পরীক্ষা আর্কাইভ

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি

পরীক্ষাখাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১ সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: ১. ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ। ২. রাষ্ট্র, নাগরিকতা, সংবিধান, সরকার ও রাজনীতি, সরকারি ও বেসরকারি লক্ষ্য, নীতি, পরিকল্পনা (অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা), কর্মসূচি, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও পররাষ্ট্র নীতি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
নাগরিকের নৈতিক কর্তব্য নয় কোনটি?
  1. রোগীর সেবা
  2. আইন মেনে চলা
  3. ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান
  4. শোকার্তকে সান্ত্বনা প্রদান
সঠিক উত্তর:
আইন মেনে চলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন মেনে চলা
ব্যাখ্যা
• নাগরিকের নৈতিক কর্তব্য নয় আইন মেনে চলা।

বাংলাদেশের নাগরিকতা:
- বাংলাদেশের নাগরিকতা প্রধানত জন্মসূত্রে নির্ণয় করা হয়।
- বাংলাদেশে জন্ম নেয়া সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।

নাগরিকের কর্তব্য:
- কর্তব্য বলতে নাগরিকের দায়িত্ব বোঝায়।
- নাগরিকগণ যেমন রাষ্ট্র প্রদত্ত অধিকার ভোগ করে, তেমনি রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের কর্তব্যও রয়েছে।
নাগরিক কর্তব্য দুই ভাগে বিভক্ত।
- যথা: (ক) নৈতিক কর্তব্য (খ) আইনগত কর্তব্য।

নৈতিক কর্তব্য:
- ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান, রোগীর সেবা,
- শোকার্তকে সান্ত্বনা প্রদান,
- দুর্যোগ, মহামারী, বন্যা, খরা ও দুর্ভিক্ষের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

আইনগত কর্তব্য:
- নির্বাচনে ভোটদান করা,
- আইন মেনে চলা,
- নিয়মিত কর প্রদান করা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাঙালির জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা কোনটি?
  1. ছয় দফা আন্দোলন
  2. এগারো দফা আন্দোলন
  3. শিক্ষা আন্দোলন
  4. ভাষা আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
সংগ্রাম:
- বাঙালির জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

অন্যদিকে,
- শিক্ষা আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬২ সালে।
- ছয়দফা আন্দোলন আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬৬-৬৮ সালে।
- মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
সুনাগরিকের কমপক্ষে কয়টি গুণ থাকা বাঞ্চনীয়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
সুনাগরিক:
- সুনাগরিকের কমপক্ষে ৩টি গুণ থাকা বাঞ্চনীয়। যথা:
(১) বুদ্ধি।
(২) আত্মসংযম।
(৩) বিবেক থাকে।

বুদ্ধি (Intelligence):
- বুদ্ধিমান নাগরিক রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য। এটি সুনাগরিকের প্রথম ও প্রধান গুন। নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকেরই রাষ্ট্রের প্রতি অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকে। আধুনিক রাষ্ট্র নাগরিকদের অনেক সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে থাকে। একজন সচেতন ও বুদ্ধিমান নাগরিক এইসব সেবাগুলো কি, কোথা থেকে পাওয়া যায় ও কিভাবে পাওয়া যায় তা ভালোভাবে জানে। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালনের জন্যও একজন নাগরিককে প্রথমত বুদ্ধিমান হওয়া প্রয়োজন।

আত্মসংযম (Self-control):
- ব্যক্তিস্বার্থ ত্যাগ করা ও অন্যের মতামতের প্রতি সহিষ্ণুতাই হলো আত্মসংযম। আত্মসংযম ছাড়া কেউ সুনাগরিক হতে পারে না। এটি নাগরিককে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্বশীল করে। অনেক ক্ষুদ্র স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করতে উৎসাহ যোগায়। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় আত্মসংযম অপরিহার্য। অন্যকে মত প্রকাশের সুযোগ দেয়ার মধ্য দিয়ে প্রকৃত গণতান্ত্রিক চেতনার প্রকাশ ঘটে। আত্মসংযমী হয়ে কোন নাগরিক জীবনে সমৃদ্ধি, কল্যাণ ও সুনাম বয়ে নিয়ে আসে, তেমনি জাতির জীবনে আসে সফলতা। তাই সুনাগরিক হওয়ার জন্য তাকে অবশ্যই আত্মসংযমী হতে হবে।

বিবেক (Conscience):
- বিবেক আছে বলেই মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। তবে সকল মানুষের বিবেক এক রকমভাবে কাজ করে না। এটি স্বকীয় ও মৌলিক একটি সত্তা। এই বিবেকই মানুষকে ভাল-মন্দের মাঝে পার্থক্য করতে শেখায়। অর্থাৎ বিবেকসম্পন্ন মানুষ সাধারণত অন্যের ক্ষতি না করে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণ সাধনে কাজ করে। অন্যদিকে বিবেকহীন মানুষ অপরের ভালমন্দ চিন্তা না কওে নিজ স্বার্থে লিপ্ত থাকে। দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে। ব্যক্তিস্বাধীনতা ও জাতীয় স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সচেতন থাকা, শৃঙ্খলা ও সময়ানুবর্তিতার প্রতি অনুরাগী হওয়া, সাধারণ জ্ঞান, প্রজ্ঞার অধিকারী হওয়া। নিজ সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত থাকাও সুনাগরিকের গুণ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রাষ্ট্রের উপাদান নয় কোনটি?
  1. জাতীয়তাবাদ
  2. জনসমষ্টি
  3. সার্বভৌমত্ব
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
• জাতীয়তাবাদ রাষ্ট্রের উপাদান নয়।

রাষ্ট্রের উপাদান:
- রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান পাওয়া যায়।
যথা:
• জনসমষ্টি।
• নির্দিষ্ট নির্দিষ্ট ভূখন্ড।
• সরকার।
• সার্বভৌমত্ব।
- সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও
সর্বোচ্চ ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বোর্ড বই ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন কে?
  1. আ. স. ম. আবদুর রব
  2. শাহজাহান সিরাজ
  3. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  4. সিরাজুল আলম খান
সঠিক উত্তর:
শাহজাহান সিরাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজাহান সিরাজ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ইশতেহার:
- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে।
- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- ছাত্রনেতা শাহজাহান সিরাজ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয় ।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
কোন ধারণার উপর ভিত্তি করে পুঁজিবাদী রাষ্ট্র পরিচালিত হয়?
  1. রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ
  2. মুক্ত বাজার অর্থনীতি
  3. নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতি
  4. সম্পদের সুষম বন্টন
সঠিক উত্তর:
মুক্ত বাজার অর্থনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্ত বাজার অর্থনীতি
ব্যাখ্যা
পুঁজিবাদী রাষ্ট্র:
- পুঁজিবাদী রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ব্যক্তিগতভাবে পুঁজি সংগ্রহ, বিনিয়োগ ও মুনাফা অর্জনের উপর রাষ্ট্রের কোনো হস্তক্ষেপ থাকে না।
- এক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যতা থাকে এবং অবাধ প্রতিযোগিতার সুযোগ বিদ্যমান।
- সাধারণত পুঁজিবাদী রাষ্ট্র মুক্ত বাজার অর্থনীতির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠে।
- এক্ষেত্রে রাষ্ট্র বাজারকে নিয়ন্ত্রণ করবে না বরং চাহিদা ও যোগান দ্বারা বাজার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হয়।
- পুঁজিবাদী রাষ্ট্রে পুঁজিপতিরা রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হয়।
- এ ধরনের রাষ্ট্রে জনকল্যাণমূলক ব্যয় কম হয় এবং সরকার পুঁজি বিনিয়োগের যাবতীয় কাঠামোগত ও নীতিগত সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি করে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ক্ষমতার উৎসের ভিত্তিতে রাষ্ট্র প্রধানত কত প্রকার?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্র:
- ক্ষমতার উৎসের ভিত্তিতে রাষ্ট্র প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
• গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
• একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্র।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে শাসনকার্যে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করে।
- এ ব্যবস্থা ব্যক্তি স্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অংশগ্রহণ, ভোটাধিকার প্রয়োগসহ রাজনীতি চর্চার সুযোগ থাকে।

একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্র:
- একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এক ব্যক্তির শাসন বহাল থাকে।
- ফলে সেই একনায়কের আদেশ-নির্দেশ উপেক্ষা করে নিজস্ব মত প্রকাশের মাধ্যমে সরকার পরিচালনা করা সম্ভব হয় না।
- জনগণ স্বাধীনভাবে রাজনীতি চর্চা করতে পাওে না, তাছাড়া এ ব্যবস্থায় ব্যক্তি স্বাধীনতার কোন অবকাশও নেই।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোন দেশে এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা রয়েছে?
  1. কানাডা
  2. ভারত
  3. বাংলাদেশ
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা বন্টনের নীতির ভিত্তিতে সরকার:

- এককেন্দ্রিক সরকার: যে শাসন ব্যবস্থায় সাংবিধানিকভাবে সকল ক্ষমতা কেন্দীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং একটি কেন্দ্র থেকে সকল ক্ষমতা পরিচালিত হয়
তাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে। যেমন: ফ্রান্স, বাংলাদেশ, জাপান, ইতালি।

- যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার: যখন কতিপয় স্বাধীন রাষ্ট্র পরস্পর বিচ্ছিন না থেকে পারস্পারিক চুক্তির মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম কর্তৃত্বের অধীনে ঐক্যবদ্ধ ভাবে নতুন রাষ্ট্র গঠন করে তাকে যুক্তরাষ্ট্র বলে। যুক্তরাষ্টড়ীয় সরকার একটি দ্বৈত সরকার। একাহ্নে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকার বিদ্যমান। যেমন: ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা।

তথ্যসূত্র - একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর পৌরনীতি ও সুসাশন বই, ব্রিটানিকা।
.
মুজিবনগর সরকারের কত সদস্য বিশিষ্ট্য উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছিল?
  1. ৫ জন
  2. ৬ জন
  3. ৭ জন
  4. ৮ জন
সঠিক উত্তর:
৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ জন
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনি সিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় কত সালে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা
হামিদুর রহমান:
- ১৯৫৩ সালে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার খোর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে তিনি জম্ম গ্রহণ করেন।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে তিনি যোগ দেন সেনাবাহিনীতে।
- হামিদুর রহমানের পদবী ছিল সিপাহী।
- ১৯৭১ সালে হামিদুর রহমান মুক্তিবাহিনীর সাহসী সদস্য হিসেবে যুদ্ধ করছিলেন সিলেট শ্রীমঙ্গল এলাকায়।
- ১৯৭১ সালের ২৮শে অক্টোবর সম্মুখ যুদ্ধে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধে বিরোচিত ভূমিকা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা বীরশ্রেষ্ট খেতাবে ভূষিত হন।
- সুদীর্ঘ ৩৬ বছর পর ১০ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়।
- ১১ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১.
বাংলাদেশ-ভারত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদকাল কত বছর?
  1. ২০ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-ভারত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি:
- বাংলাদেশ-ভারত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর।
- দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৗড়া ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- দুই প্রধানমন্ত্রীই তখন সবেমাত্র প্রথমবার দেশের ক্ষমতায় এসেছেন - তারপরও বহু বছরের এই অমীমাংসিত বিষয়টি অসম্ভব দ্রুততার সঙ্গে নিষ্পত্তি হয়েছিল তাদের আমলেই।
- দুই প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া ও শেখ হাসিনা দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে বসে গঙ্গা-চুক্তিতে সই করছেন।
- এ চুক্তির মেয়াদকাল ৩০ বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে এর মেয়াদ শেষ হবে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২.
বাংলাদেশ সরকার গৃহীত প্রথম দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্রের মেয়াদ কোনটি?
  1. ২০০২-২০০৫
  2. ২০০৩-২০০৬
  3. ২০০৪-২০০৭
  4. ২০০৫-২০০৮
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৮
ব্যাখ্যা
দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র:
- 'PRSP' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Poverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র)।
- আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহীত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP।
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
- উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র - IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১৩.
বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ২নং সেক্টর
  2. ৬নং সেক্টর
  3. ৯নং সেক্টর
  4. ১১নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
২নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল:
- তাঁর জন্ম ১৯৪৯ সালে বরিশালের দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে।
- ১৯৬৮ সালে তিনি পাকিস্তানের চতুর্থ ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধ শুরুর কয়েকদিন পূর্বে বক্সার হিসাবে সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা অবৈতনিক ল্যান্স নায়েক হিসাবে পদোন্নতি পান।
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ৪ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোতায়েন করে।
- বীর শ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আশুগঞ্জ, উজানিস্বর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- ১৮ এপ্রিল অসীম সাহসের সাথে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন।
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দরুইন গ্রামের জনগণ মোস্তফা কামালকে তাঁর শাহাদাতের স্থানের পাশেই সমাহিত করে।
- মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।