পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩ প্রথম ধাপের চূড়ান্ত প্রস্তুতি (রংপুর, সিলেট ও বরিশাল) টপিক: বিষয়ভিত্তিক ফাইনাল পরীক্ষা: সাধারণ জ্ঞান [মোট নম্বর - ৫০]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর -
  1. সোনাদিয়া সমুদ্রবন্দর
  2. মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর
  3. পায়রা সমুদ্রবন্দর
  4. কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর
সঠিক উত্তর:
পায়রা সমুদ্রবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পায়রা সমুদ্রবন্দর
ব্যাখ্যা
পায়রা সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর ‘পায়রা বন্দর'।
- ‘পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, বালিয়াতলী, ধূলাসার, ধানখালী ও টিয়াখালী ইউনিয়নের অনত্মর্গত রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- শিপিং-বান্ধব বিস্মীর্ণ এলাকা হিসেবে এটি সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রাকৃতিকভাবেই উপযুক্ত একটি অঞ্চল।
- ১৩ আগস্ট, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
- এ উদ্বোধনের দ্বারা বাংলাদেশের আমদানি- রপ্তানি বাণিজ্য তথা দেশের সার্বিক উন্নয়নে নতুন মাইল ফলক রচিত হবে বলে আশা করা যায়।
- ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
- এটি বঙ্গোপসাগরের কাছে রামনাবাদ চ্যানেলে অবস্থিত।

উৎস: পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
.
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা:
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সড়কদ্বীপে অবস্থিত। 
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: শামীম শিকদার। 
- ভাস্কর্য কর্মে সহায়তা করেন হিমাংশু রায় ও আনোয়ার চৌধুরী।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি।
- ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ তারিখে, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এ ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। 

উল্লেখ্য,
- শামীম শিকদার ২০০০ সালে একুশে পদক অর্জন করেন।

উৎস: ২১ মার্চ, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
.
চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছাতে পারা প্রথম দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. রাশিয়া
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
চন্দ্রযান-৩:
- ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম ইসরো।
- ইসরো প্রধান শ্রীধরা পানিকার সোমনাথ।
- ২৩ আগস্ট ২০২৩ তারিখে চাঁদের বুকে অবতরণ করে চন্দ্রযান-৩।
- চন্দ্রযানটির ল্যান্ডারটির নাম ‘বিক্রম’।
- রোভারের নাম ‘প্রজ্ঞান’।
- অবতরণের করেছে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে।
- চাঁদের রহস্যময় দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছাতে পারা প্রথম দেশ ভারত।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন চন্দ্রপৃষ্ঠে সফলভাবে নভোযান অবতরণকারী চতুর্থ দেশ ভারত।
- ১৪ জুলাই ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশকেন্দ্র থেকে চন্দ্রযান-৩ উৎক্ষেপণ করা হয়।
- মোট ৬১৫ কোটি রুপি খরচ হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ২০১৯ সালে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে অবতরণের উদ্দেশ্যে চন্দ্রযান-২ পাঠিয়েছিল ভারত।
- কিন্তু অভিযানটি ব্যর্থ হয়।

উৎস: ২৩ আগস্ট ২০২৩, প্রথম আলো।
.
নিচের কোনটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা নয়?
  1. UNHCR
  2. UNICEF
  3. Security Council
  4. WFP
সঠিক উত্তর:
Security Council
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Security Council
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য ১৯৩টি।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।

জাতিসংঘের কার্যকরি দাপ্তরিক ভাষা দুইটি:
• ইংরেজি
• ফ্রেঞ্চ/ফরাসি

জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
• সাধারণ পরিষদ (the General Assembly),
• নিরাপত্তা পরিষদ (the Security Council), 
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (the Economic and Social Council), 
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (the International Court of Justice),
• অছি পরিষদ (the Trusteeship Council),
• জাতিসংঘ সচিবালয় (the Secretariat)।

জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার সংখ্যা ১৫টি।
- FAO,
- ILO,
- IOM,
- UNWOMEN,
- UNAIDS,
- UNESCO,
- UNDP,
- UNICEF,
- UNCDF,
- UNFPA,
- UNHCR,
- UNIDO,
- WHO,
- WFP,
- UNOPS.

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
.
আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বাধিক গোলদাতা কে?
  1. লিওনেল মেসি
  2. ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
  3. সুনীল ছেত্রি
  4. আলি দাইয়ি
সঠিক উত্তর:
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বাধিক গোলদাতা:
১। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (গোলের সংখ্যা - ১২৩)। 
২। আলি দাইয়ি (গোলের সংখ্যা - ১০৯)।
৩। লিওনেল মেসি (গোলের সংখ্যা - ১০৩)।
৪। সুনীল ছেত্রি (গোলের সংখ্যা - ৯২)।
৫। মোক্তার দাহারি (গোলের সংখ্যা - ৮৯)।

উল্লেখ্য,
- নারী আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বাধিক গোলদাতা ক্রিস্টিন সিনক্লেয়ার (গোলের সংখ্যা - ১৯০)।

উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।
.
জাতিসংঘ গৃহীত এসডিজি বাস্তবায়নের প্রান্তিক বছর কোনটি?
  1. ২০৩০ সাল
  2. ২০৩৫ সাল
  3. ২০৪০ সাল
  4. ২০৪৫ সাল
সঠিক উত্তর:
২০৩০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৩০ সাল
ব্যাখ্যা
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।

এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
 ১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
সরকার কোন পণ্যকে '২০২৩ সালের বর্ষপণ্য' হিসেবে ঘোষণা করেছে?
  1. পাটজাত পণ্য
  2. চামড়াজাত পণ্য
  3. চিংড়ি
  4. ইলিশ
সঠিক উত্তর:
পাটজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
২০২৩ ‘বর্ষপণ্য’:
- পাট কেবল আমাদের সোনালি আঁশ নয়, আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্যের এক সোনালি অধ্যায়।
- স্বাধীনতার পরে পাট ছিল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান খাত।
- আমাদের দেশেই পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত মানের পাট উৎপাদিত হয়।
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২১-২২ অর্থবছরে ৭ লাখ ২১ হাজার হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়।
- পাট অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, বছরে দেশে ৮৫ থেকে ৯০ লাখ বেল কাঁচাপাট উৎপাদিত হয়। 
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে পাট ও পাটপণ্য রপ্তানিতে ১১২ কোটি ৭৬ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার আয় হয়েছে।
- এর মধ্যে কাঁচাপাট রপ্তানি থেকে এসেছে ২১ কোটি ৬১ লাখ ৮০ হাজার ডলার।
- এছাড়া দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে কেবল পাটজাত ব্যাগের চাহিদা ১০ কোটি থেকে ৭০ কোটিতে উন্নীত হয়েছে এবং অন্যান্য পাটপণ্যের চাহিদা রয়েছে প্রায় ৭১৭ কোটি টাকার।
- পাটজাত পণ্যকে ২০২৩ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছে সরকার।
- রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪ এর অনুচ্ছেদ ৯.১২ অনুসারে ‘পাটজাত পণ্য’কে বর্ষপণ্য-২০২৩ (প্রোডাক্ট অব দি ইয়ার-২০২৩) ঘোষণা করা হয়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
.
২০২৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন -
  1. জন ফসে
  2. লুইস ই ব্রাস
  3. পিয়েরে অ্যাগোস্টিনি
  4. আলেক্সি ই.ইকিমভ
সঠিক উত্তর:
পিয়েরে অ্যাগোস্টিনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিয়েরে অ্যাগোস্টিনি
ব্যাখ্যা
২০২৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার:
- ২০২৩ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী।
- তারা হলেন মার্কিন বিজ্ঞানী পিয়েরে অ্যাগোস্টিনি, গাঙ্গেরির ফেরেন্স ক্রাউজ এবং ফ্রান্সের অ্যান হুইলেয়ার।
- ৩ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে সুইডেনের স্টকহোম থেকে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
- ইলেকট্রন গতিবিদ্যার গবেষণায় বিশেষ  অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সাইন্স।
- ইলেকট্রন গতিবিদ্যায় পরীক্ষামূলক পদ্ধতি ব্যবহার করে কীভাবে আলোর অ্যাটোসেকেন্ড পালস তৈরি হয়, তাদের গবেষণায় সেটি দেখানো হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- নোবেলজয়ী এই বিজ্ঞানীরা পাবেন একটি নোবেল মেডেল, একটি সনদপত্র এবং মোট ১১ মিলিয়ন বা ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা।
- যেসব বিভাগে একাধিক নোবেলজয়ী থাকবেন, তাদের মধ্যে এই ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা ভাগ হয়ে যাবে।
- পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল দেওয়া শুরু হয় ১৯০১ সালে।
- এরপর থেকে ১১৬ বার এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
- এখন পর্যন্ত ২২২ জন সম্মানজনক এ পুরস্কার জিতেছেন। 

২০২৩ সালের নোবেল বিজয়ী:
- সাহিত্য: জন ফসে।
- শান্তি: নার্গিস মোহাম্মদী।
- চিকিৎসাবিজ্ঞান: ক্যাটালিন কারিকো এবং ড্রু উইসম্যান।
- পদার্থবিজ্ঞান: পিয়েরে অ্যাগোস্টনি, ফিরেন্স ক্রাসজ এবং অ্যান লরিয়েল।
- রসায়ন: মুঙ্গি জি বাউইন্ডি, লুইস ই ব্রাস এবং আলেক্সি ই.ইকিমভ।
- অর্থনীতি: ক্লদিয়া গোল্ডিন।


উৎস: ৩ অক্টোবর, ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
.
দেশের ১৭ তম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য -
  1. বাগদা চিংড়ি
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি আম
  3. দিনাজপুরের কাটারিভোগ
  4. নাটোরের কাঁচাগোল্লা
সঠিক উত্তর:
নাটোরের কাঁচাগোল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটোরের কাঁচাগোল্লা
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ:
- বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।
- এরপর একে একে ঢাকাই মসলিন, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি, নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ, বাংলাদেশি কালিজিরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি আম, ইলিশ, বাগদা চিংড়িসহ ১৭টি পণ্য জিআই সনদ পায়।

উল্লেখ্য,
- দেশে এ পর্যন্ত ১৭টি পণ্যকে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- দেশের ১৭ তম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেল নাটোরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি 'কাঁচাগোল্লা'।

উৎস: i) প্রথম আলো, ০৬ নভেম্বর, ২০২২।
         ii) ১০ আগস্ট, ২০২৩, The Business Standard. [link]
১০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুসারে, দেশে বর্তমানে বনাঞ্চলের পরিমাণ -
  1. ১,৯৯,৭২,০০০ একর
  2. ৬৩,৬৩,০০০ একর
  3. ১,০১,৬৬,০০০ একর
  4. ৫৩,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
৬৩,৬৩,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩,৬৩,০০০ একর
ব্যাখ্যা
মোট জমির পরিমাণ:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯৪,৯৩,০০০ একর (১,৫৯,৮২,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৯,৭২,০০০ একর (৮০,৮২,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫১,৬০,০০০ একর (২০,৮৮,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৬৬,০০০ একর (৪১,১৪,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৪,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৫৩,০০০ একর, ২১,০০০ হেক্টর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ (Not available for cultivation): ৮৩,১২,০০০ একর।
- বনাঞ্চল (Forest Area): ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।
- মোট জমির পরিমাণ (আবাদী, অনাবাদী, বনাঞ্চল ও অন্যান্য): ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
১১.
সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. নয়াদিল্লি
  3. কাঠমান্ডু
  4. ইসলামাবাদ
সঠিক উত্তর:
নয়াদিল্লি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নয়াদিল্লি
ব্যাখ্যা
সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়:
- দক্ষিণ এশীয় বিশ্ববিদ্যালয় (SAU) প্রতিষ্ঠার ধারণাটি ২০০৫ সালে ঢাকায় ১৩তম সার্ক সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা উত্থাপিত হয়েছিল।
- দক্ষিণ এশীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ০৪ এপ্রিল ২০০৭, ভারতে ১৪তম সার্ক সম্মেলনের সময়।
- ২০১০ সালে ভারতের দিল্লীতে প্রথম সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১২.
বন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী কয়টি জেলার সাথে সুন্দরবন সংযুক্ত রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
১৩.
বারো ভূঁইয়াদের নেতা কে ছিলেন?
  1. মুসা খান
  2. রাজা অনন্ত মাণিক্য
  3. ঈসা খান
  4. রাজা প্রতাপাদিত্য
সঠিক উত্তর:
ঈসা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈসা খান
ব্যাখ্যা
বারো ভূঁইয়া:
- বারো ভূঁইয়া বাংলার স্থানীয় প্রধান ও জমিদার, যাঁরা আকবর ও জাহাঙ্গীর এর রাজত্বকালে মুগলবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন।
- বারো-ভূঁইয়া শব্দটির অর্থ বারোজন ভূঁইয়া।
-  প্রকৃতপক্ষে বাংলায় আফগান শাসনামল ও মুগল শক্তির উত্থানের মধ্যবর্তী সময়ে এদেশের বিভিন্ন এলাকা বহু সামরিক প্রধান, ভূঁইয়া এবং জমিদারদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
- তারা কখনও যৌথভাবে এবং বেশিরভাগ সময় পৃথকভাবে মুগল আগ্রাসন প্রতিহত করেছিলেন এবং স্বাধীন বা অর্ধ-স্বাধীন শাসকরূপে তাঁদের নিজ নিজ এলাকা শাসন করেছিলেন।
- ঈসা খান সরাইলের জমিদার, ভাটি অঞ্চলের শাসক এবং বারো ভূঁইয়াদের নেতা।

আকবরনামা’য় প্রাপ্ত ভাটিতে মুগলদের যুদ্ধবিগ্রহের বিবরণ অনুযায়ী ভূঁইয়াদের তালিকা:
(১) ঈসা খান মসনদ-ই-আলা,
(২) ইবরাহিম নরল,
(৩) করিমদাদ মুসাজাই,
(৪) মজলিস দিলওয়ার,
(৫) মজলিস প্রতাপ,
(৬) কেদার রায়,
(৭) শের খান,
(৮) বাহাদুর গাজী,
(৯) তিলা গাজী,
(১০) চাঁদ গাজী,
(১১) সুলতান গাজী,
(১২) সেলিম গাজী,
(১৩) কাসিম গাজী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪.
বাংলাদেশের কোন নদীটি সবচেয়ে বেশি উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে?
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. ইছামতী
  4. সাঙ্গু
সঠিক উত্তর:
মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘনা
ব্যাখ্যা
দেশের নদ-নদী: 
- বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের নদ-নদী: সংজ্ঞা ও সংখ্যাবিষয়ক সেমিনার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন দেশের নদ-নদীর সংখ্যা ও তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে।
- দেশে বর্তমানে জীবন্ত নদ-নদীর সংখ্যা ১০০৮।
- সব মিলিয়ে দেশে ২২ হাজার কিলোমিটারের দীর্ঘ নদীপথ রয়েছে।
- দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা। 
- দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী খুলনা বিভাগের ইছামতী নদী।
- এর পরই রয়েছে বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত সাঙ্গু বা শঙ্খ নদী। 
- দেশের ক্ষুদ্রতম নদী বলা হয়েছে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলায় অবস্থিত গাঙ্গিনা নদীকে (দৈর্ঘ্য ০.০৩২ কিলোমিটার)।
- সবচেয়ে বেশি ৩৬টি উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত নদী মেঘনা।
- সবচেয়ে বেশি নদ-নদী রয়েছে ঢাকা বিভাগে, ২২২টি। 
- জেলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নদী রয়েছে সুনামগঞ্জ জেলায়, ৯৭টি।

উৎস: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ।