পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিক - ধ্বনিতত্ত্ব [ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান; সন্ধি]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
পাশাপাশি ধ্বনির মিলনকে কী বলে? 
  1. সন্ধি
  2. সমাস
  3. উপসর্গ
  4. অনুসর্গ
সঠিক উত্তর:
সন্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্ধি
ব্যাখ্যা
সন্ধি: 
- পাশাপাশি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। 
- পৃথিবীর বহু ভাষায় পাশাপাশি শব্দের একাধিক ধ্বনি নিয়মিতভাবে সন্ধিবদ্ধ হলেও বাংলা ভাষায় তা বিরল। 
যেমন - আমি এখন চা আনতে যাই' বাংলা ভাষার এই বাক্যটিকে সন্ধির সূত্র অনুযায়ী ‘আম্যেখন চানতে যাই' বলা যায় না। 
- তবে বাংলা ভাষায় উপসর্গ-প্রত্যয় দিয়ে এবং সমাস প্রক্রিয়ায় শব্দগঠনের ক্ষেত্রে সন্ধির সূত্র কাজে লাগে। 
- সন্ধি তিন প্রকার। 
যথা- 
১। স্বরসন্ধি, 
২। ব্যঞ্জনসন্ধি ও 
৩। বিসর্গসন্ধি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
‘অতীত’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি? 
  1. অতি + ত
  2. অতি + ঈত
  3. অতি + তিত
  4. অতি + ইত
সঠিক উত্তর:
অতি + ইত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতি + ইত
ব্যাখ্যা
- ‘অতীত’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো- অতি + ইত। 

বাংলা ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মানুসারে, 
- ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়। 
যেমন- 
• অতীত, 
• পরীক্ষা, 
• প্রতীক্ষা, 
• সতীন্দ্র, 
• রবীন্দ্র, 
• মহীন্দ্র, 
• সতীশ ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ,নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'হিতাহিত' শব্দটি স্বরধ্বনির কোন নিয়মে গঠিত হয়েছে? 
  1. অ + অ = আ
  2. আ + অ = আ
  3. আ + আ = আ
  4. অ + আ = আ
সঠিক উত্তর:
অ + অ = আ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ + অ = আ
ব্যাখ্যা
স্বরসন্ধি: 
- স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনের নাম স্বরসন্ধি। 
- অ-কার কিংবা আ-কারের পর অ-কার কিংবা আ-কার থাকলে উভয় মিলে আ-কার হয়, আ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। 
যেমন- 
অ + অ = আ ⇒ নর + অধম = নরাধম । এরূপ-হিতাহিত (হিত + অহিত), হিমাচল, হস্তান্তর, প্রণাধিক ইত্যাদি। 
• অ + আ = আ ⇒ হিম + আলয় = হিমালয়। এরূপ-সিংহাসন, দেবালয়, রত্নাকর ইত্যাদি। 
• আ + অ = আ ⇒ যথা + অর্থ = যথার্থ। এরূপ-মহার্ঘ, আশাতীত, কথামৃত ইত্যাদি। 
• আ + আ = আ ⇒ বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। এরূপ- মহাশয়, সদানন্দ, কারাগার ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন বাংলা পদের সাথে সন্ধি হয় না? 
  1. অব্যয়
  2. বিশেষ্য
  3. বিশেষণ
  4. ক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
সন্ধি: 
- 'সন্ধি' শব্দের অর্থ মিলন। 
- সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনের নাম সন্ধি। 
যেমন- আশা + অতীত = আশাতীত। 

সন্ধির কতিপয় উদ্দেশ্য: 
- সন্ধির মাধ্যমে ধ্বনির মিলন হয়। 
- নতুন শব্দ তৈরি করা হয়। 
- উচ্চারণ সহজতর হয়। 

সন্ধির ক্ষেত্রে বর্জনীয়: 
- বাংলা ক্রিয়াপদের সাথে সন্ধি করা যায় না। 
- খাঁটি বাংলা শব্দের সাথে বিসর্গ সন্ধি করা যায় না। 
- খাটি বাংলা শব্দের সাথে তৎসম শব্দের সন্ধি করা যায় না, এতে গুরুচণ্ডালী দোষ হয়। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ।
.
ষ-ত্ব বিধান অনুযায়ী কোনটি অশুদ্ধ? 
  1. সুষুপ্ত
  2. চক্ষুষ্মান
  3. ধূলিষাৎ
  4. ভবিষ্যৎ
সঠিক উত্তর:
ধূলিষাৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধূলিষাৎ
ব্যাখ্যা
ষ-ত্ব বিধান: 
- বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ষ ধ্বনির ব্যবহার নেই। 
- তাই দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ লেখার প্রয়োজন হয় না। 
- কেবল কিছু তৎসম শব্দে ষ-এর প্রয়োগ রয়েছে। 
- তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ এর ব্যবহারের নিয়মকে ষ-ত্ব বিধান বলে। 

‘ষ’ ব্যবহারের নিয়ম: 
১. 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়। 
যেমন- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট ইত্যাদি। 

২. ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়। 
যেমন- কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।  

৩. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের ‘স’ ‘ষ’ হয়। 
যেমন- ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি। 

৪. ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে ‘ষ” হয়। 
যেমন- অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি। 

৫. তৎসম শব্দে ‘র’-এর পর ‘ষ’ হয়। 
যেমন- বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ। 

৬. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়। 
যেমন- ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ঊষা, পৌষ ইত্যাদি। 

ষ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়: 
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে স হয় না। 
যেমন- জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি। 

- সংস্কৃত ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত পদেও ‘ষ’ হয় না। 
যেমন- অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের কোন সন্ধি-বিচ্ছেদটি সঠিক? 
  1. ষট + অনন = ষড়ানন
  2. সুপ্‌ + অন্ত = সুবন্ত
  3. দিক + অন্ত = দিগন্ত
  4. নিজ + অন্ত = ণিজন্ত
সঠিক উত্তর:
সুপ্‌ + অন্ত = সুবন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্‌ + অন্ত = সুবন্ত
ব্যাখ্যা
- "সুপ্‌ + অন্ত = সুবন্ত" একটি সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ। 

সন্ধি: 
- সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনের নাম সন্ধি। 
যেমন- আশা + অতীত = আশাতীত। 

অন্যদিকে, 
- অন্যান্য শব্দের সঠিক সন্ধি-বিচ্ছেদ হলো: 
• দিক্‌ + অন্ত = দিগন্ত, 
• ণিচ্‌ + অন্ত = ণিজন্ত এবং 
• ষট্‌ + আনন = ষড়ানন। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি? 
  1. সঞ্চয়
  2. বাগ্দান
  3. পরিচ্ছেদ
  4. বৃহস্পতি
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি
ব্যাখ্যা
ব্যঞ্জনসন্ধি: 
- স্বরে-ব্যঞ্জনে, ব্যঞ্জনে-স্বরে ও ব্যঞ্জনে-ব্যঞ্জনে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। 

ক. স্বর + ব্যঞ্জন: স্বর + ছ = স্বর + চ্ছ। 
যেমন- কথা + ছলে = কথাচ্ছলে, পরি + ছেদ = পরিচ্ছেদ।  
এখানে, পূর্ববর্তী স্বরের প্রভাবে পরবর্তী ছ-এর জায়গায় চ্ছ হয়েছে। 

খ. ব্যঞ্জন + স্বর: ক/চ/ট/ত/প + স্বর = গ/জ/ড(ড়)/দ/ব। 
যেমন- দিক্ + অন্ত = দিগন্ত, সৎ + উপায় = সদুপায়। 
- স্বরধ্বনিগুলো ঘোষবৎ হয়। 
এখানে, ঘোষবৎ স্বরধ্বনির প্রভাবে পূর্ববর্তী অঘোষ ধ্বনি (ক, চ, ট, ত, প) পরিবর্তিত হয়ে ঘোষধ্বনিতে (গ, জ, ড, দ, ব) পরিণত হয়। 

গ. ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন: ব্যঞ্জনসন্ধিতে একটি ধ্বনির প্রভাবে পার্শ্ববর্তী ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে যায়। 
যেমন- 
• চলৎ + চিত্র = চলচ্চিত্র (এখানে চ-এর প্রভাবে ত হয়েছে চ), 
• বিপদ্ + জনক = বিপজ্জনক (এখানে জ-এর প্রভাবে দ হয়েছে জ), 
• উৎ + লাস = উল্লাস (এখানে ল-এর প্রভাবে ত হয়েছে ল), 
বাক্ + দান = বাগ্দান (এখানে ঘোষধ্বনি দ-এর প্রভাবে ক হয়েছে গ), 
• তৎ + মধ্যে = তন্মধ্যে (এখানে নাসিক্য ধ্বনি ম-এর প্রভাবে ত হয়েছে ন), 
• শম্ + কা = শঙ্কা (এখানে কণ্ঠ্যধ্বনি ক-এর প্রভাবে ম হয়েছে ঙ), 
সম্ + চয় = সঞ্চয় (এখানে তালব্যধ্বনি চ-এর প্রভাবে ম হয়েছে ঞ), 
• সম্ + তাপ = সন্তাপ (এখানে দন্ত্যধ্বনি ত-এর প্রভাবে ম হয়েছে ন), 
• সম্ + মান = সম্মান (এখানে ওষ্ঠ্যধ্বনি ম-এর প্রভাবে ম অপরিবর্তিত রয়েছে), 
• ষষ্ + থ = ষষ্ঠ (এখানে মূর্ধন্যধ্বনি ষ-এর প্রভাবে থ হয়েছে ঠ)। 

নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি: 
- কিছু ব্যঞ্জনসন্ধি নিয়ম ছাড়া হয়, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। 
যেমন– 
• গো + পদ = গোষ্পদ, 
• এক + দশ = একাদশ, 
বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
নিচের কোন শব্দটিতে বিসর্গ ‘ও’ হয়েছে? 
  1. নীরোগ
  2. আরোগ্য
  3. ভৌগোলিক
  4. তিরোধান
সঠিক উত্তর:
তিরোধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিরোধান
ব্যাখ্যা
বিসর্গসন্ধি: 
- বিসর্গসন্ধিতে বিসর্গের কয়েক ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। 
যেমন- 
১. বিসর্গ বিদ্যমান থাকে। 
যেমন- মনঃ + কষ্ট = মনঃকষ্ট, অধঃ + পতন = অধঃপতন, বয়ঃ + সন্ধি = বয়ঃসন্ধি। 

২. বিসর্গ ‘ও’ হয়ে যায়। 
যেমন- মনঃ + যোগ = মনোযোগ, তিরঃ + ধান = তিরোধান, তপঃ + বন = তপোবন। 

৩. বিসর্গ ‘র্’ হয়ে যায়। 
যেমন- নিঃ + আকার = নিরাকার, পুনঃ + মিলন = পুনর্মিলন, আশীঃ + বাদ = আশীর্বাদ। 

৪. বিসর্গ শ/ষ/স্ হয়। 
যেমন- নিঃ + চয় = নিশ্চয়, দুঃ + কর = দুষ্কর, পুরঃ + কার = পুরস্কার। 

৫. কিছু কিছু সন্ধিতে পূর্ববর্তী স্বর দীর্ঘ হয়। 
যেমন- নিঃ + রব = নীরব, নিঃ + রস = নীরস, নিঃ + রোগ = নীরোগ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
ণ-ত্ব বিধান অনুসারে নিচের কোনটি সঠিক? 
  1. কাণ্ড
  2. ঋন
  3. কারন
  4. লবন
সঠিক উত্তর:
কাণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাণ্ড
ব্যাখ্যা
ণ-ত্ব বিধান: 
- তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মকে ণ-ত্ব বিধান বলে। 

ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম: 
১। ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় মূর্ধন্য হয়। 
যেমন—ঘণ্টা, লুণ্ঠন, কাণ্ড ইত্যাদি। 

২। ঋ, র, ষ—এর পরে মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। 
যেমন—ঋণ, তৃণ, বর্ণ, কারণ, ভীষণ ইত্যাদি। 

৩। কতগুলো শব্দে স্বভাবতই ‘ণ’ হয়। 
যেমন- বাণিজ্য, লবণ, বীণা, কল্যাণ, পুণ্য, নিপুণ, গণনা, পণ্য ইত্যাদি। 

৪। বিদেশি শব্দে ‘ণ’ হয় না। 
যেমন - হর্ন, ইস্টার্ন ইত্যাদি। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ।
১০.
'রবীন্দ্র' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি? 
  1. রবী + ঈন্দ্র
  2. রবি + ঈন্দ্র
  3. রবি + ইন্দ্র
  4. রবী + ইন্দ্র
সঠিক উত্তর:
রবি + ইন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবি + ইন্দ্র
ব্যাখ্যা
- ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়। 
- দীর্ঘ ঈ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। 
যেমন- 
রবি + ইন্দ্র = রবীন্দ্র
• সুধী + ইন্দ্র = সুধীন্দ্র, 
• পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা, 
• সতী + ইন্দ্র = সতীন্দ্র, 
• অতি + ইত = অতীত ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১১.
বাংলা ব্যাকরণে 'সন্ধি' কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
  1. ধ্বনিতত্ত্ব
  2. শব্দতত্ত্ব
  3. পদক্রম
  4. অর্থতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
ধ্বনিতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্বনিতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
- সব ভাষারই ব্যাকরণে প্রধানত চারটি বিষয়ের আলোচনা করা হয়। 
যথা- 
১. ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology), 
২. শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব (Morphology), 
৩. বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম (Syntax) এবং 
৪. অর্থতত্ত্ব (Semantics) । 
- এছাড়াও অভিধানতত্ত্ব (Lexicography), ছন্দ ও অলংকার প্রভৃতি ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়। 

ধ্বনিতত্ত্ব: 
- মানুষের বাক-প্রত্যঙ্গ অর্থাৎ কণ্ঠনালী, মুখবিবর, জিহ্বা, আল-জিহ্বা, কোমল তালু, শক্ত তালু, দাঁত, মাড়ি, চোয়াল, ঠোঁট ইত্যাদির সাহায্যে উচ্চারিত আওয়াজকে ‘ধ্বনি’ বলা হয়। 
- বাক-প্রত্যঙ্গজাত ধ্বনির সূক্ষ্মতম মৌলিক অংশ বা একককে ধ্বনিমূল বলা হয়। 
- বাক-প্রত্যঙ্গজাত প্রত্যেকটি ধ্বনি এককের জন্য প্রত্যেক ভাষারই লেখার সময় এক একটি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। 
- ধ্বনির উচ্চারণপ্রণালী, উচ্চারণের স্থান, ধ্বনির প্রতীক বা বর্ণের বিন্যাস, ধ্বনিসংযোগ বা সন্ধি, ধ্বনির পরিবর্তন ও লোপ, ণত্ব ও ষত্ব বিধান ইত্যাদি বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
'মনীষা' এর সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি? 
  1. মন + ইষা
  2. মনস্ + ঈষা
  3. মন + ঈষা
  4. মনস + ইষা
সঠিক উত্তর:
মনস্ + ঈষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনস্ + ঈষা
ব্যাখ্যা
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি: 
- কতগুলাে সন্ধি কোনাে নিয়মে সাধিত হয় না এমন সন্ধিকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। 
- নিচে কতগুলো নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধির উদাহরণ দেয়া হলো- 
- বন্ + পতি = বনস্পতি, 
- ষট্ + দশ = ষােড়শ, 
- বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি, 
- মনস্ + ঈষা = মনীষা
- এক + দশ = একাদশ, 
- পর্ + পর = পরস্পর, 
- আ + চর্য = আশ্চর্য এবং 
- গাে + পদ = গােষ্পদ ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।