে ইরান ধীরে ধীরে তা পুনঃস্থাপন করেছে। সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনী হস্তক্ষেপ করলেও, জনগণকে সমর্থন দিয়ে ইরান কিছু পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পিত হামলা বা ইরান সরকারের পরিবর্তন বাস্তবায়ন করা সহজ নয়, এবং এটি আরও জটিল ও বিপজ্জনক।
উৎস: দৈনিক কালের কণ্ঠ ও প্রথম আলো পত্রিকা।
• উজবেকিস্তান:
- উজবেকিস্তানের মুদ্রার নাম- সোম।
- উজবেকিস্তানের রাজধানী হলো তাশখন্দ।
- এটি দেশের সবচেয়ে বড় শহর এবং প্রধান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
- মধ্য এশিয়ার অন্যতম জনবহুল শহর হওয়ায় এর ভৌগোলিক অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি কাজাখস্তান সীমান্তের কাছে অবস্থিত।
-------------------------------
অন্যদিকে,
- রাশিয়ার মুদ্রার নাম - রুবল।
- তুর্কমেনিস্তানের মুদ্রার নাম - মানাত।
- তাজিকিস্তান এর মুদ্রার নাম - সোমনি।
উৎস: Britannica.
সংবাদ প্রভাকর:
- প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা 'সংবাদ প্রভাকর' সম্পাদনা করেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
- তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
- তিনি ছিলেন একজন কবি, সাংবাদিক।
- পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার কাঞ্চনপল্লী বা কাঁচড়াপাড়া গ্রামে তিনি ১২১৮ বঙ্গাব্দের ২৫ ফাল্গুন (মার্চ ১৮১২) জন্মগ্রহণ করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর ছদ্মনাম ছিল 'ভ্রমণকারী বন্ধু'।
- তাঁর রচনার বিশেষত্ব ছিল ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ।
- তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো কবিয়ালদের লুপ্তপ্রায় জীবনী উদ্ধার করে প্রকাশ করা।
- ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
'বন্দি শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থ:
- শামসুর রাহমানের লেখা 'বন্দী শিবির থেকে' একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ।
- এটি ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রচিত।
- কাব্যগ্রন্থের শুরুতে ‘পুর্বলেখ’ শিরোনামে কবি এই কাব্যগ্রন্থটি রচনার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেন।
• এই কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা:
- তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা,
- স্বাধীনতা তুমি,
- মধুস্মৃতি,
- রক্তাক্ত প্রান্তরে ইত্যাদি।
উল্লেখ্য,
- শামসুর রাহমান ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ভারতের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেন।
- সেখান থাকাকালীন তিনি 'মজলুম আদিব' ছদ্মনামে দেশ পত্রিকায় লিখতেন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
কাজী নজরুল ইসলাম:
- তিনি পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ২৪ মে ১৮৯৯ সালে।
- তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ নামে পরিচিত।
- আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- নজরুলের কবি ও শিল্পী জীবনের শুরু এ লেটোদল থেকেই।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
- জাতীয় কবি মৃত্যু বরণ করেন ২৯ আগস্ট ১৯৭৬।
- কাজী নজরুলের রচিত উপন্যাস সমূহ:
• বাঁধন-হারা:
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস বাঁধন-হারা।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস।
• মৃত্যু-ক্ষুধা:
- মৃত্যু-ক্ষুধা উপন্যাসটি একটি সামাজিক উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ধারাবাহিক ভাবে সওগত পত্রিকায় চাপা হয়।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র - আনাস, রুবি, মেজো- বৌ, প্যাঁকালে, কুর্শি।
• কুহেলিকা:
- কুহেলিকা উপন্যাসটি রাজনৈতিক উপন্যাস ।
- ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে এটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
উল্লেখ্য,
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
আরেক ফাল্গুন:
- জহির রায়হান ‘আরেক ফাল্গুন ‘ উপন্যাসটি রচনা করেন।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদ আন্দোলন ও ১৯৫২ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় এটি রচিত।
- ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয় ‘আরেক ফাল্গুন‘ উপন্যাসটি।
- উপন্যাসটির মূল বিষয় ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ হয়ে ১৯৫৫ পর্যন্ত চলমান আন্দোলন, জনতার সম্মিলন, ছাত্রছাত্রীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ, তাদের প্রেম- প্রণয় ইত্যাদি ।
- এই উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য সংলাপ- 'আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুণ হবো'।
• এই উপন্যাসের চরিত্রগুলো হলো:
- মুমিন,
- আসাদ,
- রসুল,
- সালমা।
• জহির রায়হান রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- হাজার বছর ধরে,
- বরফ গলা নদী,
- আর কতদিন,
- তৃষ্ণা,
- শেষ বিকেলের মেয়ে,
- কয়েকটি মৃত্যু।
উল্লেখ্য,
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে জহির রায়হান রচিত গল্প- 'একুশের গল্প'।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
ভাত দে হারামজাদা:
- রফিক আজাদের বিখ্যাত কবিতা 'ভাত দে হারামজাদা'।
- এটি 'সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে' কাব্যগ্রন্থে সংকলিত।
- ছিয়াত্তরের দুর্ভিক্ষকালে খ্যাতি পাওয়া রফিক আজাদের কবিতা।
ভাত দে হারামজাদা
রফিক আজাদ
ভীষণ ক্ষুধার্ত আছি, উদরে, শরীরজুড়ে বেপর
অনুভূত হতে থাকে-প্রতিপলে-সর্বগ্রাসী ক্ষুধা
অনাবৃষ্টি যেমন চৈত্রের শস্যক্ষেতে জ্বেলে দেয়
প্রচণ্ড দাবানল-তেমনি ক্ষুধার জ্বালা, জ্বলে দেহ
দু’বেলা দু’মুঠো পেলে মোটে নেই অন্য কোনো দাবি
অনেকে অনেককিছু চেয়ে নিচ্ছে, সকলেই চায়;
বাড়ি, গাড়ি, টাকা কড়ি-কারো বা খ্যাতির লোভ আছে
আমার সামান্য দাবি পুড়ে যাচ্ছে পেটের আগুনে-
ভাত চাই-এই চাওয়া সামান্য দাবি বা গরিব
সরু বা দারুণ মোটা রেশনের লাল চাল হলে
কোন ক্ষতি নেই-মাত্র খানিক ভাত চাই;
দু’বেলা দু’মুঠো পেলে ছেড়ে দেবো অন্য-সব দাবি।
উল্লেখ্য,
- রফিক আজাদ টাঙ্গাইল জেলার জাহিদগঞ্জের গুণীগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার ডাক নাম ছিল- জীবন।
- কর্মজীবনে তিনি সাংবাদিকতা, শিক্ষকতা ও সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত ছিলেন।
- রফিক আজাদ মাসিক সাহিত্য পত্রিকা 'উত্তরাধিকার' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তিনি ২০১৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
• তাঁর বিখ্যাত কিছু কাব্যগ্রন্থ:
- চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া,
- অসম্ভবের পায়ে,
- কোনো খেদ নেই,
- হৃদয়ের কী বা দোষ,
- সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে,
- প্রিয় শাড়িগুলো,
- অপর অরণ্যে,
- হৃদয়ের কি বা দোষ,
- পাগলা গারদ থেকে প্রেমিকার চিঠি ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
পরিচয়:
- 'পরিচয়' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৩৩৮ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ মাসে (১৯৩১, জুলাই)।
- পত্রিকাটি ত্রৈমাসিক।
- ত্রৈমাসিক 'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করে সুধীন্দ্রনাথ দত্ত অমর হয়ে আছেন।
উল্লেখ্য,
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন একজন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক।
- ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন ত্রিশের দশকের রবীন্দ্রকাব্যধারার বিরোধী খ্যাতিমান কবিদের অন্যতম।
- ফরাসি কবি মালার্মের প্রতীকী কাব্যাদর্শ তিনি অনুসরণ করেন।
- 'তন্বী' কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।
- ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য, মননশীলতা ও নাগরিক বৈদগ্ধ্য তাঁর কাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বাংলা কবিতায় তিনি দর্শনচিন্তার নান্দনিক প্রকাশ ঘটান।
- তিনি বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপেরও প্রবর্তক।
- ১৯৬০ সালে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- তন্বী,
- অর্কেষ্ট্রা,
- ক্রন্দসী,
- উত্তরফাল্গুনী,
- সংবর্ত,
- প্রতিদিন,
- দশমী।
• তাঁর রচিত অনুবাদ-কাব্যগ্রন্থ:
- প্রতিধ্বনি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত চলচ্চিত্র:
- হুমায়ূন আহমেদের প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫)।
- তার শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র শ্যামল ছায়া ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি অবলম্বনে নির্মিত।
উল্লেখ্য,
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম নেত্রকোনা জেলায় ১৯৪৮ সালে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- 'নন্দিত নরকে' (১৯৭২) তাঁর লেখা প্রথম উপন্যাস।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস 'শঙ্খনীল কারাগার' (১৯৭৩)।
• তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- ১৯৭১,
- অনিল বাগচীর একদিন।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
একুশে পদক ২০২৬:
- দেশের নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত করেছে সরকার।
- প্রতিষ্ঠান হিসেবে- ব্যান্ড সংগীতের দল ওয়ারফেজ মনোনীত হয়েছে।
একুশে পদক ২০২৬ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
- চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফরিদা আক্তার ববিতা,
- চারুকলায় অধ্যাপক মো. আব্দুস সাত্তার,
- স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম,
- সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু,
- নৃত্যে অর্থি আহমেদ,
- নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার,
- সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান,
- শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার ও
- ভাস্কর্যে তেজস হালদার যশ।
উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।
- ড. কুদরাত-ই-খুদার নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়।
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন:
⇒ সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মানবসম্পদের উন্নয়নে শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
- দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ছয় মাসের মধ্যে স্বাধীন দেশের উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- এই লক্ষ্যে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ কুদরাত-ই-খুদার নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়।
এছাড়াও,
- শিক্ষা ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে ৯০০ কলেজ ভবন ও ৪০০ হাইস্কুল পুননির্মাণ করা হয়।
- প্রথমবারের মতো সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করা হয়।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় শিক্ষকদের পাওনা ৯ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়।
- সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে স্বায়ত্তশাসন প্রদানের জন্য জাতীয় সংসদে ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করেন।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
• বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এএফসি নারী এশিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়।
- ২০২৬ সালে এএফসি নারী এশিয়ান কাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয় অস্ট্রেলিয়া।
- আগামী ১-২১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এএফসি নারী এশিয়ান কাপ ফুটবল।
- ২০২৬ সালে ১-২১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার তিন শহর সিডনি, পার্থ ও গোল্ডকোস্টে অনুষ্ঠিত হবে নারী ফুটবল এশিয়া কাপ।
- এএফসি এশিয়ান কাপের ড্রতে গ্রুপ 'বি'তে খেলবে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশের সঙ্গে চীন, কোরিয়া ও উজবেকিস্তানের।
- কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলে বাংলাদেশের ২০২৭ নারী বিশ্বকাপে খেলার সুবর্ণ সুযোগ।
- কোয়ার্টার ফাইনালে জয়ী চার দল সেমিফাইনাল খেলার পাশাপাশি সরাসরি ব্রাজিল বিশ্বকাপের টিকিট পাবে।
উৎস: বাসস।
মোদের গরব:
- "মোদের গর্ব" স্থপতি অখিল পাল তৈরি করা একটি খ্যাতিমান ভাস্কর্য।
- ‘মোদের গরব’ ভাস্কর্যটি ঢাকার বাংলা একাডেমি ভবনের সামনে অবস্থিত।
- এটি ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে নির্মিত হয়েছে এবং
- ২০০৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে গ্রন্থমেলায় উদ্বোধন করা হয়।
- ভাস্কর্যটিতে ভাষা আন্দোলনের পাঁচ শহিদ রফিক, শফিউর, সালাম, বরকত এবং জব্বারের ধাতব অবয়ব রয়েছে।
- এর পেছনে একটি উঁচু দেয়াল এবং দেয়ালের নিচে ভাষা আন্দোলনের ঘটনাগুলো চিত্রের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- দেয়ালের দুই পাশে রয়েছে টেরাকোটার নকশা, যা ভাস্কর্যটিকে আরও দৃষ্টিনন্দন করেছে।
উৎস: বাংলা একাডেমি ও প্রথম আলো।
বাংলাদেশের খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা কর্মসূচি চালু হয়- ১৯৯৩ সালে ।
খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা কর্মসূচির সূচনা
- ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে বাংলাদেশের শিক্ষা খাত গভীর সংকটে ছিল।
- দারিদ্র্য, সামাজিক কুসংস্কার এবং লিঙ্গবৈষম্যের কারণে লাখ লাখ শিশু, বিশেষ করে মেয়েরা, স্কুলের বাইরে থেকে যেত।
- এ বঞ্চনা বাল্যবিবাহ, উচ্চ জন্মহার এবং নারীর অশিক্ষার এক দুষ্টচক্রকে স্থায়ী করে তোলে, যা জাতীয় উন্নয়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
- ১৯৯৩ সালে বিএনপি সরকার ‘ফুড ফর এডুকেশন’ কর্মসূচি চালু করে, যা পরে নগদ সহায়তা পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়।
- এই কর্মসূচির মূলনীতি ছিল দরিদ্র পরিবারগুলোকে খাদ্যশস্য বা নগদ অর্থ দেওয়ার শর্তে তাদের মেয়েসন্তানদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে পাঠানো। এ উদ্যোগ দরিদ্র পরিবারের জন্য শিক্ষার খরচ কমিয়ে দেয় এবং মেয়েসন্তানদের শিক্ষা গ্রহণে শক্তিশালী উৎসাহ সৃষ্টি করে।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং প্রথম আলো।
• নেপ পরিচিতি:
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE) সর্বপ্রথম ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এখানে ২ বৎসর মেয়াদি ইন্টারমিডিয়েট ইন এডুকেশন (আই এড) কোর্স পরিচালিত হয়।
- ময়মনসিংহ ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী, রংপুর ও যশোরে অনুরূপ আরো পাঁচটি জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) স্থাপিত হয়।
- মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা শুরু করে ।
- উক্ত কলেজগুলোতে ৩ বছর মেয়াদি ব্যাচেলর অব আর্টস ইন এডুকেশন (বিএ ইন এডুকেশন) কোর্স চালু হয় ।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকাস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি সরকারী কবি নজরুল কলেজ হিসেবে রূপান্তরিত হয়।
- অন্য চারটি কলেজ অব এডুকেশন (চট্টগ্রাম, ফেণি, রংপুর ও যশোর) টিচার্স ট্রেনিং কলেজে উন্নীত হয়।
- এছাড়া ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি "মৌলিক শিক্ষা একাডেমি" (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)" ।
- ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে একাডেমী স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
• রূপকল্প ( Vision) : মানসম্মত প্রশিক্ষণ ও গবেষণা পরিচালনা
• অভিলক্ষ্য (Mission) : প্রশিক্ষণ ও গবেষণা পরিচালনার মাধ্যমে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন ।
উৎস: জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE)।
স্বাধীনতা পুরস্কার - ২০২৬
- ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬.
• জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
• মুক্তিযুদ্ধ: মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর)
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জহুরুল করিম (সাবেক সচিব, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক)
• সাহিত্য: আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর)
• সংস্কৃতি:
- এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত, ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক)
- বশীর আহমেদ (মরণোত্তর, সংগীতশিল্পী)
• ক্রীড়া: জোবেরা রহমান (লিনু, টেবিল টেনিসের কিংবদন্তি)
• সমাজসেবা:
- ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা)
- মো. সাইদুল হক
• শিক্ষা: মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর, শিক্ষক, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নিহত বিমান দুর্ঘটনায়)
• জনপ্রশাসন: কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর)
• গবেষণা ও প্রশিক্ষণ:
- মোহাম্মদ আবদুল বাকী
- অধ্যাপক এম এ রহিম
- অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া
• পরিবেশ সংরক্ষণ:
- আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং চ্যানেল আইয়ের পরিচালক)।
• স্বাধীনতা পুরষ্কারের জন্য মনোনীত পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো:
- মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ,
- চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,
- পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ),
- সমাজসেবায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
উৎস: প্রথম আলো।