পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য: শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, পরিসংখ্যান গ্রন্থ পড়তে হবে) সোর্স: যেকোনো গাইড বই, বোর্ড বই, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, পরিসংখ্যান গ্রন্থ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
ইউরোপের কোন দেশটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্সের উৎস?
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) ইতালি
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে। 
২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে। 
দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য। 
ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
.
নিচের কোনটি তফসিলিভুক্ত ব্যাংক নয়?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  2. খ) কর্মসংস্থান ব্যাংক
  3. গ) রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  4. ঘ) প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
- অ-তফসিল ব্যাংক হলো সেসব ব্যাংক যেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত নয়। এসব ব্যাংক বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।
বাংলাদেশের অ-তফসিলি ব্যাংক হলো ৫টি। যথা:
- আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
- কর্মসংস্থান ব্যাংক
- গ্রামীণ ব্যাংক
- জুবিলি ব্যাংক এবং
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।


বাংলাদেশে তফসিলভুক্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা ৩টি। যথা:
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, 
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক এবং 
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক। 
 
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
.
বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্য কী?
  1. ক) অনুকূল বাণিজ্য শর্ত
  2. খ) আমদানি ব্যয় কম
  3. গ) শিল্পজাত দ্রব্য রপ্তানি
  4. ঘ) জনশক্তি রপ্তানি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্য হলো শিল্পজাত দ্রব্য রপ্তানি। 
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের মোট রপ্তানি দ্রব্যের শতকরা ৮০ ভাগই ছিল কাঁচামাল ও কৃষিজাত দ্রব্য। 
- বর্তমানে রপ্তানি আয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ শিল্পজাত দ্রব্য থেকে অর্জিত হয়।
 
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ স্বল্প মূল্যের কৃষিজাত পণ্যদ্রব্য রপ্তানি করে কিন্তু উচ্চ মূল্যের মূলধনজাত দ্রব্যসামগ্রী আমদানি করে। এজন্য বাণিজ্য শর্ত সবসময়ই বাংলাদেশের প্রতিকূলে থাকে।
 
 
বাংলাদেশের অর্থনীতি অতিমাত্রায় আমদানিনির্ভর। জনসাধারণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ভোগ্যপণ্য এবং দ্রুত শিল্পোন্নয়নের লক্ষ্যে শিল্পজাত পণ্য ও মূলধনী যন্ত্রপাতি বাবদ আমদানি ব্যয় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সে তুলনায় প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক বাজারে তৈরি পোশাক, পাট ও পাটজাত পণ্য, চা, চামড়া, হিমায়িত খাদ্য প্রভৃতি রপ্তানি করে দ্রুত আয় বৃদ্ধি করা যাচ্ছে না। কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে এসব অধিকাংশ পণ্য-দ্রব্যের চাহিদা স্থিতিস্থাপক কিন্তু যোগানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতিযোগী অনেক শক্তিশালী দেশ রয়েছে। যেমন— ভারত, চীন, শ্রীলংকা, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশ রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতিযোগী।
 
উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, অর্থনীতি ২য় পত্র; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মসলিনের সুতা তৈরির প্রযুক্তি ও মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধারে কাজ করছে নিম্নের কোন সংস্থা?
  1. ক) বিটিএমসি
  2. খ) বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড
  3. গ) বিকেএমইএ
  4. ঘ) বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড
ব্যাখ্যা
তাঁত সেক্টরের উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্প/কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। 
ঐতিহ্যবাহী মসলিনের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ১২.১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বাংলাদেশের সোনালি ঐতিহ্য মসলিনের সুতা তৈরির প্রযুক্তি ও মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধার' শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। 
- প্রকল্পের আওতায় মসলিন প্রযুক্তি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে গবেষণা কার্যক্রম চলমান আছে। মসলিনের সুতা তৈরির তুলা অর্থাৎ ফুটি কার্পাস পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। 
- গবেষণা কার্যক্রমের অন্যান্য বিষয়ের ইতিবাচক ফলাফল শীঘ্রই পাওয়া যাবে। 
- ইতোমধ্যে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের অনুকূলে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর কর্তৃক ‘ঢাকাই মসলিন'কে ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য হিসেবে নভেম্বর ২০২০ এর জার্নাল নং-০৯ এ প্রকাশ করা হয়েছে। 
- সম্প্রতি উল্লেখযোগ্য ও প্রশংসনীয় অবদানের জন্য স্বীকৃতিস্বরূপ প্রকল্পটিকে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ (প্রাতিষ্ঠানিক) ক্যটাগরিতে জনপ্রশাসন পদক-২০২১ প্রদান করা হয়েছে।
 
উৎস: বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড ওয়েবসাইট
.
বাংলাদেশে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শুল্কহার কত?
  1. ক) ৩০%
  2. খ) ২৯%
  3. গ) ২৫%
  4. ঘ) ২০%
ব্যাখ্যা
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - চীন থেকে। 
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - ভারত থেকে।
- আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ - এর সংখ্যা/ধাপ - ৬টি; সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।  
 
উৎস: বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি)
.
বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর পায়রা কত সালে যাত্রা শুরু করে?
  1. ক) ২০১২
  2. খ) ২০১৪
  3. গ) ২০১৫
  4. ঘ) ২০১৬
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর - চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর - মোংলা সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর - পায়রা সমুদ্রবন্দর। 
- এটি ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে।

- স্বাধীন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর - মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ২০২৫ সালে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট ও সংশ্লিষ্ট বন্দর ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ২০১৫
  2. খ) ২০১৬
  3. গ) ২০১৯
  4. ঘ) ২০১৮
ব্যাখ্যা
- Bangladesh Investment Development Authority (BIDA) বা বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- BIDA’র চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
- এটির কাজ হলো বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সুবিধাদি প্রদান করা।

(সূত্রঃ বেপজা ওয়েবসাইট)
.
"ট্যানারি শিল্প নগরী" কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কেরানীগঞ্জ
  2. খ) হাজারীবাগ
  3. গ) নারায়ণগঞ্জ
  4. ঘ) সাভার
ব্যাখ্যা
- সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়া শিল্পনগরী অবস্থিত।
- পুরাতন ঢাকার হাজারীবাগে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা ট্যানারি সমূহকে সাভারে স্থানান্তরের লক্ষ্যে ২০০৩ সালে সরকার এই শিল্পনগরী প্রকল্পের অনুমোদন দেয়। 
- মোট ২০০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই শিল্পনগরীতে ২০৫ টি প্লট রয়েছে।

উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশে প্রথম কোথায় কাগজকল স্থাপিত হয়?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) বান্দবান
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কাগজকল হলো রাঙামাটি জেলার চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত কর্ণফুলী পেপার মিল।
- এটি ১৯৫৩ সালে স্থাপিত হয়।
- এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩০ হাজার মে. টন।
- এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল থেকে প্রাপ্ত বাঁশ ব্যবহৃত হয়।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং BCIC ওয়েবসাইট)
১০.
শিল্পখাত জিডিপির কয়টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
বৃহৎ শিল্পখাত জিডিপির ৫টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত। যথা:
- খনিজ ও খনন
- ম্যানুফ্যাকচারিং
- বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
- পানি সরবরাহ এবং
- নিৰ্মাণ

- এর মধ্যে জিডিপিতে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান সর্বোচ্চ। 
- স্থির মূল্যে ২০২১-২২ অর্থবছরের জিডিপিতে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান দাঁড়িয়েছে ২৪.৪৫ শতাংশ, যা গত অর্থবছরে ছিল ২৩.৩৬ শতাংশ। 
- অবদানের ক্ষেত্রে এটি অর্থনীতির সবচেয়ে বড় খাত।
- তবে বৃহৎ ৩টি খাতের মধ্যে হিসাব করলে (কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত), সেবাখাতের অবদান সবচেয়ে বেশি (৫১.৪৪%) ।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
১১.
ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) হলো শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি -
  1. ক) বোর্ড
  2. খ) করপোরেশন
  3. গ) ফাউন্ডেশন
  4. ঘ) দপ্তর
ব্যাখ্যা

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বর্তমানে ৪টি সংস্থা, ৬টি অধিদপ্তর, ১টি বোর্ড এবং ২টি ফাউন্ডেশন কাজ করে।

বাংলাদেশ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/কর্পোরেশনঃ ৪টি
১. বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)
২. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
৩. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল করপোরেশন (বিএসইসি)
৪. বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তরঃ ৬টি
১. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
২. বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)
৩. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
৪. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
৫. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর
৬. প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বোর্ডঃ ১টি
- বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) 

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ফাউন্ডেশন: ২টি 
- ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন-এসএমই ফাউন্ডেশন (Small and Medium Enterprise Foundation-SME Foundation)
- ক্ষুদ্র, মাইক্রো ও কুটির শিল্প ফাউন্ডেশন-এসএমসিআইএফ (Small, Micro and Cottage Industries Foundation-SMCIF)


উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট
১২.
২০২৪ সালের মধ্যে জাতীয় আয়ে এসএমই খাতের অবদান কত শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে?
  1. ক) ৩০%
  2. খ) ২৯%
  3. গ) ৩২%
  4. ঘ) ২৫%
ব্যাখ্যা
- ২০১৯ সালে "এসএমই নীতিমালা ২০১৯" প্রণীত হয়। 
- দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত সুরক্ষার মাধ্যমে সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬ এ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে শিল্প উন্নয়নের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ঘোষণা করেছে। 
- দেশের ও বৈশ্বিক বিভিন্ন নীতি ও পরিকল্পনা দলিল যেমনঃ জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬, সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, রূপকল্প ২০২১, ২০২৪ সাল নাগাদ সফলভাবে এলডিসি উত্তরণ, এসডিজি ২০৩০ এবং রূপকল্প ২০৪১-এ প্রবৃদ্ধি অর্জনের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা অর্জনে এসএমই খাতের উন্নয়ন সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
 
এসএমই নীতিমালা ২০১৯ 
রূপকল্প (ভিশন)
এসএমই খাতকে শক্তিশালীকরণ।

অভিলক্ষ্য (মিশন)
দক্ষতা বৃদ্ধি, ব্যবসা পরিবেশ উন্নয়ন, সুলভ অর্থায়ন, বাজার সুবিধা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনগত সামর্থ্য বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে এসএমই খাতকে শক্তিশালীকরণ।

লক্ষ্য
সরকারের উন্নয়ন রূপকল্পসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০২৪ এর মধ্যে জাতীয় আয়ে (জিডিপি) এসএমই খাতের অবদান বিদ্যমান ২৫ শতাংশ থেকে ৩২ শতাংশে উন্নীতকরণ।
 
উৎস: বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এর ওয়েবসাইট
 
 
১৩.
"বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন" কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৮৫ সালে
  2. খ) ১৯৮৭ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৯ ডালে
ব্যাখ্যা
- BSTI এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Standards and Testing Institution.
- BSTI বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। 
- এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- BSTI বিভিন্ন পণ্যের অনুমোদন, মান ও পরিমাণ পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
 
- এ উপমহাদেশে ১৯৪৬ সালে Indian Standards Institute স্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় মান সংস্থার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। 
- ১৯৪৭ সালে উপনিবেশিক শাসনের অবসানের সুদীর্ঘ এক যুগেরও বেশী সময় পরে, ১৯৫৮ সালে, তৎকালীন পাকিস্তানে Pakistan Standards Institute (PSI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২৫শে জুলাই ১৯৮৫ তারিখে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত ‘দি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন অধ্যাদেশ, ১৯৮৫’ -এর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) গঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: BSTI ওয়েবসাইট।
১৪.
নিচের কোনটি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল?
  1. ক) আনোয়ারা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. খ) গার্মেন্টস শিল্প পার্ক
  3. গ) আলুটিলা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. ঘ) আড়াইহাজার অর্থনৈতিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে ৯৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে। যার মধ্যে সরকারি ৬৮টি এবং বেসরকারি ২৯টি। 
সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগর (Bangabandhu Sheikh Mujib Shilpa Nagar)
- আনোয়ারা অর্থনৈতিক অঞ্চল (Anowara Economic Zone)
- আড়াইহাজার অর্থনৈতিক অঞ্চল (Araihajazar Economic Zone)
- নারায়ণগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল (Narayanganj Economic Zone)
- আলুটিলা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (Alutila Special Tourism Zone)
 
বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চল (Meghna Industrial Economic Zone)
- আব্দুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চল (Abdul Monem Economic Zone)  
- গার্মেন্টস শিল্প পার্ক (Garments Industries Park)
 
উৎস: বেজা ওয়েবসাইট 
১৫.
বাংলাদেশ নিম্নের কোন দেশ থেকে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাচ্ছে?
  1. ক) নিউজিল্যান্ড
  2. খ) কানাডা
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। 
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ হিসাবে এবং স্বল্পোন্নত দেশসমূহের মূখপাত্র হিসাবে উন্নত ও অগ্রগামী উন্নয়নশীল দেশগুলোর কাছ থেকে অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাজার সুবিধা আদায় করেছে যা সাধারণভাবে জেনারালাইজড সিস্টেম অব প্রিফারেন্স বা জিএসপি নামে পরিচিত। 
- বাংলাদেশের রপ্তানিকারকগণ বর্তমানে মোট ৩৮ টি দেশে একতরফা (Unilateral) সুবিধার আওতায় শুল্কমুক্তভাবে রপ্তানির সুবিধাপ্রাপ্ত। 
- তন্মধ্যে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নভূক্ত (EU) দেশসমূহ, জাপান, চিলি, নরওয়ে, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা অন্যতম। এসব দেশ থেকে প্রাপ্ত সুবিধার বিপরীতে বাংলাদেশকে ঐসব দেশ থেকে পণ্য আমদানিতে কোন প্রকার শুল্কছাড় দিতে হয় না। 
- তাই সেসব দেশে বিনা শুল্কে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি করা যায় যার সুযোগ রপ্তানিকারকগণ গ্রহণ করতে পারেন। 
- এছাড়া কতিপয় আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) এবং অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (PTA) এর আওতায় বাংলাদেশের আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকগণ চুক্তিভূক্ত অন্যান্য দেশে বাংলাদেশের পণ্য বিনা শুল্কে/কম শুল্কে রপ্তানি করতে পারে কিংবা সেসব দেশের পণ্য বাংলাদেশে আমদানি করতে পারে।
 
উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট
১৬.
IMF-এর bailout package-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রধানত কোনটি রক্ষিত হয়?
  1. ক) রপ্তানি নির্ভর উন্নয়ন
  2. খ) বাণিজ্য ভারসাম্য
  3. গ) দেশীয় বাজার সম্প্রসারণ
  4. ঘ) অভ্যন্তরীণ ব্যয় সংকোচন
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) অন্যতম কাজ - সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্য ঘাটতি দূর করণে ব্যবস্থা করা।
- বাণিজ্য ঘাটতি দূর করার জন্য IMF তার সদস্য দেশগুলোকে বড় আকারের ঋণ প্রদান করে থাকে (Bailout Package - এর মাধ্যমে)।
- বাংলাদেশও IMF এর সদস্য হিসাবে Bailout Package - এর মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ করে বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ করে থাকে।
 
 
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ ব্রেটনউডস সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল স্থির হারের বিনিময়ব্যবস্থাটি পরিচালনা করা।
- এটি সরকারকে ঋণদানের মাধ্যমে অস্থায়ী বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা সংশোধন করতে সহায়তা করে।
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা IMF ১৯৬৯ সালে Special Drawing Right (SDR) সিস্টেম প্রবর্তন করে।
- SDR হলো আন্তর্জাতিক রিজার্ভ সম্পদ।
-একে আইএমএফের ভার্চুয়াল মুদ্রাও বলা হয় যার মান আইএমএফ স্বীকৃত পাঁচটি আন্তর্জাতিক মুদ্রার (ইউএস ডলার, ইউরো, ইউয়ান, ইয়েন ও পাউন্ড স্টার্লিং) গড় বিনিময় হারের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।

সূত্রঃ আইএমএফ ওয়েবসাইট; এমবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

 
১৭.
বাংলাদেশে রপ্তানি বাণিজ্যের উন্নয়ন কোন সংস্থাটির দায়িত্ব?
  1. ক) জাতীয় রপ্তানি কাউন্সিল
  2. খ) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো
  3. গ) রপ্তানি উন্নয়ন ফোরাম
  4. ঘ) রপ্তানি উন্নয়ন কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বাংলাদেশে রপ্তানি বাণিজ্যের উন্নয়নে কাজ করে থাকে। 
- দেশের রপ্তানি উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করার লক্ষ্যে সরকার দেশের রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোকে একটি স্বায়ত্তশাসিত কর্পোরেশনে উন্নীত করে।
- বিদেশে আমাদের দ্রব্যের জন্য আরও অধিক এবং উত্তম বাজার খুঁজে বের করার জন্য রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ইতোমধ্যেই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার বিশেষজ্ঞদের সাহায্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজারের উপর সার্ভে সম্পন্ন করেছে। সে অনুযায়ী বর্তমানে রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
 
উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, অর্থনীতি ২য় পত্র; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড নিম্নের কোনটি উৎপাদন করে?
  1. ক) এলপিজি
  2. খ) বিদ্যুৎ
  3. গ) ফার্নেস তেল
  4. ঘ) এলএনজি
ব্যাখ্যা
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড চট্টগ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার।
- এটি ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ও সিঙ্গাপুরে অবস্থিত সেল ইস্টার্ন পেট্রোলিয়াম লিঃ কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে যৌথ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ চট্টগ্রামস্থ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড-এ অপরিশোধিত খনিজ তেল ও পেট্রোলিয়াম শোধন করে। 
- এখানে উপজাত হিসেবে ন্যাপথা ও ফার্নেস তেল উৎপাদিত হয় যা দেশের চাহিদা পূরণের পর রপ্তানি করা হয়।

উৎসঃ বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট; অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
ইউরোপে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বৃহৎ বাজার কোনটি?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) ইংল্যান্ড
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) ইতালি
ব্যাখ্যা
দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে। 
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র জার্মানি।
-  ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে; রপ্তানির পরিমাণ – ৮৯৫.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট - রপ্তানির ২.৬৪%।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
২০.
"ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ অ্যান্ড সেইফটি ইন দ্য টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি" কাদের সংগঠন?
  1. ক) চীন
  2. খ) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের কর্মপরিবেশ উন্নয়নে কর্মরত ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট ‘অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ’-এর আদলে ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ অ্যান্ড সেইফটি ইন দ্য টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি’ নামে নতুন একটি জোটের আত্মপ্রকাশ হয়েছে।
- এ বিষয়ে দুই বছর মেয়াদি একটি নতুন চুক্তিতে সই করেছে এ খাতের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক রিটেইল ব্র্যান্ডগুলো। 
- কোম্পানি এবং ট্রেড ইউনিয়নগুলোর মধ্যে এই চুক্তির ফলে কারখানার কর্মপরিবেশ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে মালিকপক্ষের মতো চুক্তিতে থাকা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদেরও আইনি বাধ্যবাধকতা থাকবে।
 
উৎস: মানবজমিন 
২১.
বাংলাদেশের একমাত্র লাইসেন্সধারী অ্যালকোহল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) নর্থবেঙ্গল কোম্পানি লিমিটেড
  2. খ) পাবনা সুগার মিলস্ লিমিটেড
  3. গ) কেরু এন্ড কোং লিমিটেড
  4. ঘ) পঞ্চগড় চিনি কল লিমিটেড
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সর্ববৃহৎ চিনিকল হলো কেরু এন্ড কোং লিমিটেড
- এটি চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি) ১৬টি কোম্পানি পরিচালনা করে যার মধ্যে ১৫টি চিনিকল এবং একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোম্পানি।
- এর মধ্যে নাটোরে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল চিনিকল দেশের প্রথম চিনিকল।
 
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের (বিএসএফআইসি) আওতায় পরিচালিত ১৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একমাত্র কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড ছাড়া সবগুলোই লোকসানে রয়েছে। 
 
কেরু অ্যান্ড কোং বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি কোম্পানি যা মদ তৈরি এবং বিক্রয় করে। তবে আরো কিছু প্রতিষ্ঠান দেশে আমদানি করা মদ বিক্রি করে থাকে। 
অ্যালকোহলের উচ্চ চাহিদা এবং গুণমানের কারণে প্রতিবছর কোম্পানির ডিস্টিলারি বিভাগ থেকে রাজস্বের পরিমাণ বাড়ছে।
 
চলতি বছর, দেশের একমাত্র লাইসেন্সধারী অ্যালকোহল উৎপাদনকারী কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড প্রথমবারের মতো মদের বিক্রি ৪০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে ।

উৎসঃ বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট, ঢাকা ট্রিবিউন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
২২.
ভারতের কোন বাণিজ্যিক ব্যাংক বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে?
  1. ক) সেন্ট্রাল ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
  2. খ) রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
  3. গ) স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
  4. ঘ) ন্যাশনাল ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে বিদেশি তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা ৯টি। এগুলো হলো:
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড
- হাবিব ব্যাংক লিমিটেড
- স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
- কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন
- ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
- সিটি ব্যাংক এনএ
- উরি ব্যাংক
- হংকং সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন (এইচএসবিসি) লিমিটেড এবং
- ব্যাংক আল-ফালাহ লিমিটেড।
এদের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড সবচেয়ে পুরনো এবং বৃহৎ বিদেশি ব্যাংক।

(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
২৩.
"বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড" কত সালে গঠিত হয়?
  1. ক) ২০১১
  2. খ) ২০১৫
  3. গ) ২০১৩
  4. ঘ) ২০১৬
ব্যাখ্যা
- রেশম শিল্প বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী কুটির শিল্প। 
- রেশম শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন একীভূত হয়ে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হয়েছে। 
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে রেশম চাষকে "আমার বাড়ি আমার খামার" প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
 
২৪.
সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিঃ এর চেয়ারম্যান কে?
  1. ক) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব
  2. খ) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর
  3. গ) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব
  4. ঘ) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সনে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ০৪ মার্চ, ১৯৭২ সনে বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা টাকার প্রথম প্রচলন শুরু হয়। 
- কাগজী নোট মুদ্রণের জন্য দেশের নিজস্ব মুদ্রণালয় না থাকায় প্রতি বছর প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে কারেন্সি নোট ও ব্যাংক নোট আমদানীপূর্বক দেশে নোটের চাহিদা মিটানো হতো। 
- বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয়, নিজস্ব সম্পদের ব্যবহার ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার একটি সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

 ১৯৮৮ সনে পরীক্ষামূলকভাবে ১ টাকা মূল্যমানের কারেন্সি নোট এবং ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কাগজী মুদ্রা উৎপাদন শুরু হয়। পরীক্ষামূলক উৎপাদনের প্রায় দেড় বছর পর ০৭ ডিসেম্বর, ১৯৮৯ সনে (২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৩৯৬) বাংলাদেশের মর্যাদা ও গৌরবের প্রতীক ‘সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।
 
পরিচালক পর্ষদ নিম্নরূপঃ
দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিঃ এর চেয়ারম্যান হলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। 
বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড কর্তৃক মনোনীত একজন ডেপুটি গভর্নর হলেন এর পরিচালক। 
 
উৎস: সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিঃ এর ওয়েবসাইট
২৫.
২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় (মার্কিন ডলার)-
  1. ক) ৪৫ বিলিয়
  2. খ) ৫২ বিলিয়ন
  3. গ) ৪৯ বিলিয়ন
  4. ঘ) ৫৫ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা
- করোনা মহামারী ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেও রেকর্ড গড়লো বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো  ২০২১-২২ অর্থ বছরে ৫২.০৮ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ। 
- তৈরি পোশাক খাতের রেকর্ড চালানের সুবাদে ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো ৫২.০৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়।
- জুলাই-জুন সময়ে বা অর্থবছরের ১২ মাসে দেশের পোশাক শিল্পের চালানই ছিল ৮১ শতাংশ, যার মূল্য ছিল ৪৩.৩৪ বিলিয়ন ডলার। 
- বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ ৫০ রপ্তানিকারক দেশের একটি। এশিয়ার মধ্যে অবস্থান শীর্ষ ২০তম।

উৎসঃ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
২৬.
বাংলাদেশের প্রধান প্রধান রপ্তানি দ্রব্যকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) তিন
  2. খ) চার
  3. গ) দুই
  4. ঘ) পাঁচ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হওয়ায় এদেশ প্রধানত শিল্পের কাঁচামাল ও কৃষিদ্রব্য রপ্তানি করে থাকে। তবে সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের গতিপ্রকৃতিতে বেশ পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধান প্রধান রপ্তানি দ্রব্যকে দুভাগে ভাগ করা হয়। যথা :
(ক) প্রচলিত রপ্তানি দ্রব্যসমূহ (Traditional Export Goods) ও
(খ) অপ্রচলিত রপ্তানি দ্রব্যসমূহ (Non-Traditional Export Goods)

বর্তমান বিশ্ববাজারে বিভিন্নমুখী চাহিদার প্রেক্ষিতে উৎপাদন বা সরবরাহ খাতেও এর পরিমাণগত এবং মাত্রাগত পরিবর্তন ঘটেছে। এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের রপ্তানি দ্রব্যসমূহকে দুভাগে ভাগ করা হয়। যথা—(i) প্রাথমিক পণ্য এবং (ii) শিল্পজাত পণ্য। 
প্রাথমিক পণ্যের মধ্যে—হিমায়িত খাদ্য, চা, কৃষিজাত পণ্য, কাঁচা পাট এবং অন্যান্য। 
শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে—ওভেন পোশাক, নিটওয়্যার, চামড়া, পাটজাত পণ্য, সার ও রাসায়নিক দ্রব্য, জুতা, সিরামিক সামগ্রী, প্রকৌশল দ্রব্যাদি, পেট্রোলিয়াম উপজাত, হস্তশিল্পজাত দ্রব্য এবং অন্যান্য।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, অর্থনীতি ২য় পত্র; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
শিল্পখাতে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের হার প্রায় -
  1. ক) ৪২.০০%
  2. খ) ১৮.০০%
  3. গ) ১৩.০০%
  4. ঘ) ২৯.০০%
ব্যাখ্যা
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে -
বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার - ৪২৫.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (৪২.০০%)। ব্যবহারের দিক থেকে এই খাতে সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
শিল্পখাতে ব্যবহার – ১৮১.৭ বিলিয়ন ঘনফুট (১৮.০০%)
গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার - ১৩৪.২ বিলিয়ন ঘনফুট। (১৩.০০%)
 
উৎস: জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ওয়েবসাইট।