পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়30 minutes
মোট প্রশ্ন৪৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৮০: রিভিশন পরীক্ষা [অভিজ্ঞদের জন্য বিসিএস প্রস্তুতি বাটনের বিগত ৩টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা।] ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৬ প্রশ্ন

.
'অশনি সংকেত' উপন্যাসের উপজীব্য কী?
  1. কলিঙ্গ যুদ্ধ
  2. দুর্ভিক্ষ
  3. তেভাগা আন্দোলনের
  4. ১ম বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
'অশনি সংকেত' উপন্যাস: 
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস।
- এর পটভূমি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের বিষময় ফল ১৩৫০ বঙ্গাব্দের দুর্ভিক্ষ।
- আর এই দুর্ভিক্ষের করাল গ্রাস গ্রাম বাংলায় কীভাবে বিস্তার লাভ করেছে তার নিখুঁত বর্ণনা দিয়ে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচনা করেন এই উপন্যাসটি।
- এটা প্রথম প্রকাশ হয় ১৯৫৯ সালে।
- তবে পুস্তকাকারে প্রকাশের ১৯৪৪-৪৬ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে মাসিক মাতৃভূমি পত্রিকায় প্রকাশিত।
- 'অশনি সংকেত'র পটভূমি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বগ্রাম বারাকপুর ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ও বনগ্রাম মহকুমা শহর।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পথের পাঁচালী,
- অপরাজিত, 
- অশনি সংকেত,
- আরণ্যক,
- আদর্শ হিন্দু হোটেল,
- দেবযান, 
- ইছামতী,
- দৃষ্টি প্রদীপ, 
- অনুবর্তন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
.
ফররুখ আহমদ কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. বরিশাল
  2. কুষ্টিয়া
  3. মাগুরা 
  4. যশোর
ব্যাখ্যা
ফররুখ আহমদ: 
- ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। 
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
- ‘মুহূর্তের কবিতা’ ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক কে?
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. প্যারীচাঁদ মিত্র
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
প্যারীচাঁদ মিত্র:
- ১৮১৪ সালের ২২ জুলাই কলকাতায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন লেখক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিসেবী, ব্যবসায়ী।
- তাঁর ছন্দনাম  'টেকচাঁদ ঠাকুর'।
- ১৮২৭ সালে তিনি হিন্দু কলেজে ভর্তি হন এবং খ্যাতিমান শিক্ষক হেনরি ডিরোজিওর তত্ত্বাবধানে থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করেন।
- বাংলা উপন্যাস রচনার পথিকৃৎ প্যারীচাঁদ মিত্র।
- সাহিত্যক্ষেত্রে প্যারীচাঁদের সর্বশ্রেষ্ঠ কৃতিত্ব আলালের ঘরের দুলাল যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম  উপন্যাস হিসেবে খ্যাত।
- রচনারীতি ও ভাষাগত দিক থেকে এ উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারার সূচনা করে।
- প্যারীচাঁদ মিত্রকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক বলা হয়ে থাকে।
- তাই তাকে, বাংলা সাহিত্যধারার প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ বলা হয়।

তাঁর উপন্যাস সমূহ:
- আলালের ঘরে দুলাল,
- আধ্যাত্নিকা,
- অভেদী।

তাঁর একমাত্র প্রহসন:
- মদ খাওয়া বড় দায়-জাত থাকার কি উপায়।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
.
'হিতকরী' পত্রিকা'র সম্পাদক কে?
  1. মীর মশাররফ হোসেন
  2. শেখ আবদুর রহিম
  3. আহমদ ছফা
  4. কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা
'হিতকরী' পত্রিকা: 
- 'হিতকরী' পত্রিকা ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া থেকে মীর মশাররফ হোসেনের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। 
- পরবর্তীতে এর সম্পাদক হন মোসলেম উদ্দীন খান। 
- বাঙালি মুসলিমদের মাতৃভাষা বাংলাচর্চা এবং হিন্দু মুসলিম সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ ও প্রবন্ধ ছাপা হয় পত্রিকাটিতে।

অন্যদিকে, 
- হিতবাদী - কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্য সম্পাদিত পত্রিকা।
- শেখ আবদুর রহিম সম্পাদিত পত্রিকার নাম সুধাকর।
- আহমদ ছফা সম্পাদিত পত্রিকার নাম - স্বদেশ। 

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।
.
'মহেন্দ্র এবং আশালতা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. নৌকাডুবি
  2. শেষের কবিতা
  3. ঘরে-বাইরে
  4. চোখের বালি
ব্যাখ্যা
'চোখের বালি' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ''চোখের বালি'' বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- তিনি এই উপন্যাস রচনার মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসকে নতুন খাতে প্রবাহিত করেন।
- এই উপন্যাসেই লেখক প্রথম সমসাময়িক সমাজের পাত্রপাত্রী ব্যবহার করেন।
- রবীন্দ্রনাথ এই উপন্যাসেই প্রথম কাহিনির ভার পরিহার করে ব্যক্তিত্বের ফলস্বরূপ নানা সংকটকে উপন্যাসের বিষয় হিসাবে ব্যবহার করেন।
- উপন্যাসটি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।

প্রধান চরিত্র:
- বিনোদিনী, মহেন্দ্র, আশালতা, বিহারী, রাজলক্ষী প্রমুখ।
- বিনোদিনী ছিলেন বিধবা এবং তার আশা-আকাঙ্ক্ষা, প্রেম, দুঃখ ইত্যাদি এই উপন্যাসের কাহিনিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
- উপন্যাসে আশালতা ছিলেন মহেন্দ্র’র স্ত্রী ও পতিব্রতা। কিন্তু মহেন্দ্র তার স্ত্রীর ভালোবাসা উপেক্ষা করে এবং বিধবা বিনোদিনীর প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 
২) বাংলাপিডিয়া।
.
'মুখরা রমণী বশীকরণ' নাটকটি অনুবাদ করেন কে?
  1. মামুনুর রশীদ
  2. সেলিম আল দীন
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা
'মুখরা রমণী বশীকরণ' নাটক:
- মুনীর চৌধুরী উইলিয়াম শেক্সপিয়রের The Taming of The Shrew (টেমিং অব দি শ্রু ) অনুবাদ করেন 'মুখরা রমণী বশীকরণ' নামে (১৯৭০)। এটি পাঁচ অঙ্ক বিশিষ্ট কমেডি। ।
- পদুয়া নামক স্থানের এক ধনী ব্যাপ্তিস্তার দুই কন্যা ক্যাথেরিনা ও বিয়াঙ্কা। ক্যাথেরিনা খুবই মুখরা নারী, বিয়াঙ্কা সুন্দরী। ভেরােনা নামক স্থানের যুবক পেট্রুশিও ক্যাথেরিনার দর্প চূর্ণ করে তার পাণিগ্রহণ করে।
- মুনীর চৌধুরী নিজেই বলেছেন :কাহিনিটি স্থুল। কিন্তু এতে যে হাস্যরস আছে তা সতেজ, সরস ও উপভােগ্য।

মুনীর চৌধুরীর'র অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 
২) বাংলাপিডিয়া।
.
প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত গল্পগ্রন্থ কোনটি?
  1. মৃত্তিকা 
  2. প্রতিধ্বনি
  3. প্রতিশোধ
  4. কুয়াশা
ব্যাখ্যা
প্রেমেন্দ্র মিত্র:
- প্রেমেন্দ্র মিত্র একাধারে কবি, কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক, সম্পাদক।
- তাঁর জন্ম ১৯০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কাশিতে।
- তিনি কল্লোল পত্রিকার একজন নিয়মিত লেখক ছিলেন।
- প্রেমেন্দ্র মিত্র কলকাতার সাউথ সাবার্বন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক (১৯২০) পাস করে সাহিত্য-সাধনায় মনোযোগী হয়ে ওঠেন।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পঞ্চশর, 
- বেনামী বন্দর, 
- পুতুল ও প্রতিমা, 
- মৃত্তিকা ইত্যাদি।

তাঁর রচিত উপন্যাস: 
- পাঁক, 
- কুয়াশা
- মিছিল, 
- উপনয়ন , 
- আগামীকাল, 
- প্রতিশোধ
- প্রতিধ্বনি ফেরে ইত্যাদি। 

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
.
প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ কোনটি?
  1. পদচারণ
  2. সনেট পঞ্চাশৎ
  3. চার ইয়ারী কথা
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
'চার ইয়ারী কথা'গল্পগ্রন্থ:
- এটি প্রমথ চৌধুরীর গল্পগ্রন্থ। এটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এখানে বর্ণিত হয়েছে চার বন্ধুর প্রেমের কাহিনী। গল্পগ্রন্থের নায়িকা চারজনই ইউরোপীয়।
- গল্পগ্রন্থে প্রথম নায়িকা উন্মাদ, দ্বিতীয় চোর, তৃতীয় প্রতারক ও চতুর্থ নায়িকা মৃত্যুর পর ভালোবাসা ব্যক্ত করেছে।
- এটিতে ভাষার চাতুর্য, পরিহাসপ্রিয়তা এবং সূক্ষ্ম ব্যঙ্গ উদ্ভাসিত হয়েছে ভাবালু প্রেমকাহিনী প্রতিবাদী রূপে।
 
প্রমথ চৌধুরীর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।
.
'ললিতা তথা মানস' কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন কে?
  1. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
 বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- তিনি ১৮৩৮ সালে চবিবশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ। তাঁকে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়।
- তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'ললিতা তথা মানস' (১৮৫৬)। এবং রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাজমোহনস ওয়াইফ'। এটি ইংরেজিতে লেখা।
- তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫)।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস। তিনি ১৮৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১০.
Who was the close friend of Alfred, Lord Tennyson, whose death inspired the poem "In Memoriam"?
  1. Arthur Hallam
  2. Robert Browning
  3. Lord Byron
  4. Samuel Taylor
ব্যাখ্যা

• আলফ্রেড, লর্ড টেনিসনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন আর্থার হ্যালাম। তাঁরা কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন একে অপরের সাথে পরিচিত হন এবং দ্রুত গভীর বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। হ্যালাম ছিলেন একজন প্রতিভাবান কবি ও সমালোচক, যিনি টেনিসনের বোন এমিলির সঙ্গেও বাগদান করেছিলেন। ১৮৩৩ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হ্যালামের মৃত্যু টেনিসনকে গভীরভাবে আঘাত করে। এই শোক থেকেই তিনি প্রায় ১৭ বছর ধরে রচনা করেন মহাকাব্যিক শোকগাথা In Memoriam A.H.H.। এই কবিতাটি কেবল ব্যক্তিগত শোক নয়, বরং প্রেম, মৃত্যু ও বিশ্বাস নিয়ে দার্শনিক অনুসন্ধানও প্রকাশ করে। সঠিক উত্তর: ক) Arthur Hallam.

বিস্তারিত আলোচনা:
• In Memoriam:
- The poem 'In Memoriam' is written by Alfred Lord Tennyson.
- এটি হচ্ছে একটি 'elegy', যেটি ১৮৩৩ থেকে ১৮৫০ সালের মধ্যে লেখা হয়েছিল এবং ১৮৫০ সালে anonymously প্রকাশিত হয়।
- তিনি এই কবিতাটি তাঁর বন্ধু Arthur Henry Hallam এর মৃত্যু শোকে লিখেছিলেন।
- কবিতাটি ১৩১টি সেকশনে বিভক্ত এবং এতে একটি prologue এবং একটি epilogue রয়েছে।
- Prologue and epilogue, দুটি chiefly elegiac work examines the different stages of Tennyson’s period of mourning over the death of Arthur Henry Hallam.
- In Memoriam reflects the Victorian struggle to reconcile traditional religious faith with the emerging theories of evolution and modern geology.

• Lord Alfred Tennyson (1809-1892)
- Alfred Tennyson হলেন Victorian Period এর অন্যতম কবি যাকে এই যুগের Chief representative হিসাবে ধরা হয়।
- তিনি ১৮৫০ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate নিযুক্ত হোন। 
- তিনি তাঁর Melodious language এর জন্য অনেক প্রসিদ্ধ এবং তাঁকে Lyric Poet বলা হয়ে থাকে।.

• The other poems of Tennyson are:
- The Lotos Eaters,
- Morte D'Arthu,
- Oenon,
- Ulysses,
- In Memoriam,
- Tithonus,
- Aurora.

• উল্লেখ্য যে,
- John Milton wrote Lycidas (A Pastoral Elegy) on the death of Edward King, who was a friend of John Milton. 
- Adonais, a pastoral elegy by Percy Bysshe Shelley, written and published in 1821 to commemorate the death of his friend and fellow poet John Keats

Source: Britannica.

১১.
"Rabbi Ben Ezra" is a famous…
  1. Biography
  2. Essay
  3. Novel
  4. Poem
ব্যাখ্যা

• "Rabbi Ben Ezra" একটি বিখ্যাত ঘ) Poem। এটি ইংরেজি কবি রবার্ট ব্রাউনিং (Robert Browning) রচিত একটি কবিতা। কবিতাটি একজন মধ্যযুগীয় ইহুদি ধর্মগুরু রব্বি বেন এরজার জীবনের দর্শন ও দার্শনিক চিন্তাভাবনাকে কেন্দ্র করে। কবিতার মাধ্যমে জীবন, বয়স, ধর্ম ও আত্মার উন্নতির বিষয়ে গভীর বার্তা দেয়া হয়েছে। ব্রাউনিং এখানে জীবনকে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হিসেবে তুলে ধরেছেন, যেখানে বয়স বাড়ার সঙ্গে মানুষের আত্মিক উন্নতি ও জ্ঞান বৃদ্ধি পায়। তাই, "Rabbi Ben Ezra" একটি গভীর অর্থবহ ও দার্শনিক কবিতা।

বিস্তারিত আলোচনা:
• Rabbi Ben Ezra:
- এটি Robert Browning এর একটি বিখ্যাত কবিতা। 
- এটি হচ্ছে একটি dramatic monologue.
- ১৮৬৪ সালে কবিতাটি তাঁর Dramatis Personae সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল।
- কবিতার মূল চরিত্র Rabbi Ben Ezra, যিনি একজন প্রাচীন ইহুদি পণ্ডিত, নিজের জীবন এবং ধর্মের গভীরতা সম্পর্কে আলোচনা করেন। 
- এই কবিতায় মুলত কবির ধর্মীয় দর্শন সম্বন্ধে বর্ণনা করা হয়েছে।
- Rabbi Ben Ezra বিশ্বাস করেন যে, জীবন শুধুমাত্র ভোগের জন্য নয়, বরং আত্ম-উন্নতি ও পবিত্রতার জন্য।
- Through the personage of Rabbi Ben Ezra, a scholarly and learned Jew, the poem sets forth Browning’s religious philosophy.
- কবিতার final metaphor জীবনের তুলনা করেছে একটি মাটির পাত্রের সঙ্গে, যা প্রভুর হাত দ্বারা গঠিত হয় এবং বলে যে, একজন ব্যক্তির মূল্য তার করা কাজ দ্বারা নয়, বরং তার গড়ে ওঠা চরিত্র দ্বারা পরিমাপ করা উচিত।

• Robert Browning:
- তিনি একজন British poet.
- He is noted for his mastery of dramatic monologue.
- His wife Elizabeth Barrett was also a poet of that time.

Notable Works:
Poems:
- My Last Duchess.
- The Pied Piper of Hamelin.
- Fra Lippo Lippi.
- Andrea del Sarto.

Plays:
- Browning's first play, Strafford (1837), closed after only five performances.

Source: Britannica.

১২.
Who is the creator of the character Dorian Gray?
  1. Oscar Wilde
  2. Charles Dickens
  3. Arthur Conan Doyle
  4. Bram Stoker
ব্যাখ্যা

• ডোরিয়ান গ্রে চরিত্রের স্রষ্টা হলেন অস্কার ওয়াইল্ড। তিনি একজন আইরিশ সাহিত্যিক, নাট্যকার এবং কবি। "দ্য পিকচার অফ ডোরিয়ান গ্রে" (The Picture of Dorian Gray) তার সবচেয়ে বিখ্যাত উপন্যাস, যা ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয়। এই গল্পে ডোরিয়ান গ্রে একজন যুবক যিনি তার ছবির পরিবর্তে নিজে চিরকুমার ও যুবক থাকার ক্ষমতা পায়। ওয়াইল্ডের এই কাজটি নৈতিকতা, সৌন্দর্য ও পাপের মধ্যে দ্বন্দ্ব তুলে ধরে। অস্কার ওয়াইল্ডের রচনা ও অভিনব কাহিনী বলেই ডোরিয়ান গ্রের চরিত্র আজও সাহিত্যপ্রেমীদের মধ্যে সমাদৃত। তাই সঠিক উত্তর হল: ক) Oscar Wilde.

বিস্তারিত আলোচনা:
• The Picture of Dorian Gray:
- Oscar Wilde এর একমাত্র Novel.
- লেখক রচিত একমাত্র উপন্যাস "The Picture of Dorian Gray" এর কেন্দ্রীয় চরিত্র এটি এবং তাকে নিয়েই উপন্যাসটির নামকরণ করা হয়েছে।
- এটি একটি philosophical/moral fantasy/gothic novel.
- ১৮৯০ সালে এই উপন্যাসটি Novella রূপে American periodical Lippincott's Monthly Magazine এ প্রকাশিত হয়েছিল যা পরবর্তীতে ১৮৯১ সালে অতিরিক্ত ৬টি চ্যাপ্টার যুক্ত হয়ে উপন্যাস রূপে প্রকাশিত হয়।
- Dorian Gray হচ্ছে একজন তরুণ যুবক, যে তাঁর আত্না বিক্রয়ের মাধ্যমে অনন্ত যৌবন ক্রয় করে এবং ফলাফল স্বরূপ শেষ পর্যন্ত যাকে চরম মূল্য দিতে হয়।
- কাহিনীর শুরু হয় Basil Hallward নামক এক স্টুডিও থেকে যেখানে Dorian কে তাঁ বন্ধু Lord Henry Wotton সাথে একটি বর্তমান চিত্রকর্ম নিয়ে আলোচনা করতে দেখা যায়।
- Knowing that his beauty will eventually fade, he wishes that only his portrait should age, allowing him to maintain his youth.
- Dorian কে কুমন্ত্রনা দেয় এবং অপকর্মের প্রতি প্রভাবিত এবং উৎসাহিত করে এই Henry Wotton.
- শেষ পর্যন্ত যিখ তিনি নিজের আত্না বিক্রয়ের ভয়াবহতা উপলব্ধি করেন এবং বুঝতে পারেন তিনি শয়তানের কাছে আত্না বিক্রি করে ভুল করেছেন তখন তিনি তার portrait টি ছিঁড়ে ফেলেন এবং এর ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

• Oscar Wilde:
- He was a poet, novelist, and dramatist/Playwright.
- This Irish-born poet became London’s most popular playwright in the early 1890s.
- His full name was Oscar Fingal O’Flahertie Wills Wilde.

• Notable Works:
- The Picture of Dorian Gray (1891),
- Lady Windermere’s Fan (1892),
- The Importance of Being Earnest (1895).

Source: Britannica.com

১৩.
Who is credited with authoring 'The Return of the Native'?
  1. Thomas Hardy
  2. Emily Bronte
  3. Virginia Woolf
  4. Charles Dickens
ব্যাখ্যা

• ‘The Return of the Native’ উপন্যাসটির রচয়িতা হিসেবে Thomas Hardy-কে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তিনি একজন বিখ্যাত ইংরেজি ঔপন্যাসিক এবং কবি ছিলেন, যিনি তার গ্রামীণ ইংল্যান্ডের জীবনচিত্র এবং মানব আবেগের জটিলতা নিয়ে লেখালেখি করেছেন। ‘The Return of the Native’ তার উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে একটি, যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭৮ সালে। এই উপন্যাসটি ন্যাটিভস নামক কাল্পনিক ইংরেজি অঞ্চলের পটভূমিতে আবর্তিত হয় এবং এতে মানুষের প্রাকৃতিক আকাঙ্ক্ষা, ভাগ্য এবং সমাজের প্রভাবের বিষয়গুলি উঠে এসেছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Thomas Hardy.

বিস্তারিত আলোচনা:
• The Return of the Native:
- Victorian যুগের ঔপন্যাসিক Thomas Hardy রচিত বহুল পঠিত একটি উপন্যাস।
- কেন্দ্রীয় চরিত্র Clym Yeobright যে প্যারীসে স্বর্ণকারের পেশা ছেড়ে নিজ ভূমি Wessex এ ফিরে আসে এবং স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করে।
- তার কাজিন Thomasin ও তার স্বামীকে নিয়ে গ্রামেই বসবাস করতে চায় ।
- কিন্তু Clym Yeobright এর স্ত্রী এবং Thomasin এর স্বামী শহুরে জীবনের উত্তেজনা ভোগ করতে চায়।
- অত:পর তারা দুইজনে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়।

• Thomas Hardy:
- তিনি একজন English novelist and poet.
- তাকে বলা হয়, Regional Novelist and a poet বা আঞ্চলিক ঔপন্যাসিক বা কবি।
- একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়।
- এছাড়াও, তাকে Pessimistic Novelist হিসেবেও আখ্যায়িত করেন অনেকে।
- তার রচিত উপন্যাসগুলোর সময়কাল ভিক্টোরিয়া যুগ, কিন্তু তিনি অনেক ছোটগল্প লিখেছেন যেগুলো আধুনিক যুগে রচিত। এছাড়া তিনি কবিতাও লিখেছেন।

• Thomas Hardy-এর লেখা কয়েকটি উপন্যাস হলো -
- Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- The Return of the Native
- The Poor Man and the Lady,
- The Mayor of Casterbridge
- Jude the Obscure,
- A Pair of Blue Eyes.

Source: Britannica.com

১৪.
The play "Caesar and Cleopatra" was written by:
  1. William Shakespeare
  2. George Bernard Shaw
  3. Oscar Wilde
  4. Arthur Miller
ব্যাখ্যা

• "Caesar and Cleopatra" নাটকটি লিখেছেন খ) জর্জ বার্নার্ড শো (George Bernard Shaw)। এটি একটি ইতিহাসভিত্তিক নাটক যেখানে রোমান সাম্রাজ্ঞী জুলিয়াস সিজার এবং মিশরের রাণী ক্লিওপেট্রার গল্প উপস্থাপিত হয়েছে। নাটকটি ইতিহাসের ঐ গুরুত্বপূর্ণ সময়কে তুলে ধরে, যেখানে দুটি বিশাল ব্যক্তিত্বের রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক সংঘাত ও সম্পর্কের দিকগুলো ফুটে উঠেছে। জর্জ বার্নার্ড শো তাঁর নাটকগুলোর মাধ্যমে সামাজিক এবং রাজনৈতিক বিষয়ে তীক্ষ্ণ সমালোচনা করেছেন, এবং এই নাটকটিও তার উদাহরণ। এটি শোর রচনার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং বিখ্যাত নাটক হিসেবে গণ্য হয়।

বিস্তারিত আলোচনা:
• Caesar and Cleopatra:
- "Caesar and Cleopatra" হলো আইরিশ নাট্যকার George Bernard Shaw-এর লেখা একটি বিখ্যাত নাটক।
- এই চার অঙ্কের নাটকটি G. B. Shaw ১৮৯৮ সালে লিখেছিলেন, যা ১৯০১ সালে প্রকাশিত হয় এবং প্রথম মঞ্চস্থ হয় ১৯০৬ সালে।
- এই play টিকে G.B Shaw এর  first great play হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

• Summary:
- "Caesar and Cleopatra" নাটকে রোমান সম্রাট Julius Caesar ও মিশরের রানি Cleopatra-র সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক কৌশলকে তুলে ধরা হয়েছে। এখানে Cleopatra-কে একজন কাঁচা, অভিজ্ঞতাহীন কিশোরী রানি হিসেবে দেখানো হয়, যাকে Caesar ধীরে ধীরে শাসন ও নেতৃত্বের শিক্ষা দেন।
- Caesar কোনো রোমান্টিক চরিত্রের চেয়ে বরং একজন জ্ঞানী, বিচক্ষণ এবং সহিষ্ণু নেতা হিসেবে চিত্রিত, যিনি যুদ্ধ নয়, ন্যায় ও সদিচ্ছার মাধ্যমে বিজয় চান।
- নাটকটির মূল বিষয়বস্তু হলো: ক্ষমতার ব্যবহার, নৈতিকতা, নেতৃত্বের শিক্ষা এবং রাজনীতি।

• G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- তিনি 'Modern period' এর নাট্যকার।
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- He was famous for his 'drama of ideas'.

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Caesar and Cleopatra (play/tragedy),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession (play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Man and Superman (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc, etc.

• Note:
- 'Antony and Cleopatra' নামে William Shakespeare এর একটি play রয়েছে।

Source: Britannica.

১৫.
Which author is famous for writing Lady Chatterley's Lover?
  1. Thomas Hardy
  2. Oscar Wilde
  3. D. H Lawrence
  4. Charles Dickens
ব্যাখ্যা

• “Lady Chatterley's Lover” নামক উপন্যাসের লেখক হলেন D. H. Lawrence। তিনি ইংরেজি সাহিত্যের একজন বিখ্যাত সাহিত্যিক, যিনি তার সাহসী এবং প্রগতিশীল লেখার জন্য পরিচিত। এই উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৮ সালে এবং তখনকার সময়ে এটি বেশ বিতর্কিত ছিল, কারণ এতে ভালোবাসা এবং যৌনতা নিয়ে খোলামেলা বর্ণনা ছিল। Lawrence এর লেখায় মানুষের আবেগ, যৌনতা এবং সমাজের নিষেধাজ্ঞার মধ্যকার দ্বন্দ্ব উঠে আসে। “Lady Chatterley's Lover” ইংরেজি সাহিত্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করেছে এবং D. H. Lawrence এর সাহিত্যের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে গণ্য হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) D. H. Lawrence।

বিস্তারিত আলোচনা:

• Lady Chatterley's Lover:
- Modern Period এর স্বনামধন্য সাহিত্যিক D. H Lawrence রচিত ই উপন্যাসটি ১৯৩২ সালে প্রথম England এ প্রকাশিত হয়।
- কিন্তু ১৯৫৯ সালে নিউইয়র্কে এবং ১৯৬০ সালে লন্ডনে এর সম্পূর্ণ বই টি প্রকাশ পায়।
- এই উপন্যাসটি লেখকের বিশ্বাসকে প্রতিফলিত করে যে পুরুষ এবং মহিলাদের অবশ্যই শিল্পোন্নত সমাজের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করতে হবে এবং আবেগপ্রবণ প্রেমের জন্য তাদের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি অনুসরণ করতে হবে।

• Summary:
- Sir Clifford Chatterley একজন সম্পদশালী জমিদার; জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে যার কোমরের নিচের অংশ অবশ হয়ে গেছে।
- তিনি বিছানায় পড়ে থাকেন সারাদিন আর বইয়ের পাতায় ডুবিয়ে রাখেন নিজেকে।
- তার স্ত্রীর নাম Constanc (The Lady from the title) -যিনি স্বামীর অক্ষমতার কারণে শারীরিক এবং মানসিক অশান্তিতে ভুগে সারাদিন।
- একজন বই প্রকাশকের সাথে অসম্পুর্ণ এবং অবৈধ প্রণয়ের পর, তিনি একজন নিম্নবিত্ত এবং তার স্বামীর অধীনে চাকরি করা Oliver Mellors এর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন।।
- Oliver Mellors একজন নিম্নবিত্ত শ্রেণীর লোক, কিন্তু সুপুরুষ; Chatterley এর আহবান সে উপেক্ষা করতে পারে না - অবৈধ প্রণয়ে মত্ত হয় দুজন।

• Characters of the novel -
- Lady Chatterley (Constanc),
- Oliver Mellors, (the lover of the lady)
- Sir Clifford Chatterley,
- Mrs. Bolton,
- Michaelis, etc.

• D.H. Lawrence, in full David Herbert Lawrence, English author of novels, short stories, poems, plays, essays, travel books, and letters.

• His most famous novels are -
- Lady Chatterley's Lover,
- Sons and Lovers,
- The White Peacock,
- The Rainbow,
- Women in Love,
- A Modern Lover.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.

১৬.
The phrase "Big Brother is watching you" comes from which book?
  1. Fahrenheit 451
  2. 1984
  3. The Handmaid’s Tale
  4. Brave New World
ব্যাখ্যা

• "Big Brother is watching you" এই বিখ্যাত বাক্যটি জর্জ অরওয়েলের লেখা উপন্যাস 1984 থেকে এসেছে। এই উপন্যাসটি একটি কাল্পনিক ভবিষ্যতের টোটালিটেরিয়ান সমাজের ছবি তুলে ধরে, যেখানে সরকার সর্বদা নাগরিকদের উপর নজর রাখে এবং তাদের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত জীবনের উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ করে। "Big Brother" হচ্ছে সেই সরকার বা তার নেতা যার চোখ সর্বদা নাগরিকদের ওপর থাকে, যেন কেউ প্রতিবাদ করতে না পারে। তাই এই বাক্যটি মানুষের উপর সরকারের সর্বদা নজরদারি এবং স্বাধীনতার অভাবকে প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হল খ) 1984.

বিস্তারিত আলোচনা:

• Nineteen Eighty-four:
- This novel is written by George Orwell.
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- কাহিনী গড়ে উঠেছে Oceania নামক রাষ্ট্রে যেটি একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র।
- সরকার জনগণের ব্রেইনওয়াশ করে এবং বিন্দুমাত্র সমালোচনাও না করতে উৎসাহ দেয়।
- মুক্তচিন্তা এবং বাক স্বাধীনতা বলে কিছু ছিলো না সেই রাষ্ট্রে।
- সরকার দলের স্লোগান ছিল: “War is peace,” “Freedom is slavery,” and “Ignorance is strength.”
- কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম: Winston Smith যাকে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিহাস কিংবা বিকৃত ইতিহাস লেখার দায়িত্ব দেয়া হয়। পরবর্তীতে সে প্রকৃত সত্য উদঘাটনে - ব্রত হয় এবং এক পর্যায়ে সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে।
- এর আগে, সে Julia নামের এক মেয়ের প্রেমে পড়ে। পাশাপাশি তারা গোপনে সরকার বিরোধী বিভিন্ন দলের সাথে যোগাযোগ রাখতে শুরু করে। যদিও তাদের অগোচরে তাদেরকে সরকারী নজরদারির মধ্যে রাখা হয়।
- এরপর Thought Criminal হিসেবে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয় এবং সংশোধনাগারে পাঠানো হয়।

• Important terms: Newspeak, Big Brother, Thought Police.

• George Orwell:
- তার আসল নাম হলো Eric Arthur Blair.
- তিনি ব্রিটিশ ভারতে জন্মগ্রহণ করেন। Animal Farm এবং Nineteen Eighty-Four George Orwell দুটি বিখ্যাত উপন্যাস।

• Famous Works:
Novels:
- Animal Farm (1945 – a fairy story)
- Nineteen Eighty-Four
- Burmese Days
- Coming up for Air.

Story/Essay:
- Shooting an Elephant
- A Hanging.

Source: Encyclopedia Britannica.

১৭.
The poem "Easter 1916" is a famous work by which poet?
  1. Emily Bronte
  2. Matthew Arnold
  3. W. B. Yeats
  4. J. K. Rowling
ব্যাখ্যা

• "Easter 1916" একটি বিখ্যাত কবিতা যা রচিত হয়েছে আইরিশ কবি W. B. Yeats-এর দ্বারা। এই কবিতাটি ১৯১৬ সালের ইস্টার বিদ্রোহের স্মরণে লেখা, যা আইরিশ স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। কবিতায় Yeats সাধারণ মানুষদের যাদের জীবন বদলে গিয়েছিল, তাদের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরেছেন। কবিতাটি পরিবর্তন ও ইতিহাসের গভীর অর্থ নিয়ে ভাবায় পাঠককে। তাই, এই কবিতার স্রষ্টা হলো গ) W. B. Yeats.

বিস্তারিত আলোচনা:

• Easter 1916:
- কবিতাটি William Butler Yeats রচিত।
- ১৯১৬ সালের এপ্রিলে British Colonialism -এর বিরুদ্ধে আয়ারল্যান্ডে যে গণঅভ্যুত্থান হয়, তাকে কেন্দ্র করে  'Easter 1916' কবিতাটি লেখা হয়।
- এখানে শহীদদের আত্মত্যাগের কথা বর্ণিত হয়েছে।
- It commemorates the lives lost at the Easter Uprising in 1916, Dublin, and immortalizes several names of key leaders in the movement, some of whom Yeats knew personally.
- এই কবিতার একটি বিখ্যাত লাইন হলো- "All changed, changed utterly: A terrible beauty is born.”

• William Buttler Yeats:
- Yeats ছিলেন একজন আইরিশ কবি, নাট্যকার এবং সাহিত্যিক, যিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।
- William Buttler Yeats is a famous literary figure who belongs to the Modern Period.
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে, তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।
- W.B Yeats কে Ireland -এর 'National Poet' বলা হয়ে থাকে।
- তিনি ১৯২৩ সালে প্রথম আইরিশ হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• Major Poems:
- The Wild Swans at Coole,
- The Tower,
- Easter 1916,
- The Winding Stair and Other poems,
- The Second Coming,
- The Cat and the Moon,
- Sailing to Byzantium,
- The Lake Isle of Innisfree,
- Among School Children,
- A Prayer for My Daughter,
- When You Are Old,
- September 1919,
- The Wanderings of Oisin,
- Leda and The Swan, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

১৮.
একটি কোণ, তার পূরক কোণ অপেক্ষা ৩২° বেশি হলে, কোণটির মান কত হবে?
  1. ৭১°
  2. ৪১°
  3. ৫৫°
  4. ৬১°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কোণ, তার পূরক কোণ অপেক্ষা ৩২° বেশি হলে, কোণটির মান কত হবে?

সমাধান:
মনে করি,
একটি কোণ = ক°
∴ কোণটির পূরক কোণ হবে = (৯০ - ক)°

শর্তমতে,
ক - (৯০ - ক) = ৩২
⇒ ক - ৯০ + ক = ৩২
⇒ ২ক = ৩২ + ৯০
⇒ ২ক = ১২২
⇒ ক = ১২২/২
∴ ক = ৬১

∴ কোণটির মান ৬১°
১৯.
একটি ত্রিভুজাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৯৬ বর্গফুট। ত্রিভুজটির ভূমির দৈর্ঘ্য ১৬ ফুট হলে শীর্ষ বিন্দু হতে ভূমির উপর অঙ্কিত লম্বের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১৮ ফুট
  2. ১২ ফুট
  3. ৬ ফুট
  4. ২৪ ফুট
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৯৬ বর্গফুট। ত্রিভুজটির ভূমির দৈর্ঘ্য ১৬ ফুট হলে শীর্ষ বিন্দু হতে ভূমির উপর অঙ্কিত লম্বের দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:

ধরি,
লম্বের দৈর্ঘ্য = ক ফুট

আমরা জানি,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা
⇒ ৯৬ = (১/২) × ১৬ × ক
⇒ ৯৬ = ৮ × ক
⇒ ক = ৯৬/৮
∴ ক = ১২ ফুট

∴ শীর্ষ থেকে ভূমির উপর লম্বের দৈর্ঘ্য = ১২ ফুট
২০.
একটি ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল ২২৫ বর্গ সে.মি. এবং উচ্চতা ১৫ সে.মি. হলে, সমান্তরাল বাহু দুটির সমষ্টি কত?
  1. ১৮ সে.মি.
  2. ৪২ সে.মি.
  3. ২৮ সে.মি.
  4. ৩০ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল ২২৫ বর্গ সে.মি. এবং উচ্চতা ১৫ সে.মি. হলে, সমান্তরাল বাহু দুটির সমষ্টি কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল ২২৫ বর্গ সে.মি.
এবং উচ্চতা ১৫ সে.মি.

আমরা জানি,
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = (১/২) × (সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের সমষ্টি) × উচ্চতা
⇒ ২২৫ = (১/২) × (সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের সমষ্টি) × ১৫
⇒সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের সমষ্টি = ৪৫০/১৫
∴ সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের সমষ্টি = ৩০ সে.মি.

∴ সমান্তরাল বাহু দুটির সমষ্টি = ৩০ সে.মি.
২১.
একটি ত্রিভুজের পরিসীমা ৪২০ মি.মি. এবং বাহুগুলোর দৈর্ঘ্যের অনুপাত ৫ : ১২ : ১৩ হলে ত্রিভুজটির বৃহত্তম বাহুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১৫০ মি.মি.
  2. ৮২ মি.মি.
  3. ১৫২ মি.মি.
  4. ১৮২ মি.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের পরিসীমা ৪২০ মি.মি. এবং বাহুগুলোর দৈর্ঘ্যের অনুপাত ৫ : ১২ : ১৩ হলে ত্রিভুজটির বৃহত্তম বাহুর দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
মনে করি,
বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৫ক, ১২ক এবং ১৩ক

শর্তমতে,
৫ক + ১২ক + ১৩ক = ৪২০
⇒ ৩০ক = ৪২০
⇒ ক = ৪২০/৩০
∴ ক = ১৪

∴ বৃহত্তম বাহুর দৈর্ঘ্য = (১৩ × ১৪) = ১৮২ মি.মি.
২২.
একটি রম্বসের কর্ণদ্বয় যথাক্রমে 16 সে.মি. এবং 12 সে.মি. হলে, রম্বসটির এক বাহুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. 18 সে.মি.
  2. 10 সে.মি.
  3. 8 সে.মি.
  4. 13 সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি রম্বসের কর্ণদ্বয় যথাক্রমে 16 সে.মি. এবং 12 সে.মি. হলে, রম্বসটির এক বাহুর দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:

ABCD একটি রম্বস।
উহার AC = 16 cm, BD= 12 cm
রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে।
AO = CO = 8 cm, BO = OD = 6 cm

ΔAOB এ
OA2 + OB2 = AB2
⇒ 82 + 62 = AB2
⇒ 64 + 36 = AB2
⇒ 100 = AB2
⇒ AB2 = 102
∴ AB = 10
২৩.
একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল 81π বর্গমিটার, পরিধি 18π মিটার, বৃত্তটির ব্যাস কত? 
  1. 18 মিটার
  2. 27 মিটার
  3. 9 মিটার
  4. 16 মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল 81π বর্গমিটার, পরিধি 18π মিটার, বৃত্তটির ব্যাস কত? 

সমাধান: 
ধরি, 
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r 
∴ বৃত্তের ব্যাস = 2r 
বৃত্তের পরিধি = 2πr 
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2 

শর্তমতে, 
2πr = 18π
 ⇒ r = (18π/2π)
⇒ r = 9

∴ বৃত্তের ব্যাস = 2r
= (2 × 9) মিটার 
= 18 মিটার।
২৪.
ত্রিভুজ PQR এ PQ = 20 মি., QR = 12 মি. এবং ক্ষেত্রফল 120 বর্গমি. হলে ∠Q = কত?
  1. 90°
  2. 60°
  3. 30°
  4. 45°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ত্রিভুজ PQR এ PQ = 20 মি., QR = 12 মি. এবং ক্ষেত্রফল 120 বর্গমি. হলে ∠Q = কত?

সমাধান:

আমরা জানি,
ক্ষেত্রফল = (1/2) × PQ × QR × sin⁡∠Q
⇒ 120 = (1/2) × 20 × 12 × sin⁡∠Q
⇒ 120 = 120 × sin⁡∠Q
⇒ sin⁡∠Q = 120/120 = 1
⇒ sin⁡∠Q = sin90°
∴ ∠Q = 90°
২৫.
একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল 72 সে. মি হলে, এর কর্ণের দৈর্ঘ্য কত?
  1. 12 সে. মি.
  2. 18 সে. মি.
  3. 24 সে. মি.
  4. 36 সে. মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল 72 সে. মি হলে, এর কর্ণের দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = a2
⇒ a2 = 72
⇒ a = √72
⇒ a = 6√2

∴ বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = √2 × a
= √2 × 6√2
= 6 × 2
= 12

∴ বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = 12 সে. মি.।
২৬.
এক সরল কোণ থেকে বড় কিন্তু দুই সরল কোণ থেকে ছোট কোণকে কি কোণ বলা হয়? 
  1. সূক্ষ্মকোণ
  2. সম্পূরক
  3. প্রবৃদ্ধ কোণ
  4. স্থূলকোণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক সরল কোণ থেকে বড় কিন্তু দুই সরল কোণ থেকে ছোট কোণকে কি কোণ বলা হয়? 

সমাধান: 
এক সরল কোণ থেকে বড় কিন্তু দুই সরল কোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে।

অন্যদিকে, 
- এক সমকোণ অপেক্ষা বড়, কিন্তু দুই সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে স্থূলকোণ বলা হয়। 
- এক সমকোণ থেকে ছোট কোণকে সূক্ষ্মকোণ বলে। 
- দুইটি কোনের সমষ্টি 180° হলো, কোন দুইটির একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে।
২৭.
Transparency International (TI) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
Transparency International:
- Transparency International (TI) জার্মান ভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৩ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: পিটার ইজেন।
- সদর দপ্তর: বার্লিন, জার্মানি।

উল্লেখ্য,
- এটি প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) প্রকাশ করে।

উৎস: Transparency International ওয়েবসাইট।
২৮.
নিম্নের কোনটি ASEAN-এর সদস্য দেশ নয়?
  1. ব্রুনাই
  2. মালয়েশিয়া
  3. কম্বোডিয়া
  4. পূর্ব তিমুর
ব্যাখ্যা
পূর্ব তিমুর ASEAN-এর সদস্য দেশ নয়।

ASEAN:

- ASEAN-এর পূর্ণরূপ: Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ (ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে)।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৫টি (ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর এবং থাইল্যান্ড)।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১০টি।
- সদস্য দেশগুলো: মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া
- বর্তমান সভাপতি: আনোয়ার ইব্রাহিম (মালয়েশিয়া)।
- মহাসচিব: কাও কিম হৌর্ন।
- আসিয়ান এখন বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি যার মোট দেশজ উৎপাদন ৩.৮ ট্রিলিয়ন ডলার এবং চীন আসিয়ানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার, যেখানে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৬৯৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।
২৯.
কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে Care International গঠিত হয়?
  1. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  2. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  3. কোরিয় যুদ্ধ
  4. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা

Care International:
- CARE-এর পূর্ণরূপ: Cooperative for Assistance and Relief Everywhere.
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্বের বৃহত্তম মানবকল্যাণধর্মী সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৫ সালে।
- মহাসচিব: সোফিয়া স্প্রেচম্যান সিনেইরো।
- সদরদপ্তর: আটলান্টা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ Care International গঠিত হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী মানবিক সংকট মোকাবিলার উদ্দেশ্যে।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের দরিদ্র ও ক্ষুধার্ত মানুষের সাহায্য করা।
- প্রথমদিকে CARE Packages নামে পরিচিত খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হতো।
- ধীরে ধীরে এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থায় রূপান্তরিত হয়।

উৎস: Care International ওয়েবসাইট। [link]

৩০.
'এজেন্ডা ২০৬৩' নিম্নের কোন সংস্থার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা?
  1. আফ্রিকান ইউনিয়ন
  2. আসিয়ান
  3. সার্ক
  4. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

এজেন্ডা ২০৬৩:
- এজেন্ডা ২০৬৩ হলো আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) প্রণীত একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা।
- ২০১৩ সালে আফ্রিকান ইউনিয়নের ৫০তম বার্ষিকীতে এজেন্ডাটি গৃহীত হয।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো আফ্রিকার সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, যাতে ২০৬৩ সালের মধ্যে আফ্রিকা একটি উন্নত, স্থিতিশীল এবং সমৃদ্ধ মহাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

⇒ এজেন্ডা ২০৬৩-এর ৭টি মূল লক্ষ্য রয়েছে:
১. আফ্রিকার সমস্ত জনগণের জন্য সমান সুযোগ এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্য।
২. আফ্রিকার রাষ্ট্রগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করার মাধ্যমে একটি রাজনৈতিকভাবে সমন্বিত এবং শক্তিশালী মহাদেশ গঠন।
৩. সুশাসন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।
৪. আফ্রিকার সকল অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যাতে সংঘাতের উত্থান রোধ করা যায়।
৫. আফ্রিকার জনগণের সাংস্কৃতিক পরিচয়, ঐতিহ্য এবং নৈতিক মূল্যবোধের সম্মান এবং প্রচার।
৬. জনগণের ক্ষমতায়ন এবং তাদের উন্নয়নকে উৎসাহিত করে একটি শক্তিশালী এবং স্বনির্ভর আফ্রিকা গঠন।
৭. আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আফ্রিকার প্রভাব এবং অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করা, যাতে আফ্রিকা বিশ্বের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

⇒ উল্লেখযোগ্য প্রকল্প (Flagship Projects):
- আফ্রিকান কন্টিনেন্টাল ফ্রি ট্রেড এরিয়া (AfCFTA), আফ্রিকান হাই-স্পিড ট্রেন নেটওয়ার্ক, একক আফ্রিকান পাসপোর্ট, আফ্রিকান স্যাটেলাইট ও স্পেস প্রোগ্রাম, গ্রেট আফ্রিকান মিউজিয়াম, সাইবার নিরাপত্তা, এনসাইক্লোপিডিয়া আফ্রিকানা, একটি বার্ষিক আফ্রিকান অর্থনৈতিক ফোরাম প্রতিষ্ঠা, গ্র্যান্ড ইঙ্গা বাঁধ প্রকল্পের বাস্তবায়, প্যান-আফ্রিকান ভার্চুয়াল বিশ্ববিদ্যালয়।

উৎস: African Union ওয়েবসাইট।

৩১.
কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে ওআইসি (OIC) গঠিত হয়?
  1. ইরানে ইসলামিক বিপ্লব
  2. সুয়েজ খাল সংকট
  3. আল-আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগ
  4. ইরান-ইরাক যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
OIC:
- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation/ ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- ১৯৭২ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ওআইসি।
- ১৯৬৯ সালের আগস্টে ইসরায়েল অধিকৃত জেরুজালেমে অবস্থিত আল-আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রেক্ষাপটে ওআইসি (OIC) গঠিত হয়।

⇒ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।
- এতে পর্যবেক্ষক হিসেবে ওআইসির সঙ্গে যুক্ত আছে পাঁচটি দেশ (রাশিয়া, বসনিয়া, থাইল্যান্ড, সিএআর ও তুর্কি সাইপ্রাস) এবং সাতটি সংগঠন ও সংস্থা।

⇒ ১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদুল আকসায় অগ্নিসংযোগ করে ইসরায়েল।
- সমগ্র মুসলিম বিশ্বে প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে এ সময় ১৪টি আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মিসরের রাজধানী কায়রোতে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- ওই বছরের ২২-২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাবাতে ২৫টি মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনে সব রাষ্ট্রের প্রতিনিধির সিদ্ধান্তে ২৫ সেপ্টেম্বর ওআইসি গঠন করা হয়।
- মূলত আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলের অগ্নিকান্ডের প্রেক্ষিতে ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ওআইসি গঠন করা হয়।
- ২০১১ সালের ২৮ জুন ইসলামী সম্মেলন সংস্থার নাম পরিবর্তন করে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (Organization of Islamic Co-operation) রাখা হয়।

উৎস: OIC ওয়েবসাইট।
৩২.
কোন দেশ একইসাথে OPEC ও Commonwealth-এর অর্ন্তভূক্ত?
  1. নাইজেরিয়া
  2. ভেনিজুয়েলা
  3. লিবিয়া
  4. সৌদিআরব
ব্যাখ্যা
নাইজেরিয়া একইসাথে OPEC ও Commonwealth-এর অর্ন্তভূক্ত।

Commonwealth:
- Commonwealth মূলত ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশিক দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- ব্রিটেনের রাজা বা রানী হলেন এ সংস্থার প্রধান। এর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় সর্বসম্মতিক্রমে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালে।
- বর্তমান সদস্য ৫৬টি।
- সদরদপ্তর: মার্লবোরো হাউস, লন্ডন।
- বর্তমান মহাসচিব: শার্লি আয়োরকর বোচওয়ে (৭ম)।
- এ সংস্থার মূল লক্ষ্য হল কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সমৃদ্ধি করা।

• OPEC:
- OPEC পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলির সংস্থা।
- প্রধান উদ্দেশ্য: সদস্য দেশসমূহের পেট্রোলিয়ামের নীতি নির্ধারণ ও সমন্বয় এবং বৈশ্বিক তেলের দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রন করা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: বাগদাদ, ইরাক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫টি (ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনিজুয়েলা)।
- বর্তমান সদস্য: ১২টি (আলজেরিয়া, কঙ্গো, নিরক্ষীয় গিনি, গ্যাবন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভেনিজুয়েলা)।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।



উৎস: i) Commonwealth ওয়েবসাইট।
ii) OPEC ওয়েবসাইট।
৩৩.
Asian Infrastructure Investment Bank (AIIB)-তে কোন দেশের অর্থায়নের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি? [আগস্ট, ২০২৫] 
  1. ভারত
  2. চীন
  3. তুরস্ক
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

AIIB:
- এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (Asian Infrastructure Investment Bank - AIIB) একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- এর মূল উদ্দেশ্য হল এশিয়া এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলির অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তা প্রদান করা।
- চীন AIIB-এর প্রতিষ্ঠায় মূল ভূমিকা পালন করে।
- AIIB মূলত চীনের 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ' (BRI) এর সাথে সম্পর্কিত এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশকে চীনের সাথে অর্থনৈতিক সহযোগিতায় যুক্ত করার সুযোগ প্রদান করে।
- এটি বিশ্বব্যাংক বা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB)-এর মতো অন্যান্য আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলির সাথে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৬ জানুয়ারি, ২০১৬।
- সদর দপ্তর: বেইজিং, চীন।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ: ৫৭টি।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১১০টি।
- সর্বশেষ সদস্য: নাউরু (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)।

উল্লেখ্য,
- AIIB-এর সর্ববৃহৎ শেয়ারহোল্ডার চীন।
- চীনের অর্থায়নের পরিমাণ ২৯,৭৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা প্রায় ৩০.৬৮৭৭%।

উৎস: AIIB ওয়েবসাইট।

৩৪.
কোন সংবিধির মাধ্যমে International Criminal Court (ICC) প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. হেগ সংবিধি
  2. ভিয়েনা সংবিধি
  3. রোম সংবিধি
  4. জেনেভা সংবিধি
ব্যাখ্যা

ICC:
- ICC-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Court.
- ICC বা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭ জুলাই, ১৯৯৮ (রোম সংবিধির মাধ্যমে)।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১ জুলাই, ২০০২।
- সদরদপ্তর: হেগ নেদারল্যান্ডস।
- এর সদস্য: ১২৫টি [১২৫তম সদস্য: ইউক্রেন]।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: তোমোকো আকানেকে (২০২৪-২০২৭ সাল)।
- প্রেসিডেন্সির সদস্যরা অবিলম্বে তিন বছরের মেয়াদে নির্বাচিত হন।

⇒ ১৯৯৮ সালে রোম সংবিধির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় আইসিসি।
- ১৯৯৮ সালের ১৫ জুন - ১৭ জুলাই ইতালির রোমে বিশ্বের ১২০টি দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কূটনীতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১২০-৭ ভোটের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক ফৌজদারী আদালত সংবিধি বা রোম সংবিধি গৃহীত হওয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক রাষ্ট্র কর্তৃক সংবিধিটি অনুমোদিত হওয়ায় ২০০২ সালের ১ জুলাই থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত কার্যকারিতা লাভ করে।
- রোম সংবিধিতে মোট ১৩টি অধ্যায় এবং ১২৮টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, গণহত্যা এবং আগ্রাসনের অপরাধ বিচার করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (আইসিসি) তৈরি করা হয়েছিল।

উৎস: International Criminal Court ওয়েবসাইট।

৩৫.
নিচের কোনটি ডোমেইন নাম নির্দেশ করে?
  1. user.id
  2. gmail.com
  3. @user id
  4. .edu@
ব্যাখ্যা
gmail.com ডোমেইন নাম নির্দেশ করে।

• ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস হলো প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর স্বতন্ত্র (Unique) পরিচয়।
- এটি User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।
উদাহরণ: anik@bdonline.com.bd
- User ID হলো ই-মেইল ব্যবহারকারীর নিজস্ব নাম যা @ চিহ্নের আগে থাকে।
- User ID-তে ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ব্যবহার করা যায়
- @ চিহ্ন ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেমকে পৃথক করে।
- Domain Name হলো ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয়।
যেমন: bdonline.com.bd
- Domain Name আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়, যা ডট (.) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়।

• ডোমেইন নামের বিভিন্ন রকম পরিচয়:
.com - ব্যবসায়িক (Commercial) প্রতিষ্ঠান,
.org - অ-লাভজনক (Organization),
.gov - সরকারি (Government) প্রতিষ্ঠান
.mil - সামরিক (Military),
.edu - শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Educational),
.net - সাধারণ নেটওয়ার্ক/আইএসপি (Network provider).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬.
ইনডেক্সিং এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. ডাটা রেকর্ড সংরক্ষণ করা
  2. ডাটা কম্প্রেস করা
  3. ডাটাবেজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
  4. নির্দিষ্ট ডাটা দ্রুত খুঁজে পাওয়া
ব্যাখ্যা

ইনডেক্সিং এর প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে নির্দিষ্ট ডাটা দ্রুত খুঁজে পাওয়া।

• ইনডেক্সিং:
- ইন্ডেক্সিং হল ডেটা টেবিলের রেকর্ড গুলোকে কোন নির্ধারিত এক বা একাধিক ফিল্ড অনুসারে সাজানোর উদ্দেশ্যে মূল টেবিল অপরিবর্তিত রেখে রেকর্ডগুলোর অ্যাড্রেসকে সাজানো। 
- ইন্ডেক্স পদ্ধতিতে ডেটা ফাইলকে সর্ট করা হলে মূল ডেটা ফাইলে রেকর্ডের ক্রমিক নং পরিবর্তন হয় না।
- ইন্ডেক্সিং পদ্ধতিতে ডেটাবেজ ফাইলের এলোমেলো রেকর্ডগুলো তুলনামূলকভাবে দ্রুত সাজানো যায়।
- ডেটাবেজ ফাইলকে ইন্ডেক্স করা হলে নতুন ইন্ডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল ডেটাবেজ ফাইল অপরিবর্তিত থাকে।
- ডেটাবেজে কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইন্ডেক্স করা ফাইলে তা আপডেট হয়।

• ইন্ডেক্সিংয়ের সুবিধাসমূহ
- ইনডেক্স করার পরে ফাইলে সহজে ডেটা খুঁজে বের করা যায়।
- ইনডেক্স করার পরে ডেটাবেজ ফাইলে নতুন কোন রেকর্ড ইনপুট করা হলেও ইনডেক্স ফাইলগুলো স্বয়ংক্রীয়ভাবে আপডেট হয়ে যায়।
- ডেটাটেবিলের রেকর্ডসমূহের উপর বিভিন্ন অপারেশন যেমন- Searching, Sorting, Reporting এবং Queries ইত্যাদি খুব তাড়াতাড়ি সম্পন্ন করার জন্য ইনডেক্স করা হয়। অর্থাৎ ডেটা সমূহ ইনডেক্স করলে Speedy পারফরমেন্স পাওয়া যায়।
- ইনডেক্স ফাইল মূল ডেটাবেজ ফাইলের কোনরূপ পরিবর্তন না করে বিভিন্নভাবে সাজাতে পারে।

• ইন্ডেক্সিংয়ের অসুবিধাসমূহ
- একাধিক ফিল্ডের উপর ইনডেক্সিং করা থাকে তাহলে কোন ডেটা এডিট করলে ইনডেক্স আপডেট হতে সময় বেশি লাগে যা প্রোগ্রামকে Slow করে, ফলে ব্যবহারকারীকে ডাটা এন্ট্রি কিংবা আপডেট করার জন্য অনেকক্ষণ সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয়।
- একাধিক ফিল্ডের উপর এবং অনেক রেকর্ডের জন্য ইন্ডেক্স করা হলে অপেক্ষাকৃত বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ইনডেক্স সংরক্ষণের জন্যও কিছু বেশি জায়গা লাগে।
- ডেটা এন্ট্রির ক্ষেত্রে ইনডেক্স ফাইলের রেফারেন্সসমূহ আপডেট হতে বেশ সময়ের প্রয়োজন হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৭.
WiMAX এর ডেটা ট্রান্সমিশনে কোন মোড ব্যবহার করা হয়?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. ফুল ডুপ্লেক্স
  3. হাফ ডুপ্লেক্স
  4. স্টোর এন্ড ফরোয়ার্ড
ব্যাখ্যা
WiMAX এর ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।

• WiMAX
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াইম্যাক্স হলো একটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL ও তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেয়।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16.
- এর ডেটা স্থানান্তরের গতি 80 – 1000 Mbps.
- এর ব্যান্ডউইথ 30 – 75 Mbps.
- এর কভারেজ এরিয়া 10 – 50 কিলোমিটার।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৮.
স্পুফিং (Spoofing) কী?
  1. সার্ভারে বেশি মেইল পাঠিয়ে সিস্টেমকে অকার্যকর করা
  2. অন্যের লেখা নিজের নামে চালানো
  3. ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা
  4. অতিরিক্ত অনুরোধ পাঠিয়ে সার্ভার অকেজো করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম: অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং: গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং: ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৯.
এনক্রিপশন কী?
  1. ডেটাকে কোডে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া
  2. সফটওয়্যার আপডেট করার পদ্ধতি
  3. ডেটা ফাইলের আকার ছোট করার একটি পদ্ধতি
  4. ডেটা ফাইল শেয়ার করার নিয়ম
ব্যাখ্যা

এনক্রিপশন হচ্ছে ডেটাকে কোডে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া।

• এনক্রিপশন (Encryption):
- এনক্রিপশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে কোড করা হয়, যাতে অনুমোদিত ব্যতীত অন্য কেউ তা পড়তে বা বুঝতে না পারে।
- কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরের সময় ডেটাকে বিশেষ কোডে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়, যাতে ডেটার গোপনীয়তা বজায় থাকে।
- প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করলে প্রাপক ডিক্রিপ্ট করে (ডেটাকে আসল রূপে ফেরত নিয়ে) ব্যবহার করে।
- এনক্রিপশন এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম ও অ্যালগোরিদম ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, সিজার কোডে প্রতিটি অক্ষরকে তার পরবর্তী ৩ সংখ্যক অক্ষরে প্রতিস্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪০.
একটি অফিস বা স্কুল ল্যাবের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কোনটির অন্তর্ভুক্ত?
  1. WAN
  2. MAN
  3. LAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) হচ্ছে একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN):
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

অন্যান্য অপশন
• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN):
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN):
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Personal Area Network - PAN):
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
- উদাহরণ: ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪১.
DALL·E মূলত কোন প্রযুক্তির উদাহরণ?
  1. সার্কিট সুইচিং
  2. ডাটাবেজ সফটওয়্যার
  3. মাইক্রোপ্রসেসর প্রযুক্তি
  4. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
ব্যাখ্যা
DALL·E হলো একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি, যা টেক্সট ইনপুট থেকে ছবি তৈরি করতে পারে।
- এটি OpenAI দ্বারা তৈরি।

• Artificial intelligence (AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হলো কম্পিউটারের এমন দক্ষতা, যা সাধারণত মানুষের বুদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- AI যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে পারে, অর্থ আবিষ্কার করতে পারে, সাধারণীকরণ করতে পারে এবং অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।
- ১৯৪০-এর দশকে ব্রিটিশ গণিতবিদ অ্যালান টিউরিং প্রথম AI-এর তাত্ত্বিক কাজ করেন; ১৯৫০-এর দশকে প্রথম AI প্রোগ্রাম তৈরি হয়।
- আজকের দিনে AI চিত্র শ্রেণিবিন্যাস করতে (যেমন: PReLU-net), গেমে পারদর্শিতা দেখাতে (যেমন: AlphaZero), কথা বলতে (যেমন: ChatGPT) এবং টেক্সট থেকে ছবি তৈরি করতে (যেমন: DALL-E) সক্ষম।
- চিকিৎসা নির্ণয়, সার্চ ইঞ্জিন, কণ্ঠস্বর বা হাতের লেখার স্বীকৃতি, এবং চ্যাটবটের মতো ক্ষেত্রে AI মানুষের দক্ষতার সমতুল্য হয়ে উঠেছে।
এখনো কোনো AI প্রোগ্রাম মানুষের মতো সর্বাঙ্গীন নমনীয়তা বা দৈনন্দিন জ্ঞানের বিস্তৃত ক্ষেত্র অর্জন করতে পারেনি; একে বলা হয় কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (AGI)।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪২.
ARPANET কী ধরনের নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির ভিত্তিতে তৈরি হয়েছিল?
  1. সার্কিট সুইচিং
  2. ক্লায়েন্ট-সার্ভার
  3. প্যাকেট সুইচিং
  4. ক্যাবল নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
ARPANET প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির ভিত্তিতে তৈরি হয়েছিল।

ARPANET:
- ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয় ARPANET দিয়ে।
- ১৯৬০-এর দশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি প্রকল্প শুরু করে, যার নাম ছিল ARPANET (Advanced Research Projects Agency Network) I
- এটি ছিল প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা বিভিন্ন কম্পিউটারকে একসাথে যুক্ত করে তথ্য আদান-প্রদান করার সুযোগ দিয়েছিল।
- ARPANET এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে যোগাযোগ করত, যা পরবর্তীতে আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি গড়ে তোলে।
- এটি মূলত গবেষণা এবং সামরিক যোগাযোগের জন্য তৈরি হলেও, ধীরে ধীরে এর ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ে শিক্ষাবিদ এবং সাধারণ মানুষের মাঝে।
- তাই বলা যায়, ইন্টারনেটের জন্ম ও বিকাশের পথ শুরু হয় ARPANET থেকেই।
- ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯ সালে।
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের উপযোগী টিসিপি/আইপি (TCP/IP: Transmission Control Protocol/Internet Protocol) প্রোটোকল উদ্ভাবনের সাথে ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৩.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক কে?
  1. ল্যারি পেজ
  2. স্টিভ জবস
  3. চার্লস ব্যাবেজ
  4. টিম বার্নার্স-লি
ব্যাখ্যা

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক হচ্ছে টিম বার্নার্স-লি।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web: WWW)
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব পেজ নিয়ে গঠিত একটি বিস্তৃত তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিএড।
২। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪.
নিউটনের মহাকর্ষ বল কোন দিক বরাবর ক্রিয়া করে? 
  1. বস্তুর গতি বরাবর
  2. যেকোনো দৈর্ঘ্যের রেখা বরাবর
  3. বস্তুকণাদ্বয়ের মধ্যবর্তী সরল রেখার লম্ব বরাবর
  4. বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরল রেখা বরাবর
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ: 
- ১৬১৮ খ্রি. বিজ্ঞানী জে কেপলার সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহগুলোর ঘূর্ণন ও তাদের গতি সম্পর্কীয় সূত্রাবলি প্রকাশ করেন। কিন্তু মহাজাগতিক বস্তুসমূহ এবং সৌর মণ্ডলীর গ্রহ-উপগ্রহসমূহ কোন বলের প্রভাবে ঘুরছে বা সাম্যবস্থায় আছে সে সম্পর্কে কেপলার বা তৎকালীন বিজ্ঞানীদের কোনো সুষ্পষ্ট ধারণা ছিল না। 
- ১৭৬৪ সালে বিজ্ঞানী আইজাক নিউটন মহাবিশ্বের পরস্পর যোগসূত্রহীন বস্তুসমূহের সাম্যাবস্থা বজায় থাকা এবং সূর্যের চারদিকে গ্রহসমূহের ঘূর্ণনের কারণ হিসাবে এক ধরনের সার্বজনীন বলের ধারণা উপস্থাপন করেন।  এর নাম দেয়া হয় মহাকর্ষ বল। 
- এই বল হলো মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তু কণার মধ্যে পরস্পরকে আকর্ষণ বল। 
অর্থাৎ, যে বল দ্বারা মহা বিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে তার নাম মহাকর্ষ বল। 

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র: 
- এই মহাকর্ষ বল সম্পর্কে নিউটন একটি সূত্র দেন, এটি নিউটনের মহাকর্ষ বলের সূত্র নামে খ্যাত। 
- সূত্রটি হলো: 
"মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরল রেখা বরাবর ক্রিয়া করে"। 
- বিশ্বজনীন মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, G-এর মান 6.673 × 10-11 Nm2kg-2 এবং G-এর মাত্রা L3M-1T -2  । 
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে G-এর একক Nm2kg-2  । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫.
আলফা কণিকা মূলত কী দিয়ে গঠিত? 
  1. একটি প্রোটন ও একটি নিউট্রন
  2. দুটি প্রোটন ও তিনটি নিউট্রন
  3. একটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন
  4. দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা: 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে তিন ধরণের রশ্মি নির্গত হয়। 
- যে রশ্মিটি ধনাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ঋণাত্মক আধান গ্রন্থ। 
- যে রশ্মিটি ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ধনাত্মক আধান গ্রন্থ। 
- আর যে রশ্মিটি কোনো দিকেই বিচ্যুত হয়নি সেটি তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
- ধনাত্মক আধান গ্রস্থ রশ্মিকে আলফা কণিকা (α), ঋণাত্মক আধান গ্রস্থ রশ্মিকে বিটা কণিকা (β) এবং তড়িৎ নিরপেক্ষ রশ্মিকে গামা রশ্মি (γ) বলে। 

আলফা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি: 
১। আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস। এর ভর 6.6×10-27 কেজি। 
২। আলফা কণিকা ধনাত্মক চার্জ বহন করে। এর পরিমাণ 3.2×10-19 কুলম্ব। 
৩। আলফা কণিকার শক্তি 1 MeV বা 1.6×10-13 J হতে 9 MeV বা 1.44×10-12 J পর্যন্ত হয়। 
৪। এই রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
৫। আলফা কণিকার আয়নিত করার ক্ষমতা খুব বেশি। β-কণিকার চেয়ে প্রায় 100 গুণ এবং γ-কণিকার চেয়ে প্রায় 1000 গুণ বেশি। 
৬। আলফা কণিকা ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
৭। আলফা কণিকা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
৮। জিংক সালফাইডে আলফা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
৯। ধাতব প্লেটের মধ্য দিয়ে যাবার সময় আলফা কণিকার কণাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬.
নিম্নের কোনটি ফোটন কণার ধর্ম নয়? 
  1. তড়িৎ নিরপেক্ষ
  2. নিশ্চল ভর শূন্য
  3. নিউটনের বলবিদ্যার দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়
  4. আলোর সমবেগে চলে
ব্যাখ্যা
ফোটন কণা: 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টাম আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)। 

ফোটন কণার ধর্মসমূহ: 
১। প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
২। শূন্য মাধ্যমে প্রতিটি ফোটন কণাই আলোর বেগে (C = 3×108 ms-1) চলাচল করে। কোনো ঘটনাতেই ফোটনের বেগের কোনো হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে না। 
৩। প্রতি ফোটন দ্বারা বাহিত শক্তির পরিমান E = hf; এখানে f = বিবিরণের কম্পাঙ্ক, h = প্লাংকের ধ্রুবক। ফোটনের স্রোতে ফোটন কণার সংখ্যা যত বেশি হয়, বাহিত শক্তির পরিমাণও তত বেশি হয়। ফলে বিকিরণের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। 
৪ । নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।