পরীক্ষা আর্কাইভ

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

পরীক্ষানৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩ টপিক: i) নৈতিকতার ধারণা, উল্লেখযোগ্য কয়েকজন দার্শনিক, নীতিশাস্ত্র বিষয়ক গ্রন্থ। ii) মূল্যবোধ এর ধারণা, বৈশিষ্ট্য, প্রকারভেদ। [Live Class – 5 & 6]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
নৈতিক অবধারণের ভিত্তি -
  1. পারিবারিক
  2. সামাজিক
  3. রাষ্ট্রিক
  4. রাজনৈতিক
ব্যাখ্যা
নৈতিক অবধারণের ভিত্তি সামাজিক।

নৈতিকতা অবধারণ:

- নৈতিকতা কতগুলো নৈতিক অবধারণের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
- একে অনেকে মূল্যবোধক অবধারণ, আদর্শমূলক অবধারণও বলে থাকেন।
- নৈতিক অবধারণে আমরা নৈতিক আচরণ বা আচরণকারীর ওপর কোন নৈতিক গুণ, বাধ্যবাধকতা, দায়িত্ব ইত্যাদি অথবা ইত্যাদির অভাব আরোপ করি।
- নৈতিক অবধারণের আর একটি বৈশিষ্ট্য এই যে, এ কিছু নীতি, আদর্শ বা সদ্গুণের সঙ্গে যুক্ত।

⇒ নৈতিক অবধারণের ভিত্তি সামাজিক হলেও এর ব্যক্তিবাদী দিকটি কিন্তু গুরুত্বহীন নয়।
- আচরণের ক্ষেত্রে স্বতঃস্ফূর্ততা তথা স্বাধীনতাকে অন্যতম শর্ত হিসেবে নেয়ায় নৈতিকতা ব্যক্তির আত্ম-নিয়ন্তণ তথা আত্ম-নির্দেশনাকে তার এক মৌলিক নীতি হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য। 

• নৈতিক অবধারণের প্রকার:
- নৈতিক অবধারণ বিভিন্ন প্রকার হতে পারে।
- নৈতিক নীতিগুলো সাধারণ নৈতিক অবধারণ হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
- গুরুত্বপূর্ণ যে দু'ধরনের নৈতিক অবধারণ রয়েছে তাদেরকে বলা যেতে পারে: (১) বাধ্যতামূলক নৈতিক অবধারণ ও (২) মূল্যবোধক নৈতিক অবধারণ।

⇒ বাধ্যতামূলক অবধারণ বলতে বুঝায়, ঐসব অবধারণ যাতে কোন বিশেষ কাজকে আমরা নৈতিকভাবে যথোচিত, অযথোচিত, বাধ্যতামূলক, কর্তব্য ইত্যাদি বলে আখ্যায়িত করি; অথবা তা করা উচিত কি অনুচিত তা বলি।
⇒ নৈতিক মূল্যবোধক অবধারণে আমরা কোন কাজ সম্পর্কে কথা বলি না, বরং কোন ব্যক্তি অথবা তার প্রেষণা, অভিপ্রায়, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি সম্পর্কে কথা বলি এবং আমরা যা বলি তাতে যে শব্দগুলি ব্যবহার করি তা হচ্ছে নৈতিকভাবে ভাল-মন্দ, সৎ বা অসৎ গুণ সম্পন্ন, দায়িত্বপূর্ণ, নিন্দাহ, সাধুসুলভ, ঘৃণ্য ইত্যাদি।

উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশে 'নব-নৈতিকতা'র প্রবর্তক হলেন -
  1. গোবিন্দ চন্দ্র দেব
  2. আরজ আলী মাতুব্বর
  3. মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ
  4. আবদুল মতীন
ব্যাখ্যা
আরজ আলী মাতুব্বর:
- বাংলাদেশে 'নব-নৈতিকতা'র প্রবর্তক হলেন আরজ আলী মাতুব্বর।

⇒ নব-নৈতিকতা (New Morality) বলতে সমাজে, সংস্কৃতিতে এবং ব্যক্তিগত জীবনে নৈতিক মূল্যবোধের একটি নতুন বা আধুনিক ধারণাকে বোঝানো হয়। এটি ঐতিহ্যবাহী নৈতিকতা বা সমাজে প্রচলিত পুরনো নৈতিক ধারণা থেকে কিছুটা ভিন্ন হতে পারে এবং সাধারণত সময়ের পরিবর্তনের সাথে সমন্বয় ঘটাতে চায়। নব-নৈতিকতা অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক পরিবর্তন, বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি, এবং আধুনিক চিন্তা-ধারণার প্রতিফলন হিসেবে দেখা যায়।

⇒ আরজ আলী মাতুব্বর বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট চিন্তাবিদ।
- আরজ আলী মূলত বস্তুবাদী দর্শনে বিশ্বাসী ছিলেন।
- মানবজীবন, প্রকৃতি-পরিবেশ, জড়জগৎ ও বিশ্ব-সংসার থেকে পাঠ নিয়ে তিনি নিজস্ব মতবাদ গড়ে তোলেন।
- তিনি দৃঢ় মনোবল ও বিশ্বাস নিয়ে সকল অন্ধতা, অজ্ঞানতা, কুসংস্কার ও ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।
- তাঁর বিশ্বাস ও অভিজ্ঞতার কথা তিনি একাধিক গ্রন্থে প্রকাশ করেন।

⇒ আনুষ্ঠানিক উচ্চশিক্ষাবিহীন স্বশিক্ষিত একজন মননশীল লেখক ও যুক্তিবাদী দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর বাংলাদেশের সমাজে জেকে বসা ধর্মীয় গোঁড়ামি ও অন্ধ কুসংস্কারের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা নৈতিক আদর্শকে কুঠারাঘাত করে, তার স্থলে বস্তুবাদী দর্শন ও বিজ্ঞানের মাধ্যমে সত্য আবিষ্কার করে সত্য, ন্যায় ও বিজ্ঞানের যথাযথ নীতি পদ্ধতিভিত্তিক নব নৈতিক আদর্শের সমাজের কথা চিন্তা করেছেন।
- তার দার্শনিক চিন্তা-চেতনা ধর্মের বিরুদ্ধে ছিল না, ছিল ধর্মের নামে প্রচলিত ধর্মান্ধতা ও ধর্মতন্ত্রের বিরুদ্ধে।
- জোহাদ বরকতুল্লাহ আমাদের মুসলমানদের মধ্যে বাংলাভাষায় প্রথম যথার্থ দার্শনিক প্রবন্ধ রচনা করেন।
- তিনি তার দর্শনে আত্মপ্রতিষ্ঠার নামে একটি দার্শনিক ধারার কথা বলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
নীতি ও ঔচিত্যবোধ থেকে যে মূল্যবোধ বিবেচনা করা হয় তাকে কী বলে?
  1. রাজনৈতিক মূল্যবোধ
  2. সামাজিক মূল্যবোধ
  3. বাহ্যিক মূল্যবোধ
  4. নৈতিক মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা
নীতি ও ঔচিত্যবোধ থেকে যে মূল্যবোধ বিবেচনা করা হয় তাকে বলে নৈতিক মূল্যবোধ।

নৈতিক মূল্যবোধ:

- নীতি ও উচিত-অনুচিত বোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের উৎস।

⇒ নৈতিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব মনোভাব এবং আচরণ যা মানুষ সবসময় ভালো, কল্যাণকর ও অপরিহার্য বিবেচনা করে মানসিকভাবে তৃপ্তিবোধ করে।
- নৈতিক মূল্যবোধের প্রাথমিক উৎস হলো পরিবার।
- শিশু প্রথম নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা পায় পরিবার থেকে।
- অন্যায় থেকে বিরত থাকা, সত্যকে সত্য বলা, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা, দুঃস্থকে সহায়তা করা প্রভৃতি নৈতিক মূল্যবোধ।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
ii) নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
"মানুষ স্বভাবতই স্বার্থপর ও আত্মকেন্দ্রিক” কে বলেছেন?
  1. ইমানুয়েল কাণ্ট
  2. লর্ড এটকন
  3. টমাস হবস
  4. প্লেটো
ব্যাখ্যা
"মানুষ স্বভাবতই স্বার্থপর ও আত্মকেন্দ্রিক” বলেছেন টমাস হবস। 

টমাস হবস:

- টমাস হবস একজন ইংরেজ দার্শনিক।
- যিনি তার রাজনৈতিক দর্শনের কারণে বিশ্বব্যাপী খ্যাত।
- ১৬৫১ সালে প্রকাশিত লেভিয়েথন গ্রন্থে তিনি সামাজিক চুক্তি তত্ত্বের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তী সময়ে পাশ্চাত্যের রাজনৈতিক দর্শনের গোড়াপত্তন করে।

⇒ হবসের সামাজিক চুক্তি মতবাদ: লেভীয়াথান গ্রন্থে ব্রিটিশ সমাজবিজ্ঞানী টমাস হবস সামাজিক চুক্তি মতবাদের ব্যাখ্যা দেন। হবস তাঁর ব্যাখ্যায় মানব চরিত্রের হতাশাবাদী ও স্বার্থপর চিত্র অঙ্কন করেন।

• হবসের মতে, মানুষ জড় পদার্থের বেশি কিছু নয়। স্বার্থপরতা দ্বারা সে পরিচালিত হয়। আকাঙ্ক্ষা ও বিতৃষ্ণা মানুষের সমস্ত কর্মকাণ্ডের মূল। মানুষ মাত্রই লোভী এবং আত্মকেন্দ্রিক
• প্রকৃতির রাজ্য সম্পর্কে তার অভিমত, প্রকৃতির রাজ্যে সর্বক্ষণ যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করত। প্রকৃতির রাজ্যে মানুষের জীবন ছিল- নিঃসঙ্গ, হতভাগ্য, জঘন্য, পাশবিক ও সংক্ষিপ্ত। আদিম নৃশংসতা ছাড়া প্রকৃতির রাজ্যে কোন আইন ও ন্যায়বিচার ছিল না। এই অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য প্রকৃতি রাজ্যের মানুষেরা নিজেদের অধিকার পরিত্যাগ করে শাসক কর্তৃপক্ষের কাছে (রাজার কাছে) তা হস্তান্তর করে। চুক্তি হয় জনগণের মধ্যে। রাজা বা শাসক চুক্তির অংশ নয়। যে কারণে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ রাজার বিরুদ্ধে করা যাবে না।

⇒ এভাবে হবসের সামাজিক চুক্তি মতবাদ সর্বাত্মকবাদী রাষ্ট্রের জন্ম দেয়। যেখানে রাজা বা শাসকের একচ্ছত্র ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হয়। কেননা চুক্তির ফলে জনগণের কোন অধিকার থাকে না রাজাকে নিয়ন্ত্রণ বা জবাবদিহি করার। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে, হবসের সামাজিক চুক্তি মতবাদ অনৈতিহাসিক, অযৌক্তিক এবং সর্বাত্মকবাদী রাষ্ট্রের নীল নকশা।

উল্লেখ্য,
তার প্রকাশিত গ্রন্থাবলী হলো:
- The Media of Europides,
- Decorpore,
- Hoprinc,
- Decive,
- The elements of Laws,
- Leviathan.

উৎস: i) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
.
মূল্যবোধকে অন্য কি নামে আখ্যায়িত করা যায়?
  1. সামাজিক নৈতিকতা
  2. রাজনৈতিক নৈতিকতা
  3. অর্থনৈতিক নৈতিকতা
  4. ধর্মীয় নৈতিকতা 
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধকে সামাজিক নৈতিকতা নামে আখ্যায়িত করা যায়। 

মূল্যবোধ:

- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
- স্থান, কাল পাত্রভেদে মূল্যবোধ বিভিন্ন রূপ হয়।
- মূল্যবোধ পরিবর্তনশীল।

⇒ মূল্যবোধের বৈশিষ্ট্য:
- সামাজিক মাপকাঠি, যোগসূত্র ও সেতুবন্ধন, নৈতিক প্রাধান্য, বিভিন্নতা, আপেক্ষিকতা পরিবর্তনশীলতা ও নৈর্ব্যক্তিকতা।

নৈতিক প্রাধান্য:
- মূল্যবোধ আইন নয়।
- এর বিরোধিতা বেআইনি নয়।
- এটা মূলত একপ্রকার সামাজিক নৈতিকতা।
- মূল্যবোধের প্রতি সমাজে বসবাসকারী মানুষের শ্রদ্ধাবোধ আছে বলে মানুষ এটা মনে করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১মপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
আধুনিককালে আইনের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. প্রথা
  2. আইনসভা
  3. ন্যায়বোধ
  4. ধর্ম
ব্যাখ্যা
আধুনিককালে আইনের প্রধান উৎস আইনসভা।

আইন:

- সমাজ জীবনে প্রচলিত বিধি-বিধানের নামই আইন।
- আইন হলো মানবজাতির বৃহত্তর কল্যাণে মানুষের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র যে সকল বিধিনিষেধ প্রণয়ন করে সাধারণভাবে সেগুলোকেই আইন বলা হয়।
- আইন হচ্ছে ব্যক্তির বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত নিয়মের সমষ্টি যা সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত।

⇒ আইনের উৎস:
- আইনের উৎস: প্রথা, ধর্ম, আইনসভা, সংবিধান, বিচারকের রায়, ন্যায়বিচার, বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা।

⇒ আইন সভা:
- আইন সভার প্রধান কাজ আইন প্রণয়ন করা। আধুনিক রাষ্ট্র সাধারণত জন কল্যাণে নিয়োজিত থাকে। ফলে সময়ের প্রেক্ষিতে মানুষের নানাবিধ অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের গুরু দায়িত্ব। তাই আইন সভার সদস্যগণ জন কল্যাণে এবং নাগরিক অধিকার রক্ষার্থে নতুন নতুন অনেক বিষয়কে আইনে রুপান্তর করার জন্য তা বিল (আইনের খসড়া) আকারে আইনসভায় উত্থাপন করে থাকে। বিষয়টি যদি সংখ্যা গরিষ্ঠ মতামত প্রাপ্ত হয় তবে তা আইনে পরিণত হয়।

উৎস: i) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
.
''ভালো-মন্দ, ঠিক-বেঠিক এবং আকাঙ্ক্ষিত-অনাকাঙ্ক্ষিত সম্পর্কে সমাজে বিদ্যমান ধারণার নামই মূল্যবোধ''-উক্তিটি কার?
  1. শেফার
  2. ফ্রাঙ্কেল
  3. মেরিল
  4. উইলিয়াম
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধের কয়েকটি প্রামাণ্য সংজ্ঞা:
⇒ শেফার মূল্যবোধ সম্পর্কে বলেন,
- ''ভালো-মন্দ, ঠিক-বেঠিক এবং আকাঙ্ক্ষিত-অনাকাঙ্ক্ষিত সম্পর্কে সমাজে বিদ্যমান ধারণার নামই মূল্যবোধ।''

অন্যদিকে,
⇒ সমাজ বিজ্ঞানী উইলিয়াম এর মতে,
- "মূল্যবোধ মানুষের ইচ্ছার একটি মানদণ্ড।"

⇒ ফ্রাঙ্কেল মূল্যবোধ সম্পর্কে বলেন,
- "মূল্যবোধ হল আবেগিক ও আদর্শগত ঐক্যের বোধ।"

⇒ মেরিল এর মতে,
- ''সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাসের এক প্রকৃতি বা ধরন, যা গোষ্ঠীগত কল্যাণে সংরক্ষণ করাকে মানুষ গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।''

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
নিম্নের কোন গ্রন্থটি গোবিন্দ চন্দ্র দেব রচিত?
  1. Mortal and others
  2. Law of the Constitution
  3. Idealism and Progress
  4. Utilitarianism
ব্যাখ্যা
গোবিন্দ চন্দ্র দেব:
- গোবিন্দ চন্দ্র দেব একজন দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ।
- চিন্তাচেতনায় দেব ছিলেন সক্রেটিসের ভাবশিষ্য।
- তাঁর চিন্তাধারায় একদিকে যেমন স্থান পেয়েছে গভীর ও সূক্ষ্ম দার্শনিক তত্ত্বালোচনা, অন্যদিকে সমাজ, জীবন, সাহিত্য, শিল্প, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, রাজনীতি ও ধর্মবিষয়ক ভাবনা।
- তাই তাঁর দর্শন সমন্বয়ী ভাববাদ বা সিনথেটিক আইডিয়ালিজম নামে সমধিক পরিচিত।

⇔ গোবিন্দ চন্দ্র দেবের প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- Idealism and Progress (1952)
- Idealism: A New Defence and A New Application (1958), 
- আমার জীবনদর্শন (১৩৬৭),
- Aspiration of the Common Man (1963),
- The Philosophy of Vivekananda and the Future of Man (1963),
- তত্ত্ববিদ্যাসার (১৯৬৬),
- Buddha: the Humanist (1969), 
- Parables of the East (1984), 
- My American Experience (1993)।

অন্যদিকে,
- Mortal and others বার্ট্রান্ড রাসেল রচিত,
- Utilitarianism জন স্টুয়ার্ট মিল রচিত,
-"Law of the Constitution" অধ্যাপক ডাইসি রচিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।