পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৪৩
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 9” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪৩ প্রশ্ন

.
প্রতাপ ও শৈবলিনীর বাল্যপ্রণয় এবং প্রেমের করুণ পরিণতি, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কোন উপন্যাসের প্রধান কাহিনি?
  1. রাজসিংহ
  2. চন্দ্রশেখর
  3. মৃণালিনী
  4. কৃষ্ণকান্তের উইল
ব্যাখ্যা
‘চন্দ্রশেখর’ উপন্যাস:
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত চন্দ্রশেখর (১৮৭৫) উপন্যাসটি প্রথমে 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় ।
• প্রতাপ ও শৈবলিনীর বাল্যপ্রণয় এবং সেই প্রেমের করুণ পরিণতি এই উপন্যাসের প্রধান কাহিনি। প্রেম, দাম্পত্য আদর্শ, সমাজের শাসন, সতীত্ব ইত্যাদি এই কাহিনিতে বিশেষভাবে সমস্যায়িত হয়েছে।
• এই উপন্যাসের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ বঙ্কিমের নীতি ও প্রথানুগত্য। কেননা, লেখক এখানে ‘তবে যাও প্রতাপ, স্বর্গধামে' বলে নায়ককে পরলোকের পথ দেখিয়েছেন।
• উপন্যাসটির পটভূমি ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠা এবং মির কাসিমের সঙ্গে ইংরেজদের সংগ্রাম।
• ইতিহাসাশ্রয়ী ঘটনার সঙ্গে গার্হস্থ্য জীবনের কাহিনির রূপায়ণ ঘটেছে বলে মির কাসিম-দলনি বেগমের সঙ্গে চন্দ্রশেখর-প্রতাপ-শৈবলিনীর আখ্যান রচিত হয়েছে এই উপন্যাসে।

অন্যদিকে,
-----------------------------
• ‘রাজসিংহ' উপন্যাস:
• ‘রাজসিংহ'(১৮৮২) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস। বঙ্কিমচন্দ্র ‘রাজসিংহ’কে একমাত্র ঐতিহাসিক উপন্যাস বলে আখ্যায়িত করেছেন।
• 'রাজস্থানের চঞ্চলকুমারীকে মোগলসম্রাট আওরঙ্গজেবের বিয়ের ইচ্ছার ফলে রানা রাজসিংহের সঙ্গে তাঁর বিরোধ এবং বিরোধে রাজসিংহের জয় ও চঞ্চলকুমারী লাভ- এই মূল ঘটনাবলম্বনে উপন্যাসটি পরিকল্পিত।

• ‘মৃণালিনী' উপন্যাস:
- ‘মৃণালিনী' (১৮৬৯) ত্রয়োদশ শতাব্দীর বাংলাদেশ ও তুর্কি আক্রমণের ঐতিহাসিক পটভূমিতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস। 
- মগধের রাজপুত্র হেমচন্দ্রের সঙ্গে মৃণালিনীর প্রণয় এবং দেশরক্ষার জন্য হেমচন্দ্রের সংকল্প ও ব্যর্থতার সঙ্গে এক রহস্যময়ী নারী মনোরমার কাহিনি এ উপন্যাসের মূল কথাবস্তু।
- বঙ্কিমের দেশাত্মবোধ এবং ইতিহাস জিজ্ঞাসার প্রথম প্রকাশ পাওয়া যায় এই উপন্যাসে।
- ঐতিহাসিক ঘটনার অন্তরালে হেমচন্দ্র-মৃণালিনী এবং পশুপতি-মনোরমার প্রেমকাহিনি এই উপন্যাসে প্রধান হয়ে উঠেছে।

• কৃষ্ণকান্তের উইল:
- 'কৃষ্ণকান্তের উইল' (১৮৭৮) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং সমকালে বিতর্কিত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র বিধবা নারী 'রোহিণী'কে অবলম্বন করে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নিজেই শিল্পবোধ ও নৈতিক আদর্শের দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন।
- ঔপন্যাসিকের জীবদ্দশায় এই গ্রন্থের চারটি সংস্করণ হয়। প্রধান চরিত্র: রোহিণী, গোবিন্দলাল, ভ্রমর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘ছন্দ সরস্বতী’ ছন্দ-সম্পর্কিত বিখ্যাত গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  4. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
- ১৯১৮ সালে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ছন্দ-সম্পর্কিত প্রসিদ্ধ রচনা ‘ছন্দ সরস্বতী’ ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হলে চারদিকে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। 
- সাহিত্যে ছন্দের কারুকাজ, শব্দ ও ভাষা যথোপযুক্ত ব্যবহারের কৃতিত্বের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে ‘ছন্দের যাদুকর’ নামে আখ্যায়িত করেন। 

-------------------
• সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত:
- কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি ও ছান্দসিক।
- পিতা রজনীনাথ দত্ত ছিলেন কলকাতার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং পিতামহ অক্ষয়কুমার দত্ত ছিলেন তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক।
- সত্যেন্দ্রনাথ ছিলেন ভারতী পত্রিকাগোষ্ঠীর অন্যতম বিশিষ্ট কবি।
- বাংলা ভাষার নিজস্ব বাগধারা ও ধ্বনি সহযোগে নতুন ছন্দসৃষ্টি তাঁর কবিপ্রতিভার মৌলিক কীর্তি। এজন্য তিনি ‘ছন্দের জাদুকর’ ও ‘ছন্দোরাজ’ নামে সাধারণ্যে পরিচিত।
- ১৯২২ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর পর রচিত 'সত্যেন্দ্র-প্রয়াণ' কবিতা কাজী নজরুল ইসলাম লিখেন।

অন্যদিকে,
• বিহারীলাল চক্রবর্তী আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা এবং রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচত।
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতিসন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন। বাংলা গদ্য প্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য তিনি ‘উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ’ ও ‘অনতিলক্ষ্য ছন্দঃস্রোত’ সৃষ্টি করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
‘দেবী চৌধুরাণী’ উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদ করেন কে?
  1. সুবোধ চন্দ্র মিত্র
  2. সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. সৈয়দ আলী আহসান
  4. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা
• ‘দেবী চৌধুরাণী’ উপন্যাস:
- ‘দেবী চৌধুরাণী’ হলো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বাংলা উপন্যাস।
- এটি ১৮৮৪ সালে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে সুবোধ চন্দ্র মিত্র এটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ‘প্রফুল্ল’ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ভিতর থেকে শক্তির সাথে লড়াই করে। এই উপন্যাসে বঙ্কিমচন্দ্র এক নারীকে নেতৃত্ব দিয়ে সংগ্রাম করার কাহিনি উপস্থাপন করেছেন।
- এটি বাংলা ও ভারতীয় সাহিত্যের ইতিহাসে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস। যেহেতু এটি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে ভারতীয় স্বাধীনতার সংগ্রামকে উস্কে দিয়েছিল তাই উপন্যাসটি ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ করেছিল।
- স্বাধীনতার পর ভারত সরকার পরবর্তীতে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়। 

উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- প্রফুল্ল, 
- জমিদার হরবল্লভ রায়,
- ব্রজেসর,
- সাগর,
- নয়ন
- ডাকাত সর্দার ভবানি পাঠক প্রমুখ।

উল্লেখ্য,
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিভিন্ন উপন্যাসে মুসলমানের বিরুদ্ধে হিন্দুর বিজয় দেখানো হয়েছে, যেমন: রাজসিংহ (১৮৮২) এবং সীতারাম (১৮৮৮)।
• বঙ্কিমচন্দ্রে কোন কোন উপন্যাসে আবার ব্রিটিশশক্তির বিরুদ্ধেও হিন্দুজাতির বিজয় দেখানো হয়েছে, যেমন: দেবী চৌধুরাণী এবং আনন্দমঠ।

অন্যদিকে,
• সৈয়দ আলী আহসান বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক।
• দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকের ইংরেজি অনুবাদক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। 

উৎস: ‘দেবী চৌধুরাণী’ উপন্যাস; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'রাজা প্রতিপাদিত্য চরিত্র' গ্রন্থটি কত সালে রচিত হয়?
  1. ১৮০৫ সালে
  2. ১৮০১ সালে
  3. ১৮০৮ সালে
  4. ১৮০২ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষায় প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ 'রাজা প্রতিপাদিত্য চরিত্র' (১৮০১) লিখেছেন রামরাম বসু।
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পাঠ্যপুস্তকের অভাব দূর করার জন্য এই গ্রন্থটি লিখেন৷

----------------------
• ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ:

- লর্ড ওয়েলেসলি কর্তৃক ১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ৪ঠা মে কলেজের প্রতিষ্ঠা দিবস হলেও ২৪শে নভেম্বর থেকে কলেজের কাজ শুরু হয়েছিল।
- দেশীয় ভাষা শিক্ষা দিয়ে সিবিলিয়ানদের উপযুক্ত করে তোলার জন্যই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠা।
- এই কলেজে ১৮০১ সালে বাংলা বিভাগ প্রবর্তিত হলে অধ্যক্ষ হিসেবে আসেন শ্রীরামপুর মিশনের পাদ্রি এবং বাইবেলের অনুবাদক বাংলায় অভিজ্ঞ উইলিয়াম কেরি।
- তিনি তাঁর অধীনস্ত দু জন পণ্ডিত এবং ছয় জন সহকারী পণ্ডিতের সহযোগিতায় বাংলা গদ্যে কলেজের পাঠোপযোগী পুস্তক রচনায় আত্মনিয়োগ করেন। তাঁদের প্রচেষ্টার ফলাফল দিয়েই বাংলা গদ্যের অনুশীলনে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ভূমিকা নিরূপণ করা হয়।

ফোর্ট উইলিয়ামের পর্বে ১৮০১ থেকে ১৮১৫ সালের এই সময়ের মধ্যে ৮ জন লেখক ১৩ খানি বাংলা গদ্যপুস্তক লিখেছিলেন এগুলো হলো:

• কেরি রচিত: কথোপকথন (১৮০১); ইতিহাসমালা (১৮১২) ।
•  রামরাম বসু রচিত: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র (১৮০১); লিপিমালা (১৮০২) ।
• গোলোকথান শর্মা রচিত: হিতোপদেশ (১৮০২)।

• মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত:
- বত্রিশ সিংহাসন (১৮০২);
-  হিতোপদেশ (১৮০৮);
- রাজাবলি (১৮০৮);
- প্রবোধচন্দ্রিকা (১৮৩৩) ।

• তারিণীচরণ মিত্র রচিত: ওরিয়েন্টাল ফেবুলিস্ট (১৮০৩)।
•  রাজীবলোচন মুখোপাধ্যায় রচিত: মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়স্য চরিত্রং (১৮০৫)।

• চণ্ডীচরণ মুন্শী রচিত: তোতা ইতিহাস (১৮০৫)।
• হরপ্রসাদ রায় রচিত: পুরুষ পরীক্ষা (১৮১৫)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'ব্যাধ কালকেতুর কাহিনি' কোন মঙ্গলকাব্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. মনসামঙ্গল
  2. চণ্ডীমঙ্গল
  3. ধর্মমঙ্গল
  4. অন্নদামঙ্গল
ব্যাখ্যা
• 'চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্য:
- 'চণ্ডীমঙ্গল’ চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনি অবলম্বনে লিখিত কাব্য।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি মানিক দত্ত।
- চণ্ডীমঙ্গল ধারার প্রধান বা শ্রেষ্ঠ কবির নাম মুকুন্দরাম চক্রবর্তী৷
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কবি দ্বিজ মাধবকে 'স্বভাব কবি' বলা হয়।
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যে অন্যান্য কবি গুলো হলো: দ্বিজ রামদেব, মুক্তারাম সেন, হরিরাম, লালা জয়নারায়ণ সেন, ভবানীশঙ্কর দাস, অকিঞ্চন চক্রবর্তী।

• এই কাব্যের দুটি উপাখ্যান রয়েছে: প্রথম খণ্ডে- ব্যাধ কালকেতুর কাহিনি এবং দ্বিতীয় খণ্ডে বণিক ধনপতির কাহিনি বর্ণিত হয়েছে।

১. প্রথম উপাখ্যান: একটি ব্যাধ দম্পতি কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনি, চণ্ডী বরে কালকেতুর ধনপ্রাপ্তি নতুন রাজ্যপত্তন, ধূর্ত ভাড়ুদত্তের ষড়যন্ত্রে প্রতিবেশী রাজার সঙ্গে যুদ্ধ।

২. দ্বিতীয় উপাখ্যান: এই উপাখ্যানের নায়ক ধনপতি সওদাগর এবং তার দুই স্ত্রী লহনা ও খুল্লনার কাহিনি বর্ণিত হয়েছে।

চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলাে হলো:
- কালকেতু,
- ফুল্লরা,
- ধনপতি,
- ভাঁড়ুদত্ত,
- মুরারি শীল প্রমুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'যে মেয়ের বয়স দশ বছর' এক কথায় বলে-
  1. কঙ্কণী
  2. কানীন
  3. কন্যকা
  4. কনক
ব্যাখ্যা
• 'যে মেয়ের বয়স দশ বছর' এক কথায় বলে - কন্যকা। 

অন্যদিকে,
• 'যে পুত্রের মাতা কুমারী' এক কথায় বলে - কানীন। 
• 'স্বর্ণের ন্যায় উজ্জ্বল' এক কথায় বলে - কনক। 
• 'কঙ্কণী' শব্দের অর্থ - নুপূর; ছোট ঘুঙুর; কিঙ্কিণী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
'গর্দভরাগিণী' বাগ্‌ধারাটি কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. কাণ্ডজ্ঞানহীন
  2. কর্কশ সুর
  3. শ্রমকাতুরে
  4. হতবুদ্ধি হওয়া
ব্যাখ্যা
• ‘গর্দভরাগিণী’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - কর্কশ সুর।

অন্যদিকে,
• 'গোঁয়ার গোবিন্দ' অর্থ - কাণ্ডজ্ঞানহীন। 
• 'চিনির পুতুল' অর্থ - শ্রমকাতুরে। 
• 'আক্কেল গুড়ুম' অর্থ - হতবুদ্ধি হওয়া।  

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'হাল' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. হরদম
  2. অস্থাবর
  3. সাবেক
  4. বহাল
ব্যাখ্যা
• 'হাল' শব্দের অর্থ: অবস্থা; দশা, বর্তমান কাল, বর্তমান; উপস্থিত; আধুনিক; চলতি। 
• 'সাবেক' শব্দের অর্থ: পূর্ববর্তী; আগেকার; পূর্বতন।

• 'হাল' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - সাবেক। 

অন্যদিকে,
• হরদম - হঠাৎ।
• স্থাবর - অস্থাবর।
• 'বহাল' শব্দের অর্থ- নিযুক্ত, অটুট, স্থায়ী। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২- সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি অভিধান।
.
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি কোনটি?
  1. দুরাত্মা
  2. তন্মধ্যে
  3. ক্ষুন্নিবৃত্তি
  4. মার্তণ্ড
ব্যাখ্যা
• নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি:
- স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির মিলনকে স্বরসন্ধি বলে।
- কতগুলো সন্ধি এই নিয়মের অনুসরণ করে হয় না। সেগুলোকে নিপাতনেসিদ্ধ স্বরসন্ধি বলে।
যেমন:
- কুল + অটা = কুলটা (কুলাটা নয়);
- গো + অক্ষ = গবাক্ষ (গবক্ষ নয়);
- প্র + ঊঢ় = প্রৌঢ় (প্রোঢ় নয়);
- রক্ত + ওষ্ঠ = রক্তোষ্ঠ;
- মার্ত + অণ্ড = মার্তণ্ড;
- শুদ্ধ + ওদন = শুদ্ধোদন।

অন্যদিকে,
• বিসর্গ সন্ধি:
পূর্বপদের শেষে যদি অ/আা ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনির পর বিসর্গ (র-জাত) থাকে এবং পরপদের প্রথমে যদি স্বরধ্বনি থাকে তবে সন্ধির ফলে বিসর্গ র্‌ হয়ে যায় এবং পরের স্বরধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন:
• উঃ + আ = উ + রা:
- দুঃ + আত্মা = দুরাত্মা,
- দুঃ + আশা = দুরাশা।

• ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম:
আগে ৎ, দ্‌, ধ্‌ এবং পরে ন্‌ / ম্‌ থাকলে ৎ, দ্‌ বা ধ্‌ স্থানে ন্‌ হয়, এবং পরের ন-এর সঙ্গে মিলে ন্ন কিংবা ম এর সঙ্গে মিলে ন্ম হয়।
যেমন:
- উৎ + নতি = উন্নতি;
- ক্ষুধ্‌ + নিবৃত্তি = ক্ষুন্নিবৃত্তি;
- রাধ্‌ + না = রান্না;
- তদ্ + মাত্র = তন্মাত্র;
- সৎ + মার্গ = সন্মার্গ;
- মৃৎ + ময় = মৃন্ময়।

• ব্যঞ্জনধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি:
স্বরে-ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে-স্বরে ও ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। যেমন:
• চলৎ + চিত্র = চলচ্চিত্র;  
• বিপদ্ + জনক = বিপজ্জনক;
• বাক্ + দান = বাগ্দান;
• তৎ + মধ্যে = তন্মধ্যে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
‘Bond’ শব্দের বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. মূল্যপত্র-সার
  2. প্রতিজ্ঞাপত্র
  3. জ্ঞাপনপত্র
  4. বায়না-পত্র
ব্যাখ্যা
• ‘Bond’ শব্দের বাংলা পরিভাষিক শব্দ - প্রতিজ্ঞাপত্র, মুচলেকা, ঋণপত্র, বন্ধকপত্র। 

অন্যদিকে,
• 'Bill Extract' অর্থ - মূল্যপত্র-সার।  
• 'Bulletin' অর্থ - জ্ঞাপনপত্র। 
• 'Document; Deed' অর্থ - বায়নাপত্র।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা এবং অভিগম্য অভিধান।
১১.
'যুবজানি' কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. বহুব্রীহি সমাস
  2. দ্বন্দ্ব সমাস
  3. কর্মধারয় সমাস
  4. অব্যয়ীভাব সমাস
ব্যাখ্যা
• বহুব্রীহি সমাস:
যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনােটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বােঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- বউ ভাত পরিবেশন করে যে অনুষ্ঠানে = বউভাত।
- লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি ইত্যাদি।

• বহুব্রীহি সমাসে ‘সমান” শব্দের স্থানে 'স' এবং 'সহ' হয়।
যেমন:
- সমান কর্মী যে = সহকর্মী।
- সমান বর্ণ যার = সবর্ণ।
- সমান উদর যার = সহোদর ইত্যাদি।

• বহুব্রীহি সমাসে সমস্তপদে 'অক্ষি' শব্দের স্থলে 'অক্ষ' এবং 'নাভি' শব্দ বলে 'নাভ হয়।
যেমন:
- কমলের ন্যায় অক্ষি যার = কমলাক্ষ।
- পদ্ম নাভিতে যার = পদ্মনাভ। 

• বহুব্রীহি সমাসে পরপদে 'জায়া' শব্দ স্থানে 'জানি' হয় এবং পূর্বপদের কিছু পরিবর্তন হয়।
যেমন:
- যুবতী জায়া যার = যুবজানি ('যুবতী' স্থলে 'যুব' ও 'জায়া' স্থলে 'জানি' হয়েছে)।

• বহুব্রীহি সমাসে পরপদের ‘চূড়া' শব্দ সমস্তপদে ‘চূড়' ও 'কর্ম' শব্দ সমস্তপদে 'কর্মা' হয়।
যেমন:
- চন্দ্ৰ চূড়ায় যার = চন্দ্রচূড়।
- বিচিত্র কর্ম যার = বিচিত্রকর্মা।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
কবি নজরুলের 'দারিদ্র্য' কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা?
  1. অমিত্রাক্ষর ছন্দে
  2. স্বরবৃত্ত ছন্দে
  3. অক্ষরবৃত্ত ছন্দে
  4. ছড়ার ছন্দে
ব্যাখ্যা
'দারিদ্র্য' কবিতা: 
- 'দারিদ্র্য' কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত সিন্ধু হিন্দোল কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে লেখা।

• এই কবিতার কয়েকটি লাইন: 
"হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে করেছ মহান্।
তুমি মোরে দানিয়াছ খ্রীষ্টের সম্মান
কন্টক-মুকুট শোভা।-দিয়াছ, তাপস,
অসঙ্কোচ প্রকাশের দুরন্ত সাহস;
উদ্ধত উলঙ্গ দৃষ্টি, বাণী ক্ষুরধার,
বীণা মোর শাপে তব হ’ল তরবার!"

------------------
• 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থ:

- সিন্ধু হিন্দোল কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে এই গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯টি কবিতা রয়েছে।
- কাব্যগ্রন্থটি “বাহার ও নাহার”-কে (হবীবুল্লাহ বাহার চৌধুরী ও শামসুন নাহার) উৎসর্গ করেন।
- 'দারিদ্র্য' কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের সিন্ধু হিন্দোল কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

• এই কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কিছু কবিতা হলো:
গোপন প্রিয়া; অনামিকা; বিদায়-স্মরণে; পথের স্মৃতি; উন্মনা; দারিদ্র্য; বাসন্তী; ফাল্গুনী; বধূ-বরণ; রাখী-বন্ধন; চাঁদনী রাতে; মাধবী-প্রলাপ ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; 'সিন্ধু হিন্দোল' কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস?
  1. আমি বীরাঙ্গনা বলছি
  2. একাত্তরের যীশু
  3. খেলাঘর
  4. নরকে লাল গোলাপ
ব্যাখ্যা
• 'খেলাঘর' উপন্যাস:
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মাহমুদুল হক লিখিত উপন্যাস 'খেলাঘর'। 
উপন্যাসটি তিনটি চরিত্রের মধ্যে রেহানা আক্রান্ত, স্কুলমাস্টার মুকুল প্রতিরোধ গড়ছে আর তারই বন্ধু কলেজ-শিক্ষক ইয়াকুব দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।

উপন্যাসে মুকুল চরিত্রটি খুব স্পষ্ট। তার চোখ ভরা স্বপ্ন, বুক ভরা সাহস, দেশ স্বাধীন হবেই, গেরিলারা পাক-সেনাদের পরাজিত করবেই। ইয়াকুব চরিত্রটি শুধু দ্বিধাগ্রস্তই নয় অস্পষ্টও। তার দেশপ্রেম আছে অথচ মনে করে- 'এই পরিস্থিতি চুপচাপ বসে থাকা ছাড়া আর কীইবা করার আছে। এক পর্যায়ে তাকে পরিত্যাক্ত এক বাড়ি, আদিনাথের ভিটাকে নির্দেশ করে বেশ দার্শনিকের মতো কথা বলতে শোনা যায়; "কেন যে মানুষ জায়গা-জমি করে, এখন এখানে বাতি জ্বালাবার কেউ নেই, ক'দিনেরই বা সব।"

আর পুরো উপন্যাসজুড়ে রেহানা চরিত্রটি দুর্বোধ্য, তার আচরণ দেখে ইয়াকুবের পাশাপাশি পাঠকও বুঝে উঠতে পারে না, সে মাঝে মাঝেই অযৌক্তিক আচরণ কেন করে। অবশ্য উপন্যাসের একেবারে শেষের দিকে তার কার্যকারণসূত্র খুঁজে পাওয়া যায়।

--------------
অন্যদিকে,
• নীলিমা ইব্রাহিম রচিত 'আমি বীরাঙ্গনা বলছি' মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক একটি প্রবন্ধ গবেষণা গ্রন্থ। গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৫ সালে।
• 'একাত্তরের যীশু' নামের গল্পটি প্রথম ছাপা হয় ১৯৭৩ সালে দৈনিক বাংলা পত্রিকায়। তারপর বাংলা একাডেমির একটা সংকলনে সবশেষ বইয়ে ছাপা হয়েছে ১৯৮৫ সালে। মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে একটি শান্ত-সুনিবিড় জনপদকে ঘিরে রচিত হয়েছে 'একাত্তরের যিশু'।
• আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত ‘নরকে লাল গোলাপ’ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক একটি নাটক। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাস, ড. সৌমিত্র শেখর এবং'খেলাঘর' উপন্যাস।
১৪.
সাঁওতাল বিদ্রোহ নিয়ে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. কবি
  2. অরণ্যবহ্নি
  3. কালিন্দী
  4. রসকলি
ব্যাখ্যা
• 'অরণ্যবহ্নি' উপন্যাস:
- 'অরণ্যবহ্নি' উপন্যাসের রচয়িতা তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। 
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে। 
- আদিবাসী সাঁওতাল বিদ্রোহ নিয়ে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচনা করেন এ উপন্যাস। 

অন্যদিকে,
• 'কবি' উপন্যাসটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ডোম সম্প্রদায়ের একজন যুবকের কবিরূপে প্রতিষ্ঠা এবং দুটি নারীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বিষয়ক উপন্যাস।
এই উপন্যাসের “জীবন এত ছোট ক্যানে” সংলাপটি ক্লাসিকের মর্যাদা পেয়েছে।

• 'কালিন্দী’ নদীর বুকে উৎপন্ন চর কে কেন্দ্র করে তৈরি বিবাদ নিয়ে, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৪০ সালে প্রকাশিত হয়।

• ‘রসকলি’ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ছোটগল্প।

-----------------------
• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, একজন কথাসাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ।
- তিনি ১৮৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় এক জমিদারবংশে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তারাশঙ্করের প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়।
- তারাশঙ্করের ত্রয়ী উপন্যাস- ধাত্রীদেবতা, গণদেবতা, পঞ্চগ্রাম।

• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- চৈতালি ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- কবি,
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা,
- গণদেবতা,
- আরগ্য নিকেতন,
- পঞ্চপুণ্ডলী,
- রাধা ইত্যাদি।

• তাঁর প্রসিদ্ধ ছোটগল্প:
- রসকলি,
- বেদেনী,
- ডাকহরকরা।

• তাঁর রচিত নাটক:
- দ্বীপান্তর,
- পথের ডাক,
- দুই পুরুষ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'একেই কি বলে সভ্যতা' অনুসরণে রচিত প্রহসন কোনটি?
  1. এর উপায় কি?
  2. সীতার বনবাস
  3. টালা অভিনয়
  4. সধবার একাদশী
ব্যাখ্যা
• সধবার একাদশী:
- 'সধবার একাদশী' দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন। প্রহসনটি ১৮৬৬ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- ‘সধবার একাদশী' প্রহসনে তৎকালীন ইয়ংবেঙ্গল দলের উচ্ছৃঙ্খলতা ও অনাচারের চিত্র অঙ্কন করা হয়েছে।
- ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে সুরাপান ও বেশ্যাবৃত্তি যুবকদের জীবনে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল। এই সামাজিক বিপর্যয় এর কাহিনি নিয়ে নাটকটির রচিত।
- প্রহসনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'একেই কি বলে সভ্যতা' অনুসরণে রচিত। 

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- নিমচাঁদ,
- কেনারাম,
- সৌদামিনী,
- গিন্নী,
- কাঞ্চন ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• 'এর উপায় কি?' মীর মশাররফ হোসেন রচিত প্রহসন।
• গিরিশচন্দ্র ঘোষ রচিত পৌরাণিক নাটক ‘সীতার বনবাস’ এবং ‘সীতার বনবাস’ নামে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি গদ্যগ্রন্থও রয়েছে।
• 'টালা অভিনয়' মীর মশাররফ হোসেন রচিত - প্রহসন। এটি ১৮৯৭ সালে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম।
১৬.
'খপাখপ' কোন ধরনের দ্বিরুক্ত শব্দের উদাহরণ?
  1. অনুকার দ্বিরুক্তি
  2. পুনরাবৃত্ত দ্বিরুক্তি
  3. ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি
  4. পদাত্ম্যাক দ্বিরুক্তি
ব্যাখ্যা
• ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব:
কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। 
যেমন- ঠন একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ। কোনো ধাতব পদার্থের সঙ্গে অন্য পদার্থের সংঘর্ষে এই ধরনের ধ্বনি তৈরি হয়। ঠন শব্দটি পরপর দুই বার বা কখনো ততোধিক বার ব্যবহৃত হলে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব সৃষ্টি হয়। 
যেমন- সাঁ করে তির ছুটে যায়, সাঁ সাঁ করে তিরগুলো ছুটে যাচ্ছে, সাঁ সাঁ সাঁ করে অসংখ্য তির চারদিকে ছুটে গেল।

অনেক সময়ে কল্পিত ধ্বনির ভিত্তিতেও ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব তৈরি হয়।
যেমন:
- ফোরা টনটন করে,
- গা ছমছম করে।

কয়েকটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের উদাহরণ:
কুট কুট, কোঁত কোঁত, কুটুস-কুটুস, খক খক, টুং টুং, ঠুক ঠুক, ধুপ ধুপ, দুম দুম, ঢং ঢং, চকচক, টসটস, থকথকে, ভটভট, হিস হিস।

• কিছু ক্ষেত্রে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের মাঝখানে স্বরধ্বনির আগমন ঘটে। 
যেমন- খপাখপ, গবাগব, ঝটাঝট, ফটাফট, দমাদম, পটাপট।

অন্যদিকে,
• পদাত্ম্যাক বানানটি অশুদ্ধ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৭.
মমতাজউদদীন আহমদের ‘বিবাহ’ নাটকটি কোন পটভূমিতে রচিত?
  1. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
  2. উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  3. সামাজিক ও পারিবারিক সমস্যা
  4. ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• মমতাজউদদীন আহমদ:
- মমতাজউদদীন আহমদ মূলত একজন বিখ্যাত নাট্যকার ছিলেন।
- ১৯৩৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের মালদহে জন্মগ্রহণ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধোত্তর সমাজ বাস্তবতাকে অবলম্বন করে রচিত হয়েছে তাঁর নাট্যভুবন। আঙ্গিকগত পরীক্ষা-নিরীক্ষা নয়, বরং হাস্য-কৌতুকময় বিষয়বস্তুর মাধ্যমে জীবনের কোনো গভীরতর সত্যের সন্ধানই মমতাজউদদীন আহমদের নাট্যসাহিত্যের প্রধান প্রবণতা।
- ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তাঁর নাটকে বহুমাত্রিক ব্যঞ্জনায় শিল্পিতা পেয়েছে। এ ধারায় তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো মধ্যে ‘বিবাহ’ ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে ১৯৬০ সালে মমতাজউদদীন আহমেদ এর লেখা প্রথম নাটক ‘বিবাহ’।

• মমতাজউদদীন আহমেদ রচিত বিখ্যাত নাটকগুলো হলো:
- বর্ণচোরা,
- বকুলপুরের স্বাধীনতা,
- কী চাহ শঙ্খচিল।
- স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা,
- হৃদয়ঘটিত ব্যাপার স্যাপার,
- প্রেম,
- বিবাহ সুটকেস,
- রাজা অনুস্বারের পালা,
- সাত ঘাটের কানাকড়ি,
- রাক্ষুসী,
- এই সেই কণ্ঠস্বর,
- পুত্র আমার পুত্র,
- হাস্য লাস্য ভাষ্য,
- ভালোবাসার দশ নাটক ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং যুগান্তর পত্রিকা,রিপোর্ট প্রকাশের তারিখ: ১০ জানুয়ারি, ২০২৪।
১৮.
গৃহবধূর দিনের বেলায় কাকের ডাক শুনে ভয় পাওয়ার উল্লেখ রয়েছে, কুক্কুরীপা রচিত কোন পদে?
  1. ১৪নং
  2. ২নং
  3. ৩৩নং
  4. ১০নং
ব্যাখ্যা
• কুক্কুরীপা:
- ধারণা করা হয় কুক্কুরীপা খ্রিষ্টীয় অষ্টম শতকে বর্তমান ছিলেন। এবং তিনি তিব্বতের কাছাকাছি কোনো এক অঞ্চলের বাসিন্দা।
- কুক্কুরীপা চর্যাপদের ২, ২০ ও ৪৮নং পদের রচয়িতা।
- তাঁর রচিত ৪৮নং পদটি খুঁজে পাওয়া যায় নি।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ পদ রচনা করেন - কুক্কুরীপা (৩টি)।

কুক্কুরীপা রচিত অতিপরিচিত দুটি পঙ্‌ক্তি হলো:

“দিবসহি বহূড়ী কাউহি ডর ভাই।
রাতি ভইলে কামরু জাই।।” - চর্যাপদের ২নং পদ।

• কুক্কুরীপা একটি পদে (২নং) লিখেছেন, গৃহবধূটি বেশ ছল জানে। সে দিনের বেলায় কাকের ডাক শুনেই ভয় পায়, কিন্তু রাতে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে যায়।

অন্যদিকে,
• কাহ্নপা একটি পদে (১০নং) জানিয়েছেন, এক ডোমিনী নগরে তাঁত ও চেঙারি বিক্রি করে। কাহ্নপার অন্য একটি পদে (১৮নং) ডোমনীর 'ছিনালী' করার কথা আছে।
• ডোম্বীপাদের ১৪নং পদে নারীদের নৌকা চালনা, নৌকার জলসিঞ্চন, লোক পারাপার ইত্যাদির মতো কর্মে যুক্ত থাকার উল্লেখ পাওয়া যায়। তাছাড়া নারীরা গুরুর স্থানও অধিকার করেছিল।
• চর্যাকার ঢেণ্ডণপা রচিত পদসংখ্যা ১টি (৩৩নং পদ)।এই একটি পদে বাঙালি জীবনে চিরায়ত দারিদ্র্যের ছবি চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। লোক শূন্য স্থানে প্রতিবেশীহীন আমার বাড়ি। হাঁড়িতে ভাত নেই, অথচ প্রেমিক এসে ভিড় করে বলে উল্লেখ রয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৯.
অ্যাডগার এলেন পো-র কবিতার প্রভাব রয়েছে জীবনানন্দ দাশ রচিত কোন কবিতায়?
  1. মৃত্যুর আগে
  2. হায় চিল
  3. বনলতা সেন
  4. ধূসর পাণ্ডুলিপি
ব্যাখ্যা
• জীবনানন্দ দাশ:
- 'রূপসী বাংলার কবি', 'নির্জনতার কবি', 'তিমির হননের কবি', 'ধূসরতার কবি' নামে পরিচিত জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তিনি ছিলেন একজন কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক। তিনি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।
- মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন বিখ্যাত কবি।
- জীবনানন্দ ছিলেন বাংলা কাব্যান্দোলনে রবীন্দ্রবিরোধী তিরিশের কবিতা নামে খ্যাত কাব্যধারার অন্যতম কবি।
- তাঁর 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' কাব্যের অন্তর্গত 'মৃত্যুর আগে' কবিতার সাথে আইরিশ কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস-এর 'The falling of the Leaves' কবিতার মিল রয়েছে।
- তাঁর 'মহাপৃথিবী' কাব্যের অন্তর্গত 'হায় চিল' কবিতার সাথে ইয়েটস্‌-এর 'He reproves the curlow' কবিতার মিল রয়েছে।
- 'বনলতা সেন' কবিতাটিতে অ্যাডগার এলেন পো-র 'টু হেলেন' কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বাংলাদেশে ষাটের দশকে বাঙালির জাতিসত্তা বিকাশের আন্দোলনে এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে সংগ্রামী বাঙালি জনতাকে তাঁর 'রূপসী বাংলা' তীব্রভাবে অনুপ্রাণিত করে।
- জীবনানন্দ দাশের 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ নিখিলবঙ্গ রবীন্দ্রসাহিত্য সম্মেলনে পুরস্কৃত (১৯৫৩) হয়।
- এছাড়া জীবনানন্দ দাশের 'শ্রেষ্ঠ কবিতা' গ্রন্থটিও ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৫৪) লাভ করে।
- ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরাপালক,
- ধূসর পাণ্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- মাল্যবান,
- সতীর্থ,
- বিভা,
- জলপাইহাটি,
- কল্যাণী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমি
২০.
মাইকেল মধুসূদন দত্ত কোন মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে 'মেঘনাদবধ' কাব্যটি রচনা করেন?
  1. মহাভারতের যুদ্ধের কাহিনির
  2. অসহযোগ আন্দোলনের
  3. স্বদেশী আন্দোলনের
  4. সিপাহি বিপ্লবের স্বাধীনতার
ব্যাখ্যা
• 'মেঘনাদবধ' কাব্য:
- মধুসূদনের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম এবং শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য।
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য'।
- সংস্কৃত মহাকাব্য 'রামায়ণ' এর ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ কাহিনি অবলম্বন করে মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালের জুন মাসে 'মেঘনাদবধ কাব্য' রচনা করেন।
- ১৮৫৭ সালে সংঘটিত সিপাহি বিপ্লবের স্বাধীনতামন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে রাবণকে নায়ক এবং রামকে খলনায়ক করে মধুসূদন দত্ত এটি রচনা করেন।
- নয় সর্গে রচিত মেঘনাদবধ কাব্যে বর্ণিত আছে- মোট তিন দিন দুই রাতের ঘটনা।
- কাব্যের কয়েকটি প্রধান চরিত্র: রাবণ, মেঘনাদ, লক্ষ্মণ, রাম, প্রমীলা, বিভীষণ, সীতা, সরমা ইত্যাদি।
- কাব্যের সর্গগুলো হলো: অভিষেক, অস্ত্রলাভ, সমাগম, অশোক বন, উদ্যোগ, বধ, শক্তিনির্ভেদ, প্রেতপুরী, সংস্ক্রিয়া।

উল্লেখ্য,
• 'বৃত্রসংহার' হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত মহাকাব্য। মহাভারতের কাহিনি অবলম্বনে রচিত হয়েছে এ কাব্যটি এবং এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা এতে মূলত সমসাময়িক সমাজের অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের জয় ঘোষিত হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
২১.
বাংলা ভাষায় রচিত শ্রেষ্ঠ চৈতন্য জীবনীগ্রন্থ কোনটি?
  1. চৈতন্য-চরিতামৃত
  2. চৈতন্য-ভাগবত
  3. শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃতম
  4. চৈতন্য-মঙ্গল
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষায় রচিত শ্রেষ্ঠ চৈতন্য জীবনীগ্রন্থ 'চৈতন্য-চরিতামৃত'। গ্রন্থটি রচনা করেন কৃষ্ণদাস কবিরাজ।

অন্যদিকে,
• চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনী লেখক হিসেবে মুরারি গুপ্ত কৃতিত্বের অধিকারী। 'মুরারি গুপ্তের কড়চা' নামে পরিচিত তাঁর কাব্যের প্রকৃত নাম, শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃতম।
• বাংলা ভাষায় রচিত শ্রী চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনীগ্রন্থ হলো বৃন্দাবন দাস রচিত 'চৈতন্য-ভাগবত'।
• 'চৈতন্য-মঙ্গল' বাংলায় ভাষায় লোচন দাস রচিত শ্রী চৈতন্যদেবের দ্বিতীয় জীবনীগ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষার ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
২২.
"যা আমাদের ত্যাগের দিকে, তপস্যার দিকে নিয়ে যায় তাকেই বলি মনুষ্যত্ব, মানুষের ধর্ম।"- উক্তিটির রচিয়তা কে?
  1. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• 'মানুষের ধর্ম' প্রবন্ধগ্রন্থ:
- 'মানুষের ধর্ম' (১৯৩৩) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ধর্মচিন্তা বিষয়ক প্রবন্ধগ্রন্থ।
- ১৯৩২ সালে রবীন্দ্রনাথ প্রদত্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে কমলা স্মৃতি বক্তৃতাগুলোই এর মূল লেখা।
- তাঁর ধর্মচিন্তা, বিশেষ করে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম বিষয়ে তাঁর বীতরাগ এবং উদার মানবিক-আধ্যাত্মিকতাবোধের কবিত্বময় প্রকাশ এই বক্তৃতা তথা লেখাগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য।

প্রবন্ধটির বক্তৃতার কিছু অংশ হলো-
"মানুষ আছে তার দুই ভাবকে নিয়ে, একটা তার জীবভাব, আর-একটা বিশ্বভাব। জীব আছে আপন উপস্থিতকে আঁকড়ে, জীব চলছে আশু প্রয়োজনের কেন্দ্র প্রদক্ষিণ করে। মানুষের মধ্যে সেই জীবকে পেরিয়ে গেছে যে সত্তা সে আছে আদর্শকে নিয়ে। এই আদর্শ অন্নের মতো নয়, বস্ত্রের মতো নয়। এ আদর্শ একটা আন্তরিক আহ্বান, এ আদর্শ একটা নিগূঢ় নির্দেশ। কোন্ দিকে নির্দেশ? যে দিকে সে বিচ্ছিন্ন নয়, যে দিকে তার পূর্ণতা, যে দিকে ব্যক্তিগত সীমাকে সে ছাড়িয়ে চলেছে, যে দিকে বিশ্বমানব।" 

তাছাড়া এই প্রবন্ধগ্রন্থের ভূমিকায় রবীন্দ্রনাথ মানুষের ধর্ম সম্পর্কে বলেছেন -"যা আমাদের ত্যাগের দিকে, তপস্যার দিকে নিয়ে যায় তাকেই বলি মনুষ্যত্ব, মানুষের ধর্ম।"

------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি  দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স  দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর বেণীমাধব রায়চৌধুরীর মেয়ে মৃণালিনী দেবী রায়চৌধুরীকে বিয়ে করেন রবীন্দ্রনাথের ঠাকুর।
- তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ- 
- পঞ্চভূত 
- বিচিত্র প্রবন্ধ
- সাহিত্য
- কালান্তর
- সভ্যতার সংকট

সূত্র: মানুষের ধর্ম প্রবন্ধ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৩.
'আরামকেদারা' শব্দটি কোন কোন ভাষার সংমিশ্রণে গঠিত?
  1. ফারসি ও তুর্কি
  2. আরবি ও পর্তুগিজ
  3. ফারসি ও পর্তুগিজ
  4. আরবি ও ফারসি
ব্যাখ্যা
• 'আরামকেদারা' বিশেষ্য পদ,
- আরাম (ফারসি) ও কেদারা (পর্তুগিজ) ভাষা থেকে আগত শব্দ- আরামকেদারা। 
অর্থ:
- সহজে ভাঁজ করে রাখা যায় বা কাপড়ের আসনবিশিষ্ট চেয়ার। 

• ফারসি ভাষা থেকে আগত আরো কিছু শব্দ হলো: 
গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, লুঙ্গি, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চারপায়া, ছয়লাপ ইত্যাদি।

• পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো:
আনারস, গির্জা, পেয়ারা, পেঁপে, সালোয়ার, চাবি, বালতি, গুদাম, পাউরুটি, পাদরি, কামরা, বোতল, জানালা, বোতাম, তোয়ালে।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৪.
বিপ্রকর্ষ ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. প্রীতি > পিরীতি
  2. তুর্ক > তুরুক
  3. মুরগ > মুরােগ > মােরগ
  4. সুবর্ণ > স্বর্ণ
ব্যাখ্যা
• বিপ্রকর্ষ ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ নয়- সুবর্ণ > স্বর্ণ।

• সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ:
দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে বলা হয় সম্প্রকর্ষ।
যেমন:
ক. আদি স্বরলোপ: অলাবু > লাবু > লাউ।
খ. মধ্যস্বর লোপ: অগুরু > অগ্রু; সুবর্ণ > স্বর্ণ।
গ. অন্ত্যস্বলোপ: আজি > আজ; চারি > চার ইত্যাদি।

-------------------
• মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি (Anaptyxis):

সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে, একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।
যেমন:
অ:
- রত্ন > রতন,
- ধর্ম > ধরম,
- স্বপ্ন > স্বপন,
- হর্ষ > হরষ ইত্যাদি।

ই:
- প্রীতি > পিরীতি,
- ক্লিপ > কিলিপ,
- ফিল্ম > ফিলিম ইত্যাদি।

উ:
- মুক্তা > মুকুতা,
- তুর্ক > তুরুক,
- ভ্রূ > ভুরু ইত্যাদি।

এ:
- গ্রাম > গেরাম,
- প্ৰেক > পেরেক,
- স্রেফ > সেরেফ ইত্যাদি।

ও:
- শ্লোক > শােলােক,
- মুরগ > মুরােগ > মােরগ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৫.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. ধুমকেতু
  2. পচ্ছন্দ
  3. হৃৎপিণ্ড
  4. শৌখীন
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান- হৃৎপিণ্ড। 

• হৃৎপিণ্ড ((বিশেষ্য পদ),
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত।
অর্থ:
- দেহস্থ ফাঁপা অঙ্গবিশেষ যার নিয়মিত সংকোচন ও প্রসারণের ফলে অঙ্গপ্রত্যঙ্গে রক্ত প্রবাহিত হয়। 

অন্যদিকে.
• পছন্দ (বিশেষণ পদ),
- শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত।
অর্থ:
- মনের মতো, মনঃপূত, ইচ্ছানুযায়ী মনোনীত,
- নির্বাচিত। 

পছন্দ (বিশেষ্য):
অর্থ:
- নির্বাচন,
- মনোনয়ন,
- রুচি। 
--------------
• ধূমকেতু (বিশেষ্য পদ),
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত।

--------------
• শৌখিন (বিশেষণ পদ),
- শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত।
অর্থ:
- বিলাসী,
- শখ মেটায় এমন। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।s
২৬.
Choose the correct sentence.
  1. Many a workers toils hard for a living, but the privileged enjoys an easy life.
  2. Many a worker toil hard for a living, but the privileged enjoys an easy life.
  3. Many a workers toils hard for a living, but the privileged enjoy an easy life.
  4. Many a worker toils hard for a living, but the privileged enjoy an easy life.
ব্যাখ্যা
• সঠিক বাক্যটি হবে - Many a worker toils hard for a living, but the privileged enjoy an easy life.
- Bangla Meaning: অনেক শ্রমিক জীবিকার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে, কিন্তু সুবিধাভোগীরা আরামদায়ক জীবন উপভোগ করে।

• Many a/an এর পর Singular Noun এবং তার পর Singular Verb বসে।
- তাই এখানে Singular Noun worker এবং Singular Verb হিসেবে ‍toils বসবে। 

• Adjective দিয়ে যদি গুণ না বুঝিয়ে ঐ গুণসম্পন্ন সকলকে বুঝায়, তাহলে তা Plural Common Noun এ পরিণত হয় এবং এর পর Plural Verb বসে।
- তাই the privileged এর পর Plural Verb হিসেবে enjoy বসবে।  

• More example: Many a poor man starves but the rich waste a lot of food.
- অনেক গরীব মানুষ না খেয়ে থাকে কিন্তু ধনীরা অনেক খাবার নষ্ট করে।
২৭.
What kind of noun is 'Voice'?
  1. Collective noun
  2. Common noun
  3. Abstract noun
  4. Proper noun
ব্যাখ্যা
• Voice is a common noun
- It is a common noun since it is a noun that is used to describe a thing in general.
- অর্থাৎ, Voice (কথা, কণ্ঠস্বর)  দ্বারা কোনো জিনিসের সাধারন নাম নির্দেশ করা হচ্ছে বিধায় এটি common noun.

• Common Noun:

- A common noun is a name given in common to every person or thing of the same class or kind.
- যে word শ্রেণীবাচক বা জাতিবাচক সাধারণ নামকে বোঝায়, তাকে Common Noun বলে।

• Voice abstract noun নয়, কারণ - যে Noun কোনো অবস্তুগত ধারণা বা গুনকে নির্দেশ করে, যার কোনো বাহ্যিক অস্তিত্ব নেই এবং যা ছোঁয়া যায় না, গন্ধ দ্বারা বা শ্রবন দ্বারা বোঝা যায় না কিন্তু কল্পনা দ্বারা বোঝা যায় তাদেরকে Abstract Noun বলে।
- কিন্তু Voice (কথা, কণ্ঠস্বর) শোনা যায়, গণনা করা যায়।
২৮.
A stranger has knocked at the door several times. (Passive)
  1. The door has being knocked at by a stranger several times.
  2. The door has been knocked on by a stranger several times.
  3. The door was knocked at by a stranger several times.
  4. The door has been knocked at by a stranger several times.
ব্যাখ্যা
• Present perfect Tense এর Active voice থেকে Passive voice করার নিয়ম -
- Object টি subjective form + have been/ has been + মূল verb এর past participle + by + subject এর objective form.
- Active Voice এর sentence এ কোনো Group verb থাকলে Voice change করার সময় Group verb এর Preposition টি verb এর সাথেই থাকে; এর পরে by বসাতে হয়।

• সুতরাং, নিয়মানুযায়ী, সঠিক উত্তর হবে - 
Active Voice: A stranger has knocked at the door several times.
Passive Voice: The door has been knocked at by a stranger several times.
২৯.
Identify the sentence that contains the Co-ordinate clause.
  1. That he is clever is known to all.
  2. They finally arrived at the remote cabin nestled deep within the forest.
  3. She is excited about how the project turned out.
  4. Listen carefully, or you will miss the instructions.
ব্যাখ্যা
• লাইভ পরীক্ষার প্রশ্নে ভুলক্রমে, প্রশ্নের সাথে উত্তর এর অংশটুকুও দিয়ে দেয়া হয়েছিলো।পরবর্তিতে বিষয়টি আমাদের একাডেমিক টিমের নজরে এলে লাইভ পরীক্ষা চলাকালীন সময়েই প্রশ্নটি আপডেট করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমর আন্তরিকভাবে দুঃখিত। 
---------------------------
• Listen carefully, or you will miss the instructions.
• প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে Two independent clauses "Listen carefully" and "you will miss the instructions" are connected by the coordinating conjunction 'or'.
- তাই, এটি একটি Co-ordinate clause.

• Co-ordinate clause :
- দুটি সমজাতীয় independent or principal  clause  যদি কোন সময় Co-ordinating conjunctions (yet, but, or, otherwiaw, and) দিয়ে যুক্ত থাকে তখন তাকে co-ordinate clause  বলে।
- To pick the sentence with a coordinate clause, we need to identify one with two or more independent clauses joined by a coordinating conjunction.

 • Principal Clause:
- যে সকল clause তাদের অর্থ প্রকাশের জন্য অন্য কোনো clause এর উপর নির্ভরশীল নয় তাদের principal clause বলে।
- আধুনিক English Grammar এ Simple sentence কেও clause বলা হয় কারণ Simple sentence গুলাে সর্বদাই principal clause হয়ে থাকে।
- Principal clause কে আবার Main clause বা Independent clause ও বলা হয়।

• That he is clever is known to all এবং They finally arrived at the remote cabin nestled deep within the forest. বাক্যদ্বয় একাই সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে সক্ষম।
- তাই এ দুটি  Principla clause.

• Subordinate clause:
- যে Clause এ একটি subject & একটি Finite verb থাকার পরেও পূর্ণ অর্থ প্রকাশের জন্যে  principal clause এর উপর নির্ভরশীল তাকে Subordinate clause বলে। 

• Subordinate clause সাধারণত who, when how, that, so that, in order to etc. দিয়ে আরম্ভ হয়।
• Subordinate clause তিন প্রকার।
যথা-
1. Noun clause
2. Adjective clause 
3. Adverbial Clause

• She is excited about how the project turned out.
- এটি একটি Principal clause She is excited  এবং Subordinate noun clause - about how the project turned out যোগে গঠিত। 
- Preposition 'about' এর object হিসেবে how the project turned out হচ্ছে noun clause.

Source: Advanced Learner's Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain
৩০.
Identify the correctly spelled word.
  1. Supereintendent
  2. Superientendent
  3. Superintendent
  4. Superentendent
ব্যাখ্যা
• Superintendent (noun)
English Meaning: a person who has a lot of authority and manages and controls an activity, a place, a group of workers, etc.
Bangla Meaning: অধীক্ষক, তত্ত্বাবধায়ক।

Example sentence: The superintendent of the school organized a meeting with the teachers to discuss new policies.
Bangla meaning: বিদ্যালয়ের সুপারিনটেনডেন্ট শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাথে একটি সভা আয়োজন করেছিলেন যাতে নতুন নীতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
৩১.
Identify the correct sentence.
  1. I arrived the decision in consultation by my colleagues.
  2. I arrived to the decision by consultation to my colleagues.
  3. I arrived at the decision in consultation of my colleagues.
  4. I arrived at the decision in consultation with my colleagues.
ব্যাখ্যা
• সঠিক বাক্যটি হবে - I arrived at the decision in consultation with my colleagues.
- বাংলা অর্থ: আমি আমার সহকর্মীদের সাথে পরামর্শ করে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি।

• Arrive at something
English Meaning: to reach an agreement about something.
Bangla Meaning: (সিদ্ধান্ত, মূল্য, বয়স ইত্যাদিতে) উপনীত হওয়া বা পৌঁছানো।
Example sentence: We all argued about it for hours and eventually arrived at a decision.

• In consultation with someone
English Meaning: As part of, or as the result of a discussion about something with someone in order to get their advice or opinion about it.
Bangla Meaning: (কারো সঙ্গে) আলোচনা বা পরামর্শ করা। 
Example sentence: The memorial was designed in consultation with relatives of those who died.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy 
2. Cambridge Dictionary.
3. Oxford Learner's Dictionary.
৩২.
The word 'Colloquial' refers to -
  1. A formal way of speaking that is used in professional settings or official documents.
  2. A casual or informal language, that is used in ordinary or familiar conversation.
  3. A dialect that is only used in literature.
  4. Technical terms used in specific fields of study.
ব্যাখ্যা
• Colloquial (adjective) 
English Meaning: (of language) used in ordinary or familiar conversation; not formal or literary.
Bangla Meaning: কথোপকথনে ব্যবহৃত; কথ্য।

Example sentences: She prefers to use colloquial language when speaking with her friends.
বাংলা অর্থ: সে তার বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলার সময় সাধারণ বা অপ্রাতিষ্ঠানিক ভাষা ব্যবহার করতে পছন্দ করে।

Example sentences: The novel is written in colloquial English, which makes it easier to read for young readers.
বাংলা অর্থ: উপন্যাসটি সাধারণ ইংরেজিতে লেখা, যা তরুণ পাঠকদের জন্য পড়তে সহজ করে তোলে।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
৩৩.
She is getting used ______ alone after her family moved away.
  1. to live
  2. living
  3. to living
  4. live
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - to living
Complete sentence: She is getting used to living alone after her family moved away.
Bangal Meaning: বাংলা অর্থ: তার পরিবার চলে যাওয়ার পর একা থাকার অভ্যাস সে রপ্ত করছে।

• be used to/ get used to এর পর verb+ing বসে। 
- Be used to/get used to এর পরে noun অথবা Gerund বসে।
- Structure: subject + be/get + used to + [verb + ing] / noun.
- be/get used to = অভ্যস্থ থাকা।

• এছাড়াও
• বাক্যে mind, cannot help, could not help, with a view to, look forward to, be used to, worth ইত্যাদির পর কোনাে Verb আসলে উক্ত Verb - এর সাথে ing যুক্ত হয়।
যেমন:
- I am looking forward to seeing you.
- Would you mind helping me with my homework?
- I cannot help laughing at his jokes.
- He joined the course with a view to improving his skills.
- I am used to waking up early every day.
- She is getting used to driving on busy roads.
- This book is worth reading again and again.
৩৪.
What is the meaning of the idiom 'Have feet of clay'?
  1. To have as much work as one can do
  2. To be slightly eccentric or mentally disturbed
  3. To have a bad quality that you keep hidden
  4. To feel very nervous, usually about something you are going to do
ব্যাখ্যা
• Have feet of clay
English Meaning: to have a bad quality that you keep hidden.
Bangla Meaning: যে দোষ লুকিয়ে রাখা হয়। 

Ex. Sentence: Some of the greatest geniuses in history had feet of clay.
Bangla Meaning: ইতিহাসের সবচেয়ে মেধাবিদেরও অনেক গুপ্ত দোষ / কমতি / ত্রুটি ছিলো৷

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
• Have a screw loose
English Meaning: Be slightly eccentric or mentally disturbed / to be mentally unbalanced.
Bangla Meaning: কিছুটা উদ্ভট / পাগলাটে / মানসিকভাবে অসুস্থ

• Have butterflies in the stomach
English Meaning: to feel very nervous, usually about something you are going to do.
Bangla Meaning: খুব বিচলিত বোধ করা। 

• Have one's hands full
English Meaning: have as much work as one can do.
Bangla Meaning: এত ব্যস্ত থাকা যে অন্য কিছু করার সুযোগ না পাওয়া। 

Source: Live MCQ lecture.
৩৫.
Despite numerous obstacles, she continued to persist ___her studies.
  1. on
  2. in
  3. at
  4. to
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর - in
Sentence: Despite numerous obstacles, she continued to persist in her studies.
Bangla Meaning: অনেক বাধা সত্ত্বেও, সে তার পড়াশোনায় অবিচলিত থেকে চলতে থাকল।

• Persist in something/in doing something: 
English Meaning - To try to do or continue doing something in a determined but often unreasonable way. 
Bangla Meaning - যুক্তি, ব্যর্থতা বা বিরোধিতা সত্ত্বেও কোনো বিষয়ে নিজস্ব অভিমত বজায় রাখা; নাছোড়বান্দার মতো অটল থাকা। 

• Example Sentences: 
- He persists in crossing the river even in very windy weather.
- If he persists in asking awkward questions, then send him to the boss.

• এছাড়াও, 
Persist with:
Meaning - কোনো বিষয়ে বিরতিহীনভাবে পরিশ্রম করে যাওয়া।
Example - The government is persisting with its ambitious public works programme.

Source: 
1. Cambridge Dictionary. 
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৬.
The writing of books is a rewarding pursuit. Here, 'writing' and 'rewarding' are respectively -
  1. Participle, Gerund
  2. Gerund, Verbal noun
  3. Verbal noun, Participle
  4. Verbal noun, Gerund
ব্যাখ্যা
• The writing of books is a rewarding pursuit. Here, 'writing' and 'rewarding' are respectively - Verbal noun and Participle.

• Verbal noun: 
কোন বাক্যের Verb + ing - এর পুর্বে the এবং পরে of থাকলে তাকে Verbal Noun বলে।
- The + verb+ing + of = verbal noun.
- Verbal Noun দ্বারা Noun এর কাজ সম্পন্ন হয়।

- নিয়মানুযায়ী writing is the example of verbal noun.
- কারণ, writing এর পূর্বে the ও পরে of বসেছে। 
- তাই The writing of books is a rewarding pursuit. এই বাক্যে writing একটি Verbal Noun.

• অন্যদিকে, 
 • Participle:
- It is the form of a verb that usually ends in "ed" or "ing" and is used as an adjective:
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে। 

- সুতরাং, The writing of books is a rewarding pursuit. - এই বাক্যে rewarding হচ্ছে participle.
- এখানে  'rewarding' pursuit (noun) কে modify করেছে বিধায় এটি adjective.
৩৭.
Identify the correct sentence.
  1. The British government banned a Agnibina of Nazrul.
  2. The British government banned an Agnibina of Nazrul.
  3. The British government banned the Agnibina of Nazrul.
  4. The British government banned Agnibina of Nazrul.
ব্যাখ্যা
• Article এর নিয়মানুযায়ী,
- যদি বিখ্যাত গ্রন্থের নামের পূর্বে লেখকের নাম উল্লেখ করা না থাকে তবে এর পূর্বে article হিসাবে the বসে।
-  The Gitanjali of Rabindranath - এখানে গ্রন্থের নামের পূর্বে লেখকের নাম  নেই, গ্রন্থের নামের পরে  রয়েছে, তাই article বসবে।
- Example sentence: The Gitanjali of Rabindranath is celebrated for its lyrical beauty and profound insights into the human condition.

• সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে -
- Complete sentence: The British government banned the Agnibina of Nazrul.
- কারণ, এখানে, লেখকের নাম গ্রন্থের পরে উল্লেখ করা আছে, তাই গ্রন্থের নামের পূর্বে article হিসেবে the বসেছে।

• কিন্তু বিখ্যাত গ্রন্থের নামের পূর্বে লেখকের নাম থাকলে তার পূর্বে Article বসে না।
- যেমন: Rabindranath’s  Gitanjali - এখানে গ্রন্থের নামের পূর্বে লেখকের নাম  রয়েছে, তাই article বসবেনা। 
- Example sentence: Rabindranath’s Gitanjali was published in 1910.
৩৮.
Everyone but ten old women ______ injured.
  1. was
  2. were
  3. have been
  4. had
ব্যাখ্যা
• but (ছাড়া অর্থে) Preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং স্বাভাবিকভাবে Preposition এর পরের অংশ দ্বারা কখনো Verb নিয়ন্ত্রিত হয় না, বরং তার আগের অংশ অনুযায়ী Verb বসবে।
যেমন - Everyone but nine old women was killed.

• Everybody/ all ইত্যাদি Affirmative অর্থবোধক শব্দ থাকলে but কে Preposition বিবেচনা করা হয়, এবং but এর আগের Noun/ Pronoun অনুযায়ী Verb বসে অর্থাৎ, যদি হ্যাঁবোধক হয়, তাহলে but এর আগের শব্দ অনুসারে verb বসে।
- যেমন: 
- Everyone but seven killers was forgiven.

• অন্যদিকে, 
- but এর আগে Negative অর্থাৎ, nobody/ none ইত্যাদি Negative অর্থবোধক শব্দ থাকলে but কে Conjunction হিসেবে বিবেচনা করা হয়, এবং but এর পরের Noun/ Pronoun অনুযায়ী verb বসে অর্থাৎ, যদি না-বোধক হয়, তাহলে শেষের subject অনুসারে verb বসে।
- None but the graduates were allowed to apply.

• যেহেতু, প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যটি affirmative এ আছে, তাই but এর আগের শব্দানুসারে verb বসবে। 
- তাই শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - was.
- Complete sentence: Everyone but ten old women was injured.
৩৯.
The more time you spend practicing, __________.
  1. the better will you understand the concept.
  2. the better you will understand the concept.
  3. better you will understand the concept.
  4. better will you understand the concept.
ব্যাখ্যা
• প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হচ্ছে - the better you will understand the concept.
- Complete sentence: The more time you spend practicing, the better you will understand the concept.

• Structure:
- The more + present indefinite tense + the better + future indefinite tense.
- কিছু ক্ষেত্রে বাক্যের প্রথম অংশে the more থাকলে পরের অংশে the better হয়।
- auxiliary verb subject এরপরে বসে। 

• প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যের প্রথম অংশে the more + time you spend practicing (present indefinite) ও পরের অংশে the better + you will understand the concept. (future indefinite) বসবে।

More examples:
- The more electricity you use, the higher your bill will be.
- The more you practice speaking, the better you will do it
৪০.
Which subscription sample could be used in an official letter?
  1. Your sister
  2. Sincerely yours
  3. Mr. John Smith, 123 Main Street, New York, NY 10001
  4. Dear Madam
ব্যাখ্যা
• Subscription:
- Subscription or Complimentary close এর অর্থ হচ্ছে বিদায় সম্ভাষণ।
- Personal এবং official দুই ধরণের letter এর একটি গুরুত্বপুর্ণ অংশ হচ্ছে  Subscription.
-  Subscription ছাড়া letter অসম্পুর্ন হয়।
- Persona এবং Official letter এর ক্ষেত্রে Subscription ভিন্ন ধরনের হয়।
- যেমন - 
1. Personal Letter - এর ক্ষেত্রে - Yours lovingly, Your son/daughter/father/mother/brother etc.
2. Formal/Official Letter - এর ক্ষেত্রে - Yours faithfully, Sincerely yours, Your most obedient etc. ব্যবহৃত হয়।

সুতরাং, উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে -  Sincerely yours could be used as subscription in an official letter.

অন্যদিকে, 
- Your sister হচ্ছে Personal Letter/Informal letter - এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হওয়া Subscription.
- Mr. John Smith, 123 Main Street, New York, NY 10001 হচ্ছে superscription যা সাধারণত চিঠির উপরে বা খামের উপরে প্রাপক এবং প্রেরকের তথ্য বা বিষয়বস্তু সংক্ষেপে উল্লেখ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- Dear Madam হচ্ছে Formal/Official Letter - এর ক্ষেত্রে বহৃত হওয়া Salutation.

• Formal Letter:
- একটি Formal/Official Letter/Application এর ৬টি অংশ থাকে।
যথা:
1. Heading: Date, Designation (পদবী) & Address of the Recipient.
2. Salutation (সম্বোধন): যেমন: Dear Sir/Madam.
3. Body (মূল বক্তব্য)।
4. The Subscription: যেমন- Yours faithfully/I remain, Sir.
5. Signature of the Writer.
6. Superscription: Detailed Designation & Address on the Envelope.
৪১.
What is the antonym of the word "Bogus'?
  1. Prima facie
  2. Sham
  3. Counterfeit
  4. Bona fide
ব্যাখ্যা
• Bogus (adjective)
- মিথ্যা; বাজে; মেকি; জাল।

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) Prima facie (Latin phrase) 
- প্রথম দর্শনে বা আপাতদৃষ্টিতে।

খ) Sham (noun) (uncountable noun)
- ছল; ভান; ব্যপদেশ; ব্যাজ; ভণ্ড; ভাঁওতাবাজ; ছলক:  অজুহাত; ছুতা; ওজর; ভাঁওতা। 

গ) Counterfeit (noun), (adjective) (verb transitive)
- জাল; নকল; কৃত্রিম; জাল টাকা; নকল হীরা; কৃত্রিম শোক জাল করা; নকল করা; ভান করা।

ঘ) Bona fide (Latin word)
- প্রকৃত; খাঁটি; আন্তরিক, অকৃত্রিমভাবে; আন্তরিকভাবে; সরল বিশ্বাসে।

• সুতরাং, শব্দগুলোর অর্থ বিবেচনায় বুঝা যাচ্ছে, উল্লিখিত অপশনগুলর মধ্যে - Bona fide শব্দটি Bogus এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে। 

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
3. Merriam-Webster Dictionary.
৪২.
Choose the correct sentence.
  1. By the time the train arrives, we will being waiting for two hours.
  2. By the time the train arrives, we will have waited for two hours.
  3. By the time the train arrives, we will waiting for two hours.
  4. By the time the train arrives, we will be waited for two hours.
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর - By the time the train arrives, we will have waited for two hours.
- Bangla Meaning: ট্রেনটি পৌঁছানোর আগে, আমরা দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করে ফেলব।

• By the time, by the year of দ্বারা ভবিষ্যৎ কালের কোন কিছু ঘটবে বোঝালে verb - এর future perfect tense হয়।
-  By the time যুক্ত clause টি present indefinite হয় এবং অন্য clause টি future perfect tense হয়।

• Structure
- Future perfect tense -এর সঠিক structure হলো sub + will have + verb এর past participle form.
৪৩.
She received __________ from the board on how to proceed with the project.
  1. councillor
  2. council
  3. counsel
  4. counsellor
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) councillor (noun)
- পরিষদের সদস্য; উপদেষ্টা।

খ) council (noun)
- আইন প্রণয়ন; পরামর্শদান ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার মনোনীত অথবা নির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ; পরিষদমণ্ডলী।

গ) counsel (noun) (verb)
- উপদেশ; মন্ত্রণা; ব্যারিস্টার; উপদেশ দান করা।

ঘ) counsellor (noun)
- উপদেষ্টা; (আয়ারল্যান্ড ও America(n)) আইনজীবী।

• শব্দগুলোর অর্থ বিবেচনায় বুঝা যাচ্ছে, শূন্যস্থানে counsel শব্দটি বসালে বাক্যের অর্থ পূর্ণতা পাবে। 
- "Counsel" এর অর্থ হলো পরামর্শ বা উপদেশ, যা বাক্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

• Complete Sentence: She received counsel from the board on how to proceed with the project
- বাংলা অর্থ: তিনি প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে বোর্ড থেকে পরামর্শ পেয়েছিলেন।

• অন্য অপশনগুলো এর ক্ষেত্রে -
ক) councillor: এটি একটি  পদবী, যার অর্থ হলো স্থানীয় সরকারের সদস্য। এটি এখানে প্রাসঙ্গিক নয়, কারণ এখানে পরামর্শ দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, কাউন্সিলর নয়।
খ) council: এটি একটি দল বা গোষ্ঠীকে বোঝায়, যারা সিদ্ধান্ত নেয় বা পরামর্শ দেয়, তবে এখানে পরামর্শ নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, গোষ্ঠী নয়।
ঘ)  counsellor: এটি পরামর্শদানকারী ব্যক্তিকে বোঝায়, কিন্তু বাক্যে পরামর্শের কথা বলা হচ্ছে, ব্যক্তি নয়।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪৪.
The crew worked tirelessly to repair the ship. Here the word 'Crew' is a/an -
  1. Common gender
  2. Neuter gender
  3. Common noun
  4. Proper noun
ব্যাখ্যা
• The crew worked tirelessly to repair the ship. Here the word 'Crew' is a - Neuter gender. 

• Crew (noun)
English Meaning: A group of people who work on and operate a ship, aircraft, etc.
Bangla Meaning: জাহাজের নাবিক; বিমানের ক্রু; রেলকর্মী।
- তাই Crew হচ্ছে Collective noun.
- collective noun ব্যক্তি বাচক প্রাণীবাচক হলেও তা neuter gender হিসেবে বিবেচিত হয়।
- Collective noun এর পূর্বে সংখ্যা বসিয়ে কিংবা এরসাথে '-s/es' যুক্ত করে একে common noun এ পরিণত করা হয়, article বসলেই তা common noun হয় না।

• Neuter Gender:
- যে noun দ্বারা কোন প্রাণীর স্ত্রী বা পুরুষ কোন অবস্থাকে বোঝায় না তাকে Neuter Gender বলে।
- যেমন - Book, Pen, Table, ইত্যাদি।

• Common gender
- যে noun দ্বারা Masculine and Feminine উভয়কেই বোঝায় এদের কে Common gender বলে।
- যেমন - Spouse, Parent, Bird, Judge, Lawyer, Sheep, etc.

• Common Noun:
- A common noun is a name given in common to every person or thing of the same class or kind.
- যে word শ্রেণীবাচক বা জাতিবাচক সাধারণ নামকে বোঝায়, তাকে Common Noun বলে।

• Proper Noun 
- যে Noun দ্বারা কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু, স্থান প্রভৃতির নাম বুঝায়, তাকে Proper Noun বলে।
- যেমন: Titanic, Dhaka, Moon ইত্যাদি।
৪৫.
Traffic was _____ for several hours by the accident.
  1. held up
  2. held on
  3. held forth
  4. held out
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত phrases গুলোর অর্থ -

ক) held up
English Meaning: to delay or block the movement or progress of someone or something; to support someone or something and stop them from falling
Bangla Meaning: আটকানো; বিলম্বিত করা: ডাকাতির উদ্দেশ্যে বলপ্রয়োগে বা বলপ্রয়োগের হুমকি দেখিয়ে গতিরোধ করা; অবরোধ করা। 

খ) held on
English Meaning: To make yourself continue to do what you are doing or stay where you are although it is difficult or unpleasant
Bangla Meaning: আপদ-বিপদের মুখে অবিচলিত থাকা; হাত দিয়ে ধরে রাখা; আঁকড়ে থাকা: হাতছাড়া না-করা; ধরে রাখা।
Example sentence: We were held up by traffic-jam/the police.

গ) held forth/hold something forth
English Meaning: Talk lengthily, assertively, or tediously about a subject.
Bangla Meaning: বক্তৃতার ঢংয়ে কথা বলা; অধিকতর বাঞ্ছনীয় উপস্থাপন/প্রস্তাব করা।
Example sentence: A famous poet was holding forth, surrounded by admiring young writers and critics.

ঘ) held out
English Meaning: To continue to defend yourself against an enemy or attack without being defeated
Bangla Meaning: প্রতিরোধ অব্যাহত রাখা। 
Example sentence: They won't be able to hold out much longer under this sort of bombardment.

• Phrases গুলোর অর্থ বিবেচনায় বুঝা যাচ্ছে, শূন্যস্থানে held up বসলে বাক্যের অর্থ পুর্ণতা পাবে।
- Complete Sentence: Traffic was held up for several hours by the accident.
- Bangla Meaning: দুর্ঘটনার কারণে ট্রাফিক কয়েক ঘণ্টা আটকে ছিল।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.
৪৬.
The correct passive form of 'I make him do the work every day.' is -
  1. The work has made to done by him every day by me.
  2. He was made to do the work every day by me. 
  3. He was made to do the work by me every day.
  4. None of these
ব্যাখ্যা
• Active voice থেকে passive voice করার নিয়ম:
- Active voice এর object টি passive voice এর subject হয়।
-Tense অনুযায়ী auxiliary verb বসে।
- তারপর মূল verb এর past participle হয়।
- Active voice এর subject টি passive voice এর object হয়।
- তার পূর্বে preposition (by, , at, to, in) বসে।

প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যটি Active voice এর বাক্যটি এবং Present Indefinite tense এ আছে।
- Present Indefinite tense এর Passive form কে active করার structure হলো:
- Object কে subject + auxiliary/ be verb + main verb এর base form + subject কে object.

• আবার, 
- Need, see, bid, dare, make, hear, feel, let, know, behold, watch প্রভৃতি verb গুলোর পর Active Voice-এ to উহ্য থাকে।
- তবে passive করার সময় তাদের পরে to বসে।

- নিয়মানুযায়ী, 
• The correct passive form of 'I make him do the work every day.' is - He is made to do the work every day by me.
- যেহেতু অপশনে He is made to do the work every day by me - নেই, তাই সঠিক উত্তর হবে None of these.
৪৭.
What is the synonym of the word 'Abysmal'?
  1. Appalling
  2. Appealing
  3. Superficial
  4. Horizontal
ব্যাখ্যা
• Abysmal (adjective)
English Meaning: extremely bad; appalling; very deep.
Bangla Meaning: (লাক্ষণিক ও কথ্য) অতল; অন্তহীন; অগাধ; 

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ - 
ক) Appalling (adjective)
- আতঙ্ককর; আতঙ্কজনক; আতঙ্ককারী; সাংঘাতিক; অভিভূত করা; মর্মঘাতী; ভয়াবহ। 

খ) Appealing (adjective)
- আকর্ষণীয়; মনোহর; প্রীতিকর; চিত্তহারী; মর্মস্পর্শী; অনুভূতিতে নাড়া দেয় এমন।

গ) Superficial (adjective)
- পৃষ্ঠ বা উপরিতল সম্বন্ধী; উপরিগত; অগভীর; বাহ্য; বহিঃস্থ; পৃষ্ঠস্থ; বাহ্যদৃষ্টি; উপরিতলস্পর্শী; ভাসা-ভাসা; উপর-উপর; অগভীর। 

ঘ) Horizontal (adjective) (noun)
- অনুভূমিক; সমস্থ: অনুভূমিক রেখা ইত্যাদি।

• সুতরাং, শব্দগুলোর অর্থানুযায়ী, Abysmal এর সঠিক সমার্থক শব্দটি হচ্ছে - Appalling.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
৪৮.
As soon as he heard the news, he called his family. (Make it simple)
  1. By hearing the news, he called his family.
  2. After hearing the news, he called his family.
  3. On hearing the news, he called his family.
  4. As soon as hearing the news, he called his family.
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে উল্লেখিত As soon as he heard the news, he called his family. - এই বাক্যটি complex sentence এ আছে।
- Complex Sentence এ ‍as soon as থাকলে Simple Sentence এ as soon as এর পরিবর্তে on (সাথে সাথেই) বসে।
- এরপর as soon as যুক্ত clause এর বাকি অংশ বসে।
- প্রথম subject টি দ্বিতীয় clause এর subject হিসাবে বসে, এবং দ্বিতীয় clause এর বাকি অংশ বসে।

• সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - On hearing the news, he called his family.
৪৯.
After moving to a new country, it is important to acclimatize ____the local customs and culture
  1. with
  2. to
  3. about
  4. on
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - to.
- Complete sentence: After moving to a new country, it is important to acclimatize to he local customs and culture.
- Bangla Meaning: নতুন দেশে যাওয়ার পরে স্থানীয় প্রথা ও সংস্কৃতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানো গুরুত্বপূর্ণ।

Acclimatize (verb-transitive), (verb intransitive) acclimatize (to)
English Meaning: become accustomed to a new climate or new conditions; adjust.
Bangla Meaning: ভিন্ন আবহাওয়া, পরিবেশ বা অবস্থায় খাপ খইয়ে নেওয়া; নতুন জলবায়ুতে অভ্যস্ত হওয়া বা করা।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
৫০.
The Waste Land' by T. S. Eliot was dedicated to -
  1. William Blake
  2. Robert Browning
  3. John Milton
  4. Ezra Pound
ব্যাখ্যা
• 'The Waste Land' is a poetic creation of T. S Eliot.
- এই কবিতাটি তিনি তার সমসাময়িক কবি Ezra Pound কে উৎসর্গ করেছিলেন, যিনি মূল পাণ্ডুলিপিটিকে প্রায় অর্ধেক আকারে সংস্করণ করতে Eliot কে সাহায্য করেছিলেন।
- The Waste Land expresses with great power the disillusionment and disgust of the period after World War I.
- T.S. Eliot রচিত বিখ্যাত কবিতা The Waste Land বলতে তিনি বর্তমান পৃথিবীকে বুঝিয়েছেন।
- এই কবিতায় Hindu myth or allusion of philosophy পাওয়া যায়।
- এই কবিতাটিকে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী এবং শ্রেষ্ঠ কবিতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- তিনি ১৯৪৮ সালে কবিতাটির জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• The poem famously begins with the two lines: 
"April is the cruellest month, breeding
Lilacs out of the dead land, mixing"

• 'The Waste Land' is a 433-lined, Five parted Poem.
The Five Parts are -
1) 'The Burial of the Dead'
2) 'A Game of Chess'
3) 'The Fire Sermon'
4) 'Death by Water' and
5) 'What the Thunder Said'

• T. S. Eliot (Thomas Stearns Eliot)
- He was born on September 26, 1888, in St. Louis, Missouri, U.S.
- ১৯৬৫ সালের ৪ জানুয়ারি তিনি লন্ডনে মারা যান।
- Eliot কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়।
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• Best works: (poem)
- The Waste Land (1922),
- Four Quartets,
- The Hollow Men,
- Ash Wednesday etc.

 His well known plays:
- Murder in the Cathedral,
- The Cocktail Party,
- The Trail of a Judge etc.

Source:
1. An ABC of English Literature Dr M Mofizar Rahman
2. Live MCQ Lecture
3. Britannica.
৫১.
Which of the following is the first major novel of 'Ernest Hemingway'?
  1. Old Man and The Sea
  2. A Farewell to Arms
  3. The Sun Also Rises
  4. For Whom the Bell Tolls
ব্যাখ্যা

• The Sun Also Rises:
- Ernest Hemingway রচিত প্রথম সার্থক বা গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস।
- প্রকাশিত হয়েছিল ১৯২৬ সালে। উপন্যাসটির অপর নাম Fiesta. এই নামে এটি লন্ডনে প্রকাশিত হয়েছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর পরবর্তী সময়ে ‘’Lost Generation’’ বা সেসময়ের তরুণ প্রজন্মের কাছে যুদ্ধের প্রভাব কেমন ছিল তা আঁচ করা যায় এই উপন্যাসটি থেকে।
- কাহিনি স্পেন এবং প্যারিসের বিভিন্ন স্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।

• কাহিনি সংক্ষেপ:
- এই উপন্যাসের কাহিনি বেশ জটিল এবং ঘটনা নানান সময়ে বিভিন্ন দিকে মোড় নিয়েছে। ১৯২০ সালের দিকের বেশ কিছু আমেরিকান এবং ব্রিটিশ যুবক এবং যুবতির জীবনের নানা আখ্যান নিয়ে উপন্যাসটি রচিত।

-  গল্পটি মূলত জ্যাক বার্নস নামের একজন যুদ্ধাহত সাংবাদিককে কেন্দ্র করে আবর্তিত, যিনি বন্ধুদের সঙ্গে স্পেন ভ্রমণে যান এবং প্যাম্পলোনার বিখ্যাত বুলফাইটিং উৎসবে অংশ নেন এবং তিনি লেডি ব্রেট অ্যাশলির প্রতি গভীর প্রেম অনুভব করেন।ব্রেট একজন স্বাধীনচেতা এবং জটিল নারী, যিনি একাধিক প্রেমে জড়ালেও জ্যাকের প্রতি গভীর ভালোবাসা পোষণ করেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালীন সময়ে Jake Barnes  প্যারিসে বসবাসের সিদ্ধান্ত নেয়।

- যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে Jake Barnes আহত হয়েছিলো আর আহত হওয়ার দরুন তাদের দুজনের সম্পর্কে অবণতি ঘটেছিলো। তাদের সম্পর্ক না থাকাকালীন সময়ে Beret সম্পর্কে জড়ায় Bill Gorton এবং Pedro Romero এর সঙ্গে, এমনকি Mike Campbell এর সঙ্গে Beret স্বল্প সময়ের জন্য বিবাহ বন্ধনেও আবদ্ধ হয়েছিলো।নানান চড়াই উৎরাই পেরিয়ে উপন্যাসের শেষে দেখা যায় Jake এবং Beret এর মধ্যে আবার মিলের সম্ভাবনা।

- প্রেম, হতাশা, এবং জীবনের অর্থ খোঁজার প্রয়াসে পরিপূর্ণ এই উপন্যাসটি সামাজিক এবং মানসিক টানাপোড়েনের একটি শক্তিশালী প্রতিচ্ছবি। উপন্যাসটি বন্ধুত্ব, প্রেম, এবং ব্যক্তিগত মুক্তির জটিলতার মধ্যে দিয়েই পাঠকদের জীবন সম্পর্কে গভীর দৃষ্টিভঙ্গি দেয়।

• এই novel এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ -
- Jake Barnes,
- Lady Brett Ashley,
- Robert Cohn,
- Bill Gorton,
- Mike Campbell,
- Pedro Romero,
- Montoya,
- Frances Clyne, etc.

• Ernest Hemingway:
- তিনি জন্ম গ্রহন করেন ১৮৯৯ সালে আমেরিকার ইলিনয়তে।
- তিনি মূলত: একজন ঔপন্যাসিক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন।
- তাঁর সংক্ষিপ্ত এবং সুস্পষ্ট গদ্যশৈলী ২0 শতকে American and British কথাসাহিত্যে একটি শক্তিশালী প্রভাব ফেলেছিল।
- The Sun Also Rises তার প্রথম novel যা Novelist হিসেবে ইংরেজি সাহিত্যে তাকে প্রতিষ্ঠিত হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

• Notable works:
- The Sun Also Rises,
- The Old Man and The Sea,
- A Farewell to Arms,
- Green Hills of Africa.

• অন্যদিকে, The Sun Rising হলো John Donne লিখিত একটি কবিতা।

Source: Live MCQ Lecture and Britannica.

৫২.
William Shakespeare died in –
  1. 1616
  2. 1664
  3. 1666
  4. 1698
ব্যাখ্যা
• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- এছাড়াও তিনি 'Bard of Avon' বা Swan of Avon হিসবেও পরিচিত।
- তিনি ৩৭ টি নাটক, ১৫৪ টি সনেট, ২ টি long poem এবং ২ টি long narrative poem লিখেছেন।

• Notable works:

• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Titus Andronicus,
- Timons of Athens (unfinished),
- Antony and Cleopatra, 
- Coriolanus,
- Romeo and Juliet.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- Love's Labour's Lost,
- A Comedy of Error,
- The Taming of the Shrew,
- Much Ado About Nothing,
- All's Well That Ends Well,
- A Midsummer Night's Dream,
- The Merry Wives of Windsor,
- The Two Gentlemen of Verona.

• Tragi-comedy
- The Merchant of Venice,
- The Winter's Tale,
- Cymbeline,
- Troilus and Cressida,
- Measure for Measure.

• Historical play
- Julius Caesar (Tragedy + Historical),
- Henry IV Part I,
- Henry IV Part II,
- Henry V,
- Henry VI Part I,
- Henry VI Part II,
- Henry VI Part III,
- Henry VIII,
- King John,
- Richard II,
- Richard III.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis,
- A Lover's Complaint.

• Lost Plays: 
- Love Labour's Won,
- The history of Cardenio.

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৫৩.
Who composed the poem 'Morte d Arthur'?
  1. William Blake
  2. Alfred Tennyson
  3. Dylan Thomas
  4. Robert Frost
ব্যাখ্যা
• 'Morte d Arthur' is a poem written by Alfred Tennyson. 
- The central theme of Le Morte d'Arthur is loyalty and its expression in chivalry.
- অর্থাৎ, কবিতার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে - আনুগত্য এবং বীরত্ব এর অভিব্যক্তি।
- রাজার প্রতি আনুগত্যই হচ্ছে একজন নাইট (Knight) এর জীবনের মূল উপাদান এবং উদ্দেশ্য।
- It opens in the wake of Arthur's final battle, where Arthur lies mortally wounded, and is accompanied by Sir Bedivere. 

• Famous quotation from the poem - 
- 'The old order changeth, yielding place to new'

• Alfred, Lord Tennyson:
- Alfred, Lord Tennyson, in full Alfred Tennyson, 1st Baron Tennyson of Aldworth and Freshwater.
- Born: August 6, 1809, Somersby, Lincolnshire, England.
- Death: October 6, 1892, Aldworth, Surrey), English poet often regarded as the chief representative of the Victorian age in poetry. He was raised to the peerage in 1884.

• Best Works:
- Oenone,
- Ulysses,
- Lotus Eaters,
- Locksley Hall,
- Tears Idle Tears,
- Tithonus,
- The Two Voices,
- The Lady of Shalott,
- Vision of Sin,
- Morte D'Arthur,
- The Falcon,
- In Memoriam,
- Queen Mary (Comedy),
- Harold, etc.

• অন্যদিকে,
• ‘Morte d' Arthur’ is the first romance in prose written by - Sir Thomas Malory.
- এটি হচ্ছে ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম English prose version of the Arthurian legend.

Source: Britannica.com
৫৪.
'A figure of speech in which the name of an object or concept is replaced with a word closely related to or suggested by the original' is called -
  1. Irony
  2. Personification
  3. Aphorism
  4. Metonymy
ব্যাখ্যা

• 'A figure of speech in which the name of an object or concept is replaced with a word closely related to or suggested by the original' is called - Metonymy.

• Metonymy (বাংলায় রূপক বিশেষণ বা পরিপরায় শব্দপ্রয়োগ) হলো সাহিত্যিক বা ভাষাগত একটি কৌশল, যেখানে একটি বস্তুকে বা ধারণাকে বোঝাতে তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত কোনো শব্দ বা বস্তু ব্যবহার করা হয়। এটি একটি অলংকার বা অলঙ্কারিক ভাষার ধরন।
- Metonymy সরাসরি তুলনা নয়, বরং ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ভিত্তিতে শব্দের ব্যবহার।
- এটি পাঠকের মস্তিষ্ককে সংক্ষেপে একটি গভীর অর্থ বুঝতে সাহায্য করে।

• উদাহরণ:
• "The crown" ব্যবহার করা হয় রাজতন্ত্র বোঝানোর জন্য।
- The crown will decide the nation's fate.
(এখানে "crown" বলতে রাজতন্ত্র বা রাজা/রানিকে বোঝানো হয়েছে।)

• "The pen is mightier than the sword."
- এখানে "pen" দ্বারা জ্ঞান বা লেখনী এবং "sword" দ্বারা যুদ্ধ বা শক্তিকে বোঝানো হয়েছে।

•  Hollywood is known for its blockbuster movies.
- "Hollywood" ব্যবহার করা হয় আমেরিকান চলচ্চিত্র শিল্প বোঝাতে।

• "The White House issued a statement."
- এখানে "White House" বলতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বা তার প্রশাসনকে বোঝানো হয়েছে।

• অন্যদিকে,
• Irony (বঙ্গানুবাদে 'ব্যঙ্গার্থ' বা 'বৈপরীত্য') 
- A statement or a situation or an action which actually means the opposite of its surface meaning.
- এটি এমন একটি কৌশল যেখানে লেখক বা চরিত্র কোনো কথা বলে বা কোনো কাজ করে, যা তার প্রকৃত অর্থের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। এটি সাধারণত পাঠকের মনের মধ্যে একটি গভীর প্রভাব সৃষ্টি করতে বা সামাজিক বা নৈতিক অসঙ্গতিগুলো তুলে ধরতে ব্যবহৃত হয়।

• The first sentence of Pride and Prejudice is an example of irony:
“It is a truth universally acknowledged, that a single man in
possession of a good fortune, must be in want of a wife.”

• Personification: (ব্যক্তিরূপ দান)
- A figure of speech in which lifeless objects or ideas are given imaginary life.
- অর্থাৎ নির্জীব বা জড় বস্তুকে ব্যক্তিরূপে প্রয়োগ করার কৌশল।
- Personification এর মাধ্যমে কোন জড় বস্তুকে কাল্পনিক জীবন দান করে সেগুলোকে উপমা হিসাবে লেখায় ব্যবহার করা হয়। 

• যেমন:
''There lies the port: the vessel puffs her sail:
(Tennyson: ''Ulysses'')
The vessel has been used as a living being.

• Aphorism: (সংক্ষিপ্ত জ্ঞানগর্ভ বাণী; প্রবচন)
- A terse, memorable expression of a universal truth.
- The use of Aphorism reflects the range of an author's experience and adds universality to the text in which it is used.
- Aphorism is different from a proverb: A proverb is an anonymous expression of a general truth while an aphorism is a truth takes out of one's personal experience.
- Proverbs are traditional but aphorisms are individual.

- 'To err is human, to forgive divine' হচ্ছে একটি universal truth যার অর্থ “মানুষ মাত্রেই ভুল” এবং “ক্ষমা করা স্বর্গীয়।
- সুতরাং, এই উক্তিটি Aphorism এর একটি উদাহরণ।
- উক্তিটি Alexander Pope এর An essay on criticism হতে উদ্ধৃত।

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.

৫৫.
Which of the following plays features the character 'Portia'?
  1. The Rape of the Lock
  2. The Jew of Malta
  3. Love for Love
  4. The Marchant of Venice
ব্যাখ্যা
• 'The Marchant of Venice' by Shakespeare features the character Portia.
- এই comedy এর female protagonist বা কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র হচ্ছে Portia.
- Portia এর অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের কারনে এই চরিত্র টকে William Shakespeare সৃষ্ট সকল নারী চরিত্রের মধ্যে অন্যতম বলে বিবেচনা করা হয়।
- In this comedy, she disguises herself as a male lawyer.

• 'The Marchant of Venice' is a Shakespearean play about A Jew.
- এক ইহুদি সুদখোর 'Shylock' এর কাহিনী নিয়ে এটি রচিত।
- Shylock in Merchant of Venice was a Jewish moneylender.
- এটি একটি five acts বিশিষ্ট comedy.
- ১৫৯৬-৯৭ সালের দিকে এই comedy টি লেখা হয়েছিল।

• কাহিনি সংক্ষেপ:
- এই নাটকের প্রধান চরিত্র Bassanio, যার ধনী নারী Portia কে বিয়ে করার জন্য অর্থ সাহায্যের প্রয়োজন হয়। তার বন্ধু Antonio, তাকে সাহায্য করতে ইচ্ছুক, কিন্তু Antonio এর সব সম্পদ তখনকার জন্য জাহাজে বিনিয়োগ করা ছিল। নিজের কাছে অর্থ না থাকায় ইহুদি সুদখোর Shylock এর কাছ থেকে ঋণ নেন। শাইলকের শর্ত ছিল, ঋণ শোধ না হলে Antonio এর শরীর থেকে এক পাউন্ড মাংস কেটে নেওয়া হবে।

• এদিকে, Antonio এর জাহাজডুবি হয়, এবং সে ঋণ শোধ করতে ব্যর্থ হয়। শাইলক তার প্রতিশোধ নিতে চায়, কারণ সে খ্রিস্টানদের দ্বারা বারবার অপমানিত হয়েছে। আদালতে শাইলক চুক্তি অনুযায়ী আন্তোনিওর মাংস দাবি করে। 
- আদালতে Portia  পুরুষের ছদ্মবেশে আইনজীবী হিসেবে হাজির হয়। বুদ্ধি দিয়ে তিনি প্রমাণ করেন, শর্ত অনুযায়ী শাইলক মাংস নিতে পারে, কিন্তু রক্তপাত ঘটানো যাবে না, কারণ চুক্তিতে রক্তপাতের কথা উলেখ করা ছিল না। ফলে শাইলক হেরে যায় এবং তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়।
- এই নাটকে ভালোবাসা, বন্ধুত্ব, ন্যায়বিচার এবং ক্ষমার গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো ফুটে উঠেছে।

• এই comedy এর উল্লেখযোগ্য অন্যান্য চরিত্র:
- Antonio,
- Shylock (Jew moneylender),
- Portia (Heroine)
- Bassanio,
- Jessica etc.

• Some important quotes of The Merchant of Venice: 
- All that glitters is not gold
- The devil can cite Scripture for his purpose. 
- It is a wise father that knows his own child. 
- Love is blind, and lovers cannot see the pretty follies that themselves commit.

Source: Britannica.
৫৬.
The first major English Dictionary was compiled in -
  1. The Elizabethan Period
  2. The Jacobean Period
  3. The Restoration Period
  4. The Age of Sensibility
ব্যাখ্যা
•  Dr. Samuel Johnson compiled the first major English Dictionary named “A Dictionary of the English Language”.
- The Dictionary was first published on 15 April 1755.
- Dr. Samuel Johnson হচ্ছেন The Age of Sensibility (1745-1798) এর অত্যন্ত সুপরিচিত সাহিত্যিক।
- সুতরাং, The first major English Dictionary was compiled in - The Age of Sensibility.


• The Age of Sensibility - কে The Age of Johnson বলা হয় কারণ Dr. Samuel Johnson এই সময়টাকে dominate করেছেন
- তাই, তাঁর নাম অনুসারে এই সময়টাকে Age of Johnson বলা হয়।
- তাঁকে Father of English Dictionary বলা হয়।
- তিনি William Shakespeare এর একজন বিখ্যাত সমালোচক হিসাবে পরিচিত।
- তিনি ১৭৬৪ সালে ইংরেজি সাহিত্য ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন।

• Dr. Samuel Johnson's major works:
- Dictionary (1755),
- The History of Rasselas, Prince of Abyssinia (1759),
- Preface to Shakespeare (1765).

Source: An ABC of English Literature Dr. M Mofizar Rahman and Britannica.
৫৭.
নিচের কোনটি a2 + 6a + 8 - y2 + 2y এর একটি উৎপাদক?
  1. (a + y + 2)
  2. (a + y - 2)
  3. (a + y + 4)
  4. (a - y + 3)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি a2 + 6a + 8 - y2 + 2y এর একটি উৎপাদক?

সমাধান:
a2 + 6a + 8 - y2 + 2y
=a2 + 2 ⋅ a ⋅ 3 + (3)2 - y2 + 2 ⋅ y ⋅ 1 - (1)2
= (a + 3)2 - (y - 1)2
= {(a + 3) + (y - 1)}{(a + 3) - (y - 1)}
= (a + 3 + y - 1)(a + 3 - y + 1)
= (a + y + 2)(a - y + 4)
৫৮.
স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে 'PREVIOUS' শব্দটির বিন্যাস সংখ্যা, স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে 'OCTOPUS' শব্দটির বিন্যাস সংখ্যার কতগুণ?
  1. চার গুণ
  2. ছয় গুণ
  3. আট গুণ
  4. দুই গুণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে 'PREVIOUS' শব্দটির বিন্যাস সংখ্যা, স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে 'OCTOPUS' শব্দটির বিন্যাস সংখ্যার কতগুণ?

সমাধান:
OCTOPUS শব্দটিতে মোট বর্ণ আছে 7 টি, Vowel আছে 3টি।
Vowel তিনটিকে একটি ধরে মোট বর্ণ = 5টি
5টি বর্ণকে সাজানো যায় = 5!
Vowel তিনটিকে সাজানো যায় = 3!/2 = 3 [O দুইটি]
∴ স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে মোট সাজানো যাবে = 5! × 3
= 120 × 3
= 360

PREVIOUS শব্দটিতে মোট বর্ণ আছে = 8টি,
Vowel আছে = 4টি
Vowel চারটিকে একটি ধরে মোট বর্ণ = 5টি
5টি বর্ণকে সাজানো যায় = 5!
Vowel চারটি সাজানো যায় = 4! = 24

∴ স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে মোট সাজানো যাবে = 5! × 24
= 120 × 24
= 2880
= 360 × 8
= আট গুণ
৫৯.
৫ + ৯ + ১৩ + ১৭ +........................... ধারাটিতে কততম পদ ১৬৯?
  1. ৪০ তম
  2. ৪১ তম
  3. ৪২ তম
  4. ৪৩ তম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫ + ৯ + ১৩ + ১৭ +........................... ধারাটিতে কততম পদ ১৬৯?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
প্রথম পদ, a = ৫
সাধারণ অনুপাত, d = ৯ - ৫ = ৪
n তম পদ = ১৬৯

আমরা জানি,
n তম পদ = a + (n - ১)d
⇒ ১৬৯ = ৫ + (n - ১)৪
⇒ ১৬৯ = ৫ + ৪n - ৪
⇒ ৪n = ১৬৮
⇒ n = ১৬৮/৪
∴ n = ৪২
৬০.
একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য 40 সে. মি. ও ভূমির দৈর্ঘ্য 48 সে.মি.। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফলের এক-চতুর্থাংশের সমান ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট নতুন একটি ত্রিভুজ অঙ্কন করা হলো। নতুন ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল কত?
  1. 188 বর্গ সে.মি.
  2. 212 বর্গ সে.মি.
  3. 192 বর্গ সে.মি.
  4. 242 বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য 40 সে. মি. ও ভূমির দৈর্ঘ্য 48 সে.মি.। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফলের এক-চতুর্থাংশের সমান ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট নতুন একটি ত্রিভুজ অঙ্কন করা হলো। নতুন ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি, b = 48 সে. মি.
সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য, a = 40 সে. মি.

আমরা জানি,
∴ সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (b/4) × √(4a2 - b2)
= (48/4) × √(4 × 402 - 482)
= (12) × √(6400 - 2304)
= (12) × √4096
= 12 × 64
= 768 বর্গ সে.মি.
∴ ক্ষেত্রফলের এক-চতুর্থাংশ = 768/4 = 192 বর্গ সে.মি.
৬১.
{1/|2x - 3|} ≥ (1/5) অসমতাটির সমাধান সেট কত?
  1. S = {x ∈ R : 2 < x < - 4}
  2. S = {x ∈ R : - 1 < x < 4}
  3. S = {x ∈ R : 2 ≤ x ≤ - 4}
  4. S = {x ∈ R : - 1 ≤ x ≤ 4}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: {1/|2x - 3|} ≥ (1/5) অসমতাটির সমাধান সেট কত?

সমাধান:
1/|2x - 3| ≥ 1/5
⇒ |2x - 3| ≤ 5
⇒ - 5 ≤ 2x - 3 ≤ 5
⇒ - 5 + 3 ≤ 2x - 3 + 3 ≤ 5 + 3
⇒ - 2 ≤ 2x ≤ 8
⇒ - 2/2 ≤ 2x/2 ≤ 8/2
⇒ - 1 ≤ x ≤ 4
∴ নির্ণেয় সমাধান সেট, S = {x ∈ R : - 1 ≤ x ≤ 4}
৬২.
একটি নির্দিষ্ট দিনে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা 40%। একটি শিশুর শুষ্ক আবহাওয়ায় পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা 50% এবং ভেজা আবহাওয়ায় পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা 80%। তবে ঐ নির্দিষ্ট দিনে শিশুটির না পড়ার সম্ভাবনা কত?
  1. 18%
  2. 20%
  3. 38%
  4. 25%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি নির্দিষ্ট দিনে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা 40%। একটি শিশুর শুষ্ক আবহাওয়ায় পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা 50% এবং ভেজা আবহাওয়ায় পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা 80%। তবে ঐ নির্দিষ্ট দিনে শিশুটির না পড়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা 40%
বৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনা 100% - 40%
= 60%

একটি শিশুর শুষ্ক আবহাওয়ায় পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা 50%
একটি শিশুর শুষ্ক আবহাওয়ায় না পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা 100% - 50% = 50%

ভেজা আবহাওয়ায় পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা 80%
ভেজা আবহাওয়ায় না পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা 100% - 80% = 20%

ঐ নির্দিষ্ট দিনে শিশুটির না পড়ার সম্ভাবনা = P (বৃষ্টির দিনে না পড়া) + P (শুষ্ক আবহাওয়ায় না পড়া)
= (.4 × .2) + (.6 × .5)
= 0.08 + 0.3
= 0.38
= 38%
৬৩.
৬০ লিটারে ময়দা ও ছানার অনুপাত ৪ : ১। ঐ মিশ্রণে আর কত লিটার ছানা মেশালে অনুপাত ১ : ৪ হবে?
  1. ১০০ লিটার
  2. ১২০ লিটার
  3. ১৪০ লিটার
  4. ১৮০ লিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬০ লিটারে ময়দা ও ছানার অনুপাত ৪ : ১। ঐ মিশ্রণে আর কত লিটার ছানা মেশালে অনুপাত ১ : ৪ হবে?

সমাধান:
৬০ লিটারে ময়দা ও ছানার অনুপাত ৪ : ১
৬০ লিটারে ময়দা = ৬০ × (৪/৫) = ৪৮ লিটার
৬০ লিটারে ছানা = ৬০ × (১/৫) = ১২ লিটার

ধরি, ঐ মিশ্রণে ক লিটার ছানা মেশাতে হবে
তাহলে,
৪৮/(ক + ১২) = ১/৪
⇒ ১৯২ = ক + ১২
⇒ ক = ১৮০
অতএব, ১৮০ লিটার ছানা মেশালে অনুপাত ১ : ৪ হবে।
৬৪.
(4/5)3(4/5)- 6 = (4/5)2x - 1 হলে, x এর মান কত?
  1. 1
  2. - 1
  3. 3
  4. - 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (4/5)3(4/5)- 6 = (4/5)2x - 1 হলে, x এর মান কত?

সমাধান:
(4/5)3 (4/5)- 6 = (4/5)2x - 1
⇒ (4/5)3 - 6 = (4/5)2x - 1
⇒ (4/5)- 3 = (4/5)2x - 1
⇒ - 3 = 2x - 1
⇒ 2x = - 3 + 1
⇒ x = -2/2
∴ x = - 1
৬৫.
একটি আয়তাকার জমির ক্ষেত্রফল ৫২৯০ বর্গমিটার। দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থের অনুপাত ৫ : ২ হলে ঐ জমির পরিসীমার পরিমাপ কত?
  1. ২৮০ মিটার
  2. ৩২২ মিটার
  3. ২৯২ মিটার
  4. ৩১৫ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তাকার জমির ক্ষেত্রফল ৫২৯০ বর্গমিটার। দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থের অনুপাত ৫ : ২ হলে ঐ জমির পরিসীমার পরিমাপ কত?

সমাধান:
ধরি,
আয়তাকার জমির দৈর্ঘ্য = ৫ক মিটার
এবং আয়তাকার জমির প্রস্থ = ২ক মিটার
∴ ক্ষেত্রফল = (৫ক × ২ক) = ১০ক বর্গমিটার

প্রশ্নমতে,
১০ক = ৫২৯০
⇒ ক = ৫২৯
⇒ ক = ২৩

∴ পরিসীমা = ২(৫ক + ২ক) মিটার
= (২ × ৭ক) মিটার
= (২ × ৭ × ২৩) মিটার
= ৩২২ মিটার
৬৬.
যদি 3a + 7b = 75 এবং 5a - 5b = 25 হয় তাহলে (a, b) এর মান কত? 
  1. (12, 7)
  2. (9, 5)
  3. (11, 6)
  4. (10, 9)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি 3a + 7b = 75 এবং 5a - 5b = 25 হয় তাহলে (a, b) এর মান কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে,
3a + 7b = 75..................(1)
এবং 5a - 5b = 25
⇒ 5(a - b) = 25
⇒ a - b = 5 ................. (2)

(1) নং + (2)নং × 7 ⇒
3a + 7b + 7a - 7b = 75 + 35
⇒ 10a = 110
∴ a = 11

(2)নং এ a এর মান বসিয়ে পাই,
a - b = 5
⇒ - b = 5 - 11
∴ b = 6
∴ (a, b) = (11, 6)
৬৭.
A সেটের প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা 63 হলে, A সেটের উপাদান সংখ্যা কত?
  1. 5
  2. 6
  3. 7
  4. 8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A সেটের প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা 63 হলে, A সেটের উপাদান সংখ্যা কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
উপাদানের সংখ্যা n হলে প্রকৃত উপসেট সংখ্যা = 2n - 1

প্রশ্নমতে,
2n - 1 = 63
⇒ 2n = 63 + 1
⇒ 2n = 64
⇒ 2n = 26
∴ n = 6

[• উপসেট: কোন সেটের উপাদান থেকে যতগুলো সেট গঠন করা যায় তাদের প্রত্যেকটি প্রদত্ত সেটের উপসেট। ফাঁকা সেট যেকোনো সেটের উপসেট।
• প্রকৃত উপসেট: কোনো সেট থেকে গঠিত উপসেটের মধ্যে যে উপসেটগুলোর উপাদান সংখ্যা প্রদত্ত সেটের উপাদান সংখ্যা অপেক্ষা কম তাদেরকে প্রকৃত উপসেট বলে। যেমন U = {a, b, c} সেটটি থেকে গঠিত উপসেটসমূহ {a, b, c}, {a, b}, {a, c}, {b, c}, {a}, {b}, {c}, ∅
এখানে U উপসেট থেকে প্রাপ্ত উপসেটসমূহের মধ্যে U এর সম সংখ্যক উপাদানসমৃদ্ধ উপসেট {a, b, c} ব্যতীত বাকি সব উপসেটসমূহ হচ্ছে U এর প্রকৃত উপসেট।]
৬৮.
একটি পণ্য ১৮০০ টাকায় বিক্রয় করায় ২০০ টাকা ক্ষতি হলো। ঐ পণ্যটি ২২০০ টাকায় বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হতো?
  1. ১০% ক্ষতি
  2. ১০% লাভ
  3. ৮% লাভ
  4. ৮% ক্ষতি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি পণ্য ১৮০০ টাকায় বিক্রয় করায় ২০০ টাকা ক্ষতি হলো। ঐ পণ্যটি ২২০০ টাকায় বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হতো?

সমাধান:
পণ্যটির বিক্রয়মূল্য = ১৮০০ টাকা
ক্ষতি = ২০০ টাকা
ক্রয়মূল্য = ১৮০০ + ২০০ = ২০০০ টাকা
আবার, বিক্রয়মূল্য = ২২০০ টাকা
লাভ = (২২০০ - ২০০০) = ২০০ টাকা

২০০০ টাকায় লাভ হয় = ২০০ টাকা
১ টাকায় লাভ হয় = ২০০/২০০০ টাকা
১০০ টাকায় লাভ হয় = (২০০ × ১০০)/২০০০ টাকা
= ১০ টাকা বা ১০%
৬৯.
log3​log3​27 এর মান কত?
  1. 1
  2. 2/3
  3. 2
  4. - 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ​log3​log3​27 এর মান কত?

সমাধান:
​log3​log3​27
​= log3​log3​33
= ​log33​log33
= log3 3 · 1 [logaa = 1]
= log33
= 1
৭০.
একটি গরুর গাড়ির সামনের চাকার পরিধি ৪ মিটার এবং পিছনের চাকার পরিধি ৬ মিটার। গাড়িটি কতটুকু পথ অতিক্রম করলে সামনের চাকা পিছনের চাকার চেয়ে ৫০ বার বেশি ঘুরবে?
  1. ৩০০ মিটার
  2. ৪০০ মিটার
  3. ৫০০ মিটার
  4. ৬০০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি গরুর গাড়ির সামনের চাকার পরিধি ৪ মিটার এবং পিছনের চাকার পরিধি ৬ মিটার। গাড়িটি কতটুকু পথ অতিক্রম করলে সামনের চাকা পিছনের চাকার চেয়ে ৫০ বার বেশি ঘুরবে?

সমাধান:
৪ ও ৬ এর ল.সা.গু = ১২

১২ মিটার পথ চলতে সামনের চাকাকে ঘুরতে হয় = ১২/৪ = ৩ বার
১২ মিটার পথ চলতে পিছনের চাকাকে ঘুরতে হয় = ১২/৬ = ২ বার

∴ সামনের চাকা পিছনের চাকা থেকে ১ বার বেশি ঘুরে = ১২ মিটারে
∴ সামনের চাকা পিছনের চাকা থেকে ৫০ বার বেশি ঘুরে = (৫০ × ১২) মিটারে
= ৬০০ মিটার

∴ গাড়িটি ৬০০ মিটার পথ অতিক্রম করলে সামনের চাকা পিছনের চাকার চেয়ে ৫০ বার বেশি ঘুরবে।
৭১.
টেলিভিশনের মৌলিক রং নয় কোনটি? 
  1. নীল
  2. সবুজ
  3. হলুদ
  4. লাল
ব্যাখ্যা
টেলিভিশন: 
- টেলিভিশন এমন একটি যন্ত্র, যেখানে দূরবর্তী কোনো টেলিভিশন সম্প্রচার স্টেশন থেকে শব্দের সাথে সাথে ভিডিও বা চলমান ছবিও দেখা যায়। 
- ১৯২৬ সালে জন লজি বেয়ার্ড প্রথম টেলিভিশনের মাধ্যমে ভিডিও বা চলমান ছবি পাঠিয়েছিলেন। 
- টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি আলাদা সিগন্যাল হিসেবে পাঠানো হয়। 
- চলমান ছবি বা ভিডিও পাঠাতে হলে প্রতি সেকেন্ডে ২৫টি স্থিরচিত্র পাঠাতে হয় এবং আমাদের চোখে তখন সেগুলোকে আলাদা আলাদা স্থিরচিত্র মনে না হয়ে একটি চলমান ছবি বলে মনে হয়। 
- টেলভিশনে রঙিন ছবি পাঠানোর জন্য টেলিভিশন ক্যামেরা প্রতিটি ছবিকে লাল, সবুজ ও নীল (RGB) এই তিনটি মৌলিক রংয়ে ভাগ করে তিনটি আলাদা ছবি তুলে দেয়। 

- টেলিভিশন ক্যামেরার ভেতরে আলো CCD ( Charge Coupled Device) ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তরিত করা হয়। 
- এই বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে উচ্চ কম্পাঙ্কের বাহক তরঙ্গ ব্যবহার করে এন্টেনার ভেতর দিয়ে পাঠানো হয়। 
- বর্তমানে ইলেকট্রন গান দিয়ে স্ক্রিনে ছবি তৈরি না করে লাল, সবুজ ও নীল রংয়ের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এলইডি ( Light Emitting Diode) -তে বিদ্যুৎ প্রবাহ করে ছবি তৈরি করা হয়। 
- এলইডি টেলিভিশনের ছবির ঔজ্জ্বল্য অনেক বেশি এবং গুণগত মানও অনেক ভালো। 
- এন্টেনার সাহায্যে টেলিভিশনের সিগন্যাল পাঠানো ছাড়াও কো-এক্সিয়াল ক্যাবল দিয়েও সিগন্যাল পাঠানো যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৭২.
উদ্ভিদের শোষণকৃত পানির কতটুকু সালোকসংশ্লেষণের কাজে ব্যবহৃত হয়? 
  1. মাত্র ০.১%
  2. মাত্র ০.০১%
  3. মাত্র ০.০০১%
  4. মাত্র ০.০০০১%
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের শোষণকৃত পানির মাত্র ০.০১% সালোকসংশ্লেষণের কাজে ব্যবহৃত হয়। 

সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis): 
- যে প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ নিজস্ব ক্লোরোফিলের সাহায্যে সূর্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে সালোকসংশ্লেষণ বলে। 
- বার্নেস সর্বপ্রথম ১৮৯৮ সালে ফটোসিনথেসিস শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার রাসায়নিক বিক্রিয়াটি নিম্নরূপ- 

- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি উদ্ভিদের সবুজ অঙ্গ যেমন- পাতা, কচিকান্ড, ফুলের বৃত্যংশ, বৃত্তপ্রভৃতিতে সংঘটিত হয়।
- তবে পাতাকে উদ্ভিদের প্রধান সালোকসংশ্লেষণ অঙ্গ বলা হয়।
- ক্লেরোপ্লাস্টকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণকারী অঙ্গাণু।
- এ প্রক্রিয়াটির প্রধান উপাদান হলো- কার্বন ডাই-অক্সাইড, পানি, ক্লোরোফিল ও আলো।
- উদ্ভিদ প্রধানত পত্ররন্ধ্রের সাহায্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করলেও লেন্টিসেল ও পাতলা কিউটিকল দিয়েও কিছু গ্যাস গ্রহণ করে।
- শ্বসনে উৎপন্ন কার্বন ডাই-অক্সাইডও সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়।
- গ্যাসটি ব্যাপনের মাধ্যমে মেসোফিল টিস্যুর কোষে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকে ক্লোরোপ্লাস্টে প্রবেশ করে তারপর শর্করা তৈরি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।
- উদ্ভিদ মূল দিয়ে মাটি থেকে পানি সংগ্রহ করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩.
মহাকর্ষসূত্র ও ব্যবকলন ক্যালকুলাসের নীতি প্রবর্তন করেন কে? 
  1. গ্যালিলিও গ্যালিলি
  2. জোহান কেল্লার
  3. আইজ্যাক নিউটন
  4. নিকোলাস কোপার্নিকাস
ব্যাখ্যা
আইজ্যাক নিউটন: 
- আইজ্যাক নিউটন (১৬৪২-১৭২৭) ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের একজন। 
- তিনি মহাকর্ষসূত্র, ব্যবকলন ক্যালকুলাসের নীতি প্রবর্তন করেন। 
- এছাড়া তিনি আলোর কণাতত্ত্ব আবিষ্কার করেন। 
- তিনি হচ্ছেন ক্ল্যাসিক্যাল মেকানিক্স এর জনক। 

নিকোলাস কোপার্নিকাস: 
- নিকোলাস কোপার্নিকাস (১৪৭৩-১৫৪৩) একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন। 
- তিনিই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। 
- পরবর্তীতে জোহান কেল্লার (১৫৭১-১৬৩০) গ্রহের গতি সম্পর্কিত সূত্র আবিস্কার করেন যা কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত। 
- তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন। 

গ্যালিলিও গ্যালিলি: 
- গ্যালিলিও গ্যালিলি (১৫৬৪-১৬৪২) কে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির জনক বলা হয়। 
- তিনিই প্রথম প্রমাণ করেন যে পরীক্ষণ এবং বিভিন্ন রাশির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মূল ভিত্তি। 
- পরীক্ষালব্ধ ফলাফল ছাড়া কখনোই কোন ঘটনা গাণিতিকভাবে প্রমাণ করা যায় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪.
কোনটি প্রোটিন জাতীয় জৈব পদার্থ? 
  1. জ্যানথিন
  2. অ্যামোনিয়া
  3. ইউরিয়া
  4. ফাইব্রিনোজেন
ব্যাখ্যা
- প্রোটিন জাতীয় জৈব পদার্থ হলো- ফাইব্রিনোজেন এবং বাকিগুলো হলো প্রোটিনবিহীন জৈব পদার্থ। 

রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা। 
- রক্তবাহিকার মাধ্যমে রক্ত মানব দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়। 
- রক্ত সামান্য ক্ষারীয়। এর pH মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪। 
- সজীব রক্তের তাপমাত্রা ৩৬°-৩৮° সেলসিয়াস। 
- অজৈব লবণের উপস্থিতিতে রক্ত লবণাক্ত। 
- একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষের দেহে গড়ে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 

রক্তের উপাদান: 
- মানব দেহের রক্ত প্রধানতঃ রক্তরস ও রক্ত কণিকা নিয়ে গঠিত। 
- স্থিতি অবস্থায় কিছুক্ষণ রাখলে রক্ত দুই স্তরে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
- উপরের হালকা হলুদ বর্ণের প্রায় ৫৫% যে অংশ থাকে তাকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে এবং নিচের গাঢ়তর বাঁকি ৪৫% অংশকে রক্ত কণিকা (Blood corpuscles) বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে রক্ত কণিকাগুলো রক্ত রসে ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং লোহিত রক্ত কণিকার উপস্থিতিতে রক্ত লাল দেখায়। 


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫.
কোন পদার্থটির গলনাঙ্ক নির্ণয় করা যায়?
  1. কর্পূর
  2. নিশাদল
  3. মোম
  4. আয়োডিন
ব্যাখ্যা
- মোম পদার্থটির গলনাঙ্ক নির্ণয় করা যায়। 

গলন: 
- কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে তরল অবস্থায় পরিবর্তিত করার প্রক্রিয়াকে গলন বলা হয়। 
যেমন- কঠিন মোমকে তাপ দেয়ার ফলে তা গলে তরল মোমে পরিণত হয়। 
- কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ হলে এটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় গলতে আরম্ভ করে এবং গলন যতক্ষণ শেষ না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত তাপমাত্রা স্থির থাকে। 
- এরূপ যে স্থির তাপমাত্রায় কোনো বিশুদ্ধ কঠিন পদার্থ গলতে শুরু করে তাকে ঐ কঠিন পদার্থের গলনাংক বলে। 
- কঠিন পদার্থের মধ্যে অপদ্রব্য বা ভেজাল মিশ্রিত থাকলে উহা অপেক্ষাকৃত নিম্ন তাপমাত্রায় গলতে শুরু করে। 

উর্ধ্বপাতন: 
- পদার্থের সাধারণ পরিবর্তনের ধারাক্রম হলো তাপের প্রভাবে কঠিন থেকে তরল, তরল থেকে বাষ্পীয় অবস্থায় রূপান্তর। 
- কিন্তু এমন কিছু পদার্থ আছে যাদেরকে তাপ দিয়ে কঠিন থেকে সরাসরি বাষ্প এবং বাষ্পকে শীতল করলে সরাসরি কঠিন অবস্থা প্রাপ্ত হয়। 
- এক্ষেত্রে কঠিন থেকে বাষ্প এবং বাষ্প থেকে কঠিন অবস্থায় পরিবর্তিত হওয়ার সময় পদার্থ তার মধ্যবর্তী তরল অবস্থা প্রাপ্ত হয় না, যাদের উদ্বায়ী পদার্থ বলে। 
- কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে সরাসরি বাষ্পে পরিণত করে এবং ঐ বাষ্পকে শীতল করে সরাসরি কঠিন অবস্থায় ফিরে আনার প্রক্রিয়াকে উর্ধ্বপাতন বলা হয়। 
যেমন- আয়োডিন, কর্পূর, নিশাদল, ন্যাপথোলিন প্রভৃতি উদ্বায়ী পদার্থ এবং এরা উর্ধ্বপাতিত হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬.
নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ডে (NIC) ব্যবহৃত ঠিকানাটি কী নামে পরিচিত?
  1. IP address
  2. MAC address
  3. DNS address
  4. HTTP address
ব্যাখ্যা
• নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড:
- NIC এর পূর্ণরূপ হলো Network Interface Card।
- এটি একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা ক্লায়েন্ট, সার্ভার এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশগুলিকে একটি পোর্টের মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- বেশিরভাগ নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসগুলি ছোটো সার্কিট বোর্ড হিসাবে আসে যা কম্পিউটার মাদারবোর্ডের স্লটগুলির মধ্যে একটিতে ঢোকানো যেতে পারে। বিকল্পভাবে, আধুনিক কম্পিউটারগুলি কখনও কখনও তাদের প্রধান সার্কিট বোর্ডের (মাদারবোর্ড) অংশ হিসাবে নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করে।
- প্রতিটি নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস একটি স্বতন্ত্র (Individual) ঠিকানা দ্বারা চিহ্নিত করা হয় যা ম্যাক ঠিকানা (MAC address) নামে পরিচিত।
- ম্যাকের ঠিকানাটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে তথ্য প্রেরণে সহায়তা করে।
- নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ডগুলি হলো কোনো নেটওয়ার্কের গতি এবং কার্যকারিতা নির্ধারণের প্রধান উপাদান।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭.
(111110011)2 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা কোনটি?
  1. 2A4
  2. 3B1
  3. 1F3
  4. 2B2
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেল রূপান্তর:
- কোন বাইনারি পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির অংকগুলোকে ডান দিক থেকে ৪ বিট বিশিষ্ট এক একটি গ্রুপে ভাগ করা হয়।
- তবে কখনো এমন হতে পারে যে, সর্ব বামের গ্রুপ তৈরির জন্য ৪ বিট নেই। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুসারে বাম দিকে একটি বা দু'টি, শূন্য (০) বসিয়ে ৪ বিটের গ্রুপ সম্পন্ন করতে হবে।
- এভাবে গ্রুপ সম্পন্ন হওয়ার পরে প্রতিটি গ্রুপকে এর সমতুল্য মান বসিয়ে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
৭৮.
AI-এর প্রধান ব্যবহারিক ক্ষেত্র নয় কোনটি?
  1. মেশিন লার্নিং
  2. বায়োমেট্রিক্স
  3. স্পিচ প্রসেসিং
  4. রোবটিক্স
ব্যাখ্যা
• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):
- চিন্তাশক্তি, বুদ্ধি কিংবা বিশ্লেষণ ক্ষমতা মানুষের সহজাত, একটি যন্ত্রকে মানুষের মতো বুদ্ধিমত্তা দিয়ে, সেটিকে চিন্তা করানো কিংবা বিশ্লেষণ করানোর ক্ষমতা দেওয়ার ধারণাটিকে সাধারণভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়।
- কিছুদিন আগেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ছিল দূর ভবিষ্যতের একটি কাল্পনিক বিষয়।
- পৃথিবীর মানুষ ডিজিটাল বিশ্বে এমনভাবে সম্পৃক্ত হয়েছে যে, হঠাৎ করে অচিন্তনীয় পরিমাণ ডেটা সৃষ্টি হয়েছে এবং সেই ডেটাকে প্রক্রিয়া করার মতো ক্ষমতাশালী কম্পিউটার আমাদের হাতে চলে এসেছে।
- এই ডেটা বা তথ্যকে প্রক্রিয়া করার জন্য অনেক সময় সাধারণ কম্পিউটার প্রোগ্রাম যথেষ্ট নয়, এমন অ্যালগরিদম বা পদ্ধতি প্রয়োজন যার মাধ্যমে কম্পিউটার চিন্তা করে কোনো সমাধান বের করতে পারে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে ঠিক যেমনটা মানুষ বা অন্যান্য বুদ্ধিমান প্রাণী করে থাকে।
- এ ধরণের পদ্ধতি এবং অ্যালগরিদম নিয়েই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজ করে থাকে।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৭৯.
লজিক্যাল ভুলের উদাহরণ কোনটি?
  1. PRINT কে PRIMT লেখা
  2. সেমিকোলন না দেওয়া
  3. 82 এর স্থলে 28 লেখা
  4. X = A + B এর স্থানে X = A - B লেখা
ব্যাখ্যা
• Syntax Error:
- সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল।
- সিনট্যাক্স ভুলের উদাহরণ: বানান ভুল (PRINT কে PRIMT লেখা ইত্যাদি); সেমিকোলন না দেওয়া, ব্রাকেট ঠিকমত না দেওয়া; কোন চলক ঘোষণা না করা প্রভৃতি।
- এসব ভুল সংশোধন করা খুবই সহজ কারণ সিনট্যাক্স ভুলের বেলা কম্পিউটার একটি ভুলের বার্তা ছাপায় যেমন 12 নম্বর লাইনে ভুল আছে।

• Data Error:

- কম্পিউটারে ভুল ডাটা দিলে তাকে ডাটা ভুল বলে।
- ডাটা ভুল কম্পিউটার বুঝতে পারে না। যেমন: 82 এর স্থলে 28 লেখা, এ ধরনের ভুলে কম্পিউটার ভুলের বার্তা প্রদর্শন করে না।

• Logical Error:
- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক্যাল ভুল।
- সাধারণত সমস্যা ঠিকমত না বোঝার জন্যই এই ভুল হয়। যেমন A < B এর স্থলে A > B বা X = A + B এর স্থানে X = A - B লিখলে লজিক ভুল হয়।
- সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে গণনা সম্ভব না হওয়ায় কোন উত্তর পাওয়া যায় না কিন্তু লজিক ভুলের ক্ষেত্রে একটি উত্তর পাওয়া যায় যদিও তা ভুল।
- কম্পিউটার কোন ভুলের বার্তা পাঠায় না বলে লজিক ভুল সংশোধন করা খুব কঠিন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮০.
'কম্পোজিট প্রাইমারি কী' কী অবস্থায় ব্যবহৃত হয়?
  1. যখন একটি ফিল্ড প্রাইমারি কী হিসাবে ব্যবহৃত হয়
  2. যখন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকে
  3. যখন টেবিল খালি থাকে
  4. যখন টেবিল একাধিকবার সংরক্ষণ করা হয়
ব্যাখ্যা
• কী ফিল্ড:
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১.
Cc এবং Bcc এর মধ্যে পার্থক্য কী?
  1. Cc-তে গ্রাহকের তালিকা লুকানো থাকে, Bcc-তে থাকে না
  2. Cc-তে প্রাপকের তালিকা দৃশ্যমান, Bcc-তে লুকানো থাকে
  3. Cc শুধুমাত্র এক গ্রাহকের জন্য, Bcc একাধিকের জন্য
  4. কোনো পার্থক্য নেই
ব্যাখ্যা
• E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন।
- রে টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 (Post Office Protocol), IMAP (Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ই-মেইলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
To
- এখানে যার কাছে মেইল পাঠানো হবে তার মেইল এড্রেস লিখতে হয়।
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়।

Cc (Carbon Copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, এইক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা সকল গ্রাহক দেখতে পারে।

Bcc(Blind carbon copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তবে এক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা গ্রাহকের কাছে প্রদর্শিত হয় না।

Attachment
- ই-মেইলে টেক্সট এর পাশাপাশি বিভিন্ন ফাইল পাঠানোর জন্য Attachment অংশে অ্যাটাচ করে দিতে হয়।

উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২.
ইলন মাস্ক নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা নয়?
  1. Zip2
  2. SpaceX
  3. Tesla
  4. Intel
ব্যাখ্যা
• ইলন মাস্ক:
- ইলন মাস্ক একজন আমেরিকান উদ্যোক্তা।
- তাঁর জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেটোরিয়াতে।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা আর অর্থনীতিতে পড়ালেখা করেন।
- তিনি বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা ও টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)।
- টেসলা, টুইটার ছাড়াও রকেট কোম্পানি স্পেসএক্স ও নিউরালিংকের প্রধান হিসেবে রয়েছেন ইলন মাস্ক।
- ইলন মাস্ক ২০১৫ সালে অলাভজনক সংস্থা ওপেনএআই প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০১৬ সালে তিনি নিউরালিংক এবং বোরিং কোম্পানি প্রতিষ্ঠান করেন।
- বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় শীর্ষ অবস্থান আছেন ইলন মাস্ক।

জিপটু (Zip2):
- উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি প্রথম জিপটু (Zip2) নামে একটি সফটওয়্যার কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৯৫ সালে এর পথচলা শুরু হলেও ১৯৯৯ সালে তিনি কমপ্যাক কোম্পানির কাছে জিপ-টু বিক্রি করেন।

স্পেসএক্স (SpaceX):
- ইলস মাস্ক ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন স্পেসএক্স।
- এর প্রথম দুটি রকেট হলো ফ্যালকন 1 এবং ফ্যালকন 9।

টেসলা মোটরস (Tesla):
- তিনি ২০০৪ সালে কোম্পানিটি চালু করেন।

• Intel এর প্রতিষ্ঠাতা গর্ডণ ই. মুর এবং এবং রবার্ট নয়েস।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮৩.
একটি পিকোনেটে সর্বোচ্চ কতটি স্লেভ ডিভাইস যুক্ত হতে পারে?
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৬ টি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ব্লুটুথ:
- স্বল্প দূরত্বের ভেতর ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসসমূহ থেকে তথ্য বিনিময়ের জন্য একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়‍্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড হলো ব্লুটুথ।
- এর মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) সৃষ্টি হয় যেখানে উঁচু মানের নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লুটুথ এর নাম অনুসারে এই প্রযুক্তিটির নাম ব্লুটুথ রাখা হয়েছে।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে, কম্পিউটার, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বাসাবাড়ির বিনোদন ক্ষেত্রের অনেক ডিভাইসে ব্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে।

• ব্লুটুথের বৈশিষ্ট্য:
- কাছাকাছি দুইটি ডিভাইসের মধ্যে ডাটা স্থানান্তরে ব্লুটুথ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে।
- ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনের কোন লাইসেন্স ছাড়াই 2.4 গিগাহার্টস ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে চলতে পারে।
- 10-100 মিটারের মধ্যে অবস্থানকারী ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ইনফ্রারেড ডাটা কমিউনিকেশনের ন্যায় দেয়াল বা অন্যকোন বাধা ডাটা ট্রান্সমিশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে না।
- কোনো পিকোনেটে (Piconet) একটি মাস্টার সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪.
টিসিপি/আইপি কী?
  1. ইমেইল ব্যবস্থাপনার একটি প্রোটোকল
  2. ইন্টারনেটের মূল যোগাযোগ প্রটোকল
  3. একটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  4. একটি ফাইল ট্রান্সফার পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকল/ইন্টারনেট প্রটোকল (টিসিপি/আইপি):
- ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকল/ইন্টারনেট প্রটোকল (টিসিপি/আইপি) হলো ইন্টারনেটের মূল যোগাযোগ প্রটোকল।
- টিসিপি প্রেরক এবং গ্রাহক কম্পিউটার এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং নিশ্চিত করে যে, সমস্ত প্যাকেটগুলি একই ক্রম অনুযায়ী তাদের গন্তব্যে পৌঁছতে পারবে।
- আইপি প্রত্যেকটি প্যাকেট-এর ইন্টারনেটের অ্যাড্রেসিং স্কিম সরবরাহ করে এবং প্যাকেটগুলির প্রকৃত বিতরণের কাজটি সুনিশ্চিত করে।
- ইন্টারনেটের প্রতিটি হোস্টের জন্য আইপি সফটওয়‍্যার এবং টিসিপি সফটওয়‍্যার উভয়ই প্রয়োজন।
- আইপি সফটওয়‍্যারটি ইন্টারনেট যোগাযোগ করে এবং একটি হোস্টকে অন্য কোনও হোস্টের কাছে ডেটা পাঠাতে সাহায্য করে।
- যখন হোস্টগুলি ইন্টারনেট এর পরিচালনা ক্ষমতার চেয়ে বেশি ডেটা পাঠায় তখন, আইপি সফটওয়‍্যারগুলিতে আগত অতিরিক্ত ডেটা বাতিল করে দেয়। এই সমস্যাটির সমাধান করে টিপিসি সফটওয়‍্যার।
- যে ডেটাগুলি আইপি সফটওয়‍্যারটি থেকে স্বীকৃতি পেতে ব্যর্থ হয় অর্থাৎ বাতিল হয়, টিসিপি তাকে পুনরায় প্রেরণ করে।
- টিসিপি রিসিভারের পথে যানজট সনাক্ত করে এবং ডেটা প্রেরণের হার হ্রাস করে। ফলে ইন্টারনেট ব্যবস্থা বসে যায় না।
- টিসিপি অ্যালগরিদম পুনঃপ্রেরণ এবং যানজট পরিচালনা করতে দক্ষ। তারা প্রেরক এবং গ্রহণকারীর মধ্যে দীর্ঘ বা সংক্ষিপ্ত পথের (Path) সাথে খাপ খাইয়ে নেয় এবং বিলম্বের পরিবর্তনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে।
- টিসিপি এবং আইপি সফটওয়‍্যারগুলি নির্ভরযোগ্য এবং কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য একসাথে কাজ করে।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫.
S, __, M, T, W, T, F ধারাটির শূন্যস্থানে কোন বর্ণটি হবে?
  1. P
  2. F
  3. S
  4. T
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: S, __, M, T, W, T, F ধারাটির শূন্যস্থানে কোন বর্ণটি হবে?

সমাধান:
S, _, M, T, W, T, F
এখানে,
S = Saturday
S = Sunday
M = Monday
T = Tuesday
W = Wednesday
T = Thursday
F = Friday

∴ শূন্যস্থানে S বর্ণটি বসবে; যা Sunday নির্দেশ করে।
৮৬.
যদি কোনো মাসের ৭ তারিখ রবিবারের ২ দিন আগে হয়। তবে মাসটির ২৯ তারিখের পরের দিন কী বার হবে?
  1. শনিবার
  2. রবিবার
  3. মঙ্গলবার
  4. বুধবার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি কোনো মাসের ৭ তারিখ রবিবারের ২ দিন আগে হয়। তবে মাসটির ২৯ তারিখের পরের দিন কী বার হবে?

সমাধান:
রবিবারের ১ দিন আগে শনিবার।
রবিবারের ২ দিন আগে শুক্রবার।
তাহলে ৭ তারিখ ছিল শুক্রবার। 

আমরা জানি,
যেকোনো তারিখ হতে ৭ দিন পর পর (৮ম দিনে) একই বার পাওয়া যায়।
তাহলে, ৭, ১৪, ২১ এবং ২৮ তারিখ হবে শুক্রবার।
২৯ তারিখ হবে শনিবার।
৩০ তারিখ হবে রবিবার।
৮৭.
শিশির বাড়ি থেকে বের হয়ে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ৭ কি.মি. হাঁটল তারপর সে পশ্চিম দিকে ঘুরে ১৪ কি.মি. রিকশা দিয়ে গেল। সেখান থেকে সে উত্তর-পশ্চিম দিকে ৭ কি.মি. বাসে করে গেল। বাস থেকে নেমে সে পূর্বদিকে ৪ কি.মি. হেঁটে গেল। শিশির বাড়ি থেকে এখন কতদূরে অবস্থান করছে?
  1. ১৪ কি.মি.
  2. ১০ কি.মি.
  3. ২১ কি.মি.
  4. ১৫ কি.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শিশির বাড়ি থেকে বের হয়ে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ৭ কি.মি. হাঁটল তারপর সে পশ্চিম দিকে ঘুরে ১৪ কি.মি. রিকশা দিয়ে গেল। সেখান থেকে সে উত্তর-পশ্চিম দিকে ৭ কি.মি. বাসে করে গেল। বাস থেকে নেমে সে পূর্বদিকে ৪ কি.মি. হেঁটে গেল। শিশির বাড়ি থেকে এখন কতদূরে অবস্থান করছে?

সমাধান:

সুতরাং, শিশির এখন বাড়ি থেকে ১৪ - ৪ = ১০ কি.মি. দূরে অবস্থান করছে।
৮৮.
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. Bureaucracy
  2. Etiquette
  3. Supersede
  4. Mispell
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বানানটি অশুদ্ধ?

সমাধান:
Mispell বানানটি অশুদ্ধ।
শুদ্ধরূপ Misspell.
অর্থ ⇒ বানান ভুল করা; ভুল বানান করা।
৮৯.
তিনটি সংখ্যার গড় ৫৫। দ্বিতীয় সংখ্যাটি প্রথম সংখ্যার দ্বিগুণের চেয়ে ১ বেশি আবার তৃতীয় সংখ্যাটি প্রথম সংখ্যাটির তিন গুণের চেয়ে ৪ কম। বড় সংখ্যাটি কত?
  1. ৬০
  2. ৮০
  3. ৭০
  4. ৬৫
ব্যাখ্যা
 প্রশ্ন: তিনটি সংখ্যার গড় ৫৫। দ্বিতীয় সংখ্যাটি প্রথম সংখ্যার দ্বিগুণের চেয়ে ১ বেশি আবার তৃতীয় সংখ্যাটি প্রথম সংখ্যাটির তিন গুণের চেয়ে ৪ কম। বড় সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ২ক + ১
তৃতীয় সংখ্যাটি = ৩ক - ৪

প্রশ্নমতে,
ক + ২ক + ১ + ৩ক - ৪ = ৩ × ৫৫
⇒ ৬ক = ১৬৫ + ৩
⇒ ক = ১৬৮/৬
∴ ক = ২৮

বড় সংখ্যাটি = (৩ × ২৮) - ৪
=  ৮০
৯০.
যদি LOVE = 1215225 হয়, তাহলে HELP = ?
  1. 871115
  2. 851216
  3. 741117
  4. 151217
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি LOVE = 1215225 হয়, তাহলে HELP = ?

সমাধান:

ইংরেজি বর্ণমালার অবস্থান অনুসারে:
L = 12
O = 15
V = 22
E = 5

HELP এর ক্ষেত্রে,
H = 8
E = 5
L = 12
P = 16
তাহলে HELP হবে 851216।
৯১.
নিচের বর্ণমালার চতুর্থ বর্ণ থেকে জোড় স্থানের অক্ষরগুলো কেটে বাদ দেয়া হলে বর্ণমালার প্রথম হতে কাটা হয়নি এমন নবম বর্ণ কোনটি?
ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ ত থ দ ধ ন প ফ ব ভ ম য র ল শ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের বর্ণমালার চতুর্থ বর্ণ থেকে জোড় স্থানের অক্ষরগুলো কেটে বাদ দেয়া হলে বর্ণমালার প্রথম হতে কাটা হয়নি এমন নবম বর্ণ কোনটি?
ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ ত থ দ ধ ন প ফ ব ভ ম য র ল শ

সমাধান:
প্রদত্ত বর্ণমালার চতুর্থ বর্ণ ঘ থেকে শুরু করে জোড় স্থানের বর্ণগুলো কেটে বাদ দেয়া হলে বর্ণমালাটি হবে:

ক খ গ

এই ক্রমে কাটা হয়নি এমন নবম বর্ণটি হবে ণ।
৯২.
প্রদত্ত চিত্রটি একটি ঘড়ির দর্পণ প্রতিবিম্ব, বাস্তবে এই ঘড়িতে কয়টা বাজে?
  1. 08 : 40
  2. 09 : 40
  3. 08 : 20
  4. 09 : 20
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রটি একটি ঘড়ির দর্পণ প্রতিবিম্ব, বাস্তবে এই ঘড়িতে কয়টা বাজে?


সমাধান:
আয়নায় দেখানো সময় = 02 : 20

আমরা জানি,
প্রকৃত সময় = 11 : 60 - 02 : 20
= 09 : 40
৯৩.
P, Q, R, S এবং T এর মধ্যে P, Q থেকে লম্বা। R, T থেকে খাটো। P, S থেকে খাটো। Q, T থেকে লম্বা। সবচেয়ে খাটো কে?
  1. S
  2. P
  3. R
  4. T
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: P, Q, R, S এবং T এর মধ্যে P, Q থেকে লম্বা। R, T থেকে খাটো। P, S থেকে খাটো। Q, T থেকে লম্বা। সবচেয়ে খাটো কে?

সমাধান:
সম্পর্কগুলো:
P > Q
T > R
S > P
Q > T

∴ S > P > Q > T > R
অতএব, সবচেয়ে খাটো R.
৯৪.
মহাস্থানগড়কে কোন সালে সার্কের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গেছে।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- ১৮৭৯ সালে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কার করেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহ্যাম।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান।

⇒ ২০১৬ সালে এটিকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২১ জানুয়ারি, ২০১৭ থেকে এই অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সার্ক কালচারাল সেন্টার (শ্রীলঙ্কা) ২০১৫ সাল থেকে ‘সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী’ ঘোষণার আয়োজন শুরু করেছে।
- প্রথমবারের মতো ‘সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী’ ঘোষণা করা হয় আফগানিস্তানের ঐতিহাসিক নগরী বামিয়ানকে।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
৯৫.
ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী কোন দেশ? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ভিয়েতনাম
  2. চীন
  3. ভারত
  4. মেক্সিকো
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী ভিয়েতনাম।

দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়:

- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে।
- একক দেশ হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।
- জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত বাংলাদেশ জাপানে রপ্তানি করে ১৩০৮.৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) জোট হিসেবে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজার।
- মোট রপ্তানি আয়ের ৫০ শতাংশের বেশি আসে ইইউ অঞ্চল থেকে। 
- বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশ তৈরি পোশাক।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী দেশ ভিয়েতনাম।
- ২০২৩ সালে যেখানে ইইউতে ভিয়েতনামের রপ্তানি ছিল ৫ হাজার ৭০ কোটি মার্কিন ডলার, সেখানে বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল ২ হাজার কোটি ডলার। 

উল্লেখ্য,
⇒ ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ স্থানে রয়েছে চীন। 
- ২য় শীর্ষ স্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম।
- বাংলাদেশের অবস্থান ৩য়।

উৎস: i) প্রথম আলো। [link]
ii) অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৯৬.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. কক্সবাজার
  2. বান্দরবান
  3. চট্টগ্রাম
  4. নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
কুতুপালং শরণার্থী শিবির:
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির হলো কুতুপালং শরণার্থী শিবির।
- এটি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের মুসলিম জনগোষ্ঠি।
- রাখাইনে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিলেন তারা।
- ২০১৭ সালের আগস্টে সেনা বাহিনী নারকীয় হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ শুরু করলে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।
- কক্সবাজারের কুতুপালং শিবিরে বর্তমানে প্রায় ৯ লাখ শরণার্থী অবস্থান করছে।

উৎস: i) Reuters.
ii) USA for UNHCR.
৯৭.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গঠিত ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’-এর অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. জাকারিয়া পিন্টু
  2. প্রতাপ শংকর হাজরা
  3. খন্দকার এম নুরুন্নবী
  4. কাজী সালাউদ্দীন
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের একটি ফুটবল দল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত অর্জন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- এই দলটি ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’ নামে পরিচিত ছিল।
- মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল এটি।

উল্লেখ্য,
- জুন মাসে কলকাতায় শামসুল হক প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতি।
- তার সাহায্যে এগিয়ে এলেন সমিতির প্রথম সেক্রেটারি লুতফর রহমান, কোচ আলী ইমাম ও ইস্ট এন্ড ক্লাবের সাবেক ফুটবলার সাঈদুর রহমান প্যাটেল।
- স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন জাকারিয়া পিন্টু এবং সহ-অধিনায়ক ছিলেন প্রতাপ শংকর হাজরা।
- কোচ ও ম্যানেজার ছিলেন যথাক্রমে ননি বসাক ও তানভীর মাজহারুল তান্না।
- ম্যাচ খেলা থেকে অর্জিত পাঁচ লাখ ভারতীয় রুপি ক্রীড়া সমিতি জমা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ফান্ডে।

⇒ মোট ৬টি ম্যাচ খেলেছে স্বাধীন বাংলাদেশ ফুটবল দল। এর মধ্যে জিতেছে ৩টি, ড্র করেছে ১টি আর হেরেছে দুটিতে। দিল্লীতে আর একটি ম্যাচ খেলতে যাবার ঠিক আগে এল অসাধারণ খবরটি- বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে গেছে। সেদিন ছিল ১৬ ডিসেম্বর।

⇒ মুক্তিযুদ্ধকালীন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু ১৮ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে ইন্তেকাল করেন।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla.
৯৮.
বর্তমান রাজশাহী, দিনাজপুর ও রংপুর প্রাচীনযুগে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. হরিকেল
  2. বঙ্গ
  3. বরেন্দ্র
  4. গৌড়
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্র জনপদ:
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম বরেন্দ্র বা বরেন্দ্র ভূমি।
- এটি উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ। 
- রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং ভারতের মালদহ, মুর্শিদাবাদের কিছু অংশ, দার্জিলিং ও কোচবিহার এক সময় এ জনপদের আওতায় ছিল।

⇒ পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্ররাজ্যের একটি অংশজুড়ে বরেন্দ্রর অবস্থান ছিল।
- মৌর্য ও গুপ্ত আমলে প্রাদেশিক কেন্দ্র পুণ্ড্রনগরের অবস্থানও ছিল এই বরেন্দ্র এলাকায়।
- আলেকজান্ডার কানিংহামের মতে, বরেন্দ্রর সীমানা পশ্চিমে গঙ্গা ও মহানন্দা, পূর্বে করতোয়া, দক্ষিণে পদ্মা এবং উত্তরে কুচবিহার ও তরাইয়ের মধ্যে ছিল।

অন্যদিকে,
- বৃহত্তর ফরিদপুর, বিক্রমপুর, বাখেরগঞ্জ, পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি নিয়ে ‘বঙ্গ' জনপদ গঠিত ছিলো। এই অঞ্চলে বসবাসকারী ‘বঙ্গ’ জনগোষ্ঠী থেকে ‘বঙ্গ’ নামের উৎপত্তি ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল। কর্ণসুবর্ণ ছিল গৌড় রাজ্যের রাজধানী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৯.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কত সালে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ প্রণয়ন করা হয়েছিলো?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২:
- বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর সংসদ কার্যকর না থাকায় ১৯৭২ সালের ২৬ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ জারি করেছিলেন।
- এটি ছিল ওই বছর রাষ্ট্রপতির ১৫৫ নম্বর আদেশ।
- ১৯৭৩ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদে আদেশটি অনুমোদন পায়।
- পরে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় সংসদ আরপিও সংশোধনও করেছে।
- বাংলাদেশের সব কয়টি নির্বাচন হয়েছে ১৯৭২ সালে জারি করা রাষ্ট্রপতির আদেশ দ্য রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২ (আরপিও) অনুযায়ী।
- এটি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ নামে পরিচিত।

⇒ বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীতে সংবিধান তৈরির পর নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রথমবারের মতো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ প্রণয়ন করা হয়েছিলো। 
- ২০২৩ সালে সর্বশেষ সংসদে পাশ হয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন ২০২৩।
- নির্বাচনের জন্য দেশের মানুষের গণঅধিকার কোনগুলো এবং এ অধিকার রক্ষায় নির্বাচন কমিশন কী করবে সেটিই বলা হয়েছে আরপিওতে।
- “এর ১৪৫টি ধারার মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত সব বিষয় বর্ণনা করা আছে।
- এর মাধ্যমে বলা আছে যে কীভাবে নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে। 

⇒ ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই বছরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছিলো এ আইনে।
- রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন, প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতার বিষয় নিরূপণ কিংবা রাজনৈতিক দলগুলোর কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারীকে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলো সে সময়ে সংযোজিত হয়েছে।

⇒ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯১(এ) ধারায় বলা আছে, নির্বাচন কমিশন যদি সন্তুষ্ট হয় যে, নির্বাচনে বলপ্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন এবং চাপ সৃষ্টিসহ বিভিন্ন বিরাজমান অপকর্মের কারণে যুক্তিযুক্ত, ন্যায়সঙ্গত এবং আইনানুগভাবে নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে না, তাহলে যে কোনো ভোটকেন্দ্র বা সম্পূর্ণ নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচনের যে কোনো পর্যায়ে ভোট গ্রহণসহ নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করতে পারবে।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
ii) বিবিসি।
১০০.
কার নেতৃত্বে ঐতিহাসিক সলঙ্গা বিদ্রোহ সংঘটিত হয়?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ
  3. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ-এর নেতৃত্বে ঐতিহাসিক সলঙ্গা বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। 

সলঙ্গা বিদ্রোহ:

- ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি তরুণ নেতা মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ-এর নেতৃত্বে তৎকালীন পাবনা জেলার সিরাজগঞ্জ মহকুমার সলঙ্গা হাটে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সূচনা ঘটে।
- আন্দোলনরত জনতার ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে ব্রিটিশ পুলিশ, নিহত হন কয়েক শ মানুষ।
- নিহতদের ব্রিটিশ পুলিশ সিরাজগঞ্জের রহমতগঞ্জে গণকবর দেয়।

⇒ বিদেশি পণ্য বর্জন ও স্বদেশি পণ্য ব্যবহার করার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের সলঙ্গা হাটে গণহত্যা সংঘটিত হয়।
- যুবনেতা মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে সলঙ্গা এলাকায় 

⇒ মূলত জালিয়ান ওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা থেকে সূত্রপাত হয় ভারতবর্ষে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের। জালিয়ান ওয়ালাবাগের পথ ধরে ব্রিটিশ বেনিয়াদের নৃশংসতার আরেক রক্তাক্ত অধ্যায় রচিত হয় সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায়।

⇒ ২৭ জানুয়ারি ঐতিহাসিক সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
• আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ:
- মওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ একজন রাজনীতিক। 
- তর্কবাগীশ জন্মেছিলেন ১৯০০ সালের ২৭ নভেম্বরে সলঙ্গাতে।
- স্থানীয় ডায়মন্ড জুবিলী হাইস্কুলে এন্ট্রান্স ক্লাসে অধ্যয়নকালে তিনি খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলনে (১৯২০-২২) যোগ দেন।
- লাহোরের এরশাদ ইসলামিয়া কলেজে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সেরা বাগ্মীর স্বীকৃতি লাভ করার পরে তিনি ‘তর্কবাগীশ’ হিসেবে পরিচিত হন।
- ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে তিনি প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং ১৯৫৬ সালে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী হিসেবে পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। 
- তিনি ১৯৫৭ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৬৯-এর গণআন্দোলনের পর তিনি ছয়দফা-পন্থি আওয়ামী লীগে প্রত্যাবর্তন করেন।
- ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ অধিবেশনে মাওলানা সভাপতিত্ব করেন।
- ১৯৮৬ সালের ২০ আগস্ট ঢাকায় তার মৃত্যু হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
১০১.
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে রয়েছেন? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. মোঃ তৌহিদ হোসেন
  3. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
  4. ড. আসিফ নজরুল
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন মোঃ তৌহিদ হোসেন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
- মোট উপদেষ্টা: ২৪ জন।

উল্লেখ্য,
⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব সালেহ উদ্দিন আহমেদ:
- অর্থ মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

⇒ ড. আসিফ নজরুল:
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব মোঃ তৌহিদ হোসেন:
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১০২.
বাংলাদেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. টঙ্গী
  2. মিরসরাই
  3. আড়াইহাজার
  4. ঈশ্বরদী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই-এ অবস্থিত।

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):

- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ চ্যানেলের পাশে প্রায় ১৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল। 
- এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।
- এর ৪১ শতাংশ বা ১৪ হাজার একরে শুধু শিল্পকারখানা হবে, বাকি ৫৯ শতাংশ এলাকার মধ্যে আছে খোলা জায়গা, বনায়ন, বন্দর–সুবিধা, আবাসন, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ও বিনোদনকেন্দ্র।

⇒ ২০১৬ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এই শিল্পনগরের উদ্বোধন করা হয়।
- ২০১৮ সালে এটির নাম পাল্টে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’ রাখা হয়।
- সম্প্রতি নভেম্বর, ২০২৪-এ ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’-এর নাম পাল্টে নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’। 

উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি ১২টি পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত।
- সেখানে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক (বিজিএমইএ) শিল্পপার্ক, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল, এসবিজি (শিকদার, বসুন্ধরা ও গ্যাসমেন গ্রুপ) অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো আলাদা জোন রয়েছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে সেখানে ১৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবংংসেখান থেকে প্রতিবছর রপ্তানি আয় হবে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১০৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় তেলিয়াপাড়া রণকৌশল অনুসারে কুমিল্লা অঞ্চলের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. মেজর খালেদ মোশাররফ
  2. মেজর কে এম সফিউল্লাহ
  3. মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
  4. মেজর জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা
মুক্তিবাহিনী:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় যে বাহিনীটা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে সেটাকেই মুক্তিবাহিনী বলে।
- এটার কয়েকটা ভাগ ছিল।
- যেমন: একটা ভাগে ছিল সেনাবাহিনী, ইপিআর, পুলিশ, আনসার আর আরেকটা অংশে ছিল ছাত্র-জনতা।
- সবাইকে মিলিয়ে বলা হতো মুক্তিবাহিনী।
- মুক্তি বাহিনীর কয়েকটি অংশের একটি ছিল ‘মুজিব বাহিনী’।

⇒ তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি:
- ১৯৭১ সালের একাত্তর সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে।
- পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়।
- বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
- ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

⇒ এই ৪টি অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধিনায়ক ছিলেন:
ক) চট্টগ্রাম অঞ্চল: মেজর জিয়াউর রহমান,
খ) কুমিল্লা অঞ্চল: মেজর খালেদ মোশাররফ,
গ) সিলেট অঞ্চল: মেজর কে এম সফিউল্লাহ,
ঘ) দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চল: মেজর আবু ওসমান চৌধুরী।

উল্লেখ্য,
- পরবর্তীতে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলকে বিভক্ত করে রাজশাহী অঞ্চলে মেজর নাজমুল হক,
- দিনাজপুর অঞ্চলে মেজর নওয়াজেস উদ্দিন এবং খুলনা অঞ্চলে মেজর জলিলকে দায়িত্ব দেয়া হয়।
- ৭ই জুলাই ১৯৭১ যুদ্ধের কৌশলগত কারণে সরকার নিয়মিত পদাতিক ব্রিগেড গঠনের পরিকল্পনায় 'জেড ফোর্স' ব্রিগেড গঠন করেন।
- এই জেড ফোর্সের অধিনায়ক হলেন লেঃ কর্নেল জিয়াউর রহমান।
- একই ভাবে সেপ্টেম্বর মাসে 'এস ফোর্স' এবং ১৪ই অক্টোবর 'কে ফোর্স' গঠন করা হয়।
- কে ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন লেঃ কর্নেল খালেদ মোশাররফ।
- এস ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন লেঃ কর্নেল কে. এম. সফিউল্লাহ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
১০৪.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী সর্বশেষ দেশ কোনটি?
  1. পাকিস্তান
  2. যুক্তরাজ্য
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে।
- বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান এবং ভারত।
- উভয় দেশই বাংলাদেশকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- অপরদিকে সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।

⇒ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয় ৪ এপ্রিল, ১৯৭২।
- প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইরাক ৮ জুলাই, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান)।
ii) বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন)।
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১০৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের ____ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর।
  1. ১২২(২)
  2. ২২
  3. ১০৮
  4. ১৩৮(১)
ব্যাখ্যা
ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স:
- বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম ভাগ 'নির্বাচন' অংশে প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের কথা বলা আছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২(২) অনুচ্ছেদ বলা হয়েছে, বাংলাদেশের একজন ভোটারের সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর হতে হবে।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২২(১) ও (২) অনুযায়ী ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
- প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
- কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হওয়ার অধিকারী হবেন, যদি
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁর বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁর সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলে ঘোষণা বহাল না থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

উৎস:- বাংলাদেশ সংবিধান।
১০৬.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার কত নং দফায় লাহোর প্রস্তাবের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ৬ নং
  2. ১৯ নং
  3. ৮ নং
  4. ২১ নং
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ‘যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।

⇒ যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা:
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা ছিল নিম্নরূপ:
১. বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা,
২. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা,
৩. পাটের ব্যবসা জাতীয়করণ করা,
৪. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা,
৫. পূর্ব পাকিস্তানে লবণ শিল্প প্রতিষ্ঠা করা,
৬. কারিগর মুহাজিরদের কাজের ব্যবস্থা করা,
৭. বন্যা ও দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য খাল খনন ও সেচের ব্যবস্থা করা,
৮. পূর্ব পাকিস্তানে শিল্প কারখানা গড়ে তোলা,
৯. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন করা,
১০. শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা,
১১. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা,
১২. শাসন ব্যয় হ্রাস করা ও মন্ত্রীদের বেতন এক হাজার টাকার বেশি না করা,
১৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা,
১৪. জন নিরাপত্তা আইন ও অর্ডিন্যান্স প্রভৃতি বাতিল করা,
১৫. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা,
১৬. বাংলা ভাষা গবেষণার জন্য বর্ধমান হাউজে বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠা করা,
১৭. রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবিতে নিহত শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে মিনার নির্মাণ করা,
১৮. একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করা,
১৯. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন কায়েম করা,
২০. আইন পরিষদের মেয়াদ কোনভাবেই বৃদ্ধি না করা,
২১. পরিষদের কোন সদস্য পদ খালি হলে তিন মাসের মধ্যে উপ-নির্বাচনের ব্যবস্থা করা,
২১ দফা ছিল আসলে পূর্ববাংলার মানুষের অধিকারের দলিল। সুতরাং এই ২১ দফা ইস্তেহার দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে।

স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন চূড়ান্তভাবে স্বাধীনতা আন্দোলনে রূপ নেয় যার প্রেরণা ছিল ভাষা আন্দোলন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৭.
নিম্নের কোন মসজিদটি সুলতানি আমলের নিদর্শন নয়?
  1. ছোট সোনা মসজিদ
  2. সাত গম্বুজ মসজিদ
  3. কুসুম্বা মসজিদ
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সাত গম্বুজ মসজিদ সুলতানি আমলের নিদর্শন নয়। এটি মুঘল আমলের নিদর্শন। 

• ছোট সোনা মসজিদ:

- ছোট সোনা মসজিদ 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত।
- মধ্যযুগের সুলতানি আমলের গৌড়নগরীর এক ঐতিহাসিক স্থাপনা ছোট সোনামসজিদ।
- মসজিদটিকে বলা হতো ‘গৌড়ের রত্ন’।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রধানতম নিদর্শন হচ্ছে ছোট সোনামসজিদ।
- মধ্যযুগে বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালে (১৪৯৩-১৫১৯) নির্মিত হয় সোনামসজিদ।

কুসুম্বা মসজিদ:
- নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদের অবস্থান।
- মসজিদটি ধরে রেখেছে সুলতানি আমলের অনন্য নিদর্শন।
- এর মিহরাবের ওপর সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহর নাম লিপিবদ্ধ করা।
- ধারণা করা হয়, তাঁর শাসনামলে মসজিদটি নির্মিত।

অন্যদিকে,
• সাত গম্বুজ মসজিদ:
- সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত।
- এটি মুঘল আমলে নির্মিত একটি মসজিদ।
- এই মসজিদটি চারটি মিনারসহ সাতটি গম্বুজের কারনে মসজিদের নাম হয়েছে 'সাত গম্বুজ মসজিদ'।
- এর নির্মাতা মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান।
- ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে তিনি এটি নির্মাণ করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০৮.
দেশের শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. NAEM
  2. BANSDOC
  3. UGC
  4. DPE
ব্যাখ্যা
নায়েম:
- NAEM- এর পূর্ণরুপ: National Academy for Educational Management. 
- দেশের শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান নায়েম।
- এটি ১৯৫৯ সালে স্থাপিত হয়।
- অবস্থান: ঢাকার নিউমার্কেটে ঢাকা কলেজের পাশে।
- এখানে সর্বস্তরের শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

⇒ জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট কেন্দ্র এবং এটি শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনে কাজ করে যাচ্ছে।
- নায়েমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণকে জ্ঞান, পেশাগত দক্ষতা, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বের গুণাবলি দ্বারা সমৃদ্ধ করা।
- শিক্ষাক্ষেত্রে পরিকল্পনা, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও গবেষণার উন্নয়নের ক্ষেত্রে নায়েম প্রধান ভূমিকা পালন করছে।
- শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে এডুকেশন এক্সটেনশন সেন্টার (EEC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একটি বিবর্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে এটিকে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)-এ রুপান্তর করা হয়।

অন্যদিকে,
- DPE (Directorate of Primary Education) হলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
- BANSDOC হলো বাংলাদেশ জাতীয় বিজ্ঞান ও কারিগরি তথ্য নথিকরণ কেন্দ্র।
- UGC (University Grant Commission) হলো বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন।

উৎস: NAEMওয়েবসাইট।
১০৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশের কোন জেলায় সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম?
  1. পিরোজপুর
  2. ভোলা
  3. লক্ষ্মীপুর
  4. জামালপুর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশের জামালপুর জেলায় সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।

⇒ সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।

⇒ সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।

⇒ সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি পিরোজপুর জেলায়।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম জামালপুর জেলায়।

⇒ সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
১১০.
বাংলার নাম 'বুলগাকপুর' রাখেন -
  1. সম্রাট বাবর
  2. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  3. জিয়াউদ্দিন বারানি
  4. নাসিরুদ্দীন শাহ
ব্যাখ্যা
বিদ্রোহের নগরী:
- ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে ইখতিয়ারউদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা হয়।
- এরপর রাজা গণেশের স্বল্পকালীন শাসনকাল ব্যতীত ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা মুসলিম শাসনাধীনে ছিল।
- বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের পর থেকে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত যেসব খলজি মালিক, তুর্কি শাসক ও বলবনী শাসকগণ বাংলা শাসন করেছেন তাদের অনেকেই পুরোপুরি স্বাধীন ছিলেন না।
- তাঁরা দিল্লির সুলতানদের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হতেন।
- কিন্তু দিল্লি থেকে বাংলা দূরবর্তী স্থানে হওয়ায় তাঁদের অনেকে সুযোগ পেলেই বিদ্রোহ ঘোষণা করতেন।
- এজন্য বাংলাকে 'বুলগাকপুর' বা বিদ্রোহের নগরীও বলা হত।

⇒ দিল্লির ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানী বাংলার নাম রেখেছিলেন 'বুলগাকপুর'।
- জিয়াউদ্দিন বারানী ছিলেন সুলতান মোহাম্মদ বিন তুঘলক ও ফিরোজ শাহ তুঘলকের সময় দিল্লি সালতানাতের একজন মুসলিম ইতিহাসবিদ ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদ।
- ইতিহাসের আকরগ্রন্থ ‘তারিখে ফিরোজশাহী’ লিখে সুপরিচিত।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বণিক বার্তা।
১১১.
বাংলাদেশের কোন বিভাগে সবচেয়ে কম জেলা রয়েছে?
  1. সিলেট
  2. রাজশাহী
  3. রংপুর
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে কম জেলা রয়েছে।

বাংলাদেশের বিভাগসমূহ:

- বাংলাদেশ আটটি প্রধান প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত যাদের বাংলায় বিভাগ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

⇒ বাংলাদেশের ৮টি বিভাগে জেলার সংখ্যা:
- ঢাকা বিভাগে জেলার সংখ্যা: ১৩টি।
- চট্টগ্রাম বিভাগে জেলার সংখ্যা: ১১টি।
- খুলনা বিভাগে জেলার সংখ্যা: ১০টি।
- রাজশাহী বিভাগে জেলার সংখ্যা: ৮টি।
- রংপুর বিভাগে জেলার সংখ্যা: ৮টি।
- বরিশাল বিভাগে জেলার সংখ্যা: ৬টি।
- সিলেট বিভাগে জেলার সংখ্যা: ৪টি।
- ময়মনসিংহ বিভাগে জেলার সংখ্যা: ৪টি।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১২.
প্রাচীন ভারতের স্বর্ণযুগ হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. পাল যুগ
  2. মৌর্য যুগ
  3. গুপ্ত যুগ
  4. কুষাণ যুগ
ব্যাখ্যা
গুপ্ত যুগ:
- গুপ্ত সাম্রাজ্য ছিল একটি প্রাচীন ভারতীয় সাম্রাজ্য।
- আনুমানিক খ্রিস্টীয় ৩২০ - ৫৫০ অব্দের মধ্যবর্তী সময়ে ভারতীয় উপমহাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলজুড়ে এই সাম্রাজ্য প্রসারিত ছিল।
- মহারাজ শ্রীগুপ্ত এই সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।

⇒ গুপ্তযুগে ভারতে শান্তি ও সমৃদ্ধি স্থাপিত হয়েছিল।
- এটা ছিল আবিষ্কার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বাস্তুবিদ্যা, শিল্প, ন্যায়শাস্ত্র, সাহিত্য, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, ধর্ম ও দর্শনের বিশেষ উৎকর্ষের যুগ।
- গণিতের জগতে ‘শূন্য’র ব্যবহার এ সময়েই যুগান্তকারী এক আবিষ্কার।
- এ জন্য গুপ্তযুগকে ভারতের স্বর্ণযুগ বলা হয়।

⇒ এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে শ্রীগুপ্তের কথা বলা হলেও প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয় প্রথম চন্দ্রগুপ্তকে। তাঁর উপাধি ছিল মহারাজাধিরাজ।
- গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ শাসক বলা হয় সমুদ্রগুপ্তকে। তিনি সমগ্র বাংলা জয় করেন। তাঁকে প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ন বলেও অভিহিত করা হয়।

⇒ পাটালিপুত্রে ছিল চন্দ্রগুপ্ত সাম্রাজ্যের রাজধানী।
- গুপ্তদের সময় রাজতন্ত্র ছিল সামন্তনির্ভর।
- এদের রাজাদের অধীনে বড় কোনো অঞ্চলের শাসককে বলা হতো মহাসামন্ত।
- মৌর্যদের মতো এ দেশে গুপ্তদের রাজধানী ছিল মহাস্থানগড়ের পুণ্ড্রনগর।
- চীনা পর্যটক ফা হিয়েন গুপ্তযুগে ভারতে আসেন।
- গুপ্তযুগে বাংলায় স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার সর্বব্যাপী প্রচলন হয়।

উৎস: ইতিহাস, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৩.
প্রতি বছর কত তারিখে 'জাতীয় কৃ‌ষি দিবস' পালিত হয়?
  1. ১ অগ্রহায়ণ
  2. ১ কার্তিক
  3. ২ অগ্রহায়ণ
  4. ২ কার্তিক
ব্যাখ্যা
জাতীয় কৃ‌ষি দিবস:
- বাংলাদেশে প্রতি বছর ১লা অগ্রহায়ণ 'জাতীয় কৃ‌ষি দিবস ও নবান্ন উৎসব' পালিত হয়।

⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এক সোনালি অধ্যায়ের নাম কৃষি।
- উৎপাদনশীলতা, আয় বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বিশাল জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধির জন্য কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
- কৃষিই সমৃদ্ধি এ শ্লোগানকে ধারণ করে ২০০৮ সালের ১৫ নভেম্বর বা '১লা অগ্রহায়ণ, ১৪১৫' সালে প্রথম জাতীয় কৃষি দিবস পালন করা হয়।
- সেই থেকে প্রতিবছর কৃষি দিবস পালিত হয়ে আসছে।

⇒ কৃষিপ্রথা চালু হওয়ার পর থেকে নবান্ন উৎসব পালন হয়ে আসছে।
- একসময় অগ্রহায়ণই ছিল বাংলা বছরের পয়লা মাস। ‘অগ্র’ মানে ‘প্রথম’, আর ‘হায়ণ’ অর্থ ‘মাস’।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১৪.
ওঁরাও জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের কোন জেলায় বাস করে?
  1. কুমিল্লা
  2. দিনাজপুর
  3. কক্সবাজার
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
ওঁরাও:
- ওঁরাও দক্ষিণ এশিয়ার একটি বড় নৃগোষ্ঠী।
- ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্য, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে এদের বাস।
- বাংলাদেশে বর্তমানে গাজীপুর, নওগাঁ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া ও রাজশাহী জেলা ওঁরাওদের প্রধান বসতিস্থল।

⇒ ওঁরাওদের ভাষার নাম কুরুখ ও সাদ্রি।
- এই ভাষার কোনো বর্ণমালা নেই।
- ওঁরাও আদিবাসীরা নৃতাত্ত্বিক বিচারে আদি অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রেলীয়) জনগোষ্ঠীর উত্তরপুরুষ।
- ওঁরাও সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।

⇒ এদের গ্রামপ্রধানকে বলা হয় মাহাতো।
- এদের নিজস্ব আঞ্চলিক পরিষদ আছে, যা পাহতো নামে পরিচিত।
- এই পরিষদে কয়েকটি গ্রামের প্রতিনিধিরা থাকে।
- অন্যান্য আদিবাসী জাতির মতো ওঁরাও সমাজও সর্বপ্রাণবাদী প্রকৃতি উপাসক, তবে এদের ধর্মবিশ্বাসে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে সর্বশক্তিমান ‘ধরমী’ বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’ স্বীকৃত।

⇒ এদের প্রধান উৎসবের নাম কারাম।
- ওঁরাও সমাজে অতিথি আপ্যায়ন ও উৎসব-অনুষ্ঠানে নেশাদ্রব্য পান করা একটি ঐতিহ্যবাহী অভ্যাস।
- এদের সমাজে নৃত্য ও সংগীত একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১৫.
সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার সম্পর্কে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৮ (৩)
  2. অনুচ্ছেদ ৫৪
  3. অনুচ্ছেদ ৫৭(ক)
  4. অনুচ্ছেদ ১০৬
ব্যাখ্যা
সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার সম্পর্কে সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।
 
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ নং অনুচ্ছেদ:
• সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:

- যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এমন কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হয় বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দেয়, যা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করতে পারবেন।

উল্লেখ্য,
সম্প্রতি ৫ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি ৬ আগস্ট ২০২৪ তারিখে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়েছেন।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ (৩) অনুসারে মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করা সম্ভবপর নয়।

⇒ বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করার বিষয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ হতে ৮ আগস্ট, ২০২৪ ১০.০০.০০০০.১২৭,৯৯.০০৭.২০.৪৭৫ নং স্মারকে প্রেরিত পত্রে বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত জন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত যাচাই করা হয়েছে।

⇒ এমতাবস্থায় বাংলাদেশের সংবিধানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের কোনো বিধান না থাকায় উল্লিখিত প্রশ্নের বিষয়ে বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত উপদেষ্টা মূলক এখতিয়ার প্রয়োগ করে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই মতামত প্রদান করছে যে, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক শূন্যতা পূরণে জরুরি প্রয়োজনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নির্বাহী কার্য পরিচালনার নিমিত্ত অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য উপদেষ্টা নিযুক্ত করতে পারবেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতি উক্তরূপে নিযুক্ত প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য উপদেষ্টাগণ কে শপথ পাঠ করাতে পারবেন।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ বলছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। 
- সংবিধানের ৫৭(ক) অনুচ্ছেদে বলা আছে, প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হবে যদি তিনি কোনো সময়ে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র প্রদান করেন। পদত্যাগের সঙ্গে ‘পত্র’ শব্দটি আছে মানে সেটি অবশ্যই লিখিত হতে হবে। 

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) The Daily Star Bangla.
১১৬.
সুমেরীয় ধর্ম মন্দিরকে কী বলা হত?
  1. মেহেরাব
  2. ইশতান
  3. জিগুরাত
  4. মেনেস
ব্যাখ্যা
- সুমেরীয় ধর্ম মন্দিরকে জিগুরাত বলা হত। 

সুমেরীয় সভ্যতা: 

- সুমেরীয় সভ্যতা মেসোপটেমিয়ায় গড়ে উঠেছিল।
- ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বে সুমেরীয় জাতি মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণাংশে এবং পারস্য উপকূল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- এরা অ-সেমিটিক জাতিগোষ্ঠি এবং মধ্য এশিয়া থেকে স্থানান্তরিত হয়ে মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে।
- লিখন পদ্ধতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা, আইন কানুন প্রণয়ন, ধর্মীয় অনুশাসন ইত্যাদি সুমেরীয়রাই প্রথম শুরু করে।
- সুমেরীয়দের পরবর্তী বিখ্যাত শাসক ছিলেন সম্রাট 'ডুঙি'।
- সম্রাট ডুঙির নেতৃত্বে সুমেরীয়গণ খ্রিস্টপূর্ব ২১০০ অব্দে একটি ঐক্যবদ্ধ সাম্রাজ্য গড়ে তুলেন।
- ডুঙি সুমের জাতির জন্য সর্বপ্রথম একটি বিধিবদ্ধ আইন (Code) প্রচলন করেন।
- সুমেরীয় সমাজে শিল্প ও ব্যবসা পরিচালনায় নারীদের অধিকার দেওয়া হয়েছিল।
- মেসোপটেমীয় সভ্যতার বিকাশ এবং নিত্য নতুন আবিষ্কারের মূলে সুমেরীয়দের অবদানই অধিক ছিল।
- সুমেরীয় শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যকীর্তি ‘জিগুরাত' নামক ধর্মমন্দির।

সূত্র - ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৭.
কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে NATO -তে নতুন সদস্য দেশ যুক্ত হয়?
  1. অনুচ্ছেদ - ৫
  2. অনুচ্ছেদ - ৭
  3. অনুচ্ছেদ - ৯
  4. অনুচ্ছেদ - ১০
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ - ১০: Open Door Policy [নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি]।
- ন্যাটোর নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি হয় এই অনুচ্ছেদ অনুসারে।
--------------------

ন্যাটো:
- পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ১২টি দেশ।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ। [ডিসেম্বর- ২০২৪] 
- NATO এর মহাপরিচালক Mark Rutte.

এছাড়াও, 
• অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।
- ন্যাটো চুক্তির ৫নং অনুচ্ছেদ বা Article - 5 কে এই চুক্তির heart বলা হয়।

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।
১১৮.
PGII প্রকল্পের সাথে জড়িত কোন সংস্থা?
  1. FAO
  2. G-7
  3. IMF
  4. WHO
ব্যাখ্যা
Group of 7:
- বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের সরকার প্রধানের জোটকে G-7 বলা হয়।
- এই জোটের প্রতিষ্ঠা ১৯৭৫ সালে হয়।
- শুরুতে G-7 এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ৬টি দেশ – ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- পরে ১৯৭৬ সালে কানাডা যুক্ত হলে সদস্য সংখ্যা বেড়ে ৭টি হয়।
- বর্তমানে G-7 এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো হলো: কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এশিয়ার একমাত্র সদস্য দেশ হলো জাপান। 
- এই জোট PGII (Partnership for Global Infrastructure and Investment) প্রকল্পের সাথে জড়িত।  
- 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)'এর মোকাবিলায় ‘দ্য পার্টনারশিপ ফর গ্লোবাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট’ (PGII) পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। 

উৎস: G-7 এর ওয়েবসাইট।
১১৯.
বাসেল কনভেনশন কোথায় গৃহীত হয়?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রিয়া
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন:
- বাসেল কনভেনশন হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- এটি বিপজ্জনক বর্জ্যের দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং তাদের ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়।
- এই চুক্তির পুরো নাম হল The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal. 
- বাসেল কনভেনশনটি ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে গৃহীত হয়।
- এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯২ সালে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই চুক্তি ১৯৯৩ সালে অনুমোদন করা হয়।

সূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।
১২০.
"অপারেশন প্রোটেকটিভ এজ" পরিচালনা করেন কোন দেশের সেনাবাহিনী? 
  1. ইউক্রেন
  2. ইরান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইসরাইল
ব্যাখ্যা
• অপারেশন প্রোটেকটিভ এজ:
- ২০১৪ সালে ইসরাইলী সেনাবাহিনী গাজা এলাকায় (৮ জুলাই থেকে ২৭ আগস্ট) বড় ধরনের অপারেশন পরিচালনা করে।
- ইসরাইল এই অপারেশনের নাম দিয়েছিল 'অপারেশন প্রোটেকটিভ এজ।'
- ওই অপারেশনে ২১০০ জন ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হন।
- এবং গাজা এলাকা একটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।
- এর আগেও ২০০৮ সালে ইসরাইলী সেনাবাহিনী গাজা এলাকায় প্রবেশ করেছিল।

এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু অপারেশন:
• অপারেশন গেরোনিমো (Operation Geronimo):
- আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে যে গোপন অপারেশনটি পরিচালিত হয়েছিল, তার কোড নাম 'অপারেশন গেরোনিমো'।

• অপারেশন ডিপ ফ্রিজ (Operation Deep Freeze-ODF):
- এন্টারটিকা মহাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেসব অভিযান পরিচালিত করেছে তা ‘অপারেশন ডিপ ফ্রিজ' নামে পরিচিত।

• অপারেশন অডিসি ডন (Operation Odyssey Dawn):
- লিবিয়ায় মার্কিন তথা আন্তর্জাতিক মিলিটারি অপারেশনস-এর কোড নাম অপারেশন অডিসি ডন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্যই ছিল এই মিলিটারি অপারেশনস্।

• অপারেশন ওভারলর্ড (Operation Overlord):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সংঘটিত নরম্যান্ডি যুদ্ধের সাংকেতিক নাম ছিল- অপারেশন ওভারলর্ড।

উৎস: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১২১.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে কোন সালকে ‘শান্তি ও আস্থার আন্তর্জাতিক বছর’ হিসেবে পালনের প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে?
  1. ২০২৫ সাল
  2. ২০২৬ সাল
  3. ২০২৭ সাল
  4. ২০২৮ সাল
ব্যাখ্যা
শান্তি ও আস্থার আন্তর্জাতিক বছর: 
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০২৫ সালকে 'শান্তি ও আস্থার আন্তর্জাতিক বছর' হিসেবে পালনের প্রস্তাব গৃহীত করেছে। এই প্রস্তাবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপ এবং আলোচনার মাধ্যমে সংঘাতের সমাধান করা যায় এবং শান্তি ও আস্থাকে শক্তিশালী করা যায়। এর মাধ্যমে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে টেকসই উন্নয়ন, শান্তি, নিরাপত্তা এবং মানবাধিকারকে উন্নীত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। এছাড়া, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থাগুলোকে এই বছরটি যথাযথভাবে পালন করতে এবং শান্তি ও বিশ্বাসের সুবিধাগুলো প্রচার করতে উৎসাহিত করা হয়েছে​। 

অন্যদিকে:  
- একটি পৃথক প্রস্তাবে, সাধারণ পরিষদ ১৫ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক সংগঠিত অপরাধের সকল প্রকারের প্রতিরোধ এবং লড়াইয়ের জন্য আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

উৎস: জাতিসংঘ ও The Business Standard।
১২২.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. উইনস্টন চার্চিল
  2. ক্লিমেন্ট এট্‌লি
  3. নেভিল চেম্বারলিন
  4. লিলি গ্লাডস্টোন
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী: 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নেভিল চেম্বারলেন।
- নেভিল চেম্বারলেন ১৯৩৭ থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি ১৯৩৮ সালে মিউনিখ চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন, যার মাধ্যমে জার্মানির নেতা আডল্ফ হিটলারের সঙ্গে সান্ত্বনামূলক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছিল।
- মে মাসের দিকে জাতীয় সংসদে নরওয়েজিয় সংকটের কারণে প্রধানমন্ত্রী চেম্বারলেইনের উপর সবাই আস্থা হারিয়ে ফেলে।
- একই কারণে ১৯৪০ সালের ১০ মে রাজা ষষ্ঠ জর্জ চার্চিলকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- ১৯৫৩ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তাঁর অবদানের জন্য চিরকাল স্মরণীয়।

উৎস: Britannica.
১২৩.
প্রথম দেশ হিসেবে ক্রিপ্টোকারেন্সিকে বৈধ অর্থ হিসেবে গ্রহণ করেছে কোন দেশ?
  1. বেলিজ
  2. এল সালভাদর
  3. গুয়াতেমালা
  4. নিকারাগুয়া
ব্যাখ্যা
- এল সালভেদর হচ্ছে বিশ্বের প্রথম কোন দেশ যারা বিটকয়েনকে সরকারিভাবে একটি বৈধ মুদ্রা বা কারেন্সি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

• বিটকয়েন:

- বিটকয়েন হলো ওপেন সোর্স ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটকলের মাধ্যমে লেনদেন হওয়া সাংকেতিক মুদ্রা বা ডিজিটাল কারেন্সি।
- এর লেনদেনের জন্য কোনো ধরনের অর্থনৈতিক বা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন হয় না।
- ২০০৮ সালে সাতোশি নাকামোতো এ মুদ্রাব্যবস্থার প্রচলন করেন।
- এ মুদ্রাব্যবস্থাকে পিয়ার-টু-পিয়ার লেনদেন নামে অভিহিত করেন।
- এটি অনেকটা শেয়ারের মতো লেনদেন হয়।
- তাই এর বিনিময়মূল্য সবসময় ওঠানামা করে।
- বিটকয়েন বিশ্বের প্রথম ভার্চুয়াল কারেন্সি।
- প্রথম দেশ হিসেবে ক্রিপ্টোকারেন্সিকে বৈধ অর্থ হিসেবে গ্রহণ করেছে এল সালভেদর। 

উৎস: Investpedia Webswite এবংবিবিসি বাংলা নিউজ, প্রথম আলো।
১২৪.
ওয়াটারলু যুদ্ধে পরাজয়ের পর নেপোলিয়ানকে কোন দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়?
  1. সেন্ট এলবা
  2. মাদাগাস্কার
  3. সেন্ট হেলেনা
  4. কর্সিকা দ্বীপ
ব্যাখ্যা
- ওয়াটারলু যুদ্ধে পরাজয়ের পর নেপোলিয়ানকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়। 

ওয়াটারলু যুদ্ধ:

- বিখ্যাত ওয়াটার লু যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়ামে অবস্থিত।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়েছে
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)।

উৎস: ব্রিটানিকা।       
১২৫.
সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
Secret Intelligence Service: 
- সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস সাধারণত MI6 নামে পরিচিত।
- এটি যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা। 
- এটি সরকারের জন্য বৈশ্বিক গোপন কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষা ও উন্নয়নে সহায়তা করে। 
- SIS সরাসরি Foreign, Commonwealth & Development Office-এর সাথে কাজ করে। 
- এটি ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- MI6 এর ছয়টি সেকশনের জন্যে এটি MI6 নামে পরিচিতি লাভ করে। 

অন্যদিকে: 
- Federal Security Service রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা। 
- CIA (Central Intelligence Agency) এবং FBI (Federal Bureau of Investigation) হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।

সূত্র: SIS ওয়েবসাইট।
১২৬.
Extinction Rebellion (XR) আন্দোলন কীসের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. পরিবেশ
  2. যুদ্ধ
  3. অর্থনীতি
  4. ইন্টারনেট
ব্যাখ্যা
Extinction Rebellion (XR): 
- Extinction Rebellion (XR) একটি বৈশ্বিক পরিবেশগত আন্দোলন।
- এটি ৩১ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে যুক্তরাজ্যের কর্মীরা "বিপ্লব" ঘোষণা করে।
- তাদের প্রাথমিক কর্মসূচির মধ্যে ছিল লন্ডনের পাঁচটি প্রধান সেতু অবরোধ করা, পার্লামেন্ট স্কোয়ারে গাছ লাগানো। 
- XR দ্রুত বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং বৈশ্বিক আন্দোলনে পরিণত হয়।

Extinction Rebellion এর প্রধান তিনটি দাবি-
- সরকারকে অবশ্যই জলবায়ু "জরুরী অবস্থা" ঘোষণা করতে হবে।
- যুক্তরাজ্যকে অবশ্যই ২০২৫ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ নেট শূন্যে হ্রাস করতে আইনত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে।
- "পরিবর্তন তত্ত্বাবধান" করার জন্য একটি নাগরিক সমাবেশ গঠন করতে হবে।

সূত্র: Extinction Rebellion ওয়েবসাইট। 
১২৭.
আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত COP-29 জলবায়ু সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছেন কে?
  1. জন ফ্রান্সিস
  2. মুখতার বাবায়েভ
  3. সিমন স্টিয়েল
  4. আন্দ্রিয়া বোসেক
ব্যাখ্যা
• কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP -এর পূর্ণরূপ Conferences of the Parties.
- জলবায়ু সংক্রান্ত জাতিসংঘ রূপরেখা সম্মেলন কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালে।
- প্রথম কপ-১ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- জার্মানির বার্লিন শহরে ১৯৯৫ সালে।
- UNFCC ভুক্ত সদস্য দেসসমূহ জলবায়ু সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে ১১ থেকে ২২ নভেম্বর আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত হয় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (কপ২৯) ২৯তম আসর।
- COP-29 জলবায়ু সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছেন মুখতার বাবায়েভ। 

এছাড়াও,
- কপ- ৩০, ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে।
- আমাজনিয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং ইউএনবি।
১২৮.
কাকে আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক বলা হয়?
  1. হালিমা ইয়াকুব
  2. লি কুয়ান ইউ
  3. ডেভিড বেন গুয়েরিন
  4. জুলিয়াস নায়ারে
ব্যাখ্যা
- আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক লি কুয়ান ইউ।

সিঙ্গাপুর:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ধনী নগররাষ্ট্র সিঙ্গাপুর।
- সিঙ্গাপুরের রাজধানী সিঙ্গাপুর সিটি।
- সিঙ্গাপুরের মুদ্রা সিঙ্গাপুরীয় ডলার।
- আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক হলেন লি কুয়ান ইউ।
- লি কুয়ান ইউ ১৯৫৯ সালের জুন মাসে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী হন।
- তিনি ১৯৫৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তাঁর দীর্ঘ শাসনামলে , সিঙ্গাপুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশ হয়ে ওঠে।

এছাড়াও,
- সিঙ্গাপুর ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল।
- ১৯৫৯ সালে সিঙ্গাপুর স্ব-শাসিত হয়ে ওঠে।
- ১৯৬৩ সালে লি কুয়ান ইউ মালয়েশিয়ার সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ফেডারেশন গঠন করেন, যা ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
- ১৯৬৫ সালে মালয়েশিয়ার কাছ থেকে স্বাধীন হয় সিঙ্গাপুর।
- ৯ আগস্ট, ১৯৬৫ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- দেশটির নতুন নাম হয় 'রিপাবলিক অব সিঙ্গাপুর'।
- ১৯৯০ সালে সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা প্রধানমন্ত্রী লি কুয়ান ইউ পদত্যাগ করেন।
- সিঙ্গাপুরে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট: হালিমা ইয়াকুব।

উৎস: Britannica.
১২৯.
'স্ট্যাচু অব লিবার্টি' এর স্থপতি কে ছিলেন?
  1. মাইকেলেঞ্জেলো
  2. মাইকেল গ্র্যাভস
  3. ফ্রাঙ্ক লয়েড রাইট
  4. ফ্রেডেরিক বার্থোলডি
ব্যাখ্যা
স্ট্যাচু অব লিবার্টি:
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে খ্যাত স্ট্যাচু অব লিবার্টি’।
- নিউইয়র্কের লিবার্টি দ্বীপে সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’।
- বন্ধুত্বের নিদর্শনস্বরূপ ফ্রান্সের পক্ষ থেকে ভাস্কর্যটি যুক্তরাষ্ট্রকে উপহার দেওয়া হয়।
- মূল ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৫১ ফুট।
- বেদিসহ এর উচ্চতা ৩০৫ ফুট (৯৩ মিটার)।
- ভাস্কর্যটি রোমান দেবী লিবার্টাসের আদলে গড়া।
- ভাস্কর্যটির নকশা করেন ফরাসি স্থপতি ফ্রেডেরিক বার্থোলডি।
- ১৮৮৬ সালের ২৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করেন।
- যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯২৪ সালে একে জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করে।

উৎস: Britannica.
১৩০.
আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস কবে পালিত হয়?
  1. ১৭ আগস্ট
  2. ৯ আগস্ট
  3. ১২ আগস্ট
  4. ১৪ আগস্ট
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস:
- বিশ্ব আদিবাসী দিবস বা International Day of the World’s Indigenous Peoples প্রতি বছর ৯ আগস্ট তারিখে পালিত হয়।
- এই দিবসটি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার, সংস্কৃতি, এবং জীবনের মান উন্নয়নের উদ্দেশ্যে পালন করা হয়।
- তবে এই দিবসটি পালনের পেছনে রয়েছে বিশ্বব্যাপী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রতি চলমান অবহেলা এবং তাদের অধিকারের জন্য দীর্ঘ সংগ্রামের কাহিনি।
- বিশ্ব আদিবাসী দিবস পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয় ১৯৯৪ সালে।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ওপর ক্রমবর্ধমান বৈষম্য এবং তাদের অধিকারের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৯ আগস্ট দিনটিকে বিশ্ব আদিবাসী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- প্রথম বিশ্ব আদিবাসী দিবস পালিত হয় ১৯৯৫ সালের ৯ আগস্ট।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৩১.
মানবসৃষ্ট দুর্যোগের একটি উদাহরণ হলো -
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. মরুকরণ
  3. সুনামি
  4. ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ:
- যে অবস্থা অস্বাভাবিক ও অসহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি করে এবং সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি, পরিবেশের ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটে তাই দুর্যোগ।
- এর ফলে বাহ্যিকভাবে ক্ষতিসাধন, জীবনহানি কিংবা পরিবেশগতভাবে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দেয়। 
 
দুর্যোগ বিভিন্নভাবে ও বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। প্রধানত দুর্যোগ দুই ধরনের-
১/ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও
২/ মানবসৃষ্ট দুর্যোগ।
 
প্রাকৃতিক দুর্যোগ:
- প্রাকৃতিক কারণে যে সকল দুর্যোগ সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ আকস্মিকভাবে ঘটে এবং সাধারণত এর উপর মানুষের কোন নিয়ন্ত্রন থাকে না।
- বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, টর্নেডো, ভূমিকম্প, খরা, নদীভাঙন, সুনামি, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহ।
 
মানবসৃষ্ট দুর্যোগ:
- মানুষের অসচেতনতা বা দূরদৃষ্টির অভাবে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয় তাকে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ বলে।
- মানুষের প্রাণহানি ঘটানোর পাশাপাশি স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।
- যেমন- যুদ্ধ-বিগ্রহ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, বনাঞ্চল ধ্বংস, পরিবেশ দূষণ, মরুকরণ, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি।
 
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়; অষ্টম শ্রেণীর বোর্ড বই।
১৩২.
কোন দেশকে ‘সূর্যোদয়ের দেশ’ দেশ বলা হয়?
  1. ভুটান
  2. জাপান
  3. মিয়ানমার
  4. তাইওয়ান
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম: 

• বজ্রপাতের দেশ, বজ্র ড্রাগনের দেশ: ভুটান।
• সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
• নিষিদ্ধ দেশ: তিব্বত।
• সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
• সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
• হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
• নীল নদের দেশ: মিশর।
• মরুভুমির দেশ: আফ্রিকা।
• চীর সবুজের দেশ: নাটাল (দ: আফ্রিকা)।
• ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
• পিরামিডের দেশ: মিশর।
• প্রাচীরের দেশ: চীন।
• ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
• ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৩৩.
মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভক্তকারী সীমারেখা কোনটি?
  1. ম্যাকমোহন লাইন
  2. ডুরান্ড লাইন
  3. সনোরা লাইন
  4. আলপাইন লাইন
ব্যাখ্যা
সনোরা লাইন:
- যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোকে পৃথককারী সীমান্তরেখা সনোরা লাইন।
- এটি মেক্সিকোর সনোরা রাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা রাজ্যকে আলাদা করে।
- ১৮৫৩ সালে এই সীমান্ত রেখা ভাগ করা হয়।
- সনোরা লাইন যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

• গুরত্বপূর্ণ কিছু সীমারেখা:
- আলপাইন লাইন: ইতালি - ফ্রান্স।
- লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত-পাকিস্তান।
- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন।
- কার্জন লাইন: পোল্যান্ড-রাশিয়া।
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- ম্যাজিনো লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।

উৎস: Britannica.
১৩৪.
‘আদিনাথ মন্দির’ কোথায় অবস্থিত?
  1. সন্দ্বীপে
  2. কুতুবদিয়া দ্বীপে
  3. সোনাদিয়া দ্বীপে
  4. মহেশখালী দ্বীপে
ব্যাখ্যা
আদিনাথ মন্দির:
- চর্তুদিকে সাগর বেষ্টিত মহেশখালী দ্বীপের অন্যতম দর্শনীয় স্থান আদিনাথ মন্দির।
- ষোড়শ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যে আদিনাথ মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে ধারণা করা হয়। 
- সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ২৮৮ ফুট উঁচু মৈনাক পাহাড় চূঁড়ায় আদিনাথ মন্দিরটি অবস্থিত।
- মন্দিরের দৈর্ঘ্য ১০.৮৭ মিটার,  প্রস্থ ৮.৬২ মিটার, উচ্চতা ৫.৯৩ মিটার।
- আদিনাথ মন্দিরের পাদদেশে রাখাইন সম্প্রদায়ের একটি পাড়া ও ঠাকুরতলা বৌদ্ধ বিহার নামে একটি বিহার রয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩৫.
অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারি পাহাড়কে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৪ ভাগে
  3. ৫ ভাগে
  4. ৮ ভাগে
ব্যাখ্যা
ভূ-প্রকৃতি (Physiography):
- ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ;
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ :
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে, সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদম দ্বারা গঠিত।

⇒ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৬.
দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ের কার্যক্রম কোনটি?
  1. প্রশমন
  2. প্রতিরোধ
  3. পূর্ব প্রস্তুতি
  4. সাড়া প্রদান
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র বলতে দুর্যোগ মোকাবেলার সাথে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত পর্যায়গুলোকে বুঝানো হয়ে থাকে।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রকে দুইটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-
ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায় এবং
খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়।

ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়:
দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়। এগুলো হলো- পূর্ব প্রস্তুতি, প্রতিরোধ এবং প্রশমন।   

খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়:
দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়। এগুলো হলো- সাড়া প্রদান, পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন।

তথ্যসূত্র: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৭.
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি অনুসারে, সুশাসনের উপাদান নয় কোনটি?
  1. স্বচ্ছতা
  2. ন্যায্যতা
  3. জবাবদিহিতা
  4. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি অনুসারে, 'অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি' সুশাসনের উপাদান নয়।

UNDP ও সুশাসন:
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) ১৯৯৭ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোর শাসনতান্ত্রিক পলিসির উপর গুরুত্ব আরোপ করতে গিয়ে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে।
- UNDP-এর মতে,
“একটি দেশের সার্বিক স্তরের কার্যাবলি পরিচালনার জন্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কর্তৃত্বের চর্চার বা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো সুশাসন।”
(Good Governance is the exercise of economic, Political and administrative authority to manage a country's affairs at all levels)

• UNDP এর মতে, সুশাসনের উপাদান ৯টি-
- স্বচ্ছতা,
- আইনের শাসন,
- সকলের অংশগ্রহণ,
- সংবেদনশীলতা,
- সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের প্রাধান্য,
- সমতা,
- ন্যায্যতা,
- জবাবদিহিতা
- কৌশলগত লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র: UNDP ওয়েবসাইট।
১৩৮.
‘লাল ফিতার দৌরাত্ম্য’ এর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনটি?
  1. আমলাতন্ত্র
  2. স্থানীয় প্রশাসন
  3. সমাজতন্ত্র
  4. কেন্দ্রীয় প্রশাসন
ব্যাখ্যা
লাল ফিতার দৌরাত্ম্য:
- ‘লাল ফিতার দৌরাত্ম্য’ (Red Tape) শব্দটি আমলাতন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- এটি এমন একটি পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অতি মাত্রায় জটিল, ধীরগতির এবং আনুষ্ঠানিক নিয়ম-কানুনে জড়িত।
- লাল ফিতার কারণে সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা কাজ সম্পন্ন করতে অযথা বিলম্ব ঘটে।
- এটি আমলাতান্ত্রিক কাঠামোর একটি নেতিবাচক দিক হিসেবে বিবেচিত হয়।
- আমলারা আনুষ্ঠানিকতা ও বিধি বিধানের আলোকে কাজ করে থাকনে।
- যার কারণে তাদের কর্মকাণ্ডে আনুষ্ঠানিকতার আধিক্যের জন্যে দীর্ঘসূত্রিতার সৃষ্টি হয়। মানবিক দিক উপেক্ষিত হয়।
- আমলাতন্ত্র দুর্নীতিবাজ হলে লালফিতার দৌরাত্ম্য ব্যাপক হয়। এক্ষেত্রে দ্রুত কাজ হাসিলের জন্যে জনগণকে ঘুষের আশ্রয় নিতে হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : প্রথমপত্র : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : মো. মোজাম্মেল হক।
১৩৯.
আইনের সর্বাপেক্ষা প্রাচীনতম উৎস কোনটি?
  1. ধর্ম
  2. প্রথা
  3. ন্যায়বিচার
  4. বিচারকের রায়
ব্যাখ্যা
আইন ও প্রথা:
- মানবজাতির বৃহত্তর কল্যাণে মানুষের আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্র যে সকল বিধিনিষেধ প্রণয়ন করে, সাধারণভাবে সেগুলোকেই আইন বলা হয়।
- আইন বিভিন্ন উৎস থেকে সৃষ্টি হয়েছে।
- প্রথা বা রীতিনীতি, ধর্ম, বিচারকের রায়, ন্যায়বিচার, বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা, আইনসভা হচ্ছে আইনের উৎসসমূহ।

উল্লেখ্য,
- আইনের একটি সুপ্রাচীন উৎস প্রথা।

- প্রাচীনকাল থেকে যেসব আচার-ব্যবহার, রীতি-নীতি ও অভ্যাস সমাজে অধিকাংশ জনগণ কর্তৃক সমর্থিত, স্বীকৃত ও পালিত হয়ে আসছে, তাকে প্রথা বলে।
- প্রাচীনকালে কোনো আইনের অস্তিত্ব ছিল না। রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বে প্রথার মাধ্যমে মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ হতো।
- রাষ্ট্র সৃষ্টির পর যেসব প্রথা রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদন লাভ করে সেগুলো আইনে পরিণত হয়।
- যুক্তরাজ্যের অনেক আইন প্রথার উপর ভিত্তি করে সৃষ্টি হয়েছে।

উৎস:
i) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১৪০.
দুটি চরম পন্থার ___________ পন্থাকে সুবর্ণ মধ্যক বলে।
  1. কঠোর
  2. শিথিল
  3. মধ্যবর্তী
  4. সর্বোত্তম
ব্যাখ্যা
গোল্ডেন মিন (Golden Mean):
- গোল্ডেন মিন বা সুবর্ণ মধ্যক হলো একটি দার্শনিক মতবাদ।
- গ্রিক দার্শনিক এরিষ্টটল এই ধারণার প্রবর্তক।
- দুটি চরম পন্থার মধ্যবর্তী পন্থাকে সুবর্ণ মধ্যক বলে।
- যেমন: একদিকে খুবই প্রাচুর্য এবং অন্যদিকে খুবই অভাব।

উৎস: Britannica.
১৪১.
সরকারি সিদ্ধান্ত প্রণয়নে নিম্নলিখিত কোন মূল্যবোধটি গুরুত্বপূর্ণ নয়?
  1. বিশ্বস্ততা
  2. নিরপেক্ষতা
  3. জবাবদিহিতা
  4. সৃজনশীলতা
ব্যাখ্যা
• সরকারি সিদ্ধান্ত প্রণয়নে মূল্যবোধগুলির মধ্যে 'সৃজনশীলতা' গুরুত্বপূর্ণ নয়।

কারণ:
- সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট নীতিমালা, আইন এবং প্রোটোকলের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।
- এই প্রক্রিয়া অনুযায়ী, সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়িত হয় এবং এগুলি সৃজনশীলতার চেয়ে নিয়মিত এবং প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতিগুলির উপর নির্ভরশীল।
- সৃজনশীল সিদ্ধান্ত প্রণয়ন কিছু ক্ষেত্রে সরকারের অবিশ্বাস বা পক্ষপাতিত্বের সন্দেহ তৈরি করতে পারে।
- তাই, সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সৃজনশীলতার পরিবর্তে স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা প্রয়োজন।

অন্যদিকে,
- সরকারি সিদ্ধান্ত প্রণয়নে বিশ্বস্ততা অপরিহার্য, কারণ এটি জনগণের আস্থা অর্জনে সহায়তা করে।
- সরকারি সিদ্ধান্তগুলো পক্ষপাতিত্বহীন এবং সবার জন্য সমান সুবিধা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।
- জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে যে সরকারি কর্মকর্তারা ও নীতিনির্ধারকরা তাদের সিদ্ধান্তের জন্য জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪২.
কোন সংস্থার দৃষ্টিতে সুশাসনের ফলে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পদগুলোর টেকসই উন্নয়ন ঘটে থাকে?
  1. বিশ্বব্যাংক
  2. এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
  3. ইউএনডিপি
  4. জাতিসংঘ
ব্যাখ্যা
সুশাসন ও জাতীয় উন্নয়ন:
- সুশাসন ও জাতীয় উন্নয়ন পরস্পর সম্পূরক।
- জাতীয় উন্নয়নে সুশাসনের উপস্থিতি সার্বিক উন্নয়নকে টেকসই উন্নয়নের রূপান্তরিত করে।
- তাই দেশে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য অত্যাবশ্যকীয় হলো সুশাসন।
- বিশ্বব্যাংকের মতে, সুশাসনে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।

অন্যদিকে,
- ইউএনডিপির মতে, সুশাসন সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করে।
- জাতিসংঘের মতে, সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১৪৩.
"ঐচ্ছিক আচরণ" বলতে কী বোঝায়?
  1. যে আচরণ বাধ্যতামূলক
  2. যে আচরণ আইন দ্বারা পরিচালিত
  3. যে আচরণ স্বপ্রণোদিত হয়ে করা হয়
  4. যে আচরণ সামাজিক চাপের কারণে হয়
ব্যাখ্যা
• নীতিবিদ্যা:
- নীতিবিদ্যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Ethics শব্দটি গ্রিক শব্দ Ethos থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ হলো ঐচ্ছিক আচরণ।
- মানুষের আচরণের নৈতিক মূল্য ও আদর্শ নির্ধারণ করা নীতিবিদ্যার কাজ।
- নীতিবিদ্যা হলো মানুষের আচরণের রীতিনীতি সম্পর্কিত বিজ্ঞান।
- নীতিবিদ্যা মানুষের ঐচ্ছিক আচরণ নিয়ে আলোচনা করে।

উল্লেখ্য,
- ঐচ্ছিক আচরণ হলো মানুষের সেসব আচরণ, যেগুলো মানুষ স্বপ্রণোদিত হয়ে করে থাকে।
- এটি সঠিক ও ভুল, ন্যায় ও অন্যায়, এবং ভালো ও খারাপ আচরণের পার্থক্য নির্ধারণে সহায়ক।
- নীতিবিদ্যার মাধ্যমে মানুষ কীভাবে নৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে এবং কীভাবে নৈতিক জীবনযাপন করবে, সেই বিষয়ে নির্দেশনা পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।