পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৪০
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪০ প্রশ্ন

.
Who plays the central role in The Return of the Native?
  1. Dorothea Brooke
  2. Victor Frankenstein
  3. Catherine Earnshaw
  4. Clym Yeobright
ব্যাখ্যা
• The Return of the Native, থমাস হার্ডির উপন্যাস, প্রকাশিত হয় ১৮৭৮ সালে।
- The novel is set on Egdon Heath, a fictional barren moor in Wessex in southwestern England. 
- কাহিনির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন Clym Yeobright, যিনি প্যারিসে সফল ক্যারিয়ার ছেড়ে নিজ এলাকায় শিক্ষক হতে ফিরে আসেন।তাঁর স্ত্রী Eustacia Vye শহুরে জীবনের রোমাঞ্চের আকাঙ্ক্ষা করেন। যা Clym এর সাথে তাঁর সম্পর্কের অবনতির কারণ হয়।Clym Egdon Heath এই থাকতে আগ্রহী—এটি দেখে হতাশ Eustacia, যিনি ইচ্ছাপরায়ণ ও আবেগপ্রবণ, পুনরায় তার সাবেক প্রেমিক Damon Wildeve এর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। একাধিক কাকতালীয় ঘটনার পর, Eustacia বিশ্বাস করতে শুরু করেন যে Clym এর মায়ের মৃত্যুর জন্য তিনি দায়ী। ভাগ্য তাকে কেবল অন্যদের কষ্ট দেওয়ার জন্য সৃষ্টি করেছে বলে মনে করে, Eustacia পালিয়ে যান এবং পানিতে ডুবে মারা যান (যা দুর্ঘটনাজনিত বা ইচ্ছাকৃত হতে পারে)। তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে গিয়ে Damon ও ডুবে প্রাণ হারান।

• Characters:
- Eustacia Vye,
- Mrs. Yeobright,
- Diggory Venn,
- Damon Wildeve,
- Thomasin Yeobright,
- Captain Vye,
- Clym Yeobright,
- Susan Nunsuch, etc.

• Thomas Hardy:
- তিনি একজন English novelist and poet.
- তাকে বলা হয়, Regional Novelist and a poet বা আঞ্চলিক ঔপন্যাসিক বা কবি।
- একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়।
- এছাড়াও, তাকে Pessimistic Novelist হিসেবেও আখ্যায়িত করেন অনেকে।
- তার রচিত উপন্যাসগুলোর সময়কাল ভিক্টোরিয়া যুগ, কিন্তু তিনি অনেক ছোটগল্প লিখেছেন যেগুলো আধুনিক যুগে রচিত। এছাড়া তিনি কবিতাও লিখেছেন।

• Thomas Hardy-এর লেখা কয়েকটি উপন্যাস হলো -
- Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- The Return of the Native
- The Poor Man and the Lady,
- The Mayor of Casterbridge,
- Jude the Obscure,
- A Pair of Blue Eyes.
.
What is the genre of The Duchess of Malfi?
  1. Tragedy
  2. Comedy
  3. Historical
  4. Romantic comedy
ব্যাখ্যা
• The Duchess of Malfi: 
- এটি রচনা করেন John Webster. 
- এটি একটি 5 acts বিশিষ্ট tragedy play যা Revenge Tragedy/ Tragedy of Suffering হিসেবে পরিচিত।
- এটি ১৬১৩-১৪ সালে লেখা এবং ১৬২৩ সালে প্রকাশিত হয়। 
- The Duchess of Malfi tells the story of the spirited duchess and her love for her trustworthy steward Antonio.
- তার দুই ভাই Ferdinand এবং Cardinal বিরোধিতা সত্ত্বেও তারা গোপনে বিয়ে করে।
- পরবর্তীতে তাদের তিনটি সন্তান জন্ম নেয়  কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি কখনো তাঁর ভাইদের কাছে তাঁর বাচ্চাদের নাম বলেন নি।
- Duchess এর ভাইয়েরা সকল খবর বের করার জন্য তার বিরুদ্ধে Bosola নামক একজন গোয়েন্দা ( Bosola) নিযুক্ত করে।
-  Bosola বিভিন্ন কৌশলে Dutchess এর কাছ থেকে তাড় স্বামি সন্তানদের খবর জেনে তার ভাইদেরকে বলে দেয় এবং তাদের আদেশে এদেরকে গ্রেফতার করতে যায়।
- নাটকের শেষে দেখা যায় সবাই মারা গিয়েছে কেবল মাত্র Dutchess এর বড় সন্তানটি ছাড়া যে কিনা পরবর্তীতে Malfi এর শাসক হয়।

• John Webster: 
- তিনি একজন English Dramatist. 
- তাঁর জন্ম ১৫৮০ সালে এবং ১৬৩২ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। 
- তিনি Jacobean যুগের একজন সাহিত্যিক।

Source: Britannica.
.
In the Shakespearean play 'Hamlet', who is Hamlet’s mother?
  1. Miranda
  2. Gertrude
  3. Viola
  4. Hermione
ব্যাখ্যা
• Shakespearean নাটক হ্যামলেট-এ হ্যামলেটের মা হলেন Gertrude.

• Hamlet: 

- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
-  এটিও 5acts বিশিষ্ট এই tragedy টি ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই ট্র্যাজিডিটি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- হ্যামলেট জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ  করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মা Gertrude কে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- এরপর দেখা যায়  প্রিন্স হ্যামলেট তার বাবার খুনের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন এবং বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায়।
- এই নাটকে antagonist অর্থাৎ ভিলেন হিসেবে দেখানো হয়েছে Claudius কে।
- শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• The important characters of Hamlet:
- Ophelia,
- Hamlet,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio,
- Polonius etc.

• William Shakespeare:
- He was an English dramatist and poet of the sixteenth century.
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD at  Stratford Avon.
- Shakespeare died on 23 April 1616 AD.
- William Shakespeare is widely known as The Bard of Avon , National Poet of England এবং The Great Dramatist of All Time.
- Dr. Samuel Johnson Shakespeare কে Poet of Human Nature হিসাবেও আখ্যায়িত করেছেন। 
- Shakespeare তাঁর সাহিত্যি জীবনে মোট ১৫৪ টি Sonnet এবং  ৩৭টি Drama লিখেছেন।
.
By whom was the poem Lycidas written?
  1. Edmund Spenser
  2. John Keats
  3. Percy Bysshe Shelley
  4. John Milton
ব্যাখ্যা
• Lycidas হলো জন মিল্টনের একটি কবিতা, যা 1637 সালে রচিত হয় এবং 1638 সালে একটি এলিজি সংগ্রহে প্রকাশিত হয় এডওয়ার্ড কিং এর মৃত্যুর স্মরণে। এডওয়ার্ড কিং, মিল্টনের সমসাময়িক কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের, আগস্ট 1637 সালে একটি জাহাজডুবিতে প্রাণ হারান। এই কবিতাটি এক তরুণ, নৈতিক এবং প্রতিশ্রুতিশীল মানুষের মৃত্যু শোক করে, যে একজন পাদরি হিসেবে তার ক্যারিয়ার শুরু করতে যাচ্ছিল। ক্লাসিকাল পাস্টোরাল এলিজির রীতিনীতি অনুসরণ করে (যেখানে Lycidas ছিল ভিরগিলের Eclogues এ একটি গরুর পালক), মিল্টন খ্যাতি, অস্তিত্বের অর্থ এবং স্বর্গীয় বিচার নিয়ে চিন্তা করেন।

• জন মিল্টন (১৬০৮–১৬৭৪) ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, যাকে উইলিয়াম শেক্সপিয়রের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজ লেখক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার মহাকাব্য 'Paradise Lost' ইংরেজি ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য হিসেবে পরিচিত। এছাড়া, 'Samson Agonistes' এবং 'Lycidas' তার উল্লেখযোগ্য কবিতা। মিল্টন তার প্রবন্ধে চার্লস I-এর মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে এবং চার্চ অফ ইংল্যান্ডের বিলুপ্তির পক্ষে মতামত প্রকাশ করেছেন। তার রাজনৈতিক দর্শন স্বৈরতন্ত্র ও রাষ্ট্র-সমর্থিত ধর্মের বিরুদ্ধে ছিল। সাহিত্যে তার প্রভাব ইংরেজ গৃহযুদ্ধ ও পরবর্তী সময়ের মার্কিন ও ফরাসি বিপ্লবের উপরও পরিলক্ষিত হয়।

Source: Britannica
.
Which years are generally considered to define the Victorian Era?
  1. 1832-1901
  2. 1837-1905
  3. 1660 -1785
  4. 1832 -1939
ব্যাখ্যা
• The Victorian period: [1832-1901]
- 19th century of English literature refers to The Victorian Period.
- 1832–1901- time frame is known as the ‘Victorian Period’ in English Literature.
- এই যুগটি Queen Victoria র নামে নামকরণ করা হয়।
- Queen Victoria যদিও 1837 সালে ক্ষমতায় আসে কিন্তু এই যুগটির সূচনা হয় 1832 সালে।
- এর কারণ হলো 1832 সাল থেকেই সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্যে আমুল পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।
- Fabian Society was founded in 1883 to avoid violence in class-struggle.
- G.B. Shaw was one of the members of the Fabian Society.

• Victorian period মোট ২টি সময়কালে বিভক্ত।
- যথা:
- The Pre-Raphaelites: (1848-1860)
- Aestheticism & Decadence: (1880-1901)

• A list of writers of 'Victorian Age':
- Charles Dickens,
- Thomas Hardy,
- Matthew Arnold,
- Lord Alfred Tennyson,
- Robert Browning,
- George Eliot,
- Samuel Butler etc.
-----------------

• English Literature Periods and their sub-ages:
1. The Old English Period (450 -1066).

2. The Middle English Period (1066 -1500).
i) The Anglo-Norman Period,
ii) The Age of Chaucer.

3. The Renaissance Period (1500 -1660).
i) Elizabethan Period (1558-1603),
ii) Jacobean Period (1603-1625),
iii) Caroline Period (1625-1649) and
iv) Commonwealth Period (1649-1660).

4. The Neoclassical Period (1660 -1785).
i) The Restoration Period (1660-1700),
ii) The Augustan Period (1700-1745) and
iii) The Age of Sensibility (1745-1785/1798).

5. The Romantic Period (1798 -1832).

6. The Victorian Period (1832 -1901).
i) The Pre-Raphaelites: (1848-1860),
ii) Aestheticism & Decadence: (1880-1901).

7. The Modern Period (1901 -1939).

 • The Modern Period (1901-1939) is divided into two shorter periods.
1. The Edwardian Period (1901-1910).
2. The Georgian Period (1910-1939).

8. Present: The Post-Modern Period (1939 ).

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
.
Which of the following novels by Charles Dickens was influenced by the harsh realities of the Industrial Revolution?
  1. David Copperfield
  2. Great Expectations
  3. Oliver Twist
  4. A Tale of Two Cities
ব্যাখ্যা
• Oliver Twist উপন্যাসটি শিল্পবিপ্লবের কঠোর বাস্তবতা এবং শহরের দরিদ্র জনগণের জীবনযাত্রার প্রতি ডিকেন্সের গভীর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে লেখা। এই উপন্যাসে, ডিকেন্স লন্ডনের অন্ধকার এবং নৃশংস দৃষ্টিকোণ তুলে ধরেছেন, যেখানে শিশুদের শোষণ, দারিদ্র্য এবং অপরাধের প্রসার স্পষ্টভাবে চিত্রিত হয়েছে। শিল্পবিপ্লবের পর, দেশের শহরগুলোতে দারিদ্র্য এবং শিশুশ্রমের প্রকোপ বাড়তে থাকে, যা এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু।

• Oliver Twist:
- উপন্যাসটি Charles Dickens এর লেখা।
- Oliver Twist, in full Oliver Twist; or, The Parish Boy’s Progress, novel by Charles Dickens, published under the pseudonym “Boz”.
- এই উপন্যাস টি ১৮৩৭ সাল থেকে ১৮৩৯ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি এতিম ছেলে অলিভার টুইস্টের কাহিনি। অলিভার একটি কঠোর এবং দরিদ্র এতিমখানায় বেড়ে ওঠে, যেখানে তাকে দারিদ্র্য এবং অত্যাচারের শিকার হতে হয়।
- লেখক এই কাহিনির দ্বারা তৎকালীন লন্ডন শহরের একটি দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরেছেন। তিনি সার্থক ভাবে দেখিয়েছেন কিভাবে দারিদ্রতা মানুষকে অপরাধের দিকে ঠেলে দেয়।

• "Oliver Twist", অলিভার নামক একটি এতিম শিশুর জীবন কাহিনি বর্ণনা করে, অলিভার, যিনি জন্ম থেকে এতিম, তার শৈশবের বেশিরভাগ সময় একটি 'শিশু খামারে' (অরফানেজ) কাটান, যেখানে অনেক শিশু এবং খুব কম খাবার থাকে। খামারটি লন্ডন থেকে প্রায় ৭০ মাইল দূরে অবস্থিত। এক রাতে, তাকে কম পরিমাণের খাবার পরিবেশন করার পর, অলিভার দ্বিতীয় বারের জন্য খাবার চায়। এটি অগ্রহণযোগ্য হওয়ায় অলিভারকে একটি অন্তর্দর্শকের কাজ করতে পাঠানো হয়। অবশেষে, বারবার অশোভন আচরণের শিকার হয়ে, অলিভার এতিমখানা থেকে পালিয়ে লন্ডনের দিকে চলে যায়।

অলিভার, এতিমখানা থেকে পালিয়ে এসে অপরাধী দলের সঙ্গে যুক্ত হয়, কিন্তু তার শুভপ্রবৃত্তি তাকে সঠিক পথের দিকে পরিচালিত করে। উপন্যাসে, সমাজের বিভিন্ন দিক যেমন দারিদ্র্য, দুর্নীতি, এবং মানবিক মূল্যবোধের সংকট ফুটে ওঠে। অলিভারের জীবন একটি সংগ্রামী গল্প, যেখানে সাহস, সহানুভূতি এবং সামাজিক সুবিচারের গুরুত্ব প্রদর্শিত হয়।

• Important character of this novel:
- Oliver Twist,
- Fagin,
- Bill Sikes,
- Nancy,
- Agnes Fleming,
- Charley Bates etc.

• Charles Dickens is considered the greatest novelist of the Victorian era.
- Boz' was the pseudonym of Charles Dickens.
.
The famous novel 'Pamela' is created during -
  1. Middle English Period
  2. Neoclassical Period
  3. Victorian Period
  4. Modern Period
ব্যাখ্যা
Samuel Richardson এর 'Pamela' (১৭৪০) উপন্যাসটি নিওক্লাসিক্যাল যুগে রচিত হয়েছিল।

• Pamela: 
- এটি Samuel Richardson রচিত একটি Novel.
- It is an example of Epistolary Novel.
- Pamela', in full Pamela; or, Virtue Rewarded.
- novel টিকে ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম English Novel হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- Novel টি হচ্ছে একটি Epistolary novel অর্থাৎ অনেকটা চিঠির মতো করে লেখা এই উপন্যাস।
- এটি ১৭৪০ সালে প্রকাশিত হয়।
- The novel is based on a story about a servant and the man who, failing to seduce her, marries her.

• Pamela Andrews হচ্ছে ১৫ বয়সী একজন পরিচীকা।
- তাঁর মালিকের মৃত্যুর পর, মালিকের ছেলে “Mr. B, বিভিন্ন চলে কৌশলে Pamela কে নিজের প্রেমে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন,
- Pamela resists, and soon afterward Mr. B offers marriage, an outcome that Richardson presents as a reward for her virtue. The second half of the novel shows Pamela winning over those who had disapproved of the misalliance.

• Samuel Richardson (1689 - 1761), an English novelist. 
- His major novels were:
- Pamela (1740) and
- Clarissa (1747–48).

• মনে রাখা জরুরি,
- First English Tragedy - Gorboduc by Thomas Norton and Sackville.
- First English Revenge Tragedy - The Spanish Tragedy written by Thomas Kyd.
- First Romance in prose - Morte d' Arthur.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
.
Which of the following is not authored by John Keats?
  1. The Eve of St. Agnes
  2. Ode on a Grecian Urn
  3. Endymion
  4. Adonais
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে "Adonais" John Keats রচিত নয়, "Adonais" হলো Percy Bysshe Shelley রচিত একটি কবিতা, যা ১৮২১ সালে প্রকাশিত হয়। এটি মূলত Shelley এর বন্ধু John Keats এর মৃত্যুর পর তাকে স্মরণ করে লেখা হয়।

• Adonais:
- এটি Shelley রচিত একটি কবিতা।
- এই কবিতাটি হলো একটি pastoral elegy.
- এই ধরনের কবিতাগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য হলো মৃত্যু এবং গ্রামীণ পরিবেশের বর্ণনা।
- Shelley তার বন্ধু John Keats এর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে এই কবিতাটি লিখেছিলেন।
- গ্রীক পূরাণ কাহিনী অনুযায়ী Adonais একজন তরুণ বীরের নাম।
- এই কবিতাকে John Milton এর Lycidas কবিতার সাথে তুলনা দেয়া হয়।
- কবিতায় দেখা যায়, John Keats এর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছে প্রকৃতি, দেবতাদের আহবান করা হচ্ছে যেন তারাও শোক প্রকাশ করে।

• P.B. Shelley:
- English Romantic poet whose passionate search for personal love and social justice was gradually channeled from overt actions into poems that rank with the greatest in the English language.
- তার পুরো নাম Percy Bysshe Shelley.
- তিনি রোমান্টিক যুগের অন্যতম একজন কবি।
- তার স্ত্রীর নাম Mary Shelley.

------------- 
• John Keats (1795-1821) একজন English Romantic lyric poet ছিলেন।
⇒ তার বাবা ১৮০৪ সালে মারা যাওয়ার পর তার মা পুনরায় বিয়ে করেন।
⇒ Keats সারা জীবন তার বোন Fanny এবং তার দুই ভাই George এবং Tom এর সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন।

Notable works
Poems:
• Poems, published in March,
• Isabella,
• Endymion, 
• Lamia,
• The Eve of St. Agnes,
• To Psyche,
To a Nightingale,
• On Melancholy,
• To Autumn.

Source: Britannica.com
.
Which of the following is a famous dramatic monologue by Robert Browning?
  1. Andrea del Sarto
  2. Ulysses
  3. In Memoriam
  4. Prometheus Unbound
ব্যাখ্যা
উত্তর: ক) Andrea del Sarto.
- এটি রবার্ট ব্রাউনিং-এর লেখা একটি বিখ্যাত ড্রামাটিক মনোলোগ (Dramatic Monologue).

• Andrea del Sarto:

- এটি Robert Browning রচিত।
- শিল্পী Andrea del Sarto এখানে নিজেই কথা বলছেন।
- তিনি তার স্ত্রীকে ডেকে পাশে বসান এবং কিছু নিরুপদ্রব ভালো সময় দুইজন একসাথে কাটাতে চান এমন মনোভাব ব্যক্ত করেন।
- এরপর কবি তার ফেলে আসা জীবনের কিছু হতাশার দিক তুলে ধরেন এবং তার জন্য আফসোস করেন। পরিশেষে স্ত্রীর সব আব্দার তিনি মেনে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন বিনিময়ে তিনি শুধু শান্তি চান।

• Robert Browning:
- তিনি একজন British poet.
- He is noted for his mastery of dramatic monologue.
- His wife Elizabeth Barrett was also a poet of that time.

Notable Works:
Poems:
- My Last Duchess.
- The Pied Piper of Hamelin.
- Fra Lippo Lippi.
- Andrea del Sarto.

Plays:
- Browning's first play, Strafford (1837), closed after only five performances.

Other options,
খ) Ulysses
- এটি অ্যালফ্রেড, লর্ড টেনিসন-এর লেখা একটি poem.

গ) In Memoriam
এটি অ্যালফ্রেড, লর্ড টেনিসন-এর লেখা একটি Elegy.

ঘ) Prometheus Unbound
- এটি P.B. Shelley-র লেখা একটি দীর্ঘ lyrical drama.

Source: Britannica.com and Encyclopedia.com
১০.
In Arms and the Man, what does Bluntschli carry instead of bullets in his gun?
  1. Flowers
  2. Chocolate
  3. Money
  4. Handkerchief
ব্যাখ্যা
জর্জ বার্নার্ড শ-এর নাটক 'Arms and the Man'-এ ক্যাপ্টেন Bluntschli তার বন্দুকের গুলির জায়গায় চকলেট বহন করেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে যুদ্ধের ময়দানে খাবার, বিশেষ করে চকলেট, গোলাবারুদের চেয়ে বেশি কার্যকর হতে পারে। এই কারণে, তিনি তার গোলাবারুদের জায়গায় চকলেট রাখেন। এই বৈশিষ্ট্যের জন্য তাকে "The Chocolate Cream Soldier" বলা হয়।

• Arms and the Man:

- George Bernard Shaw এর একটি বিখ্যাত Comedy Drama.
- এটি  three acts এর play.
-১৮৮৫ সালে Surbo-Bulgarian War এর প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে নাটকটি।
- এই drama এর title টি সরাসরি Roman Poet Virgil এর Aeneid এর প্রথম লাইন থেকে নেয়া যেখানে যুদ্ধকে glorify করা হয়েছে। 
- তেমনি ভাবে Arms and the Man drama টিতে, indirectly Serbo-Bulgarian war এর প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাওয়া যায়।

• Important Characters of Arms and the Man:
- Captain Bluntschli: He is a Swiss mercenary fighting for the Serbian army.
- Raina Petkoff: Raina is a young Bulgarian woman engaged to Sergius.
- Major Sergius Saranoff: Raina's fiancé, Sergius is a heroic and dashing officer in the Bulgarian army.

• George Bernard Shaw:
- একজন বিখ্যাত আইরিশ Playwright and a Critic.
- তিনি ১৯২৫ সালে ইংরেজি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তাঁর উপাধি হলো - The greatest modern English dramatist এবং তাঁকে The father of modern English literature বলা হয়।

 • Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession;(play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House,
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc etc.

Source: Britannica.
১১.
Jean-Paul Sartre is a/an ________ philosopher and author.
  1. Colombian
  2. Irish
  3. Russian
  4. French
ব্যাখ্যা
• Jean Paul Sartre(জুন ২১, ১৯০৫, প্যারিস, ফ্রান্স – এপ্রিল ১৫, ১৯৮০, প্যারিস) ছিলেন একজন ফরাসি দার্শনিক, ঔপন্যাসিক, এবং নাট্যকার, যিনি ২০ শতকের অস্তিত্ববাদ (Existentialism) এর প্রধান প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত। ১৯৬৪ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন, যা তাকে "তার কাজের জন্য, যা ধারণায় সমৃদ্ধ এবং মুক্তির চেতনা ও সত্য অনুসন্ধানের দ্বারা পূর্ণ, আমাদের যুগে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছে" বলে তাকে প্রদান করা হয়েছিল।

• Sartre's some notable works - 
- Nausea,
- Bring and Nothingness: An Essay on Phenomenological Ontology,
- No Exit,
- The Roads to Freedom.

Source: Britannica.
১২.
Identify the correct spelling.
  1. Mollycodle
  2. Mollycoddle
  3. Molycoddle
  4. Mollicoddle
ব্যাখ্যা
• Mollycoddle:
English meaning: to give someone too much care or protection.
Bangla meaning: প্রশ্রয় বা আশকারা দেওয়া।

Example: 
- You're not helping the children by mollycoddling them - they have to grow up sometime.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
১৩.
Let's ________ the next item on the agenda.
  1. go in
  2. go-to
  3. go on to
  4. go of to
ব্যাখ্যা
• Go on to: [phrasal verb]
English meaning: to pass from one item to the next.
Bangla meaning: পরবর্তী সময়ে করা বা বলা; পরেরটিতে যাওয়া। 

Example:
- Let’s go on to the next question.
- Let's go on to the next item on the agenda.

Options,
• Go-to:
Meaning: used to refer to the person or place that somebody goes to for help, advice or information.
Example: He's my go-to guy for business advice.

• Go in: 
Meaning: to enter a place.
Example: I looked through the window, but I didn't actually go in.

Source: Oxford & Accessible Dictionary.
১৪.
Which kind of noun is 'Cloth'?
  1. Material noun
  2. Proper noun
  3. Abstract noun
  4. Common noun
ব্যাখ্যা
• Cloth [uncountable noun] (কাপড়; বস্ত্র) হলো Material noun.
- কারণ এটি পদার্থ বা বস্তু বাচক।

• Materiel Noun: 
- যে Noun দ্বারা কোন বস্তু বা পদার্থকে নির্দেশ করে তাকে Material noun বলে।
- Material noun সাধারণত uncountable noun হয়।
- একে গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ বা ওজন করা যায়।
- Cloth হলো Material noun, কারণ এটি পদার্থ বা বস্তু বাচক এবং একে গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ বা ওজন করা যায়।
- আরো উদাহরণ: Silver, Iron, Cotton, Diamond, Milk, Paint, Rubber, Paper, Steel, Sand, Gold, Mutton, Oil etc.

Options,
Proper Noun
- Proper Noun দ্বারা কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু, স্থান প্রভৃতির নাম বুঝায়।
- যেমন: Titanic, Dhaka, Moon ইত্যাদি।

Common Noun:
- A common noun is one which is common to each member of class of persons or things/A noun that names a general class of persons, place or things.
- যে noun কোন এক শ্রেণির ব্যাক্তি বা বস্তুর প্রত্যেকের সাধারণ নাম বুঝায় তাকে common noun বলে।
- যেমন: The words "teacher," "river," and "table" are common nouns.

Abstract Noun: 
- যে Noun কোনো অবস্তুগত ধারণা বা গুনকে নির্দেশ করে, যার কোনো বাহ্যিক অস্তিত্ব নেই এবং যা ছোঁয়া যায় না, গন্ধ দ্বারা বা শ্রবন দ্বারা বোঝা যায় না কিন্তু কল্পনা দ্বারা বোঝা যায় তাদেরকে Abstract Noun বলে।
- Honesty দ্বারা একটি অবস্তুগত ধারনা বা গুণকে নির্দেশ করছে বিধায় এটি হচ্ছে Abstract noun.
১৫.
'Neither' is a/an -
  1. Demonstrative pronoun
  2. Relative pronoun
  3. Indefinite pronoun
  4. Distributive pronoun
ব্যাখ্যা
• 'Neither' একটি Distributive pronoun. এটি দুটি বস্তুর মধ্যে কোনোটিই নয় এমনটি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- Neither of the books is interesting.
এখানে 'neither' বোঝাচ্ছে যে দুটি বইয়ের মধ্যে কোনোটিই আকর্ষণীয় নয়।

• Distributive Pronoun:

- যে সকল pronoun একই জাতীয় একাধিক বস্তু বা ব্যক্তিকে পৃথকভাবে বুঝানোর জন্য যেসব pronoun ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে Distributive Pronoun বলে।
- যেমন - each, every, either, neither ইত্যাদি।
- এই pronoun গুলোকে positive pronoun ও বলে।

• Pronoun ৮ প্রকার। যেমন: 
1. Personal pronoun: (I, we, me, it)
2. Demonstrative pronoun: (this, that)
3. Interrogative pronoun: (what, who)
4. Relative pronoun: (what, who, that)
5. Indefinite pronoun: (such, one, none some, any, all, many)
6. Distributive pronoun: (each, every, either, neither)
7. Reflexive pronoun: (myself, themself)
8. Reciprocal pronoun: (each other, one another)
১৬.
Choose the correct sentence.
  1. If I had a magic wand, I could have made my wishes come true.
  2. If I had a magic wand, I could made my wishes come true.
  3. If I had a magic wand, I could make my wishes come true.
  4. If I had a magic wand, I could had make my wishes come true.
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত বাক্যটি 2nd conditional sentence এর উদাহরণ।

• Second Conditional এর নিয়মানুযায়ী - 
- If + past indefinite + subject + would/could/might + verb এর base form + ext.
- অর্থাৎ, If + past indefinite যুক্ত clause এর পরবর্তী clause টিতে subject এর পর would/could/might এর সাথে verb এর base form বসে।

• Second Conditional এর নিয়মানুযায়ী ,
Correct sentence: If I had a magic wand, I could make my wishes come true.
Bangla: যদি আমার কাছে একটি জাদুর ছড়ি থাকত, আমি আমার ইচ্ছাগুলো পূরণ করতে পারতাম।

এখানে had main verb হিসেবে বসেছে।
১৭.
She is ______ long hours in the office.
  1. used to works
  2. used to worked
  3. used to work
  4. used to working
ব্যাখ্যা
• অতীতের অভ্যাস/ অভস্ত্যতা বোঝাতে used to ব্যবহৃত হয়।
- শুধু used to এর পর verb এর Base form বসে।

• কিন্তু be (am, is, are, was, were) used to/ get used to এর পর verb+ing বসে। 
- Be used to/get used to এর পরে noun অথবা Gerund বসে।
- Structure: subject + be/get + used to + [verb + ing] / noun.
- be/get used to = অভ্যস্থ থাকা।

• যেহেতু প্রদত্ত প্রশ্নে used to এর পূর্বে is আছে তাই এরপরের verb টির সাথে ing যুক্ত হবে। 

Complete sentence: She’s used to working long hours in the office.
১৮.
A new hospital ________ near the city center.
  1. constructing
  2. being constructed
  3. is constructing
  4. is being constructed
ব্যাখ্যা
• এই বাক্যটিতে Passive Voice ব্যবহার করা উচিত, কারণ:
- হাসপাতাল নিজে নিজে নির্মাণ করছে না (active নয়),
- হাসপাতালটি নির্মিত হচ্ছে (কারও দ্বারা)। 

Passive Voice এর গঠন:
Subject + is/am/are + being + Past Participle.
এখানে: A new hospital + is + being + constructed.

• সঠিক উত্তরটি হবে - is being constructed.
- Complete sentence: A new hospital is being constructed near the city center.
Bangla: শহরের কেন্দ্রের কাছে একটি নতুন হাসপাতাল নির্মিত হচ্ছে।
১৯.
There are a lot of spelling mistakes; ______, it's quite a good essay.
  1. even then
  2. even so
  3. even if
  4. even as
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: There are a lot of spelling mistakes; even so, it's quite a good essay.

• even so: 
English meaning: despite that/ in spite of any assertion to the contrary: nevertheless.
Bangla meaning: তথাপি। 

Options,
ক) even now/then
English meaning: despite something.
Example: I've thought about it so much, but even now I can't believe how lucky I was to survive the accident.
- তবে মূলভাবে এটি তখন ব্যবহার হয় যখন অতীতে কোনো ঘটনা ঘটেছে এবং এখনো তা অনুভব করা হচ্ছে।

গ) even if:
English meaning: used to say that if something is the case or not, the result is the same.
Example: Even if you take a taxi, you'll still miss your train.
- এটি যখন ব্যবহার হয়, তখন কোনো একটি শর্ত উল্লেখ করা হয়, এবং সে শর্তটি সত্ত্বেও কিছু ঘটবে। উদাহরণ: "Even if you take a taxi, you'll still miss your train." এখানে শর্ত এবং ফলাফল একসাথে রয়েছে

ঘ) even as:
English meaning: at the same time as.
Example: I tried to reason with him, but even as I started to explain what had happened he stood up to leave.
-একই সময়ে ঘটা দুটি ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, এটি একসাথে কিছু ঘটার কথা বলছে, তবে আমাদের বাক্যে এটা প্রযোজ্য নয়।
২০.
Synonym of 'Euphemism' -
  1. Prevaricate
  2. Dysphemism
  3. Circumlocution
  4. Eremite
ব্যাখ্যা
• Euphemism (Countable noun & Uncountable noun)
English Meaning: A word or phrase used to avoid saying an unpleasant or offensive word.
Bangla Meaning: সুভাষণ; সত্যিকার শব্দের পরিবর্তে অন্য কোনো শব্দের ব্যবহার; যেমন - ‘মৃত্যু’ শব্দের বদলে ‘পরলোকগমন' বাক্যাংশের ব্যবহার।

Synonyms: Softening (নরম করা), Politeness (শিষ্টতা), Genteelism (প্রচলিত শব্দের বদলে ভদ্র ও পরিশীলিত শব্দের ব্যবহার), Pomposity (বাগাড়ম্বর), Delicacy (মাধুর্যময় কথা), Circumlocution (আড়ম্বর, বাকচাতুর্য)।
Antonyms: Dysphemism (মনোরম বা নিরপেক্ষ শব্দের পরিবর্তে অবমাননাকর বা অপ্রীতিকর শব্দ ব্যবহার), Calling a spade a spade (পরিশীলিত শব্দের পরিবর্তে ‘যে’ বা ‘যা’ যেমন, তেমন সরাসরিভাবে বলা), Straightforwardness (সোজাসাপ্টা কথা), Directness (সরাসরি কথা বলা)।

Example Sentence: 
1. She wants to reclaim the word old and rejects euphemisms like elderly and seniors.
2. The story is patient, which some may find a euphemism for slow.

Options,
- Prevaricate (অসত্য বা অংশত অসত্য উক্তি করা),
- Eremite (নির্জনবাসী)। 

Source: Live MCQ Lecture.
২১.
Choose the antonym of 'Whimsical'.
  1. Eccentric
  2. Logical
  3. Mischievous
  4. Perpetual
ব্যাখ্যা
• Whimsical (adjective)
English Meaning: Unusual and strange in a way that might be funny or annoying.
Bangla Meaning: বাতিকগ্রস্ত; খেয়ালি; অদ্ভুত।

Synonyms: Mischievous (অনিষ্টকর), Eccentric (অদ্ভুত; খামখেয়ালি), Peculiar (বিচিত্র), Capricious (খামখেয়ালি), Impulsive (আবেগপ্রবন)।
Antonyms: Hardheaded (বাস্তববুদ্ধিসম্পন্ন), Logical (যৌক্তিক), Reasonable (যুক্তিপরায়ণ), Sensible (সুবুদ্ধিসম্পন্ন; কাণ্ডজ্ঞানসম্পন্ন), Respectful (সম্মানযোগ্য)। 

Example Sentence:
1. The question is whimsical, but perhaps it illustrates something.’
2. She has a whimsical sense of humor.

Option,
- Perpetual (ধারাবাহিক)। 

Source: Live MCQ Lecture.
২২.
Which of the following sentences is an imperative sentence?
  1. He will meet us later.
  2. Please pass me the salt.
  3. Are you coming with me?
  4. They are playing outside.
ব্যাখ্যা
• Imperative sentence:
- যে Sentence এ কোন আদেশ, উপদেশ, নিষেধ, অনুরোধ ইত্যাদি বোঝায় তাকে Imperative sentence বলে।
- সাধারণত, Subject উহ্য রেখে Verb দিয়ে শুরু হওয়া বাক্য imperative sentence হয়ে থাকে. তাছাড়া imperative sentence বাক্যে আদেশ, নিষেধ, উপদেশ, অনুরোধ বুঝায়। 
- 'Verb + object' দ্বারা শুরু হলে Imperative Sentence হয়। 

• Example:
- Take this medicine every other day. (advice)

• "Please pass me the salt."
- এটি একটি imperative sentence কারণ এখানে কাউকে অনুরোধ করা হচ্ছে "salt" (লবণ) পাস করার জন্য।
- "Please" দিয়ে শুরু হয়ে verb (pass) ব্যবহার করা হয়েছে।
- একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
- দৃশ্যমান subject নেই।

Other options,
ক) He will meet us later.
- Assertive sentence. 

গ) Are you coming with me?
- Interrogative sentence.

ঘ) They are playing outside.
- Assertive sentence. 
২৩.
The artist’s ________ approach to painting led him to explore unconventional techniques.
  1. diabolical
  2. diligent
  3. divergent
  4. dynamic
ব্যাখ্যা
ক) diabolical:
English meaning: extremely bad or shocking.
Bangla meaning: শয়তানি; নারকীয়; নিষ্ঠুর আচরণ; শয়তানের উপাসনা।

খ) diligent:
English meaning: careful and using a lot of effort.
Bangla meaning: অধ্যবসায়ী; পরিশ্রমী।

গ) divergent:
  English meaning: different or becoming different from something else.
Bangla meaning: বিপদগামী; বিচ্যুত; অপসরণশীল।

ঘ) dynamic:
English meaning: having a lot of ideas and enthusiasm.
Bangla meaning: গতিময়; প্রাণবন্ত; কর্মশক্তিপূর্ণ।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় শূন্যস্থানে divergent বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হবে। 

Complete sentence: The artist’s divergent approach to painting led him to explore unconventional techniques.
Bangla: শিল্পীর ভিন্নমত পোষণকারী পদ্ধতি চিত্রকলা করার ক্ষেত্রে তাকে প্রচলিত বহির্ভূত কৌশল অনুসন্ধানে প্ররোচিত করেছে।
২৪.
What does the phrase "come to a head" mean?
  1. To reach a calm resolution
  2. To begin a new phase
  3. To reach a crisis
  4. To come up with new ideas
ব্যাখ্যা
• Come to a head
English Meaning: reach a crisis.
Bangla Meaning: সংকটে উপনীত হওয়া / তীব্র হওয়া

Ex. Sentence: The violence came to a head with the deaths of six youths.
Bangla Meaning: ছয় তরুণের মৃত্যুতে সহিংসতার মাত্রা তীব্র হলো।

Source: Live MCQ Lecture.
২৫.
What does the prefix "de-" mean?
  1. Over
  2. Under
  3. Before
  4. Remove
ব্যাখ্যা
• Prefix:
- Word এর মূল (root) অংশের এর বাম পাশে বা প্রথমে যে বর্ণ বা বর্ণগুচ্ছ যুক্ত হয় তাকে Prefix বলে। 
- Im-, Un-, In- ইত্যাদি Prefix হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• de-
Meaning: reverse or change.
/ used to add the meaning "opposite", "remove", or "reduce" to a noun or verb.

Example: 
- de-classify,
- decontaminate,
- demotivate.

Source: Cambridge Dictionary.
২৬.
Many fishermen rely on _____ Lake Victoria for their livelihood.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. Zero article
ব্যাখ্যা
• Article: 
- Articles মুলত Noun, Pronoun এর আগে বসে তাদের সংখ্যা এবং নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে।
- A, An & The কে article বলে। এরা noun কে qualify করে।
-  Article দুই প্রকার। যেমন: 1. Indefinite: A, An 2. Definite: The

• Article এর নিয়মানুযায়ী,

• Lake/ হ্রদ  এবং কোন স্থানের নামের পূর্বে সাধারণত কোনো article বসে না।

Complete sentence: Many fishermen rely on Lake Victoria for their livelihood.
২৭.
A result of that kind could extend the political deadlock. Here 'deadlock' is -
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Verb
  4. Preposition
ব্যাখ্যা
A result of that kind could extend the political deadlock. Here 'deadlock' is - Noun.

• Deadlock: [noun]
English meaning: a complete failure to reach an agreement or settle an argument.
Bangla meaning: অচলাবস্থা। 

Example:
- A result of that kind could extend the political deadlock.

Source: Oxford Dictionary.
২৮.
She worked day and night that she could complete the project on time. The underlined part is -
  1. Adverbial clause of manner
  2. Adverbial clause of concession
  3. Adverbial clause of Purpose
  4. Adverbial clause of time
ব্যাখ্যা
• She worked day and night that she could complete the project on time. The underlined part is - Adverbial clause of Purpose.

• She worked day and night that she could complete the project on time.
- 'কি উদ্দেশ্যে day and night, কাজ করছে' প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'that she could complete the project on time'.
- Verb এর উদ্দেশ্য বুঝানোর কারণে এটি Adverbial clause of Purpose.
- তাই এটি Adverbial clause of Purpose.

• Adverbial clause:
- যে subordinate clause একটি বাক্যে একটি adverb হিসেবে কাজ করে এবং একটি verb,বা একটি adjective-clause বা অন্য একটি adverbial clause-কে modify করে তাকে Adverbial Clause বলে।
 - Adverb এর মত এরা - time, place, cause, effect, purpose ইত্যাদি বুঝায়।
- অর্থাৎ, Adverbial clause সবসময় সময়, স্থান, কাল, কারন, উদ্দেশ্য, ধরন, ফলাফল ইত্যাদি প্রকাশ করে।

• Adverbial clause of Purpose
- এর দ্বারা verb সংঘটিত হবার উদ্দেশ্য বোঝায়।
- Principal clause এর verb কে 'কি উদ্দেশ্যে' দ্বরা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়।
২৯.
The stolen jewels were never recovered. Here the underlined part is
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Model verb
  4. Linking verb
ব্যাখ্যা
• The stolen jewels were never recovered. Here the underlined part is a - participle.
- বাক্যে ‘stolen’ শব্দটি একই সাথে verb এবং adjective এর কাজ করেছে, সুতরাং এটি Participle.
- "stolen" শব্দটি এখানে past participle হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা noun "jewels" কে বর্ণনা করছে।
- আর যে word একই সাথে Verb এবং Adjective এর কাজ করে, তাকে Participle বলে।
- Verb এর যে রূপ কিছুটা verb এবং কিছুটা adjective এর কাজ করে তাকে participle বলে।

• Participle:
- যে word একই সাথে Verb এবং Adjective (মাঝে মধ্যে Adverb) এর কাজ করে, তাকে Participle বলে।
• A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.

• Participle মূলত তিন প্রকার: 
1. Present Participle.
Ex: Do not disturb a sleeping dog. 
2. Past Participle.
Ex: This is a book written by Charles Dickens. 
3. Perfect Participle.
Ex: Having eaten rice, he went to bed.
৩০.
শামসুর রাহমান রচিত কবিতা কোনটি?
  1. আমি কোনো আগন্তুক নই
  2. তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা
  3. স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হল
  4. পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
• 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' কবিতা:
- 'তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা' শীর্ষক কবিতাটি কবি শামসুর রাহমানের 'বন্দী শিবির থেকে' নামক কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। স্বাধীনতা অর্জনে বাঙালির সংগ্রামী চেতনা এবং তাঁদের মহান আত্মত্যাগের মহিমা কবি সুন্দরভাবে এই কবিতায় প্রকাশ করেছেন।

- এখানে কবি স্বাধীনতার জন্য এদেশের সর্বস্তরের মানুষের আত্মত্যাগ, পাক-হানাদার বাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞ, মুক্তিকামী মানুষের প্রতীক্ষার স্বরূপ ব্যাখ্যা করেছেন। কবি স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাস থেকে স্বাধীনতাকে রক্ষা ও অর্থবহ করে তুলতে সকলকে উজ্জীবিত ও অনুপ্রাণিত হতে আহ্বান জানিয়েছেন।

কবিতাটি সংক্ষেপে- 

তোমাকে পাওয়ার জন্যে, হে স্বাধীনতা
তোমাকে পাওয়ার জন্যে
আর কতবার ভাসতে হবে রক্তগঙ্গায়?
আর কতবার দেখতে হবে খাণ্ডবদাহন?

তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,
সাকিনা বিবির কপাল ভাঙল,
সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর।

--------------
অন্যদিকে, 
• 'আমি কোনো আগন্তুক নই' আহসান হাবীব রচিত কবিতা। 
• 'স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হল' নির্মলেন্দু গুণ রচিত কবিতা। 
• 'পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা' নাটকটির রচয়িতা শওকত ওসমান।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
বাংলা ভাষায় প্রথম ভ্রমণকাহিনি রচনা করেন-
  1. সৈয়দ মুজতবা আলী
  2. অন্নদাশঙ্কর রায়
  3. সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. জসীম উদ্‌দীন
ব্যাখ্যা
• "পালামৌ" ভ্রমণকাহিনি:
'পালামৌ' সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ভ্রমণকাহিনি। এ রচনায় লেখক বিহারের (বর্তমান ঝাড়খণ্ডের) পালামৌ অঞ্চলে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। তিনি স্থান-কাল-পাত্রভেদে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির তারতম্য, দেশভ্রমণের আনন্দ, অভিজ্ঞতা এবং পালামৌ-এর আদিবাসী কোলদের জীবনাচরণ, খাদ্য ও আনন্দ-বিনোদন প্রভৃতি সম্পর্কে ধারণা দিয়েছেন।

লেখক যৌবনে পালামৌ প্রদেশে গিয়েছিলেন। পালামৌ পাহাড়-অরণ্যে ঘেরা সুন্দর জায়গা। সমতলবাসী বাঙালি জনগোষ্ঠীর কাছে সে পরিবেশ খুব একটা পরিচিত নয়। পথে যেতে যেতে যে পাহাড়কে খুব কাছে মনে হয়, সে পাহাড় আসলে অনেক দূরে অবস্থিত -এ অভিজ্ঞতাও লেখকের জন্য নতুন। যে বাঙালির বাড়িতে তিনি সেখানে অতিথি হয়েছিলেন, সে গৃহকর্তার প্রসন্ন মুখ আর তার পরিবার-ব্যবস্থাপনা লেখককে মুগ্ধ করেছিল।

সঞ্জীবচন্দ্রের মৃত্যুর পর (১৮৮৯) বঙ্কিমচন্দ্র 'সঞ্জীবনী সুধা' নাম দিয়ে সঞ্জীবচন্দ্রের রচনাবলি প্রকাশ করেন। সেখানেই 'পালামৌ' প্রথম গ্রন্থস্থ হয়। এর বহু পরে ১৩৫১ বঙ্গাব্দে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ প্রথম স্বতন্ত্র পুস্তাকারে 'পালামৌ' প্রকাশ করে।

অন্যদিকে,
-----------------
• অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত ভ্রমণকাহিনি:
-পথে প্রবাসে (১৯৩১) ও
- ইউরোপের চিঠি (১৯৪২)।

- 'দেশে বিদেশে' সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত ভ্রমণকাহিনি।

• জসীম উদ্‌দীন রচিত ভ্রমণকাহিনি:
- চলে মুসাফির,
- হলদে পরীর দেশ,
- যে দেশে মানুষ বড়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩২.
যৌতুক নামক সামাজিক ব্যাধির এক নির্মম চিত্র তুলে ধরা হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন গল্পে?
  1. একরাত্রি
  2. মাল্যদান
  3. নষ্টনীড়
  4. দেনাপাওনা
ব্যাখ্যা
• "দেনাপাওনা" গল্প:
- 'দেনাপাওনা' গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গল্পগুচ্ছ' গল্পগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
- এ গল্পে তৎকালীন হিন্দু সমাজে পণপ্রথার কুফল সম্পর্কে জানা যায় এবং পণপ্রথার বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টির প্রয়াস উপলব্ধি করা যায়।
- লেখক গল্পটিতে যৌতুক নামক সামাজিক ব্যাধির এক নির্মম চিত্র তুলে ধরেছেন, যা যৌতুক গ্রহণকারীদের প্রতি ঘৃণার জন্ম দেয়।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- গল্পের নায়কা: নিরূপমা, 
- রায়বাহাদ,
- রামসুন্দর। 

গল্পের কাহিনি সংক্ষেপ-
নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের রামসুন্দর পাঁচ পুত্র ও এক কন্যার জনক। আদরের কন্যার প্রতাপশালী রায়বাহাদুরের একমাত্র পুত্রের সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের সময় পাত্রের পিতা দশ হাজার নগদ টাকাসহ অন্যান্য সামগ্রী যৌতুক হিসেবে দাবি করেন। কন্যার বাপ রাজি হন এবং বিয়ের সময় নগদ অর্থ বাকি পড়ে। শুরু হয় পিতা কন্যার ওপর মানসিক নির্যাতন। গল্পের নায়কা নিরূপমার আত্ম বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় আমাদের সমাজের এই ভয়াবহ ব্যাধির কাহিনি।

অন্যদিকে, 
একরাত্রি, মাল্যদান ও নষ্টনীড় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেমের গল্প। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং 'দেনাপাওনা' ছোটগল্প রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৩৩.
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত "বিপ্রদাস" কোন ধরনের সাহিত্য?
  1. ছোটগল্প
  2. উপন্যাস
  3. প্রবন্ধ
  4. নাটক
ব্যাখ্যা
• "বিপ্রদাস" উপন্যাস: 
• 'বিপ্রদাস' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের (১৯৩৫) জনপ্রিয় এবং সুখপাঠ্য একটি উপন্যাস। সমগ্র 'বিপ্রদাস' 'বিচিত্রা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এটি শরৎচন্দ্রের জীবদ্দশায় প্রকাশিত সর্বশেষ উপন্যাসগ্রন্থ।

• ‘বিপ্রদাসে’র প্রথম দশ পরিচ্ছেদ ১৩৩৬ হতে ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত ‘বেণু’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। পুনারায় ‘বিচিত্রা’ পত্রিকার ১৩৩৯-১৩৪১ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। মাঝে মাঝে কয়েক সংখ্যা বাদ গেলেও ‘বিচিত্রা’ পত্রিকায় ‘বিপ্রদাস’ উপন্যাসটি পূর্ণাঙ্গরূপে প্রকাশিত হয়েছিল। অতঃপর, ১৩৪১ বঙ্গাব্দের মাঘ মাসে (১লা ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৫) প্রথম পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয়।

• উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বিপ্রদাস, সে একজন জমিদার এবং পরিবারের বড় পুত্রসন্তান, সে তার বিধবা মা ছোট ভাই ও তার স্ত্রী নিয়ে বসবাস করে। 

• বিপ্রদাস একজন সফল ও ব্যক্তিত্ববান জমিদার। সে সুশিক্ষায় শিক্ষিত একজন মানুষ। বিপ্রদাসের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে প্রজাদের স্বার্থ উদ্ধার, সে সর্বদা প্রজাদের জীবন ও তাদের ভালো থাকা খারাপ থাকা নিয়ে কাজ করতো। বিপ্রদাস এর মতো এমন শক্তিশালী চরিত্র ও ব্যক্তিত্ববান জমিদার বাংলা সাহিত্যে খুব কমই আছে।
 
• বিপ্রদাস কোন সাধারন চরিত্র নয়, বরং তৎকালীন অত্যাচারী জমিদারদের উপরে ছুঁড়ে দেওয়া একটি প্রতিবাদী চরিত্র।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- বিপ্রদাস,
- দ্বিজদাস,
- বন্দনা প্রভৃতি। 

উৎস: "বিপ্রদাস" উপন্যাস এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৪.
আর্যদেব কোন ধরণের সাহিত্য রচনা করেছেন?
  1. বৈষ্ণবপদ
  2. চর্যাপদ
  3. মঙ্গল কাব্য
  4. শাক্তপদ
ব্যাখ্যা
• কবি-পরিচিতি "আর্যদেবপা" (আজদেব পা):
চর্যাগীতির ৩১ সংখ্যক পদটির রচয়িতা আর্যদেবপা বা আজদেব। তিনি বেশ কটি সংস্কৃত গ্রন্থও রচনা করেছিলেন। এসব সংস্কৃত গ্রন্থে তিব্বতি ঐতিহ্যের ছাপ সুস্পষ্ট।

• আজদেবের জীবন সম্পর্কে সঠিক কোনো তথ্য জানা যায় না। তবে অনুমান করা হয়, দ্বাদশ শতকের কাছাকাছি সময়ে তিনি বর্তমান ছিলেন। কোনো কোনো পণ্ডিত মনে করেন, আজদেব জীবিত ছিলেন অষ্টম শতকের শেষ ভাগ পর্যন্ত।

• প্রথম জীবনে আজদেব ব্রাহ্মণ ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। পরবর্তীকালে বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করে সিদ্ধাচার্য হন। ভণিতায় রচয়িতার নাম আজদেব থাকলেও টীকায় আর্যদেব বলে উল্লেখ রয়েছে। তাঁর লেখা 'চর্যামেলায়ন প্রদীপ' সম্ভবত চর্যাগীতির টীকা।

উৎস: চর্যাগীতি পাঠ, ড. মাহাবুবুল হক। 
৩৫.
'আমার উপর অভিযোগ, আমি রাজবিদ্রোহী। তাই আমি আজ কারাগারে বন্দী এবং রাজদ্বারে অভিযুক্ত।'- উক্তিটি কার কণ্ঠে উধৃত হয়েছে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. মুনীর চৌধুরী
  3. রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ
  4. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
ব্যাখ্যা
"রাজবন্দীর জবানবন্দী" প্রবন্ধ:
- 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' কাজী নজরুল ইসলামের লিখিত একটি প্রবন্ধ। এটি ছিল নজরুলের চার পৃষ্ঠার বক্তব্য যা তিনি আদালতে লিখিতভাবে উপস্থাপন করেন। তিনি ১৯২৩ সালে প্রেসিডেন্সি জেলে বসে এই চার পৃষ্ঠার জবানবন্দি রচনা করেন।

"রাজবন্দীর জবানবন্দী" প্রবন্ধটি লেখার কারণবিশেষ:
• ধূমকেতু পত্রিকায় ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯২২ সংখ্যায় কবি নজরুলের 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি প্রকাশিত হলে, এই পত্রিকার উক্ত সংখ্যাটি নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়। একই বছরের ২৩ নভেম্বর তার যুগবাণী প্রবন্ধগ্রন্থ বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং একই দিনে তাকে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তাকে কুমিল্লা থেকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়।

• তাকে আটক করে তাঁর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি লিখিতভাবে আদলতে উপস্থাপন করেন মাত্র চার পৃষ্ঠার বক্তব্য। যা 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' নামে পরবর্তিতে প্রকাশিত হয়। নজরুল আদালতে লিখিত 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' দিয়ে এবং প্রায় চল্লিশ দিন একটানা অনশন করে ইংরেজ সরকারের জেল-জুলুমের প্রতিবাদ জানিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেন।

• 'রাজবন্দীর জবানবন্দী'র শুরুতে কবি কাজী নজরুল ইসলাম উচ্চকণ্ঠে বলেছেন-
'আমার উপর অভিযোগ, আমি রাজবিদ্রোহী। তাই আমি আজ কারাগারে বন্দী এবং রাজদ্বারে অভিযুক্ত। একাধারে-রাজার মুকুট; আর ধারে ধূমকেতুর শিখা। একজন রাজা হাতে রাজদণ্ড; অন্যজন সত্য, হাতে ন্যায়দণ্ড। রাজার পক্ষে রাজার নিযুক্ত রাজ বেতনভোগী রাজ-কর্মচারী। আমার পক্ষে সব রাজার রাজা, সব বিচারকের বিচারক, আদি অনন্তকাল ধরে সত্য-জাগ্রত ভগবান।'

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৬.
কোরেশী মাগন ঠাকুর রচিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল
  2. চন্দ্রাবতী
  3. পদ্মাবতী
  4. সংগীতমাধব
ব্যাখ্যা
• "চন্দ্রাবতী" কাব্য:
চন্দ্রাবতী কাব্যের রচয়িতা কোরেশী মাগন ঠাকুর। তাঁর রচিত 'চন্দ্রাবতী' কাব্যের একটিমাত্র পুথি পাওয়া গেছে। এটি লোককাহিনী আশ্রিত রোম্যান্টিক প্রণয়কাব্য। বর্ণনাধর্মী এ কাব্যে সাহিত্যিক গুণের অভাব থাকলেও মধ্যযুগের কাব্য হিসেবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। 

--------------------
• কোরেশী মাগন ঠাকুর:
কোরেশী মাগন ঠাকুর (১৭শ শতক) মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একজন কবি। চন্দ্রাবতী কাব্যের রচয়িতা কোরেশী মাগন ঠাকুর এবং আরাকানের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দিক বংশজাত মাগন ঠাকুর একই ব্যক্তি ছিলেন এরূপ মনে করে তাঁর জীবনকথা আলোচনা করা হয়।

মাগন ঠাকুরের পিতা বড়াই ঠাকুর (শ্রীবড় ঠাকুর) ছিলেন আরাকানের একজন মন্ত্রী। রোসাঙ্গের অধিপতি নরপতিগি (১৬৩৮-৪৫) বৃদ্ধ বয়সে তাঁর একমাত্র কন্যার অভিভাবকত্বেরভার মাগন ঠাকুরের ওপর ন্যস্ত করেন। তাঁর মৃত্যুর পর রাজকন্যা মুখ্য পাটেশ্বরী হলে মাগন ঠাকুর মুখ্যপাত্রের (মুখ্যমন্ত্রীর) পদমর্যাদা লাভ করেন।

মাগন ঠাকুর গুণীর সমাদর করতেন এবং তিনি নিজেও ছিলেন নানা গুণের অধিকারী। বাংলা, ফারসি, বর্মি ও সংস্কৃত ভাষায় মাগন ঠাকুরের অগাধ পান্ডিত্য ছিল। সঙ্গীত ও অলঙ্কারশাস্ত্রেও তাঁর দখল ছিল। রোসাঙ্গের কবি আলাওল তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন এবং তাঁরই নির্দেশে 'পদ্মাবতী' (১৬৫২) ও 'সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল' (১৬৫৯) কাব্য রচনা করেন। 

অন্যদিকে, 
• 'সংগীতমাধব' সংস্কৃত নাটকের রচয়িতা গোবিন্দদাস। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৭.
ভাষা আন্দোলনের শহিদের স্মরণে গান রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন-
  1. অতুলপ্রসাদ সেন
  2. আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
  3. হাসান হাফিজুর রাহমান
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
• আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর অমর-কর্ম ভাষা আন্দোলনের শহিদের স্মরণে রচিত গান:
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো / একুশে ফেব্রুয়ারি / আমি কি ভুলিতে পারি। 

• সাংবাদিক ও লেখক আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে গানটি রচনা করেন। এই গানের কথায় ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি ২১ তারিখে সংঘটিত বাংলা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ফুটে উঠেছে।

• গানটি প্রথম প্রকাশিত হয় হাসান হাফিজুর রাহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারী' (১৯৫৩) সংকলন গ্রন্থে। 

• গানটির প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ। সেই সুর পরিবর্তন করে আলতাফ মাহমুদ পরে এর সুরারোপ করেন। আলতাফ মাহমুদের করা সুরটিই অধিক জনপ্রিয়তা লাভ করে। আলতাফ মাহমুদের সুরে ১৯৫৪ সালের প্রভাত ফেরীতে প্রথম গাওয়া হয় 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো' গানটি। সুরটি এখনো বলবৎ আছে। 

• ১৯৬৯ সালে জহির রায়হান তার ‘জীবন থেকে নেওয়া’ চলচ্চিত্রেও গানটি ব্যবহার করেন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী জীবনী।
৩৮.
"এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে" গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. এস ওয়াজেদ আলি
  2. হুমায়ুন আজাদ
  3. মুহাম্মদ আবদুল হাই
  4. আবদুল্লাহ আল-মুতী
ব্যাখ্যা
• আবদুল্লাহ আল-মুতী প্রকাশিত প্রথম বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ "এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে"। ছোটদের জন্য রচিত এই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৫ সালে।

----------------------
• আবদুল্লাহ আল-মুতী:

• আবদুল্লাহ আল-মুতী ছিলেন জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক, শিক্ষাবিদ ও প্রশাসক। আবদুল্লাহ আল-মুতী শরফুদ্দিন ১৯৩০ সালের ১ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ জেলার ফুলবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 

• বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে আল-মুতী শরফুদ্দিনের অবদান অসামান্য। তিনি এদেশে বিজ্ঞানকে ছোটদের মধ্যে জনপ্রিয় করার পথিকৃৎ। তাঁর প্রকাশিত বিজ্ঞান, পরিবেশ ও শিক্ষাবিষয়ক বইয়ের সংখ্যা ২৮। 

• আল-মুতী বাংলা একাডেমি প্রকাশিত 'বিজ্ঞান বিশ্বকোষ'-এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন এবং ‘মুকুল’ নামে ছোটদের ম্যাগাজিনের সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছেন। 

• বিজ্ঞান শিক্ষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার, একুশে পদক, শিশু একাডেমী পুরস্কার, ইউনেস্কোর কলিঙ্গ পুরস্কার এবং ড. কুদরত-ই-খুদা স্বর্ণপদকসহ এক ডজনের অধিক পুরস্কার লাভ করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য বইগুলির মধ্যে রয়েছে- 
- বিজ্ঞান ও মানুষ,
- এ যুগের বিজ্ঞান,
- বিপন্ন পরিবেশ,
- বিজ্ঞান-জিজ্ঞাসা,
- সাগরের রহস্যপুরী,
- মেঘ বৃষ্টি রোদ এবং
- পরিবেশের সংকট ঘনিয়ে আসছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৯.
সাধু ভাষার ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি অশুদ্ধ?
  1. সাধুভাষায় ধ্বন্যাত্মক শব্দের প্রাধান্য নেই।
  2. সাধুভাষা সর্বজনীন লেখ্য ভাষা।
  3. সাধু ভাষায় সর্বনাম পদের পূর্ণরূপ গৃহীত হয়।
  4. সাধু ভাষায় সন্ধি-সমাস বর্জনীয়।
ব্যাখ্যা
• সাধু ভাষা ও এর বৈশিষ্ট্য:
উনিশ শতকের শুরুতে সংস্কৃতানুসারী পন্ডিতদের উদ্যোগ-আয়োজনে যে সাহিত্যিক গদ্য ভাষার উন্মেষ, তাই সাধুভাষা।

১. সাধু ভাষায় সর্বনাম পদের পূর্ণরূপ গৃহীত হয়। যেমন: তাহার, ইহার, কাহাকে, ইহাকে ইত্যাদি।
২. সাধুভাষায় ক্রিয়াপদগুলো পূর্ণরূপে ব্যবহৃত হয়। যেমন: খাইতেছিলাম, করিতেছিল ইত্যাদি।
৩. সাধুভাষায় তৎসম শব্দের সমধিক প্রয়োগ (যদিও তদ্ভব ও দেশি-বিদেশি শব্দের ব্যবহার নিষিদ্ধ নয়)। যেমন: চন্দ্র, অভ্যন্তর, অভঙ্গ, সৌষ্ঠব, বৃত্ত, চর্ম, কাষ্ঠ। 

৪. সাধুভাষায় সন্ধি-সমাসের আধিক্য লক্ষ করা যায়। যেমন: কাষ্ঠাহরণে, রাজাজ্ঞা, রাজপুত্রহস্তে ইত্যাদি।

৫. সাধুভাষায় বাক্যের  পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট, অর্থাৎ বাক্যে প্রথমে উদ্দেশ্য ও পরে বিধেয় থাকে এবং ক্রিয়াপদ সাধারণত বাক্যের শেষে থাকে। যেমন: সম্মুখে এক ক্ষুদ্র প্রান্তর দেখিতে পাইলাম। সর্বশেষে আসিল রাত্রির কৃষ্ণকায় পক্ষী তাহার পক্ষ মেলিয়া।

৬. সাধুভাষায় দুরূহ তৎসম শব্দের ব্যবহার চলে। তবে সাধুভাষায় একসময় ব্যবহৃত অনেক শব্দই বর্তমানে অপ্রচলিত। যেমন: অত্রত্য, অপার্যমানে, নিষণ্ণ।
৭. সাধুভাষায় ধ্বন্যাত্মক শব্দের প্রাধান্য নেই।
৮. সাধুভাষা কথোপকথনে, নাটকের সংলাপ বক্তৃতার অনুপযোগী।
৯. সাধুভাষা গুরুগম্ভীর ও আভিজাত্যের অধিকারী।
১০. সাধুভাষা সর্বজনীন লেখ্য ভাষা।

অন্যদিকে, 
• চলিত ভাষায় সন্ধি-সমাসের বর্জন বা সেগুলোকে ভেঙে সহজ করে লেখার বা তদ্ভব রূপ দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। যেমন: কাঠ আনতে, রাজার হুকুম, রাজপুত্তুরের হাতে ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪০.
'ঋ' কোন ধরনের বর্ণ?
  1. পূর্ণমাত্রার বর্ণ
  2. অর্ধমাত্রার বর্ণ
  3. মাত্রাহীন বর্ণ
  4. যৌগিক বর্ণ
ব্যাখ্যা
• বর্ণের মাত্রা:
স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মাথায় সোজা দাগ থাকলেই সেটাকে মাত্রা বলে। যেমন: এ কিংবা ও অক্ষরের ওপরে মাত্রা থাকে না। মাত্রা দেওয়া মাত্রই-'এ' আর 'ও' সম্পূর্ণ ভিন্ন হরফে রূপান্তরিত হয়ে যায়: মাত্রাসহ 'এ' হয়ে যায় ত-য়ে র-ফলা (ত্র); আর মাত্রাসহ 'ও' হয়ে যায় ত-য়ে-ত (ও)। 

মাত্রার ভিত্তিতে বর্ণের বিভাজন-
• পূর্ণমাত্রার বর্ণ সংখ্যা ৩২টি। যথা:
অ, আ, ই, ঈ, উ, উ, ক, ঘ, চ, ছ, জ, ঝ, ট, ঠ, ড, ঢ, ত, দ, ন, ফ, ব, ভ, ম, য, র, ল, ষ, স, হ, ড়, ঢ়, য়।

• অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা ৮টি। যথা: ঋ, খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ।

• মাত্রাহীন বর্ণ সংখ্যা ১০টি। যথা: এ, ঐ, ও, ঔ, ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪১.
অপিনিহিতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. সাক্ষাৎ > সাইক্‌খাৎ
  2. গাছুয়া > গাউছ্যা
  3. কন্যা > কইন্যা
  4. আজি > আজ
ব্যাখ্যা
• আজি > আজ- অন্ত্যস্বর লোপের উদাহরণ। 

-------------------
• "অপিনিহিতি" ধ্বনি পরিবর্তন:

শব্দের মধ্যে ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত 'ই' বা 'উ' উচ্চারণের সময় স্বস্থানে উচ্চারিত না হয়ে যে ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত তার অব্যবহিত পূর্বে উচ্চারিত হলে ওই রীতিকে অপিনিহিতি বলে। ধ্বনি-বিপর্যয়ের মতো মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে অপিনিহিতি ধ্বনি-বিপর্যয় নয়।

• ই-ধ্বনির অপিনিহিতি:
আজি > আইজ; রাতি > রাইত; রাখিয়া > রাইখ্য; চলিয়া > চইলা; গাঁটি > গাঁইট; মাটিয়া > মাইট্যা; ভাসিয়া > ভাইস্যা; জালিয়া > জাইল্যা; চারি > চাইর ইত্যাদি।

• য-ফলার অন্তর্নিহিত ই-ধ্বনির অপিনিহিতি:
সত্য > সইত্য; কন্যা > কইন্যা; কাব্য > কাইব্য ইত্যাদি।

• উ-ধ্বনির অপিনিহিতি:
মাছুয়া > মাউছ্যা; গাছুয়া > গাউছ্যা; চালু > চাউল; হাটুয়া > হাউট্যা ইত্যাদি।

• ক্ষ ও জ্ঞ-এর অন্তর্নিহিত ই-ধ্বনির অপিনিহিতি:
সাক্ষাৎ > সাইক্‌খাৎ; লক্ষ > লইক্‌খ; বক্ষ > বইক্‌খ ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪২.
তৎসম উপসর্গ যোগে 'অবসান' শব্দটি কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. অল্পতা অর্থে
  2. হীনতা অর্থে
  3. অধোমুখিতা অর্থে
  4. সম্যক অর্থে
ব্যাখ্যা
• "তৎসম/সংস্কৃত" উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় বহু সংস্কৃত শব্দ হুবহু এসে গেছে। সেই সঙ্গে সংস্কৃত উপসর্গও তৎসম শব্দের আগে বসে শব্দের নতুন রূপে অর্থের সংকোচন সম্প্রসারণ করে থাকে।

• তৎসম উপসর্গ বিশটি। এগুলো হলো-   প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।

অব- তৎসম উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ:
• 'হীনতা' অর্থে - অবজ্ঞা, অবমাননা। 
• 'সম্যক' অর্থে - অবরোধ, অবগাহন, অবগত। 
• 'নিম্নে/অধোমুখিতা' অর্থে - অবতরণ, অবরোহণ। 
• 'অল্পতা' অর্থে - অবশেষ, অবসান। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪৩.
'ধুনারি' শব্দের শুদ্ধ প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. √ধুনা + অরি
  2. √ধুন্ + আরি
  3. √ধুনা + আরি
  4. √ধুনা + উরি
ব্যাখ্যা
• আরি বা আরী বিকল্পে রি/উরি-প্রত্যয় যোগে শব্দ গঠন হয়। এরূপ কিছু শব্দ হলো- 
যেম:
- √ডুব্‌ + আরি/উরি = ডুবুরি।
- √ধুন্ + আরি = ধুনারি, 
- √পূজ + আরি = পূজারি ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪৪.
'হরিণ' কোন ধরনের শব্দ?
  1. মিশ্র
  2. যোগরূঢ়
  3. যৌগিক
  4.  রূঢ়
ব্যাখ্যা
• রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
যেসব শব্দ ব্যুৎপত্তিগত অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোন অর্থ প্রকাশ করে তাকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
- হাতি: এখানে ব্যুৎপত্তি অর্থ হচ্ছে: হাত আছে যার। কিন্তু ব্যবহারিক দিক থেকে একটি বিশেষ জন্তু বোঝায়।
- 'গো': এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো- যে গমন করে, কিন্তু এর ব্যবহারিক অর্থ হলো 'গরু'।

তেমনি-
• কুশল (অর্থ-নিপুণ, ব্যুৎপত্তিগত অর্থ-যে কুশ আহরণ করে)। 
• শুশ্রূষা (অর্থ-রোগীর সেবা, ব্যুৎপত্তিগত অর্থ-শোনার ইচ্ছা)। 
• সন্দেশ (অর্থ-মিষ্টান্ন, ব্যুৎপত্তিগত অর্থ-সমস্ত দেশ থেকে যা আসে অর্থাৎ খবর)। 
• হরিণ (অর্থ-পশু বিশেষ, ব্যুৎপত্তিগত অর্থ-যে হরণ করে)।  

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকারণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪৫.
'আভরণ' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. খোলক
  2. ভূষণ
  3. আস্তরণ
  4. আবরণ
ব্যাখ্যা
• আভরণ (বিশেষ্য পদ),
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- ভূষণ,
- অলংকার,
- গহনা। 

অন্যদিকে, 
• 'খোসা' শব্দের সমার্থক শব্দ:
আবরণ, খোলক, আস্তরণ, খোলা, চামড়া, ছাল, বাকল, চাম।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৪৬.
প্রশ্ন রচনায় বসে-
  1. কোলন
  2. হাইফেন
  3. কমা
  4. সেমিকোলন
ব্যাখ্যা
• কোলন যতিচিহ্ন (:):
বাংলায় কোলন চিহ্নের ব্যবহার খুব বেশি দিনের নয়, বড়োজোর পঞ্চাশ-ষাট বছরের। আগে যেসব ক্ষেত্রে ড্যাশ বা কোলনড্যাশ দেওয়া হতো, আজকাল সেসব জায়গায় কোলন ব্যবহৃত হচ্ছে।

নিম্নলিখিত স্থানে কোলন ব্যবহৃত হয়-
• বাক্যে কোনো প্রসঙ্গ অবতারণার আগে কোলন বসে। যেমন- শপথ নিলাম: পাশ করবই।
• কোনো বিবৃতিকে সম্পূর্ণ করতে দৃষ্টান্ত দিতে হলে কোলন ব্যবহার করা হয়। যেমন- পদ আট প্রকার: বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ, যোজক, অনুসর্গ ও আবেগ শব্দ।
• উদাহরণ, তালিকা, ব্যাখ্যা, বিশদ মন্তব্যের আগে কোলন বসে। যেমন- বাড়িতে যেসব জিনিস নিতে হবে: আম, চাল, ডাল, তেল ও দুই গজ সাদা সুতি কাপড়। কথায় বলে অতি লোভে তাঁতি নষ্ট।
• নাটকের চরিত্রের পরে ও সংলাপের আগে। রাজা: কে কোথায় আছ, উজির-নাজির সবাই এসো হাজির হও।
• কটা বেজে কত মিনিট তা সংখ্যায় নির্দেশ করতে কোলন বসে। যেমন- ৪:২০; ১১:৪৫; ১২:০৬।
• ধারাবাহিক উপস্থাপনের বেলায়। যেমন- ছবিতে: বাম থেকে সফিক, শুভ, মোস্তফা, মলি ও সালমা।
• গণিতের অনুপাত বোঝাতে কোলন বসে। যেমন-ফেলের হার ৪: ৮।
• প্রশ্ন রচনায় কোলন বসে। যেমন- টীকা লেখ:,  ব্যাখ্যা লেখ:।
• কোনো উদ্ধৃতির আগে কোলন বসে। যেমন- কবি বলেছেন: 'বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি'।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪৭.
'প্রবিষ্ট' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. প্রতীচ্য
  2. প্রস্থিত
  3. প্রকৃষ্ট
  4. প্রচ্ছন্ন
ব্যাখ্যা
• প্রবিষ্ট অর্থ - প্রবেশ করেছে এমন। 
• প্রস্থিত অর্থ - চলে করেছে এমন। 

• 'প্রবিষ্ট' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - প্রস্থিত। 

অন্যদিকে, 
• প্রতীচ্য শব্দের অর্থ- পশ্চিম দিকস্থ। 
• প্রকৃষ্ট - নিকৃষ্ট।  
• প্রচ্ছন্ন - ব‍‍্যপ্তি। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৪৮.
নিচের কোনটি শুদ্ধ?
  1. মৃদ + অঙ্গ = মৃদঙ্গ
  2. দিগ + অন্ত = দিগন্ত
  3. শরত + ইন্দু = শরদিন্দু
  4. প্রাক্ + উক্ত = প্রাগুক্ত
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ: প্রাক্ + উক্ত = প্রাগুক্ত। 

-------------------
• ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম: 

পূর্বপদের শেষে বর্গের প্রথম ব্যঞ্জন (ক/চ/ট/ত্ [ৎ] /প) থাকলে, এবং পরপদের প্রথমটি স্বরধ্বনি হলে ব্যঞ্জনধ্বনিটি ওই বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে অর্থাৎ ক স্থানে গ্‌, চ্ স্থানে জ, টু স্থানে ড্ডু, ত্ স্থানে দ্‌, প্‌ স্থানে ব্‌ হয়। পরপদের স্বরধ্বনি, বর্গের তৃতীয় ধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়।

যেমন:
• দিক্ + অন্ত = দিগন্ত,
• বাক্ + আড়ম্বর = বাগাড়ম্বর,
• প্রাক্ + উক্ত = প্রাগুক্ত,
• ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত,
• অচ্ + অন্ত = অজন্ত, 
• মৃৎ + অঙ্গ = মৃদঙ্গ,
• শরৎ + ইন্দু = শরদিন্দু।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৪৯.
'আষাঢ়ে গল্প' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. কিছু না জানা
  2. আজগুবি গল্প
  3. কাল্পনিক বস্তু
  4. বড় বেশি বাড়াবাড়ি
ব্যাখ্যা
• 'আষাঢ়ে গল্প' বাগ্‌ধারার অর্থ- আজগুবি গল্প।
বাক্য: কী এক আষাঢ়ে গল্প ফেঁদে বসেছ, এ সব কি বিশ্বাসযোগ্য কথা।

অন্যদিকে, 
• 'আকাশকুসুম' বাগ্‌ধারার অর্থ- কাল্পনিক বস্তু। 
• 'অন্ধকারে থাকা' বাগ্‌ধারার অর্থ- কিছু না জানা।
• 'আঠারো আনা' বাগ্‌ধারার অর্থ- বড় বেশি বাড়াবাড়ি। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 
৫০.
'যে নারীর সন্তান বাঁচে না' এক কথায় কী বলে?
  1. কাকবন্ধ্যা
  2. বন্ধ্যা
  3. বীরপ্রসূ
  4. মৃতবৎসা
ব্যাখ্যা
• 'যে নারীর সন্তান বাঁচে না' এক কথায় বলে - মৃতবৎসা।

অন্যদিকে, 
• 'যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে' এক কথায় বলে - বীরপ্রসূ।
• 'যে নারীর কোনো সন্তান হয় না' এক কথায় বলে-  বন্ধ্যা।
• 'যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে' এক কথায় বলে - কাকবন্ধ্যা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকারণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 
৫১.
কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস?
  1. জীবন্মৃত
  2. অজ্ঞান
  3. বিড়ালচোখী
  4. একচোখা
ব্যাখ্যা
• নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস:
কোনো নিয়মের অধীনে নয় বা কোনো নিয়ম মেনে গঠিত হয় না এমন সমাসকে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস বলে। 
যেমন:
- দু দিকে অপ যার = দ্বীপ,
- অন্তর্গত অপ যার = অন্তরীপ,
- নরাকারের পশু যে = নরপশু,
- জীবিত থেকেও যে মৃত = জীবন্মৃত,
- পণ্ডিত হয়েও যে মূর্খ = পণ্ডিতমূর্খ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• নঞ বহুব্রীহি:
বিশেষ্য পূর্বপদের আগে নং (না অর্থবোধক) অব্যয় যোগ করে বহুব্রীহি সমাস করা হলে তাকে নঞ বহুব্রীহি বলে। নঞ বহুব্রীহি সমাসে সাধিত পদটি বিশেষণ হয়।
যেমন:
- ন (নাই) জ্ঞান যার = অজ্ঞান,
- বে (নাই) হেড যার = বেহেড,
- না (নাই) চারা (উপায়) যার = নাচার।

• মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি:
বহুব্রীহি সমাসের ব্যাখ্যার জন্য ব্যবহৃত বাক্যাংশের কোনো অংশ যদি সমস্তপদে লোপ পায়, তবে তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি বলে।
যেমন:
- বিড়ালের চোখের ন্যায় চোখ যে নারীর = বিড়ালচোখী,
- হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = হাতেখড়ি। 

• প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি:
যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদে আ, এ, ও ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে বলা হয় প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি।
যথা-
- এক দিকে চোখ (দৃষ্টি) যার = একচোখা (চোখ+আ),
- ঘরের দিকে মুখ যার = ঘরমুখো (মুখ+ও),
- নিঃ (নেই) খরচ যার = নি-খরচে (খরচ+এ)।

এরকম- দোটানা, দোমনা, একগুঁয়ে, অকেজো, একঘরে, দোনলা, দোতলা, ঊনপাঁজুরে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকারণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৫২.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. দুর্ণাম
  2. বিপনি
  3. ভনিতা
  4. নিপুণ
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান: নিপুণ। 

• নিপুণ (বিশেষণ পদ),
- সংস্কৃত শব্দ। 
অর্থ:
- দক্ষ,
- পটু,
- বিচক্ষণ।

অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ-
ভনিতা - ভণিতা। 
বিপনি - বিপণি।  
দুর্ণাম - দুর্নাম। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৫৩.
‘রসকলি’ বিখ্যাত ছোটগল্পটির রচয়িতা কে?
  1. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. আখতারুজ্জাম ইলিয়াস
  3. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• ‘রসকলি’ গল্প:
• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম গল্প ‘রসকলি’। 'রসকলি' গল্পটি ১৩৩৪ সালের ফাল্গুন মাসে 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
• গল্পটি মূলত বৈরাগী জীবনের পটভূমিকায় লেখা হলেও গল্পের জীবন লেখকের পরিচিত অভিজ্ঞতার জগৎ থেকে উৎসারিত।

• 'রসকলি' গল্পের প্লট থেকে শুরু করে চরিত্র-চিত্রণ সমস্ত বিষয় বাস্তব ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। যেখানে লেখক বৈষ্ণবীয় চেতনার সঙ্গে একটি ত্রিকোণ প্রেমের মাধুরী রচনা করেছেন। পাশাপাশি বৈষ্ণব সমাজের রূপ বৈচিত্র্যের একটা সার্থক নিদর্শন এই গল্পের মধ্যে উঠে এসেছে।

উল্লেখ্য,
• 'রসকলি' নামে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি গল্পগ্রন্থও রয়েছে। এতে মোট ৯টি গল্প আছে।
- কালাপাহাড়,
- তাসের ঘর,
- মতিলাল,
- মুসাফিরখানা,
- শ্মশান-বৈরাগ্য,
- নুটু মোক্তারের সওয়াল,
- সাতে অগ্রদানী,
- আছে প্রতিমা,
- রসকলি।

উৎস: ‘রসকলি’ গল্প এবং বাংলাপিডিয়া।
৫৪.
'নিমচাঁদ ও কেনারাম' দীনবন্ধু মিত্র রচিত কোন প্রহসনের অন্তর্ভুক্ত চরিত্র?
  1. জামাই বারিক
  2. সধবার একাদশী
  3. বিয়ে পাগল বুড়ো
  4. কমলে কামিনী
ব্যাখ্যা
• "সধবার একাদশী" প্রহসন:
- 'সধবার একাদশী' (১৮৬৬) দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন।

- ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে সুরাপান ও বেশ্যাবৃত্তি যুবকদের জীবনে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল। এই সামাজিক বিপর্যয় এর কাহিনি নিয়ে নাটকটির রচিত।

- ‘সধবার একাদশী' প্রহসনে তৎকালীন ইয়ংবেঙ্গল দলের উচ্ছৃঙ্খলতা ও অনাচারের চিত্র অঙ্কন করা হয়েছ। দেশীয় নব্যশিক্ষিতদের ইংরেজদের অনুকরণ ও সুরাপানে আসক্তের প্রতি ব্যঙ্গ করেই প্রহসনটি রচনা করা হয়েছে।

প্রহসনটি উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- নিমচাঁদ,
- কেনারাম,
- সৌদামিনী,
- গিন্নী,
- কাঞ্চন ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• দীনবন্ধু মিত্রের 'জামাই বারিক' প্রহসনটি সামাজিক বিষয়াবলম্বনে রচিত। উল্লেখযোগ্য চরিত্র: কামিনী, বগলা, বিজাব্বল্লভ ইত্যাদি।

• 'কমলেকামিনী' (১৮৭৩) দীনবন্ধু মিত্রের সর্বশেষ নাটক। উল্লেখযোগ্য চরিত্র: রাজা, সমরকেতু, শশাঙ্কশেখর, গান্ধারী, সুশীলা, সুরবালা।

• দীনবন্ধু মিত্র রচিত 'বিয়ে পাগলা বুড়ো' একটি প্রহসন। ১৮৭২ সালে নাটকটি প্রথম অভিনীত হয়। উল্লেখযোগ্য চরিত্র: নসিরাম, রতা, রাজীব, রাজমণি, কেশব, বৈকুণ্ঠ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫৫.
পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করে নির্মিত চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. জীবন থেকে নেয়া
  2. হাজার বছর ধরে
  3. আরেক ফাল্গুন
  4. বরফ গলা নদী
ব্যাখ্যা
'জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্র:
• 'জীবন থেকে নেয়া' জহির রায়হান পরিচালিত একটি বাংলা চলচ্চিত্র। এই চলচ্চিত্রটি ১৯৭০ সালের এপ্রিলে মুক্তি পায়।

• 'জীবন থেকে নেয়া' ছবিতে প্রতীকী কাহিনির মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

• ছবিটিতে অভিনয় করেছিলেন রাজ্জাক, সুচন্দা, রোজী সামাদ, খান আতাউর রহমান, রওশন জামিল, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

অন্যদিকে, 
• আবহমান বাংলার জীবন ও জনপদ 'হাজার বছর ধরে' (১৯৬৪) উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য।
• বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও ১৯৫২ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় জহির রায়হান 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি রচনা করেন।
• 'বরফ গলা নদী' উপন্যাসটির রচয়িতা জহির রায়হান। ১৩৭৬ বঙ্গাব্দে 'বরফ গলা নদী' গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৫৬.
রামনিধি গুপ্ত কোন টপ্পার অনুকরণে বাংলা টপ্পা রচনা করেন?
  1. আরবি টপ্পার
  2. হিন্দি টপ্পার
  3. ফারসি টপ্পার
  4. সংস্কৃত টপ্পার
ব্যাখ্যা
• রামনিধি গুপ্ত:
• নিধুগুপ্ত (১৭৪১-১৮৩৯) সঙ্গীতশিল্পী ও গানের জনক। তাঁর প্রকৃত নাম ‘রামনিধি গুপ্ত’, কিন্তু সঙ্গীতজগতে তিনি ‘নিধু গুপ্ত’ নামেই পরিচিত। কেউ কেউ তাঁকে ‘নিধুবাবু’ বলেও ডাকতেন। পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার চাপ্তায় মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।

• নিধু গুপ্ত বাংলা ভাষায় টপ্পাগীতি রচনা ও সুরারোপ করে নিজেই তা গাইতেন। ক্রমে তাঁর গানের সমঝদার জোটে এবং কলকাতার নগরসমাজে তিনি অল্পদিনেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।

• নিধু গুপ্ত হিন্দি টপ্পার অনুকরণে বাংলা টপ্পা রচনা করেন, তবে তাতে তাঁর স্বকীয়তা ফুটে উঠেছে। তিনি বিভিন্ন রাগের মিশ্রণ ঘটিয়ে সুরের মধ্যে বৈচিত্র্য এনেছেন। 

• ১৮৩২ সালে 'গীতরত্ন' নামে তাঁর গানের একটি সংকলন প্রকাশিত হয়; তাতে ৯৬টি গান স্থান পায়। তাঁর পুত্র জয়গোপাল গুপ্ত ১৮৫৬ সালে এর দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশ করেন; তাতে আরও সাতটি গান সংযুক্ত হয়। গীতরত্নের গানগুলির মধ্যে চারটি ভক্তিভাব ও একটি স্বদেশচেতনার গান ছাড়া বাকি ৯৮টি প্রেমবিষয়ক গান।

• দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত বাঙ্গালীর গানে (১৯০৫) নিধু গুপ্তের ৪৫০টি এবং সঙ্গীতরাগকল্পদ্রুম নামক সংকলনে ১৫০টি গান মুদ্রিত হয়েছে।

তাঁর কয়েকটি জনপ্রিয় টপ্পা গান হলো:
• ‘নানান দেশের নানান ভাষা / বিনে স্বদেশী ভাষা মিটে কি আশা।'

• ‘মনোপুর হোতে আমার হারায়েছে মন’, ‘কত ভালবাসি তারে সই, কেমনে বুঝাব’, কেমনে রহিব ঘরে মন মানে না’, ‘এমন সুখের নিশি কেন পোহাইল’ ইত্যাদি।  

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৭.
হুমায়ূন আহমেদ কর্তৃক সৃষ্ট চরিত্র নয় কোনটি?
  1. শুভ্র
  2. মিসির আলী
  3. ফেলুদা
  4. হিমু
ব্যাখ্যা
• "ফেলুদা" চরিত্র:
বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় কাল্পনিক গোয়েন্দা চরিত্র 'ফেলুদা' এর স্রষ্টা সত্যজিৎ রায়। ১৯৬৫ সালের ডিসেম্বর মাসের সন্দেশ পত্রিকায় ফেলুদা সিরিজের প্রথম গল্প ফেলুদার গোয়েন্দাগিরির প্রথমভাগ প্রকাশিত হয় যা পরের আরো দুইটি সংখ্যার মাধ্যমে শেষ হয়। ১৯৬৫ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত এই সিরিজের মোট ৩৫টি সম্পূর্ণ ও চারটি অসম্পূর্ণ গল্প ও উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। ফেলুদার প্রধান সহকারী তার খুড়তুতো ভাই তপেশরঞ্জন মিত্র ওরফে তোপসে ও লেখক লালমোহন গাঙ্গুলি (ছদ্মনাম জটায়ু)।

ফেলুদার চরিত্র নির্মাণে সত্যজিৎ রায় তার ছোটবেলায় পড়া শার্লক হোমস এর গোয়েন্দা গল্পের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। তাই ফেলুদার চরিত্রের সাথে অনেক জায়গায় আমরা হোমসের আর ফেলুদার ভাই ও সহকারী তোপসের সাথে হোমসের সহকারী ওয়াটসনের মিল পাওয়া যায়। নিজের লেখা অধিকাংশ গল্পের বইয়ের মতই ফেলুদার বইতেও সত্যজিৎ রায় নিজেই প্রচ্ছদ ও অলংকরণ করতেন।

------------------
• "শুভ্র" চরিত্র:

হুমায়ূন আহমেদের পাঠকপ্রিয় উপন্যাস 'দারুচিনি দ্বীপ'। এই উপন্যাসের অন্যতম প্রধান চরিত্র 'শুভ্র'। চশমা ছাড়া চোখে দেখে না শুভ্র। সে খুব মেধাবী ছাত্র। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। এই উপন্যাস নিয়ে তৌকীর আহমেদ নির্মাণ করেছেন 'দারুচিনি দ্বীপ' সিনেমা। রূপালি পর্দায় শুভ্র চরিত্রে অভিনয় করেছেন নায়ক রিয়াজ। তবে, উপন্যাসের শুভ্রই বেশি মানুষের কাছে জনপ্রিয় ও পরিচিত। শুভ্রকে নিয়ে বেশ কয়েকটি উপন্যাস রয়েছে এই লেখকের। প্রকাশ হয়েছে শুভ্র সমগ্রও।

• শুভ্র সিরিজ: দারুচিনি দ্বীপ (১৯৯১), রূপালী দ্বীপ (১৯৯৪), শুভ্র (১৯৯৮), এই শুভ্র ! এই (২০০৩), শুভ্র গেছে বনে (২০১০) প্রভৃতি।

-----------------
• "মিসির আলী" চরিত্র:
হুমায়ূন আহমেদের লেখা চরিত্রগুলোর মধ্যে মিসির আলী পাঠকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। যারা যুক্তির খেলা পছন্দ করেন, তারা জানেন মিসির আলী যুক্তি ছাড়া কিছু করেন না। সব সমস্যার সমাধানের জন্য তিনি সময় নেন, চিন্তা-ভাবনা করেন এবং যুক্তি দিয়ে বোঝান। তারপর সমস্যার সমাধান করেন। সমস্যা সমাধানের জন্য তার কাছে অনেকেই ছুটে আসেন। তিনি অবশ্য পেশায় একজন শিক্ষক। টেলিভিশন নাটকে মিসির আলী চরিত্রে প্রথমে অভিনয় করেন গুণী অভিনেতা আবুল হায়াত। আর অনম বিশ্বাস পরিচালিত 'দেবী' সিনেমায় মিসির আলী চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী।

• মিসির আলি সিরিজ:
দেবী (১৯৮৫), অন্যভুবন (১৯৮৭), বিপদ (১৯৯১), মিসির আলির অমীমাংসিত রহস্য (১৯৯৪), তন্দ্রাবিলাস (১৯৯৭), আমিই মিসির আলি (২০০০), বাঘবন্দি মিসির আলি (২০০১), নিশীথিনী (২০০৪), নিষাদ (২০০৪), বৃহন্নলা (২০০৪), কহেন কবি কালিদাস (২০০৫), মিসির আলির চশমা (২০০৮)  প্রভৃতি।

----------------
• "হিমু" চরিত্র:
হুমায়ূন আহমেদের লেখা চরিত্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছেন 'হিমু'। বিশেষ করে তার লেখা উপন্যাসে 'হিমু' বেশি প্রিয় পাঠকের কাছে। প্রতিবছর বই মেলায় পাঠকেরা অপেক্ষা করতেন কখন হিমুকে নিয়ে নতুন বই আসবে। এখনো হিমুর অপেক্ষায় থাকেন পাঠকেরা। কিন্তু আর কখনো নতুন হিমু আসবে না। তবে, নাটকে হিমু কম এসেছ। হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় নাটক নক্ষত্রের রাতে হিমু চরিত্রটি ছিল। এই নাটকে হিমুর চরিত্রে অভিনয় করেন ফজলুল কবির তুহিন।

• হিমু সিরিজ:
ময়ূরাক্ষী (১৯৯০), দরজার ওপাশে (১৯৯৩), হিমু (১৯৯৩), পারাপার (১৯৯৩), এবং হিমু (১৯৯৫), হিমুর হাতে কয়েকটি নীল পদ্ম (১৯৯৬), হিমুর দ্বিতীয় প্রহর (১৯৯৭), হিমুর রূপালী রাত্রি (১৯৯৮), একজন হিমু কয়েকটি ঝিঁঝিঁ পোকা (১৯৯৯), তোমাদের এই নগরে (২০০০), সে আসে ধীরে (২০০২), চলে যায় বসন্তের দিন (২০০২), হিমু মামা (২০০৪), আঙুল কাটা জগলু (২০০৫), হলুদ হিমু কালো র‌্যাব (২০০৬), আজ হিমুর বিয়ে (২০০৭), হিমু রিমান্ডে (২০০৮), হিমুর একান্ত সাক্ষাৎকার ও অন্যান্য (২০০৮), হিমুর মধ্যদুপুর (২০০৯), হিমুর বাবার কথামালা (২০০৯), হিমুর নীল জোছনা (২০১০), হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী (২০১১), হিমুর আছে জল (২০১১), হিমু এবং হার্ভার্ড পিএইচ.ডি বল্টু ভাই (২০১২) প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ডেইলি স্টার বাংলা রিপোর্ট (বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৫)
৫৮.
চর্যাপদের কবি ছিলেন কে?
  1. হরিরাম
  2. ময়ূরভট্ট
  3. জয়দেব
  4. মহীধর
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদ:
চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। তাঁরই সম্পাদনায় পুথিখানি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা (১৯১৬) নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক প্রকাশিত হয়। তিনি পুথির সূচনায় একটি সংস্কৃত শ্লোক থেকে নামের যে ইঙ্গিত পান তাতে এটি চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয় নামেও পরিচিত হয়। তবে সংক্ষেপে এটি ‘বৌদ্ধগান ও দোহা’ বা ‘চর্যাপদ’ নামেই অভিহিত হয়ে থাকে।

চর্যাপদের কবিগণ:
চর্যার কবিদের সংখ্যা নিয়ে মতবিরোধ আছে-
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম উল্লেখ আছে।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।

চর্যাপদের কবিগণ হলেন:
কাহ্নপা; কুক্কুরীপা; ধর্মপা; ঢেণ্ডণপা; বিরুপা; বীণাপা; ভাদেপা; ভুসুকুপা, মহীধরপা, লুইপা; শবরপা; শান্তিপা; সরহপা; ডোম্বীপা; কম্বলাম্বরপা; গুণ্ডরীপা; চাটিল্লপা; আর্যদেবপা; দারিকপা; তাড়কপা; কঙ্কণপা; জয়নন্দীপা; তন্ত্রীপা।

অন্যদিকে, 
•'হরিরাম' চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কবি। 
• 'ময়ূরভট্ট' ধর্মমঙ্গল কাব্যের কবি। 
• 'জয়দেব' বৈষ্ণব পদাবলির কবি। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।
৫৯.
বালাম কোন অঞ্চলের সুপরিচিত ধান?
  1. ময়মনসিংহ
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
- বালাম ধান বরিশাল অঞ্চলের একটি সুপরিচিত ঐতিহ্যবাহী ধান।
- এটি বিশেষভাবে দক্ষিণাঞ্চলের নদী বিধৌত পলিসমৃদ্ধ জমিতে চাষ হতো, বিশেষ করে রোপা আমন মৌসুমে।
- বালাম ধানের চাষে খরচ কম ছিল এবং এটি সুস্বাদু চিকন চাল হিসেবে পরিচিত ছিল।
- এর ভাত দীর্ঘসময় তাজা থাকে, যা একসময় ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল।

এছাড়াও, 
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ও কালের কণ্ঠ।
৬০.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফায় কয়টি ভাষা সংক্রান্ত দফা ছিল?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
একুশ দফা:
- ১৯৫৪ সালে পূর্ববাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পূর্ববাংলায় মুসলিম লীগ শাসনের অবসানকল্পে আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দলের সমন্বয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রণ্ট নামে এক নির্বাচনী মোর্চা গঠিত হয়।
- এই মোর্চা গঠনের মূল উদ্যোক্তা ছিলেন কৃষক-শ্রমিক পার্টির সভাপতি এ.কে ফজলুল হক, আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, এবং আওয়ামী মুসলিম লীগ নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- যুক্তফ্রণ্টের পক্ষ থেকে ২১টি প্রতিশ্রুতি সম্বলিত যে নির্বাচনী মেনিফেস্টো ঘোষণা করা হয় তা-ই ২১-দফা নামে পরিচিত। এই ২১ দফার মধ্যে ভাষা সংক্রান্ত দফা ছিল ৫টি: ১, ১০, ১৬, ১৭, ১৮ নং দফা।  

এই দফাগুলো সংক্ষেপে বর্ণিত হল:
১. বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
২. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা এবং ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে উদ্বৃত্ত জমি বিতরণ।
৩. পাটের ব্যবসায় জাতীয়করণ করা।
৪. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
৫. পূর্ব পাকিস্তানে লবণ শিল্প প্রতিষ্ঠা করা।
৬. কারিগর মুহাজিরদের কাজের ব্যবস্থা করা।
৭. বন্যা ও দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য খাল খনন ও সেচের ব্যবস্থা করা
৮. শিল্প ও খাদ্যে দেশকে স্বাবলম্বী করা।
৯. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন করা
১০. শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কার, মাতৃভাষায় শিক্ষাদান, সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের মধ্যকার বৈষম্য বিলোপ করে সকল বিদ্যালয়কে সরকারি সাহায্যপুষ্ট প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হবে;
১১. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।
১২. শাসন ব্যয় হ্রাস করা ও মন্ত্রীদের বেতন এক হাজার টাকার বেশি না করা।
১৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১৪. জন নিরাপত্তা আইন ও অর্ডিন্যান্স প্রভৃতি বাতিল করা।
১৫. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা।
১৬. মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন 'বর্ধমান হাউস'কে বাংলা ভাষা গবেষণাগারে পরিণত করা।
১৭. বাংলা ভাষা করার দাবিতে নিহত শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শহীদ মিনার নির্মাণ করা।
১৮. একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা।
১৯. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান।
২০. আইন পরিষদের মেয়াদ কোনোভাবেই বৃদ্ধি না করা।
২১. আইন পরিষদের আসন শূন্য হলে তিন মাসের মধ্যে উপনির্বাচন দিয়ে তা পূরণ করা।

সূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৬১.
ট্যাক্স হলিডে বলতে কী বুঝায়?
  1. ট্যাক্স মেলার আয়োজন করা
  2. নতুন শিল্পে ট্যাক্স ছাড়
  3. সাময়িক ভাবে ট্যাক্স স্থগিত করা
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ট্যাক্স হলিডে:
- ট্যাক্স হলিডে হলো শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য সাময়িকভাবে কর স্থগিত করার একটি ব্যবস্থা। এটি মূলত অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। সাধারণভাবে, কোনো প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আয়কর প্রদান থেকে অব্যাহতি দেওয়াকে কর অবকাশ বলা হয়। বিশেষ করে, কোনো নির্দিষ্ট বা বিশেষ শিল্পখাতকে নির্দিষ্ট শর্ত পালন সাপেক্ষে কর প্রদান হতে মুক্তি দেওয়াই কর অবকাশের মূল উদ্দেশ্য। সাধারণত নতুন প্রতিষ্ঠিত শিল্প প্রতিষ্ঠান এ ধরনের সুবিধা লাভ করে। আঞ্চলিক সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করাই কর অবকাশ নীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। নতুন শিল্প উদ্যোক্তারা বিশেষত অনগ্রসর অঞ্চলে শিল্প স্থাপনের জন্য এ সুবিধা গ্রহণে আগ্রহী হয়ে থাকেন, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

সূত্র - এনবিআর ওয়েবসাইট ও কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২.
বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে নারী সদস্য সংখ্যা কত জন? [ফেব্রুয়ারি - ২০২৫]
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা: 
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।
- প্রধান উপদেষ্টা সহ বর্তমানে অন্তবর্তীকালীন সরকারের মোট উপদেষ্টা ২৩ জন। [ফেব্রুয়ারি - ২০২৫]
- বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মোট ৪ জন নারী উপদেষ্টা রয়েছেন। 

তাদের নাম হল:
→ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, 
→ মিজ নূরজাহান বেগম, 
→ মিজ ফরিদা আখতার, 
→ মিজ শারমীন এস মুরশিদ। 

সূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৬৩.
সার্জেন্ট জহুরুল হক কোন ঘটনায় শহিদ হন?
  1. শিক্ষা আন্দোলনের সময় সরকারি বাহিনীর হাতে শহিদ হন।
  2. ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গুলিতে শহিদ হন।
  3. ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় বন্দি অবস্থায় পুলিশের গুলিতে শহিদ হন।
  4. ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে শহিদ হন।
ব্যাখ্যা
- আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় বন্দি অবস্থায় পুলিশের গুলিতে শহিদ হন।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা: 

- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি এই কারণে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়।
- আইয়ূব খান সরকার "রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য" নামে এই মামলা দায়ের করেছিল।
- মোট আসামি ছিলেন ৩৫জন।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন, ১৯৬৮ তারিখে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার ১৭ নং আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ তারিখে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।

সূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক, বাংলাপিডিয়া।
৬৪.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য লাভ করেন?
  1. Commonwealth
  2. United Nations
  3. FAO
  4. OIC
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম কমনওয়েলথের সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল কমনওয়েলথের সদস্য পদ পায়। 

অন্যদিকে: 
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সংস্থাটির ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- FAO এর সদস্য পদ লাভ করে ১২ নভেম্বর ১৯৭৩ সালে। 
- OIC এর সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে ফেব্রুয়ারি। 

সূত্র: স্ব স্ব ওয়েবসাইট ও পত্রিকা রিপোর্ট। 
৬৫.
নিম্নের কোন বীরশ্রেষ্ঠ কোনো সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেননি?
  1. নূর মোহাম্মদ শেখ
  2. মতিউর রহমান
  3. মোস্তফা কামাল
  4. হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান কোনো সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেননি। 

ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: 

- বীর শ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ১৯৪১ সালের ২৯ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি পাকিস্তান বিমান বাহিনীর একজন দক্ষ পাইলট ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- ২০ আগস্ট ১৯৭১ তারিখে একটি বিমান ছিনতাই করে ভারত অভিমূখে উড্ডয়নকালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাথে সংঘর্ষে তিনি শাহাদত বরণ করেন।
- বাংলাদেশ সরকার তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে। ২০০৬ সালে তার দেহাবশেষ পাকিস্তান থেকে দেশে এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পুনঃসমাহিত করা হয়।

অন্যদিকে: 
- সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ৮ নং সেক্টরের যুদ্ধ করেন।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। 
৬৬.
ঢাকার "ধোলাই খাল" খনন করেন কে?
  1. ইসলাম খান
  2. শাহজাহান
  3. মীর জুমলা
  4. শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
মুগল সুবাদার ইসলাম খান: 
- ঢাকার "ধোলাই খাল" খনন করেন ঢাকার প্রথম মুগল সুবাদার ইসলাম খান।
- ১৬০৮-১৬১০ খ্রিস্টাব্দে তিনি এই খালটি খনন করেন।
- খালটি শহরের সুরক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নৌ যোগাযোগের সুবিধা প্রদান করতে খনন করা হয়েছিল।
- এটি এক সময় ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা, যেমন লালবাগ দুর্গ, আহসান মঞ্জিল, বড় কাটরা ইত্যাদির নিকটবর্তী ছিল।  

উল্লেখ্য, 
- মুগল সুবাদার ইসলাম খান ঢাকার নামকরণ করেন জাহাঙ্গীর নগর।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬৭.
বঙ্গভঙ্গের কারণে কোন প্রদেশের সৃষ্টি হয়েছে?
  1. বাংলা ও বিহার
  2. পূর্ববঙ্গ ও আসাম
  3. ঢাকা ও কলকাতা
  4. আসাম ও উড়িষ্যা
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ: 
- বঙ্গভঙ্গ ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর ব্রিটিশ গভর্নর-জেনারেল লর্ড কার্জনের শাসনামলে কার্যকর হয়।
- এটি অবিভক্ত বাংলার তথা সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল।
- ১ সেপ্টেম্বর ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা প্রদান করা হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর করা হয়।  
- বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত হয় ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম’ প্রদেশ,
- এর রাজধানী স্থাপন করা হয় ঢাকায়।

অন্যদিকে,
- পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ, যার রাজধানী ছিল কলকাতা। 
- আন্দোলনের চাপে ব্রিটিশ সরকার শেষ পর্যন্ত ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে, লর্ড হার্ডিঞ্জের শাসনামলে, রাজা পঞ্চম জর্জের ঘোষণার মাধ্যমে বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়। এর ফলে পুনরায় বাংলা একত্রিত হয়, তবে ব্রিটিশ সরকার দিল্লিকে ভারতের নতুন রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৮.
ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (TCB) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ: Trading Corporation of Bangladesh.
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান,
- এটি ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৬৮ নম্বর আদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই টিসিবি বাংলাদেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের পথিকৃৎ হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে।

উল্লেখ্য, 
- এটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি করে এবং পাট, তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্য পরিচালনা করে। টিসিবি দেশের বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সূত্র: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।
৬৯.
'তমদ্দুন মজলিস' এর প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত ছিলেন কে?
  1. অধ্যাপক আবুল হাশেম
  2. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. গোলাম মাহবুব
  4. অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিস:
- তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলেন এবং সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - তাঁর পাশাপাশি দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া, শাহেদ আলী, আবদুল গফুর, বদরুদ্দীন উমর এবং কয়েকজন সিনিয়র ছাত্র এর প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরে দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ ১৯৪৯ সালে এর সভাপতি হন।

উল্লেখ্য,
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

সূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৭০.
বাংলাদেশের ওরাওঁ নৃগোষ্ঠী বসবাস করে কোন জেলায়?
  1. হবিগঞ্জ
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাজশাহী
  4. রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
ওরাওঁ নৃগোষ্ঠী: 
- ওরাওঁ নৃগোষ্ঠীর বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে। তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে।

উল্লেখ্য, 
- তাদের ভাষা কুরুক। পোশাকের ক্ষেত্রে পুরুষরা লুঙ্গি, ধুতি ও শার্ট পরিধান করে, আর নারীরা শাড়ি, ব্লাউজ ও সালোয়ার-কামিজ পরে। ঐতিহ্যগতভাবে তারা জড়োপাসক এবং ধরমেশ বা সূর্যদেবতার উপাসক। তাদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘ডানডাকাঁটা’ উৎসব। ওরাওঁদের খাবারের মধ্যে ভাত, শাক-সবজি ও শুঁটকি মাছ প্রধান, পাশাপাশি দেশীয় মদও তাদের সংস্কৃতির অংশ। তারা বিভিন্ন নৃত্য ও সঙ্গীত উৎসবের মাধ্যমে সামাজিক জীবনকে আনন্দময় করে তোলে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৭১.
'কৈলাসনগর' ও 'তাহেরপুরী' উন্নত জাতের -
  1. পেঁয়াজ
  2. কলা
  3. গম
  4. আলু
ব্যাখ্যা
- উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:  সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

এছড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফসলের জাত: 
→ উচ্চ ফলনশীল কলার জাত: সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।
→ উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত: হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, সুন্দরী, কুফরী, চমক, মরিনী, মুলটা ইত্যাদি। 
→ উচ্চ ফলনশীল গমের জাত: কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।
→ উচ্চ ফলনশীল আমের জাত: মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

সূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৭২.
গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের সদর দপ্তর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. চীন
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
GCF:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি গঠিত তহবিল।
- GCF এর পূর্ণরূপ Green Climate Fund.
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১০ সাল।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কানকুন, মেক্সিকো।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেল: COP-16.
- এর সদর দপ্তর: সোংডো, ইনচেন সিটি, দক্ষিণ কোরিয়া।

তথ্যসূত্র - গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ওয়েবসাইট।
৭৩.
গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার (GFP)-২০২৫ অনুযায়ী, মধ্য প্রাচ্যের কোন দেশটি সামরিক ব্যয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. সৌদি আরব
  3. ইসরায়েল
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

সামরিক ব্যয় র‍্যাংকিং-২০২৫:

- গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার (GFP) ১৪৫টি দেশকে আন্তর্ভুক্ত করে ‘Defense Spending by Country 2025’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

• প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামরিক খাতে ব্যয়ে শীর্ষ ৫ দেশ:
- ১ম অবস্থানে রয়েছে - যুক্তরাষ্ট্র,
- ২য় অবস্থানে রয়েছে - চীন,
- ৩য় অবস্থানে রয়েছে - রাশিয়া,
- ৪র্থ অবস্থানে রয়েছে - ভারত,
- ৫ম অবস্থানে রয়েছে - সৌদি আরব।

• মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ:
- ৫ম অবস্থানে রয়েছে - সৌদি আরব,
- ১৭ তম অবস্থানে রয়েছে - ইসরায়েল,
- ২৫ তম অবস্থানে রয়েছে - ইরান,
- ৩৪ তম অবস্থানে রয়েছে - কাতার।

তথ্যসূত্র - গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার (GFP) ওয়েবসাইট।
৭৪.
অরেঞ্জ বিপ্লবের কেন্দ্রবিন্দু ছিল -
  1. ওডেসা
  2. লভিভ
  3. লুহানস্ক
  4. কিয়েভ
ব্যাখ্যা
অরেঞ্জ বিপ্লব:
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এ আন্দোলনের সূত্রপাত।
- অরেঞ্জ বিপ্লব ছিল একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক ঘটনা।
- ‘অরেঞ্জ বিপ্লব' সংঘটিত হয় ইউক্রেনে।
- সংঘটিত হয়: ২০০৪ সালে।
- এই আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭৫.
কোন সম্মেলনের মাধ্যমে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (OIC) গঠিত হয়?
  1. রোম সম্মেলন
  2. রাবাত সম্মেলন
  3. প্যারিস সম্মেলন
  4. ভিয়েনা সম্মেলন
ব্যাখ্যা
OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC.
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট
- OIC এর পূর্ণরূপ The Organisation of Islamic Cooperation. 
- মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা গঠিত হয়।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ সালে।
- সদর দপ্তর: সৌদি আরবের জেদ্দায়।
- বর্তমান মহাসচিব: হুসাইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- মহাসচিবের মেয়াদ: ৫ বছর।
- অফিসিয়াল ভাষা: তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)

⇒ দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ OIC এর সদস্য। যথা -
• গায়ানা ও
• সুরিনাম।

⇒ ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র - OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭৬.
সম্প্রতি ডি-৮ এর কততম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়? (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
  1. ১১ তম
  2. ১২ তম
  3. ১৩ তম
  4. ১৪ তম
ব্যাখ্যা
২০২৪ সালের ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলন:
- সম্প্রতি ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ সালে ডি-৮ এর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি ছিল ডি-৮ এর ১১ তম শীর্ষ সম্মেলন।
- মিশরের রাজধানী কায়রোতে এই শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- মিসর আয়োজিত অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশনের এই শীর্ষ সম্মেলনে মোট ৮টি উন্নয়নশীল দেশ অংশগ্রহন করে।
- অংশগ্রহনকারী দেশ: বাংলাদেশ, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান এবং তুরস্ক।

ডি-৮:
- ৮টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য একটি সংগঠন হল ডি-৮।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ জুন, ১৯৯৭ সালে।
- সদর দপ্তর: ইস্তাম্বুল, তুরস্ক।
- বর্তমান মহাসচিব: ইসিয়াকা আব্দুল কাদির ইমাম।
- ৮টি দেশটি নিয়ে সংগঠনটি গঠিত। যথা -
• বাংলাদেশ, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্ক।
- ডি-৮ অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশনের উদ্দেশ্য হল,
• বিশ্ব অর্থনীতিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অবস্থান উন্নত করা।
• বাণিজ্য সম্পর্কের বৈচিত্র্য আনা এবং নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা।
• আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা।
• জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

তথ্যসূত্র - D-৪ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ঢাকা পোস্ট।
৭৭.
'শাত-ইল-আরব' কে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধের ব্যাপ্তিকাল ছিল -
  1. ১৯৭৩-১৯৮০ সাল
  2. ১৯৮০-১৯৮৮ সাল
  3. ১৯৮৪-১৯৯২ সাল
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:
- 'শাত-ইল-আরব' দক্ষিণ-পূর্ব ইরাকের নদী।
- আল-কুরনাহ শহরে টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর মিলিত প্রবাহ।
- এই জলপথের অবস্থান: পারস্য উপসাগরে।
- ইরাক ও ইরানের মধ্যে এই জলপথ নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ হলেছিল।
- যুদ্ধের স্থায়ীত্বকাল: ১৯৮০-১৯৮৮ সাল।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
৭৮.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ নয় কোনটি?
  1. লুক্সেমবার্গ
  2. বেলজিয়াম
  3. ফ্রান্স
  4. পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
⇒ 'পোল্যান্ড' ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশ নয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU):
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।
- EU এর পূর্ণরূপ European Union.
- এটি মাসট্রিচট চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- তখন থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বর, ১৯৯৩ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
⇒ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৬টি। যথা -
• বেলজিয়াম,
• ফ্রান্স,
• জার্মানি,
• ইতালি,
• লুক্সেমবার্গ,
• নেদারল্যান্ডস।
- বর্তমান সদস্য: ২৭টি দেশ। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য: ক্রোয়েশিয়া। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- সর্বশেষ ত্যাগকারী: ব্রিটেন (৩১ জানুয়ারি, ২০২০)।

তথ্যসূত্র - EU ওয়েবসাইট।
৭৯.
নিচের কোন প্রটোকলের প্রধান উদ্দেশ্য বন্য প্রাণী সংরক্ষণ করা?
  1. কার্টাগেনা
  2. নাগোয়া
  3. মন্ট্রিল
  4. বাসেল
ব্যাখ্যা
নাগোয়া প্রটোকল:
- নাগোয়া প্রটোকল হল জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্য ব্যবহার সম্পর্কিত ন্যায্য সুবিধা বণ্টন নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- নাগোয়া প্রটোকল জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্যের প্রবাহ (Convention on Biological Diversity) এর আওতায় জাপানের নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে গৃহীত হয়।
- নাগোয়া প্রটোকল মূলত জীববৈচিত্র্যের সম্পদ ব্যবহার এবং এর থেকে প্রাপ্ত উপকারিতা, বিশেষ করে জেনেটিক রিসোর্সের ব্যবহার সম্পর্কিত।
- প্রধান উদ্দেশ্য: বন্য প্রাণী সংরক্ষণ করা।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ অক্টোবর, ২০১০ সাল।
- কার্যকর হয়: ১২ অক্টোবর, ২০১৪ সাল।
- স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।

উল্লেখ্য,
- 'কার্টাগেনা প্রটোকল' জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- 'মন্ট্রিল প্রটোকল' ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।

তথ্যসূত্র - নাগোয়া প্রটোকল ওয়েবসাইট।
৮০.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্য অনুসারে অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ কোনটি?
  1. হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ
  2. নিম্নকক্ষ
  3. সিনেট
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
কংগ্রেস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- আইন প্রণয়ন করাই এর প্রধান কাজ।
- কংগ্রেস একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা। যথা:
• নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' (The House of Representative) এবং
• উচ্চকক্ষ 'সিনেট' (The Senate)।

⇒ নিম্নকক্ষ:
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ঐতিহ্য অনুসারে 'নিম্নকক্ষ' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' হল মার্কিন জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ।
- হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভের আসন সংখ্যা: ৪৩৫টি।
- হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভের মেয়াদ: ২ বছর।
- 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

⇒ উচ্চকক্ষ:
- কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ 'সিনেট' নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ঐতিহ্য অনুসারে 'উচ্চকক্ষ' বা ‘সিনেট' হল অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ।
- সিনেটের আসন সংখ্যা: ১০০টি।
- সিনেটের মেয়াদ: ৬ বছর।
- 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ৩০ বছর হতে হবে।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
৮১.
ফুটবল বিশ্বকাপ- ২০৩০ এর মূল আয়োজক দেশ নয় কোনটি?
  1. স্পেন
  2. পর্তুগাল
  3. মরক্কো
  4. উরুগুয়ে
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ফুটবল বিশ্বকাপ- ২০৩০:

- ২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক চূড়ান্ত করেছে ফিফা।
- তিনটি ভিন্ন মহাদেশ ও ছয়টি দেশে হবে বিশ্বকাপের সকল ম্যাচ।
- সময়কাল: ২০৩০ সালের ৮ জুন - ২১ জুলাই পর্যন্ত।
- মূল আয়োজক দেশ: ৩টি।
• স্পেন,
• পর্তুগাল ও
• মরক্কো।
- তবে আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়েতে অনুষ্ঠিত হবে তিনটি বিশেষ ম্যাচ।
- মূলত টুর্নামেন্টের শতবর্ষ উপলক্ষে সেটি স্মরণীয় করতেই এই বিশেষ আয়োজন।

তথ্যসূত্র - ফিফা ওয়েবসাইট।
৮২.
অপারেশন 'এন্ডুরিং ফ্রিডম' আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় কত সালে?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০০৪ সালে
  4. ২০০৬ সালে
ব্যাখ্যা
এন্ডুরিং ফ্রিডম:
- মার্কিন সরকার কর্তৃক আফগানিস্তানের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অপারেশন 'এন্ডুরিং ফ্রিডম' নামে পরিচিত।
- তৎকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ।
- আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযান শুরু হয়: ৭ অক্টোবর, ২০০১ সালে।
- আফগানিস্তানে আল-কায়েদা এবং তালেবান বাহিনীর বিরুদ্ধে আমেরিকান এবং ব্রিটিশ বোমা হামলার মাধ্যমে এই সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল।
- এই অভিযানের শুরুতেই তালেবানকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
- ২ মে ২০১১ সালে ইউএস নেভি সিল পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে ওসামা বিন লাদেনের কম্পাউন্ডে অন্য একটি অভিযান শুরু করে এবং তাঁকে হত্যা করে।
- অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়: ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৪ সালে।

তথ্যসূত্র - ইউএস নেভাল ওয়েবসাইট।
৮৩.
নিচের কোনটি কিয়োটো চুক্তির বিষয়বস্তু?
  1. নিরস্ত্রীকরণ
  2. উষ্ণতা হ্রাস
  3. দারিদ্রতা হ্রাস
  4. জনসংখ্যা হ্রাস
ব্যাখ্যা
⇒ কিয়োটো চুক্তির বিষয়বস্তু উষ্ণতা হ্রাস।

কিয়োটো প্রোটোকল:

- কিয়োটো প্রোটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত।
- ‘কার্বন ক্রেডিট’ এর ধারণা দেয় কিয়োটা প্রোটোকল।
- এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
- জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয়।
- গৃহীত হয় ১১ই ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৫ সাল।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৮৪.
নেলসন ম্যান্ডেলা কত সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা:
- তিনি ছিলেন একজন কালো জাতীয়তাবাদী নেতা।
- দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি নেলসন ম্যান্ডেলা।
- জন্মস্থান: দক্ষিণ আফ্রিকার এমভেজোতে।
- জন্মগ্রহণ করেন: ১৮ জুলাই, ১৯১৮ সালে।
- ১৯৪৪ সালে তিনি আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে (ANC) যোগদান করেন।
- এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক দেশের বর্ণবাদী বিচ্ছিন্নতার বর্ণবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে সাহায্য করেছিলেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ শাসনে শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন।
- ম্যান্ডেলা এবং ডি ক্লার্ক যৌথভাবে তাদের প্রচেষ্টার জন্য ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- 'লং ওয়াক টু ফ্রিডম' যা তার প্রথম জীবন এবং কারাগারে থাকা বছরগুলির বিবরণ দেয়, ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- নেলসন ম্যান্ডেলা ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ সালে মারা যান।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৮৫.
Federal Bureau of Investigation এর বর্তমান পরিচালক কে? (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
  1. স্কট অল্ডেন
  2. গ্যারি অলড্রিচ
  3. ব্রায়ান ড্রিসকল
  4. জেমস ই আমোস
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

FBI:
- FBI মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- FBI এর পূর্ণরূপ Federal Bureau of Investigation.
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- গোয়েন্দা সংস্থাটি ১৯০৮ সালের ২৬ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির পেনসিলভানিয়া এভিনিউতে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- সংস্থাটির বর্তমান পরিচালক ব্রায়ান ড্রিসকল। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- FBI মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে সংঘটিত অপরাধের অনুসন্ধান এবং দেশি-বিদেশি যেকোন নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা ও সুরক্ষা প্রদানে নিয়োজিত।

তথ্যসূত্র - FBI অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮৬.
5x - 3 · 32x - 8 = 225 হলে, x = কত?
  1. 4
  2. 3
  3. 5
  4. 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 5x - 3 · 32x - 8 = 225 হলে, x = কত?

সমাধান:
5x - 3 · 32x - 8 = 225
⇒ 5x - 3 · 32x - 8 = 52 · 32
অর্থাৎ, 5x - 3 = 52
⇒ x - 3 = 2
⇒ x = 2 + 3 = 5

এবং, 32x - 8 = 32
⇒ 2x - 8 = 2
⇒ 2x = 2 + 8
⇒ x =10/2 = 5
∴ 5x - 3 · 32x - 8 = 225 হলে, x = 5.
৮৭.
মুনাফা-আসল একত্রে ২০৬৮ টাকা। মুনাফা, আসলের ১/৩ হলে, মুনাফা কত টাকা?
  1. ৪৯২ টাকা
  2. ৫৪৮ টাকা
  3. ৫১৭ টাকা
  4. ৬০৮ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: মুনাফা-আসল একত্রে ২০৬৮ টাকা। মুনাফা, আসলের ১/৩ হলে, মুনাফা কত টাকা?

সমাধান:
ধরি, মুনাফা = ক টাকা
আসল = ৩ক টাকা
∴ মুনাফা-আসল = ক + ৩ক = ৪ক টাকা

প্রশ্নমতে,
৪ক = ২০৬৮
বা, ক = ২০৬৮/৪
= ৫১৭ টাকা
∴ মুনাফা = ৫১৭ টাকা
৮৮.
|4x + 7| < 15 অসমতাটির সমাধান কোনটি?
  1. 5 > x > (- 2/5)
  2. (- 11/2) < x < 2
  3. 6 > x > (- 4/9)
  4. (- 8/3) < x < 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: |4x + 7| < 15 অসমতাটির সমাধান কোনটি?

সমাধান:
|4x + 7| < 15
(4x + 7) অঋণাত্মক হলে প্রদত্ত অসমতা দাঁড়ায় (4x + 7) < 15
⇒ 4x + 7 - 7 < 15 - 7
⇒ 4x < 8
∴ x < 2

আবার, (4x + 7) ঋণাত্মক হলে প্রদত্ত অসমতা দাঁড়ায় -(4x + 7) < 15
⇒ (4x + 7) > - 15
⇒ 4x + 7 - 7 > - 15 - 7
⇒ 4x > - 22
∴ x > - 11/2
∴ অসমতাটির সমাধান: (- 11/2) < x < 2
৮৯.
R = {x : x2 - 5x + 6 = 0} সেটটিকে তালিকা পদ্ধতিতে প্রকাশ করুন।
  1. {3, 1}
  2. {2, 4}
  3. {2, 3}
  4. {1, 4}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: R = {x : x2 - 5x + 6 = 0} সেটটিকে তালিকা পদ্ধতিতে প্রকাশ করুন।

সমাধান:
এখানে,
x2 - 5x + 6 = 0
⇒ x2 - 3x - 2x + 6 = 0
⇒ x(x - 3) - 2(x - 3) = 0
⇒ (x - 3)(x - 2) = 0
হয় x - 3 = 0 অথবা x - 2 = 0
∴ x = 3 অথবা 2
∴ R = {2, 3}
৯০.
১২.৫ + ১৩.৫ + ১৪.৫ + ............ ধারার প্রথম ৮টি পদের সমষ্টি কত?
  1. ১২৮
  2. ১৩৫.৫
  3. ১৪২
  4. ১৪৩.৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১২.৫ + ১৩.৫ + ১৪.৫ + ............ ধারার প্রথম ৮টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
১৩.৫ - ১২.৫ = ১
১৪.৫ - ১৩.৫ = ১
∴ প্রদত্ত ধারাটি একটি সমান্তর ধারা। যার,
প্রথম পদ, a = ১২.৫
সাধারণ অন্তর, d = ১
পদের সংখ্যা n = ৮

আমরা জানি,
সমান্তর ধারার প্রথম n পদের সমষ্টি = (n/২){২a + (n - ১)d}
∴ সমান্তর ধারার প্রথম ৮টি পদের সমষ্টি = (৮/২){২ × ১২.৫ + (৮ - ১) × ১}
= ৪ × (২৫ + ৭)
= ১২৮
৯১.
একটি পণ্য ৩৬০০ টাকায় বিক্রয় করলে ২০% লাভ হয়। ২৮০০ টাকায় বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে?
  1. ৬.৬৭% লাভ
  2. ৬.৬৭% ক্ষতি
  3. ৪.৩৩% লাভ
  4. ৪.৩৩% ক্ষতি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পণ্য ৩৬০০ টাকায় বিক্রয় করলে ২০% লাভ হয়। ২৮০০ টাকায় বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে?

সমাধান:
২০% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১২০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ৩৬০০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৩৬০০)/১২০
ক্রয়মূল্য = ৩০০০ টাকা

২৮০০ টাকায় বিক্রয় করলে,
ক্ষতি = ৩০০০ - ২৮০০ = ২০০ টাকা

∴ শতকরা ক্ষতি = (ক্ষতির পরিমাণ/ক্রয়মূল্য) × ১০০
= (২০০/৩০০০) × ১০০
= ৬.৬৭%
৯২.
x2 - 6x + 13 = 0 সমীকরণের মূল দুটি কেমন হবে?
  1. বাস্তব মূল নাই
  2. বাস্তব ও অসমান
  3. অসমান ও মূলদ
  4. বাস্তব ও মূলদ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 - 6x + 13 = 0 সমীকরণের মূল দুটি কেমন হবে?

সমাধান:
সমীকরণের নিশ্চায়ক = b2 - 4ac
= (- 6)2 - 4 · 1 · 13
= 36 - 52
= - 16 < 0
∴ বাস্তব মূল নাই।

নিশ্চায়কের অবস্থাভেদে দ্বিঘাত সমীকরণে মূলদ্বয়ের ধরন ও প্রকৃতি (a, b, c মূলদ সংখ্যা):
• b2 - 4ac > 0 এবং পূর্ণবর্গ হলে সমীকরণটির মূলদ্বয় বাস্তব, অসমান ও মূলদ হবে।
• b2 - 4ac > 0 কিন্তু পূর্ণবর্গ না হলে সমীকরণটির মূলদ্বয় বাস্তব, অসমান ও অমূলদ হবে।
• b2 - 4ac = 0 হলে সমীকরণটির মূলদ্বয় বাস্তব ও পরস্পর সমান হবে।
• b2 - 4ac < 0 অর্থাৎ ঋণাত্মক হলে সমীকরণটির বাস্তব মূল নাই।
৯৩.
বৃত্তের ক্ষেত্রফল 64π একক হলে, বৃত্তের পরিসীমা কত?
  1. 16π
  2. 12π
  3. 32π
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বৃত্তের ক্ষেত্রফল 64π একক হলে, বৃত্তের পরিসীমা কত?

সমাধান:
প্রশ্নমতে,
πr2 = 64π
⇒ r2 = 64
⇒ r = 8

∴ বৃত্তের পরিসীমা = 2πr
= 2π × 8
= 16π
৯৪.
একটি তাসের প্যাকেট থেকে দৈবভাবে একটি তাস নিলে তা হরতন বা রানী হওয়ার সম্ভাব্যতা কত?
  1. 1/3
  2. 4/13
  3. 2/17
  4. 3/17
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি তাসের প্যাকেট থেকে দৈবভাবে একটি তাস নিলে তা হরতন বা রানী হওয়ার সম্ভাব্যতা কত?

সমাধান:
একটি প্যাকেটে মোট তাসের সংখ্যা = 52 টি
হরতন তাসের সংখ্যা = 13 টি
রানী সংখ্যা = 4 টি
অনুকূল ঘটনা = 13 + (4 - 1) টি [1টি রানী হরতনে গণনা করা হয়েছে তাই]
= 16

∴ তাসটি হরতন বা রানী হওয়ার সম্ভাব্যতা = 16/52 = 4/13
৯৫.
সমাধান করুন: log2(1/8)
  1. - 2
  2. - 3
  3. 2/3
  4. 3/2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সমাধান করুন: log2(1/8)

সমাধান:
৯৬.
পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৮ : ৩। ৬ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ১৩ : ৩ ছিল। ৬ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত কত?
  1. ১৩ : ৭
  2. ১৪ : ৫
  3. ১৭ : ৮
  4. ১৯ : ৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের অনুপাত ৮ : ৩। ৬ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ১৩ : ৩ ছিল। ৬ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত কত?

সমাধান:
ধরি,
পিতার বয়স ৮ক বছর
পুত্রের বয়স ৩ক বছর

শর্তমতে,
৮ক - ৬ : ৩ক - ৬ = ১৩ : ৩
বা, ৩৯ক - ৭৮ = ২৪ক - ১৮
বা, ৩৯ক - ২৪ক = ৭৮ - ১৮
বা, ১৫ক = ৬০
বা, ক = ৪

∴ পিতার বয়স = ৮ × ৪ = ৩২ বছর
∴ পুত্রের বয়স = ৩ × ৪ = ১২ বছর

৬ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত = ৩২ + ৬ : ১২ + ৬ = ৩৮ : ১৮
= ১৯ : ৯
৯৭.
যদি x + (1/x) = 4 হয়, তাহলে (x4 + 1)/x2 এর মান কত?
  1. 8
  2. 14
  3. 10
  4. 17
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি x + (1/x) = 4 হয়, তাহলে (x4 + 1)/x2 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x + (1/x) = 4

প্রদত্ত রাশি = (x4 + 1)/x2
= (x4/x2) + (1/x2)
= x2 + (1/x2)
= {x + (1/x)}2 - 2
= 42 - 2
= 16 - 2
= 14
৯৮.
TANGAIL শব্দের বিন্যাস সংখ্যা ও COMILLA শব্দের বিন্যাস সংখ্যার অনুপাত কত?
  1. 1 : 1
  2. 2 : 1
  3. 3 : 2
  4. 4 : 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: TANGAIL শব্দের বিন্যাস সংখ্যা ও COMILLA শব্দের বিন্যাস সংখ্যার অনুপাত কত?

সমাধান:
TANGAIL এর বিন্যাস সংখ্যা = 7!/2! [মোট বর্ণ = 7, A = 2 টি]
= 2520
COMILLA এর বিন্যাস সংখ্যা = 7!/2! [মোট বর্ণ = 7, L = 2 টি]
= 2520

∴ TANGAIL শব্দের বিন্যাস সংখ্যা ও COMILLA শব্দের বিন্যাস সংখ্যার অনুপাত = 2520 : 2520
= 1 : 1
৯৯.
HOME-এর কোড যদি LSQI হয়, তাহলে BACK-এর কোড কী হবে?
  1. DWNS
  2. FEGO
  3. DEHF
  4. FGTH
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: HOME-এর কোড যদি LSQI হয়, তাহলে BACK-এর কোড কী হবে?

সমাধান:

HOME-এর ক্ষেত্রে,
H + 4 = L
O + 4 = S
M + 4 = Q
E + 4 = I

একইভাবে, BACK-এর ক্ষেত্রে,
B + 4 = F
A + 4 = E
C + 4 = G
K + 4 = O
১০০.
২৫৬, ১২৪, ৫৮, ২৫, ......... এর পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
  1. ১৪
  2. ১২.৫
  3. ৮.৫
  4. ১২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২৫৬, ১২৪, ৫৮, ২৫, ......... এর পরবর্তী সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
এখানে,
(২৫৬ - ৮)/২ = ২৪৮/২ = ১২৪
(১২৪ - ৮)/২ = ১১৬/২ = ৫৮
(৫৮ - ৮)/২ = ৫০/২ = ২৫
একইভাবে, (২৫ - ৮)/২ = ১৭/২ = ৮.৫

∴ পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ৮.৫
১০১.
কাঁঠালের আমসত্ব : অসম্ভব ব্যাপার :: কুমিরের সন্নিপাত : ?
  1. আজগুবি কাহিনি
  2. অসম্ভব ব্যাপার
  3. কঠিন পরীক্ষা
  4. ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কাঁঠালের আমসত্ব : অসম্ভব ব্যাপার :: কুমিরের সন্নিপাত : ?

সমাধান:
- 'কাঁঠালের আমসত্ব' বাগধারাটির অর্থ - অসম্ভব ব্যাপার।
- 'কুমিরের সন্নিপাত' বাগধারাটির অর্থ - অসম্ভব ব্যাপার।

অন্যদিকে, 
- আষাঢ়ে গল্প বাগধারার অর্থ - আজগুবি কাহিনি।
- 'অগ্নি পরীক্ষা' বাগধারার অর্থ - কঠিন পরীক্ষা।
- 'অদৃষ্টের পরিহাস' বাগধারার অর্থ - ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা।
১০২.
একটি সাইকেলের চাকা প্রতি মিনিটে ৪০ বার ঘুরে এবং প্রতি ঘূর্ণনে ৪০ সেন্টিমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে। দুই ঘন্টায় চাকাটি কত মিটার অতিক্রম করবে?
  1. ১৯২০০০ মিটার
  2. ১০২০ মিটার
  3. ১৯২০ মিটার
  4. ১০২০০০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সাইকেলের চাকা প্রতি মিনিটে ৪০ বার ঘুরে এবং প্রতি ঘূর্ণনে ৪০ সেন্টিমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে। দুই ঘন্টায় চাকাটি কত মিটার অতিক্রম করবে?

সমাধান:
চাকাটি ১ বার ঘুরলে অতিক্রম করে = ৪০ সে.মি.
চাকাটি ৪০ বার ঘুরলে অতিক্রম করে = ৪০ × ৪০ সে.মি.
= ১৬০০ সে.মি.

চাকাটি ১ মিনিটে অতিক্রম করে = ১৬০০ সে.মি.
∴ চাকাটি ২ ঘণ্টা বা ১২০ মিনিটে অতিক্রম করে = ১৬০০ × ১২০ সে.মি.
= ১৯২০০০ সে.মি.
= ১৯২০০০/১০০ মিটার
= ১৯২০ মিটার
১০৩.
আবির, বিপুলের পূর্ব দিকে এবং বিপুল, সিফাতের দক্ষিণ দিকে, ডেভিড, আবিরের উত্তর দিকে অবস্থান করলে সিফাত, ডেভিডের কোন দিকে অবস্থান করছে?
  1. উত্তর দিকে
  2. দক্ষিণ দিকে
  3. পূর্ব দিকে
  4. পশ্চিম দিকে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আবির, বিপুলের পূর্ব দিকে এবং বিপুল, সিফাতের দক্ষিণ দিকে, ডেভিড, আবিরের উত্তর দিকে অবস্থান করলে সিফাত, ডেভিডের কোন দিকে অবস্থান করছে?

সমাধান:

সিফাত, ডেভিডের পশ্চিম দিকে অবস্থান করবে।
১০৪.
FIA যেভাবে পাকিস্তানের সাথে সম্পর্কিত, একইভাবে চীনের সাথে নিচের কোনটি সম্পর্কিত?
  1. CIA
  2. MSS
  3. INR
  4. NGA
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: FIA যেভাবে পাকিস্তানের সাথে সম্পর্কিত, একইভাবে চীনের সাথে নিচের কোনটি সম্পর্কিত?

সমাধান:
Federal Investigation Agency (FIA)- পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা।
MSS (Ministry of State Security Chinese)- চীনের গোয়েন্দা সংস্থা।

অন্যদিকে, CIA, INR, NGA সবগুলোই যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
১০৫.
৫ জন পুরুষ বা ৭ জন মহিলা একটি কাজ ৩০ দিনে শেষ করতে পারলে, ১০ জন পুরুষ ও ২১ জন মহিলা একত্রে কত দিনে কাজটি শেষ করতে পারবে?
  1. ৫ দিনে
  2. ৬ দিনে
  3. ৭ দিনে
  4. ৪ দিনে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫ জন পুরুষ বা ৭ জন মহিলা একটি কাজ ৩০ দিনে শেষ করতে পারলে, ১০ জন পুরুষ ও ২১ জন মহিলা একত্রে কত দিনে কাজটি শেষ করতে পারবে?

সমাধান:
৭ জন মহিলা = ৫ জন পুরুষ
১ জন মহিলা = ৫/৭ জন পুরুষ
২১ জন মহিলা = (৫ × ২১)/৭ জন পুরুষ
= ১৫ জন পুরুষ

১০ জন পুরুষ ও ২১ জন মহিলা = ১০ + ১৫ = ২৫ জন পুরুষ

৫ জন পুরুষ কাজটি করে = ৩০ দিনে
১ জন পুরুষ কাজটি করে = ৩০ × ৫ দিনে
∴ ২৫ জন পুরুষ কাজটি করে = (৩০ × ৫)/২৫ দিনে
= ৬ দিনে
১০৬.
কোনো ঘড়ির সময় আয়নায় ৩ : ৫৭ টা দেখালে প্রকৃত সময় কত?
  1. ৭ : ০৩
  2. ৮ : ০৩
  3. ৭ : ৫৭
  4. ৮ : ৫৭
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো ঘড়ির সময় আয়নায় ৩ : ৫৭ টা দেখালে প্রকৃত সময় কত?

সমাধান:
প্রকৃত সময় = ১১ : ৬০ - আয়নার সময়
= ১১ : ৬০ - ৩ : ৫৭
= ৮ : ০৩
১০৭.
ডিপ্লয়েড কোষকে কোন ধরনের কোষ বলা হয়?
  1. জনন কোষ
  2. দেহ কোষ
  3. শুষ্ক কোষ
  4. প্রকৃত কোষ
ব্যাখ্যা
কোষ: 
- প্রতিটি জীবদেহ এক বা একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত। 
- একটি মাত্র কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় এককোষী জীব এবং একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় বহুকোষী জীব। 
- কোষ জীবদেহের গাঠনিক এবং কার্যকরী একক। 
- কোষের অভ্যন্তরেই জীবের জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় জৈবিক কার্যকলাপ সম্পন্ন হয়। 
- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী রবার্ট হুক ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে বোতলের কর্ক পরীক্ষাকালে মৌচাকের ন্যায় অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এবং পরস্পর সংযুক্ত প্রকোষ্ঠ দেখতে পান যে প্রকোষ্ঠগুলোর নাম দেন Cell । 
- Cell এর বাংলা অর্থ কুঠুরী বা কোষ। 

কোষের প্রকারভেদ: 
- অবস্থান এবং কাজের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- দেহ কোষ এবং জনন কোষ। 
১। দেহ কোষ: 
- যে সকল কোষ দেহের বিভিন্ন অঙ্গ ও অঙ্গতন্ত্র গঠন করে তাদেরকে বলা হয় দেহ কোষ। 
যেমন- পেশি কোষ, জাইলেম কোষ ইত্যাদি। 
- দেহ কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা জনন কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার দ্বিগুণ থাকে, তাই দেহ কোষকে ডিপ্লয়েড (2n) কোষ বলা হয়। 

২। জনন কোষ: 
- জীব দেহের যে সকল কোষ জনন কার্যে অংশ নেয় তাদেরকে বলা হয় জনন কোষ। 
- জনন কোষ কেবল মাত্র যৌন জননক্ষম জীবে সৃষ্টি হয়। 
যেমন- শুক্রাণু, ডিম্বাণু, পরাগরেণু ইত্যাদি। 
- জনন কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা দেহ কোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক, তাই জনন কোষকে হ্যাপ্লয়েড (n) কোষ বলা হয়। 

- আবার, নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- আদি কোষ এবং প্রকৃত কোষ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৮.
কোন হরমোনের প্রভাবে পিপঁড়াদের এক সারিতে চলতে দেখা যায়?
  1. ফ্লোরিজেন
  2. ভার্নালিন
  3. ফেরোমন
  4. জিবেরেলিন
ব্যাখ্যা
সমন্বয়: 
- বিভিন্ন অঙ্গ তন্ত্রের পারস্পরিক সহযোগিতামূলক কাজের মাধ্যমে দেহের সকল কর্মকান্ড সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমন্বয় বলা হয়। 
- উদ্দীপনায় সাড়া দিয়ে বিভিন্ন আচরণ প্রকাশ করা প্রতিটি প্রাণীর মৌলিক বৈশিষ্ট্য। 
- হাঁটা চলা, উঠা বসা, কথা বলা, চিন্তা করা, পড়া মুখস্থ করায় বিভিন্ন অঙ্গ অংশ নেয়। এ অঙ্গগুলোকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য একটি সমন্বয় ব্যবস্থার প্রয়োজন। 
- প্রাণীর প্রয়োজনীয় সমন্বয় ব্যবস্থা স্নায়ুতন্ত্র ও হরমোন দ্বারা প্রভাবিত হয়। 

হরমোনাল প্রভাব: 
- হরমোনের কারণে প্রাণী তার কার্যকলাপ অর্থাৎ আচরণের পরিবর্তন করে থাকে। 
- হরমোন দেহের নালিবিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। নালিবিহীন গ্রন্থিগুলো একে অপরকে নিয়ন্ত্রণ করে। 
- নালিবিহীন গ্রন্থিগুলোর কার্যকলাপ আবার স্নায়ুতন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করে। 
- সমন্বয় সাধনে প্রাণী হরমোন ব্যবহার করে। 
যেমন- পিপঁড়া খাদ্যের খোঁজ নেয় এবং খাদ্য উৎস থেকে বাসায় আসার পথে এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত করে। একে ফেরোমন বলে। এর উপর নির্ভর করে অন্য পিপঁড়াগুলোও খাদ্য উৎসে যায় এবং খাদ্য সংগ্রহ করে বাসায় ফিরে আসে। এ ফেরোমন হরমোনের কারণে পিপঁড়াদের এক সারিতে চলতে দেখা যায়। 
- কোন কোন পতঙ্গ ফেরোমন দিয়ে তার স্বপ্রজাতির সঙ্গীকে খুঁজে নেয়। 
- শস্য ক্ষেতে অনিষ্টকারী পোকা দমনে বা ধ্বংসে ফেরোমন ব্যবহার করা হয়। 
- ফেরোমনের কারণে আকৃষ্ট হয়ে অনিষ্টকারী পোকা ফাঁদে ও পানিতে ডুবে মারা যায়, এ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৯.
কোনটি Biological coin নামে পরিচিত? 
  1. FTP
  2. ATP
  3. NADPH
  4. NADH
ব্যাখ্যা
শ্বসন: 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবদেহের কোষে অবস্থিত জটিল যৌগিক খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে সরল দ্রব্যে পরিণত হয় এবং শক্তি উৎপন্ন করে তাকে শ্বসন (respiration) বলে। 
- শ্বসনের সময় খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়। 
- শ্বসন প্রতিটি সজীব কোষে দিন ও রাতের সবসময় ঘটে। 
- কোষের সাইটোপ্লাজম বা সাইটোসল (cytosol) এবং কোষস্থ মাইটোকন্ড্রিয়া নামক অঙ্গানুতে সবাত শ্বসন হয়। 
- অবাত শ্বসন হয় সাইটোপ্লাজমে। 
- সবাত ও অবাত শ্বসনে খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে যে রাসায়নিক শক্তি উৎপাদন করে তা কোষের বিভিন্ন কার্য সম্পাদন করার জন্যে প্রধানত ATP হিসাবে তৈরি ও পরবর্তীতে ব্যবহৃত হয়। সেজন্য ATP কে জৈবনিক মুদ্রা বা biological coin বলা হয়। 
- সবাত শ্বসনের এক অণু গ্লুকোজ সম্পূর্ণ জারনের সর্বশেষ ধাপ কোষের মাইটোকন্ড্রিয়াতে হয় এবং অন্যান্য উচ্চশক্তিসম্পন্ন রাসায়নিক পদার্থ ATP তে রূপান্তরিত হয় এবং সেজন্য মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বা powerhouse of a cell বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১০.
বরফের আপেক্ষিক তাপ কোনটি?
  1. 2100 Jkg-1K-1
  2. 1400 Jkg-1K-1
  3. 2000 Jkg-1K-1
  4. 4200 Jkg-1K-1
ব্যাখ্যা
- বরফের আপেক্ষিক তাপ হচ্ছে- 2100 Jkg-1K-1  । 

আপেক্ষিক তাপ (Specific Heat): 

- একই পদার্থের পরিমাণ বা ভর ভিন্ন হলে তাদের তাপধারণ ক্ষমতাও ভিন্ন হয়। 
যেমন- 0.5 kg পানির তাপ ধারণ ক্ষমতা থেকে 5 kg পানির তাপধারণ ক্ষমতা বেশি। 
- সমান ভরের ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের তাপধারণ ক্ষমতার তুলনা করতে হলে সব ক্ষেত্রে ভরের পরিমাণ নির্দিষ্ট করতে হয়। তাই এক্ষেত্রে একক ভর বা 1 kg ভরের বস্তুর তাপধারণ ক্ষমতা বিবেচনা করা হয়। 
- তাই 1 kg ভরের কোন বস্তুর তাপমাত্রা 1 K বাড়াতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয় তাকে ঐ বস্তুর উপাদানের আপেক্ষিক তাপ বলে। 
- আপেক্ষিক তাপের একক Jkg-1K-1
- সীসার আপেক্ষিক তাপ 130 Jkg-1K-1 বলতে বুঝায় 1 kg সীসার তাপমাত্রা 1 K বাড়াতে 130 J তাপের প্রয়োজন। 
- নিচে কয়েকটি পদার্থের আপেক্ষিক তাপ উল্লেখ করা হলো- 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১১.
স্নায়ু তন্ত্রের গাঠনিক একক কোনটি?
  1. নেফ্রন
  2. নিউরন
  3. ডেনড্রাইট
  4. সিনাপস
ব্যাখ্যা
স্নায়ু টিস্যু: 
- স্নায়ুতন্ত্র এক বিশেষ ধরনের টিস্যু দ্বারা গঠিত, এ বিশেষ ধরনের টিস্যুকে বলা হয় স্নায়ু টিস্যু। 
- এরা পরিবেশ থেকে উদ্দীপনা গ্রহণ করে দেহের ভেতরে পরিবাহিত করতে পারে এবং সে অনুযায়ী উপযুক্ত উদ্দীপনা সৃষ্টি করতে পারে। 
- স্নায়ু টিস্যু যে বিশেষ কোষ দ্বারা গঠিত তাকে স্নায়ু কোষ বা নিউরন বলা হয়, তাই নিউরন হলো স্নায়ু তন্ত্রের গাঠনিক একক। এটা ভ্রূণীয় এক্টোডার্ম জাত। 
- নিউরন বিভিন্ন ধরনের বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ উদ্দীপনা ও স্নায়ু তাড়না গ্রহণ করতে পারে এবং দেহের অভ্যন্তরে তা পরিবহন করতে পারে। 
- একটা পরিণত নিউরনের তিনটি অংশ থাকে। 
যথা- কোষদেহ, ডেনড্রাইট এবং অ্যাক্সন। 
- কোষ দেহ বহুভুজাকৃতি এবং নিউকিদ্বয়াসযুক্ত। কোষের সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বডি, রাইবোসোম, আন্তঃপ্লাজমীয় নালিকা ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে। তবে নিউরনের সাইটোপ্লাজমে সক্রিয় সেন্ট্রিয়োল থাকে না বলে নিউরন বিভাজিত হয় না। 

- কোষ দেহ থেকে একাধিক শাখা কোষ বের হয়। 
- এরা উদ্দীপনা বা স্নায়ু তাড়না নিউরনের (সেনসরি নিউরন) দেহের দিকে পরিবাহিত করে। 
- সাধারণত এরা অ্যাক্সন এর বিপরীত দিকে হয় এবং সংখ্যায় এক বা একাধিক থাকে। 
- নিউরনের কোষ দেহ থেকে একটা লম্বা তন্তু স্নায়ু উদ্দীপনা পরবর্তী নিউরনের ডেনড্রাইটের দিকে পরিবহন করে। 
- একটা নিউরনে একমাত্র অ্যাক্সন থাকে। 
- পর পর দু'টো নিউরনের প্রথমটার অ্যাক্সন এবং পরেরটার ডেনড্রাইটের মধ্যে একটা স্নায়ু সন্ধি গঠিত হয়। একে সাইন্যাপস বা সিনাপস বলা হয়।
- সিনাপস এর মধ্য দিয়েই একটা নিউরন থেকে স্নায়ু উদ্দীপনা পরবর্তী নিউরনে প্রবাহিত হয়। স্নায়ু তন্ত্রে এরা অবস্থান করে। প্রাণীর স্নায়ু তন্ত্রে অসংখ্য নিউরন থাকে।
- এরা উদ্দীপনা গ্রহণ করে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করে এবং তা বাস্তবায়ন করে, উচ্চতর প্রাণীতে স্মৃতি সংরক্ষণ করে ও দেহের বিভিন্ন অঙ্গের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১২.
পর্যায় সারণির প্রথম পর্যায়ে কয়টি মৌল অবস্থান করতে পারে?
  1. আঠারটি
  2. আটটি
  3. দুইটি
  4. বত্রিশটি
ব্যাখ্যা
পর্যায় সারণি: 
- ১৯১৪ সালে বিজ্ঞানী বোর (Bohr) মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসের ভিত্তিতে বিস্তৃত আকারে একটি পর্যায় সারণি তৈরি করেন, এটি দীর্ঘ পর্যায় সারণি বা বোরের সারণি নামে পরিচিত। 
- এ সারণিতে মৌলগুলোকে পর্যায় ও গ্রুপ বরাবর ভাগ করা হয়েছে। 
- এ সারণিতে ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ রয়েছে। 
- পর্যায় গুলোকে ১ম পর্যায়, ২য় পর্যায়, তৃতীয় পর্যায়, ৪র্থ পর্যায়, ৫ম পর্যায়, ৬ষ্ঠ পর্যায় ও ৭ম পর্যায় এভাবে ভাগ করা হয়েছে। আর গ্রুপগুলোকে যথাক্রমে ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ গ্রুপ এ হিসেবে সাজানো হয়েছে। 
- বোরের পর্যায় সারণিকে আধুনিক পর্যায় সারণি বলা হয়। 

পর্যায় সারণির বৈশিষ্ট্য: 
- পর্যায় সারণি মৌল গুলোকে সাজানোর এমন একটি বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা। 
- পর্যায় সারণির মাধ্যমে আবিষ্কৃত মৌলগুলোকে এমন সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো হয়েছে যাতে করে একজন নবীন বিজ্ঞানী বা শিক্ষানবিশ রসায়নবিদ আবিষ্কৃত মৌল সম্পর্কে সঠিক ও পরিপূর্ণ ধারণা লাভ করতে পারেন। 
- IUPAC (International Union of Pure and Applied Chemistry) কর্তৃক স্বীকৃত আধুনিক পর্যায় সারণির কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- 
১. মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসই পর্যায় সারণির মূলভিত্তি। 
২. সমগ্র পর্যায় সারণিকে ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ হিসেবে ভাগ করা হয়েছে। 
৩. প্রতিটি পর্যায়ের বামদিক থেকে গ্রুপ-১ এর মৌল দিয়ে শুরু করে গ্রুপ-১৮তে গিয়ে শেষ হয়েছে। 
৪. পর্যায় সারণি প্রথম পর্যায়ে মাত্র দুটি মৌল থাকে। যেমন- একটি H অপরটি He । H-এর অবস্থান গ্রুপ-১ এ এবং He এর অবস্থান গ্রুপ-১৮ এ। 
৫. দ্বিতীয় পর্যায় ও তৃতীয় পর্যায়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি পর্যায়ে আটটি করে মৌল বর্তমান। এ আটটি মৌল গ্রুপ-১ থেকে গ্রুপ-২ এবং গ্রুপ-১৩ থেকে গ্রুপ-১৮ এর মধ্যে অবস্থিত। 
৬. ৪র্থ পর্যায় ও ৫ম পর্যায়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি পর্যায়ে ১৮টি গ্রুপের প্রত্যেকটিতে একটি করে ১৮টি মৌল অবস্থান করে থাকে। 
৭. ৬ষ্ঠ পর্যায়ে ও ৭ম পর্যায়ের ক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম দেখা যায়। এক্ষেত্রে প্রতিটি পর্যায়ে ১৮টি গ্রুপে মৌলের সংখ্যা ৩২টি। ৬ষ্ঠ ও ৭ম পর্যায়ের প্রতিটি পর্যায়ে গ্রুপ-৩ এ ১৫টি করে মৌল অবস্থান করে। বাকী ১৭টি গ্রুপে ১৭টি মৌল অবস্থান করে পর্যায়ে মোট মৌলের সংখ্যা (১৫ + ১৭) = ৩২টি হয়। 
৮. মূল পর্যায় সারণির নিচে ২টি অনুভূমিক সারি এবং ১৪টি খাড়া স্তম্ভ বিশিষ্ট আরো একটি ছক উল্লেখ করা হয়েছে। এটিও মূল পর্যায় সারণির ৬ষ্ঠ পর্যায় ও ৭ম পর্যায়ের অংশবিশেষ মাত্র। 
৯. সাধারণভাবে মৌলের ধর্ম তার গ্রুপের উপর নির্ভরশীল। একই গ্রুপের সকল মৌলের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম প্রায় একই রকম হয়। 
১০. পর্যায় তালিকায় কোনো মৌলের পর্যায় নির্ধারণ করা হয় ঐ মৌলের পরমাণু তার ইলেকট্রন বিন্যাসের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সর্বমোট কতটি কক্ষপথ ব্যবহার করেছে তার সংখ্যার ওপর। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৩.
সরল দোলন গতি হলো এক ধরনের-
  1. জটিল গতি
  2. অর্ধবৃত্তাকার গতি
  3. উপবৃত্তাকার গতি
  4. রৈখিক পর্যাবৃত্ত গতি
ব্যাখ্যা
সরল দোলন গতি: 
- কম্পনশীল কোনো বস্তুকণার ত্বরণ সাম্যাবস্থান থেকে কণাটির সরণের সমানুপাতিক এবং সর্বদাই সাম্যাবস্থান অভিমুখী হলে, ঐ কণার গতিকে সরল দোলন গতি বলা হয়। 
অথবা, যদি কোনো পর্যাবৃত্ত গতি সম্পন্ন বস্তুর ত্বরণ তার সাম্যাবস্থান থেকে সরণের সমানুপাতিক এবং বিপরীতমুখী অর্থাৎ সর্বদা সাম্য বিন্দু অভিমুখী হয় তবে ঐ বস্তুর গতিকে সরল দোলন গতি বলে। 

সরল দোলন গতির বৈশিষ্ট্য: 
- সরল দোলন গতির কতগুলো নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য আছে। 
- এই বৈশিষ্ট্যসমূহ দিয়ে কোনো কণার গতি সরল দোলন গতি কিনা তা নির্ধারণ করা হয়। 
- নিচে সরল দোলন গতির বৈশিষ্ট্যসমূহ দেয়া হলো- 
১। সরল দোলন গতি হলো এক ধরনের রৈখিক পর্যাবৃত্ত গতি। অর্থাৎ, কোনো বস্তুকণা একই সময়ে বারবার একটি নির্দিষ্ট সরলরেখাংশ বরাবর এদিক-ওদিক যাওয়া-আসা করে। 
২। সরল দোলন গতি বিশিষ্ট কণার ত্বরণ সর্বদা তার সাম্যাবস্থান অভিমুখী হয়। 
৩। কণাটির ত্বরণ সাম্যাবস্থান থেকে সরণের সমানুপাতিক। 
৪। কণাটি যে মুহূর্তে সাম্যাবস্থান অতিক্রম করে সেই মুহূর্তে গতিবেগ সর্বোচ্চ হয়। সরণের শেষ সীমায় গতিবেগ মুহূর্তের জন্য শূন্য হয় এবং তারপরেই কণাটি বিপরীত দিকে যাত্রা শুরু করে। 
৫। সরল দোলন গতির পর্যায়কাল তার বিস্তারের উপর নির্ভরশীল নয়। বিভিন্ন বাহ্যিক কারণে বিস্তার হ্রাস পেতে থাকলেও পর্যায়কাল অপরিবর্তিত থাকে। 
৬। সরল দোলন গতি সম্পন্ন কণার স্পন্দন সীমা সাম্যাবস্থান থেকে উভয় দিকে সমান দূরে অবস্থান করে। 
৭। সরল দোলন গতি সম্পন্ন কণার সরণ সাইন বা কোসাইন অপেক্ষক দ্বারা প্রকাশ করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৪.
ট্যাম্পারিং আক্রমণ কীভাবে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তাকে প্রভাবিত করে?
  1. ব্যবহারকারীর বিবরণ পরিবর্তন করে
  2. ওয়েবসাইটের সার্ভার ডাউন করে
  3. ইমেইল পাসওয়ার্ড চুরি করে
  4. কম্পিউটারের ফাইল চুরি করে
ব্যাখ্যা
• Tampering:
- এটি একটি ওয়েব-ভিত্তিক আক্রমণ, যেখানে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অজান্তে ওয়েবসাইটের ইউআরএল (URL)-এ কিছু প্যারামিটার পরিবর্তন করে।
- পরিবর্তিত ইউআরএলটি ব্যবহারকারীর কাছে বৈধ বলে মনে হয়।
- হ্যাকাররা সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ বা মূল্যবান তথ্য চুরি করার জন্য ট্যাম্পারিং করে থাকে।
- ট্যাম্পারিং এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর বিবরণ পরিবর্তন করেও ব্যবহারকারীর গোপনীয়তাকে প্রভাবিত করা হয়।
- অবৈধভাবে অনুমোদন লাভ করে, আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর প্রবেশ করা কিছু প্যারামিটার পরিবর্তন করে নির্দিষ্ট ইউআরএল বা ওয়েব পৃষ্ঠায়।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৫.
ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত "সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure"-কে কী বলা হয়?
  1. Instance
  2. Record
  3. Data table
  4. Schema
ব্যাখ্যা
• স্কিমা:
- ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে ঐ ডাটাবেজের স্কিমা (Schema) বলে।
- ডাটাবেজের স্কিমা নিয়মিত পরিবর্তনশীল।
- কোনো ডাটাবেজের স্কিমা মূলত চলকের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ডিক্লারেশনের সাথে জড়িত।

• ডাটাবেজের স্কিমা সাধারণত তিন ধরনের। যথা:
- physical schema,
- logical schema,
- subschemas.

• ডাটাবেজ:

- ডাটাবেজ হচ্ছে সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে।
- ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।
- একটি সুনির্দিষ্ট মুহুর্তে ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যের সমষ্টিকে ঐ ডাটাবেজের ইন্সট্যান্স (Instance) বলে।

• ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. রেকর্ড (Record),
৩. ফিল্ড (Field) ও
৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।

• ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট এর সফটওয়্যার হলো:
- Microsoft Access,
- Microsoft SQL server,
- Corel paradox,
- lotus approach,
- Corel paradox,
- filemaker pro,
- Oracle,
- Fox pro ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Britannica.
১১৬.
নিচের কোনটি "Graphics-Based Operating System"?
  1. CP/M
  2. PC DOS
  3. MS-DOS
  4. Mac OS
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য অপারেটিং সিস্টেম প্রয়োজন, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।

• কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা:
১. Text-Based Operating System:
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ- MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি।

২. Graphics-Based Operating System:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৭.
অক্টাল সংখ্যা 145 এর ডেসিমেল মান কত?
  1. 101
  2. 105
  3. 112
  4. 120
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যাগত পদ্ধতি যেখানে মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটারের বিভিন্ন লো-লেভেল অপারেশনে অক্টাল সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বাইনারি ও হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• উদাহরণ:
 (২০৪), (৫১৫) ইত্যাদি।

এখানে,
(145)8
= (1 × 82) + (4 × 81) + (5× 80)
= 64 + 32 + 5
= 101

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১৮.
ফ্যাক্স মেশিন কে আবিষ্কার করেছিলেন?
  1. আলেকজান্ডার বেইন
  2. আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. গ্রাহাম বেল
  4. টমাস এডিসন
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স:
- ফ্যাক্স মেশিন ১৮৪৩ সালে বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পূর্ণরূপ হলো ফ্যাক্সিমিল।
- ফ্যাক্স হাফ ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সফার করে।
- PSTN (Public Switched Telephone Network) হলো ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত ব্যবহৃত প্রযুক্তি।
- ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয় কোনো ডকুমেন্টের হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য।
- প্রেরক যেকোনো ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান, তিনি ফ্যাক্স মেশিনের মাধ্যমে তৎক্ষণাৎ সেই ডকুমেন্টের হুবহু কপি প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১১৯.
এমএস ওয়ার্ডে "টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য" কোন কমান্ড ব্যবহার করা হয়?
  1. Ctrl + B
  2. Ctrl + E
  3. Ctrl + K
  4. Ctrl + O
ব্যাখ্যা
• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কী-বোর্ডের বিভিন্ন কমান্ডের পরিচিত:
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য।
Ctrl + F: যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L: Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O: আগের থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S: বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট করার জন্য।
Ctrl + X: যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
১২০.
"NLP" এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Network Language Processing
  2. Network Learning Protocol
  3. Natural Language Processing
  4. Natural Logic Processing
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনা গুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তি নির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেয়ার ব্যবস্থা।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- ১৯৫৬ সালে জন ম্যাকার্থী সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- AI-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তব প্রোয়োগ হলো রোবট।

• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা:
- Python
- LISP,
- PROLOG,
- C/C++,
- CLISP,
- JAVA,
- MATLAB,
- SHRDLU ইত্যাদি।

• Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:

- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২১.
ফ্লপি ডিস্কের অপর নাম কী?
  1. ডিসকেট
  2. পেন ড্রাইভ
  3. সিডি রম
  4. হার্ড ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
• ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disk):
- ফ্লপি ডিস্ক একটি সহায়ক মেমোরি যন্ত্র, যা পাতলা প্লাস্টিকের চাকতির ওপর ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে তৈরি।
- এটি ডিসকেট নামেও পরিচিত।
- অ্যালান শুগার্ট ফ্লপি ডিস্কটি আবিষ্কার করেন।
- ফ্লপি ডিস্ক ওজনে হালকা এবং আকারে ছোট হওয়ায় এটি সহজে বহনযোগ্য।
- এই ডিস্কের মাধ্যমে সহজে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।
- এর ধারণ ক্ষমতা ১.৪৪ মেগাবাইট।
- এটি একটি চৌম্বকীয় স্টোরেজ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- ফ্লপি ডিস্কটি প্লাস্টিকের উপর চৌম্বকের প্রলেপ দিয়ে তৈরি করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২২.
"লিনিয়ার টপোলজি" বলা হয় কোনটিকে?
  1. বাস টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. ট্রি টপোলজি
  4. মেশ টপোলজি
ব্যাখ্যা
• নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়।
- অর্থাৎ যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান প্রদানের গতি ও নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ভাবে সংযুক্ত থাকে।

• নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি টপোলজি:
১. বাস টপোলজি
২. রিং টপোলজি
৩. স্টার টপোলজি 
৪. ট্রি টপোলজি 
৫. মেস টপোলজি এবং
৬. হাইব্রিড টপোলজি।

• বাস টপোলজি:
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন।
- এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

• ট্রি টপোলজি:
- যে টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার মতো বিন্যস্ত থাকে, তাকে ট্রি টপোলজি বলা হয়।
- ট্রি টপোলজি প্রকৃতপক্ষে স্টার টপোলজিরই একটি সম্প্রসারিত রূপ।
- এ টপোলজিতে এক বা একাধিক স্তরের কম্পিউটার হোস্ট কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।

• স্টার টপোলজি:
- যে টপোলজিতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার বা হোস্ট বা হাব বা সুইচের সাথে অন্যান্য কম্পিউটার বা পেরিফেরালসমূহকে সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, তাকে স্টার টপোলজি বলে।

• মেশ টপোলজি:
মেশ টপোলজির প্রত্যেকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটারের একাধিক সংযোগ ব্যবস্থা থাকে এবং প্রতিটি কম্পিউটার আলাদা লিংক ব্যবস্থাধীন থাকে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কভূক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট লিংক বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৩.
জিএসএম-এর একটি বৈশিষ্ট্য হিসেবে, এর মাধ্যমে কোন সেবা পথিকৃত হিসেবে কাজ করে?
  1. Short Message Service
  2. Multiparty Service
  3. Call Forwarding
  4. Call Holding
ব্যাখ্যা
• জিএসএম (Global System for Mobile Communication - GSM):
- জিএসএম হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- জিএসএম প্রথম চালু হয় ফিনল্যান্ড-এ।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে, বিশ্বের যে কোনো স্থান থেকে জিএসএম নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা অবস্থায় একজন ব্যবহারকারী তার মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে সক্ষম।
- জিএসএম সিস্টেমে TDMA (Time Division Multiple Access) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় এবং এর মাধ্যমে বিভিন্ন মোবাইল ফোন সার্ভিস যেমন: এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কল নিয়ন্ত্রণ, ইনকামিং কল নিয়ন্ত্রণ, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি প্রদান করা হয়।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
- জিএসএম স্বল্প মূল্যের এসএমএস (Short Message Service) সেবা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পথিকৃত।
- মোবাইল হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা সাধারণত ১ ওয়াট বা ২ ওয়াট।
- এটি সেলুলার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্দিষ্ট অঞ্চলে মোবাইল ফোনগুলোকে জিএসএম নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- জিএসএম নেটওয়ার্কের সর্বোচ্চ কার্যকরী দূরত্ব ৩৫ কিলোমিটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৪.
'Inheritance' কোন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে প্রতিনিধিত্ব করে?
  1. স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং
  2. ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং
  3. ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং
  4. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
ব্যাখ্যা
• 'Inheritance' অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে প্রতিনিধিত্ব করে।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়, একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ:
- C++,
- Java,
- C#,
- Python ইত্যাদি।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যথা:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৫.
নিম্নলিখিত কোনটি "IBM" এর উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার?
  1. Hard Disk
  2. ATM
  3. Floppy disc
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত সবগুলোই (ATM, Hard Disk, Floppy disc) "IBM" এর উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার।

• IBM:

- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines Corporation.
- প্রথমে নাম ছিল Computing - Tabulating - Recording Company (CTR), পরবর্তীতে ১৯২৪ সালে IBM নামকরণ করা হয় ৷
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.
- Hyperledger হলো IBM এর একটি ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম।

• বিশেষ উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার:
- ATM,
- Hard Disk,
- Floppy disc.

উৎস: IBM Website.
১২৬.
OCR কীভাবে কাজ করে?
  1. কেবলমাত্র ইমেজ প্রসেসিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে
  2. ডকুমেন্টকে সরাসরি ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে
  3. সফটওয়্যার দ্বারা ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে
  4. শুধুমাত্র স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে কাজ করে
ব্যাখ্যা
• OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৭.
একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা ভিত্তিরেখা থেকে সর্বোচ্চ কত হতে পারে?
  1. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  2. ২২০ নটিক্যাল মাইল
  3. ৩০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তিরেখা থেকে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।

মহীসোপান:

- মহীসোপান হল সমুদ্রের তলদেশে অবস্থিত একটি ঢালু অঞ্চল, যা মহাদেশীয় প্রান্ত থেকে গভীর সমুদ্রের দিকে বিস্তৃত।
- এটি সাধারণত মহাদেশীয় প্রান্ত থেকে শুরু হয়ে গভীর সমুদ্রীয় সমভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
- এই অঞ্চলটি সমুদ্রের অগভীর অঞ্চল হিসাবেও পরিচিত।
- মহীসোপানের গড় সর্বোচ্চ গভীরতা ২০০ মিটার এবং মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার। মহাদেশের উপকূল যদি বিস্তৃত সমভূমি হয়, তবে মহীসোপান অধিক প্রশস্ত হয়।
- মহাদেশের উপকূল পর্বত বা মালভূমি থাকলে মহীসোপান সংকীর্ণ হয়।

⇒ মহাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল নিমজ্জিত হওয়ার ফলে অথবা সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতার তারতম্য হওয়ার কারণে মহীসোপানের সৃষ্টি হয়।
- আবার অনেক সময় সমুদ্র তরঙ্গ ও ক্ষয়ক্রিয়া মহীসোপান গঠনে সহায়তা করে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেশন অনুযায়ী, একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের ( Continental shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।
- কোনো উপকূলীয় রাষ্ট্র তার ভিত্তিরেখা (baseline) থেকে সর্বোচ্চ ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অথবা ২,৫০০ মিটার গভীরতার আইসোবাথ (isobath) থেকে ১০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপান (continental slope) ভোগ করতে পারবে।
- এটি মূলত আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন এবং জাতিসংঘের সমুদ্র আইন সনদ (UNCLOS) এর আওতায় আসে, যা উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলোর মহীসোপান ও মহাদেশীয় শেলফের অধিকার নির্ধারণ করে।
- এই নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রগুলি তাদের উপকূল থেকে মহীসোপান বা মহাদেশীয় শেলফের বিশেষ অংশে অর্থনৈতিক বা গবেষণামূলক অধিকার দাবি করতে পারে।

উৎস: i) ভূগোল ১ম পত্র ,এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) UNCLOS ওয়েবসাইট। [link]
১২৮.
বাংলাদেশে কোন স্টেশনে সর্বোচ্চ বার্ষিক গড় বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়?
  1. সিলেট
  2. কক্সবাজার
  3. সন্দ্বীপ
  4. পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সিলেটে সর্বোচ্চ বার্ষিক গড় বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়। 

বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রকৃতি:

- বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান তিনটি প্রকৃতির স্বাতন্ত্র্য পরিলক্ষিত হয়। যথা: শীতকাল, গ্রীষ্মকাল ও বর্ষাকাল।
- সাধারণত বাংলাদেশের জলবায়ু সমভাবাপন্ন।
- কর্কটক্রান্তি রেখা এ দেশের মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করায় ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজ করে।
- আবার মৌসুমী বায়ুর প্রভাব এ দেশের জলবায়ুর উপর এত বেশি যে বাংলাদেশের জলবায়ুকে ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুও বলা হয়।

⇒ বাংলাদেশে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার।
- বাংলাদেশে সর্বনিম্ন গড় বৃষ্টিপাত রাজশাহী অঞ্চলের লালপুরে (১১৭.৫ সেন্টিমিটার) এবং সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাত সিলেট অঞ্চলের লালাখালে (৬৩৭.৫ সেন্টিমিটার) পরিলক্ষিত হয়।

উৎস: i) বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ স্টাডিজ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২৯.
আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ ও বনায়ন কর্মসূচি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কোন কার্যক্রমের অংশ?
  1. পরিকল্পনা
  2. প্রশমন
  3. পূর্বপ্রস্তুতি
  4. সাড়াদান
ব্যাখ্যা
আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ ও বনায়ন কর্মসূচি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রশমন কার্যক্রমের অংশ।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:

- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।
- সুতরাং দুর্যোগকে কার্যকরভাবে মোকাবিলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
- দুর্যোগ সংঘটনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।

⇒ পূর্বপ্রস্তুতি:
- পূর্ব প্রস্তুতি বলতে দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি ও ঝুঁকি কমানোর উদ্দেশ্যে দুর্যোগের পূর্বেই ব্যবস্থা গ্রহণকে বোঝায়। ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল ও জনগোষ্ঠিকে চিহ্নিতকরণ, দুর্যোগ মোকাবিলা সংক্রান্ত পরিকল্পনা প্রনয়ণ, জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সম্পদের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, ড্রিল বা পথ নাটক অভিনয় এবং রাস্তাঘাট, যানবাহন, বেতার যন্ত্র, টর্চ-ব্যাটারি ও প্রয়োজনীয় ঔষধপত্র ইত্যাদি দুর্যোগের পূর্বে প্রস্তুত রাখা দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতির অন্তর্ভুক্ত।

⇒ প্রতিরোধ:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানোর ব্যাপারে প্রতিরোধব্যবস্থা গ্রহন, যেমন- বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও মেরামত, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, পাকা ও মজবুত স্কুল ও ঘরবাড়ি নির্মাণ, নদী খনন ইত্যাদি বুঝায়। কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন যথেষ্ট ব্যয়বহুল, যা বাংলাদেশের ন্যায় উন্নয়নশীল দেশের পক্ষে বৈদেশিক সাহায্য ব্যতীত তৈরি করা কষ্টসাধ্য। অপরদিকে, অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রতিরোধ যেমন- দুর্যোগ মোকাবিলার প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বপ্রস্তুতি ইত্যাদি কার্যক্রম অপেক্ষাকৃত স্বল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।

⇒ প্রশমন:
- দীর্ঘ সময়ব্যাপী নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা এবং দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করাকে দুর্যোগ প্রশমন বলে। মজবুত পাকা ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল অবলম্বন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত। দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন ব্যয়বহুল হলেও সরকার সীমিত সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী খনন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বনায়ন ইত্যাদি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

⇒ সাড়াদান:
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন। সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।

⇒ পুনরুদ্ধার:
- :দুর্যোগের ফলে জৈব ও অজৈব সকল সম্পদ, প্রাকৃতিক পরিবেশ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ইত্যাদি খাতে যে ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়, পুন:নির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনাকেই পুনরুদ্ধার বলা হয়। এক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাহায্য ও সহায়তা প্রয়োজন হয়।

⇒ উন্নয়ন:
- দুর্যোগে বিপর্যস্ত এলাকাকে পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার অব্যবহিত পর উক্ত এলাকার ভৌগোলিক ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহন করা আবশ্যক।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩০.
গ্রীষ্মের শেষে উত্তর-পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় যে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়, তাকে বলা হয় -
  1. হারিকেন
  2. উইলি উইলি
  3. টাইফুন
  4. বাগুই
ব্যাখ্যা
গ্রীষ্মের শেষে উত্তর-পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় যে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়, তাকে বলা হয় উইলি উইলি।

ঘূর্ণিঝড়:

- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone। এটি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে, যার অর্থ কুণ্ডলি পাকানো সাপ।
- বিজ্ঞানী হেনরি পিডিংটন ১৮৪৮ সালে প্রথম এ শব্দটি ব্যবহার করেন।
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে।
- সারা বিশ্বে ঘূর্ণিঝড় নানা নামে পরিচিত।
- যেমন- চীন ও জাপানের উপকূলে টাইফুন, ভারত মহাসাগরে সাইক্লোন, ফিলিপাইনের উপকূলে বাগুই, অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে উইলি উইলি, ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ও মেক্সিকো উপসাগর অঞ্চলে হারিকেন প্রভৃতি নামে অভিহিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলা হয়।
- ঘূর্ণিঝড় শুরু হওয়ার আগে বায়ু শান্ত, উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে।
- ঘূর্ণিঝড়ের পশ্চাৎভাগে পৌঁছানোর পর আবারও ঘন মেঘ, বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হয়।
- এ সময় বায়ু অগ্রবর্তী ঘূর্ণিঝড়ের বিপরীত দিক থেকে প্রবাহিত হয়।

⇒ ঘূর্ণিঝড়ের বৈশিষ্ট্য:
- সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
- মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
- উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।
- ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত।
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয়।

উৎস: i) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩১.
বাংলাদেশের মোট আয়তনের কত শতাংশ বনভূমি রয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ২৪.০২ শতাংশ
  2. ২২.১৮ শতাংশ
  3. ১৮.১৯ শতাংশ
  4. ১৫.৫৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মোট আয়তনের ১৫.৫৮ শতাংশ বনভূমি রয়েছে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় বনভূমি:

- পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বাংলাদেশে প্রায় ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা উচিত। 
- মোট বনভূমির পরিমাণ ২৩ লক্ষ হেক্টর, যা দেশের মোট আয়তনের ১৫.৫৮%।
- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫-এ জলাশয়, মাটি, পানি, বায়ু ও শব্দদূষণের প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং আইনের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের ৩২টি জেলায় রাষ্ট্রীয় বনভূমি নেই।

⇒ যে ভূমির আয়তন ০.৫ হেক্টরের বেশি এবং সেখানে ৫ মিটারের বেশি গাছ রয়েছে (সেরিওপস ডিকান্ড্রা ছাড়া), এবং গাছের ছাউনি ১০% বা তার বেশি, তা বনভূমি হিসেবে গণ্য হবে।
- তবে, গ্রামীণ জনবসতি, কৃষি বা শহুরে ব্যবহৃত জমি বনভূমি নয়, এবং সেখানে গাছগুলোকে বন-বহির্ভূত গাছ বলা হবে।

⇒ বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বনসমূহ তিনটি অঞ্চলে বিস্তৃত:
১. বৃহত্তর চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং সিলেটের পাহাড়ি বনাঞ্চল;
২. কেন্দ্রীয় ও উত্তরাঞ্চলীয় অভ্যন্তরীণ বনাঞ্চল;
৩. দ্বীপ ও চরাঞ্চলীয় এবং উপকূলবর্তী বনাঞ্চল।

উৎস: i) বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। [link]
ii) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। [link]
১৩২.
মানচিত্রের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে সাধারণত কোন স্কেলটি অনুসরণ করা হয়?
  1. আমেরিকান স্কেল
  2. ব্রিটিশ স্কেল
  3. ইন্ডিয়ান স্কেল
  4. চাইনিজ স্কেল
ব্যাখ্যা
মানচিত্রের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে সাধারণত ব্রিটিশ স্কেল অনুসরণ করা হয়।

মানচিত্র:

- কোনো স্থানের অবস্থান থেকে শুরু করে ঐ স্থানের খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে অবহিত হওয়ার জন্য মানচিত্রের কোনো বিকল্প নেই।
- খুব কম সময়ে সহজ উপায়ে ঘরে বসে সারা বিশ্বকে জানার জন্যই মানচিত্রের উৎপত্তি।
- একটি মানচিত্রের মধ্যে কী ধরনের তথ্য থাকবে তা নির্ভর করবে- (ক) স্কেল, (খ) অভিক্ষেপ, (গ) কনভেনশনাল সাইন, (ঘ) মানচিত্র অঙ্কনকারীর দক্ষতা এবং (ঙ) মানচিত্র অঙ্কনের ধরনের উপর।
- একটি বৃহৎ স্কেলের মানচিত্রের মধ্যে একটি স্থানকে বেশি তথ্য দিয়ে দেখানো যায়।

উল্লেখ্য,
⇒ ভূসংস্থানিক মানচিত্র (Topographic map):
- এই মানচিত্রগুলো প্রকৃত জরিপকার্যের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়।
- সাধারণত এর মধ্যে প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক দুই ধরনের উপাদান দেখতে পাওয়া যায়।
- ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে পাহাড়, মালভূমি, সমভূমি, নদী, উপত্যকা, হ্রদ প্রভৃতি দেখানো হয়।
- অন্যদিকে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য হিসেবে রেলপথ, হাটবাজার, পোস্ট অফিস, সরকারি অফিস, খেলার মাঠ, মসজিদ, মন্দির প্রভৃতি নিখুঁতভাবে দেখানো হয়।
- এই মানচিত্রের স্কেল ১:২০,০০০ হলে ভালোভাবে বৈশিষ্ট্যগুলো প্রকাশ পায়।
- বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন স্কেলে এই মানচিত্র তৈরি করে।
- সবচেয়ে আদর্শ ও জনপ্রিয় হচ্ছে ব্রিটিশদের তৈরি করা মানচিত্র যার স্কেল ছিল ১:২৫,০০০ থেকে ১:১০০,০০০ এবং আমেরিকাতে এই মানচিত্রের স্কেল থাকে সাধারণত ১:৬২,৫০০ এবং ১:১২৫,০০০।
- সাধারণত ব্রিটিশ স্কেলটি অনুসরণ করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩৩.
ঋতু পরিবর্তন হয় কোনটির প্রভাবে?
  1. আহ্নিক গতি
  2. বার্ষিক গতি
  3. নিরক্ষরেখা
  4. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
ব্যাখ্যা
বার্ষিক গতি (Revolution):
- সূর্যের মহাকর্ষ বলের আকর্ষণে পৃথিবী নিজের অক্ষের উপর অবিরাম ঘুরতে ঘুরতে একটি নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে) এবং নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যের চারদিকে ঘুরছে।
- পৃথিবীর এই গতিকে বার্ষিক গতি বা পরিক্রমণ গতি বলে।
- একবার সূর্যকে পূর্ণ পরিক্রমণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। একে সৌরবছর বলে। 

বার্ষিক গতির ফল:
(১) দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি,
(২) ঋতু পরিবর্তন।

⇒ ঋতু পরিবর্তন:
- তাপমাত্রার পার্থক্য অনুসারে সারাবছরকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়, এ প্রতিটি ভাগকে এক একটি ঋতু বলে।
- তাপমাত্রার পার্থক্য অনুসারে সারাবছরকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো- গ্রীষ্মকাল, শরৎকাল, শীতকাল ও বসন্তকাল।
- আমরা জানি, সমগ্র পৃথিবীকে দুটো গোলার্ধে ভাগ করা হয়েছে।
- নিরক্ষরেখার উপরের দিকের অংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং নিচের দিকের অংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ ধরা হয়।
- উত্তর গোলার্ধে যখন গ্রীষ্মকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন শীতকাল।
- আবার উত্তর গোলার্ধে যখন শীতকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন গ্রীষ্মকাল।
- তেমনি উত্তর গোলার্ধে যখন বসন্তকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন শরৎকাল।
- আবার উত্তর গোলার্ধে যখন শরৎকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন বসন্তকাল।-
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান উত্তর গোলার্ধে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩৪.
‘দেবতাখুম’ কোথায় অবস্থিত?
  1. আলীকদম
  2. রোয়াংছড়ি
  3. লামা
  4. বাঘাইছড়ি
ব্যাখ্যা
দেবতাখুম:
- দেবতাখুম বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় অবস্থিত।
- খুম অর্থ হচ্চে জলাধার।
- দেবতাখুম মূলত তারাছা খালের একটি অংশ, যার দুই পাশে পাহাড় দিয়ে ঘেরা এবং গভীর পানির পাথুরে জায়গা।

⇒ বান্দরবানে ছোট বড় অনেক খুম আছে, যেমন থানচির আমিয়াখুম, ভেলাখুম ইত্যাদি। 
- এই খুমের দুইপাশে রয়েছে বিশাল জঙ্গল।
- উঁচু পাহাড়ের কারণে খুমের ভিতর সরাসরি সূর্যের আলো পৌঁছায় না, তাই খুমের যত ভিতরে যাওয়া যায় ততই শীতল মনে হয়।
- জায়গাটি খুব শান্ত এবং কোলাহলমুক্ত।
- এর পানিও বেশ স্বচ্ছ।
- বাঁশের ভেলায় চেপে এই খুমের ভিতর যাওয়ার সময় পর্যটকদেরকে এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি দেয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
ii) প্রথম আলো।
১৩৫.
‘সুশাসন সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করে।’-কার অভিমত?
  1. UNDP
  2. UN
  3. IMF
  4. ADB
ব্যাখ্যা
UNDP ও সুশাসন:
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) ১৯৯৭ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোর শাসনতান্ত্রিক পলিসির উপর গুরুত্ব আরোপ করতে গিয়ে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে।
- UNDP-এর মতে, “একটি দেশের সার্বিক স্তরের কার্যাবলি পরিচালনার জন্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কর্তৃত্বের চর্চার বা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো সুশাসন” (Good Governance is the exercise of economic, Political and administrative authority to manage a country's affairs at all levels)।

⇒ UNDP-এর মতে, সুশাসন সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করে।

উল্লেখ্য,
- UNDP এর মতে সুশাসনের উপাদান ৯টি। এগুলো হলো -
- স্বচ্ছতা, আইনের শাসন, সকলের অংশগ্রহণ, সংবেদনশীলতা, সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের প্রাধান্য, সমতা, ন্যায্যতা, জবাবদিহিতা কৌশলগত লক্ষ্য।

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
১৩৬.
‘আইনের অনুশাসন’ কথাটি প্রথম কে ব্যবহার করেন?
  1. স্যার আই জেনিংস
  2. অধ্যাপক ডাইসি
  3. লাস্কি
  4. অধ্যাপক গেটেল
ব্যাখ্যা
আইনের অনুশাসন (Rule of Law):
- আধুনিক যুগের লক্ষ্য হল একটি রাষ্ট্রের অন্তর্গত সকল নাগরিকের ওপর একই ভাবে আইন প্রয়োগ করা।
- অধ্যাপক ডাইসির মতে- "আইনের চোখে সকল নাগরিকই সমান।"
- আইনের অনুশাসন বলতে মধ্যযুগীয় ধারণায় বলা হয়- "আইনের ক্ষমতা সর্বোচ্চ।"
- এর দ্বারা সরকার, আইন প্রণেতা ও সাধারণ নাগরিক সকলেই নিয়ন্ত্রিত হয়।
- অধ্যাপক ডাইসি (A. V. Dicey) ছিলেন আইনের অনুশাসনের অন্যতম প্রবক্তা।
- অধ্যাপক ডাইসি ১৮৮৫ সালে প্রকাশিত তাঁর সাংবিধানিক আইনের ভূমিকা (An Introduction to the Law of the Constitution) শীর্ষক গ্রন্থে বলেছেন আইনের অনুশাসন তিনটি নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত ।

⇒ আইনের অনুশাসন বিষয়ে ডাইসির তত্ত্ব:
১। বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগের অধিকারের বিলুপ্তি:
- এতে সরকার ও প্রশাসনিক ব্যক্তিদের বিশেষ অধিকারের ক্ষমতা লোপ করে প্রতিটি মানুষের ন্যায় বিচার পাবার কথা বলা হয়েছে। এই অনুশাসন অনুসারে যতক্ষণ পর্যন্ত কোন ব্যক্তি আইনের চোখে দোষী প্রমাণিত না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে কোনো শাস্তি দেওয়া যাবে না। আইনের অনুশাসনের অর্থ হল আইন দ্বারা সমানভাবে সংরক্ষিত হওয়া।
২। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকারের তত্ত্ব:
- এই তত্বে বলা হয়েছে আইনের ওপরে কেউ নেই। রাষ্ট্রের প্রত্যেক ব্যক্তির গতিবিধি, পদমর্যাদা এবং সামাজিক প্রতিপত্তি, রাষ্ট্রের সাধারণ আইন ও সাধারণ আদালতের বিচারাধীন। প্রশাসনিক আধিকারিকরাও সাধারণ নাগরিকের মতই আইন মান্য করবে এবং আইন লঙ্ঘন করলে তাদেরও শাস্তি হবে। এইভাবেই জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে সাম্য ও স্বাধীনতার অধিকার।
৩। কোন দেশের সংবিধান মূলত তার নিজস্ব আইনি কার্যাবলী নির্ধারণ করে:
- কোন দেশের সংবিধান বিদেশি কোন আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। জনসাধারণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং কর্তব্য নির্ণয় করাই হল সংবিধানের মূল উদ্দেশ্য এবং তা করা হয়ে থাকে দেশের প্রচলিত আইন ও বিচারালয়ের পরিকাঠামোর মধ্যে থেকেই। সংবিধান সম্বন্ধে মানুষের ধারণা মূলত আইনের অনুশাসন সম্বন্ধে জ্ঞান থেকেই উপলব্ধি হয়। গ্রীক দার্শনিক অ্যরিস্টটলের মতে শাসন ও শাসিত সকলেরই সমভাবে আইনের অধীন হওয়া কাম্য-সেটাই আদর্শ আইনের শাসন।

উৎস: Elective Commerce Honours, নেতাজী সুভাষ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৭.
২০১২ সালে প্রণীত জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলের অভিলক্ষ্য কী?
  1. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা
  2. রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা
  3. সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল:
- শুদ্ধাচার বলতে সাধারণভাবে নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষ বোঝায়। এর দ্বারা একটি সমাজের কালোত্তীর্ণ মানদণ্ড, নীতি ও প্রথার প্রতি আনুগত্যও বোঝানো হয়। ব্যক্তি-পর্যায়ে এর অর্থ হল কর্তব্যনিষ্ঠা ও সততা, তথা চরিত্রনিষ্ঠা। এই দলিলটিতে শুদ্ধাচারের এই অর্থই গ্রহণ করা হয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করেছে।
- এ কৌশলের মূল লক্ষ্য হল শুদ্ধাচার চর্চা ও দুর্নীতি প্রতিরোধের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
- এ কৌশলে রাষ্ট্র ও সমাজে শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠা সরকারের সাংবিধানিক ও আইনগত স্থায়ী দায়িত্ব; সুতরাং সরকারকে অব্যাহতভাবে এই লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে মর্মে উল্লেখ আছে।

উল্লেখ্য,
- রূপকল্প: সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা।
- অভিলক্ষ্য:  রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা।

⇒ শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান:
১. নির্বাহী বিভাগ ও জনপ্রশাসন, ২. জাতীয় সংসদ, ৩. বিচার বিভাগ, ৪. নির্বাচন কমিশন, ৫. অ্যাটর্নি জেনারেল, ৬. সরকারি কর্ম কমিশন, ৭. মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, ৮. ন্যায়পাল, ৯. দুর্নীতি দমন কমিশন, ১০. স্থানীয় সরকার।

⇒ শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠায় অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান:
১. রাজনৈতিক দল, ২. বেসরকারি খাতের শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, ৩. এনজিও ও সুশীলসমাজ, ৪. পরিবার, ৫. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ৬ গণমাধ্যম।

উৎস: i) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) তথ্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১৩৮.
কোন ধরনের সরকার ব্যবস্থায় জনগণ বেশি স্বাধীনতা ভোগ করে?
  1. সমাজতন্ত্র
  2. একনায়কতন্ত্র
  3. গণতান্ত্রিক
  4. পুঁজিবাদী
ব্যাখ্যা
গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় জনগণ বেশি স্বাধীনতা ভোগ করে।

সরকার ব্যবস্থা:
- অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ভিত্তিতে মালিকানার উপর নির্ভর করে রাষ্ট্রকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা: পুঁজিবাদী রাষ্ট্র ও সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- ক্ষমতার উৎসের ভিত্তিতে রাষ্ট্র প্রধানত দুই প্রকার। যথা: গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্র।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে শাসনকার্যে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করে।
- এ ব্যবস্থা ব্যক্তি স্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অংশগ্রহণ, ভোটাধিকার প্রয়োগসহ রাজনীতি চর্চার সুযোগ থাকে।
- গণতন্ত্র নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষা করে।
- গণতন্ত্রের মাধ্যমে জনগণ মতামত প্রকাশের অধিকার ভোগ করে।
- ফলে ব্যক্তি স্বাধীনতার বিকাশ ঘটে।
- সকলে মিলে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করে। এতে নাগরিকের অধিকার রক্ষা হয়।

অন্যদিকে,
পুঁজিবাদী রাষ্ট্র:
- পুঁজিবাদী রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ব্যক্তিগতভাবে পুঁজি সংগ্রহ, বিনিয়োগ ও মুনাফা অর্জনের উপর রাষ্ট্রের কোনো হস্তক্ষেপ থাকে না। এক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যতা থাকে এবং অবাধ প্রতিযোগিতার সুযোগ বিদ্যমান। সাধারণত পুঁজিবাদী রাষ্ট্র মুক্ত বাজার অর্থনীতির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠে। এক্ষেত্রে রাষ্ট্র বাজারকে নিয়ন্ত্রণ করবে না বরং চাহিদা ও যোগান দ্বারা বাজার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হয়। পুঁজিবাদী রাষ্ট্রে পুঁজিপতিরা রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হয়। এ ধরনের রাষ্ট্রে জনকল্যাণমূলক ব্যয় কম হয় এবং সরকার পুঁজি বিনিয়োগের যাবতীয় কাঠামোগত ও নীতিগত সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করে। ফলে ধনী-দরিদ্র্যের মধ্যে বৈষম্য বৃদ্ধি পায়।

সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র:
- সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় উৎপাদনের সকল উপাদান যেমন-ভূমি, শ্রম, মূলধন এবং ব্যবস্থাপনা সবকিছুর মালিকানা থাকে রাষ্ট্রের হাতে। সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র কাঠামোতে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যতা নেই। বরং ব্যক্তির জীবনে প্রত্যেক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের স্বীয় হস্তক্ষেপ বিদ্যমান। সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রে অর্থনীতি ও বাজার ব্যবস্থা রাষ্ট্র কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। এক্ষেত্রে ব্যক্তির আয়ের উপর করারোপ করে ধনী-দরিদ্রের মধ্যে বৈষম্য দূর করার জন্য রাষ্ট্র সর্বদা সচেষ্ট থাকে। রাষ্ট্র শ্রমিকের মজুরি নির্ধারণ করে দেয় এবং রাষ্ট্র তার রাজস্ব আয় জনকল্যাণে ব্যয় করে। বিলুপ্ত হওয়া সোভিয়েত ইউনিয়নভূক্ত দেশগুলো সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র কাঠামোর অন্তর্ভূক্ত ছিল।

একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্র:
- একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এক ব্যক্তির শাসন বহাল থাকে। ফলে সেই একনায়কের আদেশ-নির্দেশ উপেক্ষা করে নিজস্ব মত প্রকাশের মাধ্যমে সরকার পরিচালনা করা সম্ভব হয় না। জনগণ স্বাধীনভাবে রাজনীতি চর্চা করতে পাওে না, তাছাড়া এ ব্যবস্থায় ব্যক্তি স্বাধীনতার কোন অবকাশও নেই।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩৯.
গণতান্ত্রিক শান্তি তত্ত্ব সম্পর্কে রচিত ‘Perpetual Peace’ গ্রন্থটি কার লেখা?
  1. ইমানুয়েল কান্ট
  2. বার্টান্ড রাসেল
  3. ম্যাকাইভার
  4. হার্বার্ট স্পেন্সার
ব্যাখ্যা
ইমানুয়েল কান্ট:
- ইমানুয়েল কান্ট একজন জার্মান নীতিবিজ্ঞানী।
- তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি যথা: সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।
- 'কর্তব্যের জন্য কর্তব্য'-ধারণাটির প্রবর্তক ইমানুয়েল কান্ট।
- 'সততার জন্য সদিচ্ছা'র কথা বলেছেন ইমানুয়েল কান্ট।

উল্লেখ্য,
- গণতান্ত্রিক শান্তি তত্ত্ব সম্পর্কে রচিত ‘Perpetual Peace’ গ্রন্থটি ইমানুয়েল কান্ট-এর লেখা।
- ‘আ পাপেচুয়াল পিস (১৭৯৫)’ রাজনৈতিক দর্শনের ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ, যা বিভিন্ন দেশের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি কাঠামো প্রদান করে।
- এই বইয়ে কান্ট যুদ্ধ এড়ানোর ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক ও নৈতিক নির্দেশনা উপস্থাপন করেছেন।

⇒ নীতিশাস্ত্রের উপর তাঁর রচিত বই:
- Groundwork for Metaphysics of Morals.
- Critique of Pure Reason.
- Critique of Practical Reason.
- Critique of Judgement.
- Perpetual Peace.

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
১৪০.
দার্শনিক প্লেটো রচিত বিখ্যাত পুস্তকের নাম -
  1. দি প্রিন্স
  2. দি গড ফাদার
  3. দি রিপাবলিক
  4. দি পলিটিক্স
ব্যাখ্যা
প্লেটো:
- প্রাচীন গ্রিসের দার্শনিক সক্রেটিসের শিষ্য ছিলেন প্লেটো।

⇒ দার্শনিক প্লেটো রচিত বিখ্যাত বই - Republic যা Plato’s Republic ।
- সুশাসনের ধারণা প্রথম পাওয়া যায় প্লেটোর 'The Republic' গ্রন্থে।
- প্লেটো তাঁর ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থে বলেছেন, “শাসক যদি ন্যায়বান হন তাহলে আইন নিস্প্রয়োজন, আর শাসক যদি দুর্নীতিপরায়ণ হন তাহলে আইন নিরর্থক।”

⇒ তার লেখা অন্যান্য বইসমূহ:
- Symposium,
- Apologia Socrates,
- Allegory of the Cave,
- The Laws (348 BCE),
- Plato: Complete Works ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- এরিস্টটলকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। 'দি পলিটিক্স' গ্রন্থে তাঁর রাষ্ট্রচিন্তার মূল বক্তব্য প্রকাশ পেয়েছে।
- ১৫১৩ খ্রিষ্টাব্দে নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি রচনা করেন তার বিশ্বখ্যাত 'The Prince'। দ্য প্রিন্স-এর মূল বিষয় হলো কীভাবে রাজনৈতিক শক্তি অর্জন, ব্যবহার ও সংরক্ষণ করা যায় তার চিন্তাপূর্ণ বিশ্লেষণ। পুস্তকটি ছোট-বড় ২৬টি অধ্যায় নিয়ে রচিত।

উৎস: i) উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
ii) Britannica.