ব্যাখ্যা
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
IBA, DU · ২২ এপ্রিল, ২০২০ · ৮০ প্রশ্ন
সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্যঃ
১. সাধু রীতি
(ক) বাংলা লেখ্য সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
(খ) এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
(গ) সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী।
(ঘ) এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয় পদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে।
২. চলিত রীতি
(ক) চলিত রীতি পরিবর্তনশীল। একশ বছর আগে যে চলিত রীতি সে যুগের শিষ্ট ও ভদ্রজনের কথিত ভাষা বা মুখের বুলি হিসেবে প্রচলিত ছিল, কালের প্রবাহে বর্তমানে তা অনেকটা পরিবর্তিত রূপ লাভ করেছে।
(খ) এ রীতি তদ্ভব শব্দবহুল।
(গ) চলিত রীতি সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য এবং বক্তৃতা, আলাপ-আলোচনা ও নাট্যসংলাপের জন্য বেশি উপযোগী।
(ঘ) সাধু রীতিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে। বহু বিশেষ্য ও বিশেষণের ক্ষেত্রেও এমনটি ঘটে।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
যতি বা ছেদ চিহ্নের বিরতি কালঃ
কমা- ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন।
সেমিকোলন- ১ বলার দ্বিগুণ সময়।
দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ- এক সেকেন্ড।
প্রশ্নবোধক চিহ্ন- এক সেকেন্ড।
বিস্ময় ও সম্বোধন চিহ্ন- এক সেকেন্ড।
কোলন- এক সেকেন্ড।
ড্যাস- এক সেকেন্ড।
কোলন ড্যাস- এক সেকেন্ড।
হাইফেন - থামার প্রয়োজন নেই।
ইলেক বা লোপ চিহ্ন- থামার প্রয়োজন নেই।
একক উদ্ধৃতি চিহ্ন- 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
যুগল উদ্ধৃতি চিহ্ন- 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
ব্র্যাকেট (বন্ধনি চিহ্ন)- থামার প্রয়োজন নেই।
ধাতু দ্যোতক চিহ্ন- থামার প্রয়োজন নেই।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
(3x/8)+(2x×(2/5)) = x+21
Or, (15x+32x)/40 = x+21
Or, 47x-40x = 840
Or, 7x = 840
Or, x = 120
সংখ্যাটির তিন-পঞ্চমাংশ= (3/5)×120 = 72
ধরি, পমি একা কাজটি করতে পারবে x দিনে।
প্রশ্নমতে,
1/16+1/x = 1/12
Or, 1/x = 1/12-1/16
Or, 1/x = 1/48
Or, x = 48
So, বেশি সময় লাগবে = 48-16 = 32 দিন
ধরি, 50 পয়সার মুদ্রা সংখ্যা = x টি।
প্রশ্নমতে,
0.5x+ 0.25×2x+0.1×5x = 33
Or, 0. 5x+ 0.5x+0.5x = 33
Or, 1.5 x = 33
Or, x = 22
সুতরাং, শুধু 50 পয়সার মুদ্রা মিলিয়ে সেখানে = 0.5×22 = 11 টাকা আছে।
Let, present ratio 4x:3x
6 years ago,
4x-6:3x-6 = 5:3
Or, 4x-6/3x-6 = 5/3
Or, 12x-18 = 15x-30
Or, x = 4
So, their present age = 16 year & 12 year.
After six years, their age will be = (16+6) year & (12+6) year.
∴ Sum of their age = 22+18 = 40
ধরি, বৃহত্তম সংখ্যা = x
ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = x/3
মধ্যম সংখ্যা = (x/3)×(3/2) = x/2
প্রশ্নমতে, x × (x/2) × (x/3) = 972
Or, x3/6 = 972
Or, x3 = 972×6 = 5832
Or, x = 18
সুতরাং, সংখ্যা তিনটির যোগফল = 18+9+6 = 33
জনসংখ্যা = x
2010 - 1980 = 30 বছর
প্রতি 10 বছরে দ্বিগুণ হয়। অর্থাৎ,
১ম 10 বছরে হয় 2x
২য় 10 বছরে হয় 4x
৩য় 10 বছরে হয় 8x
জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায় = 8x – x = 7x
সুতরাং জনসংখ্যা বৃদ্ধির শতকরা হার = (7x × 100)/x = 700.
তিনি সপ্তাহে সঞ্চয় করেন = 380/5= 76 টাকা
76 টাকা সঞ্চয় করেন = 1 সপ্তাহে
1 টাকা সঞ্চয় করেন = 1/76 সপ্তাহে
∴ (380×2.6) টাকা সঞ্চয় করেন = (380×2.6)/76 = 13 সপ্তাহে।
মামুনঃসবুজ = 2:1 = x : 2000 = 4000 : 2000
মােট মুনাফা, 4000+2000+900 = 6900 টাকা।
Let, Length = x, Breadth = Y
Area = XY
after increasing, The area= 1.25×1.2×XY= 1.5 XY
percentage of increasing= 0.5×100= 50%
Shortcut: 25 + 20 + (25X20)/100 = 50%
মোট ছাত্রী = ৬৬ - ৩০ = ৩৬ জন।
মোট দিন = ২৬ - ৮ = ১৮ দিন।
৬৬ জন ছাত্রীর খাবার আছে ১৮ দিনের।
১ ছাত্রীর খাবার আছে ৬৬ X ১৮ দিনের।
৩৬ ছাত্রীর খাবার আছে (৬৬ X ১৮)/৩৬ দিনের।
= ৩৩ দিনের।
1/28+1/14 – 1/42
= (3+6-2)/84
= 7/84
= 1/12
So, Reacquired time 12 min.
প্রথম ক্ষেত্রে,
সুদের হার = (সুদেমূলে যতগুণ – ১) / সময় x ১০০
= {(২-১)/১২}x ১০০
= ১০০/১২
২য় ক্ষেত্রে,
সময় = (সুদেমূলে যতগুণ – ১) / সুদের হার x ১০০
= ৩/((১০০/১২) x ১০০)
= (৩৬x১০০)/১০০
= ৩৬ বছর
5x+12x+13x = 195
Or, 30x = 195
Or, x= 195/30
Or, x = 6.5
বাহুত্রয় যথাক্রমে- 32.5, 78, 84.5
বৃহত্তর ও ক্ষুদ্রতর বাহুর যোগফল= 32.5+84.5= 117 cm
ক এর সর্বোচ্চ মান হতে পারে = ২০+১২ = ৩২ মাইল।
এবং ক এর সর্বনিম্ন মান হতে পারে = ২০-১২ = ৮ মাইল।
সুতরাং ক এর মান নির্দেশক = ৮≤ক≤৩২।
ধরি, মোট ছাত্র-ছাত্রী ১০০ জন।
৪০% ছাত্র হলে ছাত্রী ৬০%।
ছাত্র অংশ নেয় ৪০×৩০%= ১২ জন।
ছাত্রী অংশ নেয় ৬০×২০%= ১২ জন।
∴ শতকরা মোট অংশগ্রহণকারী ছাত্র ছাত্রী ২৪%।
ক = ৩ এবং খ = ২ হলে,
ক+ক = খ+খ+খ অর্থাৎ, ৬ = ৬ হয়। এবং ক+খ = ৩+২ = ৫ হয়।
এখন, ক২+ খ২ = ৯+৪ = ১৩।
দার্দানেলিস প্রণালী এশিয়া ও ইউরােপকে পৃথক করেছে (separates Asian Turkey from European Turkey) এবং ইজিয়ান সাগরের সাথে মারমারা উপসাগরের সাথে যুক্ত করেছে (connects the Aegean Sea to the Sea of Marmara)। সূত্রঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।
এছাড়াও,
বসফরাস প্রণালী এশিয়া ও ইউরােপকে পৃথক করেছে (separating parts of Asian Turkey (Anatolia) from European Turkey) এবং কৃষ্ণ সাগরকে মারমারা উপসাগরের সাথে যুক্ত করেছে (uniting the Black Sea and the Sea of Marmara)। সূত্রঃ ব্রিটানিকা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে একই দিনে আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ নামে একটি আদেশ জারি করেন। স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে যে সকল আইন চালু ছিল, তা রক্ষার্থে এটা করা হয়।
অর্থাৎ ২৬ মার্চ থেকে এটি বলবৎ হয়।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।
সূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
ভুটান আগে নাকি ভারত আগে?
এই প্রশ্ন নিয়ে আগেও অনেক বিতর্ক হয়েছে। তাই, আর কথা বাড়িয়ে লাভ নেই। ব্যাপারটা একেকজন একেকভাবে দেখেন। আমরা প্রধানমন্ত্রী আর পররাষ্ট্র সচিব যা বলেছেন সে অনুযায়ী উত্তর নিয়েছি। আপনারা নিজেদের বিবেচনা থেকে সঠিক উত্তর ধরে নিন।
প্রথম স্বীকৃতিঃ ভুটান
দ্বিতীয় স্বীকৃতিঃ ভারত
পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক বলেছেন, ভুটানই বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছিল। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর একটি তারবার্তার মাধ্যমে দেশটি বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল। --- একান্ত আলাপ শেষে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের শুরুতে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ভুটান সব সময় আমাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। কেননা, প্রথম রাষ্ট্র হিসেবে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।’ মূলত ওই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্যই শেখ হাসিনা ৬ ডিসেম্বরকে বাংলাদেশে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতির জন্য বেছে নেন। উৎসঃ ৯ ডিসেম্বর, ২০১৪, প্রথম আলোসহ বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা।