পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৪ টপিক ক্লাউড কম্পিউটিং, সাইবার অপরাধ ও নিরাপত্তা [ক্লাস ১৯ ও ২০]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. Resource Scalability
  2. On Demand
  3. Resource Demand
  4. Pay as you go
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

•  ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা -
- Resource Scalability,
- On Demand এবং
- Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রে কোনটি সত্য নয়?
  1. স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়।
  2. অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
  3. ডেটা, তথ্য, প্রােগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে।
  4. সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা-
- যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আপলোড এবং ডাউনলোড করা যায়।
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়।
- অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
- নিজস্ব কোন হার্ডওয়্যারের প্রয়োজন হয় না।
- যে কোন ধরনের হার্ডওয়্যারের মধ্য দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।
- তথ্য কীভাবে সংরক্ষিত হবে বা প্রসেস হবে তা জানার প্রয়োজন হয় না।
- সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধা-
- ক্লাউডে তথ্যের গােপনীয়তা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকে।
- তথ্য পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- ডেটা, তথ্য, প্রােগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
- একবার ক্লাউডে তথ্য পাঠিয়ে দেওয়ার পর তা কোথায় সংরক্ষণ হচ্ছে বা কিভাবে প্রসেস হচ্ছে তা ব্যবহারকারীদের জানার উপায় থাকে না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
.
কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক ও ডেটার উপর অননুমোদিত অধিকার লাভ করাকে কী বলে?
  1. স্প্যামিং
  2. প্লেজিয়ারিজম
  3. হ্যাকিং
  4. ভিশিং
ব্যাখ্যা
• হ্যাকিং: 
- কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক ও ডেটার উপর অননুমোদিত অধিকার লাভ করার উপায়কে বুঝায়। 
- যে হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার (Haker) বলে। 
- হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ হতে পারে। 
- বৈধ হ্যাকারকে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও অবৈধভাবে হ্যাকার করাকে বলা হয় - ব্লাক হ্যাট হ্যাকার।

• স্প্যামিং: 
- অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে বুঝায়। 
- এই কাজ যারা করে তাদের স্প্যামার বলা হয়।

• প্লেজিয়ারিজম: 
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকে বোঝায়।

• ভিশিং:
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বোর্ড বই।
.
কুকিজ কোথায় জমা হয়?
  1. রমে
  2. ক্যাশ মেমোরিতে
  3. হার্ড ডিস্কে
  4. র‍্যামে
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট ব্যবহার এখন অনেক সহজলভ্য এবং এটি অনেক উপকারে আসে ।
- ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- এতে কম্পিউটারের কাজের গতি হ্রাস পায়।
- প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পর পর ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করতে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
কম্পিউটার ফায়ারওয়ালের কাজ কী?
  1. সহায়ক মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
  2. প্রধান মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  3. কম্পিউটার পারফর্মেন্স এর গতি বৃদ্ধিতে।
  4. ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে। 
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- ফায়ারওয়াল- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধের ধরন নয়?
  1. Sasser
  2. Cyberstalking
  3. Phishing
  4. Spamming
ব্যাখ্যা
♦ সাইবার অপরাধ:
• ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
• বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার বুলি,
- স্পুফিং,
- ফিশিং,
- স্নিকিং,
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

- Sasser একটি কম্পিউটার ভাইরাস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।