পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
[For iPad Mania] --------------------------- বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিক - শব্দ প্রকরণ [শব্দের শ্রেণিবিভাগ; শব্দের উৎসমূল; ধাতু] উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
'চাহ্' ধাতুটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) চিৎকার করা।
  2. খ) সিক্ত হওয়া।
  3. গ) প্রার্থনা করা। 
  4. ঘ) ছিন্ন হওয়া।
ব্যাখ্যা
• বিদেশাগত ধাতু:
- হিন্দি এবং আরবি-ফারসি ভাষা থেকে যেসকল ধাতু বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে তাকে বিদেশাগত ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলে।
- যেমন: ভিক্ষে মেগে খায়। এ বাক্যে- ‘মাগ্‌’ ধাতু হিন্দি ‘মা’ থেকে আগত।

• কয়েকটি বিদেশি ধাতুর উদাহরণ দেয়া হলো:
- আঁট = শক্ত করে বাঁধা।
- ফির্ = পুনরাগমন, পুনরাবৃত্তি।
- খাট্ = মেহনত করা।
- চাহ্ = প্রার্থনা করা। 
- চেঁচু = চিৎকার করা।
- বিগড় = নষ্ট হওয়া।
- জম্ = ঘনীভূত হওয়া।
- ভিজ্‌ = সিক্ত হওয়া।
- ঠেল্ = ঠেলা।
- ডাক্‌ = আহ্বান করা।
- টুট্‌ = ছিন্ন হওয়া।
- লটক = ঝুলানো।
- ডর্ = ভীত হওয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোনটি তৎসম শব্দের উদাহরণ?
  1. ক) জিভ
  2. খ) সচিবালয়
  3. গ) ঘোড়া
  4. ঘ) কুমির
ব্যাখ্যা
• তৎসম শব্দ:
- সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকে তৎসম শব্দ বলা হয়।
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলোকেও তৎসম শব্দ বলে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি তৎসম শব্দ: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• তদ্ভব শব্দ:
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
উদাহরণ: হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত, হাতি, ঘোড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ)।
.
কোনটি আরবি ভাষার শব্দ?
  1. ক) কলম
  2. খ) রোজা
  3. গ) বোতল
  4. ঘ) তোশক
ব্যাখ্যা
• আরবি শব্দ:
- আল্লাহ, হারাম, হালাল, হজ, জাকাত, ঈদ, উকিল, কলম, নগদ, বাকি, আদালত ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
রোজা ও তোশক হচ্ছে ফারসি শব্দ।
বোতল হচ্ছে পর্তুগিজ শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ)।
.
'দোজখ' কোন ভাষা হতে আগত শব্দ?
  1. ক) দেশি
  2. খ) ফারসি
  3. গ) তৎসম
  4. ঘ) আরবি
ব্যাখ্যা
- 'দোজখ' শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।

• কয়েকটি ফারসি ভাষার শব্দ হলো:
- খোদা, দোজখ, নামাজ, রোজা, চশমা, তারিখ, তোশক, দোকান, কারখানা, আমদানি, জানোয়ার ইত্যাদি ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ)।
.
'দারোগা' শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
  1. ফারসি
  2. ফরাসি
  3. হিন্দি
  4. ওলন্দাজ
ব্যাখ্যা

দারোগা (বিশেষ্য) 
অর্থ : 
থানার অধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত কর্মচারী; পুলিশের ইন্সপেক্টর বা সাবইন্সপেক্টর।

দারোগা ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ। 
 
উৎস : বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 

=================
উল্লেখ্য - মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ) অনুসারে - দারোগা তুর্কি ভাষার শব্দ।
কিন্তু এক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির আধুনিক বাংলা অভিধান এর তথ্য অধিক গ্রহণযোগ্য। 

# মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বইয়ের কয়েকটি বিদেশি শব্দের উৎস সম্পর্কিত ‘ভুল বা বিভ্রাট’ নিয়ে আলোচনা ও সমাধান সংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে অ্যাপের প্রিমিয়াম সেকশন থেকে আমাদের তথ্যকল্পদ্রুম এর ১, ১২ ও ১৩ নাম্বার পোস্টগুলো দেখুন।

ফেসবুক পোস্ট লিংক:
লিংক - ১
লিংক - ২

.
'ঘনীভূত হওয়া' অর্থে কোন ধাতুটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) জম্
  2. খ) ভিজ্‌
  3. গ) টুট্‌
  4. ঘ) বিগড়
ব্যাখ্যা
• বিদেশাগত ধাতু:
- হিন্দি এবং আরবি-ফারসি ভাষা থেকে যেসকল ধাতু বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে তাকে বিদেশাগত ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলে।
- যেমন: ভিক্ষে মেগে খায়। এ বাক্যে- ‘মাগ্‌’ ধাতু হিন্দি ‘মা’ থেকে আগত।

• কয়েকটি বিদেশি ধাতুর উদাহরণ দেয়া হলো:
- আঁট = শক্ত করে বাঁধা।
- ফির্ = পুনরাগমন, পুনরাবৃত্তি।
- খাট্ = মেহনত করা।
- চাহ্ = প্রার্থনা করা। 
- চেঁচু = চিৎকার করা।
- বিগড় = নষ্ট হওয়া।
- জম্ = ঘনীভূত হওয়া।
- ভিজ্‌ = সিক্ত হওয়া।
- ঠেল্ = ঠেলা।
- ডাক্‌ = আহ্বান করা।
- টুট্‌ = ছিন্ন হওয়া।
- লটক = ঝুলানো।
- ডর্ = ভীত হওয়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটি মিশ্র ভাষার শব্দ?
  1. ক) ওকালতনামা
  2. খ) কেতাদুরস্ত
  3. গ) সিলমোহর
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- উপরের সবগুলো মিশ্র ভাষার শব্দ।

• কয়েকটি 'ইংরেজি + ফারসি' ভাষার শব্দ:
- হেডমৌলভি, ডাক্তারখানা, ডাক্তারবাবু, সিলমোহর, জেলখানা।

• কয়েকটি 'আরবি + ফারসি' ভাষার শব্দ: 
- আদমশুমারি, ওকালতনামা, কেতাদুরস্ত, বরকন্দাজ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যবহারিক ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি।
.
উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভাণ্ডারকে কত ভাগে বিভক্ত করা যায়?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
ব্যাখ্যা
• উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভাণ্ডারকে চার ভাগে বিভক্ত করা যায়।

- উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দগুলো হল- 
১। তৎসম শব্দ।
২। তদ্ভব শব্দ।
৩। দেশি শব্দ।
৪। বিদেশি শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ)।
.
'লেফাফা-দুরস্ত' কোন ভাষার শব্দ?
  1. ক) আরবি-ফারসি
  2. খ) ফারসি-আরবি
  3. গ) আরবি-ফরাসি
  4. ঘ) ফরাসি-আরবি
ব্যাখ্যা
• লেফাফা:
- লেফাফা (বিশেষ্য) যা আরবি ভাষার শব্দ।
- এর অর্থ হচ্ছে চিঠি প্রভৃতি প্রেরণের জন্যে ব্যবহৃত কাগজের তৈরি মোড়ক, খাম।
• দুরস্ত:
- দুরস্ত (বিশেষণ) যা ফারসি ভাষার শব্দ।
- এর অর্থ হচ্ছে জায়েজ, পরিপাটি, অভ্যস্ত।

• নিচে কয়েকটি আরবি-ফারসি ভাষার শব্দ দেওয়া হলো:
- ইনাম-বকশিশ।
- জমা-খরচ।
- মুশকিল-আসান।
- লেফাফা-দুরস্ত।
- সদর-অন্দর।
- হায়া-শরম ইত্যাদি।

উৎস:
১। প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ২য় খণ্ড, বাংলা একাডেমি।
২। প্রমিত বাংলা ব্যবহারিক ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি।
৩। আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
১০.
কোনটি দেশি ভাষার শব্দ?
  1. ক) কুঁড়ি
  2. খ) নাক
  3. গ) হাতি
  4. ঘ) সাপ
ব্যাখ্যা
• দেশি শব্দ:
- বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের (যেমন: তামিল, কোল প্রভৃতি) ভাষার কিছু কিছু শব্দ বাংলায় রক্ষিত হয়েছে। এসব শব্দকে 'দেশি শব্দ' বলে।
- অনেক সময় এসব শব্দের মূল নির্ধারণ করা যায় না; কিন্তু কোন ভাষা থেকে এসেছে তার হদিস মেলে।

• দেশি ভাষার কয়েকটি শব্দ হলো:
- কুলা, গঞ্জ, চোঙ্গা, টোপ, ডাব, ডাগর, ডিঙা, ঢেঁকি, কুঁড়ি, খুকি, পোকা, কানা, কামড় ইত্যাদি।

• তদ্ভব শব্দ:
- প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
- যেমন: হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত, হাতি, ঘোড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।