পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

পরীক্ষাপ্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes২১ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২২
সিলেবাস
বাংলা ব্যাকরণ (৫০ নম্বর): ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ, প্রত্যয়, সন্ধি, কারক - বিভক্তি, সমাস, পদ প্রকরণ, কাল, উপসর্গ এবং বাক্য। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স]

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি [লং কোর্স] · তারিখ অনির্ধারিত · ২২ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি উষ্মধ্বনি?
  1. ক) ম
  2. খ) ন
  3. গ) হ
  4. ঘ) ল
ব্যাখ্যা
উষ্মধ্বনি/উষ্ম ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে দুটি বাম্প্রত্যঙ্গ কাছাকাছি এসে নিঃসৃত বায়ুতে ঘর্ষণ সৃষ্টি করে, সেগুলােকে উষ্মধ্বনি/উষ্ম ব্যঞ্জন  বলে।
- এগুলোকে শিস্‌ ধ্বনিও বলা হয়।

বাংলায় উষ্ম ধ্বনিমূল তিনটি।
যথা - স্‌, শ্‌ ও হ্‌।
এগুলোর ক্ষেত্রে অল্পপ্রাণ-মহাপ্রাণভেদ প্রযোজ্য নয়।

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (প্রথম খন্ড), বাংলা একাডেমি।
.
নিচের কোন ধ্বনিটি অঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি ?
  1. ক) ছ
  2. খ) ক
  3. গ) চ
  4. ঘ) ট
ব্যাখ্যা
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না, তাকে বলা হয় অঘোষ ধ্বনি।
যেমন- ক, খ, চ, ছ ইত্যাদি। 
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে, তাকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন- খ, ঘ, ছ, ঝ ইত্যাদি 

- তাই ‘ছ ‘একটি অঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি।

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০২১]
.
‘ওষ্ঠ্যধ্বনি’ নিচের কোনটি ?
  1. ক) চ
  2. খ) ধ
  3. গ) ব
  4. ঘ) দ
ব্যাখ্যা

- প, ফ, , ভ, ম - এ পাঁচটি বর্ণের দ্যোতিত ধ্বনির উচ্চারণে ওষ্ঠের সঙ্গে অধরের স্পর্শ ঘটে। এদের ওষ্ঠ্যধ্বনি বলে।

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০১৯]

.
পদে পরিণত হওয়ার সময়ে শব্দের সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়, এগুলোর নাম ____
  1. ক) বিভক্তি
  2. খ) অক্ষর
  3. গ) বর্ণ
  4. ঘ) লগ্নক
ব্যাখ্যা

- শব্দ যখন বাক্যের মধ্যে থাকে, তখন তাকে পদ বলে।
-পদে পরিণত হওয়ার সময়ে শব্দের সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়, এগুলোর নাম লগ্নক।
- লগ্নক চার ধারনের
- বিভক্তি 
- নির্দেশক
- বচন
- বলক

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০২১, পৃষ্ঠাঃ ২৬]

.
বাংলা উপসর্গ কোন শব্দের পূর্বে যুক্ত হয় ?
  1. ক) সংস্কৃত শব্দের
  2. খ) বাংলা শব্দের
  3. গ) ইংরেজি শব্দের
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

- বাংলা উপসর্গ ২১ টি।
- বাংলা উপসর্গ বাংলা শব্দের পূর্বেই বসে।
- উল্লেখ্য, আ, সু , বি, নি এই চারটি উপসর্গ বাংলা ও তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০১৯]

.
নিচের কোনটি তৎসম উপসর্গ?
  1. ক) অনা
  2. খ) ইতি
  3. গ) রাম
  4. ঘ) প্রতি
ব্যাখ্যা

- তৎসম উপসর্গ বিশটিঃ 
- প্র
- পরা
- অপ, 
- সম,
- নি, 
- অনু, 
- অব, 
- নির, 
- দূর, 
- বি,
- অধি,
- সু,
- উৎ, 
- পরি,
- প্রতি,
- অতি,
- অপি,
- অভি,
- উপ, 
- আ

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০১৯]

.
‘ভিখারি ’ শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি ?
  1. ক) ভিখা + আরি
  2. খ) ভিখা + রি
  3. গ) ভিক্ষ + আরি
  4. ঘ) ভিখ + আরি
ব্যাখ্যা

- ‘ভিখারি ’ শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো: ভিখ + আরি = ভিখারি 
একটি তদ্ধিত প্রত্যয়।
- ‘ - আরি’ প্রত্যয় ব্যাবসা বা বৃত্তি , কম অর্থে , আকার , প্রকার , সদৃশ অর্থে ব্যবহৃত হয়। 
- এরূপ:- 
- ধুন + আরি = ধুনারি 
- চুন + আরি = চুনারি
- জুয়া + আরি = জুয়ারি 
- মাঝ + আরি = মাঝারি 

[উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ]

.
নিচের কোনটির ব্যাসবাক্যে ‘যে’ যোজক থাকে ?
  1. ক) চৌরাস্তা
  2. খ) কনকচাঁপা
  3. গ) জমাখারচ
  4. ঘ) কাজলকালো
ব্যাখ্যা

- যে সমাসের পর পদের অর্থ প্রাধান্য থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। 
- কিছু কিছু কর্মধারয় সমাসে যে যোজক থাকে।
- কনক যে চাপা = কনকচাঁপা
- খাস যে জমি = খাসজমি 
- চিত যে সাঁতার = চিতসাঁতার
- টাক যে মাথা = টাকমাথা
- যে চালাক সে চতুর = চালাকচতুর
- যে শান্ত সে শিষ্ট = শান্তশিষ্ট 
- অপরদিকে
- চৌরাস্তা = চার রাস্তার মিলন
- কাজলকালো = কাজলের মত কালো
- জমাখরচ = জমা ও খরচ

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০২১]

.
নিচের কোনটি উপমান কর্মধারয় সমাস?
  1. ক) মুখচন্দ্র
  2. খ) প্রাণপাখি
  3. গ) তুষারশুভ্র
  4. ঘ) মনমাঝি
ব্যাখ্যা

- উপমান পদের সঙ্গে সাধারণ ধর্মবাচক পদের যে সমাস হয় তাকে উপমান কমদারোয় সমাস বলে। 
- এই সমাসে একটা বিশেষণ পদ থাকে। 
- প্রত্যক্ষ কোন বস্তুর সঙ্গে পরোক্ষ কোন বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলে বলা হয় উপমেয় ,
আর যার সঙ্গে তুলনা করাকি হয়েছে তাকে বলা হয় উপমান।
- উপমান ও উপমেয় এর একটি সাধারণ ধর্ম থাকে।
- তুষার ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র 
- কাজলের মত কালো = কাজলকালো
- শশকের মত ব্যস্ত = শশব্যস্ত
- মিশির মত কালো = মিশির কালো
- এরকমঃ 
- অগ্নিশর্মা,
- অরুণরাঙা
- সিঁদুররাঙা
- বরফসাদা
- বজ্রকঠিন

[উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ]

১০.
কোন সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বুঝায়?
  1. ক) তৎপুরুষ সমাস
  2. খ) বহুব্রীহি সমাস
  3. গ) দ্বন্ধ সমাস
  4. ঘ) কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা

- যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বুঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
- লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি 
- চিরুনির মত দাঁত যার = চিরুনি দাঁত 
- সে ( তিন) তারের যে যন্ত্র = সেতার

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০২১]

১১.
‘আনন্দ’ কোন ধরণের বিশেষ্য ?
  1. ক) নাম-বিশেষ্য
  2. খ) জাতি - বিশেষ্য
  3. গ) গুণ - বিশেষ্য
  4. ঘ) সমষ্টি -বিশেষ্য
ব্যাখ্যা

- গুণ-বিশেষ্য: গুনগত অবস্থা ও ধারণার নামকে গুণ-বিশেষ্য বলে। যেমনঃ-
- সরলতা
- দয়া
- আনন্দ 
- গুরুত্ব
- দীনতা
-ধৈর্য

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০২১]

১২.
সে নিজে নিজে অঙ্কটি করেছে। এই বাক্যটিতে 'নিজে' কোন ধরণের সর্বনাম?
  1. ক) ব্যক্তিবাচক সর্বনাম
  2. খ) আত্মবাচক সর্বনাম
  3. গ) নির্দেশক সর্বনাম
  4. ঘ) ব্যতিহার সর্বনাম
ব্যাখ্যা

আত্মবাচক সর্বনাম: কর্তা নিজেই কাজটি করেছে এমন ভাব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয় আত্মবাচক সর্বনাম। 
- এখানে নিজে নিজে হলো আত্ন বাচক সর্বনাম
- নিচে কয়েকটি আত্ন বাচক সর্বনামের উদাহরণ দেয়া হলো
- নিজে,
- নিজেই
- স্বয়ং 
- স্ব স্ব 
- নিজ

[উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ]

১৩.
নিচের বাক্যগুলোতে কোনটি দ্বিকর্মক ক্রিয়ার উদাহরণ?
  1. ক) সে বই পড়ছে।
  2. খ) তিনি বই দিলেন।
  3. গ) শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন।
  4. ঘ) সে ঘুৃমায়।
ব্যাখ্যা

বাক্যের মধ্যে ক্রিয়ার দুটি কর্ম থাকলে সেই ক্রিয়াকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলে।
- 'শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন' এই বাক্যে 'দিলেন' একটি দ্বিকর্মক ক্রিয়া।
- 'কী দিলেন' প্রশ্নের উত্তর দেয় মুখ্যকর্ম ( বই ) 
- আর 'কাকে দিলেন' প্রশ্নের উত্তর দেয় গৌণ কর্ম ( শিক্ষক )

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০২১]

১৪.
সমাপিকা ও অসমাপিক ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যে ক্রিয়া গঠন করে তাকে কী বলে?
  1. ক) সংযোগ ক্রিয়া
  2. খ) সরল ক্রিয়া
  3. গ) যৌগিক ক্রিয়া
  4. ঘ) নাম ক্রিয়া
ব্যাখ্যা

যৌগিক ক্রিয়া: অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
- যেমন - 
- মরে যাওয়া, 
- কমে আসা, 
- এগিয়ে চলা,
- হেসে ওঠা, 
- উঠে পড়া, 
- পেয়ে বসা,
- সরে দাঁড়ানো, 
- বেঁধে দেওয়া,
- বুঝে নেওয়া,
- বলে ফেলা,
- করে তোলা,
- চেপে রাখা
-মরে যাওয়া

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০২১]

১৫.
অ / আ + ও / ঔ = ঔ সূত্রের উদহারণ কোনটি ?
  1. ক) সূর্যোদয়
  2. খ) স্বেচ্ছা
  3. গ) জলৌকা
  4. ঘ) অত্যন্ত
ব্যাখ্যা

- অ / আ + ও / ঔ = ঔ সূত্রের উদহারণ হলো 
- জল + ওকা = জলৌকা 
( অ + ও = ঔ )
- আরো কিছু উদাহরণ:
- বন + ওষধি = বনৌষধি 
- মহা + ওষধি = মহৌষধি 
- পরম + ঔষধি = পরমৌষধি
- মহা + ঔৎসুক্য= মহৌৎসুক্য

[উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ]

১৬.
‘অন্বেষণ’ কোন সূত্রে সিদ্ধ?
  1. ক) উ / ঊ + অন্যস্বর = ব্ + স্বর
  2. খ) উ / ঊ + উ / ঊ = ঊ
  3. গ) ই / ঈ + অন্যস্বর = য্ + স্বর
  4. ঘ) ই / ঈ + ই /ঈ = ঈ
ব্যাখ্যা

উ-ধ্বনি বা ঊ ধ্বনির পরে অন্য স্বরধ্বনি থাকলে উ অথবা ঊ-ধ্বনির জায়গায় ব-ফলা হয় এবং পরের স্বরধ্বনির চিহ্ন আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
এই সূত্রের কিছু সন্ধির উদাহরণ হলো:
- সু + আগত = স্বাগত
- অনু + ইত = অন্বিত
- তনু + ঈ = তন্বী 
- অনু + অয় = অন্বয়
- অনু + এষণ = অন্বেষণ

 [উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ]

১৭.
নিচের কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ??
  1. ক) পর + পর = পরস্পর
  2. খ) শে + অন = শয়ন
  3. গ) শোক + ঋত = শোকার্ত
  4. ঘ) দিক্ + অন্ত = দিগন্ত
ব্যাখ্যা

- সন্ধির প্রচলিত নিয়ম না মেনে যে সন্ধি হয় তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। 
- কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ হলোঃ
- প্র + ঊঢ় = প্রৌঢ় 
- কুল + অটা = কুলটা
- গো + অক্ষ = গবাক্ষ 
- গো + অস্থি = গবাস্থি
- গো + ইন্দ্র = গবেন্দ্র 

[উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ]

১৮.
'পবন' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি ?
  1. ক) পি + বোন
  2. খ) পো + অন
  3. গ) প + বন
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

- ‘পবন’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ
- পো + অন = পবন
- ও + অন্য স্বর = অব্ +স্বর এই সূত্রে হয়েছে।
- একইভাবে, 
- ভো + অন = ভবন 
- গো + আদি = গবাদি

[উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ]

১৯.
নিচের কোনটি কর্তৃকারকের উদাহরণ?
  1. ক) গুরুজনে কর নতি।
  2. খ) চিত্ত যেথা ভয়শূন্য উচ্চ সেথা শির।
  3. গ) টাকায় কিনা হয়।
  4. ঘ) গল্পটা সবাই জানে।
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

ক্রিয়া যার দ্বারা সম্পাদিত হয়, তাকে কর্তা কারক বলে।
বাক্যের উদ্দেশ্যই কর্তা কারক। কর্তা কারকে সাধারণত বিভক্তিযুক্ত হয় না।
যেমন -
- অনেক গুলো বন্য হাতি বাগান নষ্ট করে দিলো।
- আমাকে যেতে হবে
- রাজা প্রজা পালন করে

- চিত্ত যেথা ভয়শূন্য উচ্চ সেথা শির - কর্মকারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ।
- গুরুজনে কর নতি - সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।
- টাকায় কিনা হয় - করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।
- গল্পটা সবাই জানে - কর্মকারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ।

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০২১ ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা]

অপশনে কোন কর্তৃকারকের উদাহরণ নেই। তাই বাতিল করা হয়েছে।

২০.
বর্তমান কাল কত প্রকার?
  1. ক) তিন প্রকার
  2. খ) চার প্রকার
  3. গ) পাঁচ প্রকার
  4. ঘ) দুই প্রকার
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে বর্তমান কাল বলে। 
- বর্তমান কাল চার প্রকার 
- সাধারণ বর্তমান
- ঘটমান বর্তমান
- পুরাঘটিত বর্তমান
- অনুজ্ঞা বর্তমান

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০২১]

২১.
‘দুর্জন লোক পরিত্যাজ্য’ বাক্যটিকে জটিল বাককে পরিণত করলে হবে ?
  1. ক) যেসব লোক দুর্জন, তারা পরিত্যাজ্য।
  2. খ) যে দুর্জন সেই পরিত্যাজ্য।
  3. গ) দুর্জন লোক মাত্রই পরিত্যাজ্য
  4. ঘ) দুর্জন লোককে সকলে পরিত্যাগ করে।
ব্যাখ্যা

- যে - সে, যিনি - তিনি, যারা - তারা, যা - তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং 
- যদি - তবে, যেহেতু- সেহেতু, যখন - তখন, যত - তত , যেমন তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ যোজক যুক্ত করে জটিল বাক্যে রূপান্তরিত করা যায়।
- যেমন-
- সরল বাক্য : তুমি চেষ্টা না করায় ব্যর্থ হয়েছ। 
- জটিল বাক্য:যেহেতু তুমি চেষ্টা করোনি, তাই ব্যর্থ হয়েছ।

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০২১]

২২.
‘তার মঙ্গল হোক’-এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. ক) প্রশ্নবাচক বাক্য
  2. খ) বিবৃতিবাচক বাক্য
  3. গ) প্রশ্নবাচক বাক্য
  4. ঘ) অনুজ্ঞাবাচক বাক্য
ব্যাখ্যা

- আদেশ ,উপদেশ নিষেধ, অনুরোধ, প্রার্থনা ইত্যাদি বুঝাতে অনুজ্ঞাবাচক বাক্যহয়। 
- যেমন - 
- আমাকে একটি কলম দাও
- অঙ্কটি করো

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০২১]