ব্যাখ্যা : চর্যাপদের কবির সংখ্যা ২৩ জন, মতান্তরে ২৪ জন। - নন্দীপা নামে কোনো কবি নেই। - কিন্তু জয়নন্দীপা নামে কবি আছে।তিনি ৪৬ নং পদটি রচনা করেছেন। উৎস : বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
২.
চর্যাপদে বর্ণিত চরিত্রগুলো কোন শ্রেণির?
ক
ক) নিম্ববর্গ
খ
খ) মধ্যবিত্ত
গ
গ) সন্ন্যাসী
ঘ
ঘ) ভাববাদী
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়াদের সাধন সংগীত হলেও এখানে বর্ণিত চরিত্রগুলো অন্ত্যজ, ম্লেচ্ছ ও নিম্ববর্গের। - এরা মলেগ্রহী, কুড়ব, চন্ডাল, বরুড়, তক্ষণকার ইত্যাদি জাতের। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩.
নিচের কোনটি অন্ধকার যুগের কাব্যাংশ?
ক
ক) নিরঞ্জনের উষ্মা
খ
খ) শূন্যপুরাণ
গ
গ) সেক শুভোদয়া
ঘ
ঘ) নিলপুরাণ
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : নিরঞ্জনের উষ্মা রামাই পন্ডিত রচিত বৌদ্ধ ধর্মী তত্ত্বের গ্রন্থ ‘শূন্যপুরাণ’ এর কাব্যাংশ। - প্রশ্নে কাব্য থাকলে উত্তর হবে শূন্যপুরাণ। আর কাব্যাংশ হলে উত্তর হবে নিরঞ্জনের উষ্মা।
উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪.
রাধার স্বামীর নাম কী?
ক
ক) কৃষ্ণ
খ
খ) নিমাই
গ
গ) অভিমন্যু
ঘ
ঘ) নন্দ গোপ
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : - রাধার স্বামী ছিল নপুংশক (সম্পর্কে কৃষ্ণের মামা)। - অভিমুন্যু ছাড়াও তাকে আইহন বা আয়ান ঘোষ বা আয়ান গোপ নামেও ডাকা হয়। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫.
‘চৌতিশা’ কী?
ক
ক) চৌত্রিশজন কবির রচিত কাব্যের বিভিন্ন অংশের সংকলন
খ
খ) নায়িকার চৌত্রিশ দিনের দুঃখের বর্ণনা
গ
গ) নায়ক-নায়িকার চৌত্রিশ অক্ষরে ইষ্টদেবতার জন্য স্তব রচনা
ঘ
ঘ) বিপন্ন নায়ক-নায়িকার জন্য রচিত চৌত্রিশ পঙক্তির কবিতাবিশেষ
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : মঙ্গলকাব্যে বিপন্ন নায়ক-নায়িকা চৌত্রিশ অক্ষরে ইষ্টদেবতার যে স্তব রচনা করে তাকে চৌতিশা বলে। ব্যঞ্জণবর্ণের ক থেকে হ পর্যন্ত বর্ণ পদের আদিতে প্রয়োগ করে এই চৌতিশা রচিত হত। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৬.
রামায়ণ কোন ভাষার কাব্য?
ক
ক) হিন্দি
খ
খ) বাংলা
গ
গ) সংস্কৃত
ঘ
ঘ) পালি
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : - কবি বাল্মীকি রচিত রামায়ণ সংস্কৃত ভাষার কাব্য। বাল্মীকি আগে রত্নাকর নামে দস্যুবৃত্তি করতেন। - বাল্মীকির 'রামায়ণ' প্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন পনের শতকের কবি কৃত্তিবাস ওঝা। - তিনিই রামায়ণের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক। তাঁর রচিত রামায়ণের অন্যনাম 'শ্রীরাম পাঞ্চালী'। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৭.
মৈয়মনসিংহ গীতিকাগুলো সংগ্রহ করেন কে?
ক
ক) ড. দীনেশচন্দ্র সেন
খ
খ) জসীম উদ্দীন
গ
গ) চন্দ্রকুমার সেন
ঘ
ঘ) চন্দ্রকুমার দে
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার নেত্রকোণা ও কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের গীতিকাব্য মৈয়মনসিংহ গীতিকা । ড. দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় ও স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়। কিন্তু এই গীতিকাগুলো সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে।
উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৮.
‘দেওয়ানা মদিনা’ পালা কোন অঞ্চলের কাহিনী নিয়ে রচিত?
ক
ক) নেত্রকোনা
খ
খ) কিশোরগঞ্জ
গ
গ) ময়মনসিংহ
ঘ
ঘ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : হবিগঞ্জ জেলার বৃহত্তম গ্রাম বানিয়াচঙের দেওয়ান সম্পর্কে এই পালা রচিত হয়। - এর রয়চিয়তা মনসুর বয়াতি। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৯.
বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
ক
ক) জাতীয়তাবাদ
খ
খ) ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ
গ
গ) নারীমুক্তি
ঘ
ঘ) মানবতাবাদ
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ শুরু হয়েছে ১৮০১ সাল থেকে। - ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা, নারীমুক্তি ইত্যাদি আধুনিক যুগের সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য হলেও মানবতাবাদ প্রধান। উৎস : বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম
১০.
বাংলা গদ্য লেখার প্রচলন হয় কাদের হাতে ধরে?
ক
ক) বাঙালিদের
খ
খ) পুর্তগিজদের
গ
গ) ইংরেজদের
ঘ
ঘ) পুরোহিতদের
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : ১৫৫৫ সালে কোচবিহারের রাজা কর্তৃক আসামের রাজাকে লেখা পত্রকে বাংলা গদ্যের আদি নিদর্শন হয়। - পরবর্তীতে সতের শতকে দোম আন্তোনিও নামক একজন বাঙালি পাদ্রি ‘রোমান ক্যাথলিক সংবাদ’ গ্রন্থে বাংলা গদ্যের নিদর্শন পাওয়া যায়। - কিন্তু ১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার পরে ১৮০১ সালে বাংলা বিভাগ খোলা হয় এবং উইলিয়াম কেরির (ইংরেজ) নেতৃত্বে বাংলা গদ্যের প্রচলন হয়। উৎস : বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম
১১.
বাংলা আধুনিক সাহিত্যে আধুনিকতার জনক কে?
ক
ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
খ
খ) রাজা রামমোহন রায়
গ
গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ঘ
ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : আধুনিকতার বৈশিষ্ট্য হলো মানবতাবাদ, দেশপ্রেম, জাতীয়তাবাদ, ধর্ম নিরপেক্ষতা, নারীমুক্তি ইত্যাদি। - মাইকেল মুধুসূদন দত্তের কাব্যের মধ্যে সর্বপ্রথম এই বৈশিষ্ট্যগুলো পরিলক্ষিত হয়। - ফলে মাইকেল মুধুসূদন দত্তকে বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার জনক বলা হয়।
উৎস: লাল নীল দীপাবলি।
১২.
কোনটি ঐতিহাসিক উপন্যাস?
ক
ক) রাজসিংহ
খ
খ) মৃত্যু-ক্ষুধা
গ
গ) ঘরে বাইরে
ঘ
ঘ) গোরা
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘রাজসিংহ’ ১৮৮২ সালে প্রকাশিত হয়। এখানে রাজপুত রাজা রাজসিংহের সঙ্গে মোঘল বাদশা আওরঙ্গজেবের যুদ্ধ দেখানো হয়। উৎস : বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম
১৩.
নিচের কোনটি রূপক উপন্যাস নয়?
ক
ক) ক্রীতদাসের হাসি
খ
খ) রাজা উপাখ্যান
গ
গ) পতঙ্গ পিঞ্জর
ঘ
ঘ) চাঁদের অমাবস্যা
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : - ক্রীতদাসের হাসি, রাজা উপাখ্যান, পতঙ্গ পিঞ্জর শওকত উসমানের রূপক উপস্যাস হলেও ‘চাঁদের অমবস্যা’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
১৪.
‘পথে প্রবাসে’ কার লেখা?
ক
ক) ড. মুহম্মদ আব্দুল হাই
খ
খ) অন্নদাশঙ্কর রায়
গ
গ) সৈয়দ মুজতবা আলী
ঘ
ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : - পথে প্রবাসে আন্নদাশঙ্কর রায়ের বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি। এটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
১৫.
‘মানবতন্ত্র’ কার লেখা?
ক
ক) আবু রুশদ
খ
খ) আবুল ফজল
গ
গ) আব্দুল কাদির
ঘ
ঘ) মোতাহের হোসেন চৌধুরী
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : আবুল ফজল (১৯০৩-১৯৮৩) রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ ‘মানবতন্ত্র’তে মানুষের জয়গান গাওয়া হয়েছে। এখানে মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানের চেষ্টা আছে। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
১৬.
‘আয়না’ গ্রন্থের মুখবন্ধ লেখেন কে?
ক
ক) কাজী আব্দুল ওদুদ
খ
খ) আবুল মনসুর আহমদ
গ
গ) সৈয়দ মুজতবা আলী
ঘ
ঘ) কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : আবুল মনসুর আহমদ রচিত বিখ্যাত রঙ্গ-ব্যঙ্গ সাহিত্য ‘আয়না’ গ্রন্থের মুখবন্ধ বা ভূমিকা লেখেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম। এই গল্পে ময়মনসিংহের ত্রিশাল অঞ্চলের কাঠমোল্লাদের ভন্ডামি ও ধর্মীয় গোড়ামিকে হাস্যরসের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন গল্পাবয়বে। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
১৭.
‘যে তুমি হরণ করো’ কার লেখা?
ক
ক) আবুল হুসেন
খ
খ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
গ
গ) রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
ঘ
ঘ) আবুল হাসান
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : আবুল হাসান (১৯৪৭-১৯৭৫) এর কবিতায় আত্মগত দুঃখবোধ, মৃত্যুচেতনা, নিঃসঙ্গতাবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রাধান্য পায়। রাজা যায় রাজা আসে, যে তুমি হরণ করো, পৃথক পালঙ্ক - তার কাব্যগ্রন্থ। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
১৮.
‘অলাতচক্র’ উপস্যার কার লেখা?
ক
ক) আবু ইসহাক
খ
খ) জহির রায়হান
গ
গ) আহমদ ছফা
ঘ
ঘ) মাহমুদুল হাসান
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : আহমদ ছফা রচিত অলাতচক্র (১৯৯৩) সালে গ্রন্থকারে প্রকাশ পায়। - এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক একটি উপন্যাস। - এই উপন্যাসে লেখক মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বাইরের দেশগুলোর অংশগ্রহণকে সমালোচকের দৃষ্টিতে গ্রহণ করেছেন। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
১৯.
‘শাশ্বতবঙ্গ’ কার লেখা?
ক
ক) কাঙাল হরিনাথ
খ
খ) আবুল ফজল
গ
গ) কাজী মোতাহার হোসেন
ঘ
ঘ) কাজী আবদুর ওদুদ
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : কাজী আবদুল ওদুদ (১৮৯৪-১৯৭০) রচিত ‘শাশ্বতবঙ্গ’ একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ। এটি ১৯৫১ সালে সংকলিত হয়। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
২০.
নিচের কোনটি আলাদা?
ক
ক) শিউলিমালা
খ
খ) রিক্তের বেদন
গ
গ) ব্যথার দান
ঘ
ঘ) বাঁধনহারা
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : শিউলিমালা, রিক্তের বেদন ও ব্যথার দান গল্পগ্রন্থ হলেও বাঁধন-হারা নজরুলের প্রথম উপন্যাস। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
২১.
নজরুলের প্রেমের কাব্য নয় কোনটি?
ক
ক) দোলন-চাঁপা
খ
খ) সিন্ধু-হিন্দোল
গ
গ) চক্রবাক
ঘ
ঘ) সঞ্চিতা
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : দোলন-চাঁপা, সিন্ধু-হিন্দোল, চক্রবাক নজরুলের প্রেম ও প্রকৃতি নির্ভর কাব্যগ্রন্থ। - অন্যদিকে সঞ্চিতা নজরুলের কাব্য সংকলন। এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছে। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
২২.
কাজী নজরুলকে জাতীয় সংবর্ধনা দেওয়া হয় কত সালে?
ক
ক) ১৯৭২১
খ
খ) ১৯৭৬
গ
গ) ১৯৪১
ঘ
ঘ) ১৯২৯
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : ১৯২৯ সালে কলকাতার অ্যালবার্ট হলে নজরুলকে জাতীয় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
২৩.
‘সুচয়নী’ কী ধরনের গ্রন্থ?
ক
ক) কাব্যগ্রন্থ
খ
খ) গল্পগ্রন্থ
গ
গ) গীতিকা
ঘ
ঘ) কাব্যসংকলন
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : কবি জসীম উদ্দীনের কবিতার সংকলন সুচয়নী। প্রশ্নে কাব্যসংকলন না থাকলে কাব্যগ্রন্থ উত্তর করতে হবে। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
২৪.
‘সাতটি তারার তিমির’ কাব্যগ্রন্থের সাতটি তারা বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
ক
ক) সাতটি শহর
খ
খ) সাতটি
গ
গ) সাতটি মহাদেশ
ঘ
ঘ) সাতজন মহামানব
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : জীবনানন্দ দাশ রচিত সাতটি তারার তিমির কাব্যগ্রন্থটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর তালমালাট পৃথিবীর অবস্থা বুঝাতে গিয়ে তিনি তার কাব্যগ্রন্থের নাম দিয়েছেন ‘সাতটি তারার তিমির’। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
২৫.
কোন গ্রন্থটির নাম জীবনান্দ দাশ রাখেনি?
ক
ক) মাল্যবান
খ
খ) রূপসী বাংলা
গ
গ) ধূসর পান্ডুলিপি
ঘ
ঘ) সতীর্থ
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর প্রকাশিত রূপসী বাংলা কাব্যের নাম তিনি রাখেননি। - ‘বাংলা ত্রস্ত নীলিমা’ নামে তিনি একটি গ্রন্থ লিখতে চেয়েছিলেন। এইটিই রূপসী বাংলা নামে প্রকাশিত হয়। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
২৬.
‘ইয়ংবেঙ্গল’ তরুণ ছাত্রগোষ্ঠীদের নিয়ে কে প্রহসন লিখেছেন?
ক
ক) কাজী নজরুল ইসলাম
খ
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ
গ) আবুল মনসুর আহমদ
ঘ
ঘ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : ডিরোজিও প্রভাবিত ‘ইয়ংবেঙ্গল’ ছাত্রগোষ্ঠীকে নিয়ে মাইকেল মধুসূদন দত্ত ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ নামে একটি প্রহসন লিখেছেন। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
২৭.
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখার প্রধান প্রবণতা কী?
ক
ক) রাঢ় অঞ্চলের নর-নারীর প্রেমের সঙ্গে প্রকৃতির মিলন
খ
খ) রাঢ় অঞ্চলেরগ্রামীণ জীবনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়
গ
গ) মানবমনের নিগূঢ় সত্যের সাহিত্যিক উপস্থাপন
ঘ
ঘ) নিম্ববর্গের মানুষের টিকে থাকার সংগ্রাম
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় (১৮৯৮-১৯৭১) ত্রিশের অন্যতম লেখক। - তাঁর লেখায় রাঢ় অঞ্চলের বঙ্গের গ্রামীণ জীবনের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়, দুঃখ ও কষ্টকে ফুটে ওঠে।
২৮.
তারাশঙ্করের ত্রয়ী উপস্যাসের মধ্যে কোনটি নেই?
ক
ক) কালিন্দী
খ
খ) ধাত্রীদেবতা
গ
গ) গণদেবতা
ঘ
ঘ) পঞ্চগ্রাম
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : কালিন্দী তারাশঙ্করের অন্যতম উপন্যাস। এটি ১৯৪০ সালে প্রকাশিত হয়। বিবদমান দুই জমিদার বাড়ির কাহিনি নিয়ে এটি লেখা। তারাশঙ্করের ত্রয়ী উপন্যাস হলো: - ধাত্রীদেবতা - গণদেবতা - পঞ্চগ্রাম উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
২৯.
‘সেই রাতের কল্পকাহিনী’ কবিতাটি কার লেখা?
ক
ক) রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
খ
খ) নির্মলেন্দু গুণ
গ
গ) রফিক আজাদ
ঘ
ঘ) শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ডের রাতের ঘটনা নিয়ে লেখা নির্মলেন্দু গুণের বিখ্যাত কবিতা ‘সেই রাতের কল্পকাহিনী’। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৩০.
‘নিমগাছ’ গল্পটি কার লেখা?
ক
ক) বনফুল
খ
খ) কালকূট
গ
গ) হাসান আজিজুল হক
ঘ
ঘ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বনফুল নামে লিখতেন। ‘নিমগাছ’ গল্পটি প্রতীকী গল্প। - একজন গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্মী বউয়ের সঙ্গে নিমগাছের তুলনা করা হয়েছে। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৩১.
বিধবার প্রেম নিয়ে রচিত নয় কোনটি?
ক
ক) বিষবৃক্ষ
খ
খ) চোখের বালি
গ
গ) গৃহদাহ
ঘ
ঘ) কৃষ্ণকান্তের উইল
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : বিষবৃক্ষ, চোখের বালি, কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের বিধবার প্রেম থাকলেও শরৎন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত গৃহদাহ উপন্যাসের ত্রিভুজপ্রেমের চিত্র ফুটে ওঠে। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৩২.
বাংলাসাহিত্যের প্রথম ভ্রমণকাহিনি কে লেখেন?
ক
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ
খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
গ
গ) সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঘ
ঘ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘পালামৌ’ (১৮৮০) বাংলা সাহিত্যের প্রথম ভ্রমণকাহিনি। - এখানে ছোটনাগপুরের বিশেষ অ লের বর্ণনা আছে। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৩৩.
বিভূতিভূষণের কোন উপন্যাস নিয়ে ঋত্বিক ঘটক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন?
ক
ক) পথের পাঁচালী
খ
খ) আরণ্যক
গ
গ) অশনি সংকেত
ঘ
ঘ) অপরাজিত
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
বিভূতিভূণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস অশনি সংকেত ও পথের পাঁচালী উপন্যাস নিয়ে সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। অন্যদিকে, ঋত্বিক ঘটক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন - অদ্বৈতমল্ল বর্মণের তিতাশ একটি নদীর নাম উপন্যাস নিয়ে।
উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৩৪.
‘চোরাবালি’ কী ধরনের গ্রন্থ?
ক
ক) উপন্যাস
খ
খ) কাব্য
গ
গ) নাটক
ঘ
ঘ) প্রবন্ধ
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : কবি বিষ্ণু দে (১৯০৯-১৯৮২) পান্ডবদের একজন। তিনি মার্কসীয় দর্শনে বিশ্বাসী ছিলেন। - চোরাবালি, উর্বশী ও আর্টেমিস তাঁর বিখ্যাত দুটি কাব্যগ্রন্থ। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৩৫.
ভিখু ও পাচি কোন গল্পের চরিত্র?
ক
ক) সরীসৃপ
খ
খ) চোর
গ
গ) প্রাগৈতিহাসিক
ঘ
ঘ) ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত গল্প প্রাগৈতিহাসিক গল্পটি প্রাগৈতিহাসিক গল্পগ্রন্থের নাম গল্প। - এখানে ভিক্ষুক ভিখু ও পাচির চরিত্রের মধ্য দিয়ে মানুষের আদিম প্রবৃত্তিকে তুলে ধরা হয়েছে।
৩৬.
মুসলিমদের মধ্যে প্রথম গদ্যগ্রন্থ কে লেখেন?
ক
ক) মীর মশাররফ হোসেন
খ
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
গ
গ) কাজী ইমদাদুল হক
ঘ
ঘ) সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : মীর মশাররফ হোসেন প্রথম মুসলিম গদ্য রচয়িতা। - রত্নবতী গ্রন্থটি মুসলিম রচিত প্রথম গ্রন্থ। এটি ১৮৬৯ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়। - বিষাদ-সিন্ধু সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ।
৩৭.
রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের পটভূমি কী?
ক
ক) পানিপথের প্রথম যুদ্ধ
খ
খ) পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ
গ
গ) পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ
ঘ
ঘ) হিন্দু-মুসলমানের দাঙ্গা
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : মুনীর চৌধুরী (১৯২৫-১৯৭১) রচিত রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকটি ১৯৬২ সালে রচিত হয়। - এটি একটি ঐতিহাসিক নাটক। পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১) এর প্রেক্ষাপটে রচিত নাটকে রক্তাক্ত প্রান্তর নয়, রক্তাক্ত অন্তরই মুখ্য হয়ে ওঠে, সেই সঙ্গে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব ও মানবীয় প্রেমের জয়গান করুণ রসে সিক্ত হয়। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৩৮.
‘সংস্কৃতি কথা’ গ্রন্থের লেখক কে?
ক
ক) কাজী মোতাহার হোসেন
খ
খ) কাজী আবদুল ওদুদ
গ
গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
ঘ
ঘ) মোতাহের হোসেন চৌধুরী
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : মোতাহের হোসেন চৌধুরী (১৯০৩-১৯৫৬) বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব। - তাঁর রচিত ‘সংস্কৃতি-কথা’ প্রবন্ধগ্রন্থটি ক্লাসিকের মর্যাদা পেয়েছে। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৩৯.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন্ কাব্যে ‘কবির সঙ্গে এসে একজন শিল্পী যোগ দিল’?
ক
ক) সোনার তরী
খ
খ) মানসী
গ
গ) গীতাঞ্জলি
ঘ
ঘ) বলাকা
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যপ্রতিভার পূর্ণ বিকাশ হয় মানসী কাব্যে। এটি ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয়। - এই কাব্যে তার ভাষা ও ছন্দ নতুন পূর্ণাঙ্গতা পায়। ছন্দের নানান বৈশিষ্ট্য দেখা দেয়। - অনেকেই বলেন, এর ফলে এখানে একজন কবির সঙ্গ শিল্পী এসে যোগ দিল যেন। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৪০.
নিচের কোনটি রবীন্দ্রনাথের রূপক-সাংকেতিক নাটক নয়?
ক
ক) ডাকঘর
খ
খ) রক্তকরবী
গ
গ) তাসের দেশ
ঘ
ঘ) বিসর্জন
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাট্য-প্রতিভার চূড়ান্ত রূপ ধরে পড়ে তাঁর রূপক-সাংকেতিক নাটকগুলোতে। - বিসর্জন নাটকটি রূপক-সাংকেতিক না হলেও খুবই গুরুত্বপূর্ণ নাটক এটি। এটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা। - রাজর্ষি উপন্যাসের প্রথমাংশ নিয়ে এই নাটকের আখ্যানভাগ নির্মাণ করা হয়েছে। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৪১.
সুকান্ত ভট্টাচার্যের ক্ষেত্রে কোনটি ঠিক নয়?
ক
ক) কিশোর কবি
খ
খ) মার্কসবাদী কবি
গ
গ) রোমান্টিক কবি
ঘ
ঘ) বিদ্রোহী কবি
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য (১৯২৬-১৯৪৭) কিশোর কবি, মাকর্সবাদী কবি এবং মানবতার কবি। - তাঁর কাব্যে পৃথিবীর বি ত মানুষের, শোষিত মানুষের জীবন-যন্ত্রণা, বিক্ষোভ ও বিদ্রোহের কথা উচ্চারিত হয়েছে। - নজরুলের পরে সুকান্তের কবিতায় সবচেয়ে বেশি বিদ্রোহের বাণী লক্ষ্য করা যায়। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৪২.
‘মুনতাসীর ফ্যান্টাসী’ নাটকের প্রেক্ষাপট কী?
ক
ক) গণঅভ্যুত্থান
খ
খ) স্বৈরশাসন
গ
গ) জাদুবাস্তবতা
ঘ
ঘ) মহাজনের নিষ্ঠুরতা
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : সেলিম আল দীন রচিত ‘মুনতাসীর ফ্যান্টাসী’ নাটকের প্রেক্ষাপট আশির দশকের স্বৈরশাসন। - এটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৪৩.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লার কোন রচনায় চেতনাপ্রবাহ রীতি লক্ষ্য করা যায়?
ক
ক) লালসালু
খ
খ) চাঁদের অমাবস্যা
গ
গ) কাঁদো নদী কাঁদো
ঘ
ঘ) দি আগলি এশিয়ান
ব্যাখ্যা
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ (১৯৬৮) সালে প্রকাশিত হয়। মুস্তফা, তবারক, খোদেজা ইত্যাদি চরিত্রের মাধ্যমে গ্রামীণ ও শাহরিক পরিবেশ বর্ণনা করা হয়েছে। এই উপন্যাসে নদী হয়ে উঠেছে প্রবহমান জীবনের প্রতীক। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
কাঁদো নদী কাঁদো ১৯৬৮ সালে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত চেতনাপ্রবাহরীতির একটি উপন্যাস। আঙ্গিক প্রকরণে পাশ্চাত্যের প্রভাব থাকলেও এর সমাজজীবন, পরিবেশ ও চরিত্রাদি স্বদেশীয়। তবারক ভুঁইয়া নামে এক স্টিমারযাত্রীর মুখে বিবৃত কুমুরডাঙ্গার ছোট হাকিম মুহাম্মদ মুস্তফার জীবনালেখ্য ও অন্তর্জীবনের ইতিকথা এর বিষয়বস্ত্ত। প্রকৃতপক্ষে তা মুহাম্মদ মুস্তফারই অবচেতন মনের বিবৃতি। এরূপ আঙ্গিকের জন্য চরিত্রের মতো আখ্যানভাগও আপাত জটিল ও খাপছাড়া বলে প্রতিভাত হয়। একদিকে নিয়তিতাড়িত মুহাম্মদ মুস্তফার করুণ জীবনোপাখ্যান। অপরদিকে শুকিয়ে যাওয়া বাকাল নদীর প্রভাবতাড়িত কুমুরডাঙ্গার মানুষের ব্যতিব্যস্ত জীবনচিত্র জীবন ও নিসর্গ, বাস্তব ও পরাবাস্তব, মানবচৈতন্য ও অবচেতনা, বিশ্বাস ও সংস্কার সবকিছু মিলে অস্তিত্ববাদ ও নিয়তিবাদের সমন্বয়ে এক অভিনব ও জটিল শৈল্পিক নৈপুণ্যে গ্রন্থখানি বাংলা উপন্যাসে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৪৪.
‘আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে’ কী ধরনের রচনা?
ক
ক) কাব্যগ্রন্থ
খ
খ) উপন্যাস
গ
গ) প্রবন্ধ
ঘ
ঘ) কাব্যনাট্য
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : হুমায়ুন আজাদ রচিত আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে একটি কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থের কবিতাগুলোতে কবি মানুষের অমরত্বের সন্ধান করেছেন। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৪৫.
‘জাতির মননের প্রতীক’ বলা হয় কোনটিকে?
ক
ক) জাতীয় স্মৃতিসৌধকে
খ
খ) বাংলা একাডেমিকে
গ
গ) নজরুল ইনস্টিটিউটকে
ঘ
ঘ) অমর একুশে বইমেলাকে
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা : ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ১৯৫৫ সালের ৩রা ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাঙালি সংস্কৃতি, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ধারক ও বাহক হিসেবে বাংলা একাডেমিকে জাতির মননের প্রতীক বলা হয়। উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর