পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৯ টপিক: রিভিশন [পরীক্ষা ৭ ও ৮] [ক্লাস ১৪ – ২০]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
কোন প্রযুক্তি কোম্পানি তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণার অংশ হিসেবে 'Gemini' নামক এআই মডেল তৈরি করেছে?
  1. OpenAI
  2. Meta
  3. Google DeepMind
  4. Microsoft
সঠিক উত্তর:
Google DeepMind
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Google DeepMind
ব্যাখ্যা

"Gemini" হলো একটি বহুমুখী (multimodal) বৃহৎ ভাষা মডেল (Large Language Model-LLM) যা গুগল ডিপমাইন্ড (Google DeepMind) দ্বারা ডেভেলপ করা হয়েছে।
- এটি একটি শক্তিশালী এবং নমনীয় এআই মডেল, যা শুধুমাত্র টেক্সট নয়, বরং ছবি, অডিও, ভিডিও এবং কোডও বুঝতে ও প্রক্রিয়া করতে সক্ষম।
- জেমিনি মডেলের তিনটি সংস্করণ রয়েছে: জেমিনি আল্ট্রা (Gemini Ultra), যা সবচেয়ে শক্তিশালী; জেমিনি প্রো (Gemini Pro), যা বিভিন্ন ধরনের কাজে ব্যবহৃত হয়; এবং জেমিনি ন্যানো (Gemini Nano), যা মোবাইলের মতো ডিভাইসের জন্য অপ্টিমাইজ করা হয়েছে।

গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই। [তথ্য: জুলাই, ২০২৫ পর্যন্ত]
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- Google + হলো একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং সেবা।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. গুগল অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

.
নিচের কোনটি SaaS সফটওয়্যার?
  1. Google Docs
  2. Microsoft 365
  3. Google App Engine
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

Google Docs এবং Microsoft 365 উভয়ই Software as a Service বা SaaS মডেলের অধীনে পরিচালিত হয়।
- এই মডেলে, ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী (যেমন: গুগল ও মাইক্রোসফট) তাদের অ্যাপ্লিকেশনগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কাছে সরবরাহ করে।

SaaS (Software as a Service):
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
- উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo!mail,
- Zoho.

PaaS (Platform as a Service):
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
- উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
কোন ধরনের হ্যাকার অননুমোদিতভাবে কোনো সিস্টেমের দুর্বলতা খুঁজে বের করে অর্থ উপার্জন করে?
  1. পার্পল হ্যাট হ্যাকার
  2. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  3. গ্রিন হ্যাট হ্যাকার
  4. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
গ্রে হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রে হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা অননুমোদিতভাবে কোনো সিস্টেমের দুর্বলতা খুঁজে বের করে অর্থ উপার্জন করে।
- গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা এমন এক ধরনের হ্যাকার, যারা বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজই করে।
- তারা সাধারণত কোনো প্রতিষ্ঠানের অনুমতি ছাড়াই তাদের সিস্টেমে দুর্বলতা খুঁজে বের করে। এরপর তারা সেই দুর্বলতাগুলো প্রকাশ করে অথবা তা ঠিক করে দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ দাবি করে।

হ্যাকিং:
- হ্যাকিং বলতে বোঝানো হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বা ব্যবহারকারীর বিনা অনুমতিতে তার কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা। যারা এই কাজ করে থাকে তাদেরকে বলা হয় কম্পিউটার হ্যাকার বা হ্যাকার।

হ্যাকারদের শ্রেণিবিভাগ:
১. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার,
২. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার,
৩. গ্রে হ্যাট হ্যাকার ইত্যাদি।

হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা কোনো সিস্টেমের উন্নতির জন্য সেটির নিরাপত্তা ছিদ্রসমূহ খুঁজে বের কর।
- এদেরকে এথিক্যাল হ্যাকারও (ethical hacker) বলা হয়।
- এরা সিস্টেমের কোন ক্ষতি করে না বরং সিকিউরিটি বৃদ্ধি করে।

ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরণের হ্যাকাররা অবৈধ কাজ করে এবং ইনফরমেশন চুরি করে সাইবার অপরাধ করে।
- এদের ক্রেকারও বলে।

গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এরা হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও ব্লাক হ্যাট হ্যাকারের মাঝামাঝি এক ধরনের হ্যাকার।
- এরা নেটওয়ার্কের দূর্বলতাগুলো খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানায়।
- দুর্বল দিকগুলো ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
কোন ধরনের সাইবার অপরাধে একজন আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর ফাইল এনক্রিপ্ট করে এবং তার বিনিময়ে মুক্তিপণ দাবি করে?
  1. Phishing
  2. Debugging
  3. Ransomware
  4. Data diddling
সঠিক উত্তর:
Ransomware
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ransomware
ব্যাখ্যা

র‍্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যার (malware) যা কোনো কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করে ফাইলগুলো এনক্রিপ্ট করে দেয়, যাতে ব্যবহারকারী সেগুলোতে প্রবেশ করতে না পারে।
- ফাইল এনক্রিপ্ট করার পর, আক্রমণকারী সেই ফাইলগুলোর অ্যাক্সেস ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যবহারকারীর কাছে মুক্তিপণ (ransom) দাবি করে। 

ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software।
- সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়‍্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে।
- অপরপক্ষে ম্যালওয়‍্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়‍্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

উল্লেখ্য,
- Phishing: এটি এক ধরনের সাইবার অপরাধ যেখানে একজন প্রতারক ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে কোনো বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের ছদ্মবেশ ধারণ করে ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড বা ক্রেডিট কার্ডের বিবরণ, হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
- Debugging: এটি কোনো অপরাধ নয়। এটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যেখানে কোডের মধ্যে থাকা ভুল বা ত্রুটি (bugs) খুঁজে বের করে তা ঠিক করা হয়।
- Data diddling: এটি এমন একটি সাইবার অপরাধ যেখানে ডেটা ইনপুট হওয়ার সময় বা প্রক্রিয়াকরণের সময় তাতে অবৈধভাবে পরিবর্তন করা হয়। এটি ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়ার মতো নয়।

তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। ব্রিটানিকা।

.
একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত এবং প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করে কোন কী?
  1. ফরেন কী
  2. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  3. প্রাইমারি কী
  4. অল্টারনেট কী
সঠিক উত্তর:
কম্পোজিট প্রাইমারি কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পোজিট প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা

ডাটাবেজে একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত এবং প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করে এমন কী-কে কম্পোজিট কী বা কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলা হয়।

• কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।

• ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার। যথা -
- প্রাইমারি কী,
- কম্পোজিট কী এবং
- ফরেন কী।

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।

২. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

৩. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিচের কোনটি RDBMS সফটওয়্যার নয়?
  1. MySQL
  2. IBM Db2
  3. MongoDB
  4. Oracle
সঠিক উত্তর:
MongoDB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MongoDB
ব্যাখ্যা

• MongoDB হলো একটি NoSQL ডেটাবেজ যা ডকুমেন্ট-ভিত্তিক কাঠামো ব্যবহার করে। এটি প্রচলিত রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)-এর মতো টেবিল, সারি বা কলামের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি।
-  
NoSQL ডেটাবেজগুলো ভিন্ন কাঠামোতে (যেমন ডকুমেন্ট, গ্রাফ বা কী-ভ্যালু পেয়ার) ডেটা সংরক্ষণ করে, যা কিছু বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশনের জন্য বেশি উপযোগী।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- IBM Db2,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোন প্রযুক্তি বা ধারণার মাধ্যমে দৈনন্দিন ব্যবহারের বিভিন্ন বস্তু, যেমন গৃহস্থালি সরঞ্জাম ও যানবাহন, ইন্টারনেট ব্যবহার করে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে?
  1. ক্লাউড কম্পিউটিং
  2. মেশিন লার্নিং
  3. ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)
  4. সাইবার সিকিউরিটি
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT)
ব্যাখ্যা

IoT হল এমন একটি নেটওয়ার্ক যেখানে সেন্সর সমৃদ্ধ ডিভাইস, যন্ত্রপাতি ও উপকরণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুক্ত থাকে এবং তথ্য সংগ্রহ, প্রেরণ ও গ্রহণ করে।

ইন্টারনেট:
- ইন্টারনেট হলো একটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সংযোগ ব্যবস্থা, যা বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে একত্রিত করে একটি "নেটওয়ার্ক অফ নেটওয়ার্কস” তৈরি করেছে।
- এটি প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৭০ এর দশকে শুরু হলেও সাধারণ মানুষের জন্য এটি পরিচিত হয় ১৯৯০ এর দশকের শুরুতে।
- ২০২০ সালের মধ্যে পৃথিবীর অর্ধেকের বেশি, প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছিলেন।
- ইন্টারনেটের জনপ্রিয়তা বাড়ার একটি বড় কারণ হলো "স্মার্ট” ডিভাইস ও "ইন্টারনেট অফ থিংস” (IoT), যেখানে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যেমন স্মার্টফোন, যন্ত্র, থার্মোস্ট্যাট, নিরাপত্তা ক্যামেরা, গাড়ি, এমনকি পুরো শহর ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

.
সাইবার নিরাপত্তায় কোনো সিস্টেমে গোপনে ও অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করাকে কী বলে? 
  1. প্লেজিয়ারিজম
  2. স্পুফিং
  3. স্নিকিং
  4. স্প্যামিং
সঠিক উত্তর:
স্নিকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নিকিং
ব্যাখ্যা

সাইবার নিরাপত্তায় 'স্নিকিং' বলতে বোঝায় কারো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে গোপনে এবং অনুমতি ছাড়াই প্রবেশ করা।
- এটি হ্যাকিং বা ক্ষতিকর কার্যকলাপের একটি প্রাথমিক ধাপ।
- এটি তথ্য চুরি, সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ বা ক্ষতিকারক কাজ করার উদ্দেশ্যে করা হয়।
- অন্য ধরনের আক্রমণের মতো সরাসরি ক্ষতি বা সিস্টেম ক্র্যাশ না করেও এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক, কারণ এটি গোপনে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেয়।

সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং - বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।
- Salami Attack - অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।
- Denial of Service Attack - বেশি পরিমাণেরিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব - ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা।
- ট্রোজান এ্যাটাক - পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।