পরীক্ষা আর্কাইভ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

পরীক্ষাইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৪ সাধারণ জ্ঞান: পরীক্ষা - ৪ টপিক: সংবিধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
সংবিধান কমিটি গঠন করা হয় কবে?
  1. ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
  2. ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে
  4. ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
গণপরিষদ এবং অস্থায়ী সংবিধান সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ:
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় - ২৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে -১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে। ঐদিন গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান কমিটি গঠন করা হয় ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- শাসনতন্ত্র  কমিটির প্রথম বৈঠক হয়েছিলো - ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- কমিটির শেষ বৈঠক এবং খসড়া সংবিধান অনুমোদন - ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানে খসড়া সংবিধান গৃহীত - ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধানে স্বাক্ষর - ১৪, ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান কার্যকর, গণপরিষদ বিলুপ্ত - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হয় কবে?
  1. ১১ নভেম্বর, ২০০৭
  2. ১ নভেম্বর, ২০০৮
  3. ১ নভেম্বর, ২০০৭
  4. ১ নভেম্বর, ২০০৯
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০০৭
ব্যাখ্যা
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে আলোচনা করা হয়েছে।
- ১৯৯৪ সালে সাবেক জেলা জজ মাজদার হোসেন বিচারবিচাগ পৃথকীকরণের জন্যে হাইকোর্টে রিট করলে আপিল বিভাগ ১৯৯৯ সালে এর চূড়ান্ত রায়ে ১২ দফা নির্দেশনা প্রদান করে।
- এর ভিত্তিতেই ১ নভেম্বর ২০০৭ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হয়।
- এ দিন সংশোধিত ফৌজদারি কার্যবিধি কার্যকরের মাধ্যমে স্বাধীন বিচার বিভাগের যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে অধস্তন আদালত সমূহে বিচারক নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি জুডিশিয়াল সার্ভিস কাউন্সিল দেখভাল করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা। 
.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪১(ক) এর আলোচ্য বিষয় নিচের কোনটি?
  1. জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
  2. জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ
  3. প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি
  4. সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১৪১(ক) - জরুরী-অবস্থা ঘোষণা।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(খ) - জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(গ) - জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪২ -  সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৩ - প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৪ - সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫ - চুক্তি ও দলিল।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) - আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৬ - বাংলাদেশের নামে মামলা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৭ - কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৮ - পদের শপথ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
'অ্যাটর্নি জেনারেল' সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৬৩ নং
  2. ৬৪ নং
  3. ৬৫ নং
  4. ৬৭ নং
সঠিক উত্তর:
৬৪ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪ নং
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল:
- রাষ্ট্রের প্রধান আইনজীবীকে অ্যাটর্নি জেনারেল বলা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেলের কথা উল্লেখ আছে।
- ৬৪(১) সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দান করিবেন।
- ৬৪(২) অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
- ৬৪(৩) অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
- ৬৪(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।

এছাড়া,
অনুচ্ছেদ ৬৩ - যুদ্ধ
অনুচ্ছেদ ৬৫ - সংসদ প্রতিষ্ঠা
অনুচ্ছেদ ৬৭ - সংসদের আসন শূন্য হওয়া

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
জাতীয় নির্বাচন সংবিধানের কত নং অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়?
  1. ৫ম
  2. ৬ষ্ঠ
  3. ৭ম
  4. ৮ম
সঠিক উত্তর:
৭ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র
দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার
চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ
পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা
ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ
সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন
অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন
একাদশ অধ্যায় - বিবিধ

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতিকাল সর্বোচ্চ কতদিন?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
আইন বিভাগে আলোচ্য সময়সূচি:
- পুনর্বিবেচিত বিল রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি দিবেন।
- কোনো বিলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের সর্বোচ্চ সময় ১৫ দিন।
- নির্বাচলের পর সংসদের অভিবেশন আহবান করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে।
- অধ্যাদেশকে অধিবেশন শুরু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন দিতে হবে।
- সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতিকাল সর্বোচ্চ ৬০ দিন।
- সংসদের অনুমতি ব্যতীত ৯০ দিন অনুপস্থিত থাকলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।
- নির্বাচিত হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নিলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
.
'সমাবেশের স্বাধীনতা' সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৩৫নং
  2. ৩৭নং
  3. ৩৮নং
  4. ৩৯নং
সঠিক উত্তর:
৩৭নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় ভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদসমূহ : 
অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।